Are you the publisher? Claim or contact us about this channel


Embed this content in your HTML

Search

Report adult content:

click to rate:

Account: (login)

More Channels


Channel Catalog


Channel Description:

This is my Real Life Story: Troubled Galaxy Destroyed Dreams. It is hightime that I should share my life with you all. So that something may be done to save this Galaxy. Please write to: bangasanskriti.sahityasammilani@gmail.comThis Blog is all about Black Untouchables,Indigenous, Aboriginal People worldwide, Refugees, Persecuted nationalities, Minorities and golbal RESISTANCE.

older | 1 | .... | 188 | 189 | (Page 190) | 191 | 192 | .... | 302 | newer

    0 0


    THE ECONOMIC TIMES
    Tue, Sep 01, 2015 | 05:46 PM IST

    Daily Newsletter

    Sensex ends 587 points down, Nifty below 7,800; here's why 
    The S&P BSE Sensex ended the day 586.65 points lower on Tuesday amid weak GDP data and a slump in equity markets the ...
    PM Modi makes amends for DNA jibe, says Biharis most intelligent
    PM launched a blistering attack on his RJD-JD(U) rivals, charging them with spreading the "poison of casteism" during...
    Maruti Ciaz diesel hybrid launched at Rs 8.23 lakh
    Maruti claims that the hybrid Ciaz is the most fuel-efficient car in the country at 28 km/litre, thus raising the bar...
    Terror threat continues to emanate from inside Pakistan: US
    Earlier, the Pentagon echoed the State Department on the Haqqani network, the dreaded group blamed for some of the de...
    FEATURED STORIES
    Why Dr Shetty of Narayana Health is set to hit D-St Why Dr Shetty of Narayana Health is set to hit D-St
    The multispecialty hospital chain, valued at an estimated Rs 5,000 crore hopes to raise Rs 1,200-1,500 crore from th...
    read more
    Hardik Patel knows how to play reservation-victim role  » 
    Why China is giving Indian scientists 3 times more pay » 
    POPULAR STORIES
    Snapdeal on course to topple Flipkart from top, says CEO Kunal Bahl
    The Snapdeal co-founder said the company achieved $4 billion in total value of goods sold, or gross merchandise value...
    CCI charges Google with rigging search results; Flipkart, Facebook corroborate complaints
    The initial complaints were filed by Bharat Matrimony and a Jaipur-based not-for-profit, Consumer Unity and Trust Soc...
    Do not forget Warren Buffett's 2 stock investment rules; top 10 picks to bet on
    One way of using current volatility in a market like this is to buy quality stocks on dips which could outperform in ...
    Government planning India's longest 600 km expressway to connect Delhi and Katra
    The expressway would pass through Haryana, Punjab and Jammu & Kashmir and would cost more than Rs 15,000 crore....
    Need to be vigilant in present security environment...
    Manohar Parrikar ,Defence Minister ,Govt of India

    LATEST UPDATES

    Market crash wipes out over Rs 2 lakh crore from investors wealth
    A sharp sell-off in the stock market wiped out over Rs 2 lakh crore from investors' wealth as the benchmark Sensex pl...
    Top five factors which could be weighing on markets
    We have collated a list of top five factors which could be weighing on Sensex that led to a fall of over 700 points ...
    Government raises import tariff on gold to $369 per 10 grams
    The import tariff value is the base price at which the customs duty is determined to prevent under-invoicing. The tar...
    IARI needs one-time grant of Rs 500 crore to boost infrastructure
    IARI is plagued by poor infrastructure and needs at least Rs 500 crore one-time grant to strengthen the country's pre...
    Market Watch
    1 Sep | 05:46PM
    SENSEX
    25696.44-586.65
    NIFTY
    7785.85-185.45
    USD/INR
    60.16-0.18
    GOLD (Rs/10g.)
    26832.00150.00
    MARKET NEWS
    Markets may not run up from current levels; 10 high-conviction ideas by experts
    September began on a weak note for the stock market, with the S&P BSE Sensex falling over 700 points in trade on Tues...
    Delivery-based buying hints at bullish sentiment
    On August 24, when Sensex fell over 1,600 pts, overall delivery volumes on both the exchanges was 50.60% — the highes...
    Gainers Losers 1 Sep, 2015, 05:46PM IST, PTI|View All
    Company Name Live Price Change (%) Volume High Low
    Yogya Enterprises Ltd. 22.00 18.92 16000 22.20 22.00
    Mahamaya Steel Industries Ltd. 37.20 18.10 57653 37.80 32.00
    Wall Street Finance Ltd. 28.00 16.42 2915 28.00 21.05
    FEATURED SLIDESHOW
    Six ways how smart cities will benefit citizensSix ways how smart cities will benefit citizens 7 fastest-charging smartphones you can buy7 fastest-charging smartphones you can buy Japan holds annual disaster response drillJapan holds annual disaster response drill Windows 10, one month later: The good & the badWindows 10, one month later: The good & the bad

    more slideshows
    FROM THE NEWSPAPER
    New home secy Mehrishi keeps a low-profile but full of energy and gusto
    He was not shy of crossing swords with RBI officials as he spearheaded the push for an overhaul of the financial sect...
    How increased excise duty on cigarettes has made the Indian market vulnerable to Chinese brands
    In a country where about 102 billion cigarette sticks were smoked in FY15, illegal brands and cheap imports aren't ne...
    PSBs are selling loans worth Rs 30K cr as bad loan fix
    State-run banks are selling the second-biggest tranche of bad loans in a quarter in an effort to clean up badly strai...
    NSA's dossier on Mohammad Naveed lists 3 camps, 17 trainers
    The Centre is now seeking US help to procure call detail records of this number to give further proof that Naveed is ...
    Defence ministry asks vendors to disclose foreign partners in air defence gun deals
    The Army has asserted that it would not consider any Indian company for the Rs 16,000 crore contract unless details a...
    MORE LINKS:Gainers|Losers|Movers|Only Buyers|Only Sellers|Surging Volumes|Indices
    More Newsletters
    ET Mutual Fund ET Mutual Fund
    A weekly round-up of the top news and views from the mutual fund industry.
    Subscribe
    Markets Watch Markets Watch
    Round up of stock, currency, bond, money and real estate market
    Subscribe
    ET Investment Opportunities ET Investment Opportunities
    Property, Stocks, IPOs, NFOs, Mutual Funds and latest investment options in your inbox.
    Subscribe
    Wealth Wealth
    Weekly news on personal finance, stocks, property, gold, tax planning and more.
    Subscribe
    Follow Us on ET:
    Facebook Twitter YouTube LinkedIn

    --
    Pl see my blogs;


    Feel free -- and I request you -- to forward this newsletter to your lists and friends!

    0 0

    In Bangladesh,Indian PORN Star faces fierce protest against her show!Indian scenario of rape inflicted society is the hottest topic.Indian Show Blitz is branded as PORN in Bangladesh.Who is responsible?Cries media.

    Palash Biswas

    ভারতীয় পর্ন নায়িকার শো, এ লজ্জা কার?

    image

    ডক্টর তুহিন মালিক : 

    ණ☛ লজ্জায় যেন কেউ মুখ খুলতেই নারাজ! আবার কে না কী ভেবে বসে, ভয়টা যেন সেখানেই। অথচ চোখের সামনেই ঘটতে যাচ্ছে সব কিছু। সংবাদে প্রকাশ সেপ্টেম্বর মাসের মাঝামাঝি ঢাকায় লাখ টাকার টিকিট দিয়ে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ভারতীয় পর্ননায়িকার শো। ইতোমধ্যেই দেশের মানুষ ফুঁসে উঠেছে এই বেলেল্লাপনার বিরুদ্ধে। ঘরে ঘরে মা-বোনেরা পর্যন্ত এ নিয়ে একে অন্যের কাছে তাদের ক্ষোভের কথা জানাচ্ছেন। আলেম-ওলামারা প্রতিবাদ করছেন। অনেকেই আবার ঠাট্টা মশকারা করে বলে বেড়াচ্ছেন যে, হেফাজত মাওলানা হুজুরেরা তাকে চেনেন কী করে? আসলে শয়তানকে চেনার জন্য তাকে চোখে দেখার প্রয়োজন হয় না। এই ধরনের অনুষ্ঠান করতে নিশ্চয়ই সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়, এমনকি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়েরও অনুমতি নিতে হয়। তাহলে প্রশ্ন জাগে যে, সংশ্লিষ্টরা কি ভারতীয় বিজাতীয় অপসংস্কৃতির এই পর্ননায়িকা সম্পর্কে কিছুই খোঁজখবর রাখেন না? আর যদি তাদের না-ই জানা থাকে, তবে কেন এত দিন ধরে তারা দেশজুড়ে এত সমালোচনার পরও কিছুই জানার চেষ্টা করলেন না? আমাদের দেশীয় সংস্কৃতিতে এমন কী দৈন্য এলো যে, একজন পর্ননায়িকাকে দিয়ে ঢাকঢোল পিটিয়ে নাচগানের জলসার আয়োজন করতে হবে? আমরা যারা নিত্যদিন বিজাতীয় সংস্কৃতির কথা বলে চিঁড়ে ভিজিয়ে দিই আজ তারা মুখে দই জমিয়ে রেখেছে কেন? 

    দুই : 

    সাম্প্রতিক সময়ে ভারতীয় সিনেমা ও নবসংস্কৃতিতে ব্যাপকভাবে অশ্লীলতা, বেহায়াপনা ও প্রতিনিয়ত ধর্ষণের অহরহ বীভৎসতার বিরুদ্ধে গোটা ভারতীয় সমাজ ফুঁসে উঠেছে। প্রগতিশীলতার নামে পাশ্চাত্য থেকে আমদানি করা পর্নতারকারা এখন ভারতীয় চলচ্চিত্রের শতকোটি দর্শকের কাক্সিক্ষত নায়িকা। তাদের সমাজ হয়তো এটাকে স্বাভাবিকভাবেই মেনে নিয়েছে। কিন্তু সেই নগ্ন পর্ননায়িকাকে যখন সাংস্কৃতিক বিনিময়ের নামে আমাদের সমাজে আমন্ত্রণ জানানো হয় তখন প্রশ্ন জাগে, আমরা এ কোন ধরনের সংস্কৃতির বিনিময় করতে যাচ্ছি? 

    তিন : 

    আসলে কোনো জাতিকে যুদ্ধ ছাড়াই ধ্বংস করার অভিনব এক পন্থা হচ্ছে, সেই জাতির মধ্যে অশ্লীলতা ও ব্যভিচারের প্রচলন করে দেয়া। হিন্দি চলচ্চিত্রের মাধ্যমে এই প্রচলন তো এ দেশে বেশ আগেই চালু হয়ে গেছে। এবার এই পর্ননায়িকাকে আমরা নিজেরাই সরাসরি আমন্ত্রণ জানিয়ে লাখ টাকায় টিকিট দিয়ে তা উপভোগ করতে যাচ্ছি! আমাদের শিশুরা হিন্দি শিখে যাচ্ছে এই ভয়ে যারা হিন্দি কার্টুন বন্ধ করে দিলেন। অথচ দেশী ভাষা-কৃষ্টি-সংস্কৃতি আর মূল্যবোধের দোহাই দেয়া সেই লোকগুলো সমাজে আজ কোথায় হারিয়ে গেল? 

    চার : 

    প্রায়ই আমাদের ডিসি-র‌্যাব-পুলিশ-ম্যাজিস্ট্রেটরা অসামাজিক কর্মকাণ্ডের অভিযোগে আবাসিক হোটেল থেকে শুরু করে গ্রাম্য যাত্রাপালায় পর্যন্ত অভিযান চালিয়ে যাচ্ছেন। এটা অবশ্যই একটি প্রশংসনীয় কাজ। তা ছাড়া প্রশাসনের কাছ থেকে অনুমতি নিয়ে কোনো অনুষ্ঠান করা এ দেশে এখন আর সহজসাধ্য কোনো ব্যাপার নয়। অথচ বিশ্বব্যাপী স্বীকৃত অসামাজিক কার্যকলাপে লিপ্ত একজন এ দেশে আসছে, আর আমাদের প্রশাসন তার সম্পর্কে কিছুই জানে না, তা কী করে হয়? অবাকও লাগে! আবার দুঃখও লাগে! এতগুলো ইসলামি ব্যক্তিত্বের ওপর বাংলাদেশে প্রবেশে কঠোর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছি আমরা। কিন্তু একজন পর্ননায়িকার বাংলাদেশে প্রবেশে কোনো নিষেধাজ্ঞা দিতে আমাদের সাহসেই কুলালো না! 

    পাঁচ : 

    আসলে এই পর্ননায়িকা কি আমাদের দেশে জোর করে আসছে? নাকি আমরা নিজেরাই তাকে দাওয়াত দিয়ে আনছি? অথচ আমরা কেন শুধু তাকেই প্রতিহত করার কথা বলছি। কিন্তু যারা কোটি কোটি টাকা দিয়ে এই পর্ননায়িকাকে দাওয়াত দিয়ে আনছি তাদেরকে কেন আমরা প্রতিহত করার ঘোষণা দিই না? যারা লাখ টাকার টিকিট কেটে একঝলক ব্যভিচারিতা দেখতে উদগ্রীব, আমরা তাদেরকে কেন জনসম্মুখে চিহ্নিত করছি না? 

    ছয় : 

    আসুন, আমরা পর্ননায়িকাকে প্রতিহতের ঘোষণার সাথে সামাজিক ও পারিবারিকভাবে প্রতিহত করি এর দর্শকদের, যারা লাখ টাকার টিকিট কিনে প্রকাশ্যে অশ্লীলতা দেখার জন্য ছটফট করছে। সাংবাদিক ভাইয়েরা চাইলে সেসব দর্শকের নাম-পরিচয় প্রকাশ করতে পারেন জনসম্মুখে। আমাদের অর্থ মন্ত্রণালয় ও এনবিআর সব সময়ই অভিযোগ করে যে, এ দেশে এত কোটিপতি আছেন অথচ আয়কর দেয় গুটিকয়েক লাখ মানুষ। তাই এনবিআরের জন্যও এবার সুবর্ণ সুযোগ চলে এসেছে। আর পদ্ধতিটাও একেবারেই সহজ। পূর্বঘোষণা দিয়ে এনবিআর আলোচিত পর্ননায়িকার অনুষ্ঠানস্থলে সকাল থেকে কাউন্টার বসিয়ে বসে যাবেন। যারা সর্বনিম্ন ১৫ হাজার টাকা থেকে লাখ টাকার টিকিট কেটে ব্যভিচার দেখতে ঢুকতে যাবেন তাদের প্রত্যেকের কাছে আয়কর ও টিন নম্বরের হিসাবটা জেনে নেবেন। যারা দেখাতে পারবেন না, সোজা আয়কর ফাঁকির মামলা ঠুকে দেবেন। তখন কতজন আনন্দ ফুর্তি করতে পারে, তা নিমেষেই দেখা যাবে। 

    সাত : 

    আসলে গোটা বিশ্ব আজ মারাত্মক অশ্লীলতার মহামারীতে ভুগছে। আমাদের দেশেও আজ অভিজাত রাস্তায় নানা রকমের লাউঞ্জ, ক্লাব, হোটেল, পারলার আর সিসা ক্যাফেতে চলছে নারী-পুরুষের অবাধ বেহায়াপনা। বিয়েবাড়ি আর গায়ে হলুদের অনুষ্ঠানে মা-বাবা-মুরব্বিদের সাথে পর্যন্ত হিন্দি গানের সুরে অশ্লীল অঙ্গভঙ্গি করে নাচানাচি করে আনন্দ করাটা এখন আর যেন দোষের কিছুই না! সবাই করছে, তাই আমি করতে অসুবিধা কোথায়? পাছে লোকে না আমাকে মৌলবাদী-রাজাকার বলে গালি দেয় এই ভয়ে মুরব্বিরা পর্যন্ত এখন মুখ খুলতে নারাজ। এ দেশে অ্যামিউজমেন্ট-রিক্রিয়েশন ক্লাবগুলোর নামে প্রকাশ্যে চলছে মদের বেচাকেনা। বড়লোকদের আভিজাত্যের কাছে যেন হালাল হয়ে গেছে এসব কিছু। গভীর রাত পর্যন্ত ছেলেমেয়েরা জম্পেশ আড্ডা দিয়ে রোমান্টিক আলোর মূর্ছনায় সেবন করছে মাদকের নীল নেশা। তরুণ সমাজের হাতের নাগালে চলে এসেছে দ্রুতগতির ইন্টারনেট জগৎ। শত-সহস্র পর্নসাইট দিয়ে ভরে গেছে এসব কিছু। সম্প্রতি ভারতে বন্ধ করে দেয়া হয়েছে সব পর্নসাইট। কিন্তু আমরা ঠিকই চলছি নিয়ন্ত্রণহীন গতিতে। মোবাইল ফোন কোম্পানিগুলোর কোটি কোটি টাকার বিজ্ঞাপন আর টাকার পাহাড়ের দাপটে সবাই যেন নিশ্চুপ! তাদের চোখ রাঙানিতে খোদ সরকার পর্যন্ত ঘায়েল হয়ে আছে। সমাজের উঁচু শ্রেণীর ক্লাবগুলো যেন নিরাপদ ও শান্তিতে মদ্যপানের অভয়াশ্রম! কোটি কোটি টাকা খরচ করে পাঁচতারকা হোটেলে নর্তকী নাচিয়ে যেন আমরা সম্ভ্রান্ত হতে চলেছি! সমাজের এই বিকৃত নব্যবিত্তবানদের জন্য নেই কোনো ড্রাগ, নারকোটিকস, লিকার আইন! র‌্যাব-পুলিশ-ম্যাজিস্ট্রেটরা অসামাজিক কর্মকাণ্ডের অভিযোগে এদের ক্লাবগুলোতে হানা দেয়ার কোনো ক্ষমতাই রাখেন না। সাধ্য নেই কারো এসব নিয়ে কোনো রকম প্রশ্ন করার। দেশের নীতিনির্ধারক ও কর্তাব্যক্তিরা এ ব্যাপারে যেন মুখে কুলুপ এঁটে বসে আছেন দিব্যি। সুশীলসমাজ বা রাজনীতিবিদদেরও যেন কিছুই করার নেই। আমরা সবাই হয়তো ভুলেই গেছি মহান আল্লাহর সতর্ক বার্তা, 'যারা পছন্দ করে যে, ঈমানদারদের মধ্যে অশ্লীলতার প্রসার লাভ করুক, তাদের জন্য ইহকাল ও পরকালে যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি রয়েছে।'তাই আগে নিজেকেই বরং প্রশ্ন করি, আমি নিজে কোনটাকে পছন্দ করি? 

    লেখক : সুপ্রিম কোর্টের আইনজ্ঞ ও সংবিধান বিশেষজ্ঞ। 

    ই-মেইল : drtuhinmalik@hotmail.com

    --
    Pl see my blogs;


    Feel free -- and I request you -- to forward this newsletter to your lists and friends!

    0 0


    Times of India
    Daily Newsletter | Tuesday, September 01, 2015
    fb twitter googleplus
    TOP HEADLINES
    -- 
    Srinagar, Mumbai among top 5 cities surfing net to track ISIS-related activity
    The government may claim a "very limited" influence of Islamic State (ISIS) among Indian Muslims, but that has not kept the curious young from closely following its activities and outreach on social media.
    Forger, Indrani wrote 21 mails on Sheena's sign
    Police probing the Sheena Bora murder case have found that 21 emails were exchanged between Indrani Mukerjea and her staffer who allegedly forged Sheena's signature after the murder at Indrani's behest.
    Indrani, Khanna 'seated' Sheena's body b/w them
    Chilling facts keep tumbling out in the Sheena Bora murder case. The newest is that Sheena Bora's corpse was kept in a sitting position on the rear seat of the car, between former INX CEO Indrani Mukhrjea and her second husband Sanjeev Khanna, as they drove all the way to Pen the morning after the murder to dump the body.
    CITIES MORE »
    Fight over stale food claims life in Delhi
    A 24-year-old youth, who was allegedly beaten up by a dhaba owner and its staff, succumbed to his injuries on Monday morning.
    Vasai senior citizen in depression hangs self in balcony
    A senior citizen was found hanging from the balcony of his Vasai flat on Monday morning. He was reportedly depressed following his wife's death.
    After 5 years, dengue cases cross 800 mark in Delhi
    The capital has reported 301 dengue cases in the past one week, the civic bodies said on Monday. At least 830 cases have been recorded this year
    TECH MORE »
    Windows 10, one month later: The good & the bad
    It's been almost a month that we've been using a Windows 10 PC+tablet hybrid to find out if it's worth an upgrade.
    Prepare a new dossier! Pakistan's cyber Mujahideen hit India
    Financial institutes have been facing a growing number of cyber attacks.
    Blogger gets legal notice for using Flipkart logo
    Flipkart has sent a cease and desist letter alleging copyright infringement and cyber squatting.
    SPORTS MORE »
    3rd Test: Ishant raises expectations of series victory
    Sri Lanka ended the fourth day on 67/3, needing a further 319 runs to beat India and take the series.
    Talking Points: Ashwin returns, Ishant fired up
    TOI Sports recaps the key moments from day four at the SSC.
    Gavaskar denounces on-field scuffles during Lanka series
    Gavaskar loathed the way Indian and Lankan cricketers got involved in ugly on-field altercations, saying such incidents are poor advertisement for the sport.
    BUSINESS MORE »
    HDFC Bank cuts rate by 35bps to 9.35%
    In a move that will put pressure on other lenders to cut rates, HDFC Bank has slashed its base rate by 35 basis points to 9.35% from 9.7% earlier.
    Q1 GDP growth slows to 7%, spurs calls
    The country's economic growth slowed in the April-June quarter triggering calls for a cut in interest rates and deeper reforms to accelerate the momentum.
    RBI to look at positive factors: FM
    Finance minister Arun Jaitley has said that the Reserve Bank of India (RBI) will take note of the fact that inflation is broadly under control, oil and commodity prices are low and prospects of a better-than-expected agricultural production, when it reviews monetary policy.
    ENTERTAINMENT MORE »
    Stars who have never put on weight
    Here is a list of actresses who we feel have never put on weight. Read on.
    When glamorous beauties went de-glam
    Glamour is the most important ingredient in most of the Bollywood films. However, some actresses dared to face the camera sans their vanity kit and surprised us by looking their best. Here are some of the glamorous actresses who pulled off the de-glam look in films.
    Celebs and the career they never had
    While they may be top-notch stars today, a host of Bollywood celebrities had tried their luck at various other places before they got their big break. Here's a list of stars and the career they never had. Read on to find out...
    Pl see my blogs;


    Feel free -- and I request you -- to forward this newsletter to your lists and friends!

