Are you the publisher? Claim or contact us about this channel


Embed this content in your HTML

Search

Report adult content:

click to rate:

Account: (login)

More Channels


Channel Catalog


Channel Description:

This is my Real Life Story: Troubled Galaxy Destroyed Dreams. It is hightime that I should share my life with you all. So that something may be done to save this Galaxy. Please write to: bangasanskriti.sahityasammilani@gmail.comThis Blog is all about Black Untouchables,Indigenous, Aboriginal People worldwide, Refugees, Persecuted nationalities, Minorities and golbal RESISTANCE.

older | 1 | .... | 83 | 84 | (Page 85) | 86 | 87 | .... | 302 | newer

    0 0

    বাঙালি উদ্বাস্তু পুনর্বাসন নিয়ে কেন্দ্রীয় সরকার পূর্ণ সমাধান করেনি৤ পূর্ব পাকিস্তান বা পূর্ববঙ্গ থেকে আসা মানুষের ক্ষেত্রে জন-বিনিময় হয়নি৤ যারা এখানে অনেকদিন আগে এসেছে তাদের এখন তৃতীয় প্রজন্ম চলছে৤ তাই ভারতীয় নাগরিকত্ব আইন অনুযায়ী সম্ভবত তারা স্বাভাবিক ভাবেই নাগরিক৤ কেউ যদি পরবর্তীকালে এসেও থাকে তার দায় ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীকে নিতে হবে৤ তারা বে-আইনি লোকদের ঠেকাতে পারেনি৤ দুই বঙ্গের ভাষা বাংলা, তাই তাদের ভাষা দিয়ে পৃথক করা যাবে না৤ পশ্চিম পাকিস্তানের সঙ্গে ভারতের পরিবহণ যোগাযোগ আছে কারণ সেখানে তাদের পূর্ণ জনবিনিময় হয়েছে৤ তাছাড়া, তাদের পুনর্বাসন সম্পূর্ণ হয়েছে৤ বাংলাদেশের সাম্প্রদায়িক পরিস্থির জন্য ভারত কেন নিয়ন্তণ ব্যবস্থা নেয় না৤ অথচ বাংলাদেশ স্বাধীন হয়েছে ভারতের সম্পূর্ণ সহযোগিতায়৤ যে দ্বিজাতি তত্ত্বের ফলে ভারত ভাগ হয়েছে তার দায় তৎকালীন নেতৃত্বেরও আছে৤ তারা বাংলা ভাগে রাজি ছিলেন না, পরে আবার রাজি হন৤ অথচ জনবিনিময় হয়নি৤ বাংলাদেশের কিছু জেলা প্রথম দিকে পশ্চিমবঙ্গে অন্তর্ভুক্ত হবে বলে ধার্য ছিল, পরে তা বাতিল হয়৤ আর এখনও আছে ছিটমহল সমস্যা৤ এই সমস্যা তো দুই রাষ্ট্রেরই দায়৤
              উদ্বাস্তু সমস্যা মানবিক সমস্যা৤ এর সমাধান মানবিক দৃষ্টিতে সহানুভূতির সঙ্গে করতে হবে৤ পৃথিবীর বহু দেশেই এই সমস্যা আছে৤ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষিত হচ্ছে না বলে এই সমস্যার উদ্ভব৤ প্রতিবেশী সকল দেশের সঙ্গে ভারত বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক রেখে চলছে, বাংলাদেশের সঙ্গেও সেটা ঘটুক তা হলে আর কোনও সমস্যা হবে না৤ নেপালে ভূমিকম্পে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষদের সাহায্যের জন্য ভারত ঝাঁপিয়ে পড়ে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছে, এই মানবিক সহানুভূতি অতীব প্রশংসনীয়৤ উদ্বাস্তুর ক্ষেত্রে সমস্যা তো আরও অনেক জটিল, তাই বিবেচনাও করতে হবে অনেক অনেক উদার দৃষ্টিতে৤ আসামে তো ভারতের শ্রেষ্ঠ ভাষা বাংলাকেই প্রথমে স্বীকৃতিই দেওয়া হয়নি, যে ভাষা হল আমাদের জাতীয় সংগীতের ভাষা৤ সেজন্যই ঘটেছে ১৯শে মে-র (১৯৬১) নারকীয় হত্যা, তাতে নারী সহ ১১জন বাংলাভাষীর প্রাণ যায়৤ তাই এটা স্পষ্ট যে তাদের দৃষ্টি ভুল দিকে প্রসারিত৤ তারা অকারণে প্রতিহিংসা পরায়ণ৤ অথচ ঝাড়খণ্ডে, এবং কর্ণাটকে বাংলাভাষাকে দ্বিতীয় ভাষার স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে৤ আসামের এই ভুল দৃষ্টিভঙ্গী ভারতের আভ্যন্তরীণ সম্প্রীতি নষ্ট করবে, প্রাদেশিকতার সৃষ্টি হবে, যেটা সর্বতোভাবে ঠেকানো দরকার৤ বাংলা-ভূখণ্ডের পূর্ব অংশ থেকে আসা মানুষকে বিদেশি বলে চিহ্নিত করার ফল হবে সুদূর প্রসারী৤ দরকারে রাষ্ট্রসংঘে এজন্য দরবার করতে হবে৤ বাংলাদেশে সম্পূর্ণ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষিত না হলে এ সমস্যা কখনওই দূর হবে না৤ ভারত সরকারের বরং সেদিকে নজর দেওয়া উচিত, নয়তো বিদেশি সমস্যার কখনও শেষ হবে না৤ মানুষ যদি এসেও থাকে তবে তারা এসেছে প্রাণের ভয়ে, সে ভয় দূর করার দায় ভারত নিক৤ ইংলন্ড যেমন ইউরোপিয়ান ইউনিয়নভুক্ত হবার ফলে লন্ডনে লোকের ভীড় বেড়েছে৤ ভারত এবং দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলি মিলে যে সার্ক তৈরি হয়েছে সেই সার্ক ভুক্ত দেশগুলিও ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের মতো ব্যবস্থা নিলে এসব সমস্যা আর থাকবে না৤ এতে জাল টাকার সমস্যাও মিটবে৤ প্রতিবেশী দেশের দুষ্কৃতীরা এ কাজে আর সুবিধে করতে পারবে না৤ ইংরেজ আমলে ভারত ছিল অনেক বড় আয়তনের, সেই বিভক্ত দেশের শিল্পপতিরা এখানে এসে শিল্প গড়লে লাভই হবে৤ কিংবা ভারতীয় শিল্পপতিরা সেদেশে গিয়ে ব্যবসা-বাণিজ্য করে ভারতের শ্রীবৃদ্ধিতে সহায়তা করতে পারবে৤ পৃথিবীটা তথ্যপ্রযুক্তির এই যুগে গ্লোবাল ভিজেল হয়ে গেছে, তাই তেমনি বিশ্ব দৃষ্টি নিয়ে এধরণের সমস্যাগুলি দেখতে হবে৤ নিজের কক্ষে বন্দী থাকার দিন আর নেই৤ বাঘ সাপ সিংহ হাতিকে মানুষ সুরক্ষা দিচ্ছে আর মানুষেরই সুরক্ষায় কেন পিছিয়ে যাবে? তাহলে তো পৃথিবীর অন্য দেশে শিক্ষা ও জীবিকার জন্য যাওয়া চলে না৤ আমরা যে অগ্রগতি ঘটিয়েছি তা সারা পৃথিবী থেকে জ্ঞান আহরণ করেই সম্ভব হয়েছে৤ যে তথ্যপ্রযুক্তি নিয়ে প্রধান মন্ত্রী নিজে উৎসাহ দিচ্ছেন তার মূল জ্ঞান তো বিদেশ থেকেই এসেছে৤ সুতরাং ভারতের মতো পৃথিবীর সবচেয়ে বড় গণতন্ত্রের পক্ষে উপযুক্ত উদার দৃষ্টিভঙ্গী থাকা দরকার৤ সবার উপরে মানুষ সত্য তাহার উপরে নাই৤ সাম্প্রদায়িকতা রোধ করাই আসল কাজ, মানুষকে বিদেশি চিহ্নিত করা নয়৤ ইতিহাস চিরকাল এক থাকে না, মাত্র কিছুদিন আগেই ভারত ছিল ইংরেজদের অধীন৤ আসামে যদি নেপালের মতো প্রলয় হয় তবে বাংলা কি আসামকে সহায়তা দেবে না? অবশ্যই দেবে৤ সেটাই স্বাভাবিক, সেটাই মানবিক৤ মহাপুরুষের বাণী-- ভাবিয়া করিও কাজ, করিয়া ভাবিও না৤ 
     
    মনোজকুমার দ. গিরিশ
    মণীশ পার্ক, কোলকাতা

    0 0

    ভূমিকম্প ঝুঁকির প্রথম ২০ শহরের তালিকায় ঢাকা, কী ঘটবে সামনে?


    ভূমিকম্প বিশ্বের কোথাও না কোথাও হচ্ছে প্রতিদিনই হচ্ছে। তবে সেইসব স্থানে এর ক্ষতির পরিমান বেশি যেখানে অপরিকল্পিতভাবে নগারায়ন হয়েছে।


    এই হাসিমুখ ধরে রাখতে চাই এখনি পরিকল্পনা।

    নেপালের ভূমিকম্প বাংলাদেশের জন্য বড় ধরনের সংকেত। এ থেকে শিক্ষা না নিতে পারলে ভয়াবহ মানবিক বিপর্যয়ে পড়বে বাংলাদেশ। কেননা বিশ্বের ২০টি ঝুঁকিপূর্ণ ভূমিকম্প শহরের একটি ঢাকা। আগে থেকেই সতর্ক হোন।

    গত ২১ এপ্রিল শনিবার নেপালের ভূমিকম্পে এ পর্যন্ত মারা গেছে ৪ হাজারের উপরে। সংখ্যা আরো বাড়বে। এই ভূমিকম্পে ঢাকাসহ সারা বাংলাদেশ কেপে উঠেছিলো। এ পর্যন্ত বাংলাদেশে ভূমিকম্পে নিহতের সংখ্যা তিন। নেপাল থেকে ৭৪৫ কিলোমিটারের দুরের বাংলাদেশে এ ভূমিকম্পের পর শঙ্কা-আতঙ্ক বেড়েছে। কারণ নেপালে ৭.৯ মাত্রার ভূমিকম্পের পর ৬ মাত্রার একাধিক ভূমিকম্প সংগঠিত হয়েছে।

    প্রশ্ন উঠেছে বাংলাদেশে এ ধরনের ভূমিকম্প সংগঠিত হ্বার সম্ভাবনা কতটুকু। আর ভূমিকম্পের ক্ষয়ক্ষতিই বা কি ধরনের হবে যদি বাংলাদেশে তা সংগঠিত হয়।

    ভূমিকম্প কেন হচ্ছে?
    আড়াই কোটি বছর আগে পৃথিবীতে ভারত একটি আলাদা দ্বীপ ছিল। এই দ্বীপটি এশিয়ার সঙ্গে ধাক্কা খায়। এর ফলে তৈরী হয় হিমালয়সহ বেশ কিছু পর্বত। ভারতীয় পে্লটটি এখনো একটু একটু করে ঢুকছে মধ্য এশীয় টেকটোনিক পে্লটের নিচ দিয়ে। এর ফলে এই অঞ্চলের পবর্তগুলো এখনো নতুন করে আকার পাচ্ছে। প্রতি বছর এই দুটি পে্লট দুই ইঞ্চি করে পরস্পরের দিকে সরে আসছে। এতে সৃষ্টি হয় প্রচণ্ড চাপ। টেকটোনিক পে্লট হচ্ছে ভূত্বকের বিশাল খণ্ড, যা সঞ্চরণশীল।


    দেখুন ভূমিকম্পের প্লেটের মুভমেন্ট।

    যুক্তরাজ্যের ওপেন ইউনিভার্সিটির ভূ-বিজ্ঞানবিষয়ক অধ্যাপক ডেভিড রথারি এ অঞ্চলের ভূমিকম্প নিয়ে বিস্তর গবেষণা করছেন দীর্ঘদিন। তিনি এ বিষয়ে সম্প্রতি বিবিসিকে বলেন, হিমালয়ের পর্বতমালা ভারতীয় পে্লটের ওপর দিয়ে প্রবলভাবে ধাক্কা দিচ্ছে। সেখানে দুই থেকে তিনটি বড় ধরনের চ্যুতি রয়েছে। আর আছে কিছু খুব মৃদু গতিতে সঞ্চরণশীল চ্যুতি। এগুলোর সঞ্চরণের কারণেই ভূমিকম্পের ঘটনা ঘটেছে।


    বাংলাদেশে কী ভূমিকম্পের উত্পত্তিস্থল হবে?
    বাংলাদেশের ভূমিকম্পবিষয়ক সর্বশেষ ২০০৯ সালের একটি ঝুঁকিবিষয়ক গবেষণা হয়। ওই গবেষণায় বলা হয়, বাংলাদেশের ভেতরে ভূমিকম্প সৃষ্টির মতো যে ভূগর্ভস্থ ফাটল ছিল, তা এখন নিষ্ক্রিয় হয়ে গেছে। বাংলাদেশের ভেতরে মাঝারি বা তীব্র ভূমিকম্পের আশঙ্কা নেই বলে ওই গবেষণায় বলা হয়।

    ওই গবেষণায় বলা হয়, বাংলাদেশের অভ্যন্তরে বড় ধরনের ভূমিকম্প সংগঠিত হবার ভয় নেই, তবে এ অঞ্চলের অন্যতম ভূমিকম্প প্রবণ তিন দেশ মিয়ানমার, নেপাল ও ভারতের মধ্যবর্তী বাংলাদেশ হওয়ায় এর প্রভাব এখানেও পড়বে। এই এলাকায় ৮ থেকে ১০ মাত্রার ভূমিকম্প হলে তা বাংলাদেশে বড়জোর মাঝারি মাত্রায় অনুভূত হবে।

    তবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূতত্ত্ববিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক ও ভূমিকম্প বিশেষজ্ঞ সৈয়দ আক্তার হুমায়ুন 'EARTHQUAKES OF DHAKA'শীর্ষক শীরোনামে এক গবেষণায় তিনি দেখিয়েছেন বাংলাদেশ ভূমিকম্পের ঝুঁকিতে যেমন রয়েছেন। তেমনিভাবে ঢাকা বিশ্বের ভূমিকম্পের ঝুঁকিতে থাকা ২০ শহরের একটি।


    বাংলাদেশ থেকে কতদূরে ভূমিকম্প।

    গবেষণায় তিনি বলেন, ৪৫০ বছরের ভূমিকম্পের ইতিহাস পর্যালোচনা করে দেখা গেছে যে, ঢাকা ভূমিকম্পের ঝঁকিতে থাকা বিশ্বের অন্যতম ২০ শহরের একটি। এ অঞ্চলে তিনটি পে্লট সক্রিয় রয়েছে। এগুলো হলো ইন্ডিয়ান বা ভারতীয় পে্লট, ইউরোশিয়া পে্লট ও মিয়ানমার মাইক্রোপে্লট। এর মধ্যে ভারতীয় ও ইউরোশিয়া পে্লট প্রতি বছর পরস্পরের দিকে ২ ইঞ্চি করে এগিয়ে আসছে। আর মিয়ানমার মাইক্রো পে্লটটি দেশটির উত্তর পূর্বে ১ ইঞ্চির কম করে এগিয়ে যাচ্ছে।
    মিয়ানমারের এই প্লেটটির কারণে ভারতের আসামের সিলংয়ে একটি ফল্ট বা ফাটল হয়েছে যা ৩০০ কিলোমিটার উত্তর দক্ষিণে দীর্ঘ সিলেটের সুরমা বেসিনে এসে পৌছেছে। আর মিয়ানমারের মাইক্রো প্লেটটির আরেকটি দিক বাংলাদেশের দক্ষিণের চট্রগ্রাম থেকে সুমাত্রার দিকে যাচ্ছে। এই প্লেটটির কারণে মিয়ানমারে ২০০৪ সালের ২৬ ডিসেম্বর ৯.৩ মাত্রার ভূমিকম্প হয়।


    অপরিকল্পিত ঢাকার এসব ভবনের ৯০ শতাংশ ঝুঁকিপূর্ণ।

    বাংলাদেশের প্লেটটি এখন নিষ্ক্রিয় হওয়ায় বাংলাদেশের ভেতরে বড় ধরনের কোন ভূমিকম্পের এই মূহুর্তে আশঙ্কা নেই। কিন্তু ভারতের বিহার, নেপাল, ভারতের আসাম ও মিয়ানমারের পে্লটে ফাটল বা চু্যতি থাকায় এসব অঞ্চলে ৭ মাত্রার ভূমিকম্প হলে বাংলাদেশে তার বড় ধরনের প্রভাব পড়বে। বিশেষ করে সিলেট, উত্তরবঙ্গ ও ঢাকা অঞ্চলে তার ব্যপক প্রভাব পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। ঢাকা থেকে মিয়ানমার ফাটলের দূরত্ব ৫০ থেকে ৫০০ কিলোমিটার।
    কারণ হিসেবে সৈয়দ আক্তার হুমায়ুন তার গবেষণায় বলেছেন, পৃথিবীর সব থেকে বড় ডল্টো হলো ব্রক্ষ্মপুত্র-পদ্মা-মেঘনা। এটা নবগঠিত একটি নরম মাটির এলাকা। এখানে সাত মাত্রার ভূমিকম্প হলে এখানে যেসব স্থাপনা নির্মাণ করা হয়েছে তা ঝুঁকিতে পড়বে।

