Are you the publisher? Claim or contact us about this channel


Embed this content in your HTML

Search

Report adult content:

click to rate:

Account: (login)

More Channels


Channel Catalog


Articles on this Page

(showing articles 5681 to 5700 of 6050)
(showing articles 5681 to 5700 of 6050)

Channel Description:

This is my Real Life Story: Troubled Galaxy Destroyed Dreams. It is hightime that I should share my life with you all. So that something may be done to save this Galaxy. Please write to: bangasanskriti.sahityasammilani@gmail.comThis Blog is all about Black Untouchables,Indigenous, Aboriginal People worldwide, Refugees, Persecuted nationalities, Minorities and golbal RESISTANCE.

older | 1 | .... | 283 | 284 | (Page 285) | 286 | 287 | .... | 303 | newer

    0 0

    শারদ্বত মান্না

    মিতাকে আমি ভাল করে চিনতাম না। আমিও, ওরই মত, যাদবপুরে বাংলা পড়তাম। ক্লাস করে ফেরার সময় সিঁড়িতে দেখা হত কখনো-সখনো। একই ব্যাচ, একই বিভাগ, বিষয়ও এক, কিন্তু এরকম হয়েই থাকে, আমার বন্ধুমহল আর ওর বন্ধুমহল আলাদা ছিল। আলাপ হয়েছিল রি-ইউনিয়নে। আমার ওপর দায়িত্ব পড়েছিল ডিপার্টমেন্ট সাজানোর, আর আমাকে সাহায্য করার জন্য ছিল আরো দশ-বারোজন, তাদের মধ্যে মিতাও ছিল। টানা চার-পাঁচদিন শোলা কেটে রঙ করে আঠা দিয়ে ঘর সাজাতে সাজাতে রি-ইউনিয়নের আগের দিন খুব ক্লান্ত হয়ে ও বলেছিল, 'এত খাটলাম, কিছু খাওয়াবি না?'অগত্যা সবাই মিলে ঝালমুড়ি, যার যা রেস্ত। ওইটুকুই। পাশ করে যাওয়ার পরে কনভোকেশনেও দেখা, ওই, হাই-হ্যালো। তারপর অভীক-সমন্বিতা-দিব্যর ফেসবুক ওয়াল থেকে জানতে পারলাম, মিতা বিয়ে করেছে। লাইক, কনগ্র্যাচুলেশনের কমেন্ট, যোগাযোগ শেষ।

    অবশ্য ও চলে যাওয়ার পর ওর বাড়ি গিয়ে, বন্ধুদের সঙ্গে মিতার কথা তুলে এনে যা যা জানা গেল, সেগুলো জানা থাকলে লড়াই কাকে বলে, তাও জানা হত। মিতার বাড়ি গড়িয়ার শান্তিনগরে। কাঠের পুল দিয়ে নালা পেরিয়ে যে গলির মধ্যে ওর বাড়ি, তার রাস্তার চারপাশে এখনো নবমীর বৃষ্টির থই থই জল। মিতার বাড়িতে টালির চাল, দরমার দেওয়াল। বাবার আয়ের কোনো ঠিকঠিকানা নেই। দিন গেলে ১৫০-২০০ টাকা। দুই দাদার একমাত্র বোন মিতা যাদবপুরে পড়ার সময় বইখাতার খরচ আর হাত খরচ তুলত সেলাই করে, পাড়ার কিছু বাচ্চা ছেলেমেয়েকে টিউশন পড়িয়ে। মা বাড়ি বাড়ি কাজ করে ছেলেমেয়ের পড়ার খরচ যুগিয়েছেন। সেলাইয়ের খুব ভাল কাজ জানত, বন্ধুদেরও টুকটাক ব্লাউজ-কুর্তি বানিয়ে দিয়েছে ও। এত কষ্টের পরিবেশেও কী একটা মনে পড়াতে শিঞ্জিনী হাসতে হাসতে বলছিল, 'ভাব, ব্যাগ থেকে ফিতে বার করে ক্লাসরুমেই আমার মাপ নিয়েছিল'... এই মেয়ে যে এত লড়াই করে যাদবপুরে পড়তে এসেছে, সেটা যাদবপুরের সৌভাগ্য। আমরা মধ্যবিত্তরা জীবনযুদ্ধের কীই বা জানি?

    মিতা টাকাপয়সা নিয়ে খুব খুঁতখুঁতে ছিল, পাই-পয়সা ধার রাখত না বন্ধুদের কাছে। ওর বিয়ের পর যাদবপুরের বন্ধুদের সঙ্গে ওর দেখা হয় এমফিল পরীক্ষার দিন। শ্বশুরবাড়ির সুখ্যাতি করেছিল বেশ কয়েকবার। কোনো একবার চায়ের দামের পাঁচটাকা দিতে না পারায় যখন খুব লজ্জিত, তখন দিব্য-অভীক বলেছিল, 'সাধ'-এ তো মেয়েদের ডাকবি। আমরা তো ডাক পাব সেই তোর বাচ্চার অন্নপ্রাশনে, তখন পাঁচটাকা কেটে রেখে গিফট দেব। রসিকতার পাত্রী লজ্জায় লাল হয়ে যাচ্ছে- এরকম ইয়ার্কি আমরা দিয়েই থাকি, কিন্তু আমরা কিংবা মিতার বাড়ির মানুষরা, কেউই জানতাম না কত কিছু মিতা লুকিয়ে যাচ্ছে আমাদের সবার কাছে। মিতা বাপের বাড়ির সবার কাছে লুকিয়ে গেছে, যে বিয়ের আগে অনেকদিনের সম্পর্কই ছিল ওর আর রানার। যেমন, মিতার কাছে রানা চেপে গেছে তার মদের নেশার কথা। একবার, মাত্র একবারই বিয়ের পর বাপের বাড়িতে মিতা বলেছিল, বর খুব মদ খায়। বন্ধুদের কাছেও বলেনি এ কথা। শুধু বৌদিকে একবার বলেছিল, ক'দিন আগে, ওর অনেক কথা জমে আছে, বলার মত। পুজোয় বাপের বাড়ি এলে বৌদিকে বলবে সব। চতুর্থীতে মিতা বাপের বাড়ি আসে, সপ্তমীর দিন রানা ওকে শ্বশুরবাড়ি ফিরিয়ে নিয়ে যায়। তার পরের ঘটনাগুলো আমরা সোশ্যাল মিডিয়া আর পেপারে পড়েছি।

    মিতা যাদবপুরে বাংলা এম.এ.তে আমাদের সঙ্গেই ভর্তি হয় ২০১৩ সালের জুলাই মাসে। ২০১৫র ডিসেম্বরে আমাদের কনভোকেশন হয়ে যায়। মিতা বিয়ে করে ২২শে এপ্রিল ২০১৬। দশমীর বিকেল-সন্ধ্যে নাগাদ অনলাইন মিডিয়ায় আমরা খবর পাই, আমাদের মিতা মারা গেছে, রিপোর্টে 'আত্মহত্যা'নয়, সরাসরি 'গলা টিপে ঝুলিয়ে দেওয়া'র কথা উল্লেখ করা আছে।

    মিতার বাড়িতে রানার ফোন আসে দশমীর দিন, ১১ই অক্টোবর ভোরে, ৫.০০-৫.৩০ নাগাদ। রানা ফোনে বলে, 'আপনাদের মেয়ে সুইসাইড করার চেষ্টা করেছে।'তার ১৫ মিনিট পরেই আবার ফোন করে বলে, 'আপনাদের মেয়ে মারা গেছে।'পাড়া থেকে কোনোমতে গাড়িভাড়া করে মিতার বাড়ির লোকজন সঞ্জীবন নার্সিং হোমে পৌঁছলে মিতার মৃতদেহের কাছে তার বাড়ির কোনো মানুষকে দেখা যায় না, রানা কোথাও নেই। মিতার শ্বশুরবাড়ির সবারই কেমন যেন আক্রমনাত্মক ভাব। যে মেয়ে আত্মহত্যা করে, তার স্বামীর তো শোকে বিহবল হওয়ার কথা, সে কেন নিখোঁজ? মিতার কাকাশ্বশুর বলে, 'আপনাদের মেয়ে সুইসাইড নোট লিখে গেছে'। সুইসাইড নোট কোথায়, এই প্রশ্ন করতেই সে ভিড়ের মধ্যে দিয়ে প্রায় পালিয়ে যায় কেন? এরকম অনেক প্রশ্নের উত্তর মেলে মিতার নিথর দেহ দেখে। এমনই আত্মহত্যা করেছে মিতা, যাতে তার নাক-কান দিয়ে প্রচণ্ড রক্ত পড়েছে। রক্তের ধারায় মুখ ভেসে চুল পর্যন্ত চাপ চাপ রক্তে ভরে গেছে। কান দিয়ে রক্ত গড়িয়ে পড়েছে অনেকটা। গলায় আর ঘাড়ে আঁচড়ের গভীর ক্ষত। একটা কানের লতি ছিঁড়ে গেছে। বাহুতে আঙুলের ছাপ পড়ে কালশিটে পড়ে গেছে। গলায় গভীর কালো দাগ, তা আঙুলে হতে পারে, দড়িতেও হতে পারে, আবার দুটোই, মানে, আঙুলের পরে দড়ি ব্যবহার করেও হতে পারে। মিতার হাতের শাঁখা-পলা, হাতের মেহেন্দি, পায়ের আলতা, দাম্পত্যের সবকিছুর চিহ্ন তখনও রয়ে গেছে। আত্মহত্যাই, কারণ রানার বাড়ির লোকজন এই ঘটনাকে খুব 'স্বাভাবিক-মৃত্যু''আত্মহত্যা'বলে তার মৃতদেহ খুব তাড়াতাড়ি দাহ করার চেষ্টা করছিল।

    মিতা যে ঘরে 'আত্মহত্যা'করেছে, তার খাট এত উঁচুতে, আর সিলিং এতই নিচুতে, সে ঘরে খাটের ওপর দাঁড়ালে পাখার ব্লেড মিতার গলায় লাগার কথা – মিতার ছোড়দার থেকে এমনই জানা গেল। ঝোলার স্থান নেই যেখানে, সেখানে ফ্যানে ঝুলে পড়ে সে 'আত্মহত্যা'করল? এত আঘাত তাহলে সে কখন পেল? সঞ্জীবন নার্সিংহোম, যেখানে চাকরি করে মিতার স্বামী রানা, সেখানকার রিপোর্টে কেন লেখা হল আঘাত কেবলমাত্র গলার চারপাশে? মৃত্যুর কারণ কেন লেখা হল, ঝুলে পড়ার জন্য দম আটকে মৃত্যু হয়েছে তার? ডাক্তাররা কি রক্ত চেনেন না? আঁচড়ের দাগ চেনেন না? ব্রেনে হ্যামারেজ না হলেও, এমনি এমনিই নাক কান দিয়ে ভলকে ভলকে রক্ত বেরিয়ে আসা খুব স্বাভাবিক ঘটনা- এমনটাই কি মনে হয়েছিল সঞ্জীবন নার্সিংহোমের ডাক্তারদের? আমরা সত্যিই জানি না, কেবল শুনেছি, উড়ো কথাও হতে পারে, যে জমিতে সঞ্জীবন হাসপাতাল তৈরি হয়েছে তার বেশ কিছুটার প্রাক্তন মালিক রানার পরিবার। ওই হাসপাতালে তার পরিবারের দাপট আছে, রানার ওই হাসপাতালের টেকনিশিয়ানের চাকরিও সেখানেই পাওয়া। যেখানে মিতার মৃত্যু হয়েছে, পুলিশ সেই ঘরটিকে সিল করেনি এখনও। প্রমাণ লোপাট হতেই পারে, খাটের অবস্থান বদলে দিলেই মিতার 'আত্মহত্যা'র পক্ষে যুক্তি সাজাতে পারবে খুনিরা। মিতার স্বামী-শ্বশুর ধরা পড়লেও দেওর-শাশুড়ি এখনও পলাতক। হ্যাঁ, মিতার খুন হওয়ার সময় তারা সেই বাড়িতেই উপস্থিত ছিল। খুন হওয়া মেয়ের পরিজনকে নার্সিংহোমে ঢোকার মুখে মিতার শাশুড়ি বলেছিল, 'আপনার মেয়ের খুব জেদ।'তখনও ভয় পায়নি সে। কুশবেড়িয়ার মণ্ডলপাড়ায় মিতার শ্বশুরবাড়ি, সেখানে সমস্ত মানুষই রানাদের আত্মীয়, সরাসরি না হলেও জ্ঞাতি তো বটেই। তাই খুন হওয়া মিতার বাড়ির মানুষ যখন নার্সিংহোমে, হাসপাতালের মর্গে, থানায় দৌড়াদৌড়ি করছেন, সব জায়গায় তাঁদের প্রত্যাখ্যাত হতে হয়েছে। পুলিশ এফআইআর নিতে চায়নি, অনেকক্ষণ অপেক্ষা করতে হয়েছে তাঁদের। শেষে পরিস্থিতি এতটাই উত্তপ্ত হয়ে ওঠে, দুশ-আড়াইশ লোকের হাত থেকে মিতার আত্মীয়-পরিজনকে বাঁচানোর জন্য র‍্যাফ দিয়ে প্রোটেকশন দিয়ে হাওড়া পর্যন্ত তাঁদের এগিয়ে দিয়ে যেতে বাধ্য হয় পুলিশ।

    এর সঙ্গে আরো অনেকগুলো ছোট-ছোট আপাত-বিচ্ছিন্ন ঘটনা ঘটেছিল, যেগুলো জুড়লে,ব্যাপারটা আর অনেকটা পরিষ্কার হয়। মিতা চতুর্থীর দিন বাড়িতে এসে বলে, ও বি.এড. পড়তে চায়, তার অনেক খরচ। শ্বশুরবাড়ি থেকে অল্প কিছু টাকাই পাওয়া যাবে, বাকিটার জন্য বাবার কাছ থেকে ওর একলাখ টাকার দরকার। আর, খুন হওয়ার মাসদুয়েক আগে আমাদেরই সহপাঠী, ওর ঘনিষ্ঠ বান্ধবীকে জানায়, ও কনসিভ করেছিল, তারপর সদ্য অ্যাবরশন করতে হয়েছে ওকে। এই বিশেষ বিশেষ ঘটনাগুলো কি আমাদের খুব চেনা ছকের মধ্যে পড়ে যাচ্ছে না?

    খুব পরিষ্কার বোঝা যাচ্ছে, ঘটনা কী, কিন্তু আমাদের দেশে আইনের শাসন এমনই হাস্যকর যে, বহু মানুষের সমর্থন না পেলে তা বলবৎ হয় না। আমরা, মিতার বন্ধুরা ভয় পাচ্ছি, মিতা সুবিচার পাবে না। কারণ, মিতার পরিবারের লোকবল নেই, অর্থবল নেই, দক্ষ আইনজীবী নিয়োগের সামর্থ্য নেই। আমরা ভয় পাচ্ছি, বাংলার অন্যতম শ্রেষ্ঠ জ্ঞানচর্চা আর প্রগতিশীলতার কেন্দ্র যাদবপুরের তথাকথিত আধুনিক ছাত্রী হয়েও মিতা ডোমেস্টিক ভায়োলেন্সের শিকার হল দেখে। আমরা, মিতার বন্ধুরা আর আত্মীয় পরিজনরা এখনো জানি না কী ভাবে এগবো, জানি না, এই লড়াই কীভাবে টেনে নিয়ে যাওয়া যাবে। আপনারা, যাঁরা এই লেখাটি পড়ছেন, তাঁরা সবাই মিতার পাশে, মিতার পরিবারের পাশে এসে না দাঁড়ালে মিতার সুবিচার নিশ্চিত করা যাবে না।

    #justiceformita
    #abolishdomesticviolence

    পুনশ্চঃ যাঁরা রক্তে ভেসে যাওয়ার ছবি, পোস্ট-মর্টেম হওয়ার পরের ছবি সহ্য করতে পারেন না, তাঁদের বিনীতভাবে জানাই, আমিও এরকম দৃশ্য সহ্য করতে পারি না। কিন্তু বাধ্য হয়েই করতে হচ্ছে, যাতে পরিকল্পিত হত্যাটা 'আত্মহত্যা' না বানানো হয়। আমার-আপনার রুচিশীলতা মিতার সুবিচার পাওয়ার রাস্তায় বাধা হয়ে দাঁড়াবে, এটা চাই না।

    Yashodhara Ray Chaudhuri 

    দশমীর দিন চলে যেতে হয় এক লক্ষ্মীকে... আর আমাদের লক্ষ্মীপুজোর শোরগোলের মধ্যে, প্রশ্নগুলো থেকেই যায়...



    --
    Pl see my blogs;


    Feel free -- and I request you -- to forward this newsletter to your lists and friends!

    यह अभूतपूर्व धर्म संकट क्यों है?

    क्योंकि मनुष्यता और प्रकृति के विध्वंस का मुक्तबाजार हमने चुना है!

    आस्था और धर्म कर्म की सांस्कृतिक जड़ें खत्म करके हम अपराधकर्म में तब्दील कर रहे हैं धर्म को?

    सौ सालों के आर पार मनुष्यता के लोकसंगीत की पूरब पश्चिम धाराओं को एकाकार कर देने के पीछे विशुध भारतीय बाउल आंदोलन और लालन फकीर का दर्शन है जो संत कबीर का दर्शन,संत रविदास की दृष्टि और तथागत गौतम बुद्ध का धम्म भी है और इसका सबूत फिर गीतांजलि के कवि का लिखा गीति नाट्य चंडालिका है,जहां बुद्धं शरणं गच्छामि के साथ बहुजन जीवन यंत्रणा जितनी है,उससे कहीं अधिक भारत की दार्शनिक विरासत का समन्वय की विविधता और बहुलता है।

    पलाश विश्वास

    हमारा धर्म कितना कमजोर है जो महज असहमति या आलोचना से लहूलुहान हो जाता है?

    हमारी आस्था कितनी निराधार है कि हम दूसरों की आस्था से अपने को असुरक्षित मानते हैं?

    हमारी आस्था कितनी असहाय है कि नास्तिकता की चुनौती के सामने वह आत्मरक्षा के लिए गिरोहबंद अपराधकर्म में बदल जाती है?

    आस्था और धर्म कर्म की सांस्कृतिक जड़ें खत्म करके हम अपराधकर्म में त्बील कर रहे हैं धर्म को?

