Are you the publisher? Claim or contact us about this channel


Embed this content in your HTML

Search

Report adult content:

click to rate:

Account: (login)

More Channels


Channel Catalog


Channel Description:

This is my Real Life Story: Troubled Galaxy Destroyed Dreams. It is hightime that I should share my life with you all. So that something may be done to save this Galaxy. Please write to: bangasanskriti.sahityasammilani@gmail.comThis Blog is all about Black Untouchables,Indigenous, Aboriginal People worldwide, Refugees, Persecuted nationalities, Minorities and golbal RESISTANCE.

older | 1 | .... | 185 | 186 | (Page 187) | 188 | 189 | .... | 303 | newer

    রানার তুমি ফিরে এসো!

    আজ আবার চিঠি লেখার দিন,আজ আবার রানারের দিন!

    প্রোমোটারের দখলে তারাশন্করের বাড়ি,মাতৃভাষার বড় বিপদ!

    যদি সত্যিই বাঙালি কোথাও বেঁচে থাকে,আজ আবার সেই চিঠি লেখার দিন!হয়ত কখনো কখনো প্রতিবাদে ভালোবাসা ফিরলেও ফিরে আসে!


    পলাশ বিশ্বাস

    প্রসঙ্গঃতারাশঙ্করের বাড়ি রক্ষায় চিঠি মেয়রকে



    রানাররা হারিয়ে গেছে!

    হারিয়ে গেছে কবি !

    হারিয়ে গেছে কবিতা!


    নির্মম ক্রয়শক্তি,অমানবিক পেশীবল আজ সমাজ বাস্তব!


    নির্মম ক্রয়শক্তি,অমানবিক পেশীবল আজ সামাজিক মূল্যবোধ!

    বাজার সবকিছু ছিনিয়ে নিল!


    সুখ শান্তি,জান মাল,জীবন জীবিকা  ধর্ম রাজনীতি দাম্পত্য প্রেম!

    সবকিছু ছিনিয়ে নিল মুক্ত বাজার!


    বাঙালিক যৌন জীবন যাপন এখন খবরের কাগজ!


    বাঙালিক যৌন জীবন যাপন সাহিত্য সংস্কৃতি বহুকাল!


    সকাল সকাল আহা কি আনন্দ!

    সকাল সকাল বাহা কি আনন্দ!

    সকাল সকাল এই সময়

    সকাল সকাল প্রতিদিন


    সকাল সকাল বর্তমান

    সকাল সকাল আজকাল


    সকাল সকাল ভোরের আলো

    সকাল সকাল জনকন্ঠ,যুগান্তর


    রক্তে ভেসে যায় সীমান্ত ডিঙ্গিয়ে এপার ওপার!

    আমি ব্যাটা নমোর পোলা,এই বাংলায় আজও অছুত!


    নাগরিকত্ব আছে,আবার নেই নাগরিকত্ব!

    নেই দেশে বসবাস,আসলে আজও ছিন্নমূল,বাস্তহারা!


    যেমন আমার বাবা ছিলেন!

    যেমন লক্ষ লক্ষ মানুষ পতঙ্গপালের মত সীমানার কাঁটাতারে রক্তাক্ত পুনর্বাসনের জন্য সারা মহাদেশে এপার ওপার হয়েছিল কিছু হাড় হারামজাদাদের ক্ষমতালিপ্সার আগুনে দগ্ধ হয়ে!


    সেই আগুন আজও জ্বলছে!

    সেই কাঁটাতারই আজ আহা কি আনন্দ!


    সেই কাঁটাতারই আজ এই সময়!

    সেই কাঁটা তারই আজ বর্তমান!


    সেই কাঁটাতার আজকাল!

    সেই কাঁটাতার প্রতিদিন!


    সেই কাঁটাতার ইত্তেফাক,ভোরের আলো!

    সেই কাঁটাতার যুগান্তর,নবদিগন্ত,মানবজমীন.যুগশঙ্খ!

    সেই কাঁটাতারই মানবজমীন!


    আজও প্রাণের গভীরে প্রজন্মের পর প্রজন্ম সেই কাঁটাতার বিঁধে আছে!

    ভরা বরষায়,গঙ্গার ভাঙ্গণে, বন্যায়, ভূমিকম্পে, সাইক্লোনে, সুনামিতে, বসন্তের আগ্রাসনে সেই রক্তনদীর ভাসান আমাদের উত্সব,বিসর্জন!


    যারা ভিন ভিন ভাষায় আমার কাঁচা হাতের লেখায়,ব্যাকরণ,বানান ভূল লেখায়,উচ্চারণ ভূলে,অলন্করণ ব্যাতিরেকে,ভূল ছন্দে,বিলম্বিত লয়ে আমার রক্ত ক্ষরণের মুখোমুখি প্রায়শঃ,তাঁদের চোখে নির্ঘাত আমি অপরাধী,দাগী!সত্যি বলতে আমার মাতৃভূমি নেই,পিতৃভূমি নেই!


    ছন্নছাড়া,ভিটেছাড়া,বাস্তুহারা বাঙালির দেশ পৃথীবীর সব দেশ!

    ছন্নছাড়া,ভিটেছাড়া,বাস্তুহারা বাঙালির ভাষা পৃথীবীর সব ভাষা!


    আমাদের কোন দেশ নেই!

    আমাদের মাতৃভাষা নেই!


    পৃথীবীর সব দেশ আমাদের দেশ!

    পৃথীবীর সব ভাষা আমাদের মাতৃভাষা!

    স্বাধীনতার উত্সবে আমাদের জীবন জীবিকা সবকিছু কাঁটাতার!


    মিথ্যা ইতিহাস হাজার বছরের,মিথ্যা ভূগোলের আধিপাত্য হাজার বছরের ,মিথ্যা পরিচয়ের বন্দিত্ব হাজার বছরের,সেই রক্তপাতেই প্রজন্মের পর প্রজন্ম আমরা গঙ্গার ভাঙ্গনে ভেসে চলেছি,কাঁটাতার তবু কাঁটাতারই,রক্তনদীও সেই রক্তনদী,যার বাঁধন হয়না কখনো!


    চিঠি লেখার দিনকাল নেই আর,প্রেম যেহেতু জলভাত,অপরাধ,ব্যবসা বাণিজ্য আজ!কে কার সাথে রাত্রিযাপন করল না করল,কত বার কার সাথে সহবাস,সম্মতিতে না অসম্মতিতে,কতটা বিয়ে,কতটা না বিয়ে,বিয়ে করে বা বিয়ে না করেও কত সিঁড়ি ভাঙা হল ,না হল,কতবার ধর্ষণ,কতজনে ধর্ষণ,প্রেমের শিরোনাম সারি সারি!


    প্রাণ নেই,ভালোবাসা নেই,কবিও নেই,কবিতাও নেই,মাতৃভাষা এবং গোটা দেশটাই নেই,ঠিকানা উধাউ,তাই চিঠিরাও নিঃখোঁজ!


    তারাশন্করের গোটা বাড়িটাই প্রোমোটারের দখলে!

    সীমান্তের এপার ওপার প্রোমোটার সিন্ডিকেট রাজ!

    সীমান্তের এপার ওপার মগের মুল্লুক লাগাম ছাড়া!

    সীমান্তের এপার ওপার রাজনীতিতে জীবন যাপন!


    যদি সত্যিই বাঙালি কোথাও বেঁচে থাকে,আজ আবার সেই চিঠি লেখার দিন!হয়ত কখনো কখনো প্রতিবাদে ভালোবাসা ফিরলেও ফিরে আসে!







    রানার


    সুকান্ত ভট্টাচার্য


    রানার ছুটেছে তাই ঝুম ঝুম ঘণ্টা বাজছে রাতে

    রানার চলেছে খবরের বোঝা হাতে,

    রানার চলেছে, রানার !

    রাত্রির পথে পথে চলে কোনো নিষেধ জানে না মানার।

    দিগন্ত থেকে দিগন্তে ছোটে রানার-

    কাজ নিয়েছে সে নতুন খবর আনার।


    রানার ! রানার !

    জানা-অজানার

    বোঝা আজ তার কাঁধে,

    বোঝাই জাহাজ চলেছে চিঠি আর সংবাদে;

    রানার চলেছে, বুঝি ভোর হয় হয়,

    আরো জোরে, আরো জোরে, এ রানার দূর্বার দূর্জয়।

    তার জীবনের স্বপ্নের মত পিছে সরে যায় বন,

    আরো পথ, আরো পথ-বুঝি হয় লাল ও পূর্ব কোণ।

    অবাক রাতের তারারা আকাশে মিটমিট করে চায়;

    কেমন ক'রে এ রানার সবেগে হরিণের মত ধায় !

    কত গ্রাম, কত পথ যায় স'রে স'রে

    শহরে রানার যাবেই পৌঁছে ভোরে;

    হাতে লণ্ঠন করে ঠনঠন্ জোনাকিরা দেয় আলো

    মাভৈঃ রানার ! এখনো রাতের কালো।


    এমনি ক'রেই জীবনের বহু বছরকে পিছু ফেলে,

    পৃথিবীর বোঝা ক্ষুধিত রানার পৌঁছে দিয়েছে 'মেলে'।

    ক্লান্তশ্বাস ছুঁয়েছে আকাশ, মাটি ভিজে গেছে ঘামে

    জীবনের সব রাত্রিকে ওরা কিনেছে অল্প দামে।

    অনেক দুঃখ, বহু বেদনায়, অভিমানে অনুরাগে

    ঘরে তার প্রিয়া একা শয্যায় বিনিদ্র রাত জাগে।

    রানার ! রানার !

    এ বোঝা টানার দিন কবে শেষ হবে ?

    রাত শেষ হয়ে সূর্য উঠবে কবে ?

    ঘরেতে অভাব; পৃথিবীটা তাই মনে হয় কালো ধোঁয়া,

    পিঠেতে টাকার বোঝা, তবু এই টাকাকে যাবে না ছোঁয়া,

    রাত নির্জন, পথে কত ভয়, তবুও রানার ছোটে,

    দস্যুর ভয়, তারো চেয়ে ভয় কখন সূর্য ওঠে

    কত চিঠি লেখে লোকে-

    কত সুখে, প্রেমে, আবেগে, স্মৃতিতে, কত দুঃখে ও শোকে

    এর দুঃখের চিঠি পড়বে না জানি কেউ কোনো দিনও,

    এর জীবনের দুঃখ কেমন, জানবে পথের তৃণ

    এর দুঃখের কথা জানবে না কেউ শহরে ও গ্রামে,

    এর কথা ঢাকা পড়ে থাকবেই পাঠাবে সহানুভূতির খামে-

    রানার ! রানার ! কী হবে এ বোঝা ব'য়ে।

    কী হবে ক্ষুধার ক্লান্তিকে ক্ষ'য়ে ক্ষ'য়ে ?

    রানার ! রানার ! ভোর তো হয়েছে- আকাশ হয়েছে লাল,

    আলোর স্পর্শে কবে কেটে যাবে এই দুঃখের কাল ?

    রানার ! গ্রামের রানার !

    সময় হয়েছে নতুন খবর আনার;

    শপথের চিঠি নিয়ে চল আজ

    ভীরুতা পিছনে ফেলে-

    পৌঁছে দাও এ নতুন খবর

    অগ্রগতির 'মেলে',

    দেখা দেবে বুঝি প্রভাত এখুনি-

    নেই, দেরী নেই আর,

    ছুটে চলো, ছুটে চলো, আরো বেগে

    দুর্দম, হে রানার।।


    রানার ছুটেছে তাই ঝুম ঝুম ঘণ্টা বাজছে রাতে

    রানার চলেছে খবরের বোঝা হাতে,

    রানার চলেছে, রানার !

    রাত্রির পথে পথে চলে কোনো নিষেধ জানে না মানার।

    দিগন্ত থেকে দিগন্তে ছোটে রানার-

    কাজ নিয়েছে সে নতুন খবর আনার।


    রানার ! রানার !

    জানা-অজানার

    বোঝা আজ তার কাঁধে,

    বোঝাই জাহাজ চলেছে চিঠি আর সংবাদে;

    রানার চলেছে, বুঝি ভোর হয় হয়,

    আরো জোরে, আরো জোরে, এ রানার দূর্বার দূর্জয়।

    তার জীবনের স্বপ্নের মত পিছে সরে যায় বন,

    আরো পথ, আরো পথ-বুঝি হয় লাল ও পূর্ব কোণ।

    অবাক রাতের তারারা আকাশে মিটমিট করে চায়;

    কেমন ক'রে এ রানার সবেগে হরিণের ম ধায় !

    কত গ্রাম, কত পথ যায় স'রে স'রে

    শহরে রানার যাবেই পৌঁছে ভোরে;

    হাতে লণ্ঠন করে ঠনঠন্ জোনাকিরা দেয় আলো

    মাভৈঃ রানার ! এখনো রাতের কালো।


    এমনি ক'রেই জীবনের বহু বছরকে পিছু ফেলে,

    পৃথিবীর বোঝা ক্ষুধিত রানার পৌঁছে দিয়েছে 'মেলে'।

    ক্লান্তশ্বাস ছুঁয়েছে আকাশ, মাটি ভিজে গেছে ঘামে

    জীবনের সব রাত্রিকে ওরা কিনেছে অল্প দামে।

    অনেক দুঃখ, বহু বেদনায়, অভিমানে অনুরাগে

    ঘরে তার প্রিয়া একা শয্যায় বিনিদ্র রাত জাগে।

    রানার ! রানার !

    এ বোঝা টানার দিন কবে শেষ হবে ?

    রাত শেষ হয়ে সূর্য উঠবে কবে ?

    ঘরেতে অভাব; পৃথিবীটা তাই মনে হয় কালো ধোঁয়া,

    পিঠেতে টাকার বোঝা, তবু এই টাকাকে যাবে না ছোঁয়া,

    রাত নির্জন, পথে কত ভয়, তবুও রানার ছোটে,

    দস্যুর ভয়, তারো চেয়ে ভয় কখন সূর্য ওঠে

    কত চিঠি লেখে লোকে-

    কত সুখে, প্রেমে, আবেগে, স্মৃতিতে, কত দুঃখে ও শোকে

    এর দুঃখের চিঠি পড়বে না জানি কেউ কোনো দিনও,

    এর জীবনের দুঃখ কেমন, জানবে পথের তৃণ

    এর দুঃখের কথা জানবে না কেউ শহরে ও গ্রামে,

    এর কথা ঢাকা পড়ে থাকবেই পাঠাবে সহানুভূতির খামে-

    রানার ! রানার ! কী হবে এ বোঝা ব'য়ে।

    কী হবে ক্ষুধার ক্লান্তিকে ক্ষ'য়ে ক্ষ'য়ে ?

    রানার ! রানার ! ভোর তো হয়েছে- আকাশ হয়েছে লাল,

    আলোর স্পর্শে কবে কেটে যাবে এই দুঃখের কাল ?

    রানার ! গ্রামের রানার !

    সময় হয়েছে নতুন খবর আনার;

    শপথের চিঠি নিয়ে চল আজ

    ভীরুতা পিছনে ফেলে-

    পৌঁছে দাও এ নতুন খবর

    অগ্রগতির 'মেলে',

    দেখা দেবে বুঝি প্রভাত এখুনি-

    নেই, দেরী নেই আর,

    ছুটে চলো, ছুটে চলো, আরো বেগে

    দুর্দম, হে রানার।।





    --
    Pl see my blogs;


    Feel free -- and I request you -- to forward this newsletter to your lists and friends!

