Are you the publisher? Claim or contact us about this channel


Embed this content in your HTML

Search

Report adult content:

click to rate:

Account: (login)

More Channels


Channel Catalog


Channel Description:

This is my Real Life Story: Troubled Galaxy Destroyed Dreams. It is hightime that I should share my life with you all. So that something may be done to save this Galaxy. Please write to: bangasanskriti.sahityasammilani@gmail.comThis Blog is all about Black Untouchables,Indigenous, Aboriginal People worldwide, Refugees, Persecuted nationalities, Minorities and golbal RESISTANCE.

older | 1 | .... | 279 | 280 | (Page 281) | 282 | 283 | .... | 303 | newer

    0 0


    নিজেদের কথা বলতে হবে,লিখতে হবে,আমাদের পোস্টশেয়ার ও লাইক করতে হবে যদি অন্ধকার থেকে মুক্তির আলোর সন্ধান চাই

    পলাশ বিশ্বাস
    সবচেয়ে ভালো হয় যদি সবাই ভারত ভাগের বলি দশ কোটি মানুষের জীবন যন্ত্রণার কথা নিজেই লিখতে শুরু করেন।নিজেদের দাবি,সমস্যা ও আন্দোলনের কথা,সংগঠনের কথা নিজেই লিখুন৤দু চার লাইন লিখলেও হবে৤ভাষার বিশুদ্ধতা বা বানানের চেয়েও বেশি দামি আপনার নিজস্ব মতামত।সারা ভারত জুড়ে,ভারতের বাইরে ছিন্নমুল মানুষের জীবন যন্ত্রণার কথা কেউ লিখবে না৤আমাদেরই লিখতে হবে৤আমাদের কথা কেঊ খখনো ভাবে নি,ভাববে না।
    সোশাল মীডিয়ায় আমাদের হাজারো মানুষ।একটা শেয়ার মানে একটা লিন্ক।মীডিয়ার প্রয়োজন নেই।ফেসবুকে বা অন্যত্র হাজারো মানুষ যদি আমাদের বক্তব্য পোস্ট শেয়ার করে তাহলে রোজই আমরা লাখো মানুষের কাছে পৌঁচাতে পারি,মীডিয়ায় আমাদের কথা লেখা হল কি হল না তাতে কিচ্ছু যায় আসে না৤অথচ আমাদের জন্য গুরুত্ব পূর্ণ তথ্য,আমাদের সমস্যা,দাবি,সংগঠনের কথা,আন্দোলনের খবর কিছুই দু চারজন ছাড়া শেয়ার কেউ করছেন না৤সবাই নিজের ছবি বা এলবম পোস্চ করছেন।
    আমরা আমাদের কথা বলছি না।আমরা আমাদের বক্তব্যমানুষের কাছে তুলে ধরার জন্যলাইক বা শেয়ার করছি না,তাহলে কি মুড়ি মোয়ার মত আমাদের সমস্যার সমাধান তাঁরা করে দেবে,যারা এই সমস্ত সমস্যা তৈরি করে আমাদের দফা রফা করে আমাদের জন্যহাজার নরকের বন্দোবস্ত করেছেন?
    ভাবুন! ভাবুন!
    Pl see my blogs;


    Feel free -- and I request you -- to forward this newsletter to your lists and friends!
    --
    Pl see my blogs;


    Feel free -- and I request you -- to forward this newsletter to your lists and friends!

    0 0

    हस्तक्षेप के संचालन में छोटी राशि से सहयोग दें





    --
    Pl see my blogs;


    Feel free -- and I request you -- to forward this newsletter to your lists and friends!

    আমাদের মেয়ে দীপানোভা কর্মকার

    দীপানোভা প্রমাণ করল,আমরাও পারি

    ত্রিপুরায় তাঁদের মাতৃভাষা হারিয়ে যায়নি।বাংলা ছাড়া সবচেয়ে বেশী বাংলা ভাষার চর্চা ও সাহিত্য সৃজন ত্রিপুরা এবং অসমেই হয়।অন্যান্য রাজ্যের মত তাঁরা মাতৃভাষা কিংবা সংরক্ষণের অধিকার থেকে বন্চিত নন।পুরোদস্তুর নাগরিক তাঁরা।যে নাগরিকত্ব থেকে পশ্চিম বঙ্গেও জীবনের সর্বক্ষেত্রে বাঙালরা আজও বন্চিত।


    পলাশ বিশ্বাস

    ত্রিপুরার বাঙালিরাও সারা দেশে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কোটি কোটি বাঙালিদের মতই বাস্তুহারা,উদ্বাস্তু এবং ছিন্নমূল।কিন্তু বাংলা এবং বাংলাদেশ ছাড়া একমাত্র ত্রিপুরাতেই বাঙালিরা সংখ্যাগরিষ্ঠ।আবার বাংলাদেশ ও পশ্চিম বাংলার তুলনায় সেখানে সংখ্যাগরিষ্ঠ বাঙালিরা আমাদের মত  সারা দেশে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা কোটি কোটি বাঙালিদের মতই বাস্তুহারা,উদ্বাস্তু এবং ছিন্নমূল।


    ঢাকা,ফরিদপুর, বরিশাল,যশোর,পাবনা,রাজশাহীর মানুষ যখন বাংলার সীমান্ত পেরিয়ে ভারতে এসেছেন,তখন ঢাকা কুমিল্লা সিলেট নোয়াখালি ও বাংলাদেশের অন্যান্য জেলা থেকে মানুষের ঢল সবচেয়ে বেশি ত্রিপুরায় নেমেছে।


    অসমের চাইতে বেশি মানুষ ত্রিপুরায় শরণার্থী।তবে ভারতবর্ষের অন্যান্য রাজ্য এমনকি সাধের পশ্চিম বাংলার বিপরীতে ত্রিপুরায় তাঁদের শরণার্থী পরিচয় মূল ত্রিপুরী আদিবাসী জনগোষ্ঠীসমূহের সঙ্গে একাকার হয়ে গেছে এবং তাঁরা বাংলা সহ অন্যান্য রাজ্যের শরণার্থীদের মত চিন্মূল ত ননই,পুরোদস্তুর ভারতের নাগরিক।


    নিজেদের ভাগ্যের নিয়ন্ত্রক,জীবনের সর্বক্ষেত্রেই তাঁরা প্রতিষ্ঠিত।

    ত্রিপুরায় তাঁদের মাতৃভাষা হারিয়ে যায়নি।বাংলা ছাড়া সবচেয়ে বেশী বাংলা ভাষার চর্চা ও সাহিত্য সৃজন ত্রিপুরা এবং অসমেই হয়।অন্যান্য রাজ্যের মত তাঁরা মাতৃভাষা কিংবা সংরক্ষণের অধিকার থেকে বন্চিত নন।পুরোদস্তুর নাগরিক তাঁরা।যে নাগরিকত্ব থেকে পশ্চিম বঙ্গেও জীবনের সর্বক্ষেত্রে বাঙালরা আজও বন্চিত।


    প্রয়াত কবি মন্ত্রী অনিল সরকারের সৌজন্যে এই ত্রিপুরাকে জানার সুযোগ আমার হয়েছে এবং তাঁদের আদিবাসীদের সঙ্গে ভ্রাতৃত্বের মানববন্ধন আমি চিরকালই অন্যান্য রাজ্যের বাঙালিদের সঙ্গে সেই রাজ্যের অধিবাসীদের গড়ে তোলার কাজে আজ অবধি সক্রিয়।


    উদ্বাস্তুরা যেখানেই আছেন,তাঁরা স্থানীয়মানুষদের সঙ্গে সুসম্পর্ক রেখে কোনো ক্রমে বেঁচে বর্তে আছেন কিন্তু অসম কিংবা উত্তরপ্রদেশে কিংবা উত্তরাখন্ডে কিংবা দনডকারণ্যের আওতায় ওড়ীশা, মহারাষ্ট্র, অন্ধ্র,ছত্রিশগঢ়,মধ্যপ্রদেশ ব্যাতিরেক বিহার ও ঝারখন্ডে স্ংখ্যার বিচারে অনেক বেশি বাঙালি ছন্নছাড়া,বাস্তুহারা মানুষ বসবাস করলে ও তাঁরা অনেকাংশই বেনাগরিক এবং বাংলাতেও পূর্ব বঙ্গের মানুষ,তাঁদের মাতৃভাষা,তাঁদের সংস্কৃতি,তাঁদের জীবনযাত্রা,জীবিকা,পরিচিতি এবং গোটা অস্তিত্বটার বাস্তব অর্থে কোনো জমি জায়গা নেই।


    বলা বাহুল্য বাংলার মাটিতে পূর্ব বঙ্গ থেকে আসা মামুষজন আজও অনাহুত, রবাহুত, অবান্ছিত,বহিরাগত।বাংলায় তাঁরা জবর দখল কলোনীতে,রিফিউজি ক্যাম্পের জায়গায় সরকারি ভসত পাচট্টায়,রেল ধারে,বিল ধারে,খাল পাড়ে পোকা মাকড়ের মত বসবাস করছেন এবং শাশক শ্রেণী তাঁদের উত্খাত করার জন্য যা যা করার 15 আগস্ট থেকে আজ অবধি প্রতিনিয়ত অবর্ণনীয় ঘৃণায়,হিংসায় ও প্রতিশোধ স্পৃহায় করে চলেছে।


    বিদানরায় যেমন এদের পান্জাবের দেশভাগের বলির মত মানুষ মানেননি এবং তত্কালীন দিল্লী ও কোলকাতার শাশকেরা এদের পূর্ববাংলার না খেতে পাওয়া আকালের বুভুক্ষু মানুষদের খাদ্যও আশ্রয়ের সন্ধানে সীমান্ত পেরিয়ে আসা অনাহুত হতদরিদ্র নামানুষ মনে করে তাঁদের তাত্ক্ষণিক মানবিক সাহায্য দিয়ে ভদ্রতার খাতিরে পশ্চিম বাংলা ও ভারতের অন্যান্য রাজ্যের ট্রান্জিট ক্যাম্পে বা ভারতের বিভিন্য  রাজ্যে জলে জঙ্গলে, দ্বীপে, দ্বীপান্তরে, পাহাড়ে, চা বাগানে, কফি বাগানের কুলি করে রেখে আবার ভারতে থেকে বিতাড়িত করে পূর্ববঙ্গে পাঠানোর ব্যবস্থা করেছেন।


    ডিপোর্টেশান,ডিটেনশান ও এথনিক ক্লীন্জংঃসেই সুনিয়োজিত পরিকল্পনার দরুণই পূর্ব বাংলার ভিটেহারাদের পুনর্বাসন,নাগরিকত্ব,মাতৃভাষা,সংরক্ষণের দাবিতে বাংলা কখনো সোচ্চার হয় নি।প্রণব মুখার্জি বলেছেনঃ তিনি ভারতের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী হলে পত্রপাঠ এই আপদ পূর্ব বাংলাতে ফেরত পাঠাতেন।


    2003 সালের কালো নাগরিকত্ব সংশোধণী আইন সেই প্রতিশোধের নাম।


    সংসদীয় কমিটির চেয়ারম্যান ছিলেন প্রণব মুখার্জি নিজে এবং তিনি কোনো উদ্বাস্তু সংগঠন বা নাগরিক উদ্বাস্তুর সঙ্গে দেখা প্রযন্ত করতে অস্বীকার করে এই বিলটিকে আইনে পরিবর্তিত করতে নির্ণায়ক ভূমিকা পালন করেন এবং পশ্চিম বঙ্গের সমস্ত সাংসদরা দল মত নির্বিশেষ বাঙাল খেদাও আইনের সমর্থন করেন।আরএসএস কে,কেন্দ্রকে সর্বার্থে দায়ী করার রাজনৈতিক শ্লোগানে আমরা কিন্তু এই নির্মম সত্যের মুখোমুখি হতে পারছি না।


    আইনিটি প্রণয়ণ করেছিলেন লাল কৃষ্ণ আঢওযানী যিনি আরএসএশের মুখ এবং অটল জমানায় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী হিসাবে তিনিই আইনচি পাশ করান।


    সামনের এই ছবির পিছনে কিন্তু রং বেরং বাংলার নেতাদের অবস্থান যারা আজও নিজেদের আধিপাত্যের স্বার্থে পূর্ববালার দেশভাগের বলি মানুষদের সারা বারত থেকে বিদায় জানাবার বন্দোবস্ত করে চলেছেন।


    এই জন্যই গত পাঁচই আগস্ট কোলকাতায় দশ হাজার উদ্বাস্তুদের মিছিল ও সমাবেশের কোনো খবর হল না বা এর আগে এই সব মানুষদের রাজনৈতিক ভোটব্যান্ক বা আপরাধিক শিরোণাম ছাডা় কোনো খবর হয়না।


    দীপানোভা কর্মকারকে মনে রাখা প্রয়োজন।অসম্ভব আত্মবিশ্বাসী,লক্ষ্যে অস্থির ত্রিপুরার এই মেয়েটি আমাদেরই মেয়ে।আমাদের মেয়ে দীপানোভা।যে ত্রিপুরার জীবন যাত্রা ,সাহিত্য সংস্কৃতি বাংলায় কোনো স্বীকডতি পায়না,সেই ত্রিপুরার মেয়ে ওলিম্পিকে ভারতের মুখ হযে যাওয়া দীপানোভা আজ খবরের শিরোনামে,কাগজে পাতা জুড়ে তাঁর ছবি।


    আমাদের বন্ধু গাইড  কবি মন্ত্রী অনিল সরকার বেঁছে তাকলে যা লিখতে পারতেন ,তা লেখার ক্ষমতা আমার নেই।দীপা প্রমাণ করেছে যে দেশভাগের রপর না থেমে থাকা গণসংহার,ধর্ষণ,বিতাড়ন,অবহেলা,বন্চনা,ঘৃণা ও নাসুযোগের এই পরিবেশেও আমাদের  শিরদাঁড়া ভেঙ্গে পড়ে নি।পদক না জিতলেও,কিছু আসে যায়না।


    ওলিম্পিকে প্রথম ভারতীয় জিমনাস্ট হিসাবে প্রথাম আবির্ভাবে বিশ্ব চ্যাম্পিয়ান,এলিম্পিক চ্যাম্পিয়ানদের দীর্ঘাঙ্গী শ্বেত আধিপাত্যের মুখোমুখি আমাদেরম মেয়ে দীপানোভার পা এতটুকু চলে নি।ভল্টের প্রাণসংসশয়ের বিপদকে অবহেলায় হারিয়ে আবির্ভাবেই ফাইনালে উঠে সেই আজ ভারত ও দক্ষিণ এশিযার মুখ।  দীপানোভা প্রমাণ করল,আমরাও পারি।



    --
    Pl see my blogs;


    Feel free -- and I request you -- to forward this newsletter to your lists and friends!

    0 0


    दलित क्यों भाजपा के विरोध में खड़े हो रहे हैं: आनंद तेलतुंबड़े

    Posted by Reyaz-ul-haque on 8/09/2016 01:23:00 PM


    गुजरात और महाराष्ट्र में चल रहे दलित आंदोलनों के संदर्भ में आनंद तेलतुंबड़े का लेख. अनुवाद:रेयाज उल हक
     

    हाल ही में सहज रूप से शुरू हुए दलित आंदोलनों की लहर में एक खास भाजपा-विरोधी रंग है. चाहे वह रोहिथ वेमुला की सांस्थानिक हत्या पर देश भर के छात्रों का विरोध हो या फिर गुजरात में सबकी आंखों के सामने चार दलित नौजवानों को सरेआम पीटे जाने की शर्मनाक घटना पर राज्य में चल रहा विरोध हो, या फिर मुंबई में ऐतिहासिक आंबेडकर भवन को गिराए जाने पर 19 जुलाई को होने वाला विरोध प्रदर्शन हो, या राजस्थान में एक नाबालिग स्कूली छात्रा के कथित बलात्कार और हत्या पर उभरा गुस्सा हो या फिर उत्तर प्रदेश में मायावती के लिए भाजपा के उपाध्यक्ष द्वारा की "वेश्या वाली टिप्पणी"पर राज्य में होने वाला भारी विरोध हो, भाजपा के खिलाफ दलितों के गुस्से को साफ-साफ महसूस किया जा सकता है. भाजपा के दलित हनुमान चाहे इस आग को जितना भी बुझाने की कोशिश करें, यह नामुमकिन है कि अगले साल राज्यों में होने वाले चुनावों तक यह बुझ पाएगी. इससे भी बढ़ कर, इन प्रदर्शनों में उठ खड़े होने का एक जज्बा भी है, एक ऐसा जज्बा जिसमें इसका अहसास भरा हुआ है कि उनके साथ धोखा हुआ है. अगर यह बात सही है तो फिर यह संघ परिवार के हिंदू राष्ट्र की परियोजना की जड़ों में मट्ठा डाल सकती है.

    रोहिथ की बार-बार हत्या

    रोहिथ की संस्थागत हत्या के बारे में अब सब इतना जानते हैं कि उस पर यहां अलग से चर्चा करना जरूरी नहीं है. लेकिन जिस तरीके से उसको दबाने की कोशिश हो रही है वो हत्या से कम आपराधिक नहीं है. गाचीबावड़ी पुलिस ने हैदराबाद केंद्रीय विवि के विवादास्पद वाइस चांसलर अप्पा राव पोडिले, भाजपा सांसद और मोदी के मंत्रिमंडल के मंत्री बंडारू दत्तात्रेय और एचसीयू में एबीवीपी के अध्यक्ष एन. सुशील कुमार के खिलाफ आत्महत्या के लिए उकसाने के लिए उत्पीड़न अधिनियम के तहत एक मामला दर्ज किया है. लेकिन पुलिस ने कभी इस पर कार्रवाई नहीं की. रोहिथ की मौत ने छात्रों में आंदोलन की चिन्गारी सुलगा दी थी, जिन्होंने देश भर में ज्वाइंट एक्शन कमेटियां गठित की थीं. इसने अप्पा राव को कैंपस से भाग जाने पर मजबूर किया था.

    लेकिन 22 मार्च को, मामला थोड़ा ठंडा पड़ता दिखने पर वो एकाएक वापस लौटे. स्वाभाविक रूप से आंदोलनकारी छात्रों ने वाइस-चांसलर के आवास के बाहर, जहां वे एक मीटिंग कर रहे थे, एक विरोध प्रदर्शन का आयोजन किया. उन्हें पुलिस की एक बड़ी सी टुकड़ी ने घेर रखा था. जब आंदोलनकारी छात्रों ने एबीवीपी के सदस्यों को इमारत के भीतर देखा तो उन्हें बड़ा धक्का लगा. उन्होंने भीतर जाना चाहा. दरवाजे पर होने वाली इस धक्का-मुक्की की ओट में पुलिस ने गंभीर लाठी चार्ज किया. पुलिस से बातें करने गए दो फैकल्टी सदस्यों को भी नहीं छोड़ा गया. उन्होंने छात्रों को कई किलोमीटर तक झाड़ियों में खदेड़ते हुए पीटा. उन्होंने लड़कियों के साथ छेड़-छाड़ भी की.

    सभी 27 छात्र और दो फैकल्टी सदस्य प्रो. के.वाई. रत्नम और तथागत सेनगुप्ता को दो पुलिस वैनों में भर दिया गया और फिर हैदराबाद की सड़कों पर घंटों तक चक्कर लगाती उन वैनों में उन पर बेरहम हमलों का एक नया दौर शुरू हुआ. देर शाम तक उनके ठिकाने की कोई खबर नहीं थी. आखिर वे सात दिनों तक कैद रहने के बाद जमानत पर ही बाहर आ सके. रोहिथ को इंसाफ देने का तो सवाल ही नहीं था, जो लोग इसकी मांग कर रहे थे उन्हें ही सजाएं दी जा रही थीं.

    मानो इतना ही काफी न हो, गिरफ्तार किए गए प्रोफेसरों को बाद में निलंबित कर दिया गया. जब विवि के प्रवेश द्वार के बाहर उन्होंने अनिश्चित कालीन भूख हड़ताल करते हुए इसका विरोध किया तो जनता और अनेक प्रगतिशील संगठनों की ओर से समर्थन की बाढ़ आ गई. नतीजों से डरे हुए अप्पा राव के होश ठिकाने आए और उन्होंने निलंबन के आदेश वापस लिए.

    विवादास्पद मंत्री और सबसे अहम मानव संसाधन मंत्रालय का नेतृत्व करने के लिहाज से सबसे नाकाबिल स्मृति ईरानी ने अपने और अपने चापलूसों की करतूतों को जायज ठहराने के लिए संसद में झूठ का पुलिंदा पेश करने में अपना सारा का सारा नाटकीय कौशल लगा दिया. जो कुछ हुआ था, उस पर पछताने के बजाए उन्होंने रोहिथ के इंसाफ का आंदोलन करने वालों पर आक्रामक हमला किया. रोहिथ की जाति पर सवाल उठा कर इस मामले को भटकाने की घिनौनी कौशिशें की गईं मानो उनका दलितपन उन्हें हाथोहाथ इंसाफ दिला देगा और उनका दलित न होना अपराधियों के अपराध को हल्का कर देगा.

    तेलंगाना राज्य की पूरी ताकत – जिसके लिए करीब 600 लोगों ने अपनी जान दे दी थी और उनमें से अनेक दलित थे – मातम में डूबी हुई मां पर टूट पड़ी कि वो अपनी जाति साबित करें. रोहिथ के पास दलित होने का जाति प्रमाणपत्र होने के बावजूद, एक दलित की जिंदगी जीने और मरने के बावजूद, तेलंगाना प्रशासन ने यह अफवाह फैलाई कि वो दलित नहीं, एक वड्डेरा थे. यह साबित करने के लिए परिवार को जगह-जगह दौड़ाया गया कि रोहिथ असल में एक दलित थे. उन्हें अपने बेटे को खो देने के दर्द को परे कर देना पड़ा. किस्मत से सरकार की सारी तरकीबें नाकाम रहीं और रोहिथ का दलित होना साबित हुआ. 

    जैसी कि उम्मीद थी, अपराधियों पर इसका कोई भी फर्क नहीं पड़ा. वे सभी ताकत के अपने पदों पर जमे हुए हैं, जबकि इंसाफ के लिए संघर्ष कर रहे छात्रों को आखिरी हदों तक धकेला जा रहा है. अप्पा राव ने उस दलित वीथि को हटा दिया है, जो रोहिथ और उनके चार निष्कासित साथियों की आखिरी शरण स्थली थी, जिसे उन्होंने शॉपकॉम पर खड़ा किया था. यह जगह मौजूदा आंदोलन का एक प्रतीकात्मक केंद्र थी. वहां लगाई गई आंबेडकर की प्रतिमा भी चुरा ली गई और रोहिथ के अस्थायी स्मारक पर लगाए गए रोहिथ के पोर्ट्रेट को बिगाड़ दिया गया.

    गुजरात में गुंडागर्दी

    11 जुलाई को गुजरात के गिर सोमनाथ जिले में उना तालुका के मोटा समाधियाला गांव में एक दलित परिवार, जाति द्वारा नियत अपने पेशे के मुताबिक एक मरी हुई गाय का चमड़ा उतार रहा था, कि गौ रक्षा समिति का भेस धरे शिव सेना का एक समूह उनके पास पहुंचा. उन्होंने गाय की हत्या करने का आरोप लगाते हुए पूरे परिवार को पीटा और फिर चार नौजवानों को उठा लिया. उन्होंने उनकी कमर में जंजीर बांध कर उन्हें एक एसयूवी से बाध दिया और फिर उन्हें घसीटते हुए उना कस्बे तब ले आए, जहां एक पुलिस थाने के करीब उनको कई घंटों तक सबकी नजरों के सामने पीटा गया.

    हमलावरों को इस बात को लेकर यकीन था कि उन्हें इसपर कभी भी किसी कार्रवाई का सामना नहीं करना पड़ेगा, इसलिए उन्होंने अपनी इस खौफनाक हरकत का वीडियो बनाया और उसे सार्वजनिक भी किया. लेकिन उनका यह दांव उल्टा पड़ गया. इससे भड़क उठे दलित खुद ब खुद सड़कों पर उतर पड़े. हालांकि गुजरात कभी भी दलितों की स्थिति के लिहाज से आदर्श राज्य नहीं रहा था, लेकिन यह दलितों पर ऐसे दिन-दहाड़े अत्याचार का कभी गवाह नहीं रहा था.

    राज्य भर में दलितों के भारी विरोध प्रदर्शनों की एक स्वाभाविक लहर दौड़ गई. करीब 30 दलितों ने अपने समुदाय के साथ होने वाली नाइंसाफियों को उजागर करने के लिए खुदकुशी करने की कोशिश की. लेकिन सबसे समझदारी भरी कार्रवाई मवेशियों की लाशों को अनेक जगहों पर कलेक्टर कार्यालयों के सामने डाल देना था. दलितों ने एकजुटता जाहिर करने की एक गैरमामूली कदम उठाते हुए लाशें उठाने और उनका चमड़ा उतारने का अपना परंपरागत काम रोक दिया और इस तरह इनसे होने वाली आमदनी की भी कुर्बानी दी.

    28 जुलाई के द टाइम्स ऑफ इंडिया की एक रिपोर्ट के मुताबिक गुजरात में हर जगह सड़ती हुई लाशें एक महामारी का खतरा बन गई हैं. पशुपालन विभाग के आंकड़ों के मुताबिक गुजरात में करीब एक करोड़ गाएं और भैंसें हैं जिनके मरने की दर 10 फीसदी है. इसका मतलब ये है कि हर रोज राज्य भर में 2,740 मवेशी मरते हैं. किसी जगह पर ऐसी ही पड़ी एक लाश की बदबू जनता की बर्दाश्त से बाहर हो जाती है, और ऐसे में ऊपर दी गई तादाद तो एक तबाही ही ला सकती है.

    गौ रक्षा संस्थाओं को होश आ गया है और वे यह कबूल करने को मजबूर हुई हैं कि वो इस समस्या के बारे में नहीं जानती थीं और अब वे लाशों का निबटारा करने के तरीके खोजेंगी. अगर देश भर के नहीं तो पूरे राज्य में मैला ढोने के काम में लगे दलितों (सरकारों द्वारा कसम खा कर उनके वजूद को नकारने के बावजूद उनकी तादाद हजारों में है) और इसी तरह पूरे राज्य के सफाई कर्मियों को भी इस विरोध का हिस्सा बन जाना चाहिए.

    आंबेडकर की विरासत चकनाचूर

    25 जून की रात में आंबेडकरियों का भेस धरे सैकड़ों गुंडे दो बुलडोजर लेकर आए और उन्होंने मुंबई में दादर में स्थित ऐतिहासिक आंबेडकर भवन और आंबेडकर प्रेस को गिरा दिया. ऐसा उन्होंने रत्नाकर गायकवाड़ के कहने पर किया, जो एक रिटायर्ड नौकरशाह हैं और मुख्य सूचना आयुक्त के रूप में अपनी नियुक्ति करवाने में कामयाब रहे हैं. प्रेस का एक ऐतिहासिक मूल्य था, क्योंकि उसका संबंध बाबासाहेब आंबेडकर से था. उनके अहम अखबारों में से दो जनता और प्रबुद्ध भारत यहीं से छपते और प्रकाशित होते थे और यह 1940 के दशक में आंबेडकरी आंदोलन का एक केंद्र भी था. उनके निधन के बाद भी यह एक केंद्र बना रहा; भूमि संघर्ष पर आंदोलन, 'रिडल्स'विवाद पर आंदोलन और नामांतर संघर्षों की योजना यहीं बनी और उन अमल हुआ.

    दूसरी इमारत आंबेडकर भवन एक एकमंजिला, अंग्रेजी के 'यू'अक्षर के उल्टे शक्ल की थी जिसे 1990 के दशक में बनाया गया था. इन दोनों इमारतों को गिराने के लिए जिस बहाने की ओट ली गई, कि वे ढांचागत रूप से खतरनाक थे, वे जाहिर तौर पर गायकवाड़ द्वारा 'गढ़े'गए थे. इस दुस्साहस भरी कार्रवाई से और इससे भी ज्यादा जिस शर्मनाक और उद्दंड तरीके से उसको जायज ठहराया जा रहा था, उससे लोग भौंचक रह गए. जैसा कि इसके पहले और इसके बाद होने वाली घटनाओं ने उजागर किया, गायकवाड़ राज्य में भाजपा के दिग्गजों के हाथों का मोहरा भर थे. 