    मनुष्यता और प्रकृति को तिलांजलि देकर मुक्तबाजार का नरसंहार ही अब धर्म कर्म है,इसीलिए यह अभूतपूर्व हिंसा,युद्ध, गृहयुद्ध और फासिज्म का राजकाज है।

    भारतीय उपमहादेश में धर्म कर्म का बुनियादी आधार मनुष्यता और प्रकृति दोनों है।सिंधु सभ्यता,वैदिकी साहित्य,बौद्धमय भारत,जैन धर्म,सिख धर्म से लेकर अठारवीं सदी के नवजागरण समय के ब्रह्म समाज और मतुआ आंदोलन में कर्मकांड के कारोबार,पुरोहित तंत्र और पाखंड के बदले मनुष्यता और प्रकृति को सभी स्तरों पर सर्वोच्च प्राथमिकता दी गयी है।

    भारतीय संत परंपरा में संत कबीर, सूरदास,रसखान से लेकर संत रैदास, चंडीदास और लालन फकीर के जाति धर्म के बजाय उनकी मनुष्यता का दर्शन ही सिंधु सभ्यता,वैदिकी साहित्य,बौद्ध धम्म,जैन अहिंसा,गुरुग्रंथ साहेब की गौरवशाली परंपरा है।

    भारत में उपासना पद्धति और धर्मस्थलों तक धर्म सीमाबद्ध कभी नहीं रहा है।हमारे महाकाव्यों में धर्म की व्याख्या भी मनुष्यता के शाश्वत मूल्यों पर आधारित है।जिस श्रीकृष्ण ने गीता के उपदेश दिये,वह जन्म से आर्य नहीं हैं।उनके मामा और दूसरे परिजन असुर हैं तो वे पले बढ़े ग्वालों के साथ,जो न ब्राह्मण हैं और न क्षत्रिय। आज की भाषा में कहें तो श्रीकृष्ण ओबीसी हैं।इसी तरह हिंदुओं के आदि देव महादेव अनार्य हैं तो चंडी ते तमाम रुपों में आर्य अनार्य मिलाप है।काली कामाख्या अनार्य हैं।

    विज्ञान और जीव विज्ञान में जड़ और जीवित प्राणियों में भेद स्पष्ट हैं।जीवित सभी प्राणियों के जैविकी जीवन से मनुष्य का जीवन चक्र अलहदा नहीं है।बहुत पहले भारतीय वैज्ञानिक जगदीश चंद्र बसु ने अपने प्रयोगों से साबित किया है कि वनस्पति भी उतने ही संवेदनशील हैं,जितने कि मनुष्य।बौद्ध धर्म और जैन धर्म में सभी जीवों के प्रति अहिंसा का अनुशीलन है।सभी जीवों और वनस्पतियों की अपनी भाषा होती हैं और उनकी इंद्रियां भी उनके जीवन चक्र को नियंत्रित करती है।

    भारतीय दर्शन परंपरा के मुताबिक इस जैविकी जीवन के इंद्रिय नियंत्रित जीवन चक्र से मुक्त विवेक और प्रज्ञा के लक्ष्य ही धर्म कर्म के बुनियादी सिद्धांत रहे हैं। बायोलाजिकल के बजाय भारत में जो स्पीरिच्युअल लाइफ की बात की जाती है,वही भारतीय आध्यात्म है लेकिन वह धर्म कर्म का पुरोहित तंत्र कतई नहीं है।बल्कि पुरोहित तंत्र के अनुशासन या मनुस्मृति के दायरे से बाहर बहुसंख्य आम जनता का आध्यात्म और विविध बहुल धर्म कर्म रीति रिवाज पर्व त्योहार हमारा साझा लोकसंंसार है, लोकभाषाएं, बोलियां और लोकसंस्कृति के विविध रुप हैं।

    यह भारतीय लोकसंसार का आध्यात्म जैविकी भोग और विलास के इद्रिय नियंत्रित जैविकी जीवन से मुक्ति के लिए ही धर्म कर्म आस्था उपासना को माध्यम मानता है,जो गांधी के शब्दों में कहें तो साधन हैं,साध्य नहीं है।साध्य मनुष्यता है जो नैसर्गिक है और प्राकृतिक भी है।

    वैदिकी साहित्य में वेदों में प्राकृतिक शक्तियों की ही उपासना है,जहां मूर्ति पूजा नहीं है।मिथक भी वेदों ने रचे नहीं है।वेदों,ब्राह्मण ग्रंथों और संहिता साहित्य के बाद शुरु उपनिषद और आरण्यक काल में इसी जैविकी जीवन से मुक्ति के मार्ग खोजे जाते रहे हैं,तो उनमें जनपदों के लोक जीवन की गूंज भी सर्वत्र है।वैदिकी काल से उपनिषद आरण्यक काल में जो भी साहित्य रचा गया है,वह प्रकृति के सान्निध्य में आरण्यक सभ्यता का उत्पादन है।वैदिकी काल से लेकर उपनिषद काल तक कहीं मिथक नहीं हैं।मिथक आधारित धर्म कर्म और मूर्ति पूजा नहीं है।यज्ञ और होम भी सत्ता का धर्म है,जो आम जनता में कहीं प्रचलित नहीं है और ऩ उनपर पुरहोित तंर्त कहीं हावी है।

    वैदिकी काल से ही आस्था के समांतर अनास्था और नास्तिकता के चार्वाक द्रशन परंपरा की निरंतरता है।मिथक महाकाव्यों और पुराणों की उपज हैं,जिनका सिलसिला वैदिकी धर्म के अवसान और ब्राह्मण धर्म के उत्थान से शुरु हुआ।

    गौतम बुद्ध की सामाजिकत क्रांति के तहत समता और न्याय पर आधारित जो धम्म प्रवर्तन हुआ उसके साथ ही ब्राह्मण ध्रम का अवसान हो गया।लेकिन बुद्धमय भारत के अवसान के बाद मनुस्मृति के अनुशासन के मुताबिक रचे गये मिथकों के धर्म कर्म,मूर्तिपूजा,मंत्र तंत्र और उन पर आधारित रंगभेदी जातिव्यवस्था की वजह से पुरोहित तंत्र लगातार मजबूत होता रहा लेकि धर्म के बुनियादी सिद्धांत कतई नहीं बदले। जैविकी जीवन चक्र से मुक्ति का लक्ष्य नहीं बदला।लोक आध्यात्म भी नहीं बदला।जिसकी निरंतरता भारत का संपूर्ण इतिहरास है तो अखंड संस्कृति भी है।

    जैविकी जीवन से मुक्ति का जो साध्य भारतीय धर्म कर्म आध्यात्म का है,वह भारतीयता की सर्वोत्तम अभिव्यक्ति है और हमारे जनपद साहित्य, लोक साहित्य, कला माध्यमों, विधाओं, बोलियों, लोक परंपराओं,लोकगीतों, नृत्यों,लोकसंस्कृति और रंगकर्म में उसकी निरंतरता रही है,जो लोकतंत्र का वास्तविक विमर्श है और जिसका आधार सामाजिक यथार्थ और उत्पादन संबंध दोनों हैं।

    इसके विपरीत गैर भारतीय सभ्यताओं में सारा जोर जैविकी जीवन का चरमोत्कर्ष है।यूरोप और अमेरिका में औद्योगिक क्रांति के बाद विज्ञान और तकनीक के चमत्कार से जैविकी जीवन और इंद्रियों की आकांक्षा की पूर्ति का मुक्त बाजार भोग और विलास,युद्ध,गृहयुद्ध और अभूतपूर्व हिसां का चरमोत्कर्ष है,जहां जैविकी जीवन को सुख संपत्ति का आधार बनाने के लिए प्राकृतिक संसाधनों की लूटखसोट की अबाध पूंजी प्रवाह और क्रयशक्ति ही अंतिम साध्य हैं,जिसके लिए मनुष्यता और प्रकृति का विध्वंस अनिवार्य है।अनंत भोग है ,जिसका कोई अंत नहीं है ।अनंत लोभ है,जिसकी कोई सीमा नहीं।

    इसके विपरीत,भारतीय आध्यात्म,लौकिक जीवन और भारतीय संस्कृति,आस्था और धर्म कर्म में लेकिन भग और लोभ दोनों का निषेध है। यहां कर्म का मतलब श्रम है और श्रम के बिना जीवन चक्र भी हमारे यहां निषिद्ध है।बिना श्रम भोजन भी निषिद्ध है और पूरी सामाजिक संरचना उत्पादन प्रणाली के ढांचे के मुताबिक है।

    भोग और लोभ की अंधी पागल दौड़ की इसी जैविकी सभ्यता के विकास के खिलाफ गांधी ,रवींद्रनाथ,विवेकानंद से लेकर आइनस्टीन और तालस्ताय जैसे तमाम दार्शनिक और चिंतक दुनियाभर में सक्रिय हैं तो जैविकी जीवन से मुक्ति के साध्य के तहत भारतीय दर्शन पंरपरा और लोक जीवन में मनुष्यता अब भी सर्वोच्च है।वही धर्म कर्म दोनों हैं,जिसमें बुनियादी जरुरतों के सामाजिक यथार्थ हैं और उसके लिए देशज उत्पादन प्रणाली है,जिसके उत्पादक संबंधों के जरिये भारतीय संस्कृति का विकास हुआ है।लेकिन भोग विलास के लिए क्रयशक्ति की कोई प्रासंगिकता है नहीं।

    भारत में धर्म कर्म और आध्यात्म में असहिष्णुता का कोई इतिहास नहीं रहा है और विभिन्न रक्तधाराओं के विलय से बने महान भारततीर्थ में विविधता और बहुलता का गौरवशाली इतिहास हमारा है,जहां आस्था या अनास्था,धर्म कर्म के अधिकार में सत्ता के पुरोहित तंत्र का भी कोई हस्तक्षेप नहीं हुआ है।

    तो करीब सात हजार साल के ज्ञात भारतीय इतिहास में आज यह अभूतपूर्व धर्म संकट क्यों है,इसपर हम विवेचना करें तो बेहतर है।

    यह धर्म संकट इसलिए है कि धर्म के नाम पर हम पुरोहित तंत्र के राजकाज के ब्राह्मणधर्म को सत्ता सौंपी है और भारतविरोधी मनुष्यता विरोधी प्रकृतिविरोधी युद्धक मुक्तबाजार के लिए अपनी अर्थव्यवस्था,अपनी उत्पादन प्रणाली,अपने प्राकृतिक संसाधनों के साथ साथ अपने गौरवशाली इतिहास और भारतीय संस्कृति को तिलांजलि देकर हम अमेरिकी जैविकी चरमोत्कर्ष की क्रयशक्ति की अंधीदौड़ में एक दूसरे का गला काटने से भी हिचक नहीं रहे हैं।मुक्तबाजार का यह महाभारत है।युद्धोन्माद है।

    इसीलिए हमारा धर्म अब हमारा आध्यात्म नहीं है,युद्धोन्माद है।

    हम उस लालन फकीर को नहीं जानते,जिन्होंने अपने वजूद के भीतर मनुष्यता के चरमोत्कर्ष के लिए सारी अस्मिताओं को तिलांजलि देकर कर्म कांड के पाखंड के बजाय धर्मनिरपेक्षता के विविधता और बहुलता का धर्म साधा है।

    लालन फकीर गीत गोविंदम के जयदेव और पदावली के चंडीदास और वैष्णव आंदोलन के चैतन्य महाप्रभु को बाउल दर्शन में एकाकार कर देते हैं और इसी बाउल दर्शन के आाधार पर रवींद्र की गीतांजलि है,जिसे नोबेल पुरस्कार मिलने के पूरी एक सदी के बाद एक और बाउल, अमेरिकी जिप्सी बाउल बाब डिलान को राक एंड रोल और जाज के मूल स्वर से पृथक लोकसंगीत की जमीन पर खड़े होने के लिए,संगीत में मनुष्यता की जड़ों को खोजते हुए गीत लिखने के लिए नोबेल मिला है।जो उपलब्धि रवींद्र ने सौ साल पहले हासिल कर ली थी।दोनों उपलब्धियां बाउलधर्मी हैं।

    सौ सालों के आर पार मनुष्यता के लोकसंगीत की पूरब पश्चिम धाराओं को एकाकार कर देने के पीछे विशुध भारतीय बाउल आंदोलन और लालन फकीर का दर्शन है जो संत कबीर का दर्शन,संत रविदास की दृष्टि और तथागत गौतम बुद्ध का धम्म भी है और इसका सबूत फिर गीतांजलि के कवि का लिखा गीति नाट्य चंडालिका है,जहां बुद्धं शरणं गच्छामि के साथ बहुजन जीवन यंत्रणा जितनी है,उससे कहीं अधिक भारत की दार्शनिक विरासत का समन्वय की विविधता और बहुलता है।

    गीत गोविंदम से लेकर चंडीदास के कीर्तन,चैतन्य महाप्रभु के भक्ति आंदोलन में फिर असुर अनार्य श्रीकृष्ण हाड़ मांस रक्तधारा में बहुजन समाज का जैविकी जीवन और पुरोहित तंत्र के विरुद्ध वहीं बाउल आध्यात्म है जो धर्म निरप्क्ष,जाति निरपेक्ष भारतीय इतिहास है।विवधता और बहुलता का साझा चूल्हा है।

    इस आलेख की शुरुआत से पहले आज सुबह मैंने व्यापक पैमाने पर लालन फकीर के गीत,चंडीदास के पदावली कीर्तन,गीतगोविंदम,लोककवि विजय सरकार के लोकगीत,संपूर्ण गीतांजलि और चंडालिका के वीडियो सोशल मीडिया पर साझा किये हैं।मौका लगा और हम जिंदा रहे तो इन पर अलग अलग विस्तार से चर्चा भी करेंगे।

    हमारी संत साधु पीर फकीर बाउल परंपरा में पूरब में लालन फकीर और उत्तर भारत में संत कबीऱ की न कोई जाति है और न उनका कोई मजहब है।

    बाउल और सूफी आंदोलन जैसे धर्म निरपेक्ष जाति निरपेक्ष है,उसी तरह भारत में संतों का भक्ति संत आंदोलन में राम रहीम एकाकार है।

    मजार और दरगाहब जितने मुसलमनों के हैं,उससे कम हिंदुओं के नहीं रहे हैं। संत कबीर,सूरदास,रसखान,मीराबाई,गोस्वामी तुलसीदास,संत तुकाराम,चैतन्य महाप्रभु, दादु, बशेश्वर,गुरु नानक,गाडगे महाराज जैसे संत आंदोलन के पुरोधाओं नें कर्मकांड और पुरोहित तंत्र को खारिज करके मनुष्यता को धर्म कर्म  का आधार साबित किया है,जिसका आधुनिकीकरण लिंगायत आंदोलन,मतुआ आंदोलन,आर्यसमाज आंदोलन,ब्रह्मसमाज आंदोलन में देखा जा सकता है।

    इसी ब्राह्मणधर्म और पुरोहित तंत्र के खिलाफ बौद्ध,जैन सिख धर्मो की निरंतरता बहुजन आंदोलन है जो हमारी लोकसंस्कृति की विरासत पर आधारित है और जिसका बुनियादी लक्ष्य समता,न्याय और पितृसत्ता से मुक्त स्त्री अस्मिता के साथ साथ जल जंगल जमीन और आजीविका,नागरिकता के हकहकूक है।



    --
    Pl see my blogs;


    Feel free -- and I request you -- to forward this newsletter to your lists and friends!


    ताराचंद्र त्रिपाठी

    इतिहास के बारे में जब भी हम बात करते हैं तो प्राय: हमारी दृष्टि किसी कालखंड और किसी क्षेत्र-विशेष तक ही सीमित होती है. हम यह भूल जाते हैं कि कोई भी इयत्ता केवल अपने आप में ही पूर्ण नहीं होती, अपितु वह अनेक इयत्ताओं के संयोग और सहयोग से निर्मित होती है. उदाहरण के लिए सिन्धुघाटी सभ्यता को ही लें, हमारी दृष्टि केवल उस नगर तक सीमित रह जाती है. हम यह भूल जाते हैं कि नागर सभ्यता सभ्यता का विकास तभी सम्भव होता है, जब उस की आधारभूत कृषि और पशुपालन परक ग्रामीण सभ्यता भी फल-फूल रही होती है. और यह सभ्यता नागर सभ्यता के ध्वस्त होने के साथ ध्वस्त नहीं होती, केवल संक्रमित होती है. संक्रमणशील जन जिस नये क्षेत्र में में बसते हैं, उन क्षेत्रों में अपने पुराने क्षेत्र के स्थान नामों, अपनी धार्मिक आस्थाओं के प्रतीकों को पुनर्स्थापित करते हैं. और इस प्रकार सांस्कृतिक नैरन्तर्य बना रहता है. पर अपनी खंड दृष्टि के कारण हम इस सांस्कृतिक नैरन्तर्य का अवगाहन नहीं कर पाते. 
    इसी खंडदृष्टि के कारणऔर बहुलांश में जातीय या राष्ट्रीय अहंकार के कारण भी हम मानव इतिहास के उस मानव-महासागरीय स्वरूप का अनुभव नहीं कर पाते हैं, जो वास्तविक है. इस मानव-महासागर में किस सांस्कृतिक चेतना की लहर कहाँ उपजी और कहाँ तक पहुँच गयी, पूर्वग्रहों से मुक्त हुए बिना इस रहस्य को समझना सम्भव नहीं है.
    जिस महाप्रलय की बात हम करते हैं, जिसके अवशेष ब्रिटिश पुरातत्वविद जार्ज वुली ने मसोपोटासमिया में खोज निकाले हैं वह आज से लगभग ५ हजार साल पहले मेसोपोटामिया में आयी एक सुनामी थी. इस जलप्रलय पहला विशद वर्णन आ्ज से लगभग पाँच हजार साल पहले के गिलगिमेश नामक सुमेरियन महाकाव्य में हुआ है. (यह महाकाव्य भी असुर बनीपाल (८०० ई.पू) के ईंटों की पट्टियों पर नुकीली कीलों से अंकित अभिलेखों के संग्रहालय, जिसे असुर बनीपाल का पुस्तकालय भी कहा जाता है, से प्राप्त हुआ.) सुनामी तो आयी मेसोपोटामिया में, यादें अनेक एशिया महाद्वीप के अनेक क्षेत्रों की प्रजातियों के आख्यानों में अलग-अलग नामों से व्याप्त हो गयीं, कहीं वैवस्वत मनु नायक हो गये, तो कहीं हजरत नूह, और कहीं नोवा, कहीं जियसद्दू, कहीं कोई और. पर कथा वही रही
    यही नहीं, यह धारणा भी बनी रही कि इस प्रलय से पहले जो देव सभ्यता थी, उसमें लोग हजारों साल तक जीवित रहते थे. गिलगिमेश में भी सुमेर के जिन पौराणिक राजाओं का उल्लेख है, उनमें कोई राजा २८ हजार साल राज्य करता है तो कोई ४३ हजार साल, हजार साल से कम की तो बात ही नहीं है. अपने पुराणों में भी देख लीजिये, हमारे राजा दशरथ को भी सन्तान न होने की चिन्ता तब सताती है, जब उनकी अवस्था साठ हजार साल हो जाती है. राम ग्यारह हजार साल राज्य करते हैं. १० हजार साल अपने हिस्से के और एक हजार साल राजा दशरथ की अकाल मृत्यु हो जाने से उनके बचे हुए. राजा सागर के साथ हजार पुत्र होते हैं, शिव चौरासी हजार साल तक तपस्या करते हैं. और तो और दान में दी गयी भूमि को छीनने वाला भी साथ हजार साल तक अपनी ही विष्टा में कीड़े रूप में रहने के लिए अभिशप्त होता है. 
    एक और बात, जो मानव महासागरीय लहरों को प्रमाणित करती है वह स्त्री पात्रों के संवादों के लिए मुख्य भाषा से इतर किसी जन बोली का विधान. यह संस्कृत नाटकों में ही नहीं है अपितु उन से लगभग २ हजार साल पहले के सुमेरी महाकाव्य गिलगिमेश में भी स्त्री पात्र ही नहीं अपितु देवी इनाना के संवादों के लिए भी जनभाषा का ही प्रयोग हुआ है. यही नैरन्तर्य और सारूप्य पौराणिक आख्यानों, मिथकों में ही नहीं है प्रतीकों या मोटि्फ्स में भी परिलक्षित होता है.
    एक भ्रान्ति, जो सम्भवत: वेदों की श्रुति परम्परा के कारण उत्पन्न हुई है, वह यह कि वैदिक आर्य लेखन कला से अनभिज्ञ थे. वेद तो गेय छ्न्द हैं. उनको मूल गेय रूप में बनाये रखना, एक बड़ी भारी चुनौती रही होगी. फलत: इन गेय छ्न्दों को न केवल श्रुति परंपरा से संरक्षित किया गया अपितु हस्त संचालन( उच्चै उदात्त, निच्चै अनुदात्त, समाहार: स्वरित:) के माध्यम से उनकी स्वरलिपि भी तैयार कर दी गयी है. यह भी ज्ञातव्य है कि विद्वानों के अनुसार वेदों का संकलन जितने प्रामाणिक और व्यवस्थित रूप से किया गया है, , उसकी दूसरी मिसाल विश्वसाहित्य में नहीं है.
    गेय छ्न्द तो श्रुति परम्परा से चले, लेकिन टीकाओं के लिए तो लिपि आवश्यक रही होगी. और वह थी. लेकिन उसका माध्यम अधिक टिकाऊ नहीं था. ताड़्पत्र और भोजपत्र पर अंकित होने के कारण बार बार प्रतिलिप्यांकन अपरिहार्य था. यवन आक्रमण के बाद हमने माध्यम बदला और शिलाओं को माध्यम के रूप में प्रयोग करना आरंभ किया और तब से लिपि का क्रमिक विकास सामने आया. जब कि वैदिक आर्यों से बहुत पहले मिस्र में शिलाओं को और मेसोपोटामिया में ईंट की पट्टिकाओं पर अक्षर उत्की्र्ण करने के उपरान्त उन्हें पका कर स्थायित्व प्रदान किया गया था.
    जहाँ तक ऐतिहासिक स्रोतों की दुर्लभता का सवाल है, उसमें भी हमारा दृष्टिदोष एक कारक है. लिखित साक्ष्य नहीं हैं, लोक गाथाएँ पूरा चित्र प्रस्तुत नहीं करतीं, किंवदन्तियाँ बहुत दूर के अतीत का उद्घाटन नहीं करतीं. कालजयी पुरातत्व भी सीमित है. पर जो सन्मुख है, जो अतीत की अनेक परतों पर जमी धूल को दूर कर सकता है, उसकी ओर किसी का ध्यान नहीं है, वह हैं हमारे स्थान-नाम.
    पर उनका संकलन कौन करे. एक गाँव में और उसके आस-पास ही पचासों स्थान-नाम हैं. स्थान- नाम या स्थान को पहचानने के लिए निर्धारित कोई प्रमुख प्रतीक या लैंड्मार्क. ये लैंड्मार्क भी किसी स्थायी आधार या याद पर ही तो रखे गये होंगे. और इन आधारों के द्वारा स्थानों का नामकरण करने वाले पूर्वजों ने अपनी प्राकृतिक, आर्थिक, सामाजिक, राजनीतिक और धार्मिक स्थिति की यादों को चिरस्थायी बनाने का प्रयास किया है. जब अंग्रेज अपने साथ के साथ यूरोप के शताधिक नामों को आपके नैनीताल में बसा गये हैं, तो जो लोग सिन्धु सभ्यता के नाश के बाद छितराये होंगे, तो क्या उन्होंने अपने नये सन्निवेशों के नामों में अपनी पुरानी यादों को नहीं संजोया होगा?

