Are you the publisher? Claim or contact us about this channel


Embed this content in your HTML

Search

Report adult content:

click to rate:

Account: (login)

More Channels


Channel Catalog


Channel Description:

This is my Real Life Story: Troubled Galaxy Destroyed Dreams. It is hightime that I should share my life with you all. So that something may be done to save this Galaxy. Please write to: bangasanskriti.sahityasammilani@gmail.comThis Blog is all about Black Untouchables,Indigenous, Aboriginal People worldwide, Refugees, Persecuted nationalities, Minorities and golbal RESISTANCE.

older | 1 | .... | 224 | 225 | (Page 226) | 227 | 228 | .... | 303 | newer

    0 0

    This story is posted from Bangladesh which tells about the destruction of Sundar Bans under government initiative in detail! However,it is the same story across the border and we have been warning against this man made calamity.
    Palash Biswas
    সুন্দরবন বিনাশী প্রকল্প নিয়ে সরকার-কোম্পানির প্রলাপ

    ​   ​
    আনু মুহাম্মদ

    গত কিছুদিনে সুন্দরবনধ্বংসী প্রকল্প নিয়ে সরকার ও কোম্পানির তৎপরতা অনেক বেড়েছে। সুন্দরবন রক্ষার রোডমার্চে পুলিশী হামলারামপাল বিদ্যুৎ প্রকল্পের পক্ষে ভুল ও মিথ্যাচারে ভরা কোম্পানির প্রচারণামন্ত্রী ও মন্ত্রী আকাঙ্খীদের সুন্দরবন রক্ষার আন্দোলন নিয়ে কুৎসাসুন্দরবন এলাকায় ১১ সচিবের সফর ও সাংবাদিকদের ডেকে ভুল কথাবার্তাবিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রীরও একইরকম সাফাই চেষ্টা ইত্যাদি পরপর ঘটেছে।
    চটকদার বিজ্ঞাপন দিলেই যেমন একটি পণ্যের মান ভালো বোঝায় নাতেমনি বিজ্ঞাপনের ঢঙে এক অসত্য কথা বারবার বললেই তা সত্য হয়ে যায় না। রামপাল বিদ্যুৎ কেন্দ্র নিয়ে সরকার এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গের কথাবার্তা তেমনই। বিশেষজ্ঞ মত ও জনমত পুরোপুরি অগ্রাহ্য করে একটি সর্বনাশা প্রকল্পকে জায়েজ করবার চেষ্টা তাই সরকারকে আরও বেশি হেয় করে তুলছে। সুন্দরবন রক্ষার জন্য যারা শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি দিচ্ছেন তাঁদের ওপর উপর্যুপরি পুলিশী হামলা,হয়রানিতাঁদেরকে তুচ্ছতাচ্ছিল্য করা ইত্যাদিতে এটাই প্রকাশিত হয় যেসরকার সুন্দরবনধ্বংসী প্রকল্পের বিরুদ্ধে জনমতের ভয়ে ভীতসন্ত্রস্ত। তাই যুক্তির কথা শুনতেশান্তিপূর্ণ কর্মসূচিতেও তাদের ভয়। অপরাধী মন আতংকে দিশেহারা হলেই কেবল এরকম আচরণ সম্ভব।
    গত ২১ অক্টোবর ভারতের এনটিপিসি ও বাংলাদেশের পিডিবির যৌথ উদ্যোগে গঠিত 'বাংলাদেশ-ইন্ডিয়া ফ্রেন্ডশিপ পাওয়ার কোম্পানি'র পক্ষ থেকে সুন্দরবন রক্ষার আন্দোলনের প্রতি কটাক্ষ ও প্রকল্প সম্পর্কে ভুল ও বিকৃত তথ্যে ভরা এক বিবৃতি বিভিন্ন সংবাদপত্রে প্রকাশিত হয়েছে। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, 'কতিপয় ব্যক্তি ও সংগঠন''দেশের উন্নয়নকে ব্যাহত করতে'রামপাল বিদ্যুৎ কেন্দ্র সম্পর্কে অপপ্রচার চালাচ্ছে। কোম্পানির বক্তব্য হচ্ছে, 'এই বিদ্যুৎ কেন্দ্রে পরিবেশ,জীববৈচিত্র ও এলাকার মানুষের ক্ষতি হওয়ার কোন আশঙ্কা নেই।'তাদের ভাষায় যে 'কতিপয় ব্যক্তি ও সংগঠন'এই প্রকল্পের বিরোধিতা করছেন তার মধ্যে তাহলে কারা আছেনএই আন্দোলনে তেল গ্যাস খনিজ সম্পদ ও বিদ্যুৎবন্দর রক্ষা জাতীয় কমিটি এবং কমিটিভুক্ত বিভিন্ন সংগঠন ও ব্যক্তি ছাড়াও আছেন দেশি বিদেশি স্বাধীন বিশেষজ্ঞলেখকশিল্পীসাংবাদিক,পরিবেশবাদীসহ দেশের বিভিন্ন স্তরের মানুষ। শুধু দেশে নয়সুন্দরবনধ্বংসী সরকারের ভূমিকা আন্তর্জাতিকভাবেও প্রশ্নবিদ্ধসেজন্য এই প্রকল্পের বিরুদ্ধে দেশের বাইরেও প্রতিবাদ বাড়ছে। এর বিরুদ্ধে আছে জাতিসংঘের ইউনেস্কো ও রামসারআছে দক্ষিণ এশিয়া মানবাধিকার ফোরাম,নরওয়ের অর্থসংস্থানকারী প্রতিষ্ঠান কাউন্সিল অব এথিক্স। ইউনেস্কো এরকম আশংকাও প্রকাশ করেছে যেএই প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে বিশ্ব ঐতিহ্যের তালিকা থেকে বাংলাদেশের নাম বাদ যাবে। ইউনেস্কো এবং রামসার থেকে একাধিকবার সুন্দরবন ঘিরে একাধিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রসহ বিভিন্ন মুনাফামুখি তৎপরতায় উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে। নরওয়ে সুন্দরবন ধ্বংসের এই প্রকল্পে যুক্ত থাকার অভিযোগ তুলে ভারতের এনটিপিসিতে অর্থযোগান বন্ধ করে দিয়েছে। কয়েকটি আন্তর্জাতিক ব্যাংক এই প্রকল্পে অর্থ যোগান না দেবার ঘোষণা দিয়েছে। এসবের বাইরেও বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থা এর নিন্দা জানাচ্ছে। আর দেশের ভেতরে শত বাধা সত্ত্বেও ক্ষোভ বিক্ষোভ বাড়ছেই। বস্তুত কোম্পানি ও কতিপয় দেশি বিদেশি সুবিধাভোগী ও কাণ্ডজ্ঞানলুপ্ত কিছু ব্যক্তি ছাড়া সকলেই এর বিরুদ্ধে। এমনকি সরকারের পরিবেশ অধিদপ্তর ও বনবিভাগ থেকেও এই প্রকল্প নিয়ে শুরুতেই আপত্তি করা হয়েছিলো।
    কতিপয় ব্যক্তি ও কোম্পানি বাদে সকলের এই বিরোধিতা তৈরি হয়েছে সুন্দরবনের ওপর কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র যে ভয়াবহ ও ধ্বংসাত্মক প্রভাব ফেলবে সে সম্পর্কে বিভিন্ন গবেষণা থেকে নিশ্চিত হবার মাধ্যমে। বিশেষজ্ঞরা বিস্তারিত তথ্য ও যুক্তি দিয়ে দেখিয়েছেন যেপ্রাকৃতিক রক্ষাবর্ম হিসেবে বাংলাদেশের মানুষ ও প্রকৃতিকে যে সুন্দরবন রক্ষা করেএবং অসাধারণ জীববৈচিত্রের আধার হিসেবে যা প্রকৃতির ভারসাম্য বজায় রাখে সেই সুন্দরবনকে ধ্বংস করবে এই প্রকল্প। বিভিন্ন প্রকাশনাগবেষণার মধ্য দিয়ে বিশেষজ্ঞরা কেনো এই কেন্দ্র বাংলাদেশের জাতীয় স্বার্থবিরোধীসুন্দরবন ও মানববিধ্বংসী তা বৈজ্ঞানিক গবেষণালব্ধ তথ্য যুক্তিসহ তুলে ধরেছেন।
    গত ১৮ অক্টোবর বাংলাদেশে ভারতের হাইকমিশনার ঢাকায় বলেছেন, 'সকল আন্তর্জাতিক রীতিনীতি মেনে এই প্রকল্প করা হচ্ছে'। প্রকৃতপক্ষে আন্তর্জাতিক পরিবেশ আইন তো বটেইভারতীয় আইনেও এই প্রকল্প গ্রহণযোগ্য নয়। ভারতের আইন ভঙ্গ করেই ভারতীয় কোম্পানি এই ধ্বংসাত্মক কাজে নিয়োজিত হয়েছে। কয়লা ভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র মারাত্মক পরিবেশ দূষণ ঘটায় বলে এখন বিশ্বের বিভিন্ন দেশে সংরক্ষিত বনভূমি ও বসতির ১৫ থেকে ২৫ কিমি এর মধ্যে আর বৃহৎ কয়লা বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণের অনুমোদন দেয়া হয়না। ভারতীয় কোম্পানী বাংলাদেশে সুন্দরবনের ৯-১৪ কিমির মধ্যে এই বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি নির্মাণ করতে যাচ্ছে। বাফার জোন বিবেচনা করলে এই দূরত্ব ৪ কিমি। অথচ ভারতেরই 'ওয়াইল্ড লাইফ প্রটেকশান অ্যাক্ট ১৯৭২'অনুযায়ীবিদ্যুৎ কেন্দ্রের ১৫ কিমি ব্যাসার্ধের মধ্যে এবং ভারতের পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয় প্রণীত পরিবেশ সমীক্ষা বা ইআইএ গাইড লাইন ম্যানুয়াল ২০১০ অনুযায়ীকয়লা ভিত্তিক তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রের ২৫ কিমি এর মধ্যে কোন বাঘ/হাতি সংরক্ষণ অঞ্চলজৈব বৈচিত্রের জন্য গুরুত্বপূর্ণ বনাঞ্চলজাতীয় উদ্যান,বন্যপ্রাণীর অভয়ারণ্য কিংবা অন্যকোন সংরক্ষিত বনাঞ্চল থাকা অনুমোদন করা হয় না। ভারতীয় পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয়ের 'তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপন সংক্রান্ত গাইডলাইন১৯৮৭'অনুসারেও কোন সংরক্ষিত বনাঞ্চলের ২৫ কিমি এর মধ্যে কোন কয়লা ভিত্তিক তাপ বিদ্যুৎ স্থাপন করা যায় না।
    তারপরও এই ধ্বংসাত্মক প্রকল্পের সুবিধাভোগী গোষ্ঠীর পক্ষ থেকে বিভিন্ন সময় বলা হচ্ছে যেএই প্রকল্পে সুপারক্রিটিকাল টেকনলজি ব্যবহার করা হবেসেজন্য সুন্দরবনের কোন ক্ষতি হবে না। এই প্রযুক্তিতে কিছু কিছু ক্ষেত্রে শতকরা ১০ ভাগ ক্ষতি কম হয়তাতে সুন্দরবনের ধ্বংসের সামগ্রিক ক্ষতি কীভাবে কমবেতাছাড়া এই প্রযুক্তি যদি সুন্দরবন ধ্বংস ঠেকানোর মতো এতো নিশ্চিত প্রযুক্তি হয় তাহলে ভারতীয় কোম্পানি কেনো ভারতে এই প্রযুক্তি ব্যবহার করে সকল ক্ষতি দূরীভূত করে না?
    প্রথম থেকেই এই প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য সরকারের জোরজবরদস্তিঅস্বচ্ছতা ও অব্যাহত অনিয়মের মধ্য দিয়েই এর ভয়াবহতা সম্পর্কে মানুষ ধারণা পেয়েছেন। কোম্পানির উক্ত বিবৃতিতে বিজ্ঞাপনের ভাষায় অসম্ভব দাবি করে বলা হয়েছেএ থেকে 'কোনো কালো ধোঁয়া নির্গত হবে না', 'কোনো দূষিত পানি বা গরম পানি নদীতে ফেলা হবে না', 'বায়ুদূষণের কোনো আশঙ্কা নেই'। অথচ প্রকল্পের কারণে এইসব অভিঘাত এতো অনিবার্য যেসরকারের 'পরিবেশ অভিঘাত সমীক্ষা'তেও এসব সমস্যার কথা শিকার করা হয়েছে। কোম্পানির বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, 'এই বিদ্যুৎ কেন্দ্র তৈরি হলে সংলগ্ন এলাকায় কাজের সুযোগ তৈরি হবে'। এটা আসলে উল্টো কথা। কেননা বিদ্যুৎ কেন্দ্রে কর্মসংস্থান হয় খুবই কম। আর এই বিদ্যুৎকেন্দ্র নদীর পানি ও বনের ওপর যে ধ্বংসাত্মক প্রভাব ফেলবে তাতে লক্ষ লক্ষ মানুষ যারা মৎস্য ও বনসম্পদের মাধ্যমে জীবিকা নির্বাহ করেন তাদের উদ্বাস্তু হওয়া ছাড়া আর কোন উপায় থাকবে না। কোম্পানির উক্ত বিবৃতিতে সুন্দরবন যে এখন সংকুচিত হয়ে আসছে তার জন্য দায়ী করা হয়েছে কৃষক ও জেলেদের। বিশাল সংখ্যক দরিদ্র মানুষের বিরুদ্ধে এটি এক কুৎসা। কারণ সুন্দরবনের বিপন্নতা ও সংকোচন তৈরি হয়েছে বন ও ভূমিদস্যুদের জন্যউপরন্তু বনবিনাশী বিভিন্ন তথাকথিত উন্নয়ন প্রকল্পের কারণে,দরিদ্র কৃষক ও জেলেদের জন্য নয়। এই প্রকল্প তার সাথে যোগ হয়ে পুরো বন ধ্বংসের উপাদান তৈরি করবে।
    কদিন আগেও প্রধানমন্ত্রী বলেছেন পরিবেশ নষ্ট করে কোন উন্নয়ন প্রকল্প গ্রহণ করা হবে না। অথচ বিশ্বের ইতিহাসে একটি ভয়ংকর পরিবশেধ্বংসী প্রকল্প রক্ষার জন্য সরকারকে বরাবরই অসহিষ্ণু দেখা যাচ্ছে। আমরা বহুবার সরকারের এরকম আক্রমণাত্মক আচরণের মুখে পড়েছি। কেনোএতে যদি প্রকৃতই উন্নয়ন হয় তাহলে প্রকাশ্যে বিতর্কে আসতে বাধা কোথায়জনমতের প্রতি এতো ভয় কেনোসুন্দরবনের সুরক্ষার জন্য আমরা সরকারের কাছে বার বার দাবী জানিয়েছিসুন্দরবন নীতিমালা প্রণয়ন করে ক্ষতিকর সব পরিবহণ এবং প্রকল্প বন্ধ করতে। কিন্তু সরকার সুন্দরবনের গুরুত্ব সম্পর্কে নির্লিপ্ত থেকে তার সুরক্ষার পরিবর্তে শুধু বিশাল কয়লাভিত্তিক একাধিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণের কাজই করছে নানানা ধরনের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের নামে ভূমি দস্যুদেরকে জমি দখলের সুযোগ করে দিয়েছে। কিছুদিন আগে মন্ত্রীসভা রামপালে আরেকটি কয়লা ভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের জন্য অর্থবরাদ্দ দিয়েছে।
    কিছুদিন আগে প্রধানমন্ত্রীও অভিযোগ করে বলেছেন, 'সুন্দরবন নিয়ে আন্দোলনকারিরা কেবলমাত্র ভারতের কারণেই এই বিদ্যুৎ প্রকল্পের বিরোধিতা করছে।'খুবই ভুল কথা। আমরা বার বার বলেছিযেসব প্রকল্প সুন্দরবনের জন্য ধ্বংসকারি তা ভারতযুক্তরাষ্ট্ররাশিয়াচীন এমনকি যদি বাংলাদেশের কোন কোম্পানিরও হয় আমরা তার প্রবল বিরোধী। তিনি আরও বলেছেন 'আন্দোলনকারিরা মানুষকে রক্ষা না করে কেবল পশু-পাখি রক্ষায় আন্দোলনে নেমেছে।'আসলে সুন্দরবন শুধু যে অমূল্য অনবায়নযোগ্য প্রাকৃতিক সম্পদ তাই নয় এটি রক্ষার সাথে কোটি কোটি মানুষের জীবনের নিরাপত্তাও জড়িত। সুন্দরবনধ্বংসী এসব তৎপরতা চলতে থাকলে দক্ষিণাঞ্চলের লক্ষ লক্ষ মানুষ প্রাকৃতিক দুর্যোগে সম্পূর্ণ অরক্ষিত হয়ে পড়বেন। কেননা এই বন সকল প্রাকৃতিক দুর্যোগের বিরুদ্ধে খুবই শক্তিশালী প্রাকৃতিক সুরক্ষা বাঁধ হিসেবে কাজ করে। সুন্দরবন না থাকলে আসলে বাংলাদেশই অরক্ষিত হয়ে পড়বে।
    আমরা সরকারকে অনেক বিকল্প প্রস্তাব দেয়া সত্ত্বেও সরকার এতে কর্ণপাত করছে না। এই প্রশ্নটি অনেকেই জিজ্ঞাসা করেন যেএই প্রকল্প নিয়ে সরকারের এতো জেদ কেনোকেনো বিশ্বব্যাপী নিন্দা ও বাংলাদেশে প্রবল বিরোধিতা সত্ত্বেও ভারত এই প্রকল্প নিয়ে অগ্রসর হতে চায়শোনা যাচ্ছে,ভারতের অর্থনৈতিক অঞ্চল গড়ে তোলা হচ্ছে এই প্রকল্পের কাছেইআর এই এলাকাটি ভারতের জন্য কৌশলগতভাবেও গুরুত্বপূর্ণ। বাংলাদেশকে অরক্ষিত এবং বিপর্যস্ত করেনিজেদের কলঙ্কিত করে হলেও সরকার কি সেকারণেই এই প্রকল্প নিয়ে এতো মরিয়া?
    প্রধানমন্ত্রী সম্প্রতি জাতিসংঘের পরিবেশ পুরষ্কার 'চ্যাম্পিয়ন অব দ্য আর্থ'পেয়েছেন। একহাতে এই পুরষ্কার আর অন্যহাতে বিশ্ব ঐতিহ্য এবং বাংলাদেশের অতুলনীয় সম্পদ সুন্দরবনের মৃত্যু পরোয়ানাএটা হতে পারে না। কোম্পানির বিবৃতিতে দাবি করা হয়েছে যে, 'সম্প্রতি শেখ হাসিনা চ্যাম্পিয়ন অব দ্য আর্থ ঘোষিত হয়েছেন। সুতরাং তাঁর পক্ষে প্রাকৃতিক পরিবেশে ক্ষতি হয় এমন কোন কাজ করার প্রশ্নই উঠে না।'আমরাও তাই বলতে চাই। এই পুরষ্কারের মধ্য দিয়ে প্রধানমন্ত্রীর দায় বেড়ে গেছে অনেক। সেজন্য আমরা আশা করিসুন্দরবন ধ্বংসী প্রকল্প বাতিল করে এই পুরষ্কারের প্রতি তিনি ও তাঁর সরকার সুবিচার করবেন এবং পরিবেশ বান্ধব হিসেবে নিজেদের প্রমাণ করবেন। নয়তো তিনি ও তাঁরা ভয়াবহ পরিবেশ ধ্বংসকারী হিসেবেই নিজেদের ইতিহাসে ঠাঁই দেবেন। কারণ সুন্দরবন বিনাশী প্রকল্প উন্নয়নের নয় ধ্বংসের প্রকল্প।