    0 0

    অবৈধ ভিওআইপিতে ভিআইপিরা

    * রাঘব-বোয়ালদের কারণে বন্ধ হচ্ছে না * এই টাকায় হতো চারটি পদ্মা সেতু

    অপ্রতিরোধ্য হয়ে উঠেছে অবৈধ বৈদেশিক টেলিফোন কল আদান-প্রদানের ভয়েস ওভার ইন্টারনেট প্রটোকল (ভিওআইপি) বাণিজ্য। গত তিন বছরে এ অবৈধ বাণিজ্যের মাধ্যমে সংঘবদ্ধ সিন্ডিকেট হাতিয়ে নিয়েছে অন্তত ১৫ হাজার কোটি টাকা। ধরাছোঁয়ার বাইরে অবস্থানকারী রাঘব-বোয়ালদের প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ সহায়তায় নানামুখী সিন্ডিকেট এই অবৈধ ভিওআইপি করে চলেছে। 

    দেশে-বিদেশে অবস্থানকারী প্রভাবশালী চক্রের নেটওয়ার্কের কাছে আইন প্রয়োগকারী সংস্থাও অনেকটা জিম্মি। ফলে মাঝেমধ্যে অভিযান পরিচালিত হলেও বেশির ভাগ সময় তারা নীরব অবস্থানে থাকে। এ কারণে লুটেরা সিন্ডিকেট নিজেদের ধরাছোঁয়ার বাইরে মনে করছে। অথচ অবৈধ ভিওআইপি ব্যবসা থেকে সরকারের যে বিপুল পরিমাণ টাকা সিন্ডিকেট লুটে নিয়েছে, তা দিয়ে কয়েকটি পদ্মা সেতু নির্মাণ করা সম্ভব হতো।

    এ সিন্ডিকেটের সঙ্গে যোগসাজশের মাধ্যমে রাজধানীসহ সারা দেশে জমে উঠেছে অবৈধ ভিওআইপি বাণিজ্য। দেশি ব্যবসায়ীদের পাশাপাশি বড় আকারে এ বাণিজ্য ফেঁদে বসেছেন বিদেশিরা। র‌্যাবসহ পুলিশ ও গোয়েন্দা বিভাগের অব্যাহত অভিযানে মাত্র ছয় মাসেই ২৬ জন বিদেশিসহ দুই শতাধিক ভিওআইপি ব্যবসায়ীকে ধরা সম্ভব হয়েছে। তাদের কাছ থেকে উদ্ধার করা হয়েছে চার হাজার কোটি টাকা মূল্যমানের সরঞ্জাম। 

    এর পরও থেমে নেই ভিওআইপির অবৈধ বাণিজ্যিক কর্মকাণ্ড। মূল নায়করা ধরাছোঁয়ার বাইরে থাকায় বন্ধ হচ্ছে না এই ভিওআইপি ব্যবসা।ইতিমধ্যে ৮১৩ কোটি টাকা সরকারি রাজস্ব ক্ষতি ও আত্মসাতের সঙ্গে জড়িত অভিযোগে বিটিসিএলের অনেক কর্মকর্তার বিরুদ্ধে পৃথক পাঁচটি মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। পাঁচ মামলার বিবরণে দেখা যায়, সিঙ্গাপুরের প্রাইভেট ক্যারিয়ার ডিজিটেক ৯৬ কোটি ৪১ লাখ ৯৯ হাজার ৪৬৪ টাকা, আই পাওয়ার ৪৪ কোটি ৯৬ লাখ ৯৪ হাজার ১৭৭ টাকা ও এনটিএস গ্লোবাল ২৪ কোটি ৩৯ লাখ ৫৩ হাজার ৩২৮ টাকা, যুক্তরাষ্ট্রের অ্যারিস্টো কল ১৫ কোটি ৫১ লাখ চার হাজার ১০৭ টাকা এবং যুক্তরাজ্যের সিম্পল টেলিকম আÍসাৎ করেছে ২৩ কোটি ৬৯ লাখ ৬০ হাজার ২৯২ টাকা। 

    এদিকে সাম্প্রতিক সময়ে সর্বাধুনিক প্রযুক্তি রেডিওলিঙ্কের মাধ্যমে রাজধানীর ভিআইপি এলাকায় বিস্তৃত হচ্ছে অবৈধ ভিওআইপি ব্যবসা। রাজধানীতে হাই ফ্রিকোয়েন্সি রেডিওলিঙ্ক ব্যবহার করে ভিওআইপির অবৈধ ব্যবসা করছেন অনেকে। রাজধানী ছাড়াও এ প্রযুক্তির মাধ্যমে অবৈধ ভিওআইপি ব্যবসা ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়েছে বিভাগীয় ও বড় জেলা শহর এবং দেশের সীমান্ত এলাকায়। একদিকে অত্যাধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার, অন্যদিকে ভিআইপিদের সংশ্লিষ্টতায় অবৈধ ভিওআইপি ব্যবসায়ীদের সামনে অসহায় হয়ে পড়েছে বিটিআরসি। অবৈধ বাণিজ্যের কবলে গত তিন মাসেই সরকার রাজস্ব হারিয়েছে ৩১৬ কোটি টাকা। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে এসব তথ্য।

    জানা গেছে, দেশে ও বিদেশে অবস্থানকারী প্রভাবশালী ব্যক্তিবর্গ, ব্যবসায়ী, রাজনৈতিক নেতা, টেলিকম মন্ত্রণালয়, রেগুলেটরি সংস্থা বিটিআরসির কতিপয় কর্মকর্তার সমন্বয়ে গঠিত একটি শক্তিশালী সিন্ডিকেট অবৈধ এ ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে। প্রতি মাসে হাজার হাজার কোটি টাকা বিদেশে পাচার করে ভাগ-বাটোয়ারা করে লুটে নিচ্ছেন সিন্ডিকেট সদস্যরা। প্রভাবশালীরা এতটাই শক্তিশালী যে তাদের কারণে কোনোভাবেই বন্ধ করা যাচ্ছে না এই অবৈধ বাণিজ্য। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সরকারের যে বিপুল পরিমাণ টাকা সিন্ডিকেট লুটে নিয়েছে, অবৈধ ভিওআইপি ব্যবসা করা হলে ওই টাকায় দেশে চারটি পদ্মা সেতু নির্মাণ করা সম্ভব হতো।

    বিটিআরসির এক দায়িত্বশীল কর্মকর্তা জানান, রাজধানীর ভিআইপি এলাকায় বেশ কিছু বাড়ি চিহ্নিত হয়েছে, যেগুলোতে পরিচালিত হচ্ছে অবৈধ ভিওআইপি। কিন্তু এ বাড়িগুলো ভিআইপি ব্যক্তিদের। এ ছাড়া গুলশান-২ এলাকায় একটি বাড়িকে তারা চিহ্নিত করেছেন, যেটি থেকে অবৈধ ভিওআইপি ব্যবসার অনেকাংশ নিয়ন্ত্রণ হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, রাতারাতি কাঁচা টাকা কামানোর অন্যতম মাধ্যম অবৈধ ভিওআইপি ব্যবসা এখন রাজধানীর বিভিন্ন আবাসিক এলাকায় ছড়িয়ে পড়েছে। বিশেষ করে ভিআইপি এলাকায় ভিআইপি হিসেবে পরিচিত কিছু ব্যক্তির ফ্ল্যাট ও অ্যাপার্টমেন্টে অবাধে চলছে এ ব্যবসা। কিন্তু ভিআইপি ব্যক্তিদের সেসব ফ্ল্যাট ও অ্যাপার্টমেন্টে অভিযানের সাহস দেখাচ্ছে না কেউ। আবার অনেক ক্ষেত্রে অভিযান চালালেই সংশ্লিষ্টদের পড়তে হচ্ছে ঝামেলায়। অভিযানের সঙ্গে সঙ্গে বিশেষ কিছু জায়গা থেকে ফোন চলে আসছে এবং জড়িতদের ছেড়ে দেওয়াসহ ওই সব স্থানে অভিযানেও থাকছে অলিখিত নিষেধাজ্ঞা। 

    বিটিআরসি ও তথ্যপ্রযুক্তি বিশেষজ্ঞদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, দীর্ঘদিন এ ব্যবসা রাজধানী ঢাকা, চট্টগ্রাম ও সিলেটে সীমাবদ্ধ থাকলেও এখন তা ছড়িয়ে পড়েছে বিভাগীয় এবং দেশের বড় শহরগুলোতে। এ ব্যবসা চলছে অত্যাধুনিক রেডিওলিঙ্ক প্রযুক্তির মাধ্যমে। এদিকে অবৈধ ভিওআইপি বন্ধে নানা পদক্ষেপ নিলেও সুফল মিলছে না। গত কয়েক মাসে অবৈধ ভিওআইপি বাণিজ্যের অভিযোগে ৭১ লাখ মোবাইল সিম ও এক লাখ আইটি অ্যাড্রেস বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। কয়েকটি মোবাইল অপারেটরকে করা হয়েছে মোটা অঙ্কের জরিমানা। তবু থামছে না সর্বগ্রাসী এ বাণিজ্য। সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকেও অবৈধ ভিওআইপি কল টার্মিনেশন বন্ধে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়কে তাগিদ দেওয়া হয়েছে। এক চিঠিতে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে যত শিগগির সম্ভব ভিওআইপি মনিটরিংয়ের জন্য সিএমএস স্থাপনের। একই সঙ্গে অবৈধ ভিওআইপি কল টার্মিনেশন বন্ধে মহাখালী ও মগবাজার টেলিফোন এক্সচেঞ্জের কর্মকর্তাদের প্রতি নজরদারি বাড়ানোর পরামর্শও দেওয়া হয়।সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, অবৈধ ভিওআইপি সিন্ডিকেটের হোতারা গত বছর বিটিসিএলের দেড় হাজার কোটিরও বেশি টাকা বিদেশে পাচার করেছে। বিটিসিএলের আরেকটি প্রকল্প কৌশলে অনুমোদন করিয়ে নিয়ে এখান থেকে ২৫ কোটি টাকা আত্মসাতের সব বন্দোবস্ত পাকা করেছে একই চক্র। 

    দুদকের তদন্তে প্রমাণিত অবৈধ ভিওআইপি দুর্নীতির মামলায় অভিযুক্ত বিটিসিএলের উচ্চপর্যায়ের এক কর্মকর্তা আসামি হলেও তিনি ধরাছোঁয়ার বাইরে। এ ছাড়া অবৈধ ভিওআইপি গডফাদার খ্যাত বিটিসিএলের এক কর্মকর্তা, যিনি বারবার চাকরি থেকে বরখাস্ত হয়েছেন, একাধিক ফৌজদারি ও দুর্নীতির মামলায় অভিযুক্ত হয়ে গ্রেফতার হয়েছেন তিনি। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অর্থনৈতিকভাবে দেশকে পঙ্গু করা এই ব্যবসা বন্ধে সরকারের কোনো পদক্ষেপই কাজে আসছে না। রাঘব-বোয়ালরা সরাসরি জড়িত থাকায় কোনোভাবেই বন্ধ করা যাচ্ছে না অবৈধ ভিওআইপি। 

    হালে পরিস্থিতি এমন ভয়ঙ্কর পর্যায়ে পৌঁছেছে যে, অবৈধ এ ব্যবসার প্রসারে সরকারের উচ্চপর্যায় রীতিমতো উদ্বিগ্ন।ক্ষমতাসীন সরকার তার বিগত মেয়াদে এ খাত থেকে মহালুটপাট বন্ধ করতে পারেনি। বরং অভিযোগ রয়েছে, ক্ষমতাসীনদের রাজনৈতিক প্রভাবের ছত্রচ্ছায়ায় থেকে দেশি-বিদেশি অবৈধ ভিওআইপি কারবারিদের সিন্ডিকেটের ব্যাপকতা আরও বেড়ে যায়। ক্ষমতাসীন দলের প্রভাবশালীরা একের পর এক ইন্টারন্যাশনাল গেটওয়ের (আইজিডব্লিউ) লাইসেন্স নিয়ে জড়িয়ে পড়েন ভিওআইপির মাধ্যমে অবৈধ কল টার্মিনেশনে। 

    বিভিন্ন গবেষণা সংস্থার প্রাপ্ত তথ্য ও টেলিকম বিশেষজ্ঞদের অভিমত, অবৈধ আন্তর্জাতিক কল টার্মিনেশনে গত পাঁচ বছরে প্রায় চার হাজার কোটি টাকার রাজস্ব হারিয়েছে সরকার। আর কল চুরি থেকে গত পাঁচ বছরে অবৈধ আন্তর্জাতিক কল ব্যবসায়ী সিন্ডিকেটের আয় হয়েছে প্রায় ১২ হাজার কোটি টাকা। অনুসন্ধানে জানা গেছে, প্রশাসনের জ্ঞাতসারেই অবৈধ ভিওআইপি ব্যবসা থেকে বছরে হাজার হাজার কোটি টাকা লুটে নিয়েছে প্রভাবশালী চক্র। একসময় এই হাইটেক ব্যবসা গোপনে চললেও এখন তা অনেকটাই ওপেন সিক্রেট। 

    মাঝেমধ্যে বিটিআরসি সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে লোক-দেখানো অভিযান চালালেও তাতে কোনো ফল আসছে না। অভিযোগ আছে, সংস্থাটির শীর্ষ কয়েকজন কর্মকর্তার মদদে রাঘব-বোয়ালরা নির্বিঘ্নে চালিয়ে যাচ্ছে এ অবৈধ বাণিজ্য। বিটিআরসির কর্মকর্তাদের তথ্যমতে, রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান বিটিসিএল ও মোবাইল ফোন অপারেটর কোম্পানি টেলিটকের মাধ্যমেই পরিচালিত হচ্ছে সিংহভাগ অবৈধ ভিওআইপি ব্যবসা। ২০০৮ থেকে চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত বিটিআরসির মনিটরিং বিভাগের প্রতিবেদন অনুযায়ী, অবৈধ ভিওআইপির শীর্ষে ছিল বিটিসিএল ও টেলিটক। প্রতিষ্ঠান দুটিকে বারবার সতর্ক করা হলেও পরিস্থিতির উন্নতি হয়নি।

    এ নিয়ে বিটিআরসি, টেলিযোগাযোগ সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটি ও দুদক একসঙ্গে অনুসন্ধান শুরু করে। ২০১৩ ও ২০১৪ সালে বিটিসিএলের ২৬ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মামলাও করে দুদক। কিন্তু রাঘব-বোয়ালরা ধরাছোঁয়ার বাইরেই থেকে যায়। এর আগে ১৭ এপ্রিল রাজধানীর বংশাল এলাকা থেকে বিপুল পরিমাণ অবৈধ ভিওআইপি সরঞ্জাম জব্দ করে র‌্যাব-১০। ৪ মে চট্টগ্রাম নগরীর মেহেদীবাগ, চট্টেশ্বরী রোড, খাতুনগঞ্জ ও চকবাজারে অভিযান চালিয়ে দুই কোটি টাকার অবৈধ ভিওআইপি সরঞ্জামসহ নয়জনকে আটক করা হয়। ৬ মে রাজধানীর কল্যাণপুরের ২২ নম্বর লেকভিউ সড়কের ৪১৩/এ নম্বর বাসা থেকে বিপুল পরিমাণ ভিওআইপি সরঞ্জাম উদ্ধার করে সংস্থাটি। ১৮ মে চট্টগ্রাম নগরীর হালিশহর এলাকায় অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ ভিওআইপি সরঞ্জামসহ একজনকে আটক করা হয়। এ ছাড়া রাজধানীতে মিষ্টির দোকানের আড়ালে এ ব্যবসা করার অভিনব কায়দাও পুলিশ ফাঁস করেছে। 

    জানা গেছে, অবৈধ ভিওআইপি ব্যবসায় জড়িত থাকার অভিযোগে গত এক দশকে সাড়ে ছয় হাজার মামলা হলেও কারও সাজা হয়নি। প্রভাবশালীদের দৌরাÍ্য ও সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর গাফিলতি আর আইনের ফাঁকফোকরে ঝুলে আছে মামলাগুলো। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তথ্য ও আদালত সূত্রে জানা গেছে, দেশের বিভিন্ন আদালতে প্রায় সাড়ে ছয় হাজার অবৈধ ভিওআইপির মামলা রয়েছে। এর মধ্যে অবৈধ ভিওআইপি ব্যবসায় সরাসরি জড়িত থাকার অভিযোগে করা মামলার সংখ্যা দেড় হাজার।

    --
    Pl see my blogs;


    Feel free -- and I request you -- to forward this newsletter to your lists and friends!

    0 0



    Dear Friend,
    A year after we began, the National Sikh Campaign (NSC) is on the brink of some exciting news: A New Website is Being Developed!

    In the coming months, we are launching a monumental new website to tell the story of Sikhs and Sikhism in the United States. We'll also be developing and releasing a tested media advertisement with the help of the Obama's media team that will portray Sikhs and convey Sikh values to millions of homes across the United States.
     
    The website will serve as a premiere one-stop, immersive resource for non-Sikhs to learn, understand and connect with Sikh people and values. Skyrocket Digital, an elite digital branding agency, has started working with us and will build the website, which will focus on Sikhism's values and create a web experience to communicate those tenets.

    The content of the website will be driven by extensive data and polling from ourhistoric report that found the specific facts, images and stories we need to convey to build a greater understanding and awareness of Sikhism. The site will also utilize images that challenge the misconceptions and stereotypes that surround Sikh with western audiences.

    We have had a successful year, but we still need your help as NSC starts the next phase of our thriving campaign so please join our Los Angeles gala onSunday September 13th at 5:30pm. This is your opportunity to join the campaign and help direct our strategy.

    Purchase your tickets online and persuade your friends and loved ones to join! You can also RSVP with Dr. Surinder Daragan at drskdmd@gmail.com or call at 714-401-3214.

    Thank you for supporting this effective and well planned strategy to create awareness about Sikhs. Your contribution will ensure that this campaign succeeds and we build a new future for Sikhs in America.  

    Looking forward to your presence.

    Sincerely, 

    The National Sikh Campaign Team

    National Sikh Campaign's Los Angeles Event on September 13, 2015
    Dr. Rajwant Singh, Dr. Surinder Dargan and Deepinder Singh Invite You to Join NSC in Los Angeles!

    Ad Campaign for Sikhs in America
    Dr. Rajwant Singh Speaks on a Comprehensive Campaign in America 

     
    Forward this email



    This email was sent to palashbiswaskl@gmail.com by gurwin@sikhcampaign.org  


    National Sikh Campaign | 1160 1st NE PH19 | Washington | DC | 20002
    --
    Pl see my blogs;


    Feel free -- and I request you -- to forward this newsletter to your lists and friends!

    0 0


    অমিত কুমার দাস এবং রাজীব বাড়ৈ

    নয়ন চ্যাটার্জি

    গ্রেপ্তার অমিত কুমার দাস (বাঁয়ে) ও রাজীব বাড়ৈ
    বান্ধবীকে নিয়ে গল্প করতে করতে হাটছিলো আনসার আলী লিমন (২৮)। ঠিক সেই মুহুর্তে দুইজনকে ঘিরে ধরলো ৫ যুবক । কিছু বুঝে ওঠার আগেই একদিকে লিমন, আর অন্যদিকে অন্ধকারে বান্ধবিকে নিয়ে গেলো তারা। মুহুর্তেই তাদের সঙ্গে যোগ দিলো আরো ১০ থেকে ১৫ জন। যেন সব কিছু নিখুত প্লান করা ! এরপর চাপাতি ঠেকিয়ে কেড়ে কেড়ে নেওয়া হলো সাধের স্মার্ট ফোন আর মানিব্যাগ। এরপর শুরু হলো লাগাতার চড়-থাপ্পর আর কিল-ঘুষি। এরপর চাপাতি গলায় ধরে বলা হলো- এটিএম কার্ডের পিন নম্বর দিতে।
    লিমন জানে, তাতে আছে অনেকগুলো জমানো টাকা। স্বভাবতই দিতে ইততস্থ করছিলো সে। ঠিক সেই সময় একজনের চিৎকার করে বলে উঠলো-"কার্ডের পিন দিবি না, তাইলে মাইয়াডারে সবাই মিলে ধর্ষণ করুম।"
    বাধ্য হয়েই পিন কার্ড দিয়ে দিলো লিমন। ওরা মুহুর্তেই ৫০ হাজার টাকা তুলে নিলো টিএসসির বুথ থেকে। টাকা তোলার বিষয়টি নিশ্চিত হয়ে ছেড়ে দেওয়া হলো বান্ধবীকে। ততক্ষণে অন্ধকারে মেয়েটির সঙ্গে যা ঘটেছে তাতে সারা জীবন এক আতঙ্ক সে বয়ে বেড়াবে নিশ্চিত।
    প্রায় দুই সপ্তাহ খোজা-খুঁজির পর খোজ মিললো অপরাধীদের। ডিবি ও পুলিশের তথ্য এবং এটিএম বুথের সিসিটিভি ফুটেজের ভিত্তিতে লিমন ও তার বন্ধুরা অসীম চেষ্টায় অপরাধীদের সনাক্ত করতে সক্ষম হয়। লিমন আগেই বিশেষ সূত্রে জেনেছিলো, অপরাধীরা জগন্নাথ হলে থাকে। ঐ দিন ঘটনার মূল নেতৃত্ব দিয়েছিলো জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র অমিত কুমার দাস। আর তাকে সহযোগীতায় ছিলো ঢাবি ছাত্র রাজীব বাড়ৈ। ঘটনাক্রমে ধরা পরলো ঘটনার মূল হোতা অমিত ও রাজীব। থানায় এনে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে অমিত সব স্বীকার করলো। বললো, কমপক্ষে ১৬ জনের একটি দল তার সঙ্গে রয়েছে, যারা এই কাজ করে। এদের মধ্যে পুলিশকে সে ১২ জনের একটি তালিকা দিয়েছে । ঐ রাতে ছিনতাই করা ৫০ হাজার টাকা ভাগাভাগিতে সেও ৪ হাজার টাকা করে পেয়েছে।

    সংখ্যালঘু পরিচয়ে তারা ইমোশনাল ব্ল্যাকমেইল করে, কিন্তু সুযোগ পেলেই খুলে যায় মুখোশ, বের হয় হিংস্র দাত। খুঁটির জোরে ছাগলের গায়ের জোর ভালোই বেড়েছে।

    __._,_.___
    --
    Pl see my blogs;


    Feel free -- and I request you -- to forward this newsletter to your lists and friends!