    --
    Pl see my blogs;


    Feel free -- and I request you -- to forward this newsletter to your lists and friends!


    हम सिर्फ ट्रंप को देख रहे हैं और मैडम हिलेरी को कतई नहीं देख रहे हैं।

    हम यह भी नहीं देख रहे हैं कि अमेरिका परमाणु युद्ध की तैयारी में है और भारत उनके लिए सिर्फ बाजार है।इस बाजार पर कब्जे के लिए वह कुछ भी करेगा।

    मुश्किल है कि हमारी राजनीति जितनी अंध है ,उससे कुछ कम हमारी राजनय नहीं है।हम दुनिया को अमेरिकी नजर से देख रहे हैं और हमारी कोई दृष्टि है ही नहीं।हमें अमेरिकी कारपोरेट हितों की ज्यादा चिंता है,भारत या भारतीय जनता के हितों की हमें कोई परवाह नहीं है।

    हम यमन पर अमेरिकी हमले पर चुप्पी साधे बैठे हैं तो दूसरी तरफ अमेरिकी ने परमाणु विश्वयुद्ध की तैयारी कर ली है और हम इसके लिए अभी से रूस और चीन को जिम्मेदार ठहराने लगे हैं और फूलकर कुप्पा हैं कि हो न हो,ट्रंप राष्ट्रपित बन जायेंगे और इस्लाम का नमोनिशां मिट जायेगा कि ट्रंप भी हिंदू हो गये हैं।

    पलाश विश्वास

    किसी कारपोरेट कंपनी का सीईओ चाहे कोई हो,उस कंपनी के कारोबारी हित जैसे नहीं बदलते ,वैसे ही उसकी नीतियों में कोई परिवर्तन नही होता।मौजूदा विश्वव्यवस्था कारपोरेट कंपनी जैसी है और उसका सर्वेसर्वा मुखिया अमेरिकी साम्राज्यवाद शत प्रतिशत कारपोरेट है।कारपोरेट हितों के लिए दोस्ती दुश्मनी नहीं,मुनाफासूली सर्वोच्च प्राथमिकता होती है जिसके लिए कारपोरेट कंपनी वह कुछ भी कर सकती है।अमेरिकी राष्ट्र का कोरपोरेट चरित्र न भारत के हित में है और न मनुष्यता के हित में है।हम यमन पर अमेरिकी हमले पर चुप्पी साधे बैठे हैं तो दूसरी तरफ अमेरिकी ने परमाणु विश्वयुद्ध की तैयारी कर ली है और हम इसके लिए अभी से रूस और चीन को जिम्मेदार ठहराने लगे हैं और फूलकर कुप्पा हैं कि हो न हो,ट्रंप राष्ट्रपित बन जायेगें और इस्लाम का नमोनिशां मिट जायेगा कि ट्रंप भी हिंदू है।

    हम सिर्फ ट्रंप को देख रहे हैं और मैडम हिलेरी को कतई नहीं देख रहे हैं।

    हम यह भी नहीं देख रहे हैं कि अमेरिका परमाणु युद्ध की तैयारी में है और भारत उनके लिए सिर्फ बाजार है।इस बाजार पर कब्जे के लिए वह कुछ भी करेगा।

    मुश्किल है कि हमारी राजनीति जितनी अंध है ,उससे कुछ कम हमारी राजनय नहीं है।हम दुनिया को अमेरिकी नजर से देख रहे हैं और हमारी कोई दृष्टि है ही नहीं।हमें अमेरिकी कारपोरेट हितों की ज्यादा चिंता है,भारत या भारतीय जनता के हितों की हमें कोई परवाह नहीं है।

    ताजा खबर यह है कि पश्चिम के देश भी सीरियामुद्दे पर अमेरिका के साथ हैं। वे लगातार सीरियामें रुस की भूमिका की आलोचना कर रहे हैं। हाल ही में पुतिन फ्रांस जाने वाले थे लेकिन उन्होने दौरा रद्द कर दिया क्योंकि फ्रांस के राष्ट्रपति ने रुस पर यह आरोप लगाया था कि रुस सीरियामें युद्द अपराधों में शामिल है।

    इन्ही जटिल युद्ध परिस्थितियों में मजा यह है कि जैसे भारत में हिंदुत्व खेमा ट्रंप को राष्ट्रपति देखने के लिए बेताब है वैसे ही रूसी दक्षिणपंथी भी ट्रंप के दीवाने हैं। अमेरिकी डोनाल्ड ट्रंप को वोट दें या फिर परमाणु युद्धके लिए तैयार रहें। यह कहना है रूस में व्लादिमीर पुतिन के दक्षिणपंथी सहयोगी व्लादिमीर झिरीनोवस्की का। उनके अनुसार ट्रंप अकेले ऐसे व्यक्ति हैं जो रूस और अमेरिका के बीच का तनाव कम कर सकते हैं। जबकि उनकी डेमोक्रेटिक प्रतिद्वंद्वी हिलेरी क्लिंटन दुनिया को तीसरे विश्व युद्ध में झोंक देंगी।

    गौरतलब है कि झिरीनोवस्की की लिबरेशन डेमोक्रेटिक पार्टी सितंबर में हुए रूस के संसदीय चुनाव में तीसरे स्थान पर आई थी। बहुत से रूसी झिरीनोवस्की को गंभीरता से नहीं लेते।इन्हीं झिरीनोवस्की के हवाले से पुतिन को परमाणु युद्ध के लिए मोर्चाबंद दिखाने की कोशिश रतभअमेरिका के साथ सात भारत में भी हो रही है लेकिन अमेरिका के यमन पर हमले और सीरिया में आतंकवादी संगठनों के अमेरिकी और इजराइली मदद और मध्यएशिया के तेल कुँओं पर उनके कब्जे पर कोई चर्चा नहीं हो रही है।

    खाड़ी युद्ध के बुश पिता पुत्र,वियतनाम युद्ध के रिचर्ड निक्सन,क्यूबा के खिलाफ बिल क्लिंटन और मौजूदा अमेरिकी राष्ट्रपति बाराक ओबामा में बुनियादी फर्क कुछ भी नहीं है चूंकि अमेरिका पूरी तरह एक कारपोरेट राष्ट्र है।अमेरिकी अर्थव्यवस्था कारपोरेट है तो यह मुक्तबाजार भी कारपोरेट है।

    इसलिए चाहे डोनाल्ड ट्रंप जीते या फिर मैडम हिलेरी,युद्ध और गृहयुद्ध का अमेरिकी कारोबार बंद नहीं होने जा रहा है।

    नस्ली और स्त्रीविरोधी बयानों और ग्लोबल हिंदुत्व के समर्थन के मुद्दों को किनारे पर रखें तो यह समझना शायद आसान हो सकता है कि तमाम सबूत चीख चीखकर बता रहे हैं कि दुनियाभर के आतंकवादी संगठनों को अमेरिकी मदद के पीछे मैडम हिलेरी का प्रत्यक्ष हाथ हैं और वे इजराइल और अमेरिकी जायनी कारपोरेट सत्ता वर्ग के ट्रंप से कहीं ज्यादा मजबूत प्रतिनिधि हैं।

    हम भारत में फासिज्म के राजकाज को डोनाल्ड ट्रंप के समर्थन,ग्लोबल हिंदुत्व के साथ उनके संबंध और मुसलमानों और आप्रवासियों,शरणार्थियों के खिलाफ उनकी नस्ली घृणा के मद्देनजर मैडम हिलेरी का असली चेहरा देखने से परहेज करें तो यह भारी गलती होगी।क्योंकि मैडम हिलेरी का नजरिया ट्रंप से कतई अलग नहीं है,जो दरअसल अमेरिकी कारपोरेट विश्वव्यवस्था का जायनी रंगभेदी नजरिया है।

    जैसा कि इन दिनों यह धारणा सुनामी की तरह फैलायी जा रही है कि पाकिस्तान को रुस और चीन से भारत के खिलाफ युद्ध में मदद मिलने वाली है और युद्ध हो या आतंकवाद के खिलाफ युद्ध हो,अब अमेरिका भारत के साथ रहेगा।इसके विपरीत हकीकत की जमीन पर कूटनीतिक बयानों के अलावा भारत अमेरिकी परमाणु समझौते के बाद अश्वेत राष्ट्रपति बाराक ओबामा के लगातार  दो दो कार्यकाल में अमेरिका ने पाकिस्तान के खिलाफ भारत के हक में अब तक कोई कार्रवाई लेकिन नहीं की है।

    हिंदुत्व के झंडेवरदार अगर समझते हों कि डोनाल्ड ट्रंप के अमेरिकी राष्ट्रपति बन जाने के बाद मुसलमानों के खिलाफ अमेरिका बाकायदा धर्मयुद्ध छेड़ देगा और पाकिस्तान को मटियामेट कर देगा,यह ख्याली पुलाव के अलावा कुछ और नहीं है।

    भारत में वोट बैंक समीकरण साधने के लिए जैसे हिंदुत्व का एजंडा है वैसे ही अमेरिका का प्रेसीडेंट बनने के लिए रंगभेदी श्वेत वर्चस्व डोनाल्ड ट्रंप का कारपोरेट एजंडा है और वे अरबपति हैं तो कारपोरेट समर्थन के लिए मैडम हिलेरी के जायनी लिंक और उनको इजराइली समर्थन के मद्देनजर मुसलमानविरोधी तेवर अपनाना उनका अपना चुनावी समीकरण है ,जो शायद बुरीतरह फेल हो सकता है क्योंकि अमेरिकी मीडिया मैडम हिलेरी के पक्ष में हैं और वे ट्रंप की धज्जियां बिखेरने में कोई कसर नहीं छोड़ रहे हैं।जैसे उग्र हिंदुत्व के बिना भारतीय राजनीति की अब कल्पना नहीं की जा सकती ,वैसे ही उग्र इस्लाम विरोध अब अमेरिकी चुनावी समीकरण है।

    अपने देशी मीडिया के युद्धोन्माद और कारपोरेट हितों के जलवे को देखते हुए खाड़ी युद्ध में विश्व जनमत बदलने के अमेरिकी और यूरोपीय मीडिया की भूमिका के मद्देनजर गौर करने वाली बात यह है कि ट्रंप और मैडम हिलेरी की नूरा कुस्ती की आड़ में अमेरिका ने तीसरे विश्वयुद्ध और परमाणु युद्ध की पूरी तैयारी कर ली है और पश्चिमी मीडिया इसके लिए सीरिया संकट के बहाने रूस और चीन को जिम्मेदार ठहराने की मुहिम उसीत रह  शुरु कर दी है जैसे तेलयुद्ध के लिए सद्दाम हुसैन को महिषासुर बना कर उनका वध कर दिया गया।

    जाहिर है कि हम ट्रंप पर जरुरत से ज्यादा चर्चा कर रहे हैं और काफी हद तक धर्मनिरपेक्षता के तहत मैडम हिलेरी का समर्थन करने लगे हैं।जबकि दोनों में से किसी के अमेरिकी राष्ट्रपति बनने से भारत को कोई फर्क पड़नेवाला नहीं है।दोनों मनुष्यता के खिलाफ युद्ध अपराधी हैं।विडंबना यह है कि हमारे यहां लोग अभी अभी जो अमेरिकी नौसेना ने यमन पर हमला कर दिया है ,उसे पाकिस्तान में आतंकवादी अड्डों को तहस नहस करने की कथित सर्जिकल स्ट्राइक की तरह जायज मानकर अमेरिकी कार्रवाई के तहत इसे भी जायज ठहराने की कोशिश कर रहे हैं।

    गौरतलब है कि अमरीकी सेना ने यमनमें तीन रडार ठिकानों पर हमलाकिया है। इस हमलेसे पहले अमरीकी नौसेना के युद्धपोत पर यमनकी तरफ से एक मिसाइल दाग़ी गई है। अमरीकी रक्षा मुख्यालय पेंटागन के मुताबिक़ मिसाइल हमलेमें शामिल तीन रडार ठिकानों को तबाह कर दिया गया है। पेंटागन का कहना है कि ये ठिकाने ईरान समर्थक हूथी विद्रोहियों के नियंत्रण वाले इलाक़े में थे। पेंटागन का ये भी कहना है कि राष्ट्रपति ओबामा ने इन हमलोंके लिए मंज़ूरी दी थी.अमेरिका के एक अधिकारी ने बताया कि अमेरिकी राष्ट्रपति बराक ओबामा से स्वीकृति मिलने के बाद यूएसएस विध्वंसक द्वारा दागे गए टॉमहॉक क्रूज मिसाइल से यमनके लाल सागर तट परहुथी के नियंत्रण वाले क्षेत्र में हमलाकिया गया।वहीं यूएस नेवी के एक अधिकारी ने नाम न बताने की शर्त परजानकारी दी है कि यूएस नेवी के डेस्‍ट्रॉयर नीट्ज ने गुरुवार को सुबह करीब चार बजे टॉकहॉक क्रूज मिसाइल यमन परदागी है। इस अधिकारी के मुताबिक लाल सागर परजब अमेरिकी शिप पर हमलाहुआ तो यह रडार सक्रिय थे और तभीहमलेकी असफल कोशिश की गई। इस अधिकारी के मुताबिक जिन जगहों पर हमलेहो रहे हैं वहां परआबादी नहीं है। ऐसे में जानमाल का कोई नुकसान नहीं हुआ है।

    इधर भारतीय मीडिया में भी रूस के आक्रामक रवैये की वजह से परमाणु युद्ध और तीसरे विश्वयुद्ध के हालात पर अमेरिकी और पश्चिमी मीडिया की तर्ज पर प्रचार अभियान शुरु हो गया जैसे तेल युद्ध के दौरान,अफगानिस्तान को रौंदने के दौरान और मध्यपूर्व एशिया और अफ्रीका के देशों में अमेरिकी लोकतंत्र के अरब वसंत के पक्ष में भारतीय मीडिया अमेरिकी कारपोरेट हितों के तहत अमेरिकी मीडिया को भोंपू बना हुआ था।

    अमेरिका ने इस बीच अपने नागरिको को सीरिया संकट संभावित परमाणु युद्ध के लिए आगाह कर दिया है लेकिन भारतीय मीडिया ने रूस की इसी तरह की चेतावनी के मद्देनजर ऐसे किसी परमाणु युद्ध या तीसरे विश्वयुद्ध से पहले ही उसके लिए रूस के राष्ट्रपति को सद्दाम हुसैन बनाना शुरु कर दिया है।

    भारतीय मीडिया में अमेरिकी स्वर है।मसलन सीरिया संकटपर रूस और अमेरिका के बीच का तनाव विश्व युद्ध में बदल सकता है। रूस की मिलिटरी तैयारियां साफ तौर पर इसके भयावह संकेत दे रही हैं। पुतिन काफी आक्रामक फैसले लेते दिख रहे हैं। सूत्रों के हवाले से अभी खबर आई कि पुतिन ने रूस के उच्च अधिकारियों, राजनेताओं और उनके परिवार को घर (होमलैंड) लौटने को कहा है। इसी क्रम में रूस ने बुधवार को अंतरमहाद्वीपीय बलिस्टिक मिसाइलों का भी परीक्षण किया है। मीडिया रिपोर्ट्स के मुताबिक रूस की सेना ने जापान के उत्तर में तैनात अपनी सबमरीन से न्यूक्लियर वॉरहेड ढोने की क्षमता वाले एक रॉकेट का परीक्षण किया है।

    भारत अमेरिका परमाणु संधि के परमाणु हथियारों के साथ साथ भारतीय रक्षा,प्रतिरक्षा और आंतरिक सुरक्षा अमेरिका के हवाले हो जाने की वजह से,आतंकवाद के खिलाफ अमेरिका के युद्ध में भारत के पार्टनर बन जाने से अमेरिका के भारत विरोधी रवैये में कोई बुनियादी फर्क आया हो या बांग्लादेश युद्ध के वक्त हिंद महासागर में सातवां नौसैनिक बे़ड़ा भेजने वाला अमेरिका सोवियत संघ की तरह भारत का मित्र हो गया हो,यह वैसा ही मिथक है जैसे हम यह मानते हैं कि हमारे कल्कि अवतार का दीवाने खास अमेरिका का व्हाइट हाउस है।उसी तरह ट्रंप का हिंदुत्व दावा भी वोट बैंक साधने का उपक्रम है।ट्रंप भी उसीतरह मोदी के दोस्त हैं,जैसे ओबामा रहे हैं।

    गौरतलब है कि अमेरिका के कई हिंदू संगठनों ने राष्ट्रपति पद के लिए रिपब्लिकन पार्टी के उम्मीदवार डोनाल्ड ट्रंपका समर्थन किया है। ट्रंपने भी कहा है कि अगर वे राष्ट्रपति बने तो भारत और अमेरिका के संबंध बेहद मजबूत होंगे। ट्रंपको समर्थन देने के लिए रिपब्लिकन हिंदू कोएलिशन की ओर से एक कार्यक्रम का आयोजन किया गया, जिसमें करीब पांच हजार लोगों ने ट्रंपकी जम कर तारीफ की। इस कार्यक्रम में ट्रंपके अलावा बॉलीवुड की हस्तियों के साथ पांच हजार से ज्यादा भारतीय मूल के अमेरिकी शामिल हुए।

    इस मौके पर  रिपब्लिकन पार्टी के राष्ट्रपति पद के उम्मीदवार डोनाल्ड ट्रंपने कहा है कि वह भारतीयों और हिन्दुओं का बेहद सम्मान करते हैं। उन्होंने यह बात कही। एनडीटीवी को दिए गए एक्सक्लूसिव इंटरव्यू में ट्रंपने कहा, 'मैं हिन्दुओं का बेहद सम्मान करता हूं, वे शानदार उद्यमी होते हैं... भारत का मैं बेहद सम्मान करता हूं'। आतंकवाद से निपटने की अपनी नीति को स्पष्ट करते हुए उन्होंने कहा- हम चरम परीक्षण करके आतंकवाद से लड़ेंगे. (मुस्लिम जगत में) कुछ ऐसा चल रहा है जो सकारात्मक ताकत नहीं है।

    डोनाल्ड ट्रंपने कहा है कि राष्ट्रपति चुने गए तो वे भारत को अमेरिका को बेस्ट फ्रेंड बनाएंगे। ट्रंपकी नजर यह दोस्ती दोनों देशों के लिए जरूरी है। वे हिंदूओं को बहुत मानते हैं! यदि वे राष्ट्रपति बन गए, व्हाइट हाउस पहुंच गए तो वह हिंदु समुदाय का अपना राष्ट्रपति होगा। भारत और अमेरिका के रिश्ते प्रगाढ़ होंगे। दोनों देश 'सबसे अच्छे दोस्त' होंगे। यह सब कहते हुए डोनाल्ड ट्रंपने प्रधानमंत्री नरेंद्र मोदी की भी तारीफ की। उन्होंने कहा कि यदि वे राष्ट्रपति बने तो नरेंद्र मोदी से उनकी खूब पटेगी। उनके राष्ट्रपति चुने जाने का अर्थ होगा कि व्हाइट हाउस में भारतीय और हिंदू समुदाय का सच्चा दोस्त है।

    न्यू जर्सी में आतंकवाद से पीड़ित हिंदुओं के लिए हो रहे एक चैरिटी समारोह में ट्रंपपीड़ित, उनके परिवार और अन्य भारतीयों से मुलाकात के लिए पहुंचे। रिपब्लिकन हिंदू कोलिशन यानी RHC नाम के संगठन ने अपने इस कार्यक्रम में खासतौर पर डॉनल्ड ट्रंपको बुलाया था। ट्रंपइस मौके पर भारत की संस्कृति के रंग में रंगे दिखे. ट्रंपने दीप जलाकर कार्यक्रम की शुरुआत की और जमकर हिंदू प्रेम भी दिखाया। चैरिटी समारोह में ट्रंपपीड़ित, उनके परिवार और अन्य भारतीयों से मुलाकात के लिए पहुंचे. रिपब्लिकन हिंदू कोलिशन यानी RHC नाम के संगठन ने अपने इस कार्यक्रम में खासतौर पर डॉनल्ड ट्रंपको बुलाया था।

    ट्रंपने कहा, 'मैं प्रधानमंत्री नरेंद्र मोदी के साथ काम करने का इंतजार कर रहा हूं। वह अर्थव्यवस्था और नौकरशाही को सुधारने में बेहद ऊर्जावान रहे हैं। शानदार व्यक्ति। मैं उनकी सराहना करता हूं।' यह पहली बार था जब ट्रंपने इस चुनावी मौसम में भारतीय-अमेरिकियों के समारोह में शिरकत की। उन्होंने (मोदी) ने भारत में टैक्स प्रणाली को आसान किया है। भारत आज तेजी से विकास कर रहा है। यह बहुत अच्छा है, लेकिन हम यहां अमेरिका में विकास नहीं कर रहे हैं।

    --
    Pl see my blogs;


    Feel free -- and I request you -- to forward this newsletter to your lists and friends!