    নেপালে যা হয়েছে
    ভূমিকম্প গবেষকেরা বলছেন, ১০ কোটি টন টিএনটি বিস্ফোরিত হলে যে শক্তি নির্গত হয় ৭ দশমিক ৯ মাত্রার এই ভূমিকম্পে সে মাত্রার কম্পন হয়েছে। হায়দরাবাদভিত্তিক ন্যাশনাল রিসার্চ ইনস্টিটিউটের সাবেক পরিচালক হার্শ কে গুপ্ত বলেন, এই অঞ্চলে বিশাল চ্যুতির কথা আমরা জানি, যা বড় ধরনের ভূমিকম্প ঘটায়। রিখটার স্কেলে ৮ বা তার চেয়ে বেশি মাত্রার সিরিজ ভূমিকম্পের জন্য এই চু্যতিগুলো দায়ী। তাই বলা যায়, এই অঞ্চলের সম্ভাব্য শক্তিশালীতম ভূমিকম্পের মধ্যে এটি পড়ে না। শক্তি নির্গতের কথা বললে বলা যাবে, ওই অঞ্চলে যে পরিমাণ শক্তি সঞ্চিত আছে তার ৪ বা ৫ শতাংশের বেশি শক্তি এই ভূমিকম্পে নির্গত হয়নি।'
    যেকোনো সময় ৭ মাত্রার ভূমিকম্প আসতে পারে। ভূমিকম্প ঘটে যাওয়ার দুই মাস পরেও এ ধরনের ঝুঁকি থেকে যায়। এ ধরনের পরাঘাত বা কম্পন কখন হবে, তা বলা সম্ভব নয়। এটা প্রতিরোধেরও কোনো উপায় নেই। কিন্তু ক্ষয়ক্ষতি এড়াতে পূর্ব সতর্কতা জরুরি।

    দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ চলাকালীন ১৯৪৫ সালের ৯ আগস্ট মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র জাপানের নাগাসাকি শহরে 'ফ্যাট ম্যান' নামের একটি পরমাণু বোমা নিক্ষেপ করেছিল। এতে প্রায় ৪০ হাজার) মানুষ নিহত হন। নাগাসাকি শহরটি সম্পূর্ণ ধুলিস্যাত্ হয়ে যায়। ফ্যাট ম্যান' বোমার শক্তি ছিল ২০,০০০ টন (বিশ হাজার) টিএনটি'র (ট্রাই নাইট্রো টলুইন) সমতুল্য। এরকম ৫ হাজার বোমা একসঙ্গে বিস্ফোরণ ঘটালে যত শক্তি নির্গত হবে, তা ১০ কোটি টন টিএনটি'র সমতুল্য। পারমাণবিক বিস্ফোরণের শক্তির একক হিসেবে টন টিএনটি' ব্যবহার করা হয়। ভুমিকম্পের শক্তি বোঝানোর জন্যেও এই একক ব্যবহূত হয়। তার মানে নেপালের পোখরার ভূ-অভ্যন্তরের ১৫ কিলোমিটারে ফ্যাট ম্যান বোমার মত ৫ হাজার বোমা বিস্ফোরণ সমতূল্য ভূমিকম্প হয়েছে।
    গত ৮০ বছরের মধ্যে নেপালে গতকালের ভূমিকম্পই ছিল সবচেয়ে শক্তিশালী। কিন্তু গবেষকেরা আশঙ্কা করছেন, এই এলাকায় এর চেয়েও শক্তিশালী ভূমিকম্পের আশঙ্কা রয়েছে।


    নেপালে ৭.৯ মাত্রার ভূমিকম্পের আগেও বিজ্ঞানীরা নেপালে এ বিষয়ক বৈঠক করেছেন। ভূমিকম্প হওয়ার ঠিক আটদিন আগে আমেরিকা, ভারতসহ সারা পৃথিবীর বিজ্ঞানীরা ওই বৈঠক করেন। তারা আগে ভাগেই নেপালকে জানিয়ে দেয় যে, সেখানে বড় ধরনের একটি ভূমিকম্প হবে। তবে ভূমিকম্পটি যে এতো তাড়াতাড়ি হবে সেটা বিজ্ঞানীরা বলতে পারেনি। কিন্তু এতো বড় ধরনের ভূমিকম্প হবে এটা তারা নিশ্চিত করেই বলেছিলেন। খুব দ্রুত হবে সেটাও বলেছিলেন।
    ২০১২ সিনেমার ভূমিকম্পের ভবিষ্যাত বানী করেছিলেন ভারতীয় বিজ্ঞানী শংকর। তবে নেপাল ভূমিকম্পের পরে বিভিন্ন গণমাধ্যমে ভারতের বাস্তবের বিজ্ঞানী খড়গপুরের আইআইটির অধ্যাপক শঙ্কর কুমার বলেছেন, ছোট আকারের নিউক্লিয়ার বোমা বিস্ফোরণের সমান শক্তি নির্গত হয়েছে এই ভূমিকম্পে। কিন্তু ভিন্নভাবে বললে, ৭ দশমিক ৯ মাত্রার এই ভূমিকম্পে আমরা ভাগ্যবান। কারণ, এখানে ৯ মাত্রার ভূমিকম্প হতে পারত। মূল বিষয়টি হচ্ছে, কী পরিমাণ শক্তি নির্গত হচ্ছে সেটি। ৯ মাত্রার একটি ভূমিকম্পে যে পরিমাণ শক্তি নির্গত হয়, তা ৭ দশমিক ৯ মাত্রার চেয়ে ৪০ থেকে ৫০ গুণ বেশি।'

    জিওহ্যাজার্ডসের প্রতিষ্ঠাতা ও সভাপতি ব্রায়ান টাকার বলেন, নব্বইয়ের দশকে তার প্রতিষ্ঠান পূর্বাভাস দিয়েছিল যে ১৯৩৪ সালের মতো ভূমিকম্প যদি আবার ঘটে তবে ৪০ হাজারের বেশি মানুষ মারা যাবে। কারণ নেপালের শহরগুলোতে বড় বড় দালানকোঠা উঠছে যা সহজেই ভেঙে যাবে। চলতি মাসেই জিওহ্যাজার্ডস তাদের তথ্যে জানিয়েছে, নেপালে জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার সাড়ে ছয় শতাংশ এবং কাঠমান্ডু অন্যতম বড় শহর হিসেবে গড়ে উঠেছে। শুধু কাঠমান্ডুতেই ১৫ লাখ মানুষ বাস করছে।

    জিওহ্যাজার্ডস ইন্টারন্যাশনাল নামের যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক একটি বেসরকারি সংস্থার মতে, প্রতি ৭৫ বছর পর পর নেপালসহ ওই অঞ্চলে ভূমিকম্প আঘাত হানছে। ৮১ বছর আগে ১৯৩৪ সালে ৮ দশমিক ১ মাত্রার একটি ভূমিকম্পে নেপালের ১০ হাজার মানুষ মারা যায়। এর উত্পত্তিস্থল ছিল এভারেস্ট থেকে ছয় মাইল দক্ষিণে। ১৯৮৮ সালে ৬ দশমিক ৮ মাত্রার আরেকটি ভূমিকম্পে এক হাজার মানুষ মারা যান।

    বুয়েটের সীমক্ষায় ঢাকার ভবন ভূমিকম্প সহনীয় নয় 
    বাংলাদেশ প্রকেৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েটের) সামপ্রতিক এক সমীক্ষায় দেখা গেছে, রাজধানীর অভিজাত আবাসিক এলাকার ভবনগুলোর অর্ধেকই ভূমিকম্প প্রতিরোধক হিসেবে নির্মিত হচ্ছে না। ৯০ শতাংশ ভবনের গাড়ি রাখার স্থানটির (কার পার্কিং) অবকাঠামো এমনভাবে নির্মিত হচ্ছে, যা ভূমিকম্পের সময় ভবনটিকে সুরক্ষা দিতে পারবে না।
    বুয়েটের ওই সমীক্ষায় ২০০৮ থেকে ২০১১ সালের মধ্যে নির্মিত ১৫০টি ভবন পরীক্ষা করা হয়েছে। পুরান ঢাকার ৬০টি মসজিদ ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ভবন পরীক্ষা করে বুয়েটের পুরকেৌশল বিভাগের প্রকেৌশলীরা দেখতে পেয়েছেন, সেগুলোর বেশির ভাগেরই ভূমিকম্প প্রতিরোধকব্যবস্থা নেই। এই ভবনগুলো মাঝারি থেকে তীব্র মাত্রার অর্থাত্ সাড়ে ছয় থেকে সাত মাত্রার ভূমিকম্পের আঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত হবে।
    বাংলাদেশ প্রকেৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) পুরকেৌশল বিভাগের পক্ষ থেকে 'ঢাকা শহরের ভবনের ভূমিকম্প বিপন্নতা যাচাইকরণ' শীর্ষক এক গবেষণা সমীক্ষায় এ তথ্য বেরিয়ে এসেছে। ইন্টারন্যাশনাল সেন্টার ফর আরবান সেফটি ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের সহায়তায় পরিচালিত ওই সমীক্ষা পরিচালিত হয়।
    সমীক্ষায় দেখা গেছে, একটি ভবনকে ভূমিকম্প প্রতিরোধক করতে প্রতি বর্গফুটে অতিরিক্ত ৫ থেকে ১০ টাকা খরচ পড়ে। নির্মাণকারী প্রতিষ্ঠানগুলো ওই খরচ কমাতে ভবনগুলোতে ভূমিকম্প প্রতিরোধকব্যবস্থা রাখছে না। অনেক ক্ষেত্রে ভবনের সেৌন্দর্য বাড়াতে ও অসচেতনতার কারণেও ভবনে ভূমিকম্প প্রতিরোধকব্যবস্থা রাখা হচ্ছে না।
    সমীক্ষার প্রয়োজনে বিভিন্ন রিয়েল এস্টেট কোম্পানি নির্মিত রাজধানীর বনানী, মিরপুর, ইব্রাহিমপুর, লালমাটিয়া ও উত্তরা এলাকার ১৫০টি ভবন পরীক্ষা করা হয়। বেশ কিছু নামী-দামি নির্মাতাপ্রতিষ্ঠানের ভবন ভূমিকম্পের কারণে বিপন্ন হতে পারে বলে ওই পরীক্ষায় দেখা গেছে।
    এই ভবনগুলোর ক্ষেত্রে মূলত তিনটি বিষয় গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। প্রথমত, ভূমিকম্পের সময় ভবনের নিচের মাটি যে মাত্রায় কেঁপে উঠবে, ভবনটিও একই মাত্রায় কেঁপে উঠছে কি না। কেঁপে উঠলে বুঝতে হবে, ভবনটি ভূমিকম্পের সময় ক্ষতিগ্রস্ত হবে। দ্বিতীয়ত, ভূমিকম্প সহনশীল ভবনের বিম ও কলামের সংযোগস্থলে চার ইঞ্চি পর পর রডের রিং দিতে হয়। কিন্তু পরীক্ষা করে দেখা গেছে, অর্ধেক ভবনেই সাত থেকে আট ইঞ্চি পর পর রডের রিং দেওয়া হয়েছে। এতে ভবনটির ভিত্তি শক্ত হয় না। তৃতীয়ত, বেশির ভাগ নতুন ভবনের নিচতলা গাড়ি রাখার জন্য ফাঁকা রাখা হয়েছে। এ ধরনের ভবন নির্মাণের ক্ষেত্রে ওপরের তলার চেয়ে নিচতলার ফাঁকা স্থানের বিম অপেক্ষাকৃত মোটা হতে হবে। কিন্তু ৯০ শতাংশ ভবনে নিচ ও ওপরের তলার বিমের আকৃতি সমান রাখা হয়েছে। ভবনের চারপাশ ফাঁকা ও দেয়াল না থাকায় নিচের তলাটি দুর্বল থেকে যায়।
    এই তিনটি শর্ত অনুসরণ না করে নির্মাণ করলে, ছয় থেকে আট মাত্রার ভূমিকম্পে পুরো ভবনটি ভেঙে পড়তে পারে ।

    শীর্ষ ঝুঁকিতে ঢাকা!
    বাংলাদেশের পে্লটটি নিষ্ক্রিয় হলেও ভূমিকম্পের ভয়ঙ্কর ক্ষতি হবে এরকম সারা পৃথিবীর ২০ শহরের একটি ঢাকা। কারণ হলো মিয়ানমারের মাইক্রোপে্লটে যদি ভূমিকম্প হয় তাহলে এর থেকে ৫০ থেকে ৫০০ কিলোমিটার দুরের ঢাকাও ক্ষতিগ্রস্ত হবে। অন্যদিকে নেপাল বা ভারতের বিহার বা আসামে ৭ মাত্রার ভূমিকম্প হলে তার প্রভাব ঢাকায় বাজেভাবে পড়বে। এরকমটিই বলছেন সৈয়দ আখতার। কারণ হিসেবে তিনি বলছেন, ঢাকাতে জলাভূমি ভরাট করে এবং ইমারত নির্মাণ বিধিমালা বা বিল্ডিং কোড না মেনে অপরিকল্পিত নগরায়ণ হয়েছে। এতে মাঝারি ভূমিকম্পেও ক্ষতির আশঙ্কা থাকে।
    বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে, ঢাকার মোট ভূমির ৭০ শতাংশ মাটিই নতুন। এসব অঞ্চলে জলাভূমি ভরাট করে বাড়ি ঘর নির্মাণ করা হয়েছে। এসব অঞ্চলে মাঝারি মাত্রার ভূমিকম্প যদি মাটির বেশি গভীরে না হয় তাহলেই এ অঞ্চলটিতে ব্যপক ক্ষতি হবে।

    ঝুঁকিপ্রবন এলাকা ও ঝুঁকিমুক্ত ভবন নির্মাণে আপনার যা করনীয় 
    যাত্রাবাড়িসহ পূর্বাঞ্চলের অধিকাংশ এলাকার মাটি লাল বা পুরানো নয়। এসব মাটির কোথাও কোথাও পিট কয়লাও রয়েছে। এ হিসেবে ঢাকার মোট এলাকার ৭০ শতাংশই ঝুঁকিপূর্ণ। এসব অঞ্চলে ভবন নির্মাণ করলে মাটির ১৩ থেকে ২৮ মিটার গভীরে বা ৪২ ফুট ৭ ইঞ্চি থেকে ৯১ ফুট ১০ ইঞ্চি পর্যন্ত গভীরে ফাউন্ডেশন করতে হবে। এ সমীক্ষা সরকারের।
    এসব অঞ্চলের মাটির গভীরে যেসব পদার্থ পাওয়া গেছে যেমন নরম কাদা, পিট কয়লার স্তরগুলো কম করে হলেও ১৩ মিটার পর্যন্ত গভীর। কিছু কিছু স্থান রয়েছে যা এসব নরম কাদা, পিট কয়লার স্তরগুলো ২৮ মিটার পর্যন্ত গভীরে রয়েছে। ফলে এসব স্থানে যদি সাধারণ ফাউন্ডেশনের মত করে বাড়ি বা ভবন বানানো হয় তাহলে তা ঝুকিপূর্ণ। আফতাবনগরসহ পূর্বাঞ্চলেই নয় সরকারের ঝিলিমিল প্রকল্পের এলাকা, গুলশান, নিকেতন, উত্তরা, মিরপুরের ঝুঁকিমুক্ত ভবন নির্মাণ করতে ৪২ ফুট ৭ ইঞ্চি থেকে ৯১ ফুট ১০ ইঞ্চি পর্যন্ত গভীরে ফাউন্ডেশন করতে হবে। এসব নিয়ম কানুন মেনে ভবন নির্মাণ করলে ভারতের আসামে বা বিহারে, নেপালে কিম্বা মিয়ানমারের ভূমিকম্প যদি ৮ মাত্রারও হয় তাহলে তার প্রভাব ঢাকায় এসে পড়লেও খুব ক্ষতির স্বীকার হবে না ঢাকা।

    আমাদের স্মরণ রাখা দরকার, নেপাল, ভারত বা মিয়ানমারের ভূমিকম্পে যদি ঢাকা শহর মারাত্মকভাবে কেপে উঠে তাহলে কী হবে পরিস্থিতি তা আন্দাজ করা যায় না। কারণ ঢাকাতে যেভাবে কোন পরিকল্পনা ছাড়াই ভবন নির্মাণ হচ্ছে তাতে এক ভয়াবহ পরিস্থিতি তৈরী হবে এটা আন্দাজ করা যায়।


    যে মাটিতে ভবন করবেন।

    যারা কোটি কোটি টাকা খরচ করে একটি বাড়ি বানাবেন তারা সেই বাড়ি বানাতে গিয়ে বাড়তি কিছু অর্থ যুক্ত করলেই ভবনটি নিরাপদ হবে। জাপানে ৭ মাত্রার ভূমিকম্প সাধারণ একটি ব্যপার। গত ছয়দিন আগেও জাপানে ৬.১ মাত্রার ভূমিকম্প হয়েছে। কিন্তু জাপানে ভবন নির্মাণের ক্ষেত্রে ভূমিকম্প সহনীয় করেই নির্মাণ করা হয়।


    নিয়ম মেনে ভবন নির্মাণ করা ও না করার চিত্র।

    আপনার ভবন নির্মাণের আগে সেখানকার মাটি পরীক্ষা করুন। দেখুন লাল মাটি পেতে কত গভীরে যেতে হয়। সেটা যত গভীরই হোক, শক্ত মাটির উপর বাড়ি তুলুন। ভবন নির্মাণে আধুনিক প্রযুক্তি ও প্রকেৌশল ব্যবহার করুন। নিরাপদে থাকুন, অন্যদের নিরাপদে রাখুন।


    জাপানের ভূমিকম্পের শেষ চিত্র।

    http://www.istishon.com/node/11923

    __._,_.___

    0 0

    Nepal - Before and After the Earthquake

     
    As you probably know, a terrible earthquake, 7.8 on the Richter scale, hit Kathmandu in Nepal last Saturday, the 25th of April. The quake caused massive devastation and a terrible loss of life. Over 4 thousand people have been confirmed to have died and more than 7 thousand injured. Kathmandu itself is the home of 7 world heritage sites. These interactive photos will show you some of these sites, before and after the terrible disaster. 

