Are you the publisher? Claim or contact us about this channel


Embed this content in your HTML

Search

Report adult content:

click to rate:

Account: (login)

More Channels


Channel Catalog


Channel Description:

This is my Real Life Story: Troubled Galaxy Destroyed Dreams. It is hightime that I should share my life with you all. So that something may be done to save this Galaxy. Please write to: bangasanskriti.sahityasammilani@gmail.comThis Blog is all about Black Untouchables,Indigenous, Aboriginal People worldwide, Refugees, Persecuted nationalities, Minorities and golbal RESISTANCE.

older | 1 | .... | 28 | 29 | (Page 30) | 31 | 32 | .... | 303 | newer

    0 0

    মূলনিবাসী কারা বহুজন কাদের বলা হয় শুদ্র কারা ? SC, ST রা কেন শুদ্র নয় এছাড়া ব্রাহ্মণরা DNA TEST হিসাবে বিদেশি কিভাবে ? দলিত কে বা কারা ? কেন ? দলিত শব্দ বললে কি হীন্‌ বা নীচ্‌ ভাব প্রকাশ করে, না গর্ব বোধ হয় ? এই শব্দটির  উদ্ভব কিভাবে হয়েছে ? বাবা সাহেব কি তাঁর লেখনি বা ভাষণে কোথাও এই শব্দের ব্যবহার করেছেন ? যদি না করে থাকেন তাহলে আমরা বাবা সাহেবের অনুনায়ী হয়ে এই শব্দটিকে কেন ব্যবহার করছি ? দলিত বলতে কাদের বোঝানো হয় ? এই শব্দের উৎপত্তি ও প্রচার কারা করল ? কেন করল ?
      ইত্যাদি প্রশ্নের সমাধান দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে এই লেখায় । 
    মূলনিবাসী বহুজন কারা  দলিত কে বা কারা কেন? 
              জগদীশ রায়    
       একটা শব্দ মূলনিাসী আর একটা শব্দ বহুজন । এই মুলনিবাসী বহুজন কারা এ সম্পর্কে জানতে হলে আমাদের stape by stape উপরে উঠতে হবে । অর্থাৎ  তফশিলি জাতি, তফশিলি উপজাতি কারাশুদ্র কারাবহুজন কারা আর মুলনিবাসী বহুজন কারা প্রথমে আমরা বহুজন শব্দের উৎপত্তি কিভাবে হয়েছে সে সম্পর্কে অলোচনা করছি ।এর মধ্যেই তফশিলি জাতি, তফশিলি উপজাতি কারাশুদ্র কারাএদের সম্পর্কে জানতে পারব ।এই যে বহুজন শব্দ বলা হয়েছে এটা এমনিতেই উৎপন্ন হয়নি । সমাজে যে অসমানতার ব্যাবস্থা  চলছে সেটা আমাদের বুঝতে হবে । এই অসমানতার ব্যাবস্থা vertical (খাঁড়া)এটা horizontal নয় । ক্রমিকভাবে সকলের উপরে ব্রাহ্মণ, তার নিচে ক্ষত্রিয়, তার নিচে  বৈশ্য আর তার নিচে শুদ্র । আর তফশিলি জাতি, তফশিলি উপজাতি বর্ন ব্যাবস্থার মধ্যে নেই । এরা out caste বর্ন বাহ্য । অর্থাৎ বর্নব্যাবস্থার বাইরে । এসব কথা সাধারণ লোক তো দূরের কথা , যারা সমাজ বিজ্ঞান পড়েন তাঁরাও জানেন না । কারণ এটা বিচার ধারার মামলা । তফশিলি জাতি(Scheduled Caste), তফশিলি উপজাতি(Scheduled Tribe), এদের বর্ন ব্যাবস্থার ভিতরে কোন পরিচয় নেই
             বাবা সাহেব আম্বেদকর এদের (SC, ST) জন্য ইংরেজি শব্দ OUT CASTE প্রয়োগ করেছেন - বর্ন ব্যাবস্থার বাইরের লোক । তো এই ভাবে যে মূলনিবাসী বহুজনরা আছেন এই বহুজন শব্দের সৃষ্টি হল কি করে ? এই যে যে, বহুজন শব্দ, এটা সংখ্যাবাচক শব্দ; এতে সংখ্যা আছে । কিন্তু এটা সংখ্যার উপর নির্ধারিত শব্দ নয় । এই যে যে, (Vertical) ব্যাবস্থা-এতে ব্রাহ্মণ লাভবান হয়েছে । তারা এই ব্যাবস্থার Beneficiary , ক্ষত্রিয় - Beneficiary আর বৈশ্যও - Beneficiary -- অর্থাৎ এই বর্ন ব্যাবস্থার এই তিন বর্নের লোকদেরই সব সুযোগ-সুবিধা করায়ত্ব । কিন্তু বর্ন ব্যাবস্থায় যে শুদ্র, এই শুদ্র কে ? যদি তফশিলি জাতি, তফশিলি উপজাতির লোকরা বর্ন ব্যাবস্থার বাইরের লোক হয় তাহলে বর্ন ব্যাবস্থার ভিতরে যে শুদ্র আছে তারা কারা ?
               বর্ন ব্যাবস্থার ভিতরে যে শুদ্র আছে, ব্রাহ্মণ ধর্ম অনুসারে তাঁরা আর কেউ নয় , তাঁরা O.B.C. (Other Backward Class)অর্থাৎ অন্য পশ্চাদপদ শ্রেণীর লোকেরাই বর্নব্যাবস্থায় শুদ্র বর্নের লোক ।
    অনেক তফশিলি জাতির লেখাপড়া শেখা লোক আছেন, এটা তাঁরা জানেনই না । আর অশিক্ষিতদের জানার তো প্রশ্নই আসে না । আমাদের লেখাপড়া শেখা তফশিলি জাতির লোকেরা নিজেদের শুদ্র বলেন ।  কিন্তু বাবা সাহেব এদের শুদ্র বলেননি । বাবা সাহেব আম্বেদকর এদের Out Caste বলেছেন । বর্ন বাহ্য বলেছেন । বর্নব্যাবস্থার বাইরের লোক বলেছেন । আর বর্ন ব্যাবস্থার মধ্যে যে শুদ্র; এটা O.B.C.দের যে বর্গ আছেন তারাই বর্নব্যাবস্থায় শুদ্র বর্নের লোক । তাই ব্রাহ্মণ ধর্মানুসারে O.B.C.-রাই শুদ্র বর্নের লোক ।
    আপনাদের একটা আসল কথা বলতে চাই- যেটা খুবই গুরুত্বপূর্ন কথা । যে মনুস্মৃতি আছে তাতে Out Caste লোকদের বিরুদ্ধে কিছু লেখা নেই । অর্থাৎ তফশিলি জতি তফশিলি উপজাতিদের বিরুদ্ধে কিছু লেখা নেই । সেখানে শুদ্রদের বিরুদ্ধে লেখা হয়েছে । এ কথাও আমাদের তফশিলি জাতি তফশিলি উপজাতির লেখাপড়া শেখা লোকদের জানার বাইরে । তফশিলি জাতি তফশিলি উপজাতির লেখাপড়া শেখা লোকেরা নিজেদের শুদ্র বলেন । এরা নিজেদের শুদ্র বলার ফলে O.B.C.-রা যারা প্রকৃত শুদ্র, তাঁরাও এই তফশিলি জাতি, তফশিলি উপজাতির লোকদের শুদ্র বলা শুরু করেছেন । এই সমস্ত গড়বড় তফশিলি জাতির লেখাপড়া লোকেরাই করেছেন । যার ফলে লোকদের জাগৃত করার কাজের মধ্যে একটা বড় সংকট খাঁড়া হয়েছে । তফশিলি জাতি, তফশিলি উপজাতির লোকেরা শুদ্রবর্নের নয় । ব্রাহ্মণ ধর্ম ব্যাবস্থা অনুসারে O.B.C.-রাই শুদ্র বর্নের লোক ।
           কারণ O.B.C. অর্থাৎ অন্য পেছনের বর্গের লোকদের মধ্যে কোন জাতির লোকদের ব্রাহ্মণ ধর্ম অনুসারে উপনয়ন সংস্কার (পৈতা) হয় না । মুসলমানদের মুসলমান হওয়ার জন্য সংস্কার (ছুন্নৎ হয়) । খ্রিস্টানদের খ্রিস্টান হওয়ার জন্য সংস্কার হয়, বুদ্ধিস্টদের বুদ্ধিস্ট হওয়ার জন্য সংস্কার হয়, শিখদের শিখ হওয়ার জন্য সংস্কার হয় । যদি O.B.C.-রা হিন্দু হন তাহলে হিন্দু হওয়ার জন্য উপনয়ন(পৈতা) সংস্কার হওয়া দরকার । কিন্তু সেটা হয় না । তাই O.B.C.-রাও হিন্দু নন । ব্রাহ্মণ ধর্ম অনুসারে O.B.C.-রা শুদ্র বর্নের লোক । এই বর্ন ব্যাবস্থায় যে অসমানতা সৃষ্টি করা হয়েছে তাতে সকলের নিচে O.B.C.-রা । আর একটা কথা - শুদ্রদের বিরুদ্ধে মনুস্মৃতিতে লিখিত আইন আছে । এটা সঠিকভাবে বুঝতে হবে । তফশিলি জাতি তফশিলি উপজাতির লোকেরা এটা জানে না  তার জন্যই সবথেকে বড় সমস্যার সৃষ্টি হয়েছে ।
    তফশিলি জাতি, তফশিলি উপজাতির লোকরা বর্ন ব্যাবস্থার বাইরের লোক । এঁদের বিরুদ্ধে 'বলা আইন' আছে । যে প্রদেশের যে জায়গায় যে বড় ব্রাহ্মণ আছে , সে যেটা বলবে সেটাই এঁদের (SC, ST) বিরুদ্ধে আইন । সেজন্য আলাদা আলাদা রাজ্যে, আলাদা জায়গায় অচ্ছুৎদের, আদিবাসীদের বিরুদ্ধে আলাদা আলাদা আইন দেখা যায় । যেটা আমাদের লোকদের সঠিক ধারণা নেই । শুদ্ররা (O.B.C.) মনুস্মৃতিতে লেখা আইনের শিকার । আর তফশীলী জাতি, তফশীলী উপজাতির লোকেরা হচ্ছে Out Caste. এঁরা মনুস্মৃতির Sprite of Manusmrity (মনুস্মৃতির ভাবনা)-এর শিকার । যার উপর ভিত্তি করে ব্রাহ্মণরা আলাদা আলাদা জায়গায় আমাদের বিরুদ্ধে ফয়সালা করে আমাদের প্রতারিত করে । আর এর জন্যই অর্থাৎ এই ব্রাহ্মণী ষড়যন্ত্রের জন্য আমাদের লোকেরা ধর্ম পরিবর্তন করে মুসলমান, শিখ, খ্রিস্টান, বুদ্ধিস্ট, জৈন হয়েছেন ।
    এই যে তফশীলী জাতি, তফশীলী উপজাতি, এবং O.B.C-এঁদের থেকে যারা ধর্মপরিবর্তন করেছেন, এই সব লোকদের সংখ্যা; এবং এঁরা ব্রাহ্মণী ব্যাবস্থার ফলে কেউ উপরে, কেউ তার নিচে, কেউ তার নিচে এই ক্রমিক খাঁড়া বর্ন ব্যাবস্থার শিকার লোকদের সংখ্যা হচ্ছে ৮৫ শতাংশ । এই সংখ্যা আমাদের ইচ্ছামত তৈরী করা হয়নি 
       এই যে বহুজন শব্দ তৈরি হয়েছে । এটা সংখ্যা-বাচক শব্দ আপনারা দেখতে পাচ্ছেন । কিন্তু এই শব্দ(বহুজন) তৈরি হোল কিভাবে ? যে ব্রাহ্মণবাদী ব্যাবস্থা আছে , এই ব্রাহ্মণবাদী ব্যাবস্থার শিকার যে লোকেরা, এঁরা সংখ্যায় ৮৫ শতাংশ ।
    তফশীলী জাতির লোক, তফশীলী উপজাতির লোক, অন্য পিছিয়ে পড়া বর্গের লোক এবং এঁদের থেকে ধর্ম পরিবর্তিত যে লোক; এইসব লোকদের মিলিয়ে ৮৫ শতাংশ সংখ্যা তৈরি হয়েছে । অর্থাৎ সংখ্যা পরে তৈরি হয়েছে । তাহলে প্রথমে কি ? প্রথমে হচ্ছে এই লোকেরা ব্যাবস্থার শিকার লোক । কোন ব্যাবস্থার ? ব্রাহ্মণরা সমাজে যে অসমান ব্যাবস্থার নির্মান করেছে , জাতি ব্যাবস্থা বানিয়েছে; এই ব্যাবস্থার শিকার লোকদের সংখ্যা হচ্ছে ৮৫শতাংশ । এখানে দুটো কথা বোঝানো হয়েছে  একটা অসমান ব্যাবস্থার শিকার, দ্বিতীয় এই অসমান ব্যাবস্থার শিকার লোকদের সংখ্যা । এই সংখ্যাটা কিন্তু এই ভাবে তৈরি হয়েছে । এটা কোন আলাদা নয় । কারণ এই সংখ্যা তৈরি হওয়ার আগে এই লোকেরা ব্যাবস্থার শিকার লোক । তাই এই সংখ্যা স্বতন্ত্র নয় । প্রথমে ব্যাবস্থার শিকার লোকদের একজোট করার কথা বলা হয়েছে । আর এর জোড় পরে বানালে দেখা গেছে সেটা ৮৫শতাংশ । আমাদের মনে হয়েছে আর বানিয়ে দিয়েছি সেটা কিন্তু নয় । যারা ব্রাহ্মণবাদী ব্যাবস্থার শিকার তাদের সংখ্যা ৮৫% । আর ১০০ এর মধ্যে যারা ৮৫জন তাঁরা সংখ্যার দৃষ্টিকোণে বহুজন হয় । জাতির সংখ্যায় বহুজন, টোটাল সংখ্যাও বহুজন । সেজন্য এঁরা(SC, ST, OBC এবং এঁদের থেকে ধর্মপরিবর্তিত লোকেরা) বহুজন ।
    দ্বিতীয় শব্দ হচ্ছে মূলনিবাসী ।
    একটা শব্দ হচ্ছে বহুজন । আর দ্বিতীয় শব্দ হচ্ছে মূলনিবাসী । এই মূলনিবাসী শব্দ কি করে তৈরি হোল - ২০০১ সালের ২১শে মে Times of India পত্রিকায় একটা খবর ছাপানো হয়। আমেরিকার ওয়াশিংটনে ওটাহ বিশ্ববিদ্যালয় আছে । ঐ বিদ্যালয়ের Bio- Technology-এর Head of the Department হলেন মাইকেল বামসাদ(BAMSAD)  তিনি Bio- Technology এর আধারে একটা Project বানিয়েছিলেন ভারতের প্রজাদের বিশ্লেষণ করার জন্য । তিনি ভারতের বিভিন্ন অঞ্চলের বিভিন্ন জাতি, ধর্মের লোকদের DNA Test করেছেন । এই DNA Test এ এটা প্রমানিত হয়েছে যে, এখানকার ব্রাহ্মণ, ক্ষত্রিয় ও বৈশ্যদের DNA বিদেশী লোকদের DNA এর সঙ্গে মিলে গেছে । আর তফশীলীজাতি, তফশীলী উপজাতি, অন্য পিছনের বর্গ(O.B.C.), এবং এঁদের থেকে ধর্মপরিবর্তিত লোকদের DNA একই ধরনের । অর্থাৎ এঁরা এখানকার মূলনিবাসী । আর একটি আশ্চর্যজনক কথা তিনি DNA এর আধারে বিশ্লেষণ করে বলেছেন যে, ব্রাহ্মণদের ঘরে যে মহিলারা আছেন তাদের DNA ও ভারতে মূলনিবাসীদের DNA-এর সঙ্গে মিলে গেছে । অর্থাৎ যে SC, ST, O.B.C. এবং এঁদের থেকে ধর্মপরিবর্তিত লোকদের DNA আর ব্রাহ্মণদের ঘরের মহিলাদের ঘরের DNA একই রকম । এতে প্রমাণিত হয়েছে, এই যে যে, ব্রাহ্মণ আমাদের দেশে দেখা যায় এঁরা আক্রমণকারী । আর যারা আক্রমণকারী হয় তাঁরা আক্রমণ করার উদ্দেশ্যে আসে । তাঁরা সঙ্গে তাদের মহিলাদের নিয়ে আসে না । আর এজন্য এরা মহিলাদের সঙ্গে নিয়ে আসেনি। আর যারা এখানে স্থায়ী হয়েগেছে তারা তাদের প্রজা উৎপন্ন করার জন্য এখানকার মহিলাদের উপয়োগ ও প্রয়োগ করেছে । ফলে ব্রাহ্মণদের ঘরে যে মহিলারা আছেন এঁরা মূলনিবাসী মহিলা । এই আশ্চর্যজনক বিশ্লেষণও তিনি DNAএর আধারে প্রমাণ করেছেন ।
    আর যে দ্বিতীয় খুব মহত্ত্বপুর্ন কথা তিনি প্রমাণ করেছেন সেটা হচ্ছে, ব্রাহ্মণরা জাতি ব্যাবস্থা নির্মান করার জন্য মহিলাদের প্রয়োগ করেছে । ব্রাহ্মণরা যে বর্ন ব্যাবস্থার নির্মান করেছে এটা তাদের শাস্ত্রে লিখিত প্রমাণ আছে । লিখিত প্রমাণ হচ্ছে-- ব্রাহ্মণরা যে বর্নব্যাবস্থা বানিয়েছে তাতে তাঁরা তাদের মা, বোন, মেয়েকেও  শুদ্র ঘোষনা করেছে । আমাদের শুদ্র ঘোষনা করেছে সেটা তো বোঝা যাচ্ছে  কিন্তু ব্রাহ্মণরা তাদের ঘরের সকল মহিলাকেই শুদ্র ঘোষনা করেছে কেনআর এর জন্য বর্নব্যাবস্থায় কোন মহিলাকে ব্রাহ্মণদের ব্রাহ্মণ বর্ন নয়, ক্ষত্রিয়দের ক্ষত্রিয় বর্ন নয়, বৈশ্যদের বৈশ্য বর্ন নয়, সব মহিলাকে শুদ্রবর্ন হিসাবে ঘোষনা করেছে । এই আশ্চরয জনক প্রমান ব্রাহ্মনধর্ম শাস্ত্রে লিখিত আছে ।আর DNAতেও প্রমাণ পাওয়া গেছে । DNA এর একটা অংশ হচ্ছে Maytrocondriya. এটা মায়ের থেকে শুধুমাত্র মেয়ের শরীরেই যায় । তাই সব মহিলা আইনগত হিসাবে মূলনিবাসী । তাই এটা single evidence নয় double evidence. এটা পাক্কা প্রমাণ । এই ভাবে এই মূলনিবাসী শব্দ তৈরি হয়েছে । SC, ST, OBC এবং এঁদের থেকে ধর্মপরিবর্তিত লোক এবং ব্রাহ্মণ, ক্ষত্রিয়, বৈশ্যদের ঘরে যে মহিলারা এঁরা মূলনিবাসী বহুজন । আমি এই যে যেকথা বললাম আমাদের কিছু লেখাপড়া শেখা লোক এর ভুল  অর্থ বের করতে পারেন । তাঁরা ভাবতে পারেন- চলো খুব ভালোই হোল  ব্রাহ্মণদের মেয়ের সঙ্গে বিবাহ করেলে খুব ভালোই হবে । কারণ সে মহিলারা তো আমাদের মূলনিবাসী ।
     এই ধরনের গলত অর্থ আমাদের লেখাপড়া শেখা লোকেরা তাদের সুবিধার জন্য বের করতে পারেন । তবে একথা কিন্তু সে জন্য বলা হয়নি শুধু সঠিক বিষয়টা জনানোর জন্য ।আমাদের মূলনিবাসী বহজনদের জাগৃত করার জন্য। আমাদের নিজেদের লোক কে ? আর পর কে ? এর মধ্যে অন্তর করতে শেখা দরকার । কারণ এর সঙ্গে শত্রু এবং মিত্রের সম্বন্ধ আছে । যে শত্রু এবং মিত্রের অন্তর তৈরি করতে পারে - পৃথিবীতে একমাত্র সেই জাগৃত হয় । যারা ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার, PHD হন, এঁরা জাগৃত হিসাবে গণ্য হন না । জাগৃত তাকেই মানা হয় যিনি শত্রু এবং মিত্রকে সঠিকভাবে চিনতে পারেন । একথাও সঠিকভাবে বোঝার চেষ্টা করুন আপনারা