    0 0

    महत्वपूर्ण खबरें और आलेख अखिलेश के कंधों पर सवार रामगोपाल यादव मुलायम से पुराने हिसाब चुकता करेंगे ?

    हस्तक्षेप के संचालन में छोटी राशि से सहयोग दें

    Recent Posts



    --
    Pl see my blogs;


    Feel free -- and I request you -- to forward this newsletter to your lists and friends!


    দিনে রাতে যারা সাম্যবাদের শ্রাদ্ধ করেন, তারা সবাই বেশ সাম্যবাদী হয়ে পড়েন যখন প্রশ্ন উঠে কাশ্মীরের ৩৭০ ধারা, মুসলমানের তিন তালাক, আর দলিত, জনজাতি অবিসিদের সংরক্ষণের। সম্ভবত এই হচ্ছে 'সাম্যবাদ'-এর ভারতীয় সংস্করণ। এর মূল কথা হচ্ছে, তুমি আমি সবাই সমান-তোমার আবার আলাদা আইন কেন! এর মূল বার্তা হচ্ছে, সবাই আমাকে দেখো, আর আমার মতো হও। তোমাকে তোমার মতো দেখাবে, আর আমি বলবো, সুন্দর! ---বাপুহে , এর নাম ভারত বর্ষ, এর আমরাই মালিক--- এখানে এসব চলবে না! জনান্তিকেঃ আজকাল এই সাম্যবাদীরা গোটা দক্ষিণ এশিয়াতে এই সাম্যবাদ ছড়াবার জন্যে তৎপর। তাই অমুসলমান এলেই ভারতে স্বাগত, মুসলমান এলে না---এই বলে আইন আনছেন। তখন যে সাম্যবাদের কলসি ফুটো হয়ে যায়, তাতে কি? প্রশ্ন হচ্ছে, দেশের মালিক কারা? তারা যা বলবেন , তাই আইন। সেই আইন মুসলমানের ঘাড়ে তো চাপানো হবেই, অসমিয়ার ঘাড়েও চাপানো হচ্ছে। জয় বাবা সাম্যবাদ!

    --
    Pl see my blogs;


    Feel free -- and I request you -- to forward this newsletter to your lists and friends!

    0 0


    দন্ডকারন্যে উদ্বাস্তু আন্দোলনের ঐতিহাসিক বিজয়"
      ----------------------------------------------
     অবশেষে মাননীয় মুখ্যমন্ত্রী ডা রমন সিং উদ্বাস্তু বাঙালিদের দাবী মেনেনিলেন।
     *****************************************
    Dr.Subodh Biswas


    বিগত ৫ সেপ্টম্বর থেকে  ছত্রিশগড়ের পাখানজোরে নিখিল ভারত বাঙালি উদ্বাস্তু সমন্বয় সমিতি র পতাকাতলে বাংলা ভাষায় প্রাথমিক শিক্ষা, জমির পাট্টা ও জাতি প্রমান পত্রের মৌলিক  দাবীতে উদ্বাস্তুরা ধারাবাহিক অবস্থান আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছিল।প্রশাসনের ফিরে তাকানোর সময়নেই। একদিকে বাঙালি বৈমাতৃক বিদ্বেষ নীতি । অন্যদিকে হতভাগ্য আন্দোলন কারিদের পাশে না আছে রাজনীতিক সমর্থন, না আছে প্রশাসনিক ন্যূনতম সহমর্মিয়তা। অন্যদিকে গহীন অরন্যেঘেরা মাওবাদী  অধ্যুষিত অঞ্চল। সন্ধ্যা ঘনিয়ে আসতেই অঞ্চলটি দেশথেকে বিচ্ছিন্ন হয়েপড়ে । জঙ্গলের বুকচিরে পাখানজোরের পথে আমাদের গাড়ীচলছে।ভয়ে বুকটা দূরু দূরু। আমার সাথী প্রাক্তন কমিশনার বিরাজ মিস্ত্রী কাপা কন্ঠে বলেন, স্বজন দা প্রাননিয়ে ঘরেফিরতে পারবতো ? 
          অনশন আন্দোলনের আজ তৃতীয়  দিন। আমারা রাত্র ১২ টার সময় অনশন স্থলে পৌছাই। সারা ভারতবাসী  সুখনিদ্রায় মগ্ন। ঘুমনেই ঘরপোড়া ভিটেহারা দন্ডকারন্যের হতভাগ্য উদ্বাস্তু  বাঙালিদের। তাদের সামনে অস্তিত্বের প্রশ্ন।ভারত সরকারের দেওয়া শতবৎসরের পতিত জমিকে  উর্বর করে নতুন এক সোনার বাংলা গড়েছে , ছয় দশক পেরিয়ে যাবার পরেও পাট্টা পায়নি। জমি হস্তান্তর করার অধিকার নেই।স্থানিয়  অধিবাসীরা বুলি আওড়ায়, ভারত সরকারের দেওয়া জমির লিজের সময় সীমা পেরিয়ে গেছে। তোমাদের জমি খালিকরতে হবে। সে এক অঘোষিত সন্ত্রাস। আবার ভিটে ছাড়তে হবেনাতো ?
     বহির বঙ্গে উদ্বাস্তুরা ৮০ % প্রতিশত তপশীলী।আসাম পশ্চিমবঙ্গ সহ আঠ রাজ্যে  তারা তপশীলী স্বীকৃতি পায় । ছত্রিশগড় সহো বাকী  দশ রাজ্যে  সে স্বীকৃতিটুকু  তাদের নেই। তপশীলিরা আত্মপরিয় হারিয়ে ফেলেছে।  আধুনিক শিক্ষা তাদের কাছে অলিক স্বপ্ন।এমনকী নতুন প্রজন্ম বাংলা ভাষা আধো আধো বলতে পারলেও , বাংলা অক্ষরগুলো তাদের কাছে জাপানি হরফের মতো। তাদের সামনে বাঙালিত্ব হারানোর সংকট।
     বিগত ২৮ দিনের ধর্না আন্দোলন প্রশাসন উপেক্ষা করলেও আন্দোলন কারিরা ময়দান ছাড়লেন না। তারা রনকৌশল বদলে নিলেন,  ২ সেপ্টেম্বর ২০১৬  থেকে ধর্না অবস্থান প্যান্ডেলে বারোজন আন্দোলন কারী অমরন অনশনে বসেন। তৎমধ্যে ৭৫ বৎসরের শ্রীমতী দুলিরানী হালদার অনশনে অংশগ্রহন করাতে প্রশাসনের ব্লাডপ্রেসার বেড়ে যায়।কমিটি জানিয়েদেয় পাখানজোর অঞ্চলের ১৩৩ গ্রামের প্রতিপরিবার থেকে একজন করে আন্দোলনের সমর্থনে অংশগ্রহন করবে। বিভিন্ন জেলাথেকে দলে দলে বাঙালিরা আসতে থাকে। বক্তাগনের কন্ঠে  তাদের প্রতি ছয়দশকের বঞ্চনার তিব্রপ্রতিবাদ ধ্বনিত হয়। করতালির শব্দে আকাশ বাতাস কেপেওঠে। ২৪ ঘন্টা  বাংলা সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান চলতে থাকে।  না আছে ক্ষুধা না আছে ক্লান্তি, না আছে ভয়। রাত্রভর স্বরচিত গান, কবিগান ,হরিসংকীর্তন, বাউল, ভাটিয়ালি পল্লীগীতির মাতোয়ারা শুর আন্দোলন কারিদের বেধেরাখতে জাদুরকাজ করে।
    আন্দোলন কারিদের নিয়ন্ত্রন করতে পাখানজোর শহর  পুলিশ ছাউনিতে বদলে যায়।অনশনের তৃতীয় দিন, গভীর রাত্রে  পুলিশ গাড়ীর সাইরেন বিকট শব্দ।পুলিশ অনশর কারিদের তুলেনিয়েযাবে। সংবাদটি  বিদ্যূতের মতো ছড়য়ে পড়ল।    অবস্থা বেগতিক বুঝে রাত্র ২ টায় সর্বভারতীয় সভাপতি ডাক্তার সুবোধ বিশ্বাস মাইকে ঘোষনা করেন, আমাদের সামনে অগ্নী পরিক্ষা। আন্দোলনের আজ কালোরাত। জীবন দেব, অনশন কারিদের নিয়েযেতে দেবনা। বিশ্বাস বাবুর ঘোষনা আন্দোলন কারিদের রক্তে আগুন ধরিয়ে দিল। হাজার  হাজার মহিলারা  কোমরে কাপড় বেঁধে অনশন কারিদের বেডিগেট করে ঘিরেফ্যালে। সভাপতি অসীম রায়, বাঘের মতো লাফ দিয়ে  মাইক্রফোন হাতে নিয়ে জানিয়ে দিলেন, মৃত্যু যখন অনিবার্য, আমরা কাউকে ভয় পাইনা।অধিকারের জন্য আমরা প্রান দেবো, পিছব না।মনোজ মন্ডলের ভাষনে গর্জে উঠল আন্দোলন কারিরা। তপন রায়, জগবন্ধু বিশ্বাস বিকাশ পাল ,রবি গোষাই ,সুপ্রকাশ মল্লীক ,মুন্না ইন্দ্রজীৎ , বুদ্ধদেব সরকারের ভাষনে ষাঠ বৎসরের ঘুমিয়ে থাকা বাঙালির ঘুম ভেঙ্গেগেল। সারা রাত্র হাজার হাজার মানুষ প্রহরিরমতো পাহারাদিল অনশন কারিদের। সংগঠনের প্রতিটি কর্মী মনেহোল সিংহ  শাবক।। আন্দোলন ভঙ্গ করার প্রশাসনের   সবরকম ষড়যন্ত্রকে উদ্বাস্তুরা হারমানিয়ে দেয়।অনশনে প্রথম দিনে, আন্দোলন কারিদের উপস্থিতি ছিল সাত হাজারের মতো। দ্বিতীয় দিনে উপস্থিতি  ছিল ১৫ হাজারের কাছা কাছি । তৃতীয় দিন ২৫ হাজার ও চতুর্থ দিনে বেড়ে দাড়ায় ৪০  হাজারের মতো। পঞ্চম দিনে লক্ষাধিক মানুষের জনস্রোতে পাখানজোর শহরটাই ডুবেযায়। 
    অনশনের সমর্থনে পাখানজোর অঞ্চলে যাতায়েত ব্যবস্থা থমকে যায়। বাংলাভাষী বিদ্যার্থীদের স্কুল বহিস্কারে দুই  শতাধিক স্কুল  অকেজ হয়েপড়ে । বিগত একসপ্তাহ যাবত দোকান পাঠ বন্দ।  অনেকের বাড়ীতে উনুন জ্বলছেনা,তবুও কারো প্রতিবাদ নেই।  শত শত শিক্ষক রাত্রি ব্যবস্থার দায়িত্ব কাধেতুলে নিয়েছেন। গ্রামপ্রধান ,অঞ্চল প্রধানরা বিগত একমাসধরে মাটি কামড়ে পড়েআছে। মা যেমন অসুস্থ্য শিশুকে রাতজেগে পাহারাদেয়, তদরুপ পুত্রস্নেহে হাজার হাজার মা বোনেরা  পাঁচদিন পাঁচরাত অনশনকারীদের পাশেবসে কাটালেন। স্বাধীন ভারতে কোন আন্দোলনে মহিলাদের এরুপ ভূমিকা বিরল। 
    -------
    পরিস্থিতি বেগতিক বুঝে ৫ অক্টোবর মাননীয় মুখ্যমন্ত্রী রমন সিং  সাংসদ শ্রী বিক্রম হোসেন্ডী , বিধায়ক শ্রী নাগরাজ ভোজ শ্রী মন্তুরাম পাওয়ার   এবং কালেকটরকে মধ্যস্থতার করার জন্য ঘটনস্স্থলে পাঠান।  কালেক্টরের প্রস্তাব কমিটি অস্বীকার করে।কালেক্টর ফিরেযায়।
    সাংসদ বিক্রম হুসেন্ডী,এবং বিধায়ক ভোজরাজ নাগ, মন্তুরাম পাওয়ার সংগে কমিটি আলোচনায় বসে। কমিটি পক্ষথেকে প্রস্তাব রাখাহয়, একমাত্র মুখ্যন্ত্রীর প্রতিশ্রুতি পেলেই অনশন ভঙ্গ করাহবে। মাননীয় মুখ্যন্ত্রী আন্তরিকতা দেখান। মুখ্যমন্ত্রীর হস্তক্ষেপে অমরন অনশন আন্দোলন ৬ অক্টোবর ২০১৬ স্থগিত হয়।  ।সমিতির রাষ্ট্রিয় অধ্যক্ষ ডা সুবোধ বিশ্বাস ১২ জন অনশন কারিদের সরবত খাইয়ে  অনশন ভঙ্গ করেন। 
    যেসব সমাজ বিপ্লবীরা নিজের জীবনকে উপেক্ষাকরে অমরন অনশনে বসেছিলেন, তাদের মধ্যে আছেন: (১) অসীম রায়,(সভাপতি) মনোজ মন্ডল (সচীব)  (৩)শ্রীমতী দুলী রানী হালদার(৪)ইন্দ্রজীৎ বিশ্বাস(৫) রবীন্দনাথ সরকার (গোষাই) ( ৬) মিহির রায় (৭)দ্বীপক মন্ডল (৮) বিশ্বজীৎ বৈরাগী(৯)ভুবন বাডৈ (১০) উত্তম সিকদার (১১) কিশোর সিকদার (১২) বাদল মন্ডল।
    ৭ অক্টোবর রায়পুরে সমিতির প্রতিনিধিদের  সংগে মুখ্যমন্ত্রীর বাসভবনে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক হয়। অসীম রায়, মনজ মন্ডল সমদ্দার ও জগবন্ধু বিশ্বাস প্রস্তাব রাখেন।মাতৃভাষা ও জমির পাট্টা/ জমি হস্তান্তর করার দাবী মুখ্যমন্ত্রী মেনেনেন।জাতিপ্রমান পত্রের দাবী (SC) বাস্তবায়নের জন্য সাত সদস্যের কমিটি গঠন করার ঘোষনা করেন।যেসব রাজ্যে উদ্বাস্তু  তপশীলী বাঙালিরা জাতিপ্রমান পত্রের সুযোগ পাচ্ছে, সেসব রাজ্যের সার্ভে  রিপোর্ট তিনমাসের মধ্যে ছত্রিশগড় সরকারকে জমাদেবে। রিপোর্টের ভিত্তিতে নতুন করে Ethnographic রিপোর্ট তৈরীকরে রাজ্য সরকার কেন্দ্র সরকারকে সুপারিশ পত্র পাঠাবেন। আন্দোলনের প্রথম ধাপে উদ্বাস্তুরা জয়ী হয়েছে। এ বিজয় কেবল  ছত্রিশগড়ের ২০ লাখ উদ্বাস্তু বাঙালির জয় নয় । সমগ্র বাঙালির জাতির জয়। আন্দোলন কারিদের । যুগ যুগ ধরে এখানের বাঙালিরা বাংলা ভাষা সংস্কৃতি ও বাঙালিত্ব নিয়ে গৌরবের সংগে মাথাউচুকরে বেচেথাকতে পারবে। 
    সমস্ত ধর্ম বর্ন এবং রাজনীতিক দলের খোলস ভেঁঙ্গ বাঙালিরা জাতির সার্থে এক মঞ্চ সবাই আসতেপেরেছে এটাই বড়োউপলব্দী। 

    --
    Pl see my blogs;


    Feel free -- and I request you -- to forward this newsletter to your lists and friends!

    0 0

    Kapil Krishna Thakur

    আশ্বিনের শেষ, কার্তিকের শুরু। আজ রাতেই গাস্যি পরব! ভাবলে মনটা কেমন উদাস হয়ে যায়।শৈশবের সেই ফেলে আসা নিকানো উঠোনে কি আজও ভোররাতে কেউ দেবে চালের গুঁড়োর শুভ্র আলপনা? কাকভোরে স্নানের জন্য বেটে রাখা হবে কাঁচা হলুদ, নিমপাতা; হিম জলে স্নান সেরে ঠোঁটে মাখা হবে কাঁচা তেঁতুল পোড়ানো ক্রীম, আর চোখে কলার ডগা থেকে তৈরী কাজল? প্রকৃতির সন্তানদের জন্য কী অসামান্য আয়োজন। হায় শৈশব!
    নস্টালজিক হতেই 'উজানতলীর'পাতা খুলে বসলাম।–"একটু পরেই বেড়ায়-বাতায় সপাসপ শব্দ। এ ঘর থেকে সে ঘর, সে ঘর থেকে সে বাড়ি, বাড়ি থেকে পাড়া, পাড়া ছাড়িয়ে গ্রাম, শেষে সারা মহল্লাই। আর মুখে মুখে সমবেত ছড়ার চিৎকার—এই দ্যাশের ইন্দুর-বান্দর ভাটির দ্যাশে যায়,/ ভাটির দ্যাশের লক্ষ্মীঠারন এই দ্যাশে আয়। …দেখতে দেখতে হাতে হাতে জ্বলে উঠেছে মশাল। সেই মশাল ভোর রাতের আবছা অন্ধকারকে মহিমান্বিত করে আলোকমালার মতো ঘুরছে বৃত্তাকারে"। সেই স্বদেশ আর কৃষি-সংস্কৃতি থেকে অনেক দূরে আমরা, দূরে তাই সেই সব পরব থেকেও।

    --
    Pl see my blogs;


    Feel free -- and I request you -- to forward this newsletter to your lists and friends!

    0 0

    রোহিত ভেমুলাকে সংগ্রামী অভিবাদন জানিয়ে আজকের গান ঃSaradendu Biswas

    https://www.facebook.com/uddipan.biswas.5/videos/935624019857744/?comment_id=1123706987716112

    শম্বূক তুমি বলেছিলে
    সূর্যটা কারো বাপের বাধ্য নয়
    আলো দিতে তার বাঁধা নেই কোন প্রতি ঘরে
    একই সোনা রোদ ছড়াল ভূবনময়।

    শম্বূক তুমি বলেছিলে...
    হাওয়া শনশন বয়ে যায় অনিবার 
    ছোট বড় উঁচু নিচু ভেদাভেদ নেই কোন
    সকলের তরে একই সে অঙ্গীকার।।

    শম্বূক তুমি বলেছিলে
    মানুষে মানুষে ভেদাভেদ কিছু নাই
    একই সে মানুষ জ্ঞানের সারনা ধরে 
    সত্যের পথে মিলেছে সর্বদাই।।

    শম্বূক তুমি বলেছিলে
    রামের খড়্গ কাটে যদি তব শির 
    হাজার হাজার শম্বূক জেগে রবে 
    মিছিলে মিছিলে তারাই জমাবে ভীড়।।
    *****************************************

    জ্ঞানের উষ্ণ অনুরাগে হাজার শম্বূক জাগে
    রোহিতের বলিদান 
    হবে না সে কভু ম্লান
    সাম্যের সুশাসন মাগে ।।

    -2:25

    --
    Pl see my blogs;


    Feel free -- and I request you -- to forward this newsletter to your lists and friends!

    0 0

    কোলকাতায় এসে দুর্গার মুখ দেখল না সুষমা অসুরঃ Saradindu Uddipan

    প্রচার ছিল ফুলবাগান সার্বজনীন দুর্গোৎসব কমিটির পূজা উদ্বোধন করবেন সুষমা অসুর। খবরের কাগজে সেই ভাবে প্রচার ছড়িয়েছিলেন ব্রাহ্মণ্যবাদীরা। কিন্তু সমস্ত উদ্যোগের গোঁড়ায় জল ঢেলে দিলেন সুষমা অসুর তিনি বিজ্ঞপ্তি দিয়ে জানান যে কোলকাতায় এলেও তিনি তাঁর সমাজের দীর্ঘ পরম্পরা ভাঙবেন না। মুখ দেখবেন না দুর্গার বরং প্যান্ডেলের বাইরে শোনাবেন অসুর গাঁথা। মাতাম দেবেন অসুরের। 
    সুষমা অসুর এবং আখড়ার অন্যতম সদস্যা বন্দনা এক বিজ্ঞপ্তি জারি করে ফুলবাগানের অনুষ্ঠান খারিজ করে দেন। এরপর সল্টলেকের এফআই ব্লকের পূজা কমিটির সদস্য সুভাষ রায় সুষমাকে আবেদন জানান যে তারা মহিষাসুর সম্পর্কে জানতে ভীষণ আগ্রহী এবং এই অবসরেই যেন সুষমা তাঁর দলবল নিয়ে কোলকাতায় আসেন। সুষমা রাজি হন।

    দিল্লীর ফরওয়ার্ড প্রেস থেকে অনিল বর্গী জানাচ্ছেন যে দুর্গা পুজা উদ্বোধনে অসম্মতি জানালেও এই সুযোগকে তিনি হাতছাড়া করতে চান নি। তাই অসুর মাতাম দেবার জন্য দলবল নিয়ে হাজির হন কোলকাতার সল্টলেকে। পূজা প্যান্ডেলের বাইরেই পরিবেশন করেন অসুর গাঁথা ও মাতাম। এনডিটিভি সুষমা অসুরের এই মাতাম সরাসরি প্রচার করে।

    কৃতজ্ঞতা স্বীকারঃ Forward press and NDTV.