    0 0


    শিবিরের হল সভাপতিকে আটকে রেখে নির্যাতনকারীরা ছাত্রলীগের

     ডেস্ক রিপোর্ট « আগের সংবাদ Why police detain Shibir boys without any offence , only because Chatra League or Hall Provost hand them over to police.This practice must stop. 
    8
    পরের সংবাদ»  ৩১ আগস্ট ২০১৫, ১৬:৫৪ অপরাহ্ন
    রাবি: রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (রাবি) 'সৈয়দ আমীর আলী হল'- এ শিবিরের উপর হামলা চালিয়েছে ছাত্রলীগ।
    আজ সোমবার সন্ধ্যা পৌনে ৮ টার দিকে হলের বিদ্যুৎ বন্ধ করে ছাত্রলীগ এ হামলা চালায়। এসময় হল প্রাধ্যক্ষের কক্ষ ভাঙচুর করে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা।
    বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের বহষ্কিৃত সভাপতি মাহবুবুর রহমান পলাশ ও বহিষ্কৃত সাংগঠনিক সম্পাদক সামসুজ্জামান ইমন, ছাত্রলীগ নেতা তরিকুল ইসলাম বাবু, হাফিজুর রহমান হাফিজ ও সুজনের নেতৃত্বে সন্ধ্যায় ছাত্রলীগের কিছু মুখোশধারী ক্যাডার বিভিন্ন অস্ত্র নিয়ে সৈয়দ আমীর আলী হলে হানা দেয়। তারা রুমে রুমে ঢুকে শিরির নেতা-কর্মীদের খুঁজতে থাকে। এসময় তারা হলের আসবাবপত্র ভাংচুর করে এবং কয়েকজনকে বেধরক মারপিট করে।
    একপর্যায়ে ২০৯ নং রুমে ঢুকে আমীর আলী হল শাখা শিবিরের সভাপতি ওয়াহেদ মাহমুদকে নির্যাতন করে আটকে রাখে। এরপর তারা সৈয়দ আমীর আলী হলের প্রাধ্যক্ষ ড. মুস্তাফিজুর রহমানের কক্ষে হামলা চালায়। কক্ষে দরজা-জানালা ভাংচুর করে। এতে হল প্রাধ্যক্ষ তার রুমে প্রায় ঘণ্টাব্যাপী অবরুদ্ধ হয়ে থাকেন।
    মারপটি শেষে আমীর আলী হল শাখা শিবিরের সভাপতি ওয়াহেদ মাহমুদকে পুলিশের হাতে তুলে দেয় ছাত্রলীগ।
    এ বিষয়ে সৈয়দ আমীর আলী হল প্রাধ্যক্ষ ড. মুস্তাফিজুর রহমানের সঙ্গে মুঠোফোনে বারবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও সম্ভব হয়নি।
    এদিকে বিশ্ববিদ্যালয় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হল থেকে রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী মাইনুদ্দীন ও তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী সাদেকুল ইসলাম ও রাসেল নামে তিন শিবির কর্মীকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেছে ছাত্রলীগ। সোমবার সন্ধা ৭ টার দিকে তাদের পুলিশে সোপর্দ করা হয়।
    হল সূত্রে যানা যায়, বেশ কিছু দিন থেকে রাবির বঙ্গবন্ধু হলের ২১৫ নং রুমে অবস্থান করে আসছে সাদেকুল। সোমবার সকাল থেকে তাকে শিবির সন্দেহে জিজ্ঞাসা করে ছাত্রলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবুর রহমান পলাশ ও সিনিয়র সহ-সভাপতি মেহেদী হাসানসহ ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা। এক পর্যায়ে শিবিরের সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকার কথা স্বীকার করে সাদেকুল ইসলাম। এসময় তার মাধ্যমে শিবিরের সাথী মাইনুদ্দীনের সঙ্গে মোবাইলে কথা বলে ক্যাম্পাসে কেন্দ্রীয় মসজিদে এনে তাকেসহ রাসেলকে আটক করে ছাত্রলীগ নেতাকর্মীরা। পরে তাদেরকে বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগ সভাপতি মিজানুর রহমান রানার রুমে এনে জিজ্ঞাসাবাদ করে পুলিশে সোপর্দ করে ছাত্রলীগ।
    এ বিষয়ে রাবি ছাত্রলীগ সভাপতি মিজানুর রহমান রানা বলেন, তারা হলে গোপনে কার্যক্রম করে আসছিল। তাই বিভন্ন হলে অভিযান ও তাদেরকে চিহ্নিত করে পুলিশে সোপর্দ করা হচ্ছে।
    এ বিষয় রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় বঙ্গবন্ধু হল প্রাধ্যক্ষ এস এম জাহিদ হোসেন বলেন, তারা নিজেই শিবিরের কর্মী হিসেবে পরিচয় দেওয়ায় তাদেরকে পুলিশে সোপর্দ করা হয়েছে।
    মতিহার থানার ওসি হুমায়ন কবির বলেন, আমীর আলী হলে একটু সমস্যা হয়েছে। সেখানে অতিরিক্ত পুলিশ পাঠানো হয়েছে। এখন পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে। বঙ্গবন্ধু হলে তিন শিক্ষার্থীকে শিবির আখ্যা দিয়ে আমাদের কাছে সোপর্দ করেছে ছাত্রলীগ। তাদেরকে থানায় নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

    __._,_.___

    Posted by: Shah Abdul Hannan <shah_abdul_hannan@yahoo.com>
    --
    Pl see my blogs;


    Feel free -- and I request you -- to forward this newsletter to your lists and friends!

    0 0

    सर्वोच्च अदालत का आदेशः सरदार सरोवर प्रभावितो की शिकायत नि.घ.वि.प्रा. सुनवाई करे ।
    प्रेस नोट 

     नर्मदाघाटी ने लिया संकल्पः पहले किसान की जन्मस्थली चिखल्दा मे:डूबेगे पर हटेंगे। 
            बड़वानी | 1.08.2015: सर्वोच्च अदालत में कल 31 अगस्त 2015 के रोज हुई सुनवाई मे नर्मदा बचाओ आन्दोलन की पैरवी करने वाले अॅड. संजय पारीखजीेेने पहाड और निमाड के डूबप्रभावित क्षेत्र की सच्ची स्थिति सामाजिक न्याय खंडपीठ के न्या. मदन लोकूर एवं न्या.यू.यू. ललित के समक्ष रखी। 18 अक्टूबर 2000 के सर्वोच्च न्यायालय के फैसले के बाद, आदेष अनुसार नर्मदा नियंत्रण प्राधिकरण को बाुध की पूर्ण उॅचाई तक के प्रभावितो के पुनर्वास की योजना बनानी, प्रस्तुत करनी थी। आन्दोलन की और से इस बात की पोलखोल की गयी की नर्मदा नियंत्रण प्राधिकरण की ने केवल 100 मीटर उॅचाई पर प्रभावितो के लिए ही योजना बनाई, उसके आगे के हजारो प्रभावित परिवारो के लिए, जो बडवानी,ठीकरी,बढी कसरावद ,कुक्षी,मनावर ,धरमपुरी तहसीलो के गाॅंव गाॅंव मे है नही एक परिवार अॅड. संजय पारीख ने म.प्र और महाराष्ट्र षासन के अब डूब क्षेत्र मै किसी का भी पुनर्वास बाकी नही है, इस दावे को भी झुठा/गलत जाहिर करते हुए, यह भी बताया की नर्मदा नियंत्रण प्राधिकरण (छब्।) के ही 2014 से हर रिर्पोट मे 2143 परिवारो को जमीन देना बाकी बताया है। 
              न्यायपीठ ने याचिकाकर्ताओ की ताजा स्थिति का जायजा लेना अब षुरु किया,तब उस पर हर कागजात आधार लेकर, उनका भी पुनर्वास पुरा नही हुआ है और उनमे से हर एक के व्यक्ति की जो जानकारी षासन प्रस्तुत कर रही है, उसका प्रदाफाष किया। न्यायपीठ ने इस पर आदेष दिया की म.प्र. और महाराष्ट्र के प्रत्येक की 30 एवम 6 याचिका कर्ताओ की सुनवाई विषेष रुप से षिकायत निवारण प्राधिकरण (जी. आर.ए) 21 सितम्बर को करे। इन म.प्रदेष के 30 याचिका कर्ताओ मे सम्मिलित है, हिरदाराम भाई बावलिया खापरखेडा, जामसिंग भीलाला अमलाली, कैलाष भाई अवास्या भीलखेडा महाराष्ट्र के नुरजी काल्सा पाडवी, वणका डेटका, जुहान्या गन्या इन आदिवासीयो की भी सुनवाई होगी। अगली सुनवाई नवम्बर मे लगाई है, जबकि बरसात भर जीवन अधिकार सत्याग्रह मे जान लगाकर लडाई होगी। 
           संकल्प स्थम्भ पर चिखल्दा मे उजागर की यादेः पुर्नउच्चार हुआ संकल्प का 
    जीवन अधिकार सत्याग्राही आज चिखल्दा मे महात्मा गाॅंधी जी के पुतले के साथ संकल्प स्तम्भ पर इकटठे हुए और उन्होने ने अपने संकल्प को दोहराया। चिखल्दा गाॅंव मे एषिया खंड मे पहले किसान का जन्म हुआ, यह पुरात्तव षास्त्र की षोध होते हुए, यही 1996 से इचा के रखा संकल्प स्तम्भ आज मानव जीवित हो गया। चिखल्दा से धार जिले के मनावर ,कुक्षी, धरमपुरी तहसीलो के और बडवानी जिले के गाॅंव गाॅव के प्रतिनिधि हाजिर थे और संकल्प लेते समय, 1996 मे पुलिसो के द्वारा गाॅंव गाॅंव के संकल्प स्तम्भ तोडे गये थे, जब चिखल्दा ने अपना और अन्य कई गाॅंव का भी स्तम्भ भी बचाया गया था.....................इसकी याद दोहरायी गयी, जगन्नाथ काका, महेष षर्मा, भागीरथ धनगर, आदि ने आन्दोलन के भुत काल को भविष्य के साथ जोडकर ऐलान किया की "हम ताकत से चुनौती का सामना करे । "मेधा पाटकर ने संकल्प देते हुए ष् गाॅंधीजी के सपनो को, ग्राम सभा की आजादी और सही विकास की मंजिल तक पहॅुचाने का ष् ऐलान किया। ष् आज किसानो के मुददे और समस्याए भुमि अधिग्रहण से आत्म हात्या तक बढ चुकी है, जब इस आन्दोलन को आज भी एक एतिहासिक भुमिका, इस आघतन घाटी की प्रकृति और मानव अधिकार बचाने की, निभाने का समय आया है। ष्  

      कमला यादव         सन्नोबी          भागीरथ धनगर          देवेन्द्र तोमर
           संपर्करू 9806480723


    -- 


    *************************
    Narmada Bachao Andolan
    Narmada-Ashish, Off Kasravad Road,
    Navalpura, Badwani,
    Madhya Pradesh – 451551 
    Ph: 07290-291464; Fax: 07290-222549
    E-mail: medha.narmada@gmail.com ; 
                 nba.medha@gmail.com 
    Twitter:     @medhanarmada 
    Blog:        http://narmadabachaoandolan.wordpress.com/

    National Alliance of People's Movements
    National Office: Room No. 29-30, 1st floor, 'A' Wing, Haji Habib Bldg, Naigaon Cross Road, Dadar (E), Mumbai - 400 014; 

    6/6, Jangpura B, Mathura Road, New Delhi - 110014
    Phone : 011 2435 4737
    E-mail: napmindia@gmail.com  | Web : www.napm-india.org 
    www.facbook.com/napmindia | @napmindia 

    --
    Pl see my blogs;


    Feel free -- and I request you -- to forward this newsletter to your lists and friends!

    0 0


    अजा व अजजा को पदोन्नति के साथ वरिष्ठता छीनने वाले 1995 के निर्णय को सुप्रीम कोर्ट ने फिर दोहराया
    अजा व अजजा को पदोन्नति के साथ वरिष्ठता छीनने
    वाले 1995 के निर्णय को सुप्रीम कोर्ट ने फिर दोहराया!
    ==================================

    डॉ. पुरुषोत्तम मीणा 'निरंकुश'-राष्ट्रीय प्रमुख
    हक रक्षक दल सामाजिक संगठन-9875066111

    ओबीसी को आरक्षण प्रदान करने से सम्बन्धित सुप्रीम कोर्ट के चर्चित प्रकरण 'इन्द्रा शाहनी बनाम भारत संघ, एआईआर 1993 एससी 477' में सुप्रीम कोर्ट द्वारा बिना किसी पक्ष को सुने, बिना किसी पक्ष की चाहत के और बिना किसी आवेदन के एक तरफा निर्णय सुना दिया कि अजा एवं अजजा के लोक सेवकों को पदोन्नति में आरक्षण नहीं मिलेगा। इन्द्रा शाहनी मामले में दूसरी बात यह कही गयी कि सरकारी नौकरियों में आरक्षण की अधिकतम सीमा 50 फीसदी से अधिक नहीं होगी। इन्द्रा शाहनी मामले के विरुद्ध देशभर के अजा एवं अजजा संगठनों अखिल भारतीय परिसंघ (लेखक इस परिसंघ का राष्ट्रीय महासचिव रहकर आन्दोलन में भागीदार रहा है) ने राष्ट्रव्यापी आन्दोलन छेड़ दिया।

    मजबूर होकर 1995 में संसद ने में 77वां संविधान संशोधन करके नया अनुच्छेद 16क जोड़कर संविधान में स्पष्ट व्यवस्था कर दी कि अजा एवं अजजा के लोक सेवकों को पदोन्नति में भी आरक्षण प्रदान किया जा सकेगा। इसके अलावा सन् 2000 में संविधान में 81वां संशोधन करके नया अनुच्छेद 16ख जोड़ा गया, जिसमें व्यवस्था की गयी कि आरक्षण की अधिकतम सीमा 50 फीसदी में पिछले सालों की बकाया आरक्षित रिक्तियों को नहीं गिना जायेगा।

    कुछ ही समय बाद आरक्षण विरोधियों की ओर से सुप्रीम कोर्ट का सहारा लिया गया और 'अजीत सिंह बनाम पंजाब राज्य, एआईआर 1999 एससी 347' मामले में सुप्रीम कोर्ट की पांच जजों की पीठ ने सर्वसम्मति से निर्णय सुनाया था कि-

    1. अनुच्छेद 16क कोई मूल अधिकार प्रदान नहीं करता है।
    2. आरक्षण कोटे के अन्तर्गत चयनित लोक सेवक, सामान्य कोटे में चयनित लोक सेवक के ऊपर अधिकार के रूप में अपनी वरिष्ठता का दावा नहीं कर सकते। और
    3. अजा एवं अजजा के लोक सेवकों को नियुक्ति/पदोन्नति प्रदान करते समय प्रशासन में कार्यकुशलता बनाये रखने पर भी ध्यान देना परम आवश्यक है।

    इस निर्णय का दुष्परिणाम यह हुआ कि अजा व अजजा के जो लोक सेवक नियुक्ति के समय अनारक्षित वर्गों के लोक सेवकों से वरिष्ठता सूची में तो कनिष्ठ थे, लेकिन उच्च श्रेणी में आरक्षित वर्ग की रिक्तियों में पहले पदोन्नति प्राप्त करके उनके वरिष्ठ और उनके बॉस बन चुके थे, वे पदोन्नत पद पर बाद में पदोन्नत होने वाले अनारक्षित वर्ग के लोक सेवकों से वरिष्ठ होकर भी कनिष्ठ माने गये।

    दूसरा दुष्प्रभाव यह हुआ कि प्रशासन को अधिकार मिल गया कि वह प्रशासन में कार्य कुशलता बनाये रखने के बहाने आरक्षित वर्ग के लोक सेवकों को अयोग्य मानते हुए पदोन्नति प्रदान करे या नहीं करे। इसके कारण देशभर में फिर से हाहाकार मच गया और फिर से आन्दोलन किया गया।

    सरकार फिर से झुकी और संसद ने संविधान में फिर से निम्न संशोधन किये-
    2000 में 82वां संविधान संशोधन करके के अनुच्छेद 335 में व्यवस्था की गयी कि आरक्षित वर्गों को नौकरियों में प्रतिनिधित्व प्रदान करते समय प्रशासन में कार्य कुशलता बनाये रखने पर ध्यान नहीं दिये बिना अर्हक योग्यताओं में छूट प्रदान की जा सकेगी।

    सन 2001 में संविधान में 85वां संशोधन करके के 77वें संशोध्न के जरिये जोड़े गये अनुच्छेद 16क को फिर से संशोधित करके स्पष्ट किया गया कि अजा एवं अजजा के लोक सेवकों को वरिष्ठता सहित पदोन्नति प्रदान की व्यवस्था होगी जो 77वें संविधान संशोधन की तारीख 17.06.1995 से ही लागू मानी जायेगी। जिसका साफ अर्थ यह हुआ कि 77वें संविधान संशोधन में ही वरिष्ठता सहित पदोन्नति प्रदान करने का संवैधानिक प्रावधान अनुच्छेद 16क में कर दिया गया।

    इसके बाद उपरोक्त सभी संशोधनों को 'एम नागराजन बनाम भारत संघ, 2006' के मामले में सुप्रीम कोर्ट समक्ष चुनौती देते हुए कहा गया कि संसद द्वारा ऐसे संशोधन नहीं किये ही जा सकते हैं। तो सुप्रीम कोर्ट ने कुछ शर्तों के आधार पर सभी संशोधनों को सही ठहराया, क्योंकि संविधान में सुप्रीम कोर्ट संसद के अधिकार से ऊपर नहीं है।

    'अजीत सिंह बनाम पंजाब राज्य, एआईआर 1999 एससी 347' मामले में सुप्रीम कोर्ट ने आरक्षित वर्गों को वरिष्ठता सहित पदोन्नति प्रदान करने का जो अधिकार निरस्त किया था, उसको निरस्त करने के लिये किये गये उपरोक्त संविधान संशोधनों के उपरान्त भी आरक्षण विरोधी मानसिकता के लोग चुप नहीं बैठे और सुप्रीम कोर्ट में फिर से मामला पेश किया गया।
    'एस पन्नीर सेलवम बनाम तमिलनाडू राज्य'मामले में 27.08.15 को सुप्रीम कोर्ट फरमाता है कि आरक्षित वर्गों के लोक सेवकों को पदोन्नति के साथ वरिष्ठता अपने आप नहीं मिल जाती है। इसके लिये सरकार को कानून बनाना होगा। कोर्ट ने कहा है कि वरिष्ठता कर्मचारी के कैरियर में बहुत महत्वपूर्ण होती है। अत: वरिष्ठता के सिद्धांत तर्कसंगत और निष्पक्ष होने चाहिए। आरक्षण पाना मौलिक अधिकार नहीं है, बल्कि ये एक सकारात्मक प्रावधान है। (जबकि इन्द्रा शाहनी प्रकरण में सुप्रीम कोर्ट की फुल बैंच आरक्षण को मूल अधिकार मान चुकी है) यदि सरकार को लगता है कि किसी वर्ग का सही प्रतिनिधित्व नहीं है तो वह आरक्षण का प्रावधान कर सकती है, लेकिन पदोन्नति पाने पर स्वत: ही परिणामी वरिष्ठता नहीं मिल सकती है। अगर सरकारी नीति और कानून में इसका प्रावधान नहीं है तो पदोन्नति पाने वाले लोक सेवक को परिणामी वरिष्ठता नहीं मिलेगी।

    अर्थात् आज की तारीख में आरक्षित वर्गों के लोक सेवकों को उच्च पदों पर मिलने वाली वरिष्ठता एक झटके में समाप्त की जा चुकी है। अब वही स्थित फिर से हो चुकी है जो 77वें और 85वें संविधान संशोधन से पहले थी। अर्थात् 2015 में जो सुप्रीम कोर्ट का निर्णय आया है, इससे हम बीस साल पहले की अर्थात् 17.06.1995 की स्थिति में पहुंच गये हैं। अब निकट भविष्य में बहुत जल्दी ही अजा एवं अजजा के लोक सेवकों की वरिष्ठता का फिर से पुनर्निधारण किया जाना शुरू होने वाला है। यदि हम अभी भी नहीं जागे तो आरक्षित वर्गों के लोक सेवकों का भविष्य निश्‍चित ही बर्बाद समझो। वर्तमान सरकारी मिजाज के रहते आने वाले समय में ऐसे अनेक और भी निर्णय आने की आशंका से इनकार नहीं किया जा सकता है।

    सुप्रीम कोर्ट के वर्तमान निर्णय को समझने के लिये मुझे पुराने सभी निर्णयों का उल्लेख करना जरूरी हो गया। जिससे कि मामला एक आम और कानूनी ज्ञान नहीं रखने वाले पाठक की समझ में आसानी से आ सके कि-आरक्षण को लेकर भारत देश की न्यायपालिका का दृष्टिकोण क्या है?
    -- 
    Pl see my blogs;


    Feel free -- and I request you -- to forward this newsletter to your lists and friends!

    0 0


    Feroze Mithiborwala

    Protest to condemn murder of M M Kalburgi!!

    Today the citizens of Bombay gathered at the Asiatic Society to condemn the murder of the secular progressive writer by the extremist violent elements of the Hindutva rightwing. This is the third murder after the loss of the rational reformist Narayan Dhabolkar and the great Writer and Thinker Com Pansare. All the 3 were murdered in the early hours of the morning. Leading citizens such as Anand Patwardhan Com Vasudevan Ram Puniyani Adv Susan Abraham Kapil Patil Subodh More and many other Human Rights activists, students, Trade Union leaders, all joined the protests. The police refused to let us continue our peaceful protest even as we stated that the same is our democratic right. We refused to be arrested and taken away in Police Vans and decided to march to Azad Maidan and despite opposition from the police, they escorted our march.







    0 0

    Today a protest march (From Asiatic library to Azad maidan) was organised condemning the killing of Prof. M. M. Kaliburgi. Various organisation and intellectuals like Anand Patwardhan, Ram Puniyani participated in the march. 
    Tomorrow a similar protest is being organised in Mumbai University as well. Please see the details and be there to extend your solidarity.
    ‪#‎Kalburgi‬ ‪#‎RSS‬ ‪#‎Modi‬ ‪#‎VHP‬







    0 0


    My dear friends , The manuwadis wanted to kill Guru Nanak at Batala by demolishing wall on him as prescribed by Chankya 's Arathshatra a book which is one of the six Hindu / Indo-Aryan philosophies . Guru Nanak skipped but they killed Saint Chokha Mela a Shudra in Maharashtra ! They killed Kanwar Naunihal Singh by demolishing a corridor on him as per prescribed by the Arathshashtra ! It is Anarathshashtra ( injustice book ) . Its Punjabi translation has been published by the Punjabi University , Patiala !








    --
    Pl see my blogs;


    Feel free -- and I request you -- to forward this newsletter to your lists and friends!

    0 0

    #SriLanka #Tamil #EnforcedDisappeared

    North-East marks International Day of Enforced Disappeared at Mannaar

    YouTubeSurvivors of the Tamil families of enforced disappeared from the 8 districts of Northern and Eastern provinces confluenced at Mannaar on Sunday at an…


    --
    Pl see my blogs;


    Feel free -- and I request you -- to forward this newsletter to your lists and friends!

    0 0

    বাজারে পেঁয়াজের দামের ঊধ্বর্গতি দেখে মনে হচ্ছে ভবিষ্যতে বিয়ের এঙ্গেজমেন্ট-এ রিংয়ের ডায়মন্ডের বদলে পেঁয়াজ বেঁধে দিতে হবে।

    FB_IMG_1440725746035.jpg

    --
    Pl see my blogs;


    Feel free -- and I request you -- to forward this newsletter to your lists and friends!

    0 0


    20वी सदी के श्रेष्ठ हिन्दू गाँधीजी की हत्या में RSS से जुड़े महाराष्ट् के कट्टरपंथी ब्राह्मण क्यों थे?

                                              

                     संघ की स्थापना के पूर्व  डॉ. हेडगेवार के कांग्रेस में सक्रीय होने के कारण कोंग्रेस के कई रुढिवादी ब्राह्मण नेताओ के साथ संघ के ब्राह्मण नेताओ का संपर्क था. कांग्रेस के कई बडे ब्राह्मण नेताओ का संघ को संरक्षण प्राप्त था.

    1948 में उतरप्रदेश के गृह सचिव रहे रामदयाल ने अपनी पुस्तक "लाइफ ऑफ अवर टाइम" की पृष्ठ संख्या 93-94 में इनकी पोल खोलते हुए लिखा है की -

                     "सांप्रदायिक तनाव के माहोल में दो बख्सो में भरी आपति जनक सामग्री आर.एस.एस. प्रमुख गोलवलकर की देख रेख में पहचानी थी. बख्सो मे पुरे प्रदेश (उतरप्रदेश) की मुस्लिम-बस्तियो के नक्शे और किस तरीके से सांप्रदायिक दंगे भडकाने है ? इसका वर्णन था. मेरे ह्रदय में इस बात का दुःख है की तत्कालीन मुख्यमंत्री गोविन्द वल्लभ पंत(ब्राह्मण नेता) से जब उस समय गोलवलकर की उनके पते पर धरपकड और भिन्न भिन्न स्थानों पर छापे मारने की आज्ञा चाही तो उन्हों ने तत्परता दिखाने के बदले कहा की केबिनेट इस पर विचार करेगी."

                     "केबिनेट में न तो पुलिस अधिकारियो की इस प्रकार की कार्यवाही की प्रसंशा हुई और न उल्लेख ही किया गया और न तत्काल कार्यवाही करने का कोई निर्णय ही लिया गया वरना  तय यह किया गया कि गोलवलकर को पत्र लिखकर चेतावनी दी जाए. आश्चर्य तो इस बात का है कि पंत ने यह पत्र स्वयं लिखने कि बजाय मुझे लिखने के लिए कहा. उस समय कांग्रेस में संघ कि तरफ सहानुभूति रखने वाले कितने ही लोग (ब्राह्मण) थे. उससे उपरी सदन में पीठासीन अधिकारी आत्मा गोविन्द खेर (ब्राह्मण) शामिल थे. संघ की कारगुजारिया चालू रही. ऐसे ही माहोल में कुछ दिनों बाद 30 जनवरी 1948 को शांति के पुजारी कि छाती मे गोली दाग कर, आरएसएस के एक ब्राह्मण स्वयंसेवक ने  हत्या कर दी. उतरप्रदेश सरकार कि टालमटोल और अनिर्णय का ऐसा गंभीर परिणाम आया कि उसका विचार आते ही मेरे ह्रदय में  टीस उठती है."