                                                দলিত   
    শব্দ (word) একটা হাতিয়ার । এই শাব্দিক হাতিয়ার ঘৃনা বা নীচ্‌ বোঝানোর জন্য যেমন ব্যবহৃত  হতে পারে,তেমনি শৌর্য্য-বীর্য্য ইত্যাদি বোঝাতে বা বিভিন্ন ক্ষেত্রে অর্থ বহুল করে তোলার জন্য ব্যাবহৃত হয় ।
        আমরা প্রতিনিয়তঃ দেখতে পাই-'দলিত' শব্দের ব্যবহার । আসুন আমরা 'দলিতশব্দের উপর  কিছু বিশ্লেষণ মূলক ভাবনা নিয়ে অগ্রসর হই ।
        প্রথমে দেখে নেই এই দলিত কে বা কারা ? কেন ? দলিত শব্দ বললে কি হীন্‌ বা নীচ্‌ ভাব প্রকাশ করে, না গর্ব বোধ হয় ? এই শব্দটির  উদ্ভব কিভাবে হয়েছে ? বাবা সাহেব কি তাঁর লেখনি বা ভাষণে কোথাও এই শব্দের ব্যবহার করেছেন ? যদি না করে থাকেন তাহলে আমরা বাবা সাহেবের অনুনায়ী হয়ে এই শব্দটিকে কেন ব্যবহার করছি ? দলিত বলতে কাদের বোঝানো হয় ? এই শব্দের উৎপত্তি ও প্রচার কারা করল ? কেন করল ?
    ব্রাহ্মণী বর্ণ ব্যাবস্থায় বর্ণ চারটি 
    1.    ব্রাহ্মণ
    2.    ক্ষত্রিয়
    3.    বৈশ্য এবং
    4.    শুদ্র
    এছাড়াও আছে বর্ণ বাহ্য (out caste ) অতিশুদ্র বা যাদের এক সময় বলা হ'ত অস্পৃশ্য (Untouchable). এবং আদিবাসীরা  ব্রাহ্মণ, ক্ষত্রিয় ও বৈশ্য  এদেরকে বলা হয় Upper Caste. এরা সংখ্যায় 15% .
    আর শুদ্ররা (OBC- Other Backward Class ) হচ্ছে 52%, অতিশুদ্র বা বর্ণবাহ্যরা হচ্ছে 15%  এই বর্ণবাহ্যদের সংবিধান পূর্ব অস্পৃশ্য (untouchable)  যাদেরকে বাবা সাহেব সাংবিধানিকভাবে নাম দিয়েছেন Scheduled Casteবা তফশিলি জাতি বা অনুসূচিত জাতি । আর আদিবাসীরা যাদের সংখ্যা 7.5%   যাদের সাংবিধানিকভাবে বলা হয়Scheduled Tribe বা তফশিলি উপজাতি বা অনুসূচিত উপজাতি । আর এই SC,ST, এবং OBC-দের থেকে যারাConvert হয়েছে তাদের বলা হয় Converted Minority বা ধর্ম পরিবর্তিত সংখ্যালঘু সম্প্রদায় । যাদের সংখ্যা হচ্ছে 10.5% 
        তো আমরা দেখতে পাচ্ছি SC+ST+OBC+Converted Minority -এদের মোট জনসংখ্যা হচ্ছে-(15%+7.5%+52%+10.5%) = 85%  এরাঁ সংখ্যায় বেশি তাই এদেঁর একত্রিত করে বলা হয় বহুজন ।
        আর যারা বাকি 15% (ব্রাহ্মণ+ক্ষত্রিয়+ বৈশ্য) আমরা স্বাভাবিকভাবে এদের বলতে পারি অল্পজন ।এই বহুজন+অল্পজন = সর্বজন । গৌতম্বুদ্ধ শ্লোগান দিয়েছিলেন- বহুজন হিতায়,বহুজন সুখায়  কেন ? কারন অল্পজনদেরalready হিত হয়েছে এবং সুখ আছে । কিন্তু এই অল্পজনরা  বহুজনদের সব হিত ও সুখকে হরণ করে নিয়ে নিজেদের হিত করে তারা সুখী আছে। তাই   গৌতমবুদ্ধ বহুজনদের কি করে হিত হবে ও সুখ হবে সেই বার্তা ছড়িয়ে ছিলেন । আমরা হয়তঃ  বুদ্ধের ভাবনা থেকে অনেক উপরে উঠে গেছি । তাই সেই ভাবনাকে পিছনে ফেলে আমরা শ্লোগান দিতে শুরু করেছি-সর্বজন হিতায়, সর্বজন সুখায়  এই সর্বজনের হিত ও সুখ ভাবতে গিয়ে আবার বহুজনদের বঞ্চিত করে চলেছি ।
        এ পর্যন্ত আমরা বহুজন, অল্পজন এবং সর্বজনদের সম্পর্কে জানলাম । যারা বহুজনবাদী তাদের সামাজিক ভাবনা এই SC, ST, OBC এবং Converted Minority -দের নিয়ে । কিন্তু আমরা প্রতিনিয়ত দেখতে পাই একটা শব্দ,সেটা হচ্ছে-'দলিত' । এই দলিত কাদের বলা হয় ? প্রকৃতভাবে বিচার করে দেখলে দেখা যাবে সাংবিধানিকভাবে যাদেরকে বাবা সাহেব নাম দিয়েছেন 
    Scheduled Caste
     বা তফশিলি জাতি বা অনুসূচিত জাতি । তাদেরকে বর্তমানে 'দলিত' বলা হয় । কেন তাদের দলিত বলা হয় ? তাদের তো সাংবিধানিক নাম আছে; তবুও তাদের প্রতি এই দলিত শব্দের প্রয়োগ কেন ? বাবা সাহেবের কোন লেখা বা ভাষণে আমরা কি কোথাও এই শব্দের উল্লেখ পেয়েছি ? ভারতের সংবিধান রচিত হওয়ার পূর্বে যাদের অস্পৃশ্য বলে গণ্য করা হ'ত বা পতিত বলে মনে করা হ'ত তাদের সাংবিধানিক নাম Scheduled Caste . বাবা সাহেব তাঁর লেখায় তুলে ধরেছিলেন Untouchable বলে । যে কথা আগেই বলেছি । তিনি তো কখনও দলিত শব্দের উল্লেখ করেননি ।
       আপনারা প্রশ্ন করতে পারেন বাবা সাহেব উল্লেখ করননি বলে আমরা করবো না কেন ? আর করলে আমাদের কোন ক্ষতি হচ্ছে কি ? তাই না ?
        তাহলে আমরা দেখে নেই এই শব্দের উৎপত্তির ইতিহাস এবং এই শব্দে আমাদের কি ক্ষতি হ'তে পারে বা হচ্ছে ।
       ব্রাহ্মণদের কৌশল হচ্ছে- সে কখনও সম্মুখ সমরে আসবে না । তার হাতে রিমোট থাকবে । সে আমাদের আপন ভাই/জাতি/ গোষ্ঠিকে একে অপরের বিরুদ্ধে লাড়াই-এ সামিল করবে । আর এই লড়াই-এ যে পক্ষেরই জয় হোকনা কেন সে জয় তার নয় । সে জয় হবে ব্রাহ্মণের ।
        তেমনিভাবে ব্রাহ্মণরা কৌশল করে বাবা সাহেবের বিরুদ্ধে শক্ত প্রতিপক্ষ তৈরী করার জন্য মাধ্যমিক লেভেল থেকে মেধাবী জগ্‌জীবন রাম কে সমস্ত রকম সাহায্য সহযোগীতা দিয়ে লালন   পালন করে সুশিক্ষিত করে গড়ে তোলে । আর ধীরে ধীরে জগ্‌জীবন রাম কে বাবা সাহেবের  প্রতিপক্ষ হিসাবে খাড়া করে । কংগ্রেস এই জগজীবন রামের মাধ্যমে দলিত বা দলিত নেতা শব্দের বিস্তার ঘটাতে শুরু করে । জগ্‌জীবন রাম যে সংগঠন বানিয়ে ছিলেন তার নাম 'দলিত বর্গ সঙ্ঘ।আর বাবা সাহেব তারঁ সংগঠনের নাম দিয়েছিলেন Scheduled Caste Federation. আর বাবা সাহেব মহাপরিনির্বাণের পূর্বে যে RPI-Republican Party of India- এর নির্মাণের পরিকল্পনা করে ছিলেন; পরবর্তিতে কংগ্রেস সেই RPI এর মাধ্যমে এই 'দলিত' শব্দের যথেচ্ছ ব্যবহার শুরু করে । ধীরে ধীরে এই শব্দ মহিরুহে পরিনত হয়েছে । যার ফলে আমরা সংগঠনের নাম রাখছি- দলিত সঙ্ঘ, মহাদলিত সংঘ আবার দলিত পত্রিকা ইত্যাদি ইত্যাদি । আমাদের মজ্জায় ও এই শব্দটি এমনভাবে জড়িয়ে গেছে বা মিডিয়ার মাধ্যমে জড়িয়ে দেওয়া হয়েছে যে, গান্ধীর নাম নিতে গেলে যেমন 'মহাত্মা' শব্দ আসে, মনে হয় ওটাই তাঁর নাম । যেমন ভারত বা India না বলে 'হিন্দুস্থান' বলা হয়, তেমনিভাবে 'দলিত' শব্দের বিস্তার ঘটছে । আর আমরা নিজেদের 'দলিত' মনে করে দলা দলিতে প্রতিনিয়তঃ লিপ্ত রয়েছি আপন অস্তিত্ত্বকে ভুলে গিয়ে ।  
    আমরা পত্র-পত্রিকায় ভাষণে দলিত, বহুজন, মূলনিবাসী শব্দের ব্যবহার করি । কিন্তু অতি দুঃখের সঙ্গে বলতে বাধ্য হচ্ছি যে, এই শব্দ গুলোর বাস্তব অর্থ কয় জনে কতটা জানি বা বুঝি, সেটা খুঁজতে গেলে গা উজাড় হবার সম্ভাবনা হবে ।
        আমাদের উদ্দেশ্য তো এই SC, ST, OBC এবং Converted Minority -দের নিয়ে সামাজিক, রাজনৈতি সংগঠন করা । আপনারা ভাবুন তো কোন OBC নিজেকে কি দলিত বলে মনে করেন ? আবার কোন ST -সে তো নিজেকে আদিবাসীই মনে করেন । এই দলিত বলতে শুধুমাত্র Scheduled Caste দেরই বোঝানো হয় । তো আপনি বহুজনবাদী ভাবনা বা মূলনিবাসী ভাবনায় ভাবিত হয়ে দলিত শব্দ কি করে প্রয়োগ করেন ? তাহলে তো প্রথাগত ভাবে SC- দেরই বোঝান হচ্ছে আপনার লেখায় বা ভাষণে । বহুজন বা মূলনিবাসী চেতনার প্রকাশ ঘটছে কি ? কিন্তু আপনি চাইছেন SC. ST. OBC-দের নিয়ে সাংগঠনিকভাবে অগ্রসর হ'তে ।
       এই যে, যে বিভেদ অর্থাৎ 'দলিত' বলে শুধু SC-দের প্রচার প্রসার করা, এর সৃষ্টিকর্তা ব্রাহ্মণ । আর আমরা এই'দলিত' বলে প্রতি নিয়ত প্রচার চালানোর জন্য অন্যের থেকে পৃথক হয়ে যাচ্ছি । যে কৌশলটা করেছে ব্রাহ্মণআর এর ফায়দাটা তারাই ভোগ করছে । যার জন্য আমরা শত চেষ্টা  করেও একত্রিত হ'তে পারছি না । আমাদের মধ্যে'দলিত' ভাবনার জন্য আমরা সত্যিকারের বহুজন বা মূলনিবাসী ভাবনায় ভাবিত নয় । আসলে এই শব্দগুলোর প্রকৃত মানেই আমরা জানিনা।
        'দলিত' অর্থাৎ দলন করা । অর্থাৎ মাঠের ঘাষকে যেমন পাদিয়ে মাড়ানো হয় তাকে দলন করাও বলা হয় । কিন্তু আমরা নিজেদের 'দলিত' মনে করি কেন ? না ব্রাহ্মণরা আমাদের সব সময় দলন করে চলেছে তাই । ভাল কথা । কেউ আমাদের দলন করছে আর আমরা মাথা পেতে সেটা স্বীকার করছি । আমরা তোমাদের দ্বারা দলিতো তাই তো আমরা দলিত । খুব গর্বের কথা । কি বলেন ? কেউ আমাকে গালি দিল, মারল আর আমি বিনা প্রতিবাদে সেই গালি,আঘাত মেনে নিলাম । কারন আমার তো প্রতিবাদের ভাষা নেই । আমি তো দলিত । বাঃ রে সেলুকাশ কি বিচিত্র এই ভাবনা !
        একটা স্প্রিংকে আপনি চাপ দিলে বা দাবালে সেই প্রেসার অনুসারে সে নিচে নেমে যাবে । কিন্তু চাপটা কমিয়ে দিলে সে আবার উপরে উঠতে চাইবে চাপের তারতম্য অনুসারে । কিন্তু তার নাম স্প্রিং না দিয়ে 'দলিত' নাম দিলেও তো হ'ত । কিন্তু স্প্রিং-এর ধর্ম চাপ খেয়েও সর্বক্ষন উপরে ওঠার চেষ্টা করা । কিন্তু আমাদের ধর্ম হচ্ছে দলিত হয়ে পিষে যাওয়া । তাই নয় কি ? যদি তাই না হয় তবে কেন আমরা এই হীন্‌ সূচক শব্দের ব্যবহার করবো ?
    আমাদের উদ্দেশ্য যদি সমাজকে জোড়ার হয়, তবে আমরা কেন বহুজন বা মূলনিবাসী ধরনের শব্দের প্রয়োগ করবো না । মূলনিবাসী শব্দে অনেকের আবার Allergy আছে । তবে বহুজন শব্দে নিশ্চয় অসুবিধা নেই ?
        সংগঠনের নাম বহুজন দিয়ে লিখব আর 'দলিত' 'দলিত' বলে গলা ফাটাবো সেটা কি ভাবনা এবং কর্মের মধ্যে বিশাল অন্তর সৃষ্টি করছে না ?
    কিন্তু আমরা নিশ্চয় SC,ST OBC  Converted Minority-দের মিলন চাই বহুজনবাদী ভাবনায় । আর দলিত বলতে যেখানে শুধু (Scheduled Caste) SC -দেরই বোঝানো হয় তো আমরা সাংবিধানিক শব্দ Scheduled Casteবা তফশিলি জাতি বা অনুসূচিত জাতি শব্দগুলোকে কেন ব্যবহার করবো না ? ব্যবহার হয়না তা নয়, তবে সেটা একবার/দু'বার হ'লে 'দলিত' শব্দ হয় তার দশ গুন বেশী ।
        আমার এই ভাবনার সঙ্গে আনেকেই সহমত পোষোণ না করতে পারেন । সেটা স্বাভাবিক । কিন্তু এটা নিয়ে ভাববেন অবশ্যই ।
                       _______________________    