    Image may contain: 4 people


    --
    Pl see my blogs;


    Feel free -- and I request you -- to forward this newsletter to your lists and friends!

    0 0


    महत्वपूर्ण खबरें और आलेख भारतीय समाज के लिए बहुत बुरा वक्त, राजनेता और मीडिया अब जनता की परवाह नहीं करते

    हस्तक्षेप के संचालन में छोटी राशि से सहयोग दें



    Add us to your address book


    http://www.hastakshep.com/donate-to-hastakshep

    https://www.facebook.com/hastakshephastakshep

    https://twitter.com/HastakshepNews


    आपको यह संदश इसलिए मिला है क्योंकि आपने Google समूह के "हस्तक्षेप.कॉम" समूह की सदस्यता ली है.
    इस समूह की सदस्यता समाप्त करने और इससे ईमेल प्राप्त करना बंद करने के लिए, hastakshep+unsubscribe@googlegroups.com को ईमेल भेजें.
    --
    Pl see my blogs;


    Feel free -- and I request you -- to forward this newsletter to your lists and friends!

    0 0


    ব্রাহ্মণ্যবাদ ও রেড রোডের কার্নিভাল
    অনিক শর্মা কাশ্যপ

    সদ্য সমাপ্ত হল বাঙ্গালীর শ্রেষ্ঠ উত্সব দুর্গাপূজা ! যেখানে বাংলার এলিট থেকে মধ্যবৃত্ত ; পথচারী থেকে দীন ভিখারী প্রত্যেকটি মানুষই প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ ভাবেই এই উত্সবের রঙ্গে নিজেকে কিছুটা হলেও রাঙ্গিয়েছে . কারণ এই পূজা বর্তমানে অন্য মাত্রা ধারণ করেছে . যা এতো দিন পর সাধারণ বারোয়ারি প্যান্ডেল থেকে সটান করে রাজ ভবনে উপস্থিত হয়েছে . যার প্রভাব ভারতবর্ষ ছাড়িয়ে সমগ্র বিশ্বের দরবারে আলোড়ন সৃষ্টি করেছে . এতো দিন ভারতের সব চেয়ে বড় গণ উত্সব ছিল মহারাষ্ট্রের গণপতি উত্সব , যার শোভাযাত্রা বা রোড কার্নিভাল ছিল ভারতবাসীর আশা-আকাঙ্ক্ষা . কিন্তু পশ্চিমবঙ্গ এবার সেখানে একটা দাগ এঁকে দিয়ে যোগ করেছে রেড রোডের দুর্গা কার্নিভাল . যার সর্বাগ্রে ছিলেন পশ্চিমবঙ্গ সরকার তথা মাননীয়া মূখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি . 
    কিন্তু হঠাত্ করে এই দুর্গা কার্ণিভালের আয়োজন কেন ? কেউ কি একবার ভাবার চেষ্টা করেছেন ? 
    অনেকে হয়তো বলবেন এটা , "এটা রাজনীতি , জনগণকে আকৃষ্ট করার কৌশল" . আমি বলবো বন্ধু , "না" . ব্রাহ্মণ্যবাদ বোঝা এতো সহজ নয় . শুধু মাত্র রাজনৈতিক উদ্দ্যেশ্য সফল করার জন্য এই দুর্গা কার্ণিভালের আয়োজন করা হয়নি . এর পেছনে অনেক বড় উদ্দ্যেশ্য আছে .
    আপনারা হয়তো বিভিন্ন খবরের কাগজে দেখে থাকবেন . এবছর কি হারে "অসুর স্মরণ উত্সব" বা "হুদুর দুর্গা স্মরণ উত্সব" পালিত হয়েছে . যা পুরুলিয়া বাঁকুড়ার আদিবাসী পরগণা ছাড়িয়ে নদীয়া 24 পরগণা মালদহ মুর্শিদাবাদ তথা সমগ্র পশ্চিমবঙ্গের সভ্য সমাজও গ্রহণ করেছে . পরিসংখান বলছে , এবছর পশ্চিমবঙ্গে 900 থেকে 1000 জায়গায় এই "অসুর স্মরণ উত্সব" পালিত হয়েছে . যা দেখে তো আমাদের মাননীয়া মূখ্যমন্ত্রীর চক্ষু চড়কগাছ . সুতরাং ব্রাহ্মণ্যবাদকে টিকিয়ে রাখতে হলে এর বিপরীত কিছু মিরাক্কেল ঘটাতেই হবে . তাই তড়িঘড়ি করে আয়োজন করলেন "রেড রোডে দুর্গার কার্নিভাল . যাতে খুব সহজেই বস করা গেল ধর্মীয় আবেগ প্রবণ বাঙ্গালী সমাজকে . 
    এটাই হল সূক্ষ্ম ব্রাহ্মণ্যবাদ ! কবে বুঝবেন আপনারা ? ? ?

    --
    Pl see my blogs;


    Feel free -- and I request you -- to forward this newsletter to your lists and friends!

    0 0



    নাজিয়া,পায়েল,মিতা।কিছু নাম,কিছু মৃত স্বপ্নের গল্প,প্রচুর প্রশ্ন।

    Arnab

    ধুবলিয়া।নদিয়া জেলার দিনের বেশিরভাগ সময় ফাঁকা পরে থাকা এক স্টেশনের নাম।আজ আমাদের গন্তব্য ছিল সেখানেই।আমরা মনে আমি,সায়ন দা, মৃণ্ময়দা,কবিরদা । গিয়ে শুনলাম গ্রাম বাংলার এক হতভাগ্য কন্যার মর্মান্তিক পরিণতির কাহিনী।
    গল্পটা শুরু আজ থেকে দেড় বছর আগের।ধুবলিয়ার বাসিন্দা পায়েল হাজরার সাথে বিয়ে হয় রিষড়া নিবাসি এক আপাত দৃষ্টিতে ভদ্রলোক এক ব্যাংকে কর্মরত ব্যক্তির। বিয়ের পর থেকেই শশুর বাড়ির লোকদের অত্যাচারে অতিষ্ট হয়ে ওঠে পায়েলের জীবন।আমাদের থেকে অনেক বেশি সংগ্রাম করতে হয় ওকে কারণ বিপক্ষ নিজের চারদেয়ালের ভেতরে থাকা লোকেরাই।একটু মাথা তুলে বাঁচার লড়াই,একটু নিরাপত্তার লড়াই।

    পারেনি।পায়েল পারেনি।গতসপ্তাহে তথা কথিত নিজের আপনজনদের হাতেই খুন হয় পায়েল।মেডিক্যাল রিপোর্টে পাওয়া যায় গলায় চাপ পরে মারা যায় পায়েল।চাপটা যে কোথায় পড়েছিল তা বোধয় স্বয়ং পায়েল ছাড়া কেউ জানে না।

    ভাবছো আইন চলবে নিজের পথে...শাস্তি পাবে খুনিরা।না। সেটা হবার নয়।কারণ খুনিরা তো সমাজের উঁচু তোলার লোক।তারা কি খুন করতে পারে ? ববোধয় সে জন্যই পায়েলের শশুর বাড়ির লোকেদের বিরুদ্ধে খুনের অভিযোগের বদলে দেওয়া হয় আত্মহত্যায় প্ররোচনা দেবার অপেক্ষাকৃত লঘু মামলা।নিজের বাড়ির এলাকায় থেকেই পায়েলের শাশুড়ি পুলিশের খাতায় হয়ে যায় ফেরার।অবশেষে জনরোষে পরে তাকর গ্রেফতার করতে বাধ্য হয় পুলিশ।

    পায়েল চলে গেল...কিন্তুএমন তো হওয়ার কথা ছিলোনা।পায়েল কে হারিয়ে দেওয়া হলো।হেরে গেলাম আমরা।হেরে গেল গোটা পৃথিবী-ন্যায়, নীতি,ভরসা,স্বপ্ন সব।

    লড়াইটা শুরু এখন থেকেই।পায়েলকে জিতিয়ে দেয়ার লড়াই,পায়েলদের জিতিয়ে দেওয়ার লড়াই।

    আজ আমরা এবং পায়েলের বন্ধুরা,কাছের লোকরা মিলে ধুবুলিয়াতে মিছিল করে ,বক্তৃতা, স্লোগানে নিয়েছি লড়াই করার এক নতুন শপথ...এক সাথে,হাতে হাত রেখে।

    পায়েল হত্যাকাণ্ডের বিচার পেতে এখনও অনেক রাস্তা বাকি সাথী।বাকি অনেক পথ চলার।

    আজ হয়তো তুমি বাস্ত ছিলে কিংবা হয়তো এই ব্যাপারটা জানতে না । তাই আজ তোমাদের জানালাম।পরের আন্দোলনের দিন তোমায় সোশ্যাল মিডিয়াতে জানাবো সাথী।আমি কিন্তু সেই লড়াইয়ে আমার হাত ধরার জন্য আরো হাত চাই।সেইদিন রাস্তায় দেখা হবার সাথী।সেদিন হাত ধরবে হাত,আকাশ মাটি ফাটিয়ে উঠবে লড়াইয়ের স্লোগান,সবাই মিলে একসাথে সুস্থ ভাবে বেঁচে থাকার স্লোগান।আজ নাহয় সেই শপথটাই করলাম।দেখা হচ্ছে সাথী।

    Arnab's photo.
    Arnab's photo.
    Arnab's photo.
    Arnab's photo.
    --
    Pl see my blogs;


    Feel free -- and I request you -- to forward this newsletter to your lists and friends!

    0 0

    বলা বাহুল্য,আসামবাসী এক্ষেত্রে উৎফুল্লিত হয়ে উঠা কিন্তু মোটেও যুক্তিসঙ্গত কথা হবে না,তার সম্ভাবনাও হয়তো নেই বলব। কিন্তু বিক্ষুব্ধ হয়ে উঠলে,সেই ক্ষোভ সঠিক দিকে পরিচালিত নাহলে আসামের মাটি আরও একবার রক্তাক্ত হয়ে উঠবে,সেটা নিশ্চিত বলা যায়।কথাটি কোনো রাখ‌ঢাক না রেখে এভাবেও বলা যায়,যে বিপুল সংখ্যক বাঙালি হিন্দু বাংলাদেশীকে নাগরিকত্ব প্রদান করার প্রস্তুতিতে অন্য ভাষিক জনগোষ্ঠীর মনে বহুমাত্রিক (যেমন সংখ্যালঘু হয়ে পড়ার ভয়, সাংস্কৃতিক আধিপত্যের সংকোচন ইত্যাদি) আশংকার জন্ম দেবে।এই আশংকাজনিত ক্ষোভ সমগ্র বাঙালি সমাজের দিকে ধাবিত হওয়ার সম্ভাবনাই অত্যন্ত প্রবল।তেমন সম্ভাবনার সতর্কবাণী ইতিমধ্যেই কোনো কোনো মানুষের মত-মন্তব্যে প্রতিফলিত হয়েছে,কথাটা খুবই উদ্বেগের কথা কিন্তু। সবাই মনে রাখা ভাল যে সমগ্র বাঙালি সমাজটিই এক্ষেত্রে কোনোভাবেই দায়ী নয়। তাদের বলির পাঠা বানানো এসমস্ত ঘটনাবলীর আড়ালের অপশক্তি কারা,সে বিষয়টি পরিষ্কার হওয়া অত্যন্ত জরুরী কিন্তু। নাহলে যতই তীব্র হোক তাদের সকল বিক্ষোভ-প্রতিবাদ,সবই পথভ্রষ্ট পণ্ডশ্রম হয়ে পড়বে।কথাটা এখানেই শেষ নয়, আসামবাসী বাঙালিসমাজ অন্য জনগোষ্ঠীর দ্বারা আক্রান্ত হলে,নিরাপত্তার অলীক আশ্বাসে তারা বাধ্য হয়ে ধৰ্মীয় সাম্প্রদায়িক অপশক্তির পাশে চলে যাবেন,এধরণের কূটকৌশল সমগ্র আসামবাসী অনুধাবন করা খুবই প্রয়োজনীয়।...আলি ইব্রাহিমের (Ali Ibrahim )অনুবাদে কৌশিক দাসের (Kaushik Das)অসমিয়া নিবন্ধ পড়ুন...
    মূল অসমিয়া : কৌশিক দাস বাংলা অনুবাদ : আলি ইব্রাহিম            সং বাদ শিরোনামে এখন নাগরিকত্ব সংশোধনী বিধেয়কের কথাই দখল করে আ...
    ISHANERPUNJOMEGH.BLOGSPOT.COM|BY ইব্রাহিম
    --
    Pl see my blogs;


    Feel free -- and I request you -- to forward this newsletter to your lists and friends!

    सत्ता समीकरण साधने के लिए कश्मीर में बाहरी हस्तक्षेप की जमीन बना दी!

    बंगाल और असम में कश्मीर से भी खतरनाक हालात!

    कारपोरेट विश्वव्यवस्था के शिकंजे में हैं हमारी राजनीति और राजनय और नागरिकों का सीधे तौर पर सांप्रदायिक ध्रूवीकरण हो चुका है।

    फिजां कयामत है और पानियों में आग दहकने लगी है।हवाओं में विष के दंश हैं।पांव तले जमीन खिसकने लगी है।हिमालय के उत्तुंग शिखरों में ज्वालामुखियों के मुहाने खुलने लगे हैं।खानाबदोश मनुष्यता की स्मृतियों में जो जलप्रलय की निरंतरता है,उसमें अब रेगिस्तान की तेज आंधी है।

    पलाश विश्वास


    फिजां कयामत है और पानियों में आग दहकने लगी है।हवाओं में विष के दंश हैं।पांव तले जमीन खिसकने लगी है।हिमालय के उत्तुंग शिखरों में ज्वालामुखियों के मुहाने खुलने लगे हैं।खानाबदोश मनुष्यता की स्मृतियों में जो जलप्रलय की निरंतरता है,उसमें अब रेगिस्तान की तेज आंधी है।

    अपनी मुट्ठी में कैद दुनिया के साथ जो खतरनाक खेल हमने शुरु किया है,वह अंजाम के बेहद नजदीक है।हम परमाणु विध्वंस के मुखातिब हो रहे हैं।

    असंगठित राष्ट्र,असंगठित समाज और खंडित परिवार में कबंधों के कार्निवाल में अराजक आदिम असभ्य बर्बर दुस्समय के शिकंजे में हम अनंत चक्रव्यूह के अनंत महाभारत में हैं।

    1973 से,तैतालीस साल से मैं लिख रहा हूं।पेशेवर पत्रकारिता में भारत के सबसे बड़े मीडिया समूहों में छत्तीस साल खपाने के बावजूद कोई मंच ऐसा नहीं है ,जहां चीखकर हम अपना दिलोदिमाग खोलकर आपके समाने रख दें या हमारे लिए इतनी सी जगह भी कहीं नहीं है कि हम आपको हाथ पकड़कर कहीं और किसी दरख्त के साये में ले जाकर कहें वह सबकुछ जो महाभारत के समय अपनी दिव्यदृष्टि से अंध धृतराष्ट्र को सुना रहा था।

    धृतराष्ट्र सुन तो रहे थे आंखों देखा हाल ,लेकिन वे यकीनन कुछ भी नहीं देख रहे थे।संजोग से वह दिव्यदृष्टि हमें भी कुछ हद तक मिली हुई है और हमारी दसों दिशाओं में असंख्य अंध धृतराष्ट्र अपने कानों के अनंत ब्लैक होल के सारे दरवाजे खोलकर युद्धोन्माद के शित्कार से अपने इंद्रियों को तृप्त करने में लगे हैं।जो दृश्य हमारी आंखों में घनघटा हैं,उन्हें हम साझा नहीं कर सकते।

    हालात बेहद संगीन है।मैं कहीं चुनाव में आपसे अपने समर्थन में वोट नहीं मांग रहा हूं।मुझे देश में या किसी सूबे में राजनीतिक समीकरण साधकर सत्ता हासिल भी नहीं करना है।हम मामूली दिहाड़ी मजदूर हैं और किसी पुरस्कार या सम्मान के लिए मैंने कभी कुछ लिखा नहीं है।डिग्री या शोध के लिए भी नहीं लिखा है।जब तक आजीविका बतौर नौकरी थी, पैसे के लिए भी नहीं लिखा है।आज भी पैसे के लिए लिखता नहीं हूं।आजीविका बतौर अनुवाद की मजदूरी करता हूं जो अभी छह महीने में शुरु भी नहीं हुई है।

    मुझे आपकी आस्था अनास्था से कुछ लेना देना नहीं है और न आपके धर्म कर्म के बारे में कुछ कहना है।पार्टीबद्ध भी नहीं हूं मैं।अकारण सिर्फ शौकिया लेखन बतौर आजतक मैंने एक शब्द भी नहीं लिखा है।समकालीन यथार्थ को यथावत संबोधित करने का हमेशा हमारा वस्तुनिष्ठ प्रयास रहा है।यही हमारा मिशन है।

    मुझे सत्ता वर्चस्व का कोई डर नहीं है।मुझे असहिष्णुता का भी डर नहीं है।मेरे पास रहने को घर भी नहीं है तो कुछ खोने का डर भी नहीं है। मेरी हैसियत सतह के नीचे दबी मनुष्यता से बेहतर किसी मायने में नहीं है तो उस हैसियत को खोने के डर से मौकापरस्त बने जाने की भी जरुरत मुझे नहीं है।

    हमने सत्तर के दशक के बाद अस्सी के दशक का खून खराबा खूब देखा है और तब हम दंगों में जल रहे उत्तर प्रदेश के मेरठ और बरेली शहर के बड़े अखबारों में काम कर रहा था।हवाओं में बारुदी गंध सूंघने की आदत हमारी पेशावर दक्षता रही है और जलते हुए आसमान और जमीन पर जलजला के मुखातिब मैं होता रहा हूं और जन्मजात हिमालयी होने के कारण प्राकृतिक और मानव निर्मित आपदाओं के बारे में हमारी भी अभिज्ञता है हम यह कहने को मजबूर हैं कि हालात बेहद संगीन हैं।हमारा अपराध इतना सा है कि हम आपको आगाह करने का दुस्साहस कर रहे हैं।

    बांग्लादेश युद्ध जीतने के बाद किसी को यह आशंका नहीं थी कि त्रिपुरा,असम और पंजाब से देश भर में खून की नदियां बह निकलेंगी।1965 की लड़ाई के बाद 1971 के युद्ध में कश्मीर में आम तौर पर अमन चैन का माहौल रहा तो समूचे अस्सी के दशक में बाकी देश में खून खराबा का माहौल रहा,वह सिलसिला अब भी खत्म हुआ नहीं है।

    इतनी लंबी भूमिका की जरुरत इसलिए है कि हालात इतने संगीन हैं कि इस वक्त खुलासा करना संभव नहीं है।सिर्फ इतना समझ लें कि कश्मीर से ज्यादा भयंकर हालात इस वक्त बंगाल और असम में बन गये हैं।

    इतने भयंकर हालात हैं कि अमन चैन के लिहाज से उनका खुलासा करना भी संभव नही है।पूरे बंगाल में जिस तरह सांप्रदायिक ध्रूवीकरण होने लगा है,वह गुजरात से कम खतरनाक नहीं है तो असम में भी गैरअसमिया तमाम समुदाओं के लिए जान माल का भारी खतरा पैदा हो गया है।गुजरात अब शांत है।लेकिन बंगाल और असम में भारी उथल पुथल होने लगा है।

    इस बीच कुछ खबरें भी प्रकाशित और प्रसारित हुई हैं।राममंदिर आंदोलन के वक्त उत्तर भारत में जिस तरह छोटी सी छोटी घटनाएं बैनर बन रही थी,गनीमत है कि बंगाल में वैसा कुछ नहीं हो रहा है और हालात नियंत्रण में हैं।चूंकि इस पर सार्वजनिक चर्चा हुई नहीं है तो हम भी तमाम ब्योरे फिलहाल साझा नहीं कर रहे हैं और ऐसा हम अमन चैन का माहौल फिर न बिगड़े,इसलिए कर रहे हैं।

    बांग्लादेश में हाल की वारदातों के लिए तमाम तैयारियां बंगाल और पूर्वोत्तर भारत में होती रही है,इसका खुलासा हो चुका है।

    अब आम जनता के सिरे से सांप्रदायिक ध्रूवीकरण में बंट जाने के बाद दशकों से राजनीतिक संरक्षण में पल रहे वे तत्व क्या गुल खिला सकते हैं,असम और बंगाल में आगे होने वाली घटनाएं इसका खुलासा कर देंगी।