    --
    Pl see my blogs;


    Feel free -- and I request you -- to forward this newsletter to your lists and friends!

    0 0
  • 11/01/15--08:00: असहिष्णुता के खिलाफ तमाम लोग झूठ बोल रहे हैं और सिर्फ कारपोरेट वकील, राजनेता और बजरंगी सच बोल रहे हैं? फिर होने दीजिये नरसंहार और बेदखली,हम इसीके लायक हैं! इस मनुस्मृति जाति वर्ग रंगभेद के अर्थशास्त्र को हम समझें ही नहीं तो लब पर आजादी धरने की कसरत नहीं करें तो बेहतर! गुजरात दंगों,बाबरी विध्वंस और फर्जी मुठभेड़ों,दंगा फसाद के के बावजूद ,गैरहिंदुओं के खिलाफ सफाया अभियान के बावजूद यह हिंदू धर्म के अनुयायियों,आस्थावान आस्थावती आम नागिरिकों के नरसंहारका यह चाकचौबंद इंतजाम उसीतरह का है जो भोपाल गैस त्रासदी,आतंकी हमलों, सवाजुड़ुम, आफसा, आपरेशन ब्लू स्टार या सिखों का नरसंहार है। ऐसे तमाम लोगों को चुन चुनकर मारने का,संपूर्ण निजीकरण, संपूर्ण विनिवेश,जल,जंगल जमीन मानवाधिकारों,रोजगार और आजीविका,नागरिकता,प्रकृति और पर्यावरण से बेदखली का उन हिंदुओं के खिलाफ हंदुत्व के नाम,राम के नाम यह अश्वमेध नरसंहार अभियान है,जो हिंदुत्व की पैदल फौजें हैं,और संस्थागत नरसंहार तंत्र के सारे हनुमान हमारे ही राम हैं।या कृष्ण या देवियां।इसका जब तक हिंदू समाज और हिंदू समुदाय विरोध न करें,यहकयामत का मंजर खत्म होने को
  • असहिष्णुता के खिलाफ तमाम लोग झूठ बोल रहे हैं और सिर्फ कारपोरेट वकील, राजनेता और बजरंगी सच बोल रहे हैं?


