Are you the publisher? Claim or contact us about this channel

Embed this content in your HTML


Report adult content:

click to rate:

Account: (login)

More Channels


Channel Catalog

Channel Description:

This is my Real Life Story: Troubled Galaxy Destroyed Dreams. It is hightime that I should share my life with you all. So that something may be done to save this Galaxy. Please write to: bangasanskriti.sahityasammilani@gmail.comThis Blog is all about Black Untouchables,Indigenous, Aboriginal People worldwide, Refugees, Persecuted nationalities, Minorities and golbal RESISTANCE.

older | 1 | .... | 87 | 88 | (Page 89) | 90 | 91 | .... | 303 | newer

    0 0

    AMUSU to honour those acquitted in Akshardham temple attack case

    Aligarh : The AMU Students' Union has decided to honour 12 Muslim people who were acquitted of attacking the Akshardham temple in Gujarat in 2002.
    They were acquitted on May 16, 2014.
    They will be honoured at a public programme on Thursdayevening at AMU.
    The AMUSU has called for the creation of a National Fund for the Rehabilitation of Victims of State Terror.
    One of the persons who has been acquitted is Mufti Abdul Qayyum, a madrassa teacher.
    He has recently written a book on his horrific experiences in the jail during the 12 years he was incarcerated.


    Posted by: Abu Taha <>

    0 0

    Bhakti-Sufi Traditions: 



    Ram Puniyani


    In contemporary times, religions' identity is being used as cover for political agenda. Be it the terrorist violence or the sectarian nationalism in various parts of the World, religion is used to mask the underlying politics. While one was talking of separation of religion and politics many decades earlier, the times have been showing the reverse trends, more so in South Asia. Globally one came across the news that American President sent a chador [a ceremonial sheet of cloth] to the annual observation at the shrine of Khwaja Moinuddin Chishti at Ajmer. (April 2015). Later one also read (April 22, 2015) that Sonia Gandhi, Atal Bihari Vajpeyi, and Narendra Modi has also offered chadors at the shrine. 

    Keeping the relation between state, politics and religion apart, it is interesting that some traditions within religion have appeals cutting across the religious boundaries. The Sufi and Bhakti tradition in Pakistan-India, South Asia are two such humane trends from within Islam and Hinduism respectively, which harp more on unity of humanity as a whole overcoming the sectarian divides. The saints from these traditions had appeal amongst people of different religions and they were away from the centers of power, unlike the clergy which was close ally of the rulers in medieval times. We have seen rich traditions of people like Kabir, Tukaram, Narsi Mehta, Shankar Dev, Lal Dedh, clearly from within Hindu tradition, while Nizamuddin Auliya, Moinuddin Chishti, Tajuddin Baba Auliya, Ajan Pir, Nooruddin Noorani (also known as Nund Rishi) coming from a clear Islamic Sufi tradition and Satya Pir, Ramdev Baba Pir, having a mixed lineage where Bhakti and Sufi themselves are deeply intertwined.

    Sant Guru Nanak did try a conscious mixing of the two major religions of India, Hinduism and Islam. He traveled up to Mecca to learn the wisdom of Islam and went to Kashi to unravel the spiritual moral aspects of Hinduism. His first follower was Mardan and Miyan Mir was the one who was respectfully invited to lay the foundations of Golden Temple; the holy Sikh Shrine. The Guru Granth Sahib has an inclusive approach to religious wisdom and it takes the verses from Koran, couplets from Kabir and other Bhakti saints. No wonder people used to say of him 'Baba Nanak Sant Fakir, Hindu ka Guru Musalman ka Pir' (Saint Nanak is sant for Hindus and pir for Muslims)

    In today's scenario the global discussion has been centered round religion due to its use in political sphere. Now the renewed interest in Sufi tradition at one level is heartening. Sufism has been prominent in South Asia from last ten centuries. Word Sufi means coarse wool fabric, the type of clothes which were worn by Sufi mystics. It grew within Shiaism but over time some Sunnis also took to this sect.  It has strong streaks of mysticism and gave no importance to rituals and tried to have understanding of God by transcending the anthropomorphic understanding of Allah, looking at him more as a spiritual authority.  This is so similar to the belief held by Bhakti saints also. Many Sufi's had pantheistic beliefs and they articulated their values in very humane way.

    In the beginning the orthodox sects started persecuting them but later compromises were struck. The Sufis formed the orders of roving monks, dervishes. People of all religions in many countries frequent their shrines, this again is like Bhakti saints, who have following amongst people of different religions.

    On parallel lines Bhakti is probably the most outstanding example of the subaltern trend in Indian religious history. The Bhakti saints came from different streams of society, particularly from low caste. Bhakti opposed the institutionalization of religion, tried to decentralize it, and declared that religion is a private matter. It gave respectability to the separation of state power and religion and merged the concept of God worship with the process of getting knowledge. Travails of poor people are the focus of bhakti saints' work. Bhakti traditions gave respectability to many low castes. This tradition had inclusive approach towards Muslims as well. This tradition posed a challenge to upper caste hegemony.

    Bhakti tradition opposed the rituals, hegemony of elite of society. They adopted the languages more popular with the masses. Also they talked of one God. In India in particular Hindu Muslim unity has been one of the concerns expressed by many of the saints from this tradition.

    What one needs to realize is that there are various tendencies with every religion. The humane one's as represented by Bhakti and Sufi are the ones' which united Humanity and harped on morality-spirituality of religions. The intolerant tendencies have been usurped by political forces for their political agenda. In sub continent during the freedom movement the declining sections of society, Rajas, Nawabs, Land lords came up with Muslim and Hindu Communalism to begin with. This nationalism in the name of religion had nothing to do with morality of religions. It was use of religion's identity for political goals.  In the national movements we had people like Gandhi, Maulana Abul Kalam Azad who were religious but opposed to religious nationalism.

    The essence of Sufi and Bhakti tradition are reminders to us that spirituality, morality part of the religion has been undermined in the current times. The inclusive-humane nature of these traditions needs to be upheld and the divisive-exclusionary versions of religions have to be ignored for better future of humanity. 



    response only to

    0 0

    মাসুমুর রহমান খলিলী
    'বোকো হারাম'বানানোর রহস্য কী?
    জঙ্গিকাহিনী বাংলাদেশের মানুষের কাছে এখন নিত্য শোনা গল্পের মধ্যে একটি। প্রতিদিনের সংবাদপত্র খুললেই এর ধ্বনি প্রতিধ্বনি শুনতে পাওয়া যায়। কিন্তু বোকো হারামের কাহিনী বাংলাদেশের মানুষ খুব বেশি জানে না। লেখক প্রমথ চৌধুরীকে ছোটবেলায় আমরা অনেকেই যেমন প্রথম চৌধুরী পড়তাম তেমনি অনেকেই বোকো হারামকে পড়েন বোকা হারামি। তবে এই হারাম ওয়ালাদের যে সুনাম-দুর্নাম সংবাদপত্রে আসে, তাতে এ দল যে ভালো কিছু নয় তেমন ধারণা হওয়াটা খুবই স্বাভাবিক। বাংলাদেশে প্রায় সাত-আট দশক ধরে চেনা একটি দলকে আমেরিকার যখন নাইজেরিয়ার এই 'বোকো হারাম'হিসেবে দেখার কথা ওঠে, তখন বেশ খানিকটা ঔৎসুক্য সৃষ্টি হয়। বোকো হারামের একটি লম্বা নাম রয়েছে। তবে এ নামের চেয়ে ছোট বোকো হারাম নামেই এর পরিচিতি বেশি। যার অর্থ হলো 'পাশ্চাত্যের শিক্ষাদীক্ষা নিষিদ্ধ বা হারাম'। এই গোষ্ঠীটি মুসলিমদের জন্য পাশ্চাত্যের শিক্ষাদীক্ষাকে হারাম মনে করে। বোকোরা তাদের এই মনে করাকে কার্যকর করতে চায় অস্ত্রের মাধ্যমে। নাইজেরিয়ার উত্তরাঞ্চলের একটি বিস্তীর্ণ এলাকায় এই দলটি অস্ত্রের জোরে দখল প্রতিষ্ঠা করে রেখেছে। শত শত নাইজেরীয় নারি ও শিশুকে অপহরণ করে দীর্ঘ দিন আটকে রেখেছে তারা। এই সশস্ত্র গ্রুপটির তৎপরতা নাইজেরিয়া ছাড়িয়ে প্রতিবেশী ক্যামেরুন নাইজার শাদ ও বেনিনেও বিস্তৃত হয়েছে। এ দলটির হাতে নাইজেরিয়ার উত্তরাঞ্চলের হাজার হাজার মানুষ মারা গেছে গত কয়েক বছরে। শুধু ২০১৪ সালেই তাদের হাতে মৃত্যু হয়েছে ১০ হাজার নাইজেরীয়ের, যাদের প্রায় সবাই উত্তরাঞ্চলের অধিবাসী ও মুসলিম। একসময় আলকায়েদার সাথে দলটির সম্পর্কের কথা জানা যেত। এখন এর নেতা আবু বকর শেখাউ বোকো হারামকে ইরাক-সিরিয়ায় প্রতিষ্ঠা করা আইএসের কথিত খেলাফতের অংশ ঘোষণা করেছে। 
    এই উগ্র দলটির হাতে এমন সব অত্যাধুনিক অস্ত্রশস্ত্র কিভাবে গেল, যা নাইজেরিয়ার সরকারি বাহিনী চোখেও দেখেনি, সে এক রহস্যের ব্যাপার। নাইজেরিয়ার বোকো হারাম উপদ্রুত অঞ্চলের কাছাকাছি ইউএন সিস্টেমে কর্মরত আমার এক বন্ধুর পর্যবেক্ষণ হলো তেলসমৃৃদ্ধ নাইজেরিয়াকে অস্থির করে রাখার জন্য এটি হতে পারে আন্তর্জাতিক তেল মাফিয়া কোম্পানিগুলোর কৌশলের একটি অংশ। 
    বাংলাদেশের একটি শীর্ষস্থানীয় দৈনিকের বহুল পঠিত কলামে বলা হয়েছে, ২০ দলীয় জোটের অন্যতম অংশীদার জামায়াতে ইসলামীকে আমেরিকা এখন বোকো হারামের মতো সন্ত্রাসী দল হিসেবে চিহ্নিত করতে যাচ্ছে। কেন বাংলাদেশের একটি অন্যতম প্রধান রাজনৈতিক দলকে আমেরিকা আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত একটি সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে চিহ্নিত করে এর নেতাকর্মীদের ওপর ভ্রমণ ও অন্যান্য বিষয়ে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করতে যাবে, তার জন্য এক অদ্ভুত যুক্তি হাজির করা হয়েছে। সেটি হলোÑ বাংলাদেশ পরিস্থিতির ওপর অমেরিকার কংগ্রেশনাল শুনানিতে একটি হিন্দু সংগঠনের নেতা (হিন্দু আমেরিকান ফাউন্ডেশনের পরিচালক জে কানসারা) জামায়াতে ইসলামীকে সন্ত্রাসের জন্য অভিযুক্ত করে বোকো হারামের মতো সন্ত্রাসী সংগঠন ঘোষণা করতে বলেছে। কলামে বলা হয়েছে, এই পদক্ষেপ নেয়ার জন্য এই হিন্দু নেতাকে দিয়ে কংগ্রেশনাল হিয়ারিংয়ে দাবিটি তোলা হয়েছে। হিন্দু নেতার দাবি কার্যকর করা হলে আরইও ১৩২৪৪-এর আওতায় এক্সিকিউটিভ অর্ডারে উল্লেখ করা বিধিনিষেধের মধ্যে জামায়াতের ব্যক্তি বা সংগঠন পড়বে। যুক্তরাষ্ট্রের ট্রেজারি বিভাগ মার্কিন এখতিয়ারে আসা তাদের সব অর্থ ও সম্পদ আটকে দিতে পারবে। 
    কংগ্রেশনাল হিয়ারিং সম্পর্কে যারা সাধারণ ধারণা রাখেন, তারা এই মতলবি বক্তব্যের রহস্য ধরার চেষ্টা হয়তো করবেন। কিন্তু যারা অত খোঁজখবর রাখেন না তাদের সামনে বিএনপির এক জোট সদস্যকে 'বোকো হারাম'-এর মতো সন্ত্রাসী ঘোষণা করা হবেÑ এ বিষয়টি আতঙ্কজনক মনে হতে পারে। 
    ২০ দলীয় জোটের দুই প্রধান দল বিএনপি ও জামায়াত ভিন্ন আদর্শ ও প্রেক্ষাপটে সৃষ্টি হওয়া দুই রাজনৈতিক সংগঠন। এই দু'টি দলের আদর্শগত কিছু মিল যেমন রয়েছে তেমনি অমিলও কম নয়। সাধারণ কিছু ইস্যুতে দল দুটো দীর্ঘ দিন জোটবদ্ধ হয়ে আন্দোলন ও নির্বাচন করে আসছে। তাদের মধ্যে বিরোধ-বৈরিতা কোনো সময় ছিল না তাও নয়। একসময় আওয়ামী লীগের সাথে সমান্তরালভাবে বিএনপি সরকারের বিরুদ্ধে কর্মসূচি পালন করেছে জামায়াত। এই দুই দলের মধ্যে আজীবন জোটবদ্ধতা থাকবে এমনটি কেউই হয়তো মনে করেন না। কিন্তু বোকো হারাম বানিয়ে তাদের সাথে সম্পর্কছেদ, আবার একই সাথে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা প্রেসিডেন্ট জিয়ার সন্তান ও বর্তমান সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে মাইনাস করার অনুশাসন মার্কা পরামর্শ বেশ রহস্যজনক মনে হয়। প্রচ্ছন্ন যে ইঙ্গিত এতে রয়েছে তা হলোÑ এসব করলে বিএনপি অংশ নিতে পারে এমন একটি নির্বাচন হয়তো দেয়া হবে। কিন্তু সে নির্বাচনের ফলাফল কী হবে সে আরেক রহস্য। এর সাথে ৫ জানুয়ারির আগে শক্তিশালী বিরোধী দল হওয়ার জন্য সুজাতা সিং বিএনপিকে নির্বাচনে অংশ নিতে যে চাপ দিয়েছিলেন তার কোনো সম্পর্ক রয়েছে কি-না জানা যায় না। তবে এখন অনেকেই নানা ধরনের ভয়ভীতি দেখিয়ে তেমন আরেকটি নির্বাচনে অংশ নেয়ার জন্য বিরোধী জোটনেত্রীকে প্রলুব্ধ বা বাধ্য করতে চাইছেন।
    রাজনৈতিক দল হিসেবে জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্ব ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের যে বিরোধিতা করেছিল সেটি ইতিহাসের সত্য। কিন্তু সে সময় আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী নিক্সন-কিসিঞ্জার স্বাধীনতার বিপক্ষ অবস্থান নিয়ে পাকিস্তানকে সমর্থন করার নীতির সাথে জামায়াতের অবস্থানের সম্পর্ক যেভাবে কলামে উল্লেখ করা হয়েছে তা একেবারে নতুন বিষয়। কিসিঞ্জারের হাজার পৃষ্ঠার এক বইয়ের (ডযরঃব ঐড়ঁংব ণবধৎং নু ঐবহৎু অ. করংংরহমবৎ, ঙপঃ ১৯৭৯) 
    বড় একটি অংশজুড়ে রয়েছে ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের অভ্যুদয়ের বিষয়টি। এতে স্পষ্ট হয় যে, হেনরি কিসিঞ্জার বাইরে যাই বলুন না কেন ভেতরে ভেতরে বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার জন্য কাজ করেছেন। ভারতীয় গোয়েন্দা সংস্থা 'র'-এর সাবেক শীর্ষস্থানীয় কর্মকর্তা বি রমন 'র'-এর কাওবয়েরা'নামে যে বই লিখেছেন তাতে সপ্তম নৌবহর কেন আমেরিকা পাঠিয়েছিল তার কারণ উল্লেখ করতে গিয়ে এই ইঙ্গিতই দিয়েছিলেন। অবমুক্ত এবং ফাঁস হওয়া অনেক মার্কিন দলিলেও সম্প্রতি তেমন অনেক তথ্য পাওয়া যাচ্ছে। আমেরিকা জামায়াতকে কিভাবে দেখে সেটি বাংলাদেশের রাজনীতির জন্য একটি নির্ণায়ক বিষয় হলেও হতে পারে। কিন্তু এ দলটিকে আমেরিকার অনুসরণকারী হিসেবে যেভাবে দেখানো হয়েছে, তার প্রাসঙ্গিকতা অবান্তরই মনে হবে। এবারের যে হিন্দু সংগঠনটি আমেরিকার কংগ্রেশনাল হিয়ারিংয়ে এসেছে, সেটি আগে কোনো সময় অংশ নিয়েছে বলে শোনা যায়নি। তবে হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদ নেতাদের নিয়মিতভাবে শুনানিতে অংশ নিতে দেখা গেছে। আর সেখানে বিএনপি-জামায়াত নিয়ে তাদের অভিযোগ এবং দাবির ধরন একই রকম মনে হয়েছে। এসব শুনানিতে জামায়াতের অনেক নেতাকেও অতীতে অংশ নিয়ে তাদের বক্তব্য রাখতে দেখা গেছে। তবে সেখানকার কোনো পক্ষের বক্তব্যকে আমেরিকার দৃষ্টিভঙ্গির প্রতিফলন হিসেবে কোনো সময় দেখা হয়নি।
    ইইউ পার্লামেন্টের বক্তব্যের পর আমেরিকা জামায়াত নিয়ে তার দৃষ্টিভঙ্গি পাল্টেছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে। কিন্তু ইইউ পার্লামেন্টে প্রস্তাব কিভাবে নেয়া হয় এবং বাংলাদেশ নিয়ে তারা আরো কী ধরনের প্রস্তাব গ্রহণ করেছে, সেসব প্রসঙ্গ অনেকের কাছে অজ্ঞাত থেকে যাওয়ায় তিল অনেকটা তালের গুরুত্ব পেয়ে যাচ্ছে। ইইউ সংসদের যে প্রস্তাবটির কথা উল্লেখ করা হয়েছে, সেটি উত্থাপন করে একটি ছোট ককাস। তারচেয়ে বড় একটি ককাসের উত্থাপিত প্রস্তাবে বাংলাদেশের মানবাধিকার পরিস্থিতি খুন, গুম ও রাজনৈতিক অসহিষ্ণুতা নিয়ে কথা এসেছে। অন্য এক প্রস্তাবে র‌্যাবকে দেয়া সব ধরনের দায়মুক্তি প্রত্যাহার করতে বলা হয়েছে বাংলাদেশ সরকারকে। ইইউ পার্লামেন্ট আরেক প্রস্তাবে পার্বত্য চট্টগ্রাম থেকে সব বাঙালি নাগরিককে এবং সেখানকার সেনাবাহিনীকে সরিয়ে আনার জন্য বলা হয়েছে। ৫ জানুয়ারির একতরফা নির্বাচনের সমালোচনা করে অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন দেয়ার কথা বলা হয়েছে একাধিক প্রস্তাবে। ইইউ'র এসব প্রস্তাব বাদ দিয়ে শাসক দলের নেতাদের মতো আলোচ্য কলামে জামায়াত থেকে বিএনপিকে বিচ্ছিন্ন হওয়ার পরামর্শের কথা বারবার উচ্চারণ করা হয়েছে। ইইউ'র প্রস্তাবে যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রতিটি মৃত্যুদে র রায়ের সমালোচনা করে সেসব দ কে লঘু করার কথা বলা হয়েছে। এমনকি মাওলানা সাঈদীর মৃত্যুদ রহিত করে আজীবন কারাদ দেয়ার সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছে ইইউ। রহস্যের বিষয় হলো, এসবকে একবারেই এড়িয়ে যাওয়া হয়েছে লেখায়। 
    যুদ্ধাপরাধ বিচার এবং এ ব্যাপারে যুক্তরাষ্ট্রের নিযুক্ত বিশেষ দূত স্টিফেন জে র‌্যাপের বক্তব্য ও দৃষ্টিভঙ্গি নিয়েও বিকৃতি স্থান পেয়েছে লেখায়। যুদ্ধাপরাধের বিচারপ্রক্রিয়া শুরু হওয়ার পর থেকে র‌্যাপ পাঁচবার বাংলাদেশ সফর করেছেন। সব সময় স্পর্শকাতর এ বিষয়ে র‌্যাপ সংবাদ সম্মেলনে এবং সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে যা বলেন তা ট্রান্সক্রিফট আকারে আমেরিকান দূতাবাস থেকে প্রকাশ করা হয়। সরকারকে দেয়া তার সুপারিশগুলোও সংশ্লিষ্টদের কাছে লিখিতভাবে পাঠানো হয়। যুদ্ধাপরাধ মামলা এবং এর বিচারপ্রক্রিয়ার ব্যাপারে এ কারণে আমেরিকান দৃষ্টিভঙ্গিতে অস্পষ্টতা কমই দেখা যায়। এ ক্ষেত্রে সন্দেহের অবকাশ নেই যে, আমেরিকা যুদ্ধাপরাধ বিচারের উদ্যোগকে সমর্থন করেছে এবং এর স্বচ্ছতা ও গ্রহণযোগ্যতা সৃষ্টির জন্য সহযোগিতার কথা বলেছে। এর সাথে আমেরিকার নিজস্ব স্বার্থের সংশ্লিষ্টতাও রয়েছে, যেটি র‌্যাপের পঞ্চম দফা বাংলাদেশ সফরের সংবাদ সম্মেলনে রাখা বক্তব্যে রয়েছে। এতে তিনি উল্লেখ করেছেন, আমেরিকা এখনো আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত (আইসিসি) প্রতিষ্ঠার ঘোষণায় স্বাক্ষর করেনি। এ জন্য সিনেটের দুই-তৃতীয়াংশ সদস্যের সমর্থন প্রয়োজন বিধায় আইসিসির কার্যক্রমকে পর্যবেক্ষণ করে যাচ্ছে মার্কিন সরকার। যুক্তরাষ্ট্রে এরকম একটি ধারণা রয়েছে যে, আন্তর্জাতিক ধরনের অপরাধের জাতীয় আইনে বা স্থানীয় পর্যায়ে সুষ্ঠু ও স্বচ্ছ বিচার হতে পারলে এ ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক আদালতের প্রয়োজনের অনস্বীকার্যতা থাকবে না। এতে আইসিসি প্রতিষ্ঠার ঘোষণায় যুক্তরাষ্ট্রের স্বাক্ষর না করা নিয়ে প্রশ্নের অবকাশ কমে যাবে। বাংলাদেশই প্রথম যুদ্ধাপরাধের বিচার দেশীয় আইনে দেশীয় তদন্ত ও আদালত দ্বারা সম্পন্ন করার উদ্যোগ নিয়েছে। আমেরিকা চেয়েছিল দেশীয় আইন দিয়ে আন্তর্জাতিক মানের স্বচ্ছ বিচার হলে এটাকে তারা একটি দৃষ্টান্ত হিসেবে উপস্থাপনের সুযোগ পাবে। এ কারণে শুরু থেকেই আইসিটি আইন, ট্রাইব্যুনালের বিচারপ্রক্রিয়া নিয়ে র‌্যাপের বক্তব্যে সমালোচনা এবং এর সংশোধনের জন্য সুপারিশ দুটোই স্থান পেয়েছে। কিন্তু র‌্যাপের বক্তব্যে তাদের সেই আশাবাদ পূরণ হয়েছে বলে মনে হয়নি। 
    কলামটিতে বলা হয়েছে, শুরুর দিকে যে সমালোচনামূলক দৃষ্টিভঙ্গি র‌্যাপের ছিল তা শেষ দিকে থাকেনি। র‌্যাপ মৃত্যুদণ্ডাদেশের ব্যাপারেও নমনীয় হয়েছেন এবং বিচারকদের সাহসের প্রশংসা করেছেন। ২০১৪ সালের আগস্টে শেষ বার বাংলাদেশ সফরের সময় আনুষ্ঠানিক সংবাদ সম্মেলনে দেয়া তার বক্তব্যের সাথে এ কথার কোনো মিল খুঁজে পাওয়া যায় না। এ সময় পর্যন্ত যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনালে অভিযুক্তদের একজনÑ আবদুল কাদের মোল্লার ফাঁসি কার্যকর করা হয়। এই মৃত্যুদ কার্যকর করার সুনির্দিষ্টভাবে সমালোচনা করে র‌্যাপ বলেছেন, জীবন কেড়ে নেয়ার মতো দ কার্যকর করার আগে অবশ্যই এ-সংক্রান্ত রায়ের আপিল করার সুযোগ দিতে হবে। আবদুল কাদের মোল্লার ক্ষেত্রে ট্রাইব্যুনালের মূল রায়ে তাকে যাবজ্জীবন কারাদ দেয়া হয়। সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ এই রায় পাল্টে মৃত্যুদ দেয়ার পর অবশ্যই মৃত্যুদে র বিরুদ্ধে আপিল করার ব্যবস্থা থাকা উচিত ছিল। এ ছাড়া তিনি উল্লেখ করেন, বিচার কার্যক্রম চলা বা সম্পন্ন হওয়ার পর নতুন আইনের পূর্বাপর কার্যকারিতা দিয়ে তার প্রয়োগ গ্রহণযোগ্য হতে পারে না। যেটি আবদুল কাদের মোল্লার ক্ষেত্রে হয়েছে। র‌্যাপ এ ব্যাপারে মার্কিন প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন ব্যক্তিদের বক্তব্যের কথাও (পররাষ্ট্রমন্ত্রী জন কেরি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে আবদুল কাদের মোল্লার মৃত্যুদ কার্যকর না করতে ফোন করেছিলেন) উল্লেখ করেছেন।
    স্টিফেন র‌্যাপ স্পষ্টভাবে বলেছেন, বাংলাদেশ ও আমেরিকা দুই দেশেই মৃত্যুদে র রায় রয়েছে কিন্তু আমেরিকার ইউরোপীয় মিত্র দেশগুলোতে মৃত্যুদে র বিধান রহিত করা হয়েছে। এ অবস্থায় সন্দেহাতীত প্রমাণ ছাড়া কোনোভাবেই মৃত্যুদ দেয়া বা কার্যকর করা উচিত নয়। র‌্যাপের দৃষ্টিভঙ্গি যারা জানতে চান তারা আমেরিকান ওয়েবসাইটে লভ্য তার ১২ পৃষ্ঠাব্যাপী সংবাদ সম্মেলনের বিবরণী পড়তে পারেন। এর সাথে জামায়াতকে বোকো হারামের মতো সন্ত্রাসী চিহ্নিত করা সংক্রান্ত কলামে উল্লিখিত বক্তব্যের কোনো মিল নেই। যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনালের বিচারকদের সাহসের প্রশংসার ছিটেফোঁটাও তার কোথায়ও নেই।
    এ কথা ঠিক যে, ২০০১ সালের টুইন টাওয়ারে সন্ত্রাসী হামলার ঘটনা আমেরিকান পররাষ্ট্র দৃষ্টিভঙ্গিতে বেশ পরিবর্তন আনে। এরপর আফগানিস্তানে অভিযান চালিয়ে তালেবানদের ক্ষমতাচ্যুত করা হয়। আলকায়েদাবিরোধী যুদ্ধ জোরদার করা হয়। কিন্তু আমেরিকান নীতিতে কট্টরপন্থী আলকায়েদা আইএস বা বোকো হারাম এবং মুসলিম ব্রাদারহুড, জামায়াতে ইসলামী বা আন নাহদার মতো মধ্যপন্থী ইসলামি দলগুলোর প্রতি দৃষ্টিভঙ্গি সম্পূর্ণ ভিন্ন। দৃষ্টিভঙ্গি আলাদা না হলে আরব বসন্তে যুক্তরাষ্ট্র সমর্থন দিতো না। তিউনিশিয়া বা মিসরে স্বৈরশাসকদের পতন ঘটত না। তুরস্কের মতো ন্যাটো সদস্য দেশে ইসলামিক পটভূমি থেকে গঠিত একে পার্টি এক যুগ ধরে ক্ষমতায় থাকতে পারত না। তুরস্কের প্রধানমন্ত্রী থাকাকালে বর্তমান প্রেসিডেন্ট রজব তৈয়্যব এরদোগান বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ফোন করে আবদুল কাদের মোল্লার মৃত্যুদ াদেশ কার্যকর না করতে বলেছিলেন। নয় এগারোর পরিবর্তনের পর ইসলামিস্টদের সরকারে নেয়া যদি আমেরিকার এতটাই অপছন্দের হতো তাহলে এসব ঘটনা ঘটত না। এ ছাড়া বাংলাদেশে জেএমবির বোমাবাজি ও উত্থানের কথা বলা হয়েছে কিন্তু তাদের দমন বিচার ও ফাঁসির আদেশও যে চারদলীয় জোট সরকারের সময় হয়েছে এবং যার প্রতিক্রিয়া হিসেবে জরুরি তত্ত্বাবধায়কের আমলে কুমিল্লায় খালেদা জিয়ার সমাবেশে গ্রেনেড হামলা চালিয়ে তাকে হত্যার আয়োজন করা হয়েছিল সেসব বিষয় ভুলিয়ে দেয়ার চেষ্টা হচ্ছে। 
    রাষ্ট্রের মূলনীতির সাথে রাজনৈতিক দলের আদর্শের বৈপরিত্যের একটি কথা এ দেশের ইসলামিক দলগুলোর ব্যাপারে বলা হয়। রাষ্ট্রে যেকোনো নীতি পরিবর্তনযোগ্য বলেই সংবিধানকে দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতায় পরিবর্তনের বিধান রয়েছে অধিকাংশ গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে। ভারতের বর্তমান শাসক দল বিজেপি লোকসভা ও রাজ্যসভায় দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে যদি রাষ্ট্রীয় মূলনীতি থেকে ধর্মনিরপেক্ষতা বাদ দিয়ে হিন্দু জাতীয়তাবাদ প্রবর্তন করতে চায় সেটি সম্ভব। আর ভারতের বর্তমান রাষ্ট্রীয় মূলনীতিকে চূড়ান্ত সত্য এবং এর বিপরীত কোনো দল কাজ করতে পারবে না এমনটা মনে করা হয় না। এমন যুক্তি মেনে নিতে হলে সেই দেশে (বিজেপির কথা বাদ দেয়া হলেও) সঙ্ঘ পরিবারের কোনো সংগঠন অথবা শিবসেনা বৈধ দল হিসেবে কাজ করতে পারতো না। আমেরিকায় উদার গণতন্ত্র বিধ্বংসী আদর্শ নিয়ে কমিউনিস্ট পার্টি বৈধ রাজনৈতিক দল হিসেবে কাজ করতে পারবে কি-না, এ মর্মে একটি মামলা দেশটির সর্বোচ্চ আদালত পর্যন্ত গড়িয়েছিল। আর সে মামলার রায়ে বলা হয়েছিল কমিউনিস্ট পার্টি যে ধরনের রাষ্ট্র গঠন করতে চায় তার সাথে আমেরিকার শাসনতন্ত্র বা গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার কোনো মিল নেই। কিন্তু দল গঠন ও মত প্রকাশের যে স্বাধীনতা মার্কিন সংবিধান নিশ্চিত করেছে, সেটিকে বিবেচনায় এনে কমিউনিস্ট পার্টিকে রাজনৈতিক দল হিসেবে কাজ করার অনুমতি দিতে হবে। বাংলাদেশে ভারত বা আমেরিকার উদাহরণ টানা হয় বারবার। কিন্তু সেখানে কী নীতি অনুসৃত হচ্ছে তার গভীর বিশ্লেষণ কদাচিৎ করা হয়। বাংলাদেশে গণতান্ত্রিক ধারার ইসলামিস্টদের নিষিদ্ধ করার প্রস্তাব কোনো সময় আমেরিকা বা ইউরোপীয় ইউনিয়ন সমর্থন করেছে এমনটি পাওয়া যায় না তাদের কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য বা দলিলে। কংগ্রেস যখন ভারতে ক্ষমতায় ছিল, তখন বাংলাদেশে জামায়াতকে নিষিদ্ধ করার ব্যাপারে তাদের গোপন পরামর্শ ছিল বলে অনেকে বলে থাকেন। কিন্তু দলটি ভারতের সংসদে ধর্মভিত্তিক রাজনৈতিক দল বিজেপিকে নিষিদ্ধ করার কোনো কথা বলেছে বলে জানা যায় না। আরএসএসের শক্তি ও সমর্থনে ক্ষমতায় আসা বিজেপি যদি এমন কোনো কথা বাংলাদেশের ব্যাপারে বলে থাকেও তবে মানুষকে কেন তা মেনে নিতে হবে?
    বিএনপি'র সবচেয়ে বড় শুভাকাক্সক্ষী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা চাইছেন দলটি জামায়াতের সঙ্গ পরিত্যাগ করুক আর মাইনাস করুক তারেক রহমানকে। এই চাওয়ার সাথে কলাম লেখকের পরামর্শের বেশ মিল রয়েছে। এ রকম শুভাকাক্সক্ষীদের পরামর্শ গ্রহণ করার ব্যাপারে নিশ্চয়ই বিএনপিকে গুরুত্ব দিয়ে ভাবতে হবে। অন০০০০০্য দিকে, যারা আজ বিএনপির কোমর ভাঙার জন্য কাজ করছেন, তারা খুব কাছের দৃশ্যপটটি বেশি করে দেখছেন। ধর্মপ্রবণ একটি মুসলিম দেশে বিএনপির মতো লিবারেলদের যখন দৃশ্যপট থেকে বিদায় করা হয়, তখন তার সুফল প্রতিপক্ষ সেকুলারিস্টরা কখনো পায় না। তখন কি ধরনের শক্তির বিকাশ অনিবার্য হয়ে দাঁড়ায় সেটি কয়েক দশকের তুরস্ককে অবলোকন করলে দেখা যায়। নকশালবাড়ি আন্দোলন দমনের লাইন দিয়ে সে পরিস্থিতিকে দীর্ঘকালের জন্য আটকে দেয়া কি আদৌ সম্ভব হবে? জবাব নিশ্চয়ই ইতিবাচক হবে না। 

    গৌরিক দাম্পত্যের নৈরাজ্যে মগের মুল্লুক এই বঙ্গে মৃত্যুউত্সবের সুনামি,বাজির আড়ালে বোমা! পিংলায় বেআইনি বাজি কারখানায় বিস্ফোরণ, মৃত ১২

    Bengal Bleeds as Political Honeymoon ends in complete anarchy!