    ट्रस्ट की विवादास्पद स्थिति से वाकिफ मुख्यमंत्री ने प्रस्तावित 17 मंजिला आंबेडकर भवन के लिए चोरी-छिपे भूमिपूजन किया (और मजे की बात है कि यह पूजा कहीं और की गई) और इसके लिए 60 करोड़ के अनुदान का ऐलान भी किया. 25 जून को जो कुछ हुआ था, वह खुल्लम-खुल्ला एक आपराधिक करतूत थी, जिसको मजबूरन गायकवाड़ को कबूल करना पड़ा. उन्हें गिरफ्तार किया जाना चाहिए था, लेकिन ऐसा करने से बचने के लिए उनकी संवैधानिक हैसियत का एक झूठा बहाने को सामने कर दिया गया.

    गायकवाड़ और भाजपा सरकार के अपराधों से नाराजगी के साथ 19 जुलाई को मुंबई में एक भारी मोर्चा निकाला गया. घटनाओं के इस पूरे सिलसिले ने दलितों के भीतर वर्गीय बंटवारे को सबसे बदसूरत तरीके से उजागर किया. जहां उच्च मध्य वर्ग के दलितों ने गायकवाड़ का समर्थन किया, जिसमें प्रवासी दलित (डायस्पोरा) तबका और दलित नौकरशाहों से मिले हराम के पैसों पर आरामतलबी की जिंदगी जीते बौद्ध भिक्षु भी शामिल हैं. दूसरी तरफ दलितों की व्यापक बहुसंख्या ने उनकी गिरफ्तारी की मांग की और आंबेडकर परिवार का समर्थन किया जो गायकवाड़ के खिलाफ खड़े थे. बाबासाहेब आंबेडकर के तीनों पड़पोते आमतौर पर स्वतंत्र रहे हैं और कांग्रेस या भाजपा के साथ सहयोग करने से इन्कार किया है. 

    राजनीतिक रूप से उनका नजरिया अवाम के हक में रहा है और उन्होंने जनसंघर्षों का समर्थन किया है. चाहे जितना भी कमजोर हो, आज वे अकेले आंबेडकरी प्रतिष्ठान है जो पूरी मजबूती से हिंदुत्व ताकतों के खिलाफ हैं.

    इसलिए भाजपा के लिए उनकी छवि को बदनाम करना जरूरी है. इस काम को पूरा करने के लिए मध्यवर्ग के दलितों के एक हिस्से को चुपचाप उकसाया जा रहा है. धीरे-धीरे उन्होंने यह प्रचार खड़ा किया है कि बाबासाहेब आंबेडकर के वारिस आंबेडकरी नहीं बल्कि माओवाद के समर्थक हैं. कम से कम एक दलित अखबार महानायक पिछले पांच बरसों से इस झूठ को पूरे उन्माद के साथ फैलाता आ रहा है. इमारतों को तोड़े जाने के इस पूरे नाटक के जरिए भाजपा का इरादा इसी मकसद को हासिल करने का था. गायकवाड़ ने तीनों पोतों और उनके पिता यशवंतराव आंबेडकर को गैर कानूनी कब्जा करने वाले नालायक और गुंडा बताया.

    आंबेडकर भवन को गिराना और आंबेडकर के परिवार की छवि को मिट्टी में मिलाना, गायकवाड़ के ये वो दो जुड़वां काम थे जिनके लिए उन्हें देश भर में भड़कते जनता के गुस्से की अनदेखी करते हुए भाजपा सरकार से समर्थन मिल रहा है. इस खुलेआम आपराधिक मामले में पुलिस और राज्य मशीनरी जिस तरह पेश आती रही है और आ रही है उसी से सरकार का तौर-तरीका साफ हो जाता है.

    दलित 'हनुमानों'की बेशर्मी

    भाजपा अपने तीनों दलित रामों को अपना 'हनुमान'बना देने में कामयाब रही है. उन्होंने कुछ तथाकथित दलित बुद्धिजीवियों को भी लालच देते हुए अपनी हां में हां मिलाने के लिए अपनी तरफ खींचा है. गुजरात में दलित नौजवानों को पीटे जाने पर देश भर में भड़क उठे गुस्से के ताप में भी, एक दलित 'हनुमान'ऐसा था जो बेशर्मी से यह कहता फिर रहा था कि दलितों पर अत्याचारों से गुजरात का नाम नहीं जोड़ा जाए. जिस तरह उन्होंने राष्ट्रीय अपराध शोध ब्यूरो (एनसीआरबी) के अपराध के आंकड़ों को गलत और संदर्भ से हटा कर पेश किया, उसी से उनकी गुलामी और बौद्धिक बेईमानी जाहिर होती है. एक तरफ जब गैर-दलित पैनलिस्ट गुजरात में भड़के गुस्से को जायज ठहरा रहे थे, यह पिट्ठू बड़े भद्दे तरीके से यह बहस कर रहा था कि जातीय अत्याचारों के मामले में गुजरात अनेक राज्यों से बेहतर है.

    तथ्य ये है कि दलितों पर अत्याचारों की घटनाओं के मामले में गुजरात के सिर पर, ऊपर के पांच राज्यों में लगातार बने रहने का एक खास ताज रखा हुआ है. 2013 में जब आने वाले आम चुनावों और प्रधान मंत्री पद के उम्मीदवार के रूप में ताजपोशी के मद्देनजर मुख्यमंत्री नरेंद्र मोदी का 'वाइब्रेट गुजरात'का जाप चरम पर पहुंचा, अनुसूचित जातियों (एससी) की प्रति लाख आबादी पर अत्याचारों की तादाद उसके पहले वाले साल के 25.23 से बढ़ कर 29.21 हो गई. इसके नतीजे में राज्य देश का चौथा सबसे बदतर राज्य बन गया.

    पहले गलत तरीका अपनाते हुए एनसीआरबी अत्याचारों की गिनती प्रति लाख आबादी पर करता आ रहा था; सिर्फ 2012 से यह प्रति लाख एससी आबादी के संदर्भ में घटनाओं को जुटा रहा है. इसलिए एनसीआरबी तालिकाओं में दी गई एससी के खिलाफ अपराध की घटनाओं की दरों को सही आंकड़ों में बदलने की जरूरत होगी, लेकिन उनसे भी राज्यों के बीच में गुजरात की तुलनात्मक स्थिति के बदलने की संभावना कम ही है.

    हत्या और बलात्कार जैसे बड़े अत्याचारों के मामले में भी गुजरात बदतरीन राज्यों में से है. तालिका एक भारत के बड़े राज्यों में 2012 और 2013 के लिए इन अत्याचारों की दरें मुहैया कराती है, ताकि दिखाया जा सके कि कैसे दलितों के खिलाफ अपराधों के लिए गुजरात का नाम ऊपर के राज्यों में आता है.




    तालिका साफ-साफ दिखाती है कि हत्याओं की दरों के मामले में 2012 में सिर्फ दो ही राज्य, उत्तर प्रदेश (0.57) और मध्य प्रदेश (0.78) गुजरात से आगे थे और 2013 में गुजरात साफ तौर पर उनका सिरमौर बन गया. असल में यह 2012 में भी करीब-करीब उत्तर प्रदेश के बराबर ठहरता है, जो अनुसूचित जातियों के खिलाफ अपराधों के लिए इतना बदनाम राज्य रहा है. बलात्कारों की दर के मामले में 2012 में पांच राज्य छत्तीसगढ़ (3.86), हरियाणा (2.79), केरल (6.34), मध्य प्रदेश (6.75) और राजस्थान (3.44) गुजरात से आगे रहे हैं. 2013 में गुजरात खुद को ऊपर ले गया और छत्तीसगढ़ को पीछे छोड़ते हुए पांचवें स्थान पर पहुंच गया. यह बस हरियाणा (5.45), केरल (7.36), मध्य प्रदेश (7.31) और राजस्थान (5.01) से ही पीछे था.

    मोदी के घड़ियाली आंसू

    कहा गया कि नरेन्द्र मोदी इस हादसे के बारे में जानकर विचलित थे, मानो उनके 'आदर्श'गुजरात में पहली बार दलितों पर जुल्म हो रहा हो. सितंबर 2012 में गुजरात के सुरेंद्रनगर जिले के एक छोटे से कस्बे थानगढ़ में मोदी की पुलिस ने लगातार दो दिनों (22 और 23 सितंबर) में तीन दलित नौजवानों को गोली मार कर हत्या कर दी, लेकिन मोदी एक शब्द भी नहीं बोले जबकि वे उस जगह से महज 17 किमी दूर विवेकानंद यूथ विकास यात्रा का नेतृत्व कर रहे थे. 

    पहले दिन एक छोटे से झगड़े में एक दलित नौजवान को पीटने वाले भारवाड़ों के खिलाफ विरोध कर रहे दलितों पर पुलिस ने गोलियां चलाईं. पुलिस फायरिंग में एक सात साल का लड़का पंकज सुमरा गंभीर रूप से घायल हो गया, जिसकी मौत बाद में राजकोट अस्पताल में हो गई. मौत की खबर ने दलितों में नाराजगी भड़का दी जो इस मौत के लिए जिम्मेदार पुलिस अधिकारियों के खिलाफ शिकायत दर्ज करने की मांग के साथ सड़कों पर उतर पड़े. अगले दिन, पुलिस ने आंदोलनकारी दलितों पर फिर से गोलियां चलाईं और तीन दलित नौजवानों को घायल कर दिया, जिनमें से दो मेहुल राठौड़ (17) और प्रकाश परमार (26) राजकोट सिविल अस्पताल में मर गए. 2012 के राज्य विधानसभा चुनावों के ऐन पहले हुई इन हत्याओं से राज्य भर में सदमे की लहर दौड़ गई और चार पुलिस अधिकारियों के खिलाफ शिकायतें दर्ज कराई गईं. जांच सीआईडी (अपराध) को सौंप दी गई. लेकिन पुलिसकर्मियों के खिलाफ दर्ज तीन एफआईआरों के बावजूद सिर्फ एक मामले में ही आरोपपत्र (चार्ज शीट) दायर की गई और एक आरोपित बीसी सोलंकी को तो गिरफ्तार तक नहीं किया गया.

    गुजरात में अपने दलित समुदाय के सामंती दमन का लंबा इतिहास रहा है. राज्य का दलित समुदाय राष्ट्रीय औसत 16.6 की तुलना में छोटा और आबादी का महज 7.1 फीसदी है और यह मुख्यत: राजनीतिक रूप से निष्क्रिय रहा है. हालिया इतिहास में, 1970 के दशक में दलित पैंथर्स की झलक के बाद, उन्हें 1981 के आरक्षण विरोधी दंगों ने गांधीवादी नींद से झटके से जगाया. पहली बार राज्य भर में आंबेडकर जयंतियों के उत्सव का दौर शुरू हुआ. लेकिन यह जागना बहुत थोड़ी देर का ही साबित हुआ. जब भाजपा ने दलितों की चुनावी अहमियत को महसूस किया और उन्हें लुभाना शुरू किया, वे आसानी से उनकी बातों में आ गए और 1986 में इसके जगन्नाथ रथ जुलूसों में बढ़-चढ़ कर भागीदारी करने लगे. आगे चल कर खास कर 2002 में गोधरा के बाद मुसलमानों के कत्लेआम के दौरान वे राजी-खुशी से इसके लठैत बन गए. लेकिन जमीन पर उनके लिए कुछ भी नहीं बदला. दलित-विरोधी सिविल सोसायटी की हिमायत से राज्य की खुली या छुपी मिलीभगत के साथ भेदभाव, अपमान, शोषण और अत्याचार बेलगाम तरीके से बढ़ते रहे.

    हाल के ही एक अध्ययन ने दिखाया है कि गुजरात में चार जिलों में होने वाले अत्याचार के सभी मामलों में से 36.6 फीसदी को अत्याचार निवारण अधिनियम (एट्रॉसिटी एक्ट) के तहत दर्ज नहीं किया गया था और जहां इस एक्ट को लागू भी किया गया था, वहां भी 84.4 फीसदी मामलों में इसको गलत प्रावधानों के साथ दर्ज किया गया था, जिससे मामलों में हिंसा की गहनता छुप गई थी.[1] इसके पहले अहमदाबाद स्थित काउंसिल फॉर सोशल जस्टिस ने 1 अप्रैल 1995 से एक दशक के भीतर इस एक्ट के तहत राज्य के 16 जिलों में स्थापित स्पेशल एट्रॉसिटी कोर्ट्स में दिए गए 400 फैसलों का अध्ययन किया और पाया कि पुलिस द्वारा नियमों के निरंकुश उल्लंघन ने मुकदमे को कमजोर किया. फिर न्यायपालिका ने अपने पूर्वाग्रहों से भी इस एक्ट को नकारा बनाने में योगदान किया.[2] 

    कोई हैरानी नहीं है कि गुजरात में अत्याचार के मामलों में कसूर साबित होने की दर 10 बरसों में अनुसूचित जातियों-जनजातियों के मामले में भारतीय औसत से छह गुना कम है. 2014 में (जो सबसे ताजा उपलब्ध आंकड़े हैं) अनुसूचित जातियों के खिलाफ अपराधों में से सिर्फ 3.4 फीसदी में ही आखिर में कसूर साबित हो पाया. जबकि इन्हीं अपराधों में कसूर साबित होने की राष्ट्रीय दर 28.8 फीसदी है यानी देश भर में हरेक आठ अत्याचार में एक में कसूर साबित होता है. हैरानी की बात नहीं है कि राज्य में छुआछूत का चलन धड़ल्ले से जारी है. 2007 से 2010 के दौरान गुजरात के दलितों के बीच काम करने वाले एक संगठन नवसर्जन ट्रस्ट द्वारा रॉबर्ट ई. केनेडी सेंर फॉर जस्टिस एंड ह्यूमन राइट्स के साथ मिल कर किए गए "अंडरस्टैंडिंग अनटचेबिलिटी: अ कॉम्प्रीहेन्सिव स्टडी ऑफ प्रैक्टिसेज़ एंड कन्डीशंस इन 1,589 विलेजेज़"नाम के एक अध्ययन ने ग्रामीण गुजरात में छुआछूत के चलन की व्यापक घटनाओं को उजागर किया.[3] अपने आस पास समृद्धि के समंदर में अपने अंधेरे भविष्य को देखते हुए दलितों की नई पीढ़ी इसको कबूल नहीं करेगी. यह भाजपा की मीठी-मीठी बातों के नीचे छुपाई हुई दलित-विरोधी नीतियों की वजह से जमा होता आया गुस्सा था जो राज्य में दलितों के सहज रूप से भड़क उठने की शक्ल में सामने आया.

    अभागों की आह

    हालिया आंदोलन दलितों के नए सिरे से उठ खड़े होने के संकेत हैं. कांग्रेस के बरअक्स भाजपा के दोमुंहेपन और निरंकुशता, आंबेडकर के लिए स्मारक बनवाने और खुद को सबसे बड़े आंबेडकर भक्त के रूप दिखाने का पाखंड एक के बाद एक इन दलित विरोधी गतिविधियों से बखूबी तार-तार हो गया है. जब अक्तूबर 2002 में विश्व हिंदू परिषद (विहिप) के गौ रक्षा गिरोहों ने हरियाणा के झज्झर के दुलीना में पांच बेगुनाह दलित नौजवानों को पीट-पीट कर मार दिया था और फिर पुलिस की ठीक नाक के नीचे उन्हें जला दिया था तो विहिप के उपाध्यक्ष गिरिराज किशोर ने उन हत्याओं को यह कह कर जायज ठहराया था: "हमारे धार्मिक ग्रंथों (पुराणों) में गाय की जान इंसानों की जान से ज्यादा महत्वपूर्ण है."तब हरियाणा के भाजपा अध्यक्ष राम बिलास शर्मा ने गाय की हत्या को इंसान के कत्ल जितने जघन्य अपराध के रूप में लेने का वादा किया था. शायद दलितों ने उस घटना को इक्की-दुक्की घटना के रूप में लेते हुए भाजपा को माफ कर दिया था.

    लेकिन इस बार एक के बाद एक जल्दी जल्दी होने वाली इन घटनाओं ने ऐसा दिखता है कि भाजपा के असली दलित-विरोधी चरित्र को उन पर उजागर कर दिया है. हालांकि इधर भाजपा ने हिंदू राष्ट्र के अपने एजेंडे को पूरा करने के लिए दलित वोटों की बड़ी अहमियत को इधर महसूस किया है, लेकिन उन दोनों के बीच के ऐतिहासिक और विचारधारात्मक विरोधाभासों को आसानी से नहीं सुलझाया जा सकता है. दलित विरोधी भावनाएं किसी न किसी स्वामी या साध्वी की शेखी के जरिए या फिर हिंदुत्व के गुंडे-मवालियों द्वारा किए गए अत्याचारों के जरिए सामने आती रहेंगी.

    चाहे इसको जैसी भी शक्ल दी जाए, हिंदुत्व का मतलब हिंदू रिवाजों, प्रथाओं और संस्कृति पर गर्व करना ही है, और ये जाति व्यवस्था का ही एक दूसरा नाम हैं और इस तरह यह दलितों की मुक्ति के एजेंडे का विरोधी है. गाय के लिए हिंदुत्व की सनक ने – जो अब गाय के पूरे परिवार तक फैल गई है – अब मुसलमानों के बाद दलितों को चोट पहुंचाई है. यह उन्हें उनके पसंदीदा बीफ (गोमांस) से वंचित करती है जो प्रोटीन का बहुत सस्ता स्रोत है और इसने उनके लाखों लोगों को बेरोजगार बना दिया है. छोटे किसानों के रूप में दलित मवेशी पालते हैं. 'गाय नीति'उनकी माली हालत पर गंभीर चोट करती है.

    सबसे हैरान करने वाली बात इसके पीछे की अतार्किकता और दोमुंहापन है. आर्थिक अतार्किकता को कई अर्थशास्त्रियों ने उजागर किया है और अगर यह बनी रही तो कुछ बरसों में यह देश के लिए अकेली सबसे बड़ी तबाही बन सकती है. और दोमुंहापन ये है कि जबकि हजारों छोटे कत्लखानों में मवेशियों के कत्ल पर पाबंदी है और जिसने लाखों मुसलमान और दलित बेरोजगार बना दिया है, निर्यात के लिए छह बड़े कत्लखाने इसी समय फल-फूल रहे हैं, जिनमें से चार के मालिक हिंदू हैं और उनमें से भी दो ब्राह्मण हैं. चाहे यह गाय के कत्ल का मामला हो या इसका सांस्कृतिक राष्ट्रवादी पहलू हो, ये सीधे-सीधे दलितों के हितों और उनकी उम्मीदों का विरोधी है.

    हिंदुत्व के दलित-विरोधी पंजों के साथ सामने आने के साथ ही, यह तय है कि भाजपा को अगले चुनावों में इसकी आंच को महसूस करना होगा.

    नोट्स
    [1] http://navsarjan.org/navsarjan/status-of-dalits-in-gujarat/

    [2] https://www.sabrangindia.in/tags/council-social-justice.

    [3] http://navsarjan.org/Documents/Untouchability_Report_FINAL_Complete.pdf.
    --
    Pl see my blogs;


    Feel free -- and I request you -- to forward this newsletter to your lists and friends!

    0 0

    इरोम की राजनीति का आशय और वर्गीय ध्रूवीकरण के बिना संस्थागत सत्तावर्ग की एकतरफा राजनीति

    आम लोग बंधुआ मतदाता हैं जो अपने सफाये के लिए मनपसंद कातिल चुन लेते हैं।


    प्रतिरोध की राजनीति का चेहरा अगर इरोम शर्मिला है तो यह समझना बेहद जरुरी है कि इस एकाकी प्रतिरोध के असंख्य द्वीपों से हम सत्ता पक्ष की नरसंहारी प्रकृति मनुष्यविरोधी नीतियों और सैन्य अभियान का मुकाबला कैसे कर सकते हैं जबकि राष्ट्र अब पूरी तरह सैन्य राष्ट्र है।


    आजादी के बाद से लेकर अबतक भारत में जो हो रहा है वह सत्ता वर्ग की राजनीति है और इसी जनविरोधी राजनीति के मुक्तबाजार को हम लोकतंत्र कहते हैं।


    यह संस्थागत राजनीति वर्गीय हितों के मुताबिक सत्ता परिवर्तन भी करती रहती है ताकि लोग अच्छे दिनों की उम्मीद में मर मर कर नरक जीते रहे धर्म,जाति,नस्ल,भाषा और क्षेत्र के नाम पर,जो इस देश के आम नागरिकों के वर्गीय ध्रूवीकरण में शाश्वत प्रेतबाधा है।


    वर्गीय ध्रूवीकरण के बिना जनपक्ष की राजनीति हो नहीं सकती।


    पलाश विश्वास

    सोलह साल से जारी अपना लगातार आमरण अनशन इरोम शर्मिला ने आज तोड़ दिया और उन्होंने राजनीति में शामिल होकर मणिपुर की मुख्यमंत्री बनने का इरादा जताया है।इससे पहले अपने प्रेमी से विवाह करने का भी उन्होंने ऐलान कर दिया है।इसका मतलब यह नहीं है कि उनकी लड़ाई की कोई प्रासंगिकता पर किसी तरह की आंच आनेवाली है।


    हम अभी ठीक ठीक नहीं जानते कि भविष्य में इरोम की राजनीति क्या और किस रंग की होने वाली है और उस राजनीतिक विकल्प से मणिपुर में लोकतंत्र की बहाली होगी या नहीं या सशस्त्र सैन्यबल विशेषाधिकार कानून का विरोध वह अपने राजनीतिक मच से करने में कामयाब होंगी या नहीं।खासतौर पर जब उन्हें उनकी इच्छा के मुताबिक राजनीतिक कामयाबी मिलने लगेंगी।


    पहली बात तो यह है कि किसी भी आंदोलन की अनंतकाल तक निरंतरता जारी रखना लगभग असंभव है।सोलह साल के अनशन के बावजूद सत्ता वर्ग सिर्फ मणिपुर में नहीं,देश के हर कोने में फौजी हुकूमत का विकल्प नानाविध कानून के तहत कर रहा है।इससे इरोम को यह आमरण अनशन आगे और खींचना निरर्थक लग रहा होगा और अब मणिपुर की लड़ाई जारी रखने के लिए वे राजनीतिक विकल्प चुन रही हैं।


    आंदोलन करने का या आमरण अनशन का उन्हें जितना अधिकार है,इस भारत लोकगणराज्य में राजनीति करने का भी उन्हें उतना ही हक है जैसे अपनी पसंद का जीवनसाथी चुनना और उसीसे विवाह करने का अधिकार उन्हें है।


    उनके परिजनों या उनके अनुयायियों को उनके इस निर्णय का सम्मान करना चाहिए और हमें भी।


    दूसरी बात यह है कि इस देश में विशुद्ध गांधीवादी तरीके से आंदोलन और आमरण अनशन जैसे प्रतिरोध से निरंकुश सत्ता का मुकाबला करना भी असंभव है।हमारे जनांदोलन के तमाम साथी एक के बाद एक राजनीतिक विकल्प चुनते जा रहे हैं और हमने किसी को रोका नहीं है।हम इरोम को भी रोक नहीं सकते।


    तीसरी लेकिन सबसे अहम बात यह है कि राजनीति के बिना राष्ट्र का चरित्र बदलने की लड़ाई असंभव है।राजनीति से ही आप सत्ता हासिल करते हैं और सत्ता से ही नीतिगत निर्णय होते हैं और उस पर अमल बी सत्ता की राजनीति है।जैसे सत्ता की राजनीति होती है,वैसे प्रतिपक्ष की भी राजनीति होती है।


    हम जिसे अराजनीति कहते हैं,अब तक असल प्रतिपक्ष वही अराजनीतिक जनपक्षधर मोर्चा ही है।क्योंकि सत्ता संघर्ष में पक्ष और प्रतिपक्ष दोनों सत्ता वर्ग के हैं,जिनके हित भी उनके वर्गीय हित है जो वंचित जनता और उत्पीड़ित क्षेत्रों के खिलाफ दमनात्मक राजकाज के मुताबिक सिद्ध होते हैं।


    राजनीति का मतलब मुख्यमंत्री या प्रधानमंत्री की कुर्सी नहीं है।इस लिहाज से मणिपुर की जनता की फौजी हुकूमत से आजादी के लिए इरोम सबसे मजबूत और सबसे प्रासंगिक राजनीति कर रही थीं और उनकी इस प्रतिरोध की राजनीति का मणिपुर और पूरे देश में जनपक्षधर आवाम का पूरा समर्थन था।


    अब वे मुख्यमंत्री बनने के लिए राजनीति करेंगी तो वह राजनीति आम जनता के पक्ष में किस तरह की राजनीति होगी,यह देखना बाकी है।


    बहरहाल प्रतिरोध की राजनीति का चेहरा अगर इरोम शर्मिला है तो यह समझना बेहद जरुरी है कि इस एकाकी प्रतिरोध के असंख्य द्वीपों से हम सत्ता पक्ष की नरसंहारी प्रकृति मनुष्यविरोधी नीतियों और सैन्य अभियान का मुकाबला कैसे कर सकते हैं जबकि राष्ट्र अब पूरी तरह सैन्य राष्ट्र है।


    सत्ता की राजनीति लोकतांत्रिक प्रणाली है जो संस्थागत है।यह गौर करने वाली बात है।सत्तावर्ग के एजंडे को लागू करने के लिए दल और चेहरे बदल जाते हैं ,राजनीति बदल जाता है लेकिन राजकाज नहीं बदल जाता।

    भारत की आजादी के बाद निरंतर यही हो रहा है क्योंकि सत्तावर्ग दिखावे के वैचारिक राजनीतिक सैद्धांतिक मतभेद के बावजूद वर्गीय हितों के मुताबिक संसदीय सहमति के मुताबिक राजकाज चलाता है और नरसंहारी अश्वमेध और वैदिकी हिंसा पर अंकुश कभी नहीं लगता।


    उत्पीड़ित वंचित जनता असंगठित मजदूरों की तरह है।वे अपने श्रम के मुताबिक तो क्या मानवाधिकार और नागरिक अधिकार,बुनियादी जरुरतों और बुनियादी सेवाओं में अपना हिस्सा समझ लेने में नाकाम है क्योंकि सत्ता वर्ग की तरह उनका वर्गीयध्रूवीकरण नहीं हुआ है।


    वे विभिन्न राजनीतिक दलों के मातहत सत्ता वर्ग की राजनीति ही कर रहे हैं और उनकी कोई राजनीति नहीं है।आम लोग बंधुआ मतदाता हैं जो अपने सफाये के लिए मनपसंद कातिल चुन लेते हैं।


    आजादी के बाद से लेकर अबतक भारत में जो हो रहा है वह सत्ता वर्ग की राजनीति है और इसी जनविरोधी राजनीति के मुक्तबाजार को हम लोकतंत्र कहते हैं।


    मसलन हिंदुत्व का एजंडा किसी एक पार्टी का नहीं है और यह धर्मोन्मादी राष्ट्रवाद भी सत्ता वर्ग की तरह संस्थागत है जिसपर सरकार और प्रशासन के नेतृत्व का कोई अंकुश हो ही नहीं सकता,बल्कि उनपर वर्गीयहितों की संस्थागत व्यवस्था का पूरा नियंत्रण है।


    उनके हमलावर आंदोलन उनकी सत्ता की तरह निरंकुश है और यह निरंकुश सत्ता तब और खतरनाक होती है जब उसके शीर्षपर वंचितों और उत्पीड़ितों के चेहरे चस्पां कर दिये जाते हैं और अस्मिताओं के नाम पर लाखों टुकड़ों में बंटी जनता सत्ता में अपनों के चेहरे देखकर घात लगाकर होने वाले हमलों के खिलाफ कुछ भी नहीं कर सकती।


    यह संस्थागत राजनीति वर्गीय हितों के मुताबिक सत्ता परिवर्तन भी करती रहती है ताकि लोग अच्छे दिनों की उम्मीद में मर मर कर नरक जीते रहे धर्म,जाति,नस्ल,भाषा और क्षेत्र के नाम पर,जो इस देश के आम नागरिकों के वर्गीय ध्रूवीकरण में शाश्वत प्रेतबाधा है।


    ये हालात बदलने चाहिए।


    हमारी कोई राजनीति नहीं है।जो भी राजनीतिक विकल्प चुन रहे हैं ,वे सत्तावर्ग की राजनीति में ही शामिल हो रहे हैं और उनका पक्ष जनता का पक्ष कभी हो ही नहीं सकता।


    वर्गीय ध्रूवीकरण के बिना जनपक्ष की राजनीति हो नहीं सकती।


    जबतक धर्मोन्मादी राष्ट्रवाद की पैदल सेनाएं हैं हम,जबतक जाति को मजबूत बनाते रहेंगे हम और जाति का नाश नहीं करेंगे हम,तब तक न वरगीय ध्रूवीकरण हो सकता है और न जनता की राजनीति हो सकती है।


    जाहिर है कि कोई अकेली इरोम शर्मिला या और कोई मसीहा हमें इस तिलिस्म से आजाद कराने की स्थिति में नहीं है और मुक्त के पथ हमें बनाने ही होंगे।


    --
    Pl see my blogs;


    Feel free -- and I request you -- to forward this newsletter to your lists and friends!

