Are you the publisher? Claim or contact us about this channel

Embed this content in your HTML


Report adult content:

click to rate:

Account: (login)

More Channels


Channel Catalog

Channel Description:

This is my Real Life Story: Troubled Galaxy Destroyed Dreams. It is hightime that I should share my life with you all. So that something may be done to save this Galaxy. Please write to: bangasanskriti.sahityasammilani@gmail.comThis Blog is all about Black Untouchables,Indigenous, Aboriginal People worldwide, Refugees, Persecuted nationalities, Minorities and golbal RESISTANCE.

older | 1 | .... | 70 | 71 | (Page 72) | 73 | 74 | .... | 303 | newer

    0 0
  • 04/07/15--00:22: Church_Conspiracy
  • Greta Rana Jee


    You asked a good question to Kishore Jee, "I wonder how many evangelical Christians have beheaded Nepalese workers in lonely desert." But let me opine any way. Earlier millions, currently none. However, the motivation remains the same, only techniques have changed.

    Christian motivation: Our heritage and Dharma is evil. Our Buddha or Shiva are evil, only Jesus is God. We are all heathens, to be converted and all our heritages to be destroyed. Earlier they used violence directly. Matter of fact, Christianity dragged Europe down to Dark Age. Renaissance is basically Europeans discovering their destroyed roots of philosophers like Socrates, Plato, Aristotle and repudiating Christianity with secularism. In countries like Nepal, they did try underhanded methods, but far sighted King PN Shah threw them out. Thus they changed the tactics. Why go far, evil Prachanda is supported by Euro-Churches, and as soon as he got hold of power, only Hindu rastra and the only Hindu King is gone. Are there mandate for such drastic changes? None whatsoever.

    This is the evil Christianity in nutshell. Here are a few facts to mull over.


    A. Global affair:

    1. Inquisition and torture tools, 50 million tortured to death.
    2. Discovery Channel - Machines of Malice - The Inquisition
    3. Millions of Native Americans were Killed by Christians - Hopi Chief
    4. American Holocaust of Native American Indians

    B. Christian persecution of Hindus

    1. Persecution of Hindus by Christians – Daniel Pipes

    2. Portuuese inquisition in Goa ordered by Francis Xavier: Capt. Ajit Vadakayil

    C. Jesuits in Nepal looks so honorable, do not they? Here is the reality.

        Jesuit Oath – Carlos Didler, Baptist Church, Archer, Florida:

    "…    I furthermore promise and declare that I will, when opportunity presents, make and wage relentless war, secretly or openly, against all heretics, Protestants and Liberals, as I am directed to do, to extirpate and exterminate them from the face of the whole earth; and that I will spare neither age, sex or condition; and that I will hang, waste, boil, flay, strangle and bury alive these infamous heretics, rip up the stomachs and wombs of their women and crush their infants' heads against the walls, in order to annihilate forever their execrable race. That when the same cannot be done openly, I will secretly use the poisoned cup, the Strangulating cord, the steel of the poniard or the leaden bullet, regardless of the honor, rank, dignity, or authority of the person or persons, whatever may be their condition in life, either public or private, as I at any time may be directed so to do by any agent of the Pope or Superior of the Brotherhood of the Holy Faith, of the Society of Jesus. … "

    You are also a scholar. Please do make your own opinion, but based on facts.

    Thanks, Tilak Shrestha, Ph.D.



    From: Greta Rana <>

    Sent: April 6, 2015

    I wonder how many evangelical Christians have beheaded Nepalese workers in lonely desert.



    From: Kishore Sherchand <>

    Sent: April 6, 2015

    Corruption ! Corruption ! Corruption ! Rampant !

           May I know who does not do corruption in Nepal ? 

    Why you blame those Evangelical Christians ? Because they are reaping our weakness ? Surely! But, please don't blame specially our poor and helpless fellow Nepalese folks. Because they are helpless, if they could they would leave Nepal for their destiny. According to one study done in Nepal, 50 percent of the Nepal wants to leave country. This is nothing but due to Cause-Effect-Relationship. When I am desperate I would seek an alternative. This is the human behavior and relationship.





    On Sun, Apr 5, 2015 at 1:37 PM, Tilak Shrestha <> wrote:

    Dear all:


    Here is a video note on 'Christian conspiracy in India and Nepal.'

    Please note the comment on Nepal at the 39th minute.


    Thanks, Tilak


    0 0

    'গুলি করলেই টাকা'-ডা. জাফরুল্লাহ

    'প্রতিনিয়ত সরকারি সন্ত্রাসী পুলিশবাহিনী সাধারণ মানুষকে গুলি করেই যাচ্ছে। আর সেই পুলিশবাহিনীর জন্য বরাদ্দ বাড়িয়েছে সরকার। মনে হচ্ছে যেন গুলি করলেই টাকা।'


    জাতীয় প্রেস ক্লাবের কনফারেন্স লাউঞ্জে বুধবার বিকেলে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় জাফরুল্লাহ চৌধুরী এ মন্তব্য করেন। গুম খুন ও বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড বন্ধ ও বিএনপির যুগ্ম-মহাসচিব সালাহ উদ্দিন আহমেদকে তার পরিবারের কাছে ফিরিয়ে দেওয়ার দাবিতে জাতীয়তাবাদী মুক্তিযোদ্ধা দল এ আলোচনা সভার আয়োজন করে। 'গুমের ইতিহাস তৈরি হয়েছিল বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সময়ে'মন্তব্য করে জাফরুল্লাহ চৌধুরী বলেন, 'আমাদের সবচেয়ে প্রিয় নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আমলেই এই গুমের ইতিহাস তৈরি হয়েছে। ভারতীয় বাহিনীর আদলে তিনি রক্ষীবাহিনী গড়ে তুলেছিলেন। সেই বাহিনী যখন যাকে খুশি গুম করে দিত। এখন তো ক্ষমতায় তারই সন্তান। তিনিও সেই সংস্কৃতি অব্যাহত রেখেছেন।'তিনি বলেন, 'রাজনীতিতে প্রতিপক্ষ ও দ্বিমত থাকবেই। তার মানে তো তাকে হত্যা করে ফেলতে হবে- বিষয়টা এমন না।'


    0 0

    Shariyar Kabeer blasts Bomb Against Madarasa and says Madras remains the Factory to produce Terrorists.RSS would be happy.You?
    Palash Biswas
    Shariyar Kabeer blasts Bomb Against Madarasa and says Madras remains the Factory to produce Terrorists.RSS would be happy.You?
    Earlier,Bangladeshi human rights activist and journalist Shahriar Kabir has said India is turning into a safe haven for militant groups, especially Jamaat-e-Islami.

    Kabir was speaking at a seminar on international terrorism organised by the Forum for Secular Bangladesh and Trail of the War Criminals in Dhaka.

    The speakers expressed concern about the recent militancy activities by Jamaat-e-Islami in India with reference to the bomb blast in Burdwan district in West Bengal during Durga Puja on October 2.

    Sharaiar Kabeer is a a representative face of Democratic and secular forces in Bangladesh.He is an Excellent prose writer and remains one of my most favourite creative writer.

    Sharaiayar Kabeer also happens to be on the top of the killing list as the partners of Behgam Hasina is also demanding death penalty of all athiest bloggers and the Islamists have made a killing list of all democratic and secular forces in Bengaldesh.

    Meanwhile,Taslima Nasrin has already written that Bangladesh is captured by religious Islamic Nationalism and the Holocaust of 1971 is repeated by Bangladehi nations killing the Bangla nationalism itself.

    I am writing continuously on Bangladesh just because it is the other side of not only the border but it is also the secondary image of Hindu Imperialism Tsunami in India.If the religious nationalism is playing such a havoc in Bangladesh  that a secular person like Kabeer has to speak out against Islamic education network making RSS most happy,we should understand the writings on the wall.

    From Wikipedia, the free encyclopedia:Shahriar Kabir (born 20 November 1950[1]) is a Bangladeshi journalist, filmmaker, human rights activist and author of more than 70 books focusing on human rights, communism, fundamentalism, history, juvenile and the Bangladesh war of independence.

    I am posting the report widely published in Bangladesh and neglected in India.
    Mindyou,in this Mahadesh,the Indian subcontinent ,Kabeer is the only person who has made and published an Encyclopedia on minority perscution!
    Before reading Kabeer statement,pl go through Taslima wall as she writes:

    যখন অভিজিৎ আর ওয়াশিকুরকে এক মুসলিম সন্ত্রাসী দল মেরে ফেলেছে বলে দুঃখ করছি, তখন আল শাবাব নামের অন্য এক মুসলিম সন্ত্রাসী দল কেনিয়ার গারিসা বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৫০ জন ছাত্রকে গুলি করে মেরে ফেলেছে। হাসতে হাসতে গুলি করেছে। বাঁচতে চাইলে সবাই বেরিয়ে এসো, বলেছিলো ওরা। মিথ্যে বলেছিলো। বেরিয়ে এলেই গুলি করলো। আইসিস মানুষ মারছে, আল শাবাব মানুষ মারছে, বোকো হারাম মানুষ মারছে, আল কায়েদা মানুষ মারছে, আনসারুল্লাহ বাংলা টিম মানুষ মারছে। আরও শত শত মুসলিম সন্ত্রাসী দল মানুষ মারছে। ইসলামের নামে মারছে। আল্লাহ রসুলের নামে মারছে। কোরান হাদিসের নামে মারছে।

    অনেকে ওদের এই মানুষ মারার পেছেন রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক, সামাজিক, ধর্মের ভুল ব্যাখ্যা ইত্যাদি নানা কারণ খুঁজে বের করার চেষ্টা করবে, কিন্তু কেউ বলতে চাইবে না, ওদের এই নৃশংসতার পেছনে মূল যে কারণ সে কারণ কোরান হাদিসেই আছে। বলতে চাইবে না, আল্লাহ রসুলই বলেছেন বিধর্মীদের কতল করতে, ইসলামে অবিশ্বাসীদের নির্বংশ করতে। বলতে চাইবে না, কারণ এই বলাটা পলিটিক্যালি কারেক্ট নয়।

    পলিটিক্যালি কারেক্ট হয়ে মানুষ যে সন্ত্রাসীদের হাত থেকে রক্ষা পাচ্ছে তা নয়। যারাই আজ উগ্রপন্থী নয়, সন্ত্রাসী নয়, তারাই আজ টার্গেট। যারা শান্তি চায়, সবার সমানাধিকার চায়, সমাজটাকে বৈষম্যমুক্ত, ধর্মান্ধতামুক্ত, কুসংসারমুক্ত দেখতে চায় ---- তারা আরও বড় টার্গেট। তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ কি শুরু হবে? আমার মনে হয় না। ইসলামী সন্ত্রাসীদের গায়ে টোকা দিতে সকলে ভয় পায়।

    ডায়নোসোরদের পুরো নির্মূল করার জন্য একটা এসটোরয়েডের দরকার ছিল। কে জানে, হয়তো পুরো মানবজাতিকে ধ্বংস করে দেওয়ার জন্য একটা ধর্মই যথেষ্ট।

    কওমি মাদ্রাসা জঙ্গি উৎপাদনের কারখানা : শাহরিয়ার কবির

    ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি শাহরিয়ার কবির বলেছেন, কওমি মাদ্রাসাগুলো জঙ্গি উৎপাদনের কারখানা। এসব কারখানার সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে। এখানে ওহাবীবাদ ও মওদুদীবাদের মনোভাব গড়ে তোলা হচ্ছে। তাদের পাঠ্যসূচিতে মওদুদীবাদ পড়ানো হচ্ছে।

    এম. জেড ফেরদৌসের উপস্থাপনায় রোববার রাতে বৈশাখী টেলিভিশনে 'জিরো আওয়ার'অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি। অনুষ্ঠানে আলোচনার বিষয় ছিল 'যুদ্ধাপরাধীর সাজা ও রাজনীতির হালচাল'। আলোচক হিসেবে আরো উপস্থিত ছিলেন নিরাপত্তা বিশ্লেষক মেজর জেনারেল (অব.) আব্দুর রশিদ।

    শাহরিয়ার কবির বলেন, শিক্ষাক্ষেত্রে সরকারের বড় দায়িত্ব রয়েছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দ্বিতীয়বার ক্ষমতায় আসার পর ২০০৮ সালে কবির চৌধুরীর নেতৃত্বে একটি শিক্ষা কমিশন গঠন করা হয়েছিল। ওই কমিটিতে শিক্ষানীতি প্রণয়ন প্রসঙ্গে তিনি (কবির চৌধুরী) বলেছিলেন, মাদ্রাসার পাঠ্যসূচি ঢেলে সাজাতে হবে। মাদ্রাসায় জেনারেল পাঠ্যপুস্তুক পড়াতে হবে, মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস বাধ্যতামূলক করতে হবে।
    মানুষগুলো কোথায়? কোপের আশংকায় আর হুমকির মুখে অ্যাকাউন্ট বন্ধ করে দিতে বাধ্য হয়েছে?

    ফ্রেন্ডস লিস্টে গিয়ে দেখি সৎ, সাহসী ফেসবুকারদের অ্যাকাউন্ট ডিঅ্যাকটিভেটেড। মানুষগুলো কোথায়? কোপের আশংকায় আর হুমকির মুখে অ্যাকাউন্ট বন্ধ করে দিতে বাধ্য হয়েছে? আমাদের মধ্যে কেউ মরে গেছে, কেউ চলে গেছে। যে কজন এখনও জীবনের ঝুঁকি নিয়ে পড়ে আছি, একদিন আমরাও হয়তো এক এক করে নিশ্চিহ্ন হবো। রক্তাক্ত ফেসবুক জুড়ে হেঁটে বেড়াবে এক পাল কবন্ধ আততায়ী। 
    আমাদের খুব দুঃসময় এখন। ক্রমশ একা হয়ে যাচ্ছি আমরা । আমাদের পিঠ দেয়ালে ঠেকে আছে বহুকাল । আমাদের সামনে কিছুই নেই। শুধু অনন্ত অন্ধকার।

    আজ ফেসবুকে ধার্মিকরা খুশিতে আত্মহারা হয়ে একটা খবর দিচ্ছে : 'ফ্রান্সে ইসলামী বই বিক্রি বাড়ছে'। চমৎকার খবর। এই খবর শুনে আমিও ভীষণ খুশি। ইসলামী বই বিক্রি সারা পৃথিবীতে বাড়াটা খুব দরকার। এখন পর্যন্ত বেশির ভাগ মুসলমান কোরান হাদিস না পড়ে মুসলমান। সম্বভত তারা ওসব পড়েনি বলেই তারা মুসলমান। আরব দেশের বাইরে মুসলমানরা সাধারণত আরবীর অর্থ না জেনেই কোরানের আরবীটা মুখস্ত করে। ইসলামী বই বিক্রি যত বাড়বে, মানুষের তত ইসলাম সম্পর্কে জানার সুযোগটা বাড়বে। নিজের ভাষায় কোরান পড়ার হারটাও বাড়বে। এবং যত বেশি কোরান পড়বে মানুষ, মানুষ তত বেশি নাস্তিক হবে। বাই দ্য ওয়ে, আমি নাস্তিক হয়েছিলাম কোরান পড়ার পরই। নাস্তিকতার ওপর কোনও কঠিন কঠিন বই আমার আর পড়ার দরকার পড়েনি।

    • Nasrin Rahman যিনি তাঁর জীবনী অপকটে সব লিখেছেন ,সেখানে পাঠক বিশ্লেষন করলে বোঝা উচিত ছিলো এটা পাঠকের মূল্যায়ন । নেতিবাচক কিছু লিখিনিতো । কুত্‍সা ও গাই নি কারু । বলতাম ও না পোষ্টের শেষ বাক্যটি বলার সুযোগ করে দিলো ।তবে হতাশ হয়েছি ইডিয়ট শব্দে । আশাকরি অপ্রযোজনীয় এই শব্দ প্রযোগের জন্য অনুতপ্ত হবেন তিনি
      20 hrs · Like
    • Tanmoy Tinku Roy আপনি তার ভালো পাঠক যখন তখন তার প্রকাশনি কে জানান আপনার প্রিয় লেখিকার মূল্যায়ন অথবা তাকে মেল করতে পারেন অথবা যদি উনি আপনার সমালোচনা নিতে আগ্রহি থাকেন... আপনি ভালো করে দেখবেন ওনার Blog এ কি শর্ত দিয়ে রেখেছেন । মনে হয় না আপনি পাঠক হিসাবে তার ব্যাক্তিগত...See More
      20 hrs · Like · 2
    • Nasreen Taslima Nasrin Rahman, আমার নিন্দে করার অনেক সাইট তুমি পাবে, সেখানে যাও। মনের মাধুরি মিশিয়ে আমার দুর্নাম, বদনাম গাও, আশ মিটিয়ে আমার নিন্দে করো। আমার কিছু যায় আসে না। আমার ফ্রেণ্ডস লিস্টে বসে বন্ধুর মুখোশ পরে আমার নিন্দে করাটা, আমার সম্পর্কে অনর্গল মিথ্যের বমি উগড়ানোটা আমি পছন্দ করছি না। আমি আমার ফেসবুকের স্পেসটা ক্ষুদ্রতা সংকীর্ণতা, ঈর্ষা হিংসা, নোংরামো বদমাইশি থেকে যথাসম্ভব মুক্ত দেখতে চাই। আমার 'তোষামদকারী' নিয়ে তোমার উদ্বিগ্ন হওয়ার কিছু নেই। যাদের তোষামদকারী বলছো, তারা তোষামদকারী নয়, তারা নিতান্তই বন্ধু, বা শুভাকাঙ্খী। বন্ধু বা শুভাকাঙ্খীর সংখ্যাটা আমার খুবই কম, শুনে খুশি হবে যে এ জগতে আমার নিন্দুকের সংখ্যা অসম্ভব রকম বেশি। তোমার মতো লোক আমি আমার লেখালেখির পয়ত্রিশ বছর জীবনে অনেক দেখেছি। আমার বিরুদ্ধে শত শত বই, প্রবন্ধ নিবন্ধ লেখা হয়, বাজারে ওগুলো ভালো বিক্রিও হয়। ওই ব্যবসায় নিশ্চিন্তে নেমে যেতে পারো। গুডবাই।
      19 hrs · Edited · Like · 21
    • Mosiur Rahman পবিত্র কোরআন পড়ে কেউ নাস্তিক হয় এমন ইতিহাস জানি না...তবে অনেকেই মুসলমান হয়েছে এটাই জানি। তবে যারা যৌবনকে উপভোগ করার লোভে নাস্তিক হয় তাদের তো এমনই ভাগ্য হয় যে দেশের মাটিটুকুও কপালে জোটে না....তাই না

    ভাবছি ফেসবুকের ফ্রেন্ডস লিস্টে একটা অভিযান চালাবো। যে বন্ধুরা আমার পোস্টগুলোতে কমেন্টস করছে না, লাইক দিচ্ছে না, পোস্টগুলো শেয়ার করছে না--- তাদের ওই লিস্ট থেকে অব্যাহতি দেবো। তাঁরা যদি বলেন তাঁরা নীরব দর্শক, হ্যাঁ হতে পারেন তাঁরা নীরব দর্শক, আমার মোটেও আপত্তি নেই, তবে নীরব দর্শক ফলোয়ারস লিস্টে বসেও হওয়া যায়, বন্ধু লিস্টে বসে অযথা স্পেস নষ্ট করার দরকার কী! নীরব দর্শকদের নিয়ে জীবনভর ভুগেছি আমি। সারাদেশে যখন মৌলবাদীরা আমার বিরুদ্ধে মিছিল করেছে, আমার মাথার দাম ঘোষণা করেছে, সরকার যখন আমার বই নিষিদ্ধ করেছে, আমাকে দেশ থেকে তাড়িয়েছে, দেশ ভর্তি ছিল নীরব দর্শকে। পশ্চিমবঙ্গ সরকার যখন আমাকে ঘাড় ধাক্কা দিয়ে রাজ্য থেকে বের করেছে, রাজ্য ভর্তি ছিল নীরব দর্শকে। নীরব দর্শকের চেয়ে সরব নিন্দুক অনেক ভালো। অন্তত চিনতে পারি যে ওরা নিন্দুক। নীরব দর্শকের মতো ভয়ংকর জাত আর কিছু নেই।

    আমার বন্ধু তালিকায় নীরব দর্শকের খোঁজ পেলে অনুগ্রহ করে আমাকে জানাবেন, ব্যবস্থা নেবো।

    এককালে সুন্দরী ছিলাম। তখন কিন্তু নিজেকে সুন্দরী বলে মনে করতাম না। সৌন্দর্য টৌন্দর্য নিয়ে মাথা মোটেও ঘামাতাম না। দিনরাত ব্যস্ত থাকতাম লিখতে, পড়তে, রোগি দেখতে আর হাজার রকম অন্যায়ের প্রতিবাদ করতে। আয়নার সামনে দাঁড়াতামই না বললেই চলে। মুখে নিভিয়া ময়েশ্চারাইজার ছাড়া আর কিছু মাখতাম না। তবে হঠাৎ হঠাৎ কাজল পরতাম। টাঙাইলের সুতি শাড়ি পরতাম। শাড়িগুলো ছিল ১২০ থেকে ১৮০ টাকা দামের। বেইলি রোডে টাঙাইল শাড়ি কুটির নামে এক শাড়ির দোকান ছিল। ওটাই ছিল আমার শাড়ি কেনার দোকান। ডাক্তারি করে মাইনে পেতাম আড়াই হাজার টাকা। ও টাকা ছিল বিশাল টাকা। অত টাকা কী খাতে খরচ করবো তা-ই বুঝে পেতাম না

    'এককালে সুন্দরী ছিলাম। তখন কিন্তু নিজেকে সুন্দরী বলে মনে করতাম না। সৌন্দর্য টৌন্দর্য নিয়ে মাথা মোটেও ঘামাতাম না। দিনরাত ব্যস্ত থাকতাম লিখতে, পড়তে, রোগি দেখতে আর হাজার রকম অন্যায়ের প্রতিবাদ করতে। আয়নার সামনে দাঁড়াতামই না বললেই চলে।  মুখে নিভিয়া ময়েশ্চারাইজার ছাড়া আর কিছু মাখতাম না। তবে হঠাৎ হঠাৎ কাজল পরতাম।  টাঙাইলের সুতি শাড়ি পরতাম। শাড়িগুলো  ছিল ১২০ থেকে ১৮০ টাকা দামের।  বেইলি রোডে টাঙাইল শাড়ি কুটির নামে এক শাড়ির দোকান ছিল। ওটাই ছিল আমার শাড়ি কেনার দোকান। ডাক্তারি করে মাইনে পেতাম আড়াই হাজার টাকা। ও টাকা ছিল বিশাল টাকা। অত টাকা কী খাতে খরচ করবো তা-ই বুঝে  পেতাম না।'

    0 0

    रास्ट्रिय निर्बाचन आयोगले फ्याकेको ललिपपमा नभुल्न ५ उम्मेदवारहरुलाई अनुरोध

    एनआरएनए आइसीसीले रास्ट्रिय निर्बाचन आयोगलाई लोप्पा ख्वाए पछि आयोगले आइसीसी प्रतिनिधि पदका उम्मेदवारहरुलाई ललिपपको रुपमा देहायको चिठ्ठी पठाउदै आयोग बिरुद्द मुद्दा नहाल्ने शर्तमा उनीहरुको निर्बाचन प्रक्रिया अगाडी बढाई दिने गरी मन्जुरीनामा लिन चाहेको खुलासा भएको छ । 

    अहिले भर्खरै आइसीसी प्रतिनिधि पदमा योग्य नहुनेहरुको एउटा कन्फरेन्स कल बैठक सम्पन्न भयो, जसमा ठुलो स्वरमा कुरा गर्ने ठग पत्रकार पुरुषोत्तम ढकालको हाबी थियो भने दिल श्रेष्ठ, सन्जीब सापकोटा, बिष्णु देउराली, बिनोद शाह, नबिन शेरचन, सुनिता शर्मा, सानुबाबु सिलवाल र घन दवाडी लगायतकाहरुको उपस्थिति थियो । आफु १० बर्षदेखि एनआरएनमा भएको धाक लगाउने ठग पत्रकारले अन्यलाई बोल्न समेत नदिएर उसको ठुलो स्वर घंकीरहेको थियो । सुनिता शर्माको कुरो सुन्ने धैर्यता कसैले राखेनन । हरुवा गोरुको छेरुवा दाउ भने जस्तो बैठकमा देखिन्थ्यो । सीधाकुराले ५ जनालाई निर्बिरोध गराई सक्यो भनेर बैठकमा हल्ला चलिरहेको थियो ।

    स्वत: निर्बिरोध हुने अधिकार भएका बिनोद शाह, बिष्णु देउराली, छिरिङ्ग राप्के लामा, नबिन शेरचन र नारायण बहादुर गुरुङलाई त्यो ललिपपमा नभुल्न सीधाकुरा सुझाउछ । यी ५ जनाले रास्ट्रिय निर्बाचन आयोगको कुरा होइन आइसीसीको प्राबधान अनुसार स्वतः निर्बिरोध हुन पाउनु पर्छ । यदि उनीहरुको हक सुनिस्चित नहुने हो भने उनीहरुको हक स्थापित गर्न नसक्ने एनसीसी अध्यक्ष र रास्ट्रिय निर्बाचन आयोग प्रमुखले तत्काल राजिनामा दिनु पर्छ । 

    ''एक पटकको नेपाली संधै नेपाली'' र ''एक पटकको असक्षम सधैं असक्षम'' भन्ने राम्ररी जानौं ।

    0 0

    কার স্বার্থে নকশা ছাড়াই মেট্রোরেল নির্মাণে তোড়জোড়?