                     30 जनवरी 1948 के दिन किसीने गोली मारकर महात्मा गाँधी कि हत्या कर दी, ऐसी खबर देश भर में बिजली कि तरह फैल गई. गांधीजी की हत्या की खबर मिलते ही संघ के ब्राह्मण स्वयं सेवको ने प्रसन्नता व्यक्त करते हुए स्थान स्थान पर मिठाइयां बांटी थी.

                     महात्मा गाँधी कि हत्या में पकडे गए अपराधी महाराष्ट्र के कुछ कट्टर ब्राह्मण युवक थे, जो महाराष्ट्र के कुछ  कट्टरवादी ब्राह्मणों द्वारा शुरू किए गए संघ और हिंदू महासभा जैसे संगठनो से जुड़े हुए थे. नाथूराम गोडसे, गोपाल गोडसे, नारायण आप्टे, विष्णु करकरे और विनायक सावरकर को मिलाकर पांच कट्टर ब्राह्मण थे. कुल सात आरोपियो में से दो गैर ब्राह्मण युवक थे.

                     गांधीजी का हत्यारा महाराष्ट्र का ब्राह्मण युवक नाथूराम गोडसे और उसके साथ के ६ अपराधियों में से चार महाराष्ट्र के ब्राह्मण युवक थे जो संघ से जुड़े हुवे थे. यह प्रकट होते ही महाराष्ट्र और कर्णाटक में संघ के ब्राह्मण स्वयं सेवको के घर पर गांव गांव में- हमले शुरू हो गए. आगजनी और लुट कि घटनाए भी हुई.

                     "Why Godse killed Gandhi ?" पुस्तक के पृष्ठ संख्या 17-18 में वी.टी. राज शेखर ने निष्कर्ष दिया है कि "संघ को गांधीजी के खून(30 जनवरी 1948) के संबध में पूर्व से ही जानकारी थी. उनके खून की गिनती के मिनिटो में ही उन्हों ने सारे भारत में मिठाइया बांटी थी. बाद में गुस्से से भरे लोगो ने महाराष्ट्र और कर्णाटक में चितपावन ब्राह्मणों के बहुत सारे घरों में आग लगा दी थी."

                     "मुंबई में टोलियो ने सावरकर के घर पर हमला किया और सारे भारत में आर. एस. एस. के कार्यालयों पर भी हमले हुए. भारतवासियों द्वारा बीसवी सदी के श्रेष्ठ मानव तथा राष्ट्रपिता माने गए गांधीजी की हत्या ब्राह्मण द्वारा कि गई थी."

                     गांधीजी की हत्या के समय गोलवलकर मद्रास में संघ द्वारा आमंत्रित किए गए प्रतिष्ठित ब्राह्मणों की सभा में उपस्थित थे. उन्हें गांधीजी की हत्या की जानकारी होते ही वे विमान द्वारा नागपुर पहुचे. नागपुर स्थित संघ के केन्द्रीय कार्यालय पर लोगो ने पत्थर बरसाए. गोलवलकर की सुरक्षा हेतु केन्द्रीय कार्यालय पर १ फरवरी 1948 को पुलिस का पहरा लगा दिया गया था. मध्य रात्रि में गाँधी की हत्या से जुड़े होने के आधार पर गोलवलकर को गिरफ्तार करके जेल भेज दिया गया.

                      संघ के साथ जुड़े ब्राह्मणों के घर पर जो हमले हुए उसका विवरण "युग प्रवर्तक गुरूजी" पुस्तक की पृष्ठ सं. 46 पर च. प. भीशीकर ने बताई है कि -

                     "महाराष्ट्र के इस कांड ने ब्राह्मण, अब्राह्मण विवाद का रूप ले लिया. इसके परिणाम स्वरूप असंख्य लोगो के घरों पर हमले हुए. आगजनी, लूटपाट की घटनाए होती रही. भारी नुकसान हुआ. महाराष्ट्र और उसके आस पास के प्रदेशो में हजारों परिवार निराधार भी हो गए. कितने ही लोगो के प्राण भी गए. देशभर में संघ के (ब्राह्मण) स्वयंसेवको और कार्यकर्ताओ को यातनाए भोगनी पड़ी."

                      2 फरवरी 1948 के दिन केंद्र सरकारने आर. एस. एस. को अवैध संगठन घोषित कर दिया. सरकार द्वारा प्रकाशित घोषणा में कहा गया कि, "संघ की आपतिजनक और हानिकारक गतिविधियो निरंतर चलती रही है. इसमें  सबसे अधिक और नयी तथा सबसे महत्वपूर्ण है गांधीजी की हत्या. सरकार हिंसा के उस आविष्कार को द्रढता से नियंत्रित करने के अपने दायित्वो को समजती है. ऐसे दायित्व का निर्वाह करने के प्रथम चरण के रूप में संघ को अवैध घोषित करती है."

                      4 फरवरी 1948 के दिन देशभर में केंद्र सरकार ने आरएसएस पर प्रतिबंध लगा दिया. संघ के कट्टर ब्राह्मण कार्यकर्ताओ को पकड़ लिया गया.

                      5 फरवरी 1948 के दिन गोलवलकर को जेल में मिलने आनेवाले ब्राह्मण मित्र एडवोकेट दत्तोपंत देशपांडे को गोलवलकर ने संघ का विसर्जन करने सबंधी वक्तव्य  लिख कर प्रेस में प्रकाशित करने के लिए दिया, जिसमे लिखा गया कि,  "सरकारी नियम का पालन करते हुए अपने कार्यक्रम करने की निति संघ के आरंभ से ही रही है. आज सरकार ने उसे गैरकानूनी घोषित किया है, इस लिए जब तक प्रतिबंध हटाया नहीं जाता तब तक संघ को विसर्जित करता हूँ. इसीलिए संघ पर जो आरोप लगाया है उसे में पूर्णरूप से अस्वीकार करता हूँ."

                      संघ पर प्रतिबंध लगाने के समय केंद्र सरकार में उद्योगमंत्री पद पर रहे श्यामाप्रसाद मुखर्जी (जन संघ के पहले ब्राह्मण अध्यक्ष) भी इस बात से सहमत थे कि आरएसएस. द्वारा ऐसा वातावरण बनाया गया कि उसके प्रभाव में आकर संघ के कार्यकर्ताओ ने गांधीजी की हत्या कर दी.

                      उस समय के गृह मंत्री सरदार वल्लभ भाई पटेल ने 18 जुलाई 1948 के दिन श्यामा प्रसाद मुखर्जी को जो पत्र लिखा उसमे गांधीजी की हत्या और आर.एस.एस. आदि की भूमिका का स्पष्ट उल्लेख है. उन्होंने लिखा - "हमारी रिपोर्ट इस बात की पृष्टि करती है कि आरएसएस और हिंदू महासभा ये दो संगठन विशेषत: आरएसएस की गतिविधियोने देश में धृणा का ऐसा वातावरण पैदा किया जिसके परिणाम स्वरूप गांधीजी की हत्या हो गई."

                      तत्कालीन गृहमंत्री वल्लभभाई पटेल ने देशभर से मिली जानकारियों के आधार पर 11 सितम्बर 1948 को गोलवलकर को लिखे पत्र में लिखा की "उनकी (गांधीजी की) मृत्यु पर संघ वालो ने जो खुशिया मनाई और मिठाइयां बांटी, इस से उनकी और विरोध बहुत बढ़ गया और सरकार को संघ के खिलाफ कार्यवाही करनी पड़ी." ('आउटलुक' हिंदी साप्ताहिक 6 सितम्बर 2004) 

     नथुराम गोडसे नाम के ब्राह्मण ने गाँधीजी की हत्या के पहले मुस्लिम भेस धारण कीया उसके पहले खतना भी करवाया । ताकि गाँधी के हत्या के बाद हिंदू मुस्लिम दंगे भड़काए जा सके और हुआ भी ठीक वैसे ये पकड़ा तो गया लेकिन ब्राह्मणो ने प्रचार किया की मुस्लिम ने गाँधीजी को मारा जिससे हिंदू मुस्लिमो मे दंगे भडकने लगे तो एन वक्त पर पेरियार रामासामी ने चेन्नई रेडीओ स्टेशन से सच्चाई उजागर की की गाँधीजी को मारने वाला मुस्लिम नही ब्राह्मण है । और इस तरह से दंगे थम गए । संघ के ब्राह्मण आज भी सुधरे नही है वो किसी न किसी कारण से हिंदू मुस्लिमो मे दंगे भड़काने का प्रयास करते है। गाँधीजी की हत्या की साजिश गोडसे के समलैंगीक पार्टनर सावरकर द्वारा रचाई गई थी जिसके कारण सावरकर को कोर्ट मे दाखिल होना पड़ा था.

                     विख्यात वकील और सांसद आर. के. आनंद जिन्होंने गांधीजी की हत्या, आर. एस. एस. की भूमिका और बाद मे देश्भार्मे पिछले ४० वर्षों में हुए दंगो में संघ की भूमिका का अध्ययन किया है. उनका निष्कर्ष है की गांधीजी का हत्यारा नाथुराम गोडसे न केवल आर. एस. एस. का सदस्य था वरन उसके अतिरिक्त सावरकर भी हत्या के षड्यंत्र में  शामिल थे. सावरकर ही गोडसे के संरक्षक थे. 

                    आनंद के शोध के अनुसार गोडसे 1930 से आर. एस. एस. में शामिल हुआ. वह संघ का प्रचारक मात्र नहीं था वरन उसने उस समय आर. एस. एस. प्रमुख हेडगेवार और बाबुराव सावरकर के साथ पश्चिम महाराष्ट्र में लंबी यात्राए करके संघ की सांप्रदायिक विचारधारा फैलाई थी. हिन्दु महासभा और आरएसएस के बीच तब प्रगाढ़ समज थी उसके (नाथूराम का) भाई गोपाल गोडसे ने हत्या के 46 वर्ष बाद अपनी पुस्तक का विमोचन करते हुए कहा था, 

                        "में मेरा भाई नाथूराम, दतात्रेय और गोविन्द सहित सभी आरएसएस के सदस्य रहे है और हमने इसे कभी छोड़ा भी नहीं." जैसे कि लालकृष्ण अडवाणी ने गोडसे के संघ के साथ सबंधो का खंडन किया है तो गोपाल गोडसे ने अडवाणी पर कटाक्ष करते हुए कहा, "नाथूराम तो संघ का बौधिक कार्यवाह था. अडवाणी का वक्तव्य कायरता भरा है, गोडसे को वह नकार शकते नहीं." ('आउटलुक' हिंदी साप्ताहिक 30 अगस्त 2004)

                         गांधीजी की हत्या के समय संघ का कोई संविधान नहीं था, न सदस्यो का कोई रजिस्टर ही था. लिखित संविधान स्वीकार किए बिना संघ पर से प्रतिबंध नहीं हटाने के लिए केंद्र सरकार दृढ थी. यह बात स्पष्ट होने पर संघ को विवश होकर संविधान स्वीकार करना पड़ा. गोलवलकर ने संघ के संविधान के सबंध में कहा है कि, "आजतक संविधान कि कोई आवश्यकता नहीं पड़ी तथा उसका भविष्य में भी बहुत भारी उपयोग होगा, ऐसा मुझे लगता नहि." (श्री गुरूजी समस्त दर्शन भाग-2 पृष्ठ 48)

                        संविधान तथा प्रजातंत्र के प्रति ऐसी उदासीनता ब्राह्मणवादी चरित्र के अनुकूल है. संविधान और सदस्यता दिखाने वाली औपचारिकताए है, हकीकत में खेल अनौपचारिक भावनाओ से हि चलता है. 1948 में तो संविधान कि औपचारिकता भी नहीं थी तो किस ढंग से जाना जा शकता है कि गोडसे संघ का सदस्य था या नहीं ? संघ वाले कहते है कि नहीं था, नाथूराम का छोटाभाई तथा गाँधी हत्याकांड का सह आरोपी गोपाल गोडसे का कहना है कि था. गोपाल गोडसे के कथानुसार "नाथूराम ने संघ के साथ सबंधो को इस लिए नाकारा था कि वह संघ की कठिनाइयां बढ़ाना नहीं चाहता था."

                                                   महात्मा गाँधी की  हत्या किस लिए हुई?

                        31 जनवरी 2007 के गुजराती दैनिक "दिव्य भास्कर" के पहले पृष्ठ पर प्रकाशित विवरण के अनुसार महात्मा गाँधी के पौत्र तुसार गांधीने अपनी पुस्तक "लेट्स किल गाँधी" के विमोचन अवसर पर कहा कि, "देश के टुकड़े करने के बदले में पाकिस्तान को 55 करोड रूपये देने की मांग गांधीजी ने भारत सरकार से कियी, इस कारण गांधीजी की हत्या कि गई.  संघ परिवार के इस कथन को में झिटक देना चाहता हु. ये सब बहाने है इनमे सच्चाई नहीं है. देश को हिंदू राष्ट्र बनाने की चाहना करनेवाला ब्राह्मण गिरोह ही  उनकी हत्या के सभी प्रयासों के लिए उतरदायी है."

                         "गांधीजी की हत्या केवल हत्या नहीं थी, यह पूर्वनियोजित हत्या थी. ब्राह्मणों ने गांधीजी को निशाना बनाया था. हिंदू राष्ट्र के नाम पर वे अपना जाति वर्चस्व स्थापित करना चाहते थे. गांधीजी की हत्या के पहले भी कई बार उनकी हत्या के प्रयास हो चुके थे. उन सभी में पूना किसी ना किसी रूप से जुड़ा था."

                         आर.एस.एस. के पुरातन पंथी ब्राह्मण नेताओ के कहने के अनुसार गोडसे ने गांधीजी की हत्या, पाकिस्तान को 55 करोड रूपये देने के लिए गांधीजी की उपवास पर बैठने की घोषणा से उतेजित होकर कियी थी. देश के टुकड़े होते समय हिंदूओ पर जो अत्याचार हुए उससे गोडसे जैसे हिंदूवादी दुखित थे. और यह उनका प्रत्याघात था.

                         ऊपर के सिद्धांत के विरुध कई प्रश्न खडे होते है. जैसे कि देश के विभाजन के समय हिंदू पर जो अत्याचार हुए, वे अत्याचार करने वाले क्या गांधीजी थे जिससे गोडसे ने उनकी हत्या कि? यदि पाकिस्तान को 55 करोड रूपये देने के लिए गांधीजी के उपवास की घोषणा के कारण गांधीजी की हत्या कराइ गई हो तो पूना में हरिजन यात्रा के समय 1935 में बम किसलिए फैका गया था ? उसके बाद पंचगनी और वर्धा में गांधीजी की हत्या के प्रयास किस लिए किए गए ?

                         उपरोक्त प्रश्नों के उतर खोजने पर संघ के ब्राह्मण नेताओ के गांधीजी की हत्या के सिद्धांत के परखचे उड़ जाते है. गांधीजी की हत्या के कारणों को जानने के लिए दूसरे भी कई प्रश्नों के उतर खोजने होगे जैसे कि,

                         गांधीजी की हत्या का षड्यंत्र करने वाले तथा उसे कार्य रूप से परिणित करने वाले पांच ब्राह्मण महाराष्ट्र के हि क्यों थे?

                         दूसरा प्रश्न उठता है की गांधीजी की हत्या ब्राह्मणों ने हि क्यों कि ? क्षत्रिय, वैश्य, शुद्र अथवा अतिशुद्र में से किसीने यह हत्या क्यों नहीं की ?

                         तीसरा प्रश्न होता है कि गांधीजी की हत्या में पुरातन पंथी ब्राह्मण ही क्यों जुड़े हुए थे ? प्रगतिशील और उदारवादी ब्राह्मण गांधीजी के समर्थक क्यों  रहे ?                    

                         चौथा प्रश्न होता है की पुरातन पंथी ब्राह्मणों ने गांधीजी की हत्या कट्टर हिंदूवादी होने के कारण की या कट्टर जातिवादी होने के कारण की ?

                         पांचवा प्रश्न होता है की गांधीजी की हत्या के पूर्व और आजादी मिलने के पूर्व गांधीजी की हत्या के प्रयास पूना, पंचगनी तथा वर्धा में हुए थे और ये सभी स्थान महाराष्ट्र के है क्या ये संयोगवश है ?

                         ऊपर के प्रश्नों के सच्चे उतर दिए जाए तो ये स्पष्ट हो जाता है कि गांधीजी की हत्या न पाकिस्तान को 55 करोड रूपये देने के आशय के कारण और न ही देश के विभाजन के समय हिंदूओ पर हुए अत्याचारो के कारण हुई. यदि ये कारण है तो 1935 में पूना में हरिजन यात्रा के समय गांधीजी को लक्ष्य बनाकर बम क्यों फैका गया ? तब न तो देश के टुकड़े हुए थे और न पाकिस्तान को 55 करोड रूपये देने की बात थी. संघ के ब्राह्मण नेताओ का गांधीजी की हत्या का सिद्धांत इतना कमजोर है, उसे समजा जा सकता है.

                         गांधीजी की हत्या महाराष्ट्र के कट्टर ब्राह्मणों ने कियी थी और उन के कारण निम्न लिखित है. 

                         (1) पुरातन पंथी ब्राह्मणों ने बाल गंगाधर की मृत्यु के पश्चात अंग्रेजी शासन के सामने चल रही जंग को छोड़कर महाराष्ट्र में फुले-शाहूजी महाराज तथा डॉ. बाबासाहब आंबेडकर द्वारा चलाये जा रहे सामाजिक समानता के आन्दोलन के सामने ब्राह्मणवादी प्रभुत्व बनाये रखने के लिए हिंदू महासभा और आर.एस.एस. ऐसे दो संगठन शुरू किये थे.

                        महात्मा गांधीजी ने भी उदारमतवादी ब्राह्मण नेताओ के साथ शुद्रो, अतिशुद्रो के मानवीय सामाजिक अधिकारों के लिए प्रवृतिया चलानी आरंभ की थी. गांधीजी का प्रभाव राष्ट्रिय स्तर पर देश के सभी सामाजिक वर्गों पर व्यापक रूप से बढ़ता जाता था जो पुरातन पंथी ब्राह्मणों के लिए खतरा था.

                        (2) संघ तथा हिंदू महासभा के नेता मनु स्मृति के प्रावधानों के अनुरूप देश का संविधान बनवाना चाहते थे. 1947 में डॉ. बाबासाहब आंबेडकर के बीच कांग्रेस और डॉ. आंबेडकर के बीच अनेक मतभेदों के होते हुए भी गांधीजी ने किन्ही कारणों से, संविधान प्रारूप समिति के अध्यक्ष के रूप में डॉ. बाबासाहब आंबेडकर को रखने की सिफारिश की थी. कांग्रेस के नेता पं. जवाहरलाल नेहरू तथा सरदार पटेल ने डॉ. बाबासाहब आंबेडकर को संविधान प्रारुप समिति के अध्यक्ष बनाये थे.

                        डॉ. बाबासाहब आंबेडकर समतावादी संविधान बनाएंगे, ऐसा जानने वाले महाराष्ट्र के पुरातन पंथी ब्राह्मणों गांधीजी के कांग्रेस पर प्रभाव के कारण गांधीजी को खतरनाक मानते थे.

                        (3) शुद्र, अतिशूद्र जातियो में से ही धर्मान्तरित मुस्लिम, इशाई आदि धार्मिक अल्प संख्यक अस्तित्व में आए थे. हिंदू मुस्लिम के नाम पर  उन्हें आपस में लड़ाकार पुरातन पंथी ब्राह्मण नेताओ ने  शुद्रो-अतिशुद्रो पर अपना वर्चस्व बनाने  की रणनीति रखते थे. भारत, पाकिस्तान के रूपमें  विभाजित होने के बाद में उठ खड़ा हुआ सांप्रदायिक उन्माद, संघ तथा हिंदू महासभा के ब्राह्मण नेताओ के लिए सुअवसर था.

                         देश का विभाजन होने के बाद उठ खडे हुए साम्पदायिक तनाव के कारण नोआखली में सांप्रदायिक दंगे हुए. हिंदूओ और मुस्लिमो के बीच भाईचारा स्थापित करने तथा सांप्रदायिक दंगे बंद कराने के लिए गांधीजी ने उपवास किया और प्रेरक नेतृत्व दिया था. हिंदू-मुस्लिम के नाम पर गैर-ब्राह्मणों पर सनातनी ब्राह्मण प्रभुत्व स्थापित करने का अवसर नोआखली शांति स्थापित होने से संघ और हिंदू महासभा के ब्राह्मण नेता ओ के हाथ से निकाल गया. ब्राह्मणवाद के सामने गैर-ब्राह्मणों की चुनोती को मुस्लिमो के सामने खड़ा कर देने का अवसर गांधीजी के कारण नहीं मिलने से वे गांधीजी को शत्रु समजने लगे थे.

                        (4) 1948 में देश के प्रधानमंत्री पं. नेहरू ब्राह्मण, देश के गवर्नर जनरल चक्रवर्ती राजगोपालचारी ब्राह्मण और देश की प्रांतीय सरकारों के मुख्यमंत्री भी ब्राह्मण ही थे. सरकार में एक ही ब्राह्मण जाति के प्रभुत्व को लेकर अपनी प्रतिक्रिया व्यक्त करते हुए गांधीजी ने 1948 में कहा था कि भारत के प्रधानमंत्री पद पर इसके बाद किसान और राष्ट्रपति पद पर अछूत आना चाहिए.

                        ब्राह्मण जन्मजात श्रेष्ठ तथा धरती के देव है और शुद्र(किसान), अतिशूद्र(अछूत) जन्मजात नीच, अयोग्य तथा ब्राह्मणों के सेवक है- ऐसा मानने वाले संघ और हिंदू महासभा के पुरातनपंथी ब्राह्मण नेताओ और कार्यकर्ताओ को गांधीजी की ऐसी बात कैसे स्वीकार्य हो  सकती थी? किसान शुद्र प्रधानमंत्री और अछूत अतिशूद्र राष्ट्रपति, ऐसी बात उनको कैसे सह्य हो सकती थी है?

                        गांधीजी का प्रभाव केवल कांग्रेस पर ही बही वरन गावों से लेकर शहरो तक सारे देश में, जनमानस में एक महात्मा के रूप में स्थापित हो चूका था. गांधीजी का अस्तित्व भविष्य में और भी भयानक बन जायेगा, ऐसी आशंका से पीड़ित महाराष्ट्र के संघ से जुड़े कुछ कट्टर ब्राह्मणों ने गांधीजी की हत्या का षड्यंत्र रचा और षड्यंत्र को हत्या के रूप में परिणित किया. संघ तथा हिंदू महासभा द्वारा फैलाई गयी मानसिकता से ग्रस्त हुए ब्राह्मण युवकको ने बीसवी सदी के एक श्रेष्ठ हिंदू व्यक्ति की हत्या की ये हिंदू हित में थी या

    जाति हित में थी?

                                                            -साभार : "तिन ब्राह्मण सर संघचालक राष्ट्रवादी या जातिवादी?" में से. 

     

    This Indian Express story dated February 7, 1948 provides details of the Rashtriya Swayamsevak Sangh's involvement in Mahatma Gandhi's assassination.This Indian Express story dated February 7, 1948 provides details of the Rashtriya Swayamsevak Sangh's involvement in Mahatma Gandhi's assassination.