    0 0

    Crying at movies ruins your mardangi ? – Ask Aamir Khan #Masculinity #Patrirarchy


    't cry at the movies. Aamir Khan cries at the movies. Ergo, he is not a real man, not He-Man, rippling with mardangi. He even carries his baby and holds hands with his wife in public, 3 types of Idiot.

    Sounds terribly sexist, doesn't it? But the lament of tweeples and FB folk since discovering that Aamir cries at the movies like he was chopping onions, has made it clear that sexism is hale and hearty. He came out of the Bajrangi Bhaijaan screening wiping his eyes with a towel. Then came reports that he ran through a boxful of tissues while watching Katti Batti. Only its director is applauding these tears. Because this could be the new Bollywood magic formula: Aamir rota hai to picture super hit hota hai.

    Kangana Ranaut says Katti Batti is such a rondu rom-com that she cried every night while shooting the film, but social media has taken this announcement in its stride because she's just a girl. She is supposed to cry at the movies, when Rose tells Jack she'll never let go in Titanic, when Shahrukh dies in Devdas, when Aamir returns to his planet in PK.

    Real men don't cry but just get something in the eye, that too never with chick flicks or Disney weepers, only on manly occasions likeBraveheart yelling Freedom just before his head is lopped off. Guess what's not funny about this austere stereotyping? Not just that it keeps men from enjoying cinema to the fullest but in real life it confines them to this poky construct where they come out of the mother's womb punching and kicking, mukka and laat.

    Aamir may help liberate India's male moviegoers. Maybe he's totally unlike your moustachioed cousin and chacha, tayaji and papa, but the same internet that spews sexism also provides role models beyond the immediate peer group. Influential metrosexuals like Ronaldo, Rafa and Becks aren't just teaching the world's men about the joys of mampering and waxed chests, but also man-crying.

    Look, from No drama Obama to Teflon Modi, more and more high profile men are showing their emotions even as they are putting the man in mani-pedis. Where Justin Timberlake's Cry me a River used to be the normal thing, now the Madhuri Dixit message is gaining power: Teach boys not to make others cry, instead of don't cry. Respect is growing for tears as a sign of empathy which in turn is increasingly being respected as a vital aspect of emotional intelligence — the world and its leaders could do with more rather than less. Except when it comes to crocodile tears.

    Real men cry when they lose crores at KBC, when a friend gets cancer, when the boat is about to sink, at marriage and divorce, birth and graduation, when the movie is really good but also when it's too terrible.
    Crying at movies ruins your mardangi?


    --
    Pl see my blogs;


    Feel free -- and I request you -- to forward this newsletter to your lists and friends!

    0 0

    Phantom Film Producers sued by aid charity – Endangers medics in war-torn countries #Cinema


    -- 

    MSF Sues Bollywood Over 'Dangerous' Film

    Aid charity MSF is taking legal action against the producers of Phantom over fears it could endanger medics in war-torn countries.

    UKFriday 28 August 2015

    Saif Ali Khan (L) poses with actress Katrina Kaif

    Saif Ali Khan (L) and British-Indian actress Katrina Kaif star in the film

    A "dangerous, misleading and wrong" Bollywood film is facing legal action from an international aid charity, amid claims it could endanger lives.

    Phantom, which was released today, is the story of a aid worker who helps a disgraced Indian soldier to assassinate Pakistani extremists accused of orchestrating the 2008 bombings in Mumbai.

    In an interview, the British-Indian actress who has the starring role, Katrina Kaif, said her character worked for Medicins Sans Frontieres – even though the charity was completely unaware of the Hindi film.

    The movie's trailer shows the aid worker firing pistols and rifles – and MSF has claimed this is "incredibly worrying" for its organisation, as none of its staff carry guns.

    Although MSF is never mentioned by name in Phantom, "many aspects" of the fictitious agency in the film – called Medicine International – are "confusingly similar" to the humanitarian organisation, including the logo.

    An MSF spokesperson added: "Such a blurring of the lines between fact and fiction can have real consequences for our ability to work in difficult places where our access depends on people trusting that we are a neutral, impartial and independent organisation."

    MSF insists it has a "strict no guns policy" in all clinics, and does not hire armed guards.

    The humanitarian agency boasts a network of thousands of medical professionals in more than 70 countries – including doctors, surgeons, nurses and psychiatrists.

    It has contacted the film's production team while the legal action gets under way.

    Before seeing the film, MSF had expressed concern that its ability to work safely in places such as Syria, Afghanistan and Yemen, where there is active fighting, could have been jeopardised by the film, which would "undermine its reputation".

    It also warned vulnerable people could be placed in danger, as they might not otherwise have access to healthcare.

    Phantom has already been banned by a court in Pakistan.

    http://news.sky.com/story/1543213/msf-sues-bollywood-over-dangerous-film

    Share this:

    Pl see my blogs;


    Feel free -- and I request you -- to forward this newsletter to your lists and friends!

    0 0
  • 08/30/15--01:50: दबंगई से वे दुनिया बदल देंगे, मुहब्बत के खिलाफ फतवा है कत्लेआम और बलात्कार के साझे चूल्हे तमाम सुलग रहे हैं और इंसानियत का गोशत पक रहा है कि दावत फिर जमकर होगी कि शीतल पेय तमाम खून की नदियां हैं। अब वे फिर हिंदू राष्ट्र बनाने लगे हैं। अब वे मुल्क का चप्पा चप्पा आग के हवाले कर रहे हैं। अब वे फिर बंटवारे का घाटा पाटने को फिर बंटवारा करने लगे हैं ताकि मुकम्मल हिंदूराष्ट्र अब तो बने और दुनिया भी केसरिया बने। हो सकता है कत्ल हो जानेवालों में नाम शामिल होने की अगली बारी हमारी है लेकिन अब हमारे हाथ पक्के सबूत है कि विभाजन के पहले हरामजादों ने कैसे पूरे देश को मेरठ के मेरठ बनने से पहले मेरठ बना दिया था और अफवाहों का दंगा भड़का दिया था।तमस औरगर्म हवा फिर देख लें। पलाश विश्वास
  • दबंगई से वे दुनिया बदल देंगे,

    मुहब्बत के खिलाफ फतवा है


    कत्लेआम और बलात्कार के साझे चूल्हे तमाम सुलग रहे हैं और इंसानियत का गोशत पक रहा है कि दावत फिर जमकर होगी कि शीतल पेय तमाम खून की नदियां हैं।


    अब वे फिर हिंदू राष्ट्र बनाने लगे हैं।

    अब वे मुल्क का चप्पा चप्पा आग के हवाले कर रहे हैं।

    अब वे फिर बंटवारे का घाटा पाटने को फिर बंटवारा करने लगे हैं ताकि मुकम्मल हिंदूराष्ट्र अब तो बने और दुनिया भी केसरिया बने।



    हो सकता है कत्ल हो जानेवालों में नाम शामिल होने की अगली बारी हमारी है लेकिन अब हमारे हाथ पक्के सबूत है कि विभाजन के पहले हरामजादों ने कैसे पूरे देश को मेरठ के मेरठ बनने से पहले मेरठ बना दिया था और अफवाहों का दंगा भड़का दिया था।तमस औरगर्म हवा फिर देख लें।

    पलाश विश्वास

    अभी अभी कंचन जोशी के वाल से मालूम पड़ाः


    कन्नड़ साहित्यकार और प्रसिद्ध इतिहासकार MM कलबुर्गि की गोली मारकर हत्या।


    कंचन जोशी ने लिखा है कि गोविन्द पनसारे की हत्या के बाद ये कड़ी चल पड़ी है। हिंदुत्व के नाम पर जारी ये राज्य समर्थित आतंकवाद भारत में जिस हिन्दू राज के पुनर्निर्माण की बात करता है,उसमें और इराक़ तथा सीरिया के इस्लामिक राज्य(ISIS) में धर्म के अलावा क्या कोई और अंतर है?


    कंचन जोशी ने चेतावनी दी है कि वक़्त रहते नहीं चेते तो भारत सदी के सबसे भयानक राज्य प्रायोजित गृहयुद्ध की आग में धकेल दिया जाएगा।


    अब हम यह जरुर समझ लें कि शामत है कि आखिर यह मुल्क वही है,वहींच,एकच,हिंदू राष्ट्र हिंदुस्तान।


    कोई शक?


    अब हम यह जरुर समझ लें कि शामत है कि 2020 और 2030 के एजंडे को लागू करने का काम चाकचौबंद तेज तेज।


    अब हम यह जरुर समझ लें कि शामत है कि मुक्त बाजार का तिलिस्म मजहबी कत्लेआम की सियासत के शिकंजे में कमसमसाता देश फिर आग के हवाले है और फिर बंटवारा है मुल्क का।


    हमने पहले खुलासा किया है कि बंगाल के विभाजन के लिए ही पंजाब का विभाजन अनिवार्य था।


    हमने पहले खुलासा किया है कि बंगाल के विभाजन के लिए ही कश्मीर और सिंध के कलेजे को चाक चाक होना था।


    हमने पहले ही खुलासा किया है कि नस्ली कत्लेआम के लिए, बहुजनों और आदिवासियों के सफाये के लिए अंग्रेजी हुकूमत की जगह पुणे करार की नींव पर हिंदू राष्ट्र तामीर करने के लिए बंटवारा हुआ भारत का।


    बंगाल का बौद्धमय इतिहास अब खुला खुला है।

    तम युग का अंधेरा भी अब सहर होने लगा है।

    भारत का बौद्धमय अतीत का सिंहद्वार लेकिन बंद है।


    सारे दरवाजे विदेशी हमलावरों के लिए हमने खोल दिये हैं और गुजरात नरसंहार,बाबरी विध्वंस,सिख संहार,आदिवासी कत्लेआम,दलितों के सफाये,बलात्कार संस्कृति,रेडियोएक्टिव बायोमेट्रिक डिजिटल रोबोटिक स्मार्टइंडिया भोपाल गैस त्रासदी के सारे कारपोरेट वकील हमलावरों को निवेशक बता रहे हैं और दस दिगंत सत्यानाश को विकास कथा हरिकथा अनंत बना रहे है।


    आस्था के बहाने मजहब और रब को कातिल बनाने वाले सियासती बिलियनर मिलियनर डालर जमात,डालर हेजेमनी के टुकड़खोर लोग फिर वहीं जमींदारों की वैध अवैध संताने हैं जो नवउदारवाद के बच्चे बनकर अपनी किलकारियों से इस कायनात की तमाम बरकतों और नियामतों को कयामतों में तब्दील कर रहे हैं।


    अब बात खुलने लगी है तो दूर तलक जायेगी बातें।

    अब यूं समझ लें कि पाकिस्तान में और बांग्लादेश में भी उन्ही जमींदारों का राजकाज है।


    हमने यूपी के मेरठ में इंसानी खून और गोश्त का महाभोज देखा है।


    हमने यूपी के मेरठ में आसमान को जलते हुए देखा है।


    हमने यूपी के मेरठ में हवाओं में हलाहल उमड़ते देखा है।


    हमने यूपी के मेरठ में हड्डियों के चिटखने की आवाजें सुनी हैं।


    हमने उन देवियों को देखा है जो मेरठ में हिंदुओं के घर घर जाकर कानोंकान खबर कर रही थी कि शहर के मुसलिम इलाकों में तमाम हिंदू लड़कियों का सीना काट लिया गया है।


    फिर हमने वह कडकती चेतावनी सुनी है कि हिंदू नपुंसक होते हैं।हिंदुओं के रगों में पानी बहता है।


    फिर हमने वह कडकती चेतावनी सुनी है कि जो खून राम के नाम खौलता नहीं है।


    फिर हमने वह कडकती चेतावनी सुनी है कि हिंदुओं के घर न बम हैं और न बंदूकें हैं और पीएसी और सेनाओं को हिंदुओं का काम करना होता है।


    तब कारसेवक और बजरंगी नाना किसम के पैदा भी न हुए थे।


    तब सिर्फ मेरठ जल रहा था।

    अब सारा देश कत्लेआम बलात्कार संस्कृति के धारकों वाहकों की लगायी आग से धू धू जल रहा है।


    अमेरिका के मुक्त बाजार के किसी स्कूल कालेज में अपनी बंदूक से मौत का कार्निवाल मनाकर कोई बाइस साल का बच्चा गुजरात नरसंहार की सरजमीं पर खड़े हिंदू राष्ट्र की जमीर को चुनौती दे रहा है कि बदलाव दबंगई से होगा और फ सत्ता दबंगों की होगी।


    अमेरिका के मुक्त बाजार के किसी स्कूल कालेज में अपनी बंदूक से मौत का कार्निवाल मनाकर कोई बाइस साल का बच्चा गुजरात नरसंहार की सरजमीं पर खड़े हिंदू राष्ट्र की जमीर को चुनौती दे रहा है कि मुहब्बत किसी बीमारी का इलाज नहीं है और हर इलाज की अचूक दवा नफरत है,सिर्फ नफरत।


    अमेरिका के मुक्त बाजार के किसी स्कूल कालेज में अपनी बंदूक से मौत का कार्निवाल मनाकर कोई बाइस साल का बच्चा गुजरात नरसंहार की सरजमीं पर खड़े हिंदू राष्ट्र की जमीर को चुनौती दे रहा है कि 2020 और 2030 का एजंडा पूरा करने का एकमुश्त बुलेटगति राजमार्ग स्मार्टवा दबंगई का है और हजारों जातियों की अस्मिताओं में बंटे इस देश को हिंदू राष्ट्र बनकर दलितों,आदिवासियों और गैरहिंदुओं का जनाजा निकालना है तो दबंग जातियों की दबंगई का कानून बना दो और फिर दुनिया को हिंदुत्व के नर्क में तब्दील कर दो।


    कत्लेआम और बलात्कार के साझे चूल्हे तमाम सुलग रहे हैं और इंसानियत का गोशत पक रहा है कि दावत फिर जमकर होगी कि शीतल पेय तमाम खून की नदियां हैं।


    हम पहले ही कह रहे थे कि प्रधानमंत्री उनका,मुख्यमंत्री उनका और अमेरिका के मुक्त बाजार के किसी स्कूल कालेज में अपनी बंदूक से मौत का कार्निवाल मनाकर कोई बाइस साल का बच्चा गुजरात नरसंहार की सरजमीं पर खड़े हिंदू राष्ट्र की जमीर को चुनौती दे रहा है कि 2020 और 2030 का एजंडा पूरा करने का एकमुश्त बुलेटगति राजमार्ग स्मार्टवा दबंगई का है।


    हो सकता है कत्ल हो जानेवालों में नाम शामिल होने की अगली बारी हमारी है लेकिन अब हमारे हाथ पक्के सबूत है कि विभाजन के पहले हरामजादों ने कैसे पूरे देश को मेरठ के मेरठ बनने से पहले मेरठ बना दिया था और अफवाहों का दंगा भड़का दिया था।तमस और गर्म हवा फिर देख लें।


    नोआखाली में दंगा भड़कने से पहले फासीवाद का मसीहा कोई बंगाल के गांव गांव जिला जिला घूम घूमकर कह रहा था कि मुसलमानों को बंगाल की खाड़ी में बहा देंगे।