    চূড়ান্ত নকশা না করেই রাজধানীতে মেট্রোরেল চালুর সময়সীমা নির্ধারিত সময়ের চেয়ে ৪ বছর এগিয়ে এনেছে সরকার। ফলে রেললাইন নির্মাণে শুরু হয়ে গেছে তোড়জোড়। আর এজন্য ঢাকা গণপরিবহন কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদ দরপত্র আহ্বানের অনুমোদনও দিয়ে ফেলেছে ইতোমধ্যে। এক্ষেত্রে বিস্তারিত নকশা ছাড়া এ দরপত্র আহ্বান করা জটিলতা সৃষ্টি করতে পারে বলেও অনেকের অভিমত।

    মেট্রোরেল প্রকল্পে এখন চলছে সয়েল টেস্টের কাজ। যার ভিত্তিতে চূড়ান্ত করা হবে বিস্তারিত নকশা। এরপর জমি অধিগ্রহণ শেষে উড়ালপথ নির্মিত হবে। উড়াল পথের উপর থাকবে রেললাইন। অথচ এসব প্রাথমিক কাজ কিছুই হয়নি। কিন্তু রেললাইন নির্মাণ শুরু হয়ে গেছে তাড়াহুড়ো করে।

    দেশে প্রায় সব প্রকল্প বাস্তবায়ন চলে অত্যন্ত ধীরগতিতে। কিন্তু তাই বলে প্রকল্প বাস্তবায়নের নির্ধারিত সময়ের আগে তাড়াহুড়ো করে শেষ করাও সমর্থনযোগ্য নয়। বিশেষ করে মেট্রোরেলের মতো মেগা প্রকল্প। এতে গুণগত বিচারে প্রকল্প বাস্তবায়ন ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। চূড়ান্ত বিচারে দেশকে দিতে হবে তার খেসারত। সরকার যায়, সরকার আসে। কিন্তু দেশ ও দেশের জনস্বার্থ থাকে চিরস্থায়ী।

    সরকার যে মেট্রোরেল প্রকল্প বাস্তবায়ন ৪ বছর এগিয়ে আনল তার পেছনে কোনো প্রযুক্তিগত সমর্থন আছে কি না তা কেউ জানে না। কারণ বিষয়টি কোনো রাজনৈতিক খামখেয়ালিপনার বিষয় হতে পারে না। সেই বিবেচনায় বাস্তবায়নের এ সময় এগিয়ে নিয়ে আসাটাকে আন্তর্জাতিক মানের বিশেষজ্ঞ অভিমত ছাড়া গ্রহণযোগ্য নয় বলে অনেকে মনে করেন।

    জানা গেছে, উত্তরা থেকে মতিঝিল পর্যন্ত ২০ দশমিক ১ কিলোমিটার হবে রেলপথ এবং পুরোটাই উড়াল পথে। প্রতি স্থানের মাটির নমুনা পরীক্ষার জন্য পাঠানো হচ্ছে বুয়েটে। সয়েল টেস্টের প্রতিবেদন পেতে সময় লাগবে ৬ থেকে ৮ মাস। মাটির গঠন অনুযায়ী বিস্তারিত নকশা প্রণয়ন করা হবে। সে অনুযায়ী জমি অধিগ্রহণ করা হবে। সুতরাং প্রকল্প বাস্তবায়নে আগে করণীয় হচ্ছে মাটি পরীক্ষা করে সেই ভিত্তিতে নকশা প্রণয়ন।

    মন্ত্রণালয়ে সূত্রে জানা গেছে, আলোচিত মেট্রোরেলের বিস্তারিত নকশা ছাড়াই প্রকল্পটির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করার কথা ছিল গত বছর জুলাই মাসে। কিন্তু এ প্রকল্পে নকশা তৈরি এবং নির্মাণকাজ তদারকির পরামর্শক প্রতিষ্ঠানও নিয়োগ দেয়া হয়নি এখনো। পরামর্শক প্রতিষ্ঠান নিয়োগের পর দুই-তিন বছর প্রকল্পটির কাজ হবে কাগজে-কলমেই। এর মধ্যে রয়েছে নকশা তৈরি, জমি অধিগ্রহণ, কোম্পানি গঠন, লোকবল নিয়োগ। এসব প্রক্রিয়া শেষে নির্মাণকাজ ২০১৬ সালের আগে শুরু করা সম্ভব নয়।

    এদিকে বাংলাদেশ প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) পুরপ্রকৌশল বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. সামছুল হক বাংলামেইলকে বলেন, 'নকশা ছাড়া কোনো প্রকল্পই সফল হয় না। তাছাড়া নকশা ছাড়া কন্ট্রাকশনের কাজ শুরু করা হলে মাটির নীচে যে ইউটিলিটি লাইনগুলো আছে সেগুলোর সঙ্গে সাংঘর্ষিক হওয়ার সম্ভাবনা থেকে যায়।'

    তিনি বলেন, 'মেট্টোরেলের কাজ শুরু আগে মাটির ওপরে এবং নীচের লাইনের (ইউটিলিটি লাইন) সুষ্ঠু সমন্বয় করে নকশা করতে হবে। এই দুইয়ের সমন্বয় ছাড়া প্রকল্পের কাজ শুরু করা হলে দুর্ঘটনার আশঙ্কা থেকে যায়। আমি যতদূর জানি বর্তমানে সমীক্ষার কাজ চলছে।'

    জানা যায়, ২০ দশমিক ১ কিলোমিটার দীর্ঘ মেট্রোরেল উত্তরা থেকে শুরু হয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের সামনে গিয়ে শেষ হবে। প্রকল্পের কাজ বছর দুয়েক আগেই শুরু হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু দুই দফা পথ পরিবর্তনের কারণে থমকে যায় কাজ।

    প্রথমবার গুলিস্তান-যাত্রাবাড়ী উড়ালসড়কের কারণে এবং দ্বিতীয়বার বিমানবাহিনীর আপত্তির মুখে পথ পরিবর্তন করা হয়। প্রকল্পের জন্য তৈরি উন্নয়ন প্রস্তাবে (ডিপিপি) মেট্রোরেলের জন্য ব্যয় ধরা হয়েছে ২১ হাজার ৯৮৫ কোটি টাকা। এর মধ্যে জাপানের আন্তর্জাতিক সহায়তা সংস্থা জাইকা ঋণ দেবে ১৬ হাজার ৫৯৪ কোটি টাকা। বাকিটা সরকার বহন করবে। ইতিমধ্যে নকশা প্রণয়নসহ আনুষঙ্গিক কাজের জন্য প্রথম পর্যায়ে প্রায় এক হাজার ১৮ কোটি টাকার ঋণ চুক্তি হয়েছে।

    মেট্রোরেল নির্মাণ প্রকল্পের কাজ শেষ হওয়ার কথা ছিল ২০২৪ সালে। তবে এর চার বছর আগেই, অর্থাৎ ২০২০ সালের মধ্যেই এর নির্মাণ কাজ শেষ হবে। তবে পুরোটা নয়, প্রথম ২০১৯ সালের মধ্যে উত্তরা থেকে ফার্মগেট এবং ২০২০ সালের মধ্যে ফার্মগেট থেকে মতিঝিল পর্যন্ত নির্মাণ কাজ শেষ হবে বলে সড়ক পরিবহন মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের জানান।

    সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, মেট্রোরেলের নির্মাণকাজ শুরুর আগে তিনটি পরামর্শক প্রতিষ্ঠান নিয়োগ এবং সরকার মালিকানাধীন একটি কোম্পানি গঠন করা হবে। সাধারণ পরামর্শকের কাজ হবে বিস্তারিত নকশা প্রণয়ন, নির্মাণকাজের জন্য ঠিকাদার নিয়োগ ও তদারকি এবং মেট্রোরেল পরীক্ষামূলক চালানো। এই পরামর্শক নিয়োগের প্রক্রিয়া চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে।

    চূড়ান্ত দরপত্রে জাপানের ওরিয়েন্টাল ও নিপ্পন কোই এবং ফ্রান্সের সিস্টার নামে তিনটি প্রতিষ্ঠান অংশ নিয়েছে। পরামর্শক নিয়োগের পর ২০১৫ সালের মধ্যে বিস্তারিত নকশা তৈরি করা হবে। এই খাতে ব্যয় ধরা হয়েছে প্রায় এক হাজার কোটি টাকা। মেট্রোরেল প্রকল্প সংশ্লিষ্ট সরকারি বিভিন্ন সংস্থার বিধিবিধান ও জনবল কাঠামো এবং চাকরিবিধি তৈরি করার জন্য আরেকটি পরামর্শক প্রতিষ্ঠান নিয়োগ দেয়া হবে। ইতিমধ্যে ঠিকাদারদের সংক্ষিপ্ত তালিকা করে চূড়ান্ত দরপত্র আহ্বান করা হয়েছে।

    ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানগুলো হচ্ছে জাপানের ওরিয়েন্টাল ও পেডেকো, স্পেনের এএলজি ও যুক্তরাজ্যের আইএমসি। তৃতীয় পরামর্শক প্রতিষ্ঠানের কাজ হবে প্রকল্পের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিদের পুনর্বাসন করা। জাইকার ঋণের মূল শর্ত ছিল মেট্রোরেল প্রকল্পের জন্য শতভাগ সরকার মালিকানাধীন একটি কোম্পানি করা। ইতিমধ্যে ঢাকা মাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেড (ডিএমটিসিএল) নামে একটি কোম্পানি গঠনের প্রক্রিয়া চলছে। এবং জয়েন্ট স্টক কোম্পানিতে আবেদনও করা হয়েছে।

    মেট্রোরেলের পথ ও স্টেশন:
    মেট্রোরেলের পথ নিধারণ করা হয়েছে উত্তরা তৃতীয় পর্যায়, মিরপুরের পল্লবী, রোকেয়া সরণির পশ্চিম, সংসদ ভবনের দক্ষিণ সীমানা দিয়ে ফার্মগেট, শাহবাগ, টিএসসি, দোয়েল চত্বর, তোপখানা রোড হয়ে বাংলাদেশ ব্যাংক পর্যন্ত।


    মেট্রোরেল পুরোটাই হবে উড়ালপথে। বিদ্যমান সড়কের মাঝখানে আড়াই মিটার জায়গা নেয়া হবে। উচ্চতা হবে মাটি থেকে আট থেকে ১৩ মিটার পর্যন্ত। মেট্রোরেলের জন্য ১৬টি স্টেশন প্রস্তাব করা হয়েছে। এগুলো হচ্ছে- উত্তরার উত্তর, উত্তরা কেন্দ্র, উত্তরা দক্ষিণ, পল্লবী, আইএমটি, মিরপুর-১০, কাজীপাড়া, তালতলা, আগারগাঁও, বিজয় সরণি, ফার্মগেট, সোনারগাঁও হোটেল স্টেশন, জাতীয় জাদুঘর, দোয়েল চত্বর, জাতীয় স্টেডিয়াম ও বাংলাদেশ ব্যাংক। স্টেশনগুলোও উপরে হবে এবং নিচ থেকে লিফট বা চলন্ত সিঁড়ির মাধ্যমে যাত্রীদের ওপরে যাওয়ার ব্যবস্থার কথা বলা হয়েছে।

    ডিপিপি অনুযায়ী, মেট্রোরেলে প্রতি ঘণ্টায় ৬০ হাজার যাত্রী বহন করা যাবে। প্রতি সাড়ে তিন মিনিট পর পর একটি ট্রেন চলাচল করবে। ট্রেনের গতিবেগ ঘণ্টায় ৩২ কিলোমিটার। চলাচলকারী মোট ২৪টি ট্রেনের প্রতিটিতে ছয়টি বগি থাকবে। প্রতি ট্রেনে ৯৪২ জন বসে এবং ৭৫৪ জন দাঁড়িয়ে যাতায়াত করতে পারবে। মেট্রোরেল পরিচালনার জন্য প্রতি ঘণ্টায় ১৩ দশমিক ৪৭ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ খরচ হবে বলে জানা যায়।

    সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, 'মেট্রোরেল নেক্সট জেনারেশন প্রজেক্ট। মেট্রোরেলের ডিপোর জন্য রাজউক থেকে ১৪ একর জমি পাওয়া গেছে। বিস্তারিত নকশা ও নির্মাণ তদারকিতে পরামর্শ নিয়োগের মূল্যায়ন জাইকা'র সম্মতির জন্য পাঠানো হয়েছে। কোম্পানি গঠন শেষে জনবল নিয়োগ করার কথা জানান মন্ত্রী।'অংশীদারিত্বের ভিত্তিতেও মেট্রোরেল ব্যবস্থা স্থাপন, পরিচালনা ও রক্ষণাবেক্ষণ করার সুযোগ রাখা হয়েছে বলেও মন্ত্রী জানান।

    উল্লেখ্য, ২০১২ সালে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটিতে (একনেক) মেট্রোরেল প্রকল্প অনুমোদন হয়। বাস্তবায়নাধীন মেট্রোরেল লাইন-৬ এর আওতায় উত্তরা থেকে শুরু হয়ে মতিঝিল পর্যন্ত যাবে। সময় লাগবে ৪০ মিনিটেরও কম।

    0 0

    Yemen and The Militarization of Strategic Waterways

    By Prof Michel Chossudovsky

    "Whoever attains maritime supremacy in the Indian Ocean would be a prominent player on the international scene." (US Navy Geostrategist Rear Admiral Alfred Thayus Mahan (1840-1914))

    The Yemeni archipelago of Socotra in the Indian Ocean is located some 80 kilometres off the Horn of Africa and 380 kilometres South of the Yemeni coastline. The islands of Socotra are a wildlife reserve recognized by (UNESCO), as a World Natural Heritage Site. 

    Socotra is at the crossroads of the strategic naval waterways of the Red Sea and the Gulf of Aden (See map below). It is of crucial importance to the US military.

    MAP 1

    Among Washington's strategic objectives is the militarization of major sea ways. This strategic waterway links the Mediterranean to South Asia and the Far East, through the Suez Canal, the Red Sea and the Gulf of Aden.

    It is a major transit route for oil tankers. A large share of China's industrial exports to Western Europe transits through this strategic waterway. Maritime trade from East and Southern Africa to Western Europe also transits within proximity of Socotra (Suqutra), through the Gulf of Aden and the Red Sea. (see map below). A military base in Socotra could be used to oversee the movement of vessels including war ships in an out of the Gulf of Aden.

    "The [Indian] Ocean is a major sea lane connecting the Middle East, East Asia and Africa with Europe and the Americas. It has four crucial access waterways facilitating international maritime trade, that is the Suez Canal in Egypt, Bab-el-Mandeb (bordering Djibouti and Yemen), Straits of Hormuz (bordering Iran and Oman), and Straits of Malacca (bordering Indonesia and Malaysia). These 'chokepoints' are critical to world oil trade as huge amounts of oil pass through them." (Amjed Jaaved, A new hot-spot of rivalry, Pakistan Observer, July 1, 2009)

    MAP 2

    Sea Power

    From a military standpoint, the Socotra archipelago is at a strategic maritime crossroads. Morever, the archipelago extends over a relatively large maritime area at the Eastern exit of the Gulf of Aden, from the island of Abd al Kuri, to the main island of Socotra. (See map 1 above and 2b below) This maritime area of international transit lies in Yemeni territorial waters. The objective of the US is to police the entire Gulf of Aden seaway from the Yemeni to Somalian coastline. (See map 1).

    MAP 2b

    Socotra is some 3000 km from the US naval base of Diego Garcia, which is among America's largest overseas military facilities.

    The Socotra Military Base

    On January 2nd, 2010, President Saleh and General David Petraeus, Commander of the US Central Command met for high level discussions behind closed doors.

    The Saleh-Petraeus meeting was casually presented by the media as a timely response to the foiled Detroit Christmas bomb attack on Northwest flight 253. It had apparently been scheduled on an ad hoc basis as a means to coordinating counter-terrorism initiatives directed against "Al Qaeda in Yemen", including "the use [of] American drones and missiles on Yemen lands."

    Several reports, however, confirmed that the Saleh-Petraeus meetings were intent upon redefining US military involvement in Yemen including the establishment of a full-fledged military base on the island of Socotra. Yemen's president Ali Abdullah Saleh was reported to have "surrendered Socotra for Americans who would set up a military base, pointing out that U.S. officials and the Yemeni government agreed to set up a military base in Socotra to counter pirates and al-Qaeda." (Fars News. January 19, 2010)

    On January 1st, one day before the Saleh-Petraeus meetings in Sanaa, General Petraeus confirmed in a Baghdad press conference that "security assistance" to Yemen would more than double from 70 million to more than 150 million dollars, which represents a 14 fold increase since 2006. (Scramble for the Island of Bliss: Socotra!War in Iraq, January 12, 2010. See also CNN January 9, 2010, The Guardian, December 28, 2009).

    This doubling of military aid to Yemen was presented to World public opinion as a response to the Detroit bomb incident, which allegedly had been ordered by Al Qaeda operatives in Yemen.

    The establishment of an air force base on the island of Socotra was described by the US media as part of the "Global war on Terrorism":

    "Among the new programs, Saleh and Petraeus agreed to allow the use of American aircraft, perhaps drones, as well as "seaborne missiles"–as long as the operations have prior approval from the Yemenis, according to a senior Yemeni official who requested anonymity when speaking about sensitive subjects. U.S. officials say the island of Socotra, 200 miles off the Yemeni coast, will be beefed up from a small airstrip [under the jurisdiction of the Yemeni military] to a full base in order to support the larger aid program as well as battle Somali pirates. Petraeus is also trying to provide the Yemeni forces with basic equipment such as up-armored Humvees and possibly more helicopters." (Newsweek,  Newsweek, January 18, 2010, emphasis added)

    Existing runway and airport

    US Naval Facility?

    The proposed US Socotra military facility, however, is not limited to an air force base. A US naval base has also been contemplated.

    The development of Socotra's naval infrastructure was already in the pipeline. Barely a few days prior (December 29, 2009) to the Petraeus-Saleh discussions (January 2, 2010), the Yemeni cabinet approved a US$14 million loan by Kuwait Fund for Arab Economic Development (KFAED) in support of the development of Socotra's seaport project.

    MAP 3

    The Great Game

    The Socotra archipelago is part of the Great Game opposing Russia and America.

    During the Cold War, the Soviet Union had a military presence in Socotra, which at the time was part of South Yemen.

    Barely a year ago, the Russians entered into renewed discussions with the Yemeni government regarding the establishment of a Naval base on Socotra island. A year later, in January 2010, in the week following the Petraeus-Saleh meeting, a Russian Navy communiqué "confirmed that Russia did not give up its plans to have bases for its ships… on Socotra island." (DEFENSE and SECURITY (Russia), January 25, 2010)

    The Petraeus-Saleh January 2, 2010 discussions were crucial in weakening Russian diplomatic overtures to the Yemeni government.

    The US military has had its eye on the island of Socotra since the end of the Cold War.

    In 1999, Socotra was chosen "as a site upon which the United States planned to build a signal intelligence system…." Yemeni opposition news media reported that "Yemen's administration had agreed to allow the U.S. military access to both a port and an airport on Socotra." According to the opposition daily Al-Haq, "a new civilian airport built on Socotra to promote tourism had conveniently been constructed in accordance with U.S. military specifications." (Pittsburgh Post-Gazette (Pennsylvania), October 18, 2000)

    The Militarization of the Indian Ocean

    The establishment of a US military base in Socotra is part of the broader process of militarization of the Indian Ocean. The latter consists in integrating and linking Socotra into an existing structure as well as reinforcing the key role played by  the Diego Garcia military base in the Chagos archipelago.

    The US Navy's geostrategist Rear Admiral Alfred T. Mahan had intimated, prior to First World War, that "whoever attains maritime supremacy in the Indian Ocean [will] be a prominent player on the international scene.".(Indian Ocean and our Security).

    What was at stake in Rear Admiral Mahan's writings was the strategic control by the US of major Ocean sea ways and of the Indian Ocean in particular: "This ocean is the key to the seven seas in the twenty-first century; the destiny of the world will be decided in these waters."

    MAP 4

    Michel Chossudovsky is Professor of Economics (Emeritus) at the University of Ottawa and Director of the Centre for Research on Globalization (CRG), Montreal,  which hosts the award winning . He is the author of the international best-seller "The Globalisation of Poverty and The New World Order". He is contributor to the Encyclopaedia Britannica, member of the Kuala Lumpur War Crimes Commission and recipient of the Human Rights Prize of the Society for the Protection of Civil Rights and Human Dignity (GBM), Berlin, Germany. His writings have been published in more than twenty languages.

    Related Global Research Article: See Rick Rozoff,  U.S., NATO Expand Afghan War To Horn Of Africa And Indian Ocean, Global Research,  8 January 2010.

    0 0

    जब भुंदरा बौ तैं टाई पैरणो दिए गे 


                            चबोड़्या स्किट संकलन :::   भीष्म कुकरेती 

    ------------चरित्र -------------

    भुंदरा बौ 

    सरकारी नेता 

    विरोधी नेता 

    क्षेत्रीय राजनीतिक दलक नेता



     [स्थान एक निपाणि डाँड़ ]

    [भुंदरा बौक  तीसक मारा बुरा हाल छन।  वा ल्हसरोंदि , ल्हसरोंदि , पोड़ि पोड़िक चिल्लाणी च ] -पाणी द्यावो , पाणी द्यावो ! मि तिसा मोरि ग्यों। 

    भुंदरा बौ- पाणी द्यावो , पाणी द्यावो ! मि तिसा मोरि ग्यों। 

    क्षेत्रीय दल का नेता - ले हमर दलका  तरफ से टाई पैर ले। 

    भुंदरा बौ - मि तै तीस लगीं च।  टाइ ना पाणी चयेणु च। 

    [नेता चल जांद ]

    भुंदरा बौ- पाणी द्यावो , पाणी द्यावो ! मि तिसा मोरि ग्यों। 

    विरोधी दल का नेता -ले हमर दलका  तरफ से टाई पैर ले।

    भुंदरा बौ -आग लगलि तेरी टाई पर।  मि तै तीस लगीं च तू टाई पैराणु छे। 

    [नेता चल जांद ]

    भुंदरा बौ- पाणी द्यावो , पाणी द्यावो ! मि तिसा मोरि ग्यों। 

    सरकारी दलका नेता - ले टाई पैर ले 

    भुंदरा बौ-  अबे मि तै पाणि चयेणु च ना कि बिगरौ 

    [नेता चल जांद ]

    भुंदरा बौ- अरे समिण पर गंगा  वाटर फिलिंग फैक्ट्री च।  मि भितर जांद। 

    भुंदरा बौ- ये दरबान भुला ! मि तै तीस लगीं च।  फैक्ट्री भितर जाणि दे। 

    दरबान - पैल टाई पैरिक आ।  बगैर टाइका क्वी फैक्ट्री भितर नि जै सकद। 

    7/4/15  Bhishma Kukreti , Mumbai India 

    0 0

    Dear Friend,

    If you think the content of this news letter is critical for the dignified living and survival of humanity and other species on earth, please forward it to your friends and spread the word. It's time for humanity to come together as one family! You can subscribe to our news letter here You can also follow us on twitter, and on Facebook,

    In Solidarity
    Binu Mathew

     Mass Killings, Looting In Tikrit By US-Backed Shiite Militia
    By Patrick Martin

    According to media reports and public denunciations by Sunni Arab officials in Iraq, Shiite militias have engaged in mass executions and widespread looting and destruction of property in the city of Tikrit since it was recaptured last week from Islamic State in Iraq and Syria (ISIS) forces

    The Kingdom Of Saudi Arabia Bombs Yemen To Save 'Democracy'!
    By Anthony Mathew Jacob

    It is extremely depressing to see that the very one claiming to be the custodian of the two most holiest sites of the Muslims is joining hands with those involved in their bloodshed. The Muslims of the world are realizing as to who really is fighting for them and who is destroying them under the garb of Islam, and no amount of petrodollars and long white gowns can hide this reality...

    Political Crisis In Pakistan As Saudi Arabia Demands It Join War Against Yemen
    By Sampath Perera

    Saudi Arabia's demands that its long-time ally Pakistan participate in its US-backed war against Yemen have produced a political crisis in Islamabad. In the nearly two weeks since Riyadh declared that Pakistan was part of its war coalition, Islambad has undertaken a whirlwind of diplomatic activity, as it attempts to balance between Sunni monarchies in the Gulf and neighboring Iran. At the same time, Pakistan's political and military establishment are fearful of a further outbreak of sectarian tensions within the country

    As Saudi Dictator Continues US-Coordinated Bombardment,
    al Qaeda Gains Yemen Foothold
    By Robert Barsocchini

    The attacks by Wahhabi Saudi Arabia have allowed another Wahhabi-affiliated and Saudi-backed group, al Qaeda, to seize a major Yemeni port city, and now the Mukalla army base, securing al Qaeda's foothold in Yemen's southeast

    The Iran Nuclear Agreement: A Step In The Right Direction
    By Chandra Muzaffar

    There is no guarantee that the preliminary agreement reached in Lausanne, Switzerland, on 2nd April 2015 between Iran, on the one hand, and the United States and five other world powers, namely, Britain, China, France, Germany and Russia, on the other, in relation to Iran's nuclear programme will lead to a final accord at the end of June this year, as envisaged by the parties concerned

    The Pitfalls Of Liberal Capitalism
    By G. Asgar Mitha

    The fissures are becoming evident that liberal capitalism could widen to the point where it becomes unsustainable due to the internal and external factors and be replaced with a socio-capital system by honest politicians breaking up big corporations. It is not implausible

    American Civil War And Marx
    By Alan Johnstone

    Workers from Manchester to London organised in opposition to active British support for the slave South—helping to block the clearly marked intentions of Lord Palmerston, the British Prime Minister, to intervene militarily in the U.S. Civil War. This action on the part of the workers went against their own immediate economic interests and was, as Marx wrote to Engels on April 9, 1863, "an act almost without precedent" in the history of the working class. Marx himself attended the mass meeting of the London Trades' Union Council in March 1863, in which the skilled workers of London proclaimed their support for the war against slavery and opposition to British intervention on the side of the Confederacy

    Despite resurgence of CPIM and Left forces,Sangh Pariwar ensures a shafron Bengal.Thus ,CBI has to be reactivated.