    0 0

    सारे समीकरण उलट पुलट

    अब मुकाबला धर्मोन्मादी अधर्म बनाम धम्म का है

    लोकतांत्रिक,धर्मनिरपेक्ष प्रगतिशील ताकतों को इस बदलते मंजर को समझना होगा और गोरक्षकों के सौजन्य से जो समांतर ध्रूवीकरण शुरु हो गया है,उसे बाबासाहेब के जाति उन्मूलन के प्रस्थानबिंदु से नई शुरुआत के साथ समता और न्याय,बहुलता और विविधता,अमन चैन,भाईचारे की लड़ाई को हमारे पुरखों के ख्वाबों की मंजिल में तब्दील करना होगा।


    यूपी और पंजाब में आजादी से पहले आजमाये इस पुराने  और कामयाब  समीकरण की अग्निपरीक्षा है।अग्निपरीक्षा है बहुजन नेतृत्व की तो अग्निपरीक्षा है धर्मनिरपेक्ष, प्रगतिशील और लोकतांत्रीकि ताकतों की पकती हुई जमीन पर केसरिया सुनामी  के कयामती मंजर को फिजां दखल करने का कोई मौका न दें।



    पलाश विश्वास

    हवा बनाने वाले हवा हवाई लोगों को मालूम नहीं है कि हवा बदलने लगी है और वक्त को पीछे धकेलकर जमींदोज करने वालों को होश नहीं है कि उनके धतकरम से न विज्ञान के नियम बदलेंगे और न इतिहास बदल जायेगा।


    हमने पहले ही लिखा है कि बंगाल में हवा बदलने लगी है और भारत और बांग्लादेश के धर्मोन्मादी महागठबंधन की नरसंहारी बलात्कारी सुनामी के बावजूद बदलाव की जो हवा मतुआ आंदोलन और बाबासाहेब डा.भीमराव अंबेडकर की शक्तियों में केंद्रित बहुजन आंदोलन की नींव से तूफां बनने जा रही है,उससे सारे समीकरण उलटपुलट हो जाने वाले हैं।फिरभी बुनियादी बदलाव के लिए समीकरण काफी नहीं हैं।


    लोकतांत्रिक,धर्मनिरपेक्ष प्रगतिशील ताकतों को इस बदलते मंजर को समझना होगा और गोरक्षकों के सौजन्य से जो समांतर ध्रूवीकरण शुरु हो गया है,उसे बाबासाहेब के जाति उन्मूलन के प्रस्थानबिंदु से नई शुरुआत के साथ समता और न्याय,बहुलता और विविधता,अमन चैन,भाईचारे की लड़ाई को हमारे पुरखों के ख्वाबों की मंजिल में तब्दील करना होगा।


    यही फासिस्ट विरोधी मेहनतकश बहुजन तबके की एकता ही राष्ट्र और समाज के नवनिर्माण के लिए अनिवार्य वर्गीय ध्रूवीकरण का आधार है।


    विभाजन से पहले सत्तावर्ग के लिए सबसे बड़ी चुनौती बहुजनों और मुसलमानों का गठबंधन की रही है और सत्ता वर्ग के पास इसका जवाब भारत का विभाजन रहा है,जिसे उन्होंने बखूब अंजाम दिया।


    बंगाल से जनाब फजलुल हक और जोगेंद्र नाथ मंडल की अगुवाई में बने इसी गठबंधन की ताकत से बाबासाहेब पूर्वी बंगाल से संविधान सभा में पहुंचे और तब जाकर कहीं उन्हें भारत का संविधान के तहत दलितों,पिछड़ों,आदिवासियों,कामगारों,स्त्रियों और तमाम मेहनतकश तबकों को संवैधानिक रक्षाकवच सुनिश्चित करने का मौका मिला।


    गुजरात से जो नई सुनामी का मंजर बनने लगा है,हम यह भूलने की भूल नकरे इसकी शुरुआत रोहित वेमुला की संस्थागत हत्या के बाद जातिव्यवस्था से आजादी और ब्राह्मणवाद के खिलाफ तमाम पहचान,जाति,मजहब की दीवारें तोड़कर देशभर में छात्रों और युवाओं के हाथों विश्वविद्यालयों और राजमार्गों पर व्यापक मनुस्मृति दहन के साथ शुरु हुई है जो बदलाव केलिए तमाम सामाजिक शक्तियों की एकता की प्रासंगिकता और उसकी निर्णायक भूमिका साबित करती है।


    धर्मोन्मादी हिंदुत्व और फासीवादी नरसंहारी राजकाज की आधार प्रयोगशाला से फासिस्ट सत्ता और राजकरण,धर्मोन्मादी राष्ट्रवाद के खिलाफ भारत विभाजन से पहले बना बहुजनों और मुसलमानों का वह गठबंधन अग्निपाखी की तरह राख से निकल आया है और हमें उसके पांखों को मजबूत करने की दरकार है।


    यूपी और पंजाब में आजादी से पहले आजमाये इस पुराने  और कामयाब  समीकरण की अग्निपरीक्षा है।अग्निपरीक्षा है बहुजन नेतृत्व की तो अग्निपरीक्षा है धर्मनिरपेक्ष,प्रगतिशील और लोकतांत्रीकि ताकतों की पकती हुई जमीन पर केसरिया सुनामी  के कयामती मंजर को फिजां दखल करने का कोई मौका न दें।


    बदलाव के लिए अब फासिज्म की  निरंकुश सत्ता के मुकाबले बहुजनों और मुसलमानों का गठबंधन ही काफी नहीं है।


    मुक्तबाजार की ताकतों का साथ है सत्ता वर्ग का,जो सबसे घातक विषैला गैसिला रुप रसगंधहीन मृत्यु निश्चितसायोनाइड आक्साइड आइसोसाइनेट वगैरह वगैरह है।


    और संविधान के प्रावधानों और कानून के राज पर यही अबाध पूंजी वर्चस्व है जिसके शिंकजे में फंसे बहुजनों के तमाम राम रहीम अब हनुमान हैं तो बहुजन अलग अलग मजहब,जाति,नस्ल,जुबान,जमीन के दायरे में कैद लाखों टुकडो़ं में एक दूसरे के खिलाफ लड़ रहे हैं और अक दूसरे के खून से रंगे हुए नख से सिर तक केसरिया वानर सेना है।समाज और राष्ट्र को बदलने से पहले उन्हें बदलने की जरुरत है।


    फासिज्म का यह राजकाज स्थानीय नहीं है,ग्लोबल है।

    तोता अमेरिका में है तो तोता इजराइल में भी है।

    दो दो जान है दो जहान है हत्यारी इस सत्ता कयामत की।


    इसलिए बहुत संभव है कि बहुजनों और मुसलमानों का गठबंधन भी उसे शिकस्त देने काफी कतई न हो।यही बार बार हो रहा है।


    सत्ता वर्ग के राजनीतिक, सामाजिक, आर्थिक, राजनयिक,भौगोलिक, ऐतिहासिक, जाति नस्ल धर्म  हित समान हैं और उनकी संसदीय सहमति अटूट है तो इसके मुकाबले न प्रतिपक्ष कोई है और न प्रतिपक्ष की कोई राजनीति या अराजनीति है।


    इस पर तुर्रा यह कि जीवन के हर क्षेत्र में समता और न्याय के वध का महोत्सव जारी है।भाषाओं,माध्यमों,विधाओं और लोक पर भी उन्हींका वर्चस्व है।


    लोकतंत्र,अमन चैन,विविधता और बहुलता,समता और न्याय के लिए कोई राजनीतिक समीकरण काफी नहीं है।

    राजनीति बदलाव के लिए सामाजिक क्रांति बेहद जरुरी है।


    राजनीतिक शक्तियों के समीकरण के बादले सामाजिक शक्तियों के मानवबंधन की जरुरत है और प्रस्थानबिंदु वही बाबा साहेब का एजंडा जाति उन्मूलन का है तो पंथ दुनियाभर में पहली सामाजिक क्रांति के तहत समता और न्याय आधारित समाज और राष्ट्र के निर्माण करने वाले गौतम बुद्ध का है।


    विश्वभर में धर्म चाहे कुछ हो,बदलाव की लड़ाई में सत्य, अहिंसा और प्रेम की विचारधारा की जो भूमिका है,उसका आधार महात्मा गौतम बुद्ध का धम्म है।


    विश्वभर में धर्म चाहे कुछ हो,बदलाव की लड़ाई में सत्य, अहिंसा और प्रेम की विचारधारा की जो भूमिका है,उसका आधार महात्मा गौतम बुद्ध का धम्म है।पंचशील है।धम्म और पंचशील के अनुशीलन के लिए धर्मांतरण जरुरी नहीं है।


    जबकि बदलाव के लिए धम्म और पंचशील का अनुशीलन जरुरी है।


    बौद्धमय भारत के बजाय बुद्धमय भारत अगर हम अपना लक्ष्य बना लें तो सामाजिक राजनीतिक भूगोल इतिहास अर्थव्यवस्था आस्था उपासना पद्धति कुछ भी हो हम इस धर्मोन्मादी राष्ट्रवाद का जवाब धम्म और पंचशील से दे सकते हैं।


    गौतम बुद्ध के आंदोलन में उनके अनुयायियों की भूमिका धर्मांतरण अभियान  की नहीं रही है।वह अभियान सत्य,अहिंसा और प्रेम के धम्म और पंचशील की निरंतरता रही है और जनसाधारण को अज्ञानता के अंधकार से सही मायने में तमसोमाज्योतिर्गमय का पंथ रचा है महात्मा गौतम बुद्ध ने,जो विशुध भारतीय है।


    तबसे जनसंख्या का बूगोल समय समय पर होने वाले तो धर्मान्तरण से जो भी बदला हो,भारतीय संस्कृति की मुख्यधारा इतिहास के हर निर्णायक मोड़ पर फिर वही बुद्धम् शरणम् गच्छामि है।


    विविधता और बहुलता भारत तीर्थ की भारतीय राष्ट्रीयता के वास्तविक जनक कविगुरु अस्पृश्य म्लेच्छ ब्रह्मसमाज रवींद्रनाथ की रचनाधर्मिता का मुख्य स्वर वही बुद्धम् शरणम् गच्छामि है और गांधी की विचारधारा का आधार भी वहीं है तो बाबासाहेब की समता और न्याय का दर्शन भी वही है।


    धर्म नहीं,आस्था और उपासना पद्धति नहीं,गौतम बुद्थ की क्रांति दरअसल हमारी विरासत और भारत की साझा संस्कृति है।लोक संस्कृति है।


    फासीवादी धर्मोन्मादी हिंदुत्व के नरसंहारी अश्वमेध के मुकाबले जनपक्षधरता के मोर्चे की बुनियाद अगर धम्म हो,तो समता और न्याय की मंजिल बहुत नजदीक है अन्यथा हम किसी और तरीके से इस ग्लोबल आर्डर के महाविध्वंस का मुकाबला कर नहीं सकते।धम्म और पंचशील ही धर्मोन्मादी अधर्म के नरमेधी राजसूय का जवाब है।


    भारत में मेहनतकशों के हकहकूक के तमाम कानून ही बाबासाहेब ने नहीं बनाये,भारत में मजदूर आंदोलन की शुरुआत भी उन्होंने की।


    भारत में साम्यवादी आंदोलन के नेतृत्व पर काबिज सामंती सत्ता वर्ग ने अगर जाति उन्मूलन के एजंडा को वर्गीय ध्रूवीकरण का माध्यम मानकर बाबासाहेब का साथ दिया होता तो बाबासाहेब की वर्कर्स पार्टी के जरिये भारतीय जनता को सच्ची आजादी मिल गयी होती।लेकिन उन्होंने तो कामगारों के मोर्चे से बाबासाहेब को दूध में से मक्खी की तरह निकाल बाहर किया।


    इसी तरह फासीवाद विरोधी आंदोलन और हिंदुस्तानी साझा चूल्हे की राष्ट्रीयता के नेता नेताजी को भी इसी सत्तावर्ग ने भारत की राजनीति,भूगोल और इतिहास से बाहर कर दिया।इससे पहले उनने फजलुल हक का काम तमाम किया।


    गांधी के साथ कंधे से कंधा मिलाकर आजादी की जंग के खास सिपाहसालर अब्दुल गफ्पार खान की उन्होंने नहीं सुनी और अपने विभाजन और विभाजन के जरिये आजाद भारत में बहुजनों और मुसलमानों के कत्लेआम के एजंडे को उन्होंने अंजाम दिया और विभाजन के बाद नानाविध कायाकल्प के साथ नरसंहारी अश्वमेध की वह वैदिकी हिंसा अब मुक्तबाजार की मनुष्यविरोधी प्रकृति विरोधी अबाध विदेशी पूंजी प्रवाह है और महज भारत नहीं सारा महादेश अब फासिज्म का उपनिवेश है।


    --
    Pl see my blogs;


    Feel free -- and I request you -- to forward this newsletter to your lists and friends!

    0 0


    কাকদ্বীপে সমুদ্রে নিঃখোঁজ সত্তর জন স্বজন।

    এবং বিধবা পল্লীর সেই সব মেয়েরা যারা সেদিন মিছিলে হেঁটেছিল।

    পলাশ বিশ্বাস

    বঙ্গোপসাগরে ঘনীভূত নিম্নচাপের দাপট। একনাগাড়ে বৃষ্টি কলকাতা সহ দক্ষিণবঙ্গে। জল জমল শহরের বিস্তীর্ণ এলাকায়। বঙ্গোপসাগরে ঘনীভূত নিম্নচাপ এখন অবস্থান করছে বাংলাদেশ সন্নিহত পশ্চিমবঙ্গেম।


    বঙ্গোপসাগর উত্তাল।উথাল পাথাল সুন্দরবনের মনুষ্যজীবন ও জীবিকা।বিধবা পল্লীর অন্ধকার তমনিশা আরো ঘন আছড়ে পড়া কান্নার দাপটে।


    বন্ধ জলে থমকে কোলকাতা ও সমগ্র নাগরিক জীবন মহানগর ও উপনগর সমেত।কিন্তু তাঁদের বিপর্যয় আরো আয়লা আচ্ছন্ন,যারা জীবিকার সন্ধানে স্বামী পুত্রকে সমুদ্রে পাঠিয়ে তাঁদের ফিরে আসার প্রতীক্ষা করে।তাঁরা প্রতিবার ফিরে আসে না ,যেমন এবারও তাঁরা ফিরে এল না।


    সমুদ্রে নিঃখোঁজ সত্তর জন স্বজন।সমুদ্র উত্তাল থাকার জন্য আগামী ২৪ ঘণ্টায় গভীর সমুদ্রেমাছ ধরতে যেতে নিষেধ করা হয়েছে মৎস্যজীবীদের। এরই মধ্যে মাছ ধরতে গিয়ে বঙ্গোপসাগরে নিখোঁজ সত্তর জন  মৎস্যজীবী। নিখোঁজদের অধিকাংশই কাকদ্বীপেরবাসিন্দা। তিন দিন আগে সমুদ্রেযান ওই মৎস্যজীবীরা।




    গোসাবা থেকে হাসনাবাদ,হাসনাবাদ থেকে কাকদ্বীপ দিনপ্রতিদিনের জীবনযাত্রা এমনটাই।


    সীমান্তের এপার ওপার বাদাবনে সীমান্ত নামানুষদের সমাজ বাস্তবের নিয়তি বদ্ধ দিনলিপি ঠিক এমনটাই.যা নিয়ে ভদ্রসমাজের মাথাব্যথা হওয়ার কারণ নেই।


    সুন্দরবন নিয়েও তেমন মাথাব্যথা নের পরিবেশ চিতনাহীন সভ্য মুক্তবাজারি ভোগী ক্রয়শক্তি সমৃদ্ধ বাকী বাংলা ,বাকী বাংলাদেশ বা বাকী ভারতবর্ষের।


    তাঁদের নাগরিকত্ব নেই।

    রেশন কার্ড নেই।

    ভোটার কার্ড নেই।


    তাঁদের ভাগে আছে শুধু ঔ সুন্দরবন,সেখানকার মানুষখেকো বাঘ আর কুমীর আর আদিগন্ত ব্যাপী বঙ্গোপসাগর,যেখানে তাঁরা রাষ্ট্র ও সমাজের সব অধিকার,গণতন্ত্র,সংবিধান,আইন কানুনের সব অধিকার থেকে বন্চিত বাদা বন ও সমুদ্রকে আঁকড়ে বেঁচে থাকে এবং মরতে মরতে বাঁচে,বাঁচতে বাঁচতে মরে।


    আমরা পৃথীবীর সব মানুষের পাশে দাঁড়াতে পারি,কিন্তু সুন্দরবনের ঔ ব্রাত্য মানুষদের পাশে দাঁড়াতে পারিনা।


    এক সেদিন পাঁচই আগস্ট নিখিল ভারত উদ্বাস্তু সমন্বয় সমিতির ডাকে তাঁরা বাংলাদেশ গণহত্যালীলা,ধর্ষণ উত্সব,বেদখলী ও উত্পীড়নের বিরুদ্ধে,নাগরিকত্বের দাবিতে,রেশন কার্ড,ভোটার কার্ডের দাবিতে কাকদ্বীপ থেকে ঝাঁকে ঝাঁকে চলে এসিছিল কয়েক হাজার।


    রা কোলকাতায় সেদিনের সেই উদ্বাস্তুদের মহামিছিলে শিযালদহ থেকে হেঁটেছিল।

    মতুয়াদের ডন্কার তালে তালে তাঁরা নেচেছিল।


    মনুষত্বের,নাগরিকত্বের,নিরাপত্তার দাবিতে সোচ্চার প্রতিটি শব্দের সমর্থনে তাঁরা এক জোট উলুধ্বনি দিয়েছিল।


    তাঁরা শুধু দাবি জানাতে এসেছিল এবং তাঁদের অনেকের মাথাতে সিন্দুর সেদিনও ছিল না।


    হাতে ছিল না শাখা পলা।অলন্কাহীন সেই সব মেয়েরা রবীন্দ্রনাথের কৃষ্ণ কালো হরিণচোখে ভীত সন্ত্রস্ত সেদিন কোলকাতার পথে হেঁটেছিল হাজারো হাজার,মীডিয়া খবর করে নি।


    সুন্দরবন প্রসঙ্গে তাঁরা বাদাবন জল ও সমুদ্রের মত খবরের পরিবেশ চেতনার মৃত  মুখ সারি সারি,যাদের জীবন জীবিকার নাগরিকত্বের অধিকার থাকতে নেই।


    তাঁদের প্রতি সমাজের,রাজ্যের রাষ্ট্রের দায়বদ্ধতা থাকতে নেই।


    তাঁরা এমনিকরে বেঁচে থাকবে,তাঁদের ছবি দিয়ে ফান্ডিং হবে।রাজনীতি হবে কিন্তু প্রতিবার আয়লায়,ভাঙ্গনে,বিপর্যয়ে,জলে জঙ্গলে তাঁদের ক্ষত ক্ষয় হয়ে যাওয়া জীবিকা জীবনের বাস্তবিক লড়াইয়ের কোনো খবর কোনো দিনও হবে না।


    তাঁরা মরিচঝাঁপি গণসংহারের মুখ।

    মরিচঝাঁপি গণসংহারের সাক্ষী তাঁরা।

    প্রতিবার গণসংহার প্রাকৃতিক বিপর্যের মুখোমুখি তাঁরা এখনো বেঁচে আছে।


    সেদিন সেই মিছিলের ঔ অসামান্যনারীদের সাথে সাথে গোটা পথ হেঁটেছিলাম।

    প্রত্যেকের সঙ্গে কথা বলেছিলাম।


    প্রত্যেককে কাছ থেকে দেখেচিলাম।


    কাকদ্বীপ বাসিনী সেই সব নামানুষ বেনাগরিক মেয়েদের যাদের স্বামী পুত্র বর্তমান,তাঁরা রোজই সমুদ্রে যায়।জঙ্গলে যায়।


    কারা ফিরে এসেছে ,কারা ফেরেনি,বা কারা আদৌ ফিরবে না,এখনই জানতে পারছি না।


    তার চেয়ে বড় কথা আমাদের ঔ সব স্বজনদের জন্য কিছু করার ক্ষমতা আমার নেই ব্যক্তিগত ভাবে।আমরা রাষ্ট্র্র মুখোপেক্ষী।রাষ্ট্র যদি ওদের সমুদ্রের গর্ভ থেকে ফিরিয়ে আনতে পারে।

    --
    Pl see my blogs;


    Feel free -- and I request you -- to forward this newsletter to your lists and friends!

    0 0

    दलितों के इस स्वत:स्फूर्त आंदोलन का संयोजन करने के लिए एक नौजवान दलित कार्यकर्ता जिग्नेश मेवाणी की पहल पर बनी उना दलित अत्याचार लड़त समिति ने ऐलान किया कि दलित मरे हुए मवेशियों को उठाना बंद कर देंगे. उन्होंने सरकार से कहा कि वे शिव सैनिकों और खुद को गौ रक्षक कहने वालों से कहे कि वे सड़ती हुई लाशें उठाएं और उनका संस्कार करें. टाइम्स ऑफ इंडिया (28 जुलाई 2016) ने खबर दी कि कुछ ही दिनों के भीतर सड़ती हुई लाशों की बदबू ने गौरक्षकों और उनके सरपरस्त, राज्य, के होश ठिकाने ला दिए. समिति ने दायरा बढ़ाते हुए मैला साफ करना बंद करने का आह्वान भी किया है, जिसके वजूद को खुद अपनी ही एजेंसियों द्वारा कबूल किए जाने के बावजूद सरकार लगातार नकारती रही है. अगर दलितों ने सामूहिक रूप से अपने दलितपन से जुड़े बस इन दो कामों को छोड़ने का फैसला कर लिया तो जाति के पूरे निजाम को शिकस्त दी जा सकती है. अपनी असुरक्षा और प्रभुत्वशाली समुदायों की तरफ से होने वाले जवाबी हमलों के डर से वे ऐसा करने में नाकाबिल रहे हैं. इन गंदे कामों में लगा दिए गए दलित मुख्यधारा से दूर, अलग-थलग कर दिए जाते हैं, जिनके लिए सामाजिक तौर पर ऊपर उठने की गुंजाइश न के बराबर होती है.

    राह दिखाता गुजरात: आनंद तेलतुंबड़े



    गुजरात में मोटा समाधियाला गांव और उना कस्बे में हुए अत्याचारों के खिलाफ भड़के दलितों के आंदोलन में दलितों के नए सिरे से जाग उठने संकेत हैं. 11 जुलाई को यहां एक परिवार और इसके चार दलित नौजवानों को गाय की रक्षा की ठेकेदारी करने वाले गिरोह ने सबकी आंखों के सामने पीटा. 1970 के दशक में दलित पैंथर्स के बाद से कभी भी दलितों ने कभी भी इतने बागी तरीके से और भौतिक सवालों के साथ कोई पलटवार नहीं किया था. यों, देश में दलितों पर अत्याचार हर जगह होते हैं और गुजरात में जो कुछ हुआ, वे उससे कहीं ज्यादा खौफनाक होते हैं. लेकिन दूसरे अत्याचारों और उना में हुए इस अत्याचार में फर्क बस वो दुस्साहस है, जिसके साथ हमलावरों ने अपनी कार्रवाई का वीडियो बना कर इसे सोशल मीडिया पर डाल दिया. इससे जाहिर होता है कि उनको इस बात का पक्का यकीन था कि उन्हें अपने अपराधों के लिए कभी भी सजा नहीं मिलेगी. 2002 में इसी तरह के गौरक्षा के गुंडों ने दुलीना (झज्झर), हरियाणा में पांच दलितों को पीट-पीट कर मार देने के बाद उनमें आग लगा दिया था और इस घटना को छोड़ दें तो ऐसी घटनाओं की कभी भी ऐसी कोई जोरदार प्रतिक्रिया नहीं हुई. खुद गुजरात में ही सितंबर 2009 में सुरेंद्रनगर जिले के थानगढ़ में एक मेले में दलितों और ऊंची जाति के नौजवानों के बीच में एक छोटी सी झड़प में राज्य पुलिस ने तीन दलित नौजवानों को मार डाला था. बेशक, काफी हद तक थानगढ़ और ऐसी ही घटनाओं पर जमा हुए गुस्से और राज्य द्वारा इन अत्याचारों पर कोई भी कार्रवाई नहीं किए जाने से ही वह नाराजगी पैदा हुई है, जो मौजूदा आंदोलन के रूप में सामने आई है.

    उना पुलिस थाने के करीब, कमर तक नंगे और एक एसयूवी में बंधे चार दलित नौजवानों को लोगों द्वारा सबकी नजरों के सामने बारी बारी से बेरहमी से पीटे जाने का वीडियो वायरल हुआ और इसने सब जगह पर गुस्से की एक लहर दौड़ा दी. शायद रोहिथ वेमुला के नक्शे कदम पर चलते हुए नाराजगी की पहली लहर में राज्य में अलग अलग जगहों पर करीब 30 दलित नौजवानों ने खुदकुशी करने की कोशिश की. इन्हीं में से कीटनाशक पी लेने वाले एक नौजवान 23 साल के योगेश सरिखड़ा की अस्पताल में मौत हो गई. लेकिन जल्दी ही इसके बाद विरोध का एक ऐसा बगावती तेवर सामने आया, जिसे आंबेडकर के बाद दलितों ने कभी भी नहीं आजमाया था. आंबेडकर ने दलितों से कहा था कि वे मवेशियों की लाशों को ढोना बंद कर दें. जब कुछ ब्राह्मणों ने यह दलील दी कि वे दलितों की कमाई का नुकसान कर रहे हैं, तो उन्होंने गुस्से में इसका जवाब देते हुए ऐलान किया था कि अगर दलित ऐसा करेंगे तो वे उन्हें नकद इनाम देंगे. बदकिस्मती से, सारे दलितों ने उनकी सलाह पर अमल नहीं किया और यह प्रथा आज तक चली आ रही है. आंबेडकर ने उन्हें ऐसे सभी पेशों को छोड़ने की सलाह भी दी थी, जो साफ-सुथरे नहीं हैं, लेकिन दलित कुछ तो अपने गुजर-बसर की जरूरतों के लिए और कुछ प्रभुत्वशाली समुदायों के दबाव के तहत उनको अपनाए हुए हैं. आधे पेट खा कर इज्जत के साथ जिंदगी गुजारने के अलावा आंबेडकर ने कोई और विकल्प नहीं पेश किया था. लेकिन गुजरात में चल रहे इस मौजूदा आंदोलन को इसका श्रेय दिया जाना चाहिए कि इसने यह वाजिब मांग भी जोड़ी है कि अपने जातीय पेशों को छोड़ने वाले हरेक दलित को खेती लायक पांच एकड़ जमीन दी जाए.