    লক্ষ্মীর পাঁচালি ঘরে ঘরে

    হিন্দুত্বের উত্সবে বলিপ্রদত্ত বাঙালি ঘরে ঘরে

    রাজকার্য রাজসূয় আয়োজনে বহিছে রক্তধারা

    নৈরাজ্যের অন্ধ নিশায় নিমজ্জিত বঙ্গে

    দেবি যাবে কবে বিসর্জনে?

    কবে হবে পরিবর্তন আবার?

    TMC activist's 'bomb unit' blast kills 12 in Pingla

    পলাশ বিশ্বাস

    প্রথম পাতা


    লক্ষ্মীর পাঁচালি ঘরে ঘরে

    হিন্দুত্বের উত্সবে বলিপ্রদত্ত বাঙালি ঘরে ঘরে

    রাজকার্য রাজসূয় আয়োজনে বহিছে রক্তধারা

    নৈরাজ্যের অন্ধ নিশায় নিমজ্জিত বঙ্গে

    দেবি যাবে কবে বিসর্জনে?

    কবে হবে পরিবর্তন আবার?

    গৌরিক দাম্পত্যের নৈরাজ্যে মগের মুল্লুক এই বঙ্গে মৃত্যুউত্সবের সুনামি,বাজির আড়ালে বোমা! শিল্পের খরা কাটাতে আরও উদার হল রাজ্য সরকার। ছোট থেকে বড় ব্যবসা, সব ক্ষেত্রেই বিনিয়োগকারীদের উত্‍সাহ দিতে সরলীকরণ করা হল অনুমোদন পদ্ধতির। বৃহস্পতিবার শিল্প সংক্রান্ত সাব কমিটির বৈঠকে এই গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

    কল্কি অবতার ধর্মোন্মাদি জাতিয়তাবাদে বাঙালি ইতিহাস ভূগোলকে ধ্বংস করার পর এই রাজ্যের শল্পাযনে অতিশয আগ্রহী।জেহাদ পর্বের অবসানে সহঅবশ্থন ও রাজনৈতিক দম্পাত্যের আবহে আকাশ বাতাস মুখরিত।  আহা কি আনন্দ।

    বোমার আডালে বাজি কি বাজির আড়ালে বোমা,চ্যানেলে চ্যানেলে ,জোর বাহেস

    একই টিম সারা বঙ্গ ঘুরিয়া একটি মাত্র খবর ব্রেকিং নিউজে ঢালতে পারলেই রাত দিন সারা দিন

    খবর নাই

    বিজ্ঞাপন আছে

    সেলিব্রিটি বুদ্ধিজীবী কম পড়ে নাই

    খবর নাইচ্যানেল ব্যবসা রমরম জাপানি তেলে, রকেটক্যাপসুলে আর প্যানেল

    আহা কি আনন্দ আকাশে বাতাসে! 

    অতএব,Bengal Bleeds as Political Honeymoon ends in complete anarchy!

    শুন শুন জনগণ করি নিবেদন

    কল্কি অবতারে পুজিয়া

    পুঁজির দাসত্বে রাজনৈতিক দাম্পত্যে

    মরিছে বাঙালি যত

    মরিবে আরো শত শত

    গৌরিক সাম্রাজ্রের

    জয়পতাকা উড়িছে ঘরে ঘরে

    করহ জযধ্বনি

    করহ উল্লাস

    আহা কি আনন্দ

    আকাশে বাতাসে

    কল্কি রাজা আসিয়াছে

    রাজনৈতিক দাম্পত্যে

    পাতহ লক্ষ্মীর আসন

    ভক্তিভরে করহ

    লক্ষ্মী পিপিপি আবাহন

    লক্ষ্মীর পাঁচালি ঘরে ঘরে

    হিন্দুত্বের উত্সবে বলিপ্রদত্ত বাঙালি ঘরে ঘরে

    রাজকার্য রাজসূয় আয়োজনে বহিছে রক্তধারা

    নৈরাজ্যের অন্ধ নিশায় নিমজ্জিত বঙ্গে

    দেবি যাবে কবে বিসর্জনে?

    কবে হবে পরিবর্তন আবার?

    পিংলায় বেআইনি বাজি কারখানায় বিস্ফোরণ, মৃত ১২

    Pingla blast2বুদ্ধদেব দাস, পিংলা, ৭ মে– বর্ধমানের খাগড়াগড়ের বিস্ফোরণের স্মৃতি ফিরে এল পিংলায়৷‌ বেআইনি বাজি কারখানায় ভয়ানক বিস্ফোরণে মৃত্যু হল ১২ জনের৷‌ পুলিস ১২ জন বললেও, গ্রামবাসীদের দাবি, অন্তত ২০ জনের মৃত্যু হয়েছে৷‌ বাজির আড়ালে এই কারখানায় বোমা তৈরি হত বলেই জানিয়েছেন গ্রামবাসীরা৷‌ পুলিসের প্রাথমিক ধারণাও তাই৷‌ গতকাল রাতে ভয়াবহ বিস্ফোরণে কেঁপে ওঠে পিংলার ব্রাহ্মণবাড় গ্রাম৷‌ মুহূর্তেই শুরু হয় বহু মানুষের আর্তনাদ৷‌ বহু মানুষ আহত হয়েছেন৷‌ উড়ে গেছে বাড়ির চাল৷‌ দুমড়ে গেছে বাজি কারখানার কাঁচামাল সরবরাহকারী গাড়ি৷‌ অভিযোগ এতেই আসত বোমার মালমশলা৷‌ অনেকেরই হাত-পা উড়ে গেছে বিস্ফোরণে৷‌ বিস্ফোরণের ব্যাপকতা ছড়িয়েছে আশপাশের ১০০ মিটার এলাকা পর্যন্ত৷‌ গতকাল রাত থেকেই এখানে-সেখানে চোখে পড়ছে রক্তাক্ত দেহ৷‌ আগুন নেভাচ্ছে দমকল৷‌ পড়ে রয়েছে শরীরের অংশ৷‌ কোথাও গাছ আটকে থাকতে দেখা গিয়েছে দেহাংশ৷‌ গোটা গ্রাম ক্ষোভে ফুঁসছে৷‌ ঘটনার এন আই এ তদন্ত দাবি করেছে বিরোধীরা৷‌ রাজ্য বি জে পি-র সভাপতি রাহুল সিনহা বলেছেন, মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জির কাছে আবেদন করি, তিনি আর দেরি না করে এই ঘটনার এন আই এ তদন্তের নির্দেশ দিন৷‌ সবংয়ের বিধায়ক কংগ্রেস নেতা মানস ভুঁইয়া৷‌ তবে এই ঘটনাতেও জড়িয়ে গেছে শাসক তৃণমূলের নাম৷‌ স্হানীয় তৃণমূল নেতা রঞ্জন মাইতির বাড়িতেই চলত এই বাজি কারখানা৷‌ রাম মাইতি নামে এক ব্যক্তি এই কারখানা চালাত৷‌ তারও মৃত্যু হয়েছে৷‌ গ্রামবাসীদের অভিযোগ, তাঁরা দীর্ঘদিন ধরে পুলিসকে বলে আসছেন এই কারখানায় বোমা তৈরি হয়৷‌ কিন্তু পুলিস সব জেনেও চুপ করে বসেছিল৷‌ প্রসঙ্গত, বছর আড়াই আগে এই রঞ্জন মাইতি বাসে বিস্ফোরক নিয়ে ধরা পড়েছিল৷‌ এদিনের ঘটনায় তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে৷‌ পুলিস ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে৷‌ বিস্ফোরক বিশেষজ্ঞরা ঘটনাস্হলে আসছেন৷‌ তাঁরা বিভিন্ন নমুনা সংগ্রহ করবেন৷‌ বেসরকারিভাবে জানালেও, পুলিস সরকারিভাবে বোমা তৈরির বিষয়টি অস্বীকার করেছে৷‌ কিন্তু স্হানীয়রা বলছেন, কারখানার অবশিষ্ট অংশ ঘুরলেই বোমার মশলা পাওয়া যাবে৷‌ গভীর রাতে সেই মশলা কিছুটা সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে বলেও তাঁরা অভিযোগ করেছেন৷‌ বহু মানুষ রাতেই আতঙ্কে এলাকা ছেড়েছেন৷‌ তাঁদের কেউ কেউ আজ সকালে বিস্ফোরণস্হলের কাছে ঘোরাফেরা করছেন৷‌ প্রত্যেকের চোখে-মুখেই আতঙ্কের ছাপ স্পষ্ট৷‌ প্রসঙ্গত, গত বছর খাগড়াগড়ের বিস্ফোরণে গোটা রাজ্য জুড়ে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছিল৷‌ ব্যাপকতা পৌঁছেছিল প্রতিবেশী বাংলাদেশেও৷‌

    আজকালের প্রতিবেদন

    1. TMC activist's 'bomb unit' blast kills 12 in Pingla

    2. Times of India-12 hours ago

    3. BRAHMONBAR (Pingla): A powerful explosion in a house packed with explosives killed at least 12 people — several of them in their teens ...

    4. 11 killed in blast in firecracker unit in Pingla

    5. The Hindu-06-May-2015

    6. Mamata Banerjee orders CID probe into Pingla blast

    7. Oneindia-21 hours ago

    8. Mamata orders CID probe into Pingla blast

    9. Zee News-22 hours ago

    10. 11 killed in blast in West Midnapore fire cracker unit

    11. Hindu Business Line-06-May-2015

    12. The Hindu

    13. Oneindia

    14. Hindu Business Line

    15. Newsx

    16. indiablooms

    17. Daily News & Analysis

    18. Explore in depth (112 more articles)

    Home» Bengali» ZILA

    মোদিকে ৫ পাতার চিঠিতে দাবি, অভিযোগ মমতার

    রাজীব চক্রবর্তী: রাত পোহালেই রাজভবনে মুখোমুখি বৈঠক হতে চলেছে মোদি-মমতার৷‌ বৈঠকে প্রধানমন্ত্রীর কাছে রাজ্যের স্বার্থে একাধিক দাবি তুলে ধরবেন মুখ্যমন্ত্রী৷‌ বেশ কিছু অভিযোগও জানাবেন৷‌ যার আভাস রয়ে গেছে প্রধানমন্ত্রীকে লেখা তাঁর চিঠিতে৷‌ বিভিন্ন কেন্দ্রীয় প্রকল্পে রাজ্যকে বঞ্চনার অভিযোগ তুলে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে ২৪ এপ্রিল চিঠি দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি৷‌ ৫ পাতার চিঠিতে তিনি লিখেছেন, ২০১৫-১৬ বাজেটে অর্থমন্ত্রী অরুণ জেটলি পশ্চিমবঙ্গ ও অন্ধ্রপ্রদেশের জন্য নতুন প্যাকেজের ঘোষণা করেছিলেন৷‌ এখনও সে সম্পর্কে কিছু জানা যায়নি৷‌ রাজ্য সরকার জানতে চায় তার কী হল৷‌ এর পর একের পর এক কেন্দ্রীয় প্রকল্প হয় বন্ধ করা নয়ত বরাদ্দ বকেয়া থাকার কথা উল্লেখ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী৷‌ বলেছেন, এগুলি সহযোগিতামূলক যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামোর পরিপম্হী৷‌ কেন্দ্রীয় সরকারের বি আর জি এফ, নগরোন্নয়নের জন্য জে এন এন ইউ আর এম, পুলিসের আধুনিকীকরণের মতো প্রকল্পে বরাদ্দ কমিয়ে দেওয়ার অভিযোগ করেছেন মমতা৷‌ আরও লিখেছেন, আগের রাজ্য সরকার ২ লক্ষ কোটি টাকার বিপুল ঋণের বোঝা এই সরকারের জন্য রেখে গেছে৷‌ অতি সামান্য আয় নিয়েও উন্নয়নের দায়িত্ব মাথায় নিয়ে রেখেছে রাজ্য সরকার৷‌ পুরো বিষয়টি মাথায় রেখে ২০১১-১২ সালে কেন্দ্র সরকার বি আর জি এফের একটি বিশেষ প্রকল্পে মোট ৮,৭৫০ কোটি টাকা বরাদ্দ করেছিল৷‌ রাজ্য সরকার অনগ্রসর এলাকার শিক্ষা, স্বাস্হ্য, সড়ক, গ্রামীণ বিদ্যুদয়ন ইত্যাদি কাজ শুরু করেছিল৷‌ কিন্তু কেন্দ্র মোট বরাদ্দের মধ্যে ৩১ মার্চ পর্যন্ত ৫,৫৮২.৫৭ কোটি টাকা দিয়েছে৷‌ বকেয়া টাকা অবিলম্বে দেওয়া হোক৷‌

    আজকালের প্রতিবেদন

    মধ্যমগ্রামে দুষ্কৃতীদের এলোপাতাড়ি বোমা-গুলিতে গাড়ির ভেতরেই হত ২

    TWO_Murder_Sodepur_Copy Uday-Pix Bhabatosh-07-05-15_(3)উদয় বসু: মধ্যমগ্রামের ব্রিজ পার হতেই দুষ্কৃতীদের বোমা ও গুলি গর্জে উঠল একটি প্রাইভেট গাড়ির ওপর৷‌ ঘটনাস্হলেই প্রাণ হারালেন ২ জন৷‌ এঁদের নাম বাবু সেন (৪০) ও নুঙ্কাই (৪৫)৷‌ আহত হয়েছেন অভিজিৎ গুহ৷‌ তাঁকে আর জি কর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে৷‌ গাড়ির চালক জগদীশের চোট লাগলেও তিনি ভাল আছেন বলে জানা গেছে৷‌ ঘটনাটি ঘটেছে বৃহস্পতিবার সন্ধে ৭টা নাগাদ মধ্যমগ্রাম ব্রিজের কাছে জনবহুল এলাকায়৷‌ নিহতরা প্রোমোটিং ব্যবসার সঙ্গে জড়িত বলে জানা গেছে৷‌ সিন্ডিকেট নিয়ে বচসার জেরে এই খুন কিনা পুলিস খতিয়ে দেখছে৷‌ পুলিস সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার সন্ধেয় বাবু সেন, নুঙ্কাই ও অভিজিৎ একটি গাড়িতে চেপে মধ্যমগ্রাম চৌমাথার দিক থেকে সোদপুরে আসছিলেন৷‌ মধ্যমগ্রাম ব্রিজের কাছে আগে থেকেই জড়ো হয়েছিল ১৫-২০ জনের এক দুষ্কৃতী দল বোমা ও রিভলভার নিয়ে৷‌ মধ্যমগ্রাম ব্রিজ পার হতেই দুষ্কৃতীরা গাড়ি লক্ষ্য করে এলোপাতাড়ি গুলি ছুঁড়তে থাকে৷‌ হকচকিয়ে যান এলাকার মানুষ৷‌ পথচলতি মানুষ ভয়ে-আতঙ্কে ছোটাছুটি শুরু করে দেন৷‌ আশপাশের দোকানপাট বন্ধ হয়ে যায়৷‌ দুষ্কৃতীরা মাত্র কয়েক মিনিট তাণ্ডব চালিয়ে চম্পট দেয়৷‌ খবর পেয়ে ছুটে আসে মধ্যমগ্রাম থানার পুলিস৷‌ স্হানীয় মানুষের সহযোগিতায় গাড়ি থেকে ৪ জনকে বের করে পানিহাটি স্টেট জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে ডাক্তাররা বাবু সেন ও নুঙ্কাইকে মৃত বলে ঘোষণা করেন৷‌ পুলিস প্রাথমিক তদন্তে নেমে জানতে পেরেছে, গত ১৫ আগস্ট সোদপুর এলাকায় জোড়া খুন হয়, তাতে অভিযুক্ত ছিলেন বাবু সেন৷‌ বাবু সেন ও অন্যরা জমি, মাটির ব্যবসা করতেন৷‌ এঁদের বাড়ি বেলঘরিয়া এবং বিশরপাড়া এলাকায়৷‌ ইদানীং প্রোমোটিংয়ের কাজের সঙ্গেও যুক্ত হয়েছিলেন তাঁরা৷‌ জমি, মাটি, প্রোমোটিং নিয়ে বেশ কিছুদিন ধরে এঁদের সঙ্গে শত্রুতা চলছিল আর এক গোষ্ঠীর৷‌ সন্দেহ এদিনের এই ঘটনা তাদেরই কাজ৷‌ পুলিস দুষ্কৃতীদের খুঁজছে৷‌ এদিকে বাবু সেন ও নুঙ্কাইয়ের মৃত্যুতে বেলঘরিয়া এলাকায় ক্ষোভের পাশাপাশি শোকের ছায়াও নেমে এসেছে৷‌

    আজকালের প্রতিবেদন

    মুরগির খামারের আড়ালে কারখানা

    pinglaসব্যসাচী সরকার: দু'বছর আগে ছিল মুরগির খামার৷‌ দু'বছর ধরে বাঁশবন ঘেরা প্রায়ান্ধকার একজায়গায় চলছিল বাজি তৈরির কারখানা৷‌ বাজি বানানোর মালিককে, তাঁর নিজের গ্রাম শুকছড়া থেকে একজোট হয়ে তাড়িয়ে দিয়েছিলেন গ্রামের লোকেরা৷‌ কারণ, সেখানেও ছোটখাটো বিস্ফোরণ হয়েছিল৷‌ কোথা থেকে আসত বাজির মশলা, বারুদ, তুবড়ির খোল, প্লাস্টিকের বল– কেউই জানেন না৷‌ গ্রামের লোকেদের কাছে ওই বাজি বানানোর জায়গা, এক নিষিদ্ধ এলাকা৷‌ তার কারণ ভয়৷‌ অভিযোগ, রঞ্জন মাইতির দলবল ভয় দেখিয়ে গ্রামের লোককে চুপ করিয়ে রাখত৷‌ কারা কাজ করত বাজি কারখানায়? মৃতদের পরিচয় এখনও জানা যায়নি৷‌ গ্রামের লোকেরা বলছেন, মাঝে মাঝেই ব্রাহ্মণবাড় গ্রামে বহু কমবয়সী ছেলেরা আসত, নানা জায়গা থেকে৷‌ গড় বয়স ১৪৷‌ বিশেষ বিশেষ সময় অনেক কমবয়সী মেয়েও আসত বাজি কারখানায় কাজ করতে৷‌ ভয়ঙ্কর বিস্ফোরণ ঘটে বুধবার রাত ৯টা ৪৫ নাগাদ৷‌ ১০ কিমি দূরে ডিঙন গ্রামের মানুষের কানেও বিস্ফোরণের তীব্র শব্দ পৌঁছে যায়৷‌ অভিযোগ উঠেছে তিন ধরনের৷‌ আই পি এল খেলা চলছিল৷‌ উঠোনেই টিভি চালিয়ে খেলা দেখার সময় কেউ বিড়ির টুকরো ছুঁড়ে দেয়, তাতেই বিস্ফোরণ৷‌ অন্য অভিযোগ, রান্নার সময় এক মহিলার কাপড়ে আগুন ধরে যায়৷‌ তা থেকেই বিস্ফোরণ৷‌ বিস্ফোরণস্হলে পৌঁছে দেখা যায়, তৈরি বাজি নিয়ে যাওয়ার জন্য একটি গাড়ি পুড়ে ছাই৷‌ সেই গাড়ির কাগজপত্র খুঁজছে পুলিস৷‌ বিস্ফোরণের তীব্রতায় (ডব্লু বি ৩৩১৩ ৪৬৫০) গাড়ির বনেট হাঁ হয়ে গেছে৷‌ বারুদে ঝলসে গেছে৷‌ প্রশ্ন উঠেছে, গোটা কারখানায় কত টন বারুদ মজুত ছিল? রঞ্জন মাইতির মাইক, ডেকরেটরের ব্যবসা ছিল প্রকাশ্যে৷‌ কিন্তু মুরগির খামার ভাড়া দিয়ে এই ব্যবসা তাঁরই, জানেন তাবৎ গ্রামবাসী৷‌ যে অঞ্চলে ঘটনা, সেখানে ২৫০ ঘর মানুষের বাস৷‌ ৭০-৭৫ ঘর আদিবাসী৷‌ আই জি (পশ্চিমাঞ্চল) সিদ্ধিনাথ গুপ্তা ঘটনাস্হলে জানান, গোটা বিষয়টার তদন্ত হচ্ছে৷‌ বিকেলের পর পৌঁছন ডি আই জি (সি আই ডি) অপারেশনস দিলীপ আদক৷‌ রাতের অন্ধকারে রামপদ মাইতির বাজি তৈরির কারখানায় বাইকে করে অনেক ছেলে আসত, তাদের কখনই দিনে দেখা যেত না৷‌ রঞ্জন মাইতিরা ৭ ভাই– গ্রামের মানুষের তাঁর বিরুদ্ধে অনেক অভিযোগ৷‌ রামপদ মাইতি ও তার স্ত্রী বীণা মাইতি সেভাবে গ্রামের মানুষদের সঙ্গে মেলামেশা করতেন না৷‌ এড়িয়েই চলতেন৷‌ উৎসবে যে সমস্ত বাজি পোড়ানো হয়, সে বাদেও অভিযোগ, বোমা তৈরি করে পাচার করা হত৷‌ প্লাস্টিকের তৈরি ফাঁপা কিছু বল পাওয়া গেছে৷‌ সেগুলিতে বারুদ ঠাসা হত, যাতে বারুদ তাজা থাকে৷‌ গ্রামে ঢুকতেই দেখা গেল নানা জায়গায় জটলা৷‌ পিংলা থানার বিরুদ্ধেও মানুষের ক্ষোভ৷‌ পুলিসকে ঘিরে দফায় দফায় বিক্ষোভ দেখানো হয়েছে৷‌

    রাতভর ফাটল বোমা

    একবার বিস্ফোরণ হয়েই শেষ হয়নি৷‌ প্রাণভয়ে গ্রামের মানুষ গভীর রাতে দূরে দাঁড়িয়ে দেখেছেন, শুনেছেন বিকট শব্দে রাতভর বোমার শব্দ৷‌ বিস্ফোরণের তীব্রতা এতটাই ছিল, দেহাংশ ছিটকে বাঁশ গাছে ঝুলছিল৷‌ পুলিস গিয়ে সে সমস্ত উদ্ধার করেছে৷‌ গাছের গায়ে লেপ্টে রয়েছে ছেঁড়া শার্টের টুকরো, বাজির প্যাকেট মুড়ে রাখার রঙিন কাগজ৷‌ গোটা এলাকায় আগুনের তাপে ঝলসে গেছে গাছ৷‌ যাঁরা মারা গেছেন, তাঁদের দেহের নানা টুকরো জড়ো করে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে৷‌ পুলিস সূত্রে জানা গেছে, খড়ের গাদায় উড়ে গিয়েছে পা, কোথাও বা ঝুলছিল হাতের টুকরো৷‌ চামড়া পোড়া গন্ধ এলাকায়৷‌ তুবড়ির অজস্র খোল ছাড়াও ভকসেল (লোহার পাইপে বারুদ ঠেসে ছোট কামান) তৈরির পাইপ উদ্ধার করেছে পুলিস৷‌ রামপদ মাইতির বাড়িতে সে সময় আরও কারা ছিল, তা জানার চেষ্টা করছে পুলিস৷‌ রঞ্জন মাইতির বাড়ির লোকেরা সে সময় খেতে বসেছিলেন৷‌ বাড়ি গিয়ে দেখা গেল, থালা, বাটি মেঝেতে পড়ে রয়েছে৷‌ কোনও থালায় ভাত বাড়া৷‌ রঞ্জন মাইতির পরিবার বিস্ফোরণের পরেই পালিয়ে গিয়েছে৷‌ ঘরে-বাইরে মানুষের ভিড়৷‌ ঘটনাস্হল থেকে ৪০-৫০ মিটার দূরে স্হানীয় বাসিন্দা শুভেন্দু ভক্তার বাড়ি৷‌ আই পি এল দেখতে তিনিও নাকি ওই কারখানায় গিয়েছিলেন৷‌ তার পর থেকে কোনও খোঁজ নেই৷‌ তাঁর স্ত্রী তাপসী ভক্তা অঝোরে কেঁদে চলেছেন৷‌ বলছেন, যদি দেহ একবারও দেখা যায়৷‌

    অ্যামোনিয়ার ড্রাম?

    তৈরি না হওয়া বারুদের সঙ্গে অ্যামোনিয়ার বিপুল মজুত কি ছিল? বা অন্য কোনও তীব্র বিস্ফোরক? ফরেনসিকের অফিসারেরা ঘটনাস্হলে পৌঁছে ঘটনাস্হল থেকে বিভিন্ন দূরত্বে পড়ে থাকা, উড়ে আসা বস্তু সংগ্রহ করছেন? কী ধরনের ছিল? এলাকার মানুষেরা বলছেন, ১২-১৩ জন লোককে যেন উড়িয়ে নিয়ে গিয়ে কোথাও ছুঁড়ে ফেলা হয়েছে৷‌ বিকট শব্দ ও বারুদের আগুনের তীব্রতায় ঝলসে শুধু যায়নি, দেহ টুকরো হয়েছে৷‌ যাঁরা ছিলেন সেদিন ঘটনাস্হলে, তাঁরা নিশ্চয়ই বারুদের বস্তার চারপাশে বসে বা শুয়ে ছিলেন না৷‌ একজায়গায় আগুন লাগতে বা গরমের ফলে গোটা বাড়িটাই জতুগৃহ হয়ে ছিল৷‌ দমকল দিনের আলোয় পৌঁছে বহু বস্তা বারুদ নিভিয়েছে৷‌ কতজন লোক ছিল সেদিন? এই হিসেব কারও কাছেই নেই৷‌ যেমন মৃতদের মুখ দেখে চেনার উপায় নেই৷‌ দেহ কী পাচার হয়েছে কোথাও? স্হানীয় মানুষেরা এমন অভিযোগও তুলছেন৷‌ তাঁদের ক্ষোভ, এমন একটা ঘটনার আশঙ্কা তাঁরা বহুদিন ধরেই করছিলেন৷‌ পুলিস ঘটনাস্হলে গিয়ে পুড়ে যাওয়া বহু যন্ত্রাংশ উদ্ধার করেছে৷‌ সেগুলি কী কাজে লাগত, তা দেখা হচ্ছে৷‌ মুণ্ডমারি পেরিয়ে লাল মোরামের রাস্তা দিয়ে আঁকাবাঁকা এগোতে এগোতে অকুস্হল৷‌ এমন জায়গা বাছা হয়েছিল, যার সঙ্গে পিংলা অঞ্চলের বহু মানুষের জানা নেই৷‌ ঘটনার পর সবাই খবর শুনে জানছেন, বিস্ফোরণ ঘটেছে তাঁদের গ্রামেই৷‌ ব্রাহ্মণবাড় অঞ্চলে এমন ঘটনা প্রথম৷‌ ভয়ে থরথর করে কাঁপছে গোটা গ্রাম৷‌

    আজকালের প্রতিবেদন

    শিল্পে বিনিয়োগ টানতে অনুমোদন পদ্ধতি সরলীকরণ করল রাজ্য

    শিল্পে বিনিয়োগ টানতে অনুমোদন পদ্ধতি সরলীকরণ করল রাজ্য

    শিল্পের খরা কাটাতে আরও উদার হল রাজ্য সরকার। ছোট থেকে বড় ব্যবসা, সব ক্ষেত্রেই বিনিয়োগকারীদের উত্‍সাহ দিতে সরলীকরণ করা হল অনুমোদন পদ্ধতির। বৃহস্পতিবার শিল্প সংক্রান্ত সাব কমিটির বৈঠকে এই গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।  

    মধ্যমগ্রামে গাড়ি ঘিরে এলোপাথারি গুলি, মৃত দুই আরোহী, আহত ১মধ্যমগ্রামে গাড়ি ঘিরে এলোপাথারি গুলি, মৃত দুই আরোহী, আহত ১

    মধ্যমগ্রাম-সোদপুর রোডে ফ্লাইওভারের কাছে গাড়ি ঘিরে এলোপাথাড়ি গুলি চালাল বাইকে চেপে আসা পনেরো-ষোলো জন দুষ্কৃতী। একেবারে হিন্দি সিনেমার কায়দায় এই হামলায় গুলিতে মৃত্যু হয়েছে গাড়ির দুই আরোহীর। নাম বাবু সেন ও নুমকাই। গুলিতে আহত হয়েছেন গাড়ির অপর আরোহী অভিজিত্‍ গুহ ।

    পিংলার বিস্ফোরণ কেড়ে নিল মুর্শিদাবাদের ১০ কিশোরের প্রাণপিংলার বিস্ফোরণ কেড়ে নিল মুর্শিদাবাদের ১০ কিশোরের প্রাণ

    শোক আর আতঙ্কে  থমথম করছে গোটা চাঁদরা গ্রাম। পিংলায় বিস্ফোরণে মৃত্যু হয়েছে মুর্শিদাবাদের এই গ্রামের দশজন কিশোরের। রাজমিস্ত্রীর কাজ পাইয়ে দেওয়ার নাম করে গ্রামেরই যুবক ইনামুল ওই তেরো জনকে নিয়ে যায় পিংলায়। ঘটনার পর থেকে খোঁজ নেই সেই ইনামুলের।বিস্ফোরণের খবর মিলেছিল টেলিভিশন থেকে।

    পিংলায় পুলিসি নিষ্কৃয়তার পিছনেও কি শাসক দল? উঠছে প্রশ্ন   পিংলায় পুলিসি নিষ্কৃয়তার পিছনেও কি শাসক দল? উঠছে প্রশ্ন

    পুলিসের নাকের ডগাতেই চলছিল বেআইনি কারখানা। সব জেনে শুনেও পুলিস ছিল নিষ্ক্রিয়। কেন এই নিষ্ক্রিয়তা? গ্রামবাসীদের অভিযোগ, খোদ তৃণমূল নেতার কারখানা বলেই নীরব ছিল পুলিস। ঘটনার পর সেই পুলিসই সক্রিয় হয়ে উঠল দেহ লোপাট করে ঘটনা ধামাচাপা দিতে। অভিযোগ স্থানীয় বাসিন্দাদের। পিংলার ব্রাহ্মণবাড় গ্রাম। রবিবার রাত সাড়ে নটা নাগাদ বিস্ফোরণে কেঁপে ওঠে এই এলাকা। ছিন্ন ভিন্ন দেহ ছড়িয়ে পড়ে এদিক ওদিক।  

    মৃত্যুভূমি পিংলায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১২, আহত ৪, নিখোঁজ অনেকেইমৃত্যুভূমি পিংলায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১২, আহত ৪, নিখোঁজ অনেকেই

    এ যেন মৃত্যুস্তুপ। আধপোড়া শরীর, রক্তেভেজা মানুষের লাস। পিংলার ব্রাহ্মণবেড় গ্রামের বেআইনি বাজি কারখানায় ভয়াবহ বিস্ফোরণে মৃতের সংখ্যা বারো। গুরুতর জখম চারজন।  বেশকিছু শ্রমিকের খোঁজই মিলছে না। বাসিন্দাদের অভিযোগ রাতের অন্ধকারেই দেহ সরিয়ে ফেলেছে পুলিস। বাজি কারখানার মালিককে গ্রেফতার করেছে পুলিস এককথায় ভয়াবহ। ভয়ঙ্কর। বারুদে ঝলসে যাওয়া শরীর। ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে শরীরের বিভিন্ন অংশ। মৃত্যুস্তুপের মধ্যেই আধমরা কিছু মানুষ যন্ত্রণায় কাতরাচ্ছেন।

    পিংলা বিস্ফোরণ কাণ্ডে মিলল চেন্নাই যোগ, সিআইডি তদন্তের নির্দেশ মুখ্যমন্ত্রীরপিংলা বিস্ফোরণ কাণ্ডে মিলল চেন্নাই যোগ, সিআইডি তদন্তের নির্দেশ মুখ্যমন্ত্রীর

    বাজির কারখানাকে সামনে রেখেই কী চলছিল অন্য কোনও ষড়যন্ত্র? বিস্ফোরণস্থল থেকে উদ্ধার হওয়া একাধিক নথি চিন্তায় ফেলে দিয়েছে পুলিস কর্তাদের। উদ্ধার হওয়া নথি থেকে মিলেছে চেন্নাই যোগ। কিন্তু চেন্নাই রহস্য নিয়ে কার্যত এখনও অন্ধকারে তদন্তকারীরা। তাই খাগড়াগড়ের পুনরাবৃত্তি এড়াতেই তড়িঘড়ি সিআইডিকে দায়িত্ব দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। খাগড়াগড়ের মত পিংলার বিস্ফোরণকেও মামুলি বিস্ফোরণের চেহারা দিতে সক্রিয় জেলা পুলিস।

    কবে হবে বাকি ৭টি পুরসভার ভোট? দিন নির্ধারণে শাসক-বিরোধী চাপানউতোর  কবে হবে বাকি ৭টি পুরসভার ভোট? দিন নির্ধারণে শাসক-বিরোধী চাপানউতোর

    রাজ্যে সাতটি পুরসভায় এখনও নির্বাচন বাকি। কয়েকটি পুরসভার মেয়াদ ইতিমধ্যে ফুরিয়েছে। কয়েকটির শেষের পথে। কিন্তু কবে হবে ভোট? এ প্রশ্নের জবাব এখনও অজানা। বিরোধীদের অভিযোগ, হার নিশ্চিত বুঝে, ভোটের ময়দানে এখনই নামতে নারাজ শাসক দল। চেষ্টা চলছে ভোট পিছনোর।    

    ৭ মাসে রাজ্যে বন্ধ ১২টি জুট মিল, মোদী-মমতা বৈঠক ঘিরে উত্তেজনায় মালিকরা৭ মাসে রাজ্যে বন্ধ ১২টি জুট মিল, মোদী-মমতা বৈঠক ঘিরে উত্তেজনায় মালিকরা

    গত সাত মাসে রাজ্যে বন্ধ হয়েছে ১২টি জুট মিল। ধুঁকছে আরও অনেকগুলো। আর এই অবস্থায় মোদি -মমতা বৈঠক  ঘিরে উত্তেজনা বাড়ছে জুট মিল মালিকদের মধ্যে।