    Hundred times harvesting for TMC thanks to artist Mamata Banerjee!

    The focus being Manik Sarkar and CPIM last citadel Tripura,CBI reactivated to intensify its investigation in Sardha Scam along with ED creating a well knit web to nab CPIM.

    Bengali dailies have published detailed reports of TMC fund raising reaching the peak of Hundred million of which at least thirty five million is produced by Mamata`s fantastic painting from the low about one million before TMC was selected to replace the Left.

    Palash Biswas

    Hundred times harvesting for TMC thanks to artist Mamata Banerjee!

    Daily Anand Bazaar Reports:

    অনুদান খাতে আয় বেড়েছে একশো গুণ

    চার বছরে অনুদান বেড়েছে ১০০ গুণ! আয়কর দফতরে দাখিল করা তৃণমূলের হিসেব ঘেঁটে এমনই তথ্য পেয়েছেন সিবিআই গোয়েন্দারা। আনন্দবাজারেরও হাতে আসা সেই হিসেব বলছে, ২০১০-'১১ আর্থিক বছরে অনুদান খাতে তৃণমূলের আয় ছিল ১০ লক্ষ টাকা। এর পরের বছরে (২০১১-'১২) তা বেড়ে হয় ১৩ লক্ষ টাকা। ২০১২-'১৩ সালে অনুদানের পরিমাণ ছিল ৩৫ লক্ষ টাকা।

    The focus being Manik Sarkar and CPIM last citadel Tripura,CBI reactivated to intensify its investigation in Sardha Scam along with ED creating a well knit web to nab CPIM.

    Manik Sarkar and CPIM being the main target i Rose Valley Chifund Scam, quite interestingly CBI Investigation reactivated in Sardha scam and Mukul Roy is all set to be questioned again even after given clean chit by CBI.Bengal is indulged in bloodshed once again for local body power politics and BJP is gearing for head on clash with TMC as religious polarization is complete with surgical precision.Despite resurgence of CPIM and Left forces,Sangh Pariwar ensures a shafron Bengal.Thus ,CBI has to be reactivated.

    Hereby,Tripura Leader of Opposition Sudip Roy Burman on Monday alleged that Chief Minister Manik Sarkar holds association with various chit fund companies and demanded a CBI probe into the ponzi scams in Tripura.

    The Congress has accused Tripura chief minister Manik Sarkar of providing land at subsidized rates to Rose Valley for setting up an amusement park in Agartala.

    Two days after Sarkar's denial of his association with Rose Valley and other non-banking financial companies (NBFC), leader of the opposition, Sudip Roy Barman, on Friday released the land documents of the park.

    "The Rose Valley Park was built in 16.5 hectares of land in Agartala. The government provided them half of the land at a cheaper price and allowed another half to be encroached," alleged Roy Barman alleged. He said the land which was encroached by Rose Valley belonged to tribals.

    The Central Bureau of Investigation (CBI), probing the multi-crore Saradha chit fund scam, on Monday sent a notice to the ruling Trinamool Congress (TMC) seeking income and expense details from the party during 2010-14, which includes donations, advertisements, sale of party mouthpiece 'Jaago Bangla' and "sale of paintings".According to media reports, the notice is sent to the TMC's national general secretary Subrata Bakshi through a speed post, asking him to reply within seven days.

    The development comes days after West Bengal Chief Minister and TMC chief Mamamta Banerjee had expressed her strong displeasure over the CBI's phone call to TMC Bhavan here.

    According to reports, the notice has been served under Section 91 (summons to produce document or other thing) of the Criminal Procedure Code.

    Reacting to this, Trinamool secretary general Partha Chatterjee said the party would reply if it saw the notice.

    On the other hand,Tripura Opposition leader Sudip Roy Burman on Monday accused the Manik Sarkar government in the state of shielding Rose Valley company, whose chairman is now in judicial custody here in connection with an Enforcement Directorate probe.

    "The Manik Sarkar government did not specify the amount of money involved in the scam while writing to the CBI to probe the Rose Valley Group in 2013, only to ensure that it was not investigated," Tripura Opposition leader Sudip Roy Burman alleged while speaking to the media here.

    The Congress leader claimed that the state government had written to the CBI following a clamour over the activities of several ponzi fund companies operating in Tripura.

    This was done, Burman claimed, only after the Saradha chit fund scam came to light and the Assam government suo motu sought a CBI probe into the scam there.

    "The state government had conducted raids on the offices of some such companies, including Rose Valley, but took little action," Burman alleged.

    The companies were allowed time to wind up operations in the state and flee, thus leaving lakhs of hapless investors in the lurch, Burman claimed.

    "Tripura chief minister and other ministers have been present at functions of Rose Valley Group and various other chit fund companies," he alleged, adding that Sarkar was also present at the launch of Saradha Group's newspaper in the state.

    He alleged that chit fund companies had flourished whenever the Left Front was in power in the state.

    "Democracy is being throttled in Tripura and it is a one- man show there," Burman said.

    Bengali dailies have published detailed reports of TMC fund raising reaching the peak of Hundred million of which at least thirty five million is produced by Mamata`s fantastic painting from the low about one million before TMC was selected to replace the Left.

    I am posting all those posts also with the end of the report.

    Meanwhile ,Time of India repotrts:

    As the CBI prepares to file a fresh chargesheet in the Saradha chit fund scam, it plans to question ousted Trinamool Congress leader Mukul Roy again. Top sources said Roy attended Saradha group meetings at "someone's instance". During his previous examination in January, Roy had told CBI that "he had done nothing wrong".

    Earler,the CBI questioned Assam Congress president and legislator Anjan Dutta at its office in Kolkata in connection with the multi-crore Saradha chit fund scam.

    Mind you,Roy earlier even before he entered CBI office to be questioned,spilled the beans admitted to meeting Saradha CEO Sudipta Sen at Delo guest house in Kalimpong and Nizam Palace in Kolkata. But he denied having met him after the Ponzi mastermind slipped out of Kolkata in April 2013.

    Media reports,after calling up Trinamool general secretary Subrata Bakshi at the Trinamool Bhawan last week, the CBI has finally sent a notice to him seeking details of the accounts of the ruling party as part of its ongoing investigations into the Saradha scam.

    In the notice, the agency has sought details about the party's income and expenditure since 2010 right up to 2014, asking Bakshi to reply within seven days. Interestingly, the notice has tried to encompass the entire gamut of Trinamool's income sources, including the profit from selling chief minister Mamata Banerjee's paintings. CBI refused to see the development as a "political move".

    "The notice is part of our investigation, a status report of which has been submitted before the Supreme Court on Monday. Based on the reply, we might summon a couple of people," said a CBI spokesperson. The CBI had earlier made it clear that the auditors of the ruling party might be asked at some point later to cooperate in the probe. The central agency has not yet ruled out the prospect of summoning the former Trinamool Congress number 2 Mukul Roy again.

    Reacting to the development, Trinamool secretary general Partha Chatterjee said in Siliguri that the party would reply once it sees the notice. "Every day we get thousands of letters and we reply to those which are worthy of a reply. If we come across such a notice and if it deserves a reply, we will do that," Chatterjee said iterating the party's stand that the CBI was working at the behest of the BJP which is ruling at the Centre.

    "CBI has lost all credibility. It is acting at the behest of a political party before the civic elections. We announced a protest programme against the land bill on April 8. Shortly after that, CBI called up our office," Chatterjee had said on April 2, the day Bakshi got a phone call from the agency on the issues related to the party's accounts. The education minister went on to slam the Centre over the CBI move. "CBI is working under instructions of a particular party to put Trinamool in trouble," Chatterjee had said.

    The agency had earlier sent the notice to Trinamool leader Mukul Roy who was the general secretary of the party before his eventual removal from the post in February. Roy, a Trinamool Rajya Sabha member, had reportedly asked the CBI to contact Bakshi over the issue as he was no more the general secretary.

    On March 18, Bakshi wrote to Roy asking for documents and statements relating to the party's communications with the state and central election panels and original copies of the party's audited accounts among other documents.

    Replying to Bakshi's letter, Roy on April 3 gave details of the party's audited accounts between 2005 and 2014. He also asked Bakshi to contact one "Shri Chakrabarty" who he said was handling all accounts-related matters of the party.

    রোজভ্যালি ছাড়াও অন্য বেআইনি আর্থিক প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে জড়িত মানিক, দাবি বিরোধী দলনেতার

    সঞ্চয়ন মিত্র, এবিপি আনন্দ

    কলকাতা: বেআইনি আর্থিক প্রতিষ্ঠানকাণ্ডে এবার একেবারে কলকাতায় এসে সুর চড়াল ত্রিপুরা কংগ্রেস। আক্রমণের লক্ষ্য, দেশের একমাত্র সিপিএম শাসিত রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী তথ্য দলের পলিটব্যুরোর সদস্য মানিক সরকার।

    সোমবার, প্রেস ক্লাবের সাংবাদিক বৈঠকে করে ত্রিপুরার বিরোধী দলনেতা সুদীপ রায়বর্মন দাবি করেন, রোজভ্যালি তাদের রাজ্যে যে পার্ক তৈরি করেছে, তা বেআইনি ভাবে তৈরি হয়েছে। এর অর্ধেকই সরকারি জমি বলে দাবি তাঁর।

    ত্রিপুরা কংগ্রেসের দাবি, শুধুমাত্র রোজভ্যালিই নয়, অন্যান্য বেসরকারি সংস্থার অনুষ্ঠানেও উপস্থিত থেকেছেন মুখ্যমন্ত্রী মানিক সরকার। বলেন, 'সকালবেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ছিলেন, কসমিক গ্রুপ অফ ইন্ডাস্ট্রিজের বার্ষিক অনুষ্ঠানে ছিলেন, মঙ্গলম অ্যাগ্রো প্রোডাক্টস-এ সিএম ছিলেন।' নিজের দাবির স্বপক্ষে ছবিও তুলে ধরেন ত্রিপুরার বিরোধী দলনেতা।

    ত্রিপুরার বিরোধী দলনেতার আরও দাবি, মুখ্যমন্ত্রীর পাশাপাশি সিপিএম মন্ত্রী ও বিধায়করাও বেআইনি আর্থিক সংস্থার অনুষ্ঠানে উপস্থিত থেকে এমন বক্তব্য পেশ করতেন, যাতে সাধারণ মানুষ ওই সব সংস্থায় বিনিয়োগ করতে ভরসা পান। কংগ্রেসের অভিযোগের প্রেক্ষিতে, মানিক সরকার আগেই দাবি করেছিলেন, বেআইনি আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলির বিরুদ্ধে ত্রিপুরা সরকারই প্রথম সিবিআই তদন্তের সুপারিশ করেছিল। ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রীর এই দাবিও উড়িয়ে দিয়েছেন বিরোধী দলনেতা।

    ত্রিপুরার বিরোধী দলনেতার এও দাবি, প্রথমে যে সব আর্থিক প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে তদন্তের আর্জি জানিয়ে রাজ্য সরকার সিবিআইকে চিঠি দিয়েছিল, তাতে রোজভ্যালির নামই ছিল না। পরে, বিরোধীদের চাপে, তালিকায় এই সংস্থার নাম ঢোকানো হলেও, কত টাকার তছরুপের অভিযোগ, তার উল্লেখ ছিল না। এ রাজ্যে সিপিএম যখন সারদাকাণ্ডে তৃণমূলকে কোণঠাসা করার আপ্রাণ চেষ্টা চালাচ্ছে, তখন তাদের নাকের ডগায় বসে মানিক সরকারের বিরুদ্ধে একগুচ্ছ অভিযোগ ছুঁড়ে দিয়ে তাদের অস্বস্তি বাড়িয়ে দিল ত্রিপুরা কংগ্রেস। এমনটাই মত রাজনৈতিক মহলের একাংশের।

    রোজ ভ্যালিতেও কুণাল টানলেন মুখ্যমন্ত্রীর নাম

    সৌজন্যে আনন্দবাজার পত্রিকা

    কলকাতা: সারদা কাণ্ডে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে জড়িয়ে লাগাতার অভিযোগের তির ছুড়েছেন কুণাল ঘোষ। এ বার অর্থলগ্নি সংস্থা রোজ ভ্যালির কাজ কারবারেও মুখ্যমন্ত্রীর 'যোগ'নিয়ে সরব হলেন তৃণমূল থেকে সাসপেন্ড হওয়া এই রাজ্যসভার সাংসদ। রোজ ভ্যালি-কাণ্ডে তিনি জড়িয়ে দিয়েছেন পরিবহণমন্ত্রী মদন মিত্র ও তৃণমূল সাংসদ তাপস পালের নামও।

    সোমবার সারদা ট্যুরস অ্যান্ড ট্র্যাভেলস মামলায় সারদা-কর্ণধার সুদীপ্ত সেন ও তাঁর 'ছায়াসঙ্গিনী'দেবযানী মুখোপাধ্যায়ের সঙ্গে কুণালকে কলকাতার নগর দায়রা আদালতে হাজির করানো হয়েছিল। বিকেলে জেলে ফেরানোর জন্য গাড়িতে তোলার সময় সাংবাদিকেরা রোজ ভ্যালি-কাণ্ড প্রসঙ্গে তাঁর মতামত জানতে চান। কুণাল বলেন, ''রোজ ভ্যালি নিয়ে কিছু জানি না। যাঁরা জানেন, তাঁদের জিজ্ঞাসা করুন।''

    তাঁরা কারা? কুণাল তাপস পাল, মদন মিত্র ও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম করেন। কেন তিনি এমন বলছেন, তা জিজ্ঞাসা করা হলে কুণাল আরও কিছু বলতে যাচ্ছিলেন। কিন্তু পুলিশ তাঁকে ঠেলে প্রিজন ভ্যানে ঢুকিয়ে দেয়।

    কুণালের এ হেন মন্তব্য প্রসঙ্গে তৃণমূলের কোনও নেতা আনুষ্ঠানিক ভাবে মুখ খুলতে চাননি। যদিও তৃণমূল সূত্রের দাবি, কুণালের কথায় দল গুরুত্ব দিচ্ছে না। তাপস পালের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তাঁর প্রতিক্রিয়া, ''আমি শ্যুটিংয়ে ব্যস্ত। এ সব ব্যাপারে আমার কিছু জানা নেই।''আর মদন মিত্রের কৌঁসুলি মিলন মুখোপাধ্যায়ের বক্তব্য, এক জন অভিযুক্তের মুখে এই সব কথাবার্তার তথ্য-প্রমাণগত মূল্য নেই। রোজ ভ্যালি সংশ্রব প্রসঙ্গে তৃণমূলের সদ্য প্রাক্তন সাংসদ সৃঞ্জয় বসুর নামও এ দিন কুণালের মুখে শোনা গিয়েছিল। সৃঞ্জয়বাবু জানান, নেহাত পেশাগত সূত্রেই তিনি রোজ ভ্যালি কর্ণধার গৌতম কুণ্ডুকে চিনতেন, তার বাইরে কোনও সম্পর্ক ছিল না।

    সারদা-মামলায় ধৃত কুণাল ঘোষ একাধিক বার প্রকাশ্যে দাবি করেছেন যে, সারদা-কাণ্ডে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জড়িত। এক বার আদালত থেকে সল্টলেকের সিজিও কমপ্লেক্সের সিবিআই অফিসে ঢোকার সময় তিনি বলেছিলেন, ''সারদার সংবাদমাধ্যম থেকে কেউ যদি সব চেয়ে বেশি সুবিধা পেয়ে থাকেন, তাঁর নাম মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।''

    এর পরেও আদালতের ভিতরে-বাইরে একাধিক বার মুখ্যমন্ত্রী ও তাঁর মন্ত্রিসভার অনেকের দিকে আঙুল তুলেছেন কুণাল। তিনি যাতে এজলাসের বাইরে কিছু বলতে না পারেন, এবং বললেও যাতে তা সংবাদমাধ্যমের কানে না যায়, সে জন্য পুলিশও কোমর বেঁধে নামে। কুণাল সাংবাদিকদের সামনে মুখ খুললেই তাঁর কণ্ঠস্বর চাপা দিতে একযোগে চিৎকার কিংবা গাড়ির গায়ে চাপড় মেরে ধাঁই ধপাধপ আওয়াজ তুলতেও কসুর করেননি আইনরক্ষকেরা।

    এ দিনও কুণাল মুখ্যমন্ত্রীর নাম তুলতেই তাঁকে সরিয়ে নিয়ে যেতে পুলিশকর্মীরা তৎপর হয়ে ওঠেন। বেলা এগারোটা নাগাদ কুণালকে যখন প্রেসিডেন্সি জেল থেকে কলকাতার নগর দায়রা আদালতে নিয়ে আসা হয়, তখন অবশ্য তিনি কিছু বলেননি। আগে বিভিন্ন হাজিরার দিনে এজলাসের ভিতরে নানা বিষয়ে যে ভাবে তাঁকে মুখর হতে দেখা গিয়েছে, এ দিন তাতেও ব্যতিক্রম! এজলাসে কুণাল কার্যত মুখে কুলুপ এঁটে ছিলেন!

    এ দিন সারদার অন্যতম কর্তা মনোজ নাগেলের হাজিরা নিয়ে দমদম জেল কর্তৃপক্ষ কার্যত আদালতের ক্ষোভের মুখে পড়েন। সুদীপ্ত-কুণাল-দেবযানীর সঙ্গে মনোজকেও এজলাসের কাঠগড়ায় দাঁড় করানো হয়েছিল। তা দেখে মনোজের কৌঁসুলি অনির্বাণ গুহঠাকুরতা প্রশ্ন তোলেন, সারদা ট্যুরস অ্যান্ড ট্র্যাভেলস মামলায় মনোজ এখনও অভিযুক্ত নন। তা হলে তিনি কোর্টে কেন? বিচারক কি ওঁকে হাজির করতে বলেছেন? বিচারক অরবিন্দ মিশ্র বলেন, এমন নির্দেশ তিনি দেননি। বিচারক সিবিআইয়ের বক্তব্য জানতে চাইলে কেন্দ্রীয় ব্যুরোর কৌঁসুলি অঙ্কুশ সরকার বলেন, মনোজকে হাজির করার কোনও নির্দেশ তাঁরাও জেলকে পাঠাননি।

    এমতাবস্থায় মনোজকে অবিলম্বে কোর্ট লক-আপে নিয়ে যাওয়ার নির্দেশ দেন বিচারক। ঘটনাটির ব্যাখ্যা চেয়ে দমদম সেন্ট্রাল জেলের সুপারকে আগামী ২০ এপ্রিল আদালতে তলব করা হয়েছে। সুদীপ্ত-কুণাল-দেবযানীর জেল হেফাজতের মেয়াদও বেড়েছে ২০ এপ্রিল পর্যন্ত।

    সুব্রত বক্সিকে সি বি আইয়ের চিঠি

    দীপঙ্কর নন্দী, সব্যসাচী সরকার

    কয়েক দিন ধরেই আলোচনা চলছিল আয়-ব্যয়ের হিসেব চেয়ে সি বি আই থেকে তৃণমূল ভবনে সুব্রত বক্সির নামে চিঠি আসবে৷‌ মিডিয়ায় এই নিয়ে প্রচারও হয়েছে৷‌ কিন্তু তৃণমূলের নেতারা বিষয়টিকে গুরুত্ব দেননি৷‌ তাঁদের কাছে জানতে চাওয়া হলে, তাঁরা বলেছেন আমরা পুরসভার প্রচার নিয়ে ব্যস্ত৷‌ এ নিয়ে আমরা কিছু এখন ভাবছি না৷‌ শেষ পর্যম্ত সোমবার তৃণমূল ভবনে স্পিড পোস্টে সি বি আই থেকে চিঠি আসে৷‌ দুপুর থেকেই তৃণমূল ভবনের সামনে মিডিয়ার ভিড়৷‌ দলের অধিকাংশ নেতা প্রচারে চলে গেছেন৷‌ ভবনে ছিলেন একমাত্র দলের মহাসচিব পার্থ চ্যাটার্জি৷‌ এদিনই তিনি শিলিগুড়ি থেকে ফিরে এসেছেন৷‌ সি বি আই-এর চিঠি নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জির সঙ্গে পার্থর আলোচনা হওয়ার পর ঠিক হয় মিডিয়াকে দলের পক্ষ থেকে কিছু জানানো হবে৷‌ সেই অনুযায়ী পার্থ বিকেল সাড়ে ৪টে নাগাদ শঙ্কুদেব পন্ডার মারফত তৃণমূল ভবনের বাইরে দাঁড়িয়ে থাকা মিডিয়ার লোকজনদের খবর দেন, ভবনে সাংবাদিক বৈঠক হবে৷‌ তৃণমূলের আয়-ব্যয়ের হিসেব চেয়ে বক্সিকে সি বি আই যে চিঠি পাঠিয়েছে, এর আগে মুকুল রায়কে ওই একই বিষয়ে জানতে চেয়ে চিঠি পাঠানো হয়েছিল৷‌ ২০১১-১৪ পর্যম্ত তৃণমূলের তহবিলে কারা টাকা দিয়েছিলেন, সে হিসেব চায় সি বি আই৷‌ সি বি আই-এর দিল্লির এক কর্তা জানান, ওই সময় কারা কারা টাকা দিয়েছিলেন এবং তার পরিমাণ সারদা তদম্তে প্রয়োজন৷‌ শুধু সারদাই নয়, চিটফান্ডের সঙ্গে যুক্ত কারা দিয়েছিলেন টাকা৷‌ আদৌ দিয়েছিলেন কিনা তা জানা জরুরি৷‌ বক্সির কাছ থেকে ৭ দিনের মধ্যে উত্তর জানতে চেয়েছে৷‌ তৃণমূল ভবনে সাংবাদিক বৈঠক ডেকে পার্থ সি বি আই-এর ওপর ব্যাপক ক্ষোভ প্রকাশ করেন৷‌ তিনি বলেন, দলের আয়-ব্যয়ের হিসেব নির্বাচন কমিশন ও আয়কর দপ্তরের জানার অধিকার রয়েছে৷‌ পার্থর প্রশ্ন, সি বি আই কবে থেকে এ ব্যাপারে নেতা ও নিয়ন্ত্রণ কর্তা হয়ে গেলেন? এর পেছনে কোনও অভিসন্ধি রয়েছে বলে তিনি জানান৷‌ পার্থর বক্তব্য, সি বি আইকে সামনে রেখে, মমতার নেতৃত্বে তৃণমূলকে বি জে পি মাথা নত করার চেষ্টা করেও কল্কে কিন্তু পাবে না৷‌ এ ব্যাপারে সিদ্ধার্থনাথ সিংকেও পার্থ আক্রমণ করে বলেন, তাঁর ইনসিওরেন্সের তদম্ত কতদূর এগোল৷‌ তদম্ত কোন পর্যায়ে আছে, তা সাধারণ মানুষের জানা প্রয়োজন৷‌ এদিন সাংবাদিকদের পার্থ বলেন, সি বি আইয়ের চিঠি আমরা পেয়েছি৷‌ সেটা কোনও দলের ব্যক্তির বিরুদ্ধে নয়৷‌ আমরা চিঠি নিয়ে আলোচনা করব৷‌ তৃণমূল স্বচ্ছ দল৷‌ সততার সঙ্গে দল চালান মমতা৷‌ ক্ষোভের সঙ্গে পার্থ বলেন, সি বি আইয়ের চিঠি আসার আগেই কয়েকটি মিডিয়ায় খবর দেখিয়ে দিচ্ছে৷‌ বলা হচ্ছে, 'খবর সূত্রে'জানা গেছে৷‌ আমরা জানতে চাই, এই সূত্র কে? এরও তদম্ত হওয়া প্রয়োজন৷‌ সি বি আইয়ের পারদর্শিতা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন দলের মহাসচিব৷‌ তিনি বলেন, জলের মতো পরিষ্কার যে, বি জে পি সি বি আইকে ব্যবহার করছে৷‌ বি জে পি ও বিমানবাবুদের নিজস্ব কোনও কর্মসূচি নেই৷‌ সি বি আইকে সামনে রেখে এরা এখন তৃণমূলকে হেয় করার চেষ্টা করছে৷‌ আর বিমানবাবুরা মানুষের কাছে পৌঁছনোর জন্য পেছন থেকে সানাই বাজাচ্ছেন৷‌ পার্থ বলেন, নির্বাচনের সময় বি জে পি হাজার হাজার কোটি টাকা বিজ্ঞাপনের জন্য খরচ করেছে৷‌ এদের বিরুদ্ধে কেন সি বি আই হবে না? বিমানবাবুরা কি কৌটো ঝাঁকিয়ে পর পর বাড়ি তুলেছেন, কোটি কোটি টাকা করেছেন? প্রতিটি জেলায় এত বড় বড় বাড়ি তৈরির টাকা কোথা থেকে এসেছে? এগুলো নিয়ে কেন সি বি আই হবে না? তিনি বলেন, প্রতিটি নির্বাচনের আগে তৃণমূলের জনপ্রিয়তাকে ভয় পেয়ে এই ধরনের চিঠি ধরানোর চেষ্টা করা হয়৷‌ বি জে পি নোংরা খেলা খেলছে৷‌ মানুষ সি বি আইয়ের পরিণাম দেখছে৷‌ এটা দুর্ভাগ্যের৷‌ বি জে পি-র অঙ্গুলি হেলনে সি বি আই কাজ করছে৷‌ একটা সময় সি বি আই তাদের পারদর্শিতার কথা বলতেন৷‌ এখন তাদের নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন উঠে গেছে৷‌ এদিকে সি বি আই সূত্রে জানা গেছে, এই সংস্হা কতগুলি বিষয় জানতে চাইছে, তার মধ্যে ২০১১ ও ১৪-র মধ্যে তৃণমূলের অ্যান্টিক লেনদেনের ব্যাঙ্ক স্টেটমেন্ট, অডিট রিপোর্ট৷‌ ত্রিনেত্র নামে একটি সংস্হা টাকা দিয়েছিল তৃণমূলের তহবিলে– সেদিকটিও জানতে চায় সি বি আই৷‌ মুকুলকে পাঠানো চিঠিতে একই তথ্য দেওয়া হয়েছিল৷‌ সি বি আইয়ের এক কর্তা জানিয়েছেন, ৭ দিনের মধ্যে হিসেব পাঠানোর কথা বলা হয়েছে৷‌ দলের তরফে কোনও দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রতিনিধিকে সি বি আই ভবনে গিয়ে কথা বলতে হবে৷‌ সূত্রের খবর, সি বি আই জানতে চায়, ২০১১ সালের পর থেকে যতগুলি নির্বাচন হয়েছে, এবং জনসভা তার সমস্ত খরচের হিসেব৷‌ যে সমস্ত ব্যক্তি তহবিলে দান করেছেন টাকা, তাদের সম্পর্কে তথ্য৷‌ ৫ মার্চ মুকুল রায়কে যে চিঠি দেওয়া হয়েছিল, তাতে ভারতীয় দণ্ডবিধির নির্দিষ্ট কয়েকটি ধারা উল্লেখ করা ছিল৷‌ সি বি আই ইতিমধ্যেই এনফোর্সমেন্ট ডাইরে'রেটের থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে কিছু কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে তদম্ত শুরু করেছে৷‌ দিল্লিতে তৃণমূল দলকে চিঠি দেওয়া হবে কিনা, তা নিয়ে বেশ কয়েকবার উচ্চ পর্যায়ের বৈঠক হয়েছে৷‌ তদম্তকারী দলের থেকে রিপোর্টের ভিত্তিতে শেষে সিদ্ধাম্ত হয়, হিসেব চাইলে তখন জানা যাবে৷‌ সারদা বা ত্রিনেত্র অথবা অন্য কোনও চিটফান্ড থেকে তৃণমূল আদৌ কোনও টাকা নিয়েছিল কিনা৷‌ যদি টাকা তহবিলে দেওয়া হয়ে থাকে, তা হলে কোন ব্যাঙ্ক থেকে দেওয়া হয়েছিল৷‌ নগদে না চেকে৷‌ সেদিকটিও স্পষ্ট হয়ে গেল৷‌ সি বি আইয়ের অর্থনীতি অপরাধ শাখার অফিসাররা ইতিমধ্যে নির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে আরও কয়েকজন প্রভাবশালীকে চিহ্নিত করে ফেলেছেন৷‌ এবার তাদেরও নোটিস দেওয়া হবে৷‌