    भारत के विभाजन से पहले फासीवाद के मसीहा ने बाबुलंद ऐलान कर दिया था कि भारत का विभाजन हो या न हो,बंगाल का विभाजन होकर रहेगा क्योंकि उन्हें हिंदुत्व के नर्क की तलहटी में जो सबसे दलित अछूत हैं,धर्मांतरित उन मुसलमानों के साथ सत्ता में हिलस्सेदारी नामंजूर है उन्हें।


    गौरतलब है कि अखंड बंगाल के तीनो प्रधानमंत्री मुसलमान थे और उनके मंत्रिमंडल में बहुजन हिस्सेदार थे।


    दंगा अब भी जनता का किया धरा नहीं होता।

    न कोई मजहब मजहब के खिलाफ दंगाई होता है।

    न कोई रब का किसी रब के खिलाफ कोई जिहाद होता है।


    यह किस्सा सियासत का है।

    जमींदारी का जलसाघर टूटने लगा तो सारे जमींदार जो अंग्रेजी हुकूत का अगवाड़ा पिछवाड़ा चाटकर मक्खन मलाई उड़ा रहे थे पुस्त दर पुश्त,जो कत्लेआम और बलात्कार के हर किस्से में शामिल थे,जो थे सचमुचो वतन फरोश,वे सारे के सारे सियासत के खुदा बना दिये गये और हिंदूराष्ट्र मुकम्मल बनाने के लिए मुल्क का उनने बंटवारा कर दिया।


    उनके ही वारिशान परेशां है कि हिंदूराष्ट्र मुकम्मल हुआ नहीं है और न ही बंटवारा मुकम्मल हुआ है।


    अब वे फिर हिंदू राष्ट्र बनाने लगे हैं।

    अब वे मुल्क का चप्पा चप्पा आग के हवाले कर रहे हैं।

    अब वे फिर बंटवारे का घाटा पाटने को फिर बंटवारा करने लगे हैं ताकि मुकम्मल हिंदूराष्ट्र अब तो बने और दुनिया भी केसरिया बने।


    प्यारे नित्यानंद गायेन,

    bahut hi jyada nalayak ho.itbna khoobsoorat likh sakte ho.tamaam chijo mein vakt barbad karte ho lekin likhye bahut kam ho.hum kharab likhte hain .firbhi khoob likhte hain kyunki tumhare hisse ka likhna bhi haota hai.kab mujhe rahat doge?bachpana chhodo bhi aur jang mein shamil ho jao.do kaudi ke Pr se baaj aao.tumhar kalam parmanu bam hai,use hi aajmao.hum jaise do kaudi ke logo eke liye vakt jaya naa karo.bahut sakht naaraj hun.yaar,thodi,humaari bhi pawah kiya karo.yaaede ab bhi aatohai.na jane ,kab yade gumshuda ho jaye.


    अपने राजीव नयन दाज्यू जब फेसबुक पर रोमन में हिंदी लिखा देखते हैं तो बेहद गुस्से में आ जाते हैं और उनका सुर ताल बिगड़ जाता है।


    मैंने ये बातें फेसबुक पर अपने भाई और होनहार वीरवान भाई नित्यानंद गायेन से नयन दाज्यू के गुस्से का जोखिम उठाकर लिख मारी है रोमन में। जैसे लिखा है,हूबहू वही साझा कर रहा हूं।


    दरअसल तकनीक का कमाल है और उससे ज्यादा तकनीक पर जिनकी मोनोपाली है,उनका कमाल है कि कंप्यू बीच बीच में डेड हो जाता है।नये सिरे से रिफार्मेट कराना होता है।


    अबकी दफा इंजीनियर शिवम चेता गये हैं कि साफ्टवेयर डाउनलोड न करना वरना बूढ़िया की जान चली जायेगी।


    हिंदी टुल फेसबुक के लिए हराय गया।

    तो दोबारा डाउनलोड करने की हिम्मत न हुई।

    बूढ़िया की जान में है बूढ़े तोते की जान।


    सोचा की इंसानियत हराय जा रही है।

    सोचा कि मुल्क हराय जा रहा है।


    सोचा कि मजहब हराय जा रहा है।

    सोचा कि देहात हराय जा रहा है।


    सोचा की बोलियां हराय जा रही हैं।

    सोचा कि भूगोल हराय जा रहा है।


    इतिहास हराय जा रहा है।

    वजूद हराय जा रहा है।


    मुल्क रिलायंस अदाणी का,हुकुम उनका और हुकूमत भी उनकी!

    नामालूम कि कब यादें सिरे से गुमशुदा हो जायें!


    समझ लीजिये कि कितनी खतरनाक बात होती है यह कि आपकी यादें गुमशुदा हों!अपना पराया याद न कर पा रहे हो और फिरभी आप जिंदा है!


    हमारे मुल्क के नागरिकों का बस यही हाल है।


    वे वोट देकर खुदा बने हुए है।


    हत्यारे को रब बना दिया है।


    कत्लेआम की फिजां को लोग बाजार समझ रहे हैं।


    यादें मरहूम हैं और समझते ही नहीं है कि मुल्क बाजार बना है और लोगबाग थोक भाव से अपनी मौत का सामान खरीद रहे हैं।


    यादें मरहूम हैं और समझते ही नहीं है कि मजहब मुकम्मल  बाजार बना है और बाजार में भगदड़ मची है और किसी को मालूम नहीं कि कौन मरा है और कौन नहीं मरा है।और किसी को मालूम नहीं कि कौन जख्मी है और कौन जख्मी नहीं है।होश नहीं है।मदहोश सभी।


    मुझे अफसोस हैं उन काबिल दोस्तों और भाइयों के लिए,जिन्हें हमारे बूढ़ापे का ख्याल नहीं है और अपने निक्मेपन से हम पर बोझ लादे जा रहे हैं।


    सबसे गुस्सा है होनहार वीरवान पांत पर जो बाजार में बाजार की लकीर के फकीर बने हुए हैं और मुल्क में बहती खून की नदियों को वे शराब की नदियां समझ रहे हैं।


    महाभोज चल रहा है।

    अंतिम संस्कार का वक्त हो चला है।


    मौत सिरहाने खड़ी है।

    वे सुगंधित कंडोम चुनने में लगे हैं।


    मुल्क रिलायंस अदाणी का,हुकुम उनका और हुकूमत भी उनकी!

    नामालूम कि कब यादें सिरे से गुमशुदा हो जायें!



    ये तमाम चीजें बाजार में खरीदने की चीजें तो हैं नहीं कि दोबारा डाउनलोड कर लिया।


    अपने सहकर्मी जयनारायण प्रसाद गुरुजी बहुत प्यारे जीव हैं।


    असल पोस्तोबाज हैं।हर प्रेस कांप्रेंस,प्रोडक्ट लांचिंग में जाते हैं।

    पोस्तो भी वसूलते हैं।फिर वही पोस्तो धर्मतल्ला के गरीब लोगों या अंकुरहाटी चेकपोस्ट पर बिलाय देते हैं।


    हम साथियों को शाम को नाश्ता कराना और रात को मिठाई खिलाना,टाफियां बांटना उनका रोजनामचा है और हम उन कुंवारे के पीछे लगे रहकर अपनी बोरियत और भड़ास का इलाज करते हैं।


    उन्हें गुस्सा आ जाये और फिर हमें वे गालियां बक दें या कोसना शुरु करें,रोज हमें इसका इंतजार रहता है।


    वे होते हैं तो हम खूब बोलते हैं और वे नहीं होते तो समझो मातम वही सन्नाटा है।


    रिपोर्टरओ नइखे।रिपोर्टर बेहतरीन हैं।

    गंगासागर करीब तीस साल से बिना नागा जा रहे हैं।


    परिवर्तन में धुँआधार रिपोर्टिंग की काबिलियत पर माननीय प्रभाष जोशी ने उन्हें रखा था।पर उनकी यह काबिलियत परखी नहीं गयी।

    यूं समझिये छोटे मोटे अशोक सेक्सेरिया हैं।


    कंप्यू के खिलाफ उनका जिहाद था और उन्हें आखिर जाते जाते हमने मना लिया कि पीसी से दोस्ती करें और जो न लिखा है,वह सबकुछ लिख दें।


    क्योंकि हमें उनके हिस्से का भी लिखना होता है।


    अभी अभी हमने उन्हें फेसबुक में दाखिल भी करा दिया है और फेसबुक पर मौजूद रहे हमेशा ,इस खातिर रोज नये नये माडल दिखाकर फ्लिपकर्ट बजरिये उन्हें लैटेस्ट मोबाइल भी खरीदवा दिया है।फेसबुक में उन्हें भिड़ा दिया है।


    डिजिटल कैमरा है उनके पास।

    फिल्म की समझ भी है।

    जनसरोकारों से लबालब हैं।

    गुस्सा भी बहुत है।

    पीड़ा भी कम नहीं है।


    डाइरेक्शन का कोर्स किया है।

    फिरभी फिल्म कोई बनायी नहीं है।

    उनकी फिल्म का इंतजार है।


    अब जयनारायण भी पचपन पार हैं और गुरुजी तो हो गये हैं,कुमार भारत जैसे चुस्त फुर्तीले भी नहीं रहे अब।


    हम उनसे बड़े हैं।मधुमेह मरीज हैं।फिरभी वे हमसे ज्यादा बूढ़े हो गये हैं और हमसे कहीं ज्यादा बीमार हैं।


    हमारे यहां फाइनेंशियल एक्सप्रेस के अप्पण रायचौधरी रिटायर करने के साल भर अंदर ऊपर चल दिये और हमारे गुरु जी चलने की तैयारी कर रहे हैं।


    वैसे अभी हमने किसी को अलविदा कहा नहीं है काम करते करते।

    डर है कि चंद महीन काट देने से पहले वही न करना पड़े।


    मुश्किल यह है कि होम्योपैय़ी में उनका पक्का यकीन है।डाक्टर बरसों से आपरेशन का अल्टीमेटम दे रहे हैं।


    हम लोग मनुहार भी करते रहे हैं कि होम्यापैथी बहुत ठीक है लेकिन इमरजेंसी में आपरेशन करवा भी लेना चाहिए।


    अब पानी सर के ऊपर है और आपरेशन करवाना ही होगा।फिलहाल वे मान गये हैं लेकिन हम बेहद घबड़ा रहे हैं।कि आखिर पिर मुकरन जाये आपरेशन से और फिर कुछ कम बेशी न हो जाये।


    हाईस्कूल पार करते न करते,नैनीताल पहुंचते न पहुंचते ताक झांक से तोबा कर लिया।


    क्योंकि नैनीताल में जिन लोगों से वास्ता पड़ा,उनने बेरहमी से सीखा दिया है को दुनिया में कोई रसगुल्ला हमारे लिए नहीं है।


    पेशेवर पत्रकारिता का नतीजा मधुमेह है लेकिन हम मीठे से परहेज कर चुके थे मूछें आने से पहले ही और उनने हमें समझा दिया था कि जिंदगी अगर जहर है तो पीना पड़ेगा।

    अगर जिंदगी एक लड़ाई है बेइंतहा तो जमकर लड़ना होगा।


    हमें अफसोस है कि अब कही भी न घर में न बाहर कोई है,जो होनहार वीरवान पीढ़ी की पीठ पर कोड़े ऐसे दनादन मारें कि रीढ़ सीधी हो जाये और इस बाजार की दुनिया सौ जुगत लगाकर भी वह रीढ़ न तोड़ सके,न मोड़ सके।


    रीढ़ का कारोबार वह सत्तर का दशक रहा है और अफसोस कि हम उसकी आखिरी पीढ़ी है और हमारे हाथ से बगावत की झंडी पकड़ने के लिए कोई ससुरा मान नहीं रहा है।


    मुल्क रिलायंस अदाणी का,हुकुम उनका और हुकूमत भी उनकी!

    नामालूम कि कब यादें सिरे से गुमशुदा हो जायें!


    राजन बकवास किये जा रहे हैं।

    राज उनका खत्म है और वे डाउ कैमिकल्स के वकील भी यकीनन नहीं हैं।


    खुदै कह रहे हैं कि सुधार अंधेरे में तीरंदाजी है।

    वे खुल्ला झूठ बोले हैं,दोस्तो।


    यह तीरंदाजी नहीं है।

    शब्दभेदी वाण भी नहीं है कोई यह राजा दशरथ का कि कोई अकेला श्रवण कुमार मारा जायेगा और भगवान राम का जनम हो जायेगा।


    राज उनका खत्म है और वे डाउ कैमिकल्स के वकील भी यकीनन नहीं हैं।

    कुदे कह रहे हैं कि सुधार अंधेरे में तीरंदाजी है।

    वे खुल्ला झूठ बोले हैं,दोस्तो।


    यह सरासर चांदमारी है और जो भी नागरिक है,मारा जायेगा।

    जो नागरिक नहीं भी है वह भी मारा जा जायेगा।


    कत्लेआम के लिए सियासत काफी है ,दोस्तों।

    मजहब के मुहं पर लहू क्यों लगाते हो ?


    कत्लेआम के लिए सियासत काफी है ,दोस्तों।

    रब को हत्यारा और हत्यारे को रब क्यों बनाते हो ?


    गुजारात में जो हो रहा है और बाकी देश में जो होने वाला है।

    धर्म और जाति के नाम जो फिर बंटवारा बेइंतहा है।

    पहचान के नर्क में जो मुल्क मर रहा है।


    जो मर रही हैं तमाम यादें हमारी

    कि हम जिंदा हैं भी और हम जिंदा नहीं भी है।


    बाजार मजहब बना है।


    कौन पराया,कौन अपना,होश कुछ भी बराबर नहीं है

    और चांदमारी करने वाली फौजें भी हमीं तो,

    हमीं तो हैं अपनों पर जो चांदमारी कर रहे हैं।


    सिरे से गुमशुदा है यादें।

    रसगुल्ला है और नहीं भी है रसगुल्ला।

    मधुमेह महामारी है।


    रसगुल्ला खा भी रहे हैं खूब

    लेकिन जो खा रहे हैं

    वह मीठा जरुर है

    फिरभी जहर है।


    हमें होश नहीं है कि

    दुनिया बाजार है और

    बाजार में मुहब्बत मना है।


    बाजार मजहब बना है।

    मुल्क भी मजहबी इनदिनों।


    मुल्क रिलायंस अदाणी का,हुकुम उनका और हुकूमत भी उनकी!

    नामालूम कि कब यादें सिरे से गुमशुदा हो जायें!