    वोटबैंक की राजनीति के तहत पूरे देश में अस्मिता राजनीति कमोबेश फासिज्म के राजकाज को ही मजबूत कर रही है,फिर धर्मनिरपेक्षता के नाम पर इस राजनीति का समर्थन कितना आत्मघाती होने जा रहा है,यह हम सत्तर,अस्सी और नब्वे के दशकों में बार बार देख चुके हैं और तब सत्ता का रंग केसरिया भी नहीं था।

    परमाणु विध्वंस के लिए वोटबैंक दखल के राजनीतिक समीकरण साधने की राजनीति और राजकाज से यह सांप्रदायिक ध्रूवीकरण बेहद तेज होने लगा है और विडंबना यह है कि असंगठित राष्ट्र,असंगठित समाज और खंडित परिवार के हम कबंध नागरिक इस खंडित अंध अस्मिता राष्ट्रवाद के कार्निवाल में तमाम खबरों से बेखबर किसी न किसी के साथ पार्टीबद्ध होकर नाचते हुए तमाम तरह के मजे ले रहे हैं और मुक्त बाजार में अबाद पूंजी प्रवाह की निरंकुश क्रयशक्ति की वजह से हमारा विवेक,सही गलत समझने की क्षमता सिरे से गायब है।

    हम बार बार आगाह कर रहे हैं कि ये युद्ध परिस्थितियां कोई भारत पाक या कश्मीर विवाद नहीं है।बल्कि कारपोरेट विश्वव्यवस्था के तहत सुनियोजित संकट का सृजन है।जैसे पाकिस्तान की फौजी हुकूमत ने पूर्वी पाकिस्तान की आम जनता का दमन का रास्ता अख्तियार करके बांग्लादेश में भारतीय सैन्य हस्तक्षेप की परिस्थितियां बना दी थी,हम उस इतिहास से कोई सबक सीखे बिना कश्मीर की समस्या सुलझाने के बजाये उसे सैन्य दमन के रास्ते उलझाते हुए अपनी आत्मघाती राजनीति और राजनय से कश्मीर में बाहरी हस्तक्षेप की जमीन मजबूत करने लगे हैं।

    पाकिस्तान की फौजी ताकत और हथियारों की होड़ में उसकी मौजूदा हैसियत चाहे कुछ भी हो ,भारत का उससे कोई मुकाबला नहीं है क्योंकि सन 1962,सन 1965 और सन 1971 की लड़ाइयों और अंधाधुंध रक्षा व्यय के बावजूद भारत में लोकतंत्र पर सैन्यतंत्र का वर्चस्व कभी बना नहीं है।

    भारत में युद्धकाल से निकलकर विकास की गतिविधियां जारी रही हैं और हर मायने में भारतीय अर्थव्यवस्था आत्मनिर्भर रही है तो सत्ता परिवर्तन के बावजूद राजनीतिक अस्थिरता सत्तर के दशक के आपातकाल के बावजूद कमोबेश भारत राष्ट्र के लोकतांत्रिक ढांचे को तोड़ नहीं सका है।

    जबकि पाकिस्तान में लोकतंत्र उस तरह बहाल हुआ ही नहीं है।लोकतांत्रिक सरकार पर फौज हावी होने से पाकिस्तान में युद्ध परिस्थितियां उसके अंध राष्ट्रवाद के लिए अनिवार्य है और भारत विरोध के बिना उसका कोई वजूद है ही नहीं।

    इसी वजह से पाकिस्तान लगातार अपनी राष्ट्रीय आय और अर्थव्यवस्था को अनंत युद्ध तैयारियों में पौज के हवाले करने को मजबूर है और इसीलिए उसकी संप्रभुता अमेरिका ,चीन और रूस जैसे ताकतवर देशों के हवाले हैं।यह भारत की मजबूरी नही है।

    हमारी राजनीति चाहे कुछ रही हो,अबाध पूंजी निवेश और मुक्त बाजार के बावजूद राष्ट्रनिर्माताओं की दूर दृष्टि की वजह से हमारा बुनियादी ढांचा निरंतर मजबूत होता रहा है।विकास के तौर तरीके चाहे विवादास्पद हों,लेकिन विकास थमा नहीं है।अनाज की पैदावार में हम आत्मनिर्भर हैं हालाकि अनाज हर भूखे तक पहुंचाने का लोकतंत्र अभी बना नहीं है। हमें पाकिस्तान की तरह बुनियादी जरुरतों और बुनियादी सेवाओं के लिए दूसरे देशों पर निर्भर रहने की जरुरत नहीं है।

    अस्सी के दशक के खून खराबा और नब्वे के दशक में हुए परिवर्तन के मध्य पाकिस्तान से भारत का कबी किसी भी स्तर पर कोई मुकाबला नहीं रहा है।कश्मीर मामले को भी वह अंतरराष्ट्रीिय मंचों पर उठाने में नाकाम रहा है।

    पाकिस्तानी फौजी हुकूमत की गड़बड़ी फैलाने की तमाम कोशिशों के बावजूद कश्मीर विवाद अंतर राष्ट्रीय विवाद 1971 से लेकर अबतक नहीं बना था और न तमाम देशों,अमेरिका,रूस या चीन समेत की विदेश नीति में भारत और पाकिस्तन को एक साथ देखने की पंरपरा रही है।

    पाकिस्तान राजनयिक तौर पर अमेरिका और चीन का पिछलग्गू रहा है और बाकी दुनिया से अलग रहा है।इस्लमी राष्ट्र होने के बावजूद उसे भारत के खिलाफ इस्लामी देशों से कभी कोई मदद मिली नहीं है और भारतीय विदेश नीति का करिश्मा यह रहा है कि उसे लगातार अरब दुनिया और इस्लामी दुनिया का समर्थन मिलता रहा है।पाकिस्तान हर हाल में अलग थलग रहा है।

    ब्रिक्स के गठन के बाद तो चीन ऱूस ब्राजील के साथ भारत एक आर्थिक ताकत के रुप में उभरा है और भारत जहां है,उस हैसियत को हासिल पाकिस्तान ख्वाबों में भी नहीं कर सकता क्योंकि फौजी हुकूमत के शिकंजे से निकले बिना ऐसा असंभव है।

    हमारे अंध राष्ट्रवाद ने कश्मीर समस्या को भारत पाक विवाद बना दिया है और अंतरराष्ट्रीय मंचों पर आतंकवाद के मुद्दे पर पाकिस्तान को घेरने की अंध राजनय ने हाल में गोवा में हुए ब्रिक शिखर वार्ता के विशुध आर्थिक मंच पर भी बेमतलब कश्मीिर को मुद्दा बना दिया है,जिसकी गूंज अमेरिकी,चीनी,रूसी कूटनीतिक बयानों में सुनायी पड़ रही है।

    यह राजनयिक आत्मघात है ,भले ही इस कवायद से किसी राजनीतिक पार्टी को यूपी और पंजाब में सत्ता दखल करने में भारी मदद मिलेगी,लेकिन इस ऐतिहासिक भूल की भारी कीमत हमें आगे अदा करनी होगी।

    नागरिकों का विवेक जब पार्टीबद्ध हो जाये तब राष्ट्र और राष्ट्रवाद की चर्चा बेमानी है।

    यह बेहद खतरनाक इसलिए है कि अमेरिकी राष्ट्रपति चुनाव में चाहे मैडम हिलेरी जीते या फिर डोनाल्ड ट्रंप,जिन्हें ग्लोबल हिंदुत्व के अलावा पोप का समर्थन भी मिला हुआ है,अमेरिका की तैयारी परमाणु युद्ध की है और आतंकवाद के विरुद्ध अमेरिका के युद्द में पार्टनर होने से तेल कुओं की आग से भारत को बचाना उतना आसान भी नहीं होगा।

    कारपोरेट विश्वव्यवस्था के शिकंजे में है हमारी राजनीति और राजनय और नागरिकों का सीधे तौर पर सांप्रदायिक ध्रूवीकरण हो चुका है।

    आप चाहे तो हमें जी भरकर गरियायें।सोशल मीडिया पर भी आप हमें आप जो चाहे लिख सकते हैं।हम जैसे कम हैसियत के नामानुष को इससे कोई फर्क पड़ने वाला नहीं है,लेकिन जिन खतरों की तरफ हम आपका ध्यान आकर्षित करना चाह रहे हैं,अपनी अस्मिता और अपनी राजनीतिक प्रतिबद्धता से ऊपर उठकर एक मनुष्य और एक भारतीय नागरिक बतौर उन पर तनिक गौर करें तो हम आपके आभारी जरुर होगें।



    0 0

    Women have to be the victim unless we destroy the Patriarchy!
    Palash Biswas 
    Rest of India thinks Bengal respect woman most and explains Bengali nationalism as matriarchal.It is also a myth that Bengal has become very progressive which not only considers no bar in marriage but also have ended dowry system.As Bengal renaissance has ended Sati Pratha,Bal Vivah and widows were allowed to begin life afresh.Bengal is known to have educated its daughters long before rest of India. Bengalies worship Durga ,Kali, Mansa, Sheetala, Shashthi,Jagadhatri and Vaishnav movement elevated the divine love of Radha.Radha represents the freedom of love!Worshiping a full spectrum of goddesses and making festivals and carnivals of vedic rituals in fact reduced Bengali Woman to the status as prescribed in Manusmriti as Sukumari Bhattacharya and Taslima Nasreen have explained so well in the light of history and literature.
    The Vaishnav movement enhanced by Baul movement has maintained continuity of Buddhist legacy which was further strenthened by Progressive ideolgies and Bengal Renaissance,specifically represented by Rabindra An Nazrul Sangeet has opened the ways of Women` liberation in this geopolitics.
    But recent incidents prove that Bengal tops in ranking in Rape,gang rape,domestic violence,witch hunting and woman trafficking all the way.Now dowry is also highlighted just in case of Mita Mandal who was a student of the most reputed university.Thus,students,civil society and media aligned to demand justice.Whereas in most cases Kamduni to kakadweep and even in the incidents happened during Durga Carnival and red road parade,justice denied!
    It is an affair related to human rights and we deny woman`s status as human being .She remains the sex toy or sex slave in a patriarchal society which is brute,inhuman.Only a strong movement led by women themselves may liberate woman.Biologically as human being man and woman relationship might not be denied ,marriage or no marriage or live in status until we do something to change our patriarchal psyche which has strengthened with purchasing capacity being the decisive factor and human values and human rights decaying.

    --
    Pl see my blogs;


    Feel free -- and I request you -- to forward this newsletter to your lists and friends!


    सिंगुर में दीदी के बोये सरसों के फूल खिलखिलायेंगे,लेकिन दसों दिशाओं में कमल खिलने लगे हैं!

    दीदी जिसे अपनी ताकत मनने लगी है जो दरअसल उनके तख्ता पलट की भारी तैयारी है।

    अधिग्रहित जमीन वापस ,लेकिन जमीन के मालिक दो सौ किसानों का अता पता नहीं!

    एक्सकैलिबर स्टीवेंस विश्वास

    हस्तक्षेप संवाददाता

    सिंगुर में दीदी के बोये सरसों के फूल खिलखिलायेंगे,लेकिन दसों दिशाओं में कमल खिलने लगे हैं।दीदी जिसे अपनी ताकत मनने लगी है जो दरअसल उनके तख्ता पलट की भारी तैयारी है।जब खिलेंगे सरसों के फूल ,तब खिलेंगे।सरसों पंजाब में सबसे ज्यादा खिलते रहे हैं लेकिन अकाली हिंदुत्व की दुधारी तलवार पर पंजाब किस तरह लहूलुहान होता रहा है,बंगाल उससे कोई सबक सीख लें तो बेहतर।

    सरसों जब खिलेंगे तब खिलेंगे।फिलहाल पूरे बंगाल में असम की तर्ज पर कमल की फसल खूब लहलहा रही है और कमल के नाभि नाल में तमाम विषैले नाग फन काढ़े बैढे हैं।कब किसे डंस लें,कौन जाने कब! कहां कैसी दुर्घटना हो जाये!

    कल सिंगुर पहुंचकर सुरक्षा कवच किनारे रखकर अफसरों,मंत्रियों ,नेताओं के कारवां को पीछे छोड़कर बंगाल की मुख्यमंत्री ममता बनर्जी ने सिंगुर की अधिग्रहित जमीन पर किसानों के बीच पहुंच कर खेत पर जो सरसों के बीज छिड़के हैं,वे जल्द ही अंकुरित हो जायेंगे और दस साल से ज्यादा समय तक बंजर पड़ी जमीन पर सरसों के फूल खिलखिलायेंगे और तब तक सिंगुर पर अवैध अधिग्रहण के फैसले के तहत जारी सुप्रीम कोर्ट के निर्देश के तहत समयसीमा के भीतर सारी अधिग्रहित जमीन किसानों को वापस दिलाने का वादा किया है ममता दीदी ने।

    खेतों को कृषि योग्य बनाने का काम तेजी से हो रहा है।जिसे सुप्रीम कोर्ट की मोहलत के भीतर पूरा कर लेने का दावा है।गौरतलब है कि सीमेंट, पत्थर,ईंट और आधे अधूरे निर्माण,खर पतवार आदि को साफ करके यह काम पूरा करना भी बहुत बड़ी चुनौती है।जमीन का चरित्र बदल जाने के बाद बेदखल जमीन किसानों को सौंपकर वहां फिर खेती शुरु करना कम बड़ी उपलब्धि नहीं है।लेकिन इस उपलब्धि के साथ ही ममता बनर्जी के तख्ता पलट की तैयारी भी जोरों पर है और इसका अचूक हथियार हिंदुत्व है,जिसका इस्तेमाल दीदी भी खूब कर रही हैं।

    बहरहाल किसानों को नये सिरे से खेती के लिए बीज और कर्ज देने का बंदोबस्त भी हो गया है।सिंगुरके 298 किसानों को सौंपी गई उनकी 103 एकड़ जमीन। कृषि से आंदोलन भूमि में तब्दील हुए सिंगुरमें गुरुवार को नई उम्मीदों का बीजारोपण हो गया। एक दशक बाद फिर सिंगुर में खेती शुरू हुई, जिसका आगाज खुद पश्चिम बंगाल की मुख्यमंत्री ममता बनर्जी ने सरसों के बीज छिड़ककर किया। उन्होंने किसानों में जैविक खाद भी बांटे।

    ममता बनर्जी  ने गुरुवार को सिंगुरके बाजेमेलिया मौजे में किसानों के बीच जाकर उन्हें उनकी जमीनें सौंपी और कड़ी धूप में खुद सरसों के बीज छिड़ककर फिर से खेती की शुिरुआत कर दी।

    फिरभी सारी जमीन लौटाना मुश्किल दीख रहा है क्योंकि अधिग्रहित जमीन जिन किसानों के नाम हैं,उनमें से दो सौ किसानों का अता पता नहीं है।इन दो सौ किसानों ने न मुआवजा के लिए और जमीन के लिए कोई अर्जी दी है।

    इसके साथ ही जमीन की मिल्कियत वापस पाने के बाद बड़ी संख्या में किसान अपनी जमीन बेचने की जुगत रहे हैं क्योंकि इस लंबी लड़ाई में निर्णायक जीत हासिल करने की अवधि में रोजमर्रे की जिंदगी गुजर बसर करने के लिए वे दूसरा पेशा अपना चुके हैं और खेती करना नही चाहते।जो किसान खेती नहीं करना चाहते ,वे अभी भी सिंगुर में कारखाना लगाने की मांग कर रहे हैं।उनका क्या होगा,राम जाने।

    फिक्र यह है कि अभी सिंगुर में पहुंचकर दीदी के किसानों के बीच जाकर सरसों बोने से पहले सिंगुर के पास दिल्ली एक्सप्रेस वे पर उनके भतीजे सांसद अभिषेक बंदोपाद्याय की बुलेट प्रूफ कार वहा पहले से खड़ी एक मिल्क वैन से टकरा जाने के वजह से अभिषेक बुरी तरह जख्मी हो गये और कारवां में होने की वजह से तत्काल अस्पताल पहुंचाये जाने पर वे बाल बाल बच गये हैं।यह महज संजोग है,ऐसा समझना खतरों को नजरअंदाज करना होगा।खासकर तब जबकि अभिषेक ही दीदी के राजनीतिक उत्तराधिकारी है।अगर ऐसा वैसा उसके साथ कुछ भी हो जाये तो पार्टीबद्ध अराजकता के कीड़ कोड़े विषैले जीव जंतु बंगाल में क्या कहर बरपा देगें,इसका नजारा अभी बंगाल के हर जिले में अखंड दुर्गोत्सव के साथ जारी है।

    गनीूमत है कि दीदी नजरअंदाज नहीं कर रही हैं और इस वारदात की सीआईडी जांच का आदेश दिया है दीदी ने,जो इसे भीतरघात मान रही हैं।सही मायने में दीदी अस्पताल से सीधे सिंगुर पहुंचकर सिंगुर को जमीन आंदोलन का माडल बनाने का ऐलान कर दिया है।

    जाहिर है कि दीदी के एकाधिकार के बावजूद बंगाल में हालात बेहद संगीन है।वोटबैंक पर दीदी का दखल है और निकट भविष्य में उन्हें किसी चुनाव में पराजित करने के लिए विपक्षी दलों के लिए किसी भी तरह की कवायद कर पाना सिरे से असंभव है।लेकिन बंगाल में जिस तेजी से सांप्रदायिक ध्रूवीकरण होने लगा है,उससे सत्ता दल का रंग भी केसरिया होने लगा है और हाल में राजकीय दुर्गोत्सव कार्निवाल शुरु करके दीदी ने विपक्ष के सफाये के लिए बंगाली हिंदुत्व राष्ट्रवाद का जो सहारा लिया है,वह उनके लिए भारी सरदर्द का सबब बन सकता है।यही गलती वाम शासकों ने की थी विचारधारा को तिलांजलि देकर,वर्गीय ध्रूवीकरणके बजायवोटबैंद साधने के तहत अपने राजनीतिक जनाधार को तिलांजलि देकर।वाम जमाने की नकल वाम से बेहतर करने के चक्कार में दीदी उनकी वे ही गलतियां दुहराने लगी हैं औरतेजी से हालात उनके नियंत्रण से बाहर होते जा रहे हैं।राजनीति तो सध रही है लेकिन समाज का जो विचित्र हैरतअंगेज केसरियाकरण हो रहा है,उसमें दीदी का हाथ बहुत ज्यादा है।

    हालात बेहद संगीवन है।मसलन बहुत संभव है कि अभिषेक दुर्घटना का ही शिकार हुआ है क्योंकि एक्सप्रेस हाईवे पर ऐसी दुर्घटनाएं आम है।फिरभी सिंगुर में जमीन वापसी से ठीक पहले उसी सिंगुर के पास अभिषेक के कारवां के रास्ते बत्ती बुझाये मिल्क वैन का अवरोध बन जाना और उस वजह से हुई दुर्घटना में अभिषेक का बाल बाल बचजाना बेहद रहस्यपूर्ण है।

    अगर दीदी की आशंका सही है तो यह समझ लीजिये कि बंगाल में भीतर ही भीतर बारुदी सुरंगों का जाल बिछ गया है।

    विपक्ष का सफाया कर देने की वजह से राजनीतिक तौर इस संकट का मुकाबला बेहद मुश्किल है और कानून व्यवस्था पर प्रशासन का कोई नियंत्रण नहीं है।

    गौरतलब है कि सिंगुर में बलात्कार के बाद तापसी मल्लिक को जिंदा जला दिया गया था।यह भी जमीन अधिग्रहण विरोधी आंदोलन के तेजी से भड़कने की खास वजह रही है।दीदी ने सिंगुर में उसी तापसी मल्लिक का सङीद स्मारक बनाने का ऐलान कर दिया है।दूसरी ओर,विडंबना यह है कि दीदी के राज में महिला तस्करी और स्त्री उत्पीड़न के मामले में बंगाल टाप पर है।हिंदुत्व और पितृसत्ता के इस गठजोड़ की शिकार स्त्री रोज रोज हो रही है।एसिड हमला,दहेज उत्पीड़न, बलात्कार और हत्या की वारदातें रोज रोज हो रही है।रोज तापसी मलिक के साथ बलात्कार हो रहै हैं।

    विडबंना है कि रोज तापसी मल्लिक को जिंदा जलाया जा रहा है और राजनीतिक समीकरण साधने की राजनीति के तहत दीदी सांप्रदायिक ध्रूवीकरण और स्त्री उत्पीड़न की तमाम वारदातों को नजरअंदाज कर रही हैं।

    सिंगुर में लापता दो सौ किसानों को जमीन वापस नहीं दी जा सकी तो उस जमीन का दीदी क्या करेंगी ,यह दीदी को तय करना है या सुप्रीम कोर्ट से इस सिलसिले में नया आदेश हो सकता है।

    बहरहाल अधिगृहित जमीन पर दस साल बाद सरसों बोकर जो नई शुरुआत बंगाल की मुख्यमंत्री ने कर दी है.उससे बंगाल और देश भर में जमीन आंदोलन के माडल सिंगुर का क्या असर होना है,यह हम अभी से बता नहीं सकते।