    বাঁকুড়ায় কয়লাখনিতে ধস, মৃত ৫ বাঁকুড়ায় কয়লাখনিতে ধস, মৃত ৫

    বাঁকুড়ার বড়জোড়ার কাছে বাগুলি গ্রাম সংলগ্ন খোলামুখ কয়লাখনিতে ধস চাপা পড়ে মৃত্যু হল ৫ জনের। গতকাল রাতে ওই খনিতে অবৈধভাবে কয়লা তোলার সময়ই এই দুর্ঘটনা ঘটে। সকালে খবর পেয়ে ৫ জনের দেহ উদ্ধার করেন গ্র

    পিংলা বিস্ফোরণ কাণ্ডে চেন্নাই যোগ, সিআইডি তদন্তের নির্দেশ দিলেন মুখ্যমন্ত্রী, মৃতের সংখ্যা ১২পিংলা বিস্ফোরণ কাণ্ডে চেন্নাই যোগ, সিআইডি তদন্তের নির্দেশ দিলেন মুখ্যমন্ত্রী, মৃতের সংখ্যা ১২

    পিংলায় বিস্ফোরণ কাণ্ডে চেন্নাই যোগ পাওয়া গেল। বিস্ফোরণস্থল থেকে চেন্নাইয়ের বাসিন্দাদের নামে প্রচুর আধারকার্ড ও ড্রাইভিং লাইসেন্স পাওয়া গেছে। পাওয়া গেছে চেন্নাইয়ের পেরামপুরের এক দোকানের রসিদ। রসিদগুলি মূলত সানগ্লাস ও হেলমেটের। এই ঘটনায় সিআইডি তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সিআইডি ইতিমধ্যেই বিশেষ তদন্তকারী দল গঠন করেছে। দলটি পিংলা পৌঁছে গেছে।

    পশ্চিম মেদিনীপুরে পিংলায় বাজি কারখানায় ভয়াবহ বিস্ফোরণ, মৃত ১১ গুরুতর জখম ৩পশ্চিম মেদিনীপুরে পিংলায় বাজি কারখানায় ভয়াবহ বিস্ফোরণ, মৃত ১১ গুরুতর জখম ৩

    বাজি তৈরির কারখানায় বিস্ফোরণে মৃত্যু হল দশজনের। আহত হয়েছেন তিনজন। কারখানা থেকে ১০০ মিটার দূরে পড়ে রয়েছে ছিন্নভিন্ন দেহাংশ।

    ফেলে দিতে হবে ৭০ হাজার লিটার দুধ, সঙ্কটে ভাগীরথী মিল্ক ইউনিয়ন  ফেলে দিতে হবে ৭০ হাজার লিটার দুধ, সঙ্কটে ভাগীরথী মিল্ক ইউনিয়ন

    ফেলে দিতে হবে প্রায় ৭০ হাজার লিটার দুধ। এর জেরে গভীর সঙ্কটে মুর্শিদাবাদের ভাগীরথী মিল্ক ইউনিয়ন। আচমকাই এই সংস্থার কাছ থেকে দুধ কেনা বন্ধ করে দিয়েছে ওয়েস্ট বেঙ্গল মিল্ক ফেডরেশন। ইউনিয়ন নিজের উদ্যোগে প্রায় ১ লক্ষ লিটার দুধ বিক্রির বন্দোবস্ত করলেও, এখনও ঘরেই পড়ে বিপুল পরিমাণ দুধ।

    দুষ্কৃতীদের অতর্কিত অ্যাসিড হানায় নষ্ট হয়েছে চোখ, তবুও স্বপ্ন দেখেন শোভনা  দুষ্কৃতীদের অতর্কিত অ্যাসিড হানায় নষ্ট হয়েছে চোখ, তবুও স্বপ্ন দেখেন শোভনা

    একটা অ্যাসিড অ্যাটাক তছনছ করে দিয়েছে গোটা জীবনটাকে। শুধু মুখ পুড়ে যাওয়া নয়। এক চোখ নষ্ট, আরেকটিও নষ্ট হওয়ার পথে। অর্থের অভাবে ধুঁকছে চিকিত্‍সা। তবু হাল ছাড়তে নারাজ শোভনা মালিক। জীবন তাঁর কাছে লড়াইয়ের আরেক নাম। এখন প্রায় সবসময়ই মুখ ঢাকা থাকে। বাইরে কারোর সামনে আসতে গেলেই সঙ্গী সঙ্কোচ, ভয়। অ্যাসিডে পোড়া মুখ, সে কি কম যন্ত্রণার! তবু আজও স্বপ্ন দেখেন শোভনা মালিক।  

    ত্রিশঙ্কু ১১টি পুরসভার মধ্যে দুটির দখলে নিল তৃণমূলত্রিশঙ্কু ১১টি পুরসভার মধ্যে দুটির দখলে নিল তৃণমূল

    ত্রিশঙ্কু ১১টি পুরসভার মধ্যে দুটির দখলে নিল তৃণমূল। ধুলিয়ান আর বাঁকুড়া সদর। বিরোধীদের দলবদলের হাত ধরে পিছিয়ে থেকেও দুটি জায়গায় বোর্ড গড়তে চলেছে শাসকদল। ধুলিয়ানে ছয়টি ওয়ার্ডে জিতেছিল তৃণমূল। আজ তিন বিজেপি, দুই সিপিআইএম ও এক নির্দল কাউন্সিলর যোগ দেওয়ায় তৃণমূল বোর্ড এখন শুধু সময়ের অপেক্ষা। বাঁকুড়া সদরে ২৪টির মধ্যে ১২টি ওয়ার্ড দখলে ছিল তৃণমূলের। সেখানে আজ আরও চারজন নির্দল কাউন্সিলর তৃণমূলে যোগ দেন।

    গাড়ির ধাক্কায় আহত দুই স্কুল পড়ুয়াগাড়ির ধাক্কায় আহত দুই স্কুল পড়ুয়া

    ফের দুর্ঘটনা। গাড়ির ধাক্কায় আহত স্কুল পড়ুয়া। বিনপুরের স্কুল মোড়ে গাড়ির ধাক্কায় আহত হলেন দুই স্কুল পড়ুয়া। আহতেরা সম্পর্কে ভাইবোন।

    এবার রাজ্যের পঞ্চায়েতের উন্নয়ন যজ্ঞে অর্থ সাহায্য করছে বিশ্বব্যাঙ্ক এবার রাজ্যের পঞ্চায়েতের উন্নয়ন যজ্ঞে অর্থ সাহায্য করছে বিশ্বব্যাঙ্ক

    রাজ্যের সবকটি পঞ্চায়েতের পরিকাঠামো উন্নয়নের জন্য অর্থ সাহায্য করতে চলেছে বিশ্বব্যাঙ্ক। যার ফলে উপকৃত হবেন রাজ্যের প্রায় দু কোটি ২০ লক্ষ গ্রামবাসী। বিশ্বব্যাঙ্কের পদক্ষেপে উচ্ছ্বসিত রাজ্য।

    শ্রীশ্রীলক্ষ্মীদেবীর বৃহস্পতিবারবিহিত ব্রতকথা-পাঁচালি ও বারমাস্যা


    শ্রীশ্রীলক্ষ্মীদেবীর ব্রতকথা-পাঁচালি

    দোলপূর্ণিমা নিশীথে নির্মল আকাশ।

    মন্দ মন্দ বহিতেছে মলয় বাতাস।।

    লক্ষ্মীদেবী বামে করি বসি নারায়ণ।

    কহিতেছে নানা কথা সুখে আলাপন।।

    হেনকালে বীণাযন্ত্রে হরি গুণগান।

    উপনীত হইলেন নারদ ধীমান।।

    ধীরে ধীরে উভপদে করিয়া প্রণতি।

    অতঃপর কহিলেন লক্ষ্মীদেবী প্রতি।।

    শুন গো, মা নারায়ণি, চলো মর্ত্যপুরে।

    তব আচরণে দুখ পাইনু অন্তরে।।

    তব কৃপা বঞ্চিত হইয়া নরনারী।

    ভুঞ্জিছে দুর্গতি কত বর্ণিবারে নারি।।

    সতত কুকর্মে রত রহিয়া তাহারা।

    দুর্ভিক্ষ অকালমৃত্যু রোগে শোকে সারা।।

    অন্নাভাবে শীর্ণকায় রোগে মৃতপ্রায়।

    আত্মহত্যা কেহ বা করিছে ঠেকে দায়।।

    কেহ কেহ প্রাণাধিক পুত্রকন্যা সবে।

    বেচে খায় হায় হায় অন্নের অভাবে।।

    অন্নপূর্ণা অন্নরূপা ত্রিলোকজননী।

    বল দেবি, তবু কেন হাহাকার শুনি।।

    কেন লোকে লক্ষ্মীহীন সম্পদ অভাবে।

    কেন লোকে লক্ষ্মীছাড়া কুকর্ম প্রভাবে।।

    শুনিয়া নারদবাক্য লক্ষ্মী ঠাকুরানি।

    সঘনে নিঃশ্বাস ত্যজি কহে মৃদুবাণী।।

    সত্য বাছা, ইহা বড় দুঃখের বিষয়।

    কারণ ইহার যাহা শোনো সমুদয়।।

    আমি লক্ষ্মী কারো তরে নাহি করি রোষ।

    মর্ত্যবাসী কষ্ট পায় ভুঞ্জি কর্মদোষ।।

    মজাইলে অনাচারে সমস্ত সংসার।

    কেমনে থাকিব আমি বল নির্বিকার।।

    কামক্রোধ লোভ মোহ মদ অহংকার।

    আলস্য কলহ মিথ্যা ঘিরিছে সংসার।।

    তাহাতে হইয়া আমি ঘোর জ্বালাতন।

    হয়েছি চঞ্চলা তাই ওহে বাছাধন।।

    পরিপূর্ণ হিংসা দ্বেষ তাদের হৃদয়।

    পরশ্রী হেরিয়া চিত্ত কলুষিত ময়।।

    রসনার তৃপ্তি হেতু অখাদ্য ভক্ষণ।

    ফল তার হের ঋষি অকাল মরণ।।

    ঘরে ঘরে চলিয়াছে এই অবিচার।

    অচলা হইয়া রব কোন সে প্রকার।।

    এসব ছাড়িয়া যেবা করে সদাচার।

    তার গৃহে চিরদিন বসতি আমার।।

    এত শুনি ঋষিবর বলে, নারায়ণি।

    অনাথের মাতা তুমি বিঘ্নবিনাশিনী।।

    কিবা ভাবে পাবে সবে তোমা পদছায়া।

    তুমি না রাখিলে ভক্তে কে করিবে দয়া।।

    বিষ্ণুপ্রিয়া পদ্মাসনা ত্রিতাপহারিণী।

    চঞ্চলা অচলা হও পাপনিবারণী।।

    তোমার পদেতে মা মোর এ মিনতি।

    দুখ নাশিবার তব আছে গো শকতি।।

    কহ দেবি দয়া করে ইহার বিধান।

    দুর্গতি হেরিয়া সব কাঁদে মোর প্রাণ।।

    দেবর্ষির বাক্য শুনি কমলা উতলা।

    তাহারে আশ্বাস দানে বিদায় করিলা।।

    জীবের দুঃখ হেরি কাঁদে মাতৃপ্রাণ।

    আমি আশু করিব গো ইহার বিধান।।

    নারদ চলিয়া গেলে দেবী ভাবে মনে।

    এত দুঃখ এত তাপ ঘুচাব কেমনে।।

    তুমি মোরে উপদেশ দাও নারায়ণ।

    যাহাতে নরের হয় দুঃখ বিমোচন।।

    লক্ষ্মীবাণী শুনি প্রভু কহেন উত্তর।

    ব্যথিত কি হেতু প্রিয়া বিকল অন্তর।।

    যাহা বলি, শুন সতি, বচন আমার।

    মর্ত্যলোকে লক্ষ্মীব্রত করহ প্রচার।।

    গুরুবারে সন্ধ্যাকালে যত নারীগণ।

    পূজা করি ব্রতকথা করিবে শ্রবণ।।

    ধন ধান্য যশ মান বাড়িবে সবার।

    অশান্তি ঘুচিয়া হবে সুখের সংসার।।

    নারায়ণ বাক্যে লক্ষ্মী হরষ মনেতে।

    ব্রত প্রচারণে যান ত্বরিত মর্তেতে।।

    উপনীত হন দেবী অবন্তী নগরে।

    তথায় হেরেন যাহা স্তম্ভিত অন্তরে।।

    ধনেশ্বর রায় হয় নগর প্রধান।

    অতুল ঐশ্বর্য তার কুবের সমান।।

    হিংসা দ্বেষ বিজারিত সোনার সংসার।

    নির্বিচারে পালিয়াছে পুত্র পরিবার।

    একান্নতে সপ্তপুত্র রাখি ধনেশ্বর।

    অবসান নরজন্ম যান লোকান্তর।।

    পত্নীর কুচক্রে পড়ি সপ্ত সহোদর।

    পৃথগন্ন হল সবে অল্প দিন পর।।

    হিংসা দ্বেষ লক্ষ্মী ত্যাজে যত কিছু হয়।

    একে একে আসি সবে গৃহে প্রবেশয়।।

    এসব দেখিয়া লক্ষ্মী অতি ক্রুদ্ধা হল।

    অবিলম্বে সেই গৃহ ত্যজিয়া চলিল।।

    বৃদ্ধ রানি মরে হায় নিজ কর্মদোষে।

    পুরীতে তিষ্ঠিতে নারে বধূদের রোষে।।

    পরান ত্যজিতে যান নিবিড় কাননে।

    চলিতে অশক্ত বৃদ্ধা অশ্রু দুনয়নে।।

    ছদ্মবেশে লক্ষ্মীদেবী আসি হেন কালে।

    উপনীত হইলেন সে ঘোর জঙ্গলে।।

    সদয় কমলা তবে জিজ্ঞাসে বৃদ্ধারে।

    কিবা হেতু উপনীত এ ঘোর কান্তারে।।

    লক্ষ্মীবাক্যে বৃদ্ধা কহে শোন ওগো মাতা।

    মন্দভাগ্য পতিহীনা করেছে বিধাতা।।

    ধনবান ছিল পিতা মোর পতি আর।

    লক্ষ্মী বাঁধা অঙ্গনেতে সতত আমার।।

    সোনার সংসার মোর ছিল চারিভিতে।

    পুত্র পুত্রবধূ ছিল আমারে সেবিতে।।

    পতি হল স্বর্গবাসী সুখৈশ্বর্য যত।

    একে একে যাহা কিছু হল তিরোহিত।।

    ভিন্ন ভিন্ন হাঁড়ি সব হয়েছে এখন।

    অবিরত বধূ যত করে জ্বালাতন।।

    অসহ্য হয়েছে এবে তাদের যন্ত্রণা।

    এ জীবন বিসর্জিতে করেছি বাসনা।।

    বৃদ্ধা বাক্যে নারায়ণী কহেন তখন।

    আত্মহত্যা মহাপাপ শাস্ত্রের বচন।।

    ফিরে যাও ঘরে তুমি কর লক্ষ্মীব্রত।

    সর্ব দুঃখ বিমোচিত পাবে সুখ যত।।

    গুরুবারে সন্ধ্যাকালে বধূগণ সাথে।

    লক্ষ্মীব্রত কর সবে হরষ মনেতে।।

    পূর্ণ ঘটে দিবে শুধু সিঁদুরের ফোঁটা।

    আম্রশাখা দিবে তাহে লয়ে এক গোটা।।

    গুয়াপান দিবে তাতে আসন সাজায়ে।

    সিন্দূর গুলিয়া দিবে ভক্তিযুক্ত হয়ে।।

    ধূপ দীপ জ্বালাইয়া সেইখানে দেবে।

    দূর্বা লয়ে হাতে সবে কথা যে শুনিবে।।

    লক্ষ্মীমূর্তি মানসেতে করিবেক ধ্যান।

    ব্রতকথা শ্রবণান্তে শান্ত করে প্রাণ।।

    কথা অন্তে ভক্তিভরে প্রণাম করিবে।

    অতঃপর এয়োগণ সিঁদুর পরাবে।।

    প্রতি গুরুবারে পূজা যে রমণী করে।

    নিষ্পাপ হইবে সে কমলার বরে।।

    বার মাস পূজা হয় যে গৃহেতে।

    অচলা থাকেন লক্ষ্মী সেই সে স্থানেতে।।

    পূর্ণিমা উদয় হয় যদি গুরুবারে।

    যেই নারী এই ব্রত করে অনাহারে।।

    কমলা বাসনা তার পুরান অচিরে।

    মহাসুখে থাকে সেই সেই পুত্রপরিবারে।।

    লক্ষ্মীর হাঁড়ি এক স্থাপিয়া গৃহেতে।

    তণ্ডুল রাখিবে দিন মুঠা প্রমাণেতে।।

    এই রূপে নিত্য যেবা সঞ্চয় করিবে।

    অসময়ে উপকার তাহার হইবে।।

    সেথায় প্রসন্না দেবী কহিলাম সার।

    যাও গৃহে ফিরে কর লক্ষ্মীর প্রচার।।

    কথা শেষ করে দেবী নিজ মূর্তি ধরে।

    বৃদ্ধারে দিলেন দেখা অতি কৃপা ভরে।।

    লক্ষ্মী হেরি বৃদ্ধা আনন্দে বিভোর।

    ভূমিষ্ট প্রণাম করে আকুল অন্তর।।

    ব্রত প্রচারিয়া দেবি অদৃশ্য হইল।

    আনন্দ হিল্লোলে ভেসে বৃদ্ধা ঘরে গেল।।

    বধূগণে আসি বৃদ্ধা বর্ণনা করিল।

    যে রূপেতে বনমাঝে দেবীরে হেরিল।।

    ব্রতের পদ্ধতি যাহা কহিল সবারে।

    নিয়ম যা কিছু লক্ষ্মী বলেছে তাহারে।।

    বধূগণ এক হয়ে করে লক্ষ্মীব্রত।

    স্বার্থ দ্বেষ হিংসা যত হইল দূরিত।।

    ব্রতফলে এক হল সপ্ত সহোদর।

    দুঃখ কষ্ট ঘুচে যায় অভাব সত্বর।।

    কমলা আসিয়া পুনঃ আসন পাতিল।

    লক্ষ্মীহীন সেই গৃহে লক্ষ্মী অধিষ্ঠিল।।

    দৈবযোগে একদিন বৃদ্ধার গৃহেতে।

    আসিল যে এক নারী ব্রত সময়েতে।।

    লক্ষ্মীকথা শুনি মন ভক্তিতে পুরিল।

    লক্ষ্মীব্রত করিবে সে মানত করিল।।

    কুষ্ঠরোগগ্রস্থ পতি ভিক্ষা করি খায়।

    তাহার আরোগ্য আশে পূজে কমলায়।।

    ভক্তিভরে এয়ো লয়ে যায় পূজিবারে।

    কমলার বরে সব দুঃখ গেল দূরে।।

    পতির আরোগ্য হল জন্মিল তনয়।

    ঐশ্বর্যে পুরিল তার শান্তির আলয়।।

    লক্ষ্মীব্রত এই রূপে প্রতি ঘরে ঘরে।

    প্রচারিত হইল যে অবন্তী নগরে।।

    অতঃপর শুন এক অপূর্ব ঘটন।

    ব্রতের মাহাত্ম্য কিসে হয় প্রচলন।।

    একদিন গুরুবারে অবন্তীনগরে।

    মিলি সবে এয়োগন লক্ষ্মীব্রত করে।।

    শ্রীনগরবাসী এক বণিক নন্দন।

    দৈবযোগে সেই দেশে উপনীত হন।।

    লক্ষ্মীপূজা হেরি কহে বণিক তনয়।

    কহে, এ কি পূজা কর, কিবা ফল হয়।।

    বণিকের কথা শুনি বলে নারীগণ।

    লক্ষ্মীব্রত ইহা ইথে মানসপূরণ।।

    ভক্তিভরে যেই নর লক্ষ্মীব্রত করে।

    মনের আশা তার পুরিবে অচিরে।।

    সদাগর এই শুনি বলে অহংকারে।।

    অভাগী জনেতে হায় পূজে হে উহারে।।

    ধনজনসুখ যত সব আছে মোর।

    ভোগেতে সদাই আমি রহি নিরন্তর।।

    ভাগ্যে না থাকিলে লক্ষ্মী দিবে কিবা ধন।

    একথা বিশ্বাস কভু করি না এমন।।

    হেন বাক্য নারায়ণী সহিতে না পারে।

    অহংকার দোষে দেবী ত্যজিলা তাহারে।।

    বৈভবেতে পূর্ণ তরী বাণিজ্যেতে গেলে।

    ডুবিল বাণিজ্যতরী সাগরের জলে।

    প্রাসাদ সম্পদ যত ছিল তার।

    বজ্র সঙ্গে হয়ে গেল সব ছারখার।।

    ভিক্ষাঝুলি স্কন্ধে করি ফিরে দ্বারে দ্বারে।

    ক্ষুধার জ্বালায় ঘোরে দেশ দেশান্তরে।।

    বণিকের দশা যেই মা লক্ষ্মী দেখিল।

    কমলা করুণাময়ী সকলি ভুলিল।।

    কৌশল করিয়া দেবী দুঃখ ঘুচাবারে।

    ভিক্ষায় পাঠান তারে অবন্তী নগরে।।

    হেরি সেথা লক্ষ্মীব্রত রতা নারীগণে।

    বিপদ কারণ তার আসিল স্মরণে।।

    ভক্তিভরে করজোড়ে হয়ে একমন।

    লক্ষ্মীর বন্দনা করে বণিক নন্দন।।

    ক্ষমা কর মোরে মাগো সর্ব অপরাধ।

    তোমারে হেলা করি যত পরমাদ।।

    অধম সন্তানে মাগো কর তুমি দয়া।

    সন্তান কাঁদিয়া মরে দাও পদছায়া।।

    জগৎ জননী তুমি পরমা প্রকৃতি।

    জগৎ ঈশ্বরী তবে পূজি নারায়ণী।।

    মহালক্ষ্মী মাতা তুমি ত্রিলোক মণ্ডলে।

    গৃহলক্ষ্মী তুমি মাগো হও গো ভূতলে।।

    রাস অধিষ্ঠাত্রী তুমি দেবী রাসেশ্বরী।

    তব অংশভূতা যত পৃথিবীর নারী।।

    তুমিই তুলসী গঙ্গা কলুষনাশিনী।

    সারদা বিজ্ঞানদাত্রী ত্রিতাপহারিণী।।

    স্তব করে এইরূপে ভক্তিযুক্ত মনে।

    ভূমেতে পড়িয়া সাধু প্রণমে সে স্থানে।।

    ব্রতের মানত করি নিজ গৃহে গেল।

    গৃহিণীরে গৃহে গিয়া আদ্যান্ত কহিল।।

    সাধু কথা শুনি তবে যত নারীগণ।

    ভক্তিভরে করে তারা লক্ষ্মীর পূজন।।

    সদয় হলেন লক্ষ্মী তাহার উপরে।

    পুনরায় কৃপাদৃষ্টি দেন সদাগরে।।

    সপ্ততরী জল হতে ভাসিয়া উঠিল।

    আনন্দেতে সকলের অন্তর পূরিল।।

    দারিদ্র অভাব দূর হইল তখন।

    আবার সংসার হল শান্তি নিকেতন।।

    এইরূপে ব্রতকথা মর্ত্যেতে প্রচার।

    সদা মনে রেখো সবে লক্ষ্মীব্রত সার।।

    এই ব্রত যেই জনে করে এক মনে।

    লক্ষ্মীর কৃপায় সেই বাড়ে ধনে জনে।।

    করজোড় করি সবে ভক্তিযুক্ত মনে।

    লক্ষ্মীরে প্রণাম কর যে থাক যেখানে।।

    ব্রতকথা যেবা পড়ে যেবা রাখে ঘরে।

    লক্ষ্মীর কৃপায় তার মনোবাঞ্ছা পুরে।।

    লক্ষ্মীর ব্রতের কথা বড়ো মধুময়।

    প্রণাম করিয়া যাও যে যার আলয়।।

    লক্ষ্মীব্রতকথা হেথা হৈল সমাপন।

    আনন্দ অন্তরে বল লক্ষ্মী-নারায়ণ।।

    শ্রীশ্রীলক্ষ্মীদেবীর বারমাস্যা

    বছরের প্রথম মাস বৈশাখ যে হয়।

    পূজা নিতে এস ওমা আমার আলয়।।

    জ্যৈষ্ঠ মাসে ষষ্ঠী পূজা হয় ঘরে ঘরে।

    এসো বসো তুমি ওমা পূজার বাসরে।।

    আষাঢ়ে আসিতে মাগো নাহি করো দেরি।

    পূজা হেতু রাখি মোরা ধান্য দুর্বা ধরি।।

    শ্রাবণের ধারা দেখ চারি ধারে পড়ে।

    পূজিবারে ও চরণ ভেবেছি অন্তরে।।

    ভাদ্র মাসে ভরা নদী কুল বেয়ে যায়।

    কৃপা করি এসো মাগো যত শীঘ্র হয়।।

    আশ্বিনে অম্বিকা সাথে পূজা আয়োজন।

    কোজাগরী রাতে পুনঃ করিব পূজন।।

    কার্তিকে কেতকী ফুল চারিধারে ফোটে।

    এসো মাগো এসো বসো মোর পাতা ঘটে।।

    অঘ্রাণে আমন ধান্যে মাঠ গেছে ভরে।

    লক্ষ্মীপূজা করি মোরা অতি যত্ন করে।।

    পৌষপার্বনে মাগো মনের সাধেতে।

    প্রতি গৃহে লক্ষ্মী পূজি নবান্ন ধানেতে।।

    মাঘ মাসে মহালক্ষ্মী মহলেতে রবে।

    নব ধান্য দিয়া মোরা পূজা করি সবে।।

    ফাল্গুনে ফাগের খেলা চারিধারে হয়।

    এসো মাগো বিষ্ণুজায়া পূজিগো তোমায়।।

    চৈত্রেতে চাতক সম চাহি তব পানে।

    আসিয়া বস ওমা দুঃখিনীর ভবনে।।

    লক্ষ্মীদেবী বারমাস্যা হৈল সমাপন।

    ভক্তজন মাতা তুমি করহ কল্যাণ।।

    0 0

    গজেন্দ্র, চাষার লাশের সঙ্গে সেলফি

    এতো দিন আমরা দেখছিলাম চাষা গলায় দড়ি দিচ্ছে । আমাদের অন্নদাতারা দানা বিষ খেয়ে মরছে । সারদায় টাকা রাখা দুর্ভাগা ট্রেন লাইনে ঝাঁপ দিচ্ছে । বন্ধ কারখানার মজুর আত্মহত্যা করছে । আমরা দেখছিলাম । দেখছিলাম নন্দিগ্রামে কৃষক গুলি বিদ্ধ তবু ছেদ পরতো না আমাদের উল্লাসে আমাদের মল- ডিস্কো যাপনে । দেখছিলাম সুজেট মারা গেল, তবু ফুল গুজে দিতাম প্রেমিকার খোঁপায় । দেখছিলাম রোদে বৃষ্টি তে এসএসসি চাকরী প্রার্থীরা পুড়ছেন, তবু বেহালা বাজানো আমাদের থামছিল না ।

    এই সময় সেলফি এলো, শিশুদিবসে ডাই করা বাসুন ধোয়া বাচ্চাকে পাশে নিয়ে ছবি তুললাম । ফুটপাথে বসা ভিখারিকে জড়িয়ে ধরে চুমু খাচ্ছি, এমন ছবি জ্বলজ্বল করতো আমার মুখবই দেওয়ালে । মরা বাপের পাশে কাঁদতে কাঁদতে, হাগতে হাগতে, চুমু খেতে খেতে, মৈথুনে সর্বদা আমার সাথে ছিল সেলফি ।

    ব্যাপক আম হয়েছিলো এবার, শিলাবৃষ্টি তে নষ্ট হয়ে যাওয়ার পর, জলপাইগুড়ি তে আলুচাষী দের লক্ষ টাকার ক্ষতি হবার পর, ফেবুতে স্টেটাস দিয়েছিলাম আয় বৃষ্টি ঝেঁপে, নেপালে ভূমিকম্পে ৬০০০ মানুষ মারা গেলেও আমাদের যায় আসতো না, কারন জীবনের প্রথম ভূমিকম্প দুলে দুলে এনজয় করেছি । অয়া আমি দুলছি, আমার খাট দুলছে, অয়া...

    কিন্তু গজেন্দ্র সেলফি হয়ে চলে গেল । একটা মানুষ একটা জনসভার সামনে নিজের গলায় ফাঁস লাগাল । জনতা হাততালি দিলো, সিটি বাজালো, একটা মানুষ কে মরে যেতে দেখে,খ্যাচা খ্যাচ ছবি তুলল । গজেন্দ্র মরিয়া প্রমান করিল, সেলফির মহিমা । এরপর দুপুর রাস্তায় একটা মেয়েকে নগ্ন করা হবে, জনতা উল্লাস করবে, সেই অবস্থায় সেলফি তুলবে তার সাথে । তার দুখানা স্তন কেটে নেওয়া হবে, সেলফি, তার যোনীতে পেরেক আর রড ঢুকিয়ে ঘুঁটে দেওয়া হবে, সক্কলে ভিডিও করবে, তারপর ইউটিউবে ছেড়ে দেওয়া হবে ।

    এতোদিন দেখছিলাম, এখন উপভোগ করবো, মানুষের মৃত্যু, এতো দিন চুপ ছিলাম, এবার দেব হাতে তালি ।

    Chhandak Chatterjee's photo.

    0 0

    मोदी जी अच्छे दिन लाने वाले थे लेकिन शायद उनके भीतर बैठा चायवाला आत्मश्लाघा से ऊपर नहीं उठ सका. यही कारण है कि लोकपाल गर्भ से बाहर नहीं निकल पा रहा है.. केन्द्रीय सतर्कता आयुक्त और खाली है. केन्द्रीय सूचना आयुक्त की कुर्सी धूल फाँक रही है. 
    मसि कागद छूयो नहीं कलम गही नहिं हाथ ब्रांड शिक्षा मंत्री, भ्रष्टाचार का रोगी स्वास्थ्य मंत्री, नौकरशाह चाहे पदस्थ हों या पद-निवृत्त, जैसे भी कारनामों को अंजाम दें, उनकी जाँच के लिए अनुमति जरूरी. जिसे कोई बैंक उधार देने को तैयार नहीं था,उस अपने चहेते अदानी को, स्टेट बैंक से 1 अरब डालर. काला धन गोद में नगर में ढिंढोरा. जमीन हथियाओ विधान पर जोर . खुद हवा की डोर पर सवार बराक- बराक- बराक करता एक पंछी और विदेशी भूमि पर प्रायोजित मोदे- मोदी- मोदी---- उस पर हिन्दू नेताओं का बढ़्ता उन्माद. आज चुनाव हो जायें तो जनता को शायद यही गीत याद आयेगा बड़े अरमान से रखा था बलम तेरी कसम, प्यार की दुनिया में मैंने पहला कदम
    धत तेरे की

    0 0

    Siddhi Ranjitkar wrote in response to  Bihari Krishna Shrestha`s blast against Nepal Government

    Rather want democracy flourish no matter how messy it has been. At least we have rights to shout at the politicians to say whether they are corrupt or not. In the dictatorship even such rights would be gone.

    Dear Bihari sir:

    It is quite unfortunate a person of your intellectual stature is calling on the president of the Federal Democratic Republic of Nepal to be a dictator. I don't appreciate any kind of dictatorship. I rather want democracy flourish no matter how messy it has been. At least we have rights to shout at the politicians to say whether they are corrupt or not. In the dictatorship even such rights would be gone. So, we need to think about calling on the dictatorship before it goes far beyond our control. Democracy is such thing it will try to correct all the evils in the long run. Even in the matured democracy, people complain of wrong things going on. Rightly, you have pointed at China how it has developed its economy. It is entirely due to the economic democracy Chinese leaders have introduced in the early 1980s. Economically, India lagged far behind because its system has been socialistic and virtually one party ruled dictatorially for six decades.


    On Thu, May 7, 2015 at 8:05 AM, Bihari Krishna Shrestha<> wrote:
    Dear Mohanjee,

    It was a nice opportunity for me to give vent to my anger as well as
    to tell whoever in the government cared to listen that the disaster
    after all is also an opportunity for Nepal to earn some dignity too
    around the world by accomplishing accelerated reconstruction and
    rehabilitation of the earthquake victims. Basically, in the 25 minute
    interview programme in the Sagarmatha TV at 5:30 PM (and 9:30 PM--this
    turned out to be a little abridged version) I told the following:
    •       The fact that most people who were killed and maimed came from rural
    hinterlands. After 26 years of representative democracy, they should
    not have been there in the first place. It basically meant failure of
    Nepalese democracy that keeps the country one of the poorest and least
    developed in the world.
    •       While one of the major factors in China's dramatic development has
    been her youthful population , the "demographic dividend" in social
    science parlance,  India is even poised to overtake China for the same
    reason. While Nepal's too is a youthful population,  her demographic
    dividend is being appropriated by the Gulf countries and others like
    Malaysia, S Korea and so on. Nepal is destined to bear with ageing
    population without ever benefiting from her demographic dividend. The
    country has been reduced to being a "residential area" with people
    living on remittances.
    •       The failure of democracy in Nepal results from the incompatibilities
    that inhere in the fact that the Westminster style democratic polity
    was taken from a very rational context of the west and transplanted in
    the stubbornly persistent feudal context of Nepal. While just about
    every single leader in Nepal at all levels is a feudal elite, and
    extraction of resources without accountability is the mode of their
    sustenance, a successful politician in Nepal is necessarily a corrupt
    •       Given such a situation patronizing the voters is the mode of vote
    getting and bhagbanda approach to resource allocation is the logical
    outcome. What has been reported by Kantipur daily recently about the
    inter-party squabbles due to their failure to sort out the new rules
    of bhagbanda is only the tip of the iceberg of the potential for gross
    misappropriation of EQ rehabilitation resources nationwide. Therefore,
    the earthquake relief, reconstruction and rehabilitation must steer
    clear of the politicians at all levels.
    •       Despite her overall failures, Nepal has distinguished in two areas
    in which she remains highly respected around the world. The first is
    the restoration of our forest wealth. While the unbridled run on our
    forest after its nationalization in 1957 brought Nepal to the brink of
    desertification by mid-80s, the introduction of Forest User Groups in
    1988 changed the scenario entirely. As things stood, it took Nepal
    three decades to wreck its forest and only one to rebuild it. Same
    thing with the health sector. With the introduction of Mothers' groups
    in 1988, Nepal came up from the bottom of the pile to  take its seat
    at the top of the table in world ranking in meeting the MDGs in child
    survival and maternal mortality reduction. While China is the country
    that developed fastest in the world, in these two areas, Nepal even
    surpassed China. That is the power of participation of the users
    themselves at the grassroots.
    •       While the long-term solution to Nepal's problem lies in redefining
    its democracy that assures transparency and accountability at all
    levels of governance, it would be inappropriate to try to make it the
    central at the time of this national crisis. However, given the
    impending monsoon after about a month and the need for quick
    reconstruction and rehabilitation, there is no alternative to
    involving the victims themselves in that task.
    •       My end suggestions were: De-politicise the whole process of relief,
    reconstruction and rehabilitation.  In order to do that, the President
    of the Republic should step in, like he has done in the case of Churia
    Forests, and take over the task in the affected district. The
    President should set up an independent expert committee to guide him.
    Secondly, use the Nepal Army that has been doing a fantastic job so
    far to carry on the relief, reconstruction and rehabilitation
    programme in the communities. Thirdly, and most importantly, form user
    groups of the victims themselves in the communities to carry out their
    own relief, reconstruction and rehabilitation. There are sufficient
    number of engineers in the country and with the goodwill of the
    international community, arranging and transporting the materials
    should not pose a problem. This would be surest and quickest way to
    help EQ victims recover from the disaster. At the very end, I further
    added that there has been some important foreign nudging for some
    important decisions by the President. In order to ensure effectiveness
    and pace to the EQ recovery programme, external powers should make it
    be known that the Presidential takeover may be a good idea too.