    हम सिर्फ अपने साथियों,दोस्तों और भाइयों,बहनों का

    इंतजार कर रहे हैं।


    हम सिर्फ इंतजार कर रहे हैं उन मासूम दिलों का जो मुहब्बत में बेकरार हैं,

    फिरभी जिन्हे इकरार नहीं है,नहीं है।


    कभी किसी ने कहा है कि हंगामा खड़ा करना मकसद नहीं,हालात बदलने चाहिए।


    न शायर हूं और न कवि,लेकक भी नहीं हूं।नौकरी करता हूं लेकिन पत्रकारिता में भी कोई तोप नहीं हूं।


    हम हंगामा खड़ा करना भी नहीं चाहते हैं।

    हम मुक्म्मल जंग लड़ना चाहते हैं।


    हमारे पास न तलवारे हैं,न तोपें हैं हमारे पास।

    नहमारी कोई फोज है और न मिसाइलें हैं हमारी।


    फिरभी यकीन है कि इंसान जब जागेगा तो सवेरा है।

    फिर यूं समझो कि सहर है,भागा अंधियारा है।

    हमें उसी जागरण का इंतजार है।


    बाकी हालात तो बदलेंगे ही,

    हालात उनके बस में भी  नही है

    जिनका तेज बत्ती वाला कारोबार।


    रंगा सियार का रंग भी उतरने लगा है।


    राजन का राजपाट गयो रे हवा हुई बैंकिंग रिलायंस राज में।

    बाकी यह बाजार है।


    जोड़ हिसाब गुणा भाग समीकरण सभै हराय गयो रे।

    रंगा सियार का रंग भी उतरने लगा है।



    कई ना बतावे कि सांढ़ों का कारोबार किसको हो।

    कोई ना बतावै भालुओं का बंदर नाच किस किस की मुनाफावसूली के लिए।


    कोई ना बतावै ससुरा कि महाजिन्न,बिररंची बाबा,टाइटेनिक महाराज जो आव ना देखे कि ताव भी ना देखे, धकाधक सेल्फी ठोंके फटास फटास और पूरा देश झोंक दियो बाजार मा,तो आखेर फायदा किसका और नुकसानवा किसका।


    यादें गुम है दोस्तों।

    न जाने हम कि अपना कौन,पराया कौन।


    यादें गुम हैं और लोग गणित भी भुला गये इतिहास भूगोल के साथ साथ और किसीको नहीं मालूम कि रगों में उसका कोई खून नहीं, पानी है और खून उसका सड़कों पर बह रहा है और ससुरा समझै है कि खून किसी और का है।


    मुल्क रिलायंस अदाणी का,हुकुम उनका और हुकूमत भी उनकी!

    नामालूम कि कब यादें सिरे से गुमशुदा हो जायें!




    बाकी हम का कहे दुखवा कासे कहें कि खबर है कि बांच लै खुदैः

    अब इसे भारत सरकार की 'मेक इन इंडिया' परियोजना के लिए बड़ी उपलब्धि ही कहेंगे कि रूसी सरकार ने एक और परियोजना के लिए भारत को चुना है। रूस की सरकार ने अपनी इस नई परियोजना के भारत में अनिल अंबानी के नेतृत्‍व वाले रिलायंस समू‍ह की एक कंपनी को अपना साझेदार बनाया है। जानकारी है कि दोनों के बीच ये साझेदारी सेना और वायुसेना के लिए करीब 197 हेलीकॉप्‍टर बनाने के लिए हुई है। इस प्रोजेक्‍ट को लेकर कुल मिलाकर 6,000 करोड़ रुपये की परियोजना तैयार की गई है।


    रूस के राष्ट्रपति व्लादिमीर पुतिन ने गत वर्ष दिसंबर में भारतीय दौरे के समय मोदी के सामने यह प्रस्ताव रखा था। हेलीकॉप्टर देश में बनाने की सहमति होने पर 200 हेलीकॉप्टर बनाने का प्रस्ताव दिया गया। बाद में 400 और हेलीकॉप्टर बनाने का ठेका दिया जा सकता है। इसी के तहत रूस सरकार ने एक और परियोजना के लिए अनिल अंबानी के नेतृत्व वाले रिलायंस समूह की एक कंपनी को साझेदार के रूप में चुना है।


    यह साझेदारी सेना और वायुसेना के लिए 197 हेलीकॉप्टर बनाने के 6,000 करोड़ रुपये की एक परियोजना को लेकर है। सूत्रों ने शुक्रवार को बताया कि मेक इन इंडिया कार्यक्रम के तहत यह सबसे बड़े समझौतों में से एक होगा। इसके तहत कामोव 226टी श्रेणी के 197 हेलीकॉप्टरों का देश में निर्माण किया जाएगा, जो 30 वर्षो से अहम क्षेत्रों में सेवा दे रहे चेतक और चीता हेलीकॉप्टर बेड़ों की जगह लेगा। इस बारे में पूछे जाने पर रिलायंस डिफेंस के प्रवक्ता ने कहा, "हम प्रधानमंत्री नरेंद्र मोदी के मेक इन इंडिया और स्किल इंडिया में हिस्सा लेने के लिए प्रतिबद्ध हैं।"


    रक्षामंत्री मनोहर पर्रिकर की अध्यक्षता में मई में रक्षा खरीद परिषद की हुई बैठक में प्रस्ताव को मंजूरी दे दी गई थी। सूत्रों ने बताया कि गहन वार्ता के बाद रूस की सरकार ने भारत सरकार से कहा है कि परियोजना का कार्यान्वयन एक भरतीय कंपनी के साथ बनाई गई एक संयुक्त उपक्रम कंपनी के जरिए होगा और इसके लिए रिलायंस हेलीकॉप्टर का चुनाव किया गया है।


    इसमें प्रौद्योगिकी का हस्तांतरण भी शामिल है। इसी महीने के शुरू में रिलायंस समूह की कंपनी पिपावाव डिफेंस को रूस के ज्योज्दोच्का शिपयार्ड ने 24 ईकेएम-877 पनडुब्बियों का भारत में मरम्मत करने के लिए चुना था। यह ठेका 30 हजार करोड़ रुपये का हो सकता है। सूत्रों के मुताबिक, युनाइटेड शिपबिल्डिंग कंपनी ऑफ रूस ने पिपावाव का चुनाव तलवार श्रेणी के चार पोतों के निर्माण के लिए भी किया है।


    अब तक का होगा सबसे बड़ा समझौता

    सूत्रों से प्राप्‍त जानकारी पर गौर करें तो भारत सरकार के 'मेक इन इंडिया' कार्यक्रम के तहत ये अब तक का सबसे बड़ा समझौता साबित होगा। साथ ही ये भी बताया गया कि इसके तहत कामोव 226टी श्रेणी के 197 हेलीकॉप्टरों का निर्माण देश में ही किया जाएगा। बड़ी बात ये भी है कि ये अब 30 वर्षों से अहम क्षेत्रों में सेवा दे रहे चेतक और चीता हेलीकॉप्टर बेड़ों की जगह लेगा।


    रिलायंस डिफेंस के प्रवक्‍ता का ये है कहना

    इस बारे में रिलायंस डिफेंस के प्रवक्ता ने जानकारी दी कि वे प्रधानमंत्री नरेंद्र मोदी के 'मेक इन इंडिया' और 'स्किल इंडिया' सरीखे कार्यक्रमों में बेहद खुशी के साथ हिस्सा लेने के लिए पूरी तरह से प्रतिबद्ध हैं। यहीं नहीं उन्‍होंने ये भी कहा कि देश की जरूरतें पूरी करने के लिए सैन्य और असैन्य हेलीकॉप्टरों का निर्माण इस प्रतिबद्धता का एक सबसे बड़ा और अहम हिस्सा है।


    सूत्रों का ऐसा है कहना

    सूत्रों से मिली जानकारी पर गौर करें तो सामने आया है कि परियोजना का कार्यान्वयन एक संयुक्त उपक्रम कंपनी की मदद से किया जाएगा। इसको लेकर रिलायंस डिफेंस की नवगठित हेलीकॉप्टर इकाई का चयन किया गया है। बताते चलें कि रिलायंस डिफेंस रिलायंस इंफ्रास्ट्रक्चर की ही कंपनी है। वहीं अब कंपनी तेजी के साथ औद्योगिक लाइसेंस हासिल करने की प्रक्रिया में है।


    रूस के राष्‍ट्रपति ने पीएम के सामने रखा था प्रस्‍ताव

    याद दिला दें कि रूस के राष्ट्रपति व्लादिमीर पुतिन ने गत वर्ष भारतीय दौरे के समय दिसंबर में मोदी के सामने इस तरह का प्रस्ताव रखा था। उसके बाद रक्षामंत्री मनोहर पर्रिकर की अध्यक्षता में मई के महीने में रक्षा खरीद परिषद की बैठक में इस प्रस्ताव को पूरी तरह से मंजूरी दे दी गई थी। वैसे बता दें कि इसी महीने की शुरुआत में रिलायंस समूह की कंपनी पिपावाव डिफेंस को रूस के ज्योज्दोच्का शिपयार्ड ने 24 ईकेएम-877 पनडुब्बियों को भारत में मरम्मत करने के लिए चुना था।



    0 0

    #LandBillVictory – India's Modi accepts defeat on contentious land decree, will change law


    Modi said on Sunday the government was ready to amend the proposed law and criticized the spreading of false rumors that made farmers afraid of the changes.

    "I have always said that, in the dispute related to the land acquisition law, the government is open minded," Modi said in his monthly radio address. "I am willing to accept any suggestion for the benefit of farmers."

    Modi swept to power last year on expectations he would accelerate an economic transformation that began in the 1990s but is struggling to build support for reforms in parliament, where his party is in the minority in the upper house.

    Leaders of Modi's party said they had not given up on making it easier to acquire land needed to kick-start hundreds of billions of dollars in stalled projects. However, after failing to win support in parliament, they may ask states to pass their own laws.

    Modi has had to issue temporary executive orders in the past seven months that allow the government to forcibly purchase farmland for industrial development. He has failed to secure the votes in parliament needed to make the changes permanent.

    Land reform is critical for Modi's drive to build new roads, homes and factories and, if stalled, would blight his vision of 100 new 'smart' cities across India linked by industrial corridors and high-speed rail routes criss-crossing the country.

    Conflict between farmers and companies trying to secure land for industrial projects has hampered India's plans to expand its network of highways, build mines and other infrastructure, holding up about $300 billion of investment.

    http://news.yahoo.com/indias-modi-accepts-defeat-contentious-land-decree-change-081738626–business.html


    --
    Pl see my blogs;


    Feel free -- and I request you -- to forward this newsletter to your lists and friends!

    0 0

    Press Release – Truth about Aurangzeb: Victim of false propaganda


    aurangzeb1

     

    Truth about Aurangzeb: Aurangzeb is victim of false propaganda against him. Fact is that he was a pious person, despite being the mighty emperor of wealthiest empire in the world, he did not lead luxurious life.   As per instructions of Islam, he led a frugal life.  He ate very little and never took alcohol. He wrote 'Quran' in his own handwriting and  sold them to earn extra wages for his personal use. He was not communal. Hindus occupied important positions in his administration and army. He conquered Afghanistan and did not trust any Muslim  but appointed Raja Jaswant Singh as its Subedar -and surprisingly  it was the most peaceful period in the history of Afghanistan!  Aurangzeb imposed 'Zazia' tax not in the beginning of his reign but towards the end of his rule (after about 25 years of his becoming emperor)  when his treasury had become exhausted by continuous wars  in the south, and against Marathas  in order to meet out expenses of wars, but he also imposed taxes on Muslims in the name of 'Zakat'. He  considered it a crime to utilize government money for personal benefits, an admirable quality for any ruler but very distasteful to our modern corrupt  politicians,  including Kesriwal, who want to efface his name from every signboard. Please read this article by research Scholar Brijendar Singh in order to know the true facts about Aurangzeb.

    https://rationalinferences.wordpress.com/2015/08/28/aurangzeb-an-analysis/

    Please read if you care to know the truth…!!!!!!!

    EMPEROR AURANGZEB: TRUTHS ABOUT A RULER

    Hello, I am Brijendra Singh; I have done my PGDM course from I.I.S.E Business School Lucknow. I am not a student of history but I like to read history due to my interest. In this article I have tried to provide some facts related to Emperor Aurangzeb. His image as a person and as a ruler is negative among the Indian citizens, but I am sure when you will go through this article your attitude will change towards this ruler.

    Aurangzeb Alamgir was the sixth & the last great mughal emperor of India. He ruled India from 1658 to 1707 AD. He was one of the greatest mughal emperors & lived a very simple life. He lived on a small quantity of food, he used to write the quran with his own hand & sell them to earn extra wage. If he wanted, he could have lived a life of extra-ordinary luxury as the, emperors, kings, nawabs, rajas, maharajas did in those days.

    He was a well-read man; he kept up his love of books till the end. He wrote beautiful Persian prose. A selection of his letters (Ruq'at-i-Alamgiri) has long been a standard model of simple but elegant prose. He understood music well but he gave up this amusement in accordance with Islamic injunctions.

    Emperor Aurangzeb is considered as the greatest of all the mughal kings. The mughal state reached its height under his leadership. The state has 29.2% of the world population under its flag (175 million out of 600 million in 1700 AD) & was one of the richest states the world had ever seen, with a world GDP of 24.5% ($ 90.8 billion out of $ 371 billion in 1700).

    Of all the Muslim rulers who ruled vast territories of India from 712 to 1857AD, probably no one has received as much condemnation from western & Hindu writers as Aurangzeb. He has been castigated as a religious Muslim who was anti-Hindu, who taxed them, who tried to convert them, who discriminated them in awarding high administrative positions, & who interfered in their religious matters. This view has been heavily promoted in the government approved text books in schools & colleges across post partition India (i.e., after 1947). These are fabrications against one of the best rulers of India who was pious, scholarly, saintly, un-biased, liberal, magnanimous, tolerant, competent & far sighted.

    Fortunately, in recent years quite a few Hindu historians have come out in the open disputing those allegations. For e.g., historian Babu Nagendranath Banerjee rejected the accusation of forced conversion of Hindus by Muslim rulers by stating that if that was their intention then in India today there would not be nearly four times as many Hindus compared to Muslims, despite the fact that Muslims had ruled for nearly a thousand years. Banerjee challenged the Hindu hypothesis that Aurangzeb was anti-Hindu by reasoning that if the latter was truly guilty of such bigotry, how could he appoint a Hindu as his military commander -in –chief? Surely, he could have afforded to appoint a competent Muslim general in that position. Banerjee further stated: "No one should accuse Aurangzeb of being communal minded. In his administration the state policy was formulated by Hindus. A number of non-Muslims including Hindus, Sikhs, Marathas & Jats, were employed by him in his court. He did not compromise on the fundamentals of Islam, which are infact the moving spirit of every faith. Historical facts must be interpreted in their true & objective spirit & not subjectively as expressed by the Hindu writers.

    Dr. BISHAMBHAR NATH PANDE'S VIEW

    The late scholar & historian, Dr.Bishambhar Nath Pande's research efforts exploded myths on Aurangzeb's rule. They also offer an excellent example of what history has to teach us if only we study it dispassionately. Mr. Pande was ranked among the very few Indians & very fewer still Hindu historians who tried to be a little careful when dealing with such history. He knew that this history was 'originally compiled by European writers' whose main objective was to produce a history that would serve their policy of divide & rule.

    In his famous Khuda Bakhsh Annual Lecture (1985) Dr. Pande said: "Thus under a definite policy the Indian history text books were so falsified & distorted as to give an impression that the medieval (i.e., Muslim) period of Indian history was full of atrocities committed by Muslim rulers on their Hindu subjects & the Hindus had to suffer terrible indignities under Muslim rule and there were no common factors (between Hindus & Muslims) in social, political & economic life."

    Therefore, Dr.Pande was extra careful. Whenever he came across a 'fact' that looked odd to him, he would try to check & verify rather than adopt it uncritically. He came across a history text book taught in the Anglo-Bengali College, Allahabad, which claimed that "three thousand Brahmins had committed suicide as Tipu wanted to convert them forcibly into the fold of Islam." The author was a very famous scholar, Dr.Har Prasad Shastri, head of the department of Sanskrit at Kolkata University. (Tipu Sultan (1750-99), who ruled over the South Indian state of Mysore (1782-99), is one of the most heroic figures in Indian history. He died on the battle field, fighting the British.)