    जमीन आंदोलन की नेता बतौर ममता बनर्जी को बाजार का कितना साथ उनके अखंड जनाधार के बावजूद मिलता रहेगा,यह बताना भी मुश्किल है।

    जिस तेजी से बंगाल का केसरियाकरण हो रहा है और हिंदुत्वकी राजनीति सत्ता की राजनीति बनती जा रही है,उससे दीदी के लिए आगे बहुत कड़ी चुनौती है।इसे दीदी के तख्ता पलट का उपक्रम हम कह सकते हैं जिसे दीदी अपने अखंड जनाधार का आधार मानने लगी हैं।जमीन उनका यह तेवर कब तक बाजार हजम कर सकेगा,यह हम अंदाजा लगा नहीं सकते।दीदी को सीधे चुनौती देने की स्थिति में कोई नहीं है और दीदी खुद ही खुद के लिए चुनौतियां पैदा कर रही हैं।

    मसलन एकतरफ तो जमीन के अधिग्रहण न होने देने की जिद पर दीदी अडिग हैं तो दूसरी तरफ बंगाल में देश में सबसे पहले कानूनी तरीके से ठेके पर खेती लागू हो रही है और मजे की बात यह है कि वाम किसान आंदोलन के बड़े नेता और लंबे समय तक वाम सरकार के मंत्री रहे रेज्जाक मोल्ला ने दीदी के मंत्रिमंडल में शामिल होकर यह करिश्मा कर दिखाया है,जिसके तहत कारपोरेट कंपिनियों के बंधुआ मजदूर होंगे किसान।खेती की उपज कारपोरेट कंपनियों की होगी।बीज भी जीएम होंगे।

    सिंगुर जमीन आंदोलन का यह माडल बेशक बाकी देश में देर सवेर लागू होने वाला है।जमीन से बेदखली तो शुरु से जारी है और अब किसानों को बंधुआ मजदूर बनाया जा रहा है और इसकी शुरुआत बंगाल से हो रही है दीदी के राजकाज में।

    बहरहाल मुख्यमंत्री व तृणमूल कांग्रेस प्रमुख ममता बनर्जी ने गुरुवार को को हुगली जिला स्थित सिंगुरके समीप गोपालनगर में किसानों को वास्तविक रूप से जमीन सौंपते हुए कहा कि उन्होंने 2006 में जो वादा किया था, उसे निभाया है।

    दीदी ने कहा कि किसानों से किए गए वादे को पूरा करने के लिए लंबी राजनीतिक व कानूनी लड़ाई लड़नी पड़ी। मुख्यमंत्री ने कहा कि अधिकार मांगने से नहीं मिलता, मौजूदा स्थिति में उसे छीनना पड़ता है। ममता ने कहा कि 997 एकड़ में से 65 एकड़ को छोड़ कर शेष जमीन किसानों को सौंपे जाने के लिए तैयार है।गौरतलब है कि मुख्यमंत्री ममता बनर्जी ने सिंगूर आंदोलन के दौरान शहीद हुए राज कुमार भूल और तापसी मल्लिक के नाम पर सिंगुरमें एक शहीद स्मारक बनाने की घोषणा की। उन्होंने जिलाधिकारी को इसके लिए जमीन तलाशने को निर्देश भी जारी कर दिया है। उस स्मारक पर उनकी तस्वीर मौजूद होगी।

    मुख्यमंत्री ने इस मौके पर यह भी कहा कि किसी भी आंदोलन में पीछे नहीं मुड़ना चाहिए। गौरतलब है किकि 2006 में राज्य के वाम मोरचा की सरकार में तात्कालीन मुख्यमंत्री बुद्धदेव भट्टाचार्य ने टाटा के नैनो कारखाना के लिए 997.11 एकड़ जमीन किसानों से जबरन अधिग्रहण किया था।

    जाहिर है कि  बहुचर्चित सिंगुरआंदोलन का दौर गुरुवार को पूरा हो गया। मुख्यमंत्री ममता बनर्जी की ओर से खेतों में सरसों का बीज छिड़कने के साथ ही करीब एक दशक बाद गिराए गए नैनो कार प्लांट की जगह पर फिर से खेती की शुरुआत हो गई। सुप्रीम कोर्ट की एक पीठ ने 31 अगस्त को 12 हफ्तों की समयसीमा तय की थी और उसके अंदर ही पांच मौजों में फैली 103 एकड़ जमीन का कब्जा 298 किसानों को सौंप दिया गया। पीठ ने यह भी कहा था कि कार परियोजना के लिए भूमि अधिग्रहण की प्रक्रिया गलत थी और यह लोगों के उद्देश्य के लिए नहीं थी।


    --
    Pl see my blogs;


    Feel free -- and I request you -- to forward this newsletter to your lists and friends!

    0 0


    महत्वपूर्ण खबरें और आलेख हर दसवां आदिवासी अपनी जमीन से विस्थापित

    Recent Posts


    हस्तक्षेप के संचालन में छोटी राशि से सहयोग दें





    --
    Pl see my blogs;


    Feel free -- and I request you -- to forward this newsletter to your lists and friends!


    एक झटके से असुरक्षित हो गयी डिजिटल बैंकिंग

    चार महीने से आम आदमी के डेबिट कार्ड एटीएम पिन चोरी हो रहे थे। बैंकों को इस बात की जानकारी भी थी, मगर उन्होंने यह जानकारी अपने ग्राहकों से छिपा ली।साइबर क्राइम से बड़ा अपराध तो भारतीय वित्त मंत्रालय,रिजर्व बैंक और बैंकिग प्रबंधन का है।

    डेबिट कार्ड की अब क्या कहें, आपके तमाम तथ्य तो आधार नंबर से चुराये जा सकते हैं!

    देशभर में सिर्फ 32 लाख नहीं, बल्कि 65 लाख डेबिटकार्डों का डाटा चोरी होने की आशंका है।यह संख्या भी आधिकारिक नहीं है।लाखों की तादाद में या करोडो़ं की तादाद में यह डाटाचोरी हुई है या नहीं है,संबंधित बैंको की ओर से अपनाकारोबार बचाने की गरज से इसका खुलासा हो नहीं रहा है। भारतीय स्टेट बैंकजिसतरह खुलासा कर रहा है,निजी बैंको में उससे कहीं बड़ा संकट होने के बावजूद वे अपने व्यवसायिक हितों के मद्देनजर जब तक संभव है,कोई जानकारी साझा करने से बचेंगे।बहरहाल अब बैंकों ने अपने ग्राहकों से पिन बदलवाने या फिर मौजूदा कार्डब्लॉक कर नया कार्डदेने की कवायद तो शुरू कर दी है। लेकिन सबसे खतरनाक बात तो यह है कि अभी तक किसी भी बैंक ने इस मामले में एफआईआर तक दर्ज नहीं करवाई है और न ही सरकार को इस बारे में कोई सूचना ही दी है।मसलन महाराष्ट्र पुलिस की साइबर सिक्योरिटी ने खुद बैंकों को खत लिखा है।

    पलाश विश्वास

    चार महीने से आम आदमी के डेबिट कार्डएटीएम पिन चोरी हो रहे थे। बैंकों को इस बात की जानकारी भी थी, मगर उन्होंने यह जानकारी अपने ग्राहकों से छिपा ली।साइबर क्राइम से बड़ा अपराध तो भारतीय वित्त मंत्रालय,रिजर्व बैंक और बैंकिग प्रबंधन का है।जबकि बैंकिंग के नियमानुसार आरबीआई के ड्राफ्ट के मुताबिक, खाता धारकों द्वारा धोखाधड़ी की सूचना दिए जाने पर बैंक को 10 कार्यदिवसों के अंदर ग्राहक के खाते से गायब हुआ पैसा वापस करना होगा। इसके लिए ग्राहक को तीन दिन के अंदर ही धोखाधड़ी की सूचना देनी होगी और उसे यह दिखाना होगा कि उसकी तरफ से किसी तरह का लेनदेन नहीं किया गया और पैसा बिना उसकी जानकारी के गलत तरह से गायब हुआ है। आरबीआई का निर्देश है कि बैंक यह सुनिश्चित करें कि ग्राहक की शिकायत का निपटारा 90 दिनों के अंदर हो जाए. क्रेडिट कार्डसे पैसे गायब होने की हालात में बैंक यह सुनिश्चित करें कि कस्टमर को किसी भी तरह का ब्याज न देना पड़े।बैकों से समय के भीतर सूचना नहीं मिली तो पैसे वापस लेने के लिए तीन दिनों में शिकायत भी नहीं कर सकते ग्राहक।

    मेरा यह आलेख आप चाहे तो पढ़ लें और न चाहे तो न पढ़ें।संकट सिर्फ यह नहीं है कि बत्तीस लाख डेबिट कार्ड साइबर अपराधियों के कब्जे में है और वीसा,मास्टरकार्ड समेत विदेश से संचालित एटीएम और डिजिटल लेनदेन में वाइरस संक्रमण से जमा पूंजी खतरे में है।भारतीय स्टेट बैंक ने लाखों डेबिट कार्ड बदल दिये हैं और बैंकों ने सुरक्षित लेन देन के लिए ग्राहकों को निर्देश जारी कर दिये हैं।भुगतान आयोग पूरे मामले की तहकीकात कर रहा है। देश के सबसे बड़े कारपोरेट वकील जो देश के वित्तमंत्री भी है,वे भरोसा दे रहे हैं कि घबड़ाने की कोई बात नहीं है।केंद्र सरकार ने कहा है कि वह ग्राहकों के साथ खड़ी है।मसला बस इतना सा नहीं है।

    आप भले यह आलेख न पढ़ें,लेकिन आपको आगाह कर देना जरुरी है कि अब एटीएम से या नेटबैंकिंग से सिर्फ पिन बदलने से आपकी जमापूंजी की सुरक्षा की गारंटी नहीं है।इस बीच कुछ बैंको ने ग्राहकों के लिए पिन बदलना अनिवार्य कर दिया है।पुराना पिन अगर लीक हो सकता है तो नया पिन भी लिक हो सकता है।जिस वक्त आप पिन बदल रहे होंगे,नेटवर्क में साइबर अपराधियों के कब्जे में हो तो उसी वक्त पिन लीक हो सकता है।तकनीक भस्मासुर है।डिजिटल लेनदेन में साफ्टवायर की भूमिका खास है।जिसे हैक करना भी तकनीकी कमाल है जिससे दुनिया में सबसे सुरक्षित पेंटागन का सिस्टम भी जब तब हैक होता है।तकनीक के जरिये तथ्य चुराना बांए हाथ का खेल है।धोखाधड़ी से बचने के लिए केंद्र सरकार,वित्तमंत्री और बैंकों की तरफ से ऐहतियाती इंतजाम काफी नहीं है,यह समझना बेहद जरुरी है।

    हो सकता है कि आप पूरा लेख न पढ़ें,तो आपके लिए एक सुझाव है।अगर आप विदेश यात्रा न करते हों तो तुरंत अपने बैंक में जाकर आपके खाते से विदेश में लेन देन पर रोक लगवा लें।तब कम से कम अमेरिका या चीन या अन्य कहीं से आपके खाते से निकासी पर कारगर रोक लग सकेगी।गनीमत है कि आम तौर पर आम लोग विदेश यात्रा नहीं करते और विदेशों में लेन देन की कोई मजबूरी उनकी अब भी नहीं है।पिन बदलने की जगह बैंकों की ओर से सर्वोच्च प्राथमिकता के तहत युद्धकालीन तत्परता से यह काम पूरा कर लिया जाये तो इस संकट से कमसकम आम जनातो को बचा लिया जा सकता है।

    2008 की वैश्विक मंदी से भारत राजनीतिक नेतृत्व के कमाल से बच गया,इस मिथक में कतई यकीन न करें।उसकी सबसे बड़ी वजह यह रही है कि आम जनता शेयर बाजार से बाहर रही है।शेयर बाजार के लेन देन और शेयर सूचकांक का आम जिंदगी पर कोई असर नहीं हुआ।2008 से 2016 तक हालात एकदम बदल गये हैं।

    इस वक्त तमाम जरुरी सेवाओं,बुनियादी जरुरतों,रोजगार,वेतन ,पेंशन, बीमा, बैंकिंग आधार नंबर से जुड़ जाने और अधिकांश नागरिकों के आधार नेटवर्क से जुड़ जाने की वजह से उनके तमाम निजी और गोपनीय तथ्य डाटा बैंक में जमा हैं,जो सीधे तौर पर शेयर बाजार से जुड़ा है और निजी कारपोरेट कंपनियों के लिए वे तथ्य उपलब्ध हैं।

    हालत यह है कि देश में सामने आयी सबसे बड़ी डेबिट कार्डडाटा चोरी की घटना में नए-नए खुलासे सामने आ रहे हैं। डाटा चोरी शिकार एक दो नहीं, भारतीय स्टेट बैंक समेत 19 बैंकों के नाम सामने आ चुके हैं जबकि प्रभावित डेबिट कार्ड्स की संख्या भी बढ़कर अब 65 लाख पहुंच गयी है। गौरतलब है कि भारत में बैंकिंग का बुनियादी ढांचा भारतीय स्टेट बैंक का नेटवर्क  है।जोदेश में सर्वत्र दूरदराज के गांवों तक में है और यह सरकारी क्षेत्र का बैंक है।जिसकी साख पर कोई सवाल अब तक कभी उठा नहीं है। जब एसबीआई के डेबिट कार्ट का यह हाल है तो भारत में बैकिंग सिस्टम के डिजिटल नेटवर्क को हम किस हद तक सुरक्षित मान सकते हैं और उनकी नेटबैंकिंग और मोबाइल बैंकिंग के जरिये लोन देन को कितनासुरक्षित मान सकते हैं।

    जाहिर है कि यह भारत में सामने आया अब तक का सबसे बड़ा एटीएम-डेबिट कार्डफ्रॉड है लेकिन किसी भी कस्टमर या बैंक ने इससे संबंधित शिकायत दर्ज नहीं कराई है। ख़बरें तो ये भी हैं कि जिन कस्टमर्स के पैसे चुराए गए हैं उन्हें बैंक वापस करेंगे। हालांकि फिलहाल जो बातें सामने आई हैं उसके मुताबिक डेबिट कार्डसे लिंक अकाउंट पर भी खतरा मंडरा रहा है।ग्राहको के पैसे वापस कराने का जो वादा है,टिटफंड कंपनियों के मामले में हम उसका भयानक सच जानते हैं।

    इसपर तुर्रा यह कि एटीएम डेबिट कार्डफ्रॉड का मामला और बड़ा होने का खतरा है। साइबर सिक्योरिटी एक्सपर्ट को आशंका है कि 65 लाख से ज्यादा डेबिड कार्ड का डेटा चोरी हुआ है। हालांकि अभी 32 लाख डेबिट कार्डके प्रभावित होने की बात कही जा रही है। इधर महाराष्ट्र साइबर क्राइम सेल ने पूरे मामले में जांच तेज कर दी है और उसने बैंकों से रिपोर्ट मांगी है। खबर ये भी है कि आईटी मिनिस्ट्री के तहत काम करने वाले संगठन सर्ट इन ने साढ़े तीन महीने पहले आरबीआई और बैंकों को साइबर अटैक के खतरे के बारे में बता दिया था। अब दावा है कि सरकार भी पूरे एक्शन में है। सरकार ने बैंकों से इस बारे में रिपोर्ट मांगी है। इस दावे और लेट लतीफ एक्शन से हम कितने सुरक्षित हैं,इस पर तनिक सोच लीजिये।

    हालत कुल मिलाकर यह है कि भारतीय स्टेट बैंक सहित अनेक बैंकों ने बड़ी संख्या में डेबिट कार्डवापस मंगवाए हैं जबकि कई अन्य बैंकों ने सुरक्षा सेंध से संभवत: प्रभावित एटीएम कार्डों पर रोक लगा दी है और ग्राहकों से कहा है कि वे इनके इस्तेमाल से पहले पिन अनिवार्य रूप से बदलें। इस समय देश में लगभग 60 करोड़ डेबिट कार्डहैं जिनमें 19 करोड़ तो रूपे कार्ड हैं जबकि बाकी वीजा और मास्टरकार्ड हैं। अब तक 19 बैंकों ने धोखाधड़ी से पैसे निकालने की सूचना दी है। कुछ बैंकों को यह भी शिकायत मिली है कि कुछ एटीएम कार्ड का चीन व अमेरिका सहित अनेक विदेशों में धोखे से इस्तेमाल किया जा रहा है जबकि ग्राहक भारत में ही हैं।

    मामला कितना संगीन है इसे मीडिया की इस खबर से समझें कि एटीएम कार्डों का डाटा चोरी का जो आंकड़ा अभी बताया जा रहा है वो सिर्फ आधा है। साइबर सिक्योरिटी से जुड़े सूत्रों की मानें तो देशभर में सिर्फ 32 लाख नहीं, बल्कि 65 लाख डेबिटकार्डों का डाटा चोरी होने की आशंका है।यह संख्या भी आधिकारिक नहीं है।लाखों की तादाद में या करोडो़ं की तादाद में यह डाटाचोरी हुई है या नहीं है,संबंधित बैंको की ओर से अपनाकारोबार बचाने की गरज से इसका खुलासा हो नहीं रहा है। भारतीय स्टेट बैंकजिसतरह खुलासा कर रहा है,निजी बैंको में उससे कहीं बड़ा संकट होने के बावजूद वे अपने व्यवसायिक हितों के मद्देनजर जब तक संभव है,कोई जानकारी साझा करने से बचेंगे।बहरहाल अब बैंकों ने अपने ग्राहकों से पिन बदलवाने या फिर मौजूदा कार्डब्लॉक कर नया कार्डदेने की कवायद तो शुरू कर दी है। लेकिन सबसे खतरनाक बात तो यह है कि अभी तक किसी भी बैंक ने इस मामले में एफआईआर तक दर्ज नहीं करवाई है और न ही सरकार को इस बारे में कोई सूचना ही दी है।मसलन महाराष्ट्र पुलिस की साइबर सिक्योरिटी ने खुद बैंकों को खत लिखा है।

    खबर यह भी है कि  ग्राहकों के डेबिट कार्डकी यह चोरी एक ख़ास पेंमेंट सर्विस (एटीएम की कार्यप्रणाली) उपलब्ध करवाने वाली कंपनी हिताची पेमेंट सर्विसेज़ के साफ़्टवेयर में लगी सेंध से शुरू हुई। हिताची पेमेंट की सर्विस सिर्फ़ कुछ ही बैंक ले रहे थे और इन बैंको के लगभग 90 एटीएम में चल रहे हिताची के सॉफ़्टवेयर को अज्ञात साइबर अपराधियों ने हैक कर लिया। इसके बाद इन साइबर अपराधियों के पास इन 90 एटीएम में डाले गए सभी पिन नंबर्स की जानकारी आ गई है।

    इसीलिए बैंक प्राथमिक स्तर पर तत्काल पिन नंबर बदलने की बात पर जोर दे रहे हैं। सवाल यह है कि जब बैंकिंग नेटवर्क ही सुरक्षित नहीं है तो नये सिरे से पिन बदलते हुए वह पिन भी हैक हो गया तो आपकी जमा पूंजी का क्या होगा.जिन्हें आपना पेंसन पीएपवेतन वगैरह बैंक में जमा करना होता है,वे सारे लोग तो रातोंरात कौड़ी कौड़ी के लिए मोहताज हो जायेंगे।

    फिर कोई जरुरी नहीं है कि वे तथ्य बैंकिंग सिस्टम से ही लीक हो और बैंकों के तमाम एहतियात के बावजूद वे तथ्य लीक न हों,इसका कोई पुख्ता इंतजाम तकनीक के मामले में सबसे ज्यादा विकसित सिस्टम और देशों के पास भी नहीं है।

    अच्छे दिनों की यह नायाब सौगात है।इसके साथ ही भारत की कैशलेस इकॉमनी बनने की उम्मीदों को एक बड़ा झटका लगा है। करीब 32 लाख डेबिट कार्डकी सुरक्षा में सेंध लगने की आशंका के खुलासे को मोदी सरकार के लिए एक बड़ा झटका माना जा रहा है। ब्लूमबर्ग की एक रिपोर्ट के मुताबिक पीएम ने मई में 'मन की बात' के दौरान कैशलेस पेमेंट को बढ़ावा देने की बात कही थी। पीएम का कहना था कि इससे भ्रष्टाचार पर अंकुश लगेगी साथ ही पैसे के फ्लो को ट्रैक भी किया जा सकेगा। पर डेबिट कार्डसे जुड़ा इतना बड़ा फ्रॉड सामने आने के बाद अब कैशलेस पेमेंट सवालों के घेरे में है।