    0 0

    आसमान चूमती खरीद क्षमता की अर्थव्यवस्था में कालनिद्राय जनगण,जनतंत्र

    पलाश विश्वास

    কবিগুরির জম্মো_দিনে মামাটিও মানুষ্ এর পোক্ষ থেকে বিশেষ্ পোনাম ও শোদ্ধার্ঘ .... !!smile emoticon

    Chiranjib Bhowmik's photo.

    आसमान चूमती खरीद क्षमता की अर्थव्यवस्था में कालनिद्राय जनगण,जनतंत्र!

    वे अग्निदेव साधकों द्वारा नित्य नमनपूर्वक सम्पत्र किये जाने वाले यज्ञों को जानते हैं। वे श्रेष्ठ सत्यवान् तथा आहुतियों को ग्रहण करने वाले हैं। याजकगण प्रात: काल निद्रा को त्यागकर यज्ञादि श्रेष्ठ कर्म करते हुए उन अग्निदेव को हर्षित करते …ऋग्वेद का आख्यान है यह।

    तो काल निद्रा  का बांग्ला लोक में भयंकर प्रयोग है जब आपदा की घड़ी में कालनिद्रा की वजह से कोई बचाव का रास्ता होता ही नहीं है।

    वैदिकी सभ्यता की प्रकृति पूजा हिंदुत्व की मूर्तिपूजा है अब।जिस वनस्पति की उपासना से शुरु होता है मंत्र ,उस वनस्पति जगत का ध्वंस ही मुक्तबाजारी केसरिया कारपोरेट एजंडा है।

    कल हमारे आदरणीय मित्र आनंद तेलतुंबड़े से फोन पर लंबी बातचीत हाईकस्ट इकोनामी पर हुई।यानी आसमान चूमती खरीद क्षमता की अर्थव्यवस्था पर।मुक्तबाजार में क्रयक्षमता ही निर्णायक है।क्रयक्षमता नहीं है तो न बुनियादी जरुरतें आपको मिलेंगी और न बुनियादी सेवाएं।

    जब हवा पानी तक खरीदने की नौबत है और देश में सुखीलाल का राज है और आपदाओं की शृखंला मुनाफावसूली है और विदेशी पूंजी में देश की इंडस्ट्री और कारोबार तक ओ3म स्वाहा है,तब जाहिर है कि आसमान चूमती क्रय क्षमता के मुकाबले निनानब्वे फीसद जनता निःशस्त्र है और उनके पास कोई सरवाइवल किट नहीं है।

    इसपर हम आगे विस्तार से चर्चा करेंगे क्योंकि आज 154वीं रवींद्र जयंती के मौके पर बंगाल के महाश्मशान से जारी होंगी मंकी बातें। वे ज्यादा जरुरी हैं।

    समयांतर के ताजा अंक में झूठे अंबेडकर प्रेम काविखंडन शीरषक से तेलतुंबड़े का आलेख छपा है।रियाज जब यह आलेख भेजेंगे तब हम भी लगा लेंगे।इस आलेख को अवश्य पढ़ें।

    समयांतर के ताजा अंक में हाशिमपुरा का आंखों देखा हाल रुबीना सैफी की जुबानी है तो स्वास्थ नीति की सेहत की पड़ताल की है आतिफ रब्बानी ने।प्रदूषित एवरेस्ट पर एक अनिवार्य आलेख लवराजसिंह धर्मशक्तू का है। एदुआर्दो गालेआनो और गुंटर ग्रास का स्मरण है तो  देश बर से जमीनी रपटें भी हैं।पूरा अंक पठनीय है।

    छत्तीसगढ़ के रंगकर्मी निसार वली जबर्दस्त परफार्मर हैं।वे कहते बहुत कुछ हैं निःशब्द और फेसबुक वाल पर आज सवेरे भी उनने एक जबर्दस्त परफर्म किया है।पेश है वह निःशब्द मंतव्यः



    पत्थर में


    आहें .......

    Nisar Ali's photo.

    Nisar Ali's photo.

    हम निसार अली की तरह परफर्मर नहीं हैं।मजबूरन अपने दिलोदिमाग से जो रक्तनदियां निकलती रहती हैं पल छिन पल छिन,उन्हीं के कुछ छींटें उलीचना मेरी दिनचर्या है और इससे विशुद्धता के धर्मोन्मादी मुक्तबाजार के मलाईदार लोगों की नींद में खलल जरुर पड़ती होगी,लेकिन जनगण और जनतंत्र की कालनिद्रा भंग होने के आसार नहीं है।

    जनतंत्र की लू से झलसते हुए बंगाल में प्रचंड उमस के बीच इस कालनिद्रा का जायजा बहुत आसानी से लिया जा सकता है।

    आज रवींद्र जयंती है,जो भयमुक्त विवेक का आजीवन आवाहन करते रहे हैं,जबकि रवींद्रोत्सव मध्ये बंगाल में जो दहशत का माहौल है,वह मध्यभारत के सलवाजुड़ुम अंचल में भी नहीं है।यहां सत्ता की मर्जी के बिना लोग हगना मूतना भी भूल चुके हैं।

    इस रवींद्र जयंती का मुख्य आकर्षण फिर वही हरिदास पाल हुए,जिसकी कमर में रस्सी डालकर जेल में डालने का ऐलान करके  दीदी तब से लेकर अबतक तमाम बूथों को लूट कर अपराजेय हैं।

    धर्मन्मादी जिहाद अब सर्वदलीय संसदीय मिलियनर बिलियनर सत्तावर्ग की सहमति है ,जिसके तहत दो तिहाई बहुमत से संविधान संशोधन विधेयक तक अबाध पूंजी प्रवाह के निमित्त पास हो रहे हैं वोड बैंक नूरा कुश्ती के संसदीय ऐरेना में तो संसद से बाहर गिरीश कर्नाड के नाटक पर भी रोक है।

    कल्कि अवतार ने मां माटी मानुष की सरकार के साथ खड़े होकर सामाजिक तीन राष्ट्रीय परियोजनाएं सारे देश में एक साथ शुरु करके जनधन अटल परियोजना का विस्तार करके अपने पंद्रह लाख टकिया सूट की चमक और चकाचौंधी बनाने का विकल्प चुना है तो इसीके मध्य रोजाना बंगाल के अखबारों में अराजक हिंसा और राजनीतिक दुर्घटनाओं का महाभूकंप जारी है।

    नमो महाराज के आगमन से ऐन पहले दीदी के अभयारण्य मेदिनीपुर के पिंगला में नाबालिग बारह बच्चों की लाशें पटाखा कारखाने में हुए धमाके की उपज है।तो लाशे कहां और कितनी छितरा गयीं ,उसका अता पता नहीं है।

    आस पास के गांववालों का कहना है कि वहां बम बनाने का ठिकाना था और पुलिस को बार बार इत्तिला दी जाने के बावजूद राजनीतिक संरक्षण में घनी आबादी के बीच यह सिलसिला जारी रहा।

    तुरत फुरत मामला सीआईडी हवाले है और इवाके की नाकेबंदी कर दी है पुलिस और प्रशासन ने।चीखतीं सुर्खियों के बीच केंद्रीय एजेंसियां शारदा फर्जीवाड़ा में तब्दील हैं।

    दीदी के खिलाफ सारे संघी आरोप सलमान खान की पांच मिनट में जमात पर रिहाई है तो मासूम बचपन के उस कत्लगाह में जाने की कोई तकलीफ नहीं की संघ परिवार और भाजपा के बड़े नेताओं ने और न पार्टी की ओर से बर्दवान धमाके की कोई गूंज कहीं है ताकि देश के प्रथम स्वयंसेवक के बंग विजय अभियान और केसरिया हानीमून का माहौर रवींद्र प्रेम में बसंतबहार हो।

    हम आज तक यह पहेली समझ नहीं सकें है,आज आपसे ही मदद मांग रहे हैं,जरा बताइये,रामकृष्ण मिशन के महाराजवृंद यह कहते अघाते नहीं हैं कि भारत के प्रधानमंत्री ने दो दो बार रामकृष्ण मिशन की दीक्षा लेने का आवेदन किया था और मिशन की इजाजत न मिलने से स्वामी विवेकानंद बनते बनते रह गये,तो क्यों नहीं उन्हें मिशन ने दीक्षा का योग्य समझा।

    सविताबाबू ने रामकृष्ण मिशन की दीक्षा के लिए परीक्षा पास कर ली है और इन दिनों वे रामकृष्ण कथामृत का पाठ कर रही हैं।16 मई को उनकी दीक्षा है।हमने उनसे यही सवाल पूछा था।हमने यह भी पूछा था रामकृ्ष्ण को रामकृष्ण बनाने वाली मछुआरे की बेटी रानी रासमणि के बारे में मिशन में कोई साहित्य तो क्या चित्र भी क्यों नहीॆ उपलब्ध है।

    इसपर उनने जवाबी सवाल किया कि उनके मिशन की दीक्षा लेने पर मुझे कोई ऐतराज तो नहीं है।हम उस तरह के पति तो कभी नहीं रहे हैं,जो पत्नी को दासी मानते हों।उनका फैसला उनका फैसला है।वे चाहे दीक्षा लें या चाहे बाकी जीवन मिशनरी बन जाये,यह फैसला उनका होगा।हम हस्तक्षेप करने से रहे।

    अब दूसरी पहेली बूझने के लिए न हम उनसे कोई सवाल करने जा रहे हैं और न आम लोगों से।हम संघ परिवार और हिंदुत्व ब्रिगेड के प्रतिबद्ध सवयंसेवियों से पूछना चाहते हैं कि उनमें से कितने स्वयंसेवक देश के प्रथम स्वयंसेवक की तर ह पंद्रह लाख का सूटदिन में चौबीसों बार बदलने के अभ्यस्त हैं।

    यह सवाल बहरहाल जनतंत्र का नहीं है।विकास गाथा हरिअंनत खात का है,जिसके विशेषज्ञ संघी ही हैं और कोई नहीं।

    जनतंत्र में तो सुविधाओं के सवाल मुहूर्त बांचकर विद्वतजन स्तंभन  करते हैं,कुत्तों की तरह जीने मरने वाले हम जैसे दो कौड़ी के लोगों के वास्ते इस जनतंत्र में कोई स्पेस नहीं है।

    आप घूमकर कहेंगे कि वाह जनाब ,आप तो बाकायदा सबसे बड़े जनप्रतिबद्ध अखबार जनसत्ता से हैं।

    अब हमारी हैसियत का ख्याल भी कीजिये जनाब।

    जनसत्ता के संस्थापक संपादक रहे माननीय प्रभाष जोशी।

    उनके बाद कायदे से बनवारी को बना चाहिए था,बनाये गये राहुल देव।

    राहुल देव बेहतरीन संपादक रहे हैं और बाकायदा उनके पास जनसत्ता रिलांच करने की मुकममल योजना थी।वे ताश के पत्तों को पेंट देना चाहते थे।जल्द ही वे निपटा दिये गये।

    अच्युतानंद मिश्र भी संपादक रहे और उनके किये धरे का कुछ अता पता नहीं चला।

    राजस्थान पत्रिका की इतवारी से उठाकर जोशी जी ने ओम थानवी की ताजपोशी की।तो उनसे हमारा कोई संवाद कभी नहीं रहा है।न उनने कभी आमने सामने हमारी सुनवाई की।कोलकाता में हम अनाथ की तरह अखबार निकालते रहे।

    बहरहाल राहत की बात यह थी कि ओम थानवी ने धर्मोन्मादी राष्ट्रवाद से आखिरी वक्त तक लोहा लिया और जनसत्ता को केसरिया बनने नहीं दिया।

    प्रदीप सिंह मुंबई के स्थानीय संपादक बने तो अखबार ही बंद कर दिया गया।

    अंबरीश कुमार को रायपुर का प्रभार सौंपा गया तो वह एडीशन भी ठप।

    लखनऊ में कोई चिड़िया या चिडि़या का बच्चा है या नहीं,हम नहीं जानते।

    कोलकाता में श्याम आचार्य के बाद शंभूनाथ शुक्ल विराजमान रहे तो करीब पंद्रह साल से शैलेंद्र प्रभारी है।यह अजूबा है।हमारे लिए राहत की बात है कि ओम थानवी ने हमारे निवेदन पर गौर करके शैलेंद्र की सेवा जारी रखी है।

    हम उनका आभार ठीक से जता भी नहीं पाये कि उनका जाना तय हो गया और चंडीगढ़ से मुकेश भारद्वाज जनसत्ता के नये कार्यकारी संपादक हो गये।

    अब बताइये,इस जनसत्ता में हम क्या हैं और हमारी हैसियत क्या है।

    बाकी अखबारों में मजीठिया लागू करने के बाद पदोन्नतियां दी गयी हैं।कोलकाता एडिशन की ग्रेडिंग सबसे नीचे है और वेतनमान दो दर्जा ऊपर हो जाने के बाद भी खुदै ओम थानवी ने साफ कर दिया है कि कोलकाता में पदोन्नति अब किसी की नहीं होगी।गौरतलब है कि हमारे मध्य सिर्फ शैलेंद्र को चार पदोन्नतियां मिली हैं।उनके बाद किसी को नहीं।

    एरियर हमें वेतन का मिल रहा है।हमने मजीठिया के मद्दनजर पीएप 24 फीसद कटवाना शुुरु किया ताकि आयकर बचाया जा सकें।लेकिन वेतन के एरिअर पर पीएफ काटा नहीं जा रहा है और सोर्स से ही बीस फीसद के हिसाब से पूरे वेतन पर आयकर काटा जा रहा है।मालिक पक्ष का योगदान बचाने के लिए हम लोगों के वेतन पर जबरन बीस फीसद आयकर काटा जा रहा है।

    और तो और कोलकाता में, मुंबई रोड पर आये अरसा हो जाने के बावजूद किसी को परिचय पत्र भी नहीं मिला है।

    मीडिया में जनतंत्र,समता और सामाजिक न्याय का किस्सा जनसत्ता है।

    बहरहाल सवितावबाबू  मिशनरी अगर बन सकें तो हमारे लिए अच्चा ही रहेगा क्योंकि तब हमें सर छुपाने की जगह की जरुरत नहीं होगी क्योंकि हम तो जुते हुए खेंतों और पहाड़ी चट्टानं पर खुले आसमान के नीचे सोने को अभ्यस्त हैं और पूरा देश,पूरा महादेश,इंसानियत का पूरा भूगोल मेरा घर है और शायद इसीलिए मेरा कोई घर नहीं है।

    हम तजिंदगी दूसरों के रोजगार,आजीविकी की लड़ाई लडते रहे तो यह शायद सामाजिक न्याय है कि हमारे बच्चों के लिए कहीं कोई रोजगार नहीं है और न हम उनके लिए कोई सुरक्षित भविष्य छोड़ पा रहे हैं और न इस देश का जो वर्तमान है,उसमें हमारे बच्चों के लिए कोई सुरक्षा की गारंटी है।

    क्योंकि हमारी पारिवारिक दीक्षा जन सरोकारों से और सामाजिक यथार्थ से लबाबलब वजूद बनाने की है।बच्चों पर होने वाले हमलों को हम रोक नहीं सकते क्योंकि हम दूसरों पर हो रहे हमलों के लिए ज्यादा बड़ी लड़ाई की तैयारियों में हैं।

    हमारे बच्चों पर निरंतर हमले हो रहे हैं।निरंतर वे लहूलुहान हैं लेकिन हम देख रहे हैं कि इस देश का हर बच्चा लहूलुहान है और हम मुक्तबाजार के चप्पे चप्पे में झलसते बजपन की बेिंतहा लाशों के मध्य हाईवे के ट्रेफिर जैम में फंसे हैं और विषैली गैस हमारे देहमन को जहर से खत्म कर रही है पल छिन पल छिन।

    सविता बाबू इन दिनों भी बीमार चल रही है।बिजनौर और बसंतीपुर से लौटकर वे लगातार बीमार चल रही हैं और लगातार उनका रिहर्सल भी जारी है।

    रवींद्र जयंती पखवाड़ा का उद्बोधन दीदी रवींद्र सदन में कर रही हैं मोदी के संग पीपीपी विकास की मशालें जलाने के बाद लेकिन बंगाल पहले ही रवींद्रमय है और इसके लिए शयद चौराहों पर लाउडस्पीकर पर रवींद्रसंगीत की अनिवार्यता नहीं है,यह हमारी समझ है।

    क्योंकि बंगाल के मनोजगत में रवींद्र चाप अमिट है और रवींद्र संगीत के बिना किसी बंगाली कन्या या गृहवधू की दिनचर्या न शुरु होती है और न खत्म होती है।

    सविता बाबू के कार्यक्रम रोज हो रहे हैं।

    इस रवींद्रमय बंगाल में हमारे बच्चों को न रोजगार है और न उनको शिक्षा मिल पा रही है और बिना सत्ता संरक्षण के उनकी कोई सुरक्षा भी नहीं है।सत्ता दल से न जुड़े होने के अपराध में रोज हमले और हत्याएं हो रही हैं।पटाखा कारखाने की अंतर्कथा यही है।

    इस अंतर्कथा की कथा लेकिन सीमाओं के आर पार है।

    कोलकाता के अखबारों में खबरें छपीं कि सोनागाछी में नेपाली यौनकर्मी जो बड़े पैमाने पर हैं,वे महाभूकंप में अपने स्वजनों के हाल चाल जानने को बेचैन है।देश भर की देहमंडियों में हिमालयी सुंदरियों की खपत आबादी के पैमाने पर सबसे ज्यादा है।

    पहाड़ों के चायबागानों से निकल रहे मृत्युजुलूस के मध्य भी नारीमांस का कारोबार खूब चल रहा है तो अब नेपाल की सबसे बड़ी खबर यही है कि वहां राहत और बचाव अभियान में धर्मांतरण अभियान और हिंदुत्वकरण अभियान के साथ साथ दुनियाबर के चकलों के लिए दाखिला अभियान भी तेज है।

    बंगाल में सीमाओं का आर पार यह कुटीर उद्योग है।

    गौरतलब है कि माननीय कैलाश सत्यार्थी को नोबेल पुरस्कार बाल श्रम उन्मूलन के लिए मिला है जबकि देहव्यापार में झोंकी जानेवाली नई फसल में कच्ची कलियों की तादाद सबसे ज्यादा है तो देशभरमें पटाखा कारखानों में झुलसने वाली देह इस देश के बचपन की है।

    इसी तरह देश भर के होटलों,रेस्त्रां,दुकानों में जो बालश्रम बंधुआ है,अवैध खदानों से जो बचपन की लाशें निकलती हैंं, इसके आंकड़े हमारे पास नहीं है।

    कल हमने अपने बांग्ला आलेख में सुर्खियों का कोलाज धनलक्ष्मी की पूरी  व्रतकथा के साथ बंगाल की बांग्ला राष्ट्रीयता और बंगीय राविंद्रिक संस्कृति सभ्यता के केसरिया कारपोरेटीकरण की आराजक हिंसा के माहौल के सामाजिक यथार्थ को चित्रार्पित करने के लिए पेश किया था।

    हस्तक्षेप पर वह आलेख उपलब्ध है,लेकिन सेवाप्रदाता की शर्तों के मुताबिक वह कोलाज हस्तक्षेप पर लगा नहीं है।इच्छुक जनता इसे मेरे ब्लाग पर देख सकते हैं।आलेख बंगाल मे जरुर है लेकिन उसके चित्रों की भाषा को समझने के लिए सिर्फ संवेदनाएं चाहिए।

    कृपया देख लेंः

    গৌরিক দাম্পত্যের নৈরাজ্যে মগের মুল্লুক এই বঙ্গে মৃত্যুউত্সবের সুনামি,বাজির আড়ালে বোমা! পিংলায় বেআইনি বাজি কারখানায় বিস্ফোরণ, মৃত ১২

    Bengal Bleeds as Political Honeymoon ends in complete anarchy!

    লক্ষ্মীর পাঁচালি ঘরে ঘরে

    হিন্দুত্বের উত্সবে বলিপ্রদত্ত বাঙালি ঘরে ঘরে

    রাজকার্য রাজসূয় আয়োজনে বহিছে রক্তধারা

    নৈরাজ্যের অন্ধ নিশায় নিমজ্জিত বঙ্গে

    দেবি যাবে কবে বিসর্জনে?

    কবে হবে পরিবর্তন আবার?

    TMC activist's 'bomb unit' blast kills 12 in Pingla

    পলাশ বিশ্বাস

    About 69,00,000 results (0.53 seconds)

    Search Results

    1. A crammed schedule in PM Modi's maiden Bengal trip

    2. India Today-4 hours ago

    3. Narendra Modi would begin his maiden trip as Prime Minister to WestBengal on Saturday, with a heady mix of governance, business, ...

    4. West Bengal CM Mamta Banerjee works on bond with PM Modi

    5. Hindustan Times-13 hours ago

    6. West Bengal government takes initiatives to develop small and ...

    7. Times of India-18 hours ago

    8. Illegal Bomb Making Units Thriving in Bengal Under Police's Nose ...

    9. The New Indian Express-07-May-2015

    10. Bengal has adopted Sports Policy: Mamata Banerjee

    11. Day & Night News-07-May-2015

    12. NDTV

    13. Hindustan Times

    14. Day & Night News

    15. Jagran Post

    16. Gulf Times

    17. Calcutta Telegraph

    18. Explore in depth (78 more articles)

    19. West Bengal: Explosion in Burdwan, two injured

    20. Hindustan Times-2 hours ago

    21. At least two women were injured in an explosion in a house in Burdwan district of West Bengal on Saturday, days after a dozen people died in ...

    22. West Bengal: Explosion in Burdwan house leaves two injured

    23. The Indian Express-2 hours ago

    24. Explore in depth (7 more articles)

    25. West Bengal: Explosion in Burdwan house leaves 2 injured

    26. Firstpost-2 minutes ago

    27. West Bengal: Explosion in Burdwan house leaves 2 injured. by May 9, 2015 12:59 IST. #Burdwan #Jamaat-ul Maujahideen #NewsTracker #West Bengal.

    28. Explosion in Bardhaman house, 2 injured

    29. (press release) (blog)-1 hour ago

    30. Explore in depth (5 more articles)

    31. Bengal BJP hopes to draw strength from Modi visit

    32. The Hindu-11 hours ago

    33. When Prime Minister Narendra Modi visits West Bengal on Saturday and Sunday, he will find the BJP in the state at its lowest ebb since the ...

    34. I am in dna of India

    35. West Bengal's 1st greenfield airport to be operational from May 18

    36. Economic Times-3 hours ago

    37. KOLKATA: The first private greenfield airport in West Bengal is ready for commercial operation from May 18. West Bengal chief minister ...

    38. Bengal's Andal airport to commence operations on May 18

    39. Business Standard-20 hours ago

    40. Explore in depth (9 more articles)

    41. IBNLive

    42. Indian Air Force's MiG-27 Jet Crashes in West Bengal, 2 People on ...

    43. NDTV-17 hours ago

    44. New Delhi: A MiG-27 aircraft of Indian Air Force (IAF) crashed at Tantipara in West Bengal's Alipurduar region on Friday killing two civilians on ...

    45. MiG-27 crashes in West Bengal, two people killed

    46. IBNLive-16 hours ago

    47. Explore in depth (38 more articles)

    48. Prime Accused in West Bengal Nun Rape Case Arrested from ...

    49. NDTV-13 hours ago

    50. Kolkata: The two prime accused in the rape of a septuagenarian nun at Ranaghat in Nadia district of West Bengal have been arrested by the ...

    51. West Bengal nun rape case: Main accused Milon Sarkar arrested ...

    52. IBNLive-07-May-2015

    53. Explore in depth (53 more articles)

    54. 12 killed in illegal cracker factory blast in Bengal

    55. The Indian Express-07-May-2015

    56. Those who worked here had come from different parts of Bengal but their identities are yet to be confirmed." While claiming that this being a ...

    57. 11 Killed, 7 Injured in West Bengal Fire Cracker Factory Blast

    58. NDTV (blog)-06-May-2015

    59. Explore in depth (118 more articles)

    60. Calcutta Telegraph

    61. West Bengal signals cheaper power tariff in 2-3 yrs

    62. Economic Times-18 hours ago

    63. KOLKATA: The West Bengal government today hinted at a reduction in power tariff in the next 2-3 years following new captive block regulations ...

    64. Cheaper power in Bengal in two to three years

    65. The Hindu-9 hours ago

    66. Explore in depth (8 more articles)

    67. Daily News & Analysis

    68. Land no problem for setting up industries in West Bengal: Amit Mitra

    69. Economic Times-07-May-2015

    70. KOLKATA: West Bengal Finance Minister Amit Mitra today said the state government has sufficient land, which could be used for setting up new ...

    Search Results

    1. Only firecrackers were made in the factory: Bengal CID

    2. The Hindu-9 hours ago

    3. Even as the Opposition alleged that bombs were being made at the illegal fire cracker factory in Pingla West Bengal's Paschim Medinipur ...

    4. Times of India

    5. Infosys to Bengal: Either give SEZ or repay money

    6. Economic Times-05-May-2015

    7. KOLKATA: IT major Infosys has asked the West Bengal government to either give SEZ status to the company's proposed software development ...

    8. Infosys reminder on SEZ stumps West Bengal govt

    9. Times of India-05-May-2015

    10. Explore in depth (39 more articles)

    11. Times of India

    12. Centre gives 3008-crore package to West Bengal for land agreement

    13. The Hindu-07-May-2015

    14. Reaching out to West Bengal Chief Minister Mamata Banerjee, the Centre on Thursday announced a package of Rs 3,008 crore to the State in ...

    15. Centre gives Rs 3008 crore package to WB for land pact with ...

    16. Times of India-07-May-2015

    17. Explore in depth (494 more articles)

    18. NDTV

    19. Seven smart cities to be developed in West Bengal: Mamata Banerjee

    20. Economic Times-05-May-2015

    21. JALPAIGURI: West Bengal Chief Minister Mamata Banerjee today said that her government would develop seven smart cities in the state.

    22. Will Meet Prime Minister Modi During His Visit to West Bengal: Chief ...

    23. NDTV-05-May-2015

    24. Explore in depth (134 more articles)

    25. IBNLive

    26. Suicide bid by fan from Bengal

    27. Calcutta Telegraph-12 hours ago

    28. Mumbai, May 8: A Salman Khan fan from Bengal today attempted suicide outside Bombay High Court, apparently fearing for his ambitions of ...

    29. NYOOOZ

    30. Thalassemia prevention still a long way for West Bengal

    31. Times of India-19 hours ago

    32. KOLKATA: With the world observing the Thalassemia Day on May 8, West Bengal has reasons to pull up combative measures more ...

    33. Hit by train, elephant dies in Bengal

    34. The Hindu-08-May-2015

    35. An elephant has been killed after being hit by a passenger train in the Dooars region of northern West Bengal, officials said. The accident ...

    36. BJP clings to RSS to bolster presence in Bengal, Assam ahead of polls

    37. Hindustan Times-05-May-2015

    38. After defeat in the civic polls in Bengal, the BJP is looking to the RSS to bolster its presence in the region. (PTI File Photo) ...

    39. NDTV

    40. West Bengal: 150 shops gutted in Jalpaiguri main market fire

    41. India Today-08-May-2015

    42. At least 150 shops, including six selling fire crackers, were gutted in a fire which razed through the oldest market in Jalpaiguri. No casualty was ...

    43. 150 Shops Gutted in Jalpaiguri Main Market Fire

    44. NDTV-08-May-2015

    45. Explore in depth (22 more articles)

    46. Rs 15000 crore given for revival of 13 CPSEs in West Bengal

    47. Economic Times-07-May-2015

    48. NEW DELHI: Government has approved packages amounting to more than 15,000 crores for revival of 13 Central Public Sector Enterprises in ...

    49. Rs 15000 cr given for revival of 13 CPSEs in WB

    50. Press Trust of India-07-May-2015

    51. Explore in depth (2 more articles)

    1. PM Narendra Modi to Inaugurate Projects in Naxal-Affected ...

    2. NDTV-4 hours ago

    3. Dantewada: Prime Minister Narendra Modi is scheduled to visit the Naxal-affected Dantewada district in Chhattisgarh's Bastar region today.

    4. PM Narendra Modi on his maiden visit to Chhattisgarh's Maoist-hit ...

    5. The Indian Express-40 minutes ago

    6. Shun violence, PM Narendra Modi urges Naxals in Chhattisgarh's ...

    7. Zee News-4 hours ago

    8. Violence has no future, says Modi in Chhattisgarh amid conflicting ...

    9. Hindustan Times-31 minutes ago

    10. Hostage crisis? Over 400 villagers abducted by Maoists as Modi...

    11. Firstpost-3 hours ago

    12. ABP Live

    13. (press release) (blog)

    14. The Indian Express

    15. Zee News

    16. Hindustan Times

    17. Firstpost

    18. Explore in depth (237 more articles)

    19. A crammed schedule in PM Modi's maiden Bengal trip

    20. India Today-4 hours ago

    21. Narendra Modi would begin his maiden trip as Prime Minister to West Bengal on Saturday, with a heady mix of governance, business, ...

    22. PM Modi's proposed Kolkata visit sparks buzz of patch-up with Mamata

    23. Hindustan Times-1 hour ago

    24. Land Border Agreement intricacies likely to dominate Modi-Mamata ...

    25. The Indian Express-3 hours ago

    26. As PM Narendra Modi Visits Bengal on Saturday, Chemistry With ...

    27. NDTV-20 hours ago

    28. Mamata Banerjee may seek special package from Modi

    29. Times of India-06-May-2015

    30. Hindustan Times

    31. The Indian Express

    32. NDTV

    33. Times of India

    34. Calcutta Telegraph

    35. indiablooms

    36. Explore in depth (78 more articles)

    37. A packed schedule for PM Modi on his maiden visit to Kolkata

    38. The Hindu-3 hours ago

    39. Prime Minister Narendra Modi will launch three social security schemes on Saturday in Kolkata. While the schemes were announced in the last ...

    40. Modi in Kolkata: Will launch schemes and meet ailing Maharaj, CM

    41. The Indian Express-3 hours ago

    42. Narendra Modi to launch 3 mega social security schemes today in ...

    43. Financial Express-3 hours ago

    44. Explore in depth (88 more articles)

    45. Perhaps it is for the first time that in a programme like this MoUs ...

    46. Times of India (blog)-41 minutes ago

    47. TOI reporter Neeraj Chauhan reporting from Dantewada says PMModi faces the highest level of threat in the worst hit Naxal affected district of ...

    48. Rebranding of Modi: PM is moving himself, BJP to the pragmatic ...

    49. Firstpost-1 hour ago

    50. Over the last two years, what we have been witnessing is the third reinvention of Narendra Modi. He is leaving behind 2002 (where he played ...

    51. PM Narendra Modi to Take Chief Ministers to China to Underscore ...

    52. NDTV-21 hours ago

    53. Explore in depth (28 more articles)

    54. Image management 101: Decoding PM Narendra Modi's Time ...

    55. Firstpost-7 hours ago

    56. As Narendra Modi rolls up to his first anniversary, it's not all coming up roses. The disquiet has less to do with the Vipassana-enhanced Rahul ...

    57. Charted: What Narendra Modi said in his two-hour-long TIME interview

    58. Quartz-07-May-2015

    59. Explore in depth (36 more articles)

    60. Only one holy book for govt — Constitution of India: Modi to Time ...

    61. Times of India-07-May-2015

    62. WASHINGTON: Prime Minister Narendra Modi has dispelled the notion that his government is anti-minority, telling Time magazine in an ...

    63. 'PM Narendra Modi's Visit Provides Great Opportunity to Cement ...

    64. NDTV-12 hours ago

    65. Explore in depth (1,021 more articles)

    66. Who's afraid of Narendra Modi? Sonia Gandhi launches barrage ...

    67. hours ago

    68. Coming a long way from a time when her party dithered over even naming Narendra Modi in the party's election campaigns, especially in ...

    69. In Rare Parliament Intervention, Sonia Gandhi Attacks PM Narendra ...

    70. NDTV-06-May-2015

    71. Explore in depth (631 more articles)

    72. BJP MP's attack on Narendra Modi and Amit Shah indicates rising ...

    73. hours ago

    74. About a week ago, BJP leader Arun Shourie had shocked the party when he called the government's economic policies "directionless" and accused Modi, Union ...