    Was it true? Dr. Pande wrote immediately to the author & asked him for the source on which he had based this episode in his text-book. After several reminders, Dr. Shastri replied that he had taken this information from the Mysore gazetteer. So Dr. Pande requested the Mysore university vice- chancellor, Sir Brijendra Nath Seal, to verify for him Dr. Shastri's statement from the gazetteer. Sir Brijendra referred his letter to Prof. Srikantia who was then working on a new edition of the gazetteer. Srikantia wrote to say that the gazetteer mentioned no such incident and, as a historian himself, he was certain that nothing like this had taken place. Prof. Srikantia added that both the prime minister & commander-in-chief of Tipu Sultan were themselves Brahmins. He also enclosed a list of 136 Hindu temples which used to receive annual grants from the sultan's treasury.

    It inspired that Shastri had lifted this story from Colonel Miles, History of Mysore, which Miles claimed he had taken from a Persian manuscript in the personal library of Queen Victoria. When Dr. Pande checked further, he found that no such manuscript existed in Queen Victoria's library.

    FALSE HISTORY PROVIDED BY BRITISHERS

    British historian Sir Henry Elliot remarked that Hindus "had not left any account which could unable us to gauge the traumatic impact the Muslim conquest and rule had on them?" Since there was none, Elliot went on to produce his own eight-volume history of India with contributions from British historians (1867). His history claimed Hindus were slain for disputing with 'Mohammedans', generally prohibited from worshipping and taking out religious processions , their idols were mutilated , their temples were destroyed , they were forced into conversion & marriages , & were killed & massacred by drunk Muslim tyrants. Thus Sir Henry, & scores of other empire scholars, went on to produce a synthetic Hindu verses Muslim history of India, & their lies became a history.

    Lord Curzon(Governor General of India 1895-99 & Viceroy 1899-1904(d.1925) was told by the secretary of state for India, George Francis Hamilton , that they should " so plan the educational textbooks that the differences between community & community are further strengthened." Another Viceroy, Lord Dufferin (1884-88), was advised by the secretary of state in London that the "division of religious feelings is greatly to our advantage '', & that he expected "some good as a result of your committee of inquiry on Indian education & on teaching material ''. " We have maintained our power in India by playing – off one part against the other'', the secretary of state for India reminded yet another viceroy, Lord Elgin (1862-63), "& we must continue to do so. Do all you can, therefore to prevent all having a common feeling?"

    MYTH RELATED TO DESTRUCTION OF TEMPLES

    Some of the Hindu historians have accused Aurangzeb of demolishing Hindu temples. How factual is this accusation against a man, who has been known to be a saintly man, a strict adherent of Islam? The Qur'an prohibits any Muslim to impose his will on a non-Muslim by stating that "There is no compulsion in religion."(Surah al-Baqarah 2.256). The Surah al-Kafirun clearly states: "To you is your religion & to me is mine." It would be totally unbecoming of a learned scholar of Islam of his caliber, as Aurangzeb was known to be, to do things that are contrary to the dictates of the Qur'an.

    Interestingly, the 1946 edition of the history textbook Etihash Parichaya (introduction to history) used in Bengal for the 5th & 6th graders states: "If Aurangzeb had the intention of demolishing temples to make way for mosques, there would not have been a single temple standing erect in India. On the contrary, Aurangzeb donated huge estates for use as temple sites & support thereof in Benaras, Kashmir & elsewhere. The official documentations for these land grants are still extant."

    A stone inscription in the historic Balaji or Vishnu temple, located north of Chitrakut Balaghat, still shows that it was commissioned by the emperor himself. His administration made handsome donation to temple of Pandharpur – seat of deity Vitthal. Historian the late D.G Godse has claimed that trustees of Vitthal temple were more worried about marauding Maratha armies than the mughal one.

    The proof of Aurangzeb's land grant for famous Hindu religious sites in Varanasi can easily be verified from the deed records extant at those sites. The same textbook (Etihash Parichaya) reads: "During the fifty year reign of Aurangzeb, not a single Hindu was forced to embrace Islam. He did not interfere with any Hindu religious activities". Alexander Hamilton, a British historian, toured India towards the end of Aurangzeb's fifty year's reign & observed that everyone was free to serve & worship god in his own way.

    The Mughal emperor Aurangzeb is the most reviled of all the Muslim rulers in India. He was supposed to be a great destroyer of temples & oppressor of Hindus, & a 'fundamentalist' too. As chairman of the Allahabad municipality (1948-53), Dr. Bishambhar Nath Pande had to deal with a land dispute between two temple priests. One of them had filed in evidence some firmans (royal orders) to prove that Aurangzeb had, besides cash, gifted the land in question for the maintenance of his temple. Might they not be fake, Dr. Pande thought in view of Aurangzeb's fanatically anti-Hindu image? He showed them to his friend, Sir Tej Bahadur Sapru, a distinguished lawyer as well a great scholar of Arabic & Persian. He was also a Brahmin. Sapru examined the documents & declared they were genuine firmans issued by Aurangzeb. For Dr.Pande this was a 'new image of Aurangzeb', so he wrote to the chief priests of the various important temples, all over the country, requesting photocopies of any firman issued by aurangzeb that they may have in their possession. The response was overwhelming; he received copies of firmans of Aurangzeb from the great temples of Mahakaleshwara, Ujjain, Balaji temple, Chitrakut, Umanand temple Gauhati, & the Jain temple of Shatrunjai & other temples & gurudwaras scattered over northern India. These firmans were issued from 1659 to 1685AD. Though these are only few instances of Aurangzeb generous attitude towards Hindus & their temples, they are enough to show that what the historians have written about him was biased & is only one side of the picture. India is a vast land with thousands of temples scattered all over. If proper research is made, I am confident; many more instances would come to light which will show Aurangzeb's benevolent treatment of non-Muslims.

    Aurangzeb did not indiscriminately destroy Hindu temples, as he is commonly believed to have done so, & that he directed the destruction of temples only when faced with insurgency. This was almost certainly the case with the Keshava Rai temple in the Mathura region, where the Jats rose in rebellion & yet even this policy of reprisal may have been modified, as Hindu temples in the Deccan were seldom destroyed. The image of Aurangzeb as an idol – breaker may not with stand scrutiny, since there is evidence to show that, like his predecessors, he continued to confer land grants or jagirs (large parcel of agricultural lands) upon Hindu temples, such as the Someshwar Nath Mahadev temple Allahabad, Jangum Badi Shiva temple in Varanasi, Umanand temple in Gauhati & numerous others. He did not harm to the famous Alura temples (a huge complex of Ancient temples) in his conquest of Deccan.

    DEMOLITION OF KASHI VISHWANATH TEMPLE

    Dr. Pande's research showed that Aurangzeb was as solicitous of the rights & welfare of his non-Muslim subjects as he was of his Muslim subjects. Hindu plaintiffs received full justice against their Muslims respondents &, if guilty, Muslims were given punishment as necessary.

    One of the greatest charges against Aurangzeb is of the demolition of Vishwanath temple in Varanasi. That was a fact, but Dr. Pande unraveled the reason for it. "While Aurangzeb was passing near Varanasi on his way to Bengal, the Hindu Rajas in his retinue requested that if the halt was made for a day, their Ranis may go to Varanasi, have a dip in the Ganges & pay their homage to Lord Vishwanath. Aurangzeb readily agreed. "Army pickets were posted on the five mile route to Varanasi. The Ranis made journey to the palkis. They took their dip in the Ganges & went to the Vishwanath temple to pay their homage. After offering puja (worship) all the Ranis returned except one, the Maharani of Kutch. A thorough search was made of the temple precincts but the Rani was to be found nowhere.

    "When Aurangzeb came to know about this, he was very much enraged. He sent his senior officers to search for the Rani. Ultimately they found that statue of Ganesh (the elephant – headed god) which was fixed in the wall was a moveable one. When the statue was moved, they saw a flight of stairs that led to the basement. To their horror they found the missing Rani dishonored & crying deprived of all her ornaments. The basement was just beneath Lord Vishwanath's seat."

    The Raja demanded salutary action, & "Aurangzeb ordered that as the sacred precincts have been despoiled, Lord Vishwanath may be moved to some other place, the temple be razed to the ground & the Mahant (head priest) be arrested & punished."

    EMPLOYMENT FOR NON-MUSLIMS

    Aurangzeb has often been accused of closing the doors of official employment on the Hindus, but a study of the list of his officers shows this is not so. Actually there were more Hindu officers under him than under any other Mughal emperor. Though this was primarily due to a general increase in the number of officers, it shows that there was no ban on the employment of Hindus.

    In his administration the state policy was formulated by Hindus. Two Hindus held the highest position in the state treasury. Some prejudiced Muslims even questioned the merit of his decision to appoint non-Muslims to such high offices. The emperor refuted them by stating that he had been following the dictates of the Shariah (Islamic law) which demands appointing right persons in right positions. During Aurangzeb's long reign of fifty years, many Hindus, notably Jaswant Singh, Jay Singh, Raja Rajrup, Kabir Singh, Arghanath Singh, Prem Dev Singh, Dilip Roy & Rasik Lal Crory, held very high administrative positions. Two of the highest ranked generals in Aurangzeb's administration, Jaswant Singh & Jay Singh, were Hindus. Other notable Hindu generals who commanded a garrison of two to five thousand soldiers were Raja Vim Singh of Udaypur, Indra Singh, & Achalaji & Arjuji. One wonders if Aurangzeb was hostile to Hindus, why would he position all these Hindus to high positions of authority, especially in the military, who could have mutinied against him & removed him from his throne?

    Most Hindus like Akbar over Aurangzeb for his multi-ethnic court where Hindus were favored. Historian Shri Sharma states that while Emperor Akbar had 14 Hindu Mansabdars (high officials) in his court, Aurangzeb actually had 148 Hindu high officials in his court (Ref : Mughal Govn.). But this fact is somewhat less known.

    If Aurangzeb was so ferocious a communalist, why is it, some historians have asked, that the number of Hindu employed in positions of eminence under Aurangzeb's reign rose from 24.5% in the time of his father Shah Jahan to 33% in the fourth decade of his own rule?

    JIZYA AND OTHER TAXES

    Now let us deal with Aurangzeb's imposition of the Jizya tax which had drawn severe criticism from many Hindu historians. It is true that Jizya was lifted during the reign of Akbar & Jahangir & that Aurangzeb later reinstated this. Before I delve into the subject of Aurangzeb's Jizya tax, or taxing the non-Muslims, it is worthwhile to point out that Jizya is nothing more than a war tax which was collected only from able-bodied young non-Muslim male citizens living in a Muslim country who did not want to volunteer for the defence of the country. That is, no such tax was collected from non-Muslims who volunteered to defend the country. This tax was not collected from women & neither from immature males nor from disabled or old male citizens. For payment of such taxes, it became incumbent upon the Muslim Government to protect the life, property & wealth of its non-Muslim citizens. If for any reason the Government failed to protect its citizens, especially during a war, the taxable amount was returned.

    It should be pointed out here that zakat (2.5% of savings) & ushr (10% of agricultural products) were collected from all Muslims, who owned some wealth (beyond a certain minimum, called nisab). They also paid sadaqah, fitrah & khums. None of these were collected from any non-Muslim. As a matter of fact, the per capita collection from Muslims was several fold that of non-Muslims. Further to Aurangzeb's credit is his abolition of a lot of taxes, although this fact is not usually mentioned. In his book Mughal administration, Sir Jadunath Sarkar, foremost historian on the Mughal dynasty, mention's that during Aurangzeb's reign in power, nearly 65 types of taxes were abolished, which resulted in a yearly revenue loss of 50 million rupees from the state treasury.

    Other historians stated that when Aurangzeb abolished 80 types of taxes, no one thanked him for his generosity. But when he imposed only one (jizya), & not heavy at all, people began to show their displeasure.

    While some Hindu historians are retracting the lies, the textbooks & historic accounts in western countries have yet to admit their error & set the record straight.

    SOME IMPORTANT POINTS RELATED TO CHARACTER OF AURANGZEB

    Just think a man such, character, caliber that cares and concern for public can be unjust, cruel. Just imagine a king such cruel & unjust to the majority could rule a huge country, for about 50 years, where high majority members serving highest position & comprising 80% in the military.

    He was so pious best character person noble & just. You cannot find a single one in the present leaders.

    His personal piety however is undeniable. He led an exemplary simple pious life. He cares for the royal treasury as public treasury & for public. The present leaders considers public treasury to personal treasury.

    Unlike his predecessors, Aurangzeb did consider the royal treasury as a trust of the citizens of his empire & did not use it for personal expenses.

    He was Subedar in Deccan & Gujarat. He didn't destroy any temple. His period was peaceful & prosperous, called golden period.

    Despite more than two decades he campaign as subedar in Deccan & Gujarat there is no record of temple destruction in the region. He continued to confer Jagirs to Hindu temples. His period was golden period & relatively peaceful, prosperous in his tenure.

    He was maligned that he was against art & music. He was the accomplished musician playing VEENA. The largest numbers of books on classical Indian music in Persian were written during Aurangzeb's reign. He banned all nude dances.

    Aurangzeb cruelty as mere rumors or at best lies invented by Hindu bigotry & British historians who wanted to weaken India by their divide & rule policy. Bankim Chatterjee, who served his whole life to British government, was a tool of this conspiracy and dividing.

    He was so concern about duties; he did not miss prayer during the ongoing war.

    He spread his prayer rug & prayed in the midst of battle ground, brought him much fame. He stopped all bad things, which today everybody want. Why government banned bar balayien, dances of Rakhi Sawant & Mallaika. Why sattabazi is illegal?

    Today we pay more than 66% of our income as taxes. The present government is worse than Aurangzeb's.

    He forbade sati, drinking, gambling, prostitution, devadasies, dancing in brothels, ashrams & mutts. He put jizya to Dhimmis (non-believers) which around 2.5% like Muslim pay their Zakat, 2.5% eligible person should pay. The old, women, children were exempted. Only the young man who didn't want to serve in the army should pay the jiziya. Indian parliament still hung the bill of Lok Pal, whereas Aurangzeb the only ruler who appointed Lok Pal to control corruption in Judiciary, Finance & other departments.

    He appointed Muhattasib (lok pal) censors to control injustice & atrocities. The Brahmans & higher caste Hindus now found themselves facing Islamic law courts for the atrocities on lower castes Hindus.

    He was best knowledgeable & brilliant administrator. He never tolerates injustice. He was a brave soldier & best commander in the field. He was the only who control Deccan & Bijapur dynasty. Under his leadership, in particular, he led Mughal forces in the conquest of the Deccan, seizing first the Golkunda & Bijapur Sultanates, & then attacking the Maratha chieftains. He annexed all the Maratha territories. He left Shivaji because he was no threat to his kingdom.

    These are the few evidence of his greatness. The Brahmans & higher caste were subject to Aurangzeb justice. They maligned & created, invented, fabricated these & all other baseless stories.

    This is all about emperor Aurangzeb. I am confident that when you will go through all these facts & figures your perception towards this Mughal emperor will change. Our medieval history consists of various false stories. Our nation had never seen an emperor like Aurangzeb. I need your feedback about this article. What should I do to change the perception of people? I want to know merits, demerits, area of scope & any suggestion related to this article from your side.