    बाजार के विस्तार के लिए तेज अबाध लेनदेन के लिए जो डिजिटल पेपरलैस अत्याधुनिक इंतजाम है,उसीके वाइरल हो जाने से नागरिकों की निजता,गोपनीयता असुरक्षित हो गयी है।डिजिटल लेन देन बेशक सुविधाजनक है और यह शत प्रतिसत तकनीक के मार्फत होता है।यह तकनीक मददगार है,इसमें भी कोई शक नहीं है।लेकिन अत्यधिक तकनीक निर्भर हो जाने के बाद वही तकनीक भस्मासुर बनकर आपका काम तमाम कर सकती है।जल जंगल जमीन से बेदखली की तरह तकनीक से बेदखली की समस्या भी बेहद संक्रामक है।

    साइबर अपराधी,अपराधी गिरोह से लेकर कारपोरेट कंपनियों के हाथों में हमारे तामा तथ्य हमारी उंगलियों की छाप और आंखों की पुतलियों के साथ जमा है।

    नेट बैंकिंग,एटीएम,डेबिट क्रेडिट कार्ड और मोबाइल बैंकिंग से श्रम और समय की बचत है और कागज की भी बचत है और सारा का सारा ई बाजार इसी कार्ड आधारित लेन देन पर निर्भर है तो वेतन,बीमा,पेंशन समेत तमाम सेक्टर में विनिवेश के तहत जो आम जनता का पैसा लग रहा है,वह निजी खातों से आधार नंबर के जरिये स्थानांतरित हो रहा है और यही आधार नंबर बैकिंग के लिए अब अनिवार्य है।

    गौरतलब है कि पैन नंबर में नागरिकों के आय ब्यय का ब्यौरा ही लीक हो सकता है और इसलिए पैन नंबर आधारित बैंकिंग से उतना खतरा नहीं है।लेकिन आधार नंबर कुकिंग गैस से लेकर राशन कार्ड तक के लिए अनिवार्य हो जाने से आधार के साथ साथ आंखों की पुतलियां,उंगलियों की छाप समेत तमाम तथ्य और जानकारिया लीक हो जाने का बहुत बड़ा खतरा है,जिसके मुखातिब अब हम हैं।सिर्फ शेयर बाजार तक यह संकट सीमाबद्ध नहीं है। सामाजिक परियोजनाों के माध्यम से एकदम सीमांत लोगों,गरीबी रेखा के नीचे गुजर बसर करने वाले लोगों को भी दिहाड़ी और योजना लाभ,कर्ज वगैरह का भुगतान गैस सब्सिडी की तर्ज पर आधार नंबर से नत्थी कर दिया गया है।जिससे उनके बारे में भी कोई तथ्य गोपनीय नहीं है।

    कुल मिलाकर नागरिकों के तमाम तथ्यडिजिटल तकनीक के जरिये जीिस तरह सारकारी खुफिया निगरानी के लिए उपलब्ध हैं,उसीतरह बाजार के विस्तार के लिए ये तमाम तथ्यई मार्केट और ईटेलिंग के जरिये देशी विदेशी निजी कंपनियों को उपलब्ध हैं।जब सीधे प्रधानमंत्री या मुख्यमंत्री का संदेश पाकर आप फूले नहीं समाते और कभी यह समझने की कोशिश नहीं करते कि आपका सेल नंबर प्रधानमंत्री और मुख्यमंत्री को कैसे उपलब्ध हैं,उसीतरह चौबीसों घंटे रंग बिरंगे काल सेंटर से आपके नंबर पर होने वाले फोन से आपको अंदाजा नहीं लगता कि आपके बारे में तमाम तथ्यउन कंपनियों के पास हैं,जिसके लिए वे बाकायदा आपको टार्गेट कर रहे होते हैं।

    बिल्कुल इसीतरह दुनियाभर के अपराधी,माफिया और हैकर के निशाने पर आप रातदिन हैं और मौजूदा बैंकिंग संकट सिर्फ टिप आप दि आइसबर्ग है।अब तो गाइडेड मिसाइल के साथ साथ गाइडेड बुलेट तक तकनीक विकसित है और आप रेलवे टिकट या ट्रेन टिकट बुकिंग के लिए जो तथ्य डिजिटल माध्यम से हस्तांतरित कर रहे हैं,किस प्वाइंट पर वे लीक या हैक हो सकते हैं,इसका अंदाजा किसी को नहीं है।

    फिलहाल आधिकारिक जानकारी यह है कि  स्टेट बैंक के 6.25 लाख डेबिट कार्डों से शुरू अपराध-गाथा ने अधिकांश बैंकों के 32 लाख ग्राहकों को अपनी चपेट में ले लिया है। इन बैंकों में स्टेट बैंक तथा सहयोगी बैंक, बैंक ऑफ बड़ौदा, एचडीएफसी बैंक, आईसीआईसीआई बैंक, यस बैंक, केनरा बैंक एवं ऐक्सिस बैंक प्रमुख हैं। डेबिट कार्डबैंकों द्वारा जारी होते हैं जिसमें ग्राहक के खाते से जमा पैसे के भुगतान हेतु पेमेंट गेटवे कंपनियों के साथ बैंकों का समझौता होता है। वर्तमान मामले में इन्हीं गेटवे कंपनियों के सुरक्षा कवच में चूक हुई है जिसकी वजह से वीजा और मास्टर कार्ड के 26 लाख तथा रुपे के 6 लाख ग्राहकों का दीवाला निकल सकता है।

    केंद्र सरकार ने माल वेयर गोत्र के वाइरल साफ्ट वेयर के जरिये 32 लाख डेबिट कार्ड के तमाम तथ्यों के लीक हो जाने के मामले पर जांच करा रही है तो 130 करोड़ नागरिकों के आधार नंबर से जुड़े तथ्य लीक होने पर वह क्या करेंगी,हमें इसका अंदाजा नहीं है।देश के सबसे बड़े कारपोरेट वकील इस फर्जीवाड़े से निबटने के लिए आम जनता को भरोसा दिला रहे हैं,लेकिन कुकिंग गैस,बैंकिंग,राशन,वोटर लिस्ट,वेतन,पेंशन,रेलवे जैसे विशाल नेटवर्क से जब सारे तथ्य लीक या हैक हो जाने की स्थिति से सरकार कैसे निपटेगी जबकि सिर्फ बत्तीस लाख डेबिट कार्ड लीक हो जाने से देश की बैंकिंग सिस्टम अभूतपूर्व संकट में है।

    इस अभूतपूर्व संकट से निबटने के लिए डेबिट कार्डके जरिए बैंक ग्राहक के खाते में सेंध लगाने की कोशिशों को केंद्र सरकार वन टाइम पासवर्ड के जरिए सुलझाने पर विचार कर रही है। इस व्यवस्था से एटीएम के जरिए कोई भी लेन-देन एक ही बार होगा और अगली बार पासवर्ड बदल जाएगा। यह पासवर्ड मोबाइल के जरिए ग्राहक को प्राप्त होगा। सरकार ने फिलहाल 32 लाख डेबिट कार्डकी सुरक्षा के मद्देनजर देश के विभिन्न बैंकों से रिपोर्ट तलब की है। साथ ही ऐसी घटनाओं से बचने के लिए अतिरिक्त कदमों की जरूरत के बारे में भी पूछा है।

    बहरहाल केंद्रीय वित्त मंत्री, अरुण जेटली के मुताबिक सरकार ने डेबिट कार्डडाटा में सेंधमारी के बारे में विस्तृत रिपोर्ट मांगी है। देश के बैंकिंग इतिहास में पहली बार इतनी बड़ी संख्या में एटीएम कार्ड के डाटा में सेंधमारी की बात सामने आने के बाद हालांकि वित्त मंत्रालय ने ग्राहकों को चिंतित नहीं होने को कहा है। साथ ही सरकार ने रिजर्व बैंक तथा अन्य बैंकों से आंकड़ों में सेंध तथा साइबर अपराध से निपटने के लिये तैयारी के बारे में विस्तृत जानकारी उपलब्ध कराने को कहा है। जेटली ने शुक्रवार को संवाददाताओं से कहा कि एटीएम मसले पर रिपोर्ट मांगी गई है।

    बहरहाल आर्थिक मामलों के सचिव शक्तिकांत दास ने डेबिट कार्डडाटा में सेंध लगाने के मामले में त्वरित कार्रवाई का वादा किया है। उन्होंने यह भी कहा कि 32 लाख से अधिक कार्ड से जुड़े डाटा में सेंध की आशंका से घबराने की जरूरत नहीं है। सरकार ने इस मामले में विस्तृत जांच रिपोर्ट मांगी है और रिपोर्ट मिलने के बाद उपयुक्त कार्रवाई की जाएगी। शक्तिकांत दास ने कहा,. ग्राहकों को घबराना नहीं चाहिए क्योंकि यह हैकिंग कम्‍प्‍यूटर के जरिये की गई है और इसके तह तक आसानी से पहुंचा जा सकता है, जो भी कार्रवाई की जरूरत होगी, वह त्वरित की जाएगी।



    --
    Pl see my blogs;


    Feel free -- and I request you -- to forward this newsletter to your lists and friends!

    0 0


    हैकर्स और साइबर अपराधियों के निशाने पर है आपका आधार नंबर भी

    आधार नंबर बैंक खाते से जोड़ने के बहाने सांसदों पर निशाना तो आम लोगों का क्या हाल होना है

    पलाश विश्वास

    माकपा के राज्यसभा सांसद ऋतव्रत बंदोपाध्याय को उनके बैंक एकाउंट को आधार नंबर से जोड़ने के बहाने साइबर अपराधी गिरोह ने टार्गेट बनाने की कोशिश की और तकनीकी तौर पर बेहतर युवा सांसद ने बैंक खाता और डिबिट कार्ड के सिलसिले में उनके सवालों से असल खतरा भांप लिया और तुंरत पुलिस से संपर्क किया।

    हुआ यह कि ऋतव्रत के पास एक फोन कल आया और काल करने वाले ने अंग्रेजी में निवेदन किया कि वह एसबीआई की शाखा से बोल रहा है।चूंकि एसबीआई ने  पिन समेत डाटा चुरा लिये जाने की वजह से लाखों डेबिट कार्ड ब्लाक कर लिये हैं,तो उन्हें दोबारा जारी करने के सिलिसले में लोकसभा और राज्यसभा के सांसदों की समस्य़ा प्रातमिकता के स्तर पर सुलझाने के लिए एसबीआई ने हमें जिम्मेदारी सौंपी है।

    सांसद से आधार ब्यौरा के साथ साथ डेबिट कार्ट के ब्यौरे पर लगातार सवाल वह करता रहा इस दलील पर कि ऋतव्रत का बैंक खाता आधार नंबर से जुड़ा नहीं है और वह डेबिट कार्ड का मसला सुलझाने के लिए खाते को आदमर नंबर से जोड़ने के लिए मदद की पेशकश कर रहा था।

    सांसद को शक हुआ तो उन्होंने कहा कि अगर आधार नंबर से जुड़ा न होना कोई समस्या है तो उनका सचिव बैंक जाकर यह अधूरा काम पूरा कर सकते हैं।इसपर भी जब पूछताछ का सिलसिला नहीं थमा तो सांसद ने सीधे कह दिया कि वे उसे कोई जानकारी नहीं दे रहे हैं औरइस बारे में पुलिस को सूचित कर रहे हैं।

    खास बात तो यह है कि काल करने वालों को उनके बैंक खाते के बारे में सबकुछ मालूम था।राज्यसभा के सांसद के पार्लियामेंट एसबीआई शाखा का खाता आधार नंबर से जुड़ा नहीं है,यह तथ्य ऐसे अपराधी तत्वों के पास कैसे पहुंच गया।क्योंकि पुलिस को टेलीकालर के मोबाइल नंबर का अभी कोई अता पता नहीं मिल रहा है।

    सांसद ने पुलिस को जानकारी देने के अलावा भारतीय स्टेट बैंक की चेयरपर्सन अरुंधति भट्टाचार्य को पत्र भी लिखा है।

    सांसद ने माना कि चुस्त अंग्रेजी में उनके बैंक काते के बारे में सही जानकारी के सात उनका आधार नंबर जोड़ने की पेशकश से शुरुआत में वे भी दुविधा में पड़ गये थे।

    कल ही हमने इस खतरे से आगाह किया था कि आधार नंबर का इस्तेमाल अपराधीि गिरोह कर सकते हैं और बैंक के सुरक्षा इंतजाम इस सिलसिले में धोखाधड़ी रोकने के लिए काफी नहीं है।

    जब सीधे भारत के सांसदों को निशाना बनाया जा रहा है आधार नंबर को लेकर तो आधार की जानकारी वाणिज्यिक संस्थाओं और अपराधी गिरोह के हात लगने पर संकट कितना गहरा होगा,इसका अंदाजा लगाया जा सकता है।

    कल जिन बिंदुओं पर मैंने आगाह किया था,कृपया उन पर गौर करेंः

    केंद्र सरकार ने माल वेयर गोत्र के वाइरल साफ्ट वेयर के जरिये 32 लाख डेबिट कार्ड के तमाम तथ्यों के लीक हो जाने के मामले पर जांच करा रही है तो 130 करोड़ नागरिकों के आधार नंबर से जुड़े तथ्य लीक होने पर वह क्या करेंगी,हमें इसका अंदाजा नहीं है।

    देश के सबसे बड़े कारपोरेट वकील इस फर्जीवाड़े से निबटने के लिए आम जनता को भरोसा दिला रहे हैं,लेकिन कुकिंग गैस,बैंकिंग,राशन,वोटर लिस्ट,वेतन,पेंशन,रेलवे जैसे विशाल नेटवर्क से जब सारे तथ्य लीक या हैक हो जाने की स्थिति से सरकार कैसे निपटेगी जबकि सिर्फ बत्तीस लाख डेबिट कार्ड लीक हो जाने से देश की बैंकिंग सिस्टम अभूतपूर्व संकट में है।


    देशभर में सिर्फ 32 लाख नहीं, बल्कि 65 लाख डेबिटकार्डों का डाटा चोरी होने की आशंका है।यह संख्या भी आधिकारिक नहीं है।लाखों की तादाद में या करोडो़ं की तादाद में यह डाटाचोरी हुई है या नहीं है,संबंधित बैंको की ओर से अपना कारोबार बचाने की गरज से इसका खुलासा हो नहीं रहा है। भारतीय स्टेट बैंक जिस तरह खुलासा कर रहा है,निजी बैंको में उससे कहीं बड़ा संकट होने के बावजूद वे अपने व्यवसायिक हितों के मद्देनजर जब तक संभव है,कोई जानकारी साझा करने से बचेंगे।बहरहाल अब बैंकों ने अपने ग्राहकों से पिन बदलवाने या फिर मौजूदा कार्डब्लॉक कर नया कार्डदेने की कवायद तो शुरू कर दी है। लेकिन सबसे खतरनाक बात तो यह है कि अभी तक किसी भी बैंक ने इस मामले में एफआईआर तक दर्ज नहीं करवाई है और न ही सरकार को इस बारे में कोई सूचना ही दी है।मसलन महाराष्ट्र पुलिस की साइबर सिक्योरिटी ने खुद बैंकों को खत लिखा है।

    बैंक प्राथमिक स्तर पर तत्काल पिन नंबर बदलने की बात पर जोर दे रहे हैं। सवाल यह है कि जब बैंकिंग नेटवर्क ही सुरक्षित नहीं है तो नये सिरे से पिन बदलते हुए वह पिन भी हैक हो गया तो आपकी जमा पूंजी का क्या होगा,जिन्हें अपना पेंशन पीएफ वेतन वगैरह बैंक में जमा करना होता है,वे सारे लोग तो रातोंरात कौड़ी कौड़ी के लिए मोहताज हो जायेंगे।

    फिर कोई जरुरी नहीं है कि वे तथ्य बैंकिंग सिस्टम से ही लीक हो और बैंकों के तमाम एहतियात के बावजूद वे तथ्य लीक न हों,इसका कोई पुख्ता इंतजाम तकनीक के मामले में सबसे ज्यादा विकसित सिस्टम और देशों के पास भी नहीं है।

    बाजार के विस्तार के लिए तेज अबाध लेनदेन के लिए जो डिजिटल पेपरलैस अत्याधुनिक इंतजाम है,उसीके वाइरल हो जाने से नागरिकों की निजता,गोपनीयता असुरक्षित हो गयी है।डिजिटल लेन देन बेशक सुविधाजनक है और यह शत प्रतिसत तकनीक के मार्फत होता है।यह तकनीक मददगार है,इसमें भी कोई शक नहीं है।लेकिन अत्यधिक तकनीक निर्भर हो जाने के बाद वही तकनीक भस्मासुर बनकर आपका काम तमाम कर सकती है।

    जल जंगल जमीन से बेदखली की तरह तकनीक से बेदखली की समस्या भी बेहद संक्रामक है।

    साइबर अपराधी,अपराधी गिरोह से लेकर कारपोरेट कंपनियों के हाथों में हमारे तमाम तथ्य हमारी उंगलियों की छाप और आंखों की पुतलियों के साथ जमा आधार परियोजना के निजी उपक्रम के सौौजन्य से उपलब्ध हैं।बुनियादी सेवाओं और बुनियादी जरुरतों को पूरा करने के बहाने डिजिटल माध्यमों का इस्तेमाल करके कोई भी सरकारी गैरसरकारी और संबंधित नागरिकों से ऐसे बेहद संवेदनशील तथ्यहासिल कर सकते हैं जैसी कोशिश मानीय सांसद के साथ हो चुकी है।

    नेट बैंकिंग,एटीएम,डेबिट क्रेडिट कार्ड और मोबाइल बैंकिंग से श्रम और समय की बचत है और कागज की भी बचत है और सारा का सारा ई बाजार इसी कार्ड आधारित लेन देन पर निर्भर है तो वेतन,बीमा,पेंशन समेत तमाम सेक्टर में विनिवेश के तहत जो आम जनता का पैसा लग रहा है,वह निजी खातों से आधार नंबर के जरिये स्थानांतरित हो रहा है और यही आधार नंबर बैकिंग के लिए अब अनिवार्य है।

    गौरतलब है कि पैन नंबर में नागरिकों के आय ब्यय का ब्यौरा ही लीक हो सकता है और इसलिए पैन नंबर आधारित बैंकिंग से उतना खतरा नहीं है।लेकिन आधार नंबर कुकिंग गैस से लेकर राशन कार्ड तक के लिए अनिवार्य हो जाने से आधार के साथ साथ आंखों की पुतलियां,उंगलियों की छाप समेत तमाम तथ्य और जानकारिया लीक हो जाने का बहुत बड़ा खतरा है,जिसके मुखातिब अब हम हैं।

    सिर्फ शेयर बाजार तक यह संकट सीमाबद्ध नहीं है। सामाजिक परियोजनाों के माध्यम से एकदम सीमांत लोगों,गरीबी रेखा के नीचे गुजर बसर करने वाले लोगों को भी दिहाड़ी और योजना लाभ,कर्ज वगैरह का भुगतान गैस सब्सिडी की तर्ज पर आधार नंबर से नत्थी कर दिया गया है।जिससे उनके बारे में भी कोई तथ्य गोपनीय नहीं है।

    कुल मिलाकर नागरिकों के तमाम तथ्य डिजिटल तकनीक के जरिये जिस तरह सारकारी खुफिया निगरानी के लिए उपलब्ध हैं,उसीतरह बाजार के विस्तार के लिए ये तमाम तथ्यई मार्केट और ईटेलिंग के जरिये देशी विदेशी निजी कंपनियों को उपलब्ध हैं।जब सीधे प्रधानमंत्री या मुख्यमंत्री का संदेश पाकर आप फूले नहीं समाते और कभी यह समझने की कोशिश नहीं करते कि आपका सेल नंबर प्रधानमंत्री और मुख्यमंत्री को कैसे उपलब्ध हैं,उसीतरह चौबीसों घंटे रंग बिरंगे काल सेंटर से आपके नंबर पर होने वाले फोन से आपको अंदाजा नहीं लगता कि आपके बारे में तमाम तथ्य उन कंपनियों के पास हैं,जिसके लिए वे बाकायदा आपको टार्गेट कर रहे होते हैं।

    बिल्कुल इसीतरह दुनियाभर के अपराधी,माफिया और हैकर के निशाने पर आप रातदिन हैं और मौजूदा बैंकिंग संकट सिर्फ टिप आप दि आइसबर्ग है।अब तो गाइडेड मिसाइल के साथ साथ गाइडेड बुलेट तक तकनीक विकसित है और आप रेलवे टिकट या ट्रेन टिकट बुकिंग के लिए जो तथ्य डिजिटल माध्यम से हस्तांतरित कर रहे हैं,किस प्वाइंट पर वे लीक या हैक हो सकते हैं,इसका अंदाजा किसी को नहीं है।

    बांग्ला दैनिक एई समय ने सांसद ऋतव्रत की आपबीती आज पहले पेज पर प्रकाशित की है।



    --
    Pl see my blogs;


    Feel free -- and I request you -- to forward this newsletter to your lists and friends!

older | 1 | .... | 283 | 284 | (Page 285) | 286 | 287 | .... | 303 | newer