    সারদা ছাড়া অন্য কোনও বেআইনি অর্থলগ্নি সংস্থার তদন্তে অনিচ্ছার কথা সুপ্রিম কোর্টকে জানাল সিবিআই

    সারদা ছাড়া অন্য কোনও বেআইনি অর্থলগ্নি সংস্থার তদন্তে অনিচ্ছার কথা সুপ্রিম কোর্টকে জানাল সিবিআই

    ওয়েব ডেস্ক: সারদা ছাড়া অন্য কোনও বেআইনি অর্থলগ্নি সংস্থার ব্যবসা নিয়ে তদন্ত করতে চাইছে না সিবিআই। আজ সুপ্রিম কোর্টে এই আবেদন জানিয়েছে তারা। সারদা-সহ অন্যান্য চিটফান্ডের বিরুদ্ধে তদন্তের জন্য ২০১৩ সালের ৯ মে সিবিআই-কে নির্দেশ দেয় সুপ্রিম কোর্ট।

    সিবিআই-এর দাবি, পরিকাঠামো ও লোকবলের অভাবে দেশজুড়ে ৪০টির বেশি সংস্থার বিরুদ্ধে তদন্ত চালিয়ে যাওয়া তাদের পক্ষে সম্ভব নয়। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশের পরিবর্তন চেয়ে সুপ্রিম কোর্টেই আবেদন জানিয়েছে তারা। সিবিআই চাইছে সারদা বাদে অন্য চিটফান্ডগুলির বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট রাজ্যের পুলিসই তদন্ত করুক। এমাসের সাতাশ তারিখ সিবিআইয়ের আর্জির শুনানি হবে সুপ্রিম কোর্টে।

    0 0

    0 0

    दिल्‍ली और आसपास के साथियों से कुछ ज़रूरी बातें, एक हार्दिक अनुरोध और एक आग्रहपूर्ण आमंत्रण



    फासीवाद के साहित्यिक-सांस्‍कृतिक प्रतिरोध पर केन्द्रित पहली गम्‍भीर और सफल विचार-गोष्‍ठी के बाद 'अन्‍वेषा' अपना अगला आयोजन आगामी 10 अप्रैल को अपरान्‍ह 4 बजे से एन.डी.तिवारी भवन (निकट गाँधी शान्ति प्रतिष्‍ठान, दीन दयाल उपाध्‍याय मार्ग, नयी दिल्‍ली) में कर रही है। हमने प्रसिद्ध भाषाशास्‍त्री प्रोफेसर जोगा सिंह विर्क को 'शिक्षा, संस्‍कृति और मीडिया में भारतीय भाषाओं की दुर्दशा और इसके नतीज़े' विषय पर व्‍याख्‍यान के लिए आमंत्रित किया है।

    दिल्‍ली और आसपास के सभी साथियों को लम्‍बी मित्रसूची से छाँटकर व्‍यक्तिगत तौर पर आमंत्रण भेज पाना कम समय और विविध व्‍यस्‍तताओं के कारण संभव नहीं हो पा रहा है। इसलिए इस पोस्‍ट के माध्‍यम से सभी साथियों-मित्रों-सहयात्रियों को आयोजन में भागीदारी  का खुला आमंत्रण दे रही हूँ। हमारा पुरजोर आग्रह है कि आप अवश्‍य आयें।

    कहने की ज़रूरत नहीं कि शिक्षा, संस्‍कृति और मीडिया में भारतीय भाषाओं की दुर्दशा भारतीय समाज के गम्‍भीरतम ज्‍वलंत मुद्दों में से एक है। अंग्रेजी का लगातार बढ़ता विस्‍तारवाद साम्राज्‍यवाद-पूँजीवाद के वर्चस्‍व (हेजेमनी) का एक उपकरण और उच्‍च मध्‍यवर्गीय अभिजातों के विशेषाधिकारों की प्रमुख सुरक्षा-दीवार बना हुआ है। मातृभाषाओं  में मानविकी एवं विज्ञान की शिक्षा नहीं होने और संचार माध्‍यमों द्वारा भारतीय भाषाओं के विकृतिकरण के कारण स्‍वतंत्र चिंतन एवं तर्कणा का विकास कुण्ठित-बाधित हो रहा है। भाषा-समस्‍या के सभी आयामों पर सोचना और इसे जनान्‍दोलन का प्रश्‍न बनाना ही होगा। इस विषय पर प्रो. जोगा सिंह विर्क के शोध-अध्‍ययनों को न केवल देश में बल्कि अन्‍तरराष्‍ट्रीय स्‍तर पर मान्‍यता मिली है। उनके शोध पत्र दर्जनों देशी-विदेशी भाषाओं में अनूदित हो चुके हैं। प्रो. विर्क अकादमिक गहराई के साथ ही गहरे सामाजिक सरोकारों के साथ इस सवाल से जूझते रहे हैं, और एक आन्‍दोलनकारी के जज्‍़बे के साथ पूरे देश में यात्राएँ करके भाषा-प्रश्‍न की गम्‍भीरता की ओर लोगों का ध्‍यान खींचते रहे हैं तथा शिक्षा, मीडिया और सांस्‍कृतिक माध्‍यमों में भारतीय भाषाओं की प्राथमिकता एवं संवर्धन के प्रश्‍न को परिवर्तनकामी जनांदोलनों के एजेण्‍डे पर स्‍थान दिलाने की कोशिश करते रहे हैं।

    हम आपसे एक बार फिर आग्रह करते हैं कि आप अवश्‍य आयें और प्रो. विर्क के विचारों को सुनने के साथ ही उनके साथ उपयोगी चर्चा में भागीदारी करें।

    'अन्‍वेषा' सभी जनपक्षधर, व्‍यवस्‍था-विरोधी, परिवर्तनकामी संस्‍कृतिकर्मियों, मीडियाकर्मियों, साहित्‍यकारों और बुद्धिजीवियों के बीच सार्थक विमर्शों, स्‍वस्‍थ बहसों और विविध सांस्‍कृतिक आयोजनों का सिलसिला आगे निरंतर जारी रखेगी। आपका साथ और सहयोग ही हमारी ताक़त है और हमारे आत्‍मविश्‍वास का आधार है। 


    हार्दिक बिरादराना अभिवादन के साथ,

    -- कविता कृष्‍णपल्‍लवी

    मुख्‍य संयोजक,


    0 0

    स्मार्ट सिटी के नाम पर बनारस को उजाड़ा जा रहा है ।

    बनारस हिन्दू यूनिवर्सिटी के बगल में भगवानपुर,छित्तूपुर सीरगोवर्धनपुर और डाफी में स्मार्ट सिटी के तहत सड़क चौड़ा करने के नाम पर उन लोगो का घर उजाड़ा जा रहा है । जिन्होंने अपनी जमीने देकर बीएचयू को बनाया है । और वे आज सपरिवार रात-रात भर बैठ कर रो रहे है । पचास- हजार रुपये का ठेका देकर खुद अपना घर तुड़वा रहें हैं और तोड़ रहें हैं । वहाँ के लोगों का कहना है कि "हमने ही इस मोदी सरकार को चुना था लेकिन वही सरकार आज विकास के नाम पर उनका घर उजाड़ रही है । गंगा को साफ करते करते हम लोग का घर ही साफ कर दे रहें है । और कोई भी नेता इस बात पर नहीं बोल रहा है ।" वे भी इस देश के नागरिक उन्हें रहने जीने का अधिकार है । कोर्ट का भी आदेश है कि दुकानों व घरों को बिना पुनर्स्थापित किये उसे उजाड़ नहीं सकते । ऐसे में हम छात्रों खास तौर पर बीएचयू के छात्रों का दायित्व बनता है की उनके दुखो को समझें और उनके लिए सरकार से उचित मुआवजे की मांग करें । 

    उनके बीच एक सर्वे करने के बाद बांटा गया यह परचा :

    भगवानपुर,छित्तूपुर और सीरगोवर्धनपुर की जनता से अपील !

    नयी सरकार आने के बाद सौ स्मार्ट सिटी बनाने की योजना आई है। उन सौ सिटी में से एक अपना बनारस भी है। जिसे जापान के सहयोग से क्योटो की तरह सिटी बनाया जायेगा और वहाँ सड़कों को चौड़ा करने के नाम पर इसका काम भी शुरु हो चूका है। इसी के अंतर्गत लंका से डाफी तक सड़क को ३०,४० या ६० फीट चौड़ा करने की बात की जा रही है । जो अभी स्पष्ट नहीं है। फिर भी सरकार द्वारा बिना किसी नोटिस दिए यह धमकी दिया गया है कि लोग अपनी जमीन खाली कर दे नहीं तो वे खुद खाली करा देगी । जिससे डर कर प्रभावित लोग खुद ही अपना घर और दुकान तोड़ने लगे । और इस तथाकथित स्मार्ट सिटी बनाने कि कीमत चुकाने के लिए मजबूर है। अभी तो यह शुरुआत है आगे हजारो लोगों को इसकी कीमत चुकानी है। क्योकि बनारस को अब आम नहीं खास लोगों का शहर बनाया जा रहा है। यह खास लोग है बहुराष्ट्रीय कम्पनिया इसके दलाल पूंजीपति और भू माफियाँ जिनके लिए बनारस के आस-पास के २०० गांव को उजाड़ने की योजना है। ताकि बहुराष्ट्रीय कंपनियों,शॉपिंग मॉल,मल्टिनेशनल दुकाने और फैक्ट्री लगा सके।

    साथियो इसी क्रम में भगवानपुर,छित्तूपुर और सीरगोवर्धनपुर में सड़क के किनारे रहने वाले परिवारों को विस्थापित किया जा रहा है। इन परिवारों की जीविका का मुख्य साधन उनकी दुकान है। जो सड़क के किनारे स्थित है इसी से वे अपने परिवार का पेट भरते है । और यहाँ कई पीढियों से रहते आ रहे है। पर सरकार ने इनके जीविका पर लात मारते हुए बिना कोई नोटिस दिए और बिना पूछे सड़क चौड़ा करने के नाम पर जमीन खाली करने की धमकी दिया है। और सरकार का कहना है कि उन्होंने अतिक्रमण करके सरकारी जमीन पर अपना घर और दुकान बनाया है । इसीलिए उन्हें मुवावजा नहीं दिया जायेगा। लेकिन यहाँ रहने वाले लोगों और दुकानदारों का कहना है कि सरकार झूठ बोल रही है। ये जमीन आबादी की है और वे कई पीढियों से यहाँ रहते आ रहे है। इसलिए जमीन उनकी है और उन्हें मुआवजा मिलना चाहिये क्योंकि भगवानपुर,छित्तूपुर और सीरगोवर्धनपुर गाँव है। और हर गाँव की सड़क इतनी ही चौड़ी होती है। सरकार झूठा प्रचार करके मुफ्त में ही हमारी जमीन व जीविका छिनना चाहती है। यहाँ कुछ मकान तो सौ साल पुराना है इन्हें अंग्रेजों ने भी नहीं तोडा उसे "अच्छे दिन आने वाले है " का वादा करने वाली सरकार तोड़ रही है। फर्क बस इतना है कि अब गोरे अंग्रेजो कि जगह काले अंग्रेज शासक हो गए है। और कोई भी कमिसनखोर चुनावबाज पार्टियाँ भी हमारा दुःख पूछने नहीं आ रही है। कैसी विडम्बना है कि जिस काशी हिन्दू विश्वविद्यालय को बनाने के लिये यहाँ के लोगों ने अपना खेत-खलिहान, गाँव को इसके संस्थापक महामना मदन मोहन मालवीय को दान में दे दिया है और बचऊ यादव ने कुर्बानी तक भी दी। उनको विश्वविद्यालय के एक सौ वर्ष पुरे होने पर भारत रत्न दिया जा रहा है वहीं दान देने वाले लोगों को एक बार फिर बिना मुआवजा दिए ही विकास के नाम पर उजाड़ा जा रहा है ।

    साथियों ,
    इस दुःख की घड़ी में हम आपके साथ है। आप सभी ग्राम वासियों और विस्थापित हो रहे लोगों से यह निवेदन करते है कि इस उजाड़ने वाले स्मार्ट सिटी का विरोध करें ! संगठित होकर अपने मुआवजा और जीविका के साधन कि व्यवस्था करने के लिए आवाज उठाओ !
    इंकलाब जिन्दाबाद ! 
    क्रन्तिकारी अभिवादन सहित - 

    भगत सिंह छात्र मोर्चा ( बीसीएम )-8181025014 गणेश (सीरगेट) 7398350499 कान्ता पाल ( छित्तूपुर )- 9795414784

    0 0

    • ইয়েমেন সংঘাতে গভীরভাবে জড়িয়ে পড়ছে ওবামা প্রশাসন

    যুক্তরাষ্ট্র বলেছে, তারা হুতি বিদ্রোহীদের অবস্থানের ওপর বোমা হামলাকারী সৌদি নেতৃত্বাধীন জোটকে অস্ত্র সরবরাহ ত্বরান্বিত করছে। এটা হুতিদের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযানে ওবামা প্রশাসনের গভীরভাবে জড়িত হওয়ার একটি ইঙ্গিত। সৌদি রাজধানী রিয়াদে মার্কিন উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ্যান্টনি জে, ব্লিংকেন মঙ্গলবার সাংবাদিকদের বলেন, যুক্তরাষ্ট্র জোটের সঙ্গে তার গোয়েন্দা তথ্যও বেশি করে ভাগ করে নিচ্ছে এবং সৌদি সরকারকে তাদের যুদ্ধ প্রচেষ্টায় সাহায্য করতে একটি 'যৌথ সমন্বয় পরিকল্পনা সেল'প্রতিষ্ঠা করেছে। খবর নিউইয়র্ক টাইমস, বিবিসি ও আল- জাজিরার।
    হুতিদের বিরুদ্ধে সৌদি নেতৃত্বাধীন জোটের বিমান হামলা শুরুর দু'সপ্তাহ পরে যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে এই সমর্থন ব্যক্ত করা হলো। হুতিরা উত্তর ইয়েমেনে জায়দি শিয়াপন্থী একটি বিদ্রোহী আন্দোলনের সদস্য, যারা ইয়েমেনের ভূখ- দখল করে গত ৮ মাস যাবত ধীরে ধীরে তাদের নিয়ন্ত্রণ ও প্রভাব বৃদ্ধি করেছে। গত সেপ্টেম্বরে ইয়েমেনী রাজধানী সানা দখল করার পর ফেব্রুয়ারিতে তারা প্রেসিডেন্ট হাদিকে গৃহবন্দী করে। হাদি পরে দক্ষিণাঞ্চলীয় বন্দর এডেনে ও পরে সৌদি আরবে পালিয়ে যান সৌদি আরব বলেছে, হুতিদের দমন করে ইয়েমেনের স্থিনিশীলতা পুনরুদ্ধার এবং প্রেসিডেন্ট আব্দরাব্বু মনসুর হাদিকে পুনরায় ক্ষমতাসীন করাই তাদের লক্ষ্য। 'হুতি ও তাদের মিত্ররা শক্তি প্রয়োগ করে ইয়েমেন দখল করতে পারবে না'বলে সৌদিরা তাদের যে কড়া বার্তা পাঠিয়েছে ব্লিংকেন তার প্রশাংসা করেন। এদিকে সাহায্য সংস্থাগুলো ইয়েমেনের বন্দর নগরী এডেনে একটি আসন্ন মানবিক বিপর্যয়ের ব্যাপারে সতর্ক করে দিয়েছে সেখানে বিদ্রোহী ও হাদি অনুগতদের মধ্যে রাস্তায় রাস্তায় লড়াইয়ের খবর পাওয়া গেছে। গত এক পক্ষকালের লড়াইয়ে সেখানে প্রায় ৫৫০ জনের মৃত্যু হয়েছে। 
    বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা জানায়, একই সময় সেখানে ২ হাজার লোক আহত হয়। জাতিসংঘের শিশু সংস্থা ইউনিসেফ বলেছে, নিহতদের মধ্যে অন্তত ৭৪ জন শিশু, তবে এ সংখ্য আরও বেশি হতে পারে। লক্ষাধিক লোক বাস্তুচ্যুত হয়েছে। আন্তর্জাতিক রেডক্রস কমিটির একজন মুখপাত্র বলেন, 'বাড়িয়ে না বললেও পরিস্থিতি চরম বিপর্যয়কর।'এডেনে রেডক্রস কর্মকর্তা রবার্ট গোসেন ওই বন্দরকে 'ভুতুড়ে নগরী'বলে বর্ণনা করেন। রেডক্রস কয়েকটি সাহায্য সংস্থার অন্যতম যারা এডেনে আরও চিকিৎসা উপরণ ও কর্মী পাঠানোর চেষ্টা করছে। চলতি সপ্তাহে সেখানে তীব্র লড়াই শুরু হলে রাস্তায় রাস্তায় লাশ পড়ে থাকতে দেখা যায়। হাসপাতালগুলোতে আহত রোগীতে ভরে যায় ও এ্যাম্বুলেন্স ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটে। রবার্ট গোসেন বিবিসির টুডে প্রোগ্রামে বলেন, 'আমরা দেখেছি অনেক লোককে মৃত অবস্থায় হাসপাতালে আনা হচ্ছে কিংবা অনেকে হাসপাতালে মারা যাচ্ছে। হাসপাতালগুলোতে সঠিত চিকিৎসা উপকরণ এবং উপযুক্ত চিকিৎসা কর্মী নেই।' 
    জেনেভার রেডক্রসের মুখপাত্র সিতারা জাবিন নগরীতে সংস্থার কর্মীদের পাঠানো রিপোর্টের উদ্ধাতি দিয়ে বলেছেন, এডেনের তুমুল লড়াইয়ে অনেক লাশ উদ্ধারের জন্য মেডিক্যাল টিম পাঠানো যাচ্ছে না। তিনি বলেন, চিকিৎসা সরবরাহ নিয়ে একটি কার্গোবিমান জর্দানের রাজধানী আম্মানে অপেক্ষা করছে। 'বিমানটি বুধবার সানার উদ্দেশে যাত্রা করবে।'

    0 0

    विपक्षी मोर्चा विभाजनतर्फ

    • मधेसी दलहरूमै पनि धु्रवीकरण
    काठमाडौ, चैत्र २५ - 
    ३० दलीय विपक्षी मोर्चाले थालेको तीनदिने आम हडतालको पहिलो साँझ सिंहदरबारमा गठबन्धनका संयोजक एमाओवादी अध्यक्ष पुष्पकमल दाहालले अरू दलका नेतालाई सोधे, 'नागरिक समाज र उद्योगी व्यवसायीले बन्द फिर्ता लिन माग गरेका छन् । तपाईंहरूको राय के छ ?'