    0 0



    0 0

    বর্ধমান কান্ডে নাম উঠে এসছে জেএমবির। কারা এরা জানতে হলে আজকের সকালের বার্তায় পড়ুন 
    http://www.sakalervarta.in/bn/news.php?abohoman=410



    0 0

    चलो चलते - वीरेन डंगवाल की ताज़ा कवितायेँ

    कबाड़खाना
    वीरेन डंगवाल की ये ताज़ा कवितायेँ मुझे अपने अनन्य मित्र आशुतोष उपाध्याय ने उपलब्ध कराई हैं जो एक-दो दिन पहले उनसे मिलने गए थे. वीरेनदा ने ये कवितायेँ ख़ास कबाड़खाने के लिए भिजवाई हैं.

    जल्दी से अच्छे हो जाओ दद्दा! चलते हैं अपन चोरगलिया –
       

    चलो चलते

    जो भी जाता
    कुछ देर मुझे नयनों में भर लेता जाता
    मैं घबड़ाता हूं.
    अरे बाबा, चलो आगे बढ़ो
    सांस लेने दो मुझको....

                       ¨

    है बहुत ही कठिन जीवन बड़ा ही है कठिन
              चलते चलो चलते.

    वन घना है
    बहुल बाधाओं भरा यह रास्ता सुनसान
    भयानक कथाओं से भरा
    सभी जो हो रहीं साकार :
    'गहन है यह अन्धकारा... अड़ी है दीवार जड़
    की घेर कर,
    लोग यों मिलते कि ज्यों मुंह फेर कर...'

    पर क्या तुझे दरकार
    तेरे पास तो हैं भरी पूरी यादगाहें
    और स्वप्नों - कल्पनाओं - वास्तविकताओं का
    विपुल संसार,
              फिर यह यातना!
              जीवित मात्र रहने की
              कठिन कोशिश
              उसे रक्खो बनाए
              और चलते चलो चलते.
    (22.3.14)




    वह धुंधला सा महागुंबद सुदूर राष्ट्रपति भवन का
                    जिसके ऊपर एक रंगविहीन ध्वज
                    की फड़फड़ाहट
    फिर राजतंत्र के वो ढले हुए कंधे
                    नॉर्थ और साउथ ब्लॉक्स
    वसंत में ताज़ी हुई रिज के जंगल की पट्टी
    जिसके करील और बबूल के बीच
    जाने किस अक्लमंद - दूरदर्शी माली ने
    कब रोपी होंगी
    वे गुलाबी बोगनविलिया की कलमें
    जो अब झूमते झाड़ हैं
    और फिर उनके इस पार
    गुरुद्वारा बंगला साहिब का चमचमाता स्वर्णशिखर
    भारतीय व्यवस्था में लगातार बढ़ती धर्म की अहमियत से
    आगाह करता.

    हवा में अब भी तिरते गिरते हैं
    पस्त उड़ानों से ढीले हुए पंख
    दृष्टिरेखा में वे इमारतें -
    बहुमंज़िला अतिमंज़िला पुराने रईसों की
    केवल तिमंज़िला.

    पूसा रोड के उन पुरानी कोठियों में लगे
    आम के दरख्तों पर ख़ूब उतरा है बौर
    मेट्रो दौड़ती हैं अनवरत एक दूसरे को काटती
    नीचे सड़कों पर आधुनिकतम कारों के बावजूद
    उसी ठेठ भारतीय शोरगुल का ही
    समकालीन संस्करण है
    और भरी भरकम कर्मचारी संख्या वाले
    दफ्तरों के बाहर
    बेहतरीन खान-पान वाले वे मशहूर ठेले-खोंचे और गुमटियां
    जिन तक मेरी स्मृति खींच ले जाती है
    मुझ ग़रीब चटोरे को.

    कुछ बात तो है इस नासपिटी दिल्ली
    और इसके भटूरों में
    कि हमारी भाषा के सबसे उम्दा कवि
    जो यहां आते हैं यहीं के होकर रह जाते हैं
    जब कि भाषा भी क्या यहां की :
    अबे ओये तू हान्जी हाँ.

    तीन कुत्तों पर एक पूरा वाक्य

    सदर बाज़ार की एक भीड़ भरी
    सड़क के किनारे
    कई गाड़ियां खड़ी रहती हैं   धूल से सनी
    नीम और कनेर के उन वृक्षों के नीचे.

    वहीं देखा वह दृश्य विचित्र
    लगभग इंद्रजाल ही :
    एक कार की छत पर तीन युवा कुत्ते सो रहे थे.
    एक उनमें से कार की छत पर ही अंगड़ाई लेता उठा
    जब मैं उनके क़रीब पहुंचा
    दूसरा और तीसरा वैसे ही पड़े रहे श्लथ, धूल में.
    उम्र उनकी यों समझ लो
    जैसे हमारे पंद्रह - सोलह साल के लड़के
    जो दूकानों-वर्कशॉपों में काम करते - मांगते
    समयपूर्व वयस्क हो जाते हैं.

    हालांकि उनके लिंग का पता नहीं चल पाया मुझे
    पर एक व्यभिचारग्रस्त प्रमाद में लिथड़े हुए लगे
    वे कुत्ते बसन्त की इस स्वच्छ दोपहर में.

    मेरा हृदय जुगुप्सा क्रोध और फिर
    आत्मग्लानियुक्त करुणा से भर आया इस साम्य विधान पर
    पर मैं कुछ कर न सका.

    मैं खुद एक मोटर के भीतर बैठा
    अस्पताल जा रहा था.
    यह एक पूरा वाक्य है   कविता में
    (14.3.14)




    फागुन - चैत वगैरह
    सन्दर्भ : डॉ. फाउस्ट और कैन्सर

    (मैं कह भी क्या सकता हूं मेफ़िस्टोफिलीज़!
    सचमुच किसी काम के नहीं रहे
    मेरा यह चीथड़ा शरीर आत्मा,
    शैतान की बरसों की मेहनत
    अब आखिरकार रंग ले ही आई है).

    (1)
    फागुन उतार पर है
    सुना, आखिरकार शक्ल दिखाने लगा है वहां
    दिनों का रूठा वह बूढ़ा - हिमवान,
    और वन अंटे पड़े हैं
    बुरूंस के सुर्ख फूलों से.
    रामगढ़ घाटी तो बताते हैं,
    बिल्कुल तबाह है ख़ुशी से.
                    मैं जा पाता तुम्हारे साथ एक बार
                    एक बड़ा गुच्छा तोड़कर दे पाता तुम्हें
    इतने वर्ष बाद ही सही!
    तभी तो मेरे पास माफ़ी मांगने लायक
    कुछ अपराध भी होते!
    अगर मैं जा सकने लायक हो पाता. तो.

                    माफ़ी मागने के लिए भी तो
                    स्वस्थ होना ज़रूरी है.

    (2)
    चैत लग चला
    सुगंधित धुंए की तरह आई एकाएक
    मां - पिताजी की याद,
    नवरात्र का कलश बैठाने के लिए
    मिन्नतों भरा उनका वह करुण उत्साह!
              आगे तो दिन हैं तपते हुए ख़तरनाक
              सीढ़ियां खड़ी हैं,
    ऊपर से तेल और सीला हुआ मैल मिलें हैं रेते के साथ
    जलते हुए तलुओं के नीचे.



    0 0

    कविता का एजेंडा या एजेंडे पर कविता: एक अपील



    बहसें पुरानी पड़ सकती हैं, लेकिन नए संदर्भ नित नए सिरे से बहस किए जाने की ज़रूरत को अवश्‍य पैदा कर सकते हैं। मसलन, कुछ लोगों की इधर बीच की कविताएं देखकर कुछ लोगों के बीच एक योजना बनी कि कविता पाठ किया जाए। चूंकि उन कविताओं में एक ही सिरा बराबर मौजूद था (नया संदर्भ), इसलिए तय पाया गया कि उस नए सिरे को पकड़े रखा जाए। विषय रखा गया ''कविता: 16 मई के बाद'' और कुछ कवियों से स्‍वीकृति लेकर फेसबुक पर एक ईवेन्‍ट बनाकर डाल दिया गया। ज़ाहिर है, सवाल उठने थे सो उठे। बात को शुरू करने के लिए सवाल ज़रूरी हैं। तो एक सवाल कवि चंद्रभूषणजी ने अपनी टिप्‍पणी में उठाया कि ''काफी टाइम टेबल्‍ड कविता-दृष्टि लगती है''। तो क्‍या कविता-दृष्टि समय/काल निरपेक्ष होनी चाहिए? ऐसे ही एक और मित्र ने कहा कि अगर कविताएं 16 मई के बाद की सामाजिक-राजनीतिक परिस्थितियों पर हैं तो आप क्‍यों सिर्फ आलोचनात्‍मक कविताएं ही लेंगे? अगर किसी ने नई परिस्थितियों के समर्थन में लिखा है तो उसे भी लेना चाहिए। क्‍या नई परिस्थितियां वाकई समर्थन के लायक हैं? क्‍या ये जनपक्षीय हालात हैं? 

    प्रेमचंद कहते थे कि साहित्‍य राजनीति  के आगे चलने वाली मशाल है। संयोग से आज ही प्रेमचंद का निधन हुआ था। सवाल मौजूं है कि क्‍या आज लिखा जा रहा साहित्‍य राजनीति को प्रकाशित करने के उद्देश्‍य से रचा जा रहा है? कतई नहीं। तो यदि हम प्रेमचंद को ठीक मानते हैं, साहित्‍य को राजनीतिक उद्देश्‍य से किया जाने वाला एक सांस्‍कृतिक कर्म मानते हैं, तो समकालीन राजनीति की ठोस पहचान के बगैर साहित्‍य-लेखन की बात करना बेमानी होगा। राजनीति की सही-सही पहचान के बाद ही उसे प्रकाशित करने वाला साहित्‍य लिखा जा सकता है। ध्‍यान देने वाली बात है कि आज केंद्र में जो राजनीतिक सत्‍ता है, उसकी कल्‍पना सामान्‍यत: हम कुछ बरस पहले नहीं कर सकते थे। सिर्फ 2002 के दौर में जाकर देखें तो हम पाएंगे कि आज जैसा राजनीतिक वातावरण देश में बना है और जैसा जनादेश बीते लोकसभा चुनाव में आया है, वह इसी मायने में अभूतपूर्व है कि उसने सिर्फ सरकार को नहीं बदला है। यह चेन्‍ज ऑफ गवर्नमेन्‍ट नहीं है, रेजीम चेन्‍ज है। सरकार नहीं बदली है, सत्‍ता बदली है। सत्‍ता की समूची संरचना और उसके उपादान बदले जा रहे हैं। लोगों के दिमाग बदले जा रहे हैं। सामाजिक मान्‍यताएं बदली जा रही हैं। साथ ही इतिहास को बदलने की कोशिशें शुरू हो चुकी हैं। 

    क्‍या अब भी किसी और ''बदतर'' का इंतज़ार करने का मन है? ब्रेख्‍त की एक कविता है- ''क्‍या अंधेरे में भी गीत गाए जाएंगे? हां, अंधेरे के बारे में भी गीत गाए जाएंगे।'' अगर आप मानते हैं कि अंधेरा है, और यह अंधेरा अभूतपूर्व है, तो इसके बारे में आपको गीत रचने ही होंगे। ज़ाहिर है, अंधेरे के खिलाफ़ गीत लिखने होंगे। और इस अंधेरे की शिनाख्‍त करनी होगी। इस अंधेरे की शिनाख्‍त की एक तारीख है। यह कुछ साल बाद जब तवारीख में तब्‍दील होगी, तब वह तारीख हमें याद आएगी। सिर्फ और सिर्फ इसीलिए कि सत्‍ता ने कुछ तारीखें हमारे लिए तय कर रखी हैं जिनका सहारा लेकर वह हमारे खिलाफ़ अपने मंसूबे रचती है- जैसे 9/11 या 26/11- ठीक वैसे ही हमारी तरफ़ से भी एक तारीख की पहचान किया जाना ज़रूरी है। वह तारीख़ बेशक 16/05 है  (सत्‍ता के फॉर्मेट में कहें तो 5/16)। यही वह तारीख़ है जब इस देश ने दस साल पहले तक अकल्‍पनीय मानी जा रही ताकत को भारी जनादेश दिया था कि वह उस पर राज करे। और यहीं से अंधेरे का आग़ाज़ हुआ है। 

    अंधेरे के खिलाफ़ गाए जाने वाले हर गीत का प्रस्‍थान बिंदु इसीलिए 16 मई होगा। 16 मई 2014... 