    Like   Comment   
    • 186 shares
    • Jayantibhai Manani -महात्मा गाँधी की हत्या ब्राह्मणों ने क्यों किई ? ब्राह्मणों में भी महाराष्ट्र के कुछ कटटर जातिवादी ब्राह्मणों ने क्यों किई? गांधीजी के हत्यारे ब्राह्मणों आरएसएस से क्यों जुड़े थे? गांधीजी की हत्या के बाद तुरत महाराष्ट्र में आरएसएस के कट्टरपंथी ब्राह्मणों ने मिठ्ठाई क्यों बांटी थी ? संघ के कटटर जातिवादी ब्राह्मण नेताओ ब्रिटीश शासन के समर्थक और खबरी क्यों थे ? जानने के लिए क्लिक करे और पढ़े.
    • Jayantibhai Manani -
      धन्यवाद Vivek Dalwadi, 'प्रेम सिँह मीना',और Ratnesh Kumar
    • Mehul Parmar Jayantibhai Manani saheb aa article ghano bhul bharelo ane germarge dorayelo chhe.
    • Jayantibhai Manani -
      Er Mehul Parmarजी, इस आर्टिकल मिले हुवे सबूतों के साथ लिखा गया है. अगर कोई गलती है, तो आप बताईये उसमे सुधार किया जा सकता है.
    • Ashish G. Chaudhari thank u sir 4 giving us to true information........
    • Jayantibhai Manani -
      ३१ जनवरी २००७ के गुजराती दैनिक "दिव्य भास्कर" के पहले पृष्ठ पर प्रकाशित विवरण के अनुसार महात्मा गाँधी के पौत्र तुषार गांधीने अपनी पुस्तक "लेट्स किल गाँधी" के विमोचन अवसर पर कहा कि, "देश के टुकड़े करने के बदले में पाकिस्तान को ५५ करोड रूपये देने की मा
      ...See More
    • Mehul Parmar gandhi is desh ko Islamistan banana chahta tha
    • Jayantibhai Manani -
      भाई Mehul Parmar, बात आधार के साथ रखे. ये नोट ब्राह्मण पंडितो ने रचे पुराणों की तरह मनघडत कहानी की तरह नहीं लेकिन ऐतिहासिक आधारों पर लिखी गई है.
    • Mehul Parmar kuchh bhi ho gadhi ko marna jaruri tha is desh ki bhalai ke liye
    • Jayantibhai Manani -
      धन्यवाद Drks Panchal and डॉ सुनील यादव
    • A.p. Achal bat to sahi hai ki gandhi ki htya brhmno ki sajish thk.prntu ganzhi ji bhi vaise logo ke hi pithu aur pkshdhar the.flsvrup unki htya ho gyi.
    • Jayantibhai Manani -
      भाई Tarsem Singh Bainsजी, आप की इस कोमेंट को यहाँ फिर से दोहरायीये... In his last days Gandhi preached what we are preaching all these days. He moved towards our movement. He declared openly that the Congress had nothing to do with god. Immediately t
      ...See More
    • Tarsem Singh Bains "In his last days Gandhi preached what we are preaching all these days. He moved towards our movement. He declared openly that the Congress had nothing to do with god. Immediately the Brahmins reacted and it resulted in the death of M.K. ......Gandhi w...See More
    • Jayantibhai Manani 
      गांधी की हत्या ने दिल्ली की सुरक्षा व्यवस्था को लेकर गंभीर सवाल खड़ा कर दिया था जिसकी जिम्मेदारी गृह मंत्री के नाते सरदार पटेल के पास थी। तमाम तथ्यों को देखते हुए उन्होंने माना कि गांधी की हत्या में आरएसएस का भी हाथ है। और 4 फरवरी 1948 को पटेल ने आ
      ...See More
    • Rajneesh Meshram ब्राह्मण जन्मजात श्रेष्ठ तथा धरती के देव है और शुद्र(किसान), अतिशूद्र(अछूत) जन्मजात नीच, अयोग्य तथा ब्राह्मणों के सेवक है- ऐसी मान्यता राष्ट्रीय सेवक संघ. विश्व हिन्दु, बजरंग दल और हिंदू महासभा के पुरातनपंथी ब्राह्मण नेताओ की है? किसान शुद्र प्रधानमंत्री और अछूत अतिशूद्र राष्ट्रपति, ऐसी बात उनको किस तरह पच सकती है?
    • Manish Ranjan नथुराम गोडसे नाम के ब्राह्मण ने गाँधीजी की हत्या के पहले मुस्लिम भेस धारण कीया उसके पहले खतना भी करवाया । ताकि गाँधी के हत्या के बाद हिंदू मुस्लिम दंगे भड़काए जा सके और हुआ भी ठीक वैसे ये पकड़ा तो गया लेकिन ब्राह्मणो ने प्रचार किया की मुस्लिम ने गाँधीज...See More
    • Jayantibhai Manani 31 जनवरी 2007 के गुजराती दैनिक "दिव्य भास्कर" के पहले पृष्ठ पर प्रकाशित विवरण के अनुसार महात्मा गाँधी के पौत्र तुसार गांधीने अपनी पुस्तक "लेट्स किल गाँधी" के विमोचन अवसर पर कहा कि, "देश के टुकड़े करने के बदले में पाकिस्तान को 55 करोड रूपये देने की मांग ...See More
    • Rajneesh Meshram संघ तथा हिंदू महासभा के नेता मनु स्मृति के प्रावधानों के अनुरूप देश का संविधान बनवाना चाहते थे. 1947 में डॉ. बाबासाहब आंबेडकर के बीच कांग्रेस और डॉ. आंबेडकर के बीच अनेक मतभेदों के होते हुए संविधान प्रारूप समिति के अध्यक्ष डॉ. बाबासाहब आंबेडकर बनाया गया। इस ऐतिहासिक सत्य को नकारना संघ के लिये कठिन है, इसलिये संघ भितर ही भितर डॉ. आंबेडकर का विरोध करते आ रहे है।
    • Jayantibhai Manani -
      विख्यात वकील और सांसद आर. के. आनंद जिन्होंने गांधीजी की हत्या, आर. एस. एस. की भूमिका और बाद मे देशभर में पिछले 40 वर्षों में हुए दंगो में संघ की भूमिका का अध्ययन किया है. उनका निष्कर्ष है की गांधीजी का हत्यारा नाथुराम गोडसे न केवल RSS का सदस्य था वरन
      ...See More
    • Jayantibhai Manani =
      "कितने संघी फांसी पर चढ़े ? चलो एक का भी नाम बता कर दिखा दो ? आज़ादी मिलते ही तुम्हारे तमंचे और तलवारे निकल आयीं ?
      भारत के पहले आतंकवादी यही संघी हैं जिन्होंने प्रार्थना करते हुए एक बूढ़े आदमी गांधी की धोखे से हत्या करी थी"...!! - Himanshu Kumar - छतीसगढ़ के आदिवासियों के संवैधानिक अधिकारों के प्रखर लड़वैये.
      Jayantibhai Manani's photo.
    • Jayantibhai Manani -
      भाई Mehul Parmar, गांधीजी की हत्या से देश का क्या भला आज तक हुवा ये आप बता सकते है? 
      RSS के कट्टर जातिवादी ब्राह्मण नेताओ को भारत का कल्याण और हिन्दुओ के कल्याण का ठेका किस ने दिया है?
    • Jayantibhai Manani 
      संघ के ब्राह्मण नेताओ का असली चरित्र कट्टर जातिवादी रहा है. जातिवादियो हंमेशा ओबीसी, एससी और एसटी को मुर्ख बनाते रहे है.एससी समुदाय में तो जाग्रति बढ़ रही है लेकिन ओबीसी समुदाय में हनुमानो की कोई कमी नहीं है, जो जातिवादियो के हनुमान बनते रहे है, क्योकि शुद्र वर्ण में होने के कारण सदियों से ब्राह्मण के सेवक बने रहेने की ओबीसी में परम्परा जो चली आ रही है.
    • Jayantibhai Manani -
      "Why Godse killed Gandhi ?" पुस्तक के पृष्ठ संख्या 17-18 में वी.टी. राज शेखर ने निष्कर्ष दिया है कि "संघ को गांधीजी के खून(30 जनवरी 1948) के संबध में पूर्व से ही जानकारी थी. उनके खून की गिनती के मिनिटो में ही उन्हों ने सारे भारत में मिठाइया बांटी थी. बाद में गुस्से से भरे लोगो ने महाराष्ट्र और कर्णाटक में चितपावन ब्राह्मणों के बहुत सारे घरों में आग लगा दी थी.
    • Jayantibhai Manani ,
      Thanks Ghulam Sarwar and Bipin Agravat
    • Jayantibhai Manani -
      गांधी जी की हत्या का कारण हिन्दू-मुस्लिम संघर्ष को लेकर उनकी मान्यताएं मात्र नहीं हैं, इसके पीछे हिन्दू समाज में चला आ रहा उदार मतवाद और कट्टर मतवाद के बीच का प्राचीन संघर्ष भी है। उदार मतवाद के विरोध में निराश और पराभूत होते जा रहे कट्टरवाद का सबसे 
      ...See More
    • Ram Singh Thank you sir aapne hame jankari di
    • Baliraj Dhote bahot badhiya our vastavik janakari
    • Chauhan Jitendra aise damdar share ke liye thanks.
    • Jayantibhai Manani -
      ब्राह्मण राष्ट्रवादी,ब्रिटिश शासन के समर्थक और भारतीय स्वतन्त्रता आन्दोलन के विरोधी RSS के ब्राह्मण प्रचारक नाथूराम गोडसे की जयंती आज ही के दिन है. 19 मई 1910 को एक कट्टर जातिवादी ब्रा±मण परिवार में जन्म लिया था और बचपन से कट्टर जातिवादी ब्राह्मण संगठन RSS से जुड़े थे.
      May 20 at 7:11am · Like · 2
    • Atul Makvana Nathuram Godse ne apni safayi jo bayan diya he use padho. Bad me sabkuchh likho. Brahmino ne hi hamari sanskruti ka jatan kiya he.
    • Jayantibhai Manani -
      भाई Atul Makvana, मूल भारतीय संस्कृति मातृप्रधान संस्कृति है. आर्य संस्कृति बाद की ब्राह्मण संस्कृति है, जो पितृप्रधान संस्कृति है, उनके रक्षण का कार्य RSS करता है.
      May 20 at 1:39pm · Like · 2
    • Jayantibhai Manani -
      गांधीजी की हत्या महाराष्ट्र के कट्टर ब्राह्मणों ने कियी थी और उन के कारण निम्न लिखित है. 
      शुद्र, अतिशूद्र जातियो में से ही धर्मान्तरित मुस्लिम, इशाई आदि धार्मिक अल्प संख्यक अस्तित्व में आए थे. हिंदू मुस्लिम के नाम पर उन्हें आपस में लड़ाकार पुरातन पंथ
      ...See More
      May 20 at 1:40pm · Like · 2
    • Devendranath Patel gandhi hatya ke bare me jo rss ke bramino ne prachar kiya hai wo galat or be buniyad hai ..
    • Atul Makvana RSS Brahmin dharma ka nahi Hindu Dharma rakshan karta he.
    • Atul Makvana Just see statement of court & read them carefully what is said by Nathuram Godse?
    • Atul Makvana Devendra ji court me jo Nathuram Godse ne bayan diya tha vo RSS ne nahi likha tha. Jara soch samaj kar bate likho. Ap logo ko bhramit kar rahe ho. Ap desh me jatiwad felake desh ko todane ka kam kar rahe ho.
    • Atul Makvana Hindu Dharma sirf dharma hi nahi aek vichardhara he.
    • Atul Makvana Hindu Dharma ne duniya ke sabhi dharmo ko ashray diya he.
    • Atul Makvana I like the thoughts of RSS so I follow it.
    • Atul Makvana Koi ye kyu nahi batata ki Godse ne Gandhi Ji ki Hatya kyu ki?
    • Atul Makvana All silent?
    • Devendranath Patel gandhiji udarwadi or hindu dharm me shudharwadi the ...agar desh me se untachebility nahi jati to wo anshan par utar jate or kai samajik or dharmik samsya ke khilaf khade ho sakta the ....open court me ye dissction nahi huva tha ..ye bhi yaad rakhe ...
    • Atul Makvana To ap Bharat ki court ke adesh ya statement ko nahi mante? Har time ap bat ko galat tarike se or galat mod par le jate ho. Ap kese kah rahe ho ki court me discussion nahi hua tha? Matlab Gandhi ji ki hatya ke bare me ap galat bate kah rahe ho.
    • Devendranath Patel discussion huva tha lekin jish tarike se open court me hona chahiye ush tarike se nahi huva tha ...aaj all court open hai ..lekin gandhi hatya me special court or wo bhi bandh jish me shirf aam public nahi bethi thi..
    • Atul Makvana Matlab saf ye ap desh ke snavidhan and court ko nahi mante.
    • Devendranath Patel aap ne savidhan ki baat ki ...chalo savidhan me mate ho aap ..good
    • Atul Makvana Ham ne kabhi sanvidhan ka virodh nahi kiya. Lekin ap nahi mante uska to proof mil gaya.
    • Devendranath Patel aap ye statement vyaktigat tor pe bol rahe hai ...lekin rss savidhan ka virodh karta hai wo bhi ek kadva sach hai ..
    • Atul Makvana Completely wrong
    • Atul Makvana Bhagvat Ji wala photo fir se padhiye.
    • Devendranath Patel 26 january 1950 ko nepal ki rajdhani kathmandu me rss ke leader , karnal purohit ,braman samaj ke kuch leader ki meeting huvi thi or desh ke savidhan ko nahi manne ka tharav kiya tha ...ye ek RETAIR IPS OFFICERAND D.G.OF POLICE KI book me diya hai ...book ka name who kill hemant karkare ..?
    • Atul Makvana Aapko RSS ka Nationalism nahi jachta kya?
    • Devendranath Patel bhagvatji ne ye statement 2014 ke election ke baad diya tha ..ishe pehle nahi diya tha ye bhi sayad sach hai ..
    • Atul Makvana NAHI completely galat. RSS ki ye vichardhara pahele se hi he. Sach bat jano .
    • Atul Makvana SO I LIKE RSS & VHP . I ma proud to be member of such nationalist organisation.
    • Devendranath Patel आरएसएस में राष्ट्रिय क्या है?
      ●संघ का गणवेश नेकर और शर्ट अभारतीय है ।
      ●ध्वज प्रणाम का तरीका अभारतीय है ।
      ...See More
    • Devendranath Patel share ke share bramin kyu ..? ye jatiwad nahi hai ..?
      Devendranath Patel's photo.
    • Devendranath Patel rss ke jitne bhi sharshangh chalak bane ish me bramin jati ke adhik kyu ...?
    • Devendranath Patel ye kon sa hinduwad hi ..?
      Devendranath Patel's photo.
    • Devendranath Patel pehle kaatar bad me udarwadi ...or pakhandi ....
      Devendranath Patel's photo.
    • Atul Makvana Vanvasi nam adivasi se jyada man vachak he. Hamare desh ke hi nagrik ko Adiwasi kahena uchit nahi.
    • Atul Makvana Or unke liye aek pura ayam VHP ki or se kam karta he jinko Vanvasi Kalyan Parishad kahete he.
    • Atul Makvana Work of Vanvasi Kalyan Parishad - Rajsthan.
    • Atul Makvana According to Article 342 of the Constitution, the Scheduled Tribes are the tribes or tribal communities or part of or groups within these tribes and tribal communities which have been declared as such by the President through a public notification. As ...See More
    • Atul Makvana Education
      Parishad is running 335 service centres to cater to the educational needs of the tribal people. These service centres are categorized as -
      ...See More
    • Atul Makvana Camp photo of Vanvasi Kalyan Parishad
      Atul Makvana's photo.
    • Atul Makvana Comment please ,adiwasio ke hito ki juthi raksha karne walo ye dekho RSS ka kam.
    • Atul Makvana It is only the one example. Mere pas to puri kitab padi he.
    • Devendranath Patel ye hindu bana ne ka kam to nahi hai ..? tribel kish varn or jati me aata hai ..?
    • Atul Makvana Devendra ji ap ko kuchh bhi achchha nahi lagta. Ap adivasi ko adivasi hi rakhna chahte he. Similar to congress.
    • Devendranath Patel congresh ke or bjp ke braminwadi jatiwadi logo ka rss ke sath gathbandhan hai ..
    • Devendranath Patel tribel hindu dharm ke anushar bramin,xatriya,vaysa ya shudra me aata hai ..ya savidhan me kya hai ..artical 48 ka amal huva hai kya rsswalo ne koi andolan kiya hai tribel ke education,healthke liya
    • Atul Makvana Fir se reading karo, tribal ke liye RSS ne kya kiya.
    • Atul Makvana Dev ji, ap only negative bat hi kar sakte he.
    • Jayantibhai Manani -
      भाई Atul Makvana, आप बता सकते है कि RSS ने 1925 से 1947 तक आदिवासियों के लिए क्या किया?
      वनवासी शब्द ज्यादा मानवाचक है या नगरवासी? 
      ...See More
      May 21 at 2:14am · Like · 2
    • Atul Makvana Aap sab juthe he vo purvar ho gaya.
    • Atul Makvana Aapko RSS ka kabhi achchha dikhta nahi.
    • Atul Makvana Ap sabka totally brain wash ho chuka he. Vartman me jio. Hindu Dharma ka jutha virodh band karo.
    • Jayantibhai Manani -
      भाई Atul Makvana, पौराणिक ब्राह्मण धर्म की चार वर्ण की व्यवस्था के अनुसार ओबीसी जातियों शुद्र वर्ण में आती है. ब्रह्मा ने शुद्र की उत्पति ब्राह्मण के सेवक के रूप में की है.. आरएसएस का स्वयंसेवक ओबीसी ब्राह्मण का सेवक ही होता है. 
      http://m.firstpost.com/.../rss-involved-in-terror-blasts...
    • Jayantibhai Manani -
      भाई Atul Makvana, ये पोस्ट 20वी सदी के श्रेष्ठ हिन्दू गांधीजी के पर है, जिनकी हत्या RSS से जुड़े ब्राह्मणों ने की थी. आप हिन्दू धर्म की बात लेकर आ गए.
    --
    Pl see my blogs;


    Feel free -- and I request you -- to forward this newsletter to your lists and friends!

    0 0


     
    My dear friends , The dominant society never accepts the changes easily ! Ram served the Brahmins as he himself murdered Saint Shambuk as per the last chapter of the Valmiki Ramayan / Valmiki Sitayan / Valmiki 's Paulastya Vadh ! So , the Brahmans projected him as a God ! Ram was a king like Aurangzeb who pleased the Muslims by the Islamisation of the Brahmins as he felt that the Brahmin class was the cunning class which degraded the non Brahmins by birth ! The Brahmins blame Aurangzeb for the atrocities on them but they never supported Guru Gobind Singh whose father sacrificed himself for them ! Pandit Gangu a Brahmin cook of Guru Gobind Singh even get killed Guru Tegh Bahadur 's wife Mata Gujri and two grandsons !
    The Brahmins ' RSS / BJP projects Shiva ji as an Hindu ruler but they refused to corronate him as he was a Shudra by birth ! Shiva ji allured Mr. Gag Bhatt a Brahmin of Kashi ( U.P. ) to coronate him . He coronated Shiva ji by his foot thumb for which the Maharashtrian Brahmins boycotted him ! He had to write a book to clarify that he had coronated Shiva ji by foot thumb not by hand thumb ! 
    But Shiva ji gave a feast to them with so costly gifts that his treasury was exhausted and he had to attack on Surat ( Gujarat ) to loot the diamonds traders to full his treasury !
    The Brahmin class finished the Shudra kingdoms everywhere including the kingdoms of Shiva ji and Maharaja Ranjit Singh ! They even get killed Shiva ji 's son king Shamba on the bank of the river Bhima near Koregaon , Pune to which I visited as my FB friend Mr. Santosh Lohakare guided to find it on the spot in June , 2013 !
    So , the Brahmin class is a very cruel inhumanitarian society to which we have to expose by his books and their own scriptures !!
    Shahnawaz Malik

    ओडिशा सरकार के पूर्व राज्यपाल बीएन पांडेय ने अपनी किताब 'इस्लाम और हिंदू संस्कृति'में औरंगज़ेब के बारे में पेज संख्या 41 पर लिखा है...

    1948-53 के दौरान मैं इलाहाबाद म्यूनिसिपैलिटी का चेयरमैन था। इसी दौरान दाखिल-खारिज का एक केस मेरे सामने पेश हुआ। यह केस सोमेश्वर नाथ मंदिर की संपत्ति के मालिकाना हक़ को लेकर दायर किया गया था। महंत की मौत के बाद इस मंदिर की संपत्ति पर दो परिवारों ने दावेदारी ठोंक दी थी। सुनवाई के दौरान एक परिवार ने एक दस्तावेज़ पेश किया जो मुग़ल शासक औरंगज़ेब का फ़रमान था। फरमान औरंगज़ेब ने जारी किया था जिसमें मंदिर के लिए जागीर और नगद राशि दी गई थी। पहली नज़र में ही मुझे लग गया कि फरमान फर्ज़ी है। मैं यह सोचकर सकते में आ गया कि जो औरंगज़ेब मंदिरों को ध्वस्त करने के लिए कुख्यात हैं, आख़िर वो मंदिर के लिए जागीर कैसे दे सकता है। फरमान में औरंगज़ेब के शब्द थे, 'भगवान की पूजा और भोग के लिए दी गई जागीर।'मैं सोच में पड़ गया कि मूर्तिपूजा से औरंगज़ेब का क्या जुड़ाव कैसे हो सकता है? 

    मैं पूरी तरह मुतमईन हो चुका था कि पेश किया गया फरमान फर्ज़ी है। मगर किसी नतीजे पर पहुंचने से पहले मैंने डॉक्टर तेज बहादुर सप्रू की राय लेना ज़रूरी समझा जो अरबी और फ़ारसी भाषा के महान जानकार थे। डॉक्टर सप्रू ने दस्तावेज़ की तहक़ीक़ात के बाद बताया कि फरमान असली हैं और औरंगज़ेब ने ही जारी किए हैं। फिर उन्होंने अपने मुंशी से वाराणसी की जंगम बड़ी मंदिर केस की फाइल मंगवाई। इस मंदिर की कई अपील 15 साल से इलाहाबाद हाईकोर्ट में लंबित थी। इस मंदिर के महंत ने भी अपनी तरफ से पेश किए गए दस्तावेज़ में कई फरमान लगाए थे जिनमें औरंगज़ेब ने मंदिर के लिए जागीर दे रखी थी।

    मेरे लिए औरगज़ेब की यह शख्सियत बेहद चौंकाने वाली थी। फिर डॉक्टर सप्रू के कहने पर मैंने देशभर में महत्वपूर्ण मंदिरों के महंतों को चिट्ठी लिखी। मैंने गुज़ारिश की कि अगर उनके पास इस तरह का कोई भी फरमान है तो उसकी छायाप्रति मुझतक पहुंचाएं। इस बार मेरे आश्चर्य का कोई ठिकाना नहीं रहा। मुझे उज्जैन के महाकालेश्वर मंदिर, चित्रकूट के बालाजी मंदिर, गुवाहटी के उमानंद मंदिर, शत्रुंजय के जैन मंदिर समेत कई अहम मंदिरों और गुरुद्वारों से फरमान मिले। सभी फरमान 1659 से 1685 के बीच जारी किए गए थे। 

    हालांकि हिंदू धर्म और उनके मंदिरों के प्रति औरंगज़ेब की उदारता समझने के लिए ये मिसाल मामूली हैं। मगर यह जानने के लिए ज़रूर काफी हैं कि इतिहासकारों ने औरंगज़ेब के बारे में जो कुछ भी लिखा है, वह पूर्वाग्रह से ग्रसित और तस्वीर का एक पहलूभर है। भारत के विशाल भूभाग पर हज़ारों मंदिर फैले हुए हैं। मुझे पूरा यक़ीन है कि अगर इस दिशा में सही रिसर्च की जाए ऐसी बहुत सारी मिसालें पता चलेंगी। यह भी पता चलेगा कि औरंगज़ेब गैरमुस्लिमों के प्रति कितने दयालू थे।


    --
    Pl see my blogs;


    Feel free -- and I request you -- to forward this newsletter to your lists and friends!