    Click the photos to see these locations AFTER the quake
    ​:


     
    nepal before and after photos
    nepal before and after photos
    nepal before and after photos
    nepal before and after photos

     

    nepal before and after photos
    nepal before and after photos
    nepal before and after photos
    nepal before and after photos
    nepal before and after photos
    nepal before and after photos
    nepal before and after photos
    nepal before and after photos

     

     

    nepal before and after photos
    nepal before and after photos
    nepal before and after photos
    nepal before and after photos
     
    nepal before and after photos
    nepal before and after photos

     

    This disaster also struck at the site of Mount Everest. Watch a unique video of what happened there:

    https://www.youtube.com/watch?v=0CaT0VIJ468&feature=player_embedded


    0 0

     The 7. 8 Earthquake In Nepal And The Magnitude Of Impoverishment

    Dear Friend,

    If you think the content of this news letter is critical for the dignified living and survival of humanity and other species on earth, please forward it to your friends and spread the word. It's time for humanity to come together as one family! You can subscribe to our news letter here http://www.countercurrents.org/subscribe.htm. You can also follow us on twitter, http://twitter.com/countercurrents and on Facebook, http://www.facebook.com/countercurrents

    In Solidarity
    Binu Mathew
    Editor
    www.countercurrents.org


     Nepal Death Toll Could Reach 10,000: Millions Starving, Entire Mountain Villages Flattened
    By Countercurrents.org

    http://www.countercurrents.org/cc280415A.htm

    Death toll in the Nepal earthquake could reach 10,000 as rescue teams have started reaching isolated mountain villages. Entire mountain villages have been razed to the ground and millions of people are starving as they are cut off from all food supply and communication. Wet weather and cold are making life intolerable. An estimated 8 million people have been affected. Moreover, in the earthquake, 61 people died in India, and China reported 25 people died in Tibet


    The 7.8 Earthquake In Nepal And The Magnitude Of Impoverishment
    By Li Onesto

    http://www.countercurrents.org/onesto280415.htm

    There was little that could be done to stop the earthquake that hit Nepal on April 25, 2015. But the fact that there is such tremendous death, destruction and suffering as a result of this natural disaster IS something due to human/societal factors—namely the system of capitalism/imperialism which subjects countries like Nepal to such impoverishment


    Baltimore Blazes In Protest: State Of Emergency, National Guards Deployed
    By Countercurrents.org

    http://www.countercurrents.org/cc280415B.htm

    Baltimore blazes in protest. Schools, businesses and train stations have been shut down in the city notorious for poverty and unemployment. A state of emergency has been declared and National Guards have been deployed. Two dozen people were arrested. The protests erupted in violent force after funeral of a 25-year black man who died after he was injured in police custody


    Ukraine: Truth Has Been Murdered
    By Paul Craig Roberts

    http://www.countercurrents.org/roberts280415.htm

    The Western media is complicit in many war crimes covered up with lies, but the false story that the Western media has woven of Ukraine is the most audacious collection of lies yet. Truly, truth in the Western world has been murdered. There is no respect for truth in any Western capital. The coup in Ukraine is Washington's effort to thrust a dagger into Russia's heart. The recklessness of such a criminal act has been covered up by constructing a false reality of a people's revolution against a corrupt and oppressive government. The world should be stunned that "bringing democracy" has become Washington's cover for resurrecting a Nazi state


    Mother Earth Is Weeping For Her Children:
    The US Military Must Stop Environmental Ecocide
    By Joy First

    http://www.countercurrents.org/first280415.htm

    It is a very serious problem that our calls for peace and justice are going unheeded by government officials. Even though it seems like we are not being listened to, it is very important to continue to act in resistance. I know that even when we feel like we are ineffective, acting in resistance is my only choice to do what I can to make a difference in the lives of my grandchildren and the children of the world. Though it is difficult to know whether we are being effective, I believe that we all must do everything we can to continue our work for peace and justice. That is our only hope


    Agribusiness And The Four Horsemen Of The Apocalypse
    By Colin Todhunter

    http://www.countercurrents.org/todhunter280415.htm

    Like all empires, Washington has developed a system to hitch a free ride courtesy of the rest of the world funding its generally high standard of living, militarism, financial bubbles, speculations and corporate takeovers


    Assassination As Policy In Washington And How It Failed, 1990-2015
    By Andrew Cockburn

    http://www.countercurrents.org/cockburn280415.htm

    Whatever the euphemism -- the Israelis prefer to call it "focused prevention" -- assassination has clearly been Washington's favored strategy in the twenty-first century. Methods of implementation, including drones, cruise missiles, and Special Operations forces hunter-killer teams, may vary, but the core notion that the path to success lies in directly attacking and taking out your enemy's leadership has become deeply embedded. As then-Secretary of State Hillary Clinton put it in 2010, "We believe that the use of intelligence-driven, precision-targeted operations against high-value insurgents and their networks is a key component" of U.S. strategy


    21st Century Challenges To American Democracy: Part III
    By Jon Kofas

    http://www.countercurrents.org/kofas280415.htm

    American democracy's challenge is to serve the public interest not the interests of the 1% richest Americans to the detriment of the middle class and workers. It is interesting that the media, politicians, and even academics use the term "special interests" so that they avoid any class-based language and so that in the so-called "special interests" they can include trade unions and organizations such as the AARP, women's and others. Defining corporate and finance capital as "special interests", while defining the "public interest" as the sum total of citizens and the collective goods of the working class and middle class would be a good first step toward meeting some of democracy's challenges in the 21st century. Engaging in deliberate illusion-making by trying to remain politically, ideologically and culturally acceptable to apologists of the existing system and refusing to recognize the class struggle at the core American democracy's simply perpetuat
     es more
    myths rather than trying to expose them


    Obama Fights To Spread GMO Foods Throughout Europe
    By Eric Zuesse

    http://www.countercurrents.org/zuesse280415.htm

    On Friday, April 24th, Agence France Presse headlined "US Stresses Opposition to EU Opt-Out for GMO Imports," and reported that, "The United States underscored Friday its opposition to a new European Union plan to allow member states to block genetically engineered imports after bilateral talks on a transatlantic free-trade pact."


    Genocidal Indonesia Executing Drug Convicts
    By Andre Vltchek

    http://www.countercurrents.org/vltchek280415.htm

    Indonesia, the country which did not earnestly punish one single top military brass for the genocides in East Timor and not one single person for horrendous and ongoing genocide in Papua, is now ready to execute another nine people for drug trafficking. In January 2015 it already slayed six drug convicts including five foreigners, sparking international indignation


    Big Wine Fails To Dry Farm During California's Relentless Drought
    By Shepherd Bliss

    http://www.countercurrents.org/bliss280415.htm

    An increasing number of North Coast residents and businesses are calling for a moratorium on new vineyards and wineries and expansions of existing vineyards and wineries, especially as event centers. It is unfair to mandate people and other businesses to conserve water and allow Big Ag and Big Wine to consume as much as they want, for free. A four-county group has met in Lake and Sonoma Counties and will meet again in May in Napa County to discuss dealing with the excesses of the wine industry


    Rise Above Sectarianism And Serve Humanity
    By Kashoo Tawseef

    http://www.countercurrents.org/tawseef280415.htm

    How can you kill someone just because he doesn't agree with you or he/she doesn't practices same faith as your- that's just insane. Let us remind ourselves that Islam is humanity and humanity is Islam


    Time To Walk The Talk For Accelerating Towards TB-Free India
    By Bobby Ramakant

    http://www.countercurrents.org/ramakant289415.htm

    India's fight against TB has certainly come a long way ahead, but the journey through the proverbial 'last miles' are going to be defining one - as the programme confronts and hopefully overcomes formidable-looking challenges. Ending TB is possible


    0 0

    अपडेट– भूकम्पबाट मृत्यु हुनेको संख्या ५०२६ पुग्यो /४६०९ को शव आफन्तलाई बुझाइयो


    बैशाख १६, काठमाडौं । 

    मुलुकका विभिन्न भागमा आएको बिनाशकारी भुकम्पमा परी मृत्यु हुनेको संख्या ५ हजार २७ जनाको मृत्यु भएको छ । १० हजार २ सय ३५ जना घाइते भएका छन् ।

    उपत्यकाको काठमाडौंमा १ हजार ३९, भक्तपुरमा २ सय ५२ र ललितपुरमा १ सय ६८ जनाको मृत्यु भएको गुमेको छ भने काठमाडौंमा २ हजार ४ सय, भक्तपुरमा १ हजार ८ सय ८६ र ललितपुरमा १ हजार ९० जना घाइते भएका छन् ।

    यसैगरी पूर्व क्षेत्रमा ५१, मध्यक्षेत्रमा ३ हजार १ सय २, पश्चिम क्षेत्रमा ४१३ र मध्य पश्चिम क्षेत्रमा २ जनाको ज्यान गुमेको छ भने पूर्व क्षेत्रमा २१६, मध्यक्षेत्रमा ३४८४, पश्चिम क्षेत्रमा ११३० र मध्य पश्चिम क्षेत्रमा २१ जना घाइते भएका छन् ।

    भूकम्पबाट सबैभन्दा बढी प्रभावित सिन्धुपाल्चोकमा १ हजार ३ सय ७६ जनाको मृत्यु भएको पुष्टी भएको छ । यस्तै, भूकम्पबाट अति प्रभावित नुवाकोटमा ६ सय ३८, गोरखामा ४ सय ५, धादिङमा ३ सय ७३ जना, रसुवामा ३ सय २, काभ्रेमा २ सय ७३ र दोलखामा ५४ जनाको मृत्यु भएको पुष्टी भएको प्रहरीले जनाएको छ ।

    उल्लेखित संख्यामा काठमाडौंमा ९, सोलुखुम्बुमा ७, मकवानपुरमा १ जना गरी १७ जना ज्यान गुमाएका तथा २२ जना घाइते भएका पर्यटक रहेका छन् ।

    प्रहरीका अनुसार हालसम्म काठमाडौंमा ९ सय ५२, भक्तपुरमा २ सय ५०, ललितपुरमा १ सय ५९, पूर्व क्षेत्रमा २९, मध्यक्षेत्रमा २९८८, पश्चिम क्षेत्रमा २ सय २९ र मध्य पश्चिम क्षेत्रमा २ जना गरी जम्मा ४ हजार ६ सय ९ को शव आफन्तलाई बुझाइएको छ भने अन्य शव विभिन्न अस्पतालमा रहेको हुदा शव सनाखतको लागि पहल भइरहेको छ । साथै हराएका तथा खोजीमा रहेका व्यक्तिका आफन्तहरुले पहिचानको लागि नजिकको अस्पताल वा प्रहरी कार्यालयमा गई सूचना दिन समेत प्रहरीले अनुरोध गरेको छ । 

    - See more at: http://radiokantipur.org/kantipur-diary/15058/%E0%A4%85%E0%A4%AA%E0%A4%A1%E0%A5%87%E0%A4%9F%E2%80%93-%E0%A4%AD%E0%A5%82%E0%A4%95%E0%A4%AE%E0%A5%8D%E0%A4%AA%E0%A4%AC%E0%A4%BE%E0%A4%9F-%E0%A4%AE%E0%A5%83%E0%A4%A4%E0%A5%8D%E0%A4%AF%E0%A5%81-%E0%A4%B9%E0%A5%81%E0%A4%A8%E0%A5%87%E0%A4%95%E0%A5%8B-%E0%A4%B8%E0%A4%82%E0%A4%96%E0%A5%8D%E0%A4%AF%E0%A4%BE-%E0%A5%AB%E0%A5%A6%E0%A5%A8%E0%A5%AC-%E0%A4%AA%E0%A5%81%E0%A4%97%E0%A5%8D%E0%A4%AF%E0%A5%8B-/%E0%A5%AA%E0%A5%AC%E0%A5%A6%E0%A5%AF-%E0%A4%95%E0%A5%8B-%E0%A4%B6%E0%A4%B5-%E0%A4%86%E0%A4%AB%E0%A4%A8%E0%A5%8D%E0%A4%A4%E0%A4%B2%E0%A4%BE%E0%A4%88-%E0%A4%AC%E0%A5%81%E0%A4%9D%E0%A4%BE%E0%A4%87%E0%A4%AF%E0%A5%8B/#sthash.nxQ8WtfG.dpuf


    0 0

    ७ जिल्ला अति प्रभावित घोषणा/भूकम्पको जोखिम कम भएकाले सावधानीपूर्वक घर फर्किन सर्वसाधारणलाई आग्रह



    वैशाख १४, काठमाडौं । 


    सरकारले मुलुकका ७ वटा जिल्लालाई अति प्रभावित घोषणा गर्दै ती जिल्लामा राहत तथा उद्दार तीव्र पार्ने जनाएको छ । सिन्धुपाल्चोक, काभ्रे, रसुवा, ललितपुरको उत्तरी दुर्गम भाग, गोरखा, धादिङ र नुवाकोटलाई अति प्रभावित घोषणा गर्दै राहत तथा उद्धार जारी राखिएको मुख्य सचिव लिलामणी पौडेलले जानकारी दिनुभयो । सिंहदरबारमा आज आयोजित पत्रकार सम्मेलनमा सचिव पौडेलले ती स्थानमा उद्धारका लागि हेलिकप्टर पठाइसकिएको बताउनुभयो । उहाँले भूकम्पको जोखिम कम भएको भन्दै घर फर्कन तर प्रारम्भिक सावधानी अपनाउन सर्वसाधारणलाई आग्रह समेत गर्नुभएको छ ।

    सचिव पौडेलले काठमाडौंमा देखिएको विद्युत तथा खानेपानी आपुर्तीको समयस्या भोली विहानसम्म सहज बनाउने तयारी भइरहेको जनाएको छ । मुख्यसचिव पौडेलले भूकम्प पीडितलाई आवश्यक परेको खण्डमा १२३४ नम्बरमा डायल गरी त्यहाँबाट प्राप्त हटलाईन नम्बरमा फोन गर्ने र आफ्नो समस्या टिपाउन सकिने जानकारी दिनुभएको छ । भूकम्पपछि महामारी देखिनसक्ने आशंकामा शव व्यवस्थापनमा समेत सरकार लागेको उहाँले बताउनुभयो । सचिव पौडेलले विभिन्न ११ मुलुकबाट राहत टोली नेपाल आइपुगेको समेत जानकारी दिनुभयो ।

    - See more at: http://radiokantipur.org/kantipur-diary/15027/%E2%80%8B%E0%A5%AD-%E0%A4%9C%E0%A4%BF%E0%A4%B2%E0%A5%8D%E0%A4%B2%E0%A4%BE-%E0%A4%85%E0%A4%A4%E0%A4%BF-%E0%A4%AA%E0%A5%8D%E0%A4%B0%E0%A4%AD%E0%A4%BE%E0%A4%B5%E0%A4%BF%E0%A4%A4-%E0%A4%98%E0%A5%8B%E0%A4%B7%E0%A4%A3%E0%A4%BE/%E0%A4%AD%E0%A5%82%E0%A4%95%E0%A4%AE%E0%A5%8D%E0%A4%AA%E0%A4%95%E0%A5%8B-%E0%A4%9C%E0%A5%8B%E0%A4%96%E0%A4%BF%E0%A4%AE-%E0%A4%95%E0%A4%AE-%E0%A4%AD%E0%A4%8F%E0%A4%95%E0%A4%BE%E0%A4%B2%E0%A5%87-%E0%A4%B8%E0%A4%BE%E0%A4%B5%E0%A4%A7%E0%A4%BE%E0%A4%A8%E0%A5%80%E0%A4%AA%E0%A5%82%E0%A4%B0%E0%A5%8D%E0%A4%B5%E0%A4%95-%E0%A4%98%E0%A4%B0-%E0%A4%AB%E0%A4%B0%E0%A5%8D%E0%A4%95%E0%A4%BF%E0%A4%A8-%E0%A4%B8%E0%A4%B0%E0%A5%8D%E0%A4%B5%E0%A4%B8%E0%A4%BE%E0%A4%A7%E0%A4%BE%E0%A4%B0%E0%A4%A3%E0%A4%B2%E0%A4%BE%E0%A4%88-%E0%A4%86%E0%A4%97%E0%A5%8D%E0%A4%B0%E0%A4%B9/#sthash.OcpupKab.dpuf


    0 0

    नेपाल यसकारण भूकम्पिय 


    जोखिममा



    नेपाल 'मेन हिमालयन थ्रस्ट' अन्र्तगत पर्छ । यो थ्रस्टकै कारण नेपाल संधै भूकम्पिय जोखिममा परेको हो । यसले हिमालय क्षेत्रमा ठुल्ठुला भूकम्प ल्याउने गर्छ । ग्लोबल पोजिसनिङ सिस्टम अध्ययन गर्दा के देखिन्छ भने हाम्रो 'हाइयर (उच्च) हिमालय'को अग्रभागदेखि चुरे पहाडसम्मको क्षेत्र ब्लक छ । यसकारण यहाँ धेरै इनर्जी संचित हुन्छ । इन्डियन प्लेट र तिब्बती प्लेट बिचको जब संघात (कोलिजन) हुन्छ, यो संजित इनर्जीमा सिधै असर गर्छ र तलबाट प्लेट माथितिर ठेलिन्छ । यसरी प्लेट माथितिर ठेलिंदा इनर्जी थेग्न नसकेर रिलिज हुन्छ र भूकम्प आउँछ । प्लेट तल नझरी माथि सर्दा हुने भूकम्पलाई थ्रस्ट टाइपको भूकम्प भनिन्छ । विसं १९९० को भूकम्प पनि यस्तै प्रकारको हो । 

    जर्मनीको 'स्प्रिङगर' जर्नलले 'माउन्टेन हेजार्ड एण्ड डिजास्टर रिस्क रिडक्शन' अध्ययन छापेको छ, गएको डिसेम्बरमा । यस अन्र्तगत हामीले काठमाडौं आसपास ६ प्वाइन्ट ३ रेक्टर स्केलको भूकम्प गयो भने के हुन्छ ? भनेर अनुसन्धान गरेका थियौं । यसबाट नयाँ तथ्य के पत्ता लाग्यो भने काठमाडौं उपत्यकाको खुमलटार, ठमेल, महाराजगञ्ज, चावहिल, सुन्धारा, नयाँ बानेश्वर, बुङमती, बल्खु, कोटेश्वर क्षेत्रमा सबैभन्दा बढि भूकम्पीय तरंगले असर पैदा गर्छ । यो क्षेत्र अरु क्षेत्रको तुलनामा आठ गुणा बढि तरंगले असर गर्ने देखिन्छ अध्ययन अनुसार । विसं १९९० को महाभूकम्पसित तुलना गरेर हेर्दा पनि यो मिल्न गयो । शनिबारको महाभूकम्प असरको बास्तविक तथ्य त थाहा पाउन बाँकी नै छ, तर मेरो बिचारमा यी क्षेत्रहरु निकै नै बढि प्रभावित भएको हुनुपर्छ । 