    और यह रचना-दृष्टि ''टाइम-टेबल्‍ड'' नहीं कही जाएगी। यह समय की मजबूरी है। यह रचनाकर्म की मजबूरी है। यह इंसानियत का तकाज़ा है। यदि आप मानते हैं कि 16 मई एक ऐसी तारीख़ है जो तवारीख में अंधेरे के आग़ाज़ के लिए जानी जाएगी, तो आपको उन लोगों को सुनना चाहिए जो समय में हस्‍तक्षेप कर रहे हैं। बेशक ऐसे बहुत से लोग हैं और इन सब को सुना जाना और एक जगह इकट्ठा किया जाना ज़रूरी है। एक साथ हालांकि यह एक बार में संभव नहीं था। अंधेरे के खिलाफ रोशनी का आगाज़ यानी राजनीति के आगे चलने वाली साहित्‍य की मशाल को दोबारा जिलाने के लिए हम दस कवियों का एक कविता पाठ रख रहे हैं। 

    ऐसे सैकड़ों कवि हैं, दिल्‍ली के भीतर और दिल्‍ली के बाहर। इसीलिए ''कविता: 16 मई के बाद'' कोई आयोजन नहीं है। यह एक अभियान है। मशाल से मशालों को जलाने का एक सिलसिला है। एक बार दिल्‍ली में दस कवियों के कविता पाठ के बाद हमारा प्रयास है कि यह श्रृंखला अपने बूते, अपनी ज़रूरत के बूते लखनऊ, पटना, भोपाल से लेकर बनारस, जयपुर और रांची तक पहुंचे। उन गांवों तक पहुंचे जहां 16 मई के बाद की स्थिति को सबसे ज्‍यादा महसूस किया जा रहा है और आवाज़ें बेसब्र हैं। 

    फिलहाल, गुज़ारिश यह है कि इस पोस्‍ट को पढ़ने वाले सभी पाठक दिल्‍ली के प्रेस क्‍लब ऑफ इंडिया में 11 अक्‍टूबर, 2014 यानी शनिवार को शाम 4 बजे वक्‍त से पहुंच जाएं जहां मंगलेश डबराल, विमल कुमार, रंजीत वर्मा, निखिल आनंद गिरि, अवनीश मिश्र, पाणिनि आनंद, मिथिलेश श्रीवास्‍तव समेत कुल दस कवि अपनी कविताएं पढ़ेंगे। 

    एक बार फिर इस बात को कहे जाने की ज़रूरत है कि 16 मई से शुरू हुआ अंधेरा और उसके खिलाफ संघर्ष अगर आज की कविता का बुनियादी एजेंडा है तो 11 अक्‍टूबर को होने वाला यह आयोजन कविता को उसके बुनियादी एजेंडे पर वापस लाने का एक प्रयास है। कविता के इंसानी एजेंडे को समझिए, उस इंसानी एजेंडे पर कविता को वापस लाने में अपना हाथ दीजिए। 




    उत्‍तरापेक्षी 

    अभिषेक श्रीवास्‍तव 

    0 0
  • 10/11/14--15:38: Article 8
  • अगर महिषासुर को शहीद बताने पर किसी की भावनाएं आहत होती हैं , तो उसकी हत्या करने वाली दुर्गा की पूजा से भी किसी की भावनाएं आहत हो सकती हैं . आहत भावनाओं के तर्क को मान लेने पर इस विरोधाभास से बचने का कोई रास्ता नहीं है . अगर किसी की नास्तिकता से आपकी धार्मिक भावनाएं आहत होती हैं तो आपकी धार्मिकता से किसी की नास्तिक भावनाएं आहत हो सकती हैं . इसलिए इस तर्क से न तो आपको अपनी बात कहने से रोका जा सकता है , न किसी और को .
    इस देश में बहुत से लोग रावण की पूजा करते हैं . लेकिन कोई उन्हें रोकने की कोशिश नहीं करता .किसी की भावनाएं आहत नहीं होतीं. भारतीय समाज में सहिष्णुता और समावेशन की जो परम्परा रही है , आज भारतीय संस्कृति की रक्षा के नाम पर सब से ज़्यादा चोट उसी को पहुंचाई जा रही है . 
    पटना में भी महिषासुर की शहादत मनाई गयी , वहाँ किसी की भावनाएं आहत न हुई . दिल्ली में भी फारवर्ड प्रेस पत्रिका में महिषासुर पर दी गयी सामग्री से किसी की भावनाएं आहत नहीं हो रही थीं , न हो सकती हैं . इस पत्रिका पर पुलिस का छापा फासीवादी राज की स्पस्ट आहट है . प्रत्येक लोकतंत्र समर्थक को इस छापे का विरोध करना चाहिए.


    0 0


    बंगाल ही नहीं भारत भर के
    कारीगरों ने इस बार नहीं गढ़ीं
    मिट्टी से मूर्तियां 


    सोनागाछी ही नहीं भारत भर की
    उन बस्तियों से निकालकर 
    बाहर लाये वे वेश्याओं को 


    उन्होंने रखा इस बात का ख्यााल 
    उनमें से कोई बूढ़ी-पुरानी 
    दर्द से कराहती, खांसती-मरती 
    नहीं छूटे उस अंधेरे में भीतर के


    कारीगरों ने इस बार उन सबका 
    किया ठीक वैसा ही श्रृंगार जैसा
    करते आये वे मूर्तियों का अब तक 
    और उन्हें बिठाया जगमगाते 
    उन मंडपों में ले जाकर, आखिर 
    उन्हें हमने ही तो गढ़ा अब तक


    लगातार हमारा होना झेलती 
    कोई देवी नहीं थी इससे पहले 
    हमारे पास, इस बार उन्होंने
    गढ़ी दसवी देवी 
    जिसका नाम पड़ा देवी सोनागाछी


     [नोट - परम्परा से कलकत्ते के मशहूर यौन- हाट सोनागाछी मुहल्ले की मिट्टी से बनी  दुर्गा की प्रतिमाएं सब से अधिक पवित्र मानी जाती हैं ]


    UnlikeUnlike ·  · Share
    • Manjari Dubey आशुतोष जी इस कविता पर सब पुरूष ही तय कर लेना चाहते हैं। पुरूषों के अधिकतर कमेंटस देखिये और स्त्रियों के चुनिंदा कमेंट देखिये स्थिति स्पष्ट हो जायेगी कि इस कविता को लेकर पुरूष क्या सोचते हैं और स्त्रियां क्या सोचती हैं। मुझे लगता है कि कवि ने बस इतना किया है कि सोनागाछी और देवियों के माध्यम से स्त्री—जीवन के इस दुखद और नारकीय हिस्से में झांकने और उसे एक बार फिर से सामने लाने का प्रयास किया है। मैं चाहूंगी कि आप इस कविता पर बात रखने के लिये स्त्रियों को आमंत्रित करें। और उनकी प्रतिक्रियाओं पर इस कविता से निर्णयकारी बदलाव की उम्मीद रख रहे पुरूष—पाठक अपनी बात कहें। स्त्रियों के पक्ष में किसी शुरूआत को हर बार कठिन बनाना हमारे स्यवंभू प्रवक्ताओं को खूब आता है।
    • Manjari Dubey या रब वे न समझे हैं और न समझेंगे मेरी बात 
      दे और दिल उनको जो न दे मुझको जुबां और
    • Manjari Dubey मैंने इस कविता को शेयर किया तो मेरे पेज पर भी इस कविता को एक महाशय ने कवि को मेंटल केस बताया है। और अभिव्यक्ति की स्वतंत्रता का अतिक्रमण माना है। यहां अभिव्यक्ति के तरीके पर बात की जा रही है। बात के महत्व के स्थान पर उसके कहने के ढंग् पर ठीक उस ढंग से उंगली उठायी जा रही है। जैसे किसी पीड़िता से कहा जा रहा हो कि देखो हमनी तुम्हारी पीड़ा का कितना सुंदर वर्णन किया है। और अब जो मोल है वो हमारे कहने का है न कि तुम्हारी पीड़ा का।कविता मजा नहीं दे रही इन्हें। वह इनसे पवन करण् की ही एक कविता कील की उस कील की तरह व्यवहार कर रही है जो टेविल में उभर आई है और नजर न आने की वजह से सटकर निकलने वालों के कपड़े फाड़ रही है।
    • Ashutosh Kumar सहमत हूँ Manjari Dubey.

    0 0


    थोडी देर पहले एक मित्र की मदद से मुश्किल से इंटरनेट कनेक्‍शन मिल सका है और अफरातफरी के बीच फेसबुक के साथियों को पढ सका हूं। कहने की आवश्‍यकता नही कि इस कठिन समय में साथ आने वालों फेसबुक के साथियों के प्रति अभांरी हूं। उन साथियों के प्रति भी, जो किंचित असहमति के बावजूद साथ आए हैं। वस्‍तुत: यह मूल रूप से अभिव्‍यक्ति की आजादी और निर्बाध बौद्धिक विमर्श के अधिकार का का मामला ही है। अंतिम सत्‍य हमारे ही पास होने का दावा हमने कभी किया भी नहीं। लेकिन क्‍या हमें हमारे 'सत्‍य' को कहने का भी अधिकार नहीं है?

    इस समय मेरे पास इंटरनेट की सुविधा के बहुत कम समय के लिए है। इसलिए सिर्फ इतना कहूंगा कि फेसबुक पर कुछ लोगों द्वारा फारवर्ड प्रेस के विरोध में दिये जाने वाले दो तर्क मेरे लिए आश्‍चर्यजनक हैं। विरोध करने वालों को कम से कम अपनी विश्‍वसनीयता बनाए रखने के लिए तथ्‍यों की जांच तो कर ही लेनी चाहिए।

    1. कुछ लोगों का आरोप है कि फारवर्ड प्रेस ने दुर्गा के बारे में अश्‍लील लेख/ अश्‍लील चित्र प्रकाशित किये हैं, 'वेश्‍या' कहा है। ऐसा आरोप लगाने वाले लोगों को कम कम इतना तो सोचना चाहिए कि क्‍या फारवर्ड प्रेस कोई गोपनीय पत्र है, जिसकी प्रतियां अनुपलब्‍ध हों? वस्‍तुत: यह अनर्गल आरेाप है। पत्रिका में एेसा कुछ भी नहीं प्रकाशित हुआ है। ( पत्रिका में महिषासुर-दुर्गा से संबंधित लेख व चित्र आगामी फेसबुक स्‍टेटसों में डाल रहा हूं। आप खुद पढे और इन आरोंपों की सच्‍चाई को समझें।)

    2. दूसरे आरोप में कुछ लोगों ने यह सवाल उठाया कि फारवर्ड प्रेस चलाने के लिए पैसा कहां से आता है। उनका कहना है कि यह विदेशी फंडिंग है। शायद उन्‍हें लगता है कि फारवर्ड प्रेस कोई एनजीओ है। एेसे लोगों को जानना चाहिए कि फारवर्ड प्रेस को 'अस्‍पायर प्रकाशन प्राइवेट लिमिटेड' चलाता है। यह एक रजिस्‍टर्ड कंपनी है, जो यदि चाहे तब भी किसी भी प्रकार का विदेशी तो क्‍या 'देशी' 'अनुदान' भी नहीं ले सकती। इन लोगों को यह आरोप लगाने से पहले एनजीओ और कंपनी के तकनीकी फर्क को तो जानना चाहिए। उन्‍हें यह भी जानना चाहिए कि फारवर्ड प्रेस भारत के दक्षिण्‍ा टोलों की पत्रिका है। वे शायद यह भी नहीं जानते कि यह हिंदी की कम से कम उन पांच प्रमुख पांच समाचार-पत्रिकाओं में से हैं, जो सर्वाधिक बिकती हैं। इन श्रेण्‍ीा की पत्रिकाओ मे शायद इंडिया टुडे के बाद सबसे अधिक 'वाषिक- त्रैवार्षिक' सदस्‍यों वाली पत्रिका है। यह सबसे अधिक महंगी पत्रिका भी है - सिर्फ 64 पेज की पत्रिका, 25 रूपये की। शुक्रवार, जो हाल ही बंद हुई, फारवर्ड प्रेस से चौगुने महंगे कागज पर 100 पेजों की पूरी तरह कलर पत्रिका थी, सिर्फ 10 रूपये की (अक्‍लमंद को इशारा काफी है)! फारवर्ड प्रेस किंचित घाटे में ही सही लेकिन अपने पाठकों की बदौलत चल रही है। घाटे से उबारने के लिए लगभग एक साल पहले पत्रिका ने अपने तीन चौथाई पेज ब्‍लैक एंड व्‍हाईट कर दिये हैं। यह वह पत्रिका है, जिसके बामसेफ और बसपा जैसे संगठनों की रैलियों में घंटे-दो घंटे में ही कई सौ ग्राहक बनते हैं। अगर इस तरह के आरोप लागने वाले लोग दलित-बहुजन सामाजिक कार्यकर्ताओं की पढने की भूख को जानते तो शायद विज्ञापनों पर निर्भर पत्रकारिता के बीच फारवर्ड् प्रेस के संघर्ष और हमारे पाठकों की प्रतिबद्धता को समझ पाते।


    0 0





    0 0


    (बताइए, इस लेख मे क्‍या अश्‍लील है ? - 1 )

    किसकी पूजा कर रहे हैं बहुजन 
    -प्रेमकुमार मणि, फारवर्ड प्रेस, 2011 
    शक्ति के विविध रूपों, यथा योग्यता, बल, पराक्रम, सामर्थ्‍य व ऊर्जा की पूजा सभ्यता के आदिकालों से होती रही है। न केवल भारत में बल्कि दुनिया के तमाम इलाकों में। दुनिया की पूरी मिथॉलॉजी के प्रतीक देवी-देवताओं के तानों-बानों से ही बुनी गयी है। आज भी शक्ति का महत्व निर्विवाद है। अमेरिका की दादागीरी पूरी दुनिया में चल रही है, तो इसलिए कि उसके पास सबसे अधिक सामरिक शक्ति और संपदा है। जिसके पास एटम बम नहीं हैं, उसकी बात कोई नहीं सुनता, उसकी आवाज का कोई मूल्य नहीं है। गीता उसकी सुनी जाती है, जिसके हाथ में सुदर्शन हो। उसी की धौंस का मतलब है और उसी की विनम्रता का भी। कवि दिनकर ने लिखा है: 'क्षमा शोभती उस भुजंग को जिसके पास गरल हो, उसको क्या जो दंतहीन, विषहीन, विनीत, सरल हो।'

    दंतहीन और विषहीन सांप सभ्यता का स्वांग भी नहीं कर सकता। उसकी विनम्रता, उसका क्षमाभाव अर्थहीन हैं। बुद्ध ने कहा है – जो कमजोर है, वह ठीक रास्ते पर नहीं चल सकता। उनकी अहिसंक सभ्यता में भी फुफकारने की छूट मिली हुई थी। जातक में एक कथा में एक उत्पाती सांप के बुद्धानुयायी हो जाने की चर्चा है। बुद्ध का अनुयायी हो जाने पर उसने लोगों को काटना-डंसना छोड़ दिया। लोगों को जब यह पता चल गया कि इसने काटना-डंसना छोड़ दिया है, तो उसे ईंट-पत्थरों से मारने लगे। इस पर भी उसने कुछ नहीं किया। ऐसे लहू-लुहान घायल अनुयायी से बुद्ध जब फिर मिले तो द्रवित हो गये और कहा 'मैंने काटने के लिए मना किया था मित्र, फुफकारने के लिए नहीं। तुम्हारी फुफकार से ही लोग भाग जाते।'

    भारत में भी शक्ति की आराधना का पुराना इतिहास रहा है। लेकिन यह इतिहास बहुत सरल नहीं है। अनेक जटिलताएं और उलझाव हैं। सिंधु घाटी की सभ्यता के समय शक्ति का जो प्रतीक था, वही आर्यों के आने के बाद नहीं रहा। पूर्व वैदिक काल, प्राक् वैदिक काल और उत्तर वैदिक काल में शक्ति के केंद्र अथवा प्रतीक बदलते रहे। आर्य सभ्यता का जैसे-जैसे प्रभाव बढ़ा, उसके विविध रूप हमारे सामने आये। इसीलिए आज का हिंदू यदि शक्ति के प्रतीक रूप में दुर्गा या किसी देवी को आदि और अंतिम मानकर चलता है, तब वह बचपना करता है। सिंधु घाटी की जो अनार्य अथवा द्रविड़ सभ्यता थी, उसमें प्रकृति और पुरुष शक्ति के समन्वित प्रतीक माने जाते थे। शांति का जमाना था। मार्क्‍सवादियों की भाषा में आदिम साम्यवादी समाज के ठीक बाद का समय। सभ्यता का इतना विकास तो हो ही गया था कि पकी ईंटों के घरों में लोग रहने लगे थे और स्नानागार से लेकर बाजार तक बन गये थे। तांबई रंग और अपेक्षाकृत छोटी नासिका वाले इन द्रविड़ों का नेता ही शिव रहा होगा। अल्हड़ अलमस्त किस्म का नायक। इन द्रविड़ों की सभ्यता में शक्ति की पूजा का कोई माहौल नहीं था। यों भी उन्नत सभ्यताओं में शक्ति पूजा की चीज नहीं होती।