    गठबन्धनमा रहेका अधिकांश दलका नेताले एकै स्वरमा भने, 'चैत १ गते नै घोषणा गर्दा उहाँहरूले केही भन्नुभएको थिएन । सडकमा कार्यकर्ता ओर्लिइसके । अब फर्काउन गाह्रो हुन्छ ।'

    सबैको मत सुनिसकेपछि संयोजक दाहालले सत्तारूढ दलले संविधानसभा चैत ३० सम्मलाई स्थगन गरिसकेको परिस्थितिमा बन्द जारी राख्दा सकारात्मक सन्देश नजाने सम्झाए । फोरम लोकतान्त्रिकका अध्यक्ष विजयकुमार गच्छदारले उत्तिखेरै सहमति जनाए । सहभागी एक नेताका अनुसार त्यसपछि विपक्षी मत विभाजित भयो । एकातिर दाहाल र गच्छदार रहे, बाँकी नेताहरू अर्कातिर । 

    राति नौ बजेसम्म बसेको बैठक अवधिभर एमाओवादी नेता बाबुराम भट्टराई भने मौन रहे । फोरम नेपालका अध्यक्ष उपेन्द्र यादव सोमबार साँझै मोरङ गइसकेका थिए । उनका प्रतिनिधि रत्नेश्वर लाल कायस्थले बैठकमा कुनै टिप्पणी गरेनन् । तर बैठक सकिनेबित्तिकै विराटनगरबाट अध्यक्ष यादवको कडा विज्ञप्ति सार्वजनिक भयो । 'आमहडताल फिर्ता लिएर मोर्चाले मधेसी, जनजाति र उत्पीडितवर्ग लगायत आमजनतालाई धोका दिएको फोरम नेपालको ठहर छ,' उनले विज्ञप्तिमा भनेका छन्, 'जनता सडकमा ओर्लिसकेको र आन्दोलन निर्णायक चरणमा पुगिसकेको अवस्थामा आमहडताल फिर्ता लिएर मोर्चाले गम्भीर गल्ती गरेको छ ।' 

    मोर्चाको निर्णयप्रति चर्को असन्तुष्टि व्यक्त गरेका यादव बुधबार दिनभर सम्पर्कविहीन रहे । उनका प्रेस सहयोगी महेश चौरसियाका अनुसार साँझ अबेरसम्म यादव, उनका सवारी चालक र सुरक्षाकर्मी कसैको मोबाइलमा सम्पर्क हुन सकेको छैन । यादव कता छन् भन्ने पनि स्पष्ट जानकारी आइसकेको छैन । स्रोतका अनुसार एमाओवादी वरिष्ठ नेता भट्टराई पनि आन्दोलनका कार्यक्रम हठात् फिर्ता लिइएकोमा असन्तुष्ट छन् । फागुन १६ गतेदेखि आन्दोलनका कार्यक्रम घोषणा भएसँगै स्पष्ट रणनीति नबनाइएकोमा उनले रोष प्रकट गरेका हुन् । 

    'अर्को पक्ष कसरी आउँछ भन्ने पूर्वानुमान गरेर आन्दोलन थाल्नुअघि नै रणनीति बनाउनुपथ्र्यो । त्यसअनुसार विभिन्न विकल्प तयार पार्नुपथ्र्यो,' निकटवर्तीसँग भट्टराईले भन्ने गरेका छन्, 'अर्को पक्षको प्रतिक्रिया अनुरूप आन्दोलनका कार्यक्रम परिमार्जन गर्दै जानु ठीक भएन ।'

    नेता भट्टराईले कान्तिपुरसँगको कुराकानीमा भने आन्दोलनलाई निरन्तरता दिनुपर्छ भन्ने सबैको मत भए पनि परिस्थितिअनुसार कार्यक्रम परिमार्जन गरिएको बताए । 

    'प्रतिद्वन्द्वी कसरी आउँछ त्यसअनुरूप आन्दोलनका कार्यक्रम परिमार्जन गर्नुपर्छ । सत्तापक्षले ३० गतेसम्मका लागि संविधानसभा सारेकाले हामीले पनि आन्दोलनका कार्यक्रम रोकेका हौं,' उनले भने, 'फेरि हामी सहमतिकै लागि दबाब दिन आन्दोलनमा गएका हौं ।' आन्दोलन रोकेकोमा मोर्चाभित्रकै कतिपय घटकको विरोधबारे सोध्दा पार्टी नै फरक भएपछि बुझाइमा फरक आउनु स्वभाविक भएको उनले बताए । 'हामीले एजेन्डा छाडेको होइन, संघर्षको स्वरूप फेरेको मात्र हो,' उनले भने, 'एजेन्डा छाडेको भए पो धोका हुन्थ्यो । एजेन्डा पूरा नहुन्जेल संघर्ष छाड्दैनौं ।'

    पटक-पटक आन्दोलन घोषणा गर्दै बीच-बीचमा फिर्ता लिँदा सत्तापक्षलाई दबाब सिर्जना गर्न नसकेको, उल्टै आफ्ना कार्यकर्तामा निराशा छाएको भन्दै सद्भावना अध्यक्ष राजेन्द्र महतोले हडताल फिर्ता नगर्न अन्तिम घडीसम्म आग्रह गरिरहे । तर, दाहालले गरेको प्रस्तावबीच होहल्लामा टुंगिएको उक्त बैठकमा महतो, संघीय समाजवादी अध्यक्ष अशोक राईलगायतको आपत्तिको कुनै सुनुवाइ भएन । योसँगै विपक्षी गठबन्धन क्रमश: विभाजनतर्फ उन्मुख भएको छ । अर्कातिर मधेसी मोर्चाभित्र समेत धु्रवीकरण सुरु भएको छ ।

    'अब मधेसी दलहरू छुट्टै बसेर गम्भीर समीक्षा गर्नुपर्ने भएको छ,' सद्भावना अध्यक्ष महतोले भने, 'विगतमा पनि यस्तै धोकाधडी भएको छ । कि त भिड्ने गरी नै भिड्नुपर्‍यो । भिडेजस्तो गर्नुभएन ।' आन्दोलनको साझा उद्देश्य तय भएर विपक्षी मोर्चा बने पनि मोर्चाबाट केही दलहरूले भाग्ने छाँट देखाएको महतोले संकेत गरे ।

    तमलोपा अध्यक्ष महन्थ ठाकुर पनि आन्दोलन स्थगन भएकामा सन्तुष्ट छैनन् । जारी आन्दोलनलाई 'रिसेड्युल' गर्नुपर्ने उनको भनाइ थियो । 'कि त पहिल्यै आमहडताल घोषणा गर्नुभन्दा अगाडि सोच्नुपथ्र्यो,' ठाकुरको भनाइ उद्धृत गर्दै उपाध्यक्ष त्रिपाठीले भने, 'थालिसकेपछि बीचैमा फिर्ता गर्दा कार्यकर्तामा निराशा छाएको छ ।'

    फोरम लोकतान्त्रिकका नेता जितेन्द्र देवले भने मंगलबार एक मतले आन्दोलन रोक्ने निर्णय भएको जिकिर गरे । 'केही साथीले फरक मत राखेका छन् भने सम्बन्धित पार्टीका प्रतिनिधिले निर्णयका बेला किन बोलेनन् भनेर तिनका नेताहरूलाई नै सोध्नुपर्छ,' उनले भने । 

    कांग्रेस-एमाले ३० गतेपछि कसरी अघि बढ्छन्, त्यसअनुसार आफूहरूले रणनीति तय गर्ने देवले बताए । 'प्रक्रियामा अघि बढे प्रतिरोध हुन्छ, सहमतिमै अघि बढ्न चाहे आन्दोलन गरिरहनु परेन,' उनले भने । नेता भट्टराईको बुझाइमा कांग्रेस भदौ (पार्टीको महाधिवेशन) सम्मै यथास्थितिमै रहन चाहेको छ । त्यसबेलासम्म कांगेसले न सहमति न प्रक्रिया अगाडि बढाउने छ । तर, एमालेको 'कार्ड' के हो बुझ्न बाँकी रहेको उनले बताए । एमालेको कुरा प्रस्ट भएपछि राजनीतिक घटनाक्रम कसरी अगाडि बढ्छ, निक्र्योल हुने उनले जनाए ।

    संघीय लिम्बुवान पार्टीका अध्यक्ष कुमार लिङदेनले फेसबुकमा लेखेका छन्, 'गठबन्धनका संयोजकज्यूको पहलमा तीनदिने बन्द अप्रत्याशित रूपमा फिर्ता गरियो । यो निर्णयमा आश्चर्य व्यक्त गर्दै भए पनि कसैले बन्द निरन्तरता दिँदा, कसैले फिर्ता लिँदा जनतामा असामञ्जस्य पैदा नहोस् भन्दै लिम्बुवान क्षेत्रमा आमहडताल स्थगित भएको जानकारी गराउँछौं ।' दाहालको बन्द फिर्ता प्रस्तावप्रति आपत्ति जनाउनेमध्येका सामाजिक लोकतान्त्रिक पार्टीका अध्यक्ष पासाङ शेर्पाले ३० गतेसम्म पर्खन उक्त प्रस्तावलाई समर्थन गर्नुपरेको बताए । 'प्रचण्डजीले नागरिक समाज र उद्योगी व्यवसायीको आग्रह छ भन्दै ३० गतेसम्म पर्खिदिन कन्भिन्स गर्नुभयो,' उनले व्यंग्यात्मक पारामा भने, 'हामी कन्भिन्स भएर फर्कियौं ।' 

    मोर्चाको बैठकमा फोरम नेपालका तर्फबाट प्रतिनिधित्व गरेका सचिव कायस्थले आन्दोलनले गति लिएका बेला भएको अप्रत्याशित स्थगनविरुद्ध हरेक जिल्लाबाट तीव्र प्रतिक्रिया आएको बताए । मंगलबार रातिको बैठकपछि अब ३० दलीय मोर्चा रहने कि नरहने छलफल सुरु भइसकेको फोरम गणतान्त्रिकका अध्यक्ष राजकिशोर यादवले खुलाए । दुई दिनभित्र मधेसी मोर्चाको छुट्टै बैठक बसेर यसबारे नयाँ निर्णय गर्ने उनको भनाइ थियो । 'यो पाराले न आन्दोलन हुन्छ, न सहमति हुन्छ । 

    यो त खिचडी पकाएजस्तो भयो,' यादवले आक्रोश पोखे, 'मलाई हिजोको बैठकमा त्यस्तो प्रस्ताव आउँछ भन्ने आभास भइसकेको थियो, त्यसैले बैठकमै गइनँ ।' 

    0 0

    पगड़ी का रंग मत गिनवाओ, उठो ज्ञानी खेत संभालो!

    असेंबली बम कांड दिवस 8 अप्रैल पर विशेष

    शाह आलम

    सूचना एवं प्रसारण मंत्रालय की तरफ से 23 मार्च 2015 को शहीदी दिवस पर अखबारों में विज्ञापन छपा जिसमें शहीद-ए-आज़म भगत सिंह, सुखदेव और राजगुरु की साझा तस्वीर है। इस तस्वीर में भगत सिंह को फिर से पगड़ी पहना कर क्रांतिकारी चेतना को कम करने की एक बार फिर से साजिश रची गई है। यह क्रांतिवीर का अपमान है क्योंकि भगत सिंह पूरे देश के शहीद हैं।

    भगत और बटुक: शामलाल की खींची तस्‍वीर 

    क्रांतिकारियों के दल हिन्दुस्तान सोशलिस्ट रिपब्लिकन आर्मी के खुफिया हेडक्वार्टर आगरा में गोरी हुकूमत के बहरे कानों को खोलने के मंथन के बाद बटुकेश्वर दत्त और भगत सिंह मौत से खेलने दिल्ली आ धमके थे। महीने भर यह जोड़ी दिल्ली में जमी रही। दोनों क्रांतिकारियों ने कई शाम बम को अखबार में लपेटे कपड़ों में छिपाते हुए संसद भवन की रेकी की। सर्वाधिक विचार सम्पन्‍न भगत सिंह ने अंतिम दौर में अपने बाल कटवा लिए थे। केन्द्रीय असेम्बली में धमाका करने के चार दिन पहले भगत सिंह ने बटुक से कहा, ''चलो, फोटो खिंचवाएं।'' बटुक ने इसे टालना चाहा, लेकिन भगत सिंह जि़द पर अड़े रहे। 

    आखिरकार 3 अप्रैल, 1929 को कश्मीरी गेट पर इन्‍होंने फोटो खिंचवाई। शामलाल की खींची हुई यह बहुप्रचलित तस्वीर आखिरी यादगार है। फ्लैट हैट में भगत सिंह की यह तस्वीर आज तक लोगों के जेहन में मौजूद है जिसके लिए वह अवाम में जाने-पहचाने जाते हैं। तब सरकारें शुरू से ही उन्हें क्रांतिकारी विचारधारा से अलग-थलग कर सिक्ख बनाने पर क्‍यों तुली हैं जबकि क्रांतिवीर के सारे अदालती दस्तावेज, पर्चे, बयान, पत्र-व्यवहार, आलेख, उनके पत्रकार जीवन में लिखी गई टिप्पणियां, जेल डायरी आदि सब कुछ हमारे सामने है? फांसी के फंदे के साये में 5-6 अक्टूबर को लिखा गया उनका लेख 'मैं नास्तिक क्यो हूं?' इसका सबसे चर्चित सबूत है।

    नए-नए मुखौटों का शिकारी: हुसैनीवाला में नरेंद्र मोदी 

    बड़ा सवाल यह है जाति, धर्म के नाम पर इन शहीदों को बांटने का काम अंग्रेजों ने टुच्ची साजिश के तहत उस दौर में किया था। आज वही काम हुक्मरानों की तरफ से किया जा रहा है। वोट बैंक की सियासत के मोह में प्रधानमंत्री का 23 मार्च को हुसैनीवाला में शहीदों के स्मारक पर किया नाटक इसी कड़ी का नतीजा था। वहीं जेएनयू से रिटायर्ड प्रोफेसर चमनलाल 29 मार्च, 2015 को बीबीसी हिंदी डॉट काम पर लिखकर सवाल उठाते हैं, ''भगत सिंह को पीली पगड़ी किसने पहनाई?''

    सवाल पीली, हरी, भगवा रंग का नहीं है बल्कि पगड़ी पहनाने का है। प्रो. चमनलाल की ''भगत सिंह की क्रांतिकारी विरासत''  नाम की उद्भावना से प्रकाशित (मई 2007, कीमत 8 रुपये) पुस्तिका जो हमारे पास मौजूद है, उसके कवर पेज पर भगत सिंह लाल पगड़ी पहने हुए हैं। हम प्रो. चमनलालजी से जानना चाहते है कि भारतीय क्रांतिकारी आंदोलन के सबसे बड़े प्रवक्ता भगत सिंह को लाल पगड़ी किसने पहनाई?

    दरअसल, साझी शहादत, साझी विरासत को विभाजित करने का षडयंत्र क्रांतिकारी चेतना का अपमान है। क्रांतिकारियों की बहादुराना शहादत को कम आंकना इसे टुकड़ों-टुकड़ों में देखने की साजिश है। आज से छियासी साल पहले आज की संसद मे बैठने वाले बहरों के कानो को खोलने के लिए बम का धमाका किया गया था। ऐसा कर के असल में दुनिया में साम्राज्यशाही के खिलाफ सबसे बड़ी इबारत लिख दी थी दोनों क्रांतिवीरों ने, जब पार्टी के लाल रंग के पर्चे संसद हॉल में चारों तरफ बिखरा दिए गए थे।

    परचे पर लिखी पंक्तियां कुछ यूं थीं:

    ''राष्ट्रीय दमन और अपमान की इस उत्तेजनापूर्ण परिस्थिति में अपने उत्तरदायित्व की गंभीरता को महसूस कर हिन्दुस्तान समाजवादी प्रजातंत्र ने अपनी सेना को यह कदम उठाने का आज्ञा दी है। इस कार्य का प्रायोजन है कि कानून का यह अपमानजनक प्रहसन समाप्त कर दिया जाए। विदेशी शोषक नौकरशाही जो चाहे करे, परन्तु उसकी वैधानिकता की नकाब फाड़ देना आवश्यक है। जनता के प्रतिनिधियों से हमारा आग्रह है कि वे इस पार्लियामेंट के पाखंड को छोड़कर अपने-अपने निर्वाचन क्षेत्रों को लौट जाएं और जनता को विदेशी दमन
    और शोषण के विरुद्ध क्रांति के लिए तैयार करें।'' 

    बहरों का सुअरबाड़ा: बम कांड के बाद सेंट्रल असेंबली, 8 अप्रैल 1929 

    दल की पूर्व योजना के तहत इंकलाब जिंदाबाद के नारे के साथ इन्‍होंने अपनी गिरफ्तारी दे दी। अफसोसनाक है कि आज तक भारतीय संसद में इन दोनों क्रांतिकारियों के खिलाफ निंदा का प्रस्ताव दर्ज है। इतने दिनों बाद भी 'सुअरबाड़े' के चरित्र में कोई परिवर्तन नही आया है।

    बम कांड के 86 साल बाद आज भी जनता के प्रतिनिधियों की कथित असेंबली शहादतों के प्रति बहरी बनी हुई है जबकि इस देश के बुद्धिजीवी पगड़ी का रंग गिनवाने में ही अपनी ऊर्जा नष्‍ट कर रहे हैं। आज जब इस देश के किसानों की जमीनें उनकी सहमति के बगैर हड़पने का फ़रमान जारी कर दिया गया है, तो ऐसे में क्रांतिवीरों के सच्‍चे वारिसों को एक बार फिर देश की जनता को अपनी महान शहादतें और उनकी सच्‍चाइयां याद दिलाने का वक्‍त है ताकि नकली चेहरों के परदाफाश के लिए उनके नकाब को नोच कर फेंका जा सके और लोगों की ज़मीन को उनके पैरों तले खिसकने से बचाया जा सके। असेंबली बम कांड के भुला दिए गए नायक बटुकेश्‍वर दत्‍त और हुक्‍मरानों के पसंदीदा रंगों में कैद किए जा चुके कम्‍युनिस्‍ट क्रांतिवीर भगत सिंह को आज के दिन याद करने का असली मतलब यही है।

    (शाह आलम क्रांतिकारी दस्‍तावेज लेखक और फिल्‍मकार हैं) 

    0 0

    क्या हिन्दू कभी गोमांस नहीं खाते थे? - बाबासाहेब आंबेडकर

    वॉयसफियरलेस ब्लॉग ने कुछेक संस्कृत ग्रंथों और प्राचीन पाठों के उन अंशों को उद्धृत किया है, जिनमें ब्राह्मणों और व्यापक समाज द्वारा गोमांस खाने का जिक्र किया गया है. इस पोस्ट का मुख्य हिस्सा वो है, जिसमें इस मुद्दे पर बाबासाहेब अंबेडकर के लेख के कुछ अंश दिए गए हैं. ब्लॉग से साभार. 

    महाभारत में रंतिदेव नामक एक राजा का वर्णन मिलता है जो गोमांस परोसने के कारण यशस्वी बना. महाभारत, वन पर्व (अ. 208 अथवा अ.199) में आता है 

    राज्ञो महानसे पूर्व रन्तिदेवस्‍य वै द्विज
    द्वे सहस्रे तु वध्‍येते पशूनामन्‍वहं तदा
    अहन्‍यहनि वध्‍येते द्वे सहस्रे गवां तथा
    समांसं ददतो ह्रान्नं रन्तिदेवस्‍य नित्‍यशः
    अतुला कीर्तिरभवन्‍नृप्‍स्‍य द्विजसत्तम
    -महाभारत, वनपर्व 208 199/8-10

    अर्थात राजा रंतिदेव की रसोई के लिए दो हजार पशु काटे जाते थे. प्रतिदिन दो हजार गौएं काटी जाती थीं मांस सहित अन्‍न का दान करने के कारण राजा रंतिदेव की अतुलनीय कीर्ति हुई. इस वर्णन को पढ कर कोई भी व्‍यक्ति समझ सकता है कि गोमांस दान करने से यदि राजा रंतिदेव की कीर्ति फैली तो इस का अर्थ है कि तब गोवध सराहनीय कार्य था, न कि आज की तरह निंदनीय


    गौगव्‍येन दत्तं श्राद्धे तु संवत्‍सरमिहोच्यते 
    –अनुशासन पर्व, 88/5

    अर्थात गौ के मांस से श्राद्ध करने पर पितरों की एक साल के लिए तृप्ति होती है

    पंडित पांडुरंग वामन काणे ने लिखा है:

    'ऐसा नहीं था कि वैदिक समय में गौ पवित्र नहीं थी, उसकी 'पवित्रता के ही कारण वाजसनेयी संहिता (अर्थात यजूर्वेद) में यह व्यवस्‍था दी गई है कि गोमांस खाना चाहिए।' –धर्मशास्‍त्र विचार, मराठी, पृ 180)


    उष्‍ट्रवर्जिता एकतो दतो गोव्‍यजमृगा भक्ष्‍याः 

    मनुस्मृति 5/18 मेधातिथि भाष्‍य

    ऊँट को छोडकर एक ओर दांवालों में गाय, भेड, बकरी और मृग भक्ष्‍य अर्थात खाने योग्‍य है

    रंतिदेव का उल्‍लेख महाभारत में अन्‍यत्र भी आता है.

    शांति पर्व, अध्‍याय 29, श्‍लोक 123 में आता है कि राजा रंतिदेव ने गौओं की जा खालें उतारीं, उन से रक्‍त चूचू कर एक महानदी बह निकली थी. वह नदी चर्मण्‍वती (चंचल) कहलाई.

    महानदी चर्मराशेरूत्‍क्‍लेदात् संसृजे यतः
    ततश्‍चर्मण्‍वतीत्‍येवं विख्‍याता सा महानदी

    कुछ लो इस सीधे सादे श्‍लोक का अर्थ बदलने से भी बाज नहीं आते. वे इस का अर्थ यह कहते हैं कि चर्मण्‍वती नदी जीवित गौओं के चमडे पर दान के समय छिड़के गए पानी की बूंदों से बह निकली.

    इस कपोलकप्ति अर्थ को शाद कोई स्‍वीकार कर ही लेता यदि कालिदास का 'मेघदूत'नामक प्रसिद्ध खंडकाव्‍य पास न होता. 'मेघदूत'में कालिदास ने एक जग लिखा है

    व्‍यालंबेथाः सुरभितनयालम्‍भजां मानयिष्‍यन्
    स्रोतोमूर्त्‍या भुवि परिणतां रंतिदेवस्‍य कीर्तिम

    यह पद्य पूर्वमेघ में आता है. विभिन्‍न संस्‍करणों में इस की संख्‍या 45 या 48 या 49 है.

    इस का अर्थ हैः "हे मेघ, तुम गौओं के आलंभन (कत्‍ल) से धरती पर नदी के रूप में बह निकली राजा रंतिदेव की कीर्ति पर अवश्‍य झुकना."

    सिर्फ साम्प्रदायिकता फैलाने के लिए अब गाय का इस्तेमाल करते हैं

    इनका कहना है

    गाय हमारी माता है
    हमको कुछ नहीं आता है
    बैल हमारा बाप है
    प्रेम से रहना पाप है

    ये जर्मन और युरेशियन लोग आज अपनी माँ को तो पूछते नहीं, मानव को मानव नहीं समझते मगर गाय का मूत पीने को तैयार रहते हैं।

    (सौजन्य से विनीता रागा)

    अछूत कौन थे?, डॉ. बाबासाहेब अंबेडकर

    अध्याय 10 गोमांस भक्षण – छुआछूत का मूलाधार

    अब बात की जाए जनसंख्या आयुक्त के प्रपत्र की संख्या 10 की, जो गोमांस खाने से सम्बन्धित है। जनसंख्या के परिणामों से पता चलता है कि अछूत जातियों का मुख्य भोजन मरी गाय का मांस है। नीच से नीच हिन्दू भी गोमांस नहीं खाता। और दूसरी तरफ़ जितनी भी अछूत जातियां हैं, सब का सम्बन्ध किसी न किसी तरह से मरी हुई गाय से है, कुछ खाते हैं, कुछ चमड़ा उतारते हैं, और कुछ गाय के चमड़े से बनी चीज़ें बनाते हैं।

    तो क्या गोमांस भक्षण का अस्पृश्यता से कुछ गहरा सम्बन्ध है? मेरा विचार से यह कहना तथ्यसंगत होगा कि वे छितरे लोग जो गोमांस खाते थे, अछूत बन गए।

    वेदव्यास स्मृति का श्लोक कहता है; 'मोची, सैनिक, भील धोबी, पुष्कर, व्रात्य, मेड, चांडाल, दास, स्वपाक, कौलिक तथा दूसरे वे सभी जो गोमांस खाते हैं, अंत्यज कहलाते हैं।'वेदव्यास स्मृति के इस श्लोक के बाद तर्क वितर्क की कोई गुंजाइश नहीं रहनी चाहिए।

    पूछा जा सकता है कि ब्राह्मणों ने बौद्धों के प्रति जो घृणा का भाव फैलाया था वह तो सामान्य रूप से सभी बौद्धों के विरुद्ध था तो फिर केवल छितरे लोग ही अछूत क्यों बने? तो अब हम निष्कर्ष निकाल सकते है कि छितरे लोग बौद्ध होने के कारण घृणा का शिकार हुए और गोमांस भक्षण के कारण अछूत बन गए।

    गोमांसाहार को अस्पृश्यता की उत्पत्ति का कारण मान लेने से कई तरह के प्रश्न खड़े हो जाते हैं। मैं इन प्रश्नों का उत्तर निम्न शीर्षकों में देना चाहूँगा –

    1. क्या हिन्दू कभी गोमांस नहीं खाते थे?
    2. हिन्दुओं ने गोमांस खाना क्यों छोड़ा?
    3. ब्राह्मण शाकाहारी क्यों बने?
    4. गोमांसाहार से छुआछूत की उत्पत्ति क्यों हुई? और
    5. छुआछूत का चलन कब से हुआ?

    अध्याय 11:  क्या हिन्दू कभी गोमांस नहीं खाते थे?

    प्रत्येक हिन्दू इस प्रश्न का उत्तर में कहेगा नहीं, कभी नहीं। मान्यता है कि वे सदैव गौ को पवित्र मानते रहे और गोह्त्या के विरोधी रहे।

    उनके इस मत के पक्ष में क्या प्रमाण हैं कि वे गोवध के विरोधी थे? ऋग्वेद में दो प्रकार के प्रमाण है; एक जिनमें गो को अवध्य कहा गया है और दूसरा जिसमें गो को पवित्र कहा गया है। चूँकि धर्म के मामले में वेद अन्तिम प्रमाण हैं इसलिये कहा जा सकता है कि गोमांस खाना तो दूर आर्य गोहत्या भी नहीं कर सकते। और उसे रुद्रों की माता, वसुओं की पुत्री, आदित्यों की बहन, अमृत का केन्द्र और यहाँ तक कि देवी भी कहा गया है।

    शतपथ ब्राह्मण (3.1-2.21) में कहा है; "..उसे गो या बैल का मांस नहीं खाना चाहिये, क्यों कि पृथ्वी पर जितनी चीज़ें हैं, गो और बैल उन सब का आधार है,..आओ हम दूसरों (पशु योनियों) की जो शक्ति है वह गो और बैल को ही दे दें.."। इसी प्रकार आपस्तम्ब धर्मसूत्र के श्लोक 1, 5, 17, 19 में भी गोमांसाहार पर एक प्रतिबंध लगाया है। हिन्दुओं ने कभी गोमांस नहीं खाया, इस पक्ष में इतने ही साक्ष्य उपलब्ध हैं।

    मगर यह निष्कर्ष इन साक्ष्यों के गलत अर्थ पर आधारित है। ऋग्वेद में अघन्य (अवध्य) उस गो के सन्दर्भ में आया है जो दूध देती है अतः नहीं मारी जानी चाहिये। फिर भी यह सत्य है कि वैदिक काल में गो आदरणीय थी, पवित्र थी और इसीलिये उसकी हत्या होती थी। श्री काणे अपने ग्रंथ धर्मशास्त्र विचार में लिखते हैं;

    'ऐसा नहीं था कि वैदिक काल में गो पवित्र नहीं थी। उसकी पवित्रता के कारण ही वजसनेयी संहिता में यह व्यवस्था दी गई है कि गोमांस खाना चाहिये।' 

    ऋग्वेद में इन्द्र का कथन आता है (10.86.14), "वे पकाते हैं मेरे लिये पन्द्र्ह बैल, मैं खाता हूँ उनका वसा और वे भर देते हैं मेरा पेट खाने से"। ऋग्वेद में ही अग्नि के सन्दर्भ में आता है (10. 91. 14)कि "उन्हे घोड़ों, साँड़ों, बैलों, और बाँझ गायों, तथा भेड़ों की बलि दी जाती थी.."