    0 0

    Ei Samay,a Timesgroup Bengali Daily published from Kolkata pronts all about DIDI`s measures agianst all India strike today and proves how strongly Didi supports Modi`s Labour Refoms.Media hype is rather about the ultra Left DIDI who kills the Left.just see:
    Palash Biswas





    --


    Pl see my blogs;


    Feel free -- and I request you -- to forward this newsletter to your lists and friends!

    0 0
  • 09/02/15--01:47: মেহনতী মানুষের মৃত্যু নেই,বন্ধু! মোদি সরকারের শ্রমনীতির প্রতিবাদে দশটি প্রভাবশালী ট্রেড ইউনিয়নের ডাকা একদিনের ‘ভারত বন্ধ’ কর্মসূচিতে বুধবার থমকে আছে পুরো ভারত। ১৫ কোটি শ্রমিকের সকাল-সন্ধ্যা ধর্মঘটে ভারতজুড়ে জনজীবন অচল হয়ে পড়েছে। মরণ ঘুম ভেঙ্গে জাগলো আবার মাটিতে ফলানো লক্ষ্মী শিষ মরণ ঘুম ভেঙ্গে জাগলো আবার কাস্তে হাতুড়ি তারা পথে পথে হাতে হাত রেখে আবার শ্লোগান. পথে পথে মিছিলি মিছিলে পদাতিকের দেখা. পাতালঘরে সুড়ুঙে বন্দিনি নন্দিনী. সব চিত্কারের পরাণে ঠিকানা লেখা আছে. আসুন আমরা সবাই মিলে ধর্ম ও জাতপাতের বন্ধন মুক্ত এক নুতন ভারত বানাই। পলাশ বিশ্বাস
  • মেহনতী মানুষের মৃত্যু নেই,বন্ধু!

    মোদি সরকারের শ্রমনীতির প্রতিবাদে দশটি প্রভাবশালী ট্রেড ইউনিয়নের ডাকা একদিনের 'ভারত বন্ধ'কর্মসূচিতে বুধবার থমকে আছে পুরো ভারত।

    ১৫ কোটি শ্রমিকের সকাল-সন্ধ্যা ধর্মঘটে ভারতজুড়ে জনজীবন অচল হয়ে পড়েছে।

    মরণ ঘুম ভেঙ্গে জাগলো আবার মাটিতে ফলানো লক্ষ্মী শিষ

    মরণ ঘুম ভেঙ্গে জাগলো আবার  কাস্তে হাতুড়ি তারা

    পথে পথে হাতে হাত রেখে আবার শ্লোগান.


    পথে পথে মিছিলি মিছিলে পদাতিকের দেখা.

    পাতালঘরে সুড়ুঙে বন্দিনি নন্দিনী.

    সব চিত্কারের পরাণে ঠিকানা লেখা আছে.

    আসুন আমরা সবাই মিলে ধর্ম ও জাতপাতের বন্ধন মুক্ত এক নুতন ভারত বানাই।

    পলাশ বিশ্বাস

    ১৫ কোটি শ্রমিকের সকাল-সন্ধ্যা ধর্মঘটে ভারতজুড়ে জনজীবন অচল হয়ে পড়েছে।

    আসুন আমরা সবাই মিলে ধর্ম ও জাতপাতের বন্ধন মুক্ত এক নুতন ভারত বানাই।

    ঘুম ভাঙ্গলেই সূর্যোদয়.

    ঘুম ভাঙ্গলেই আবার সহর.


    পাতালঘরে সুড়ুঙে বন্দিনি নন্দিনী.

    সব চিত্কারের পরাণে ঠিকানা লেখা আছে.


    প্রেমের সেই চিঠি হাত পেতে নিতে হলে

    হতে হয় ঝড়ের মুখোমুখি.


    নদীর দ্যাশে,সাইক্লোনের দ্যাশে,বাদাবনের দ্যাশে-

    এই এতকাল মরণঘুমে ঘুমিয়ে কাটলো দিনকাল.


    সব শ্যাষ.

    তবু শেষ হয়নি কুিছুই.


    পথে পথে হাতে হাত রেখে আবার শ্লোগান.

    পথে পথে মিছিলি মিছিলে পদাতিকের দেখা.


    মেহনতী মানুষের মৃত্যু নেই,বন্ধু

    মরে মরেই জীবনডা শ্যাষ.


    সব শ্যাষ.

    তবু শ্যাষ হয়নি কিছুই.

    মরণঘুম ভেঙ্গেছে এবার.


    পথে পথে হাতে হাত রেখে আবার শ্লোগান.

    পথে পথে মিছিলি মিছিলে পদাতিকের দেখা.

    মেহনতী মানুষের মৃত্যু নেই,বন্ধু!


    কখনও কখনও শিশির মুুখ বেশী টাইট্ করে লাগাতে গেলে প্যাঁচ্ কেটে যায় । বহুদিনের প্রবাদ ।

    মোদি সরকারের শ্রমনীতির প্রতিবাদে দশটি প্রভাবশালী ট্রেড ইউনিয়নের ডাকা একদিনের 'ভারত বন্ধ'কর্মসূচিতে বুধবার থমকে আছে পুরো ভারত।


    ধর্মঘট সফল করতে গত দুই মাস ধরেই সংশ্লিষ্ট সংগঠনগুলির তরফে প্রচারণা চালানো হয়েছিল।

    রাজনৈতিকভাবে বিজেপি এবং তৃণমূল ছাড়া দেশের বাকি প্রধান দলগুলি শ্রমজীবী মানুষের স্বার্থের কারণ দেখিয়ে এই ধর্মঘটকে সমর্থন করায় পশ্চিমবঙ্গসহ দেশের নানা প্রান্তে স্বাভাবিক জনজীবন ব্যাহত হয়েছে।

    তবে ধর্মঘটে আওতা থেকে ছাড় দেওয়া হয়েছে দুধ, পানি, বিদ্যুৎ, হাসপাতাল, ফায়ার সার্ভিস, অ্যাম্বুলেন্স, গণমাধ্যমসহ জরুরি পরিষেবাকে।

    পশ্চিমবঙ্গে এদিন সকাল থেকেই ধর্মঘটের সমর্থনে রাস্তায় নামে ধর্মঘট সমর্থনকারীরা। ধর্মঘট রুখতে মমতা ব্যানার্জির নির্দেশে রাস্তায় মোতায়েন রয়েছে পর্যাপ্ত পরিমাণ আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী।

    স্বাভাবিকভাবেই সকাল থেকেই রাজ্যটির একাধিক জায়গায় ধর্মঘট সমর্থনকারীদের সঙ্গে হাতাহাতি বাধে পুলিশের সঙ্গে। শিয়ালদহ কিংবা হাওড়া সেকশনে একাধিক জায়গায় ধর্মঘট সমর্থনকারীরা রেললাইনের ওপরে বসে পড়ায় ট্রেন চলাচল ব্যাহত হয়েছে।

    ভারতজুড়ে কমপক্ষে ১৫ কোটি কর্মজীবী আজকের ধর্মঘটে যোগ দিয়েছেন বলে জানিয়েছে ভারতের পত্রিকাগুলো। বুধবার সকাল ছয়টা থেকে শুরু হওয়া দিনভর এই ধর্মঘটে বিঘ্নিত হচ্ছে ভারতের বিভিন্ন বাণিজ্যিক পরিষেবা। এদিন সকালে পুরো ভারত জুড়েই অসংখ্য ব্যাংকের দরজা খোলেনি। ধর্মঘটে আক্রান্ত হয়েছে পরিবহন সেক্টরও। বিভিন্ন জায়গায় বিঘ্নিত হচ্ছে রেল চলাচল।


    বাংলাদেশের প্রতিবেশী ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যে ধর্মঘটের ব্যাপক প্রভাব পড়েছে। বুধবার কলকাতায় কোথাও কোথাও ধর্মঘটকারীদের সঙ্গে পুলিশ এবং রাজ্যের ক্ষমতাসীন তৃণমূল কংগ্রেসের সংঘর্ষ হয়। কলকাতায় অধিকাংশ ব্যাংকই বন্ধ। এছাড়া বন্ধ রয়েছে গণপরিবহন, দোকানপাট ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান।


    বর্তমান বিজেপি নেতৃত্বাধীন সরকারের বিভিন্ন অর্থনৈতিক নীতির বিরোধিতায় বেশ কিছুদিন ধরেই সরব ট্রেড ইউনিয়নগুলো। এর মধ্যেই অর্থ ও বাণিজ্য মন্ত্রী অরুন জেটলির সঙ্গে আলোচনা ভেস্তে গেলে বুধবার ধর্মঘটের ডাক দেয় দশটি প্রভাবশালী ট্রেড ইউনিয়নের জোট। তবে বিজেপি অনুগত ভারতীয় মজদুর সংঘ এবং ন্যাশনাল ফ্রন্ট অব ট্রেড ইউনিয়ন এই ধর্মঘটে যোগ দেয়নি।


    বিদেশি বিনিয়োগ আকৃষ্ট করে দেশের অর্থনীতিকে চাঙ্গা করতে অর্থনৈতিক এবং শ্রম খাতে ব্যাপক সংস্কারের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে ক্ষমতাসীন বিজেপি সরকারের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।


    কিন্তু তার সংস্কার কর্মসূচি শ্রমিক স্বার্থ বিরোধী এবং কর্পোরেট স্বার্থের অনুকূলে বলে এর বিরোধিতা করছে ট্রেড ইউনিয়নগুলো। তাদের সমর্থন দিচ্ছে বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলো।


    এ পরিস্থিতিতে থমকে আছে ভারতের অর্থনীতি। চলতি অর্থ বছরের প্রথম প্রান্তিকে কাঙ্ক্ষিত সাত শতাংশ হারে প্রবৃদ্ধি অর্জনে ব্যর্থ হয়েছে ভারতের অর্থনীতি। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন শ্রমবাজারে প্রবেশ করা লাখ লাখ যুব ভারতীয়দের জন্য কাজের সুযোগ সৃষ্টি করাই এ মুহূর্তে সরকারের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।


    একাধিক জায়গায় রেলের তারের ওপরে কলাপাতা ফেলে দেওয়ার ফলেও বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে রেল পরিষেবা। বেশ কয়েকটি স্টেশনে এক্সপ্রেস ট্রেন দাঁড়িয়ে পড়ে, ফলে সমস্যার মুখে পড়ে বহু যাত্রী।

    এদিকে, সোদপুরে ধর্মঘট সমর্থনকারী ও বিরোধীদের মধ্যে পাথর ছোঁড়াছুঁড়িতে এক নারী আহত হয়েছেন।

    এছাড়াও করুণাময়ী, যাদবপুর, বসিরহাট, হাওড়া, বারুইপুর সহ একাধিক স্থানে পুলিশের সঙ্গে ধর্মঘট সমর্থনকারীদের মধ্যে সংঘর্ষ বাধে। সকাল থেকেই অধিকাংশ স্কুল-কলেজ, দোকান-পাট বন্ধ রয়েছে।

    তবে কলকাতার দমদম বিমান বন্দরে এখনও পর্যন্ত ধর্মঘটের কোন প্রভাব পড়েনি। কলকাতাসহ রাজ্যের অন্যত্র রাস্তায় সরকারি বাস নামলেও বেসরকারি বাসের সংখ্যা কম। বিশৃঙ্খলার আশঙ্কায় সরকারি বাসের চালককে মাথায় হেলমেট পড়ে বাস চালাতে দেখা যায়।

    যানবাহন থাকলেও তাতে যাত্রীর সংখ্যা ছিল হাতে গোনা।অন্যদিকে রাজ্যের প্রতিটি সরকারি অফিসে কর্মীদের উপস্থিতি ধরে রাখতে নির্দেশিকা জারি করেছে রাজ্য সরকার।

    নির্দেশিকায় বলা হয়েছে অনুপস্থিতির উপযুক্ত কারণ না দেখাতে পারলে একদিনের বেতন কাটা যাবে এবং প্রয়োজনে ব্যবস্থাও নেওয়া হবে।

    সেই মতো রাজ্য প্রশাসনের সদর দপ্তর নবান্নসহ অনেক সরকারি অফিসেই রাত কাটান কর্মচারীরা। পশ্চিমবঙ্গের পাশাপাশি কেরল, হিমাচল প্রদেশ, দিল্লি, কর্নাটকসহ কয়েকটি রাজ্যেও ধর্মঘটের সামান্য প্রভাব পড়েছে।

    দিল্লিতে এদিন বাস, সিএনজি চলাচল স্বাভাবিক ছিল না। কেরলের রাস্তায় যানবাহনের সংখ্যা অন্যান্য দিনের তুলনায় অনেক কম।

    রাজ্যটির তথ্যপ্রযুক্তি সেক্টর বলে পরিচিত টেকনোপার্ক এবং ইনফো পার্কে উপস্থিতির হার কম। হিমাচল প্রদেশে রাস্তায় যানবাহনের সংখ্যা অনেক কম থাকলেও রাজ্য সরকারের অফিস এবং স্কুল-কলেজ পরিষেবা এখনও স্বাভাবিক আছে। যদিও তামিলনাড়ুতে ধর্মঘটের তেমন কোন প্রভাব পড়েনি।




    1. ধর্মঘটে দাদাগিরি:সিটুর মিছিলে হামলা, হকি স্টিক হাতে তৃণমূলের ...

    2. abpananda.abplive.in/.../General-strike-chaos-at-Kandi-Jamuria-and-othe...

  • ৪ ঘন্টা আগে - সাধারণ ধর্মঘটেভালই সাড়া মিলেছে মুর্শিদাবাদে। কান্দি বাসস্ট্যান্ডে সকালে সিটুর মিছিলে হামলা চালানোর অভিযোগ ওঠে তৃণমূলের বিরুদ্ধে। ধর্মঘট সমর্থনকারীদের সঙ্গে ধস্তাধস্তি হয় তৃণমূল কর্মীদের। পরে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এদিকে, জেলায় সরকারি বাস চললেও, যাত্রী কম।বেসরকারি বাস চলাচল পুরোপুরি ...

  • ধর্মঘটে শহরেও উত্তেজনা, ধর্মতলায় খণ্ডযুদ্ধ, করুণাময়ীতে ...

  • abpananda.abplive.in/.../Kolkata-General-strike-chaoses-in-few-pockets-...

  • ৩ ঘন্টা আগে - ধর্মঘট রুখতে সরকারের যাবতীয় প্রচেষ্টা সত্ত্বেও রাজ্যে সিটু-আইএনটিইউসি-র ধর্মঘট প্রায় সর্বাত্মক। বাস চললেও, নগণ্য যাত্রী। বহু এলাকায় বন্ধ দোকানপাট। শহরে গ্রেফতার বহু।



    • Arnab Gangulyএই বন্ধ, কোন রাজনৈতিক দলের বন্ধ নয়, আমরা যারা বিভিন্ন শিল্পে কাজ কর্ম করি, সংগঠিত বা অসংঠিত শ্রমিক, তাদের বন্ধ। এতে রাজনৈতিক দল গুলির মাথা ঘামানোর কারন নেই। প্রসঙ্গত আমাদের অফিসে কিন্তু বি এম এস ই বন্ধের পোস্টার দিয়েছিল। এখন সমর্থন সরিয়ে নিলেও, বাস্তবে নিরুচ্চার সমর্থন করছেই। ভারত বর্ষের প্রধান ১০ টি ট্রেড ইউনিয়ন বন্ধ ডেকেছে,যাতে ডান এবং বাম দুই মতাদর্শের লোক জন ই আছেন।

    রাজ্য, শহরে ধর্মঘটের ব্যাপক প্রভাব, শুনশান রাস্তায় পুলিস শাসক-বিরোধীদের দাপাদাপি, হামলা-মারামারিতে উত্তপ্ত রাজ্য, প্রভাব কম দেশে LIVE

    By Somnath| Last Updated: Wednesday, September 2, 2015 - 13:06


    বনধে রক্ত ঝরল বহরমপুরে। শাসকের লাঠি। আর পুলিসের লাঠির সাঁড়াশি আক্রমণ। পুলিসের লাঠিতে মুখ ফেটে রক্ত। জখম সিপিএমের জোনাল কমিটির সম্পাদক গণেশ সরকার।

    হামলা আর পাল্টা হামলায় তপ্ত বহরমপুর। তৃণমূলের মুর্শিদাবাদ জেলা সভাপতি মান্নান হোসেনের গাড়িতে ভাঙচুর। সিপিএমের দলীয় পতাকার ডান্ডা দিয়ে ভাঙা হয় গাড়ির কাচ।

    সিপিএমের জেলা পার্টি অফিসে ঢুকে বনধ বিরোধীদের তাণ্ডব। ঠায় দাঁড়িয়ে দেখল পুলিস। একেবারে চুপচাপ। আর পুলিসের সামনেই পার্টি অফিস লক্ষ্য করে ঢিল ছুড়ল বনধ বিরোধীরা। পিছন দিক দিয়ে পার্টি অফিসে ঢুকে হামলা। বনধ বিরোধীদের আক্রোশ থেকে রেহাই পায়নি নিরীহ বাইক আর সাইকেল।  যত কাণ্ড আজ বহরমপুরেই। সিপিএমের জেলা পার্টি অফিসের পাশের মাঠে দাঁড় করানো ছিল বাম কর্মী সমর্থকদের সাইকেল আর বাইক। বনধ বিরোধীরা বাইকে ভাঙচুর চালিয়ে তাতে আগুন ধরিয়ে দেয়। সাইকেল তুলে আছাড়।

    ** সকাল ১০.১৫। প্রাক্তন সিপিআইএম সাংসদ মইনুল হাসানের ওপর পুলিসের লাঠিচার্জ। রক্তাক্ত বহরমপুর।

    ** সকাল ১০.০০। বহরমপুরে সিপিআইএমের মিছিলে তৃণমূলের হামলা। বনধ সমর্থনকারীদের ওপর ইট বৃষ্টি। বাঁশ দিয়ে বেধড়ক মার সিপিআইএমের কর্মিকে। অভিযুক্ত তৃণমূল।

    ** সকাল ৯.৫০। হাওড়ামুখী রাজধানি আটকে রয়েছে বর্ধমান স্টেশনে।

    ** সকাল ৯.৪০। রামগড়ে সিপিএম কার্যলয়ে ভাঙচুর। অভিযোগের তির তৃণমূলের দিকে।

    ** সকাল ৯.৩০। ভ্যাবলা স্টেশনে সংঘর্ষ । বনধ সমর্থকারীদের সঙ্গে পুলিসের হাতাহাতি। তৃণমূল কর্মীরা বনধ সমর্থকদের পুকুরে ফেলে দেওয়ার অভিযোগ।

    ** সকাল ৯.২০। ধর্মঘটে উত্তপ্ত বহরমপুর। বহরমপুরে রাস্তায় বাইকবাহিনীর তাণ্ডব। সিপিএম অফিসের সামনে মিছিলে হামলা। আহত ১ সিপিএম কর্মী। অভিযোগ তৃণমূলের বিরুদ্ধে।

    ** সকাল ৯.১০। সোদপুরে রেল অবরোধ। অবরোধ নিয়ে বচসা নিত্যযাত্রী ও অবরোধকারীদের মধ্যে। দুপক্ষের মধ্যে ইট ছোঁড়াছুঁড়ি। ১ মহিলা সহ দুই যাত্রী জখম।

    ** সকাল ৯.০৫। গড়িয়া স্টেশনে সিপিএমের মিছিলে হামলা। অভিযোগ তৃণমূলের বিরুদ্ধে। আহত ১ সিপিএম কর্মী।

    ** সকাল ৮.৫০। যাদবপুরে অবরোধে উত্তেজনা। বাম সমর্থকদের অবরোধ। গাড়ি আটকানো নিয়ে তৃণমূল কর্মীদের সঙ্গে ঝেমেলা চলে। দু পক্ষকে হটিয়ে দেয় পুলিস।

    ** সকাল ৮.৪০। ধর্মঘট ঘিরে তারাতলায় উত্তেজনা। সিটু-আইএনটিটিউসি মধ্যে বচসা।

    ** সকাল ৮.৩০। মুর্শিদাবাদের কান্দিতে উত্তেজনা। কান্দি বাস স্ট্যান্ডের কাছে সিপিএম মিছিলে হামলার অভিযোগ। সিপিএমের পতাকা ছেঁড়ার অভিযোগ।

    ** সকাল ৮. ২৫। রামপুরহাটে রেল অবরোধ। অবরোধ হটিয়ে দিল পুলিস।

    ** সকাল ৮.২০। ধর্মঘটে মেট্রো পরিষেবা স্বাভাবিক। তবে অন্যান্য দিনের তুলনায় যাত্রী সংখ্যা কম।

    ** সকাল ৮.১০। ধর্মঘটের দিনে একেবারে স্বাভাবিক সেক্টর ফাইভের কর্মব্যস্ততা। রাস্তাঘাট ফাঁকা থাকলেও, তথ্যপ্রযুক্তি সংস্থাগুলিতে হাজিরা প্রায় একশো শতাংশ। BPO গুলিও চলছে স্বাভাবিক ছন্দে।

    ** সকাল ৮.০০। যাদবপুরে কম চলছে বেসরকারি বাস। এদিকে দিনের সেরা ছবি, হেলমেট পরে বাস চালচ্ছেন ড্রাইভার। বনধের দিনে মাথা বাঁচানোর জন্যই হেলমেট পরেছেন বলে জানান সরকারি বাস ড্রাইভার। যাদবপুরে অন্যান্য দিনের তুলনায় রাস্তাঘাটে যাত্রী সংখ্যা কম।

    ** সকাল ৭.৫০। শ্যামবাজারে ধর্মঘট নিয়ে উত্তেজনা। বনধের দিনে সরকারি বাস শাটল্ খাটছে। এস-৩২ রুটের বাস। কন্ডাক্টরের সঙ্গে বচসা নিত্যযাত্রীদের। বাস কন্ডাক্টরের দাবি, "শাটল্ খাটতে বলছে আমার ডিপার্টমেন্ট। ক্ষমতা থাকলে মুখ্যমন্ত্রীকে গিয়ে বলুন।" বাসটি যাওযার কথা বারাকপুর কিন্তু যাচ্ছে শ্যামবাজার পর্যন্ত।

    ** সকাল ৭.৪০। সমুদ্রগড় ও কালনা স্টেশনে রেল অবরোধ। আটকে কাটোয়া লাইনের সব ট্রেন।

    ** সকাল ৭.২৮। লেকটাউন যশোর রোডে উত্তেজনা। ধর্মঘটীদের সঙ্গে পুলিসের ধস্তাধস্তি। পুলিস ধর্মঘটীদের ভ্যানে তুললে বিক্ষোভ জানায় তারা।

    ** সকাল ৭.১৫। সোদপুর বিটি রোডে অবরোধ। মেচেদায় রেল অবরোধ। হওড়াগামী জগনাথ এক্সপ্রেস দাঁড়িয়ে রয়েছে।

    ** সকাল ৭.০৫। গড়িয়া বাস স্ট্যান্ড কার্যত ফাঁকা। গড়িয়া-সোনারপুর ও গড়িয়া-বারুইপুর কোনও অটো নেই।

    ** সকাল ৭.০০। । ধর্মতলা থেকে যাদবপুর বেসরকারি বাসের সংখ্যা কম। ট্যাক্সি চলাচল এই মুহূর্তে স্বাভাবিক বলে জানা যাচ্ছে।

    ** সকাল ৬.৫৫। সূত্রের খবর, হাওড়ায় বেশকিছু ট্রেন দেরিতে ঢুকছে।

    ** সকাল ৬.৫০। হলদিয়ার অধিকাংশ শিল্পাঞ্চল খোলা রয়েছে। আসানসোল ও দুর্গাপুরে বেশিরভাগ কারথানায় কাজ চলছে স্বাভাবিক।

    ** সকাল ৬.৪০। সকাল থেকে কলকাতা বিমানবন্দরে যাত্রীদের ভিড়। বাস, ট্যাক্সি না পাওয়ার ভয়ে রাত কাটিয়েছেন যাত্রীরা।  বিমান চলাচল স্বাভাবিক।