    फिर होने दीजिये नरसंहार और बेदखली,हम इसीके लायक हैं!


    इस मनुस्मृति जाति वर्ग रंगभेद के अर्थशास्त्र को हम समझें ही नहीं तो लब पर आजादी धरने की कसरत नहीं करें तो बेहतर!

    गुजरात दंगों,बाबरी विध्वंस और फर्जी मुठभेड़ों,दंगा फसाद के के बावजूद ,गैरहिंदुओं के खिलाफ सफाया अभियान के बावजूद यह हिंदू धर्म के अनुयायियों,आस्थावान आस्थावती आम नागिरिकों के नरसंहारका यह चाकचौबंद इंतजाम उसीतरह का है जो भोपाल गैस त्रासदी,आतंकी हमलों, सवाजुड़ुम, आफसा, आपरेशन ब्लू स्टार या सिखों का नरसंहार है।

    ऐसे तमाम लोगों को चुन चुनकर मारने का,संपूर्ण निजीकरण, संपूर्ण विनिवेश,जल,जंगल जमीन मानवाधिकारों,रोजगार और आजीविका,नागरिकता,प्रकृति और पर्यावरण से बेदखली का उन हिंदुओं के खिलाफ हंदुत्व के नाम,राम के नाम यह अश्वमेध नरसंहार अभियान है,जो हिंदुत्व की पैदल फौजें हैं,और संस्थागत नरसंहार तंत्र के सारे हनुमान हमारे ही राम हैं।या कृष्ण या देवियां।इसका जब तक हिंदू समाज और हिंदू समुदाय विरोध न करें,यहकयामत का मंजर खत्म होने को नहीं है।सावधान।

    मनुस्मृति शासन की यह रंगारंग सुनामी दरअसल मुक्तबाजारी बलात्कार सुनामी है।



    पलाश विश्वास

    कहां हैं इस देश के शिक्षक, चिकित्सक, न्यायाधीश, जनांदोलन के तमाम मसीहा,मजदूर नेता और उनकी यूनियनें,सरकारी कर्मचारी और अफसरान?


    इस सवाल का जवाब लातार गलतबयानी है कि असहिष्णुता आंदोलन सहिष्णुता,विकास और समरसता के राजकाज के खिलाफ और बहुसंख्य जनता के खिलाफ राष्ट्रविरोधी  षड्यंत्र है।


    वैसे बारतीय संविधान के मुताबिक भारत के राष्ट्रपति देश के प्रथम नागरिक ही नहीं,राष्ट्राध्यक्ष और तीनों सेनाओं के सेनापति हैं।


    पहले हम नागरिक शास्त्र के पाठ में पढ़ते थे कि भीरत के राष्ट्रपति का वेतन दस हजार रुपये हैं जो देश में किसी भी व्यक्ति का सर्वोच्च वेतनमन है।


    हम नहीं जानते कि लाखों करोड़ों रुपये या डालर कमाने वाले उत्तर आधुनिक भारतीय नागिरकों की तुलना में भारत की राष्ट्रपति की आय और आर्थिक हैसियत क्या रह गयी है।


    संवैधानिक हैसियत उनकी बहरहाल कोई खास नहीं रह गयी है और वे बार बार राष्ट्रपति भवन से देश में बढ़ती हुई असहिष्णुता के खिलाफ चेतावनी जारी करके भैंस के आगे बीन बजाने में अपना बचा हुआ कार्यकाल जाया कर रहे हैं।फिर मौजूदा सत्ता अपनी पसंद का राष्ट्रपति चुन लेगी।


    मुश्किल यह है कि उस भावी राष्ट्रपति की आत्मा की आवाज भी अनसुनी रह जाने वाली है।


    यह भारतीय धर्मोन्मादी रंगभेदी मुक्तबाजारी राजनीति और राजकाज की विडंबना है और इसकी परिपाटी कांग्रेस ने ही बनायी है।राष्ट्रपति भवन में कैद राष्ट्रपतियों की कथा हम जानते हैं।


    मौजूदा राष्ट्रपति को क्यों सक्रिय राजनीति से हटाकर राष्ट्रपति पद पर रिटायर करके उन्हें संवैधानिक रक्षाकवच से सुरक्षित किया गया है।यह किस्सा भी हम गाहे बगाहे खोलते रहे हैं।


    फिरभी जबतक वे सर्वोच्च संवैधानिक पद पर हैं,तो वे इकलौता कोई व्यक्ति या दलबद्ध हैसियत भी नहीं है,वे बोलते हैं तो हमें इसे राष्ट्र की अंतरात्मा की आवाज समझना चाहिए।


    हम तो देश के प्रधानमंत्री को पूरे देश का प्रधानमंत्री मानते हैं लेकिन वे अपने को सिर्फ प्रधान स्वयंसेवक मानते हैं।


    मसला यह नहीं कि हम राष्ट्रपति के खिलाफ महाभियोग लाने की मांग करते रहे हैं।जो  मुक्तबाजारी राजनीति और सत्ता कर ही  नहीं सकती क्योंकि कालाधन का अबाध प्रवाह जो मुक्तबाजार है,उसका बंटाधार तब तय है।


    अब इन्हीं राष्ट्रपति को झूठा साबित करने की मुहिम है कि सात नवंबर को एक केसरिया जुलूस राजपथ पर निकलेगा जो उन्हें ज्ञापने देकर कहेगा कि कहीं कोई हिंसा नहीं है और न असहिष्णुता है और आप राष्ट्रद्रोहियों की तरह असहिष्णुता के खिलाफ बोलकर विकास और समरसता का रसभंग क्यों कर रहे हैं।


    यह महाभियोग है।धर्मोन्मादी महाभियोग,जिसका कोई लोकतातंत्रिक आधार नहीं है।


    डाउ कैमिकल्स के कारपोरेट वकील बार बार यही कह रहे हैं। सभी झूठ बोल रहे हैं।जैसे जो लोग विरोध में बोल रहे हैं,उनकी न कोई साख है और न हैसियत।


    अवध में लोग अदब का नया कायदा मान सकते हैं लेकिन अस्सी के घाट पर जो मूल्यांकन होगा,हमकहेंगे नहीं।


    हालांकि कारपोरेट वकील ने  राष्ट्रपति का नाम नहीं लिया है।लेकिन हकीकत है कि असहिष्णुता के खिलाफ उनका स्वर प्रोटोकाल और संविधानके हिसाब से सबसे धारदार वजनदार है।जब उनकी कोई सुनवाई नहीं हो रही है तो हम तो कीड़े मकोड़े हैं।


    रेटिंग एजंसियां और विदेशी वित्तीय संस्थाएं इस अमेरिकी उपनिवेश में राजनीति,राजकाज और राजनय चला रही हैं,यह राज खुला खेल फर्रूखाबादी है और इस गोरखधंधे में सारे रंग एकाकार है और सुधार धड़ाधड़ संसदीय समहमति से इसीलिए लागू हो रहे हैं। संविधान,न्याय,कायदा कानून की रोज हत्या हो रही है।


    हम बार बार कहते रहे हैं कि मनुस्मृति दरअसल धर्मग्रंथ नहीं है और न हिंदुत्व वैदिकी या उपनिषदीय कोई धर्म कर्म है।


    वेदों के श्लोक पुरोहितों के मंत्र नहीं हैं और वहां तैंतीस करोड़ देवदेवियों में से कुछ ही मिलते हैं।


    न मूर्तिपूजा वैदिकी है और न जाति व्यवस्था वैदिकी है।

    तंत्र मंत्र यंत्र कर्मकांड कुछ भी वैदिकी नहीं है।


    इसलिए वेदों और उपनिषदों की चर्चा कोई होती नहीं है।


    धर्म कर्म का सार पुराण और महाकाव्य और मिथक हैं।जो बुद्धमय भारत के अवसान के बाद समता ,न्याय,सत्य,शांति,करुणा के खिलाफ प्रतिक्रांति के तहत मनुस्मृति के बाद रचे गये हैं और तमाम मूर्तियों तब से प्रचलन में हैं।


    ये सारे तत्व असमता,अन्याय और रंगभेद का आधार तो है ही,जाति वर्ग अस्मिता सत्ता वर्चस्व की नींव है।


    बाबासाहेब ने इसलिए मनुस्मृति जलायी थी।

    वेद और उपनिषद नहीं जलाये थे बाबासाहेब ने।

    क्योंकि मनुस्मृति मेहनतकशों,सर्वहारा वर्ग, महिलाओं, बच्चों, प्रकृति से जुड़े कृषि समुदायों को हजारों जातियों में बांट करके जाति वर्ग की सत्ता बहाल करती है।


    इसीलिए इस मनुस्मृति की संतान जाति व्यवस्था को खत्म करनाबाबासाहेबका मिशन हो गया और उनके मिशन को खत्म करने के लिए उन्हें अवतार और ईश्वर बनाकर मंदिर में कैद करके उनके मिशन को खत्म करने की तैयारी है।


    मुक्त बाजार मुकम्मल मनुस्मृति शासन है,इसीलिए मुकम्मल मनुस्मृति शासन के लिए कलि महाराज का राज्याभिषेक हो गया और अश्वमेध,राजसूय के साथ साथ देश के चप्पे चप्पे में कुरुक्षेत्र और चक्रव्यूह का तिलिस्म है।


    हिंदुत्व का यह एंजडा दरअसल मुक्तबाजार का एजंडा है और दसदिगंत सर्वनाश के अलावा यह वैसे ही हिंदू धर्म का सत्यानाश कर देगा जैसे मंत्र तंत्र,अवतार वाद,मूर्तिपूजा ने बुद्धमय भारत का अवसान कर दिया।


    भारत के इतिहास में कभी हिंदुत्व का अवसान हुआ है नहीं है।


    हिंदुत्व को जाति व्यवस्था के बावजूद,मनुस्मृति के बावजूद लोकतांत्रिक बनाकर भारत की साझा संस्कृति में तब्दील करने की कोशिशें लगातार होती रही है और विशुद्धता के इस धर्म में कोई दावे के साथ नहीं कह सकता कि उसका डीएनए किस रक्तधारा से है।


    यह असहिष्णुता धर्म,आस्था और उपासना के लोकतंत्र के सनातन हिंदुत्व के खिलाफ जितना है,जितना अछूतों,पिछड़ों और आदिवासियों,सिखों,जैनियों और बुद्ध अनुयायियों के खिलाफ है,उतना,उका पासंग भी इस्लाम और ईसाई धर्म के खिलाफ नहीं है।क्योंकि इस्लाम और ईसाई धर्म इतने कमजोर भी नहीं हैं कि उनका तंत्र मंत्र यंत्र सेसफाया कर दिया जाये।