    'इन्जिनियरिङ सिस्मोलजी' माथि मैले इटलीबाट पोस्ट डक्टरेट गरेको हुँ । त्यो अनुसन्धानको आधारबाट हेर्दा काठमाडौं भ्यालीसँगै वरिपरिको क्षेत्र झन ठुलो भूकम्पिय जोखिममा रहेको देखिन्छ । काठमाडौंको भूकम्पलाई वान डी (डाइमेन्सन) हैन टु डीको आधारमा अध्ययन गर्नुपर्ने हुन्छ । अर्थात यहाँ आउने भूकम्पको दुई आयाम देखिन्छ । भूकम्पको तरंगको शक्ति एकअर्कामा खप्टिएर छेउछाउको पहाडमा गएर ठोक्किन्छ र फेरि फर्किन्छ । यसो हुँदा भूकम्पको ठुलो विनास काठमाडौं आसपासको क्षेत्रमा झन हुन्छ । मेरो अनुमानमा यो भूकम्पले वरिपरिको क्षेत्रमा ठुलो विनास ल्याएको हुनुपर्छ । क्षति विवरण आउनै बाँकी छ । हेरौं । 

    यसअघि ६ प्वाइन्ट ३ रेक्टर स्केलको भूकम्प आयो भनेपनि काठमाडौंको त्रिभुवन विमानस्थल ध्वस्त हुन्छ भन्ने अनुमान गरिन्थ्यो । हाम्रो अध्ययनले चाहिँ त्यो देखाएन । केही अघि हामीले नेपाल जिआलजिकल सोसाइटीको इन्टरनेश्नल कंग्रेसमा यससम्बन्धी कार्यपत्र नै प्रस्तुत गरेका थियौं । आजको संयोग कस्तो भने भूकम्पको झट्का महसुस गरिहँदा यही रिसर्चको प्राप्तिहरुबारे लेख्दैथिएँ । छिट्टै यो तयार भएर इन्टरनेश्नल जर्नलमा आउँदैछ ।

    भूकम्प गएर पनि अहिले अरु स-साना भूकम्पको महसुस भइरहेको छ नि । प्लेटहरुको मुख्य दरारमा अहिले पनि मुभमेन्ट भइरहेको छ । यो थामिएको छैन । यसकारण साना साना झट्का महसुस भएको हो । 

    अबको सावधानी   

    अहिले मुलुकभर कोलाहल छ । सबैजना त्रासका विच बाटामा, खाली चौर र चोकमा निस्केका छन् । क्षति विवरण अपडेट हुने क्रम जारी छ । सम्पर्कहरु विच्छेद भएका छन् । जतिबेला भूकम्प आउँछ र संकटमा पर्छौं, त्यतिबेलामात्रै हामी सावधानीका अनेक पक्षबारे बहस थाल्छौं । यो प्रवृत्ति निकै गलत हो । नेपाल अहिले मात्रै हैन, पहिलेदेखि नै भूकम्पिय जोखिम क्षेत्र थियो । यो हामी सबैलाई थाहा छ । तर यहाँ समस्याको निराकरणतिर धेरै काम गर्नुपर्ने देखिन्छ । 

    सबैभन्दा पहिले त अव्यवस्थित बस्ती तथा घर निर्माणलाई कडाईका साथ रोख्नुपर्छ । हामीसँग  'भूकम्प प्रतिरोधी भवन निर्माण आचार संहिता' त छ, तर यसको पालन भएको देखिंदैन । घर बनाउँदा नक्शामा भूकम्प प्रतिरोधी बनाएर मात्रै हुन्न । यसको लागि सरकारी निकायले कडा अनुगमन गर्नुपर्छ । कारबाही गर्नुपर्छ । धेरैले नक्शामा मात्रै मिलाएका छन् । अचेल मलाई आफ्नै र्छिदा पनि चिहानतिर छिरिरहेको हो कि भन्ने आभास हुन्छ ।  

    अर्को पक्ष गम्भीर चाहिँ के हो भने यो आचारसंहिता नै रिभिजन गर्नुपर्छ । अहिलेको आचार संहिता नेपालको माटो सुहाउँदो छैन । हिमालयमा जाने नेपालको भूकम्पलाई आधार मानि यो आचार संहिता बनाएकै हैन । भवन निर्माण आचार संहिता नगरपालिकामात्रै अनिवार्य गरेर हुन्छ ? जबकी गाउँमा पनि उत्तिकै ठुला-ठुला क्षति भइरहेका छन् । गाउँमा पनि आचार संहितालाई सहज तरिकाले अनिवार्य बनाउनुपर्छ । 

    अनि यस्ता घर बनाउनेलाई राज्यको तर्फबाट इन्सेन्टिभ पनि दिनुपर्छ । ट्याक्स छुट दिएर हुन्छ या अरु नै कुनै तवरले । तर उनीहरुलाई प्रोत्साहन चाहिन्छ । सभा सेमिनार मात्रै गरेर केही हुनेवाला छैन । व्यवहारमा जानुपर्यो । अनिमात्रै प्रकोप विरुद्ध लड्ने शक्ति निर्माण हुनसक्छ । चेतना मात्रै भएर हुँदैन । 

    चेतना निर्माणमा नेपालमा एनजिओहरुले राम्रै गरेको मान्न सकिन्छ । तर उनीहरु आफै व्यवहारिक छैन । साइन्स एकातिर छ व्यवहार अर्कोतिर । भूकम्पमाथि काम गर्ने ठुला एनजिओहरुमै भूकम्पविदहरु छैनन् । इन्जिनियहरुबाट उनीहरु काम चलाइराखेका छन् । यस्ता इन्जिनियरहरु कि उनीहरुको क्षमताको कुनै परिक्षा नै हुँदैन । जसरी मेडिकल काउन्सिलले डाक्टरको योग्यता जाँच लिन्छ, प्रमाणिकरण गर्छ, इन्जिनियरिङ काउन्सिलले यो गर्नुपर्छ कि पर्दैन ? के इन्जिनियरको चाहिँ योग्यताको प्रमाणिकरण चाहिंदैन ? 

    अर्को महत्वपुर्ण पक्ष के हो भने घर बनाउने जमिनको प्रकृतिमा बढि ध्यान दिनुपर्छ । नेपालमा अहिलेसम्म भूकम्पिय तरंगसँग जमिनले कसरी प्रतिक्रिया देखाउँछ भन्ने हिसाबले माटोको अध्ययन भएकै छैन । कपन एरियामै यो देखियो आज । यो महाभूकम्पमा कपन एरियाका धेरैजसो घरहरु भासिएका छन्, भत्केका भने छैन । यो माटोको प्रकृतिको कारण भएको हो । यसको अध्ययन नै हुँदैन हामी कहाँ । यसको लागि माइक्रो स्टडी हुनुपर्छ । 

    हामीसँग भु-उपयोग नीति छ तर यसको लागु हुनसकेको छैन । यतातिर पनि ध्यान दिनुपर्छ । अलिकति खाली जमिन देख्यो कि दश फिटको बाटो राखी प्लटिङ गरिहाल्ने लहर चलेको छ । यो निकै गम्भीर विषय हो । जथाभावी हाउजिङ निर्माणले हामीलाई भविष्यमा सही दिशातिर लाँदैन । त्यसकारण भु-उपयोग नीति कार्यान्वयन आवश्यक छ । यी सबै हुन सके- प्राकृतिक घटना त रोक्न सकिंदैन, तर यसबाट हुने क्षति भने धेरै नै कम गर्न सकिन्छ ।

    - See more at: http://radiokantipur.org/kantipur-diary/14997/%E0%A4%A8%E0%A5%87%E0%A4%AA%E0%A4%BE%E0%A4%B2-%E0%A4%AF%E0%A4%B8%E0%A4%95%E0%A4%BE%E0%A4%B0%E0%A4%A3-%E0%A4%AD%E0%A5%82%E0%A4%95%E0%A4%AE%E0%A5%8D%E0%A4%AA%E0%A4%BF%E0%A4%AF-%E0%A4%9C%E0%A5%8B%E0%A4%96%E0%A4%BF%E0%A4%AE%E0%A4%AE%E0%A4%BE/#sthash.VlCqQWXf.dpuf


    0 0

    Appeal for May Day Celebration in Bengali





    0 0

    उद्धारभन्दा प्रचार बढी


    काठमाडौं, वैशाख १६ - भुकम्पपीडित नेपालीको खोज, उद्धार र राहतको लागि सबैभन्दा ठूलो उद्धार टोली पठाएको छ, दक्षिणी छिमेकी भारतले । भारतीय प्रधानमन्त्री नरेन्द्र मोदीले शनिबार भुकम्प गएको एक घण्टाभित्रै आपतकालीन बैठक राखेर तत्काल उद्धारका लागि ४ वटा नेसनल डिजास्टर रेस्पोन्स फोर्स (एनडीआरएफ) टोली नेपाल पठाउने निर्णय गरेका थिए । त्यसयता मंगलबारसम्म हेलिकप्टर, आवश्यक सामाग्रीसहित एक हजारभन्दा बढीको संख्यामा भारतीय उद्धारकर्ता नेपाल आइसकेका छन् । तर जुन रुपमा खोजी तथा उद्धार हुनुपर्ने हो, त्यो हुन नसेको नेपाली सैनिक स्रोतले बतायो । भारतीय टोलीले जुन परिमाणमा उद्धार कार्य गरेको छ, त्योभन्दा बढी प्रचारबाजी गरेकोमा नेपाली पक्ष पनि असन्तुष्ट बनेको छ । उच्च सैनिक स्रोतका अनुसार दुई साताअघि सगरमाथा आरोहणमा आएका आफ्नो ३९ जनाको सैन्य टोलीको उद्धारका लागि पनि भारतीय पक्षको चासो चुलिएको हो । त्यसैले उसले ठूलो संख्यामा फौज तथा ६ वटा एमआई–१७ हेलिकप्टर तत्कालै पठायो । यसअघि नेपाली सेनासंग सयुक्त रुपमा सगरमाथा आरोहण गर्थे भारतीय सैनिकले, यसपटक उनीहरु 'नागरिक'को हैसियतमा आरोहणका लागि आएका थिए । तीमध्ये कतिपय सम्पर्कबाहिर रहेकाले उद्धारका लागि आएको ६ मध्ये ३ हेलिकप्टर उनीहरुकै खोजीमा सगरमाथा आधार शिविरतर्फ उडाइएको छ। भारतीय पक्ष सगरमाथा आहोरणमा गएका आफ्ना सैनिकबारे खासै बोल्न चाहेन । के आरोहणमा गएका सैनिक सम्पर्कविहीन रहेका हुन् भनेर पटकपटक जिज्ञासा राखेपछि नेपालस्थित दूतावासका प्रवक्ता अभय कुमारले छोटो प्रतिक्रिया दिादै भने, 'जानकारी गराईएअनुसार उनीहरु सुरक्षित छन् ।'आफ्ना सैनिकको उद्धारमा बढी ध्यान केन्द्रित गर्दा भारतीय टोलीले आफ्नो क्षमता र बन्दोबस्तीअनुरुप अपेक्षाकृत काम गर्न नसकेको नेपाली पक्षको बुझाई छ ।   भुकम्पपीडितको उद्धारका क्रममा पनि भारतीय सेनाले आफ्ना सन्चारमाध्यमका प्रतिनिधि बढी बोक्दा क्षमताअनुसार प्रभावकारी रुपमा काम गर्न सकेको छैन । भुकम्पको समाचार संकलनका लागि विभिन्न भारतीय सन्चारमाध्यमबाट करिव डेढ सय सन्चारकर्मी काठमाडौं आएका छन् । उनीहरु भारतीय हेलिकप्टर चढेर विभिन्न जिल्लामा पुगी प्रत्यक्ष प्रशारण गर्ने, फुटेज र समाचार संकलन गर्ने गरिरहेका छन् । स्रोतका अनुसार प्रत्येक हेलिकप्टरमा ६/७ जनासम्म भारतीय सन्चारकर्मी समाचार संकलनका लागि उड्ने गरेका छन् । 'बोकेर लगेका सन्चारकर्मीलाई समाचार संकलनका लागि केही समय दिनुपर्ने हुादा उडान संख्या नै कम हुने गरेको छ,'स्रोतले भन्यो, 'अर्कोतर्फ आधा जति सिट सन्चारकर्मीले ओगट्ने भएकाले कम संख्यामा मात्र घाइतेको उद्धार भइरहेको छ ।'  त्यहीकारण नेपाली सेनाले ४ वटा हेलिकप्टरबाट सोमबार ६५६ जनाको उद्धार गर्दा भारतीय सेनाको ३ हेलिकप्टरले जम्मा ११८ जनाको मात्र उद्धार गर्योर । मंगलबार पनि भारतीय सेनाको हेलिकप्टरले ३२ जनाको मात्र उद्धार गरेको सैनिक जनसम्पर्क निर्देशनालयको विज्ञप्तीमा उल्लेख छ । कति संख्यामा भारतीय सैनिक आए भन्ने तथ्यांक पनि सरकारसंग छैन । अन्तर्राष्ट्रिय विमानस्थलस्रोतका अनुसार हवाई मार्गबाट मात्रै एक हजारभन्दा बढी भारतीय सैनिक काठमाडौं ओर्लिएका छन् । सडकमार्गबाट पनि ५ वटा ट्रक र ४ वटा बोलेरो जिपमा करिव सय जना भारतीय सैनिक भित्रिएका छन् । 'कति जना,कसरी आयौ भनेर उनीहरुलाई कसले सोध्ने ?'एक सुरक्षा अधिकृतले भने । सैनिक प्रवक्ता सहायकरथी जगदीशचन्द्र पोखरेलले भने ६५० को संख्यामा मात्र भारतीय सैनिक आएको तथ्यांक आफूहरुसंग रहेको बताए । विमानस्थल सुरक्षास्रोतले त त्योभन्दा धेरै आएको बताएको छ त भन्ने प्रश्नको उत्तरमा उनले भने, 'कुनै टोलीलाई प्रतिस्थापन गर्न आएको हो कि ?'विमानस्थल सुरक्षास्रोतका अनुसार भारतीय सेनाको विशेष विमानले शनिबारबाटै हरेक दिन ४ वटा उडान भर्ने गरेको छ । ती विमानले उताबाट आउादा सन्चारकर्मी र यताबाट फर्किदा नेपालस्थित भारतीय नागरिकलाई लाने गरेको छ । भारतीय सन्चारमाध्यमले नेपालको भुकम्पबारे व्यापक कभरज गरिरहेका छन् । ती कभरेजमा भारतले मात्र खोजी, उद्धार र राहतको सबै जिम्मेवारी बहन गरेको प्रस्तुति दिने गरिएको छ । 'नेपालके दर्दमे भारत बना हमदर्द'जस्ता विशेष कार्यक्रम तथा समाचार सामाग्री बनाइने गरेको छ ।   यता भुकम्पको चौथो दिन मंगलबारसम्म भारतका साथै चीन, पाकिस्तान, इजरायल, टर्की, नेदरल्याण्ड, श्रीलंका, रुस, बंगलादेश, स्पेन, पोल्याण्ड, सिंगापुर, थाइल्याण्ड, अमेरिका, जापान, मलेसिया, कतारसहितका २० भन्दा बढी मुलुकबाट ४ हजारभन्दा बढी उद्धारकर्ता र राहत सामाग्री आएका छन । तर उचित समन्वय र प्रभावकारी परिचालन हुन सकेको छैन । कतिपय टोली उपत्यका र आसपासमात्र सीमित छन् । त्यसैले भुकम्पबाट अति प्रभावित सिन्धुपाल्चोक, गोरखा, धादिङ, रसुवा, दोलखाका विकट बस्तीमा उद्धार टोली र राहत सामाग्री पुग्न सकेको छैन । प्रहरी उच्चस्रोतका अनुसार आन्तरिक समन्वय पनि ठोस् रुपमा हुन सकेको छैन । विदेशी सम्मिलित उद्धार टोलीलाई सघाउन जाादा सेनाले फकाईदिने गरेको प्रहरी र सशस्त्र प्रहरीको गुनासो छ । तर सैनिक प्रवक्ता पोखरेलले भने प्रक्रियाका कारण सुरुमा विदेशी उद्धारकर्तासंगको समन्वयमा केही समस्या देखिए पनि हाल त्यो पूर्णरुपमा समाधान भएको बताए । आन्तरिक समन्वयको हकमा उनले भने, 'स्थानीय तहमा बुझाईको फरकले एकाध स्थानमा केही समस्या देखिएको होला, अधिकांश स्थानमा त्यस्तो छैन ।' - See more at: http://www.radiokantipur.org/kantipur-diary/15052/%E0%A4%89%E0%A4%A6%E0%A5%8D%E0%A4%A7%E0%A4%BE%E0%A4%B0%E0%A4%AD%E0%A4%A8%E0%A5%8D%E0%A4%A6%E0%A4%BE-%E0%A4%AA%E0%A5%8D%E0%A4%B0%E0%A4%9A%E0%A4%BE%E0%A4%B0-%E0%A4%AC%E0%A4%A2%E0%A5%80/#sthash.VDlI5gPi.dpuf


    0 0

    झन् झन् धेरै शव फेला पर्दै


    महाभूकम्पबाट मारिनेको संख्या ५ 


    हजार ३ सय १० 


    पुगेको छ ।

    पाँच दिन अघिको महाभूकम्पबाट मारिनेको संख्या ५ हजार ३ सय १० पुगेको छ । बुधबार मात्रै विभिन्न प्रभावित स्थानका खण्डहरबाट ९ सय शव निकालिए ।  तीमध्ये राजधानीका विभिन्न स्थानबाट  ४४ शब फेला परेका हुन । 

    सशस्त्र प्रहरी बलले राजधानीका १६ स्थानबाट २८ जनाको शब फेला पारेको जनाएको छ । यस्तै नेपाली सेनाले भारत, चीन र पोल्याण्डको उद्धार तथा खोजी समहुसंग मिलेर १६ शब राजधानीमै फेला पारेको हो ।

     प्रहरी महानिरीक्षक उपेन्द्रकान्त अर्यालले सुरक्षा निकायबीच समन्वय र सक्रियताले मृतकहरुको शब फेला परेको बताए। 

    'उपत्यका भित्र र बाहिर नै उद्धार गर्न नसकिएका प्रसस्त स्थानहरु छन्,त्यहा खोजी गर्न समय लाग्छ,'अर्यालले भने ।