    ** সকাল ৬.৩০। বারাকপুর শিল্পাঞ্চলের মোট ২৫ টি জুটমিলের মধ্যে ২০ জুটমিল বন্ধ। হুগলিতে ১১ টি জুটমিল বন্ধ রয়েছে।

    ** সকাল ৬.২০। এখনও পর্যন্ত হাওড়ায় ট্যাক্সির সংখ্যা স্বাভাবিক। শিয়ালদহে হাসনাবাদ, বারাসত, বারাকপুর শাখায় এখনও পর্যন্ত রেল চলাচল স্বাভাবিক।

    ** শিয়ালদহ দক্ষিণ শাখায় রেল চলাচল বিঘ্ন। রেলের ওভারহেডের তারে কলাপাতা। বন্ধ ডাউন শাখার রেল চলাচল।

    ** সরকারের নির্দেশিকা মেনে গত কাল রাতে অফিসেই  থেকে গেলেন ধূপগুড়ি বিডিও অফিসের কর্মীরা। বনধে সরকারি অফিস সচল রাখতে, কর্মী-অফিসারদের আগের রাতে অফিসেই থাকার নির্দেশ দিয়েছিল  প্রশাসন। নবান্ন, মহাকরণের মতো জেলার অফিসগুলিতেও তাই রাতে হাজির কর্মীরা।

    দেশজুড়ে আজ চব্বিশ ঘণ্টার সাধারণ ধর্মঘট। বারো দফা দাবিতে  ধর্মঘটের ডাক দিয়েছে কেন্দ্রীয় বিভিন্ন ট্রেড ইউনিয়ন। শ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি ও শ্রম আইনের যথাযথ সংশোধনসহ নানা দাবিতে রাজ্যে এদিন কার্যত বাংলা বনধেরই ডাক। বামপন্থী বিভিন্ন শ্রমিক সংগঠনের ডাকে ধর্মঘট সমর্থন করছে কংগ্রেস। তবে ধর্মঘটের  বিরোধিতায় সবরকম ব্যবস্থা নিয়েছে সরকার। আহ্বায়কদের দাবি, সরকারের যাবতীয় তত্‍পরতা সত্ত্বেও ধর্মঘট হবে সর্বাত্মক।

    http://zeenews.india.com/bengali/zila/strike-in-india_131199.html


    • আজকালের প্রতিবেদন: দেশের কোনও আদালত ওসব ফতোয়ার আইনি স্বীকৃতি দেয়নি। ওগুলো ছিঁড়ে ফেলুন, উপেক্ষা করুন। শান্তিপূর্ণ ধর্মঘটের মধ‍্য দিয়ে অমানবিক অগণতান্ত্রিক সরকারের বিরুদ্ধে রায় দিন। কৃষক, শ্রমিক, সাধারণ মেহনতি মানুষের স্বার্থে সারা দেশের সঙ্গে এ রাজ‍্যেও সাধারণ ধর্মঘট সফল করুন। মঙ্গলবার এই ভাষাতেই রাজ‍্য সরকারের জারি করা সার্কুলারের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছেন সি পি এম রাজ‍্য সম্পাদক ডাঃ সূর্যকান্ত মিশ্র। কলকাতায় এদিন ১৭টি বামপন্থী দলের পক্ষ থেকে ৩টি বড় মিছিল বের হয় সাধারণ ধর্মঘটের পক্ষে। জেলায় জেলায় একইভাবে মিছিল করে সাধারণ মানুষের কাছে ধর্মঘটে অংশ নেওয়ার আবেদন জানিয়েছেন ১৭টি বামপন্থী দল ও তাদের সমস্ত গণসংগঠনের সদস‍্যরা। এদিন শ‍্যামবাজার থেকে রাজাবাজার ট্রাম ডিপো পর্যন্ত লম্বা মিছিলে নেতৃত্ব দেন সূর্যকান্ত মিশ্র নিজে। সন্ধেয় মৌলালি রামলীলা ময়দান থেকে আর একটি মিছিল বের হয়। সেখানে নেতৃত্বে ছিলেন বামফ্রন্ট চেয়ারম‍্যান বিমান বসু। ধর্মতলায় সমস্ত ট্রেড ইউনিয়নের নেতা–কর্মী–সমর্থকদের নিয়ে মিছিল বের হয়। নেতৃত্বে ছিলেন শ‍্যামল চক্রবর্তী–সহ অন‍‍্য নেতারা। আজ বুধবারও ১৭টি বামপন্থী দলের নেতা–কর্মীরা রাস্তায় থাকবেন বলে জানিয়েছেন। সমস্ত কলকারখানায় পিকেটিং করবেন শ্রমিকেরা। কলকাতায় একাধিক মিছিল বের হবে। মিছিলে থাকবেন বিমান বসু, সূর্যকান্ত মিশ্র, হাফিজ আলম সাইরানি, মনোজ ভট্টাচার্য, ক্ষিতি গোস্বামী, মঞ্জুকুমার মজুমদার, প্রবোধ পান্ডা, অসীম চ‍্যাটার্জি, সমীর পুততুণ্ড–সহ সমস্ত বাম নেতৃত্ব। এদিন বিকেলে সাংবাদিক সম্মেলন করে সূর্যকান্ত মিশ্র বলেছেন, এ রাজ‍্যের কয়েকজন মন্ত্রীকে বলতে শুনলাম, 'কীসের জন‍্য ধর্মঘট তা–ই জানি না'। সাধারণ মানুষের কাছে আবেদন জানাচ্ছি, একবার ভাবুন। শ্রমিক, কৃষক, সাধারণ মানুষের দাবির ব‍্যাপারে রাজ‍্যের মন্ত্রীদের কী অবস্থান! এরা সাধারণ মানুষের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করছে। এদিন ১৭ বাম দলের অন‍্যতম এস ইউ সি আই (কমিউনিস্ট) রাজ‍্য সম্পাদক সৌমেন বসুও সাংবাদিক সম্মেলন করেন। বলেন, এক মাসেরও বেশি সময় ধরে আমরা এই ধর্মঘটের পক্ষে প্রচার চালাচ্ছি। আমাদের লক্ষ‍্য, কেন্দ্রীয় সরকার–বিরোধী এই ধর্মঘটকে সামনে রেখে জনগণের মধ‍্যে আন্দোলনমুখী মন ও বামপন্থী আন্দোলনের পরিবেশ তৈরি করা। কিন্তু কয়েক দিন ধরে দেখতে পাচ্ছি ধর্মঘটকে সামনে রেখে তৃণমূল–সি পি এম দ্বৈরথ ও ভোটের লড়াই তৈরির চেষ্টা হচ্ছে। তিনি বলেন, কেন্দ্রের বি জে পি সরকার–বিরোধী এই ধর্মঘটের বিরোধিতায় কেন তৃণমূল কংগ্রেস নামল, তার উত্তর তৃণমূল কংগ্রেসের নেতারা দিতে পারবেন। সেই সঙ্গে তঁার অভিযোগ, ২০টি জেলায় তঁাদের ধর্মঘট নিয়ে প্রচারে হামলা, ভীতি প্রদর্শন, কর্মীদের মারধর, মাইক ভেঙে দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে। তঁার কথায়, জনগণ এই ধর্মঘটকে বিপুলভাবে সমর্থন করছে বলেই মনে করছি। এবার যৌথ বাম সমর্থনে ডাকা এই ধর্মঘট সর্বাত্মক সফল হবে। ভীতি প্রদর্শন, চোখ রাঙানিকে জনগণ পরোয়া করবে না। সি পি আই (এম এল) লিবারেশনের রাজ‍্য সম্পাদক পার্থ ঘোষ বলেছেন, শ্রমজীবী মানুষের দাবিদাওয়া উপেক্ষা করে রাজ‍্য সরকার একের পর এক কালা সার্কুলার জারি করছে। এরা দমন–পীড়নের পথ ধরেছে। আমরা এর তীব্র বিরোধিতা করছি। তিনি বলেন, বি জে পি পরিচালিত শ্রমিক সংগঠন শেষ মুহূর্তে ধর্মঘট থেকে সরে গেলেও তঁাদের সমর্থক শ্রমিকেরা এই ধর্মঘটে অংশ নেবেন। এ আই সি সি টি ইউ রাজ‍্য সম্পাদক বাসুদেব বসু জানিয়েছেন, এ রাজ‍্যে ধর্মঘটকে কেন্দ্র করে তৃণমূল সরকার 'মোদি সরকারের পাহারাদার'হিসেবে কাজ করছে। দমন–পীড়ন করে লাভ হবে না। সূর্যকান্ত মিশ্র এদিন বলেন, আমাদের সাফ কথা, ১৭টি দাবিকে সামনে রেখে আমরা সাধারণ ধর্মঘটকে সমর্থন জানিয়েছি। সাধারণ মানুষের কাছে আমাদের আবেদন, দাবিগুলো নিয়ে ভাবুন। ন‍্যায‍্য মনে করলে ধর্মঘটে সামিল হোন। না হলে রাজ‍্য সরকারের পাশে দঁাড়ান। তিনি বলেন, কৃষক তার ফসলের দাম পাচ্ছেন না, খেতমজুরেরও কাজ নেই। আয় কমছে। জিনিসের দাম বাড়ছে। সরকার সমস‍্যার সমাধান না করে শ্রমিকদের প্রতিবাদের অধিকারও কেড়ে নিতে চাইছে। তাই ধর্মঘটে আমরা। আমরা বলছি, জিনিসের দাম কমানো সম্ভব। খাদ‍্য সুরক্ষার ব‍্যবস্থা করা সম্ভব। বেকারদের কাজের ব‍্যবস্থা করতে সরকারের উদ‍্যোগ নেই। কলকারখানা একের পর এক বন্ধ হয়ে চলেছে সরকারের ভুল নীতির জন‍্য। এসব দাবিতেই এই ধর্মঘটের ডাক। তিনি বলেন, আমরা অসংগঠিত ক্ষেত্রের শ্রমিকদের জন‍্য নূ‍্যনতম ১৫ হাজার টাকা বেতনের দাবি করেছি। এই দাবি ন‍্যায‍্য মনে হলে ধর্মঘটে সামিল হোন। ওদের জন‍্য সামাজিক সুরক্ষা চাইছি, অন‍্যায় করছি? প্রশ্ন সূর্যকান্তের। তিনি বলেন, শিক্ষক, সরকারি কর্মীরা প্রায় ৫০ শতাংশ মহার্ঘভাতা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। বেতন কাটার হুমকি দিয়ে তঁাদের দাবিয়ে রাখা যাবে না। তিনি বলেন, সাধারণ মানুষ, শ্রমিক, কৃষক, সরকারি কর্মী সবাইকে বলছি সরকার যে ফতোয়া জারি করেছে, তা ছিঁড়ে ফেলুন। অামরা শান্তিপূর্ণ ঘর্মঘট চাই। ধর্মঘট তো মূলত কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে। তাহলে রাজ‍্য সরকার বিরোধিতা করছে কেন? সূর্যকান্ত মিশ্র বলেন, অর্থনীতির প্রশ্নে, ধর্মঘটের প্রশ্নে বি জে পি আর তৃণমূল তো একই অবস্থানে। তাই শ্রমজীবীদের বিরুদ্ধে দুই সরকারই যুদ্ধ ঘোষণা করেছে। এখন এই দুই দল মিলে একপক্ষ হয়েছে। বাকি সবাই ধর্মঘটের পক্ষে। জিনিসের দাম বাড়ছে বলে টাস্ক ফোর্সের বৈঠক হয় না। অথচ ধর্মঘটের মোকাবিলায় টাস্ক ফোর্সের বৈঠক হয়েছে এদিন। ঠিক হয়েছে দোকানদারদের বলুন, ভাঙচুর হলে ক্ষতিপূরণ দেবে সরকার। দোকান খোলা রাখুন। সূর্যকান্ত মিশ্র বলেন, বিষমদ খেয়ে মরলে এ রাজ‍্যে ক্ষতিপূরণ হয়। কিন্তু কৃষক আত্মহত‍্যা করলে ক্ষতিপূরণ নেই। বন‍্যায় লাখ লাখ মানুষ সর্বস্বান্ত। তাদের জন‍্য ক্ষতিপূরণ নেই। অথচ বলা হচ্ছে দোকান ভাঙলে ক্ষতিপূরণ দেবে সরকার। আমাদের অভিজ্ঞতা হল, তৃণমূলের লোকজন রাতে হুমকি দেয়, সকালে দোকান ভাঙে। তা হলে কাদের জন‍্য কারা ক্ষতিপূরণ পাবে? আমরা জোর করে ধর্মঘট করার বিরুদ্ধে, জোর করে ধর্মঘট ভাঙারও বিরুদ্ধে। কিন্তু রাস্তায় ধর্মঘট ভাঙতে এলে প্রতিরোধ হবে।

    • শ্রমিক, কৃষক সাধারণ মানুষ রাস্তাতেই থাকবে। আমরাও রাস্তাতেই থাকব। একই কথা জানিয়েছেন বিমান বসু, শ‍্যামল চক্রবর্তী–সহ সকলেই। শ‍্যামল চক্রবর্তী বলেছেন, রাজ‍্য–কেন্দ্র জোট বেধে ধর্মঘট ভাঙতে চাইছে। লাভ হবে না। সরকার, প্রশাসন অশান্তি চাপিয়ে দিলে কিন্তু প্রতিরোধ হবে। ভারতের এমন কোনও গ্রাম নেই যেখানে এই ধর্মঘটের বার্তা পৌঁছয়নি। বি জে পি পরিচালিত রাজ‍্যগুলোও বিরোধিতা করছে। কিন্তু এ রাজ‍্যের মতো কেউ উঠেপড়ে লাগেনি।

    Roshnara Mishra

    ১ দিনের মাইনে আমি তাদের দিলাম নতুন শ্রম আইনে যাদের চাকরিরই নিরাপত্তা থাকবেনা।

    দিলাম - কারণ, এই যুদ্ধ হারলে আমার চাকরির নিরাপত্তাও থাকবে না।

    "എന്റെ നൈറ്റിയും ഉടുതുണിയും എല്ലാം

    പറിച്ചു കീറി എന്നിട്ട് എന്നോട് പറഞ്ഞു

    നിന്റെ ഉടുതുണി ഇല്ലാത്ത ഫോട്ടോ

    എടുക്കട്ടെ എന്റെ മുടി പിടിച്ചു തല

    ചുമരോട് അടിച്ചു "

    ...See More

    ধর্মঘট শান্তিপূর্ণ হবে। কিন্তু জোর করে ধর্মঘট ভাঙতে চাইলে বাঁধবে লড়াই। অশান্তির দায় নিতে হবে সরকারকে।

    Left Front Daily's photo.


    DYFI chanthavila unit

    ഇത്‌ ഞങ്ങളുടെ സഖാവ്‌ ഷെറിജ സുദിപ്‌ ഇനി സഖാവിന്റെ വാട്ട്‌സ്‌ അപ്പ്‌ പോസ്‌റ്റില്‍ എന്ത്‌കൊണ്ട്‌ കമ്മ്യുമിണസത്തെ പ്രണയിച്ചുവെന്ന്‌ മനസ്സിലാക്കാം......

    Shereeja Sudeep

    "എന്തിനാ ഇങ്ങനെ മാര്ക്സിസ്റ്റ് പാര്ടികാർക്ക്

    വേണ്ടി പ്രവര്ത്തിക്കുന്നത് മോളേ ?

    ഈയൊരു ഇസ്ലാമല്ലേ!!

    ഇസ്ലാമിനു എതിര് പറയുന്നോര്ടെ കൂട്ട് എന്തിനാ

    മോളെ ??"

    ചില മോളെ വിളികളെ കേള്ക്കുമ്പോള്

    കോരിതരിക്കണം....

    ഞാന് എന്ത് കൊണ്ട് ഇടതുപക്ഷം ചേര്ന്നു

    നടക്കുന്നു എന്നറിയണമെങ്കില് 23 വര്ഷം മുന്നേ

    ഉള്ള കാലം തിരിഞ്ഞു നോക്കണം.

    കണ്ണ് കാണാത്ത ഇസ്ലാം മതപ്രകാരം ജീവിച്ച

    ഉപ്പക്കും ഉമ്മക്കും നെഞ്ജില് 'ഓട്ട' യുമായി

    പിറന്ന എന്നെ രക്ഷിക്കാന് അവര് പിടിച്ച

    കാലുകള് കുറെയാണ് . ഗുണം ഒന്നുമുണ്ടായിട്ടില്ല ,

    എന്തിനേറെ പാണക്കാട്ടെ മുസ്ലീം രക്ഷകരുടെ

    വാതിലില് മുട്ടിയപ്പോള് ഇസ്ലാമുകാരായ

    ഞങ്ങളെ സ്വീകരിച്ചത് പത്തിന്റെ മുഷിഞ്ഞ

    കുറച്ചു നോട്ടുകളാണ്.

    മുട്ടിയ വാതിലുകളില് തുറക്കപ്പെട്ടത്‌ 'ഇസ്ലാമിനു

    ഇങ്ങള് എതിര്' എന്ന് പറയുന്ന AKG

    മന്ദിരത്തിന്റെ വാതിലാ. 'ശ്രീ ചിത്ര'യില്

    പ്രവേശിക്കുന്നത് തൊട്ടു പല കാര്യങ്ങളിലും

    കൂടെ നിന്നത് 'മാര്ക്സിസ്ടുകാരാ".

    അതിനു ശേഷം വളര്ന്നു കഴിഞ്ഞപ്പോള് തീവ്ര

    യാഥാസ്ഥിക ഇസ്ലാംകാരായ കുടുംബക്കാര്ക്ക

    ും ഞങ്ങള് (ഉപ്പ, ഉമ്മ, ഷെമീം,ഷംനാദ് )

    അധികപറ്റുകാരായിരുന്നു. കുടുംബ

    കല്യാണങ്ങളിലും, സല്ക്കാരങ്ങളിലും മറ്റും ദൂരെ

    നിന്ന് നോക്കി അവസാനം ബാക്കി വരുന്നത്

    കഴിക്കുന്ന ഭിക്ഷക്കാര്.

    അപ്പോള് ഞങ്ങള്

    ഇസ്ലാം മതക്കാരാണ് എന്നത് ആരുടേയും

    ഒര്മയിലുണ്ടായിരുന്നില്ല.

    ബസ്സ്ടണ്ടിലും മറ്റും പാട്ടും പാടി കുടുംബം

    പുലര്ത്തുന്നയാളുടെ മക്കള്.

    എന്നിട്ടും ചെര്ത്തി മദ്രാസ പഠനത്തിന് യതീം

    ഖാനയില് , ഇസ്ലാമില് നിന്നും അന്യം

    പോകരുതല്ലോ.

    യതീം ഖാനയിലേക്ക് പോയതിലും വേഗത്തില്

    തിരിച്ചു വന്നത് എന്തിനാണെന്ന്

    അറിയണമെങ്കില് പത്രങ്ങള് വായിച്ചാല് മതി!!

    ( എല്ലാ യതീം ഖാനകളെയും ഉദ്ദേശിച്ചിട്ടില്ല )

    വളര്ന്നു പഠനം നടത്തുമ്പോള് ഉപ്പ സകല

    സ്വാതന്ത്ര്യത്തോടും പഠിപ്പിക്കാന് വിട്ടു.

    "നീയെന്താടീ ഫാഷന് ഷോ നടത്താനാണോ

    സ്കൂളിലേക്ക് വരുന്നത്????"

    SFI പ്രവര്ത്തനം നടത്തുമ്പോള് " നിങ്ങളുടെ

    മോളെ എന്താ കയറൂരി വിട്ടിരിക്കുകയാണോ ?

    എന്ന ചോദ്യങ്ങള്ക്ക് ഉത്തരം ഉപ്പ "നീ

    നിനക്ക് ഇഷ്ട്ടമുള്ളത് ചെയ്തോ, എനിക്ക് നിന്നെ

    വിശ്വാസമാണ്" എന്നാണു!!!

    ഉപ്പയുടെ മരണം കുടുംബത്തെ വല്ലാതെ

    ഉലച്ചപ്പോള് കൂടെ നിന്ന് സഹായിച്ച

    സുമനസ്സുകളില് ഏറെയും കമ്യൂനിസ്റ്റുകാ

    രായിരുന്നു,

    ഇനി ഇവറ്റകള് എങ്ങനെ ജീവിക്കും ,

    കാണണമല്ലോ !! എന്ന് ചിന്തിച്ചവരില് കൂടുതലും

    ഞങ്ങളുടെ ഉറ്റ കുടുംബക്കാരയിരുന്നു. വര്ഷത്തില്

    ഒരു പെരുന്നാളിനോ ഞങ്ങളെ വന്നു കണ്ടിരുന്ന

    പള്ളി കമ്മിറ്റിക്കാര്ക്ക് നന്ദി. ഇച്ചിരി

    മനുഷ്യത്വം ഉണ്ടായതിനു. പക്ഷെ ബാകിയുള്ള 364

    ദിവസം ഞങ്ങള് എങ്ങനെ ജീവിക്കും എന്നതിന്

    ഉത്തരം തന്നവരില് ബഹു ഭൂരിഭാഗവും

    കമ്യൂണിസ്റ്റുകാരായിരുന്നു.

    ഈ ഒരൊറ്റ മോളെ എങ്ങനെ കല്യാണം

    കഴിപ്പിക്കും എന്ന് ആലോചിക്കുമ്പോള് കുടുംബ

    സാഹചര്യം മുഴുവനും അറിഞ്ഞു കൊണ്ട് ജീവിത

    യാത്രയില് എന്നെ കൂടെ കൂട്ടിയത് ഒരു

    കമ്യൂണിസ്റ്റു സഹചാരിയായിരുന്നു.

    കല്യാണത്തിനു ശേഷം എന്റെ കുടുംബത്തിന്റെ

    മുഴുവന് ഉത്തരവാദിത്തവും ഏറ്റെടുത്തു

    മെച്ചപ്പെട്ട നിലയിലേക്ക് മാറ്റിയത് എന്റെ

    ഏട്ടനായിരുന്നു.

    താല്ക്കാലികമായ സാമ്പത്തിക രൂക്ഷത

    അനുഭവപ്പെടുന്നുവെങ്കിലും ആ കൈകളില്

    ഞങ്ങളുടെ കുടുംബത്തിന്റെ ഭാവി സുരക്ഷിതമാണ്.

    ഇങ്ങനെയൊക്കെയാണ് ഞാനും എന്റെ

    അനിയന്മാരും ഇടതു ചാരി നില്ക്കുന്നത്.

    ഇസ്ലാം ഇസ്ലാം എന്ന് പറഞ്ഞു നടക്കുന്ന

    എല്ലാവരും ആദ്യം നിങ്ങളുടെ ചുറ്റും ഒന്ന്

    കണ്ണോടിക്കുക. എത്ര ഇസ്ലാം കുടുംബങ്ങളാണ്

    അവശതയിലും, അന്നന്നത്തെ അന്നത്തിനും വഴി

    മുട്ടി നില്ക്കുന്നത്. കൂടെ കൂട്ടുക അവരെയും.

    വര്ഷത്തില് ഒന്നോ രണ്ടോ ദിവസം 10 കിലോ

    അരിയും, 1 കിലോ ബീഫും, രണ്ടു കിലോ

    പഞ്ഞസരയും, 1 കിലോ ചായപ്പൊടിയും , മസാല

    പൊടികളും കിട്ടിയാല് അത് കൊണ്ട് അവര്

    ബാകിയുള്ള 360 ദിവസവും ജീവിച്ചോളും എന്നാ

    മിഥ്യ ധാരണ ആദ്യം മാറ്റുക.