    इस रूप में दलितों के पास एक मजबूत हथियार तो है ही, उनके पास हिंदुत्व ब्रिगेड का एक मुंहतोड़ जवाब भी है, जिस पर गाय की रक्षा का सनक सवार है. घटना के एक हफ्ते बाद गांवों के बेशुमार दलित मरी हुई गाएं ट्रैक्टरों में भर कर ले आए और उन्हें गोंधल और सुरेंद्रनगर के सरकारी दफ्तरों के सामने डाल दिया. दलितों के इस स्वत:स्फूर्त आंदोलन का संयोजन करने के लिए 
    एक नौजवान दलित कार्यकर्ता जिग्नेश मेवाणी की पहल पर बनी उना दलित अत्याचार लड़त समिति ने ऐलान किया कि दलित मरे हुए मवेशियों को उठाना बंद कर देंगे. उन्होंने सरकार से कहा कि वे शिव सैनिकों और खुद को गौ रक्षक कहने वालों से कहे कि वे सड़ती हुई लाशें उठाएं और उनका संस्कार करें. टाइम्स ऑफ इंडिया (28 जुलाई 2016) ने खबर दी कि कुछ ही दिनों के भीतर सड़ती हुई लाशों की बदबू ने गौरक्षकों और उनके सरपरस्त, राज्य, के होश ठिकाने ला दिए. समिति ने दायरा बढ़ाते हुए मैला साफ करना बंद करने का आह्वान भी किया है, जिसके वजूद को खुद अपनी ही एजेंसियों द्वारा कबूल किए जाने के बावजूद सरकार लगातार नकारती रही है. अगर दलितों ने सामूहिक रूप से अपने दलितपन से जुड़े बस इन दो कामों को छोड़ने का फैसला कर लिया तो जाति के पूरे निजाम को शिकस्त दी जा सकती है. अपनी असुरक्षा और प्रभुत्वशाली समुदायों की तरफ से होने वाले जवाबी हमलों के डर से वे ऐसा करने में नाकाबिल रहे हैं. इन गंदे कामों में लगा दिए गए दलित मुख्यधारा से दूर, अलग-थलग कर दिए जाते हैं, जिनके लिए सामाजिक तौर पर ऊपर उठने की गुंजाइश न के बराबर होती है.


    गुजरात को हिंदू राष्ट्र की प्रयोगशाला के रूप में लिया जाता रहा है, जहां हम इसके असली चेहरे को साफ-साफ देख पाते हैं. एक तरफ जहां 2002 के कत्लेआम के जरिए मुसलमानों को उनकी हैसियत साफ-साफ बता दी गई कि भारत में रहने का अकेला तरीका यह है कि उन्हें हिंदुत्व की शर्तों पर रहना होगा और इस्लामी हिंदू बनना कबूल करना होगा. वहीं दूसरी तरफ दलितों को अपने साथ मिला कर, इनाम देकर या सजाओं की अनेक तहों वाली तरकीबों के जरिए उलझाए रखा गया. पहले 1981 में और 1985 में फिर से आरक्षण संबंधी दंगों में दलितों को इसी से मिलता-जुलता सबक सिखाया गया था, जो 2002 में मुसलमानों पर हुए हमलों से कहीं ज्यादा व्यापक थे और कहा जाता है कि जिनमें करीब 300 दलितों ने अपनी जान गंवाई थी. बार-बार होने वाले इन हमलों ने पहले से ही कमजोर उनकी चेतना पर अंकुश लगा दिए और जल्दी ही उन्हें 1986 के जगन्नाथ यात्रा जुलूसों में शामिल होते हुए देखा गया. लेकिन उनके दुख-दर्द पर इस मेल-मिलाप का कोई फर्क नहीं पड़ा. इसके उलट उन्होंने पाया कि उनकी बदहाली साल दर साल बढ़ती ही जा रही है, जैसा कि अत्याचारों के आंकड़े इसे उजागर करते हैं. आमफहम धारणा के उलट, दलितों पर अत्याचार करने में गुजरात हमेशा ही सबसे ऊपर के राज्यों में रहा है. भाजपा ने कभी भी यह दावा करने का मौका हाथ से जाने नहीं दिया कि गुजरात दलितों के खिलाफ अपराधों की सबसे कम दरों वाला राज्य है. हाल ही में इसने पिट्ठू 'दलित नेताओं'और 'बुद्धिजीवियों'का एक जमावड़ा खड़ा किया है, जो इसकी तरफ से यही राग अलापने का काम कर रहा है.

    मिसाल के लिए उना अत्याचारों के संदर्भ में एनडीटीवी पर एक बहस के दौरान और फिर इसके बाद द वीक (7 अगस्त 2016) में लिखे गए एक लेख में नरेंद्र जाधव ने यह दिखाने की कोशिश की कि गुजरात बड़े अत्याचारी राज्यों में नहीं आता. संघ परिवार के साथ अपने तालमेल के लिए राज्य सभा सीट से नवाजे गए जाधव ने बताया, "2014 में ऊपर के तीन राज्य उत्तर प्रदेश, राजस्थान और बिहार थे. अब बहस का मुद्दा बने गुजरात में असल में 2014 में अनुसूचित जातियों के खिलाफ अपराधों की कहीं कम दर – 2.4 फीसदी – रही है जबकि ऊपर बताए गए राज्यों में यह 17 फीसदी से 18 फीसदी रही है."उन्होंने जानबूझ कर गलत आंकड़े बताए. क्राइम इन इंडिया 2014 में तालिका 7.1 घटनाओं की दरें मुहैया कराती है, जिनमें गुजरात की दर 27.7 (प्रति लाख एससी आबादी पर अत्याचारों की संख्या) है जो उत्तर प्रदेश के 18.5 से कहीं अधिक है. दिलचस्प बात यह है कि 2014 में गुजरात की हालत बेहतर दिखती है. इसके पहले से बरसों में गुजरात अत्याचारों के मामले में लगातार ऊपर के चार से पांच राज्यों में आता रहा है. 2013 में, जब आने वाले आम चुनावों और प्रधान मंत्री पद के लिए उनकी उम्मीदवारी की ताजपोशी के दौर में नरेंद्र मोदी का वाइब्रेंट गुजरात प्रचार अभियान अपने चरम पर पहुंचा, दलितों के खिलाफ अपराधों की दर इसके पहले वाले साल 2012 के 25.23 से बढ़ कर 29.21 हो गई थी. इसने राज्य को देश का चौथा सबसे बदतर राज्य बना दिया. हत्या और बलात्कारों जैसे बड़े अत्याचारों के मामले में भी गुजरात ज्यादातर राज्यों को पीछे छोड़ते हुए ऊपर बना हुआ है. [देखें मेरा लेख: क्यों भाजपा के खिलाफ खड़े हो रहे हैं दलित]

    गुजरात में दलितों के आंदोलन ने सीधे-सीधे इन मतलबी दलित नेताओं और बुद्धिजीवियों को किनारे कर दिया है. इसने दिखाया है कि दलितों का सामूहिक आक्रोश खुद ही अपना चेहरा, अपने संसाधन और अपनी विचारधारा हासिल कर लेता है. द्वंद्ववाद का यह अनोखा फेर है कि दलितों की मुसीबतों का हल हिंदू राष्ट्र की प्रयोगशाला में तैयार हो रहा है!


    --
    Pl see my blogs;


    Feel free -- and I request you -- to forward this newsletter to your lists and friends!

    0 0



     An attempt afresh to uproot the partition 


    victimes!



    Palash Biswas


    ভাবনা চিন্তি, শিকড কেটে গাছ মারার ফন্দী.....।ধন্যবাদ অচিন্ত বাবু:Dr.Subodh Biswas


    I am happy that Nikhil Bharat Udvastu Samanvaya Samiti President Dr.Subodh Biswas has shared this article by Dr.Achintya Biswas.Let the samiti take a stance against this name change just because of nameshake without considering history, geography, anthropology and demography.

    Banga is the anthropological geography of negroid Non Aryan residents from Andhra to almost entire South East Asia.Bangladesh specifically East Bengal was known historically and Politically as Bengal for thousands of years and this Banga was ruled from Gaur for thousands of years.

    West Bengal has become a separate state of Independent India which alone might not be called Banga or Bengal.

    Moreover,16 crore population of Bangladesh and more than five crore refugees resettled in other states of India speak Bengali.This majority of Bengali demography has to be discarded with the name shake as the demography has similar language, identity,DNA and culture.

    The Ruling Hegemony in Bengal has discarded every Bengali who has been aborted out of East Bengal and the East Bengal itself in history,geography and politics to ensure their monopolistic dominance and monopolistic racist rule of the Aryans enslaving the negroid Non Aryans which are better known as dalits,Bahujan,partition victims,refugees and so on in every sphere of life.Thus,this name change for name shake is not limited to administrative or political consequence at all and it means deepest conspiracy to eject and reject the indigenous demography and their civic and human rights as well as citizenship to ensure the continuity of Manusmriti rule of racist ethnic cleansing.


    Thus,West Bengal remains always silent on the issue of Bangladesh genocide or the plight of Bengali Partition victime who are deprved in every sense.

    It is an attempt afresh to uproot the partition victimes!

    Palash Biswas



    राष्ट्र कहां है?

    विभाजन और विखंडन राष्ट्र का सच है और इसीलिएसीमाओं के आर पार कश्मीर जल रहा है तो समूचा महादेश सीमाओं के आर पार आतंक और हिंसा के शिकंजे में है।धर्म कहां है? विधर्मियों, शरणर्थियों,आदिवासियों,दलितों,पिछड़ों,बहुजनों शिशुओं, युवाओं, मेहनतकशों,किसानों और स्त्रियों की अबाध हत्यालीला रासलीला है।

    मनुष्य से बड़ा कोई सत्य होता नहीं है और न मनुष्यता से बड़ा कोई धर्म होता है।

    मध्यभारत में,दंडकारण्य में और समूचे आदिवासी भूगोल में इस सैन्य राष्ट्र का वीभत्सतम चेहरा बेपर्दा है।जहां राष्ट्र, संविधान, कानून का राज, लोकतंत्र का एक ही मायने है सलवा जुड़ुम और अनंत विस्थापन।

    हमारी नागरिकता और हमारी स्वतंत्रता का एक ही मायने रह गया है क्रयशक्ति।

    विकास का मतलब है अबाध विदेशी हितऔर अबाध विदेशी पूंजी।

    पलाश विश्वास

    हमने खाड़ी युद्ध शुरु होते न होते लिखना शुरु किया था अमेरिका से सावधान।अब बूढा हो गया हूं और आय के स्रोत बंद हो जाने के बाद सड़कों पर हूं।सर पर छत भी नहीं है और हमारे लिए सारे दरवाजे,खिड़कियां और रोशनदान तक बंद हैं।देश विदेश के लाखों लोगों के साथ निरंतर संवाद के बाद कहीं कोई मित्र नहीं है तो जीजिविषा छीजती जा रही है।वरना हालातइतने तेजी से बदल रहे हैं कि हमें सचमुच लिखना चाहिए धर्मोन्मादी इस सैन्यराष्ट्र बारत से सावधान।


    राष्ट्र कहां है?विभाजन और विखंडन राष्ट्र का सच है और इसीलिएसीमाओं के आर पार कश्मीर जल रहा है तो समूचा महादेश सीमाओं के आर पार आतंक और हिंसा के शिकंजे में है।धर्म कहां है?विधर्मियों,शरणर्तियों,आदिवासियों,दलितों,पिछड़ों,बहुजनों और स्त्रियों की अबाध हत्यालीला रासलीला है।


    हम आहिस्ते आहिस्ते अमेरिका बन गये हैं।धर्मोन्मादी हमारे राष्ट्रनेता और युद्धोन्मादी अमेरिकी कर्णदार दोनों सभ्यता,मनुष्यता और प्रकृति के खिलाफ हैं।


    जो हम खाड़ीयुद्ध की शुरुआत से कह रहे थे अब अमेरिका के भावी राष्ट्रपति बनने के प्रबल दावेदार डोनाल्ड ट्रंप कह रहे हैं और काफी जिम्मेदारी से कह रहे हैं क्योंकि उनके राष्ट्रपति बनने की प्रबल संभावना है।


    ट्रंप खुलेआम चुनाव अभियान में  इस्लाम के खिलाफ युद्ध की घोषणा कर चुके हैं तो बाकी लोग लगातार इस्लाम और दूसरे धर्मों के खिलाफ धर्मयुद्ध का नेतृत्व करते रहे हैं और करेंगे।चाहे जो भी जीतें।क्योंकि अमेरिका का मतलब है कि बाकी देशों की स्वतंत्रता और संप्रभुता का विध्वंस अमेरिकी सत्ता वर्ग के हितों के मुताबिक।


    हमारे यहां ऐसे धर्मोन्मादी अविराम चुनाव प्रचार अभियान को हम लोकतंत्र मानने लगे हैं बाकी हमारी मानसिकता उतनी ही युद्धोन्मादी धर्मोन्मादी है,जितनी कि अमेकरिकी राष्ट्रनेताओं की घृणा और हिंसा की कोख में रची बसी मानसिकता है।


    हमारे यहां वही हिसां और घृणा को महोत्सव,वही श्वेत आधिपात्य,वहीं निर्मम रंगभेद जाति व्यवस्था और मनुस्मृति की बुनियाद पर राजकाज,राजनय और राजधर्म हैं।हम अमेरिका और इजराइल के मनुष्यता विरोधी,प्रकृति विरोधी विश्वयुद्ध में उनके सर्वोच्च वरीयता वाले पार्टनर हैं।


    इस युद्ध के मुक्तबाजार में माफ करें फ्री में हमें हिंसा,बेदखली,शरणार्थी सैलाब,अशांत भूगोल, सैन्यशासन, गृहयुद्ध, युद्ध, आतंक, दमन, उत्पीड़न,नागरिक और मनावाधिकारों के हनन के अलावा कुछ भी नहीं मिलने वाला है।


    जो विपदा,आपदा और संकट के रचनाकार हैं,हमने राष्ट्र और राष्ट्र की सुरक्षा आंतरिक सुरक्षा उनके हवाले कर दिया है।


    इस्लामिक स्टेट के जनक के बतौर डोनाल्ड ट्रंप ने अमेरिका के पहले अश्वेत राष्ट्रपति  राष्ट्रपति बराक हुसैन को चिन्हित किया है तो उनकी पहली विदेश मंत्री और राष्ट्रपति पद के लिए डेमोक्रेटिक प्रत्याशी हिलेरी क्लिंटन को आतंकवादी नेटवर्किंग का सूत्रधार बताया है।सच यह है कि वे सच कह रहे हैं।


    विकीलीक्स के दस्तावेज और दूसरे पारामाणिक दस्तावेज से बी यही साबित हो रहा है।साबित हो गया कि सद्दाम हुसैन निर्दोष थे।दुनियाभर के मीडिया के पापकर्म का खुलासा भी हो गया है।हालांकि मीडिया के युद्ध अपराधों को आमतौर पर आम माफी है।मीडियाअब सार्वभौम है।


    डोनाल्ड ट्रंप का एजंडा हम जानते हैं और डोनाल्ड ट्रंप के हालिया बयानों से साफ है कि उनमें और मैडम हिलेरी में कोई फर्क नही है जैसे जार्ज बुश और ओबामा में कोई फर्क नहीं था।यह इन लोगों का चरित्र नहीं है यह अमेरिकी साम्राज्यवाद का चरित्र है।



    इसीतरह भारत के तमाम राजनेताओं में कोई बुनियादी फर्क अब नहीं रह गया है जो एकसाथ मिलकर लोकगणराज्य भारत को अमेरिकी उपनिवेश बतौर धर्म राष्ट्र बनाने लगे हैं।विचारधारा ,रंग,जाति ,धर्म,क्षेत्र,भाषा की विभिन्नता के बावजूद भारतीय राजनीति और राजनय,राजधर्म का ,सामाजिक यथार्थ यही है जिसका समाना हम कर नही रहे हैं क्योंकि सत्य, अहिंसा और प्रेम की भारतीयता के वंशज अब हम नहीं हैं ।


    हम सभी लोग नवउदारवादी मुक्तबाजार की संतानें हैं जो ज्यादा से ज्यादा क्रयशक्ति हासिल करने के लिए आपस में मारकाट कर रहे हैं और मनुष्यता को रौंदते हुए  सारे प्राकृतिक संसाधन और देश तक बेच रहे हैं।


    हम सभी,हां,हम सभी इस देशबेचो गिरोह के छोटे बड़े गैंगस्टार उसीतरह है जैसे कि हमारे तमाम बजरंगवली गोरक्षक हैं।हम भी कम गोरक्षक नहीं है।


    राष्ट्र कहां है?

    उपनिवेशों की न्यूनतम सव्तंत्रता हम दलितों, बहुजनों, अल्पसंख्यकों, विस्थापितो, शरणार्थियों, आदिवासियों और स्त्रियों को देने को तैार नहीं है और रंगभेदी सत्ता विमर्श हमारा इतिहासबोध और विज्ञान दोनों है।


    मनुष्य से बड़ा कोई सत्य होता नहीं है और न मनुष्यता से बड़ा कोई धर्म होता है।


    विश्व की तमाम प्राचीन सभ्यताओं का बुनियादी जीवनदर्शन यही है तो धर्म कमसकम भारत में प्रकृति से मनुष्य का तादात्म्य है,जो नैतिकता के सर्वोचच् मानदंड पर आधारित है और वे मानदंड भी प्रकृति और मनुष्यता के गहरे रिश्ते पर आधारित हैं।


    भारत में प्राचीन बौद्ध धर्म और आधुनिकतम सिखधर्म में ईश्वरा का कोई अस्तित्व नहीं है।समाज उनका प्रस्थानबिंदू है और समता,न्याय,बंधुता,भ्रातृत्व,प्रेम और शांति तमाम मूल्यों के साध्य हैं।


    यहीं नहीं,जिस अधर्म के नाम धर्मोन्मादी राष्ट्र बनाने पर आमादा हैं मनुष्यविरोधी प्रकृति विरोधी वैश्विक शक्तियां और जिसे हिंदुतव कहा जाता है,उसमें तमाम नस्लों की सभ्यताओं और सामाजिक मूल्यों का प्राचीनकाल से समायोजन होता रहा है।


    इसी हिंदुत्व ने पृथक दो धर्मों बुद्धधर्म और जैन धर्म के प्रवर्तकों महात्मा गौतम बुद्ध और महावीर को अपने सर्वोच्च संस्थापक आराध्य भगवान विष्णु का अवतार उसीतरह माना है जैसे विजेता आर्यों ने पराजित अनार्यों के तमाम देव देवियों को शिव,विष्णु और चंडी का अवतार बना दिया है।


    सिखों के सारे गुरु हमारे भी गुरु है और हर भारतीयके लिए बोधगया और अमृतसर के स्वर्णमंदिर का वही महत्व है जितना की समस्त हिंदू धर्मस्थलों का है।उसीतरह अजमेर शरीफ पर सदियों से चादर चढाने वाले सिर्फ मुसलमान नहीं है।


    पीर के दरगाह पर हिंदुओं ने हमेशा मत्था टेका है।भारत में जो भक्ति आंदोलन हुआ या फिर अंग्रेजी हुकूमत के दौरान जो नवजागरण हुआ,वहां ईश्वर का सर्वथा निषेध है और दिव्यता के बदले,ईश्वर की सत्ता के बदले सबसे ऊपर मनुष्य का स्थान है।


    संस्कृत के अंतिम माहकवि ने हिंदुत्व के संस्थापक भगवान श्रीकृष्ण को उसीतरह हाड़ मांस का मनुष्य रचा है जैसे गोस्वामी तुलसीदास ने मर्यादा परुरषोत्तम के रुप में श्रीराम का नवनिर्माऩ करके भारतीय जनमानस में उसकी प्रतिष्ठा की है।तो स्वामी विवेकानंद और रवींद्रनाथ के ईशव्र नरनाराण थे।


    यह सारा समायोजन सामाजिक पुनर्गठन और संगठन का मामला है और धर्म उसका माध्यम बना है तो उसके मूल्यबोध के जरिये आत्म संयम और आध्यात्म,धम्म और पंचशील के अनुशीलन से संगठित तौर पर हिंसा और घृणा का निषेध किया ही नहीं गया है बल्कि गौतम बुद्ध की अहिंसा को विश्वबंदुत्व का आधार बना दिया गया है और इसी वजह से भारत अब भी रवींद्रनाथ का भारततीर्थ है,जहां उपासना पद्धति चाहे कुछ हो,आस्था चाहे कुछ हो,धर्म का मतलब भारत में हमेशा धम्म रहा है।धर्म चाहे कोई हो,हर भारतीय का आचरण गौतम बुद्ध का पंथ रहा है।


    इतिहासबोध के इस प्रस्थानबिंदू पर भारतीयता का मतलब यह बेलगाम अभूतपूर्व हिंसा हो ही नहीं सकता और जीवन का मायने मुक्तबाजार तो कतई नहीं और इस मुक्तबाजारी पागल दौड़ का गांधी ने विरोध किया था और विकास की उनकी परिकल्पना भारत के ग्राम स्वराज्य से शुरु होती है,जहां विकास का मतलब प्रकृति और मनुष्यता का कल्याण और विकास है और राष्ट्र का मतलब अत्याधुनिक परमाणु शक्ति सैन्यराष्ट्र नहीं, बल्कि सामाजिक और सांस्कृतिक संगठन है।


    प्राचीन भारत के इतिहास को कायदे से पढ़ा जाये तो यह सामाजिक सास्कृतिक संगठन हड़प्पा संगठन हड़प्पा और मोहनजोदोड़ो की नगरसभयताओं की बुनियाद रहा है तो भरत के तमाम चक्रवर्ती राजाओं सम्राट अशोक,चंद्रगुप्त मोर्य, विक्रामादित्य,हर्षवर्धन से लेकर सत्रहवीं और अछारवी सदी पर अलग अलग रियासतों पर राज करने वाले राजाओं तक राष्ट्र मूलतः जनसमाज का सांस्कृतिक संदठन है।


    यहीं नहीं,इस सामाजिक सांस्कृतिक बुनियाद को आधार माना है पठान और मुगल शासकों से लेकर महाराष्ट्र के शिवाजी महाराज और जाधव राजाओं ने तो दक्षिण के भारतीय हिंदू राजाओं का राजकाज भी यही रहा है।


    इतिहास और परंपरा के विरुद्ध हम किस राष्ट्र का निर्माण कर रहे हैं,बुनियादी सवाल यही है।


    इसका मायने यह है कि मनुष्यता और प्रकृति के विरुद्ध हम किस राष्ट्र का निर्माण कर रहे हैं जिसका कोई सामाजिक या सांस्कृतिक चरित्र है ही नहीं।


    भारतीय संविधान का निर्माण राष्ट्र निर्माताओं ने धम्म और पंचशील के आधार पर किया है जहां समता,न्याय,बंधुत्व,भ्रातृत्व,स्वतंत्रता,लोकतंत्र,अहिंसा और सत्या हमारे मूल्य हैं।


    गौतम बुद्ध ने अपने देशना को जांचने परखने के बाद उन पर अमल करने को कहा था क्योंकि उनका धम्म विज्ञान और इतिहास के विरुद्ध था नहीं और वहां सत्य सर्वोपरि है और बुद्ध इसलिए महात्मा है कि उन्होंने खुद को तमाम धार्मिक लोगों की तरह न ईशवर घोषित किया है और न गुरु ।उन्होंने अपनी अभिज्ञता देशान के मार्फत शेयर किया है और अनुयायियों को उन्हें आजमाने की आजादी दी है।आजमाने के बाद ही अनुयायी बनने का उनका देशान रहा है।


    इसके विपरीत अत्याधुनिक तकनीक वाले परमाणु श्कित सैन्य राष्ट्र भारत में भारतीय राष्ट्र और भारतीय संविधान के बुनियादी मूल्य और लक्ष्य सिरे से गायब है।


    धर्म के नाम पर मनुष्यविरोधी प्रकृतिविरोधी विध्वंस के महात्सव को हम राजकाज और राजधर्म दोनों मान बैठे हैं जो इतिहास,समाज,संस्कृति और विज्ञान के विरुद्ध है तो भारत और बारतीयता के विरुद्ध भी है यह तांडव।


    हम अपना अपना सच साबित कर रहे हैं और चाहते हैं कि हमारे सच को ही बाकी लोग सच माने ले और जयघोष करें सत्यमेव जयते जबकि नरमेधी अश्वमेध जारी है और हम तेजी से वैदिकी हिंसा के युग में लौट रहे है बिना प्रकृति के साथ किसी तादात्म के।


    बिना नैतिकता,बिना पंचशील,बिना संयम,बिना करुणा,बिना आचरण की शुचिता के हम विशुध रंगभेद को राजकरण बना रहे हैं,जो भारत में राजतंत्र का भी इतिहास नहीं है लेकिन विडंबना यही है कि यह हमारे लोक गणराज्य का सत्य है।


    स्वतंत्रता का मतलब यह है कि सारे नागरिक स्वतंत्र हों।उन्हें समान अवसर मिले।

    स्वतंत्रता का मतलब है कि कानून का राज हो और संविधान रक्षाकवच हो तो सत्य के आधार पर सारे नागरिकों को न्याय भी मिलें और उन सबकी सुनवाई हो।


    स्वतंत्रता का मतलब है सामाजिक आर्थिक धार्मिक राजनीतिक और सांस्कृतिक स्वतंत्रता जो विविधता और बहुलता के भारतीय इतिहास की निरंतरता  और राष्ट्र के सामाजिक सांस्कृतिक स्वरुप के बिना असंभव है।


    धर्म के नाम अध्रम का यह तांडव,यह प्रेतनृत्य नरनारायण की हत्या का महोत्सव है।


    ईश्वर हो या न हो,निरीश्वरवादी और आस्थावान हमारे तमाम पुरखों का जीवनदर्शन यही रहा है कि उसने मनुष्यता में ही धर्म का चरमोत्कर्ष माना है और सारे भारतीय साहित्यिक सांस्कृतिक कथासार और अभिव्यक्ति के तमाम आयाम यही है कि मनुष्य से बड़ा कोई सत्य होता नहीं है और न मनुष्यता से बड़ा कोई धर्म होता है।


    जो धर्म राष्ट्र बनाने पर हम आमादा हैं,उसके अंध राष्ट्रवाद में हम मनुष्य और प्रकृति दोनों का वध कर रहे हैं और इसीके तहत राष्ट्र का विखंडन भी कर रहे हैं।


    मध्यभारत में,दंडकारण्य में और समूचे आदिवासी भूगोल में इस सैन्य राष्ट्र का वीभत्सतम चेहरा बेपर्दा है।जहां राष्ट्र ,संविधान,कानून का राज,लोकतंत्र का एक ही मायने है सलवा जुड़ुम और अनंत विस्थापन।


    हमारी नागरिकता और हमारी स्वतंत्रता का एक ही मायने रह गया है क्रयशक्ति।

    विकास का मतलब है अबाध विदेशी हितऔर अबाध विदेशी पूंजी।


    राष्ट्र कहां है?

    विभाजन और विखंडन राष्ट्र का सच है और इसीलिएसीमाओं के आर पार कश्मीर जल रहा है तो समूचा महादेश सीमाओं के आर पार आतंक और हिंसा के शिकंजे में है।


    धर्म कहां है?

    विधर्मियों,शरणर्तियों,आदिवासियों,दलितों,पिछड़ों,बहुजनों और स्त्रियों की अबाध हत्यालीला रासलीला है।


    उपनिवेशों की न्यूनतम स्वतंत्रता हम दलितों, बहुजनों, अल्पसंख्यकों, विस्थापितों, शरणार्थियों, आदिवासियों,बच्चों,युवाजनों,कामगारों,किसानों और स्त्रियों को देने को तैयार नहीं हैं और रंगभेदी सत्ता विमर्श हमारा इतिहासबोध और विज्ञान दोनों है।



    पेनफुल साइट्स!

    बंगाल भुखमरी के दौरान अपने गांव में भूखों की कोई मदद किये बिना श्यामाप्रसाद ने भव्य वल्गर बागान बाड़ी कैसे बनाया जिसे देखकर घिन आ रही थी?