    - See more at: http://radiokantipur.org/kantipur-diary/15064/%E0%A4%9D%E0%A4%A8%E0%A5%8D-%E0%A4%9D%E0%A4%A8%E0%A5%8D-%E0%A4%A7%E0%A5%87%E0%A4%B0%E0%A5%88-%E0%A4%B6%E0%A4%B5-%E0%A4%AB%E0%A5%87%E0%A4%B2%E0%A4%BE-%E0%A4%AA%E0%A4%B0%E0%A5%8D%E0%A4%A6%E0%A5%88/#sthash.EM28C53r.dpuf


    राष्ट्र संकट में,संकट में मनुष्य और प्रकृति भी

    सारे झंडे,सारे रंग मई दिवस के मुक्ति महोत्सव पर राष्ट्रीय झंडे में मिला दें और मुकाबला करें इस केसरिया कारपोरेट कयामत का

    जो भारतीय जनता को गुलामी की जंजीरों में बांधकर भारत माला विदेशी पूंजी के गले में सजाने लगी

    कि मेहनतकशों,कर दो बाबुलंद ऐलान

    मई दिवस से फिर आजादी की लड़ाई जारी है

    पलाश विश्वास

    Appeal for May Day Celebration in Bengali


    हम अंध राष्ट्रवादी नहीं हैं ठीक वैसे ही जैसे हम धर्मोन्मादी फासिस्ट नहीं हैं।लेकिन इस संकट की घड़ी में जब कारपोरेट मुनाफे के लिए बाकायदा संसदीय सहमति से वोटबैंक साधने की शर्त पूरी करके कारपोरेट राजनीति संसदीय सहमति से राज्यसभा में अल्पमत केसरिया कारपोरेट सरकार को दो तिहाई बहुमत की अनिवार्यता  के बावजूद संविधान संशोधन तक पास करके मुक्तबाजारी नरमेध राजसूय के तहत पूरे देश को वधस्थल बनाकर विदेशी पूंजी और विदेशी हितों के हवाले सोने की चिड़िया करने खातिर मनुस्मृति कायदे कानून पास कर रही है एक के बाद एक।


    हमारे पास राष्ट्र के इस संकट पर राष्ट्रीय झंडा लेकर सड़क पर उतरने के सिवाय कोई और विकल्प अनिवार्य जन जागरण अभियान के जरिये आजादी की लड़ाई शुरु करने का नहीं है।क्योंकि पाखंडी राजनीति कारपोरेट फंडिंग के जरिये चलती है और कारपोरेट जनसंहार के खिलाफ उसे खड़ा नहीं होना है।यह लड़ाई आखिरकार आम जनता को ही अपनी आजादी के लिए सत्ता वर्ग के खिलाफ लड़नी है।


    हम अंध राष्ट्रवादी नहीं हैं ठीक वैसे ही जैसे हम धर्मोन्मादी फासिस्ट नहीं हैं।लेकिन इस संकट की घड़ी में जब निरंकुश बेदखली अभियान जारी है।बाबासाहेब को ईश्वर बनाकर उनके संविधान की हत्या हो रही है रोज रोज और ब्रिटिश राज में बाहैसियत श्रमिक कानून जो पास कराये बाबासाहेब ने वे सारे एक मुश्त खत्म कर दिये गये संसदीय सहमति से।विदेशी निवेशकों को 6.4 बिलियन कर छूट,कारपोरेट टैक्स में कटौती ,कारपोरेट कर्ज और उनपर पिछला सारा कर्ज माफ और किसी की भी नौकरी स्थाई नहीं।डिजिटल इंडिया के आईटी सेक्टर में रोजाना हजारों युवाओं को रोजगार से बाहर करने के लिए पिंक स्लिप दिया जा रहा है।


    देश बेचो का इतना पुख्ता इंतजाम है कि मेकिंग इन अब देशी विदेशी पूंजी की बहार के मध्य देश व्यापी सलवा जुड़ुम है या देश बेचो विशेष सैन्य अधिकार कानून है।जनता के मुद्दों पर कहीं जन सुनवाई किसी भी स्तर पर नहीं है।न लोकतंत्र हैं और न कानून का राज।मेहनतकश जनता को बंधुआ मजदूर बनाकर बहुराष्ट्रीय पूंजी के लिए सबसे सस्ता श्रम बाजार बनाया जा रहा है इस देश को,जहां मेहनतकश तबके को न रोजगार और न आजीविका का अधिकार है।


    संगठित क्षेत्रों में भुखमरी के हालात पैदा किये जा रहे हैं।न स्थाई नौकरियां हैं,न नियुक्तियां है,भाड़े के मजदूर बन गये हैं हमारे बच्चे,जिनकी नौकरियां कभी भी खत्म की जा सकती है।


    हमारी जमीन हमसे छिन सकती है।हमारे चारों ओर आपदाओं ने हमें घेर रखा है।


    जल जंगल जमीन प्रकृति और पर्यावरण की नियामतों से बेदखल करने के लिए दुनियाभर के हथियारों का जखीरा है यह मुक्त बाजार और हमारे पास लड़ने के लिए राष्ट्रीय झंडा के अलावा कुछ भी नहीं है।


    नेपाल में हम तक काठमाडू से खबरें आ रही है।ग्राउंडजीरों का हाल जानने के लिए आनंदस्वरुप वर्मा,अभिषेक श्रीवास्तव और अमलेंदु की अगुवाई में एक टीम नेपाल को जा रही है जबकि वहां पहुंच चुके इमरान इदरीस का आंखों देखा हाल ह लगा रहे हैं।

    गौरतलब है कि उत्तर प्रदेश के मुख्यमंत्री अखिलेश यादव के आव्हान पर समाजवादी पार्टी के युवा कार्यकर्ताओं की एक टोली राहत सामग्री लेकर नेपाल पहुंच गई है। इस दल में युवा नेता इमरान इदरीसभी शामिल हैं, जो ग्राउंड जीरो से लगातार अपडेट कर रहे हैं।


    नेपाल में संचार नेटवर्क तहस नहस है और वहां का प्रमुक अखबार कांतिपुर समाचार भी अपडेट नहीं हो पा रहा है।हम कांतिपुर रेडियों से अपडेट ले रहे हैं।गुरखाली हिंदीभाषियों के लिए खासकर उत्तराखंड,सिक्किम और बंगाल के गोरखा इलाकों के लिए अभूझ नहीं है।मराठी और गुजराती की तरह लिपि देवनागरी है.एकबार पढना शुरु करें तो आपको हकीकत समझ में आने लगेगा।


    हम भाषाओं की दीवारों को गिराने की मुहिम चला रहे हैं तो सारे माध्यम हमारे लिए जनसचार माध्यम हैं और सारी कलाओं और विधायों के बारे में हमारी एकमात्र कसौटी उसकी जनपक्षधरता है।बाकी कालजयी शस्त्रीय साहित्य कला से हमारा कुछ लेना देना नहीं है।


    काठमांडु से बाहर हमारे जो मित्र नेपाल भर में है,वे कितने सकुशलहैं,हम बता नहीं सकते।उनसे हमारा संपर्क नहीं हो पा रहा है।मीडिया सिर्फ काठमांडु और पर्यचन स्तल में तब्दील एवरेस्ट तक फोकस कर रहा है।वैसे ही जैसे केदार जलसुनामी के बाद बाकी हिमालय को हाशिये पर रखकर केदार घाटी का युद्धक कवरेज होता रहा है।हूबहू नेपाल में इस वक्त वही पीपली लाइव है।


    नेपाल में राहत और बचाव की राजनीति और राजनय का प्रचार खूब है लेकिन नेपाल ही नहीं,उत्तराखंड,सिक्किम और बंगाल के साथ साथ तिब्बत में मची तबाही की ओर किसी का ध्यान नहीं है।बाकी नेपाल की सिसकियां,कराहें किसी को सुनायी नहीं पड़ रही है,वे भी हमारे डूब में समाहित हैं।यह डूब आखिरकार यह महादेश मुक्तबाजार है।


    बिहार और यूपी के मैदानी इलाकों में मरनेवालों की संख्या गिनते हुुए हम भूल रहे हैं कि भारत माला के जरिये यह कारपोरेट केसरिया सरकार सीमा सुरक्षा के नाम पर बिल्डर माफिया के हवाले करने जा रहा है देश के सबसे संवेदनशील इलाके ताकि वहां फिर टिहरी बांध और ब्रह्मपुत्र बांध जैसे परमाणु बम लगा दिये जाये भूकंप और आपदाओं के नये सिलसिले के लिए।


    हम सुनामी,बाढ़,दुष्काल,भुखमरी,समुद्री तूफान की यादें साल गुजकरते न गुजरते भुला देने केअभ्यस्त हैं और केदार जलसुनामी में मरे लापता स्वजनों की स्मृतियां भी भुला चुके हैं।


    काठमांडु की दिल दहलाने वाली तस्वीरे भी बहुत जल्दी परदे से उतर जाने वाली हैं और नया,और बड़ा भूकंप बिना आवाज मौत की तरह कभी न कभी हमें मोक्ष दिलाने वाला है क्योंकि इस सीमेंट के जंगल में भूकंप रोधक नया बिजनस शुरु होने के बावजूद इस बहुमंजिली सीमेंट की सभ्यता में नैसर्गिक कुछ भी बचा नहीं है।


    अर्थशास्त्री और मीडिया जनसंहार के मोर्चे पर गोलबंद हैं और विध्वंसक एटमी पूंजीवादी विकास से प्रकृति और मनुष्य के सर्वनाश के इस जनसंहरी राजसूय के पुरोहित नये पुरोहित बन गये हैं भूगर्भ शास्त्री विशेषज्ञवृंद भी जो हजारों करोड़ साल का भूगर्भीय इतिहास तो बता रहे हैं,लेकिन हिमालय के उत्तुंग शिखरों और समुंदर की गहराइयों में,हवाओं पानियों में इस कायनात को तबाह करने के चाकचौबंद इंतजाम के तहत लगे परमाणु बमों और न्यूक्लियर रिएक्टरों के जनसंहारी कारपोरेट केसरिया फासिस्ट युद्धतंत्र के विकास के नाम विनाश आयोजन पर सिरे से सन्नाटा बुनते चले जा रहे हैं।


    निजीकरण को विनिवेश के बाद अब पीपीपी माडल कहा जा रहा है।बैंकों के पढ़े लिखे महाप्रबंधक सत्र के अफसरान तक को मालूम नहीं है कि बाबासाहेब की वजह से बने रिजर्व बैंक के सारे अधिकार सेबी को स्थानांतरित हैं और रिजर्व बैंक के सभी स्ताइस विभागों का प्रबंधन कारपोरेट लोगों के हाथों में है।


    बैंक कानून बदलने के बाद भूमि अधिग्रहण कानून,खनन अधिनियम,वनाधिकार कानून समेत  तमाम कायदे कानून बदलकर करीब दो हजार कानूनों को खत्म करने की कवायद करके बिजनेस फ्रेंडली सरकार जो केसरिया कारपोरेट कयामत ला रही है,उससे किसान और मजदूर ही तबाह नहीं होंगे,संगठित क्षेत्रों के मलाईदार लोगों की भी शामत आने वाली है।मसलन सरकारी सारे बैंकों को होल्डिंग कंपनी बनाने की तैयारी है।


    दस पंद्रह साल पहले एअर इंडिया के जो अफसरान कर्मचारी हमें सुनने को तैयार नहीं है,थोड़ा उनका हाल जान लीजिये।एफडीआई विनिवेश राज में किसी सेक्टर में कोई कर्मचारी और बड़का तोप अफसर उतना ही सकुसल है,जितने बंधुआ मजदूर में तब्दील देश की बाकी आबादी।मेहनतकशो के सात लामबंद हुए बिना उनकी भी शामत बस अब आने ही वाली है।


    रेलवे के कर्मचारियों को मालूम ही नहीं है कि पीपीपी विकास और आधुनिकीकरण के बहाने सारे के सारे बुलेटउन्हीके सीने में दागकर रेलवे का निःशब्द निजीकरण हो गया।


    संपूर्ण निजीकरण के इस कारपोरेट केसरिया एजंडा में मारे जाएंगे वे बनिया सकल,खुदरा कारोबारी जिनकी हड्डियां और खून का कार्निवाल आईपीएल ईटेलिंग महमहा रहा है।अरबों जालर की विदेशी कंपनियों के मुकाबले बिजनेस और इंडस्ट्री एकाधिकारवादी बड़े औद्योगिक घरानों के अलावा किसी माई के लाल के लिए असंभव है और टैक्स होलीडे उन्हीं के लिए।आपके यहां तो छापे ही छापे।


    महिलाओं के लिए समांती मध्ययुग की दस्तक है।हिंदूकोड बिल के विरोधी सत्ता में है जो बलात्कार को अपराध नहीं मानते,धर्म और संस्कृति मानते हैं मनुस्मृति के मुताबिक।मनुस्मृति के मुताबिक हर स्त्री शूद्र और यौनदासी है।हमने इस पर अंग्रेजी में विस्तार से लिखा है।कृपया हमारी माताें,बहनें जो अंग्रेजी जानकर,पेशेवर जिंदगी में महिला सशक्तीकरण की खुसफहमी हैं,वे गौर करें की यह फासीवाद कैसे बलात्कार संस्कृति का ही पर्याय है।


    महानगरों की सेहत के लिए गांवों से लेकर घाटियों तक,किसानों मजदूरों से लेकर स्त्रियों,युवाओं,बच्चों और कारोबारियों और पढ़े लिखे कर्मचारियों तक को बलि चढ़ाया जा रहा है जबकि जनपक्षधर बंधुआ मजदूरों में तब्दील मीडिया के चूजा सप्लायक चूजा शौकीन तबके से अलग ईमानदार लोगों की उंगलियां काट ली गयी हैं और उनकी जुबान पर तालाबंद है।


    यह अघोषित आपातकाल है और हम सभी लोग मनुस्मृति गैस चैंबर में सांस सांस के लिये मर मर कर जी रहे हैं।


    तो मेहनकश तबके को अस्मिताओं के राजनीतिक तिलिस्म से बाहर निकालने के लिए,पूरे देश के देशभक्त जनगण को देश बचाने की मुहिम में शामिल करके देश बेचो केसरिया कारपोरेट माफिया राष्ट्रद्रोही गिरोह के साथ सड़क पर मोर्चा जमाने के लिए उनके पारमाणविक युद्ध तंत्र के खिलाफ भारत के राष्ट्रीय झंडे को अपना हथियार बनाने के अलावा हमारे पास कोई विकल्प है ही नहीं।


    हाथ कंगन को आरसी क्या,पढ़े लिखे को फारसी क्या,कृपया गौर करेंः


    सेज अभियान अब स्मार्टसिटी अभियान है।इकोनामिक्स टाइम्स की इस रपट पर गौर करें ते समझ लीजियेगा ,किसके फायदे के लिए किसकी गरदनें दो दो इंच छोटी कर दी जा रही है और फिर भी कहा जा रहा है,दो बालिश्त और कम।

    Apr 30 2015 : The Economic Times (Kolkata)

    A Smart Boost for D-St



    

    

    Investors perturbed over falling Sensex and Nifty may get some solace by focussing on another number likely to be of even greater interest in the coming months and years. This is the combined market cap of cos in cement, construction, consumer electronics, housing finance & cement. At `8.64 lakh crore, the combined value of these cos is about ten times the combined net profit of the Nifty for the year ended March 2015. And the reason why this is interesting should be obvious from the decision taken by the cabinet on Wednesday to clear a massive project to build smart cities.Analysts and fund managers believe that spending boost by govts & local bodies will benefit cos in these six sectors leading, in turn, to higher sales and earnings. Valuations of some of these stocks have become cheap in the recent ongoing stock market slide. Rajesh Mascarenhas brings you some stocks identified by brokerages as among the major beneficiaries of the smart cities programme.