    तैत्तिरीय ब्राह्मण में जिन काम्येष्टि यज्ञों का वर्णन है उनमें न केवल गो और बैल को बलि देने की आज्ञा है किन्तु यह भी स्पष्ट किया गया है कि विष्णु को नदिया बैल चढ़ाया जाय, इन्द्र को बलि देने के लिये कृश बैल चुनें, और रुद्र के लाल गो आदि आदि।

    आपस्तम्ब धर्मसूत्र के 14,15, और 17वें श्लोक में ध्यान देने योग्य है, "गाय और बैल पवित्र है इसलिये खाये जाने चाहिये"।

    आर्यों में विशेष अतिथियों के स्वागत की एक खास प्रथा थी, जो सर्वश्रेष्ठ चीज़ परोसी जाती थी, उसे मधुपर्क कहते थे। भिन्न भिन्न ग्रंथ इस मधुपर्क की पाक सामग्री के बारे में भिन्न भिन्न राय रखते हैं। किन्तु माधव गृह सूत्र (1.9.22) के अनुसार, वेद की आज्ञा है कि मधुपर्क बिना मांस का नहीं होना चाहिये और यदि गाय को छोड़ दिया गया हो तो बकरे की बलि दें। बौधायन गृह सूत्र के अनुसार यदि गाय को छोड़ दिया गया हो तो बकरे, मेढ़ा, या किसी अन्य जंगली जानवर की बलि दें। और किसी मांस की बलि नहीं दे सकते तो पायस (खीर) बना लें।

    तो अतिथि सम्मान के लिये गो हत्या उस समय इतनी सामान्य बात थी कि अतिथि का नाम ही गोघ्न पड़ गया। वैसे इस अनावश्यक हत्या से बचने के लिये आश्वालायन गृह सूत्र का सुझाव है कि अतिथि के आगमन पर गाय को छोड़ दिया जाय ( इसी लिये दूसरे सूत्रों में बार बार गाय के छोड़े जाने की बात है)। ताकि बिना आतिथ्य का नियम भंग किए गोहत्या से बचा जा सके।

    प्राचीन आर्यों में जब कोई आदमी मरता था तो पशु की बलि दी जाती थी और उस पशु का अंग प्रत्यंग मृत मनुष्य के उसी अंग प्रत्यंग पर रखकर दाह कर्म किया जाता था। और यह पशु गो होता था। इस विधि का विस्तृत वर्णन आश्वालायन गृह सूत्र में है।

    गो हत्या पर इन दो विपरीत प्रमाणों में से किस पक्ष को सत्य समझा जाय? असल में गलत दोनों नहीं हैं शतपथ ब्राह्मण की गोवध से निषेध की आज्ञा असल में अत्यधिक गोहत्या से विरत करने का अभियान है। और बावजूद इन निषेधाज्ञाओं के ये अभियान असफल हो जाते थे। शतपथ ब्राह्मण का पूर्व उल्लिखित उद्धरण (3.1-2.21) प्रसिद्ध ऋषि याज्ञवल्क्य को उपदेश स्वरूप आया है। और इस उपदेश के पूरा हो जाने पर याज्ञ्वल्क्य का जवाब सुनने योग्य है; "मगर मैं खा लेता हूँ अगर वह (मांस) मुलायम हो तो।"

    वेदों और ब्राह्मण ग्रंथों के बहुत बाद रचे गये बौद्ध सूत्रों में भी इसके उल्लेख हैं। कूट्दंत सूत्र में बुद्ध, ब्राह्मण कूटदंत को पशुहत्या न करने का उपदेश देते हुए वैदिक संस्कृति पर व्यंग्य करते हैं, " .. हे ब्राह्मण उस यज्ञ में न बैल मारे गये, न अजा, न कुक्कुट, न मांसल सूअर न अन्य प्राणी.."और जवाब में कूटदंत बुद्ध के प्रति कृतज्ञता व्यक्त करता है और कहता है, ".. मैं स्वेच्छा से सात सौ साँड़, सात सौ तरुण बैल, सात सौ बछड़े, सात सौ बकरे, और सात सौ भेड़ों को मुक्त करता हूँ जीने के लिये.. "

    अब इतने सारे साक्ष्यों के बाद भी क्या किसी को सन्देह है कि ब्राह्मण और अब्राह्मण सभी हिन्दू एक समय पर न केवल मांसाहारी थे बल्कि गोमांस भी खाते थे।

    अध्याय 12: गैर ब्राह्मणों ने गोमांस खाना कब छोड़ा?

    साम्प्रदायिक दृष्टि से हिन्दू या तो शूद्र होते हैं या वैष्णव, उसी तरह शाकाहारी होते हैं या मांसाहारी। मांसाहारी में भी दो वर्ग हैं, 1) जो मांस खाते हैं पर गोमांस नहीं खाते, और 2) जो गोमांस भी खाते हैं। तो इस तरह से तीन वर्ग हो गये;

    1) शाकाहारी, यानी ब्राह्मण (हालाँकि कुछ ब्राह्मण भी मांसाहार करते हैं)
    2)मांसाहारी किंतु गोमांस न खाने वाले यानी अब्राह्मण
    3)गोमांस खाने वाले यानी अछूत

    यह वर्गीकरण चातुर्वर्ण के अनुरूप नहीं है फिर भी तथ्यों के अनुरूप है। शाकाहारी होना समझ आता है, गोमांस खाने वाले की स्थिति भी समझ आती है, मगर अब्राह्मण की सिर्फ़ गोमांस से परहेज़ की स्थिति समझ नहीं आती। इस गुत्थी को सुलझाने के लिये पुराने समय के क़ानून को समझने की ज़रूरत होगी। तो ऐसा नियम या तो मनु के विधान में होगा या अशोक के।

    अशोक का स्तम्भ लेख -5 कहता है, "..राज्याभिषेक के 26 वर्ष बाद मैंने इन प्राणियों का वध बंद करा दिया है, जैसे सुगा, मैना, अरुण, चकोर, हंस पानान्दीमुख, गोलाट, चमगादड़, कछुआ, रामानन्दी कछुआ, वेदवेयक, गंगापुपुतक, रानी चींटी, स्केट मछली, बिन काँटों की मछली, साही, गिलहरी, बारासिंगा, साँड़, बंदर, गैंडा, मृग, सलेटी कबूतर, और सब तरह के चौपाये जो न तो किसी उपयोग में आते हैं और न खाए जाते हैं.."

    अशोक के निर्देशों पर टिप्पणी करते हुए श्री विंसेट स्मिथ कहते हैं कि "अशोक के निर्देशों में गोहत्या का निषेध नहीं है, ऐसा लगता है कि गोहत्या वैध बनी रही"मगर प्रोफ़ेसर राधाकुमुद मुखर्जी का कहना है कि "चूंकि अशोक ने सभी चौपायों की हत्या पर रोक लगाई तो गो हत्या पर स्वतः रोक मानी जाय"। उनके कहने का अर्थ यह है कि अशोक के समय गोमांस नहीं खाया जाता था इसलिये उसका अलग से उल्लेख करने की ज़रूरत न हुई।

    मगर शायद सच यह है कि अशोक की गो में कोई विशेष दिलचस्पी होने की कोई वजह न थी। और इसे वह अपना कर्तव्य नहीं समझता था कि गो को हत्या से बचाये। अशोक प्राणी मात्र, मनुष्य या पशु, पर दया चाहता था। उसने यज्ञों के लिए पशु बलि का निषेध किया मगर उन पशुओं की हत्या से निषेध नहीं किया जो किसी काम में आते हैं या खाए जाते हैं। अशोक ने निरर्थक वध को अनुचित ठहराया।

    अब मनु को देख लिया जाय। मनु ने पक्षियों, जलचरों, मत्स्यों, सर्पादि और चौपायों की एक लम्बी सूची दी है जो कुछ इस प्रकार समाप्त होती है, "पंचनखियों में सेह, साही, शल्यक, गोह, गैंडा, कछुआ, खरहा, तथा एक ऒर दाँत वाले पशुओं में ऊँट को छोड़कर बकरे आदि पशु भक्ष्य हैं, ऐसा कहा गया है.."

    तो मनु ने भी गोहत्या के विरुद्ध कोई विधान नहीं बनाया। उन्होने तो विशेष अवसरों पर गोमांस खाना अनिवार्य ठहराया है।

    तो फिर अब्राह्मण ने गोमांस खाना क्यों छोड़ दिया? मेरा विचार है कि अब्राह्मण ने सिर्फ़ ब्राह्मण की नकल में गोमांस खाना छोड़ दिया। यह नया विचार लग सकता है पर नामुमकिन नहीं है यह। फ़्रांसीसी लेखक गैब्रियल तार्दे लिखते हे कहते हैं कि "समाज में संस्कृति, निम्न वर्ग के द्वारा उच्च वर्ग का, अनुसरण करने से फैलती है"। यह नकल बहुत मजे से के मशीनी गति से एक प्राकृतिक नियम की तरह होता चलता है। उनका मानना है कि निम्न वर्ग हमेशा उच्च वर्ग की नकल करता है और ये इतनी आम बात समझी जाती है कि कभी कोई इस पर सवाल भी नहीं करता।

    तो कहा जा सकता है कि अब्राह्मणो ने गोमांस खाना ब्राह्मणों की नकल के फलस्वरूप छोड़ा। मगर बड़ा सवाल है कि ब्राहमणों ने गोमांस खाना क्यों छोड़ा?

    अध्याय 13: ब्राह्मण शाकाहारी क्यों बने?

    एक समय था जब ब्राह्मण सब से अधिक गोमांसाहारी थे। कर्मकाण्ड के उस युग में शायद ही कोई दिन ऐसा होता हो जब किसी यज्ञ के निमित्त गो वध न होता हो, और जिसमें कोई अब्राह्मण किसी ब्राह्मण को न बुलाता हो। ब्राह्मण के लिए हर दिन गोमांसाहार का दिन था। अपनी गोमांसा लालसा को छिपाने के लिए उसे गूढ़ बनाने का प्रयतन किया जाता था। इस रहस्यमय ठाठ बाट की कुछ जानकारी ऐतरेय ब्राह्मण में देखी जा सकती है। इस प्रकार के यज्ञ में भाग लेने वाले पुरोहितों की संख्या कुल सत्रह होती, और वे स्वाभाविक तौर पर मृत पशु की पूरी की पूरी लाश अपने लिए ही ले लेना चाहते। तो यजमान के घर के सभी सदस्यों से अपेक्षित होता कि वे यज्ञ की एक विधि के अन्तर्गत पशु के मांस पर से अपना अधिकार छोड़ दें।

    ऐतरेय ब्राह्मण में जो कुछ कहा गया है उस से दो बातें असंदिग्ध तौर पर स्पष्ट होती हैं। एक तो यह कि बलि के पशु के सारा मांस ब्राह्मण ही ले लेते थे। और दूसरी यह कि पशुओं का वध करने के लिये ब्राह्मण स्वयं कसाई का काम करते थे।

    तब फिर इस प्रकार के कसाई, गोमांसाहारियों ने पैंतरा क्यों बदला?

    पहले बताया जा चुका है कि अशोक ने कभी गोहत्या के खिलाफ़ कोई का़नून नहीं बनाया। और यदि बनाया भी होता तो ब्राह्मण समुदाय एक बौद्ध सम्राट के का़नून को क्यों मानते? तो क्या मनु ने गोहत्या का निषेध किया था? तो क्या मनु ने कोई का़नून बनाया? मनुस्मृति के अध्याय 5 में खान पान के विषय में श्लोक मिलते हैं;

    "बिना जीव को कष्ट पहुँचाये मांस प्राप्त नहीं किया जा सकता और प्राणियों के वध करने से स्वर्ग नहीं मिलता तो मनुष्य को चाहिये कि मांसाहार छोड़ दे।" (5.48)

    तो क्या इसी को मांसाहार के विरुद्ध निषेधाज्ञा माना जाय? मुझे ऐसा मानने में परेशानी है और मैं समझता हूँ कि ये श्लोक ब्राह्मणों के शाकाहारी बन जाने के बाद में जोड़े गये अंश हैं। क्योंकि मनुस्मृति के उसी अध्याय 5 के इस श्लोक के पहले करीब बीस पच्चीस श्लोक में विवरण है कि मांसाहार कैसे किया जाय, उदाहरण स्वरूप;

    प्रजापति ने इस जगत को इस प्राण के अन्न रूप में बनाया है, सभी चराचर (जड़ व जीव) इस प्राण का भोजन हैं। (5.28)

    मांस खाने, मद्यपान तथा मैथुन में कोई दोष नहीं। यह प्राणियों का स्वभाव है पर उस से परहेज़ में महाफल है।(5.56)

    ब्राह्मणों द्वारा मंत्रों से पवित्र किया हुआ मांस खाना चाहिये और प्राणों का संकत होने पर अवश्य खाना चाहिये। (5.27)

    ब्रह्मा ने पशुओं को यज्ञो में बलि के लिये रचा है इसलिये यज्ञो में पशु वध को वध नहीं कहा जाता। (5.39)

    एक बार तय हो जाने पर जो मनुष्य (श्राद्ध आदि अवसर पर) मांसाहार नहीं करता वह इक्कीस जन्मो तक पशु योनि में जाता है। (5.35)

    स्पष्ट है कि मनु न मांसाहार का निषेध नहीं किया और गोहत्या का भी कहीं निषेध नहीं किया।मनु के विधान में पाप कर्म दो प्रकार के हैं;1) महापातक: ब्रह्म हत्या, मद्यपान, चोरी, गुरुपत्नीगमन ये चार अपराध महापातक हैं।और 2) उपपातक: परस्त्रीगमन, स्वयं को बेचना, गुरु, माँ, बाप की उपेक्षा, पवित्र अग्नि का त्याग, पुत्र के पोषण से इंकार, दूषित मनुष्य से यज्ञ कराना और गोवध।

    स्पष्ट है कि मनु की दृष्टि में गोवध मामूली अपराध था। और तभी निन्दनीय था जब गोवध बिना उचित और पर्याप्त कारण के हो। याज्ञवल्क्य ने भी ऐसा ही कहा है।

    तो फिर आज के जैसी स्थिति कैसे पैदा हुई? कुछ लोग कहेंगे कि ये गो पूजा उसी अद्वैत दर्शन का परिणाम है जिसकी शिक्षा है कि समस्त विश्व में ब्रह्म व्याप्त है। मगर यह संतोषजनक नहीं है जो वेदांतसूत्र ब्रह्म के एकत्व की बात करते हैं वे यज्ञ के लिये पशु हत्या को वर्जित नहीं करते (2.1.28)। और अगर ऐसा है भी तो यह आचरण सिर्फ़ गो तक सीमित क्यों सभी पशुओं पर क्यों नहीं लागू होता?

    मेरे विचार से ये ब्राह्मणों के चातुर्य का एक अंग है कि वे गोमांसाहारी न रहकर गो पूजक बन गए। इस रहस्य का मूल बौद्ध-ब्राह्मण संघर्ष में छिपा है। उन के बीच तू डाल डाल मैं पात पात की होड़ भारतीय इतिहास की निर्णायक घटना है। दुर्भाग्य से इतिहासकारों ने इसे ज़्यादा महत्व नहीं दिया है। वे आम तौर पर इस तथ्य से अपरिचित होते हैं कि लगभग 400 साल तक बौद्ध और ब्राह्मण एक दूसरे से बाजी मार ले जाने के लिए संघर्ष करते रहे।

    एक समय था जब अधिकांश भारतवासी बौद्ध थे। और बौद्ध धर्म ने ब्राह्मणवाद पर ऐसे आक्रमण किए जो पहले किसी ने नहीं किए। बौद्ध धर्म के विस्तार के कारण ब्राह्मणों का प्रभुत्व न दरबार में रहा न जनता में। वे इस पराजय से पीड़ित थे और अपनी प्रतिष्ठा पुनः प्राप्त करने के प्रयत्नशील थे।

    इसका एक ही उपाय था कि वे बौद्धों के जीवनदर्शन को अपनायें और उनसे भी चार कदम आगे बढ़ जायें। बुद्ध के परिनिर्वाण के बाद बौद्धों ने बुद्ध की मूर्तियां और स्तूप बनाने शुरु किये। ब्राह्मणों ने उनका अनुकरण किया। उन्होने शिव, विष्णु, राम, कृष्ण आदि की मूर्तियां स्थापित करके उनके मंदिर बनाए। मकसद इतना ही था कि बुद्ध मूर्ति पूजा से प्रभावित जनता को अपनी ओर आकर्षित करें। जिन मंदिरों और मूर्तियों का हिन्दू धर्म में कोई स्थान न था उनके लिए स्थान बना।

    गोवध के बारे में बौद्धों की आपत्ति का जनता पर प्रभाव पड़ने के दो कारण थे कि एक तो वे लोग कृषि प्रधान थे और दूसरे गो बहुत उपयोगी थे। और उसी वजह से ब्राह्मण गोघातक समझे जाकर घृणा के पात्र बन गए थे।

    गोमांसाहार छोड़ कर ब्राह्मणों का उद्देश्य बौद्ध भिक्षुओं से उनकी श्रेष्ठता छीन लेना ही था। और बिना शाकाहारी बने वह पुनः उस स्थान को प्राप्त नहीं पर सकता था जो बौद्धों के आने के बाद उसके पैर के नीचे से खिसक गया था। इसीलिए ब्राह्मण बौद्ध भिक्षुओं से भी एक कदम आगे जा कर शाकाहारी बन गए। यह एक कुटिल चाल थी क्योंकि बौद्ध शाकाहारी नहीं थे। हो सकता है कि ये जानकर कुछ लोग आश्चर्य करें पर यह सच है। बौद्ध त्रिकोटी परिशुद्ध मांस खा सकते थे।यानी ऐसे पशु को जिसे उनके लिए मारा गया ऐसा देखा न हो, सुना न हो और न ही कोई अन्य संदेह हो। इसके अलावा वे दो अन्य प्रकार का मांस और खा सकते थे- ऐसे पशु का जिसकी स्वाभाविक मृत्यु हुई हो या जिसे किसी अन्य वन्य पशु पक्षी ने मार दिया हो।

    तो इस प्रकार के शुद्ध किए हुए मांस खाने वाले बौद्धों से मुकाबले के लिए मांसाहारी ब्राह्मणों को मांस छोड़ने की क्या आवश्यक्ता थी। थी, क्योंकि वे जनता की दृष्टि में बौद्धों के साथ एक समान तल पर खड़े नहीं होना चाहते थे। यह अति को प्रचण्ड से पराजित करने की नीति है। यह वह युद्ध नीति है जिसका उपयोग वामपंथियों को हटाने के लिए सभी दक्षिणपंथी करते हैं।

    एक और प्रमाण है कि उन्होने ऐसा बौद्धों को परास्त करने के लिए ही किया। यह वह स्थिति बनी जब गोवध महापातक बन गया। भण्डारकर जी लिखते हैं कि, "हमारे पास एक ताम्र पत्र है जो कि गुप्त राजवंश के स्कंदगुप्त के राज्यकाल का है। यह एक दान पात्र है जिसके अंतिम श्लोक में लिखा है : जो भी इस प्रदत्तदान में हस्तक्षेप करेगा वह गो हत्या, गुरुहत्या, या ब्राह्मण हत्या जैसे पाप का भागी होगा।"हमने ऊपर देखा है कि मनु ने गोवध को उपपातक माना है। मगर स्कन्द गुप्त के काल (412 ईसवी) तक आते आते महापातक बन गया।

    हमारा विश्लेषण है कि बौद्ध भिक्षुओ पर अपनी श्रेष्ठता सिद्ध करने के लिए ब्राह्मणों के लिए यह अनिवार्य हो गया था कि वे वैदिक धर्म के एक अंश से अपना पीछा छुड़ा लें। यह एक साधन था जिसे ब्राह्मणों ने अपनी खोई हुई प्रतिष्ठा को पाने के लिए उपयोग किया।

    गोमांस भक्षण से छितरे व्यक्ति अछूत कैसे बने?

    जब ब्राह्मणों तथा अब्राह्मणों ने गोमांस त्याग दिया तो एक नई स्थिति पैदा हो गई। जिसमें सिर्फ़ छितरे लोग ही गोमांस भक्षण कर रहे थे। यदि गोमांसाहार मात्र व्यक्तिगत अरुचि अरुचि का प्रश्न होता तो गोमांस खाने और न खाने वालों के बीच कोई दीवार न खडी होती मगर मांसाहार एक लौकिक बात न रहकर धर्म का प्रश्न बन गया था।

    ब्राह्मणों ने जीवित और मृत गो में भेद करने की किसी प्रकार की आवश्यक्ता नहीं समझी। गो पवित्र थी चाहे मृत या जीवित। यदि कोई गो को पवित्र न माने और तो वह पाप का भागी होगा। तो छितरे लोग जिन्होने गोमांसाहार जारी रखा, पाप के भागी हुए और अछूत बन गए।

    इस मत पर कुछ आपत्तियां हो सकती हैं। पहली तो यह कि इस बात का क्या प्रमाण है कि छितरे लोग गोमांस खाते थे?

    इसका जवाब यह है कि जिस समय बसे हुए लोग और छितरे लोग दोनों गोमांसाहारी थे तो तो एक परिपाटी चल निकली जिसके तहत बसे हुए लोग गो का ताज़ा मांस खाते और छितरे लोग मृत गाय का। मरी हुई गो पर छितरे हुए लोगों का अधिकार होता था। महाराष्ट्र के महारों से सम्बन्धित इस साक्ष्य की चर्चा पहले भी की जा चुकी है। महाराष्ट्र के गाँवों में हिन्दू लोगों को एक समझौते के तहत अपने मृत पशुओं महारों को सौंपना पड़ता है। कहते हैं कि बीदर के मुस्लिम राजा ने ऐसे 52 अधिकार उन्हे दे दिये। ऐसी कोई और वजह नहीं लगती कि बीदर के राजा अचानक ये अधिकार महारों को दे दे सिवाय इसके कि ये अधिकार उनके पास पहले से चले आ रहे थे जिन्हे उन्हे दुबारा पक्का कर दिया गया।

    बसे हुए लोग धनी थे। उनकी जीविका के लिए खेती और पशुपालन थे। मगर छितरे हुए लोग निर्धन थे और उनकी जीविका के साधन भी न थे। इस तरह का प्रबन्ध स्वाभाविक लगता है जिसमें छितरे हुए लोगों ने बसे हुए लोगों की पहरेदारी के बदले मृत जानवरों पर अधिकार की मज़दूरी स्वीकार की। और ऐसा सम्पूर्ण भारत में हुआ होगा।

    दूसरी आपत्ति यह कि जब ब्राह्मणों और अब्राह्मणों ने गोमांस छोड़ा तो छितरे लोगों ने भी क्यों न छोड़ दिया?

    यह सवाल प्रासंगिक है मगर गुप्त काल में गोवध के खिलाफ़ जो कानून आया वह छितरे लोगों पर इस लिए लागू नहीं हो सकता था क्योंकि वे मृत गो का मांस खाते थे। और उनका आचरण गोवध निषेध के विरुद्ध नहीं पड़ता था। और अहिंसा के विरुद्ध भी नहीं। तो छितरे लोगों का यह व्यवहार न नियम के विरुद्ध हुआ न सिद्धान्त के।

    और तीसरी, यह कि इन छितरे लोगों ने ब्राह्मणों का अनुकरण क्यों न किया? उन्हे गोमांस खाने से रोका भी तो जा सकता था, अगर ऐसा हुआ होता तो अस्पृश्यता का जन्म ही न होता?

    इस प्रश्न के जवाब के दो पहलू हैं। पहला तो यह कि नकल करना उनके लिए अत्यन्त मँहगा सौदा था। मृत गो का मांस उनका जीवनाधार था। इसके बिना वे भूखे मर जाते। दूसरा यह कि मृत गायों का ढोना जो पहले एक अधिकार था बाद में एक कर्तव्य में बदल गया(सुधार आन्दोलन के बाद महार मृत गो उठाने से मना करते हैं पर हिन्दू उन्हे मजबूर करते हैं)। तो जब मृत गो को उठाने से कोई मुक्ति नहीं थी इसलिये उस मृत पशु के जानवर को खाने के लिए इस्तेमाल करने से उन्हे ऐतराज़ न था जैसा वे पहले करते ही थे। 

    0 0

    Green Activism not allowed in Free Market India!

    MHA suspends Greenpeace India's registration

    Military state power is not going to allow this as the Prime Minister has declared to delete more than seven hundred laws to open every window and doors for FDI Raj,complete privatization,total disinvestment of public sector and services,total deregulation and total decontrol  and for which social activism must be controlled by either the corporate governance or the fascist RSS and it is the trend which we may never resist until we unite rock solid.

    Palash Biswas

    Greenpeace India nad villagers gather on the fringes of the Mahan forest during a protest against a coal mining project in Singrauli district, Madhya Pradesh in this February 27, 2014 photo.


    Greenpeace India nad villagers gather on the fringes of the Mahan forest during a protest against a coal mining project in Singrauli district, Madhya Pradesh in this February 27, 2014 photo.

    Having warned Judiciary against five star Activists,having signalled Green all pending projects and putting them on fast track,having ensured heavy cut in social sector and social activism,the business friendly governance in Free Market India has made it clear that Green Activism is not allowed in India.

    Meanwhile,RSS plans to take over the monopolistic helm of non government activism to immune people`s mass movement headed by activists for which the Prime Minister of India intervened in Indian Judiciary and his speech amounted as unprecedented contempt of court.