    गुजरात दंगों,बाबरी विध्वंस और फर्जी मुठभेड़ों,दंगा फसाद के के बावजूद ,गैरहिंदुओं के खिलाफ सफाया अभियान के बावजूद यह हिंदू धर्म के अनुयायियों,आस्थावान आस्थावती आम नागिरिकों के नरसंहारका यह चाकचौबंद इंतजाम उसीतरह का है जो भोपाल गैस त्रासदी,आतंकी हमलों,सवाजुड़ुम,आफसा,आपरेशन ब्लू स्टार या सिखों का नरसंहार है।


    ऐसे तमाम लोगों को चुन चुनकर मारने का,संपूर्ण निजीकरण, संपूर्ण विनिवेश,जल,जंगल जमीन मानवाधिकारों,रोजगार और आजीविका,नागरिकता,प्रकृति और पर्यावरण से बेदखली का उन हिंदुओं के खिलाफ हंदुत्व के नाम,राम के नाम यह अश्वमेध नरसंहार अभियान है,जो हिंदुत्व की पैदल फौजें हैं,और संस्थागत नरसंहार तंत्र के सारे हनुमान हमारे ही राम हैं।या कृष्ण या देवियां।इसका जब तक हिंदू समाज और हिंदू समुदाय विरोध न करें,यहकयामत का मंजर खत्म होने को नहीं है।सावधान।


    इसे इस तरहसमझें जैसे देवि सर्वत्र पुज्यते के मंत्रजाप के साथ साथ तमाम देवियों की पूजा प्रचलित हैं वैसे ही विकास के मुक्तबाजारी मनुस्मृति शासन की अटूट पितृसत्ता के समाजाकि परिमंडल में स्त्री अब कहीं सुरक्षित नहीं है तो इसलिए कि धर्म,जाति पहचान कुछ हो,वह मनुस्मृति के दासी शूद्रा नरकद्वार सिद्धांत के मुताबिक,सती सावित्री महिमामंडन के बावजूद अंततः यौनदासी है,पितृसत्ता की सचल संपत्ति है।


    मनुस्मृति शासन की यह रंगारंग सुनामी दरअसल मुक्तबाजारी बलात्कार सुनामी है।


    हमारी सबसे प्रिय अभिनेत्री जिनने भारतीय सिनेमा में स्त्री का बहु आयामी विविध चरित्र जिया है और प्रतिरोध और सामाजिक यथार्थ का सबसे चमकदार चेहरा है,उन शबाना आजमी के सवाल कि क्या रघुराजन,किरण मजुमदार और नारायण मूर्ति भी झूठ बोल रहे हैं,(देखें हस्तक्षेप)की प्रतिक्रिया में हमारा यह स्पष्टीकरण है।अब यह मत पूछिये कि शबाना आजमी या अमजद अली खान कौन है।जैसा यकीनन पूछेंगे बजरंगी धर्मोन्मादी।


    रघुराजन को बोलना इसलिए पड़ा क्योंकि अर्थव्यवस्था की कुल जिम्मेदारी उनकी है चाहे उसे मैनेज कोई वकील वगैरह करें।


    रेटिंग एजंसी मूडीज की चिंता इस उपनिवेश में अबाध पूंजी प्रवाह जारी रखने की है और हजारों हजार विदेशी कंपनियों की चल अचल संपत्ति और जानमाल की सुरक्षा है।जो देस के मौजूदा दंगाई माहौल में सबसे ज्यादा खतरे में है।निवेशकों की आस्था भी अटल नहीं है।


    जाहिरा तौर पर यह निवेशकों की आस्था का सवाल है।जब सारे के सारे अर्थशास्त्री नोबेल विजेता डा.अम्रत्यसेन औरनोबेलशांति पुरस्कार विजेता लापता हैं तब झख मारकर  देश की अर्थव्यवस्था की साख बचाने के लिए रिजर्व बैंक के गवर्नर को अपील करनी ही थी और वही साख बचाने के लिए किसी कारपोरेट वकील या बजरंगी की तरह वे मूडीज की चेतावनी को खारिज भी नहीं कर सकते थे।


    सेनसेक्स निफ्टी की उछाल और विकास दर निवेशकों की आस्था और रेटिंग एजंसियों कीमेहरबानी पर है और सबसे मुश्किल यह है कि उन पर हमारे प्रवचन का जैसे कोई असर नहीं होता,वैसे बिरंची टायटैनिक बाबा की मन की बातों का भी असर नहीं होता।


    उनका अनुरोध अनुरोध नहीं आदेश है।


    इसे मनमोहन देरी से समझे हैं अब बेहतर है कि संस्थागत फासिज्म यह समझ लें कि उनका जिहाद से भी प्रलंयकारी है मुक्तबाजार और सुधारों का एजंडा।


    वे हिंदू राष्ट्र बनाने चले हैं और देश यूनान और एकमुश्त अरब में तब्दील है।बापू होते तो कह भी देते,हे राम!


    बाहैसियत  राजन की अर्थशास्त्री अंतरराष्ट्रीय साख है।

    चाहे भारत सरकार की कोई साख बची हो या नहीं।


    इसीतरह तकनीक के विश्व बाजार में नारायणमूर्ति की बड़ी हस्ती हैं जो भारत में नागरिकों की पहचान और निगरानी के चाकचौबंद इंतजाम और इसी सिलसिले में इंफोसिस की लगातार बेइंतहा मुनाफावसूली के लिए मशहूर हैं।


    राजन की मजबूरी उनकी भी मजबूरी है।

    दोनों को अर्थशास्त्र और तकनीक की साख बचानी है।


    जाहिर सी बात है कोई राजनीतिक हैसियत किसी विशेषज्ञता से बनी हैसियत के मुकाबले दो कौड़ी की होती है और उनकी साख उनके नरसंहारी राजनीति और राजकाज के कारण दो कौड़ी की भी नहीं होती।


    इसीलिए न कल्कि अवतार,न डाउ कैमिकल्स के वकील को अपनी और देश की साख की कोई परवाह नहीं है जैसे संविधान या कायदे कानून,इंसानियत औरकायनात की भी उन्हें कोई परवाह नहीं है।


    हममें से कोई वोट समीकरण साध लें तो वह मजे से प्रधानंमंत्री बन सकता है।ऐसे प्रधानमंत्री और राष्ट्रपित भी बने हैं।लेकिन किसी भी में विशेषज्ञता और साख यूं ही नहीं मिल जाती।


    हम लाख जतन करके न शबाना आजमी बन सकते हैं और न गुलजार या अमजद अली खान और न नारायणमूर्ति या राजन।


    कवि और लेखक,कलाकार,फिल्मकार हर कोई नहीं बनता।विज्ञान की खोजों में लगना वोटबैंक एक लिए धर्मोन्मादी ध्रूवीकरण भी नहीं है।न इतिहासकार कोई एक दिन में बनता है न समाजशास्त्री।


    असहिष्णुता के खिलाफ तमाम लोग झूठ बोल रहे हैं और सिर्फ कारपोरेट वकील राजनेता और बजरंगी सच बोल रहे हैं?

    यही सच है तो होने दीजिये नरसंहार और बेदखली,हम इसीके लायक हैं।बंद कीजिये असहिष्णुता का विरोध।धंधा करो।कमाओ।


    इस मनुस्मृति जाति वर्ग रंगभेद के अर्थशास्त्र को हम समझें ही नहीं तो लब पर आजादी धरने की कसरत नही करें तो बेहतर।

    The President of India is deprived of hearing!I am a common citizen ,nothing else! Awake!We can scream at least!

    https://www.youtube.com/watch?v=oxekKyfr-MY

     

    Indira Gandhi "I will serve my country till my last"

    https://www.youtube.com/watch?v=56_rFuGh8aQ

    Excuse me! Government of Fascism lost the MANDATE!

    The President of India is deprived of hearing!I am a common citizen ,nothing else!
    Awake!We can scream and it is high time to speak out irrespective of our status or survival kits!

    The President of India is deprived of hearing and the government has not responded his concern to sustain unity,integrity and inherent pluralism and diversity to achieve equality,justice and rule of law!

    What we citizens have to do?Investment environment killed and the rating agency warns into our sovereignty and freedom!
    RBI governor has to respond to rescue creditability globally.A person like Narayanmurthi has to scream ,FOUL!
    Kiran Majudar stopped!
    Nandita das screams.
    Writers,poets,artists,sociologists,filmmakers,historian world wide stand united rock solid in creative activism!
    But the hatred tsunami of ethnic cleansing and genocides claims to be tolerant enough and brand the right to dissent as sedition.
    It dares to stop us and restricting our freedom to expression.
    I may not get or send nay mail.
    I may not browse content.
    I may not blog.
    I do not how long I would be allowed to live!
    I may not go back home as back home it is afraid that family reunion would invite attacks and they feel insecure.
    Is it the Future of India ,our national leaders ensured for us.
    I belong to the most reputed newspaper group and my IPO belonging to my office is also under surveillance.
    Scientists have to cry?
    yes,i am a common man!
    I have no impact on any one nor I am an icon nor I got any award whatsoever nor I crossed the borders ever.I have no home to live in.I have no bank deposit.I have to retire withinn six months without any frienship whatever.
    Yes,those whom I may communicate despite all these restrictions,they despise my posts and would never share or like my conscience.
    Nevertheless,I have to go miles to achieve the goalas of equality and justice,peace and love!
    I ma not a politician but the aesthetics of social realism drives me hard and I may not restrict myself for selfdestruction and I dare not see this bloodshed,holocaust,displacement,genocides,climate change.destruction of nature,Better I should die or I should be killed if they chose me.
    I have no survival kit though,but I have to scream FREEDOM whatsoever may come!
    Who would like to join me?

    I am just a solitary reaper in the valley of death!

    • Indira Gandhi "I will serve my country till my last"

      https://www.youtube.com/watch?v=56_rFuGh8aQ

      Excuse me! Government of Fascism lost the MANDATE!

      56:44

      RSS destroyed investment also!Swachata ABhiyan!Really! घंटी बाजे घना घना, ঠাকুর থাকবে কতক্ষণ!

      by Palash Biswas
      • 22 hours ago
      • 20 views
      The nation today remembered former Prime Minister Indira Gandhi on her 31st death anniversary!
      Indira won Mandate in 1971.She romped home with Landslide victory after eating dust in 1977 Sampurna ...
    • Palash Biswas uploaded, posted and added to Hangout - Sep 27, 2012 2:16:40 PM 1 day ago

      मेरी समझ में नहीं आ रहा है कि होक कलरव का आखिर क्या मतलब है अगर वह इस दुस्समय में खामोश है?

       

      मेरी समझ में नहीं आता कि वाममोर्चे के खिलाफ परिवर्तन के आवाहन का आखिर क्या मतलब है?

       

      क्यो मतलब है नंदीग्राम नरसंहार के विरोध का जबकि हरिपुरा में परमाणु संयंत्र लगाने का बंगाल में अब कोई विरोध नहीं है और जनवरी ,1779 में हुए मरिचझांपी नरसंहार के खिलाप पिछले 36 सालों में कोई आवाज बुलंद हुई नहीं है?