    हिंदू महासभा  का भुखमरी  रिलीफ वर्क का गिरोहबंद ढकोसला उतना ही फर्जीवाड़ा था,जितना मुनाफावसूली के लिए श्यामाप्रसाध का हाट या आशुतोष मैंसन की डिस्पेंसरी।

    मशहूर चित्रकार चित्तोप्रसाद की भूखमरी पर रपट में खुलासा

    अनुवादः पलाश विश्वास

    (हिंदू महासभा के नेता श्यामा प्रसाद मुखर्जी बंगाल के सवर्ण जमींदारों के हितों के मुताबिक बंगाल विभाजन पर अड़े थे और इस मकसद को उनने भारत विभाजन के जरिये अंजाम तक पहुंचाया। जबकि कविगुरु के शांति निकेतन में चित्रकला विभाग के नंदलाल बसु ने जिन चित्तप्रसाद को वहां दाखिला देने से इंकार कर दिया, वही चित्तप्रसाद  लीनाकोट माध्यम के न सिर्फ भारत के श्रेष्ठ चित्रकारों में हैंं,सोमनाथ होड़ की तरह चित्रकला के माध्यम से उनने बंगाल भुखमरी की जिंदा रिपोर्टिंग की और तेभागा आंदोलन को बेहतर जानने का माध्यम भी चित्तप्रसाद हैं।कला जगत में जनपक्षधर प्रतिबद्धता मेंं वे बेमिसाल हैं।इन दिनों भारतीय जनसंघ के संस्थापक श्यामाप्रसाद मुखर्जी का भयंकर महिमामंडन करके  गांधी हत्या को अंजाम तक पहुंचाने की बजरंगी बिरादरी की मुहिम बहुत तेज है।चित्तप्रसाद ने चित्रकला के अलावा समसामयिक ज्वलंत मुद्दों पर चिट्ठियां भी लिखी हैं।उनकी ये तमाम चिट्ठियां समय के  प्रकाशित दस्तावेज हैं।1943-44 के दौरान चित्तप्रसाद ने बंगाल भुखमरी पर अनेक सचित्र आलेख कम्युनिस्ट पार्टी के समाचार पत्र पीपुल्स वार में लिखे।इनमें से एक आलेख श्यामाप्रसाद मुखर्जी के गांव जिराट को लेकर भी है।उस वक्त गांधी के भारत छोड़ो आंदोलन का विरोध कर रही हिंदू महासभा के श्यामा प्रसाद मुखर्जी बहुत बड़े नेता थे।इस आलेख के कुछ अंश दि वायर ने फिर प्रकाशित किये हैं।इस आलेख में हिंदू राष्ट्र भारत के बारे में श्यामाप्रसाद मुखर्जी की दृष्टि का खुलासा है।हुगली जिले के श्यामाप्रसाद के गांव जाकर बंगाल की भुखमरी की पृष्ठभूमि में श्यामाप्रसाद के कृतित्व व्यक्तित्व पर लिखा यह एक ऐतिहासिक दस्तावेज है।चित्तप्रसाद अगस्त ,1944 में श्यामाप्रसाद के गांव जिराट गये थे तो वहां बलागढ़ इलाके के तमाम आम लोगों के नजरिये से भुखमरी के दौरान श्यामाप्रसाद के बनाये बागान बाड़ी और उनके नये हाट के ब्यौरे पेश करके उनने श्यामाप्रसाद की असल तस्वीर पेश की है।)


    महज दो साल में पूरे भारत में किसी बंगाली सज्जन ने राष्ट्रीय ओहदा हासिल करने में कामयाब हुआ हो,तो वे इकलौते डा. श्यामा प्रसाद मुखर्जी हैं।ऐसा क्यों न हो?वे आधुनिक बंगाल के निर्माताओं में से अन्यतम सर आशुतोष मुखर्जी के सुपुत्र हैं जिन सर आशुतोष ने ब्रिटिश सरकार से लड़कर कलकत्ता विश्वविद्यालय को संस्कृति और ज्ञान का अंतरराष्ट्रीय केंद्र बना दिया।1943 में गवर्नर एमरी के कुशासन के खिलाफ पदत्याग करके श्यामा प्रसाद मुखर्जी रातोंरात राष्ट्रीय नेता बन गये।जाहिर है कि बंगाल की भुखमरी के विभीषिकामय दिनों में बंगाल के गवर्नर के खिलाफ वे ही सबसे सशक्त कंठस्वर थे पूरे देश में।इन्हीं डा.श्यामा प्रसाद मुखर्जी की बंगाल रिलीफ फंड में देश के चारों हिस्सों से लाखों रुपये की आमद हुई।असल मसला यही है कि बंगाल को बचाने के लिए जो लाखों रुपये देश की जनता ने देश के हर हिस्से से ऐसे राष्ट्रीय नेतृत्व के हवाले कर दिये तो उनने भुखमरी का  अमावस जी रहे अपने खुद के गांव में एक भी दिया इन रुपयों से जलाया क्या उन्होंने।देश के लोगों को शायद इस बारे में जानने में दिलचस्पी होनी चाहिए।


    यही जानने और इसी मकसद से बंगाल का एक मामूली कलाकार मैं सर आशुतोष और डा. श्यामा प्रसाद मुखर्जी के गांव हुगली जिले के जिराट की तीर्थयात्रा पर निकला।बहरहाल जून महीना शुरु होते न होते एकदिन मैं ट्रेन पकड़कर कलकत्ता से चालीस किमी दूर खरनारगाछी पहुंचा और फिर वहां से पैदल कुछ ही किमी दूर जिराट पहुंच गया।रास्ते में मैं  बलागढ़ इलाके के  छह सात गांवों से गुजर गया।इस दरम्यान अपनी आंखों से जो कुछ मैंने देखा वह अत्यंत भयानक था।हुआ यह कि सालभर उस इलाके की भयंकर नदी बेहुला में बाढ़ें आती रहीं।इस नदी से यह इलाका दो हिस्सों में बंटा हुआ था।बाढ़ की वजह से दोनों किनारों पर बसे तमाम गांव उपजाऊ कीचड़ में दब गये।देहाती लोगं की तमाम झोपड़ियां न सिर्फ बाढ़ के पानी में समा गयीं बल्कि तूफां में कुछ उड़ भी गये।बंगाल के गांवों में धान को जमा करने वाले देसी गोदाम तमाम धान गोला खत्म हो गये हर गांव में।बलागढ़ इलाके के सात गांव लगातार बारह दिनों तक पानी के नीचे जलसमाधि में थे और करीब सात हजार देहाती विस्थापित थे।यह हादसा पिछले साल हुआ था।कायदे से नदी की तलहटी की उपजाऊ कीचड़ से खेतों को इस साल सोना उगलाना चाहिए था।उपजाऊ और समृद्ध माटी से उपजे धान से इस इलाके को किसी बगीचे की तरह लहलहाना चाहिए था।ऐसा हुआ क्या? क्या पिछले साल का अभिशाप इस साल किसानों के लिए वरदान बना?ऐसा कुछ भी नहीं हुआ।दरअसल किसानों को खेत जोतने तक का मौका नहीं मिला।बेहुला की बाढ़ के कहर के तुरंत बाद पूरा बंगाल भुखमरी के शिकंजे में था और चूंकि उनकी धान की फसल बाढ़ से तहस नहस हो चुकी थी तो बलागढ़ इलाके के किसानों को भी दूसरे इलाके के लोगों की तरह बाहर से आने वाले चावल मंहगे दरों पर खरीदना पड़ा और नये सिरे से घर बनाने के लिए जो सरकार की तरफ से दस रुपये का लोन उन्हें मिला,उसे उन्हें इसी मद में खर्च कर देना पड़ा।जब वे दस रुपये भी खर्च हो गये तो खाने के लिए चावल खरीदने के लिए उनके पास पैसे नहीं थे,बीज के लिए वे धान कैसे खरीदते और बीज भी न हो तो वे खेत कैसे जोत लेते।नई फसल की उम्मीद भी नहीं रही।


    गरीब देहाती आम खाकर जी रहे थे

    इसलिए पूरे इलाके में मैंने मुस्कुराते हुए लहलहाते धान के खेत नहीं देखे।इसके बदले जमीन बंजर पड़ी थी।कड़ी धूप में पकती हुई जमीन ऊपर नीचे फट रही थी।दरारें दीख रही थीं।जिसमें कहीं कहीं घास और खर पतवार उगे हुए थे।बेहतर हालत में जो इ्क्के दुक्के किसान थे,उनने अपने अपने खेत में जूट लगा रखे थे। लेकिन वे भी इतने बदकिस्मत निकले कि  इस साल मानसून इतना लेटलतीफ रहा कि खड़े खड़े खेत में ही जूट सूख गया।किसानों ने मुझे सिलसिलेवार बताया कि कलकत्ता के बाजार के लिए उगाये जाने वाले आलू,प्याज और पूरी रबि की पसल कैसे तबाह हो गयी लेट मानसून की वजह से।गनीमत यह थी कि इलाके में आम के पेड़ सारे के सारे पुराने और लंबे थे।बाढ़ उनका कुछ बिगाड़ न सकी।इसी वजह से एक चौथाई बलागढ़ की किसान आबादी आम और आम की गुठलियां खाकर गुजर बसर कर रही थी।जाहिर है कि आम एक फल है जिसे खाया तो जा सकता है लेकिन खालिस आम खाकर जीना मुश्किल होता है।नतीजतन जैसा हमने देखा कि इलाके में बड़े पैमाने पर हैजा फैला हुआ था।मलेरिया का प्रकोप अलग था।ऊपर से चेचक।महामारियों से भूखे किसान जूझ रहे थे इसीतरह।मसलन राजापुर गांव के  52 परिवारों में से सिर्फ छह परिवार बचे थे और वे भी मलेरिया से बीमार और उनके पास न खाने के लिए अनाज था और न पहनने के कपड़े थे।यह किस्सा हर उस गांव का था ,जहां जहां से होकर मैं गुजरा।मैंने उन देहातियों से पूछा कि उसी इलाके के महान नेता डा.श्यामा प्रसाद मुखर्जी ने उनकी मदद के लिए क्या किया।मैंने बांएं दाएं सबसे यही सवाल पूछा लेकिन उस पूरे इलाके में एक भी शख्स ऐसा नहीं मिला ,जिसने उनके बारे में कुछ अच्छा कहा।


    इसके बदले मुखर्जी के इलाके के  उन देहातियों ने मुझसे सिलसिलेवार कहा कि कैसे गांव में सरकारी लंगरखाना खुला, जहां चार सौ लोगों को खाना देने का इंतजाम था।रोजाना यह लंगर खाना दो महीने तक चालू रहा।उन्होंने यह भी कहा कि सरकार ने उन्हें हर परिवार के हिसाब से पंद्रह आना दिये और गांव के हर व्यक्ति को चुवड़ा खाने के लिए दिये। इसके अलावा डिस्ट्रिक्ट बोर्ड ने हर आदमी को चौदह पैसे,हर औरत को दस पैसे और हर बच्चे को पांच पैसे दिये। किसानों ने उसी गांव में स्टुडेंट्स फेडरेशन और मुस्लिम स्टुडेंट लीग की मदद के बारे में भी बताया जिन्होंने बाढ़ के तुरंत बाद गांव वालों को कपड़े बांटे।बारह मन बीज दिये।काफी सब्जियां बांटीं और इसके अलावा हर परिवार को पांच पांच रुपये दिये।उन्होंने बताया कि कम्युनिस्ट पार्टी ने भी हर व्यक्ति के हिसाब से एक पाव चावल और एक पांव आटा दिये।डुमुरदह उत्तम आश्रम ने हर परिवार को दो रुपये का अनुदान दिया और कंट्रोल रेट पर हर परिवार को तीन महीने तक आटा दिया।संक्षेप में हर किसी ने संकट की उस घड़ी में उन बेसहारा किसानों की मदद करने की कोशिश की।लेकिन जिले के सबसे बड़े आदमी श्यामा प्रसाद मुखर्जी और सबसे शक्तिशाली संगठन हिंदू महासभा ने उनकी किसी किस्म की कोई मदद नहीं की।मैंने श्रीकांति गांव में उनके मातबर किस्म के एक व्यक्ति से सीधे पूछा कि उनकी क्या मदद की है बेंगल रिलीफ कमिटी ने।लेकिन उनने न किसी बेंगल रिलीफ कमिटी के बारे में सुना था और न किसी श्यामा प्रसाद मुखर्जी के बारे में।लेकिन सर आशुतोष का नाम बताते ही यह सवाल वे समझ गये।उन्होंने फिर साफ साफ कह दिया कि नहीं,उनसे कुछ भी नहीं मिला।यह जवाब सुनने काे बाद जिराट तक पहुंचने से पहले मैंने किसी से फिर श्यामाप्रसाद की चर्चा नहीं की।


    जैसे जैसे मैं जिराट के नजदीक पहुंचता गया,मुझे जिराट के आसपास के गांवों के इन देहातियों पर टूटते मुसीबत के पहाड़ का नजारा देखने को मिला।एक वाक्य में कहें तो मैंने देखा कि नैसर्गिक नेता ने जब इन देहातियों को मंझधार में बेसहारा छोड़दियातो उनकी हालत कितनी दयनीय थी और वे जिंदा रहने के लिए क्या कर रहे थे।श्यामा प्रसाद उनकी कोई मदद नहीं कर रहे थे और पूरे इलाके में किसी का कद इतना बड़ा नहीं था जो उनकी मदद कर पाता।इसपर तुर्रा यह कि तमाम आवारा और चोर आजाद थे कि जो भी कुछ मदद इन मरते हुए लोगों को बाहर से  भोजन,कपड़ा,दवा, और दूसरी छिटपुट शक्ल में मिल रही थी,उसे भी वे ले उड़े।मसलन श्रीकांति गांव में हर कोई एक शख्स का नाम ले रहा था जो सही मायनों में  उनका गला रेंत रहा था और वह डिस्ट्रिक्ट बोर्ट की रिलीफ एक्टिविटी से जुड़ा था।(मैं उस शख्स का नामोल्लेख करना नहीं चाहता।)उसने अपने अमचों चमचों के डेढ़ सेर प्रति सप्ताह की दर से चावल खैरात में बांट दिये।फिर जब कदमडांगा गांव के किसान उसके पास मदद मांगने गये,उसने खुल्ला ऐलान कर दिया कि वह किसी की मदद किसी कीमत पर नहीं कर सकता।कहा,मैं किसी को किसी  कीमत चावल बांट नहीं सकता,तुम सबको मालूम होना चाहिए।फिर उसने साफ साफ उनसे पेशकश की कि किसान उसके खेतमें बेगार खटे तो कंट्रोल रेट में वह चावल भी दे देगा।पूरे गांव ने इसके खिलाफ एकसाथ आवाज उठायी,फिरभी डिस्ट्रिक्ट बोर्ड ने उसी शख्स को कपड़े के 15 लट्ठे सौंपे ताकि वह यह कपड़ा किश्त दर किश्त 83 परिवारों को बांट दें।उसने फिर वही पुराना खेल चालू कर दिया और जो भी कपड़ा मांगने आया,उसे बैरंग वापस भेज दिया।फिर अपनों को वह सारा कपड़ा कैरात में बांट दिये।


    एक ही परिवार उन सबका बास बना हुआ था

    ऐसी तकलीफदेह आवाजें मेरे कानों में लगातार गूंजती रहीं और आखिरकार मै श्यामा प्रसाद के अपने  गांव में दाखिल हो गया और सीधे सर आशुतोष के प्राचीन मैंसन में दाखिल हो गया।आशुतोष के किसी दूर के रिश्तेदार,किसी गोस्वामी ने इस पुराने भवन का नाम आशुतोष मेमोरियल रखा था।लेकिन मेरा सामना एक जराजीर्ण,गमशुदा,टूटता हुआ भग्नप्राय रायल बेंगल टाइगर का स्मारक से हुआ।( सर आशुतोष का यही लोकप्रिय नाम है रायल बेंगल टाइगर)।वे बहुत बड़े कद के इंसान थे और जिन्होंने आधुनिक बंगाल का निर्माण किया।जिन्होंने इस भवन की परिकल्पना तैयार की और उसे साकार करके भी दिखाया।मैंने एक रेखाचित्र तैयार किया है जिसे देखकर आपको अंदाजा होगा कि कितना राजकीय भवन यह रहा होगा।इसके तमाम शानदार क्लासिक मजबूत स्तंभ भरभराकर गिरने लगे थे।टैरेस का आधा हिस्सा ढह चुका था और दीवारों से ईंटें निकल रही थीं। खंडहर में तब्दील हो रही उस इमारत की दीवारों,खिड़कियों पर काईं जमने लगी थीं।दरारों में जंगली पौधे जहां तहां उग आये थे,जिसके नतीजतन ऊपर से नीचे तक  तमाम खंभे तहस नहस हो रहे थे।


    सर आशुतोष के बेटों ने इस भवन को उन लोगों के हवाले छोड़ रखा था जो आशुतोष स्मृति मंदिर या आशुतोश चैरिटेबिल डिस्पेन्सरी जैसा कुछ खोलकर उनके पिता की स्मृति की पवित्रता सहेजे हुए थे।उस डिस्पेंसरी के डाक्टर इंचार्ज ने कड़ुवा सा मुंह बनाकर मुझसे कहा कि रोज सुबह वे इस डिस्पेंसरी को तीन घंटे के लिए खुला रखते हैं और तीस चालीस मरीजों का इलाज रोज करते हैं।मैं लगातार दो रोज सुबह वहां गया लेकिन डिस्पेंसरी एक घंटे से ज्यादा खुला नहीं देखा और तीस चालीस मरीज भी मैंने नहीं देखे।दस या बारह से ज्यादा मरीज वहां आ नहीं रहे थे जबकि आस पड़स में सैकडो़ं लोग मलेरिया से बिस्तर पर थे।यह मेरे लिए अकथनीय दुःख सा है और वहां का पूरा माहौल मुझे रहस्यजनक लगा।


    पैतृक विरासत काफी नहीं

    हुआ यह कि जब बाढ़ से बलागढ़ इलाका में हर मकान ढहने लगा तो सर आशुतोष के बेटों ने एक ब्रांड निउ मैंसन बनाने के बारे में निश्चय कर लिया।जाहिर है कि ओल्ड आशुतोष मैंसन उनके किसी काम का नहीं था।बहरहाल मैं यह समझ नहीं सका कि बंगाल में भुखमरी के इस कहर के बीच श्यामा प्रसाद ने नया भव्य मेंसन बनाने की क्यों सोची जबकि अपने पिता के पुराना भव्य भवन देख रेख के बिना भरभराकर ढहने लगा था।मीलों तक तमाम दूसरे मकान भी ढह रहे थे।फिरभी मैंने उस घृणा करने लायक,वल्गर नया बागान बाड़ी देखने के लिए गया ।पूरे बलागढ़ में भुखमरी के दौर में सालभर में इकलौता वह नया मकान बना था।फिर वह इकलौता मकान था जिसमें दो दो धान गोला (देशी गोदाम) धान से भरे थे।बहरहाल इस नये मकान में भव्य कीमती फर्नीचर से लदे फंदे बैठक घर तो थे ही,मुख्यगेट के दोनों तरफ गेस्टहाउस भी अलग से थे।इस्पात का सिंहद्वार था तो खिड़कियों पर भी सींखचे मजबूत थे ताकि बलागढ़ के उस सबसे समृद्ध धनी बागानबाड़ी की सुरक्षा में कोई कसर बाकी न रह जाये।फिर उस बागान बाड़ी में शानदार तरीके से रचे हुए बगीचे में एक ग्रीन हाउस भी था।

    वह पूरी जगह रेगिस्तान के बीच मरुद्यान की तरह लग रहा था।छुट्टियों के दिनों में मुखर्जी परिवार के लोग सबांधव पिकनिक मनाने वहां मोटर गाड़ी से कोलकाता से लैंड करते रहते थे।गंगा में तैराकी का आनंद लेते थे।फिर बिना स्थानीय जनता से मिले जुले मोटरगाड़ी में सवार कलकत्ता चल देते थे। सर आशुतोष के बेटों की बनायी यह वल्गर बागानबाड़ी टुकड़ों में बिखर रहे भव्य राजकीय सर आशुतोश के प्राचीन भवन के लिए अपमान के सिवाय कुछ नहीं लग रही थी।यहीं नहीं ,वहां लबालब उमड़ती समृद्धि आसपास मरते खपते भूखे हजारों इंसानों के हुजूम के लिए भी अपमानजनक थी।भीतर से उमड़ रही घिन की वजह से मैं उस घृण्य बादानबाड़ी से भाग निकला,लेकिन फिर भी इस किस्से का अंत कहीं नहीं था।


    उस वक्त बलागढ़ के गांवो में खास चर्चा का मुद्दा भुखमरी के दौरान बागानबाड़ी दो दो बार पधारे श्यामाप्रसादे की एक यात्रा के दौरान जिराट में खोले नये हाट को लेकर था, जिसका बड़े ठाठ बाट के साथ भव्य समारोह के जरिये उनने शुरु किया था। सारे ईमानदार लोग इस हाट के बारे में कसमें खाकर बातें कर रहे थे।क्यों? क्योंकि बलागढ़ इलाके में पहले से एक पुराना हाट जिराट के पास ही सिजे गांव में मौजूद था।भुखमरी के वक्त वही इकलौता हाट काफी था।मुद्दा साफ साफ भुखमरी के मध्य सीधे तौर पर मुनाफावसूली का था।जबकि जरुरत उस वक्त की यह थी कि भूखों मरते खपते लोगों को बिन बिचौलिये सीधे सौदा करने का मौका देने का था।बजाय इसके श्यामाप्रसाद ने  अपना नया हाट खोल दिया सिजे के पुराने हाट को बंद करने के मकसद से।जाहिर है कि लगभर  हर इंसान के नजरिये से यह मामला….


    हिंदू महासभा के रिलीफ का सच


    श्यामाप्रसाद के खोले नये हाट में दिनदहाड़े बेशर्म मुनाफावसूली के दौर में जिराट गांव में हिंदू महासभा के राहत सहायता अभियान से मेरे तनिक भी प्रभावित होने की नौबत बन नहीं रही थी।मैंने ऐसी कोई उम्मीद भी नहीं की थी।फिरभी मैंने पूरी छानबीन इसलिए की कि मुझे मालूम था कि जिराट की जनता ने भुखमरी के दौरान श्यामाप्रसाद के राहत सहायता कार्यक्रमों के बारे में सुना ही होगा।वहीं इकलौता  गांव था,जहां ऐसा था।बहरहाल मैंने तहकीकात के बाद पाया कि हिंदू महासभा  का भुखमरी  रिलीफ वर्क का गिरोहबंद ढकोसला उतना ही फर्जीवाड़ा था,जितना मुनाफावसूली के लिए श्यामाप्रसाद का हाट या आशुतोष मैंसन की डिस्पेंसरी।चार रिलीफ सेंटर से हिंदू महासभा को 28 सेर चावल और 28 सेर आटा ही भूखी जनता को बांटना था। इसके अलावा श्यामाप्रसाद के दो भाइयों ने अलग दुकान खोल रखी थी,जहां बाजार की आधी कीमत पर चावल बेचा जाना था।इसके बावजूद यह तामझाम  गरीबों के किसी काम का न हुआ क्योंकि बाजार में चालीस रुपया मन चावल बिक रहा था।यही वजह थी कि जिराट गांव के किसानों और मछुआरों की आम शिकायत यह थी कि यह सारी चैरिटी बाबुओं की मदद के लिए थी।दरअसल चंद लोगों को छोड़कर दरअसल हिंदू महासभा की चैरिटी के तहत बीस रुपया मन चावल खरीदने की औकात भूखी जनता में से किसी की नहीं थी।


    इसी लिए धनी वर्ग के लोगों से जिराट के लोगों को सख्त नफरत थी और सबसे ज्यादा नफरत थी श्यामाप्रसाद से।उनसे वे डरते भी थे सबसे ज्यादा।


    कुल मिलाकर मैंने यही श्यामाप्रसाद के पैतृक गांव जिराट में देखा।मैंने भुखमरी के दौरान बंगाल की तमाम बड़ी हस्तियों के गांवों को देखा लेकिन कहीं भी धनी तबके के लिए इतनी घृणा और कटुता नहीं देखी।खासतौर पर उस गांव के सबसे कद्दावर शख्स के खिलाफ।


    वापसी के रास्ते मुझे कुछ और ऐसा मिला जिसके लिए मैं कतई तैयार न था।मुझे तो पहले से ऐसा लगता रहा था कि मध्यवर्ग की पूरी की पूरी नई पीढ़ी श्यामाप्रसाद के महिमामंडन के लिए कोई भी सफेद झूठ कहने से हिचकती नहीं है। पूरे  बलागढ़ इलाके और  जिराट गांव में हर किसी  ने साफ तौर पर बता दिया कि दो साल में श्यामाप्रसाद अपने गांव सिर्फ दो बार गये।भुखमरी के दौरान एकबार और फिर जिराट में नया हाट बसाने के लिए। इसके विपरीत बगल के कसलपुर में एक डाक्टर साहेब मिले जिनने दावा किया कि श्यामाप्रसाद तो कलकता से लगातार गांव आते जाते रहते हैं और मसलन पिछले दो महीने में वे चार बार पधारे।क्या उनके गांव में एक भी शख्स ऐसा नहीं है जिसे श्यामाप्रसाद से मुहब्बत हो? जिराट के रिलीफ सेंटरों में चावल और आटा बांटने का काम देख रहे बीरनलेंदु गोस्वामी ने खुद मुझसे कहा कि वे सिर्फ रविवार को ही रिलीफ बांट रहे थे।जबकि हिंदू महासभा पर गर्व करने वाले हाईस्कूल के एक युवा छात्र ने दावा किया कि वहां रिलीफ केंद्रों पर रोजाना 24 छात्र काम कर रहे थे और रोज सौ डेढ़ सौ मुंहों को भोजन खिला रहे थे।


    इसी लिए धनी वर्ग के लोगों से जिराट के लोगों को सख्त नफरत थी और सबसे ज्यादा नफरत थी श्यामाप्रसाद से।उनसे वे डरते भी थे सबसे ज्यादा।फिरभी इस यात्रा के अंत पर मुझे कुछ ऐसा सकारात्मक भी सुनने को मिला कि जिससे पता चला कि श्यामाप्रसाद और उनके तमाम कृत्यों के बावजूद प्राचीन बंगाली सभ्यता के मुताबिक सर आशुतोष की आत्मा प्रेरणा अभी सही सलामत हैं।शाम ढलने लगी थी और स्कूल तालाबंद था,जिसके सामने पेड़ों के नीचे लड़के लड़कियों के शोर मचाते झुंड जमा थे।किसी ने भद्दी भाषा में कोसना शुरु कर दिया तो तत्काल एक बूड़े आदमी ने चीखकर पूछा,`कौन भद्दी भाषा का इस्तेमाल कर रहा है? क्या तुम सभी जानवरों में तब्दील हो गये हो?'इसके जबाव में किसी ने कहा कि वे लोग कैसे इंसान हो सकते हैं,जिन्होंने स्कूल तक बंद कर दिये।फिर मेरे गाइड,एक किसान कार्यकर्ता के मुखातिब हुए वे।उन्होंने बिना लाग लपेट के मांग की,`प्लीज,हमारे लिए एक स्कूल टीचर दे दीजिये।हम भूखं रहकर उन्हें खाना खिलायेंगे।केरोसिन का भाव दस आना पिंट(0.473 लीटर) है।लेकिन हम उसके लिए भी पैसे जुगाड़ कर लेंगे।ईश्वर के वास्ते,हमारा स्कूल फिर चालू कर दीजिये।अगर ऐसा नहीं हो सका तो सर आशुतोष के गांव की सभ्यता खत्म हो जायेगी।हमारे बच्चे गुंडे बदमाश निकलेंगे।'जीने के लिए,श्रम के लिए कितना फौलादी इरादा है यह! यकीनन वे लोग जिंदा रहेंगे और रायल बेंगल टाइगर की तरह लड़ेंगे-श्यामाप्रसाद के बावजूद!

    साभार समयांतर



    --
    Pl see my blogs;


    Feel free -- and I request you -- to forward this newsletter to your lists and friends!