    75. Can Modi Build India's Bullet Train?

    76. Forbes-06-May-2015

    77. Explore in depth (44 more articles)

    78. 'Phir Ek Baar, Cameron Sarkar' Tweets PM Narendra Modi

    79. NDTV-22 hours ago

    80. New Delhi: As British Prime Minister David Cameron won a clear victory in the general election on Thursday, Prime Minister NarendraModi ...

    81. PM Modi Finally Talks About Why 'India's Daughter' Was Banned In ...

    82. hours ago

    83. Explore in depth (61 more articles)

    खोज परिणाम

    1. पीएम नरेंद्र मोदीआज करेंगे छत्तीसगढ़ के नक्सल ...

    2. एनडीटीवी खबर-6 घंटे पहले

    3. मोदीकी यात्रा के दौरान दंतेवाड़ा के डिलमिली में सलाना 30 लाख टन क्षमता वाला विशाल इस्पात संयंत्र लगाने के लिए सहमति पत्र पर हस्ताक्षर किए जाएंगे। अधिकारियों के अनुसार इस परियोजना के जरिए छत्तीसगढ़ का 18,000 करोड़ ...

    4. प्रधानमंत्री नरेंद्र मोदीछत्तीसगढ़ के दौरे पर

    5. मनी कॉंट्रोल-1 घंटे पहले

    6. LIVE: नक्सलियों के गढ़ दंतेवाड़ा में बोले पीएम ...

    7. Zee News हिन्दी-2 घंटे पहले

    8. लाइव: नक्सलियों के गढ़ से प्रधानमंत्री नरेंद्र...

    9. Live हिन्दुस्तान-2 घंटे पहले

    10. नरेंद्र मोदीका नक्सल प्रभावित दंतेवाड़ा का दौरा

    11. Webdunia Hindi-5 घंटे पहले

    12. मनी कॉंट्रोल

    13. Zee News हिन्दी

    14. Live हिन्दुस्तान

    15. Webdunia Hindi

    16. आईबीएन-7

    17. प्रभात खबर

    18. विस्तृत रूप से एक्सप्लोर करें (93 और लेख)

    19. नक्सलियों के गढ में पीएम नरेंद्र मोदीने की ...

    20. प्रभात खबर-2 घंटे पहले

    21. दंतेवाडा : प्रधानमंत्री नरेंद्र मोदीआज एक दिन की छत्तसीगढ़ यात्रा पर हैं. दंतेवाडा में प्रधानमंत्री ने जवांका गांव में 100 एकड़ में एजुकेशन सिटी में एक कार्यक्रम में शामिल हुए. यहां बच्चों की शिक्षा को बढ़ाने के उद्देश्य ...

    22. दंतेवाड़ा में नरेंद्र मोदीने सुनाई बच्चों को 2 ...

    23. नवभारत टाइम्स-2 घंटे पहले

    24. भगवान मिलें तो वापस बच्चा बनना चाहूंगा: मोदी

    25. Live हिन्दुस्तान-55 मिनट पहले

    26. नवभारत टाइम्स

    27. Live हिन्दुस्तान

    28. दैनिक जागरण

    29. Oneindia Hindi

    30. आईबीएन-7

    31. Nai Dunia

    32. विस्तृत रूप से एक्सप्लोर करें (12 और लेख)

    33. प्रधानमंत्री नरेंद्र मोदीने कहा, कंधे पर रखी गन से ...

    34. प्रभात खबर-2 घंटे पहले

    35. दंतेवाड़ा : प्रधानमंत्री नरेंद्र मोदीआज दंतेवाड़ा दौरे पर हैं. वे यहां दिलमिली गांव में स्टील प्लांट के लिए हुए 24 हजार करोड़ रुपये के एमओयू के गवाह बने. मां दंतेश्वारी को नमन करते हुए प्रधानमंत्री ने अपने आप को सौभाग्यशाली ...

    36. दंतेवाड़ा में नक्‍सलियों को मोदीमंत्र

    37. Rashtriya Khabar-42 मिनट पहले

    38. विस्तृत रूप से एक्सप्लोर करें (5 और लेख)

    39. बिहार में आज केंद्रीय मंत्रियों का जमावडा, शुरू ...

    40. प्रभात खबर-2 घंटे पहले

    41. पटना : समाज के हर वर्ग के लोगों खासकर गरीबों को सामाजिक सुरक्षा और परिवारिक लाभ देने के लिए प्रधानमंत्री नरेंद्रमोदीशनिवार को तीन योजनाएं शुरू करेंगे. इन योजनाओं का शुभारंभ प्रधानमंत्री नरेंद्र मोदीकोलकाता से पूरे ...

    42. प्रभात खबर

    43. दो बीमा और एक पेंशन योजना मोदीआज करेंगे शुरू ...

    44. दैनिक भास्कर-6 घंटे पहले

    45. नई दिल्ली: पीएम नरेंद्र मोदीशनिवार को सोशल वेलफोयर से जुड़ी तीन बड़ी योजनाएं लॉन्च करेंगे। इनमें से एक पेंशन, जबकि बाकी दो इन्श्योरेंस से जुड़ी योजनाएं हैं। योजनाओं के नाम हैं-प्रधानमंत्री जीवन ज्योति बीमा योजना, ...

    46. आज तीन बड़ी योजनाओं का शुभारंभ करेंगे PM नरेंद्र...

    47. प्रभात खबर-5 घंटे पहले

    48. विस्तृत रूप से एक्सप्लोर करें (116 और लेख)

    49. धार्मिक भेदभाव बर्दाश्त नहीं: नरेंद्र मोदी

    50. Live हिन्दुस्तान-07/05/2015

    51. प्रधानमंत्री नरेंद्र मोदीने गुरुवार को कहा कि उनकी सरकार जाति, संप्रदाय और धर्म के आधार पर किसी तरह का भेदभाव बर्दाश्त या स्वीकार नहीं करेगी। उन्होंने यह भी कहा कि भारत में अल्पसंख्यकों के अधिकारों पर काल्पनिक आशंकाओं ...

    52. छात्रों को नरेंद्र मोदीका मंत्र, मकसद पर नज़र ...

    53. Jansatta-14 मिनट पहले

    54. नक्सल प्रभावित इलाके में एजुकेशन सिटी में स्थानीय विद्यार्थियों के साथ संवाद के दौरान मोदीने छात्रों से कहा कि वह 125 करोड़ भारतीयों को अपना परिवार समझते हैं और उनके लिए काम करने से कभी थकते नहीं हैं। (स्रोत-पीटीआई).

    55. नरेंद्र मोदीकी चीन यात्रा- विदेश मंत्रालय पर ...

    56. Oneindia Hindi-08/05/2015

    57. नई दिल्ली (विवेक शुक्ला)। प्रधानमंत्री नरेन्द्र मोदीकी आगामी चीन यात्रा की तैयारियों को लेकर विदेश मंत्रालय इन दिनों चीनमय हो चुका है। विदेश मंत्रालय के अधिकारी विदेश मंत्री सुषमा स्वराज से मोदीकी चीन यात्रा के ...

    58. चीनी लोगों ने पीएम मोदीके वाइबो अकाउंट की ...

    59. Zee News हिन्दी-07/05/2015

    60. विस्तृत रूप से एक्सप्लोर करें (3 और लेख)

    61. लोगों को नरेंद्र मोदीपर भरोसा है: अमित शाह

    62. Zee News हिन्दी-07/05/2015

    63. अहमदाबाद : बीजेपी अध्यक्ष अमित शाह ने कहा कि अनेक समस्याओं से जूझ रहे देशवासी प्रधानमंत्री नरेन्द्र मोदीमें उम्मीद की एक किरण देखते हैं। शाह ने अपने विधानसभा क्षेत्र नारनपुरा में जनसंपर्क बैठक में कहा कि भारत अनेक ...

    64. नरेंद्र मोदीपर लोगों को है भरोसा: अमित शाह

    65. KhabarFast News-07/05/2015

    66. विस्तृत रूप से एक्सप्लोर करें (17 और लेख)

    67. पीएम नरेंद्र मोदीके सभास्थल का पंडाल गिरा, 55 ...

    68. News18 Hindi-15 घंटे पहले

    69. #रायपुर #छत्तीसगढ़ छत्तीसगढ़ के नया रायपुर में प्रधानमंत्री नरेंद्र मोदीकी शनिवार को होने वाली जनसभा स्थल पर बनाया गया विशाल पंडाल शुक्रवार को दोपहर में आई आंधी में गिर गया. पंडाल को थामने के लिए बनाए गए लोहे के ढांचे भी ...

    70. तेज आंधी-तूफान से विशाल पांडाल गिरा, पीएम मोदी...

    71. Patrika-14 घंटे पहले

    72. विस्तृत रूप से एक्सप्लोर करें (8 और लेख)

    0 0

    Narendra Modi should NOT Speak in English!

    Ashok T Jaisinghani <>

    *****WHAT ij BIG NEWJ in hij RULE in THEEJ DAYJ?***** 

       In his forthcoming visits in this month of May to China, Mongolia and South Korea, Prime Minister Narendra Modi should AVOID SPEAKING in English before the INTERNATIONAL audiences. 

       When he speaks before huge crowds and raises both his arms high, he may feel like a SUPERMAN ready to FLY into the SKY, but his GHAATEE English just cannot make him sound like any HOLLYWOOD HERO!! 

       Though Narendra Modi holds an MA degree in Politics, many people wrongly think that he is a SEMI-LITERATE person, just because he PRONOUNCES many common English words INCORRECTLY while speaking in that language. 

       Even after becoming the Prime Minister of India, Narendra Modi has NOT CARED to LEARN the CORRECT PRONUNCIATIONS of many COMMON WORDS used in English. He should NOT SPEAK in his GHAATEE English before INTERNATIONAL audiences. 

       Lallu Prasad Yadav, Mulayam Singh and Mamata Bannerjee speak better than Narendra Modi in English. Lallu may appear to be FUNNY and produce laughter while he speaks in English.

       It becomes EXTREMELY embarrassing and even TERRIBLY humiliating for MILLIONS of educated Indians whenever they hear their Prime Minister speak in his GHAATTEE English on TV channels. Speaking in GHAATTEE English is NOT GOOD for the REPUTATION of Narendra Modi.  

    *****What ij big newj in hij rule in theej dayj? 

       He sayj in English: 


       (For Cheese. Chinese. Sees. Uses. Size. Business. Resolution. Zebra. Solar. Today. Canada).*****

    0 0

    Salman is GREATEST STAR of India!!

    Ashok T Jaisinghani <>

    *****Salman is GREATEST STAR of India!!*****

       Salman Khan is such a very GREAT ACTOR that he can entertain CRORES of PEOPLE living MISERABLE LIVES!! His FANS have also claimed that he was HELPING thousands of POOR and SICK PEOPLE for whom he is like God!!

       So if he got DRUNK one NIGHT and drove his FLASHY CAR to KILL just ONE POOR MISERABLE FELLOW sleeping on a FOOTPATH ILLEGALLY, what GREAT WRONG had he done? Have any persons got a RIGHT to SLEEP on FOOTHPATHS like dirty DOGS, CATS and PIGS?

       With his BEAUTIFUL CAR, the GOD of BOLLYWOOD had given a very GLORIOUS FILMY DEATH to an UNKNOWN Nurullah Sharif, ENDING all his MISERIES for ever, and making him FAMOUS all over the WORLD!! 

    *****What a GLORIOUS DEATH that fellow Nurullah Sharif got!! Many FANS of Salman Khan would do anything to DIE in such a FABULOUS way at the hands of the GREATEST STAR of India just to become FAMOUS!!*****

       After becoming so FAMOUS,  the fellow Nurullah Sharif MUST be also ENJOYING a LOT with the BEAUTIFUL HOORIES in JANNAT!! By sending him to ENJOY in HEAVEN, has Salman Khan not done the GREATEST FAVOR to Nurullah Sharif?

       Salman Khan, you are really the GREATEST STAR of India!! How can ANYBODY ever DARE to send you to JAIL?

    0 0

    Transformer explosion causes fire at nuclear power plant only 35 miles from New York City

    News Updates from CLG
    10 May 2015
    Previous edition: Global carbon dioxide levels break 400ppm milestone
    Transformer explosion causes fire at nuclear power plant only 35 miles from New York City --Transformer exploded into flames at Indian Point Nuclear Power Plant | 09 May 2015 | A transformer exploded at the [Entergy] Indian Point nuclear power plant in suburban New York - only 35 miles away from midtown Manhattan - on Saturday, sending black smoke billowing into the sky. The blaze, which sparked an oil leakage, forced the automatic shutdown of the facility's Unit 3 reactor, which sits near the Hudson River and supplies five per cent of the power to the state. It was initially extinguished by a sprinkler system and on-site personnel, officials said. It then started up again, but has since been put out.
    Fukushima No. 1 workers with high radiation doses up 1.5-fold | 09 May 2015 | At Tokyo Electric Power Co.'s crippled Fukushima No. 1 nuclear power plant, the number of workers exposed to high amounts of radiation in fiscal 2014 increased 1.5-fold from the year before, data from the utility showed Saturday. A total of 992 workers, mostly employees at subcontractors, saw their radiation doses top 20 millisieverts in the year that ended in March. The previous year, the number of workers with such high external radiation exposure levels stood at 660, according to the data.
    CIA 'mission accomplished' in Afghanistan: Afghan poppy farmers say new seeds will boost opium output --Production hit a record high in 2014, up 17 percent compared to the year before | 05 May 2015 | This year, many Afghan poppy farmers are expecting a windfall as they get ready to harvest opium from a new variety of poppy seeds said to boost yield of the resin that produces h-roin. The plants grow bigger, faster, use less water than seeds they've used before, and give up to double the amount of opium, they say. Afghanistan's poppy harvest, which accounts for most of the world's heroin, is worth an estimated 3 billion a year, according to the United Nations Office on Dr-gs and Crime.
    Syrian official: US 'supporting terrorism' with rebel training programme | 09 May 2015 | Syria's deputy foreign minister on Saturday criticised a new US programme to train 'moderate rebel fighters' in Jordan, saying it will only fuel terrorism and further complicate efforts to reach a political solution to the country's [CIA-fomented] long and brutal civil war. The remarks by Faisal Mekdad were published in his weekly column for the Lebanon-based Al-Binaa newspaper. Mekdad said Washington would be better off helping those who are fighting terrorism, instead of cooperating with what he said were terrorists. "In doing so, the United States is supporting terrorism [as always], and is complicating conditions for a political solution in Syria," he wrote.
    GOP contenders vow to bomb terrorists 'back to the 7th Century,' invoke Liam Neeson | 10 May 2015 | Declared and potential GOP presidential candidates competed Saturday to sound the toughest warning to Islamic terrorists -- with one vowing to bomb them "back to the 7th Century" and another invoking Liam Neeson's threat from the film, "Taken" -- in the latest forum underscoring how national security has returned as a dominant campaign theme. A roster of Republicans spoke at a summit in Greenville, S.C., the state which holds the first-in-the-South presidential primary. Former Pennsylvania Sen. [and Grade 'A' sociopath] Rick Santorum, who is weighing a presidential bid and plans to announce his decision soon, said: "Here's what we need to do. If these people want to bring back a 7th Century version of Islam, my suggestion is to load our bombers up and bomb them back to the 7th Century."
    Attorney: Spy chief had 'forgotten' about NSA program when he misled Congress | 08 May 2015 | Director of National Intelligence Jim Clapper wasn't lying when he wrongly told Congress in 2013 that the government does not "wittingly" collect information about millions of Americans, according to his top lawyer. He just forgot. "This was not an untruth or a falsehood. This was just a mistake on his part," Robert Litt, the general counsel for the Office of the Director of National Intelligence, said during a panel discussion hosted by the Advisory Committee on Transparency on Friday.
    Protesters and police face off at Downing Street gates as hundreds rally against new Tory government | 09 May 2015 | Hundreds of protesters took to the streets to express their anger about the new Tory government. The anti-Conservative protesters, some holding placards reading "I pledge to resist" and "Stop the cuts", took part in the rally organised just a day into the new Parliament. It is believed to have started outside Conservative headquarters, where just over 24 hours ago Mr Cameron gave a speech to party activists about their unexpected win.
    Anti-austerity protesters take to UK streets after Tory election victory | 09 May 2015 | Anti-austerity campaigners launched impromptu protests across Britain, less than 48 hours after David Cameron was returned to power with a parliamentary majority. Hundreds of people joined demonstrations in Wales and central London following the surprise Conservative election victory. About 200 people were involved in clashes with police outside Downing Street, throwing green smoke bombs and tomato ketchup at officers in riot gear. Police officers shut Whitehall for several hours while they tried to contain the demonstrators.
    One of Australia's smallest marsupials secures a big legal win on the NSW Central Coast | 07 May 2015 | After a ten-year battle, the Eastern Pygmy Possum has had a big legal win in the High Court of Australia. The possum's habitat is located in an industrial zone in Somersby, where a developer had been fighting for a decade to build a waste resource recovery facility. Gosford Council rejected the initial development application, arguing that the proposed facility would have an irreversible impact on the local population of the pygmy possum, a threatened species. The pint-sized marsupial measures less than 20cm, including its tail, and weighs in at a mere 30 grams.
    2 police officers shot and killed in Hattiesburg, Miss. | 10 May 2015 | Two police officers were shot and killed Saturday night in downtown Hattiesburg, officials confirmed. Two men, Curtis Banks and Marvin Banks, have been named as suspects intonight's shooting deaths of two Hattiesburg police officers.
    Tornadoes in Texas kill at least 1 in Cisco | 09 May 2015 | Multiple tornadoes tore through North Texas on Saturday, leaving one person dead and others unaccounted for in a sparsely populated farming and ranching area as the system slowly weakened while advancing toward Fort Worth. Walter Fairbanks, fire chief in Cisco -- about 100 miles west of Fort Worth, confirmed there was one fatality when the tornado hit Saturdayafternoon near the town.
    CLG needs your support.
    Or, please mail a check or m*ney order to CLG: 
    Citizens for Legitimate Government (CLG) 
    P.O. Box 1142 
    Bristol, CT 06011-1142
    Contributions to CLG are not tax deductible.

    0 0
  • 05/10/15--01:38: Dalits Media Watch
  • Dalits Media Watch

    News Updates 10.05.15

    Rajputs humiliate Dalit groom for riding horse- Hindustan Times

    Kisan unions demand FIRs in Moga case - Mail Online

    Judge threatens Madras HC chief justice with contempt- The Times Of India

    Prof. Saibaba's bail sought- The Hindu

    United in suffering, parents of athletes cope with tragedy- The Times Of India


    Please Watch :

    Dalits In India & Blacks in America

    Note : Please find attachment for HINDI NEWS UPDATES (PDF)

    Hindustan Times

    Rajputs humiliate Dalit groom for riding horse


    In a brazen show of caste dominance, some members of the Rajput community allegedly dragged a Dalit groom off the horse and asked him to go on foot to the marriage hall in a Rajasthan village, the police said on Friday.


    Eyewitnesses alleged that the Rajputs told the party that the Dalits had no right to mount a horse and thrashed those who objected to the diktat.


    The police said a case had been registered against six members of the Rajput community under relevant sections of the Indian Penal Code.


    The incident was reported from Chindaliya village in Nagaur district on Thursday.


    Groom Rajuram Meghwal, a resident of Babupura village,   along with his marriage party reached a community hall in the bride's village, Chandaliya, at 6.30pm . The dancing marriage party proceeded towards her house with a band playing aloud atop a vehicle. But, their joys tuned into sorrow as the party crossed a Rajput-dominated locality of the village. Soon the members of the community came out, dragged the groom off the horse and asked him to proceed on foot as his caste didn't deserve to mount a horse, villager Bhagwana Ram said. The situation turned tense when the members of the marriage party expressed their desire to proceed as planned . However, the Rajputs thrashed some of the baratis and hurled abuses at them, groom's father Laxman Meghwal alleged.


    This went on for one and a half hours as the police reportedly reached the spot late despite repeated calls, bride's father Bhomaram Chindaliya said.


    The situation was, however, controlled after the police reached there from Makarana, about 15 kilometres from the spot.


    Makrana station house officer Dilip Soni denied the allegation  and said his team rushed to the village soon after he was informed.


    Cases under Sections 341/323/and 34 of IPC had been registered against six, Soni said, adding the investigation was on.


    Mail Online

    Kisan unions demand FIRs in Moga case


    Ten days after a teenage girl was allegedly molested and thrown off a moving bus along with her mother in Moga, the situation remains tense in the Punjab town. 


    On Saturday, various unions of farmers, labourers and students joined the widespread protests being held by the Opposition parties. 


    They demanded the registration of FIRs against the bus owners. The activists of various unions, including the Bharatiya Kisan Union Ekta (Ugrian), Naujwan Bharat Sabha and Punjab Khet Majdoor Union held demonstrations in front of the Moga police station and threatened to gherao the district administration on May 22 if the bus owners were not booked. 


     "We have demanded registration of FIRs against the owners of Orbit bus which was used to molest and kill the Dalit girl. We have also demanded cancellation of all bus routes which were granted to the private buses, causing a big loss to the public exchequer," BKU Ekta general secretary Sukhdev Singh Kokri said. 

    He added that the Punjab government had forced the Moga bus molestation victim's family into a compromise. 


    The Punjab government on Friday notified the commission of inquiry under Justice (retd) V.K. Bali to probe the circumstances that led to the Moga incident. 


    The notification states that the probe will be completed in two months. 


    Meanwhile, ten days after the incident, Union Food Processing Minister Harsimrat Kaur Badal, who had earlier expressed ignorance about the ownership of the Orbit bus service owned by her husband Sukhbir Singh Badal expressed "deep pain" and "anguish" over it. 


    In a statement issued on Saturday, the Union minister said that such type of incidents were totally unwarranted and unjustified. 


    She said all those involved in the crime would not be spared and its perpetrators would get the most severe punishment as per the law of land.


    The Times Of India

    Judge threatens Madras HC chief justice with contempt


    NEW DELHI: Justice C S Karnan of Madras high court has plunged the HC into a huge crisis by threatening contempt of court proceedings against Chief Justice Sanjay K Kaul accusing him of interfering in his judicial work and seeking a CBI probe into alleged forged educational qualification of another Judge of the HC.

    Apart from contempt of court action, Justice Karnan also threatened to direct National SC/ST Commission to initiate a detailed inquiry against the HC chief justice for harassing him, a member of the dalit community, and also slapping a case against the CJ under stringent provisions of SC/ST Attrocities (Prevention) Act.

    A beleaguered high court through its registrar general has rushed to the Supreme Court accusing Justice Karnan of judicial indiscipline, challenging the authority of the HC Chief Justice, passing order without jurisdiction and lacking in self-restraint. A bench headed by Chief Justice of India H L Dattu on Monday will hear the petition seeking a stay of Justice Karnan's orders.

    It all started with the CJ constituting the recruitment committee comprising Justices V Dhanapalan, R Sudhakar, D Hariparanthaman, N Kirubakaran and R Mala to interview candidates for selection as civil judges. The Tamil Nadu Public Service Commission chairman and other officers were to be part of the selection committee and it was scheduled to start oral interview of candidates form April 15 till April 21.

    On April 16, Justice Karnan initiated suo motu proceedings and passed a judicial order questioning Justice Dhanapalan's inclusion in the committee. He alleged that latter had produced "bogus educational qualifications" about his bachelor and masters degree in law, he had no locus-standi to conduct interview.

    He also alleged that inclusion of Justices Sudhakar and Hariparanthaman, who hailed from the same community besides being relatives, would send a wrong signal about the fairness of selection. He went on to stay the CJ's administrative order and restrained the public service commission chairman from conducting the interview of candidates for civil judge posts.

    "In order to control the mal-administration of My Lord Chief Justice, I am passing this suo-motu judicial order in the interest of justice invoking Article 226 of the Constitution to restore the confidence in the Madras high court and confidence with the general public," he said and ordered that two judges must be from minorities communities - one from Muslim community and another from Christian community - to give a fair representation to all communities in the recruitment committee.

    On April 17, Justice Karnana's suo motu order was placed before a division bench of Justices S Tamilvanan and C T Selvam, which stayed the April 16 order.

    Despite the division bench order, Justice Karnan directed the Registry to place the matter before him on judicial side on April 30. On that day, he reiterated his earlier order and threatened the Chief Justice with contempt of court proceedings.

    "This court requests My Lord the Chief Justice to extend his cooperation without any interference with my court's proceedings and its judicial power in order to maintain decorum of the court and avoid an unhealthy practice of judiciary in the interest of the general public. My deep request to the Chief Justice is to avoid ego and stop acting in an autocratic manner to protect democracy," Justice Karnan said in his order.

    Ordering status quo on interviews to be conducted by the public service commission, Justice Karnan also threw in his dalit card.

    He said: "My deep request to the Chief Justice is that you should not interfere in my judicial process in the instant case, failing which, this court will initiate contempt of court proceedings against you and also give direction to the chairman, National SC/ST Commission to initiate proceedings to conduct a detailed enquiry regarding your harassment of me being a dalit judge to make you perforce to book you under the SC/ST atrocities Act."


    The Hindu

    Prof. Saibaba's bail sought


    Dalit outfits on Saturday demanded the release of the suspended Delhi University Professor Saibaba who was arrested a year ago for his alleged links with the CPI(Maoist).


    At a meeting convened by Dalit Hakula Parirakshana Samiti, speakers said if celebrities even after conviction could get bail easily, why can't the wheelchair-bound professor. "People will lose faith in judiciary, if Prof. Saibaba, a cardiac patient, is denied bail," said DHPS secretary Neelam Nagendra Rao.


    The Times Of India

    United in suffering, parents of athletes cope with tragedy


    ALAPPUZHA: They sit outside the ICU of the medical college hospital, their faces drawn with fatigue and the only word each of them desperately wants to hear is 'amma'. Their teenage daughters lie inside, hooked to life-support, their chances of seeing their mothers' faces improving with each passing hour.


    Aparna Ramabhadran and three other girls Treesa Jacob, Shilpa KR, Sabitha Santosh and Aparna Ramabhadran, all athletes training at SAI's water sports centre here, consumed poison on Wednesday afternoon as part of a suicide pact, though Aparna didn't survive to tell why she was driven to such an extremity. 

    The girls had written in their joint suicide note that they were insulted and humiliated for some minor transgression by their seniors and staff at the sports hostel. The mothers of the three survivors are anguished and angry -angry at what their daughters had to endure and anguished because they feel their daughters didn't rely on them enough. 

    "She was so happy whenever she was training as a rower. I don't understand why my daughter did this," said Shilpa's mother Beena S. Interestingly, Beena was India's first female medallist in kayaking at the Asian Championship held in 1993 in Hiroshima, and had great hopes for her daughter. She and her husband Reji were also athletes at this SAI centre in 1991, where they fell in love and subsequently married. 

    Coming from modest, rustic backgrounds, it is unlikely that the three middle-aged women have heard much of Mother's Day but as they proceeded to talk, after initially resenting the intrusion, they revealed the precarious combination of burden and hope that lie at the heart of motherhood.

    Forty three-year-old Elikutty, mother of Treesa who won a gold at the last National Games, has hardly eaten or slept in the last three days. "This is my 'life' fighting death. My daughter was only eight when my husband passed away. She has been the light of my life, especially after she showed such promise in sports," Elikutty said. 

    According to doctors, Yamuna's daughter Sabitha is recovering the fastest. But Yamuna is hardly elated. "I am keeping my fingers crossed not only for my child but also for the other two girls," she says. Yamuna is a Dalit paddy field worker in nearby Kuttanad and she and her husband can hardly make ends meet. "We were very happy when our daughter joined SAI after completing high school three years ago. Last Sunday, I went to the hostel and saw my daughter and her friends," she said, her voice choking with agony. 

    The three mothers, united in their suffering, have come to bond closely. But they don't forget another mother who hasn't been as fortunate. Aparna's mother Geetha has not stirred from her home. 

    Two girls taken off pacemaker 

    The condition of the three women trainees of Sports Authority of India (SAI), hospitalised after consuming a poisonous fruit, has improved. However, they are still in the intensive care unit of the medical college hospital here. 

    Hospital superintendent Dr Santhosh Raghavan told TOI that the condition of two girls had improved a lot. "Pacemaker is now being used for only one girl, who is also showing signs of improvement. We hope to remove her pacemaker soon." 

    However, he said the girls could not be said to be out of danger now. "We have seen people dying even one week after consuming the fruit.They need to be observed for at least a week."


    News Monitored by Girish Pant & AJEET

    .Arun Khote
    On behalf of
    Dalits Media Watch Team
    (An initiative of "Peoples Media Advocacy & Resource Centre-PMARC")

    Pl visit on FACEBOOK : 
    Peoples Media Advocacy & Resource Centre- PMARC has been initiated with the support from group of senior journalists, social activists, academics and  intellectuals from Dalit and civil society to advocate and facilitate Dalits issues in the mainstream media. To create proper & adequate space with the Dalit perspective in the mainstream media national/ International on Dalit issues is primary objective of the PMARC.

    0 0

    The Other Side of Rabindranath Tagore
    By: Maulana Muhammad A. K. Azad [ Abu Arif Al Alawi ]

    Rabindranath Tagore (7 May 1861 – 7 August 1941) is worshipped by many as God. He was awarded Noble Prize in 1913 for his contrbution to literature. Though he admired Islaam in many of his writings and was deeply influenced by great Isalaamic Scholars like Jalaluddin Rumi (R A), Allama  Zami ( R A) and Shaikh  Sadi ( R A), he remained communal throughout his life. Apart from being communal, Tagore also was a profligate and a typical selfish Zamindar. 
    There is no denying the fact that Rabindranath was deeply influenced by Islaam's universal message . Professor Ziauddin has written in his " Influence of Islaam on World Civilization" that diring his stay  in Santiniketan at Bolpur in 1901, he witnessed Tagore's library enriched with Islaamic Literature including immortal writings by Rumi, Sadi , Zami and Hafiz. Rabindranath briefed Ziauddin that  his father  Devendranath  Tagore recited verses of Quran in his death-bed (Influence of Islaam on World Civilization -  page 96). Professor Ziauddin opines that Gitanjali is replete with Islaamic spiritualism and mysticism.  For example, the very first poem of Gitanjali is a perfect example in this respect:   
    Thou hast made me endless, such is thy pleasure. This frail vessel thou emptiest again and again, and fillest it ever with fresh life. 
    This little flute of a reed thou hast carried over hills and dales, and hast breathed through it melodies eternally new. 

    At the immortal touch of thy hands my little heart loses its limits in joy and gives birth to utterance ineffable. 

    Thy infinite gifts come to me only on these very small hands of mine. Ages pass, and still thou pourest, and still there is room to fill. 

    When thou commandest me to sing it seems that my heart would break with pride; and I look to thy face, and tears come to my eyes. 

    All that is harsh and dissonant in my life melts into one sweet harmony--and my adoration spreads wings like a glad bird on its flight across the sea. 

    I know thou takest pleasure in my singing. I know that only as a singer I come before thy presence. 

    I touch by the edge of the far-spreading wing of my song thy feet which I could never aspire to reach. 

    Drunk with the joy of singing I forget myself and call thee friend who art my lord.