    Reference:
    http://www.yoindia.com/shayariadab/inspirational-stories-and-real-life-incidences/emperor-aurangzeb-t98568.0.html

     


    --
    Pl see my blogs;


    Feel free -- and I request you -- to forward this newsletter to your lists and friends!

    0 0

    देश
    30, AUG, 2015, SUNDAY 10:31:47 PM

    रायगढ़ (महाराष्ट्र) ! मुंबई पुलिस की एक टीम रविवार को शीना बोरा हत्या मामले के दो आरोपियों, संजीव खन्ना और श्याम ..

    विदेश

    सुसान राइस ने पाकिस्तान की तारीफ की

    30, AUG, 2015, SUNDAY 10:19:21 PM

    इस्लामाबाद ! अमेरिकी राष्ट्रीय सुरक्षा सलाहकार सुसान राइस ने आतंकवाद और हिंसक चरमवाद के खिलाफ लड़ाई में पाकिस्तान की भूमिका की रविवार को सराहना की।डॉन की रपट के अनुसार, प्रधानमंत्री कार्यालय की ओर से जारी एक बयान में कहा गया है 

    खेल

    कोंलबो टेस्ट : दूसरी पारी में लड़खड़ाया भारत

    30, AUG, 2015, SUNDAY 09:02:49 PM

    कोलंबो ! सिन्हलीज स्पोर्ट्स क्लब मैदान पर भारत और श्रीलंका के बीच जारी तीसरे निर्णायक टेस्ट मैच के तीसरे दिन रविवार को रिकॉर्ड 15 विकेट गिरे, जिसमें से भारतीय गेंदबाज इशांत शर्मा ने पांच विकेट हासिल किए। इशांत (54-5) की बदौलत 

    प्रादेशिकी

    शीना हत्याकांड : जांच में 'पूरी तरह से' सहयोग नहीं कर रहे हैं इंद्राणी और संजीव

    30, AUG, 2015, SUNDAY 10:31:47 PM

    रायगढ़ (महाराष्ट्र) ! मुंबई पुलिस की एक टीम रविवार को शीना बोरा हत्या मामले के दो आरोपियों, संजीव खन्ना और श्याम राय को रायगढ़ जिले में दागोद के पास के जंगल में ले गई। यही वह जगह है जहां माना जा रहा है कि शीना की हत्या कर उसके शव को आधा जला दिया गया था और ..

    अर्थजगत

    अब देश भर में आसानी से मिलेंगे गैस कनेक्शन

    30, AUG, 2015, SUNDAY 10:02:54 PM

    नई दिल्ली ! सरकार ने नए उपभोक्तओं को आसानी से रसोई गैस कनेक्शन उपलब्ध कराने के उद्देश्य से आज ऑनलाइन एलपीजी कनेक्शन स्कीम 'सहजÓ की शुरूआत की। पेट्रोलियम एवं प्राकृतिक गैस मंत्री धर्मेन्द्र प्रधान ने यहां राष्ट्रीय राजधानी 


    --
    Pl see my blogs;


    Feel free -- and I request you -- to forward this newsletter to your lists and friends!

    0 0


    --
    Pl see my blogs;


    Feel free -- and I request you -- to forward this newsletter to your lists and friends!

    0 0
    0 0

    Indian Express Reports:

    Land ordinance to go, PM Narendra Modi says farmers dearest

    "Ready to amend land acquisition act to benefit farmers, who were subjected to misinformation leading to a lot of apprehension in their minds on the law," PM Modi said.

    By: Express News Service | New Delhi | Updated: August 31, 2015 7:21 am
    land acquisition act, modi land acquisition, mann ki baat
    "Ready to amend land acquisition act to benefit farmers, who were subjected to misinformation leading to a lot of apprehension in their minds on the law," PM Modi said.

    The government will allow its ordinance on the land acquisition Act to lapse on August 31, Prime Minister Narendra Modi said on Sunday in his Mann ki Baat radio programme. Making a direct appeal to farmers, the PM added that he couldn't allow anyone to create "fear" in their minds on the matter.

    The decision to let the ordinance lapse follows unsuccessful attempts by the government to build a consensus in Parliament to get its amendments to the contentious land acquisition Act cleared.

    READ: Congress has been exposed on Land Aquisition Bill, says Nitin Gadkari

    Having earlier re-promulgated the ordinance thrice to bring changes to the 2013 law, the Modi government, in a major climb-down earlier this month, had agreed to drop most of its contentious amendments.

    Modi said the suggestions to improve the Act had come from states, "which felt that if one has to benefit villages and poor farmers, to construct canals to water the fields, if we have to erect poles to bring electricity, construct roads and houses, and make available employment, we have to free this law from the clutches of bureaucracy".

    READ: Patel reservation row: Nation shocked, pained at Gujarat violence, says PM Modi 

    SHARE THIS ARTICLE
    Share
    RELATED ARTICLE

    "But I saw that so many misgivings were spread, fear was instilled in the farmer. My farmer should not have doubts and should absolutely not be scared. I don't want to give an opportunity to anybody to scare the farmers… For me, every voice in the country is important, but the voice of the farmers has special significance," the PM said.

    Announcing that he had decided that the ordinance on the land acquisition Bill "should be allowed to expire", Modi said, "It means restoration of the situation that prevailed before my government took over."

    At the same time, he added, "13 points" in the ordinance which are directly linked to farmer benefit would be implemented from Sunday by notifying them under the rules. "We are doing this so the farmers do not lose," he said.

    The PM stressed that the government has an "open mind" on the land acquisition Act. "I have repeatedly said that I am ready to accept any suggestion in the interest of farmers," he said.

    "My farmer brothers and sisters, there is no reason for doubt," he added.

    In the programme, Modi also referred to the recent violence surrounding the Patel quota agitation in Gujarat. Calling it "the dance of violence", he said the entire nation was pained if the land of Mahatma Gandhi and Sardar Patel witnessed something like this.

    "But in a short span of time, the people of Gujarat handled the situation and played an active role in stopping the situation from worsening. And Gujarat once again began its journey on the path of peace," Modi said. "Peace, unity and brotherhood… this is the right path."

    Opposition slams 'cruel joke'

    Welcoming the PM's announcement that the land ordinance will not be re-promulgated, the Opposition attacked the government for "wasting the time of the country" and playing a "cruel joke" on farmers.

    - See more at: http://indianexpress.com/article/india/india-others/ready-to-amend-land-acquisition-act-ordinance-will-lapse-tomorrow-pm-narendra-modi/#sthash.rft7DuG2.dpuf

    --
    Pl see my blogs;


    Feel free -- and I request you -- to forward this newsletter to your lists and friends!

    0 0

    Indian Express reports:

    Netaji's family approaches UK with plea to declassify files

    The family has approached the UK government, asserting that it has classified files on him besides Japan and Russia.

    Subhas Chandra Bose's family, still awaiting a response from Prime Minister Narendra Modi over declassifying files on the "mystery" surrounding Netaji, has approached the UK asserting it has the relevant documents on him. Netaji's grandnephew Surya Kumar Bose, who had met Modi on the issue during his visit to Berlin in April, said he had written to him days after the meeting but is yet to receive any response. Asked about the Modi government's approach on the issue, Surya said he was hopeful on securing "closure" to the "mystery" over the issue. "I am hopeful because I think Modi has the guts to do it and I have told him quite frankly that we are ready to face whatever comes out, whether it is positive or negative or whatever it is. We have to face the music. Because we have been asking for it," he added. The family has approached the UK government, asserting that it has classified files on him besides Japan and Russia. "My sister who has a base in London has approached the British government to declassify the files. They have admitted that they have files. But they have to go through them in detail. They have asked for more time. So, that means they have files on Subhas Bose, which are classified," Surya told PTI in Berlin. Bose said the issue is being taken up with governments of Japan and America and that the family was determined to get to the bottom of it notwithstanding whatever comes out of the declassification of the files. Surya claimed that the governments of Russia, Japan and the United States have information about Netaji and that the Central Intelligence Agency (CIA) had its files open on him till 1985. "I do not think opening up of those files will create issues with any current government. You cannot blame the current government for what had happened in 1945-46," he said. Surya added that it was "high time" the mystery surrounding Bose is brought to a close. Asked when the family approached the British authorities, he did not specify but indicated it was approached recently. He said the Indian government must request the foreign governments to share the details about Bose with it. - See more at: http://indianexpress.com/article/india/india-others/netajis-family-approaches-uk-with-plea-to-declassify-files/#sthash.loaKpgRn.dpuf

    --
    Pl see my blogs;


    Feel free -- and I request you -- to forward this newsletter to your lists and friends!

    0 0

    বন্‌ধ ঠেকাতে গেলে আগুন জ্বলবে


    Biman Basu 20-06-15নিয়ে দিল কেন্দ্রীয় শ্রমিক সংগঠন, রাজ্যের ১৭টি বামপন্থী দল। রাজ্য সরকারকে সতর্ক করে তাদের বার্তা, আগুনে হাত দিতে আসলে হাত পুড়বে। যুদ্ধ চাপালে যুদ্ধ হবে। ধর্মঘট রুখতে শনিবার কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছেন রাজ্যের পুর ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম। তিনি জানান, প্রশাসনের কী রূপ সেটা এখনও দেখেনি বামেরা। এদিন পর্যন্ত সেই কথা উড়িয়ে ধর্মঘট সফল করতে রাস্তায় থাকার বার্তা দিয়েছে কেন্দ্রীয় শ্রমিক সংগঠন, ১৭টি বামপন্থী দল। তাদের কটাক্ষ, ধর্মঘট ডাকা হয়েছে কেন্দ্র সরকারের নীতির বিরুদ্ধে। রাজ্য সরকার বনধের বিরোধিতা করলে বোঝা যাবে তারা কেন্দ্রের সঙ্গে সেটিং করেছে। এদিন সি পি এম রাজ্য দপ্তরে, শ্রমিক ভবনে আলাদা আলাদা সাংবাদিক বৈঠকের আয়োজন করা হয়েছিল। সি পি এম রাজ্য দপ্তরে বামফ্রন্ট চেয়ারম্যান বিমান বসু জানান, ২ সেপ্টেম্বরের ধর্মঘট সমর্থন করছে ১৭টি বামপন্থী দল। সর্বত্র রাস্তায় থাকবেন বাম কর্মীরা। ধর্মঘট সফল করতে যা করণীয় বাম দল, শ্রমিক সংগঠনগুলি তার প্রস্তুতি নিচ্ছে। এদিন শ্রমিক ভবনে সিটু রাজ্য সভাপতি শ্যামল চক্রবর্তীর দাবি, ধর্মঘট রুখতে রাজ্য সরকার, তৃণমূল কংগ্রেস, মুখ্যমন্ত্রী সোচ্চার। কিন্তু ধর্মঘট রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে নয়। তার পরও ধর্মঘট ভাঙতে আসলে বোঝা যাবে কেন্দ্র সরকারের সঙ্গে তাদের সেটিং হয়ে গেছে। রাজ্যের মানুষ পিছু হটবেন না। শান্তিপূর্ণ না অশান্তিপূর্ণ তা নির্ভর করছে সরকারের ওপর। রাস্তায় আমাদের স্বেচ্ছাসেবকরা থাকবেন। শ্রমিকদের পাশে রয়েছেন কৃষক, ছাত্র, যুবরা। এদিন বিমান বসু বলেন, ২ সেপ্টেম্বর বাম নেতৃত্ব কর্মীদের রাস্তায় থাকতে হবে। ওই দিন মিছিল করার জন্য কলকাতা জেলা বামফ্রন্টকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। অত্যাচার করে মানুষকে ঠান্ডা করার ইতিহাস নেই পৃথিবীতে। অত্যাচারীরা ইতিহাস তৈরি করতে পারেননি। দেশের অসংগঠিত শিল্প শ্রমিকের সামাজিক সুরক্ষা নেই। রাজ্য সরকার দক্ষিণপন্থী নীতির মাধ্যমে মানুষকে দমন করতে চাইছে। এর প্রতিবাদে সোচ্চার হতে রাস্তাকেই রাস্তা হিসেবে বেছে নিতে হবে। মানুষ অংশ নিয়ে ধর্মঘট সফল করবে। দমন করে সবাইকে ঘরে ঢুকিয়ে দিতে পারবে না রাজ্য। শ্রমিক ভবনে উপস্থিত ছিলেন সিটু রাজ্য সভাপতি শ্যামল চক্রবর্তী, সম্পাদক দীপক দাশগুপ্ত, দেবাঞ্জন চক্রবর্তী, এ আই টি ইউ সি নেতা রণজিৎ গুহ, আই এন টি ইউ সি নেতা রমেন পান্ডে–সহ কেন্দ্রীয় শ্রমিক সংগঠনের নেতা অশোক ঘোষ, দিলীপ ভট্টাচার্য, এইচ এম এসের দীনেশ গিরি প্রমুখ। দীপকবাবু বলেন, যত আক্রমণ আসুক, যে–কোনও ঘটনা ঘটুক সর্বাত্মক বন্‌ধ হবে। বনধের আওতা থেকে জল, দুধ, সংবাদমাধ্যম, স্বাস্থ্য পরিষেবা, দমকল, কবরস্থান, শ্মশান–সহ জরুরি পরিষেবা বাদ রাখা হয়েছে। শ্যামলবাবু বলেন, রাজ্য ধর্মঘট ভাঙতে আসলে বুঝতে হবে কেন্দ্রের সঙ্গে সম্পূর্ণ সেটিং হয়ে গেছে যাতে সারদা–কাণ্ডের চোরেদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নেওয়া হয়। সেই সঙ্গে কেন্দ্রের সব জনবিরোধী বিল পাস করিয়ে দাও। তবে আগুনে হাত দিলে হাত পুড়বে। যুদ্ধ চাপিয়ে দিলে যুদ্ধ হবে। ১৭টি বাম দল, প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর চৌধুরি, কংগ্রেস নেতা মানস ভুঁইয়া ধর্মঘট সমর্থন করায় তাদের ধন্যবাদ জানাচ্ছি। দীপকবাবু বলেন, বি এম এস–কে আবেদন করব তারা যাতে ধর্মঘটে সামিল হয়। রমেন পান্ডের দাবি, দলমত নির্বিশেষে শ্রমজীবী মানুষ পাশে দাঁড়াবে। রণজিৎ গুহ জানান, শান্তিপূর্ণভাবে ধর্মঘট পালন করব।

    ৪৮ ঘণ্টা পরেও হদিশ নেই বস্তা ভর্তি প্রশ্নের, টেট কেলেঙ্কারিতে 'দিদি'র ভাইপোকে দায়ী করলেন বিমান

    ৪৮ ঘণ্টা পরেও হদিশ নেই বস্তা ভর্তি প্রশ্নের, টেট কেলেঙ্কারিতে 'দিদি'র ভাইপোকে দায়ী করলেন বিমান

    ব্যুরো: টেটের প্রশ্ন ভর্তি বস্তা উধাওযের পর কেটে গিয়েছে আটচল্লিশ ঘন্টার ও বেশি সময়।  এখনও বস্তার হদিশ নেই। এরই মধ্যে আগামিকাল  নবান্নে ফের বৈঠকে বসছেন শিক্ষামন্ত্রী। সেক্ষেত্রে পরবর্তী পরীক্ষার ক্ষেত্রে ডাক বিভাগকে ফের দায়িত্ব দেওয়া হবে কিনা সেবিষয়ে চূড়ান্ত  সিদ্ধান্ত হতে পারে।