    शक्ति पूजा का माहौल बना आर्यों के आगमन के बाद। सिंधु सभ्यता के शांत-सभ्य गौ-पालक (ध्यान दीजिए शिव की सवारी बैल और बैल की जननी गाय) द्रविड़ों को अपेक्षाकृत बर्बर अश्वारोही आर्यों ने तहस-नहस कर दिया और पीछे धकेल दिया। द्रविड़ आसानी से पीछे नहीं आये होंगे। भारतीय मिथकों मे जो देवासुर संग्राम है, वह इन द्रविड़ और आर्यों का ही संग्राम है। आर्यों का नेता इंद्र था। शक्ति का प्रतीक भी इंद्र ही था। वैदिक ऋषियों ने इस देवता, इंद्र की भरपूर स्तुति की है। तब आर्यों का सबसे बड़ा देवता, सबसे बड़ा नायक इंद्र था। वह वैदिक आर्यों का हरक्युलस था। तब किसी देवी की पूजा का कोई वर्णन नहीं मिलता। आर्यों का समाज पुरुष प्रधान था। पुरुषों का वर्चस्व था। द्रविड़ जमाने में प्रकृति को जो स्थान मिला था, वह लगभग समाप्त हो गया था। आर्य मातृभूमि का नहीं, पितृभूमि का नमन करने वाले थे। आर्य प्रभुत्व वाले समाज में पुरुषों का महत्व लंबे अरसे तक बना रहा। द्रविड़ों की ओर से इंद्र को लगातार चुनौती मिलती रही।

    गौ-पालक कृष्ण का इतिहास से यदि कुछ संबंध बनता है, तो लोकोक्तियों के आधार पर उसके सांवलेपन से द्रविड़ नायक ही की तस्वीर बनती है। इस कृष्ण ने भी इंद्र की पूजा का सार्वजनिक विरोध किया। उसकी जगह अपनी सत्ता स्थापित की। शिव को भी आर्य समाज ने प्रमुख तीन देवताओं में शामिल कर लिया। इंद्र की तो छुट्टी हो ही गयी। भारतीय जनसंघ की कट्टरता से भारतीय जनता पार्टी की सीमित उदारता की ओर और अंतत: एनडीए का एक ढांचा, आर्यों का समाज कुछ ऐसे ही बदला। फैलाव के लिए उदारता का वह स्वांग जरूरी होता है। पहले जार्ज और फिर शरद यादव की तरह शिव को संयोजक बनाना जरूरी था, क्योंकि इसके बिना निष्कंटक राज नहीं बनाया जा सकता था। आर्यों ने अपनी पुत्री पार्वती से शिव का विवाह कर सामंजस्य स्थापित करने की कोशिश की। जब दोनों पक्ष मजबूत हो तो सामंजस्य और समन्वय होता है। जब एक पक्ष कमजोर हो जाता है, तो दूसरा पक्ष संहार करता है। आर्य और द्रविड़ दोनों मजबूत स्थिति में थे। दोनों में सामंजस्य ही संभव था। शक्ति की पूजा का सवाल कहां था? शक्ति की पूजा तो संहार के बाद होती है। जो जीत जाता है वह पूज्य बन जाता है, जो हारता है वह पूजक।

    हालांकि पूजा का सीमित भाव सभ्य समाजों में भी होता है, लेकिन वह नायकों की होती है, शक्तिमानों की नहीं। शक्तिमानों की पूजा कमजोर, काहिल और पराजित समाज करता है। शिव की पूजा नायक की पूजा है। शक्ति की पूजा वह नहीं है। मिथकों में जो रावण पूजा है, वह शक्ति की पूजा है। ताकत की पूजा, महाबली की वंदना।

    लेकिन देवी के रूप में शक्ति की पूजा का क्या अर्थ है? अर्थ गूढ़ भी है और सामान्य भी। पूरबी समाज में मातृसत्तात्मक समाज व्यवस्था थी। पश्चिम के पितृ सत्तात्मक समाज-व्यवस्था के ठीक उलट। पूरब सांस्कृतिक रूप से बंग भूमि है, जिसका फैलाव असम तक है। यही भूमि शक्ति देवी के रूप में उपासक है। शक्ति का एक अर्थ भग अथवा योनि भी है। योनि प्रजनन शक्ति का केंद्र है। प्राचीन समाजों में भूमि की उत्पादकता बढ़ाने के लिए जो यज्ञ होते थे, उसमें स्त्रियों को नग्न करके घुमाया जाता था। पूरब में स्त्री पारंपरिक रूप से शक्ति की प्रतीक मानी जाती रही है। इस परंपरा का इस्तेमाल ब्राह्मणों ने अपने लिए सांस्कृतिक रूप से किया। गैर-ब्राह्मणों को ब्राह्मण अथवा आर्य संस्कृति मे शामिल करने का सोचा-समझा अभियान था। आर्य संस्कृति का इसे पूरब में विस्तार भी कह सकते हैं। विस्तार के लिए यहां की मातृसत्तात्मक संस्कृति से समरस होना जरूरी था। सांस्कृतिक रूप से यह भी समन्वय था। पितृसत्तात्मक संस्कृति से मातृसत्तात्मक संस्कृति का समन्वय। आर्य संस्कृति को स्त्री का महत्त्व स्वीकारना पड़ा, उसकी ताकत रेखांकित करनी पड़ी। देव की जगह देवी महत्वपूर्ण हो गयी। शक्ति का यह पूर्व-रूप (पूरबी रूप) था जो आर्य संस्कृति के लिए अपूर्व (पहले न हुआ) था।

    महिषासुर और दुर्गा के मिथक क्या है?

    लेकिन महिषासुर और दुर्गा के मिथक हैं, वह क्या है? दुर्भाग्यपूर्ण है कि अब तक हमने अभिजात ब्राह्मण नजरिये से ही इस पूरी कथा को देखा है। मुझे स्मरण है 1971 में भारत-पाक युद्ध और बंग्लादेश के निर्माण के बाद तत्कालीन जनसंघ नेता अटलबिहारी वाजपेयी ने तब की प्रधानमंत्री इंदिरा गांधी को अभिनव चंडी दुर्गा कहा था। तब तक कम्युनिस्ट नेता डांगे सठियाये नहीं थे। उन्होंने इसका तीखा विरोध करते हुए कहा था कि 'अटल बिहारी नहीं जान रहे हैं कि वह क्या कह रहे हैं और श्रीमती गांधी नहीं जान रही हैं कि वह क्या सुन रही हैं। दोनों को यह जानना चाहिए कि चंडी दुर्गा दलित और पिछड़े तबकों की संहारक थी।'डांगे के वक्तव्य के बाद इंदिरा गांधी ने संसद में ही कहा था 'मैं केवल इंदिरा हूं और यही रहना चाहती हूं।'

    महिषासुर और दुर्गा की कथा का शूद्र पाठ (और शायद शुद्ध भी) इस तरह है। महिष का मतलब भैंस होता है। महिषासुर यानी महिष का असुर। असुर मतलब सुर से अलग। सुर का मतलब देवता। देवता मतलब ब्राह्मण या सवर्ण। सुर कोई काम नहीं करते। असुर मतलब जो काम करते हों। आज के अर्थ में कर्मी। महिषासुर का अर्थ होगा भैंस पालने वाले लोग अर्थात भैंसपालक। दूध का धंधा करने वाला। ग्वाला। असुर से अहुर फिर अहीर भी बन सकता है। महिषासुर यानी भैंसपालक बंग देश के वर्चस्व प्राप्त जन रहे होंगे। नस्ल होगी द्रविड़। आर्य संस्कृति के विरोधी भी रहे होंगे। आर्यों को इन्हें पराजित करना था। इन लोगों ने दुर्गा का इस्तेमाल किया। बंग देश में वेश्याएं दुर्गा को अपने कुल का बतलाती हैं। दुर्गा की प्रतिमा बनाने में आज भी वेश्या के घर से थोड़ी मिट्टी जरूर मंगायी जाती है। भैंसपालक के नायक महिषासुर को मारने में दुर्गा को नौ रात लग गयी। जिन ब्राह्मणों ने उन्हें भेजा था, वे सांस रोक कर नौ रात तक इंतजार करते रहे। यह कठिन साधना थी। बल नहीं तो छल। छल का बल। नौवीं रात को दुर्गा को सफलता मिल गयी, उसने महिषासुर का वध कर दिया। खबर मिलते ही आर्यों (ब्राह्मणों) में उत्साह की लहर दौड़ गयी। महिषासुर के लोगों पर वह टूट पड़े और उनके मुंड (मस्तक) काटकर उन्होंने एक नयी तरह की माला बनायी। यही माला उन्होंने दुर्गा के गले में डाल दी। दुर्गा ने जो काम किया, वह तो इंद्र ने भी नहीं किया था। पार्वती ने भी शिव को पटाया भर था, संहार नहीं किया था। दुर्गा ने तो अजूबा किया था। वह सबसे महत्त्वपूर्ण थीं। सबसे अधिक धन्या शक्ति का साक्षात अवतार!

    (प्रेमकुमार मणि। हिंदी के प्रतिनिधि कथाकार, चिंतक व राजनीति कर्मी। जदयू के संस्‍थापक सदस्‍यों में रहे। इन दिनों बिहार परिवर्तन मोर्चा के बैनर तले मार्क्‍सवादियों, आंबेडकरवादियों और समाजवादियों को एक राजनीति मंच पर लाने में जुटे हैं। उनसे manipk25@gmail.comपर संपर्क किया जा सकता है।)

    LikeLike ·  · Share
    • Knniirraannjjaann Kr haan ... padh to liya ... par padhate padhate mujhe chatursen shaastri jee kaa upanyaas 'wanm rakshamah ' yaad aa rahaa thaa .. usi shaili me likhaa huaa saa hai ... 
      pagali baat to ye ki sabkuchh ' raha hoga', kiyaa gaya hoga ' aisa hoga ,waisa hoga 
      ... matlab kalpana shakti kaa jyada yogdaan hai pure lekh me ... sahi bhi ho sakata hai , galat bhi ... 
      puranon me bhi krishn aa aagman to bahut baad ki ghatana hai ,, etihas aur pragatihas ke bich ki ghatna ... is samay tak asur-sur aur dev - asur aadi kaa saaraa jhagadaa khatam tha ,, aur aarya sanskriti ekmaatra sanskriti rah gayi thi ... waise me krishn ko dravid jaati kaa batana sirf ek rang ki wajah se ... rang to raam kaa bhi saanvalaa thaa .. to aapke tark se raam bhi anarya huye ...krishn lade bhi aarya ki taraf se .. kansh bhi kshatriya nhi tha .. jiskaa unhone wadh kiya .. yahan tak ki jarasandh bhi nahi ... jinka wadh karwaaye 
      khair rahi baat durga jee ki ... to aap directly kah rahe hain ki durga anaitik kaarya me lipt thi sirf is baat se ki bangaal me koi parampara hai ... to kyaa yah bhi maan liyaa jaay ki jis mahishaasur kaa sahaadat manaya jaa rahaa hai vo ek ghor anaitik , wahashi purush tha .. ?
      aur nauraatra me nau din alag alag devi ke naam se pujaa jata hai ,, jisme 8 kaa yuddh aur shakti se koi lenaa denaa nahi hota ... 
      kul mila kar kalpana kaa samanway bahut jyaada hai tathyon ke mukaabale ... ab kalpana ke aadhaar par naya prateek gadhana aapko uchit lagataa hai to mai kuchh nhi kah sakata ... 
      par haan ye waisa bhi nahi hai jaisa bataya jaa rahaa thaa ,,, kalpana bhi maane to adhikaar hai kalpanna ka ... par thodi aur tark aur yathaarth se chije nikalati to achchhaa hota ...
      1 hr · Like
    • Knniirraannjjaann Kr dekhiye maanane waalon ke liye galat hai bhi na maanane waalon ke liye nahi bhi hai ... binaa koi aadhaar aur tark ke kisi ke biswaas aur prateek par itnaa badaa hamala nhi liyaa jaa sakataa tha
      maan bho liyaa jaay ise sach ke kareeb to isase kis tarah ki badlaav ki ummid kar rahe hain aap ...
      1 hr · Like

    0 0


    PHOTO FEATURE OCTOBER 2014

    King Mahishasur's martyrdom

    Well-known painter Dr Lal Ratnakar has created a series of paintings depicting the Bahujan rendition of the Puranic story of Mahishasur and Durga. According to this rendition, the Surs (gods) sent Durga, who was a beauty, to slay Mahishasur, the king of Asurs (today's Bahujans). Unaware of the conspiracy, Mahishasur informed his family members of the likely arrival of Durga in advance. 
    The conspirator gods hid around the abode of Mahishasur, waiting with bated breath for the success of their endeavour, for nine full days. After Durga killed Mahishasur by stabbing him with a dagger, the gods stormed Mahishasur's palace and massacred the Asurs mercilessly. The Puranic story says that before slaying Mahishasur, Durga drank liquor to her heart's content. 
    After the killing of their valiant king, the Asurs gathered on the full-moon night of 'Ashwin' (a month of Hindu calendar) to mourn his death. Dr. Ratnakar's paintings are based on this chain of events. 
    'Ashwin Purnima' (the full-moon day of Ashwin month) falls five days after the 'Dasveen' (tenth day) of Durga Puja. This year, Mahishasur Martyrdom Day will be observed in various parts of the country on 9 October.










    0 0

    Pramod Ranjan added 2 new photos.
    11 hrs · Edited · 

    फारवर्ड प्रेस पर कथित तौर पर इसी शिकायत के आधार पर कारवाई की गयी और 9 अक्‍टूबर को हमारे कर्मचारियों को कार्यालय से उठा लिया गया है व अक्‍टूबर अंक की कॉपियां जब्‍त कर ली गयीं। 
    इस शिकायत में कहा गया है कि ''Forward Press is provoking hatred and revenge sentiments against brahmins".

    फारवर्ड प्रेस ने ब्राहमण जाति के विरूद्ध नहीं, ब्राह्मणवाद के विरूद्ध जरूर आवाज उठायी है। इसी आवाज को वे खत्‍म कर देना चाहते हैं। पुलिस की दबिश लगातार जारी है..





    0 0

    अभिव्‍यक्ति पर हमला के खिलाफ प्रतिरोध मार्च

    स्‍थान: रेडियो स्‍टेशन (फ्रेजर रोड ) के पास

    समय: दोपहर दो बजे से

    दिनाक : 12 अक्‍टूबर, 14 (आज ही)

    --------------------------------------------------------

    मान्‍यवर,

    हिंदी-अंग्रेजी की मासिक पत्रिका फॉरवर्ड प्रेस के अक्‍टूबर अंक के प्रकाशित आलेखों के खिलाफ उसके दिल्‍ली कार्यालय में नौ अक्‍टूबर को छापा मारा गया। पत्रिका की प्रतियां जब्‍त कर ली गयीं। अगले दिन बाजार से भी उसकी प्रतियां जब्‍त की गयीं। यह कार्रवाई दिल्‍ली पुलिस की विशेष शाखा ने की। उधर जेएनयू में महिषासुर शहादत दिवस कार्यक्रम एक छात्र संगठन ने तोड़फोड़ की। इन कार्रवाईयों को हम अभिव्‍यक्ति पर हमला मानते हैं। इस हमले के खिलाफ पटना के जनसंगठनों ने प्रतिरोध मार्च का निर्णय लिया है। इसमें जनसंगठनों के प्रतिनिधियों के साथ वरिष्‍ठ राजनेता, पत्रकार और रंगकर्मी भी शिरकत कर रहे हैं। हम आपको भी प्रतिरोध मार्च में शामिल होने के लिए आमंत्रित करते हैं।

    यह प्रतिरोध मार्च सिर्फ फॉरवर्ड प्रेस से जुड़ा मामला नहीं है। यह संपूर्ण मीडिया जगत के अस्तित्‍व व सम्‍मान से जुड़ा मामला है। इसमें सबकी सहभागिता जरूरी है। अत: आप से निवेदन है कि आप दो बजे तक अवश्‍य रेडियो स्‍टेशन के पास पहुंचने का कष्‍ट करें। धन्‍यवाद।


    भवदीय

    वीरेंद्र कुमार यादव

    बिहार ब्‍यूरो प्रमुख

    फॉरवर्ड प्रेस

    मो- 9304170154


    0 0

    প্রসঙ্গ : কৈলাশ সত্যার্থীর নোবেল লাভ 
    --------------------------------------------
    সন্জয় দে