    

    


    http://epaperbeta.timesofindia.com/index.aspx?eid=31817&dt=20150430



    0 0

    नेपाल-मलबे के ढेर में से इंसानी अंग दिखते हैं तो मजबूत कलेजे वाले का भी दिल काँप जाता है


    नई दिल्ली। उत्तर प्रदेश के मुख्यमंत्री अखिलेश यादव के आव्हान पर समाजवादी पार्टी के युवा कार्यकर्ताओं की एक टोली राहत सामग्री लेकर नेपाल पहुंच गई है। इस दल में युवा नेता अजीत प्रताप सिंह भी शामिल हैं, जो ग्राउंड जीरो से लगातार अपडेट कर रहे हैं। अजीत प्रताप सिंह फ्रांस में भले-खासे फ्रोफेशनल थे, नौकरी छोड़कर अखिलेश यादव के सिपाही बन गए। काठमांडू से अजीत प्रताप सिंह की पाती-

    जब हम इंडिया मे थे तो फेसबुक पर RIP लिखना या We are with Nepal लिखना बहुत आसान लग रहा था।

    लेकिन जब यहां आकर देखा तो ढहे हुये मकान, बाहर निकलने के लिये बस स्टेशन पर लगी लंबी लाइनें, राहत सामग्री की गाड़ियों को ताकते बच्चे, सीमित संसाधनों के बीच लगातार राहत कार्य में लगी देशी विदेशी संस्थायें और सबसे दुखद कि इन मलबों के बीच में अपनो को ढूंढती आसुओं भरी बेबस आंखें।

    जब गिरे हुये मलबे के ढेर में से इंसानी अंग दिखते हैं तो मजबूत से मजबूत कलेजे वाले का भी दिल काँप जाता है।

    आज सबसे पहले बस अड्डे पर गये जहां सोनौली एआरएम परशुराम पांडे के मुस्तैदी से ड्यूटी करने के बावजूद यूपी बिहार और आन्ध्र प्रदेश के लोगों का हुजूम था, जिसे हमारे नेता सुनील सिंह यादव और उदयवीर जी ने अपनी सूझ-बूझ से निपटाया।

    काठमांडू से आठ किलोमीटर दूर बसा हुआ खूबसूरत कस्बा साकू पूरी तरह तबाह हो गया था, तीस के आस-पास मौतें हुई थीं और लगभग इतने ही लापता थे, रोती हुई औरतों और बच्चों के आंसू कलेजे को हिला देते थे।

    वहां अग्रजों के कुछ स्थानीय संपर्कों और "दलित आदिवासी सेवा संस्थान"के युवा साथियो के बताने पर एक बहुत ही खूबसूरत, लेकिन उससे भी दुर्गम और उससे भी ज्यादा तबाह "लफसिफेरी"की तरफ बढ़े जो कभी अपनी दुर्गमता की वजह से माओवादियों और उनके नेता प्रचंड का एक सुरक्षित पनाहगार हुआ करता था। आज पूरी तरह बर्बाद था। खुद कंधे पर राहत सामग्री उठाये फिट भर के रास्ते पर चलकर जब युवा साथी ऊपर पहुंचे तो वहॉ के निवासियों की आंखों में भारत के प्रति कृतज्ञता साफ दिख रही थी।

    अजीत प्रताप सिंह

    काठमांडू से

    11188386_10205635505961129_8158699163313115696_n नेपाल-मलबे के ढेर में से इंसानी अंग दिखते हैं तो मजबूत कलेजे वाले का भी दिल काँप जाता है

    नेपाल का आंखों देखा हाल

    11119301_10205635506361139_2094068333707319936_n नेपाल-मलबे के ढेर में से इंसानी अंग दिखते हैं तो मजबूत कलेजे वाले का भी दिल काँप जाता है

    नेपाल से ग्राउंड जीरो रिपोर्ट

    11017850_10205635507161159_4550615526962436581_n नेपाल-मलबे के ढेर में से इंसानी अंग दिखते हैं तो मजबूत कलेजे वाले का भी दिल काँप जाता है

    नेपाल- हर तरफ तबाही

     

    11193327_10205635507601170_5622283666126721273_n नेपाल-मलबे के ढेर में से इंसानी अंग दिखते हैं तो मजबूत कलेजे वाले का भी दिल काँप जाता है

    नेपाल- ग्राउंड जीरो रिपोर्ट

    11164834_10205635505601120_1722478536586014833_n नेपाल-मलबे के ढेर में से इंसानी अंग दिखते हैं तो मजबूत कलेजे वाले का भी दिल काँप जाता है

    नेपाल में अखिलेश यादव की लाल सेना

     

     


    0 0

    जनता परिवार से परेशान संघ परिवार


    जनता परिवार में छह दलों समाजवादी पार्टी, जेडीयू, आरजेडी, जेडीएस, आईएनएलडी और समाजवादी जनता पार्टी के विलय का एलान हो गया है। मुलायम सिंह यादव के घर पर शरद यादव, नीतीश कुमार, लालू प्रसाद यादव, एचडी देवेगौड़ा, अभय चौटाला सहित अन्य नेताओं की बैठक हुई, जिसके बाद जनता परिवार के विलय की घोषणा करते हुए शरद यादव ने कहा कि मुलायम सिंह यादव नए दल के अध्यक्ष होंगे। पार्टी के नाम और चुनाव चिन्ह की घोषणा बाद में की जाएगी।

    यह नया राजनीतिक घटनाक्रम ऐसे समय में सामने आया है, जब कुछ ही महीने बाद बिहार विधानसभा का चुनाव है, जबकि 2017 में उत्तर प्रदेश विधानसभा का चुनाव होना है। दोनों ही राज्यों में जनता परिवार मोदी जी की भारतीय जनता पार्टीके लिए मुसीबत बनने जा रहा है। जम्मू-कश्मीर से मोदी के रथ को लगाम लगाने का जो सिलसिला शुरू हुआ वह यूपी-बिहार में भी दोहराया जाता दिखाई दे रहा है। उप्र और बिहार में हुए उपचुनावों में भाजपा को इसी जनता परिवार ने जबर्दस्त पटखनी दी थी। यही कारण है कि भाजपा इस विलय का जहां मजाक उड़ा रही है, वहीं उसके माथे पर पसीना साफ देखा जा सकता है।

    विलय के बाद जहां आरजेडी अध्यक्ष लालू प्रसाद यादव ने हममें से किसी के मन में कोई अहंकार नहीं है। वहीं बिहार के मुख्यमंत्री नीतीश कुमार ने कहा कि नया दल देश की राजनीति को नई दिशा देगा। तो जनता परिवार विलय पर मुलायम सिंह यादव का कहना है कि, हम अपने स्तर पर आपकी समस्याओं का समाधान करेंगे, चाहे सरकार करे या न करे। यह एका मजबूत रहेगा और जनता की भावनाओं का ख्याल रखेगा। जनता परिवार विलय पर मुलायम सिंह यादव ने मीडिया को संबोधित करते हुए कहा कि, जनता की मांग थी कि हम एक हो जाएं।

    बीजेपी ने जनता परिवार के विलय पर चुटकी लेते हुए कहा है कि एक म्यान में तीन-चार तलवार कैसे रह सकती हैं। तो केंद्रीय मंत्री और लोक जनशक्ति पार्टी (एलजेपी) सुप्रीमो रामविलास पासवान ने जनता परिवार के छह दलों के विलय पर कटाक्ष करते हुए कहा कि अगर सौ लंगड़े मिल जाएं, तो भी वे पहलवान नहीं बन सकते हैं।

    भाजपा और उसके सहयोगी दलों की यह प्रतिक्रियाएं, दर असल उसकी बेचैनी को ही प्रदर्षित कर रही हैं। और अगर भाजपा परेशान नहीं है तो उसे कोई प्रतिक्रिया देने की आवश्यकता ही नहीं थी। जनता परिवार के विलय पर भाजपा की परेशानी को समझा जा सकता है। दरअसल मोदी सरकार का राज्यसभा में अल्पमत है, जिसके कारण उसके पूंजीपतियों को फायदा पहुंचाने वाले और देश की बहुमूल्य संपदा की खुली लूट की छूट देने वाले विधेयक राज्यसभा में अटक जाते हैं। इससे निजात पाने का उसके पास एक ही रास्ता बचता है कि वह बिहार, बंगाल और उत्तर प्रदेश जैसे बड़े राज्यों में सत्ता में आए और राज्यसभा में अपना बहुमत बनाए। तभी भाजपा उन पूंजीपतियों की खुले हाथ से सेवा कर पाएगी, जिन्होंने उसे चुनाव में आर्तिक सहयोग दिया था और मीडिया के सहयोग से मोदी लहर पैदा की थी। यह जनता परिवार दरअसल भाजपा के इस एजेंडे में बाधक बन सकता है। हालांकि जनता परिवार के लोगों का अतीत भी इस संबंध में दागदार रहा है और उन्होंने भी न केवल एनडीए और यूपीए दोनों सरकारों में पूंजीपतियों के एजेंडे कभी खुलकर और कभी लुके-छिपे लागू करवाए हैं बल्कि परोक्ष-अपरोक्ष रूप से भाजपा का समर्थन भी किया है। नीतीश और शरद यादव तो बाकायदा लगभग दो दशक तक भाजपा के सहयोगी रहे हैं, चौटाला और देवेगौड़ा के पुत्र भी भाजपा के सहयोगी रहे हैं। हां लालू प्रसाद यादव और मुलायम सिंह यादव कभी भी भाजपा के सहयोगी नहीं रहे। लेकिन फिलहाल जो परिस्थितियां बन रही हैं उनमें शायद इन लोहिया और जयप्रकाश के चेलों को यह आभास हो गया है कि अगर एकजुट न हुए तो हमेशा के लिए खत्म हो जाएंगे। यही कारण है कि विलय करने वाले सभी दलों ने अपने अहम को किनारे रखकर यह कदम उठाया है। इस विलय के पीछे की असल मंशा को मीडिया से कहे गए मुलायम सिंह के शब्दों से समझा जा सकता है कि एक नया काम बताइए जो इस नई सरकार ने किया हो। बड़े बड़े वायदे किए, लेकिन कर कुछ नहीं पाए। यह पहली सरकार है जिसने विपक्षी दलों की राय नहीं ली।

    हालांकि मुलायम सिंह यादव को इस विलय की आवश्यकता नहीं थी, क्योंकि उत्तर प्रदेश में न तो नीतीश या लालू अथवा चौटाला या देवेगौड़ा का कोई वजूद है न असर लेकिन बिहार के संदर्भ में यह विलय काफी महत्वपूर्ण है। फिर भी अगर मुलायम सिंह इस विलय पर तैयार हुए हैं तो गंभीरता को समझा जा सकता है, जबकि शेष सभी नेताओं ने वो चाहे लालू हों या नीतीश शरद या देवेगौड़ा, सभी ने मुलायम सिंह यादव को अतीत में जबर्दस्त व्यक्तिगत नुकसान पहुंचाए हैं।

    जनता परिवार के विलय पर बीजेपी की टिप्पणियों पर पलटवार करते हुए बिहार के मुख्यमंत्री नीतीश कुमार ने कहना कि छह पार्टियों का एक साथ आना बीजेपी के लिए 'विनाशकारी'साबित होगा, लफ्पाजी नहीं है। नीतीश के वक्तव्य से सहमत हुआ जा सकता है कि, बीजेपी को यह पता नहीं है कि वह जिस विलय का मजाक उड़ा रही है, वह उनके लिए विनाशकारी साबित होगा। वास्तव में, उनके नेता मजाक नहीं उड़ा रहे हैं, वे विलय के चलते अपने अवचेतन मस्तिष्क में मौजूद भय का प्रदर्शन कर रहे हैं।

    दरअसल जनता परिवार उन पिछड़ी जातियों का प्रतिनिधित्व करता है जिनका उत्तर प्रदेश, बिहार, हरियाणा में बोलबाला है। आजादी के बाद से पिछड़ी जातियां इन समाजवादी धारा के दलों के साथ एकजुट रही हैं। "अजगर"यानी अहीर-जाट-गूजर-राजपूत का समीकरण गैर-कांग्रेसवाद का आधार स्तंभ रहा है। विगत लोकसभा चुनाव में भाजपा ने नरेंद्र मोदी को अपना चेहरा बनाकर इन पिछड़ी जातियों में सेंध लगाने में सफलता पाई थी, लेकिन बहुत जल्द ही पिछड़ी जातियों को भाजपा की असलियत समझ आने लगी है। भाजपा की इस जनता परिवार से असल परेशानी का सबब यही है कि इस परिवार के विलय के बाद अकेले यादव और कुर्मी ही एकजुट हो गए तो अल्पसंख्यक मतों के साथ मिलकर यह भाजपा को यूपी और बिहार दोनों राज्यों में धूल चटा देंगे। यही कारण है कि भाजपा अपनी परेशानी का इजहार इस विलय का मजाक उड़ाकर कर रही है तो दूसरी ओर उसके दो सहारे रह गए हैं एक- असदउद्दीन ओवैसी की एमआईएम और दूसरे अरविंद केजरीवाल की आम आदमी पार्टी। भाजपा इन दोनों दलों को प्रमोट करके इस जनता परिवार का नुकसान करके अपनी बढ़त बनाने का जुगत बना रही है। लोकसभा चुनाव में भी अरविंद केजरीवाल ने भाजपा की अप्रत्यक्ष मदद की थी और महाराष्ट्र के नतीजे बताते हैं कि वहां भी भगवा झंडा फहरवाने में ओवैसी की एमआईएम की महत्वपूर्ण भूमिका रही। हाल ही में महाराष्ट्र में भाजपा-शिवसेना ने ओवैसी को आगे करके कांग्रेस के नारायण राणे जैसे मजबूत नेता को हरवा दिया।

    भाजपा की परेशानी यह भी है कि उसने जिस तरह से सीबीआई के जरिए ममता बनर्जी को साधा, उसका वह तरीका अब इन जनता परिवार के नेताओं को साधने में कामयाब नहीं हो सकता। यदि ये अलग-अलग होते तो सीबीआई के सहारे सबको नियंत्रित किया जा सकता था, लेकिन एकजुट होने पर अब सीबीआई का इस्तेमाल करना थोड़ा मुश्किल हो जाएगा। पासवान का कहना ठीक है कि सौ लंगड़े मिल जाएं, तो भी वे पहलवान नहीं बन सकते हैं, लेकिन मुश्किल यह है कि छह पहलवानों के मिलने पर सीबीआई भी लंगड़ी हो सकती है।

    अमलेन्दु उपाध्याय

     

    10455692_794184533997170_6217788703919388596_n जनता परिवार से परेशान संघ परिवार

    About The Author

    अमलेन्दु उपाध्याय लेखक वरिष्ठ पत्रकार व राजनीतिक विश्लेषक हैं। हस्तक्षेप.कॉम के संपादक हैं।

    0 0

    'जातिवादी समाज गुलामी, रंगभेद से बदतर' : अरूंधति राय


    नई दिल्‍ली 30 अप्रैल। अरूंधति राय ने कहा है कि जातिवाद से ग्रस्त समाज, गुलामी और यहां तक कि रंगभेदी समाज से भी बदतर है।

    Arundhati-Roy-makes-point-at-FP-6th-anniversary_-L-R-Adv-Arvind-Jain-MP-Ali-Anwar-Prof-SS-Bechain-Roy-Ramnika-Gupta_29-April-2015_270-KB-copy-300x200 'जातिवादी समाज गुलामी, रंगभेद से बदतर' : अरूंधति राय

    नई दिल्ली स्थित कांस्टीटयूशन क्लब में 29 अप्रैल को भारत की पहली पूर्णतः हिंदी-अंग्रेजी द्विभाषी पत्रिका फारवर्ड प्रेस की छठवीं वर्षगांठ पर आयोजित कार्यक्रम में अरुंधति राय

    वे नई दिल्ली स्थित कांस्टीटयूशन क्लब में 29 अप्रैल को भारत की पहली पूर्णतः हिंदी-अंग्रेजी द्विभाषी पत्रिका फारवर्ड प्रेस की छठवीं वर्षगांठ पर आयोजित कार्यक्रम में बोल रहीं थीं। ''बहुजन राजनीति और साहित्य का भविष्य''विषय पर केन्द्रित इस कार्यक्रम में अनुप्रिया पटेल, रामदास अठावले, अली अनवर, रमणिका गुप्ता, ब्रजरंजन मणि, श्योराज सिंह बेचैन, जयप्रकाश करदम, सुजाता परमिता व अरविंद जैन सहित कई प्रतिष्ठित व्यक्तियों ने हिस्सेदारी की।

    राय ने फारवर्ड प्रेस की चौथी बहुजन साहित्य वार्षिकी का लोकार्पण करने के बाद कहा''यह एक महत्वपूर्ण विचार है''। वे बहुजन साहित्य व अन्याय- जनित क्रोध से जातिवाद का मुकाबला करने के विचार की बात कर रहीं थीं। उन्होंने कहा कि यह लड़ाई लड़ते हुए भी हमें अपने दिलों में ''न्याय, प्रेम, सौन्दर्य, संगीत व साहित्य को संजोकर रखना चाहिए''और इस लड़ाई को ''कड़वाहट से भरे बौने बने बिना''लड़ना चाहिए।

    आल इंडिया पसमांदा मुस्लिम महाज के मुखिया अली अनवर ने कहा कि पसमांदा, बहुजन पहले हैं और मुसलमान बाद में। ''हम अल्पसंख्यक नहीं कहलाना चाहते। हम तो बहुजन हैं'', उन्होंने कहा। वे रामदास अठावले के इस प्रस्ताव पर चकित थे कि ऊँची जातियों के आर्थिक दृष्टि से कमजोर तबके को भी आरक्षण का लाभ मिलना चाहिए। उन्होंने कहा कि हम इस तरह के किसी भी निर्णय के लिए ''मानसिक दृष्टि''से तैयार नहीं हैं। उन्होंने कहा कि केवल सामाजिक व शैक्षणिक पिछड़ापन ही आरक्षण का आधार होना चाहिए।

    ''डी-ब्राहमनाईंजिग हिस्ट्री''के लेखक ब्रजरंजन मणि ने ''सामाजिक प्रजातंत्र''की बात कही और बहुजनों के बीच ''मुक्तिदायिनी एकता''पर जोर दिया।

    फिल्म निर्माता सुजाता परमिता ने कहा किदलित-बहुजन इतिहास में संस्कृति के पुत्र रहे हैं परंतु धर्म का इस्तेमाल उन्हें दास बनाने और उनकी संस्कृति को उनसे छीनने के लिए किया गया।

    अनुप्रिया पटेल ने कहा कि अगर दमित समुदाय शिक्षित हो जाएगा तो उनके नेता समझौते करना बंद कर देंगे।

    श्योराज सिंह बेचैन ने कांशीराम से उनकी चर्चा का स्मरण किया। यह तबकी बात है जब बसपा, उत्तरप्रदेश में भाजपा के साथ मिलकर पहली बार अपनी सरकार बनाने जा रही थी। बेचैन ने कांशीराम को सलाह दी कि सत्ता के पीछे दौड़ने की बजाए उन्हें एक पत्रिका शुरू करनी चाहिए क्योंकि ''सामाजिक शक्ति, सांस्कृतिक शक्ति व बौद्धिक शक्ति''ही बहुजनों का सही अर्थों में सशक्तिकरण करेगी।

    इस मौके पर द्वितीय महात्मा जोतिबा व क्रांतिज्योति सावित्रीबाई फुले बलीजन रत्न सम्मानों सेब्रजरंजन मणि, ए. आर. अकेला (कवि, लोकगायक, लेखक व प्रकाशक) व डॉ हीरालाल अलावा (सीनियर रेसिंडेट, एम्स व जय आदिवासी युवा शक्ति के संस्थापक) से सम्मानित किया गया।


    न्हें भी पढ़ना न भूलें


    0 0

    Now ONGC is tagged with Reliance.


    Even after Tsunami on Indian sea coast line and Himalayan tsunami in Uttarakhand,even after Nepal earthquake and waiting for yet a series of more earthquake in the Himalayas,the business friendly RSS governance has made topmost priority to make India and the geopolitics radioactive killing field.

    Arun Jaitley exempts foreign investors from MAT; simple income tax returns form on way!

    Hindutva agenda of fascism is the reform agenda of ethnic cleansing! 

    Palash Biswas

    business

    Hindutva agenda of fascism is the reform agenda of ethnic cleansing! Latest cabinet decisions proved it beyond doubt.Rating agencies insist that the emerging make economy should be opened up with its doors and windows ajar to make this country a fascist gas camber.Rating is linked with reforms,pardon ,no with the so much so hyped growth rate!


    Arun Jaitley exempts foreign investors from MAT; simple income tax returns form on way!