    টেটের প্রশ্নফাঁস কাণ্ডে দুই তৃণমূল সাংসদ অভিষেক ব্যানার্জি ও কল্যাণ ব্যানার্জির দিকে আঙুল তুললেন বিমান বসু। তাঁর অভিযোগ, প্রশ্নফাঁস কাণ্ডে গ্রেফতার করা হয়েছে ডাক বিভাগের দুই কর্মীকে। ওই দুজন আইএনটিটিইউসির নেতা এবং তৃণমূল সাংসদ অভিষেক ব্যানার্জি ও কল্যাণ ব্যানার্জির ঘনিষ্ঠ। প্রশ্নফাঁসের গোটা ঘটনাই সাজানো বলে অভিযোগ করেছেন বামফ্রন্ট চেয়ারম্যান।

    উধাও বস্তাভর্তি প্রশ্নপত্র। ঘটনার পরদিনই থানায় অভিযোগ দায়ের করেছিল ডাক বিভাগ।  তারও একদিন পর মধ্যশিক্ষা পর্ষদ অভিযোগ দায়ের করে । কিন্তু অভিযোগ করাই সার। এখনও পর্যন্ত কেউ গ্রেফতার হয়নি। এমনকি প্রশ্নের বস্তা কোন জায়গা থেকে উধাও হল তারও উত্তর নেই। কিন্তু কেন । একটা এত বড় পরীক্ষা যেখানে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা প্রায় ২২ লক্ষ সেখানে কেন এই ঢিলেমি।

    প্রথমত- ঘটনার একদিন পরে অভিযোগ দায়ের করছে ডাক বিভাগ

    দ্বিতীয়ত- মধ্যশিক্ষা পর্ষদ যখন গুনে দেখল একটা বস্তা প্রশ্ন কম , তখন সেখানে উস্থিত ছিল পুলিস। কিন্তু পর্ষদ তখন কোনও অভিযোগ দায়ের করল না। ঘটনা জানাজানি হওয়ার পর অর্থাত্ বস্তা হাপিস হওয়ার দুদিন পর থানায় অভিযোগ দায়ের করল।

    তৃতীয়ত --বস্তার হদিশ তো দূরের কথা, কোন জায়গা থেকে বস্তা হারিয়েছিল তাও এখনও স্পষ্ট হয়নি।

    আর স্বভাবতই প্রশ্ন উঠছে  কেন এই ঢিলেমি? এত বড় কান্ড যাতে রাজ্যের মুখ পুড়ল তাতে  যে গুরুত্ব দেওয়া উচিত ছিল তার ছিটে ফোঁটাও কেন দেখা যাচ্ছেনা। কারিগরি শিক্ষার প্রশ্ন ফাঁসের পর সিআইডি তদন্তে উঠে এসেছিল একের পর এক তৃণমূল নেতার নাম । অনেকেরই অনুমান, এক্ষেত্রেও বিষয়টা তেমন কিছু নয় তো? সেজন্যই এই ঢিলেমি। কারণ সেদিন বাসে ছিলেন ছ-জন লোক। যার মধ্যে দু-জন পুলিশ কর্মী, দু জন ডাক বিভাগের লোক আর চালক এবং খালাসি। এতগুলো লোকের মাঝখান থেকে হঠাত্ অত বড় বাসের পিছনের কাঁচ ভেঙে আস্ত একটা বস্তা পড়ে গেল, তাও কি সম্ভব?



    ময়নাতদন্তের পক্রিয়াতে গতি আনতে মঞ্চ গড়ল সরকার, চালু হল ওয়েবসাইটওময়নাতদন্তের পক্রিয়াতে গতি আনতে মঞ্চ গড়ল সরকার, চালু হল ওয়েবসাইটও

    অস্বাভাবিক মৃত্যুর তদন্তে ময়নাতদন্ত এবং  ফরেনসিক পরীক্ষা ছাড়া উপায় নেই। কিন্তু পরিকাঠামোর অভাব কিম্বা রিপোর্ট পেতে দেরি। সবমিলিয়ে বারেবারেই ধাক্কা খায় তদন্তপ্রক্রিয়া। তদন্তে গতি আনতে এবার ফরেনসিক মেডিসিনকে এক ছাতার তলায় আনার প্রচেষ্টায় রাজ্য সরকার।  

    ময়নাতদন্তের পক্রিয়াতে গতি আনতে মঞ্চ গড়ল সরকার, চালু হল ওয়েবসাইটওময়নাতদন্তের পক্রিয়াতে গতি আনতে মঞ্চ গড়ল সরকার, চালু হল ওয়েবসাইটও

    অস্বাভাবিক মৃত্যুর তদন্তে ময়নাতদন্ত এবং  ফরেনসিক পরীক্ষা ছাড়া উপায় নেই। কিন্তু পরিকাঠামোর অভাব কিম্বা রিপোর্ট পেতে দেরি। সবমিলিয়ে বারেবারেই ধাক্কা খায় তদন্তপ্রক্রিয়া। তদন্তে গতি আনতে এবার ফরেনসিক মেডিসিনকে এক ছাতার তলায় আনার প্রচেষ্টায় রাজ্য সরকার।  

    বিয়ের চাপ দেওয়ায় সুচেতা ও তার মেয়েকে খুন করি, স্বীকার সমরেশেরবিয়ের চাপ দেওয়ায় সুচেতা ও তার মেয়েকে খুন করি, স্বীকার সমরেশের

    মা ও মেয়ের খুনের কিনারা করল পুলিস। দুর্গাপুরের বিধাননগর আবাসনের বাসিন্দা সুচেতা চক্রবর্তী ও তাঁর ছবছরের মেয়েকে খুন করেছে সমরেশ সরকারই। জেরায় স্বীকার অভিযুক্তের। অভিযুক্ত জানিয়েছে, তাঁর ও সুচেতার মধ্যে বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্ক ছিল। ইদানিং তাকে বিয়ে করার জন্য চাপ দিচ্ছিলেন সুচেতা। সেই কারণেই সুচেতা ও তাঁর মেয়েকে খুন করেছে সে। শুক্রবার সকালে দুর্গাপুরের বিধাননগর আবাসনেই মা ও মেয়েকে খুন করে সমরেশ। প্রথমে ঘুমের ওষুধ খাইয়ে আচ্ছন্ন করে দেওয়া হয় দুজনকে। তারপর গলায় ফাঁস দিয়ে মা ও মেয়েকে খুন করে সমরেশ।

    গঙ্গায় লাশ ফেলা কাণ্ডে ধৃত সমরেশকে নিয়ে যাওয়া হল সুচেতার বাড়ি দুর্গাপুরেগঙ্গায় লাশ ফেলা কাণ্ডে ধৃত সমরেশকে নিয়ে যাওয়া হল সুচেতার বাড়ি দুর্গাপুরে

    রাতেই ধৃত সমরেশ সরকারকে নিয়ে যাওয়া হয় সুচেতার বাড়ি দুর্গাপুর নিউ টাউনশিপে বিধাননগর হাউজিং এস্টেটে।  আবাসনের সামনে তখন বিরাট ভিড়।  গাড়ি থেকে আর নামানো হয়নি সমরেশকে। তাঁকে নিয়ে যাওয়া হয় বিধাননগর পুলিস ফাংসিতে। পরে রাত দেড়টা নাগাদ  শুধু পুলিস  গিয়ে সুচেতার ফ্ল্যাটে তল্লাসি চালায়। রাতেই ফের ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয় সমরেশকে।

    শিশু কন্যা সহ প্রেমিকার টুকরো টুকরো লাশ ব্যাগে ভরে গঙ্গায় ফেলতে গিয়ে ধরা পড়লেন ব্যাঙ্ক অফিসারশিশু কন্যা সহ প্রেমিকার টুকরো টুকরো লাশ ব্যাগে ভরে গঙ্গায় ফেলতে গিয়ে ধরা পড়লেন ব্যাঙ্ক অফিসার

    ব্যাগ ভর্তি টুকরো টুকরো লাশ। দু-দুজনের লাশ টুকরো করে, ব্যাগে ভরে গঙ্গায় ফেলতেই, ধরা পড়ে গেলেন ব্যাঙ্কের অফিসার। শিনা-হত্যাকাণ্ড নিয়ে দেশজুড়ে তোলপাড়ের মধ্যে, আরও এক শিউরে ওঠার মতো কাণ্ড হুগলির শ্রীরামপুরে।     

    ফাঁস টেটের প্রশ্ন: অবশেষে দায়ের এফআইআরফাঁস টেটের প্রশ্ন: অবশেষে দায়ের এফআইআর

    টেটের প্রশ্ন ফাঁসকাণ্ডে অবশেষে দায়ের হল এফআইআর। ডাক বিভাগের দুই কর্মীর বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করেন মধ্যশিক্ষা পর্ষদের প্রশাসক। পাল্টা রাজ্যকেই টার্গেট করলেন চিফ পোস্টমাস্টার জেনারেল। তাঁর দাবি,সব দোষ ডাক বিভাগের ঘাড়ে চাপিয়ে দায় এড়াচ্ছে সরকার।মাঝপথেই প্রশ্নপত্র লোপাট। ফের বাতিল টেট।  দুর্ভোগের শিকার লক্ষ লক্ষ পরীক্ষার্থী। মান বাঁচাতে পরীক্ষা পিছনোর ঘোষণা শিক্ষামন্ত্রীর।

    জাতীয় খাদ্য সুরক্ষা আইন: শুরু ফর্ম বিলি ও সার্ভে, বাড়ছে বিভ্রান্তি, সময়সীমা বাড়ানোর অনুরোধ বিরোধীদের জাতীয় খাদ্য সুরক্ষা আইন: শুরু ফর্ম বিলি ও সার্ভে, বাড়ছে বিভ্রান্তি, সময়সীমা বাড়ানোর অনুরোধ বিরোধীদের

    খাদ্য সুরক্ষার আওতাভুক্ত হওয়ার জন্য প্রতিদিনই বোরো অফিসগুলিতে লম্বা লাইন। গুজব রটেছে অনেকেরই হয়ত বাতিল হবে রেশন কার্ড। বিরোধীরা এই অব্যবস্থার জন্য দুষছে সরকারকে। অভিযোগ তুলেছেন তালিকা নিয়ে রাজনীতিরও। সময়সীমা বাড়ানোর জন্য হাইকোর্টের দ্বারস্থ হচ্ছেন তাঁরা। সাধারণ মানুষকে জাতীয় খাদ্যসুরক্ষার আওতায় আনতে শুরু হয়েছে ফর্ম বিলি ও সার্ভের কাজ।  

    গঙ্গায় লাশ ভর্তি ব্যাগ ফেলতে এসে ধৃত প্রেমিক গঙ্গায় লাশ ভর্তি ব্যাগ ফেলতে এসে ধৃত প্রেমিক

    তিনটি ব্যাগভর্তি লাশ গঙ্গায় ফেলতে এসে, হাতেনাতে ধরা পড়লেন ব্যাঙ্কের ম্যানেজার। নাম সমরেশ সরকার। দুটি ব্যাগে প্রেমিকার খণ্ডবিখণ্ড দেহ। আরেকটিতে প্রেমিকার ছ-বছরের মেয়ের দেহ। তিনটি ব্যাগ নিয়ে শেওড়াফুলি থেকে ব্যারাকপুর যাওয়ার নৌকোয় ওঠেন তিনি। ব্যারাকপুরে ঘাটে নামার পর, ট্রলির হাতল ভেঙে যায়। ঘাট থেকেই ফের শেওড়াফুলি যাওয়ার নৌকো ধরেন তিনি। নৌকো যখন মাঝনদীতে, সেসময় এক এক করে তিনটি ট্রলি জলে ফেলে দেন সমরেশ সরকার। সন্দেহ হয় যাত্রীদের।জেরার মুখে তিনি স্বীকার করেছেন, তিনটি ব্যাগেই লাশ ভরা রয়েছে। দেহগুলি মা আর মেয়ের। ইতিমধ্যে দুটি ট্রলি উদ্ধার করেছে পুলিস। তাতে মিলেছে মায়ের দেহাংশ।       

    মাতৃভূমি নিয়ে দাদাগিরি-দিদিগিরি নয়, রাখি বেঁধে গান্ধীগিরিতে মহিলা যাত্রীরা  মাতৃভূমি নিয়ে দাদাগিরি-দিদিগিরি নয়, রাখি বেঁধে গান্ধীগিরিতে মহিলা যাত্রীরা

    মাতৃভূমি নিয়ে গত কদিন অনেক দাদাগিরি-দিদিগিরি সাক্ষী হয়েছে রেল। এবার রাখি পূর্ণিমায় তা বদলে গেল গান্ধীগিরিতে। আজ সকালে মাতৃভূমি লোকালের কিছু মহিলা যাত্রী ভেন্ডার কামরায় পুরুষ যাত্রীদের হাতে রাখি বেঁধে দেন। বনগাঁ স্টেশনের প্ল্যাটফর্ম এবং দাঁড়িয়ে থাকা অন্য ট্রেনের কামরায় উঠেও পুরুষ যাত্রীদের হাতে রাখি বেঁধে দেন তাঁরা। তাঁদের মতে, মাতৃভূমি লোকাল নিয়ে রেষারেষি নারী-পুরুষের দ্বন্দ্ব বাড়িয়ে দিচ্ছে। সেই লিঙ্গ বৈষম্যের বিরুদ্ধে তাঁরা রাখি বন্ধনে কর্মসূচি নিয়েছেন বলে জানিয়েছেন ওই মহিলা যাত্রীরা।

    সবংয়ে ছাত্র খুনের ঘটনায় মুখ্যমন্ত্রীর দাবিকে শিলমোহর দিয়ে অভিযোগকারী ছাত্রকেই গ্রেফতার করল পুলিসসবংয়ে ছাত্র খুনের ঘটনায় মুখ্যমন্ত্রীর দাবিকে শিলমোহর দিয়ে অভিযোগকারী ছাত্রকেই গ্রেফতার করল পুলিস

    মুখ্যমন্ত্রীর অর্ন্তকলহ তত্ত্বেই শিলমোহর পুলিসের। সবং কলেজে ছাত্র খুনের ঘটনায় অভিযোগকারীকেই গ্রেফতার পুলিসের। গ্রেফতার কলেজের ছাত্র সংসদের সাধারণ সম্পাদক সৌমেন গাঙ্গুলি। ফের দলদাসের ভূমিকায় পুলিস। অভিযোগ বিরোধীদের।

    সাহায্যের নামে প্রতারণা, তরুণীকে বোকা বানিয়ে ATM থেকে ১০ হাজার টাকা তুলে চম্পট ২ যুবক  সাহায্যের নামে প্রতারণা, তরুণীকে বোকা বানিয়ে ATM থেকে ১০ হাজার টাকা তুলে চম্পট ২ যুবক