    রবীন্দ্রনাথ, মাদার টেরেসা বা বাংলাদেশের ইউনিস যারাই নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন, আমাদের মোটামুটি একটা ধারণা ছিল যে তাঁরা কি অবদানের জন্য এই পুরস্কারটি পেয়েছেন. কিন্তু সম্প্রতি কৈলাশ সত্যার্থী যে নোবেল পাচ্ছেন, তার ব্যাপারটা কিন্তু পুরো উল্টো. তিনি নোবেল পাওয়ার পর আমরা জানতে পেরেছি যে ছোটবেলা থেকেই নাকি শিশুদের অধিকার নিয়ে তার মধ্যে সচেতনতা ছিল। শিশুশ্রমের বিরুদ্ধে আন্দোলন করতে গিয়ে তিনি নাকি কয়েকবার হামলার শিকার হয়েছেন। অথচ ভারতের কোন শিশুই আজ পর্য্যন্ত তার নামটা জানে কিনা তাতে যথেষ্ট সন্দেহের অবকাশ করেছে. 

    banglamail24.com logo কৈলাশ সত্যার্থী সম্পর্কে জানিয়েছেন যে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার পাচ্ছেন পাকিস্তানের শিক্ষাকর্মী মালালা ইউসুফজাই ও ভারতের শিশু অধিকার কর্মী কৈলাশ সত্যার্থী।

    কৈলাশ সত্যার্থীর জন্ম ১৯৫৪ সালের ১১ জানুয়ারি। তিনি ৮০ হাজারেরও বেশি শিশুর অধিকার রক্ষায় কাজ করেছেন, তাদের দাসত্বের হাত থেকে মুক্ত করেছেন। পড়াশোনা করেছেন ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে।

    শুধু তাই নয়, banglamail24.com logo কৈলাশ সত্যার্থী সম্পর্কে পাঁচ অজানা তথ্যও দিয়েছেন, সে গুলো হলো --
    ১. মাদার তেরেসার পর তিনি দ্বিতীয় ব্যক্তি হেসেবে ভারতে নোবেল শান্তি পুরস্কার পেলেন। তবে ভারতে জন্ম নেয়া ব্যক্তি হিসেবে তিনি প্রথম। দুস্থ ও অসুস্থদের জন্য জীবন উৎসর্গ করা মাদার তেরেসা জন্মেছিলেন আলবেনিয়ায়।

    ২. শিশুশ্রমের বিরুদ্ধে আন্দোলন করতে গিয়ে তিনি কয়েকবার হামলার শিকার হয়েছেন। তিনি বউ-বাচ্চা নিয়ে দিল্লিতে বাস করেন।

    ৩. ছোটবেলা থেকেই শিশুদের অধিকার নিয়ে তার মধ্যে সচেতনতা ছিল। ছয় বছর বয়সে তিনি একদিন জানতে পারেন, তার স্কুলের পাশে তার বয়সী একটি শিশু জুতা পরিষ্কারের কাজ করে। এরপর তিনি বুঝতে পারেন তার বয়সী অনেক শিশুই স্কুলে যেতে পারে না। তখনই তিনি ভেবে নেন, বড় হয়ে শিশুদের অধিকার রক্ষায় তিনি কাজ করবেন।

    ৪. সারা বিশ্বের শিশু অধিকার কর্মীদের মধ্যে তিনি খুবই পরিচিত একজন মানুষ। এখনও তিনি শিশুদের দাসত্ব থেকে মুক্তির আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছেন। তিনি মহাত্মা গান্ধীর আদর্শে বিশ্বাসী।

    ৫. তিনি 'সাউথ এশিয়ান কোয়ালিশন অন চাইল্ড সার্ভিচুড' (এসএএসিএস) প্রতিষ্ঠার অন্যতম অগ্রগামী কর্মী।

    এখানে প্রশ্ন উঠে, যে লোক এত মানবতাবাদী কাজ করে নোবেল পুরস্কার পর্য্যন্ত পেয়ে গেল, তার কাজের তথ্য মানুষের কাছে অজানা থাকবে কেন ? ভারতের মিডিয়াও কি জানত না, কৈলাশ সত্যার্থীর অবদানের কথা ? কোন স্কুলেও তো ভুলেও ছাত্রদের কাছে কৈলাশ সত্যার্থীর নাম উচ্চারণ করা হয় নি. অথচ তিনি নাকি ৮০ হাজারেরও বেশি শিশুর অধিকার রক্ষায় কাজ করেছেন.

    0 0

    তানিশী খানিকটা কাঁদোকাঁদো 
    মতুয়া তপন

    আমার সাড়ে ৬ বছরের তানিশীর ফোনে কথা বলাতে অনীহা। আমার অথবা অন্য কারও সাথে জোর করেও ফোনে কথা বলানো যায় না ওকে, অথচ ফোন অপারেটিং থেকে শুরু করে স্মার্ট ফোনের সমস্ত রকম কারাসাজি ওর নখদর্পণে। যদি ওর নিতান্ত কোন ব্যক্তিগত দরকার থাকে যেমন কোন স্পেলিং জিজ্ঞাসা করা, পড়তে ইচ্ছে না করা বা মায়ের বিরুদ্ধে কোন অভিযোগ থাকলে তখন সে নিজে থেকে ফোন করে এববং তখন আমার ভাগ্য প্রসস্ত হয় ও আমার প্রানাধিক তানিশীর অতি সংখিপ্ত কণ্ঠস্বর শুনতে পাই। 

    এবার বাড়ি গিয়ে ওকে প্রমিস করিয়েছিলাম এবার থেকে ফোনে সে আমার সাথে কথা বলবে। কিন্তু ফিরে আসার পর দেখি একই ভাব, কথা রাখেনি তানিশী। গতকাল রাতে আমি ফোন করলে ওর মা অনেক ভুলিয়ে ভালিয়ে ওর সাথে একটা মাত্র কথা বলার সুযোগ করে দিলে আমি ওকে জিজ্ঞাসা করলাম "আচ্ছা বাবা তুমি যে স্টেশানে দাঁড়িয়ে আমায় প্রমিস করেছিলে, এবার থেকে প্রতিদিন আমার সাথে ফোনে কথা বলবে, এখন বলছনা কেন? "
    তানিশী খানিকটা কাঁদোকাঁদো এবং কিছুটা বিরক্তিজড়ানো স্বরে উত্তর দিল "আমার ভাল্লাগেনা, টাইম waste হয়।

    0 0
  • 10/12/14--05:47: हम अपनी अपनी अस्मिता के नस्लभेदी वर्णवर्चस्वी झंडेवरदार हैं,भारत देश का नागरिक कोई नहीं। वरना मुट्ठीभर दुश्चरित्र धनपशु बाहुबली सांढ़ों की क्या मजाल की भारतमां की अस्मत से खेलें! इस देश में राष्ट्रद्रोही जो तबका है,देशभक्ति उनका सबसे बड़ा कारोबर है।मुनाफाखोर जो पूंजी है,छनछनाता विकास बूंद बूंद आखिरी शख्स तक पहुंचाने का ठेका उसीका है। संविधान खत्म है।लोक गणराज्य लापता है।न लोक है और न लोक गणराज्य। सिर्फ परलोक है और परलोक का धर्म कर्म।न कानून का राज है और न लोकतंत्र है। राष्ट्र और राष्ट्रतंत्र का फर्क खत्म है कर दिया है उन्होंने।राष्ट्र की हत्या करके लाश गायब कर दी है।जो बचा है वह फासिस्ट राष्ट्रतंत्र है और इसका विरोध जो करें,वे ही राष्ट्रद्रोही। पलाश विश्वास
  • हम अपनी अपनी अस्मिता के नस्लभेदी वर्णवर्चस्वी झंडेवरदार हैं,भारत देश का नागरिक कोई नहीं।

    वरना मुट्ठीभर दुश्चरित्र धनपशु बाहुबली सांढ़ों की क्या मजाल की भारतमां की अस्मत से खेलें!

    इस देश में राष्ट्रद्रोही जो तबका है,देशभक्ति उनका सबसे बड़ा कारोबर है।मुनाफाखोर जो पूंजी है,छनछनाता विकास बूंद बूंद आखिरी शख्स तक पहुंचाने का ठेका उसीका है।


    संविधान खत्म है।लोक गणराज्य लापता है।न लोक है और न लोक गणराज्य। सिर्फ परलोक है और परलोक का धर्म कर्म।न कानून का राज है और न लोकतंत्र है।

    राष्ट्र और राष्ट्रतंत्र का फर्क खत्म है कर दिया है उन्होंने।राष्ट्र की हत्या करके लाश गायब कर दी है।जो बचा है वह फासिस्ट राष्ट्रतंत्र है और इसका विरोध जो करें,वे ही राष्ट्रद्रोही।

    पलाश विश्वास

    हम अपनी अपनी अस्मिता के नस्लभेदी वर्णवर्चस्वी झंडेवरदार हैं,भारत देश का नागरिक कोई नहीं।

    वरना मुट्ठीभर दुश्चरित्र धनपशु बाहुबली सांढ़ो की क्या मजाल की भारतमां की अस्मत से खेलें!


    आपने बतौर सभ्यता के अनुरुप बहुविवाह,सती प्रथा,बाल विवाह,नरबलि  और पशुबलि का भी परित्याग कर दिया तो असुरों की हत्या की यह रस्म खत्म क्यों नहीं कर सकते,यक्ष प्रश्न यही है और जबाव यह कि कानून के मुताबिक बाध्य नहीं हैं आप।


    अगर नरेंद्र भाई मोदी बतौर देश के लोकतात्रिक प्रधानमंत्री यह नरसंहार उत्सव कानूनन बंद करवा दें तो भी क्या आप इसे जारी रख पायेंगे,यकीनन नहीं।


    हम भारत देश के लोकतांत्रिक प्रधानमंत्री से आवेदन करेंगे कि वह फौरन इस कुप्रथा पर रोक लगायें और आवेदन करेंगे कि बाकायदा लोकतंत्र समर्थक इसके लिए कानूनी पहल करें,हस्ताक्षऱ अभियान चलायें।



    मित्रों और अमित्रों,माननीय खुशवंत सिंह जी का कालम आपको याद होगा,जिसका शीर्षक हुआ करता था,न काहू से दोस्ती न काहू से बैर।हमारे सूफी संत बाउल परंपरा का मुहावरा है,बात करुं मैं खरी खरी।


    हम इतना बड़ा दावा करने की हैसियत में नहीं हैं।


    मेरा ब्लाग लेखन कामर्शियल नहीं है,इसे आप हद से हद रोजनामचा कह सकते हैं।जो न पत्रकारिता है और न साहित्य और न इसकी कोई विशिष्ट विधा है और न ही सीमाबद्ध भाषा।मेरा प्रयास भाषा से भाषांतर होकर देशभर के अपने आत्मीयजनों का संबोधित करने का होता है,मित्रों को और अमित्रों को भी।


    धुँआधार गालीगलौज की सौगात बाटने वालों को भी मैं मित्रता से खारिज नहीं करता, बल्कि उनकी असहमति का सम्मान करता हूं।


    संयमित अभिव्यक्ति एक कठिन तपस्या का मामला है,आस्थावान और विद्वान हो जाने के बावजूद वह संयम हर किसी से सधता नहीं है।


    शब्दों का कोई दोष नहीं होता।इसलिए हर शब्द का सम्मान होना चाहिए।शब्दों का दमन अतंतः विचारधारा की पराजय है। दमन के बाद शब्द फिर शब्द नहीं रहता,एटम बम बन जाता है,जो व्यवस्था की बुनियाद तहस नहस कर देता है।अभिव्यक्ति निषिद्ध करके राजकाज का एक प्रयोग आपातकाल में हो चुका है,और जिन्हें दुर्गावतार कहा गया है,उनका रावण जैसा हश्र भी हुआ है।


    राजकाज कायदे से चलाना है तो शासक को अभिव्यक्ति की स्वतंत्रता अपने ही हित में सबसे पहले सुनिश्चित करनी चाहिए।आपातकाल का सबक यह है।


    संघ परिवार आपातकाल में निषिद्ध रहा है और आपातकाल के बाद संघ परिवार का कायाकल्प हिंदुत्व के पुनरूत्थान में हुआ है जो अब देश दुनिया में ग्लोबल पद्म प्रलय है।आदमघोर बाघ जंगल के कानून की परवाह नहीं करता और प्रकृति के नियम भी तोड़ता है।


    सत्ता के दंभ में संघ परिवार का भी हाल आदमखोर बाघ जैसा है।


    मसल महिषासुर विवाद है।यह विवाद जेएनयू से शुरु हुआ और इसे जेएनयू तक ही सीमित रह जाना था।लेकिन संघी बजरंगियों के अतिुत्साह से यह विवाद बी ग्लोबल हिंदुत्व की तरह ही ग्लोबल हो गया है।


    सुर असुर प्रकरण को भाषा विज्ञान के आलोक में देखें तो यह आर्य अनार्य मामला ही है।नृतात्विक दृष्टि से भी इस देश के मूलनिवासी और शासक तबके के शक्तिशाली लोग भिन्न गोत्र भिन्न नस्ल के हैं।


    महिषासुर और दुर्गावतार का किसी भी वैदिकी साहित्य में कोई ब्यौरा हमें नहीं मालूम है।यह महाकाव्यिक आख्यान है या प्रक्षेपण मात्र है।


    धर्म से इस मिथक का दूर दूर तक का कोई रिश्ता नहीं है।


    अनार्य शिव,अनार्य चंडी जैसे देवदेवियों की तरह दुर्गावतार कोई वैदिकी प्रतिमा नहीं है।


    यहीं नहीं,विशुद्ध वैदिकी पद्धति में तो धार्मिक क्रयाकर्म में मूर्ति पूजा को काई इतिहास ही नहीं है।यज्ञ और होम की परंपरा रही है।


    मूर्तियों का निर्माण तो हमीं लोगो ने अपने अपने अस्मिता और वर्म वर्चस्व के दावे मजबूत करने के लिए बनाये हैं,जो सिलासिला अब भी जारी है।


    लोग अपनी सत्ता के लिए जीते जी अपनी मूर्ति सरकारी पैसा खर्च करके लगवा रहे हैं।


    गांधी,अंबेडकर की मूर्तियां तो हैं ही,समता और सामाजिक न्याय के कर्मदूत गौतम बुद्ध से लेकर किसान विद्रोह के नेता बीरसा मुंडा और हरिचांद ठाकुर की मूर्तियां भी हमने बना ली हैं।


    हम मूर्ति पूजक नहीं हैं।


    हम जन्मजात हिंदू हैं और धर्म के बुनियादी तंत्र चूंकि एक ही है तो धर्म का विकल्प धर्म को मानते भी नहीं हैं।


    धर्म अगर निरर्थक है और अगर धर्म सार्थक भी है तो यह निजी मामला है आस्था का।नहीं होता तो हिमालय देवभूमि नहीं बनता और तपस्वी हिमालय के उत्तुंग शिखरों में तपस्या नहीं कर रहे होते,बल्कि बाबाओं की तरह सार्वजनिक प्रवचन से लाखों लाक कमा रहे होते।


    हम दुर्गावतार को भंग करके महिषासुर की मूर्ति गढ़ने के खिलाफ रहे हैं और मनते हैं कि इस नये सुरासुर संग्राम से कुछ हासिल होने वाला नहीं है।


    चूंकि हम आस्था आधारित नहीं,वर्गीय ध्रूवीकरण को ही मुक्तबाजारी युद्धक अर्थव्यवस्था के सैन्य राष्ट्रतंत्र के तिलिस्म को तोड़ने का एकमात्र रास्ता मानते हैं।


    बंगाल में लेकिन दुर्गापूजा विशुद्ध अस्पृश्यता और नस्ली नरसंहार का मामला है और हम इसका पहले भी विरोध करते रहे हैं।


    हाल में हुए दुर्गोत्सव में पूजा परिक्रमा में बी बनेदी बाड़ीर पूजो पोकस पर थी और बाकी पुजाओं में कहीं मूर्ति ,कहीं आलोकसज्जा तो कहीं विचित्र पंडाल की परिक्रमा थी।


    मुख्यमंत्री ने न सिर्फ देवी को चक्षुदान किया बल्कि सर्वश्रेष्ठ दोवियों को पुरस्कार भी बांटे कंगाल हुए राजकोष से।विशषज्ञों को भुगतान अलग से।


    ये बनेदी बाड़ी क्या है,इस पर गौर करना जरुरी है।


    ये राजपरिवारों और जमींदारों के वंशजों के उत्तराधिकारियों के महल हैं,जलसाघर की सामंतशाही के अवशेष हैं और महफिलें जजाने के अलावा दुर्गापूजा उनके राजकीय पुरखों ने  ही बौद्धमय बंगाल के अवसान पर राजतंत्र और जमींदारी के तहत निरंकुश नस्ली प्रजा उत्पीड़न के तहत शुरु किया,जिसकी अनिवार्य रस्म नरबलि थी।