    Anyone whoever wants to be active for public cause has to link himself or herself with PMO,has to submit plans and projects for funding as the sources of foreign funding to NGO sector are all set to be blocked.

    Thus,the government on Thursday blocked foreign fundings to Greenpeace India with immediate effect by suspending its licence for six months and served a notice to the NGO asking why its registration should not be cancelled.

    The decision was taken by the Home Ministry after it was found that the NGO has "prejudicially affected the public interests and economic interests of the country in violation" of the Foreign Contribution Regulation Act.

    The foreign fundings to Greenpeace India have been blocked by suspending the NGO's licence for 180 days, it said.

    The Home Ministry also said that licence of Greenpeace India will be cancelled permanently if the NGO fails to make a satisfactory presentation to the government.

    I would not have become a journalist nor a social activist,had I not been associated with Chipko Movement.

    For me,green activism should be topmost priority to resist the selling off the Golden Bird India and its natural resources.

    For me,every social activist should root in environment activism as the cause of saving the nature and nature associated aborigin and indigenous agrarian demography and economy should be the topmost priority in resistance against economic ethnic cleansing all on name of free flow of freign capital and foerein interest all on name of development PPP model Gujarati flavoured with fascist Hindutva.

    But the military state power is not going to allow this as the Prime Minister has declared to delete more than seven hundred laws to open every window and doors for FDI Raj,complete privatization,total disinvestment of public sector and services,total deregulation and total decontrol  and for which social activism must be controlled by either the corporate governance or the fascist RSS and it is the trend which we may never resist until we unite rock solid.

    Mind you,with government tightening norms of fundings to NGOs, security agencies have alleged that nearly 200 foreign donors were indulging in money laundering under the garb of donating money to some of these organisations.

    Economic wings of central security agencies have shared a list of 188 foreign donors to the Home and Finance ministries as well as relevant departments for keeping a check on their donations.

    0 0

    सितम्बर 1987 के 'हंस'में प्रकाशित

    हिंदी पत्रकारिता संदर्भ राजेन्द्र माथुर

    आनंद स्वरूप वर्मा

    अब से कुछ वर्ष पूर्व तक 25  करोड़ लोगों द्वारा बोली जाने वाली भाषा हिंदी में ऐसा एक भी दैनिक पत्र नहीं था जिसे राष्ट्रीय स्तर पर सम्मान मिलता रहा हो, जो राष्ट्रीय स्तर के मुद्दों पर व्यापक जनमत तैयार करने की सामर्थ्य रखता हो तथा आम जनता के जीवन को निर्धारित करने वाली नीतियों के निर्माताओं को प्रभावित करता हो.  अभी 12--15 वर्ष पूर्व तक स्थिति यह थी कि राजधानी दिल्ली से बड़ी प्रसार संख्या वाले दो दैनिक पत्र 'नवभारत टाइम्सऔर 'हिन्दुस्तानतो निकलते भी थेपर हिंदी भाषी राज्यों से एक भी दैनिक ऐसा नहीं था जिसकी प्रसार संख्या लाख के ऊपर रही हो.  'नवभारत टाइम्सऔर 'हिन्दुस्तानकी स्थिति यह थी कि पढ़े-लिखे लोग हिंदी की बजाय अंग्रेजी अखबार ही लेना पसंद करते थे इसके लिए केवल औपनिवेशिक मानसिकता को दोषी नहीं ठहराया जा सकता. दरअसल हिंदी के अखबार किसी सजग पाठक को मानसिक स्तर पर तृप्ति नहीं दे पाते थे. सामाजिक क्षेत्र में ये अखबार दकियानूसी विचारोंप्रतिगामी प्रवृत्तियों और कर्मकांडों को तथा राजनीतिक क्षेत्र में सत्ताधारी पार्टी की नीतियों को प्रचारित करने में लगे रहते थे. इसके बाद जो स्थान बचता था वह जैन-मुनियों के प्रवचनों से लेकर बिड़ला मंदिर के सत्संगों और रिपोर्टों से भरा रहता था. एक ही संस्थान से अंग्रेजी और हिंदी दोनों भाषाओं में प्रकाशित होने वाले अखबारों के स्तर में इतना बड़ा फर्क रहता था कि हैरानी होती थी. यह फर्क संपादकसंपादकीय विभाग के सदस्यों एवं लेखकों के पारिश्रमिक से लेकर अखबार की विषयवस्तु और छपाई तक में परिलक्षित होता था. हिन्दी अखबार मालिकों और उनके रिश्तेदारों के व्यक्तिगत संदेशवाहकों का काम करने लगे थे. अमुक सेठ के घर पुत्र ने जन्म लिया है या अमुक सेठ के यहां फलां तारीख को फलां संत का प्रवचन या कवि सभा रखी गयी है--ये जानकारियां समाचार वाले कालम में छपती थीं. इसके अलावा मालिकों के लिए राजनेताओंअफसरों से मेल-जोल बढ़ाकर उनका काम निकलवाने की जिम्मेदारी भी हिंदी पत्रकार की ही थी. सभी हिंदी अखबारों की यही स्थिति थी और 'नवभारत टाइम्सभी इसका अपवाद नहीं था. 'दिनमानके संपादन से हिंदी पत्रकारिता को एक सम्मानजनक स्थिति दिला पाने में सफल होने के बावजूद अज्ञेय जी भी 'नवभारत टाइम्सको कोई बेहतर स्वरूप नहीं दे सके थे. लेकिन शायद पहली बार संपादक को प्रोफेशनल धरातल पर लिया गया था--मालिक या उप मालिक के गांव का या बेहद वफादारव्यापक जन-सम्पर्की होने की'योग्यतापर नहीं।

    1982  में राजेन्द्र माथुर ने जब 'नवभारत टाइम्सका संपादन संभाला तो उन्हें कई मोर्चों पर एक साथ कुछ कर दिखाने की चुनौती का सामना करना पड़ा. वे मध्य प्रदेश के एक सम्मानित अखबार 'नई दुनियाके संपादक थे और 'नई दुनियाको एक बेहतर और सम्मानजनक स्थिति तक पहुंचाने में उनकी महत्वपूर्ण भूमिका थी. उन्होंने 'नई दुनियाको वह प्रतिष्ठा दी थी जो दिल्ली के किसी हिंदी अखबार की नहीं थी. उन्होंने 'नवभारत टाइम्सके साथ तमाम अच्छे लेखकों को जोड़ना शुरू किया--अब तक अच्छे लेखक पत्रकार 'दिनमानमें तो अपनी रिपोर्टें प्रकाशित करा लेते थे पर 'नवभारत टाइम्समें अपना नाम देखना भी अपमानजनक समझते थे. राजेन्द्र माथुर ने उन सबको इस अखबार के साथ जोड़ा. अपने पूर्ववर्ती संपादकों के विपरीत उन्होंने समसामयिक राजनीति से लेकर सामाजिक विषयों पर गहन विश्लेषणात्मक लेख लिखे और अपनी भाषा-शैली के अनूठेपन से पाठकों को आकर्षित किया. एक सजगअध्ययनशील और विचारवान संपादक के रूप में उनकी छवि स्थापित होने लगी और 'नवभारत टाइम्सको लोगों ने गंभीरता से लेना शुरू किया. नवम्बर 1983 में जनसत्ता का प्रकाशन शुरू होने के बाद जिस स्वस्थ स्पर्धा की शुरुआत हुई, उससे नवभारत टाइम्स को अपना स्वरूप निखारने में और भी मदद मिली.

    लेकिन 1980 के दशक की शुरूआत इमरजेंसी के काले कारनामों से पराजित श्रीमती इंदिरा गांधी की सत्ता में वापसी के साथ हुई थी. इस दशक की शुरूआत जनता पार्टी के रूप में विपक्षी दलों के जमावडे़ के प्रति आम जनता के मोहभंग के साथ हुई थी. यह दशक श्रीमती गांधी द्वारा शुरू की गयी हिंदू सांप्रदायिकता और भिंडरावाले द्वारा स्थापित सिख सांप्रदायिकता के बीच जानलेवा होड़ वाला दशक साबित होने लगा. दक्षिण भारत के अनेक राज्यों उत्तर पूर्वी क्षेत्र और पश्चिम बंगाल, त्रिपुरा में गैर कांग्रेसवाद प्रबल होता गया था और श्रीमती गांधी की कांग्रेस पार्टी हिंदी--हिंदू क्षेत्र उत्तर भारत में सिमट कर रह गयी थी जहां उसकी प्रतिद्वंद्विता भारतीय जनता पार्टी यानी भूतपूर्व जनसंघ से थी. भारतीय जनता पार्टी हिंदू सांप्रदायिकता के आधार पर खड़ी थी और श्रीमती गांधी के लिए यह जरूरी हो गया था कि वह हिंदू मतदाताओं को यह समझा सकें कि उनके हितों की रक्षा कांग्रेस (ई) से ज्यादा बेहतर ढंग से कोई दूसरी पार्टी नहीं कर सकती. पंजाब में फैल रही सिख सांप्रदायिकता के मुकाबले हिंदू सांप्रदायिकता को सरकारी छत्रछाया में पोसा जाने लगा. 15  जुलाई,1983  को श्रीमती गांधी ने पंजाब हिंदू संगठन के अध्यक्ष अमरनाथ शर्मा के नेतृत्व में आये 12  सदस्यों के प्रतिनिधिमंडल से भेंट की और इसे अपना आशीर्वाद दिया. कलकत्ता से प्रकाशित अंग्रेजी दैनिक 'दि टेलीग्राफ(16 जुलाई1983 ) ने लिखा कि इस संगठन को न केवल राष्ट्रीय स्वयं सेवक संघ का बल्कि इंका के दरबारा सिह गुट का भी समर्थन प्राप्त है जिसमें श्रीमती गांधी की ओर से राजीव गांधी पूरी दिलचस्पी ले रहे हैं. उधर 1982 में भूतपूर्व केंद्रीय मंत्री डा. कर्णसिंह के नेतृत्व में विराट हिंदू समाज की स्थापना हो चुकी थी और 1964 से सुस्त पड़ा  विश्व हिंदू परिषद मीनाक्षीपुरम की घटनाओं को लेकर सक्रिय हो गया था. कुल मिलाकर पूरे देश में बड़े जबर्दस्त ढंग से एक सांप्रदायिक ध्रुवीकरण की प्रक्रिया शुरू हो गयी थी और 2  जून1984  को ब्लू स्टार आपरेशन के तहत अमृतसर के स्वर्ण मंदिर में सेना के प्रवेश के साथ इस ध्रुवीकरण का चरम रूप सतह पर आ गया.

    राजेन्द्र माथुर के दिलो-दिमाग में एक अखंड भारत का सपना बहुत दिनों से पल रहा था--एक ऐसा भारत जिसकी सीमा के अंदर तिब्बतबर्मानेपालश्रीलंका शामिल होंजिसका एक चक्रवर्ती राजा हो और जिसकी बुनियाद हिंदू राष्ट्रवाद हो. श्रीमती गांधी की तरह वह भी इस बात से क्षुब्ध थे कि छोटे-छोटे पड़ोसी देश भारत जैसे बड़े देश को आंखें दिखा रहे हैं और उनकी सारी उम्मीदें श्रीमती गांधी पर टिक गयी थीं. उन्हें लगता था कि उनके सपनों का 'राष्ट्र राज्यश्रीमती गांधी ही निर्मित कर सकती हैं और भारत को एक महाशक्ति का दर्जा दिला सकती है. 1984 तक उनकी यह आकांक्षा संकोच के गर्त में डूबी बेचैनी के साथ करवटें लेती रही पर ब्लू स्टार आपरेशन के बाद वह एकदम उठ बैठी और 1987 आते-आते तो उसने एकदम आक्रामक रूप ले लिया.

     जून1984  को स्वर्ण मंदिर में सेना के प्रवेश पर हिंदी के तमाम अखबारों ने एक राजनीतिक समस्या के सैनिक समाधान की भूरि-भूरि प्रशंसा की और मीडिया के इस सांप्रदायिक उन्माद का नेतृत्व किया राजेन्द्र माथुर और 'जनसत्ताके संपादक प्रभाष जोशी ने राजेन्द्र माथुर ने लिखा-''इस अंतिम कार्रवाई के बाद अब केंद्र सरकार के पास ऐसा कोई हथियार नहीं बचा हैं जिसका इस्तेमाल पंजाब में करना बाकी होइसलिए यह बेहद जरूरी है कि यह ब्रह्मास्त्र सफल हो और हमारी सेना श्रीलंका से लेकर पाकिस्तान तक चुटकुलों और चिमगोइयों का विषय न बनेसेना इस ओर देश की एकता की अंतिम गारंटी है और भारत के लोकतंत्र के लिए यह शाबाशी की बात है कि इस अंतिम ब्रह्मास्त्र का उपयोग बैरकों में रचे गये किसी षडयंत्र के अंतर्गत नहीं बल्कि देश के करोड़ों लोगों के अरमानों को पूरा करने के लिए एक चुनी हुई सरकार की छत्रछाया में हो रहा हैइस माने में 2 जून का दिन भारतीय गणतंत्र के इतिहास का एक ऐतिहासिक दिन साबित होगा।'' ('और अब फौज के जिम्मे,' 4  जून1984  नभाटा).

    इस बात को बार-बार दुहराने की कोई जरूरत नहीं दिखाई देती कि कांग्रेस ने भिंडरावाले का निर्माण किया और सिख साम्प्रदायिकता फैलायी ताकि जवाब में हिंदू सांप्रदायिकता फैलायी जा सके और अपने वोट बैंक के खाते को समृद्ध किया जा सके। इस बात को अब सभी जानते हैं और इस पर दुःख प्रकट करते हैं. राजेन्द्र माथुर भी इसे जानते हैं पर उन्हें न तो इस पर दुःख है और न हैरानी--वे इसे एक स्वाभाविक क्रिया मानते हैं। उनका कहना है--''भिंडरावाले की मदद लेकर अकालियों को पीटने की कोशिश अगर कांग्रेस ने की तो ऐसा कोई काम नहीं किया जो राजनीति में होता नहीं होअकाली भी भिंडरावाले की मदद लेकर कांग्रेस को पीटने का खेल एक हद तक चला सकते थे और वह उन्होंने चलाया भी लेकिन मूर्खता हुई कि उन्होंने खेल की सीमाएं नहीं पहचानीं... दूसरी बात यह है कि भिंडरावाले को अगर कांग्रेस कभी हाथ न लगाती तो भी आज या पांच साल बाद एक आतंकवादी आंदोलन का जन्म पंजाब में होना ही था (''जोखिम भरे समुद्र के कुछ पार आया जहाज, 'नभाटा15 जुलाई1984). क्या शानदार तर्क है. माथुर साहब को पता है कि पांच साल बाद पंजाब में आतंकवाद उभरना ही था इसलिए उनकी राय में कांग्रेस ने इस काम को जल्दी कराकर अच्छा ही किया। अपनी इस थीसिस के पक्ष में तमाम उल्टे-सीधे  तर्क देते हुए वह आगे फरमाते है-''यह कहना कोई माने नहीं रखता कि जैलसिंह अगर गृहमंत्री के रूप में भिंडरावाले को दिल्ली में गिरफ्तार कर लेतेया दरबारा सिंह उन्हें चौक मेहता का संत ही बने रहने देते तो बाद की घटनाएं नहीं घटतीं. इस शाखा के लोग यह भी मानते हैं कि अगर पाकिस्तान का बंटवारा साल भर टल जाता तो पाकिस्तान कभी बनता ही नहींक्योंकि जिन्ना टी.बी. से 1948 में मरने ही वाले थे।''

    राजेन्द्र माथुर पंजाब समस्या को उलझाने में कांग्रेसियों और सरकार के योगदान से अच्छी तरह परिचित हैउन पर कड़वी-मीठी टिप्पणियां भी करते हैं पर इंदिरा-नेहरू सल्तनत से इतने आक्रांत हैं कि उनकी आंखों पर एक पट्टा हमेशा बंधा रहता है। श्रीमती गांधी की इस चतुर रणनीति से वह हमेशा अभिभूत रहे कि वह 'बाघिन की प्रस्तर प्रतिमा की तरह वर्षों खड़े रहने के बाद बाघ की तरह झपट पड़ती हैं और फिर प्रतिमा बन जाती हैं।'श्रीमती गांधी की प्रशंसा में उन्होंने विरुदावलियां रचीं और अपने लंबे-चौड़े लेखों में जगह-जगह टांकते हुए अपनी भक्ति का प्रदर्शन किया। इन पंक्तियों पर गौर करें--''न्यूयार्क के समुद्र में जेसे स्वाधीनता की महिला मूर्ति खड़ी है उसी तरह भारतीय राष्ट्र-राज्य के जोखिम भरे समुद्र में इंदिरा गांधी एक मूर्ति की तरह खड़ी रहती हैं. समुद्र का पानी चढ़ता जाता है लेकिन वे कुछ नहीं करतींमहानगर बर्बाद होने लगते हैंलोग त्राहिमाम करके भागने लगते हैंलेकिन वे कुछ नहीं करतींकुछ लोग कहने लगते हैं कि इस बार प्रलय होकर रहेगीऔर हम सब श्रीमती गांधी के साथ डूब मरेंगेदूसरे लोग कहते हैं कि प्रलय के पहले ही श्रीमती गांधी जरूर कोई चमत्कार करेंगी। उनके होते हम डूब कैसे सकते हैं?  इस तरह बहस चलती रहती है। लेकिन श्रीमती गांधी का स्टैचू तब तक हरकत में नहीं आताजब तक पानी गले के ऊपर न चढ़ने लगेफिर क्या होता हैयह हम सब जानते हैं यह कहना मूर्खतापूर्ण है कि यह सब श्रीमती गांधी का षड्यंत्र है और वे जान-बूझकर बार-बार प्रलय को निमंत्रित करती रहती हैं'' ('जोखिम भरे समुद्र के कुछ पार आया जहाज, '15 जुलाई1984 नभाटा)

    भक्ति रस की यह अजस्र सलिला पं. नेहरू और इंदिरा गांधी से होती हुई राजीव गांधी के पांव पखारने के लिए उमड़ पड़ती है। ''राजीव गांधी को ईश्वर हजार साल की उम्र दे क्योंकि राजीव गांधी सिर्फ प्रधानमंत्री  नहीं हैंवे भारत की एकता के युद्ध के प्रधान सेनापति भी हैं।'' ('एक डरावने सप्ताह की प्रतिक्रिया में', नभाटा 5 अक्टूबर1986)      

    राजेन्द्र माथुर बोफोर्स और फेयरफेक्स कांडों के साथ राजीव गांधी के संबद्ध होने के विरोध में लगातार दलीलें देते रहे पर एक सीमा के बाद उन्होंने भी मान लिया कि-''बच्चन बंधुओं के प्रति वफादारी के कारण ही राजीव सफाई से बच रहे हैं यह मानना बचकाना होगा खुद अपने से संबंधित कोई सच्चाई वे ढांपना चाह रहे हैं'' ('सी.आई.ए. के साये और शिखर पुरुषों का अर्धसत्य,' नभाटाअप्रैल87)। राजेन्द्र माथुर को लगा कि 1985 के राजीव गांधी की मूर्ति 1987 तक खंडित हो गयी. 1985 के राजीव के बारे में उन्होंने एक मिथ तैयार किया था. उनका कहना था--''जैसे समुद्र मंथन से अमृत और विष तथा रत्नादि उपजे थेउसी तरह 1967 के समुद्र मंथन से भारत में गरल-सुधामय इंदिरा गांधी का आविर्भाव हुआ. उन्होंने 1967 के तूफानों को सत्रह साल थामे रखा लेकिन वह मंथन खत्म नहीं हुआ... गरल सुधामय इंदिरा गांधी ने 1974 के बाद गरल का अनुपात जरूरत से ज्यादा बढ़ा दिया... राजीव गांधी यदि 1985 में बहुत सफल हुए थेतो इसका कारण यह था कि गरल-सुधा का पुराना अनुपात उन्होंने बिल्कुल उल्टा कर दिया।'' ('कांग्रेस का ध्वंस हमें 1946 में लौटा देगा,'  नभाटा29 अप्रैल1987)

    हमें यह नहीं पता कि राजीव गांधी ने गरल-सुधा का कौन सा अनुपात ग्रहण किया और गच्चा खा गये या उबर गये.  हमारे सामने रक्षा सौदों की खरीद में दलाली के कुछ मामले आये और इनका रहस्योद्घाटन किसी अमरीकी, रूसी या इजरायली खुफिया एजेंसी ने नहीं बल्कि देश के रक्षामंत्री ने किया. हमारे लिए यह चिंता का विषय है. सारे देश में इस पर चर्चा हो रही है. लोग सर्वोच्च स्तर पर घटित इस भ्रष्टाचार के खिलाफ रोष व्यक्त कर रहे हैं पर इस बारे में 41 वर्षों से निकल रहे और 'प्रादेशिक हिंदी राजधानियों में सबसे ज्यादा संस्करणवाले इस अखबार के राष्ट्रवादी संपादक का दृष्टिकोण क्या है जरा इस पर गौर करें--''भ्रष्टाचार का नाम सुनते ही पवित्र क्रोध से भर जाने वाले लोगों को यह सुनकर बुरा लगेगा कि उनका क्रोध भी एक पश्चिमी चीज है जो इस देश ने अभी सौ-डेढ़ सौ सालों में सीखी हैऔर जो खून में पूरी तरह उतरी नहीं है. यदि भगवान राम से लेकर राजा विक्रमादित्य तक अनेक नाम पत्थर की तरह मेरी ओर न फेंके जायंतो निवेदन करना जरूरी है कि अपने बटुए और सरकारी बटुए में फर्क है और दोनों को गड्डमगड्ड करना अपराध है. यह अवधारणा ही भारत के लोगों के लिए जरा नयी है. राजा हमारे यहां उस व्यक्ति को कहते थे जिसके पास शस्त्र बल के कारण लूट की मोनोपोली होऔर राजा की नौकरी में जो भी लग जाता था वह राज्य का उपलुटेरा होता था फिर चाहे वह अदना सिपाहीपटवारी ही क्यों न हो सरकारी नौकरी के प्रति भारत के मध्यम वर्ग के आकर्षण का कारण यह रहा है कि टूटी-फूटी कुर्सी भी हमें उपराजा का दर्जा दे देती हैऔर उसके साथ लूट की छोटी-मोटी सुविधाएं भी.''( 'लूटतंत्र को जिम्मेदार बनाने का अभियाननभाटा21अप्रैल 1987).

    यदि अखबार सचमुच जनमत तैयार करते हैं तो उपरोक्त पंक्तियों के जरिए राजेन्द्र माथुर किस तरह का जनमत तैयार करना चाहते हैंक्या भ्रष्टाचार के पक्ष में?  इसी लेख में उन्होंने फरमाया है-''जो लोग भ्रष्टाचार से बहुत नाराज हैं और मानते हैं कि एक भ्रष्ट सरकार को तुरंत इस्तीफा दे देना चाहिएउनसे हमारी पूरी हमदर्दी है... लेकिन एक बात हम पूछना चाहेंगे. कांग्रेस के जो 413 लोकसभा सदस्य आजकल सदन में हैंउन्हें जब पार्टी का हाईकमान चुनाव लड़ने के लिए अटैचियां भर-भर कर करेंसी नोट देता है तब क्या वे अपने नेता से पूछते हैं कि यह पैसा कहां से आयावह काला है या सफेद हैनैतिक है या अनैतिकक्या वे इतने भोले हैं कि इस सारे धन को कांग्रेस दफ्तर में लगे कल्पवृक्ष से टपका हुआ समझते हैं?  क्या भारत के कानून में ऐसा साफ नहीं लिखा है कि चोरी का माल अपने घर लाना भी एक अपराध है?''

    20 अप्रैल1987  को 'राष्ट्रपति पुनर्निर्वाचन पर पाबंदीशीर्षक संपादकीय में भ्रष्टाचार के पक्ष में दलील देते हुए विद्वान संपादक ने कहा है कि--''लोकतंत्र इस बात का प्रबंध कर सकता है कि भ्रष्टाचार यदि होना ही है तो वह भी जनता से जुड़ा और उसे लाभ पहुंचाने वाला सिद्ध हो जब विनोबा भावे ने पच्चीस साल पहले भ्रष्टाचार को शिष्टाचार कहा था तब वे कोई व्यंग्य नहीं कर रहे थे.  वे गंभीरतापूर्वक कह रहे थे कि जो भ्रष्टाचार समाज स्वीकृत है उसे शिष्टाचार ही क्यों न मान लिया जाए.''