      56:40

      कूड़ा कूड़ा दिल्ली!Kejri Detached! No HOKKOLOROB! Muslim Saviour returns award! Bengal Silent!

      by Palash Biswas
      • 1 day ago
      • 15 views
      क्या भाजपा के खिलाफ वोट देने वाले पाकिस्तानी हैं,राष्ट्रद्रोही हैं जो पाकिस्तान खुश होगा,गुजरात नरसंहार के इतिहास से पूछें जवाब!
      हीराभाभी को सलाम कि उनने कारपोरेट लिटरेचर फेस्टिवल के दिये गिरदा को ...
    • Palash Biswas uploaded, posted and added to Hangout - Sep 27, 2012 2:16:40 PM 3 days ago

      Our children would unite us,I hope red blue merger sooner or later as the students seem to be united in their fight for right to education,right to higher studies and right to research by the marketing agents of Knowledge economy.I have discussed economy,production system,religion and the aesthetics of creative activism and social realism,social networking and alternative media.Pl circulate.share.

      53:59

      Welcome Zuck!Red Salute to Vidya Bhandari,President of Nepal.Thanks Indian cinema!Humanity wins!

      by Palash Biswas
      • 3 days ago
      • 38 views
      FaceBook is alternative media that we owe to Mark Zukerberg!It could be a forum of interactions,visual presentation of truth,dialogue on creativity to strengthen and humanity,nature and civilizatio...
    • Palash Biswas uploaded, posted and added to Hangout - Sep 27, 2012 2:16:40 PM 4 days ago

      केसरिया सत्ता अब छात्रों को भी नहीं बख्शेगी!

      आग बोने वाले को अंगार की फ़सल मिलेगी!रोजगार नहीं है,शिक्षा स्मृतिबद्ध,अब शोध का मौका नहीं देगी,यूजूसी छात्र वृत्ति बंद,अब आरक्षण को लेकर लड़ना बंद भी करो!

      57:52

      #OccupyUGC Wait for #HOK KOLOROB as we stand Divided,Let us unite to save Humanity and Nature!

      by Palash Biswas
      • 4 days ago
      • 20 views
      दोस्तों, पुलिस ने UGC से पचासों शोधार्थियों/स्टूडेंट्स को डिटेन कर कमला नगर थाने में बंद कर रखा है। सैंकड़ो स्टूडेंट्स अभी थाना पहुंच रहे हैं। लड़ाई जारी रहेगी। लाठी से लोग झुकेंगे नहीं।

      "Condemn ...
    • Palash Biswas uploaded and posted 5 days ago

      Please download each video that I share subjected to unknown problems.Better to see it offline.Please share it as much as possible.I have discussed social realism in reference to Balzac, Mozart, Bach, Shakespeare, Sophocles,Kalidasa,Tagore and Indian Bhakti movement!

       

      It was recorded on last 25th Oct but I could not upload because of unexpected technical unwanted error.Thanks You Tube to fix it.

      You have to see the video if interested.

      55:03

      Thanks Google!Aesthetics of social realism yet again!

      by Palash Biswas
      • 5 days ago
      • 9 views
      Thanks Google! You remain user friendly and I use Google since day first.Aesthetics of social realism yet again!
      The Bhakti movement refers to the theistic devotional trend that emerged in medieval...
    • Palash Biswas uploaded, posted and added to Hangout - Sep 27, 2012 2:16:40 PM 1 week ago

      इस फासिज्म के मुकाबले इंसानियत के भूगोल में गौतम बुद्ध के पंचशील के पुनरुत्थानकी जरुरत है।हमीं लाल हैं।हमीं फिर नील हैं।बाकी हिंदुत्व का महागठबंधन का फासिज्म है।अगर हम प्रभुवर्ग के गुलाम वफादार कुत्ते नहीं हैं तो अब भौंकने की बारी है।कयामत का मंजर बदलने की बारी है।कायनात की रहमतें बरकतें नियामतें बहाल करने का वक्त है।

      1:08:32

      JAGO INDIA!Kejri refuses to release MCD Funds as VK Singh Exposed the APATHY against dogged Masses!

      by Palash Biswas
      • 1 week ago
      • 20 views
      इस वीडियो में हमने ग्राम बांग्ला के कवि जसीमुद्दीन की कविता के विश्लेषण बांग्लादेशी आलोचक अबू हेना मुस्तफा कमाल की जुबानी पेश की है।इसमें बांग्ला कविता से ग्राम बांग्ला के बहिस्कार और साहित्य संस्क...
    • Palash Biswas uploaded, posted and added to Hangout - Sep 27, 2012 2:16:40 PM 1 week ago

      নীলকন্ঠ পাখির খোঁজ নেই,তবু বিসর্জন!সুন্দরবনের সধবা বিধবা মেয়েদের প্রতি মুহুর্তে চলছে বিসর্জন নীলকন্ঠ পাখিদের ছাড়া!সেই সুন্দরবনকে ধ্বংস করে আমরা গড়ছি সভ্যতার উপনিবেশ!এই শাব হিউম্যান পৃথীবীতে গেদখল হারিয়ে যাওয়া মানুষদের কোনো ছিকানা নেই!ঝড় চলছে,ভুমিক্মপ হচ্ছে,সুনামী অব্যাহত!আমারা খবর রাখিনা!আত্মঘাতী বাঙালিধ ধ্বংস করছে সেই সুন্দরবন,সেই মহাঅরণ্য,যে জলপ্রলয় থেকে রক্ষা করছে আমাদের হাজারো বছর ধরে!

      মনুষত্য ও সভ্যতার জন্য এই ধ্ংস লীলা বন্ধ হোক!

      56:46

      Kejriwal,Please resolve the problems of Safai employees as Indian Democracy has no ears !

      by Palash Biswas
      • 1 week ago
      • 29 views
      Please resolve the problems of Safai employees in Delhi as Indian Democracy has no ears for Untouchables, Bahujans!
      Sundarbans - Wikipedia, the free encyclopedia
      Rabindra Nath Tagore wrote about th...
    • Palash Biswas uploaded, posted and added to Hangout - Sep 27, 2012 2:16:40 PM 1 week ago

      কোথায় সেই ভারততীর্থ রবি ঠাকুরের?ধর্মোন্মাদী রাষ্ট্র ও সময়ে মহিষাসুরমর্দিনী দশ প্রহরণ ধারিণী দুর্গে বধিছে অসুর!নীল কন্ঠ পাখী থাক না থাক,বিসর্জনের ডাক ঢাকের বোল,বোধন.দেবী দর্শন,প্যান্ডেল,থিম ঝাঁপিয়ে সেই স্বেচ্ছা মৃত্যু,আত্মধ্বংস,অমোঘ বিসর্জন।কালরাত্রির শেষ নেই।দুর্যোগের শষ নেই।

      1:14:23

      Kejriwal reduced to MAHISHASUR calls for overhaul as Rape Tsunami continues

      by Palash Biswas
      • 1 week ago
      • 17 views
      ঠাকুর থাকবে কতক্ষণ?
      15-years-old too must get death for rape, says Arvind Kejriwal ... We need to speed up the legal process. ... so that the cabinet can consider these and bring an amendment bill ...
    • Palash Biswas uploaded, posted and added to Hangout - Sep 27, 2012 2:16:40 PM 1 week ago

      हमें जनजागरण का इंतजार है।चूंकि जनादेश हिटलर को भी मिला था और कोई जनादेश अंतिम निर्णायक नहीं होता।मनुष्यता हर हाल में जीतती है और फासिज्म हर हाल में हारता है।भारत में भी हारने लगा है फासिज्म क्योंकि मनुष्यता की रीढ़ सीधी है फिर।

      1:14:23

      We,the activists of creativity from 150 nations stand Unitedto sustain Humanity and nature!

      by Palash Biswas
      • 1 week ago
      • 8 views
      हमारा एजंडा मनुष्यता और कायनात का एजंडा है उनके आर्थिक सुधारों के वधस्थल के विरुद्ध,उनकी मजहबी सियासत के विरुद्ध, उनकी बेइंतहा नफरत के खिलाफ हम मुहब्बत के लड़ाके हैं।

      हम खेतों,खलिहानों,कारखानों को...
    • Palash Biswas uploaded, posted and added to Hangout - Sep 27, 2012 2:16:40 PM 2 weeks ago

      Kejri is an elected chief minister of an Indian State having landslide Mandate.

      If the PM is empowered with the Mandate and Free to use his power,Why a CM is denied to execute the Mandate he got?Why the State and the people of Delhi should be deprived of full power and autonomy,the Constitution provides?

      1:02:11

      Let Me Speak Human!Let Me support Kejriwal for his demand to control Delhi Police!

      by Palash Biswas
      • 2 weeks ago
      • 44 views
      Why should the Executive at the Centre become Almighty?
      Why should he behave above the constitution,kill the Polity?
      Rapes continue,unprecedented violence continues as Woman is a SEX Slave in the p...
    • Palash Biswas uploaded, posted and added to Hangout - Sep 27, 2012 2:16:40 PM 2 weeks ago

      Sabita Babu speaks from the Heart of the India,where Dilon kaa Bantwara naa huaa hai naa Hoga.Please share as much as you can to save India!The Real India,the greatest pilgrimage of humanity merging so many streams of humanity!

      1:02:41

      পুরানো সেই দিনের কথা: Memoirs of a Hindu Daughter of a Muslim Family which gave up BEEF!

      by Palash Biswas
      • 2 weeks ago
      • 42 views
      আমরা এক বৃন্তে দুটি ফুল-হিন্দু মুসলমান!
      মন্ত্রহীন,ব্রাত্য,জাতিহারা রবীন্দ্রনাথ,রবীন্দ্র সঙ্গীতঃ দীনহীনে কেহ চাহে না, তুমি তারে রাখিবে জানি গো।
      If Akbar and Jodha could unite India for Mughalia Sult...
    • Palash Biswas uploaded, posted and added to Hangout - Sep 27, 2012 2:16:40 PM 2 weeks ago

      It is a novel dealing social realism.I have read the most part of it and if I get your response I would read the rest yet another day!

      19:43

      उनका मिशन: the strategy and strategic marketing of blind nationalism based in religious identity!

      by Palash Biswas
      • 2 weeks ago
      • 6 views
      I this part of the novel a have dealt with the phenomenon of Hashimpuara and Maliana genocide episodes and the economic ethnic cleansing,the racist apartheid and the hatred campaign launched.How In...
    • Palash Biswas uploaded, posted and added to Hangout - Sep 27, 2012 2:16:40 PM 2 weeks ago

      It is an eye witness account of Meerut Riots in eighties where I had been working as a professional journalist during 1984 to 1990.

      19:28

      उनका मिशन:The institution of the religious partition and the Politics of religion

      by Palash Biswas
      • 2 weeks ago
      • 8 views
      I have dealt with details the phenomenon of the institution of the religious partition and the Politics of religion in this part of the novel which exposes the rule of law and the role of media hel...
    • Palash Biswas uploaded, posted and added to Hangout - Sep 27, 2012 2:16:40 PM 2 weeks ago

      It is an eye witness account of Meerut Riots in eighties where I had been working as a professional journalist during 1984 to 1990

      52:54

      उनका मिशन: The Economics of Making in!

      by Palash Biswas
      • 2 weeks ago
      • 18 views
      It is the original economics of making in the Open Market India!It is the beginning of destruction of peasantry,starting point of racial ethnic cleansing! I had to witness Sikhs being burnt live! I...
    • Palash Biswas uploaded, posted and added to Hangout - Sep 27, 2012 2:16:40 PM 2 weeks ago

      Hence,every woman in either part of Bengal sings rabindra sangeet.If pakistani women learn this music of love,our relations would be better.I hope! Sabita sang for me all the way.