    Rating is linked with reforms,pardon ,no with the so much so hyped growth rate!Arun Jaitley offered tax relief to FIIs and announced that an "extremely simplified" income tax returns form will soon replace the controversial ITR.


    Celebration times for all the money machines as Global agency Moody's today said any upgrade in India's sovereign rating will depend on implementation of policies by its leaders to improve business environment for private sector and for infrastructure growth.Mind you,Moody's, which has given the lowest investment grade rating to India, named regulatory complexity and weak social and physical infrastructure as challenges before the country.

     

    Sujh -boojh ki corporate Kesaria RSS governance of business friendly government is all set to install ten more Nuclear plants for which PM Modi toured the developed world and struck deals with different nations as United State of America relaunched its production units to supply India nuclear reactors.


    Nepal Earthquake is being misused to make the strategically very very important Himalayas as permanent war zone beyond borders killing man and nature.Government of India has taken over the governance there as RSS network has been deputed to lead the rescue and relief operation.


    Mind you,With Modi seated beside him in Lok Sabha, Jaitley took potshots at Gandhi and Congress who have been targeting the Prime Minister for his frequent foreign tours. 


    Mind you,Jaitley replies to Rahul's jibe, says this is 'sooj-boojh ki sarkar'!


    Even after Tsunami on Indian sea coast line and Himalayan tsunami in Uttarakhand,even after Nepal earthquake and waiting for yet a series of more earthquake in the Himalayas,the business friendly RSS goevrnance has made topmost priority to make India and the geopolitics radioactive killing field.


    Thus,fifty smart cities get the cabinet clearance with full tax holiday for foreign investors and interests.The tax forgone is not a part of revenue and financial deficit statics at all nor the militarization of the state,privatization of defense and the arms shopping have to be considered to manage Indian Economy.


    Crashing oil prices have made a Khulla Khel Farrukhabadi for money spinning hegemonisal ruling class as corporate taxes relaxed.


    Now Reliance gets the permission to develop oil discobveries and the decision is justified as ONGC is tagged with it.Media reports say that the government has removed a key regulatory hurdle that virtually prevented the start of production in a dozen natural gas discoveries, a move that would allow ONGC and Reliance Industries, the country's two largest hydrocarbon producers, to try and monetise an estimated 90 billion cubic metres of gas.


    ONGC his on top in the disinvestment list since Arun Shourie times and ONGC discoveries have been gifted away to desi videsi companies.Now ONGC, to be sold off sooner or later, is tagged with Reliance.


    While these gas reserves at the current market price of domestic gas — $4.66 per million British thermal units on a gross calorific value basis — are worth more than Rs 1 lakh crore, the firms have been given three options regarding the regulatory requirement of conducting drill stem tests (DSTs) at the discovery sites. Practically giving relief to the firms from the Directorate General of Hydrocarbon's (DGH) diktat that DST is mandatory for commencement of production, the Cabinet Committee on Economic Affairs (CCEA) on Wednesday allowed the developers not to perform the expensive DST, but at their own risk, implying that any obligations arising out of a shortfall in output would have to be borne by them.Indian Express reports.


    Seeking to calm investor jitters, Finance Minister Arun Jaitley today offered tax relief to FIIs by exempting some of their income from MAT and announced that an "extremely simplified" income tax returns form will soon replace the controversial 14-page ITR that sought details of all bank accounts and foreign trips.


    Replying to the debate on the Finance Bill, 2015, in Lok Sabha, he said Prime Minister's social security schemes will be exempt from service tax and also tinkered with indirect tax rates on raw silk, iron ore and rubber.


    With funds fleeing India as the row over 20 per cent minimum alternate tax (MAT) on capital gains they made in past three years escalated, Jaitley offered relief by exempting income foreign firms earned from securities transactions and interest, royalties and fees for technical service from MAT.


    The exemption would apply only in those cases where the normal tax rate is below 18.5 per cent.


    He, however, offered no relief retrospectively as has been demanded by foreign portfolio investors.


    The rules for the application of MAT for real estate investment trusts were also eased.


    Later, the Finance Bill was passed by voice vote, bringing to close the three-stage budget process in the House.


    On the indirect tax side, export tax on low-grade iron ore was cut to 10 per cent from 30 per cent, in a bid to boost shipments of the steelmaking raw material from Goa.


    The new duty structure will be applicable from June 1, Jaitley said.

    Referring to the controversial new ITR form, he said an "extremely simplified" income tax return form will soon be brought.


    "I am having the entire matter reviewed and very soon you will hear an extremely simplified procedure coming for us," he said. "Recently, a controversy did come up. There is an old income tax form of 12 pages which was made thirteen-and-half pages. I was out of the country when this was done, I had it stopped."


    Buying peace with RBI, Jaitley dropped plans for the time being to strip the central bank of powers to regulate government bonds and give it to an independent agency.


    Jaitley sought the cooperation of the opposition for reforms measures like Land Acquisition Bill saying the country needs to take advantage of the global situation to push growth.


    "If we can put our house in order and put an end to political obstructionism, if states can come together, that will add to national growth rate," he said.


    He exempted service tax on life insurance business provided under Pradhan Mantri Jeevan Jyoti Bima Yojana and Pradhan Mantri Jan Dhan Yojana as well as on general insurance business under the Pradhan Mantri Suraksha Bima Yojana and the services provided by contribution collecting agencies in the Atal Pension Yojana.


    He raised the basic customs duty on natural rubber from 20 per cent or Rs 30 per kg, whichever is lower, to 25 per cent or Rs 30 a kg, which ever is lower.


    Stating that MAT on FIIs has been done away with from April 1, 2015, the Finance Minister said the issue regarding levy of the tax in past cases was now pending in Supreme Court.


    "Yesterday, the matter was mentioned. The Supreme Court has said they will fix up after the summer vacation some date of hearing and that is not an issue I have announced today," he said.


    With a view to provide a level playing field to domestic defence manufacturers in private sector viz-a-viz public sector, he withdrew the excise duty exemption available to defence PSUs and ordinance factory boards.


    "I propose to withdraw the exemption of additional duty of customs, CVD and SAD in certain cases. These imports will however continue to remain exempt from basic customs duty," he said adding direct import of such goods by Central and state governments will remain exempt from customs duty.

    The changes will become effective from June 1, 2015.


    The new ITR had been criticised by the industry and MPs as they felt it impinged on the individual's privacy by seeking details of all bank accounts and foreign travel.


    As it stands, the new ITR forms, including the ITR-1 and ITR-2, require an assessee to furnish the number of bank accounts held by the individual "at any time (including opened/closed) during the previous year" with the last balance in the account on March 31 of the just-concluded fiscal.

    The assessee will also have to furnish the name of the bank, account numbers, their address, IFSC code and any possible joint account holder.


    Indian Express reports:The CCEA said if the developers opt to do the DST, then the only 50 per cent of the recovery of the cost of the test that runs into millions of dollars would be allowed, subject to a cap of $15 million. Of course, the two firms, which have six discoveries each stuck over the dispute with DGH, can relinquish these discoveries, mostly located in the Krishna-Godavari (KG) Basin. "If the contractor does not opt for any one of these options suggested above within 60 days of the CCEA approval, then the area encompassing these discoveries shall automatically be relinquished," the government said.


    This will "settle the long-pending issue with regard to 12 discoveries in five blocks pertaining to ONGC and RIL but will also establish a clear policy for the future", the government said. The policy relaxation will also bring transparency and uniformity in decision-making, obviating the current case-by-case approach, it added.


    On December 18, 2014, this paper reported that the Cabinet would take a call on policy on test requirements for oil and gas finds. The DGH had turned down three out of 14 discoveries submitted by ONGC in its KG Basin blocks — KG-DWN-98/2 and G4 — because the PSU explorer did not conduct the DST. In 2010, RIL too faced a problem when its three gas discoveries (D29, D30 and D31) in its KG-D6 block were not given the go-ahead by the DGH on the grounds of the firm not doing the DST.



    राष्ट्रीय झंडे के साथ कोलकाता से शुरु हो चुकी है आजादी की लड़ाई!

    मेहनतकशों को इस कारपोरेट केसरिया फासिस्ट मनुस्मृति सत्ता के खिलाफ गोलबंद करके हम यकीनन देश जोड़ेंगे,गुलामी की जंजीरें तोड़ेंगे!

    उनके एटमी सैन्यतंत्र,सलवाजुड़ुम और आफसा के खिलाफ हमारा हथियार भारत का राष्ट्रीय झंडा,झंडा ऊंचा रहे हमारा,मां तुझे सलाम!

    पलाश विश्वास

    राष्ट्रीय झंडे के साथ कोलकाता से शुरु हो चुकी है आजादी की लड़ाई।


    मेहनतकशों को इस कारपोरेट केसरियाफासिस्ट मनुस्मृति सत्ता के खिलाफ गोलबंद करके हम यकीनन गुलामी की जंजीरें तोड़ेंगे।


    जब कोलकाता में मई दिवस का जुलूस निकालने के लिए देर रातदफ्तर से वापसी के बावजूद सुबह साढ़े सात बजे ही चाय पीकर तैयार होने लगा ,तभी बसंतीपुर से फोन आया भाई पद्दो का,कल रात भी आंधी पानी का तांडव रहा यूपी उत्तराखंड की तराई में।वह जानमाल के नुकसान का ब्यौरा देने की हालत में नहीं था।


    फसलों की व्यापक  बरबादी के बारे में उसने जुरु फिक्र जताई और गांव में कुछ घरों के गिर जाने की सूचना भी दी।


    कोलकाता से लौटकर तीन बजे टीवी पर समाचार देखा तो फिर भूकंप की खबर।इस बार उत्तर भारत के खेतों और खलिहानों में इतना कहर बरपा है कि देश अनाज के दाने दाने के लिए तरसने वाला है और सुंदरलाल जी की चेतावनी याद आ गयी कि इस महादेश में भविष्य में अन्न का  उत्पादन बंद होने वाला है।


    विध्वंसक विकास का सच मुंह बांए खड़ा है।


    सुंदर लाल जी ने अरसे से अन्न त्याग दिया है और हिमालय में उकी दौड़ भी बंद हो चुकी है।


    हम क्या करें?


    घरों और मकानों को भूकंप रोधक बनाने का जो अभियान चला है काठमांडु में भूकंप की आड़ में तेज से तेज हो रहे हिंदू महादेश बनाने के संघ परिवार के मिशन के साथ,उससे प्रोमोटरं बिल्डरों के लिए बिलियन बिलियन डालर मुनाफा कमाने का नयाकेल जरुर शुरु होने वाला है,लेकिन विध्वंसक विकास का यह सिलसिला,सुंदर वन और मैनग्रोव को उजाड़ने का,चप्पे चप्पे पर परमाणु संयंत्र लगाने का और हिमालय समेत देश के प्राकृतिक भगोल को विदेशी पूंजी और विदेशी हितों के हवाले करने का सोने की चिड़िया आखेट देश बेचो नरसंहारी अश्वमेध के घोडो़ं की लगाम थामने के लिए हमने कुछ नहीं किया तो कोई भूकंपरोधक बिजनेस और भूगोल हमें इस कयामत से नहीं बचाने वाला है और राहत और बचाव के लिए दौड़ने वाले चेहरे भी बचे नहीं रहेंगे।


    कभी बीटी रोड के दोनों तरफ कारखाने हुआ करते थे।कभी रात दिन जागर हुआ करता था बीटी रोड और हुगली के दोनों किनारे।


    कभी देस से कोलकाता कमाने आने वाले पति के विछोह में चंपा त्रिलोचन शास्त्री के शब्दों में कोलकाता पर वज्र गिरे अभिशाप देती थी।


    आज उस शिल्पांचल और बंगाल के तमाम कलकारखाने बंद हैं जो बंगाल में कृषि को स्रवोच्च वरीयता देने के दौर में चालू थे और जिस वजह से कोलकाता देश को रोजगार देने का सबसे बड़ा केंद्र था।


    आज उसी कोलकाता से ट्रेनों में भर भर कर देश के कोने कोने में रोजगार की खोज में, मजदूरीकी तालश में लाखों बच्चे और जवान निकलते हैं।


    कभी मई दिवस पर कोलकाता का रंग लाल हुआ करता था।आज सवेरे सवेरे कोई लाल झंडा कहीं नहीं दिखा न बीटी रोड के किनारों पर और न कोलकाता में।


    जबकि अभी अभी कोलकाता में चुनाव की राजनीति का जश्न झंडों की टकराहट का सिलसिला बनायेहुए हैं और झंडों को लेकर लोग अपने स्वजनों को अब भी लहूलुहान कर रहे हैं।


    एक दिन पहले बहुत कामयाब बंगाल बंद हो गया।कामयाब रहा परिवहन हड़ताल।लेकिन मई दिवस पर कोई जुलूस कमसकम हमें नहीं दिखा।


    मेट्रो चैनल पर जमावड़ा दस से साढ़े दस बजे करने का तय हुआ था और वहां हम नौ बजे बपहुंचकर देखते हैं कि तृणमूलियों ने पूरा इलाका दखल किया है।


    चारों तरफ ममता बनर्जी के पोस्टर,बैनर और तृणमूल के झंडे लगे हुए हैं।हमने बाकायदा पुलिस और प्रशाससन से परमिशन लिया हुआ था जबकि सत्ता को कई परमिशन नहीं चाहिए।कोलकाता में फिलहाल लोकतंत्र का यही नजारा है।


    इसी स्थान पर नंदीग्राम और सिंगुर में भूमि अधिग्रहण के खिलाफ ममता बनर्जी ने महीनों तक धरना दिया था और यहीं उन्होंने अनशन किया था। तब हमारा दफ्तर पास ही राजभवन से सटे डलहौजी इसलाके में था और हम बहुत फिक्र में थे कि कहीं ममता पर हमला न हो जाये।


    रोज रात दफ्तर से निकलकर मेट्रो चैनल पर आमरण अनशन पर बैठी ममता बनर्जी को देखते हुए हम घर लौटते थे।


    तब बुद्धदेव भट्टाचार्य की सरकार,उनकी पुलिस और उनकी पार्टी ने उन्हें वहां से बेदखल करने की कोई कोशिश नहीं की।


    भूमि आंदोलन की पूंजी और बाजार की पूंजी की सारी ताकतों के समर्थन से मां माटी मानुष की सरकार की मुख्यमंत्री बनने के बाद उसी मेट्रो चैनल पर पुलिस पहरा चौबीसों घंटे हैं और मे्ट्रो चैनल अब पुलिस चौकी है।


    हम पुलिस और प्रशासन से परमिशन लेने के बावजूद उस जगह से बेदखल थे और मुट्ठीभर तृणमूली बाहुबलियों ने इलाका दखल कर रखा था।


    मुट्ठीभर लोग आये और गाड़ियों के काफिले के साथ राज्यसभा सांसद और इंटक तृणमूल की राष्ट्रीय अध्यक्ष दोला सेन पहुंची तो चैनलों के कैमरे सजे हुए थे।उनने अपना वक्तव्य मीडिया को दिया और साथ साथ तृणमूलियों ने एक दूसरे के हाथ में लाल धागा बांधा।


    फिर पुलिस चौकी में कुछ देर आराम करने के बाद उनका भाषण हुआ और तृणमूलियों का मई दिवस खत्म।


    कामरेड तो कहीं थे ही नहीं मौके पर।

    होते तो उन्हें वे मई दिवस मनाने कीइजाजत यकीनन नहीं देते।


    हम मानते हैं कि कल कारखानों में हमारे कामरेडों ने भव्य तरीके से  मई दिवस मनाया होगा।लेकिन सचफिर भी यही है कि कोलकाता की सड़कों पर हमारे कामरेड जैसे दिखा करते थे,मई दिवस पर वे अनुपस्थित थे।


    हमने थोड़ा हटकर जमावड़ा किया और ठीक साढ़े दस बजे उनके कुछ दर्जन लोगों के और मीडिया के तितर बितर हो जाने के बाद पहली बार बाबासाहेब बीआर अंबेडकर और लोखांडे की तस्वीरों के साथ,राष्ट्रीय झंडों के साथ अपना जुलूस शुरु किया।


    हमारे आगे पुलिस की गाड़ियां,हमारे पीछे पुलिस की गाड़ियां,हमारे दोनों तरफ पैदल पुलिसकर्मी स्त्री पुरुष और हम आर्थिक सुधारों के खिलाफ,मुक्तबाजार के खिलाफ और मनुस्मृति शासन के खिलाफ  नारे लगाते हुए बाबासाहेब जिंदाबाद,लोखंडे जिंदाबाद ,मेहनतकशों की एकता जिंदाबाद और मई दिवस जिंदाबाद के नारों के साथ कड़ी धूप में तमाम श्रमिक संगठनों के नेताओं समर्थकों,बहुजन संगठनों के कार्यकर्ताओं नेताओं,मेहनतकश स्त्रियों और उनके बच्चों के साथ एस्पेलेनड में लाखों आंखों के सामने से निकलकर रेड रोड पर कूच करते हुए बाबासाहेब अंबेडकर की मूर्ति के सामने जमा होकर लगभग तीन घंटे तक आर्थिक मुद्दों पर मेहनतकश तबके के हक हकूक पर बैठक करते रहे खुले आसमान के नीचे कड़कती धूप में।


    हमने निनानब्वे फीसद जनता की आजादी की लड़ाई का ऐलान कर दिया है और मुक्तबाजारी मनुस्मृति शासन के खिलाफ राष्ट्रीय झंडे के साथ फासिस्ट

    सैन्यतंत्र के खिलाफ लगातार सड़कों पर उतारने का ऐलान भी कर दिया।


    सभी संगठनों के प्रतिनिधि,सभी तबके के लोगों,बंगाल और झारखंड के विभिन्न इलाकों से आये लोगों,छात्रों और महिलाओं ने गुलामी की जजीरें तोड़ने के लिए पहचान और राजनीति को तिलांजलि देते हुए राष्ट्रीय झंडे के साथ राष्ट्रद्रोही देशबेचो सत्ता वर्ग के खिलाफ हर देशभक्त भारतीय को साथ लेकर देश जोड़ने का जनजागरण अभियानशुरु करने का ऐलान कर दिया है।


    हम वक्ताओं का नाम जानबूझकर नहीं दे रहे हैं।


    हर भारतीय स्वतंत्र और संप्रभू नागरिक इस नेशनल सोशल मूवमेंट का नेता है और वे अपने अपने इलाकों में मेहनतकश तबकों को संगठित करके सड़क पर उतारने की तैयारियां करेंगे,इसलिए कोई नेता हम पैदा नहीं कर रहे हैं।


    हमार संख्या मई दिवस मनाने वाले सत्ता समर्थकों से बहुत ज्यादा थी और रिप्रेजेंडिडिव थी,जो दूर दराज के इलाकों से ट्रेनों और बसों से और कोलकाता के विभिन्ऩ इलाकों से पैदल भी आये।उनेक लिए न चाय का बंदोबस्त था और न लंच का कोई पैकेट था।


    उन्होंने बहरहाल कोलकाता में  बदलाव की जंग की शुरुआत का इतिहास रच दिया।


    हमारी संख्या आज भले ही कम हो,दोश के कोने कोने से जब मेहनतकशों की आवाज गुजेंगी तो यकीनन इस कयामती मंजर के खिलाफ  सुनामी और फासीवादी मुक्तबाजारी मनुस्मृति नस्ली वर्णवर्चस्वी सत्ता के विरुद्ध सड़तकों पर एक सुनामी की रचना होगी जो बचायेगी यह महादेश,प्रकृति,पर्यावरण,मनुष्यता और सभ्यता।


    Sharadindu Uddipan writes:

    Celebration of LABOR DAY

    1st May, KOLKATA:

    The activists of Ambedharite Movement made the LABOR DAY as historical day and offered their hearty respect to Dr. B.R. Ambedkar the 1st Indian Labor minister of British Rule (1942-1946) and the main architect of Indian Constitution. Hundreds of workers from different sectors jointly made a rally from Rani Rashmoni Road to the statue of Dr. B.R. Ambedkar at near Fort William. The workers from Bank of Baroda, UCO bank, Lawyers' Association, Amala Farm Campus and Conscious Bengal started a rally from Metro Channel. They have raised their voice against the brutal corporate attack launched by the Government of India. With the remembrance of International Labor Day originated by the workers of USA the activist focused on Dr. B.R.Ambedkar and his mega inclusive contribution for the people. Truly he is the FAHTER OF MODERN INDIA.