    ঘুষপেঠিয়া অজুহাতে হ্যলেঞ্চা ১৩ জন ছাএকে পুলিশের হাতে গ্রেফ্তার, নিখিল বারতের উদ্যোগে মুক্ত।

    বাংলা ভারতভাগের বলি উদ্বাস্তুদের জন্য যন্ত্রণা শিবির ডিটেনশান ক্যাম্প হয়ে গিয়েছে।

    মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রী বলে থাকেন যে বাংলায় কোনো বাংলাদেশি ঘুসপেঠিয়া নেি,কিন্তু তাঁর পুলিশ ও প্রশাসন রজই কোথাও ন কোথাও ওপার বাংলার মানুষদের ঘুসপেঠিয়া বলে গ্রেফতার করছেন কেন্দ্র সরকারের নিষেধাকজ্ঞা সত্বেও।


    পলাশ বিশ্বাস

    আমি বার বার মনে করিয়ে দিচ্ছি,ভারতভাগের বলি বাঙালি হি্নদু উদ্বাস্তুদের জন্য সারা ভারতে সবচেয়ে শত্রুতা করছে বাংলার শাসক শ্রেণী।সেই ভারতভাগের আগে থেকেই প্রজা কৃষক পার্টির ভূসংস্কার এজেন্ডা নিয়ে সরকার গঠনের সময় থেকে বাংলার জমিদার শ্রেণী পূর্ব বাংলার মানুষকে শেষ করার জন্য যা যা করার প্রয়োজন,তা করতে কখনো পিছপা হয়নি।ভারতভাগ তারই পরিণতি।


    ভারতভাগের বলি ওপার বাংলার মানুষদের জন্য পশ্চিম বঙ্গে জায়গা হয়নি,তাঁদের সারা ভারতে ছড়িয়ে ঢিটিয়ে দিয়ে তাঁদের রাজনৈতিক পরতিনিধিত্বের দফা রফা করা হল।


    শুধু তাই নয়,মূলতঃ কৃষি জীবিকার সঙ্গে যুক্ত এই সব মানুষদের বাংলার ভূগোল ইতিহাস থকে চিরতরে নির্বাসিত করা হল।

    ওপার বাংলায় যারা থেকে গেলেন,এপার বাংলা তাঁদের কথা ভাবল না কোনো দিন এবং যারা এসেছেন এপার বাংলায় পত্রপাঠ তাঁদের বিদায় করা হল।

    ফিরে যারা আসার চেষ্টা করলেন,তাঁদের মরিচঝাঁপি গণ সংহার গণধর্ষনে বুঝিয়ে দেওয়া হল এই বাংলায় তাঁদের ঠাঁই নাই।


    যারা তবু থেকে গেলেন তাঁদের পুনর্বাসনের নামে বসত পাট্টা দায়সারা ভাবে দেওয়া হল,কিন্তু নাগরিকত্ব ভারতে বর্ষে 2003 সাল পর্যন্ত জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব থাকা সত্বেও দেওয়া হল না।বাংলা উদ্বাস্তুদের নাগরিকত্বের দাবি কখনো করেনি যেমনটা পান্জাব করেছে,এবং পান্জাবি বা সিন্ধিদের নাগরিকত্ব নিয়ে কোনো দিন কোনো প্রশ্ন ওঠেনি।

    ভারতবর্ষের  সীমান্তে ঢকার সঙ্গে সঙ্গে তাঁদের পুনর্বাসন,নাগরিকত্ব ও সংরক্ষণ,ক্ষতিপূরণ সবকিছু হল।আজও যারা পাকিস্তান থেকে আসছেন তাঁদের নাগরিকত্বে আইনী কোনো বাধা নেই।অথচভারতভাগের পর পর ওপার বাংলা থেকে যারা এসেছেন তাঁর নাগরিত্বের, মাতৃভাষার,সংরক্ষণের,জীবন জীবিকার কোনো হক নাই

    অথচ সেই ভারতভাগের সময়ে যারা শত পুরুষের ভিটে মাটি ছেড়ে ভারতে আসতে বাধ্যহলেন.যারা ভারত ও বাংলাদেশের স্বাধীনতায় সব চেয়ে বেশি রক্ত দিলেন,তাঁদের 2003 সালে আইন করে প্রণব মুখার্জির নেতৃত্বে রাতারাতি বেনাগরিক ঘুসপেঠিয়া করে দেওয়া হল।বাংলার কোনো দলের কোনো নেতা সাংসদ বিরোধিতা করলেন না।একমাত্র জেনারেল শন্কর রায় চৌধুরী ছাড়া।এই আইন একনো পালটায়নি।

    মোদী যখন 2014 সালের নলোকসভা নির্বাচন প্রচারে বাংলাদেশি ঘুসপেঠিয়াদের ওপারে ফেরত পাঠাবার ঘোষণা করলেন বারম্বার,তখন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী শ্রীমতী মমতা ব্যানার্জি বলেছিলেন,কাউকে যদি ফেরত পাঠাতে হয,তাহলে তাঁকে ফেরত পাঠাতে হবে।মরিচঝাঁপির তদন্ত ও দোষীদের শাস্তির কথা তিনি মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার আগে বার বার বলেছেন,মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পর ভুলে গেছেন।

    ইতিমধ্যে ভারতজুড়ে সমস্ত রাজ্যে উদ্বাস্তু আন্দোলন ও ভারতের 22টি রাজ্যে নিখিল বারত উদ্বাস্তু সমিতির সংগঠনের লাগাতার প্রয়াসে  ভারত সরকারের  তরফে বাংলাদেশিদেরও নাগরিকত্ব দেওয়ার জন্যনাগরিকত্ব সংশোধনী বিল সংসদে পেশ হয়েছে,কিন্তু শত্রুপক্ষ অত্যন্থ ক্ষমতাবান যাদের পিছনে বাংলার রাজনীতি ত আছেই,এক শ্রেণী ঘর ভেদী বিভীষণ উদ্বাস্তু স্বয়ংভূ নেতারাও আছেন,যাদের সম্মিলিত চেষ্টায় এই বিলটি সংসদের এই অভিবেশনে পাশ ত হলই না ,আদৌ হবে কিনা জানা নেই,যেহেতু উদ্বাস্তুদের বেঁচে বর্তে থাকার, নাগরিকত্বের, মানবাধিকারে কোনো দায়বদ্ধতা বাংলার শাসক শ্রেণী জমিদার বংশধরদের নেই।

    তা সত্বেও উদ্বাস্তু আন্দোলনের ফলে নোটিফিকেশান হয়েছে যে উদ্বাস্তুদের হাযরানি বন্ধ করতে হবে,তাঁদের বিদেশি বলে ঠেলে ফেলে গ্রেফতার করা চলবে না।

    বাংলার বাইরে যেখানে 2003সালের আইন বলে উদ্বাস্তুদের হায়রানি ,এমনকি ডিপোর্টেশানও করা হয়েছে,সেখানেও উদ্বাস্তুদের দাবি মেনে নেওয়া হচ্ছে।

    সব রাজ্যেই আন্দোলনের ফলে হায়রানি বন্ধ হয়েছে।একমাত্র আসামে উদ্বাস্তুদের নাগরিকত্ব নাকচ করে ডিটেনশান ক্যাম্পে কয়েদ করা হচ্ছে।সেখানেও আন্দোলন চলছে এবং সেই আন্দোলনকে পক্ষ বিপক্ষের সবাই সমর্থনও করছেন।

    এটা সংযোগবশ দুর্ঘটনা নয়ই কি সারা বাংলা ভারতভাগের বলি উদ্বাস্তুদের জন্য যন্ত্রণা শিবির ডিটেনশান ক্যাম্প হয়ে গিয়েছে।


    বাংলার নূতন মন্ত্রী সভায় একজন ও উদ্বাস্তু মন্ত্রী নেই।সীমান্তে ত বটেই,সারা বাংলায়যেখানে সেখানে ওপার বাংলার মানুষকে ঘুসপেঠিয়া তকমা দিয়ে গ্রেফ্তার করা হচ্ছে,হাযরানি করা হচ্ছে যেমনটা কয়েক বছর আগেও দিল্লীতে বা মুম্বাইয়ে হত,এখন হচ্ছে না।

    মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রী বলে থাকেন যে বাংলায় কোনো বাংলাদেশি ঘুসপেঠিয়া নেি,কিন্তু তাঁর পুলিশ ও প্রশাসন রজই কোথাও ন কোথাও ওপার বাংলার মানুষদের ঘুসপেঠিয়া বলে গ্রেফতার করছেন কেন্দ্র সরকারের নিষেধাকজ্ঞা সত্বেও।

    এর পরও যদি উদ্বাস্তুরা একতাবদ্ধ না হনত কপালে আরো অনেক বিপর্যয় আছে ত বটেই,ক্রমশঃ ওপার বাংলার সব মানুষদের জন্যবাংলায় ডিটেনশান ক্যাম্প হচ্ছেই।

    যেমন আজ ১৩ আগষ্ট ২০১৬ ভোরবেলা পশ্চিম বাঙলার হ্যালেঞ্চার পার্শবর্তী অঞ্চলথেকে ঘুমের ঘরে এগারো বাবো ক্লাশের স্কুল ছাএদের বাঙলাদেশি ঘুষপেঠিয়া অজুহাতে পুলিশ বাড়ীতে গিয়ে এরেষ্ট করে এবং ধরে পুলিশ স্টেশনে নিয়ে আসে।


    নিখিল ভারত বাঙালি উদ্বাস্তু সমন্বয় সমিতির সমাজব্রতী নেতৃত্ব শ্রী অনুপম রায় ও বাদল সরকার,(প্রধান শিক্ষক)হ্যালেঞ্চা থানা থেকে তাদের ছাড়িয়ে আনেন।সহযোগীতার হাত বাডিয়ে দেন শ্রী শ্যামল বালা ও গৌতম রায়।কেন্দ্র সরকারে নোটিশ দখার পর পুলিশ তাঁদের ছাড়তে বাধ্য হয়। ঠিক এমনতর গণ সংগঠন প্রত্যেকটি জেলায় মহকুমায় তৃণমূল স্তরে গড়ে তুলেই আমরা আমাদের স্বজনদের বাঁচাতে পারি,অন্যথা নয়।

    সমিরিত একনিষ্ট সমাজসেবক শ্রী হীরেনময় সরকার,নেপথ্যে সারাদির সবারসংগে যোগাযোগ করে,ছাএদের রেহাইয়ের ব্যবস্থা করেন।

    নেপথ্যে সাহায্য করেছেন অসীম বাবু,ডা মৃনাল সিকদার ও সমিতির অনেকে।

    হেলন্চায় সংগঠন ছিল বলেই মুক্তি পেল ১৩ জন স্কুল ছাএ।নতুবা আজ তাদের স্থান হোত হাজতে।যেখানে সংগঠন নেই,সেখানে কিছুই করা সম্ভব হবে না।


    সবাইকে নিখিল ভারত বাঙালি উদ্বাস্তু সমন্বয় সমিতির পক্ষ থেকে ধন্যবাদ জানানো হয়েচে।নিখিল ভারত বাঙালি উদ্বাস্তু সমন্বয় সমিতির কেন্দ্রীয় ও রাজ্যনেতৃত্বের তরফে আবেদন করা হয়েছে, এই জাতীয় ঘটনা হলে নিখিল ভারত বাঙালি উদ্বাস্তু সমন্বয় সমিতির নেতৃত্বকে অবিলম্বে জানান।

    যাদের পুলিশ আটক করা হয়েছিল, তাদের নাম....নীচে দেওয়া হল।

    উৎপল বিশ্বাস,রহিত বালা,কল্লোল বিশ্বাস,অর্নব সরকার,সৌরব বালা,অব্ভ্র মল্লীক,প্রবীর বিশ্বাস, ইসান সরকার,অপুর্ব সরকার,প্রতাভ রায়,কৌশিকবালা,সম্রাট বিশ্বাস,রথীন রায়।

    এরা সবাই দশ বারো ক্লাসের ছাএ। এছাড়া দুইজন বাংলাদেশি ভ্রমন কারি ধরা পড়ে। তারা পাসপোর্ট দেখালে ছেড়ে দিয়েছে।

    নীচে অভিযুক্তদের থানা থেকে মুক্ত করার পরের ফটো।সঙ্গে আছেন সমিতির সক্রিয় সদস্য অনুপম রায়।



    --
    Pl see my blogs;


    Feel free -- and I request you -- to forward this newsletter to your lists and friends!


    गुजरात से राह बनती नजर आ रही है लेकिन अकेले दलित आंदोलन से हालात बदलने वाले नहीं हैं।

    सबसे पहले यह मान लें कि हम हड़प्पा और मोहनजोदोड़ो के वंशज हैं और हम आज भी हारे नहीं है क्योंकि कोई भी हार निर्णायक नहीं होती।यूनान में आदिविद्रोही स्पार्टकस और उनके लाखों अनुयायियों की हार और एथेंस की सड़कों पर उनकी लाशें टांगने के बावजूद वे लाशें ही जिंदा होकर गुलामी की प्रथा हर देश काल परिस्थिति में खत्म करने के लिए लड़ती रहीं तो आज दुनियाभर में लोकतंत्र है और रंगभेद सिर्फ अमेरिका और भारत में है।


    भारत में इस रंगभेद की वजह ब्राह्मणवाद है और उसके खिलाफ लड़ाई फिर वही हड़प्पा और मोहनजोदोड़ो की लड़ाई है।


    पलाश विश्वास

    हम लगातार आपको बंगाल में बदलती हवा का ताजा रुख बता रहे हैं।आज बंगाल में टाइम्स ग्रुप के लोकप्रिय बांग्ला दैनिक एई समय के रविवासरीय में पहली बार बंगाल के दलित आंदोलन के सिलसिले में अंबेडकर की नये भारत के निर्माण में उनकी निर्णायक भूमिका की सिलसिलेवार चर्चा की गयी है और साफ तौर पर खुलासा किया गया है कि बंगाल और भारत के दलित आंदोलन के इतिहास की हत्या कैसे होती रही है। कैसे भारतीय संविधान के रचालकार का वोटबैंक एटीएम बतौर इस्तेमाल करते हुए सत्तावर्ग ने उनकी विचारधारा और उनके आंदोलन के उलट हिंदू राष्ट्र का निर्माण किया।


    अंबेडकर हत्या का यह अभूतपूर्व खुलासा अनिवार्य पाठ है।


    इस लोकप्रिय अखबार छपा कांटेट दोहराने की जरुरत नहीं है।लाखों की प्रसार संख्या वाले इसअखबार की प्रतियां जब इस विषय पर कतई चर्चा निषेध के परिवेश में आम लोगं के हाथों में जायेगा तो समझ लीजिये कि इसके क्या नतीजे होंगे।बंगाल में फिर बेहद व्यापक परिवर्तन की हवा बनने लगी है।अंबेडकर पर और बंगाल के दलित आंदोलन पर एकमुश्त फोकस इसीका सबूत है।


    दलित आंदोलन बंगाल में कतई फिर न हो,शरणार्थी आंदोलन भी न हो, भारत विभाजन से लेकर मरीचझांपी हत्याकांड और फिर 2003 की नागरिकता संशोधन कानून के खुल्ला खेल फर्रूखाबादी का मतलब कुल यही रहा है कि भारत विभाजन के बलि भारत में अंबेडकर के उत्थान और उन्हें संविधानसभा तक भेजने वाले समुदायों का सफाया ताकि भविष्य में भारत में फिर बहुजन समाज का निर्माण हो न सके जो बंगाल महाराष्ट्र और पंजाब को केंद्रित दलित किसान आदिवासी आंदोलन की वजह से भारत विभाजन के पहले तक लगातार बनता रहा है और सत्तावर्ग के हिंदुत्व ने  इस बहुजनसमाज की हत्या के लिए भारत का विभाजन कर दिया और बंगाल के बहुजनों के नरसंहार का सिलिसिला बना दिया।


    सबसे पहले यह मान लें कि हम हड़प्पा और मोहनजोदोड़ो के वंशज हैं और हम आज भी हारे नहीं है क्योंकि कोई भी हार निर्णायक नहीं होती।यूनान में आदिविद्रोही स्पार्टकस और उनके लाखों अनुयायियों की हार और एथेंस की सड़कों पर उनकी लाशें टांगने के बावजूद वे लाशें ही जिंदा होकर गुलामी की प्रथा हर देश काल परिस्थिति में खत्म करने के लिए लड़ती रहीं तो आज दुनियाभर में लोकतंत्र है और रंगभेद सिर्फ अमेरिका और भारत में है।


    भारत में इस रंगभेद की वजह ब्राह्मणवाद है और उसके खिलाफ लड़ाई फिर वही हड़प्पा और मोहनजोदोड़ो की लड़ाई है।इसीलिए रंगभेद के खिलाफ फिर फिर मनुस्मृति दहन अनिवार्य है और आजादी के लिए ब्राह्मणवाद का अंत भी अनिवार्य है।



    हम शुरु से मानते रहे हैं कि 1947 में दरअसल भारत का विभाजन हुआ नहीं है।विभाजन हुआ है हड़प्पा और मोहनजोदोड़ो की सभ्यता का।उस निर्णायक क्षण में हम मोहनजोदोड़ो और हड़प्पा की फिर हार गये और सिंधु घाटी की सभ्यता से बेदखल हो गये और राजनीतक सीमाओं की बात करें तो ब्रिटिश भारत का भूगोल इस खंडित अखंड देशे से कहीं बड़ा अफगानिस्तान से लेकर म्यामार तक विस्तृत था तो यह विस्तार दक्षिण अफ्रीका की जनसंख्या को भी छूता था।


    भारत में जाहिर है कि हड़प्पा और मोहनजोदोड़ो में हमारे पुरखे विदेशी हमलावरों से हारे नहीं थे और आज भी हर आदिवासी घर में उस सभ्यता का कालचक्र मौजूद हैं और आदिवासियों की संस्कृति आज भी सिंधु घाटी की सभ्यता है।बाकी समुदायों का ब्राह्मणीकरण का इतिहास भारत का इतिहास मनुस्मृति शासन अखंड है,जिसका एकाधिकार,रंगभेदी वर्चस्व भी सन 1947 में भारत विभाजन का कारण और परिणाम दोनों हैं।


    भारतीय इतिहास लोकतांत्रिक विरासत को वैशाली के गणराज्यों से आजतक वांच लें,भारतीय लोक संस्कृति और धर्म कर्म को बारीकी से जांच लें,फिर गौतम बुद्ध के बाद राजतंत्र का इतिहास देख लें,बु्द्धमय भारत के अवसान के बावजूद राजकाज और राजधर्म से लेकर आम नागरिकों का धर्म कर्म और जीवन कुल मिलाकर धम्म का अनुशीलन रहा है और तथाकथित वैदिकी साहित्य के अलावा मनुस्मृति अनुशान का कोई ऐतिहासिक आधार लेकिन नहीं है,जो आजादी के पहले से रंगभेदी वर्चस्ववादियों की जमींदारी में भारत को बदलने की साजिश बतौर बंगाल की सरजमीं पर हिंदुत्व और इस्लाम की धर्मोन्मादी दो राष्ट्रों के आत्मघाती सिद्धांत के तहत भारत के राजनैतिक विभाजन का कारण और परिणाम दोनों है और सही मायने में भारत में विशुध हिंदू राष्ट्र का इतिहास भी उतना ही है तो रंगभेदी मनुस्मृति का शासन भी वहीं है।


    गुजरात के ऊना में आजादी के ऐलान से कुछ बड़ा नतीजा निकालने की उम्मीद तब तक कृपया न करें जबतक कि हम हजारों वर्षों से जारी आदिवासियों और किसानों के स्वंत्रतता संग्राम की निरंतरता से इस आंदोलन को जोड़कर शासक वर्ग का तख्ता पलट का चाकचौबंद इंतजाम न कर लें।


    बंगाल आर्यावर्त के बाहर का भूगोल रहा है हमेशा और बुद्धमय भारत का आखिरी द्वीप भी रहा है बंगाल जहां पांचसौ साल पहले चैतन्य महाप्रभु के वैष्णव धर्म के जरिये हिंदुत्व की नींव पड़ी तो पाल वंश के अवसान के बाद सेनवंश के दौरान ब्राह्मणवादी राजकाज शुरु हुआ लेकिन तभी से साधु संत पीर फकीर बाउल और अंततः ब्रह्मसमाज आंदोलनों की वजह से बंगाल कभी ब्राह्मणवाद का उपनिवेश बना नहीं।रवींद्र का बारत तीर्थ और रामकृष्ण परमहंस विवेकानंद का नरनारायण इसी जीवन दर्शन का अविभाज्य अंग है जो भारती कीलोक परंपरा और इतिहास की निरंतरता है।


    उस उपनिवेश की कोई संभावना भारत विभाजन के बिना असंभव था और इसीलिए हिंदुत्ववादी जमींदार राजनेताओं ने बंगालर के साथ भारत का विभाजन कर दिया और जिन्ना का जिन्न भी उन्होंने खड़ा कर दिया अपने धतकरम की जिम्मेदारी धर्मांतरित मुसलमानों पर थोंपने और आजाद भारत में मुसलमानों को दोयम दर्जे का विभाजनकारी अपरराधी जीवन जीने को मजबूर करने की रणनीति के तहत।


    इस इतिहास की हम बार बार चर्चा करते रहे हैं और भारत विभाजन के बारे में बार बार लिखते भी रहे हैं।इसे सिलसिले वार दोहराने की जरुरत नहीं है।


    हम ऊना में दलितों की आजादी के ऐलान के गंतव्य के मुहूर्त पर आपको याद दिलाना चाहते हैं कि भारत में अंग्रेजी हुकूमत की नींव बंगाल में पलाशी के मैदान में पड़ी तो अब समझ लीजिये कि यह खंडित बंगाल मुकम्मल पलाशी का मैदान है।आजादी की लड़ाई पलाशी में हार के बाद शुरु हो गयी थी।किसानों और आदिवासियों ने गुलामी की जंजीरें तोड़ने के लिए लगातार विद्रोह का सिलसिला जारी रखा जो आझ भी जारी है,दलित आंदोलन उस परंपरा से जुड़े बिना दलित आंदोलन हो ही नही सकता।


    बंगाल में दलित आंदोलन की शुरुआत कवि जयदेव की बाउल पंरपरा से,ईश्वर और दैवी अस्तित्व देवमंडल के निषेध के साथ सेनवंश के  हिंदुत्व राजकाज के खिलाफ शुरु हो गया था जो भारतभर में संत कवियों के सामंती व्यवस्था के किलाफ स्वतंत्रता संग्राम का हिस्सा था तो पहले यह मान लीजिये कि दलित आंदोलन की शुरुआत संत कबीर ने 14 वीं सदी में कर दी थी।


    दलितआंदलन के जनक भारत में संत कबीरदास है.दलित विमर्श का प्रस्थानबिंदू फिर कबीर के दोहे हैं।


    उनका यह निरीश्वर वाद धम्म और पंचशील का अनुशीलन है तो नवजागरण में ब्रह्मसमाज भी निरीश्वरवादी है जो नवैदिकी कर्मकांड और पुरोहिती ब्राह्मणवाद का निषेध है।


    ब्रह्मसमाज के आंदोलन का दीर्घकालीन प्रभाव है लेकिन नवजागरण के मसीहावृंद ने आदिवासी किसान विद्रोह का साथ नहीं दिया क्योंकि उनमें से ज्यादातर खुद प्रजा उत्पीड़क जमींदर थे।हम इसका खुलासा भी बार बार करते रहे हैं।


    भूमि सुधार के एजंडे के साथ नीलविद्रोह के जयघोष से जो मतुआ आंदोलन हरिचांद ठाकुर ने वैदिकी कर्म कांड और ब्राह्मणवाद के खिलाफ शुरु किया,उसीके तहत पूरा बंगाल दलित आंदोलन का सबसे बड़ा केंद्र बना और महाराषट्र, पंजाब, तमिलनाडु, केरल, कर्नाटक, गुजरात और समूचे उत्तर भारत के दलित आंदोलनों,किसान और आदिवासी आंदोलनों से सर्वभारतीय बहुजन समाज की स्थापना हो गयी।


    भारत का विभाजन दरअसल बहुजन समाज का विध्वंस है और इसके सबूत विभाजनपीड़ित बंगाल के दलित शरणार्थी भारत में आज भी बेनागरिक हैं और उनके कोई नागरिक मानवाधिकार नहीं है।खासतौर पर बंगाल और असम उनके लिए यातनाशिविर में त्बीदल हैं जबकि वे बहुजनसमाज के अगवा लड़ाका होने की कीमत अदा कर रहे हैं।शरणार्थी आंदोलन भी दलित आंदोलन का मोर्चा है उसीतरह जैसे कि किसानों,मजदूरों और आदिवासियों के तमाम आंदोलन।


    गुजरात से राह बनती नजर आ रही है लेकिन अकेले दलित आंदोलन से हालात बदलने वाले नहीं हैं।


    --
    Pl see my blogs;


    Feel free -- and I request you -- to forward this newsletter to your lists and friends!


    आजादी कोई रोटी नहीं है।जो आटा गूंथ लिया फिर उसे आग पर सेंककर पृथ्वी की शक्ल  दे दी।


    फिरभी हम आजादी का जश्न बहुत बेशर्मी से मना रहे हैं और आजादी का मतलब समझने से साफ इंकार कर रहे हैं।हमारी त्रासदी ओलंपिक त्रासदी है।

    फिरभी हम महज झंडा फहराकर आजादी का ऐलान कर रहे हैं और आजादी की जंग में हम कहीं हैं ही नहीं।आज फिर वहीं झंडा हमने गुजरात के ऊना में धूम धड़ाके के साथ फहरा दिया।

    पलाश विश्वास


    सिर्फ ऐलान कर देने से आजादी मिलती नहीं है।कश्मीर के दोनों हिस्से में आजादी के नाम अभूतपूर्व हिंसा है तो इस आजाद देश में सन 1947 के बाद आजादी का नारा भी कोई नया नहीं है और नया नहीं है आजादी का आंदोलन।मोहनजोदोड़ो और हड़प्पा में पराजित होने के बाद से लगातार हमारी हजारों पीढ़िया आजादी के ख्वाब जीते हुए हजारों साल से आजादी की जंग लड़ती रही हैं।


    हजारों पीढ़ियों ने कुर्बानियां दी है और महात्मा गौतम बुद्ध की क्रांति से गुलामी की जो जंजीरें टूट गयी थीं,प्रतिक्रांति के जरिये तब से लेकर आज तक गुलामी का अनंत सिलसिला है और जंग आजादी की हमेशा आधी अधूरी रही है।हमें न आर्थिक आजादी मिली है  और न समामाजिक और नसांस्कृतिक आजादी।




    पिछले सात दशक से हम राजनीतिक आजादी का जश्न मना रहे हैं।राजनीति जो मुकम्मल नरसंहारी अश्वमेधी रंगभेदी अलगाववादी और राष्ट्रविरोधी, समाज विरोधी, मनुष्यविरोधी और प्रकृति विरोधी भी है.उस राजनीतिक आजादी का जश्न हम मना रहे हैं और आजादी के ख्वाब जमींदोज हैं।


    आजादी कोई रोटी नहीं है।जो आटा गूंथ लिया फिर उसे आग पर सेंककर पृथ्वी की शक्ल  दे दी।उस पृथ्वी से भी हम अब बेदखल हैं।हम रोजी रोटी से भी बेदखल है।रोटी के लिए अनिवार्य आग के भी  हम मोहताज हैं।अनाज अब भी उग रहे हैं।कायनात की रहमतें,बरकतें और नियामतें भी वहीं हैं लेकिन इतनी आजादी भी नहीं है कि सबको रोटी नसीब हो जाये।इतनी आजादी भी नहीं है कि हर शख्स के हिस्से में उसकी अपनी कोई दुनिया हो। हम सिर्फ झंडे फहराकर आजादी का जश्न मनाने वाले लोग हैं।



    आदिवासी भूगोल के विध्वंस के खिलाफ आवाज तक दर्ज नहीं कर सके हैं हम।

    कश्मीर में रोज रोज हो रहे मानवाधिकार हनन के खिलाफ हम गूंगे बहरे हैं।

    ये हालात हैं।


    फिरभी हम महज झंडा फहराकर आजादी का ऐलान कर रहे हैं और आजादी की जंग में हम कहीं हैं ही नहीं।

    आज फिर वहीं झंडा हमने गुजरात के ऊना में धूम धड़ाके के साथ फहरा दिया।


    संस्थागत हत्या के शिकार रोहित वेमुला की बमौत मौत ने बगावत पैदा कर दी है और हम कह सकते हैं कि एक जलजला आया है और थोड़ी हलचल मची है।इससे बड़ी लड़ाई तो हजारों साल के दरम्यान  हजारों दफा लड़ी गयी है।


    आज फिर वहीं झंडा हमने गुजरात के ऊना में धूम धड़ाके के साथ फहरा दिया।संस्थागत हत्या के शिकार रोहित वेमुला की बमौत मौत ने बगावत पैदा कर दी है और हम कह सकते हैं कि एक जलजला आया है और थोड़ी हलचल मची है।इससे बड़ी लड़ाई तो हजारों साल के दरम्यान  हजारों दफा लड़ी गयी है।


    ब्रिटिश हुकूमत के खिलाफ दो सौ साल की हमारे पुरखों की कुर्बानियों से हमें हासिल एक खंडित भूगोल मिला है और हम उसे भी बेचने लगे हैं।हम उसकी भी हिफाजत कर नहीं पा रहे हैं।


    पलाशी की लड़ाई के बाद पूर्वी भारत और मद्यभारत के बड़े हिस्से में चुआड़ विद्रोह का सिलसिला बना।फिर संथाल,भील,मुंडा,गोंड और आदिवासी विद्रोह का सिलसिला।


    कंपनी राज के खिलाफ संन्यासी विद्रोह के तहत इस देश के प्रजाजनों ने जाति धर्म नस्ल की दीवारें तोड़कर आजादी की लड़ाई शुरु की।नील विद्रोह हुआ और उसके बाद 1857 की अधूरी क्रांति।