      59:59

      মন্ত্রহীণ,ব্রাত্য,জাতিহারা রবীন্দ্র,রবীন্দ্র সঙ্গীত! Tagore liberated Woman in Music!

      by Palash Biswas
      • 2 weeks ago
      • 37 views
      Welcome Mr.Prime Minister to declassify the Netaji Documents as I already tahnkaed Ms Mamata Banerjee for her initiatve! we have no to rewrite the history!

      I am not a singer.Sabitbabu,my life part...
    • Palash Biswas uploaded, posted and added to Hangout - Sep 27, 2012 2:16:40 PM 2 weeks ago

      कृपया हस्तक्षेप की मदद करें जनपक्षधर विमर्श और जनसुनवाई जारी रखने के लिए। हस्तक्षेप का अलैक्सा पर अंतर्राष्ट्रीय रैंकिंग 1,09,573 और भारत में 11,280 है।

      52:23

      अछूत रवींद्रनाथ का दलित विमर्श!Out caste Tagore Poetry is all about Universal Brotherhood !

      by Palash Biswas
      • 2 weeks ago
      • 46 views
      Tagore poetry and his humanitarian philosophy and his musical soul represent the real India with inherent pluralism and Diversity.

      In my earlier video I discussed at length the aesthetics of socia...
    • Palash Biswas uploaded, posted and added to Hangout - Sep 27, 2012 2:16:40 PM 2 weeks ago

      Creativity is all about the acts activated to sustain humanity and nature.Reactionaries have taken over the world and Bengal remains the colony!

      55:08

      Why do I quote Nabarun Bhattacharya so often? এই মৃত্যু উপত্যকা আমার দেশ নয়!

      by Palash Biswas
      • 2 weeks ago
      • 21 views
      এই মৃত্যু উপত্যকা আমার দেশ নয়!Nabarun Da declared it in seventies!

      Bengal has no courage to raise voice against the fascist racist HIT LIST or the governance of Fascism,I am afraid to speak out.Re...
    • Palash Biswas uploaded, posted and added to Hangout - Sep 27, 2012 2:16:40 PM 2 weeks ago

      কলবার্গি থেকে ইকলাখঃ ডানপন্থী চোখরাঙানির বিরুদ্ধে সোচ্চার কাশ্মীর থেকে কন্যাকুমারী!

      অসহিষ্্নুতার শেষ চাইছে দেশ,বাংলা নিরুত্তাপ!

      59:01

      # Beef Gate!Let Me Speak Human!What is your Politics,Partner?Dare you to Stand for Humanity?

      by Palash Biswas
      • 2 weeks ago
      • 131 views
      Indian Intelligentsia resist the governance of Fascism and the Hindutva Agenda.Welcome!Very Welcome!

      Three eminent writers from Punjab return 

      Sahitya Akademi awards!Thanks Uday 

      Prakash for his...
    • Palash Biswas uploaded, posted and added to Hangout - Sep 27, 2012 2:16:40 PM 2 weeks ago

      सियासत,मजहब और हुकूमत अब दहशतगर्दी है।कोई देश बचा नहीं है सुरक्षित।महाबलि अमेरिका,रूस और चीन भी सुरक्षित नहीं है।दुनिया आग के हवाले है।प्रकृति जल रही है और जल रही है मनुष्यता का वद हो रहा है।

      42:46

      Humanity might be attacked anywhere,anytime to kill peace! गाय पर यह घमासान क्यों?

      by Palash Biswas
      • 2 weeks ago
      • 43 views
      अरब का वसंत भारत में गोरक्षा आंदोलन बन गया है,फिर बंटवारे का सबब
      कब तक हम अंध राष्ट्रवाद,अस्मिता अंधकार और जाति युद्ध में अपना ही वध देखने को अभिशप्त हैं?

      1857 में कार्तुज में सूअर और गाय की चर्बी...
    • Palash Biswas uploaded, posted and added to Hangout - Sep 27, 2012 2:16:40 PM 3 weeks ago

      Please address the basic challenges faced by the Nation,the Nature and the Humanity!

      39:41

      # BEEF GATEThanks Kejri!Hope not a Gimmick again!Kejriwal sacks minister on live TV for corruption!

      by Palash Biswas
      • 3 weeks ago
      • 1,013 views
      Thanks Kejri!Hope not a Gimmick again!
      Kejriwal sacks minister on live TV for corruption!
      Palash Biswas
      Please address the basic problems causing corruption so overwhelming.Free flow of foreign cap...
    • Palash Biswas uploaded, posted and added to Hangout - Sep 27, 2012 2:16:40 PM 3 weeks ago

      Why should we allow Beef Ban to become the focus skipping the economic,social and political issues,burning issues which must be addressed immediately?

      56:05

      Please skip the beef gate!Skip the Culture Shock!

      by Palash Biswas
      • 3 weeks ago
      • 56 views
      Please skip the beef gate!Skip the Culture Shock!
      It divides India vertically in Hindutva and Islam as it had been divided just before the Partition to have a Hindu Nation.
      The Grand Hindu alliance...
    • Palash Biswas uploaded, posted and added to Hangout - Sep 27, 2012 2:16:40 PM 3 weeks ago

      I want to sustain humanity and Nature! I want an interactive society full of love,equality and justice!

      55:11

      फिर क्यों गांधी की हत्या कर दी हिंदुत्व ने?Did Gandhi endorse the Hindu Nation?

      by Palash Biswas
      • 3 weeks ago
      • 63 views
      Did Gandhi endorse the Hindu Nation?Had he any role in partition at all?
      फिर क्यों गांधी की हत्या कर दी हिंदुत्व ने और हत्या का वह सिलिसिला क्यों जारी है?
      I have spoken in English as well as in Hin...
    • Palash Biswas uploaded, posted and added to Hangout - Sep 27, 2012 2:16:40 PM 3 weeks ago

      बाबासाहेब ईश्वर नहीं थे।उन्हें कृपया ईश्वर न बनाइये।सच का सामना कीजिये।

      57:59

      क्या बाबासाहेब ने भारत विभाजन के लिए गांधी और कांग्रेस के साथ समझौता कर लिया था?

      by Palash Biswas
      • 3 weeks ago
      • 80 views
      विडंबना है कि हिंदू राष्ट्र भारत ने नेपाल को चीन की झोली में डाल दिया।क्या यह राष्ट्रद्रोह नहीं है?
      Let Me Speak Human!It is all about the roles of DR.BRAMBEDKAR, Netaji, Fazlul Haq,Seemant Gandhi...
    • Palash Biswas uploaded and posted 3 weeks ago

      Please declassify the classified,topmost secret documents of cabinet proposals of Partition,transfer of power and transfer of population!

      52:04

      In thy name, Ambedkar! Ambedkar`s maiden speech in CA and last speech of Jogendra Nath Mandal!

      by Palash Biswas
      • 3 weeks ago
      • 92 views
      The Akali leader from Punjab,Master Tara Singh asked,Hinduo ko Hindustan Mila aur Musalmano ko Pakistan mila.Sikho ko kya Mila.He had been answered in 1984 with countrywide Sikh Genocide.

      Dr.BR Am...
    • Palash Biswas uploaded, posted and added to Hangout - Sep 27, 2012 2:16:40 PM 4 weeks ago

      बंद करें बेगुनाहों के कत्ल का सिलसिला,बदले में हमारी जान ले लें!

      44:30

      Let Me Speak Human!My Heart Pierced but I may not sing like a nightingale!

      by Palash Biswas
      • 4 weeks ago
      • 37 views
      We may not connect Kashmir as Kashmir Valley is a prohibited geography and every Kashmiri is treated as the enemy of the nation!

      We dare not have any friend in either Salwa Judum or AFSPA region.W...
    • Palash Biswas uploaded, posted and added to Hangout - Sep 27, 2012 2:16:40 PM 1 month ago

      Stop Indian intervention in Nepal!

      43:03

      The Inflated Economy kills Agrarian communities,Indian Business and Industry!

      by Palash Biswas
      • 1 month ago
      • 45 views
      I am not a politician.I have not to reach the masses in the same way as the politicians and Icons do reach.Just I am speaking the relevant issues for the survival of humanity and nature and I have ...
    • Palash Biswas uploaded and posted 1 month ago

      MRICHJHANPI people denied justice.

      39:12

      Send the Refugees to MARS now!Partition story decoded thanks the Ms Mamata Banerjee !

      by Palash Biswas
      • 1 month ago
      • 44 views
      I have been insisting that RSS is doing everything to cut off Kashmir,specifically Kashmir valley out of Indian Map! I have always been writing and speaking the story of partition in First Person v...
    • Palash Biswas uploaded, posted and added to Hangout - Sep 27, 2012 2:16:40 PM 1 month ago

      Pl watch the video and share,circulate it for debate afresh!

      35:04

      Let Me Speak Human!All About Making in INDERICA! Manusmriti Economics!

      by Palash Biswas
      • 1 month ago
      • 26 views
      Do you remember someone named Saddam Hussein and his ambition to make Iraq Regional Super Power?Do you have any idea about the consequence,the continuous holocaust?Do you see the refugee influx ove...
    • Palash Biswas uploaded and posted 1 month ago

      वजूद टूटता रहता है।वजूद को समेटकर फिर मोर्चे पर तनकर खड़ा हो जाना है।लड़ाई जारी है।

      42:55

      Let Me Speak Human! वीरेन दा कैंसर को हराकर चले गये!लड़ाई जारी है!

      by Palash Biswas
      • 1 month ago
      • 99 views
      Our friend,guide and one of the best poet Viren Dangwal has left us this morning at 4 AM in a Bareilly Hospital fighting cancer.He fought bravely.and succumbed.As our dear poet and friend Nabarun B...
    • Palash Biswas uploaded and posted 1 month ago

      For me Bhopal Gas Tragedy is the original reform and it is being further pushed on.

       

      Please watch the video and think the impact!

      32:42

      Let Me Speak Human!May we survive without Oxygen?May we survive taking in ‎Methyl isocyanate?

      by Palash Biswas
      • 1 month ago
      • 30 views
      One woman Gaura Devi from Chamoli taught the world that Mankind may not survive without forest and we are killing the Sunder Bans!We are killing the Himalayas!And now,it is raising the Nocobar whic...
    • Palash Biswas uploaded and posted 1 month ago

      HUMNE HATYRO KO RAB BANA DALA!

      HUMNE RAB KO HATYAR BANA DALA!

      The rivers are full of blood!

      The oceans are full of blood!

      The Himalayas bleeding!

      We have closed our eyes!