    I know not how thou singest, my master! I ever listen in silent amazement. 
    "Klanti"  the sixth poem in Gitanjali is also an ideal example:
    ক্লান্তি আমার ক্ষমা করো,প্রভু,
    পথে যদি পিছিয়ে পড়ি কভু
    এই যে হিয়া থর থর কাঁপে আজি এমনতরো,
    এই বেদনা ক্ষমা করো,ক্ষমা করো প্রভু।
    এই দীনতা ক্ষমা করো,প্রভু,
    পিছন-পানে তাকাই যদি কভু
    দিনের তাপে রৌদ্রজ্বালায় শুকায় মালা পূজার থালায়,
    সেই ম্লানতা ক্ষমা করোক্ষমা করো প্রভু।  
    But, this is fact that Rabindranath remained communal till the end. He remained hostile towards Islaam and Muslims. Militant Hindu leaders use Tagore's hostility towrds Islaam to spread hatred against Muslims . Let's read how they quote Gurudev in this regard. One Ranaprotap  roy writes: 
     Now we are coming to the observations made by the world famous Nobel laureate Bengali poet and sage Rabindranath Tagore, who is considered to be one of the all time greatest poet, philosopher, thinker and humanist. His secular credentials are established beyond doubt. Furthermore, Tagore is often projected as a messiah of unity between the Muslims and the non-Muslims. So it is extremely important to highlight what Tagore personally thought and felt about the creed of Islam and it's followers called Muslims.
    "There are two religions on the earth, which have distinct enmity against all other religions. These two are Christianity and Islam. They are not satisfied with just observing their own religions, but are determined to destroy all other religions. That's why the only way to make peace with them is to embrace their religion." 
    [The above is a part of a letter written by Rabindranath Tagore to Sri Kalidas Nag on 7th Asar, 1329 Bangabda, compiled in the article 'Hindu-Muslim' in the book 'Kalantar' and compiled in the Complete Works of Rabindranath (in Bengali), published by Viswabharati University, 1982, Vol. 24, p – 375 (tr – the author)] 
    One thing we must keep in mind in this respect. The poets may have different types of emotions at different times and often express contradictory ideas in their different writings. But the above statement was made in a private letter and hence reflects Rabindranath's personal experience and view point and surely can be considered as his own intrinsic feelings about Islam. Somebody may argue that this feeling may be his momentary or just one time expression of his frustration, evoked by some particular incident at a given time and does not reflect his true or permanent conception about Islam. But please note the dates of his subsequent quotations about Islam, which were made during a wide span of time spreading several years and even decades. This clearly proves the Rabindranath's above mentioned comments on Islam and Muslim psyche were not the expressions of his momentary frustration but his deep realization and grave concerns about the Islamic menace and security of the Hindu society. 
    Similarly the quotations of Swami Vivekananda, Rishi Aurobinda, Great Ambedkar and other great men, presented in this book were made during several years of their life span and hence are not their temporary or momentary emotions but their core realizations from the bottom of their hearts. These great men tried to warn us about the true nature of Islam but we did not pay heed to them. Now in twenty – first century when Islamic terrorism is being intensified every day to engulf the human civilization, it is high time for mankind to remember the warnings of these great men and also to understand why they said so. 
    After all, these great men were not communal fanatics or politically  motivated. On the contrary, they are considered by the whole world as "philanthropists" and "apostles of communal harmony." So, now, it is our duty to try to understand their concerns and read the Koran itself to corroborate their views. The compilers and editors of this presentation have no intension to spread hatred towards and religious groups but to make people aware of a hard core reality and think about a peaceful solution through reasoning, justification and without unrealistic emotions. Not problem can be solved if the hard core reality is not acknowledged and accepted. The Muslim Community also should think deeply about this problem. They also should realize that riots are not the solutions to suppress the criticism of their theology, but they should present counter-logic, if they have any. 
    Another thing we like to mention here that although Rabindranath criticized Christianity for being non-friendly to others but presently the Christians are not conducting any suicide bombing or violent activities any where in the in the world in name of their religion. So, we can safely ignore what Rabindranath had commented on Christianity. 
    So please go through the following quotations of those all time great  thinkers and famous leaders with a special note to the dates of their comments. Also please understand that their comments are not time-bound or applicable to their time only. The circumstances have not been changed at all and their warnings are still fully valid in the present day situations also. So we can't afford to ignore them with vain salutes and throwing garland on their statues without paying heed to their warnings (Aaji durdine firanu tader bartho namaskare or in this period of crisis, we should not ignore them through insincere saluting.) 
    Rabindranath also observed, "A very important factor which is making it almost impossible for Hindu-Muslim unity to become an accomplished fact is that the Muslim can not confine their patriotism to any one country. I had frankly asked the Muslims whether in the event of any Mohammedan power invading India, would they (Muslims) stand side by side with their Hindu neighbors to defend their common land or join the invaders. I was not satisfied with the reply I have obtained from them….. Even such a man as Mr. Mohammed Ali (one of the famous Ali brothers, the leaders of the Khilafat Movement) has declared that under no circumstances is it permissible for any Mohammedan, whatever be his country, to stand against any Mohammedan". 
    [Appeared as Interview of Rabindranath in English daily the 'Times of India' April 18, 1924 in the column - "Through Indian Eyes." It has also been quoted by Ambedkar and others in their writings.]
    While commenting on the post-Khilafat Hindu Muslim riots, Rabindranath said,
    "Whenever a Muslim calls upon the Muslim society, he never faces any resistance – he calls in the name of one God 'Allah-hu-Akbar.' On the other hand, when we (Hindus) call, 'come on Hindus,' who will respond? We, the divided in numerous small communities, may barriers – provincialism – who will respond overcoming all these obstacles?" 
    "We were endangered by many invasions, but we could never be united. When Muhammad Ghouri brought the first blow from outside, the Hindus could not be united, even in those days of imminent danger. When the Muslims started to demolish the temples one after another, and to break the idols of Gods and Goddesses, the Hindus fought and died in small groups but they could not be united. It has been proved that we the Hindus were killed in different epochs of history due to our internal discord." 
    "Weakness harbors sin. So, if the Muslims beat us and we, the Hindus, tolerate this without resistance – then, we will know that it is made possible only by our weakness. For the sake of ourselves and our neighbour Muslims also, we have to discard our weakness. We can appeal to our neighbour Muslims, 'Please don't be cruel to us. No religion should be based on genocide'– but this kind of appeal is nothing but the weeping of the weak persons. When the low pressure is created in the air, storm comes spontaneously' nobody can stop it for sake of religion. Similarly, if weakness is cherished and is allowed to exit, torture comes automatically – nobody can stop it. Possible, the Hindus and the Muslims can make a fake friendship to each other for a while, but that can not last for ever. As long as you don't purify the soil, which grows only thorny shrubs, you can not expect any fruit."
    ["Letter to Swami Shraddhananda, 'by Rabindranath, Magh, 1333 Bangabda' complied in the book "Kalantar"] 
    Rabindranath Elaborated further in the context of the extremely brutal Hindu massacre and mass rape of the Hindu women by the Mopla Muslims in Kerala as given below: 
    "Dr. Munje said in another part of his report that, eight hundred years ago, the Hindu king of Malabar (now Kerala) on the advice of his Brahmin ministers, made big favor to the Arab Muslim to settle in his kingdom. Even he appeased the Arab Muslims by converting the Hindus to Islam to an extent to making law for compulsory conversion of a member of each Hindu fisherman family in to Islam. Those, whose nature is to practice idiocy rather than common sense, never can enjoy freedom even if they are in the throne. They turn the hour of action in to a night of merriment. That's why they are always struck by the ghost at the middle of the day." 
    Rabindranath continues,
    "The king of Malabar once gave away his throne to idiocy. That idiocy is still ruling Malabar from a Hindu throne. That's why the Hindus are still being beaten and saying that God is there, turning the faces towards the sky. Throughout India we allowed idiocy to rule and surrender ourselves to it. That kingdom of idiocy – the fatal lack of commonsense – was continuously invaded by the Pathans, sometimes by the Mughols and sometimes by the British. From outside we can only see the torture done by them, but they are only the tools of torture, not really the cause. The real reason of the torture is our lack of common sense and our idiocy, which is responsible for our sufferings. So we have to fight this idiocy that divided the Hindus and imposed slavery on us……..If we only think about the torture we will not find any solution. But if we can get rid of our idiocy, the tyrants will surrender to us."
    ['Samasya,' (The Problem), Agrahayan, 1330 Bangabda, in  "Kalantar".] 
    "When two or three different religions claim that only their own religions are true and all other religions are false and their religions are only way to Heaven, conflicts can not be avoided. Thus, fundamentalism tries to abolish all other religions. This is called Bolshevism in religion. Only the path shown by the Hinduism can relieve the world from this meanness."
    [Atmaparichay' (The Self-realization) in the book 'Parichay.']  
    "The terrible situation of the country makes my mind restless and I can not keep silent. Meaningless rituals keep the Hindus divided in hundreds of sects. So we are suffering from series of defeats. We are tired and worn-out by the tortures by the internal and external enemies. The Muslims are united in religion and rituals. The Bengali Muslims, the South Indian Muslims and even the Muslims outside India – all are united. They always stand united in face of danger. The broken and divided Hindus will not be able to combat them. Days are coming when the Hindus will be again humiliated by the Muslims." 
    "You are a mother of children, one day you will die, passing the future of Hindu society on the weak shoulders of your children, but think about their future".
    [A letter to Hemantabala Sarkar, 16th Oct. 1933, quoted in  Bengali weekly "Swastika". June 21, 1999] 
    Brother  Shakil  Sarwar  has collected and posted a praiseworthy article  on this issue . He writes:  
    Rabindranath Tagore had always been portrayed larger than his life. Hardly people tried or dared to criticize him of his shortcomings. Those who tried to do so failed to propound sufficient supportive arguments. I have taken the trouble of crudely translating some excerpts I collected over the last few years. I wanted to share these with the readers. I am yet to read about Prof Humayun Azad's book 'Nari' where he exposed Rabindranath's anti-feminist views.
    After I read a nice article written by one Muhammad Alamgir, I though about elaborating certain points with quotes from Hindu writers. Following is basically a compilation of excerpts taken from books and essays mostly written by Calcatian hindu writers who are basically Rabindra researchers. I hope some readers would be benefited by this.

    Tagore's Religious Belief:
    "Rabindranath discussed about this Hindu-Muslim issue during the census of 1819. He said, '
    I was born in a Hindu family, but accepted Brahmo religion. ... The religion we accepted is universal in nature; however, it is basically the religion of the Hindus. We accepted this universal religion with the heart of Hindus." [Probhatkumar Mukharjee, Rabindrajiboni O Rabindrashahityo Probeyshok, vol 3, 3rd ed., published by Biswa Bharati Publishing Division in Poush 1395, pp.364-365].
    "Tapobon Bidyala (school), a ashram established to instill ancient hindu ideology, took the shade of hindutva. Tagore started to turn himself into a very devout hindu. Gradually, casteism-based aparthied, injunctions of Manu Sanghita, and Brahminic glorification crept into their way into the school environ. 
    Tagore decreed that a non-Brahmin teacher did not deserve salutation (pronam) from his Brahmin students. In a letter written to Manoranjan Banerjee in Agrahayan 19, 1309 Tagore clarified his position on the issue of salutation in these words, 'No non-hindu customs would be allowed into this school; It is imperative that students express their respect to Brahmin professors by touching their feet (pronum) and utter namasker to non-Brahmin teachers as per the rules set aside by Manu Sanghita.' " [Satyendranath Roy, 'Rabindra Manoney Hindu Dharma', The Desh, Autumn issue, 1905, p.305]
    Tagore established Biswa Bharati to re-vitalize ancient "hindu customs" and ideology. In this effort, Hindi Bhavan (Building) was established in Shantiniketan on January 16 (sunday), 1938 (Magh 2, 1344). It is of no surprise that Tagore had very close friendship with Pundit Madonmohan Malabya -- a prominent leader of Kashi Hindu University and Hindu Mohashava.

    When asked about the usefulness of Hindu Mohashava, Tagore said that he considered this movement more important than a mere political undertaking. 'Hindus would have to unite if they want to remain alive and not remain downtrodden for ever in the human society.' [From an interview with Tagore by journalist Mrinalkanti Bose in response to a statement by Modanmohan Malabya, Rabindra-Proshongo/Anandabazar Patrika, 1993, edited by Chittaranjan Banerjee, vol 1, pp. 259-260].Tagore's Benevolence:
    Not only Zamindar Rabindranath or the entire Tagore dynasty did not have any record of donating anything, he did not have any reputation of making any donation towards primary schools, orphanage or dam constructions in Shahzadpur, Shilaidoh or Patishor. On the contrary, conniving threat from Tagore dynasty, Kangal Harinath Majumdar published narrative of Tagore dynasty's oppression and setting of arson to the entire villages." [Prof Ahmed Sharif, Rabindruttor Trityo Projonmey Rabindra Mullayan, Quaterly Uttaradhikar, published by Bangla Academy, Baisakh-Ashar issue, 1393].
    Narayan Choudhury had this to say about Tagore, "Tagore had always been supporter of Zamindari system. It would be very hard to present any proof that he was saddened on seeing repression on the subjects. He even opposed the transfer of lands to the subjects on the argument that that measure would pave the way to misappropriation of lands." [Promoth Choudhury, Ryot'er Katha (introduction section) and Bataynik'er Patra].
    in 1894 he raised the tax levied on his subjects. He even purchased new Zamindari from the Martin Company. There had been incidents of rebellion by the subjects due to raising of tax and collection of tax by force. Tagore suppressed that rebellion with great success! One Ismail Mollah led the rebellion against Tagore in Shilaidoh.
    Intolerant Tagore:
    "Tagore was not accustomed to tolerate any unfavorable criticism of him. Had there been nobody to protest in his favour, he used to defend himself by writing under pen names. Tagore-lover and Tagore-blessed Annadashankar Roy said, 'Tagore used to remove or destroy any evidence of his mistakes, criticisms or misdeeds with utmost care.' " [Prof Ahmed Sharif, Rabindruttor Trityo Projonmey Rabindra Mullayan, Quaterly Uttaradhikar, published by Bangla Academy, Baisakh-Ashar issue, 1393].
    Muslims could have trusted Hindus had the Hindus did not raise the issue of reservation at every step starting from 1909 till 1937. Bengalee Hindus opposed all regional divisions from 1932 to 1937, and Tagore extended his support in his speeches in those days. Didn't the main anxiety emanate from the fact that higher caste Hindus would loose their majority due to the numerical superiority of the Muslims and the Sudras (lower caste peope)? What this meant was that (putting aside the issue of Sudras), we did not believe the Muslims. Hindu interests wouldn't be looked after under Muslim majority rule -- wasn't this the reason? Were Syed Ahmed of Aligarh, Nawab of Dacca or Jinnah the only believers of Two Nation Theory? Weren't the suspicious Hindus also believers of Two Nation Theory?
    "In the Jaistha, 1343 issue of the Mohammadi magazine, a writer protested about the inclusion of some objectionable items in the Matriculation Bengali text book. One of them was a poem called 'Bicharok' (Judge) by Raghunath Rao. It contained lines like,
    Cholechhi Koritey Jobon Nipat,
    Jogatey Jom'er Khadya.

    [Here I go to kill Muslims,

    To collect fodder for Yama (Hindu God of Death).] 

    Angry Tagore chided the letter writer in his rebuttal." [[Nityapryo Ghose, 
    'Swatantro Botey, Kintu Birudhho Ki?', The Desh, May 1, 1999]
    Communal Tagore:
    "Lot of similarity can be observed between the thoughts of Rabindranath and those of Ramendrasundar Trivedi and Brahmobandhob Upadya with respect to national issues and religion. Brahmobandhab wanted to view Hindu nationalism and Hindu society as the manifestation of Indian culture; By the term 'Hindutva' he meant both Hindu nationality and Hindu culture. The first essay appearing in the maiden issue of Bangodarshan magazine was 'Devotion of Hindu Society' written by Brahmobandhab." [Probhatkumar Mukharjee, Rabindrajiboni O Rabindrashahityo Probeyshok, vol 2, published by Biswa Bharati Publishing Division, p.23]. 
    "In another letter addressed to Maharaja Kumar of Tripura, Tagore wrote from Shantiniketan (Baisakh 7, 1309), '
    There exists acute shortage of Brahman and Khatrya people in the Indian subcontinent -- all of us have become sudras after being attacked with distress. With firm determination in mind, I have gotten myself deeply devoted, with utmost abilities, to the cause of re-establishing Brahmanic idelogy. I advise you to spread the ideology of Khatrya after being imbibed with Khatrya ideology in your heart.' " [ibid, p.41] 
    Tagore was not only a devout hindu but a 
    highly anti-Muslim character. Even Prof Ahmed Sharif passed the following comments about him, "It does not bear any shred of liberal  non-communalism on his part when almost all of his subjects in his Zamindari were Muslims, slaughtering of cows was banned, increased amount of taxes were collected by force or new hindu settlements were established to repress the protesting voices." [Prof Ahmed Sharif, Rabindruttor Trityo Projonmey Rabindra Mullayan, Quaterly Uttaradhikar, published by Bangla Academy, Baisakh-Ashar issue, 1393] 
    A communal poet like Tagore used to be glorified with full vigour in the electronic media during the second Awami regime that left behind the darkest chapter in the history of Bangladesh in every walk of life. Hindus don't suffer from inferiority complex. As such, they don't glorify any Muslim poet during their puja festivals. Durga puja programmes are shown with much more pomp and grandeur in BTV than Eid festivals in a Muslim majority country like Bangladesh. At this, Awami pigheaded intellectuals exclaim, "Aha! How beautiful is the hindu religion?" But when Muslims utter any islamic word in their religious programmes, this cabal term it as fundamentalism and communalism.

    Tagore was deeply anti-Muslim/Islam:
    "At the age of 39, he composed 'Katha Kahini' poetry based on the ancient Brahmo mythological legends and chronological narratives of Buddha, Rajput, Maratha and Sikhs. But the 750 year-old indigeneous events or dervishes arriving from foreign lands or the magnanimity of Muslim rulers did not seem worthy of his consideration -- not even those of Emperor Akbar, Moinuddin Chisti, Razia, Anarkoli, Nurjahan. Nothing (except Tajmahal) of a nation or society that ruled India with might, knowledge, wealth and achievements for previous 600 years appealed to his good sense. This shows how deep hatred or permanent disrespect he harboured deep down his heart for this ruling class coming from foreign lands. [Prof Ahmed Sharif, Rabindruttor Trityo Projonmey Rabindra Mullayan, Quaterly Uttaradhikar, published by Bangla Academy, Baisakh-Ashar issue, 1393].
    Following is a relevant poem by a leftist writer Farhad Mazhar:

    Thakur'er Beta
    by Farhad Mazhar

    Amad'er Rabibabu mostoo boro kobi, shahebra
    Nobel Prize dieye hoq tar shahityo keertir

    Korech'he kodor. Ingrez'er gethu hoyey taar baap dada

    Malpani kameychhe, Boneychhe Swagoshey Zamidar

    Kintoo bongsh'er doshey jol pora pata nora probhu

    Kobhu bondho hoy nai -- shey hoyechhey bish'er shayer.

    Taharey salam kori, taharey marhaba kohi praney

    Parwardigar tobu dil mor bohut nkhosh

    Taar proti. Chhilo dosh Rabindr'er. Tenar kolomey

    Bahu poigambar shadhak o monishir naam

    Hoeyechhey swaron kintoo ghunakhkhorey nabi Muhammad

    Aakarey Ingitey bhabey diley kimba nib'er dogai

    Ekbaro aashey nai, takey tai maaf kori nai

    Thakur betatarey tumi kintoo Rahman korey dyo maaf.

    In the novel Gora, Rabindranath Tagore subtly expressed his hatred toward Muslims through a statement of his hero Gora who addressed his oppressed Muslims subjects in these words -- "Your Mohammad did not preach the religion in a good manner."
    Litteratuer Motahar Hossain Choudhury once asked Rabindranath on the premises of Shanti Niketon, "How come there is no mention of Islam or the prophet in your writings?" Replied the poet, 
    "I started to read Quran but could not advance much. Besides, I did not like the character of rasul." [Culled from an essay 'Islami Shangskritir Ruprekha' (Outlines of Islamic Culture) by Dr. Mustafizur Rahman].Tagore as an oppressor:
    "Honourable Prime Minister [Sheikh Hasina] urged to take the philosophy of Tagore to every door. But what was this philosophy? It is a fact that Tagore was Nobel Prize winning world famous and great poet, but did he leave behind any great philosophy as a great man? It is also a fact that being enchanted by the appeal of his songs and poems, some people regard him almost like a deity, but was he really worthy of regarded to as such? The life of Tagore bears testimony to the opposite. Tagore portrayed many Upens with heart-rending narratives, but like his father grandfather he was basically greedy and cruel oppressor of poor subjects. Although universal love was the main theme of his poetry, he himself was guided by pride and discrimination. Although he used to wear, like the ancient priests, Upanishadic outfit and his physical stature resembled to those of priests, he was, in heart and mind, an obedient worshipper of the Royal British rulers. How can a person of this self-serving and self-contradicting and cunning double-dealing nature be our role model? 
    Very few people know the true colour of Tagore. And one of them who knew him very well as his widowed sister. Their father Debendranath Tagore allocated a portion of the income from Zamindari to pay for the monthly allowance for his widowed daughter. But Tagore stopped this allowance after the death of their father by destroying the legal documents. Believe it or not, Tagore also burnt all Will papers (compiled and signed by their grandfather) with the noble motive of depriving all shareholders mentioned in the Will." [Prof Abu Zafar, 'Rabindra Bibh'bram', Daily Inqilab, July 7, 2000].
    Tagore was more Hindu than Bengalee:
    "Nirod C. Choudhuri commented about Tagore, "Never before in the history of Bengal, a famous Bengali, pure Bengali Hindu better than Tagore was ever born." Tagore handed down his verdict like this way, "British rule is all about God's rule. To rebel against it is sin." He said, "Although Muslims are followers of Islam, they are Hindu in race; They are basically 'Hindu-Muslim'." [Dr Badiuzzaman, Bidrohi Rabindranath Paschim'er Shimantey, 2000].
    Patriotic songs like 'Amar Sonar Bangla', 'Banglar Maati Banglar Jol/ Banglar Baiyu Banglar Ful' etc remind us the name of Tagore right away. However, these songs might give wrong notion about Tagore's love for Bengal, Bengali or Bengalee.

    Though a Brahmin, Tagore married 11-year old Mrinalini Devi at his age of 22 years. He married off his three daughters at the ages of 15.5, 12 and 14 years, respectively. Since his blossoming youth, his life revolved around Brahmo society, worshipping in temple, and Tatyabodhini magazine. Although Tagore, throughout his entire life, was devoted to the welfare of Brahmo society, and religious duties, there exists no clear proof about the emergence of shapeless Brahmo or Vedic Brahmo ideology in his mindset. Gods and Goddesses of Hindu mythology enveloped his thought process in his emotive world." [Prof Ahmed Sharif, Rabindruttor Trityo Projonmey Rabindra Mullayan, Quaterly Uttaradhikar, published by Bangla Academy, Baisakh-Ashar issue, 1393].
    In his works, Tagore glorified (or at least mentioned their names) ancient Bharat, the era of Upanishad, nature of Tapobon, era of Kalidas ('Aami jodi jonmo nitam Kalidas'er kaley' i.e. I wish I were born in the era of Kalidas), Sikh, Maratha, Rajputs, Shivajee, Guru Govinda, religious leaders like Ramananda, Kabir, Nanak, Ramdas, Tulsidas et al, even less-known figures like Tara Singh, Ratan Rao, Harabongshi, Birkumbha, Durgesh Dumraj et al, Laksmibai (Queen of Janshi), Talukdar Kumar Singh (Ayodhya) et al. He wrote,
    'Durey bohu durey
    Swapnolokey Ujjoinipurey

    Khujitey Gechhinu Jobey Shipranodir parey

    Mor Purba jonom'er prothoma priyarey.'

    It is surprising to note that Tagore could hardly find any character (even non-Muslim) from ancient or modern Bengal to glorify in his works! However, ignorant Muslim Bengalees are enamoured with the Bengaleeism of Tagore! 
    What was so Bengalee about Tagore other than the fact that he wrote and speak in Bengali. Comments of Probodh Sen are worth-mentioning here, "The erstwhile British govt split Bengal into two parts on October 16, 1905 (Aswin 30, 1312). At that time, Bengal patriotism found its best expression thru' the songs of Tagore; Songs like 'Ebar Tor Mora Gangey Baan Esheychhey', 'Jodi Tor Daak Shuney Keu Naa Aashey', 'Amar Sonar Bangla Aami Tomay Bhalobashi', etc were composed around that time. Previously composed song 'O Amar Desh'er Maati Tomar Porey Thetai Maatha' was published in the Aswin issue of Bangodarshan magazine. We need to keep in mind that it was the month of Aswin -- the month of matribondana. This song was the lucid and natural expression of Bankim's Bandematram song. As such considered from various angles, this song can be considered Rabindric version of Bankim's Bandeymatram song." [Probodhchandra Sen, Bankim-Rabindra Dristitey Banglar Otit, p.219]
    A devout Rabindra researcher Probodhchandra Sen had this to say about Tagore, "... 
    Like Bankimchandra, Rabindranath was not solely devoted to the cause of Bengal rather to that of Mother India. Actually, he never showed distinct respect towards Bengali culture and tradition. For Bangladesh, he left behind the proposition of assimilation with India. ... There is hardly any influence of the history of Bengal in the works of Tagore." [Probodhchandra Sen, Bhor'er Paakhi O Ananya Proshongo, 1998, p.281]
    Annadashankar Roy commented about Tagore, "
    He is like a river since his talent did not flourish fully in the arena of ancient Sangskrit literature, Antolok literature or Bengali literature. Justice would be meted out to him only if we give him a place beside Indian poets like Balmiki or Kalidas rather than considering him a Bengalee poet. ... He lost his direction after being awarded Nobel Prize, and became a burden to the world by neglecting the flourishment of his full poetic potential." [From a letter written to poet Vishnu Dey by Annadashankar Roy on   July 13, 1947 appearing in the essay 'Chithi Shototoi Soondor', The Sananda, November 22, 1996].
    Tagore's Love for Bengali language:
    Himself being written in Bengali language, Tagore favoured hindi as the state language of India. He wrote in a letter, 'Mahatma Gandhi spread the Hindi language all over India in various ways.' In response to the question posed by Gandhi regarding the future of hindi language, Tagore replied on January 28, 1918, 'Hindi is the only possible national language for inter-provincial intercourse in India. But about its introduction at the Congress, I think, we can not enforce it for a long time to come ... Hindi will have to remain optional in our national proceedings until a new generation of politicians, fully alive to its importance, pave the way toward its general use by constant practice as voluntary acceptance of a national obligation.' " [Probhatkumar Mukharjee, Rabindrajiboni O Rabindrashahityo Probeyshok, vol 3, 3rd ed., published by Biswa Bharati Publishing Division, pp.151-152].
    Tagore was a 'Razakar' of British Colonialists:
    "However, he did not harbour the same feeling towards the British. Rather he nurtured profound love, confidence and respect for them. The reason behind his indifference towards politics of self-governance in the country, non-chalance about the establishement of independence movement was this love for the British. Novels like 'Ghorey-Bairey', 'Char Odday' and some essays are worth recalling in this respect. He did not have propensity to establish self-governance for India. He was expectant of good governance by the British. 
    Essays like 'Rajkutumbo', 'Ghushoghushi', 'Swadeshi Samaj' etc are to be recalled here. It is to be kept in mind that brutal killing at Jaliwanwalabagh did not move him an inch to renounce his Knighthood; it took 46 days for him to come to that decision due to some internal pressure. The 40-year old poet composed 'Matrishokashchash' to mourn the death of Queen Victoria; Knighthood delighted him to his heart's content, and in 1911 the grateful poet composed, on behalf of the Hindus, the hymn 'Jonogon Mon Odhinayok' to extol King George V for repealing the Bengal Partition Act." [Prof Ahmed Sharif, Rabindruttor Trityo Projonmey Rabindra Mullayan, Quaterly Uttaradhikar, published by Bangla Academy, Baisakh-Ashar issue, 1393].
    As the rebels found Tagore to be against the independence movement, they wanted to physically eliminate Tagore. This threat was extended even when he was touring America. Here is a news clip from those days, "Word of a plot to assassinate Rabindranath Tagore, Hindu poet and Nobel Prize winner, reached the police yesterday and led to extraordinary precautions to guard him in the apartment at the Palace Hotel and at the Columbia Theatre where he lectured in the afternoon." [San Francisco Examiner, October 6, 1916]. Note that Tagore was identified as a Hindu poet.
    During the second Awami regime, electronic media (BTV, ATN, Channel I, EkusheyTV) was abused to promote Tagore as a soldier of independence movement from the clutches of British mercenary cabal.
    Writing for money Resorting to Plagiarism:
    Pratap Narayan Biswas, a Calcatian author-resembler, wrote several essays accusing Tagore of plagiarism. One of them 'Jogajog: Goldsworthy Rabindranath' was published in the first issue of 'Onustap' [now in its 23rd year of publication] magazine. Here is one comment about Tagore, "
    Sir Rabindranath Tagore is not a poet who brings news from the East, but one who returns to us what we have already lent." [Edward Shanks, 'Sir Rabindranath Tagore', The Queen (London), 1921].
    Before starting to write his Jogajog novel, Tagore, in Chaitra 12, 1333 (Chithipatra 5) said, 'An attempt is underway to bring out a new magazine by the name of 'Bichitra' by some enterprising and rich quarter. I have fallen prey to their trap owing to both my want of money and greed. You won't be able to figure out how destitute I have become.' [See also Probhatkumar Mukharjee, Rabindra Jiboni, vol 3, 1359, p.249].

    To give some background behind his writing of Gora novel, Prabhatkumar said, 'The urge to write stories was external. Tagore's youngest daughter was to be married off in Jaistha, 1314. There was acute want of money. Ramananda Chatterjee requested Tagore to write a short story for The Probashi magazine and sent some money in advance. The poet wrote and sent two short stories. 'Master Moshoy' and 'Galpo' which were published in two installments of The Probashi (Asar Sravan). But the poet thought that he was not adequately paid. As such he started to write Gora novel. During the writing of Gora, Tagore was not only inflicted with financial hardship, he succumbed to various physical and psychological hardship arising from illness of his horse and daughter Meera, and deaths of friend Srishchandra Majumdar, son-in-law Satyendranath and son Shomindranath. Despite this hardship, he managed to send installments of Gora to the office of The Probashi spanning a period of 32 months.
     The only reason behind this was that he was able to borrow the main theme, characters, incidents, narrative details and dialogue from less known novel 'Felix Holt The Radical'. Two other books that were consulted to complete the Gora novel were The Vicar of Wakefield by Oliver Goldsmith and Father Sons by Tugerniev (sp?). Some of his famous short stories (such as Sampat'ti, Swamorpon, Nishithey, Khudhitoo Pashan, Guptodhon) were written borrowing themes, plots, characters, background, descriptions from  foreign short stories.  
    Guruzi enjoyed countless affairs . His affair with his own baudi Kadambari devi and Victoria  Okampo is well-known. Kadambari Devi committed suicide at the age of 25. Rabindranath Tagore" by Krishna Dutta and Andrew Robinson and Protham Alo by Sunil  gangopadhya have shed light on Tagore-Kadambari affair.
    May Allah guide us along the path of His blessed slaves and not on the path of those who remained away from Islam.

    Date: Sat, 9 May 2015 15:48:26 +0600
    Subject: কেমন ছিলেন জমিদার রবীন্দ্রনাথ ?

    কেমন ছিলেন জমিদার রবীন্দ্রনাথ ?

    নয়ন চ্যাটার্জি

    আজকাল অনেকেই প্রচার করে জমিদার রবীন্দ্রনাথ অনেক উদার ও প্রজাদরদীছিলেন। অথচ ইতিহাস তার সম্পূর্ণ বিপরীত সাক্ষ্য দেয়। আসুন দেখি ইতিহাস কি বলে:
    ১) "রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর সামন্তবাদী প্রজাপীড়ক জমিদার ছিলেন। তার দফায় দফায় খাজনা বৃদ্ধি এবং জোর-জবরদস্তি করে তা আদায়ের বিরুদ্ধে ইসমাইল মোল্লার নেতৃত্বে শিলাইদহে প্রজাবিদ্রোহ হয়েছিল। (সূত্র: অধ্যাপক অমিতাভ চৌধুরী, জমিদার রবীন্দ্রনাথ, দেশ ১৪৮২ শারদীয় সংখ্যা)

    ২) চারিদিকে নিষ্ঠুরতা ও দুর্নামের প্রতিকূল বাতাসকে অনুকূল করতে "রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রাইভেট সেক্রেটারী অমিয় চক্রবর্তী একবার বিশাল জমিদারীর একটি ক্ষুদ্র অংশ দরিদ্র প্রজাসাধারণের জন্য দান করার প্রস্তাব করেছিলেন। ঠাকুরমশাই ইজিচেয়ারে আধাশোয়া অবস্থা থেকে সোজা হয়ে বলেছিলেন, "বল কিহে অমিয়। আমার রথীন (কবির একমাত্র পুত্রের নাম) তাহলে খাবে কী? (দ্রষ্টব্য: অন্নদাশঙ্কর রায়ের রচনা থেকে উদ্ধৃত পুস্তক 'রবীন্দ্রনাথের রাজনৈতিক চিন্তাধারা: আবু জাফর)

    ৩) অধ্যাপক অরবিন্দ পোদ্দার লিখেছে, "জমিদার জমিদারই। রাজস্ব আদায় ও বৃদ্ধি, প্রজা নির্যাতন ও যথেচ্ছ আচরণের যে সব অস্ত্র, চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত বাংলার জমিদার শ্রেণীর হাতে তুলে দিয়েছিল, ঠাকুর পরিবার তার সদব্যবহারে কোন দ্বিধা করেনি। এমনকি জাতীয়তাবাদী হৃদয়াবেগ ঔপনিষদিক ঋষিমন্ত্রের পুনরাবৃত্তি এবং হিন্দুমেলার উদাত্ত আহবানও জমিদার রবীন্দ্রনাথকে তার শ্রেণীস্বার্থ থেকে বিচ্যুত করতে পারেনি। (দ্রষ্টব্য অরবিন্দ পোদ্দার: রবীন্দ্রনাথ ও রাজনৈতিক প্রবন্ধ) 

    ৪) সাহিত্যিক অন্নদাশঙ্কর রায়ও বলেছে, "শান্তিনিকেতনে একটি চাকরি পেয়ে তার আধা-সরকারি চাকরি ছেড়ে দেয়ার ইচ্ছা ছিল। কিন্তু রবীন্দ্রনাথ হলেন জমিদার মর্জির, ঠিক নেই, কখনো আবার চাকরি নষ্ট করে দিলে তার খাবার অভাব হবে। রবীন্দ্রনাথ ইন্টরালেন্ট (অসহিষ্ণু) ছিলেন। যে মাস্টার রবীন্দ্রনাথের কথার প্রতিবাদ করতেন তার চাকরি থাকতো না।"
    ৫) অন্নদাশঙ্কর রায় আরও বলে, "জমিদার হিসেবে ঠাকুর পরিবার ছিল অত্যাচারী। গ্রাম জ্বালিয়ে দিয়েছিল, বুট পরে প্রজাকে লাথি মেরেছেন, পায়ে দলেছেন দেবেন ঠাকুর। এটাই রেকর্ড করেছিল হরিনাথ মজুমদার। যিনি মহর্ষি বলে পরিচিত, তিনি একইরকমভাবে মানুষকে পদাঘাতে দলিত করেন। গ্রাম জ্বালাবার কথাও আছে। আবুল আহসান চৌধুরীর কাছে এর সমস্ত ডকুমেন্ট আছে। সমগ্র ঠাকুর পরিবার কখনো প্রজার কোন উপকার করে নাই। স্কুল করা, দীঘি কাটানো এসব কখনো করে নাই। মুসলমান প্রজাদের টিট করার জন্য নমশূদ্র প্রজা এনে বসতি স্থাপনের সাম্প্রদায়িক বুদ্ধি রবীন্দ্রনাথের মাথা থেকেই এসেছিল। কাঙাল হরিনাথ মজুমদার তার 'গ্রাম্যবার্তা প্রকাশিকা'পত্রিকায় ঠাকুর পরিবারের প্রজাপীড়নের কথা লিখে ঠাকুর পরিবারের বিরাগভাজন হয়েছিলেন।" (দ্রষ্টব্য দৈনিক বাংলাবাজার, ১৪.০৪.১৯৯৭ এবং ১.৫.১৯৯৭ সংখ্যা)

    ৬) স্বামী বিবেকানন্দের ঘনিষ্ঠ ভ্রাতা ভূপেন্দ্রনাথ দত্ত তার জন্য লিখেছে, "রবীন্দ্রনাথ অত্যন্ত সামন্ততান্ত্রিক।" 
    ৭) জমিদারদের বড়দেবতা হলো অর্থ আর স্বার্থ। অর্থ আর স্বার্থলাভ করতে ঠাকুর পরিবারের জমিদার হিসেবে দুর্নামের কালো দিক আড়াল করে রাখলেও প্রকৃত ইতিহাসের পাতা থেকে তা মোছা যাবে না। "ঠাকুর পরিবারের এই মহর্ষি জমিদারদের প্রতি কটাক্ষ করে হরিনাথ লিখেছেন, "ধর্মমন্দিরে ধর্মালোচনা আর বাহিরে আসিয়া মনুষ্যশরীরে পাদুকাপ্রহার, একথা আর গোপন করিতে পারি না।" (অশোক চট্টোপাধ্যায়: প্রাক বৃটিশ ভারতীয় সমাজ, পৃষ্ঠা ১২৭, ১৯৮৮)

    ৮) সিরাজগঞ্জে প্রজা নির্যাতনের দলিলও ইতিহাসে পাওয়া যায়। "এর প্রেক্ষিতে সিরাজগঞ্জের ডেপুটি ম্যাজিস্ট্রেটের বদলির আদেশ হয়েছিল এবং যে যে জমিদার উপরের আবরণের গুণে তপস্বী বলিয়া গভর্নমেন্টে পরিচিত ছিলেন, তাহারা যে বিড়াল তপস্বী তা প্রমাণিত হয়েছিল। এসবের ফলশ্রুতিতে হরিনাথকে ঐ জমিদারের বিষনজনে পড়তে হয়েছিল।" (অশোক চট্টোপাধ্যায়, ঐ, পৃ ১২৮)

    আজকে সেই প্রজানিপীড়ক জমিদার রবীন্দ্রনাথকে বানানো হয়েছে প্রজাপ্রেমী জমিদার। ইতিহাসকে যে কতোটা বিকৃত করা হয়েছে..............