    अब भी नारियल फोड़कर नरबलि की रस्म निभायी जाती है तो कर्म कांड में गैर ब्राह्मणों को कोई प्रवेश नहीं है।


    अब आप इसे कैसे वैदिकी परंपरा बताते हैं जो बंगाल में इस्लाम मनसबदारों ने शुरु किया और बंगाल से लेकर आंध्र,तमिलनाडु,महाराष्ट्र और उत्तरप्रदेश के विध्यांचल तक शूद्र आदिवासी राजाओं को जीत के विजया का उत्सव बना दिया इसे।


    किसी वैदिकी साहित्य या सनातन हिंदू धर्म ने नहीं बल्कि शासकीय हित ने पराजित राजाओं को असुर दानव दैत्य राक्षस इत्यादि नाम दिये और श्रीराम के महाकाव्यिक मनुस्मृति कथा के उपाख्यान बतौर दुर्गापूजा को प्रक्षेपित कर दिया।


    पराजितों का भी इतिहास होता है।



    शासकों के मिथक होते हैं तो प्रजाजनों के मिथक भी होंगे।


    मह मिथकों को एकाककार नहीं करते।हम दुर्गावतार के ब्राह्मणी राजवड़िया मिथक और महिषासुर के मिथक को एकाकर नहीं करते।


    लेकिन सत्य यह है कि असुर जाति के लोग बंगाल में भी हैं औरदेस काआदिवासी भूगोल तो असुरों का ही है।बंगाल का नाम ही बंगासुर के नाम पर हुआ।


    दुर्गोत्सव के दौरान ये लोग उत्सव नहीं,मातम मनाते हैं।


    आपने दुर्गा का मिथ बनाया तो इसके तोड़ बतौर वे महिषासुर का मितक बनायेंगे ही।आप दुर्गा की मूर्ति बनाके रहे सदियों से तो वे महिषासुर की पूजा करेंगे ही।महिषासुर को आप जैसे नस्ली भेदभाव से हत्या करते हैं तो वे अपने नजरिये से दुर्गा को पेश करेंगे ही।


    फिर वही सुरासुर संग्राम है।


    लोकतंत्र और आधुनिक मानवतावादी सभ्यता के तकाजे से आप नरबलि कर नहीं सकते, करेंगे तो कानून के तहत हत्यारा बनकर खुद बलिप्रदत्त हो जायेंगे।


    आपने बतौर सभ्यता के अनुरुप बहुविवाह,सती प्रथा,बाल विवाह,नरबलि  और पशुबलि का भी परित्याग कर दिया तो असुरों की हत्या की यह रस्म खत्म क्यों नहीं कर सकते,यक्ष प्रश्न यही है और जबाव यह कि कानून के मुताबिक बाध्य नहीं हैं आप।


    अगर नरेंद्र भाई मोदी बतौर देश के लोकतात्रिक प्रधानमंत्री यह नरसंहार उत्सव कानूनन बंद करवा दें तो भी क्या आप इसे जारी रख पायेंगे,यकीनन नहीं।

    हम भारत देश के लोकतांत्रिक प्रदानमंत्री से आवेदन करेंगे कि वह फौरन इस कुप्रथा पर रोक लगायें और आवेदन करेंगे कि बाकायदा लोकतंत्र समर्थक इसके लिए कानूनी पहल करें,हस्ताक्षऱ अभियान चलायें।


    तो देश में अगर लोकतंत्र है,अगर कानून का राज है,तो बहुसंक्यअसुर समुदायों के नरसंहार के उत्सव को अपना धर्म बताकर आप कैसे हिंदू राष्ट्र की परिकल्पना बना रहे हैं,यह आपका सरदर्द है,आपका समावेशी डायवर्सिटी है,इसपर हम टिप्पणी नहीं कर सकते


    ।अगर आपको अपनी आस्था के मुताबिक नरसंहार उत्सव मनाने का हक है तो असुरों को महिषासुर की कथा बंचने से कैसे रोक सकते हैं आप।


    हम धर्म अधर्म के पचड़े में नहीं पड़ते और न हम आस्था के कारोबारी हैं।


    अस्मिता और भावनाओं से भी इस नर्क को स्वर्ग बनाने का दिवास्वप्न हम देखते नहीं हैं।


    हम दुर्गापूजा में नरसंहार संस्कृति के खिलाफ पहले भी लिखते बोलते रहे हैं,लेकिन दुर्गा के मुकाबले महिषासुर के मिथक और उसकी मूर्ति पूजा के बी हम उतने ही विरोधी हैं।


    लेकिन जेएनयू में महिषासुर पर्व से पहले जिसतरह फारवर्ड प्रेस पर छापा मारा गया,वह न केवल अभिव्यक्ति की स्वतंत्रता का हनन है ,बल्कि यह निर्लज्ज,निरंकुश सत्ता के आपातकाल का नस्ली कायाकल्प है और असुर आदिवासी जनता के खिलाफ सैन्य राष्ट्रतंत्र का एक और हमला है।


    इसलिए हम इसकी निंदा करते हैं और ऐसे तमाम भारतीय नागरिक जिनका सुरासुर विवाद से कोई लेना देना नहीं है,वे भी इस संघी फासिज्म का विरोध करने को मजबूर हैं।


    जो हमें वाम धर्मनिरपेक्ष खेमे से जोड़कर गरियाते हैं,उलसे विनम्र निवेदन है कि हम मलाला के समर्थक हैं तो भारत में भी किसी को मलाला बानाने की इजाजत नहीं दे सकते।हम घर बाहर स्त्री उत्पीड़न के खिलाफ हैं ,स्त्री अधिकारों के अंध समर्थक हैं


    जो हमें वाम धर्मनिरपेक्ष खेमे से जोड़कर गरियाते हैं,उलसे विनम्र निवेदन है कि हम हिंदू राष्ट्रवाद के खिलाफ उसीतरह हैं ,जैसे इस्लमी राष्ट्रवाद के खिलाफ साहबाग के साथ मोर्चाबंद हैं।


    जो हमें वाम धर्मनिरपेक्ष खेमे से जोड़कर गरियाते हैं,उलसे विनम्र निवेदन है कि हमने तसलिमा के भारते आने के बाद,उनके निर्वाचित कालम प्रकाळित होने के बाद,लज्जा पर रोक और बांग्लादेश से निष्कासन के पहले से उनके मानवता वादी पुरुषतंत्रविरोधी धर्मविरोधी विचारों के समर्थन को कभी वापस नहीं लिया है और न लेेंगे।


    जो हमें वाम धर्मनिरपेक्ष खेमे से जोड़कर गरियाते हैं,उनसे विनम्र निवेदन है कि हम वोटबैंक की राजनीति नहीं करते।और हम पार्टीबद्ध नहीं हैं।हम आजाद देश के आजाद नागरिक की आवाज बुलंद करते रहेगेषनाकाहू से बैर ,न काहू से दोस्ती।


    संघ परिवार में सबसे ज्यादा पढ़े लिखे,सबसे अनुशासित,सबसे निष्ठावान ,सबसे प्रतिबद्ध कार्यकर्ता है,धर्मोन्मादी हिंदूराष्ट्र के बजाय वे सही मायने में समाता सामाजिक न्याय के जाकि विहीव वर्गविहीन भार निर्माण का संकल्प लें तो इस देस का भविष्य कुछ और हो नहो,देश बेचो संप्रादाय का खात्मा समझो।


    मैं 14 अक्तूबर को कोलकाता से अपने गांव बसंतीपुर जा रहा हूं करीब सात साल के अंतराल के बाद।दिल्ली होकर कोलकाता लौटना होगा पहली नवंबर को।देहरादून जाना चाहता था लेकिन लगता है कि वहां मेरा कोई मित्र है नहीं तो जाने से क्या फायदा।


    कमल जोशी अगर कोटद्वार होेंगे,तो वहा जाकर अस्कोट आरोकाट यात्रा का अनुभव उनकी जुबानी सुनने की इच्छा है।


    राजीव नयन बहुगुणा से सात के दशक में नैनीताल में मुलाकात हुई थी,लेकिन उनके सुर्खाव के पर तब तक खुले नहीं थे।


    उनके पिता हमारे भी बहुत कुछ लगते हैं।


    मेरे पिता तो रहे नहीं हैं,उनके पिता के दर्शन की इच्छा भी है।


    हो सकता है कि इसी बहाने देहरादून चला भी जाऊं।उनके संगीतज्ञ चरित्र सविता को बहुत अच्छा लगेगा,क्योंक सुर ताल वही समझती हैं।लेकिन सत्ता के साथ अपने नयन दाज्यू के जो संबंध हैं,वैसे संबंध मेरे लिए मुनासिब नहीं है तो थोड़ी हिचक है।


    सत्तर के दशक में कब तक सहती रहेगी तराई की वजह से बंगाली इलाकों दिनेशपुर और शक्तिफार्म से मुझे तडिपार होना पड़ा था।अब वे इलाके बजरंगियों के मजबूत गढ़ हैं।


    देशभर के संघी मुझे दुश्मन मानने लगे हैं अकारण और इसलिए थोड़ा डर रहा हूं कि कुछ ज्यादा ही बूढाने लगा हूं और पिटने पाटने की नौबत आ गयी तो तेज भागकर शायद ही जान बचा सकूं।


    वैसे भी उत्तराखंड में उत्तराखंडी जो थे ,अब ज्यादातर संघी हो गये हैं और उनमें से ज्यादातर बजरंगी है।


    नैनीताल भी केसरिया है।डरना तो पड़ता ही है।


    इस हिसाब से तो हमारे जैसे लोग कहीं भी सुरक्षित बच नहीं सकते।


    हुसैन की तरह नामी भी नहीं हूं कि विदेश भाग जाऊं या दूसरे बड़े लोगों की तरह कोई चुनौतीभरा बयान देकर मीडिया पर छा जाऊं और फिर सरकार सुरक्षा का इंतजाम करें।


    तो क्या इस देश में बतौर नागरिक हम कुछ भी कह लिखने को स्वतंत्र नहीं हैं.यह आज का सबसे बड़ा ज्वलंत सवाल है।


    फारवर्ड प्रेस की गतिविधियों में मैं शामिल नहीं हूं।जेएनयू केद्रित असिमता युद्ध में हमारा कोई पक्ष नहीं है और न हमारे सरोकार जेएनयू से शुरु या खत्म होते हैं।लेकिन नये नये अस्मिताओं के आविस्कार बजरिये अस्मिताओं में बंटे देश को और ज्यादा बांटने के लिए जेएनयू जैसे तमाम मठों और मठाधीशों को मैंने कभी बख्शा भी नहीं है।


    अस्मिताओं को तोड़ने में किसी भी तरह का अस्मिता उन्माद बाधक है।


    भावनाओं के विस्फोट से सामाजिक यथार्थ बदलते नहीं है।

    हम दुनिया के सबसे बड़े लोकतंत्र के,सबसे बड़े लोक गणराज्य के स्वतंत्र और संप्रभु नागरिक हैं।


    हमारा संविधान सबसे अच्छा है हालांकि अब भी हम इस संविधान के मुख्य कारीगर बाबासाहेब डा. अंबेडकर अब भी अश्पृश्य मानते हैं और आरक्षण के लिए,जातिबद्ध राजनीति के लिए उन्हें जिम्मेदार मानने से परहेज नहीं करते और कुछ दुकानदारों को भारत के संविधान निर्माता के नाम खुल्ला खेल फर्रुखाबाद की इजाजत देते हैं क्योंकि हम भी मानते हैं कि बाबासाहेब सिर्फ दलितों के मसीहा है,जैसे अंबेडकरी नेतागण कहते अघाते नहीं और इसी जुगत से बाबा के एटीएम के दखलदार बने हुए हैं और वे तमाम लोग मजे मजे में हिंदूराष्ट्र के राम श्याम बलराम बरंगबली है।


    ब्राह्मण वर्णवर्चस्वी हजारों साल के संस्कार की वजह से है और राष्ट्रतंत्र के मौजूदा नस्ली चरित्र की वजह से भी है।लेकिन बहुजन राम श्याम बलराम बजरंगियों से वे कुछ ज्यादा समझदार हैं क्योंकि वे अमूमन शिक्षित होते हैं और भाषा,ज्ञान और संवाद के हुनर उनमें हैं और आत्मनियंत्रण का संयम भी है।


    उनमें संस्कार तोड़ने की क्षमता भी है।हजारों साल से शिक्षा और दूसरी बुनियादी हक हकूक से वंचित जो बहुजन बहिस्कृत जनता है,हिंदुत्व की पैदल सेना बन जाने की वजह से वे ही ज्यादा ज्यादा बजरंगवली हैं।


    इस देश में राष्ट्रद्रोही जो तबका है,देशभक्ति उनका सबसे बड़ा कारोबर है।मुनाफाखोर जो पूंजी है,छनछनाता विकास बूंद बूंद आखिरी शख्स तक पहुंचाने का ठेका उसीका है।


    संविधान खत्म है।लोक गणराज्य लापता है।न लोक है और न लोक गणराज्य। सिर्फ परलोक है और परलोक का धर्म कर्म।न कानून का राज है और न लोकतंत्र है।


    हम अपनी अपनी अस्मिता के नस्लभेदी वर्णवर्चस्वी झंडेवरदार हैं,भारत देश का नागरिक कोई नहीं।वरना मुट्ठीभर दुश्चरित्र धनपशु बाहुबली सांढ़ो की क्या मजाल की भारतमां की अस्मत से खेलें!


    राष्ट्र और राष्ट्रतंत्र का फर्क खत्म है कर दिया है उन्होंने।राष्ट्र की हत्या करके लाश गायब कर दी है।जो बचा है वह फासिस्ट राष्ट्रतंत्र है और इसका विरोध जो करें,वे ङी राष्ट्रद्रोही।



    0 0

    BJP's 'Hindu' Model

    Vol - XLIX No. 41, October 11, 2014 Anand Teltumbde 
    • The Sangh Parivar had better understand that their "Hindu" model is never going to work. The more they drive their supremacist project, the more they would alienate people.

      Anand Teltumbde (tanandraj@gmail.com) is a writer and civil rights activist with the Committee for the Protection of Democratic Rights, Mumbai.

      Notwithstanding Narendra Modi's passionate appeal from the ramparts of the Red Fort for a 10-year moratorium on casteism, communalism and regionalism, the communal intrigues by his Parivar members have not diminished. On the contrary, these manoeuvres reached such cacophonous levels during the campaign for the recent by-polls in nine states that one thought the Bharatiya Janata Party (BJP) had gone back to its old game of doublespeak and deceit. The party had nominated its controversial MP (Member of Parliament) Yogi Adityanath to lead its campaign for the by-poll of 11 assembly seats and one Lok Sabha seat in Uttar Pradesh (UP), along with the state BJP chief Laxmikant Bajpai, and Union Minister of Micro, Small and Medium Enterprises, Kalraj Mishra. The young saffron-clad Adityanath – an MP from Gorakhpur since 1998 – has attained notoriety for his communal antics to become the BJP's Hindutva face. Just two days before Modi's Independence-Day speech, he had spewed communal venom in Parliament under approving nods from Union Home Minister Rajnath Singh, stressing the need for Hindus to unite against minorities. In fact, Sudhanshu Trivedi, the BJP spokesperson, has said that Adityanath was consciously chosen to be the face of BJP's campaign in UP. It is clear that the BJP wanted to communally polarise the people, repeat what Amit Shah had skilfully accomplished in the Lok Sabha elections.

      In a previous column ("Back to Monkey Tricks", EPW, 30 August 2014), I had warned that the monkey tricks of the Hindutva brigade would prove suicidal for the BJP if such antics were not arrested in time. The by-poll results have verily borne this out. The BJP, which had handsomely won just four months ago, had held 26 of the 32 assembly seats in the nine states, but it could retain only 12. The biggest hit was in UP, the state where Adityanath led its campaign, where it lost seven of its 11 seats. In Rajasthan and Gujarat, where the BJP had swept the Lok Sabha polls, it lost three seats each. I had also warned against the unwarranted euphoria in the RSS (Rashtriya Swayamsevak Sangh) camp by indicating that despite BJP's landslide win, its core constituency was more-or-less stagnant at around 22% as in previous elections; what made all the difference was the 40 million odd votes of the first-time voters it attracted with its development rhetoric and strategically muted Hindutva. This election surely shows this first-time voters' disapproval of its communal politics. While the BJP could ignore this only to its peril, the broader issue it must introspect upon is the very viability of its communal plank in the future.