      28:11

      Capture 20150925 An Ode to Freedom fighters whom nobody remembers!

      by Palash Biswas
      • 1 month ago
      • 34 views
      LET ME SPEAK HUMAN!My heart bleeds as Humanity bleeding.May not say Eid Mubarak.Condolence for those killed in Haj Satmpede.Condolence for those killed in Stampede in all religious places.Condolenc...
    • Palash Biswas uploaded a video 1 month ago 21:14

      Capture 20150924

      by Palash Biswas
      • 1 month ago
      • 28 views
      Let Me Speak Human!Mourn for DEAD Media! Kill the caste ,the caste system if you can!
    • Palash Biswas uploaded a video 1 month ago 1:57

      Capture 20150923 1

      by Palash Biswas
      • 1 month ago
      • 25 views
      Let Me Speak Human! Sabita Babu Breaks Good News!हमारे वीरेनदा सही सलामत हैं और होश में है।आपरेशन उनका सही हो गया है।अब सविता बाबू को लाइव सुनिये।
    • Palash Biswas uploaded a video 1 month ago 12:51

      Capture 20150923

      by Palash Biswas
      • 1 month ago
      • 31 views
      Let Me Speak Human! Thanks Mr.Prime Minister to spare what`sup and social media from encryption policy. But I may not endorse Economic Blockade of Nepal just because Nepal has refused to go back to...
    • Palash Biswas uploaded and posted 1 month ago

      Situation is worsening in the Himalays.In Kashmir as well as in Nepal.Unprecedented violence is threat to humanity.

      7:20

      Capture 20150922

      by Palash Biswas
      • 1 month ago
      • 37 views
      Let Me Speak Human!Save the Himalayas!Ensure peace in the Himalayas.Without peace in the Himalayas Humanity may not survive!
    • Palash Biswas uploaded and posted 1 month ago

      Hi!It is my live Blog to address you directly as we all stand for Humanity and Nature worldwide!

      3:15

      Capture 20150921

      by Palash Biswas
      • 1 month ago
      • 22 views
      My blog:LET ME SPEAK HUMAN!Condolence for Jagmohan Dalmia who united Asia beyond politics and diplomacy to make Cricket Indian!
    • Palash Biswas liked a video 8 months ago 0:38

      দুই বাংলা এক করে দাও, এটাই আমাদের স্বপ্ন

      by Taslima Kabir
      • 8 months ago
      • 2,610 views
    • Palash Biswas subscribed to a channel 1 year ago

      NNIS - News

      • 14,534 videos
      Check all the latest news and exclusive videos. Subscribe our channel for regular updates.
      Like us on Facebook - https://www.facebook.com/pages/NNIS-News/1481891295364326
      Follow us on Twitter - https:
      • CHANNEL
      Subscribed
    • Palash Biswas uploaded a video 2 years ago 0:39

      Ashish Nandi and his freedom of speech against SCST and OBC

      by Palash Biswas
      • 2 years ago
      • 118 views
      Ashish Nandi has exploded the Bomb ticking against the bahujan Samaj for Thousand years. He saidin the corporate jaipur literatuer festival that SC, ST and OBC are rtesponsible for corruption in th...
    • Palash Biswas uploaded a video 2 years ago 0:02

      It is hot in Kolkata

      by Palash Biswas
      • 2 years ago
      • 842 views
      I am without winter dress.
    • Palash Biswas uploaded a video 2 years ago 4:54

      Webcam video from 31 December 2012 2:53

      by Palash BiswasPalash Biswas uploaded a video 2 years ago 0:03
      • 2 years ago
      • 287 views
      An Warning against massive earthquakes Imminent in the Himalayan Region
    • Me at home

      by Palash Biswas
      • 2 years ago
      • 4 views
      I am at home and waiting for my friends.

    --
    Pl see my blogs;


    Feel free -- and I request you -- to forward this newsletter to your lists and friends!

    0 0

    ताज़ा आलेख/ समाचार


    --
    Pl see my blogs;


    Feel free -- and I request you -- to forward this newsletter to your lists and friends!

    0 0

    https://youtu.be/PVSAo0CXCQo


    KOMAL GANDHAR!Forget not Ritwik Ghatak and his musicality, melodrama,sound design,frames to understand Partition of India!

    Palash Biswas


    https://www.youtube.com/watch?v=ym-F7lAMlHk

    They kept the Zamindari and their Riyasat and partitioned India,Indian people and turned the nation into Zamindari,Riyasat.It is the caste class hegemony against which Ritwik Ghatak made his films!Komal Gandhar is the masterpiece to understand India and us,the Indian People!

    It is overlapping Abhigyan Shkuntalam and the Buffer shot zooms in present scenario of BEEF BAN and BEEF Festival,both of which oppose India and Indian people!Polarizing us with religious and caste identities.It is politics as as well as the economics of Free Marge Global Order,Global Hindutva and governance of Fascism!

    The story is about partition and its impact,IPTA and Indian Communist movement!


    I am grateful to You Tube for the clippings!I am grateful to Ei Samay for Kumar Sahani interviewed which opened the opportunity for me to discuss the Partition of India,transfer of population and its impact.I extended the frame of the Webcam and the frame.It is an experiment. If you endorse it,I may present other stories of partition!

    Komal Gandhar

    From Wikipedia, the free encyclopedia


    Komal Gandhar (Bengali: কোমল গান্ধার Kōmal Gāndhār),[1] also known as A Soft Note on a Sharp Scale, is a 1961 Bengali film[2] written and directed by noted film maker Ritwik Ghatak.[3][4][5] The title refers to the Hindustaniequivalent of "E-flat". It was part of the trilogy, Meghe Dhaka Tara (1960), Komal Gandhar, and Subarnarekha (1962), all dealing with the aftermath of the Partition of India in 1947 and the refugees coping with it, though this was the most optimistic film of his oeuvre.[6] The film explores three themes juxtaposed in the narrative, the dilemma of Anusuya, the lead character, divided leadership of IPTA and the fallout of the partition of India.[7]



    I was born in a refugee resettlement colony.I was brought up there and witnessed the absent humanscape and landscape,the lost musicality,sound system,six seasons and overwhelming folk,the tragedy,the flowing Padma and Madhumati rivers,the calamities,the association with nature from which they never recovered.


    It is the unprecedented violence,the hatred campaign we inherit from the partition of India,even the institutional fascism,continuous holocaust across the border,the disintegration,the personality disorder,Social disorder and disorganization and political anarchy and terror!As we lose the legacy of universal fraternity,association with Nature,celebration of life,mother tongue,homeland everything even the civic and human rights,citizenship!


    Komal Gandhar and every film made by Ritwik Ghatak is all about aesthetics of social realism inherited by Nabarun Bhattacharya in his writings.It is complete degeneration,loss of identity and faith,eligion!


    The Ultimate human tragedy is the story of Komal Gandhar.It is the story of Indian People`s theatre and alternative cinema,alternative media,art and literature.


    I dare to deal with the masterpiece just because it is mandatory in an environment of riotous civil war because of Hindutva agenda and the latest BEEF Scandal to divide the country with religious and caste identity.If we have to stop this nonsense,we have to understand the phenomenon of partition and its overlapping impact,the lost musicality which is the soul of Indian cinema.We have to go through the melodrama of the partition Holocaust.


    Komal Gandhar

    From Wikipedia, the free encyclopedia

    Komal Gandhar

    (A Soft Note on a Sharp Scale)

    Komal Gandhar DVD cover

    Komal Gandhar DVD cover

    Directed by

    Ritwik Ghatak

    Produced by

    Ritwik Ghatak

    Screenplay by

    Ritwik Ghatak

    Music by

    Jyotirindra Moitra

    Lyrics: Rabindranath Tagore

    Cinematography

    Dilip Ranjan Mukhopadhyay

    Edited by

    Ramesh Joshi

    Release dates

    31 March 1961

    Country

    India

    Language

    Bengali

    Komal Gandhar (Bengali: কোমল গান্ধার Kōmal Gāndhār),[1] also known as A Soft Note on a Sharp Scale, is a 1961 Bengali film[2] written and directed by noted film maker Ritwik Ghatak.[3][4][5] The title refers to the Hindustaniequivalent of "E-flat". It was part of the trilogy, Meghe Dhaka Tara (1960), Komal Gandhar, and Subarnarekha (1962), all dealing with the aftermath of the Partition of India in 1947 and the refugees coping with it, though this was the most optimistic film of his oeuvre.[6] The film explores three themes juxtaposed in the narrative, the dilemma of Anusuya, the lead character, divided leadership of IPTA and the fallout of the partition of India.[7]

    Contents

     [hide]

    Overview[edit]

    The title was taken from the line of a poem[a] by Rabindranath Tagore that meant a sur or note, E-flat. As in other films by Ghatak, music plays a pivotal role in the movie.

    Through the microcosmic perspectivising of a group of devoted and uncompromising IPTA workers, Ghatak with his signature style touches on varied issues of partition, idealism, corruption, the interdependence of art and life, the scope of art, and class-struggle. Unlike his other films, this one runs along an upbeat mood with the lead pair of lovers (Vrigu and Anusua) being reunited.

    Cast[edit]

    Soundtrack[edit]

    Music was by Jyotirindra Moitra, from IPTA, and a noted Rabindra Sangeet exponent who had previously given music in Ghatak's Meghe Dhaka Tara (1960), and had song by singers like, Bijon Bhattacharya, Debabrata Biswas, Hemanga Biswas. Bahadur Khan played sarod in the soundtrack. The film is noted for its wedding songs and also contrapuntal use of sound.[8]

    See also[edit]

    References[edit]

    Citation[edit]

    Ritwik Ghatak

    From Wikipedia, the free encyclopedia

    It has been suggested that Bagalar Banga Darshan be merged into this article. (Discuss) Proposed since May 2014.