    भक्ति आंदोलन के तहत साधुओं,संतों, पीर, फकीरों,गुरुओं और बाउलों ने सामंतवाद से आजादी की जमीन तैयार की और आज तक हम उसे पका नहीं सके हैं।उस विरासत से हम धर्मोन्मादी राष्ट्रवाद के तिलिस्म में अंधियारे की गुलामी जीने लगे हैं।


    ब्रह्मसमाज के जरिये हमने ज्यादातर कुप्रथाओं से कानूनी निजात पा ली है लेकिन हमारा समाज अभीतक उन्हीं कुप्रथाओं के शिकंजे में है।


    एकजुट होकर भारत की स्वतंत्रता संग्राम के माऱ्फत हमने खंडित आजादी खंडित देश के लिए हासिल कर ली और संविधान की प्रस्तावना में समता और न्याय का लक्ष्य धम्म के आधार पर तय किया और कुछ चुनिंदा इलाकों को छोड़कर देश में कहीं संविधान लागू नहीं है।


    हमने सत्ता और राजनीति रंगभेदी  असंवैधानिक तत्वों को भेंट कर दिया और बाहुबलियों धनपशुओं को हम नेतृत्व देते रहे हैं और वे  ही हमारे जनप्रतिनिधि हैं।


    जीवन के हर क्षेत्र में रंगभेदी मनुस्मृति शासन का वर्चस्व तकनीक और विज्ञान के बावजूद अभूतपूर्व है और मौजूदा कयामत की फिजां वैदिकी हिंसा से ज्यादा खतरनाक है क्योंकि यह पूरा स्थाई बंदोबस्त अब ग्लोबल है और किसी स्थानीय विरोध से कयामत का यह मंजर बदलेगा नहीं।


    हम उत्त्तर भारत की गायपट्टी में सामाजिक न्याय के दावे के साथ सत्ता में भागेदारी का सिलसिला और उसका हश्र देख चुके हैं।हम संपूर्ण क्रांति से लेकर आम आदमी की क्राति का जलवा देख चुके हैं और जन आंदोलन के साथी क्रांति का एकतम ताजा ब्रांड स्वराज लेकर मुक्तबाजार में बदलाव के ख्वाब बेच रहे हैं।


    कोई शक नहीं कि छात्रों और युवाओं की पहल से मनुस्मृति दहन का देशव्यापी अभूतपूर्व माहौल है लेकिन यह कुल मिलाकर छात्रों और युवाओं के आंदोलन में सीमाबद्ध है।


    विश्वविद्यालयों और उच्चतर वातानुकूलित संस्थानों में सीमाबद्ध है।

    जो न बीरसा मुंडा,न सिधु कान्हों का आंदोलन है और न बशेश्वर या मतुआ या चंडाल आंदोलन है,जिसका आदार जनसमाज हो।


    यह दक्षिण भारत का आत्मसम्मान का द्रविड़आंदोलन भी नहीं है और न यह मणिपुर में सैन्यशासन के खिलाफ व्यापक जनविद्रोह का आकार ले पाया है।


    जनता जाग रही होती तो बाबा साहेब की विचारधारा और उनके आंदोलन का बंटाधार न हुआ होता।

    जनता जाग रही होती तो बाबासाहेब वोटबैंक एटीएम में बदल नहीं दिये गये होते।


    जनता जाग रही होती तो बाबासाहेब का अंबेडकर भवन जमींदोज होने के बावजूद उत्तर प्रदेश तक में भी कुछ हलचल रही होती जहां इसकी आम जनता को कोई खबर नहीं है तो महाराष्ट्र में बहुजन आपस में मारामारी कर नहीं रहे होते।


    जेएनयू के लगातार आंदोलन का दिल्ली और उत्तरप्रदेश में क्याअसर हुआ हमें मालूम नहीं है।हैदराबाद विश्वविद्यालय से उठे तूफान से आंध्र या तेलंगाना में जनता कितनी लामबंद हुई हमें मालूम नहीं है।

    कोलकाता के विश्वविद्यालयों में सुनामी का माहौल है और बंगाल की जनता सीधे मनुस्मृति राजकाज के के यंत्रणा शिविर में अपनी अपनी हत्या की बारी के इंतजार में है।


    देवभूमि के जयघोष से अघा नहीं रही हिमालयी जनता को खबर ही नहीं है कि हिमालय मर रहा है।

    कुड़नकुलम और नर्मदा घाटी से लेकर टिहरी घाटी और नैनीझील का भी काम तमाम है और समुद्रतट वासी भारतीयजनता को परमामु भट्टियों में झुलसने के लिए छोड़ दिया गया है लेकिन इस रेडियोएक्टिव तबाही की खबर किसी को नहीं है।


    आपदाओं का सृजन रोज रोज हो रहा है और हम मुकाबले के हालात में नहीं है।


    जल जंगल जमीन रोजी रोटी श्रम आजीविका नागरिकता खाद्य सुरक्षा शिक्षा चिकित्सा लोकतंत्र की बहाली  नागरिक और मानवाधिकार अमन चैन विविधता बहुलता की कोई लड़ाई हम कायदे से शुरु भी नहीं कर सकें।

    देशभर में बेहद जरुरी मानवबंधन की कोई पहल भी नहीं कर सके हैं हम।


    आदिवासी भूगोल के विध्वंस के खिलाफ आवाज तक दर्ज नहीं कर सके हैं हम।

    कश्मीर में रोज रोज हो रहे मानवाधिकार हनन के किलाफ हम गूंगे बहरे हैं।

    ये हालात हैं।

    फिरभी हम महज झंडा फहराकर आजादी का ऐलान कर रहे हैं और आजादी की जंग में हम कहीं हैं ही नहीं।


    मन बेहद भारी है।कल देर रात तक हम दीपा कर्मकार की कामयाबी का इंतजार कर रहे थे। लेकिल सीमोन बाइ्ल्स की तैयारी के मुकाबले दीपा सर्वोत्तम प्रयास करके भी पिछड़ गयी चूंकि सीमोन को तैयारी और कामयाबी का जो मौका मिला वह दीपा को नहीं मिला और ओलंपिक क्वालीफाई करने से पहले हम दीपा को जानते भी नहीं थे और अगले चार साल और न जाने कितने साल उषा और मिल्खा सिंह के साथ उसे याद करके हम अपनी देशभक्ति दर्ज कराते रहेंगे और कभी नहीं सोचेंगे कि मंजिल के इतने करीब होकर भी वे आखिर जीत क्यों न सके।


    हमारी हाकी टीमें बहुत अच्छा खेलकर भी एकदम आखिरी मौके पर विपक्षी टीम को जीत का तोहफा देकर घर वापसी कर चुकी है।तीरंदाजी,शूटिंग,टेनिस बैडमिंटन,मुक्केबाजी वगैरह वगैरह में हमारे बच्चे मुंह की खाकर घर वापस हैं।



    जबकि ओलंपिक मैदान पर अश्वेतों का वर्चस्व है और हम भी वहीं अश्वेत है।


    इसकी खास वजह हममें आजादी और कामयाबी का,लड़ाई का और जीतने का जज्बा है ही नहीं और न कामयाबी की कोई तैयारी है हमारी ।वेस्ट इंडीज,अफ्रीका और एशिया के दूसरे देशों के मुकाबले हम खेल में भी रंगभेद,जाति वर्चस्व,पितृसत्ता और सत्ता के खुल्ला खेसल फर्रूखाबादी के शिकार हैं और सात दशक बाद हाकी में अपनी जमीन बेदखल होने के बाद केल की दुनिया में हमारी कोई हैसियत है नहीं।


    फिरभी हम आजादी का जश्न बहुत बेशर्मी से मना रहे हैं और आजादी का मतलब समझने से साफ इंकार कर रहे हैं।हमारी त्रासदी ओलंपिक त्रासदी है।


    आम जनता की भागेदारी,आम जनता की एकता और आम जनता की कुर्बानियों के बगैर आजादी कोई मसीहा किसी से छानकर हमें तोहफे में दे देंगे और हम आजादी का ज्शन मनाते हुए जंडे फहराकर लड्डू बांटेंगे,सबसे पहले इस कैद से निकलने की जरुरत है।


    कोई मसीहा हमें आजादी दे नहीं सकता और न मोक्ष का रास्ता दिखा सकता है कोई अवतार।


    मनुष्यता के भूगोल और मनुष्यता के इतिहास की जड़ों से जुड़े बगैर बदलाव का यह दिवास्वप्न बेमानी है।

    हम शुरु से दुर्मुख हैं और जश्न में  मजा किरकिरा करने के लिए माफी चाहते हैं वरना आप आजाद हां हमें गरियाने को।आपकी गालियां हमारे सर माथे।यही हमारी विरासत है।


    --
    Pl see my blogs;


    Feel free -- and I request you -- to forward this newsletter to your lists and friends!


    अस्पृश्यता का संविधान लागू है!

    छिटपुट धमाकों से हिंदुत्व की इस सर्वनाशी सुनामी का मुकाबला करना असंभव!



    सौ विवेकानंद भी पैदा हो जाये तो चंडाल जनम जनम तक चंडाल रहेंगे।


    दलितों,आदिवासियो,विभाजनपीड़ितों और मुसलमानों के सफाये के इस राजकाज और राजधर्म का प्रस्थानबिंदू इतिहास और भूगोल से उनकी बेदखली का खुल्ला मुक्तबाजारी एजंडा है।




    पलाश विश्वास

    हिंदू राष्ट्र में सबसे बड़ा संकट हिंदुत्व का है।

    अलगाव और विघटन का शिकार अखंड हिंदू समाज है,जो हिंदू राष्ट्र का मूल आधार है।गुजरात में ऊना में दलितों की महारैली के बाद सवर्णों के हमलावर रुख से पूरे देश में दलितों के हिंदुत्व से अलगाव की जमीन तैयार हो रही है।दलितों के लिए अस्तित्व संकट है और मनुस्मृति राजकाज में यह संकट ढाई हजार सालों से जारी है।


    गौतम बुद्ध की क्रांति की वजह से सम्राट चंद्रगुप्त मौर्य,सम्राट अशोक और सम्राट कनिष्क के सौजन्य से बुद्धमय भारत के पर्यावरण सत्य और अहिंसा, करुणा, बंधुत्व,मैत्री, प्रेम और शांति की जो दिशाएं खुलीं, उसके तहत राष्ट्र पर किसी वर्ण और वर्ग का एकाधिकार अभीतक भारतीय उपमहाद्वीप से लेकर चीन,जापान,तुर्की, मंगोलिया,मध्यएशिया और सुदूर दक्षिण पूर्व एशिया तक में कभी नहीं रहा है राजनीतिक भूगोल भिन्न होने के बावजूद सांस्कृतिक विविधता और बहुलता के सामंजस्य और समन्वय की निरंतरता के कारण।दूरियों के बावजूद।


    मोहनजोदोड़ो और हड़प्पा समय से वाणिज्य के रेशमपथ से बाकी दुनिया के साथ, खासकर मध्य एशिया और दक्षिणपूर्व एशिया में भारतीय सांस्कृतिक विरासत का जो प्रभाव रहा है,उसका आधार गौतम बुद्ध का धम्म है।


    तिब्बत में भारतीय मूल के पद्म संभव और दीपंकर अतीश के मिशन की वजह से जो धर्म राज्य बना,उसकी संस्कृति भी भारतीय है।जापान,चीन,कोरिया से लेकर थाईलैंड और म्यांमार में जो बौद्धधर्म का भूगोल है,उसमें भारतीयता की गहरी छाप है,जिसमें स्थानीय संस्कृति,लोक,भाषा,बोली और धर्मों का समन्वय हुआ है।


    महापंडित राहुल सांकृत्यायन के पांडित्य और शोध की वजह से इसके सिलसिलेवार सबूत और दस्तावेज हासिल हैं।बाकी सामाजिक राजनीतिक भौगलिक यथार्थ को हम स्वाध्याय से जान समझ सकते हैं।


    बाकी दुनिया की तरह,पश्चिम व मध्यपूर्व एशिया की तुलना में भारतीय उपमहाद्वीप और बाकी एशिया में जो आम तौर पर अमन चैन की फिजां विभिन्न धर्मों, जातियों, नस्लों, भाषाओं, जीवन शैलियों के बावजूद अब भी बना हुआ है,उसमें भारतीय विविधता और बहुलता की भारतीय संस्कृति के उन्मुक्त रेशम पथ का बहुत बड़ा असर है।इंडोनेशिया,मलेशिया,म्यांमार,थाईलैंड से लेकर कंबोडिया और वियतनाम तक इस भारतीयता की जड़ें खोजी जा सकती हैं जिसके लिए भरत से कोई साम्राज्यवादी अभियान हुआ नहीं है।


    वैदिकी सभ्यता के दौरान आर्य अनार्य सुरासुर संग्राम के बावजूद,वर्णाश्रम के बावजूद,विजेताओं और विजितों के बीज वर्गीयध्रूवीकरण के बावजूद भारत में मनुस्मृति अनुशासन पुष्यमित्र शुंग समय से लागू होने से पहले शूद्रों और अछूतों के सामाजिक बहिस्कार और जन्मजात पेशा की अनिवार्यता और शिक्षा,संपत्ति,शस्त्र के निषेध आधारित विशुद्धता के वर्चस्व वाली रंगभेदी पितृसत्ता का यह स्थाई सामंती बंदोबस्त का वजूद नहीं रहा।


    विडंबना यह है कि विकास ,विज्ञान,बाजार और तकनीक की आधुनिकताओं के बावजूद वहीं सामंतवाद अब अखंड हिंदू समाज और निर्मम हिंदू राष्ट्र के अवतार में वर्ण वर्ग एकाधिकारवादी पितृसत्ता के रुप में कहर बरपा रही है।



    संत कबीर दास से शुरु निरीश्वरवाद की नई चार्वाक धारा की कोख से जनमे सुधार आंदोलन से हिंदुत्व का यह भूगोल बना है,जिसमें बहुसंख्य जनगण की आस्था हिंदुत्व है।यह कोई वैदिकी या सनातन हिंदुत्व नहीं है।


    निरंतर प्रगतिशील,धर्मनिरपेक्ष,लोकतांत्रिक विविधता बहुलता का महोत्सव रहा है।


    नवजागरण ने इस लोकतंत्र और धर्मनिरपेक्ष आस्था को कानूनी हक हकूक में तब्दील करके सामंती अवेशेषों को मिटाने की पहल की जिसके नतीजतन ब्रिटिश हुकूमत के खिलाफ इसी भारतीयता की स्वतंत्र चेतना के तहत समूचे भारत में ईस्ट इंडिया कंपनी के राज के पहले दिन से आदिवासी किसानों के साथ साथ हिंदू मुसलमानों का साझा आंदोलन जारी रहा है।


    1857 की क्रांति में इस एकता के तहत जो स्वतंत्रता संग्राम की दिशा बनी,उसी दिशा में आगे चलकर समूचे अखंड भारत की आजादी तय थी लेकिन मुस्लीम लीग और हिंदू महासभा के दो राष्ट्र सिद्धांतों पर अडिग होने के कारण अंततः भारत का बंटवारा हुआ।


    1857 में भारतीय स्वत्ंत्रता संग्राम में अलग अलग आस्थाएं हमारी एकता का आधार बन गयीं और तम गोमाता या गोरक्षा या राम रहीम का कोई विवाद आड़े नहीं आया तो 1947 में उन्हीं आस्थाओं ने हमें दो से तीन राष्ट्रों के लहूलुहान अंजाम तक पहुंचा दिया और अब हम उन्हीं आस्थाओं पर भारत का न जाने कितने और विभाजन करने पर आमादा हैं।


    बहुजन या दलितों का आंदोलन कोई नया नहीं है।संन्यासी और नील विद्रोह से लेकर चुआड़,संथाल कोल भील मुंडा गोंड विद्रोह और अनगिनत किसान विद्रोह से लेकर तेभागा आंदोलन के तहत इस देश में बहुजन समाज आकार लेता रहा है और इन विद्रोहों और आंदोलनों में जमींदारी रियासती तबके के सवर्ण सत्तावर्ग की कोई भूमिका नहीं रही है।बहुजन समाज के विघटन की वजह से दलितों,आदिवासियों,मुसलमानों और स्त्रियों के खिलाफ यह निरंकुश नरमेध अभियान नया है।


    अंग्रेजी हुकूमत से नत्थी सत्तावर्ग ने चुआड़ विद्रोह से लेकर 1857 की क्रांति और 1942 के भारत छोड़ो आंदोलन के वक्त तक हर कीमत पर स्वतंत्रता सेनानियों के खिलाफ विदेशी हुकूमत का साथ वैसे ही दिया है जैसे आज के हुक्मरान विदेशी पूंजी और विदेशी हितों के लिए हिंदुत्व और विकास के नाम भारत को अमेरिकी उपनिवेश बना रहे हैं।


    बंगाल में हरिचांद ठाकुर ने दो सौ साल पहले नीलविद्रोह का नेतृत्व किया जो किसानों और आदिवासियों का विद्राह था तो मध्य भारत से लेकर महाराष्ट्र और आंध्र, बंगाल से लेकर बिहार और असम समेत समूूचे पूर्वोत्तर और पूर्वी बंगाल में चुआड़ विद्रोह के तहत जाति धर्म निर्विशेष भारतीय शासक तबके ने ईस्ट इंडिया कंपनी से लगातार लोहा लेते रहे और इस विद्रोह के दमन के बाद  अंग्रेज हुक्मरान ने स्थाई बंदोबस्त के तहत जमींदारी प्रथा को आधार बनाकर अपने साम्राज्यवादी हुकूमत का सामंती संरचना  तैयार किया।


    और भारतीय स्वतंत्रता संग्राम से लगभग दो सौ साल तक दगा और फरेब करने के बाद जमींदारी के संकट तेज होने के बाद,भूमि सुधार तेज होते जाने,दलित बहुजनसमाज के आकार लेकर बंगाल में सत्ता हासिल करने के कारण,आदिवासी किसानों के लगातार आंदोलनों के जरिये वर्गीय ध्रूवीकरण के कारण साम्राज्यवादियों की उसी सामंती संरचना ने हिंदू राष्ट्र के एजंडे के तहतभारत का विभाजन कर दिया।


    बंगाल के समांतर पंजाब,महाराष्ट्र,गुजरात,केरल,कर्नाटक,आंध्र और तमिलनाडु में लगातार दलितों और बहुजनों का आंदोलन सैकड़ों सालों से जारी रहा है जबकि सामंतीवाद के खिलाफ दलित बहुजन स्त्री अस्मिता की लोकतांत्रिक धर्मनिरपेक्ष विरासत संत कबीरदास और संत रविदास,सूरदास,मीराबाई,रसखान,दादू और सिख गुरुओं के नेतृत्व में गायपट्टी की लोक विरासत चौदहवीं सदी से अटूट रही है और जो सामाजिक न्याय की राजनीति गायपट्टी में हो रही है,उसका आधार किसी मसीहा का करिश्मा नहीं,बल्कि यही लोकसंस्कृति है।


    स्वतंत्र भारत में बाबासाहेब भीमराव अंबेडकर की एकमात्र छवि वैध है,वह है संविधान निर्माता की छवि।बहुजन और दलित आंदोलन,स्त्री अस्मिता और मेहनकशों, आदिवासियों और पिछड़ों के हक हकूक को धम्म आधारित संविधान की प्रस्तावना संवैधानिक रक्षाकवच देने वाले बाबासाहेब को हम किसी दूसरी छवि में देखने को अभ्यस्त हैं नहीं और न ही हम राष्ट्रनेताओं की अग्रिम पंक्ति में वोट बैंक राजनीति की मजबूरियों के बावजूद उन्हें कहीं रख सकें।


    बाबासाहेब को जो न्यूनतम स्वीकृति मिली,हरिचांद गुरुचांद ठाकुर,बशेश्वर के लिंगायत आंदोलन,पेरियार के द्रवि़ड़ आंदोलन,स्वाधिकार और शिक्षा के लिए महात्मा ज्योतिबा फूले और माता सावित्री बाई फूले, अय्यनंकाली  की पहली मजदूर किसान हड़ताल को उस तुलना में कोई मान्यता नहीं मिली है और बाकी देश के लोगों को उनके बारे में खास कुछ भी मालूम नहीं है।इस मायने में दलित आंदोलन निराधार है।


    बंकिम चंद्र के आनंदमठ और बंदेमातरम की वजह से साधु संत फकीर पीर बाउल के नेतृत्व में हिंदुओं औ मुसलमानों,आदिवासियों और बहुजनों के आंदोलन का इतिहास अब हिंदुत्व का इतिहास है तो वंदेमातरम हिंदू राष्ट्र का जयघोष है।यह इतिहास से हमारी बेदखली की शुरुआत है।


    इतिहासबोध और वैज्ञानिक दृष्टि के बिना हिंदू राष्ट्रवाद के इस निराधार आधारकार्ड को समझना उतना ही मुश्किल है जैसे सिंधु घाटी की नगर वाणिज्यिक सभ्यता के नागरिकों को बालीवूड फिल्मों में नरभक्षी आदिवासी के रुप में चित्रित करना और परित्राता के रुप में त्रिशुलधारी आर्य महानायक का अवतार या फिर शिवाजी महाराज की विरासत के खिलाफ और महाराष्ट्र के देशज बहुजन इतिहास के विध्वंस के तहत चितपावन बाजीराव का महिमामंडन है।


    चुआड़ विद्रोह के बारे में चर्चा होती ही नहीं है और महाश्वेता देवी ने बाकी किसान आदिवासी आंदोलनों के साथ इसकी चर्चा की है लेकिन हमारे अभिलेखागार या हमारे इतिहास या साहित्य में 1857 से पहले पलाशी की लड़ाई के तुरंत बाद भारतव्यापी शूद्र, मुसलमान,अछूत,आदिवासी शसकों के इस महाविद्रोह के बारे में कुछ भी कहीं उपलब्ध नहीं है।


    बंगाल के चंडाल आंदोलन और बाबासाहेब के आंदोलन से पहले अस्पृश्यता निषेध कानून  के बारे में शेखर बंदोपाध्याय ने लिखा है तो हाल में बांग्ला अखबारों में,टीवी चैनलों पर दलित सब अल्टर्न विमर्श में दलितों और बहुजनों की कोई भागेदारी नहीं है।इतिहास और लोक से बेदखली की वजह से यह अलगाव है क्योंकि शिक्षा और ज्ञान के अधिकार से वंचित हमारे पुरखों ने कुछ भी नहीं लिखा है।


    महात्मा ज्योतिबा फूले,बाबासाहेब अंबेडकर और पेरियार को छोड़कर दलितों और बहुजनों के इतिहास भूगोल की चर्चा दलितों और बहुजनों की ओर से कहीं हुई नहीं है जैसे भारत की स्वतंत्रता संग्राम का इतिहास सत्ता वर्ग के हितों के मुताबिक रचा गया है और इस संग्राम के बहुजन नायकों नायिकाओं की कोई कथा नहीं है।उसी तरह भारत विभाजन के शिकार लोगों की कोई कथा व्यथा विभाजनपीड़ितों की जुबानी में नहीं है।


    मेरे पिता तजिंदगी अंबेडकर और साम्यवादी,किसान और शरणार्थीि आंदोलन के सिलसिले में कैंसर से रीढ़ की हड़्डी गल जाने से मौत के अंजाम तक पहुंचने से पहले तक सक्रिय रहे।


    हमारे पुरखे मतुआ आंदोलन के भूगोल और इतिहास के लोग हैं।जो सन्यासी विद्रोह से लेकर नील विद्रोह और फिर तेभागा तक के लड़ाके रहे हैं।न मेरे पिता ने इस बारे में कुछ लिखा और न हमारे पुरखों ने कुछ लिखा।


    हरिचांद गुरुचांद ठाकुर ने भी स्वयं कुछ लिखा नहीं है।उनके अनुयायियों ने हरिलीला और गुरुचांद लीला भक्तिभाव से लिखा है,जिसमें इतिहासबोध और वैज्ञानिक दृष्टि नहीं है और बाकी भारत के लोगों को बहुजन समाज की इस पकी हुई जमीन के बारे में कोई अता पता नहीं है।


    बाबासाहेब को बंगाल से संविधान सभा में चुनकर भेजने वाले जोगेंद्र नाथ मंडल और बैरिस्टर मुकुंद बिरहारी मल्लिक ने भी कुछ लिखा नहीं है।महाप्राण जोगेंद्र नाथ मंडल ने तो वैसे ही पाकिस्तान का संविधान रचा है जैसे बाबासाहेब ने भारत का संविधान।लेकिन बाकी कुछ जोगेंद्र नाथ मडल ने नहीं लिखा।


    उनके बेटे जगदीश चंद्र मंडल ने अंहबेडकर जोगेंद्र पत्र व्यवहार,पुणे समझौता,साइमन कमीशन,असेंबली और संसद के माइन्यूट्स,अखबारी कतरनों और भारत विभाजन के दस्तावेजों का संकलन महाप्राण जोगेंद्रनाथ रचनावसली में कर दिया लेकिन मुकुंद बिहार मलिलिक और मंडल और मल्लिक के साथियों के हवाले से हमें कुछ भी मलूम नहीं है।


    इसीतरह हम अय्यंन काली की विरासत से बेदखल हैं।बशेश्वर के बारे में हम खास जानते ही नहीं है।बशेश्वर को पहचानते नहीं हैं।बुद्ध धर्म और धम्म के इतिहास को छोड़ दीजिये,हमने अभी गुरु ग्रंथ साहेब का पाठ बही नहीं किया है,जो अनिवार्य है।


    अंबेडकरवादियों का हल यह कि आंदोलन से दशकों से जुड़ेलोगों को बी बाबासाहेब का लिखा सिलसिलेवार पढ़ने की फुरसत नहीं है।


    गनीमत है कि बाबासाहेब  भीमराव अंबेडकर  पढ़ते लिखते रहे हैं और इसलिए भारतीय इतिहास. अर्थव्यवस्था, स्वतंत्रता संग्राम,धर्म कर्म और संविधान कानून के बारे में दलितों और बहुजनों का पक्ष हमें मालूम है वरना हमारा इतिहासबोध और वैज्ञानिक दृष्टि फिर वही सामंतवादी धर्मोन्माद के अलावा कुछ भी नहीं है।


    मेहनतकशों को अ आ इ ई सीखकर उन्हें हथियार बनाने का सबक सफदर हाशमी जो देते रहे हैं,उसका आशय इतिहास और भूगोल से बेदखली के खिलाफ लड़ाई का ऐलान है।


    अब सोशल मीडिया में लाखों की तादाद में बहुजन मौजूद है और हद से हद वे जयभींम और नमोबुद्धाय या पारिवारिक अलबम या जोक्स तक सीमाबद्ध है और उनका कोई कांटेट नहीं है।


    वे समझते ही नहीं है कि ब्राह्मणवाद के अनंत कांटटेंट के मुकाबले बहुजनों क पक्ष में और आम जनता के मुद्दों पर कोई कांटेट रचे बिना हम नया इतिहास बनाने की कोई तैयारी कर ही नहीं सकते और कहीं से इस कैद से रिहाई का रास्ता भी इस मूक वधिर जनता के लिए कोई मसीहा  बना नहीं सकता।


    हमारे जैसे इक्का दुक्का लोग जो बहुजन विमर्श का कांटेट शेय़र करते हैं,वे उसे पढ़ते भी नहीं हैं और मीडिया और मुख्यधारा को गरियाने या ब्राह्मणों के खिलाफ युद्धघोषणा करके अपनी हर हरकत से ब्राह्मणवाद को मजबूत करते हुए हिंदुत्व की वानर सेना बने हुए हैं।और मुक्तबाजारी जाति तिलिस्म को अपनी क्रयशक्ति से हत्यारी सत्ता संस्कृति में बदलने में उनकी निर्णायक भूमिका है।वे नहीं बदले तो कुछ भी नहीं बदलेगा।


    अपने हिस्से का इतिहास दर्ज किये बिना बदलाव की कोई लड़ाई असंभव है क्योंकि भारत के बहुसंख्य लोग इतिहास भूगोल और संविधान में अस्पृश्य हैं चाहे जाति धर्म और नस्ल और भाषा उनकी कुछ भी हो।

    अलगाव की जमीन यहीं पर बनती है।


    इतिहास की गहराई में पैठे तो साफ जाहिर है कि राजतंत्र में भी जो लोकतंत्र की विविधता और बहुलता भारतीय इतिहास की विरासत है,हम आज उससे सिरे से बेदखल हैं।फिरभी भारत लोक गणराज्य है।जो कुल मिलाकर सलवाजुड़ुम है या फिर शशत्र सैन्य विशेधाकार कानून है और हमारी कोई नागरिकता है ही नही।