    এটিএম থেকে টাকা তুলতে গিয়ে প্রতারণার শিকার তরুণী। শুক্রবার বেলা সাড়ে এগারোটা নাগাদ মধ্যমগ্রামের ডোমতলার বাসিন্দা পম্পা রায় স্থানীয় এটিএম থেকে টাকা তুলতে যান। এটিএম মেশিনে সমস্যা থাকায় টাকা বেরোচ্ছিল না। তখনই দুই যুবক তরুণীকে সাহায্যের জন্য এগিয়ে আসে। কায়দা করে তরুণীর এটিএম কার্ডের পাসওয়ার্ড জেনে নেয়। এরইফাঁকে তরুণীর এটিএম কার্ড নিয়ে পরিবর্তে অন্য একটি কার্ড বদলে নেয় তারা। এরপর চলে যায় দুই যুবক। কিছুক্ষণের মধ্যেই তরুণীর কাছে এসএমএস আসে দশহাজার টাকা তুলে নেওয়ার। তখন তরুণী বুঝতে পারেন গোটা ঘটনা। মধ্যমগ্রাম থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন তরুণী। সিসিটিভির ফুটেজ খতিয়ে দেখছে পুলিস।

    অতুল্য ঘোষের ১১২তম জন্মদিনে সংবর্ধিত রামকৃষ্ণ মিশন ও বাঁকুড়া জেলা স্কুলের কৃতীরা  অতুল্য ঘোষের ১১২তম জন্মদিনে সংবর্ধিত রামকৃষ্ণ মিশন ও বাঁকুড়া জেলা স্কুলের কৃতীরা

    প্রয়াত অতুল্য ঘোষের একশো বারোতম জন্মদিন উদযাপন শুরু  হল  শুক্রবার। ডক্টর বি সি রায় মেমোরিয়াল কমিটির উদ্যোগে  চারদিন ধরে চলবে নানা অনুষ্ঠান। এদিন বিশিষ্ট ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের সদস্যদের সংবর্ধিত করা হয়। অতুল্য ঘোষ সম্মানে সম্মানিত হন নারায়ণ দেবনাথ, সুপ্রিয় ঠাকুর, রুদ্রপ্রসাদ সেনগুপ্ত, মোস্তাক হোসেন এবং স্নেহাশিস শূর । মাধ্যমিকে চোখ ধাঁধানো সাফল্যের জন্য নরেন্দ্রপুর রামকৃষ্ণ মিশন ও বাঁকুড়া জেলা স্কুলের প্রতিনিধিদেরও এদিন সংবর্ধিত করা হয়। বিশিষ্ট অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন প্রাক্তন বিচারপতি শ্যামলকুমার সেন এবং সাহিত্যিক সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়।

    --
    Pl see my blogs;


    Feel free -- and I request you -- to forward this newsletter to your lists and friends!

    0 0


    Mount McKinley, North America's tallest mountain, will be renamed Mt. Denali, restoring an Alaska Native name with deep cultural significance. 

    Can Nepal also rename Mt. Sagaramatha, the world's highest peak which is known as Mt. Everest  today ? Jeff Botz, Himalayan and Everest Photography had raised this issue in 2011.

    Mount McKinley Will Again Be Called Denali
    June 27, 2011

    WHY NOT RENAME WORLD'S HIGHEST PEAK - 'MT. CHOMOLUNGMA' INSTEAD ?

    Posted by The Himalayan Voice:
    [ This post goes in sequel to  'MT. SAGARMATHA IS THE WORLD'S HIGHEST PEAK' posted on June 17, 2011. Posted again are two essays: 'Awe' and 'Everest not Everest' below by  an American photographer Jeff Botz who specializes in mountain photography and who wants the name of the world's highest mountain be changed to Mt. Sagaramatha. The  mountain was named Peak XV and 'was found to be the worlds' highest by the Trigonometric Survey of India in 1852 and it was named Mount Everest on May 11, 1857 by the Royal Geographical Society of London after Sir George Everest, the first Surveyor-General of India' writes, Prof. Kamal Prakash Malla in his paper: 'Sagaramatha: Linguistic Conquest of Mount Everest.' The actual discoverer was not the Surveyor-General George Everest, it was Mr. Radhanatha Sikdar, a Bengali native, an employee of the Survey of India. The Himalayan Voice liked Jeff Botz's idea of changing the name of the mountain in Nepali national language, Sagaramatha. Below posted is a comment by Bal K. Mabuhang, a professor of population science, at the Central Department of Population Studies, Tribhuvan University in Kirtipur, Kathmandu. Prof. Mabuhang even goes further  and writes: "not to endorse the name of rivers, mountains, lands and even people with words  of 'colonial reflections' no matter older or newer". He writes, 'Mt. Sagaramatha' is also a colonial name-word imposed against 'Chomolungma'. Why not we rename in his or in other words: Limbu native tongue Chomolungma ? - The Blogger]

    June 17, 2011

    MT. SAGARMATHA IS THE WORLD'S HIGHEST PEAK

    Posted by The Himalayan Voice:

    * A question of 'national identity or naming' has emerged again. Can we not tell the world that Mt.Sagarmatha is the world's highest peak ? Nepal has renamed a number of other peaks in  their 'indigenous names' ( local names) in recent times and now it is the time for us to  tell the whole world that Mt. Sagarmatha is the world's highest peak and which is in Nepal. Ones identity is something to be very serious about and proud of also. 

    --
    Pl see my blogs;


    Feel free -- and I request you -- to forward this newsletter to your lists and friends!

    0 0

       
    BK Santhal
    August 31 at 5:23am
     
    प्याज नही खरीद पा रहे है दाल तो पहले ही छोड़ चुके है 
    अब मनकी बकवास सुनकर काम चलाओ

    --
    Pl see my blogs;


    Feel free -- and I request you -- to forward this newsletter to your lists and friends!

    0 0

    টাকা মারো পালিয়ে যাও
    শেয়ারবাজার ও ব্যাংকের টাকা মেরে দেশ-বিদেশে পলাতক রাঘব-বোয়ালরা

    Truth about the Investment! Free Hunting in the Share Market and Banking Sector.Invest,Wasulo Munafa and making Money in,then get lost.Universal story in the free market economy .BD-Pratidin in Bangladesh published a tell all story which Indian media dares not.It is in fact all about making in.Making Money at the cost of humanity and nature.
    Palash Biswas
    টাকা মারো পালিয়ে যাও
    শেয়ারবাজার ও ব্যাংকের টাকা মেরে দেশ-বিদেশে পলাতক রাঘব-বোয়ালরা


    ব্যাংক, বীমা, শেয়ারবাজার এবং বিভিন্ন খাতে টাকা মেরে বিদেশ পালানোর এক নতুন সংস্কৃতি চালু হয়েছে। অথচ আইনের ফাঁকফোকরের কারণে দেশে ফিরিয়ে আনা যাচ্ছে না তাদের। এতে করে ধরাছোঁয়ার বাইরেই থাকছেন শেয়ার, ব্যাংক ও অর্থ কেলেঙ্কারির নায়কেরা। যতই দিন যাচ্ছে দীর্ঘ হচ্ছে টাকা মেরে বিদেশে পালানো ব্যক্তিদের তালিকা। - See more at:http://www.bd-pratidin.com/lead-news/2015/08/31/103349#sthash.EEUv4Ujp.dpuf

    __._,_.__

    --
    Pl see my blogs;


    Feel free -- and I request you -- to forward this newsletter to your lists and friends!

    0 0
    0 0

    1.       The Chief Minister of Delhi

    Secretariat, I.P. Estate

    New Delhi- 110002

     

    2.      The Commissioner,

    North Delhi Municipal Corporation

    Dr. S.P.M. Civic Centre, Minto Road

    New Delhi-110002

     

    31.08.2015

    Sub:  5 months gone, 4 lakh students of NDMC run 746 primary schools still waiting for copies

    Dear Sir, 

    That each student studying in 746 primary schools run by the North Delhi Municipal Corporation (NDMC) is entitled to 5 subject copies + 1 drawing copy free of cost at the commencement of academic year i.e. April 01st. It is really shocking that 5 months have already passed, yet 4 lakh students studying in these primary schools have not received any copy. The funny reason appears to be that the tender has not been finalized. 

    It is a matter of great national shame that the authorities running these schools are totally callous towards the education of the children of the masses. The inaction on your part is in utter violation of the right to education guaranteed to these students  under Articles 21 and 21-A of the Constitution of India read with the provisions of RTE Act, 2009. Needless to say that time has come to implement the recent judgment of 18.08.2015 of Allahabad High Court ensuring that yours and other Govt employees' children are compelled to attend these primary schools. 

    It may also be mentioned here that failure on your part to provide copies to these 4 lakh students amounts to contempt of Hon'ble Delhi High Court as much as the High Court has directed you in the PIL to provide books and copies to the students in time. It may further be mentioned that under the provisions of RTE Act, 2009, it is the responsibility of the State Govt to implement the provisions of the said Act, but to great surprise, the Delhi Chief Minister, Shri Arvind Kejriwal does not at all talk about the plight of the 10 lakh students studying in primary schools run by the three Muncipal Corporations. 

    I hope and expect that before you take the Hon'ble President of India on 'Teachers Day' to a Delhi Sarkari School, you would make available copies to these 4 lakh unfortunate primary school students of North MCD.

     

    With regards,

     

    Ashok Agarwal, Advocate

    National President, AIPA

    M-09811101923

    Tel. 011-23070026


    --
    Pl see my blogs;


    Feel free -- and I request you -- to forward this newsletter to your lists and friends!

    0 0

    Press Statement



    The Polit Bureau of the Communist Party of India (Marxist) has issued the following statement:



    The Polit Bureau expresses its deep shock and condemnation of the dastardly killing of Prof M M Kalburgi, renowned Kannada scholar, writer and former Vice Chancellor of Kannada University, Hampi.  Prof. M. M. Kalburgi was known for his strong views against superstition, obscurantism and for scientific temper.



    Two unidentified assailants fired at him at his home at Kalyan Nagar, Dharwad, Karnataka from Point-Blank range, a similar pattern adopted by the killers of rationalist leader Govind Pansare in Kolhapur in February 2015 and another rationalist leader Narendra Dabholkar in Pune in August 2013. It is shocking that both the cases remain unsolved.  Extremist communal elements are suspected to be behind these murders.  The Communist Party of India (Marxist) demands that the Karnataka government and police take speedy and effective action to apprehend the culprits and those behind this heinous crime.



    The Polit Bureau of the CPI(M) conveys its heartfelt condolences to all his family members.

    --
    Pl see my blogs;


    Feel free -- and I request you -- to forward this newsletter to your lists and friends!

    0 0

    উনারা আমাকে ব্যবহার করেছেন : সাবেক সেনা প্রধান শফিউল্লাহ, দেখুন ভিডিও সহ

    মোশতাকের সঙ্গে শেখ সেলিমের আঁতাত ছিল: শফিউল্লাহ (ভিডিও)

    ইন্ডিপেন্ডেন্ট টিভির সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, 'বঙ্গবন্ধু হত্যাকান্ডের সময় আমার ভূমিকা নিয়ে শেখ সেলিমই সমালোচনা করেছেন অন্য কেউ এ নিয়ে কিছু বলেননি। সবাই জানে সে দিন কি হয়েছিল। এসব আলোচনা দলীয় ফোরামে হওয়া উচিত ছিল। আমি মনে করি নেত্রী সবাইকে ডেকে আমাকে সামনে রেখে কথাগুলো বলে যা করা উচিত ছিল তা করতো। 

    ১৯৯৬ এর সরকার গঠনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তাকে ব্যবহার করেছেন উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, 'সেনাবাহিনীর বিপথগামীদের ঠেকানোর কোন উপায় তার ছিলো না। সেনাপ্রধান হিসেবে তার কোন ব্যর্থতা ছিল না। এটা নিয়ে আওয়ামী লীগ বিরোধী দলে থাকা অবস্থায় নেত্রীর কার্যালয়ে নেত্রীর সাথে এই বিষয়ে ৩-৪ ঘন্টা কথা হয়। সব শুনার পরে নেত্রী আর কিছু না বলে আমাকে আওয়ামী লীগে যোগ দিতে বলে। তার অর্থ টা আমি ধরে নিলাম যে তিনি হয়তো সন্তুষ্ট হয়েছিলেন। কিন্তু পরবর্তী তে আমি যেটা বুঝলাম যে তিনি আমাকে ব্যবহার করেছিলেন। কারণ আমি ছাড়া ওই সিট টা (নারায়ঙ্গঞ্জ-১) কেও তুলে আনতে পারতো না। ওই সিট টা যদি আওয়ামীলীগ পায় আওয়ামীলীগ সরকার গঠন করবে। আর বিএনপি পাইলে বিএনপি সরকার গঠন করতো। তার মানে আমি যদি পাশ না করি আওয়ামীলীগ সরকার গঠন করতে পারে না।


    __._,_.___

    --
    Pl see my blogs;


    Feel free -- and I request you -- to forward this newsletter to your lists and friends!

    0 0

    Mujib wanted Pakistan united,contrary to the claim that he never believed in Pakistan!ইতিহাসের পাতা

    আমির হোসেন আমু বলেছেন, বঙ্গবন্ধু কোনোদিন পাকিস্তানকে মেনে নেননি । কিন্তু ইতিহাস বলছে ভিন্ন কথা। আউয়ুব জমানায় ৬ ছফা নিয়ে যখন কথা উঠে তখন তিনি বলেছিলেন, পাকিস্তানের ঐক্য ধরে রাখার জন্যই ৬ দফা। অন্যদিকে সত্তরের নির্বাচনের আগ ৭ জুন ১৯৭০ আওয়ামীলীগে আয়োজিত জনসভায় তিনি নিজেই বলেন, "পাকিস্তান টিকে থাকার জন্য এসেছে, দুনিয়ার কোনো শক্তি নাই পাকিস্তান ভাঙে!" ......I told you it will be confederation. This is also between you and me... You know the occupation (Indian) army is there. "(Zulfi Bhutto of Pakistan, Stanley Wolpert, P.175).

    আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা : বঙ্গবন্ধুর জবানবন্দি

    ......স্বাধীনতা-পূর্ব ভারতীয় ও বঙ্গীয় মুসলিম লীগের একজন সক্রিয় সদস্য হিসাবে আমার বিদ্যালয় জীবনের সূচনা হইতেই আমি পাকিস্তান প্রতিষ্ঠার জন্য নিরলসভাবে সংগ্রাম করিয়াছি। পাকিস্তান প্রতিষ্ঠার এই সংগ্রামে আমাকে আমার লেখাপড়া পর্যন্ত বিসর্জন দিতে হইয়াছে।...।।
    ...।।আমি কখনো কিছু করি নাই, কিংবা কোনোদিনও এই উদ্দেশ্যে কোনো স্থল, নেভি বা বিমান বাহিনীর কোনো কর্মচারীর সংস্পর্শে কোনো ষড়যন্ত্রমূলক কার্যে আত্মনিয়োগ করি নাই।আমি নির্দোষ এবং এ ব্যাপারে ষড়যন্ত্র সম্পর্কে আমি কিছুই জানি না।...

    * সূত্র : মুজিবরের রচনা সংগ্রহ। শেখ মুজিবুর রহমান। রিফ্লেক্ট পাবলিকেশন । ৩০, মহাত্মা গান্ধী রোড। কলিকাতা-৯। পৃষ্ঠা ২১-৩০। 

    --
    Pl see my blogs;


    Feel free -- and I request you -- to forward this newsletter to your lists and friends!

older | 1 | .... | 185 | 186 | (Page 187) | 188 | 189 | .... | 303 | newer