    Here I am including some reforms done by Dr. BR. Ambedkar as Labor Minister of India during his time :

    He sworn as the Labor Member of the Viceroy's Executive Council in July 7, 1942.

    Reduction in Factory Working Hours (8 hours duty) :

    He settled 8 hours working time in place of 14 to 16 hours for workers in India. It was announced on the 7th session of Indian Labor Conference in New Delhi, November 27, 1942.

    Right to Trade Union.

    Mines Maternity Benefit Act,

    Women Labor welfare fund,

    Women and Child, Labor Protection Act,

    Maternity Benefit for women Labor, 5. Restoration of Ban on Employment of Women on Underground Work in Coal Mines,

    Indian Factory Act.

    National Employment Agency (Employment Exchange):

    Employees State Insurance (ESI):

    Dearness Allowance (DA) to Workers.

    Leave Benefit to Piece Workers.

    Revision of Scale of Pay for Employees.

    Coal and Mica Mines Provident Fund

    Labor Welfare Funds:

    Health Insurance Scheme.

    Provident Fund Act.

    Factory Amendment Act.

    Labor Disputes Act.

    Minimum wage.

    Really it is a great Day for the people of India to show their respect to the Greatest Indian Dr. B.R.Ambedkar.

    Jai Bhim Jai Bharat.

    'Celebration of LABOR DAY  1st May, KOLKATA:  The activists of Ambedharite Movement made the LABOR DAY as historical day and offered their hearty respect to Dr. B.R. Ambedkar the 1st Indian Labor minister of British Rule (1942-1946) and the main architect of Indian Constitution. Hundreds of workers from different sectors jointly made a rally from Rani Rashmoni Road to the statue of Dr. B.R. Ambedkar at near Fort William. The workers from Bank of Baroda, UCO bank, Lawyers' Association, Amala Farm Campus and Conscious Bengal started a rally from Metro Channel. They have raised their voice against the brutal corporate attack launched by the Government of India.'

    'Celebration of LABOR DAY  1st May, KOLKATA:  The activists of Ambedharite Movement made the LABOR DAY as historical day and offered their hearty respect to Dr. B.R. Ambedkar the 1st Indian Labor minister of British Rule (1942-1946) and the main architect of Indian Constitution. Hundreds of workers from different sectors jointly made a rally from Rani Rashmoni Road to the statue of Dr. B.R. Ambedkar at near Fort William. The workers from Bank of Baroda, UCO bank, Lawyers' Association, Amala Farm Campus and Conscious Bengal started a rally from Metro Channel. They have raised their voice against the brutal corporate attack launched by the Government of India.'

    Saradindu Uddipan's photo.

    Saradindu Uddipan's photo.




    जब भूकम्प आता है तो कोई पहचान पत्र लेकर नहीं भागेगा

    काठमांडू से हस्तक्षेप के लिएग्राउंड जीरो रपट में अजीत प्रताप सिंह ने एकदम सौ टक्का खरा सच लिखा है। आज भी अंडमान में भूकंप आया।कारपोरेटहितं के सबसे मजबूत पैरोकारों में से एक  केंद्रीय मंत्री वेंकैय्या नायडू ने कहा है कि राजधानी नई दिल्ली में अस्सी फीसद घर भूकंप की हालत में ढह जाने वाले हैं।देश के नगरों और महानगरों में कही भी हालात कमोबेश यही है।


    उत्तराखंड से एक बहुत अच्छी खबर यह है कि सुंदर लाल बहुगुणा के सुपुत्र और हमारे बड़े भाई फक्कड़ यायावरी पत्रकार संगीतकार राजीव नयन बहुगुणा उत्तराखंड के नये मुख्य सूचना आयुक्त बनाये गये हैं।हम उन्हें निजी तौर पर बधाई कह सकते हैं।


    सत्ता को सुंदरलाल बहुगुणा के आंदोलन और विचारों से कोई लेना देना नहीं है।पागल दौड़ के विकास के खिलाफ उनकी चेतावनी से जनमानस बदला भी नहीं है और न मुक्तबाजारी विकास के चकाचौंध में सत्ता और जनता को उनकी खास परवाह है।


    हम पिछले जाडो़ं में सिर्फ उनसे मिलने देहरादून गये थे और तबी बीजापुर गेस्ट हाउस में मुख्यमंत्री हरीश रावत के बगल के कमरे में राजीव दाज्यू ने मुझे वहां ठहराया था।


    रावत जी से राजीव नयन बहुगुणा की निजी मित्रता है।लेकिन जो नियुक्ति उन्हें मिली है वह सुंदरलाल जी के बेटे होने के कारण नहीं और हरीश रावत के निजी मित्र होने के कारण भी नहीं,हमारे राजीवदाज्यू कारपोरेट मीडिया में जमे नहीं इसलिए कि सच को सच कहने में वे हमारी तरह परवाह नहीं करते।


    इस लिहाज से वे हमारे जुड़वां भाई ही ठैरे।गनीमत है कि मैं बिना व्यवधान तमाम बगावतों के बावजूद 1980 से लगातार कारपोरेटमीडिया में कारपोरेटहुए बिना बना हुआ हूं और रिटायर भी यहीं से करने वाला हूं।


    तो हम उम्मीद करते हैं कि सरकारी सेवा में होते हुए हम भाइयों की बुरी आदत से वे बाज नहीं आयेंगे और आदतन सच क सच ही कहेंगे।इससे कमसकम उत्तराखंड के तमाम मसलों पर सूचनाएं सरकार और जनता को मिल सकती है और ऐसा संभव बनाने की प्रतिभा भी उनमें हैं।


    हम उनसे बिना व्यवधान उत्तराखंड की जनता के हितों से जुड़ी सूचनाएं मांग रहे हैं,जो हम अपने पाठकों के साथ साझा कर सकें।


    हम सार्वजनिक तौर पर यह मांग इसलिए कर रहे हैं कि हाशिये पर परमाणु बमों की कंटकसज्जा मे उबल रहे हिमालय न मनुष्यता और न सभ्यता और न पृथ्वी के लिएसलामती  की कोई गारंटी है।उस जख्मी बीमार हिमालयकी हलचल राजीवनयन जी हमसे साझा करें,इसलिए यह सार्वजनिक आवेदन है।


    हिमालय और हिमालयी जनता के लिए ही नहीं,सारी मनुष्यता और समूची पृथ्वी की सुंदर लाल जी की पर्यावरण चेतना अकादमिक भूगर्भ शास्त्रीय या मुक्ताबाजारी अर्थशास्त्र का ज्ञान नहीं है। वे गांधी और संत विनोबा के आंदोलन की विरासत के मुताबिक प्रकृतिविरोधी विध्वंसक विकास के खिलाफ आंदोलन करते रहे हैं।


    सुदरलाल जी कितना सच कहते हैं या गांधी ने पागल दौड़ की चेतावनी दते हुए कितना सच कहा था,इस कयामती मंजर में उसको न समझने वाले लोग सिर्फ वही है जो इस मुक्तबाजारी महाविनाश से मुनाफावसूलीकरना चाहते हैं।





    0 0

    Dear Friend,

    If you think the content of this news letter is critical for the dignified living and survival of humanity and other species on earth, please forward it to your friends and spread the word. It's time for humanity to come together as one family! You can subscribe to our news letter here http://www.countercurrents.org/subscribe.htm. You can also follow us on twitter, http://twitter.com/countercurrents and on Facebook, http://www.facebook.com/countercurrents

    In Solidarity
    Binu Mathew
    Editor
    www.countercurrents.org


    Towns And Villages Totally Devastated And 90% Clinics And Schools Are Unusable In Nepal
    By Countercurrents.org

    http://www.countercurrents.org/cc010515.htm

    With further rise in death toll, devastation of thousands of villages and slow pace of rescue and relief operations the survivors in Nepal earthquake are facing a desperate situation. In areas, towns and villages suffered total devastation. Today, a report said some 600,000 houses have been destroyed in 13 districts


    Invest in Activism, Not Bernie Sanders
    By David Swanson

    http://www.countercurrents.org/swanson010515.htm

    So, here I am in the role of "that jerk" telling Bernie Sanders fanatics that it's hopeless -- a self-fulfilling prophecy of doom if ever there was one. But we have limited time, energy, and money. I don't think saving the planet is hopeless. I just think the best place to put our resources is into uncorrupted, principled, policy-driven, nonviolent, creative activism -- including the activism needed to create fair, open, verifiable elections


    Salute The Nation That Brought The US Empire To Its Knees
    By Kenny Coyle

    http://www.countercurrents.org/coyle010515.htm

    On the 40th anniversary of the fall of Saigon, April 30, 2015, the momentous events that made it possible are recalled


    The May 2nd Odessa Massacre: Why Obama's Coup-Regime Still Runs Ukraine
    By Eric Zuesse

    http://www.countercurrents.org/zuesse010515.htm

    The May 2nd Ukrainian massacre of anti-regime pamphleteers last year at the Odessa Trade Unions Building, burning these pamphleteers alive there, was crucial to the Obama Administration's solidification of its control over Ukraine. That massacre was designed to, and it did, terrorize the residents in all areas of Ukraine which had voted overwhelmingly for the man whom Obama had just ousted, Viktor Yanukovych. Especially in the Donbass region, Yanokovych had received 90%+ of the votes. In Odessa, he had received three-quarters of the votes


    A Time Will Come, Muslims In India Will Have To Form Their Own National Party: Kancha Ilaiah
    Interview By Ajmal Khan & Anish

    http://www.countercurrents.org/ilaiah010515.htm

    Professor Kancha Ilaiah had well predicted that Narendra Modi would become the next prime minister under BJP, and he has also been instrumental in raising criticism on how Indian left failed to understand the caste question. After the parliament elections, he described how the caste equations has been used in the country by BJP . As soon as BJP came into power, many decisions have already been taken by the ruling Government, which will make far reaching consequences on the lives of Dalits, Adivasis, Muslims and Bahujans. In this context, Ajmal Khan and Anish are engage in conversation with Kancha Ilaiah on contemporary politics in India, particularly on Muslim, Dalit and Bahujan politics. He argues, that Muslims will have to form their own national party or a national coalition of all the Muslim parties by retaining their political and social identity


    United States Commission On International Religious Freedom Places India On Tier 2 List Of Countries
    By Shehzad Poonawalla

    http://www.countercurrents.org/poonawalla010515.htm

    Although the Modi government has responded by stating that it "does not take cognisance of such reports", it is a fact that world over, the stifling of religious freedoms in India is becoming a debate and is reflecting badly upon us as a plural, liberal democracy. Hence, authorities including the courts, investigative agencies, statutory bodies like National Commission for Minorities and National Human Rights Commission and the Ministry of Home Affairs must treat every case of religious atrocity and discrimination with seriousness so that no country or international agency can point fingers upon a vibrant democracy like ours. Mr.Modi's government must walk the talk on 'Sabka Sath, Sabka Vikas'


    Illusory Superiority, Related Psychological Phenomena, And The Importance Of Cross-Cultural Exposure
    By Robert Barsocchini

    http://www.countercurrents.org/barsocchini010515.htm

    In addition to direct conflicts of interest inherent in the structure and functioning of media, the following psychological phenomena underscore the importance, in terms of approaching truth, of reading and researching on as broad a spectrum and as cross-culturally as possible. People creating and disseminating narratives in any one society or larger group (ie "the west"), are subject to these features of human psychology; to claim or believe they are not is merely to exhibit them


    0 0

    Press Invitation


    Bhumi Adhikar Andolan

    Movement for Land Rights

    (A collective of mass and class organisations and social movements)



    The collective of mass and class organisations and social movements whoorganised the mass procession on 24th February at Parliament Street against the Land Acquisition Ordinance of the NDA government have emerged as the mainstream national platform in the name of Bhumi Adhikar Andolan ( "Movement for Land Rights)" working all over the country to advance the struggle of the peasantry and the public against the Land Acquisition Bill.


    The Movement for Land Rights has called up on the peasants and agricultural workers and the public to join a March to Parliament on 5th May in protest against the sinister move of the NDA Government to go ahead with the Land Acquisition Bill in the ongoing session of the Parliament.


    In this context we are organising a press Conference at 3pm on 2nd May, 2015 at IWPC (5 Windsor Place, Ashoka Road).


    We request you to depute your Reporter, Photographer/Cameraman to attend the press conference and give wide coverage.


    Thanking you, 

    Vijoo Krishnan, Madhuresh, Roma, Raghib Asim, Prathap Choudhury, Shweta, Sanjeev Kumar, Kanika Sharma and P Krishnaprasad

    On behalf of coordination committee

    Movement for Land Rights







    -- 
    Ms. Roma ( Adv)
    Dy. Gen Sec, All India Union of Forest Working People(AIUFWP) /
    Secretary, New Trade Union Initiative (NTUI)
    Coordinator, Human Rights Law Center
    c/o Sh. Vinod Kesari, Near Sarita Printing Press,
    Tagore Nagar
    Robertsganj, 
    District Sonbhadra 231216
    Uttar Pradesh
    Tel : 91-9415233583, 
    Email : romasnb@gmail.com
    http://jansangarsh.blogspot.com

    Delhi off - C/o NTUI, B-137, Dayanand Colony, Lajpat Nr. Phase 4, NewDelhi - 110024, Ph - 011-26214538


    0 0

    Arvind & Mamata DESTROY Modi's Credibility!
    Ashok T Jaisinghani <ashokjaipune@gmail.com>
    *****ARVIND KEJRIVAL and MAMATA BANERJEE have DESTROYED CREDIBILITY of Narendra Modi!*****

       Due to OVER-EXPOSURE on DOORDARSHAN and other TV channels, besides the radio, Prime Minister Narendra Modi has lost his CHARISMA. The people do NOT BELIEVE any more in his BIG PROMISES, which they have realized the BJP Government CANNOT KEEP.  

       Narendra Modi has become a BIG BORE due to OVER-EXPOSURE!! The BJP have lost the Delhi Assembly and the West Bengal Municipal elections, as the COMMON PEOPLE DON'T BELIEVE in Narendra Modi's big BOGUS PROMISES any longer!!

       OVER-CONFIDENCE & SELF-GLORIFICATION are the TRAITS of Narendra Modi, which are based on his IMAGINARY ABILITIES and BOGUS ACHIEVEMENTS. Super-inflated EGO BALLOON of Narendra Modi has got BURST due to the MASSIVE DEFEAT of the BJP by Arvind Kejriwal's Aam Aadmi Party in the Delhi Assembly and Mamata Banerjee's Trinamool Congress in the West Begal Municipal elections.  

     *****Narendra Modi's BOGUS PROMISES of fighting CORRUPTION, FRAUD, CRIME and INFLATION have been TOTALLY EXPOSED by his EXTREMELY CLOSE FRIENDSHIP with Sharad Pawar, whose party he had himself described as the Naturally Corrupt Party!! He has now even OPENLY ADMITTED his SECRET that the CORRUPT Sharad Pawar has been his GREAT ADVISER!!*****

     *****As a ROCKSTAR who wore a VERY COSTLY DRESS, which was sold for more than Rs4 crore, Narendra Modi CANNOT be a friend of the POOR PEOPLE. He will ALWAYS be SEEN as ANTI-POOR by the COMMON PEOPLE! He is ONLY a FRIEND of RICH businessmen and industrialists. POOR PEOPLE can NEVER TRUST Narendra Modi any more!*****

       Narendra Modi's CLOSE FRIENDSHIP with CORRUPT politicians and businessmen, and his INTENTIONS of FORGETTING his PROMISES to the COMMON PEOPLE, makes it CERTAIN that he will just be a ONE-TERM Prime Minister of India. 

    0 0
  • 05/01/15--12:53: Protest Fuel Price Hike
  • Press Statement





    The Polit Bureau of the Communist Party of India (Marxist) has issued the
    following statement:





    The Polit Bureau of the Communist Party of India (Marxist) strongly condemns
    the massive hike in the prices of petrol and diesel announced by the Modi
    government.



    This will lead to the cascading of the inflationary spiral imposing
    unprecedented burdens on the working people, once again in a big way.



    The Polit Bureau of the CPI(M) calls upon the people to protest against this
    latest imposition of burdens on their livelihood.


older | 1 | .... | 83 | 84 | (Page 85) | 86 | 87 | .... | 302 | newer