    0 0

    Help earthquake victims of Nepal!

    Akhil Bharat Nepali Ekata Manch (Regd.)

    Central Committee


    New Delhi Dt. 26 April, 2015


    The devastating earthquake which hit large parts of Nepal including its capital Kathmandu left more than four thousands dead and tens of thousands other injured. The number is sure to increase as large parts of remote areas are not accessible by road and it will take several days to get in to the affected areas.

    The dreadful earthquake has not only swallowed the lives of thousands of people but also destroyed a significant and most important part of Nepali history. The historical minaret Dharahara was reduced to ashes. Many world heritage sites in Kathmandu were destroyed. An entire civilization was turned into debris.  Mount Everest was badly shaken.

    The terrible quake has also hit neighboring Indian states of Bihar, UP, WB and Sikkim where around hundred people were killed. The autonomous region of Tibet  was also affected by the earthquake where  seventeen people are killed as of now.

    In this hour of grief and sorrow, our organization offers heartfelt condolences to the deceased persons, deep sympathy to their families and  pledges to  whole heartedly extend solidarity  with grief stricken people in Nepal as well as India and China.   Wishing  speedy recovery of the injured persons we   call upon the doctors  and health workers to fully dedicate themselves in this humanitarian endeavour .  Finally,  We call upon the people to come forward and make monetary and other help generously which would be a significant contribution  towards the relief of earthquake victims in Nepal. Your small contribution can make a difference to the lives of people battling for their survival and rehabilitation.

    The donation could also  be sent to the following bank account of Akhil Bharat Nepali Ekta Manch:

    Akhil Bharat Nepali Ekta Manch, Saving Bank A/c No.940510110001695 Bank Of India,  Narbada Road Jabalpur ( IFSC Code:BKID0009405)

    Laxman Pant


           Akhil Bharat Nepali Ekata Manch

    65/A, Bhimbasti, Jaunapur, New Delhi-47





    0 0
  • 05/10/15--01:54: Article 10
  • 8 mai 1945 : victoire contre le nazisme et massacre du peuple algérien

    Le 8 mai 1945, le général Keitel signait la reddition totale et sans condition de l'Allemagne nazie.

    Le jour même, le matin du 8 mai à Sétif, alors que l'Algérie était encore une colonie française, des Algériens se rassemblaient autour de la mosquée, des gens affluaient de toute part. Ceux des douars se rassemblaient à l'entrée de la ville. La manifestation prévue était pacifique. Sept à huit mille Algériens défilaient, précédés par les scouts de la ville, drapeau algérien en tête et banderoles déployées avec les inscriptions : « Pour la libération des peuples» ; « Vive l'Algérie libre et indépendante ». Malgré l'interdiction de banderoles politiques, le cortège se mit en route. Le sous-préfet donna l'ordre d'enlever les banderoles. La police se mit à tirer, pendant que des européens voulaient empêcher le défilé. Des coups de feu sont échangés. La juste colère des algériens éclate, la gendarmerie intervient. A onze heures, le calme est revenu. La nouvelle du massacre se répand.

    A Guelma, peu d'Algériens assistent aux cérémonies officielles. Une manifestation est organisée avec des pancartes : « Vive la démocratie », « A bas l'impérialisme », «Vive l'Algérie indépendante». La police tire sur la foule et disperse les manifestants. Le 9 mai, Guelma est assiégée par des groupes armés des douars voisins venus venger leurs morts. D'autres défilés ont lieu à Batna, Biskra, Khenchela, Blida, Bel-Abbès, Saïda où la mairie fut incendiée. A Bône et à Djidjelli, des milliers de manifestants se joignirent aux manifestations officielles de la victoire contre le nazisme et sortirent leurs banderoles. A Alger, les fidèles ne se joignirent pas à la manifestation officielle de la Grande Mosquée.

    En 1830, le débarquement des militaires français ouvrait la voie à la colonisation de l'Algérie qui commença dès 1836 dans la plaine de la Mitidja jusqu'en 1847, malgré la résistance héroïque d'Abd-el-Kader. Les colons rachetaient à vil prix les terres ou confisquaient celles des domaines des propriétaires fonciers algériens et turcs. Ils établirent ainsi d'immenses propriétés foncières. En 1844, Bugeaud organise l'administration.  Dès 1848, l'Algérie est divisée en 3 départements. En 1870, le décret Crémieux accorde la citoyenneté française aux 32 000 juifs d'Algérie, puis en 1889 à tous les enfants d'origine européennes nés en Algérie, pour renforcer la colonisation. Les Algériens musulmans, eux, sont régis par le code de l'indigénat (1881) et sont considérés comme des sujets et non des citoyens. Le pouvoir économique est représenté par l'assemblée des délégations financières des colons, des non-colons et des indigènes musulmans qui n'ont que 21 représentants sur 69 membres.

    En Algérie, la colonisation a été une colonisation de peuplement. Les Algériens ont été spoliés, exploités par les colons, étaient considérés comme des citoyens de seconde zone, et massacrés alors qu'ils avaient participé à la première guerre mondiale. Les algériens ont remplacé en métropole le million de morts de la guerre dans les usines, sur les chantiers pour relever l'économie française. La révolution d'Octobre a affirmé le droit des peuples à disposer d'eux-mêmes et a accordé un soutien au mouvement de libération naissant qui a commencé à revendiquer l'égalité pour les musulmans en Algérie. Le refus de l'État français et des colons d'accéder à ces revendications légitimes a renforcé le sentiment national algérien. Durant la seconde guerre mondiale, les Algériens musulmans ont contribué à la libération de la France. Aussi était-il d'autant plus légitime de faire valoir leur droit à disposer d'eux-mêmes, leur droit à l'indépendance.

    Les fusillades et massacres du 8 mai 1945 étaient la goutte d'eau qui a fait déborder le vase. La lutte pour l'indépendance nationale avait dès lors franchi une étape supérieure. L'agitation se développa dans les campagnes. Les événements de Sétif et de Guelma furent considérés comme le signal de la guerre de libération nationale, les attaques contre des bâtiments officiels se sont multipliées.

    La répression coloniale se déchaîna : à Sétif, à Guelma, la police, la gendarmerie, tirèrent sur la foule. Des européens organisèrent des milices et entreprirent la « chasse à l'arabe ». A Guelma le sous-préfet créa une milice approuvée par les présidents des Anciens Combattants, de la «France combattante et du secrétaire de l'Union locale des Syndicats».

    L'armée organisa la « guerre » contre les mechtas qui subirent de jour et de nuit des attaques sanglantes. C'était une nouvelle guerre coloniale que la France et son armée engageait contre le peuple algérien ; la marine et l'aviation furent autorisées à mitrailler les douars par le gouvernement provisoire de la France.
    Non seulement massacrés par l'armée française et les civils européens, le peuple algérien, ses masses populaires et son avant-garde nationale, furent condamnés politiquement par les partis de gauche représentés dans le gouvernement provisoire et qui se réclamaient de la résistance contre l'occupant nazi et le gouvernement de Pétain. Pour les socialistes on « avait sali la grande heure de la victoire des démocraties ». Le Parti Communiste dénonça dans l'Humanité la collusion des « pseudo-nationalistes et des éléments hitlériens connus » et  « Il faut tout de suite châtier impitoyablement et rapidement les organisateurs de la révolte et les hommes de main qui ont dirigés l'émeute » et encore « Ceux qui réclament l'indépendance de l'Algérie sont des agents conscients ou inconscients d'un autre impérialisme. Nous ne voulons pas changer notre cheval borgne pour un aveugle. » Certes il y eut par la suite condamnation des excès de la répression, la réclamation d'une « justice et rien que la justice », puis plus tard celle de l'amnistie. Mais la condamnation politique restait.

    La terreur contre le peuple algérien permit au colonialisme de se maintenir jusqu'en 1962. Mais la volonté de se libérer n'était pas morte et après neuf années de préparation, la lutte de libération nationale allait reprendre en novembre 1954 et aboutir 8 ans plus tard à l'indépendance du peuple algérien.

    Il y eu près de 50 000 algériens massacrés, exécutions massives de populations, d'otages, de suspects sans jugement, la torture fut pratiquée à grande échelle et le viol fut utilisé comme arme de guerre. Les exactions de l'Etat français en Algérie constituent un « crime contre l'humanité ».

    Aujourd'hui, à Béziers notamment, Robert Ménard, maire affilié au Front National, s'attaque à la mémoire de la lutte de libération nationale menée par le peuple algérien. Il a osé débaptiser la « rue du 19 mars 1962 » (date des accords d'Evian traduits par un cessez-le-feu immédiat) pour la renommer au nom de Hélie Denoix de Saint-Marc, résistant et partisan de « l'Algérie française » ayant participé au putsch des généraux.

    Face aux nostalgiques de « l'Algérie française », nous réaffirmons le droit des peuples à disposer d'eux-mêmes et notre combat contre l'impérialisme !

    Nous soutenons également la lutte qui s'organise pour que l'Etat français reconnaisse officiellement le « crime contre l'humanité » qu'il a commis en Algérie et pour qu'une stèle en mémoire aux victimes algérienne soit érigée à Paris.

    Hommage aux martyrs de la lutte de libération nationale algérienne !

    Pour le droit des peuples à disposer d'eux-mêmes !

    A bas l'impérialisme !

    Prolétaires et peuples opprimés de tous les pays, unissons-nous !

    0 0

    বাণিজ্যে ব্যস্ত আওয়ামী লীগ : দলের খবর নেই, নেতারা সরাসরি ব্যবসার মালিকানায়

    সাংগঠনিক কাজে খবর নেই। আওয়ামী লীগ নেতারা ব্যস্ত নিজেদের ব্যবসা-বাণিজ্য নিয়ে। কেন্দ্র থেকে জেলা-উপজেলা পর্যায়ে একই অবস্থা। শুধু দলই নয়, সহযোগী সংগঠনের নেতারাও বাণিজ্যে ব্যস্ত। এমনকি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের অনেক কর্মকর্তা-কর্মচারীও নিজেদের ব্যবসা-বাণিজ্যে জড়িয়েছেন। এতে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক কার্যক্রম। কর্মী-সমর্থকদের সঙ্গে দূরত্ব বাড়ছে দলের। সদ্য সমাপ্ত তিন সিটি নির্বাচনেও সাংগঠনিক সংকটের বিষয়টি স্পষ্ট হয়ে ওঠে।

    জানা গেছে, আওয়ামী লীগের জাতীয় পর্যায়ের নেতারা ব্যাংক, বীমা, লিজিং কোম্পানি, বিশ্ববিদ্যালয়, টেলিভিশন, পাওয়ার প্লান্ট, গ্যাস প্লান্টসহ বিভিন্ন শিল্প কল-কারখানায় সরাসরি নিজের নামে, স্ত্রী কিংবা আত্মীয়স্বজনের নামে মালিকানা নিয়েছেন। আবার কেউ কেউ প্রতিষ্ঠানের লাইন্সেন্স পাওয়ার পর মালিকানা বিক্রি করে দিচ্ছেন অন্য ব্যবসায়ীদের কাছে।

    এদিকে আওয়ামী লীগ সমর্থক পেশাজীবী নেতারাও বিভিন্ন ব্যবসার সঙ্গে জড়িয়ে পড়ার কারণে সদ্য সমাপ্ত সিটি করপোরেশনে দেখা গেছে, কর্মীরা মাঠে খেটেছে, নেতাদের দেখা মেলেনি। নেতারা করেছেন গ্রুপিং। আবার বর্তমানে কেন্দ্রীয় কমিটিতে থাকা অনেক গুরুত্বপূর্ণ নেতাই সাংগঠনিকভাবেও নিষ্ক্রিয় কিংবা অদক্ষ ও ব্যর্থ।  এ প্রসঙ্গে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি) নির্বাহী পরিচালক ইফতেখারুজ্জামান বলেন, 'ব্যবসায়ীরা     রাজনীতি করবেন, এটিই স্বাভাবিক। কেননা প্রত্যেকেরই রাজনীতি করার অধিকার রয়েছে। কিন্তু সরকারের গুরুত্বপূর্ণ পদে থেকে ক্ষমতার অপব্যবহারের মাধ্যমে ব্যবসা করার প্রবণতা রাষ্ট্রের জন্য ভালো নয়।' 

    জানা যায়, এমন অনেক নেতা আছেন যারা ব্যবসায়ী নন, কিন্তু সাংগঠনিক কাজে নিষ্ক্রিয়। সাংগঠনিক কাজে কারোরই মন নেই। জেলা-উপজেলা নেতাদের মনোযোগ বেশি ঠিকাদারি ব্যবসায়। এমনকি গত ছয় বছরে ব্যবসা নিয়ন্ত্রণ নিয়ে আওয়ামী লীগের সহযোগী সংগঠনের মধ্যে হানাহানি, মারামারি, সংঘর্ষ ছিল একটি নিয়মিত বিষয়। কেন্দ্র থেকে মাঠে নেতাদের ব্যবসাই এখন মুখ্য। বিশেষজ্ঞরা এ বিষয়ে বলছেন, আওয়ামী লীগ নেতাদের ব্যবসায়িক মনোবৃত্তি পরিবর্তন না হলে আগামীতে সাংগঠনিক ক্ষেত্রে আওয়ামী লীগ আরও বড় ক্ষতির মুখে পড়বে। আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনা অনেক কিছুই অবহিত। তিনি বাস্তবমুখী ভূমিকা না নিলে এবং ব্যবসায়ী কেন্দ্রীয় নেতাদের কবল থেকে দলকে মুক্ত না করলে আগামীতে আওয়ামী লীগকে আরও গভীর সংকটে পড়তে হবে। 

    সরেজমিন খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, টানা দ্বিতীয় মেয়াদে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগে গত সাড়ে ছয় বছরে কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব থেকে শুরু করে তৃণমূল পর্যন্ত অনেক নেতার ভাগ্যের চাকা ঘুরেছে। ফুলেফেঁপে উঠেছে তাদের ব্যবসা-বাণিজ্য। অর্থ আয়ের তীব্র প্রতিযোগিতায় মেতেছেন নেতারা। সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত সবাই ব্যস্ত থাকছেন নিজেদের ব্যবসা-বাণিজ্যে। দলীয় কর্মসূচিতে মন নেই কারও। ফলে দল ক্ষমতায় থাকলেও কাটছে না সাংগঠনিক স্থবিরতা। জেলায় জেলায় আরও বিবর্ণ চেহারা। দিবসভিত্তিক কর্মসূচি ছাড়া স্থানীয় নেতাদের দেখা যায় না দলীয় কর্মকাণ্ডে। কেন্দ্রীয় নেতাদের সাংগঠনিক সফর হয় কালেভদ্রে। দলীয় সংসদ সদস্যরা ব্যস্ত নিজস্ব সিন্ডিকেট বাণিজ্য নিয়ে। 

    ক্ষমতার দাপটে দুর্নীতিতে জড়িয়ে পড়ছেন সরকারদলীয় এমপিরা।আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আশরাফুলও দলে কখনো সক্রিয়, কখনো নিষ্ক্রিয়। তৃণমূলের নেতারা তার সাক্ষাৎ পান না। সাংগঠনিক সম্পাদকরাও নিষ্ক্রিয়, গণবিচ্ছিন্ন, কর্মীবিমুখ। এমনকি নিজ নিজ নির্বাচনী এলাকায়ও কদর নেই তাদের। অভিযোগ রয়েছে, দায়িত্বপ্রাপ্ত বিভাগগুলোতেও ব্যবসায়ী নেতারা তাদের পছন্দের তালিকায়। সাংগঠনিকভাবে দক্ষ নেতা-কর্মীরাও এসব নেতার ওপর ক্ষুব্ধ। বেশির ভাগ প্রেসিডিয়াম সদস্যেরই দলে ভূমিকা নেই। কেন্দ্রীয় কমিটির বৈঠক ছাড়া অনেকের দেখা মেলে না সাংগঠনিক কাজেও। এমন দু-একজন প্রেসিডিয়াম সদস্য আছেন, যারা এখনো তৃণমূল নেতাদের কাছে অপরিচিত। দলের যে কোনো সংকটে আওয়ামী লীগ সভানেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাই ভরসা। দলের মাঠের নেতা-কর্মীরা মনে করেন। দলের সুদিনে অনেকের দেখা মিললেও দুর্দিনের কাণ্ডারি শুধুই সভানেত্রী।  

    এ প্রসঙ্গে ড. ইফতেখারুজ্জামান আরও বলেন, বাংলাদেশের রাজনীতিতে এ ধরনের প্রবণতা নতুন কিছু নয়। এটি ৪০ বছর ধরেই চলে আসছে। কখনো ব্যবসায়ীরা রাজনীতি করছেন, কখনো বা রাজনৈতিক দলের নেতা ক্ষমতায় গিয়ে ব্যবসা করছেন। পরবর্তীতে দেখা যায়, এই মুনাফালোভী রাজনীতিকরাই দুর্নীতিগ্রস্ত হয়ে রাষ্ট্রের ব্যাপক ক্ষতিসাধন করছেন। অন্যদিকে ক্ষমতার কারণে তাদের শাস্তির আওতায়ও আনা সম্ভব হচ্ছে না। এই সংকট থেকে উত্তরণের উপায় হিসেবে তিনি বলেন, প্রথমত রাজনৈতিক সংস্কৃতির পরিবর্তন আনতে হবে। 

    দ্বিতীয়ত দলের স্বার্থে ব্যক্তির ঊর্ধ্বে উঠে দুর্নীতিগ্রস্ত রাজনীতিকদের শাস্তির আওতায় আনতে হবে। তবেই যদি রাষ্ট্রকাঠামো চরম ক্ষতি থেকে রক্ষা পায়। সংসদ সদস্য হয়ে কিংবা সরকারের গুরুত্বপূর্ণ পদে থেকে যদি কেউ দুর্নীতিগ্রস্ত হয়ে পড়েন তাহলে সেটি সংবিধান অনুযায়ী সংসদ অবমাননার শামিল বলে মনে করেন সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) সম্পাদক ড. বদিউল আলম মজুমদার। তিনি বলেন, 'ব্যবসা ক্ষেত্রে কিংবা অন্য যে কোনোভাবে যদি কোনো সংসদ সদস্য দুর্নীতিগ্রস্ত হন তবে তা সম্পূর্ণরূপে সংসদ অবমাননার শামিল। সে কারণেই এমন কোনো আচরণ যা সংসদ সদস্যদের বিশেষ অধিকার ক্ষুণ্ন করে তা করলেই তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার কথা রয়েছে। ভারতীয় লোকসভায় দুর্নীতি করার কারণে অনেকে বরখাস্ত হয়েছেন উল্লেখ করে তিনি বলেন, বাংলাদেশের ক্ষেত্রেও এমনটিই হওয়া উচিত।'

    0 0


    Tej Kumar Karki

    Our great leaders voice amazing commitment to serve the people of Nepal in their speech and agenda

    This is an excellent time to LEAVE their Kathmandu Living Rooms and Bed Rooms and go and Tent in the Earthquake affected districts prove that you really care and want to serve them.

    Do not make excuse of security because you all are brave--not scared of deaths in great Jana Andolans and Revolutions right!

    If you do that:

    1. You will provide emotional and moral support to the people
    2. You can check if the relief is going in the right direction or not
    3. You can communicate people's problem to the government and central agency
    4. You will get a chance to clean your bad image of the past
    5. You will have self satisfaction that you did some thing
    6. This will inspire others to do the same
    7. You will have something to show to the people in future when needed






    0 0

    नीलाभ का मोर्चा neelabh ka morcha

    ग़ुलाम सबसे ज़्यादा तब गाते हैं जब वे दुखी और 

    ग़मज़दा होते हैं 

    - फ़्रेड्रिक डगलस
    My Photo

    नीलाभ अश्क जी मंगलेश डबराल और वीरेन डंगवाल के खास दोस्त रहे हैं और इसी सिलसिले में उनसे इलाहाबाद में 1979 में परिचय हुआ।वे बेहतरीन कवि रहे हैं।लेकिन कला माध्यमों के बारे में उनकी समझ का मैं शुरु से कायल रहा हूं।अपने ब्लाग नीलाभ का मोर्चा में इसी नाम से उन्होंने जैज पर एक लंबा आलेख लिखा है,जो आधुनिक संगीत और समता के लिए अश्वेतों के निरंतर संघर्ष के साथ साथ आधुनिक जीवन में बदलाव की पूरी प्रक्रिया को समझने में मददगार है।नीलाभ जी की दृष्टि सामाजािक यथार्थ के परिप्रेक्ष्य में कला माध्यमों की पड़ताल करने में प्रखर है।हमें ताज्जुब होता है कि वे इतने कम क्यों लिखते हैं।वे फिल्में बी बना सकते हैं,लेकिन इस सिलसिले में भी मुझे उनसे और सक्रियता की उम्मीद है।
    नीलाभ जी से हमने अपने ब्लागों में इस आलेख को पुनः प्रकाशित करने 
    की इजाजत मांगी थी।उन्होने यह इजाजत दे दी है।
    • आलेख सचमुच लंबा है।लेकिन हम इसे हमारी समझ बेहतर बनाने के मकसद से सिलसिलेवार दोबारा प्रकाशित करेंगे।
    • पाठकों से निवेदन है कि वे कृपया इस आलेख को सिलसिलेवार पढ़े।
    • चट्टानी जीवन का संगीत 

      जैज़ पर एक लम्बे आलेख की पांचवीं कड़ी

      ग़ुलाम सबसे ज़्यादा तब गाते हैं जब वे दुखी और ग़मज़दा होते हैं 
      - फ़्रेड्रिक डगलस

      गोरों के क़ानूनों ने भले ही ग़ुलामों के नगाड़ों पर पाबन्दी लगा दी हो, उनको दसियों तरीक़ों से ज़लालत भुगतने पर मजबूर किया हो, उन्हें उनके वतनों से जबरन एक पराये देश में ला कर ग़ुलामी की ज़ंजीरों से बांध दिया हो, मगर वे न तो वे इन अफ़्रीकी लोगों की जिजीविषा को ख़त्म कर पाये, न उनके जीवट को और न उनके अन्दर ज़िन्दगी की तड़प को. वाद्यों की कमी को इन लोगों ने कुर्सी-मेज़ पर या फिर टीन के डिब्बों और कनस्तरों और ख़ाली बोतलों पर  थपकी या ताल दे कर पूरा कर लिया था.

      जहां तक दूसरे वाद्यों का सवाल था, ग़ुलाम बना कर लाये गये इन लोगों ने धीरे-धीरे पश्चिमी वाद्यों को अपनाना शुरू कर दिया था. उन्नीसवीं सदी के शुरू से ही पश्चिमी वाद्यों के इस्तेमाल के सबूत मिलने लगते हैं और जो सबसे पहला वाद्य ग़ुलामों ने अपनाया, वह था वायोलिन, जिसे आम तौर पर फ़िडल भी कहा जाता था. फिर जैसे-जैसे समय बीता उन्नीसवीं सदी के उत्तरार्द्ध तक आते-आते दूसरे वाद्य जैसे बिगुल, तुरही और कैरिनेट भी शामिल कर लिये गये. अलावा इसके, जहां नगाड़ों पर पाबन्दी नहीं लगी थी या जल्दी ही हटा ली गयी थी, जैसे अमरीका के दक्षिणी भाग न्यू और्लीन्ज़ में, वहां चमड़े से मढ़े घरेलू ढोल-नगाड़े सार्वजनिक-सामूहिक गीत-संगीत और नाच के आयोजनों में इस्तेमाल किये जाते थे. 

      जहां एक ओर इसमें कोई शक नहीं है कि इन विस्थापित और उत्पीड़ित लोगों का जीवन आम तौर पर अकथनीय कष्टों से भरा था, वहीं दूसरी ओर यह भी एक सच्चाई है कि इन सभी मज़लूम लोगों ने अपने दारुण जीवन और उसके नीरस, निरानन्द, निराशा-भरे माहौल का सामना करने के लिए राहत के अपने शाद्वल बना लिये थे. कला के अन्य रूपों का रास्ता अवरुद्ध पाने पर उन्होंने संगीत में राहें खोज निकालीं. उन्नीसवीं सदी के मध्य तक आते-आते जब खेतों और फ़सलों की सालाना कटाई हो चुकती तो कुछ दिन मौज-मस्ती के लिए अलग कर दिये जाते. कई इलाक़ों में इन अवसरों पर जो उत्सव मनाये जाते, उनमें नर्तक सिर पर सींगों वाले पहरावे और ऐसे लोक-परिधान पहन कर नाचते जिनमें गाय-बैलों की दुमें लगी होतीं. वाद्यों में घरेलू नगाड़े, लोहे के तिकोन और मवेशियों के जबड़ों की हड्डियां इस्तेमाल की जातीं. वक़्त के साथ अफ़्रीकी धुनों और रागों में यूरोपीय धुनों की मिलावट भी होने लगी.

      एक और असर जो इस विस्थापित अफ़्रीकी समुदाय पर पड़ा, वह ईसाई भजनों का था. बहुत-से ग़ुलामों ने ईसाई गिरजे में गाये और बजाये जाने वाले धार्मिक संगीत के स्वर-संयोजन को सीख लिया था और उसे अपने मूल अफ़्रीकी संगीत में घुला-मिला कर एक नया रूप तैयार कर लिया था जिसे वे "स्पिरिचुअल" कहते थे -- आध्यात्मिक संगीत.

      चूंकि उस दौर में आस-पास के इलाक़े से बहुत-से व्यापारिक जहाज़ अमरीका के दक्षिणी हिस्से में आते, इसलिए कैरिब्बियाई क्षेत्र के अफ़्रीकी विस्थापितों का संगीत भी मल्लाहों और मज़दूरों के माध्यम से आता. इन कैरिब्बियाई इलाक़ों में फ़्रान्सीसी और स्पेनी असर लिये हुए अफ़्रीकी संगीत विकसित हुआ था. धीरे-धीरे यह भी उस धारा में आ कर शामिल होने लगा जो अमरीका में लाये गये ग़ुलामों ने विकसित किया था.
      यहीं यह बात ख़ास तौर पर ध्यान देने की है कि अफ़्रीका से ग़ुलाम बना कर अमरीका लाये गये लोगों के संगीत की चर्चा जब की जाती है तो अक्सर उस अवधि पर ध्यान नहीं दिया जाता जब वह संगीत उभर कर सामने आया. गीत-संगीत के जमावड़ों, फ़सलों की कटाई के बाद मौज-मस्ती के पलों या फिर संगीत मण्डलियों का विकास बहुत करके १८६२-६४ के अमरीकी गृह-युद्ध और अमरीका में दास-प्रथा के उन्मूलन के बाद के दौर में हुआ और इसे भी किसी ढब का बनते-बनते चार-पांच दशक लग गये. जिन लोगों को ग़ुलामी और उस भयंकर नस्लवादी भेद-भाव का तजरुबा नहीं है, जो अमरीका में अफ़्रीकी मूल के लोगों को भुगतना पड़ा (और यह शायद आज तक पूरी तरह दूर नहीं हुआ है), वे अपनी सादालौही में मान लेते हैं कि इन ग़ुलामों का संगीत उनके सुख-सन्तोष का इज़हार है. ग़ुलामी से भागने में सफल होने के बाद एक भूतपूर्व दास फ़्रेड्रिक डगलस(१८१८-१८९५) ने, जो आगे चल कर दास-प्रथा के उन्मूलन और नीग्रो समुदाय के हक़ों के जाने-माने आन्दोलनकारी और सुप्रसिद्ध वक्ता बने, अपनी आत्म-कथा में लिखा :

      "...मैंने कभी-कभी सोचा है कि ग़ुलामी के बारे में फलसफ़े की पूरी-पूरी किताबों को पढ़ने की बनिस्बत महज़ इन गीतों को सुनना कुछ लोगों के दिमागों पर ग़ुलामी की भयानक फ़ितरत के बारे में एक गहरी छाप डाल सकता है....जब मैं ग़ुलाम था तब मैं इन रूखे, बीहड़ और प्रकट रूप से अबूझ गीतों के गहरे अभिप्रायों को नहीं समझता था. मैं ख़ुद दायरे के भीतर था; लिहाज़ा न तो मैं उस तरह देखता था न सुनता था जैसे वे लोग देख-सुन सकते थे जो बाहर थे. ये गीत दुख की ऐसी कथा बयान करते थे जो मेरी कमज़ोर समझ के बिलकुल परे थे; ये ऊंचे, लम्बे और गहरे सुर थे; उनमें उन आत्माओं की प्रार्थनाएं और शिकायतें बसी हुई थीं जो अत्यन्त कड़वी व्यथा से छलक रही थीं. हर सुर ग़ुलामी के ख़िलाफ़ एक गवाही था और ज़ंजीरों से छुटकारे के लिए ईश्वर से एक प्रार्थना...अगर किसी को ग़ुलामी के अमानुषिक और आत्मा का हनन करने वाले प्रभाव के बारे में जानना हो तो उसे कर्नल लौयेड के बगान पर जाना चाहिए और दिहाड़ी वाले दिन चुपके से चीड़ के सघन वन  में छिप कर ख़ामोशी से उन ध्वनियों को जांचना-परखना चाहिए जो उसके कानों और आत्मा के गलियारों से गुज़रती हैं और तब अगर वह अविचलित रह जाये तो ऐसा तभी हो सकता है जब 'उसके निष्ठुर हृदय में ज़रा भी मांस न हो'....अमरीका के उत्तरी हिस्से में आने के बाद मुझे ऐसे लोगों से मिल कर अक्सर बेइन्तहा हैरत हुई जो ग़ुलामों के बीच गीत-संगीत को उनके सन्तोष और ख़ुशी का सबूत मानते हैं. इससे ज़्यादा बड़ी भूल मुमकिन नहीं है. ग़ुलाम सबसे ज़्यादा तब गाते हैं जब वे दुखी और ग़मज़दा होते हैं. ग़ुलामों के गीत उनकी व्यथाओं और पीड़ा की निशानियां हैं; उसे उनसे राहत मिलती है, वैसे ही जैसे दर्द-भरे दिल को आंसुओं से मिलती है. कम-से-कम मेरा तो यही अनुभव है. मैंने अपने दुख को व्यक्त करने के लिए अक्सर गीत गाये हैं, बिरले ही अपनी ख़ुशी ज़ाहिर करने के लिए. जब तक मैं ग़ुलामी के जबड़ों में जकड़ा हुआ था, ख़ुशी में रोना और ख़ुशी में गाना मेरी कल्पना से परे था. किसी ग़ुलाम का गाना उसी हद तक सन्तोष और ख़ुशी का सबूत माना जा सकता है जिस हद तक किसी निर्जन टापू पर ले जा कर छोड़ दिये गये आदमी का गाना; दोनों के गीत उसी सम्वेदना से उपजते हैं."
      --फ़्रेड्रिक डगलस का जीवन-वृत्तान्त 


      अमरीका में दास-प्रथा लगभग तीन सौ साल तक रही और ये ग़ुलाम चूँकि अफ्रीका के अलग-अलग हिस्सों से लाये गये थे, इसलिए उनके संगीत-रूपों में भी विविधता थी। जहाँ तक यूरोपीय संगीत का सवाल है तो उसका अधिकांश ब्रिटेन से आया था, लेकिन अमरीका के लूज़ियाना राज्य पर बीच-बीच में फ्रांस और स्पेन का भी क़ब्ज़ा रहा, इसलिए फ्रान्सीसी और स्पेनी संगीत भी वहाँ की फ़िज़ा में रचा-बसा था। यूरोपीय संगीत में भजन और फ़ौजी धुनें तो थीं ही, साथ ही नाच के समय बजाया जाने वाला संगीत भी था।

      क्रिस्टोफ़र कॉडवेल ने कविता के स्रोतों पर विचार करते हुए कविता को गीत से और गीतों को श्रम से, काम की लय से, जोड़ा था। जैज़-संगीत के स्रोत भी अमरीकी नीग्रो दासों की इसी काम की लय में खोजे जा सकते हैं। मज़दूरों के गीत, जैसा कि नाम से ज़ाहिर है, ऐसे गीत थे, जिन्हें लोग काम करते समय गाते थे। हमारे यहाँ भी धान की बोआई या गेहूँ की कटाई करने वाले किसान, गंगा पर बजरे खींचने वाले मल्लाह और मकान बनाने वाले मजूर इसी किस्म के गीत गाते हैं। इन गीतों की ताल और सुर, तुक और धुन काम की लय से जुड़ी होती है और इस तरह इन गीतों में गुहार और जवाब की एक बिनावट नज़र आती है। एक आदमी गुहार लगाता है और बाकी लोग जवाब में गीत की कडि़याँ दोहराते हैं और यह तान बराबर चलती रहती है। मैंने एक बार किसी इमारत के निर्माण के दौरान मज़दूरों की एक टोली को लोहे के बड़े-बड़े गर्डर उठाते समय ऐसी ही गुहार-जवाब लगाते सुना था। टोली का नायक गुहार लगाता-'शाबाश ज्वान,''खींच के तान,'आदि और हर गुहार के बाद टोली रस्सा खींचती हुई जवाब में 'हेइस्सा'कहती और लोहे का गर्डर इंच-इंच कर ऊपर चढ़ता जाता।