    रवींद्रनाथ की चर्चा हम बार बार करते हैं जिसे इस देश के मुसलमान और बहुजन ब्राह्मणवाद का अवतार मानकर कारिज कर देते हैं और नहीं जानते कि वे जाति से अस्पृस्य ब्राह्मण थे और बहिस्कृत उनका परिवार पूर्वी बंगाल से कोलकाता आया और उनके पुरखों में अनेक लोग मुसलमान और दलित बनकर पूर्वी बंगाल में ही मर खप गये और उनके परिवार ने भी ब्राह्मणत्व को तिलांजलि देकर ब्रह्मसामाज आंदोलन में निर्णायक भूमिका अदा की और इसी वजह से नौबेल पुरस्कार पाने के बाद भी वे पुरी के मंदिर में उसी तरह अस्पृश्यता के अपराध में निषिद्ध घोषित हुए जैसे भारत की प्रधानमंत्री की हैसियत से भी श्रीमता इंदिरा गांधी को पारसी फिरोज गांधी से विवाह के अपराध में काठमांडो के पशुमति मंदिर में घुसने नही दिया गया।नेहरु वंश की विरासत,कश्मीरी पंडित की पहचान को हिंदुत्व ने कोई रियायत नहीं दी है।


    आज ही बंगाल के वरिष्ठ पत्रकार जयंत घोषाल ने बांग्ला दैनिक आनंदबाजार पत्रिका के अपने संपादकीय आलेख में अखंड हिंदू समाज के बारे में लिखते हुए शीर्षस्थ संघियों के हवाले से लिखा है कि सौ विवेकानंद भी पैदा हो जाये तो चंडाल जनम जनम तक चंडाल रहेंगे।जाति व्यवस्था का अंत नहीं है।अस्पृश्यता अनंत है।


    यह हिंदू राष्ट्रवाद है और इस नजरिये से हिंदुत्व के एकमात्र शूद्र मसीहा स्वामी विवेकानंद का नरनारायण उसीतरह अस्पृश्य है जैसे रवींद्रनाथ का नरनारायण।


    यह आंदोलन से भी  जरुरी है कि हम पहले समझ लें कि दलितों, आदिवासियों, विभाजनपीड़ितों और मुसलमानों के सफाये के इस राजकाज और राजधर्म का प्रस्थानबिंदू इतिहास और भूगोल से उनकी बेदखली का खुल्ला मुक्तबाजारी एजंडा है।


    एक बात और,बाबासाहेब का जाति उन्मूलन का मिशन उनकी विचारधारा और आंदोलन का प्रस्थानबिंदू है तो हिंदुत्व से और महात्मा गाधी से लेकर सवर्ण राष्ट्रीयता के तमाम राष्ट्रनेताओं से उनके मतभेद और टकराव से लेकर पुणे करार और आरक्षण के मौजूदा राजनीतिक बंदोबस्त का आधार फिर वही जाति उन्मूलन का एजंडा है।उनके इस एजंडा में आर्यसमाज आंदोलन की भी खास भूमिका है।


    आर्यसमाजियों के जाति तोड़क स्मेलन में बाबासाहेब को भाषण देना था और ब्राह्मणवाद पर उनके निर्मम प्रहार के कारण आर्यसमाजियों ने बाबासाहेब को यह भाषण देने की इजाजत नहीं दी तो उन्होंने इस भाषण को पुस्तकार छापा।जिस पर गांधी ने हिंदू समाज के विघटन की दलील के तहत कड़ा ऐतराज जताया और उनके तर्कों का बाबासाहेब ने खंडन किया।


    इस विमर्श का भारत के कम्युनिस्टों ने कोई नोटिस नहीं लिया जाति व्वस्था के कारण भारत में वर्गीय ध्रूवीकरण की अनंत बाधाओं के सामाजिक यथार्थ के बावजूद तो भारत के बहुसंख्य आम जनता को भी जैसे धम्म में पैठी अपनी सांस्कृतिक जड़ों और सामाजिक आचरण और मूल्यबोध की कोई समझ या चेतना नहीं है,वैसे ही जाति उन्मूलन के बाबासाहेब के इस एजंडे का हमें अता पता नहीं है।


    बंगाल में मतुआ आंदोलन और पंजाब में आर्यसमाज आंदोलन भारत में वैदिकी कर्म कांड और ब्राह्मणवाद के विरोध में,जातिव्यवस्था के खिलाफ मुख्यधारा के बहुजन आंदोलन रहे हैं।जिसका आम लोगों पर असर देशव्यापी बहुत घना रहा है।


    बंगाल में तो बहुजनों के साथ साथ मुसलमान भी बड़ी संख्या में मतुआ आंदोलन के सिपाही थे और आज भी बांग्लादेश में मतुआ आंदोलन में मुसलमान शामिल हैं लेकिन पश्चिम बंगाल में नहीं हैं।बंगाल में दरअसल मतुआ आंदोलन सता का वोटबैंक है।


    हिंदुत्व के पुनरूत्थान से हम आर्यसमाज आंदोलन से बेदखल हैं और हमें इसका कोई अहसास तक नहीं है जैसे मतुआ लोगों को अपना इतिहास मालूम नहीं है।

    आर्यसमाज का अवसान का नतीजा यह बेमौसम कयामती हिंदुत्व है।


    बांग्लादेश  में ग्लोबल आतंकी नेटवर्क के साथ युगलबंदी में जितना प्रलयंकर होकर बांग्ला राष्ट्रीयता के लोकतांत्राक धर्मनिरपक्ष प्रगतिशील ढाचे को खत्म करने पर आमाजदा है इस्लामी जिहादी धर्मोन्माद और आतंकवाद उसके मुकाबले भारत के हिंदू तालिबान के खिलाफ मोर्चाबंदी करीब करीब अनुपस्थित होने के सामाजिक यथार्थ के मुकाबले बांग्लादेश में दलित आंदोलन में समस्त बौद्ध, ईसाई, अल्पसंख्यकों, आदिवासियों, प्रगतिशील धर्मनिरपेक्ष मुसलमानों,साधु संतों,पीरो,फकीरों और बाउलों का आंदोलन एकताबद्ध दलित आंदोलन है जो दरअसल अब भी पूर्वी बंगाल की विरासत के मुताबिक बहुजन आंदोलन है जो भारत के पश्चिम बंगाल में भी अनुपस्थित है।


    भारत में हिंदुत्व के मोर्चे से बांग्लादेश की इसी प्रगतिशाल धर्मनिरपेक्ष लोकतांत्रिक दलितआंदोलन पर हमले ज्यादा हो रहे हैं।धर्मोन्माद पर बहुत कम।


    हम बार बार लिख रहे हैं कि भारत का विभाजन मोहनजोदोड़ो और हड़प्पा की सिंधु घाटी का विभाजन है और इसका आशय वही इतिहास और भूगोल,मातृभाषा और लोक संस्कृति से बेदखली है।


    इसीके साथ ही यह बंगाल के  मतुआ आंदोलन और पंजाब के आर्यसमाज आंदोलन का विभाजन और बंटाधार है जो बहुजनों के विध्वंस और आत्मध्वंस का आधार है।


    भारत विभाजन से पहले मुसलमानों और गैरहिंदुओं का यह अलगाव भारतीय इतिहास के किसी भी कालखंड में हुआ नहीं है।


    भारत विभाजन से पहले हिमलयी जनता सवर्ण और बहुजनों,दोनों  का यह अलगाव भारतीय इतिहास के किसी भी कालखंड में हुआ नहीं है।


    भारत विभाजन से पहले बाहुबलि सवर्ण राजपूतों और क्षत्रियों  का यह अलगाव भारतीय इतिहास के किसी भी कालखंड में हुआ नहीं है।


    भारत विभाजन से पहले प्रगतिशील और धर्मनिरपेक्ष नागरिकता  का यह अलगाव भारतीय इतिहास के किसी भी कालखंड में हुआ नहीं है।


    भारत विभाजन से पहले आदिवासियों का यह अलगाव भारतीय इतिहास के किसी भी कालखंड में हुआ नहीं है।


    भारत विभाजन से पहले पिछड़ों का यह अलगाव भारतीय इतिहास के किसी भी कालखंड में हुआ नहीं है।


    भारत विभाजन से पहले दलितों और बहुजनों  का यह अलगाव भारतीय इतिहास के किसी भी कालखंड में हुआ नहीं है।


    भारत विभाजन से पहले मेहनतकशों और किसानों  का यह अलगाव भारतीयइतिहास के किसी भी कालखंड में हुआ नहीं है।


    भारत विभाजन से पहले बच्चों और स्त्रियों का यह अलगाव भारतीय इतिहास के किसी भी कालखंड में हुआ नहीं है।


    कल हमने अभिषेक श्रीवास्तव के ऊना आंदोलन के बाद दलितों के अलगाव और उनपर हो रहे सवर्णों के हमलों पर रपट से पहले हस्तक्षेप पर लिखा है कि आजादी कोई रोटी नहीं है कि जब चाहे तब उसे पृथ्वी की शक्ल दे दें।वह आलेख बी पढ़ लें।


    अभिषेक की टिप्पणी पर हमने लिखा है कि कि इस अलगाव की खास वजह आंदोलन की तैयारी न हो पाना है और हमलों की वजह भी यही अलगाव है क्योंकि आंदोलन छिटपुट भावावेग है और इसकी कोई संरचना अभी बनी नहीं है।


    आंदोलन ही काफी नहीं है।

    आंदोलन में शामिल जनसमूहों को सलवा जुड़ुम से बचाने की जिम्मेदारी नेतृत्व की है।

    इसके लिए देशव्यापी मोर्चाबंदी अनिवार्य है और हमने इस दिशा में अभी कुछ किया नहीं है तो छिटपुट धमाकों से हिंदुत्व की इस सर्वनाशी सुनामी का मुकाबला करना असंभव है।


    दलित अकेले यह लड़ाई जीत नहीं सकते जबतक कि हम आम लोगों को ब्राह्मणवाद के खिलाफ मोर्चाबंद कर न लें।ब्राह्मणवादी समरसता के मुकाबले आम जनता का मानवबंधन बेहद जरुरी है और भारतीय छात्रों और युवाओं ने इसकी पहल कर दी है।


    भारतीय स्त्रियों  की पितृसत्ता विरोधी आंदोलन की नींव पर छात्रों और युवाओं के इसी आंदोलन को मनुस्मृति दहन दलित आंदोलन में तब्दील करने की अब चुनौती है।


    आदिवासियों,मेहनतकशों और पिछड़ों को दलितों के साथ खड़ा करना पहले जरुरी है।पितृसत्ता के खिलाफ आधी आबादी को एकजुट करना भी जरुरी है।










    --
    Pl see my blogs;


    Feel free -- and I request you -- to forward this newsletter to your lists and friends!

    0 0

    हस्तक्षेप के संचालन में छोटी राशि से सहयोग दें


    RECENT POSTS




    0 0
    0 0

    Mohan Rabidas 

    #SAVE_BOIKONTHOPUR , #SAVE_TEA_WORKERS 
    Tea workers of Boikunthapur Tea Estate in Madhabpur upazila of Habiganj district are not getting their wages and ration for 14 weeks. On the other hand tea workers are not getting any medical treatment for 8 month. 4 tea workers already died for not getting medical treatment. All other opportunities provided by tea garden authority are stopped for 1 year. Violating the lease dead authority of Boukunthopur Tea Estate sold the shade trees and sand mine of the garden. 
    As there is no income opportunity outside the tea garden, tea workers of Boikunthopur are in great economic crisis. Serious food crisis grips 416 tea garden workers along with around 4000 family members .These people are now struggling for existence, living on liquid extract from boiled rice and mashed tea leaves and chillies while the authorities continue receiving their labour.
    "Give me food or shoot me -- I would say if I could see or had enough energy to shout. I'm too old to go elsewhere to earn money?" said Jamuna Sawtal, an 80-year-old blind woman in the tea garden area.
    "I was happy to hear my grandson's plan to marry soon but now we are frustrated because tea garden owner did not pay him wages for 13 weeks," she said.
    Sudhamoni Bhumij, 75, says, "If the government does not help us during the crisis period, I would rather like to be beheaded and let my blood flow in the garden."
    "Hardship and struggle are constant companions of most of the indigenous people living in the area. But the present food crisis has left us in suffering worse than ever before," said Kartik Chowhan, 92, breaking down in tears.
    Minoti Kairi, a tea worker of the garden, said they stopped their children's schooling due to the crisis.
    Monib Karmakar, general secretary of Bangladesh Tea Labour Union's Baikunthapur tea garden unit, said the workers are falling sick as they have to pass their days half-fed for not getting wages with ration for 13 weeks. 
    Most of the staff left the tea garden as they do not get salary regularly, he added.
    "We request the owner to come on the spot and see our plight. Throughout the life we have worked in the tea garden. Where will we go now?" said Modhu Sawtal, 62. 
    "We are also not getting proper treatment as the lone hospital of the garden has remained closed for the last six months," Ramnath Keut, Baikunthapur unit president of Bangladesh Tea Labour Union, said when this correspondent visited the tea garden on Monday.
    An immediate help is needed to save the garden and tea workers.

    I am requiting you to come forward to help the tea workers of Boikunthopur Tea Garden


    0 0

    बोधगया धम्म संदेश

    समाज और राष्ट्र के मनुष्यकल्याणे बहुजन हिताय नवनिर्माण,समता और न्याय का मिशन ही धम्म है।

    पलाश विश्वास

    डा.भिक्खु सत्यपाल महाथेरा की अध्यक्षता में बोधगया में भिक्खु संघ के धम्म सांसदों और भारत के लगभग सभी राज्यों से विभिन्न बौद्ध संगठनों के राष्ट्रीय,प्रादेशिक,जिला नेतृत्व और विभिन्न ट्रस्टों के प्रतिनिधियों की धम्म संसद 20 और 21 अगस्त को संपन्न हो गयी और बोधगया धम्म संदेश जारी हो गया।


    इस मौके पर भिक्खु भंतों और विभिन्न बौद्ध संगठनों के साथ हमारी रात दिन अलग अलग बातचीत भी होती रही है।जिसका खुलासा हम आगे बहस और संवाद के सिलसिले में करते रहेंगे।बोधगया धम्मसंदेश पर भी हम बिंदुवार चर्चा जारी रखेंगे।


    इसबीच गुगल प्लस के बाद अब फेसबुक का पुराना खाता हमारे काम का नहीं रहा।फेसबुक का नया खाता खुला है।इसलिए संवाद सीमित दायरे में ही संभव है।


    जो लोग अब भी हमारी प्रासंगिकता और मित्रता काम लायक जरुरी मानते हैं, वे कृपया मेरे नये फेसबुक खाते या लिंकडइन से जुड़ें तो बेहतर।अलग से मेल भेजना  भी संभव नहीं है।सीधे हस्तक्षेप से संपर्क साधने का नंबर हैः 09312873760.


    धम्मसंसद के बारे में विस्तृत ब्यौरे आशाराम गौतम से हासिल कर सकते हैं और उनका नंबर हैः09899853744.

    जिन्हें भी इस संवाद के सिलसिले में कुछ कहना है,वे हस्तक्षेप या आसारम गौतम से संपर्क साध सकते है।



    बोधगया धम्म संदेश के प्रसारण के लिए हस्तक्षेप की नेटवर्किंग भी अनिवार्य है,कपया इसे जारी रखने की भी सोचें।जो अधर्म के खिलाफ गौतम बुद्ध के पंथ और अंबेडकर भगतसिंह की विचारधारा के तहत समाज और राष्ट्र के कायाकल्प के मिशन में लगे हैं,वैचारिक भिन्नता और अस्मिता विविधता बहुतलता और विभिनन्ता के बावजूद ङम इस अभियान में उन सबका साथ चाहते हैं जाति धर्म नस्ल भाषा निर्विशेष क्योंकि हमारी सर्वोच्च प्राथमिकता मनुष्यता ,सभ्यता और प्रकृति के हित हैं।


    इस अभियान में उन सबका साथ चाहते हैं जाति धर्म नस्ल भाषा निर्विशेष क्योंकि  समाज और राष्ट्र के मनुष्यकल्याणे बहुजन हिताय नवनिर्माण,समता औॅर न्याय का मिशन ही धम्म है।


    धम्म संसद के माध्यम से देशभर के जिन प्रतिनिधियों से हमारा संवाद अभी अभी शुरु हुआ है,उनसे भी निवेदन है कि वे हमारे नये फेसबुक खाते से जुड़कर हमें अपने क्षेत्र में हो रही गतिविधियों और संवाद का सिलसिलेवार ब्यौरा देते रहें।जितने जिलों और क्षेत्रों के प्रतिनिधि बोधगया में हमारे साथ थे,वे तमाम लोग हमारे साथ खड़ रहें तो फिर देख लें कि बिन कारपोरेट मीडिया बदलाव के लाखोंलाख रास्ते खुलते और खिलते हैं।हर जिले से नेटवर्किंग बना लें हम तो इस हिंसा के रंगभेदी नरमेधी फासिज्म के राजकाजी अधर्म के खिलाफ बोधगया संदेश से धम्म चक्र अभियान के तहत ही मानवकल्याण है।

    धम्मसंसद का आयोजन यूं तो पांचवीं दफा हुआ लेकिन इस बार धम्म संसद में धम्म की प्रासंगिकता वैश्विक ज्वलंत समस्याओं के संदर्भ में और भारत राष्ट्र में खासतौर पर अमन चैन,बंधुत्व, मैत्रीभाव,सहिष्णुता,विविधता बहुलता समता और न्याय के आधार पर महात्मा गौतम बुद्ध के पंथ पर राष्ट्र और समाज के नवनिर्माण पर बहुआयामी संवाद का सिलसिला शुरु हुआ है।


    इस बार धम्म संसद में भारत में बौद्ध धर्म की चुनौती,जाति व्यवस्था और आरक्षण के सिलसिले में बाबासाहेब डा.भीमराव अंबेडकर के जाति उन्मूलन के एजंडा के तहत समता और न्याय के लिए वर्गीय ध्रूवीकरण,राष्ट्र व्यवस्था और सामाजिक क्रांति के कार्यभार के संदर्भ में धम्म की व्याख्या और तदनुसार भावी कार्ययोजनाओं के तहत भारत और भारत की सीमाओं से बाहर मनुष्यता और प्रकृति के हित में मनुष्य के कल्याण आधारित धम्म चक्र प्रवर्तन की आवश्यकता पर गहन विचार विमर्श हुआ।


    बुद्ध धर्म की चुनौतियों और समस्याओं को भारत के संविधान के फ्रेम के मातहत संवैधानिक तरीके से सुलझाने के लिए अलग बुद्धिस्ट पर्सनल ला,बुद्धिष्ट मैरेज एक्ट जैसे कुल बीस सूत्री एजंडा पर सुप्रीम कोर्ट और हाईकोर्ट के विधि विशेषज्ञ पैनलों की मौजूदगी में विचार के बाद बोधगया धम्मसंदेश जारी करके भारतवर्ष और संपूर्ण विश्व के मनुष्यों को प्रेमबंधन में बांधने की  मानव शृंखला गढ़ते हुए मुक्तबाजारी अभूतपूर्व हिंसा और आतंकी तांडव के साथ हिंदुत्व के फासीवादी नरसंहारी अभियान के मुकाबले का संकल्प बौद्ध संगठनों की ओर से लिया गया।


    इस बारे में तमाम तथ्य,चित्र,वीडियो और दस्तावेज हम हस्तक्षेप से जारी कर सकें, इसके लिए लिए बौद्ध संगठनों के राष्ट्रीय समन्वय समिति के राष्ट्रीय संगठक आशा राम गौतम और कानूनी सलाहकार एडवोकेट अंबिका राय जल्द ही हस्तक्षेप संपादक से मिलेंगे,ऐसा तय हुआ है।वे जितनी जल्दी संबंधित सामग्री हमें उपलब्ध करा देंगे, उतनी तेजी से हम धम्म संदेश पर संवाद का विषय विस्तार करेंगे।


    धर्मांध मुक्तबाजारी सुनामी के खिलाफ धम्मचक्र प्रवर्तन के इस नये अभियान के विविध आयामों और कार्यक्रमों और मुद्दों पर हम बौद्ध संगठनों और भिक्खू संगठनों के आधिकारिक वक्तव्य और दस्तावेजों के मिलने के क्रम में खुली चर्चा करेंगे।फिलहाल आशाराम गौतम जी पर निर्भर है कि वे बाकी देश से संवाद के क्या तौर तरीके अपनाते हैं और इस संवाद में हमारी क्या भूमिका होगी।



    --
    Pl see my blogs;


    Feel free -- and I request you -- to forward this newsletter to your lists and friends!

    0 0

    बोधगया धम्म संदेश

    समाज और राष्ट्र के मनुष्यकल्याणे बहुजन हिताय नवनिर्माण,समता और न्याय का मिशन ही धम्म है।

    पलाश विश्वास

    डा.भिक्खु सत्यपाल महाथेरा की अध्यक्षता में बोधगया में भिक्खु संघ के धम्म सांसदों और भारत के लगभग सभी राज्यों से विभिन्न बौद्ध संगठनों के राष्ट्रीय,प्रादेशिक,जिला नेतृत्व और विभिन्न ट्रस्टों के प्रतिनिधियों की धम्म संसद 20 और 21 अगस्त को संपन्न हो गयी और बोधगया धम्म संदेश जारी हो गया।


    इस मौके पर भिक्खु भंतों और विभिन्न बौद्ध संगठनों के साथ हमारी रात दिन अलग अलग बातचीत भी होती रही है।जिसका खुलासा हम आगे बहस और संवाद के सिलसिले में करते रहेंगे।बोधगया धम्मसंदेश पर भी हम बिंदुवार चर्चा जारी रखेंगे।


    इसबीच गुगल प्लस के बाद अब फेसबुक का पुराना खाता हमारे काम का नहीं रहा।फेसबुक का नया खाता खुला है।इसलिए संवाद सीमित दायरे में ही संभव है।


    जो लोग अब भी हमारी प्रासंगिकता और मित्रता काम लायक जरुरी मानते हैं, वे कृपया मेरे नये फेसबुक खाते या लिंकडइन से जुड़ें तो बेहतर।अलग से मेल भेजना  भी संभव नहीं है।सीधे हस्तक्षेप से संपर्क साधने का नंबर हैः 09312873760.


    राष्ट्रीय बौद्ध धम्म संसद के बारे में विस्तृत ब्यौरे आशाराम गौतम से हासिल कर सकते हैं और उनका नंबर हैः09899853744.

    जिन्हें भी इस संवाद के सिलसिले में कुछ कहना है,वे हस्तक्षेप या आशाराम गौतम से संपर्क साध सकते है।



    बोधगया धम्म संदेश के प्रसारण के लिए हस्तक्षेप की नेटवर्किंग भी अनिवार्य है,कपया इसे जारी रखने की भी सोचें।जो अधर्म के खिलाफ तथागत गौतम बुद्ध के धम्म और पंचशील के साथ बोधिसत्व बाबासाहेब भीमराव अंबेडकर और शहीदेआजम भगतसिंह की विचारधारा के तहत समाज और राष्ट्र के कायाकल्प के मिशन में लगे हैं,वैचारिक भिन्नता और अस्मिता विविधता बहुतलता और विभिनन्ता के बावजूद हम इस अभियान में उन सबका साथ चाहते हैं जाति, धर्म, नस्ल, भाषा निर्विशेष क्योंकि हमारी सर्वोच्च प्राथमिकता मनुष्यता ,सभ्यता और प्रकृति के हित हैं।


    इस अभियान में उन सबका साथ चाहते हैं जाति धर्म नस्ल भाषा निर्विशेष क्योंकि  समाज और राष्ट्र के मनुष्यकल्याणे, बहुजन हिताय नवनिर्माण,समता और न्याय का मिशन ही धम्म है।


    धम्म संसद के माध्यम से देशभर के जिन प्रतिनिधियों से हमारा संवाद अभी अभी शुरु हुआ है,उनसे भी निवेदन है कि वे हमारे नये फेसबुक खाते से जुड़कर हमें अपने क्षेत्र में हो रही गतिविधियों और संवाद का सिलसिलेवार ब्यौरा देते रहें।


    जितने जिलों और क्षेत्रों के प्रतिनिधि बोधगया में हमारे साथ थे,वे तमाम लोग हमारे साथ खड़े रहें तो फिर देख लें कि बिना कारपोरेट मीडिया बदलाव के लाखोंलाख रास्ते खुलते और खिलते हैं।


    हर जिले से नेटवर्किंग बना लें हम, तो इस हिंसा के रंगभेदी नरमेधी फासिज्म के राजकाजी अधर्म के खिलाफ बोधगया संदेश से धम्म चक्र अभियान के तहत ही मानवकल्याण है।

    राष्ट्रीय बुद्ध धम्मसंसद का आयोजन यूं तो पांचवीं दफा हुआ लेकिन इस बार धम्म संसद में धम्म की प्रासंगिकता वैश्विक ज्वलंत समस्याओं के संदर्भ में और भारत राष्ट्र में खासतौर पर अमन चैन,बंधुत्व, मैत्रीभाव,सहिष्णुता,विविधता बहुलता समता और न्याय के आधार पर तथागत गौतम बुद्ध के धम्म पर राष्ट्र और समाज के नवनिर्माण पर बहुआयामी संवाद का सिलसिला शुरु हुआ है।


    इस बार धम्म संसद में भारत में बौद्ध धर्म की चुनौती,जाति व्यवस्था और आरक्षण के सिलसिले में बोधिसत्व बाबासाहेब डा.भीमराव अंबेडकर के जाति उन्मूलन के एजंडा के तहत समता और न्याय के लिए वर्गीय ध्रूवीकरण,राष्ट्र व्यवस्था और सामाजिक क्रांति के कार्यभार के संदर्भ में धम्म की व्याख्या और तदनुसार भावी कार्ययोजनाओं के तहत भारत और भारत की सीमाओं से बाहर मनुष्यता और प्रकृति के हित में मनुष्य के कल्याण आधारित धम्म चक्र प्रवर्तन की आवश्यकता पर गहन विचार विमर्श हुआ।


    बुद्ध धर्म की चुनौतियों और समस्याओं को भारत के संविधान के फ्रेम के मातहत संवैधानिक तरीके से सुलझाने के लिए अलग बुद्धिस्ट पर्सनल ला,बुद्धिष्ट मैरेज एक्ट,बुद्धबिहार मोनास्ट्री एक्ट जैसे कुल 28 सूत्री एजंडा पर सुप्रीम कोर्ट और हाईकोर्ट के विधि विशेषज्ञ पैनलों की मौजूदगी में विचार के बाद बोधगया धम्मसंदेश जारी करके भारतवर्ष और संपूर्ण विश्व के मनुष्यों को प्रेमबंधन में बांधने की  मानव शृंखला गढ़ते हुए मुक्तबाजारी अभूतपूर्व हिंसा और आतंकी तांडव के साथ हिंदुत्व के फासीवादी नरसंहारी अभियान के मुकाबले का संकल्प बौद्ध संगठनों की ओर से लिया गया।


    इस बारे में तमाम तथ्य,चित्र,वीडियो और दस्तावेज हम हस्तक्षेप से जारी कर सकें, इसके लिए लिए बौद्ध संगठनों के राष्ट्रीय समन्वय समिति के राष्ट्रीय संगठक आशा राम गौतम और कानूनी सलाहकार,सुप्रीम कोर्ट के एडवोकेट अंबिका राय जल्द ही हस्तक्षेप संपादक से मिलेंगे,ऐसा तय हुआ है।वे जितनी जल्दी संबंधित सामग्री हमें उपलब्ध करा देंगे, उतनी तेजी से हम धम्म संदेश पर संवाद का विषय विस्तार करेंगे।


    धर्मांध मुक्तबाजारी सुनामी के खिलाफ धम्मचक्र प्रवर्तन के इस नये अभियान के विविध आयामों और कार्यक्रमों और मुद्दों पर हम बौद्ध संगठनों और भिक्खू संगठनों के आधिकारिक वक्तव्य और दस्तावेजों के मिलने के क्रम में खुली चर्चा करेंगे।


    फिलहाल आशाराम गौतम जी पर निर्भर है कि वे बाकी देश से संवाद के क्या तौर तरीके अपनाते हैं और इस संवाद में हमारी क्या भूमिका होगी।





older | 1 | .... | 279 | 280 | (Page 281) | 282 | 283 | .... | 303 | newer