    ഇങ്ങനെയല്ലേ സമുദായ സ്നേഹം

    കാണിക്കേണ്ടത്!!!???. ഉപദേശം സ്വന്തം

    മനസാക്ഷിയോട് ആകട്ടെ ആദ്യം.

    ലാല് സലാം""


    Riddhipratim Banerjee's photo.


    সৌভিক কর কর

    23 hrs

    ভারত বনধ নিয়ে তৃনমূল এতো ঔদ্ধত্ দেখাচ্ছে কেন ? তৃনমূল নাকি ধর্মঘট সফল হতে দেবে না। আরে বিষ দাঁত ভাঙ্গার জন্যই আরও বেশি করে লোক বনধ সফল করবে। আর তৃনমূল সুপ্রিমো এটা ভুলে যাচ্ছেন কেন ? কোনও কারন ছাড়াই কুকুর বেড়াল মরলেই বনধ ডাকতেন তৃনমূলের জন্মের পর থেকে মোট ৭৩ বার।

    সৌভিক কর কর's photo.



    শিশির কুমার বন্দ্যোপাধ্যায়'s photo.


    শিশির কুমার বন্দ্যোপাধ্যায়'s photo.



    সকাল ১০ টা অফিস টাইম- ভি আই পি রোড সুনসান !!! হুমকি-ধমকি যত দেবে তত মানুষ জবাব দেবে।

    Left Front Daily's photo.

    Dev Malya Ghosh with Shyamal Dasgupta and 19 others

    9 hrs· Edited

    আজকের বন্ধ নিয়ে কয়েকটা কথা বলতে চাই

    পড়ে দেখলাম যে বন্ধ করা সাংবিধানিক অধিকারের মধ্যে পরছে না তবুও সরকার নির্বাচনের কথা ভেবে হোক বা সংঘর্ষের ফলে সম্পত্তির ক্ষয়ক্ষতির ভয়ে হোক কড়া পদক্ষেপ নিয়ে বন্ধকে ব্যার্থ করতে উদ্যোগী হয়না ফলে কিছুজনের ডাকা বন্ধ সার্বজনীন হয়ে দাড়ায়, কারণ এটা মাথায় রাখবেন যে বন্ধ মানে যদি আক্ষরিক অর্থে বন্ধ হয় তাহলে কিন্তু সেটা আপনারা করছেন না, আপনারা শুধু নিজেরা কাজ বন্ধ করে বা যারা বন্ধে রাজি তাদের সাথে মিলে বন্ধ করে চুপ করে বসে নেই আপনারা রাস্তায় নামবেন মাস্তানি করবেন যারা কাজের যেতে চায় বা যাদের কাজে না গেলে পেটে ভাত হবে না তাদেরও বাঁধা দেবেন, এটাকে বন্ধ না বলে মাস্তানি বললেই তো ভালো হয় তাই না, বিভিন্ন জায়গায় হুমকি শুনলাম যে মাই কা লাল হলে কালকে যেন বাড়ি থেকে বেরোই, তা ভাইয়েরা আমি মাই কা লাল আজকে বাড়ি থেকেও বেরোবো, কাজ আছে করতেও হবে, তাছাড়া অভিজ্ঞতা বলছে এর আগেও সর্বভারতীয় বন্ধে সারা ভারত মোটামুটি সচল থেকেছে শুধু পশ্চিমবঙ্গ অচল থেকেছে, এর কারণ কি, সারা ভারতে শ্রমিকরাও বোঝে যে কর্মনাশা বন্ধ করে বৃহৎ পুজিপতির একটা কেশ উৎপাটন হয়না, কারণ তাদের দিনমজুরি করে খেতে হয়না, ক্ষতি হয় দিনমজুরি করা মানুষজনের কষ্ট হয়, বরং বেশী বন্ধ হলে পুজিপতিরা কারখানা বন্ধ করে সেখান থকে পুজি সরিয়ে নিয়ে যায় যেটা বরাবর পশ্চিমবঙ্গে হয়েছে এবং তাতে শ্রমিকশ্রেণীর দুরবস্থা আরও বেড়েছে, জঙ্গি বামশ্রমিক দলের আন্দোলনের ফলে শিল্প বিদায় নিয়েছে, একের পর এক কলকারখানা বন্ধ হয়েছে, হয়তো অনেকক্ষেত্রে শিল্পপতিরাই একের পর এক বন্ধে লোকসান করতে করতে বিরক্ত এইসব তথাকথিত শ্রমিকনেতাদের কিনে নিয়ে বন্ধ করিয়েছে এবং শেষে লোকসান দেখিয়েছে ও কারখানা বন্ধ করে দিয়ে চলে গেছে, শ্রমিক বিরোধের নামে কারখানার কোন কর্মচারী খুন হয়েছে ফলে অনেকে গ্রেপ্তার হয়েছে আর সেই আন্দোলন ভেঙ্গে গেছে, যেকোনো জঙ্গি আন্দোলনের এইটাই সমস্যা, গণতান্ত্রিক পথে না হওয়ায় হয়তো আন্দোলনের বিষয় কিছু ক্ষেত্রে প্রাসঙ্গিক হলেও গণতান্ত্রিক পথে না হওয়ায় খারিজ করে দেওয়া সহজ, সাংবিধানিক গণতান্ত্রিক দেশে পুজিপতিদের থেকে নিজের অধিকার বুঝে নেওয়ার অনেক সাংবিধানিক পথ আছে, আদালত আছে, শ্রমজীবী মানুষ যেহেতু সংখ্যায় অনেক বেশী তাই তাদের সংগঠিত করে নির্বাচনকে ব্যাবহার করা যায় নিষ্পেষিতের আর্থসামাজিক অধিকারকে নেতানেত্রিদের নির্বাচনের মুখ্য বিষয় বানানো যায় বা নিজেরাই সেই বিষয়ে নির্বাচনে জেতা যায় কিন্তু যারা নিজেদের সর্বহারার মসিহা বলেন শ্রমিকনেতা চাষার ছেলে দলিত কি বেটি ইত্যাদি বলেন তারা জানেন যে গরীবের অধিকার বুঝে নেওয়ার নির্বাচনে জেতার জন্য দ্যাখাতে চান যে তারা গরীব দলিতকে কতো ভালোবাসেন, এতোই ভালোবাসেন যে সারা ভারত পারলে সারা পৃথিবী বন্ধ করে দেন কিন্তু দিয়ে হাল্কা করে তাদের পশ্চাতে বংশদণ্ড ঢুকিয়ে দেন, সারাদিনের কাজের সর্বনাশ করে তাদের ভাতে মেরে গরীবদরদী বলে পরিচিত হওয়ার চেষ্টা করেন কিন্তু গরীবের স্বার্থে সাংবিধানিক পথে দীর্ঘ লড়াই করতে এরা বড়ই অনিচ্ছুক তাতে খাটনি বেশী সেই বরং আফজল গুরুকে বা ইয়াকুব মেমনকে বাচাতে খাটবেন তাতে মুসলিম সমর্থন পাবেন যাই হোক মানুষ সেই রাজনীতি বর্জন করেছে তাই তথাকথিত সর্বহারার মসিহাদের আস্তে আস্তে সারা ভারতে বিলুপ্ত করে দিচ্ছে অর্থাৎ তারা যে নিজেদের সর্বহারার মসিহা বলেন সেটা সর্বহারারাই বিশ্বাস করেনা বা তাদের কাজে কোন আশা দেখতে পায় না তাই আবার নিষ্পেষিত মানুষদের ক্ষেপীয়ে বন্ধ করিয়ে তাদের সহানুভুতি পাওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে, শেষ অব্দি লাভ কিছুই হবেনা ক্ষতি হবে কিছু বিনিয়োগ চলে যাবে আর্থিক অবস্থার আরও অবনতি হবে, এ প্রসঙ্গে একটা কথোপকথন নিয়ে বলতে চাই, ২৮ শে আগস্ট একটা দোকানে দাড়িয়ে বাম বীরপুঙ্গবের কথা শুনছিলাম সে গর্ব করে বলছিল ২৭ শে আগস্ট নবান্ন অভিযানে কি কি করেছে, তার মধ্যে যেটা জোর দিয়ে বলল সেটা হোল এক মহিলা পুলিশ কর্মী কাঁদায় পিছলে পরে গেছিলেন তার মাথায় বাঁশ দিয়ে মেরেছে বলাই বাহুল্য আশেপাশের লোকেরা বীরপুঙ্গবের এই বীরত্বকাহিনি শুনে অখুশিই হলেন, একজন বললেন যে মারলে কেন তো বাম বলল যে ও লাঠি নিয়ে এসেছিলো তো তখন আমি বললাম যে পুলিশ তো হাতে লাঠি নিয়ে আসবে নাতো কি রসগোল্লা নিয়ে আসবে তারপর বললাম মহিলা পুলিশকর্মী তো মহিলাদের সামলাতে আসে তো আপনাকে কি মেরেছিল তো বাম বল্ল যে না তখন আমি বললাম আচ্ছা তার মানে পুরুষ পুলিশকর্মীদের সাথে না পেরে মহিলা পুলিশকর্মীর ওপর বীরত্ব দেখিয়েছেন শুনে বীরপুঙ্গব একটু সংকুচিত হলেন দিয়ে বলতে শুরু করলেন যে পুলিশকর্মীরা নাকি গাড়ি করে ঢিল এনেছিল সেটা নাকি জনতা দখল করে নিয়েছিলো যেটা শুনে আমার একটু অবিশ্বাস্যই বলে মনে হয়েছিলো কারণ কলকাতা পুলিশের Riot Gear যথেষ্ট উন্নত তাদের ঢিল ছুড়ে মিছিল আটকাতে হবে এটা হাস্যকর, Crystal Rod, Rubber Bullet, Shock Baton, Tear Gas, Water Cannon থাকতে পুলিশকে হঠাত ঢিল নিয়ে আসতে হবে কেন সেই প্রশ্নই মাথায় ঘুরছিল এমনটা হতে পারে যে নিজেদের দিকে ছুড়ে দেওয়া ঢিল বা বাঁশ পাল্টা ব্যাবহার করতে পারে, আমি ধরুন মেনেই নিলাম যে পুলিশকর্মীরা যথেষ্ট হিংস্রভাবে মেরেছে কিন্তু পুলিশকর্মীদের হিংস্রভাবে আক্রমণ করতে গেলে তো ঢিল, বাঁশ আনতে হবে না, Crystal Rod, Rubber Bullet, Shock Baton এগুলো ছেঁকা যারা একবার খেয়েছে তারা তো বলবে এর থেকে ঢিল ছুড়লে ভালো হতো সেটা বলাতে উনি আরেকটু সংকুচিত হলেন এরপর আমি বললাম ছাড়ুন কঠিন প্রশ্ন, সহজ প্রশ্ন করি কৃষক অভিযান ছিল তা কৃষকরা গেছিলো কি, তা উনি বললেন গেছিলো কিন্তু কম সংখ্যায় কারণ তাদের নাকি কাজ ছিল তো আমি বললাম তার মানে খেটে খাওয়া মানুষের কাছে একটা দিনের দাম অনেক কি বলেন উনি এবার একটু রেগে গেলেন দিয়ে বললেন তাই বলে আন্দোলন করতে হবে না, ওদিন নবান্ন অভিযান করে কাজ কি হোল, আপনারা তো গেছিলেন একটা দাবীপত্র জমা দিতে সেটা কি হয়েছে তখন বাম বললেন হ্যা সেটা হয়েছে আমি বললাম তাহলে মাঝখানে বাওয়াল করে লাভ কি হোল তখন উনি আসল কথা বললেন যে বাহ আমরা যে আছি সেটা সবাইকে দ্যাখাতে হবে তো, তারপর বললেন যে Picture আভি বাকি হ্যায়, আমি বললাম কিসের Picture, তো বললেন ২রা সেপ্টেম্বর পুরো Picture দেখতে পাবেন, আমি বললাম তার মানে আরও বড় বাওয়াল বললেন হ্যা তখন আমি বললাম আপনাদের কে বলেছে যে রাজনীতি মানেই বাওয়াল তখন বললেন আমাদের স্থানীয় নেতারা বলেছে যে ক্ষমতা দ্যাখাতে হয় এইবার আমি বললাম যে ক্ষমতা দ্যাখাতে হয় তো ভারত গণতান্ত্রিক দেশ সেটা জানেন তো, তখন উনি বললেন যে হ্যা তখন আমি বললাম যে গণতন্ত্রে ক্ষমতা নির্বাচনে দ্যাখাতে হয়, মানুষের সমর্থন থাকলে শাসকদল যাই করুক বেশীদিন নির্বাচনের ফল পরিবর্তন করতে পারেনা, বিরোধীপক্ষ যদি সঠিক দাবী রেখে গণতান্ত্রিক পথে চেষ্টা চালিয়ে যায় তাহলে শাসকদল মাথা নোয়াতে বাধ্য আপনারা সেই চেষ্টাই করলেন না কেন, এভাবে আক্রমণ করে আপনারা পাল্টা আক্রমণের পথ খুলে দিলেন, পশ্চিমবঙ্গে এই ধরনের হিংস্র রাজনীতির প্রতি মানুষ ভীষণ বিরক্ত এবার আর উত্তর নেই, যাই হোক তারপর ওখান থেকে চলে এসেছিলাম, আর এই ধরনের অগণতান্ত্রিক আন্দোলন, বন্ধ সম্পর্কে বাবাসাহেব আম্বেদকরের বক্তব্য আছে সেটা একটু দেখে নেওয়া যাক

    Ambedkar issued three warnings, and believed paying heed to them was critical to ensure our democratic institutions did not get subverted. In the past 65 years, we have often trifled with and sometimes totally disregarded these warnings. Luckily, the strength of these institutions was enough to avoid permanent damage from our indiscretions. However, as we gear up for our 16th general elections, let us take another look at where we stand with respect to these warnings.

    The first warning was to do away with all methods of revolution, including the Gandhian method of Satyagraha. Ambedkar believed that while these methods were warranted under the British Raj, there was no place for them when constitutional methods were at our disposal after Independence. Let us look at the two methods of revolution – violent and non-violent – separately.

    India has witnessed sporadic armed rebellions throughout its history. It started with the peasant revolt in Telangana, and even today, 67 years after independence, we are still dealing with armed uprisings in some areas, mostly concentrated in the Naxal belt and parts of Kashmir and the Northeast. Though these activities haven't had a drastic effect on the overall democratic processes, they have certainly had a noteworthy localised impact.

    Gandhian methods, on the other hand, have been more common, with far greater acceptance. In 2011, Anna Hazare and his anti-corruption movement used Satyagraha to compel the government to pass the Jan Lokpal bill. Although a lot of people believed their cause was noble and justified, some saw it as unwarranted infringement of civil society on legislative prerogative. It can also be argued that this movement was partly responsible for the policy paralysis, experienced by the current government over the past few years. Most recently, Arvind Kejriwal, while chief minister of Delhi, tried to use Satyagraha as a tool to pressure the central government into granting full statehood to Delhi. These methods, irrespective of their noble agenda, do fall in the grey area, and should be used as the final resort instead of the first one.

    "If we wish to maintain democracy not merely in form, but also in fact, what must we do? The first thing in my judgment we must do is to hold fast to constitutional methods of achieving our social and economic objectives. It means we must abandon the bloody methods of revolution. It means that we must abandon the method of civil disobedience, non-cooperation and Satyagraha. When there was no way left for constitutional methods for achieving economic and social objectives, there was a great deal of justification for unconstitutional methods. But where constitutional methods are open, there can be no justification for these unconstitutional methods. These methods are nothing but the Grammar of Anarchy and the sooner they are abandoned, the better for us."

    http://parliamentofindia.nic.in/ls/debates/vol11p11.htm

    http://www.thenewsminute.com/…/left-farmers-rally-turns-vio…

    http://www.legalserviceindia.com/articles/dispute.htm

    'পেটের টানে গ্রাহকের সন্ধানে, বন্ধের পরের দিনও এদের অবস্থা একি থাকবে সবাই জানে'

    'তোমার ছুটি আমার না'


    • 2 people like this.

    • Subhankar De Sarkar Rajjobasi der kache akta onurodh janachi ....amader prio ...sototar protik ..... Sot CM ..MAMTA BANERJEE ak din tar Vai ....mane amra....amader kache akti upohar cheachilen .....uni amader kache AAPDAR KORECHILEN KI "UNAR SILIGURI LAGE"......KINTU AMRA...See More

    • Like· Reply· 1· 9 hrs

    • Arka Biswasএই নিয়ে অনেক কিছু লেখা যায়।

    • ১) পশ্চিমবঙ্গে বন্ধ করে খুব কিছু ক্ষতি নেই। ৩/৪ বছরে নতুন কি ঘোড়ার ডিম শিল্প হয়েছে? তেলেভাজা? tongue emoticon বর্ষা কালে একদিন তেলেভাজা না হলেও চলবে। পেয়াজের যা দাম বেড়েছে, মুড়ি বেগুনি দিয়ে কাজ চালাতে হবে।

    • ২) তোর মনে হয় মমতার বিরুদ্ধে বা আমাদের তথাকথিত মোদী বাবুর বিরুদ্ধে গনতান্ত্রিক উপায়ে দাবিদাওয়া জানিয়ে কিছু লাভ হবে? আদৌ কি গান্ধিবাদি আন্দোলন করে কেউ বা*টাও ছিঁড়তে পেরেছে? মোমবাতি আন্দোলন করে শুধু মোমবাতিই পোড়ান হয়।

    • ৩) ধর তোকে সরকার ক্যালাতে ক্যালাতে আধ্মরা করে ফেলেছে। তুই জানিস তোর গায়ে একটুও জোর নেই যাতে পুলিশ বাহিনীর সাথে মারামারি করতে পারবি। তখন কি করবি? বেশীরভাগ শ্রমিকের অবস্থা মোটামুটি সেরকম। সরকারের কাছে দাবিদাওয়া জানিয়ে কোন লাভ নেই। দেওয়ালে পিঠ ঠেকে গেছে। এই অবস্থায় যদি ফোঁস না করা হয় তাহলে কোন লাভ নেই।

    • আল্টিমেটলি কারোর কিছু যায় আসবেনা। শুধু সরকার কে একটু ধাক্কা দেওয়া যাবে। এক কথায় অ্যাটেনশন পেতে হবে।

    • বন্ধ হওয়া উচিত শেষ অস্ত্র। তার বদলে শেষ ৫০ বছর ডান বাম সবাই মিলে এতো ব্যবহার করেছে, সরকার/মালিকপক্ষ এতে পাত্তা দেওয়া কমিয়ে দিয়ছে। তবে এবারের বন্ধের সত্যিই আপেক্ষিক মুল্য আছে। গত ৪ বছরে সিপিএমকি সত্যিই কিছু করেছে? পড়ে পড়ে ক্যাল খাওয়ার চেয়ে যদি একটু ফোঁস করে, তো সেটা অবশ্যই লাভ। তবে মমতা ভয় পাচ্ছে বটে। নইলে জোর করে সার্কুলার জারি করে কর্মচারীদের রাখতে হবে কেন? কেউ যদি বিনা বেতনে বন্ধ সমর্থন করে, নিজের জমানো সিএল বা মেডিকাল লিভ নিয়ে বন্ধ সমর্থন/ কাজে যোগ না দিতে চায় তাদের কেন আটকান হবে? ৪৮% ডিএ বাকি তারপরেও কিভাবে জোর করে বন্ধ ভাঙতে চায়?

    • Like· Reply· 4· 8 hrs

    • Dev Malya GhoshArka Biswas

    • "তোর মনে হয় মমতার বিরুদ্ধে বা আমাদের তথাকথিত মোদী বাবুর বিরুদ্ধে গনতান্ত্রিক উপায়ে দাবিদাওয়া জানিয়ে কিছু লাভ হবে? আদৌ কি গান্ধিবাদি আন্দোলন করে কেউ বা*টাও ছিঁড়তে পেরেছে? মোমবাতি আন্দোলন করে শুধু মোমবাতিই পোড়ান হয়।"

    • আমার মনে হয় গণতান্ত্রিক আন্দোলনের সর্বোচ্চ রূপ হোল নির্বাচন এবং সর্বহারার সংখ্যাগুরুত্ব বেশী হওয়ার ফলে সেই আন্দোলনে তাদের তো অবশ্যই সাফল্য পাওয়ার কথা কারণ নির্বাচন তো স্বনিয়ন্ত্রিত ব্যাবস্থা, যে সর্বোচ্চ মত পাবে সেই জিতবে, প্রযুক্তির কারচুপির ফলে নির্বাচনে দুর্নীতির সুযোগ অনেক কমে গেছে, তাই ধরে নেওয়া যায় যে সর্বহারারা চাইলে তাদের পছন্দের সরকার আসবে, মমতা ব্যানার্জি বা নরেন্দ্র মোদীও গণতান্ত্রিক পথে এসেছেন তাদের বিরুদ্ধে দাবীদাওয়া জানানোর কি আছে তারা তো মানুষের কল্যাণ করার আশা দিয়েই ক্ষমতায় এসেছেন সেটা পুরন না করতে পারলে তাদের নির্বাচনে হারিয়ে দেওয়া যেতেই পারে কিন্তু বন্ধ করা মানে অনেক মানুষ যে কাজ করতে যেতে চাইবে সেই গণতান্ত্রিক অধিকারকে অপমান করা, আমি একটা প্রশ্ন করেছি যে যারা বন্ধ করার করুক আমি যদি রাস্তায় বেরিয়ে কাজে যেতে চায় সেখানে আটকানো না হলেই হোল কিন্তু সেটা তো হয়না

    • Like· Reply· 8 hrs

    • Arka Biswasজোর করে আটকানোটা সত্যিই ঠিক নয়, আবার জোর করে খুলে রাখাটাও ঠিক না। এই ধর কাজে যোগ না দিলে সার্ভিস বুকে ছেদ পড়বে । কেউ ছুটি নিতে চাইলেও নিতে দেওয়া হবে না, এটাও কিন্তু বিপরীত জবরদস্তি। যাইহোক। এই বন্ধটা স্রেফ সরকারের বিরুদ্ধে সিপিএমের শক্তি প্রদর্শন। বিজেপির শ্রমিক সংগঠনো পরক্ষে সমর্থন জানিয়েছে। দেখা যাক, বেশীরভাগ মানুষ সমর্থন করে কিনা। কারন গুণ্ডামোর জায়গা নেই। সরকারের হাতে সবচেয়ে বড় গুন্ডা পুলিশ বাহিনি, আর মেজ গুন্ডা তিনমুলি বাহিনি আছে। তারপরেও চাকরি খেয়ে নেওয়ার সামাজিক ভয়, সার্ভিস বুকে দাগ পড়ে যাওয়ার, পেন্সন আটকে দেওয়ার ভয় ইত্যাদি তো আছেই। এরপরেও যদি লোকে কাজে না বের হয়, বন্ধ সমর্থন করে, বুঝতেই হবে পাব্লিক সত্যিই সমর্থন করেছে

    • Like· Reply· 8 hrs

    • Dev Malya Ghoshhttp://www.dnaindia.com/.../report-all-you-need-to-know...

    • Bharat Bandh: All you need to know about the trade unions strike | Latest News &...

    • DNAINDIA.COM

    • Like· Reply· 8 hrs

    • Charudutta Niharika Dev Malya, amader constitution kintu Kaaj pabar adhikar keo gurantee kore na. Ha Article 38 and Article 43 mathay rekhei bollam. Tahole ei bekar ra ki korbe? Closure, Lock out je karkhanay hoyechhe sekhankar sharmik ra ki korbe? Najya dadi daoa aday korte giye bar bar akranta, apomanito, tiraskrito, banchito shramik karmachari ra ki korbe?

    • Like· Reply· 2 hrs