    भ्रष्टाचार के प्रति, खासतौर से कांग्रेसियों द्वारा किये जा रहे भ्रष्टाचार के प्रति, हमदर्दी राजेन्द्र माथुर के संदर्भ में नयी बात नहीं है. 'तेलुगु देशमके नेता एन.टी.रामाराव ने फरवरी1984 में जब अपने श्रममंत्री  रामचंद्र राव को घूस लेते रंगे हाथों पकड़ा और भ्रष्टाचार के खिलाफ अभियान छेड़ा तो राजेंद्र माथुर की आत्मा प्रसन्न हो गयी पर वी.पी.सिंह अगर भ्रष्टाचार के खिलाफ राजीव सरकार के विरुद्ध अभियान छेड़ते हैं तो यह संपादक भ्रष्टाचार के पक्ष में दुनियाभर के तर्क जुटाने लगता है. अब से तीन वर्ष पूर्व एक बार कांग्रेस के व्यापक भ्रष्टाचार का जिक्र करते हुए माथुर ने लिखा था--''...चंबल के डाकुओं काबिहार की जातियों काबंबई के तस्करों काकरोड़पति की तिजोरियों का इस्तेमाल उसने (कांग्रेस) किया... राजनीति में बहुत कुछ ऐसा हो रहा हैजो निश्चय ही नहीं होना चाहिए पर राजनीति का कायाकल्प भी एक अखिल भारतीय मुद्दा हैजिससे अलग से निपटना होगा'' ('जोखिम भरे समुद्र के कुछ पारआया जहाज', नभाटा15 जुलाई1984)

    जैसे-जैसे हथियारों की दलाली का मामला परत-दर-परत उधड़ता चला गयाराजेंद्र माथुर की मजबूरी हो गयी राजीव गांधी के खिलाफ लिखने की. पर अपने लेखन में वह बराबर इस बात पर ध्यान रखते रहे कि उनकी लेखनी कहीं कांग्रेस को कमजोर न बना दे वरना 'भारत राष्ट्र-राज्यही बिखर जायेगा. विचारों की कांग्रेसी पोशाक पहने इस हिंदू आत्मा ने भारत राष्ट्र-राज्य का गोया ठेका ले रखा हो. जून और जुलाई भर राजेंद्र माथुर ने अंततः राजीव गांधी के खिलाफ केवल लिखा ही नहींगालियां भी दीं. बानगी प्रस्तुत है--

    1. ''राजीव गांधी के पिछले छः महीने बहुत घटियागंदे और बेईमान गुजरे हैं. एक हिरनौटी मासूमियत के साथ देश के प्रधानमंत्री बने थे और अपना पहला साल उन्होंने इंदिरा गांधी के जमाने के तनावोंउलझनों और विकृतियों को सीधा करने में बिताया था. लेकिन उस आदमी के साथ दिक्कत यह रही कि उसने अपने हिरनौटियेपन की मासूम ऊर्जा को भी नहीं पहचाना अपनी अच्छाइयां भी उसने चमड़े की तरह नहीं कोट की तरह पहनीं वे उसके लिए यकीन का विषय नहीं रही बल्कि छवि फरोशी का विषय बन गयीं. सीधापननेकनीयत,मृदुमुस्कान बिकती है इसलिए बेचोनहीं बिकती तो और किसी प्रोडक्ट मिक्स की तलाश करो जो बिक सके. राष्ट्रपति के बारे में सवाल पूछा जाय तो अपने यकीन की गहराइयों में टटोलने के बजाय या संविधान की गहराइयों का जायजा लेने के बजाय एक जुमला फेंक दोजो तत्काल गुदगुदी कर सके और आगे बढ़ जाओ.''('कांग्रेस अब राजीव का पर्याय नहीं हो सकती,नभाटा21 जून 1987).

    2. ''क्या राजीव गांधी 1985 के समझौतों को सही और सार्थक सिद्ध करने के लिए 1990 के विधान सभा चुनावों में कांग्रेस को जितवा सकते हैक्या रक्षा सौदों के कारण अपनी विश्वसनीयता खो चुकने के बाद घायल और लहू-लुहान राजीव गांधी इस काम के काबिल रह गये हैं?... जब भारत की राजनीति राजीव गांधी को अप्रासंगिक बना कर संस्थागत स्तंभों पर कई वर्षों तक सहज चलती नजर आयेगीतभी इस बात का विश्वास किया जा सकेगा कि एक पारिवारिक प्रेत से अंततः हमने मुक्ति पा ली है।''('कांग्रेस का ध्वंस हमें 1946 में लौटा देगा', नभाटा29 अप्रैल 1987 )

    3. ''राजीव गांधी यदि पिछले छह महीनों से रसातल की ओर रड़क रहे हैं तो इसका कारण यह है कि एक सीधेसहजनिष्कपट एयरलाइंस पायलट की तरह भारत पर राज करने का उनमें साहस ही नहीं है. तलघर में पहुंच कर वे संजय गांधी और इंदिरा गांधी बनना चाहते हैं और मंच पर बैठ कर वे जवाहरलाल नेहरू की तरह मुस्कराना चाहते हैं. वे अस्वस्थ हैं क्योंकि स्वयं में स्थिर नहीं हैं... स्वस्थ होना बहुत मुश्किल चीज है और पब्लिक स्कूलों का सारा माहौल जिद करता है कि आप स्वस्थ चाहे न हों पर सफल जरूर हों एक्जीक्यूटिव दाल रोटी प्राप्त करने तक यह फार्मूला ठीक है लेकिन जैसे ही आप साबुन-तेल बेचने वाली व्यावसायिकता से ऊपर उठते हैं, उसका कोई मतलब ही नहीं रहता इसी कारण राजीव गांधी आज अस्वस्थ भी हैं और असफल भी.'' ('जैलसिंह को रोकने वाले दो फैसले,' नभाटा28 जून '1987 ).

    4. ''तस्वीर अब यह है कि नेता के रूप में राजीव गांधी की विश्वसनीयता लगभग समाप्त हो चुकी है. अपने ही कर्मों से वे घायल और लहूलुहान हैं... एक लंगड़े नेता की तरह राजीव गांधी बहुत दिनों तक कांग्रेस पार्टी के सिर और नहीं रह सकते. कौन समझदार पार्टी दिसंबर1989 में होने वाले लोकसभा चुनाव को एक अपाहिज नेता के तत्वावधान में लड़ना पसंद करेगी?'' ('क्या राजीव की विश्वसनीयता लौट सकती है?' नभाटा).

    5. ''राजीव गांधी कुछ दिन या काफी दिन प्रधानमंत्री बने रह सकते हैं लेकिन इस हिंदुस्तान में कोई भी सार्थक काम करने की उनकी क्षमता समाप्त हो चुकी है... कांग्रेस के हर गलत और सही नेता के पास आज राजीव को ब्लैकमेल करने की ताकत है। यह ब्लैकमेल अगले ढाई साल तक उन्हें बंधी मुश्कों वाला प्रधानमंत्री बनाये रखेगा... मुश्कें खोल कर राजीव गांधी आजाद होंइसके लिए जरूरी है कि वे विश्वनाथ प्रताप सिंह से ज्यादा बड़े नजर आयें और साबित करें कि कांग्रेस को एक सात्विक और पुण्यवान पार्टी बनाने का काम वे मांडा के राजा से बेहतर कर सकते हैं। लेकिन इस मामले में वे सारी गाड़ियां बुरी तरह चूक गये हैं और एक ऐसे प्लेटफार्म पर लोहे का बक्सा ले कर खडे़ हैं जिस पर अब कोई रेल नहीं आयेगी... दस टन का पत्थर अपने गले में लटकाने वाले राजीव में ऐसे कौन से सुरखाव के पर लगे हैं कि देश अपने उद्धार के लिए उन्हीं की ओर टकटकी लगाये देखता रहे... क्या यह देश इतना अपाहिज हो गया है कि एक नैतिक तहखाने में अपने कर्मों की बेड़ियों से जूझते कैदी के अलावा उसे कोई नेता ही नहीं मिल पा रहा।'' ('सिंहासन खाली हो चुका है,'नभाटा 21 जुलाई1987).

    उपरोक्त उदाहरणों की रोशनी में क्या माथुर साहब ऐसे प्रधानमंत्री को हटाने के पक्ष में हैं जो 'अपनी विश्वसनीयता खो चुकने के बाद घायल और लहूलुहान पड़ा है।'जो मानसिक रूप से 'अस्वस्थ और असफलहैजो आगामी चुनाव की दृष्टि से 'लंगड़ा और अपाहिजहो चुका है और जो एक-'नैतिक तहखाने में पड़ा अपने कर्मों की बेड़ियों से जूझता कैदी है?' उनका सवाल बहुत वाजिब है कि क्या सचमुच देश अपाहिज हो गया है कि उसे कोई और नेता नहीं मिल पा रहा क्या एक भ्रष्ट प्रधानमंत्री का बने रहना उचित हैक्या एक 'पारिवारिक प्रेतसे माथुर साहब सचमुच मुक्ति चाहते हैं?

    जवाब है--कतई नहीं उनको लगता है कि यदि ऐसा हुआ तो यह राष्ट्र-राज्य बिखर जायेगा पत्रकार कमर वहीद नकवी से एक बातचीत में उन्होंने कहा कि ''मेरी निगाह में भारत में सबसे जिम्मेदारी और सबसे गंभीर चुनौती का काम अगर कोई है तो वह इस राष्ट्र-राज्य को कायम रखने की है। इस गुरु गंभीर काम की तुलना में मेरी राय में सारे काम छोटे हैं. इसलिए अगर आप मुझसे पूछें कि भ्रष्टाचार इस देश का नंबर वन प्रश्न है तो मैं कहूंगा कि वह नहीं है. सबसे बड़ा प्रश्न भारत में यह है कि जो लोग इस देश के मालिक बन चुके हैं उन सबके निहित स्वार्थों को ज्यादा कैसे 'एडजस्टकिया जाये ताकि यह देश चल सके." ('चौथी दुनियामें प्रकाशित भेंटवार्ता19—25 अप्रैल, 1987). इस भेंट वार्ता में उन्होंने कहा कि इस राष्ट्र-राज्य को कायम रखने के लिए भ्रष्टाचार को बर्दाश्त किया जा सकता है. अब माथुर साहब को कौन बताये कि अपाहिज यह राष्ट्र नहीं है बल्कि उन जैसे पत्रकारों की मानसिकता है जो किसी विकल्प के बारे में सोच भी नहीं सकती.

    दरअसल माथुर साहब को लगता है कि यदि कांग्रेस के अस्तित्व पर संकट आता है तो इस संकट की परिधि में समूचा देश आ जायेगा.  जब वह कहते हैं कि--''एक अखिल भारतीय पार्टी के रूप में कांग्रेस का जीवित रहना सिर्फ राजीव गांधी का क्षुद्र स्वार्थ नहीं है. वह भारत की राष्ट्रीयता की एक गारंटी है.'' (संपादकीय 13 जनवरी 1987) या यह कि "यदि कांग्रेस नामक अखिल भारतीय पार्टी का अस्तित्व ही लगभग न बचे, तो हो सकता है कि हमें अपने संसदीय तंत्र को समाप्त कर एक राष्ट्रपति तंत्र कायम करना पड़े ताकि सारे देश से बांधे रखने वाला एक सर्वसम्मत महानायक हम मतदान से खोज सकें,"  (नभाटाअक्टूबर1986) तो उनके मन में न तो कोई खोट है और न कोई निहित स्वार्थ. यह मानते हुए भी कि 'कांग्रेस की शरारतें सिर्फ अकाली दल को परेशान करने के लिए ईजाद नहीं की गयी थींदल-बदल और राष्ट्रपति शासन द्वारा विरोधी सरकारों को उलटना कांग्रेस की अखिल भारतीय कुटेव थीं('अंधी गली से निकलने का अवसर', सितंबर 1985) तो राजेंद्र माथुर कांग्रेस को मजबूत करना चाहते हैं. यह उनकी विचारधारात्मक गड़बड़ी है. दलाली नहीं अगर इसे दलाली कहें भी तो उसके पीछे कोई निजी स्वार्थ नहीं है. मैं एक बार फिर कहना चाहूंगा कि उनके हिंदूवादी मन में यह धारणा निरंतर पुष्ट होती गयी है कि मौजूदा संदर्भ में कांग्रेस ही (अगर अपने में थोड़ा और सुधार कर ले तो) भारत में हिंदू हितों की रक्षा कर सकती है। समय-समय पर उन्होंने अपने लेखों और संपादकीयों में अपने हिंदू मन की पीड़ा को व्यक्त किया है--कभी खुल कर तो कभी एक प्रगतिशील मुलम्मे के साथ. हिंदू राष्ट्रवाद से अलग किसी ज्वार की वह कल्पना भी नहीं कर सकते-- ''जब तक देश आपके लिए एक उन्मादएक दीवानगीएक बावलापन नहीं, तब तक वह देश आपका हो नहीं सकता. लेकिन भारत का किस्सा यह है कि कई और बावले शौक भी हमने पाले हुए हैं और उन सबके ऊपर एक सर्वोपरिसार्वभौम राष्ट्रोन्माद हम पालना चाहते हैं. सैकड़ों विरोधी उप आधारों को समाहित करती एक मुख्यधाराएक ज्वारएक प्रलय! राष्ट्रवाद के इस ज्वार की अस्सी प्रतिशत जलराशि यदि हिंदू हैतो इसका कोई इलाज नहीं हैक्योंकि किसी भी नुस्खे या मुक्ति से भारत में राष्ट्रवाद का ऐसा ज्वार नहीं खड़ा किया जा सकताजिसका अधिकांश गैर हिंदू हो।'' (नभाटा)

    देश में अगर हिंदूवाद बढ़ता है तो बकौल राजेंद्र माथुर इससे घबराने की बात नहीं है अपने एक लंबे लेख 'सौ बरस और एक खोई हुई कड़ी(27 दिसंबर,1985) में उन्होंने हमें यह जानकारी दी कि आंध्र  प्रदेश में एन.टी.रामाराव की और असम में गण परिषद की जीत वस्तुतः जनसंघ की जीत है. इसी प्रकार तमिलनाडु में एम.जी.रामचंद्रन का बने रहना भी हिंदू मानसिकता की ही जीत है. "आंध्र में एक नेता संन्यासी के वस्त्र पहन करधर्म के रथ पर चढ़ करराम और कृष्ण के रजत पर विश्व को ठोस जमीन पर उतारने का वायदा करते हुए जन-आंदोलन का सूत्रपात करेयह आंध्र के प्रादेशिक धरातल पर जनसंघ की सफलता है।''

    राजेंद्र माथुर के सूत्रों का प्रायः भाष्य प्रस्तुत करते हैं सूर्यकांत बाली जिनके 'बेबाक विश्लेषणोंको आए दिन नवभारत टाइम्स के संपादकीय पृष्ठ पर प्रकाशित किया जाता है. उनका कहना है कि "(हिंदू) अपनी कमजोरियोंबुराइयों और संकीर्णताओं पर भारी से भारी हमला करने की छूट भी देता है. वह उस हमले का स्वागत ही नहीं करता प्रोत्साहित भी करता है... एक अटल सत्य है कि हिंदू इस देश में आम सहमति का नाम है.'' ('आक्रामकता नहीं बन सकती हिंदू की पहचान', सूर्यकांत बालीनभाटा19 जून1986). इसी लेख में लेखक ने हिंदू संगठनों की शिकायत बतायी है कि--''सरकार को सांप सूंघ जाता है पर मुसलमानों की मस्जिदों या सिखों के गुरूद्वारों के मामले में सरकार हमेशा सतर्क और सहायक रहती है।"राजेन्द्र माथुर की तरह सूर्यकांत बाली भी मानते हैं कि ''जिस देश की पचासी प्रतिशत जनता हिंदू होउस देश की समझ पालने के लिए हिंदू को लताड़ करनकार कर या भुला कर आप आगे बढ़ ही नहीं सकते।'' ("हिंदुत्व को समझना जरूरी है'', सूर्यकांत बालीसितंबर86). इसी लेख में हिंदुओं के त्रिशूल धारण करने के पक्ष में दलील देते हुए कहा गया है कि ''आज देश के हिंदू को त्रिशूल धारण करने में  अपना मोक्ष दिखाई देने लगा है जो इस बात का सीधा-साधा प्रतीक है कि उसका विकास ठीक नहीं हुआउसके व्यक्तित्व को ठीक संवारा नहीं गयाउसे सिर्फ गालियां सुनायी गयी हैं. इसलिए वह गली के आवारा बच्चों की संगत में पड़ कर चाकूबाज बनने के फेर में पड़ गया है, गली का दादा बनना चाह रहा है. जरा कल्पना करिये कि अगर मोहल्ले के सौ में से पचासी लोग दादा किस्म के हों तो कैसा लगेगाआंतरिक कारण यह है कि अपनी तमाम ऐतिहासिक कुप्रथाओं के बावजूद हिंदुत्व के स्वभाव और जीवन दर्शन में आज भी वह धारा अखंड रूप से प्रवाहित हो रही है जिसे समन्वय की आधारभूत धारा माना जा सकता है इसलिए देश में हिंदुत्व कोउसकी समन्वय भावना कोउसकी जीवन-धारा कोउसके तमाम दर्शन को रचनात्मक दृष्टि से समझनाऔर संवारना बेहद जरूरी है।''

    राजेन्द्र माथुर की हिंदूवादी ग्रंथि कई पेचों से भरी है और यह एक अलग लेख का विषय है. फिलहाल उनकी इस चेतावनी से हम यह प्रसंग समाप्त करते हैं--''पंजाब में पांच साल से जो चल रहा हैवह निश्चय ही बीसवीं सदी का सबसे अकारण, ऊलजलूल और पागल सिलसिला है.  पांच साल के धैर्य के बाद अब उसके खिलाफ एक हिंदू आंधी उठा चाहती है. यह आंधी सफल हुई तो देश ईरान बन जायेगा और असफल हुई तो देश सड़ते खून के अनगिनत पोखरों में बंट जायेगा.'' ('अब नरमी ले डूबेगी,' संपादकीय नभाटा11 अगस्त86 )

    1980  में कंपूचिया के प्रश्न पर जब भूटान ने भारत से भिन्न अपना स्वतंत्र निर्णय लिया और जनवादी कंपूचिया को मान्यता दी तो श्रीमती गांधी बौखला उठीं और उन्होंने दर्जनों सभाओं में यह बात कही कि 'भूटान जैसा छोटा देश आज हमें आंखे दिखा रहा है। यह उग्रराष्ट्रवाद जो क्षेत्रफल और आबादी के आधार पर किसी देश की संप्रभुता को मान्यता देता है,  अपनी रक्षा के नाम पर आक्रामक रुख अख्तियार करते हुए किसी भी समय छोटे देश की संप्रभुता को अपना ग्रास बना लेता है. राजेन्द्र माथुर इसी तरह के उग्र राष्ट्रवाद के शिकार हैं और इसकी थीसिस को अपने अखबार में उन्होंने प्रायः स्थान दिया है.  हाल ही में श्रीलंका में भारत के हस्तक्षेप पर 'नवभारत टाइम्सका जो रवैया रहाउसे हर दृष्टि से उग्रवादी और साम्राज्यवादी ही कहा जायेगा. श्री माथुर ने 3 अगस्त1983 को ही अपने संपादकीय में लिखा था कि भारत को श्रीलंका में 'नरमी और अदब के साथ'हस्तक्षेप करना चाहिए'.

    30 जुलाई, 1987 को राजीव-जयवर्धने के बीच समझौता हुआ और भारतीय सेना ने श्रीलंका में प्रवेश किया. इस समझौते के खिलाफ थे श्रीलंका के प्रधानमंत्री, विदेशमंत्री और रक्षामंत्री. समझौते से क्षुब्ध हो कर एक सिंहली सैनिक ने राजीव गांधी पर हमला किया पर राजेन्द्र माथुर ने "बांग्लादेश के बाद सबसे बड़ी घटना"शीर्षक से पहले पृष्ठ पर ही एक संपादकीय लिख मारा. इसमें उन्होंने लिखा कि "भारत से बचने की कोई गली श्रीलंका को उपलब्ध ही नहीं है."   

    श्रीलंका समझौते से पूर्व राजेन्द्र माथुर ने कई लेख अपने अखबार में प्रकाशित किये जिनका उद्देश्य एक आक्रामक राष्ट्रवाद के पक्ष में मानसिकता तैयार करना था। 'भारत के महाशक्ति होने का अर्थ(सूर्यकांत बाली13 जून '1987) शीर्षक इस लेख में दुःख प्रकट किया गया है कि आज नेपालश्रीलंका और पाकिस्तान भारत के अंग नहीं हैं,  इसमें कहा गया है कि--'अगर नेपाल या श्रीलंका या भूटान को कोई विदेशी शक्ति वहां पहुंच कर हथिया ले तो भारत सुरक्षित नहीं है ये सब देश संप्रभु हैं पर भारत इन सबसे ज्यादा संप्रभु है. भारत की संप्रभुता इनकी संप्रभुता के कारण खतरे में नहीं डाली जा सकती. मोहम्मद गोरी से पराजित हो रहे पृथ्वीराज चौहान को देखने और इंतजार करने की मूर्खता जयचंद ही कर सकता था. इसी महाशक्ति दृष्टि के अभाव का परिणाम है कि भारत ने तिब्बत चीन के हवाले कर अपनी उत्तरी सीमा खतरे में डाल दी बर्मा को उसके हाल पर छोड़ उत्तर पूर्व को संकटग्रस्त कर दिया, डिएगो गार्शिया में अमरीकी अड्डे बनने दे कर या त्रिंकोमाली में उसकी उपस्थिति सहन कर अपनी दक्षिण सीमा कमजोर कर दी और पाकिस्तान को शक्तिशाली बनाने का मौका देकर पश्चिमी सीमा को लगातार आक्रमणग्रस्त बना ही रखा है।''

    अपनी संप्रभुता को दूसरे देश की संप्रभुता से श्रेष्ठ मानने वालों को क्या कहेंगेयह एक फासिस्ट मानसिकता है जिसे इस अखबार के जरिए प्रचारित किया जा रहा है। श्रीलंका में भारतीय सेना इसीलिए तैनात है कि समझौते के खिलाफ उस देश की जनता चूं भी न कर सके। माथुर साहब लिखते हैं--''दरअसल कोलम्बो समझौते का एक निहितार्थ यह भी है कि जयवर्धने के खिलाफ कोई सैनिक तख्तापलट भारत होने ही नहीं देगा.''  भारतीय शासकों का कहना है कि ''श्रीलंका में हमारी सेना तबतक रहेगी जब तक उसकी वहां जरूरत है.'' हर आक्रामक देश इसी तरह के बयान देता है--अफगानिस्तान में भी रूसी सेना यही कहती है. सर से पांव तक कम्युनिस्ट विरोधी होने के कारण राजेंद्र माथुर अफगानिस्तान से भी रूसी सेना की मौजूदगी पर तो लंबे लंबे संपादकीय लिख देते हैं पर श्रीलंका के संदर्भ में बड़ी बेशर्मी के साथ वह लिखते हैं-- ''श्रीलंका की किस्मत संवारने के लिए जैसा रचनात्मक दखल भारत ने दिया है,  वैसा 1947 के बाद भारत ने इस उपमहाद्वीप में और कहीं नहीं दिया।''

    राजेंद्र माथुर के 2 अगस्त1947 के संपादकीय के स्वर में जो उद्दंडता है वह तो हमलावर सेना के किसी सेनापति को भी मात कर देगीः "यदि कोई सुदृढ़ भारत विरोधी सरकार कोलंबो में कायम हुई... और उसने मांग की कि भारत बिना शर्त बोरिया बिस्तर बांध कर श्रीलंका के बाहर निकल जाय तो नरसंहार पर आमादा इस सरकार की दया पर तमिल आबादी को छोड़कर क्या हम लौट आयेंगेहम नहीं लौटेंगे. उत्तर और पूर्व श्रीलंका में हम बने रहेंगे और इस बने रहने से श्रीलंका का व्यावहारिक बंटवारा हो जायेगाक्योंकि भारत को हटाने का काम कोई सरकार नहीं कर सकती."माथुर साहब की इन पंक्तियों को पढ़ते समय ऐसा लगता है जैसे केाई विदूषक रंगमंच पर तलवार भांज रहा हो. राजीव गांधी के विदेश और रक्षा सचिव को भी इतना जोश नहीं आया होगा जितना माथुर की काया और लेखनी में उछाहें भर रहा है। वह आगे लिखते हैं -- "इन सारी स्थितियों में भारत का जिम्मा यह होगा कि हम तमिल उग्रवादियों की बाहें मरोड़ें'' या ''हमें आशा करनी चाहिए कि वह अशुभ दिन (जब कोलम्बो सरकार समझौते से इनकार कर दे) कभी आयेगा ही नहीं. लेकिन वह आया तो भारत की भू-राजनैतिक हैसियत कम करने वाली कोई बात हम श्रीलंका में नहीं होने दे सकते।''

    श्रीलंका के प्रसंग ने राजेंद्र माथुर के चेहरे से छद्म प्रगतिशीलता की नकाब उतार कर फेंक दी।

    हिंदी पत्रकारिता संदर्भ राजेन्द्र माथुर.docx
    55K View as HTML Download

    0 0





    3:00 PM

    10th April 2015


    Let us close down these courts and let them gun down all who do wrong or seem to do wrong. And while we do this let us also declare that we are no democracy and that guns govern the law.








    9582671784, 9643349452

    0 0

    Bhimayana, is a graphic novella on the life of Dr. B.R. Ambedkar (1891-1956) in Gond Pardhan style artwork.Book Cover - Bhimayana..... please enable image to see book cover
    On this 124th AMBEDKAR JAYANTI, PitaraKART offers Bhimayanaat a 50% special price from 10th to 15th  April, 2015.
    (Cover Price Rs 210/-, Special Offer Price Rs 105/-)
    Based on excerpts from his book Waiting for a Visa
    Bhimayana juxtaposes Ambedkar's experiences of growing up as an untouchable and facing discrimination with facts and news clippings of atrocities on dalits happening even today.
    An eye-opener as well as a visual treat, Bhimayana has been vividly illustrated by Durgabai and Subhash Vyam – acclaimed Gond Pardhan style artists from Mandla, MP.
    To avail the offer please visit or
    Pitara Team
    Eklavya | Tel: 0755-4030710 | |


older | 1 | .... | 70 | 71 | (Page 72) | 73 | 74 | .... | 303 | newer