      अमरीकी नीग्रो ग़ुलामों के ये मजूर-गीत भी इसी प्रकार के थे, जीवन और श्रम से जुड़े हुए, जो अपने आप में एक अफ्रीकी विशेषता थी। दिलचस्प बात है कि गुहार और जवाब की यह 'जुगलबन्दी'वहाँ भी बरकरार रही, जहाँ एक ही अकेला कामगार होता था। उस स्थिति में वह गीत की कडि़याँ बारी-बारी से मोटे और पतले सुरों में गाता -- बेस (भारी) सुर में एक कड़ी और फिर 'फ़ौल्सेटो' (स्त्रैण, पतले) सुर में दूसरी। आज जैज़-संगीत के परिष्कृत, शुद्ध सुरों को सुनते हुए भले ही यह कल्पना करना कठिन हो कि वह मज़दूरों के इन्हीं गीतों और उनकी गुहार-जवाब से विकसित हुआ होगा, लेकिन ध्यान से सुनने पर यह 'जुगलबन्दी'बराबर जैज़-संगीत में मौजूद मिलती है।

      अमरीका के ग़ुलामी के दौर में और भी बहुत से संगीत-रूप निकल कर सामने आये और आज भी अमरीका के सुदूर ग्रामीण इलाकों में सुने जा सकते हैं, हालाँकि जब वे धीरे-धीरे लुप्त होते जा रहे हैं। ऐसी ही एक मिसाल है खेतिहरों के टिटकारी गीत, जिन्हें खेतों पर काम करने वाले मजूर, कहा जाय कि ख़ुद अपने आप से या अपने मवेशियों से बात करने के लिए, गाया करते थे। इन गीतों की टिटकारियाँ और भारी तथा पतले सुरों की जुगलबन्दी काफ़ी हद तक मज़दूरों के गीतों की ही तरह की थी और इन्हीं से हो कर जैज़ संगीत का सफ़र अपनी अगली मंज़िल -- ब्लूज़ -- तक पहुँचा।

      आज जब ब्लूज़ की बात की जाती है तो यह ध्यान रखना बहुत ज़रूरी है कि ब्लूज़ के शुरुआती दौर की कोई रिकॉर्डिंग उपलब्ध नहीं है। मौजूदा रूप में जो ब्लूज़ उपलब्ध है, वह भी जैज़-संगीत की तरह अपनी जड़ों से इतनी दूर चला आया है कि उसके स्रोत अँधेरे में खोये हुए हैं। तो भी बुनियादी तौर पर ब्लूज़ की जड़ें मज़दूरों के गीतों और खेत-मजूरों के टिटकारी गीतों में ही खोजी जा सकती हैं। खेत के किसी अकेले कोने में काम करने वाला अमरीकी ग़ुलाम अपनी जातीय स्मृति में कैद बिम्बों को एक नयी सीखी भाषा में ढालते समय ज़ाहिरा तौर पर बेहद निजी गीतों का ही माध्यम अपना सकता था। इसीलिए ब्लूज़ मुख्य रूप से उदासी के, अवसाद के, विषाद के गीत हैं -- निजी और ज़्यादातर एकालाप में निबद्ध। अपने आप से की गयी संगीत-भरी बातचीत। शुरू के ब्लूज़ गाये ही जाते थे, पर आगे चल कर ब्लूज़ की धुनें बजायी भी जाने लगीं।

      यहां एक ही धुन के दो रूप दिये जा रहे हैं. पहला, मशहूर गायिका बिली हौलिडे के स्वर में ब्लूज़ का प्रसिद्ध गीत "सेंट लूइज़ ब्लूज़" है और दूसरा, जाने-माने जैज़ वादक लूइज़ आर्मस्ट्रौंग द्वारा बजायी गयी वही धुन है जिसमें उनके साथ संगत वेल्मा मिडलटन कर रही हैं. (बिली हौलिडे -- सेंट लूइज़ ब्लूज़) (लूइज़ आर्मस्ट्रौंग-- सेंट लूइज़ ब्लूज़)


    0 0

    Dear Friend,

    If you think the content of this news letter is critical for the dignified living and survival of humanity and other species on earth, please forward it to your friends and spread the word. It's time for humanity to come together as one family! You can subscribe to our news letter here You can also follow us on twitter, and on Facebook,

    In Solidarity
    Binu Mathew

    US Begins Training New "Rebel" Army For Operations In Syria
    By Thomas Gaist

    US soldiers have begun training some 100 Syrian fighters in a "secure location" in Jordan in preparation for military intervention in Syria, US Defense Secretary Ashton Carter confirmed Thursday. Other contingents will soon begin training at camps run by the US military in Saudi Arabia, Turkey, and Qatar, Carter said

    World's Richest 80 People Own Same Amount As World's Bottom 50%
    By Eric Zuesse

    Oxfam's recent report, "WEALTH: HAVING IT ALL AND WANTING MORE" contains shocking figures that the press haven't sufficiently publicized; so, the findings and the reliability of their sources will be discussed here. The results will then be related to the central political debate now going on in the U.S. Presidential contests for 2016, which is about equality and inequality

    Israel-Palestine: Speeding Up The Countdown To Catastrophe
    By Alan Hart

    At the time of writing I see no reason for optimism. And that's why I believe my headline for this article is appropriate

    VE Day 70th Anniversary, German Holocaust, Bengali Holocaust
    And Global Avoidable Mortality Holocaust
    By Dr Gideon Polya

    8 May 2015 marks the 70th anniversary of the end of WW2 in Europe. WW2 was associated with the killing of about 110 million people worldwide through violence or violently-imposed deprivation, but the killing continued with 9 million German deaths in the 1941-1950 German Holocaust and1.5 billion mainly non-European people dying avoidably from Western-imposed deprivation since 1950 in a continuing Global Avoidable Mortality Holocaust

    A Thirst For Economic Change?
    By Erik Alm

    In the face of global resource shortages and the alarming rate at which we are losing species, many of us share the hope that J.S. Mill so ominously communicates in one of his better-known quotes. But what will it take to catalyze the shift to an economic state that respects our natural boundaries? Perhaps the catalyst could be a life-altering dearth of a critical resource that, until recently, most of us in the United States have taken for granted: water

    Not A Fond-Tale From Post-Quake-Nepal
    By Farooque Chowdhury

    Affrighting assumptions and imaginations of an earthquake goes to sleep as time passes after the quake that hit Nepal last month. But scars of the earthquake are still there in the lives of thousands of people in Nepal as they are struggling in a system of insecurity, of which poverty is a part. These will live for indefinite period. It happens in poor societies overwhelmed with misgovernance with a façade of fairness

    Shangal, The Land Of Legends In Chains
    By Zanyar Omrani

    Today I came across a sort of wild plant in a local bazaar in Dirik, a plant frequently seen in every corner of Shangal. Before heading toward Rojava (Syrian Kurdistan), I spent some days in the heart of Mesopotamia among endless legends. Here is Shangal, a city which has seen many previous assaults by jihadists, according to its people

    O Susannah Won't You Cry For Me?
    (One Day In The Life Of Michael And Alexander Smith)
    By Charles Orloski

    On July 22, 1995, Susan Smith was convicted of drowning her two sons, 3-year old Michael Daniel Smith and 14-month old Alexander Tyler Smith. Upon police questioning, she falsely testified that a "black man" carjacked her, and kidnapped children. At age 13, Susan Smith attempted suicide, and after graduating from high school in 1989, she made a second attempt to end her life. She married David Smith and gave birth to Michael and Alexander, but the relationship turned to hurricane, allegations of infidelity, and they separated several times. She is currently incarcerated at Leath Correctional Institution, Greenwood County, South Carolina. Come September 2, 1996, a family of seven people, including four children, came to see the spot where Susan Smith murdered her children. Their parked vehicle accidentally rolled into John D. Long Lake and the entire family astonishingly drowned

    What Is Jihad?
    By Maulana Wahiduddin Khan

    Jihad is a fact of life. What is called 'effort' or 'struggle' in English is called 'jihad' in Arabic. Jihad is not some mysterious thing. Nor is it synonymous with violence. It simply means making great efforts or striving for a particular purpose

    "Slow But Steady Wins The Race": Lilawati
    By Shobha Shukla

    This is the inspirational story of Lilawati-a teacher cum farmer. The mother of 7 children—4 daughters and 3 sons, of whom one son died at the age of 25 years—66 years old Lilawati lives with her retired husband, 2 sons and their wives, a widowed daughter-in-law (who is a teacher) and 5 grandsons and 5 granddaughters. Lilawati, one of five siblings, lost her parents when she was very young. Her elder brother brought up the family. Lilawati could study only till Class 5 and was married off when she was just 15 years old

    0 0

    प्रोफेसर, युद्धबंदी: अरुंधति रॉय का विशेष निबंध

    Posted by Reyaz-ul-haque on 5/10/2015 05:06:00 PM

    व्हीलचेयर पर चलनेवाले इस लकवाग्रस्त अकादमीशियन से सरकार इतनी डरी हुई है, कि उसकी गिरफ्तारी के लिए उसे उसका अपहरण करना पड़ा. आउटलुक में प्रकाशित इस विशेष निबंध मेंअरुंधति रॉय ऑपरेशन ग्रीन हंट और उसके शहरी अवतार के हवाले से डॉ. जी. एन. साईबाबा की कैद के बारे में बता रही हैं, जिसने उनकी जिंदगी के लिए एक गंभीर खतरा भी पैदा कर दिया है. अनुवाद: रेयाज उल हक.

    9 मई 2015 को एक साल हो जाएगा, जब दिल्ली विश्वविद्यालय के रामलाल आनंद कॉलेज में अंग्रेजी के लेक्चरर, डॉ. जी.एन. साईबाबा को काम से घर लौटते हुए अनजान लोगों ने अगवा कर लिया. जब उनके पति लापता हुए और उनका फोन नहीं लग रहा था तो डॉ. साईबाबा की पत्नी वसंता ने स्थानीय थाने में गुमशुदगी की शिकायत दर्ज कराई. आगे चल कर उन अनजान लोगों ने अपनी पहचान महाराष्ट्र पुलिस के रूप में जाहिर की और बताया कि वह अपहरण, एक गिरफ्तारी थी.

    आखिर उन्हें इस तरह से अगवा क्यों करना पड़ा, जबकि वे उन्हें औपचारिक रूप से गिरफ्तार कर सकते थे? उस प्रोफेसर को जो व्हीलचेयर पर चलते हैं क्योंकि पांच बरस की उम्र से अपनी कमर के नीचे लकवे के शिकार हैं. इसकी दो वजहें हैं: पहली कि वे अपने पहले के दौरों की वजह से ये जानते थे कि अगर वे दिल्ली विश्वविद्यालय में उनके घर से उन्हें उठाने जाएंगे तो उन्हें क्रुद्ध लोगों की एक भीड़ से निबटना पड़ेगा - वे प्रोफेसर, कार्यकर्ता और छात्र जो प्रोफेसर साईबाबा से प्यार करते हैं और उन्हें पसंद करते हैं, सिर्फ इसलिए नहीं कि वे एक समर्पित शिक्षक थे, बल्कि दुनिया के बारे में उनके बेखौफ राजनीतिक नजरिए की वजह से भी. दूसरी वजह, क्योंकि अपहरण करने पर यह बात ऐसी दिखेगी मानो महज अपनी चतुराई और साहस से लैस होकर, उन्होंने एक खतरनाक आतंकवादी का सुराग लगा लिया हो और उसको पकड़ लिया हो. हालांकि सच्चाई कहीं ज्यादा नीरस है. हममें से अनेक लोग यह लंबे समय से जानते थे कि प्रोफेसर साईबाबा को गिरफ्तार किए जाने की आशंका है. कई महीनों से यह एक खुली चर्चा का मुद्दा था. इन महीनों में कभी भी, उनको अगवा किए जाने के दिन तक यह बात न तो उनके खयाल में आई और न किसी और के, कि उन्हें इसका सामना करने के बजाए कुछ और करना चाहिए. असल में, इस दौरान उन्होंने ज्यादा मेहनत की और पॉलिटिक्स ऑफ द डिसिप्लिन ऑफ इंडियन इंगलिश राइटिंग(भारतीय अंग्रेजी लेखन में अनुशासन की राजनीति) पर अपना पीएच.डी. का काम पूरा किया. 

    हमें क्यों लगा था कि वे गिरफ्तार कर लिए जाएंगे? उनका जुर्म क्या था?

    सितंबर2009 में, तब के गृह मंत्री पी. चिदंबरम ने लाल गलियारे (रेड कॉरीडोर) के रूप में जाने जानेवाले इलाके में, ऑपरेशन ग्रीन हंट कही जानेवाली एक जंग का ऐलान किया था. इसका प्रचार किया गया कि यह मध्य भारत के जंगलों में माओवादी 'आतंकवादियों' के खिलाफ अर्धसैनिक बलों का सफाया अभियान है. हकीकत में, यह उस लड़ाई का आधिकारिक नाम था, जो राज्य प्रायोजित हत्यारे दस्तों (बस्तर में सलवा जुडूम और दूसरे राज्यों में कोई नाम नहीं) द्वारा दुश्मन के काम में आने वाली हर चीज को तबाह करने की लड़ाई रही है. उनको दिया गया हुक्म, जंगल को इसके तकलीफदेह निवासियों से खाली करना था, ताकि खनन और बुनियादी निर्माण के कामों में लगे कॉरपोरेशन अपनी रुकी हुई परियोजनाओं को आगे बढ़ा सकें. इस तथ्य से तब की यूपीए सरकार को कोई परेशानी नहीं हुई कि आदिवासी जमीन को निजी कंपनियों के हाथों बेचना गैरकानूनी और असंवैधानिक है. (मौजूदा सरकार के नए भूमि अधिग्रहण अधिनियम में उस गैर कानूनियत को कानून में बदलने की पेशकश की गई है.) हत्यारे दस्तों के साथ-साथ हजारों अर्धसैनिक बलों ने हमला किया, गांव जलाए, गांववालों की हत्या की और औरतों का बलात्कार किया. दसियों हजार आदिवासियों को अपने घरों से भाग कर जंगल में खुले आसमाने के नीचे छुपने के लिए मजबूर किया गया. इस बेरहमी के खिलाफ जवाबी कार्रवाई यह थी कि सैकड़ों स्थानीय लोग जनमुक्ति छापामार सेना (पीपुल्स लिबरेशन गुरिल्ला आर्मी) में शामिल हुए, जिसे भारत की कम्युनिस्ट पार्टी (माओवादी) ने खड़ा किया है. यह वो पार्टी है, जिसे पूर्व प्रधानमंत्री मनमोहन सिंह ने मशहूर तरीके से भारत की 'आंतरिक सुरक्षा का अकेला सबसे बड़ा खतरा' बताया था. अब भी, इस पूरे इलाके में उथल-पुथल बरकरार है, जिसे गृह युद्ध कहा जा सकता है.

    जैसा कि किसी भी दीर्घकालिक युद्ध में होता है, हालात सीधे-सरल होने से कहीं दूर हैं. प्रतिरोध में जहां कुछ लोगों ने अच्छी लड़ाई लड़ना जारी रखी है, कुछ दूसरे लोग मौकापरस्त, रंगदारी वसूलनेवाले और मामूली अपराधी बन चुके हैं. दोनों समूहों में फर्क कर पाना हमेशा आसान नहीं होता, और यह उन्हें एक ही रंग में पेश करने को आसान बना देता है. उत्पीड़न की खौफनाक घटनाएं हुई हैं. एक तरह का उत्पीड़न आतंकवाद कहा जाता है और दूसरे को तरक्की.

    2010 और 2011 में, जब ऑपरेशन ग्रीन हंट अपने सबसे बेरहम दौर में था, इसके खिलाफ एक अभियान में तेजी आनी शुरू हुई. अनेक शहरों में जनसभाएं और रैलियां हुईं. जैसे जैसे जंगल में होने वाली घटनाओं की खबर फैलनी, अंतरराष्ट्रीय मीडिया ने इस पर ध्यान देना शुरू किया. डॉ. साईबाबा उन मुख्य लोगों में एक थे, जिन्होंने ऑपरेशन ग्रीन हंट के खिलाफ इस सार्वजनिक और पूरी तरह से गैर-खुफिया अभियान को गोलबंद किया था. कम से कम अस्थायी रूप से ही, वह अभियान सफल रहा था. शर्मिंदगी में सरकार को यह दिखावा करना पड़ा कि ऑपरेशन ग्रीन हंट जैसी कोई चीज नहीं है, कि यह महज मीडिया की बनाई हुई बात है. (बेशक आदिवासी जमीन पर हमला जारी है, जिसके बारे में ज्यादातर कोई खबर नहीं आती, क्योंकि अब यह एक ऑपरेशन बेनाम है. एक माओवादी हमले में मारे गए सलवा जुडूम के संस्थापक महेंद्र करमा के बेटे छविंद्र करमा ने इस हफ्ते, 5 मई 2015 को सलवा जुडूम-2 की शुरुआत का ऐलान किया. यह सर्वोच्च न्यायालय के उस फैसले के बावजूद किया गया, जिसमें अदालत ने सलवा जुडूम-1 को गैरकानूनी और असंवैधानिक घोषित किया था और इसे बंद करने का आदेश दिया था.)

    ऑपरेशन बे-नाम में, जो कोई भी राज्य की नीति की आलोचना करता है, या उसे लागू करने में बाधा पैदा करता है उसे माओवादी कहा जाता है. इस तरह माओवादी बताए गए हजारों दलित और आदिवासी, देशद्रोह और राज्य के खिलाफ जंग छेड़ने जैसे अपराधों के बे सिर-पैर के आरोपों में आतंकवादी गतिविधि निरोध अधिनियम (यूएपीए) के तहत जेल में बंद हैं. यूएपीए एक ऐसा कानून है कि सिर्फ अगर इसको इस्तेमाल में लाया जाना इतना त्रासदी भरा नहीं होता, तो इससे किसी भी समझदार इंसान की बड़ी जोर की हंसी छूट सकती थी. एक तरफ, जबकि गांव वाले कानूनी मदद और इंसाफ की किसी उम्मीद के बिना बरसों तक जेल में पड़े रहते हैं, अक्सर उन्हें पक्के तौर पर यह तक पता नहीं होता कि उन पर किस अपराध का इल्जाम है, दूसरी तरफ अब सरकार ने अपनी निगाह शहरों में उनकी तरफ फेरी है, जिसे यह 'ओजीडब्ल्यू' यानी खुलेआम काम करनेवाले कार्यकर्ता (ओवरग्राउंड वर्कर्स) कहती है.

    इसने पहले जिन हालात में खुद को पाया था, उन्हें नहीं दोहराने पर अडिग गृह मंत्रालय ने 2013 में सर्वोच्च न्यायालय में दाखिल अपने हलफनामे में अपने इरादों को साफ साफ जाहिर किया था. उसमें कहा गया था: 'नगरों और शहरों में भाकपा (माओवादी) के विचारकों और समर्थकों ने राज्य की खराब छवि पेश करने के लिए संगठित और व्यवस्थित प्रचार चलाया हुआ है...ये वे विचारक हैं जिन्होंने माओवादी आंदोलन को जिंदा रखा है और कई तरह से तो पीपुल्स लिबरेशन गुरिल्ला आर्मी के कैडरों से ज्यादा खतरनाक हैं.'

    डॉ. साईबाबा हाजिर हों.

    हम यह जान गए थे कि उनकी निशानदेही की जा चुकी है, जब उनके बारे में साफ तौर पर गढ़ी हुई और बढ़ा चढ़ा कर अनेक खबरें अखबारों में आने लगीं. (जहां उनके पास असली सबूत नहीं थे, उनके पास आजमाया हुआ दूसरा सबसे बेहतर तरीका था कि अपने शिकार के बारे में संदेह का एक माहौल तैयार कर दो.)

    12 सितंबर 2013 को उनके घर पर पचास पुलिसकर्मियों ने महाराष्ट्र के एक छोटे से शहर अहेरी के मजिस्ट्रेट द्वारा चोरी की संपत्ति के लिए जारी किए गए तलाशी वारंट के साथ छापा मारा. उन्हें कोई चोरी की संपत्ति नहीं मिली. बल्कि वे उन्हीं की संपत्ति उठा (चुरा?) ले गए. उनका निजी लैपटॉप, हार्ड डिस्क और पेन ड्राइव्स. दो हफ्ते बाद मामले के तफ्तीश अधिकारी सुहास बवाचे ने डॉ. साईबाबा को फोन किया और हार्ड डिस्क खोलने के लिए उनसे पासवर्ड पूछा. डॉ. साईबाबा ने उन्हें पासवर्ड बताए. 9 जनवरी 2014 को पुलिसकर्मियों के एक दल ने उनके घर पर आकर घंटों उनसे पूछताछ की. और 9 मई को उन्होंने उन्हें अगवा कर लिया. उसी रात वे उन्हें नागपुर लेकर गए जहां से वे उन्हें अहेरी ले गए और फिर नागपुर ले आए, जिस दौरान सैकड़ों पुलिसकर्मी, जीपों और बारूदी सुरंग रोधी गाड़ियों के काफिले के साथ चल रहे थे. उन्हें नागपुर केंद्रीय जेल में, इसकी बदनाम अंडा सेल में कैद किया गया, जहां उनका नाम हमारे देश के जेलों में बंद, सुनवाई का इंतजार कर रहे तीन लाख लोगों की भीड़ में शामिल हो गया. हंगामेभरे इस पूरे नाटक के दौरान उनका व्हीलचेयर टूट गया. डॉ. साईबाबा की जैसी हालत है, उसे '90 फीसदी अशक्त' कहा जाता है. अपनी सेहत को और बदतर होने से बचाने के लिए उन्हें लगातार देखरेख, फिजियोथेरेपी और दवाओं की जरूरत होती है. इसके बावजूद, उन्हें एक खाली सेल में फेंक दिया गया (वे अब भी वहीं हैं), जहां बाथरूम जाने में उनकी मदद करने के लिए भी कोई नहीं है. उन्हें अपने हाथों और पांवों के बल पर रेंगना पड़ता था. इसमें से कुछ भी, यातना के दायरे में नहीं आएगा. एकदम नहीं. राज्य को अपने इस खास कैदी के बारे में एक बड़ी बढ़त इस रूप में हासिल है कि वह बाकी कैदियों के बराबर नहीं है. उसे बेरहमी से यातना दी जा सकती है, शायद उसको मारा भी जा सकता है, और ऐसा करने के लिए किसी को उस पर उंगली तक रखने की जरूरत नहीं है.

    अगली सुबह नागपुर के अखबारों के पहले पन्ने पर महाराष्ट्र पुलिस के भारी हथियारबंद दल द्वारा अपनी जीत की निशानी के साथ शान से पोज देते हुए तस्वीरें छपी थीं - अपनी टूटी हुई व्हीलचेयर पर खतरनाक आतंकवादी, प्रोफेसर युद्धबंदी. 

    उन पर यूएपीए के इन सेक्शनों के तहत आरोप लगाए गए: सेक्शन 13 (गैरकानूनी गतिविधि में भाग लेना/उसकी हिमायत करना/उकसाना/ उसे अमल में लाने के लिए भड़काना), सेक्शन 18 (आतंकवादी कार्रवाई के लिए साजिश/कोशिश करना), सेक्शन 20 (एक आतंकवादी गिरोह या संगठन का सदस्य होना), सेक्शन 38 (एक आतंकवादी संगठन की गतिविधियों को आगे बढ़ाने के इरादे से उससे जुड़ना) और सेक्शन 39 (एक आतंकवादी संगठन के लिए समर्थन को बढ़ावा देने के मकसद से सभाएं करने में मदद करना या उसे संबोधित करना). उन पर भाकपा (माओवादी) के कॉमरेड नर्मदा के पास पहुंचाने की खातिर, जेएनयू के एक छात्र हेम मिश्रा को एक कंप्यूटर चिप देने का आरोप लगाया गया. हेम मिश्रा को अगस्त 2013 में बल्लारशाह रेलवे स्टेशन पर गिरफ्तार किया गया और वे डॉ. साईबाबा के साथ नागपुर जेल में हैं. उनके साथ इस 'साजिश' के अन्य तीनों आरोपी जमानत पर रिहा हो चुके हैं.

    आरोपपत्र में गिनाए गए अन्य गंभीर अपराध ये हैं कि डॉ. साईबाबा रिवॉल्यूशनरी डेमोक्रेटिक फ्रंट (आरडीएफ) के संयुक्त सचिव हैं. आरडीएफ उड़ीसा और आंध्र प्रदेश में एक प्रतिबंधित संगठन हैं, जहां इस पर माओवादी 'फ्रंट [खुला]' संगठन होने का संदेह है. दिल्ली में यह प्रतिबंधित नहीं है. न ही महाराष्ट्र में. आरडीएफ के अध्यक्ष जाने-माने कवि वरवर राव हैं, जो हैदराबाद में रहते हैं.

    डॉ. साईबाबा के मामले की सुनवाई अभी शुरू नहीं हुई है. इसको शुरू होने में अगर बरसों नहीं तो महीनों लगने की संभावना है. सवाल है कि 90 फीसदी अशक्तता वाला एक इंसान जेल की उन बेहद खराब दशाओं में कब तक बचा रह पाएगा?

    जेल में बिताए गए इस एक साल में, उनकी सेहत खतरनाक रूप से बिगड़ी है. वे लगातार, तकलीफदेह दर्द में रहते हैं. (जेल अधिकारियों ने मददगार बनते हुए, इसे पोलियो पीड़ितों के लिए 'खासा मामूली' बताया.) उनका स्पाइनल कॉर्ड खराब हो चुका है. यह टेढ़ा हो गया है और उनके फेफड़ों में धंस रहा है. उनकी बाईं बांह काम करना बंद कर चुकी है. जिस स्थानीय अस्पताल में जांच के लिए जेल अधिकारी उन्हें ले गए थे, उसके कार्डियोलॉजिस्ट [दिल के डॉक्टर] ने कहा कि फौरन उनकी एंजियोप्लास्टी कराई जाए. अगर वे एंजियोप्लास्टी से गुजरते हैं, तो उनकी मौजूदा दशा और जेल के हालात को देखते हुए, यह इलाज खतरनाक ही होगा. अगर उनका इलाज नहीं हुआ और उनकी कैद जारी रही, तो यह भी खतरनाक होगा. जेल अधिकारियों ने बार बार उन्हें दवाएं देने से इन्कार किया है, जो न सिर्फ उनकी तंदुरुस्ती के लिए, बल्कि उनकी जिंदगी के लिए बेहद जरूरी है. जब वे उन्हें दवाएं लेने की इजाजत देते हैं, तो वे उन्हें वह विशेष आहार लेने की इजाजत नहीं देते, तो उन दवाओं के साथ दी जाती है.

    इस तथ्य के बावजूद कि भारत अशक्तता अधिकारों के अंतरराष्ट्रीय समझौते का हिस्सा है और भारतीय कानून एक ऐसे इंसान को सुनवाई का इंतजार करते हुए (अंडरट्रायल) लंबे समय तक कैद में रखने की साफ तौर पर मनाही करते हैं जो अशक्त है, डॉ. साईबाबा को सत्र अदालत द्वारा दो बार जमानत देने से मना कर दिया गया है. दूसरे मौके पर जमानत की अर्जी इस आधार पर खारिज कर दी गई कि जेल अधिकारियों ने अदालत के सामने यह दिखाया था कि वे वह जरूरी और खास देखरेख मुहैया करा रहे हैं, जो उनकी जैसी हालत वाले एक इंसान के लिए जरूरी है. (उन्होंने उनके परिवार को इसकी इजाजत दी थी, कि वे उनकी व्हीलचेयर बदल दें.) डॉ. साईबाबा ने जेल से लिखी गई एक चिट्ठी में कहा कि जिस दिन जमानत देने से मना करने वाला फैसला आया, उनकी खास देखभाल वापस ले ली गई. निराश होकर उन्होंने भूख हड़ताल शुरू की. कुछ दिनों के भीतर वे बेहोशी की हालत में अस्पताल ले जाए गए.

    बहस की खातिर, चलिए इसके बारे में फैसले को अदालत पर छोड़ देते हैं कि अपने ऊपर लगाए गए आरोपों में डॉ. साईबाबा कसूरवार हैं या बेकसूर. और महज थोड़ी देर के लिए सिर्फ जमानत के सवाल पर गौर करते हैं, क्योंकि उनके लिए यह हर्फ ब हर्फ जिंदगी और मौत का सवाल है.

    उन पर लगाए गए आरोप चाहे जो हों, क्या प्रोफेसर साईबाबा को जमानत मिलनी चाहिए? यहां  उन जानी-मानी सार्वजनिक शख्सियतों और सरकारी कर्मचारियों की एक फेहरिश्त पेश है, जिन्हें जमानत दी जाती रही है.

    23 अप्रैल 2015 को बाबू बजरंगी को गुजरात उच्च न्यायालय में 'आंख के एक फौरी ऑपरेशन' के लिए जमानत पर रिहा किया गया, जो 2002 में नरोदा पाटिया कत्लेआम में, जहां दिन दहाड़े 97 लोग मार दिए गए थे, अपनी भूमिका के लिए कसूरवार साबित हो चुके हैं और जिन्हें आजीवन कैद की सजा सुनाई जा चुकी है. यह बाबू बजरंगी हैं, जो खुद अपने शब्दों में अपने किए गए जुर्म के बारे में बता रहे हैं: 'हमने एक भी मुसलमान दुकान को नहीं बख्शा, हमने हर चीज में आग लगा दी, हमने उन्हें जलाया और मार डाला...टुकड़े-टुकड़े किए, जलाया, आग लगा दी...हमारी आस्था उन्हें आग लगाने में है क्योंकि ये हरामी चिता पर जलना नहीं चाहते. वे इससे डरते हैं.' ['आफ्टर किलिंग देम आई फेल्ट लाइक महाराणा प्रतापतहलका, 1 सितंबर 2007]

    आंख का ऑपरेशन, हुह? शायद हम थोड़ा ठहरकर सोचें तो यह एक फौरी जरूरत ही है कि वह जिनसे दुनिया को देखता था, उन हत्यारी आंखों को कुछ कम बेवकूफ और कुछ कम खतरनाक आंखों से बदल दिया जाए.

    30 जुलाई 2014 को गुजरात में मोदी सरकार की एक पूर्व मंत्री माया कोडनानी को गुजरात उच्च न्यायालय ने जमानत दे दी, जो उसी नरोदा पाटिया कत्लेआम में कसूरवार साबित हो चुकी हैं और 28 साल के लिए जेल की सजा भुगत रही हैं. कोडनानी एक मेडिकल डॉक्टर हैं और कहती हैं कि उन्हें आंतों की टीबी है, दिल की बीमारी है, क्लीनिकल अवसाद है और स्पाइन की दिक्कत है. उनकी सजा भी स्थगित कर दी गई है.

    गुजरात में मोदी सरकार के एक और पूर्व मंत्री अमित शाह को जुलाई 2010 में तीन लोगों - सोहराबुद्दीन शेख, उनकी बीवी कौसर बी और तुलसीराम प्रजापति की गैर-अदालती हत्या का आदेश देने के आरोप में गिरफ्तार किया गया. सीबीआई ने जो फोन रेकॉर्ड पेश किए वे दिखाते थे कि शाह उन पुलिस अधिकारियों के लगातार संपर्क में थे, जिन्होंने पीड़ितों के मारे जाने के पहले उन्हें गैरकानूनी हिरासत में लिया था. वे यह भी दिखाते थे कि उन दिनों अमित शाह और उन पुलिस अधिकारियों के बीच फोन कॉलों की संख्या तेजी से बढ़ गई थी. (आगे चले कर, परेशान कर देने वाली और रहस्यमय घटनाओं के एक सिलसिले के बाद, वे पूरी तरह से छूट गए हैं). वे अभी भाजपा के अध्यक्ष हैं और प्रधानमंत्री नरेंद्र मोदी के दाहिने हाथ हैं.

    22 मई 1987 को हाशिमपुरा से पुलिस आर्म्ड कॉन्स्टेबुलरी (पीएसी) द्वारा पकड़ कर ट्रक में ले जाए गए 42 मुसलमानों को गोली मार कर उनकी लाशें कुछ दूर, एक नहर में फेंक दी गईं. इस मामले में पीएसी के उन्नीस जवान आरोपित बनाए गए. उनमें से सभी सेवा में बने रहे, दूसरों की तरह तरक्की और बोनस हासिल करते रहे. तेरह साल बाद, सन 2000 में उनमें से सोलह ने आत्मसमर्पण किया (तीन मर चुके थे). उन्हें फौरन जमानत दे दी गई. कुछ ही हफ्ते पहले, मार्च 2015 में सभी सोलह जवानों को सबूतों के अभाव में छोड़ दिया गया.

    दिल्ली विश्वविद्यालय में एक शिक्षक और कमेटी फॉर द डिफेंस एंड रीलीज ऑफ साईबाबा के एक सदस्य हैनी बाबू हाल ही में कुछ मिनटों के लिए अस्पताल में डॉ. साईबाबा से मिलने में कामयाब रहे. 23 अप्रैल 2015 को एक प्रेस सम्मेलन में, जिसकी कमोबेश कोई खबर नहीं दी गई, हैनी बाबू ने उस मुलाकात के हालात के बारे में बताया: डॉ. साईबाबा को एक सेलाइन ड्रिप चढ़ रही थी. वे बिस्तर पर उठ कर बैठे और उनसे बात की. उनके सिर की तरफ एके-47 ताने एक सुरक्षाकर्मी उनके पीछे खड़ा रहा. यह उसकी ड्यूटी थी कि वह सुनिश्चित करे कि उसका कैदी अपनी लकवाग्रस्त टांगों से भाग न जाए.

    क्या डॉ. साईबाबा नागपुर केंद्रीय जेल से जिंदा बाहर आ सकेंगे? क्या वे चाहते हैं कि साईबाबा बाहर निकलें? बहुत सारी वजहें हैं, जो इशारा करती हैं कि वे ऐसा नहीं चाहते.

    यही सब तो है, जिसे हम बर्दाश्त कर रहे हैं, जिसके लिए हम वोट डालते हैं, जिस पर हम राजी हैं.

    यही तो हैं हम.

older | 1 | .... | 87 | 88 | (Page 89) | 90 | 91 | .... | 303 | newer