      Hindutva Hocus-pocus

      Notwithstanding its rhetorical posturing on myriad other issues, Hindutva, inherited from its mother organisation, the RSS, constitutes the BJP's ideological core. Howsoever the Sangh Parivar may equivocate about it, Hindutva is nothing but a ploy of the upper caste elites to regain their racist supremacy. India is a land of paradoxes where, at the very basic level, language fails to bear meanings – where freedom could mean slavery, imperialism could signify anti-imperialism, swaraj could convey bondage, national could denote anti-national, and so on, depending on the caste band one identified with.

      The fall of Peshwai in 1818 deeply hurt the Chitpawans of Pune, which impelled many of them to take up arms against the British. This was stereotypically taken as anti-imperialist and revolutionary but in reality it was imperialist and reactionary. Essentially, the Peshwas tried to regain their lost kingdom. If they were anti-imperialist, they would have certainly noticed the ubiquitous caste oppression of two-thirds of their own people. Vinayak Damodar Savarkar, the father of "Hindutva", was the last of these "brave revolutionaries", who provided the ideological basis for his people to organise and work for their dream. Muslims and Christians, having largely come from the lower castes, were to be their "Other". The potential threat germinating from the incipient movements of dalits in Maharashtra by the early 1920s also pushed them to group into a fascist form of organisation, the RSS.

      Fascism and Nazism in Europe have been the RSS's inspiration. One has only to take a glimpse at Golwalkar's gems of thought to realise how insidious they are. Realising that they could not progress without "brahmanising" the larger masses, the Sanghis created a number of organisations, constituting a continuum, catering to the needs of most social groups. Thus over the years, they succeeded in brahmanising large sections of tribals, dalits, and backward castes. While the other minor dalit castes were easily trapped, the followers of Ambedkar – by far the most bitter critic of brahmanism – were also netted into the "Samajik Samarasata Manch". Today, the BJP has the largest number of SC/ST MPs and MLAs in its kitty. While the Sangh Parivar has succeeded with such subterfuges, its internal contradictions have also grown to limit its rise and sustenance. It does not realise that these contradictions basically stem from the non-definition of its ideological intent. Hindu, Hinduism, Hindutva, Hindustan – its fond lexicon may appear real but is intrinsically unreal and foggy. These words in its vocabulary existed neither in history nor in any other way.

      Hindu, Hindutva, Hindustan

      Mohan Bhagwat, the Sangh supremo, has a simplistic syllogism that India was Hindustan; the people of Hindustan are Hindus, and hence India is already a Hindu rashtra. He hardly realised that it was not only foolish but also self-defeating as it would imply that the RSS's mission has been accomplished and hence the enterprise should be closed. As one can see, the mission of the Sangh Parivar is rooted either in ignorance or in deceit. The identity the Parivar flaunts is, at best, given to it by foreigners and, at worst, it is an abuse. The word Hindu, in the former interpretation, comes from the Persian mispronunciation of 's' as 'h' to mean people living beyond the river Sindhu. Popular though, this uncritical hypothesis is untenable because there are scores of words in the Persian language starting with 's' (e g, shia, sunni, shariat, sahir, sardar) which are pronounced properly. The connotation with which the Persians and Turks used Hindu is found in their dictionaries and could be very embarrassing to Bhagwat and his Parivar. There, the meaning of Hindu is thief, dacoit, waylayer, slave, obedient servant, and also black-skinned as inHindu-e-falak meaning "the black of the sky and Saturn". Another clue for its derogatory connotation comes from "Hindu Kush", the name of the mountain range bordering central Asia, which means killers of Hindus. In any case, the word Hindu is neither found in Sanskrit nor in any of the native dialects and languages of India.

      Hindu never had a religious connotation. The ancient Persian Cuneiform inscriptions and the Zend Avesta refer to the word "Hindu" as a geographic name rather than a religious one. When the Persian King Darius I extended his empire up to the borders of the Indian subcontinent in 517 BC, the ancient Persians referred to the people from the latter as "Hindus". The ancient Greeks and Armenians followed the same pronunciation, and thus, gradually the name stuck.

      When it comes to the meaning of Hinduism, its protagonists like Tilak and Radhakrishnan provide its non-definition, including practically any and everything. Ultimately it became a matter for the Supreme Court to decide what it is, which it did in 1966 and again in 1995. In a case filed by the followers of Swaminarayan (1780-1830) claiming to be non-Hindus in order to challenge the applicability of the 1948 Bombay Harijan (Temple Entry) Act, which guaranteed dalits access to all temples, the Supreme Court had defined Hinduism by its tolerance and inclusivity, citing the definitions of Radhakrishnan and some Europeans. Interestingly, it was actually inspired by the desire of certain Hindus to exclude other Hindus (dalits) from their temples. Contrary to the contentions of the Sangh Parivar, its claim that everyone in India is (or should be) a Hindu was never true. It was not true during the millennia before the Indus Valley or the Vedas. And, it was not true of most of India even after the early settlements of north India, and certainly never true after the rise of Buddhism.

      The Idea of India

      It is time the Sangh Parivar came out of its reveries and realised certain hard facts of history. This country they feign a pride in and devotion to is called India or Bharat and not Hindustan. It is the gift of the colonialists; it never existed before in this shape and size. The Muslims that they love to hate have been part of this land since that 17-year-old lad called Muhammad bin Qasim captured Sindh in the eighth century and paved the way for Islamic expansion, not by the sword as they believe but by Islam's egalitarian appeal to the lower castes, who were oppressed by their Sanatan Dharma. This great subcontinent, so richly endowed, was given a history of slavery by their own supremacist obsession, which eventually led to cataclysmic partition. Even then Muslims make India one of the most populous Muslim nations in the world. Muslim input into Indian culture, of which Muslims are unduly proud, is far more extensive than their numbers would imply. As a matter of fact, much of the archaeological treasures of India are due to them. The "arch", which was unheard of in ancient or even early medieval India, was their bequest. Their contribution to the arts and music is disproportionately high. It is the colonialists, who, driven by their own interests, had given India its modernity and infrastructure, whereas it is their native successors who are milking her dry.

      The Sangh Parivar must understand that their "Hindu" model is never going to work. The more they drive their supremacist project, the more they would alienate people. It is better they heed the counsel of Babasaheb Ambedkar, whom they consider pratahsmaraniya:

      There is an utter lack among the Hindus of what the sociologists call 'consciousness of kind'. There is no Hindu consciousness of kind. In every Hindu the consciousness that exists is the consciousness of his caste. That is the reason why the Hindus cannot be said to form a society or a nation.

      The idea of India is based on the plurality and diversity of its people. It is on these terms alone this multinational country can survive.


    0 0

    Posted by  in Poster

    Condemn the raid and attack in the office of Forward Press Magazine following the diktats of Brahmanical forces!

    On 9th October, the special branch of Delhi police brazenly attacked and vandalised the Delhi office of Forward Press magazine, a Hindi-English bilingual monthly of Dalits and Bahujans, and forcibly seized copies of their October special issue on Bahujan Sramana Tradition along with arresting fouremployees.The consulting editor of the magazine who is being maliciously targeted and threatened with arrest has stated in a press release that the October issue of the magazine has attempted a Bahujan reading of the story of Mahishasur and Durga through the medium of pictures and essays. This motivated act of police violence following the diktats of Brahmanical forces, is because of the attempt by Forward Press to challenge the dominant myths about Mahishasura. He also added that the police forces were confiscating copies of the magazine from stalls in Delhi without any order of any court or competent authority.On the same night, rabid ABVP goons attacked and assaulted students attending a programme conducted by AIBSF on Mahishashur in JNU. Hoodlums from ABVP even filed an FIR against a student in the Vasant Kunj police station for distributing copies of the article 'Kiski Puja Kar Rahe Hai Bahujan' from the magazine.

    This is only a flashpoint in a chain of instances where writers, artists and scholars have faced a backlash from a right-wing bolstered by a communal fascist state and its machinery. When James Laine's book on Shivaji, Paul Courtwright's book on a hindu deity, Wendy Doniger's The Hindus: An alternative history or AK Ramanujan's essay Three Hundred Ramayanas (which was removed from the history syllabus in Delhi University) allegedly 'hurt the sentiments of certain religious communities', it was not only these 'hurt' jingoist guardians 'from Hindu right-wing organisations, but also the high court, universities and home ministry that issued diktats that the books be removed from syllabus, or banned, and even sanctioned arrest warrants and unleashed the police force upon them.

    Agents of this state like the newly appointed ICHR chairperson Yellapragada Sudershan Rao or the self appointed custodian of preserving hindu myths, Dinanath Batra, however, are free to make open and rabid casteist and communal statements and celebrate their saffronized reinterpretation of history. At a time when everyone is hysterically brandishing a preposterous peace prize awarded to Kailash Satyarthi, at the same time, any other voice from the marginalized which even remotely challenge the dominant notions of history or even dare to present an alternative reading of the myths face censorship, clamp down and state repression. The incarceration of cultural activists like Sudhir Dhawale, Hem Mishra and many others or clamp down on magazines like Peoples March only reveals one half of the oppressive face of the juggernaut that is the Indian State. The point is that it is not the adherence to a particular ideology or the use of violence that this state suppresses, it attacks and attempts to suppress all democratic voices of dissent even when they follow the politics of parliamentary democracy and Indian constitution. The attack on Forward Press magazine only exposes the true character of the Indian State in cahoots with the oppressive agenda of Hindutva. We condemn the police crackdown on the staff of Forward Press in strongest terms.


    0 0

    Displaying 20141013185529_00001.jpg

    0 0

    প্রিয় ভারতবাসী,

    ভারতের সংবিধান সারা বিশ্বে গণতন্ত্রের সর্ববৃহৎ এবং সর্বশ্রেষ্ঠ সংবিধান হিসেবে গণ্য করা হয়। গণতন্ত্রপ্রেমী সব দেশ এই সংবিধানকে মহান সংবিধান হিসেবে অভিবাদন করে। এই সংবিধানের জন্যই বিগত ৬৫ বছর ধরে দেশের ২৯টি রাজ্য, ৭টি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল, ২২টি মূখ্য ভাষা, ১৭০০ র বেশী মাতৃভাষা, ৭টি মুখ্য ধর্ম এবং ৬৭৪৮টির বেশী জাতীসমূহের বিভিন্নতা থাকা সত্ত্বেও এদেশের মানুষ সংবদ্ধ নাগরিক জীবন উপভোগ করছে। বিবিধের মাঝে মিলনের এমন সুনিবিড় বন্ধন সারা বিশ্বে বিরল।

    ভারতের সংবিধানের ভীত এমন ভাবে গড়া হয়েছে যে, এদেশের প্রত্যেক নাগরিক যেন আর্থিক, সামাজিক, ধার্মিক ও সাংস্কৃতিক মার্গ প্রদর্শন করতে সক্ষম হয়। সমতা, স্বতন্ত্রতা, ন্যায় ও মিত্রতাই এই সংবিধানের মূল উদ্দেশ্য। এই সংবিধান ভারতের প্রত্যেক নাগরিককে ধর্ম, জাতি, লিঙ্গ, ভাষা এবং আঞ্চলিক ভেদাভেদের ঊর্ধ্বে এসে সদ্ভাবনার সাথে জীবন অতিবাহিত করার মৌলিক অধিকার প্রদান করে। আমাদের গর্ব এখানেই যে, ভারতের সংবিধান নির্মাতাগণ দেশকে এমন এক মহান সংবিধান প্রদান করেছেন যেখানে ধ্বনিত হয়েছে ঃ

    না থাকবে কেউ ভুখা নাংগা না থাকবে কেউ নিরক্ষর গোয়াড়

    সবার হাতে থাকবে কাজ, কেউ হবেনা অন্যায়ের শিকার।

    জাতি ধর্ম, লিঙ্গ, ভাষা সব ভেদাভেদ হবে বিনাশ,

    রাজা প্রজা কেউ রবেনা সবার হবে সমবিকাশ।

    গর্বে ভরা উন্নত শির উন্নত বাণীর উড়বে নিশান

    বিশ্ব মাঝে বন্দিত হবে মহান ভারতের সংবিধান।

     

    কিন্তু অত্যন্ত বেদনার সাথে বলতে হচ্ছে যে, বিগত ৬৫ বছের ধরে দেশে যে সরকার গঠন হয়েছে তাদের সমতা, স্বতন্ত্রতা, ন্যায় ও মিত্রতার উপর কোন বিশ্বাস ছিলনা। বরং তারা হাজার হাজার বছরের প্রাচীন অসাম্য ব্যবস্থাকেই টিকিয়ে রাখার উপর বেশী মনযোগী ছিলেন। এই সরকারগুলির দ্বারা সংবিধানের এই বিপ্রতীপ প্রয়োগের ফলে ভারতের মত জনকল্যাণকারী শান্তিপ্রিয় রাষ্ট্র আজ বিচ্ছিন্নতাবাদ, নকশালবাদ, আঞ্চলিকতাবাদ, উৎপীড়ন, দারিদ্র, ভুখমারি, ক্ষুধার্ত, বেকারত্ব ও সাম্প্রদায়িক হানাহানির ক্লেদাক্ত কর্দমে পতিত হয়েছে।

    আজ ক্ষমতাসীন শাসকেরা ভারতীয় সংবিধানের মূল কাঠামোকে অগ্রাহ্য করে দেশের জল, জঙ্গল, জমিন এবং সরকারী সম্পদগুলিকে পুঁজিপতি এবং বিদেশি নেকড়েদের কাছে 'দু'কড়িমূল্যে বেঁচে দিয়েছে এবং দেশকে আর্থিক গোলামীর যূপকাষ্ঠের সামনে খাড়া করে দিয়েছে। সংসদীয় গণতন্ত্রে যে জনকল্যাণকারী  নির্ণয় সংসদের অভ্যন্তরে নেওয়া প্রয়োজন তা আজ সংসদের বাইরে নেওয়া হচ্ছে যা ভারতের গণতন্ত্র, সংবিধান ও ভারতবাসীকে সরাসরি অপমান। বিশ্বের সর্বশ্রেষ্ঠ লোকতন্ত্রের এমন অসহায় পরিণতিতে দেশবাসী ভারতকে  স্বৈরাচারী, ফ্যাসিবাদী রাষ্ট্রে পরিণত হওয়ার দুর্ভাবনায় আতঙ্কিত।

    এমন বিকট পরিস্থিতিতে ভারতের একজন আদর্শ দেশপ্রেমী নাগরিক হিসেবে, সংসদীয় গণতন্ত্র রক্ষার জন্য, দেশকে আর্থিক গোলামী থেকে মুক্ত করার জন্য, দেশের প্রত্যেক নাগরিকের সমতা, স্বতন্ত্রতা, ন্যায় ও মিত্রতার নিবিড় বন্ধনে জীবন অতিবাহিত করার জন্য আমাদের কাছে কেবল একটিই মাত্রই উপায় খোলা আছে যা হল ভারতের মহান সংবিধানের প্রতিটি অক্ষর সততার সাথে অনুসরণ করা। আগামী ২৬শে নভেম্বর, ২০১৪ এই বিশ্বমান্য সংবিধানের ৬৫ সাল পূর্ণ হতে চলেছে। এই উপলক্ষে সমস্ত ভারতবাসীকে "সংবিধান জাগৃতি অভিযান""সংসদীয় লোকতন্ত্র দিবস" পালন করার সংকল্প গ্রহণ করতে আহ্বান জানাচ্ছি।

    এই উপলক্ষে ঃ

    ক) ভারতের জাতীয় পতাকা এবং সংবিধানের প্রতিরূপ নিয়ে শান্তিপূর্ণ ভাবে, আইনানুগ শৃঙ্খলা পূর্বক বিশাল সংখ্যক জন সমারোহের সাথে র‍্যালি প্রদর্শন করুন।

    খ) ভারতের সংবিধানের উপর আলোচনা চক্র, সেমিনার, প্রদর্শনী, পথনাটক সহ সাংস্কৃতিক কর্মসূচী পালন করুন।  

     

     

    জন সচেতনতা ও জনকল্যাণের জন্য  ন্যাশনাল সোশ্যাল মুভমেন্ট অফ ইন্ডিয়া দ্বারা প্রচারিত  

        

                 

                         


older | 1 | .... | 28 | 29 | (Page 30) | 31 | 32 | .... | 303 | newer