    Ritwik Ghatak

    ঋত্বিক কুমার ঘটক

    Image of Ritwik Ghatak, a Bengali film director

    Image of Ritwik Ghatak

    Native name

    ঋত্বিক কুমার ঘটক

    Born

    Ritwik Kumar Ghatak

    4 November 1925

    Dhaka, Bangladesh

    Died

    6 February 1976 (aged 50)

    Kolkata, West Bengal, India

    Occupation

    Film maker and writer

    Nationality

    Bangladeshi

    Citizenship

    BAngladeshi

    Notable works

    Nagarik, Ajantrik,Subarnarekha, Meghe Dhaka Tara

    Notable awards

    Padma Shri

    National Film Award's Rajat Kamal Award Best Story forJukti Takko Aar Gappo

    Best Director's Award from Bangladesh Cine Journalist's Association for Titash Ekti Nadir Naam

    Spouse

    Surama Ghatak[1]

    Children

    Ritaban Ghatak (son)

    Samhita Ghatak (daughter)

    Suchismita Ghatak (daughter)[2]

    Relatives

    Manish Ghatak (elder brother),Mahasweta Devi (niece),

    Ghatak Family Tree

    Ritwik Ghatak (Bengali: ঋত্বিক কুমার ঘটক, Ritbik Kumar Ghôţôk, About this soundlisten (help·info); 4 November 1925 – 6 February 1976)[3] was a Bengalifilmmaker and script writer. Along with prominent contemporary Bengali filmmakers Satyajit Ray and Mrinal Sen, his cinema is primarily remembered for its meticulous depiction of social reality. Although their roles were often adversarial, they were ardent admirers of each other's work and, in doing so, the three directors charted the independent trajectory of parallel cinema, as a counterpoint to the mainstream fare of Hindi cinema in India. Ghatak received many awards in his career, including National Film Award's Rajat Kamal Awardfor Best Story in 1974 for his Jukti Takko Aar Gappo[4] and Best Director's Award from Bangladesh Cine Journalist's Association for Titash Ekti Nadir Naam. The Government of India honoured him with the Padma Shri for Arts in 1970.[5][6]

    Contents

     [hide]

    Early life[edit]

    Ritwik Ghatak was born in Dhaka in East Bengal (now Bangladesh).[7]Ghatak's father Suresh Chandra Ghatak was a district magistrate and a poet and playwright; his mother's name was Indubala Devi. He and his twin sister Prateeti, were the youngest of nine children. The other children were Manish, Sudhish, Tapati, Sampreeti, Brototi, Ashish Chandra and Lokesh Chandra. He and his family moved to Calcutta (now Kolkata) just before millions of other refugees from East Bengal began to flood into the city, fleeing the catastrophicBengal famine of 1943 and the partition of Bengal in 1947. Identification with this tide of refugees was to define his practice, providing an over-ridingmetaphor for cultural dismemberment and exile that unified his subsequent creative work. The 1971 Bangladesh Liberation War, which led to more refugees fleeing to India, was to have a similar impact on his work.

    Family[edit]

    Ritwik married Surama Devi, niece of active left-wing member, Sadhana Roychowdhury. They separated and she went to her ancestral place, Shillong after Ritwik was temporarily sent to a mental hospital. They had three children: son Ritaban and two daughters. Ritaban is a filmmaker[8] in his own right and is involved in the Ritwik Memorial Trust. He has restored Ritwik's Bagalar Banga Darshan, Ronger Golam and completed his unfinished documentary on Ramkinkar. He has also made a film titled Unfinished Ritwik. He is now working on adapting Bibhutibhushan Bandopadhyay's short story 'Ichhamati'. Ritwik's elder daughter Samhita, has made a docufeature titled Nobo Nagarik. His younger daughter died in 2009.[9]Ghatak's elder brother Manish Ghatak was a radical writer of his time, a professor of English and a social activist who was deeply involved with the IPTA theatre movement in its heyday and later on headed the Tebhaga Andolan of North Bengal. Manish Ghatak's daughter is the writer and activist Mahasweta Devi.

    Creative career[edit]

    In 1948, Ghatak wrote his first play Kalo sayar (The Dark Lake) and participated in a revival of the landmark playNabanna.[10] In 1951, Ghatak joined the Indian People's Theatre Association (IPTA). He wrote, directed and acted in plays and translated Bertolt Brecht and Gogol into Bengali. In early 1970s, he wrote and directed his last play Jwala (The Burning). The music director was Darbar Bhaduri, who was called by Ghatak 'Dada' or 'Guru' from his childhood. Ghatak was greatly inspired by Darbar Bhaduri. In Rajshahi, Bangladeh—his homeland Ritwik lived beside Bhaduri's house. Almost all time he was with Darbar Bhaduri. Darbar Bhaduri was a 'King maker' who kept away from outside world. Ghatak by pressure made Darbar Bhaduri the music director of Jwala, and the music was extraordinary.

    Ghatak entered the film industry with Nimai Ghosh's Chinnamul (1950) as actor and assistant director. Chinnamul was followed in two years by Ghatak's first completed film Nagarik (1952), both major breakthroughs for the Indian cinema.[11][12] Ghatak's early work sought theatrical and literary precedent in bringing together a documentary realism, a stylised performance often drawn from the folk theatre, and a Brechtian use of the filmic apparatus.

    Ghatak's first commercial release was Ajantrik (1958), a comedy-drama film with science fiction themes. It was one of the earliest Indian films to portray an inanimate object, in this case an automobile, as a character in the story.

    Ghatak's greatest commercial success as a script writer was for Madhumati (1958), one of the earliest films to deal with the theme of reincarnation. It was a Hindi film directed by another Bengali filmmaker Bimal Roy. It earned Ghatak his first award nomination, for the Filmfare Best Story Award.

    Ritwik Ghatak directed eight full-length films. His best-known films, Meghe Dhaka Tara (The Cloud-Capped Star) (1960),Komal Gandhar (E-Flat) (1961), and Subarnarekha (Golden Lining) (1962), a trilogy based in Calcutta and addressing the condition of refugee-hood, proved controversial and the commercial failure of Komal Gandhar (E-Flat) and Subarnarekhaprevented him from making features through the remainder of the 1960s. In all three, he used a basic and at times starkly realistic storyline, upon which he inscribed a range of mythic references, especially of the 'Mother Deliverer', through a dense overlay of visual and aural registers.

    Ritwik Ghatak, at young age

    Ghatak moved briefly to Pune in 1966, where he taught at the Film and Television Institute of India (FTII). During his year at FTII, he was involved in the making of two student films: Fear and Rendezvous.

    Ghatak returned to filmmaking in the 1970s, when a Bangladeshi producer financed the 1973 epic Titash Ekti Nadir Naam (A River Called Titas). Making films became difficult because of his poor health due to extreme alcoholism and consequent diseases. His last film was the autobiographical Jukti Takko Aar Gappo (Reason, Debate And Story) (1974), in which he portrayed Neelkantha (Nilkanth) the lead character.[13] He also had a number of incomplete feature and short films in his credit.

    Impact and influence[edit]

    A scene from Ghatak's last film Jukti Takko Aar Gappo (1974)

    At the time of his death (February 1976), Ghatak's primary impact would seem to have been through former students. Though his stint teaching film at FTII was brief, one-time students Mani Kaul, John Abraham, and especially Kumar Shahani (among many others),[14] carried Ghatak's ideas and theories, which were further elaborated upon in his book Cinema And I, into the mainstream of Indian art film. Other students of his at the FTII included the acclaimed filmmakers Saeed Akhtar Mirza and Adoor Gopalakrishnan.[15]

    Ghatak stood entirely outside the world of Indian commercial film. None of the elements of the commercial cinema (singing and dancing, melodrama, stars, glitz) featured in his work.[citation needed] He was watched by students and intelligentsia, not by the masses. His students have tended to work in the art cinema or independent cinema tradition.

    While other neo-realist directors like Satyajit Ray succeeded in creating an audience outside India during their lifetime, Ghatak was not so fortunate. While he was alive, his films were appreciated primarily within India. Satyajit Ray did what he could to promote his colleague, but Ray's generous praise did not translate into international fame for Ghatak. For example, Ghatak's Nagarik (1952) was perhaps the earliest example of a Bengali art film, preceding Ray's Pather Panchali by three years but was not released until after his death in 1977.[11][12] His first commercial release Ajantrik (1958) was one of the earliest Indian films to portray an inanimate object, an automobile, as a character in the story, many years before theHerbie films.[16] Ghatak's Bari Theke Paliye (1958) had a similar plot to François Truffaut's The 400 Blows (1959), but Ghatak's film remained obscure while Truffaut's went on to become one of the most famous of the French New Wave. One of Ghatak's final films, Titash Ekti Nadir Naam (1973), is one of the earliest to be told in a hyperlink format, featuring multiple characters in a collection of interconnected stories, predating Robert Altman's Nashville (1975) by two years.

    Ghatak's only major commercial success was Madhumati (1958), a Hindi film which he wrote the screenplay for. It was one of the earliest to deal with the theme of reincarnation and is believed to have been the source of inspiration for many later works dealing with reincarnation in Indian cinema, Indian television, and perhaps world cinema. It may have been the source of inspiration for the American film The Reincarnation of Peter Proud (1975) and the Hindi film Karz (1980), both of which dealt with reincarnation and have been influential in their respective cultures.[17]Karz in particular was remade several times: as the Kannada filmYuga Purusha (1989), the Tamil filmEnakkul Oruvan (1984), and more recently theBollywoodKarzzzz (2008). Karz and The Reincarnation of Peter Proud may have inspired the American Chances Are(1989).[17] The most recent film to be directly inspired by Madhumati was the hit Bollywood film Om Shanti Om (2007), which led to the late Bimal Roy's daughter Rinki Bhattacharya accusing it of plagiarism and threatening legal action against its producers.[18][19]

    Ghatak's work as a director had an impact on many later Indian filmmakers, including those from the Bengali film industryand elsewhere. Ghatak is said to have influences on Kumar Shahani, Mani Kaul, Ketan Mehta, and Adoor Gopalakrishnan. For example, Mira Nair has cited Ghatak as well as Ray as the reasons she became a filmmaker.[20] Ghatak's impact as a director began to spread beyond India much later; beginning in the 1990s, a project to restore Ghatak's films was undertaken, and international exhibitions (and subsequent DVD releases) have belatedly generated an increasingly global audience. In a critics' poll of all-time greatest films conducted by the Asian film magazine Cinemaya in 1998, Subarnarekhawas ranked at No. 11.[21] In the 2002 Sight & Sound critics' and directors' poll for all-time greatest films, Meghe Dhaka Tarawas ranked at No. 231 and Komal Gandhar at No. 346.[22] In 2007, A River Named Titas topped the list of 10 bestBangladeshi films, as chosen in the audience and critics' polls conducted by the British Film Institute.[23] Russia-born German actress Elena Kazan once said Ghatak's Jukti Takko Gappo has the most profound influence on her view about world cinema.[24]

    Bangladeshi filmmaker Shahnewaz Kakoli said she has been greatly influenced by Ritwik Ghatak's films and regarded Ghatak as her idol. She told–[25]

    Like all Bengalis, I too have grown up watching movies of Satyajit Ray and Ghatak, though I like Ghatak more and I idolise him. I am greatly inspired by him and consequently my movie 'Uttarer Sur' (Northern Symphony) too is influenced by Ghatak.

    Works[edit]

    Main article: List of works of Ritwik Ghatak

    Though Ghatak is mainly known as film director, he wrote many stories and plays. In his creative career, Ghatak made eight full-length feature films and few short films and documentaries. He also wrote many short stories, plays and poetries. Ghatak wrote more than 50 articles and essays on film.

    Ideology[edit]

    Ghatak was not only a film director, he was a theorist, too. His views and commentaries on films have been parts of scholarly studies and researches. As a filmmaker his main concentration was on men and life and specially the day-to-day struggle of ordinary men. He could never accept the partition of India of 1947 which divided Bengal into two countries. In almost all his film he dealt with this theme.[26]

    Filmmaking was not only art for him. In his opinion it was only a means to the end of serving people: It was only a means of expressing his anger at the sorrows and sufferings of his people.[27]

    Awards, honours and recognitions[edit]

    • Padma Shri for Arts in 1970 by The Government of India.[5][6]

    • Musafir had won the Certificate of Merit for Third Best Feature Film at 5th National Film Awards in 1957.[28]

    • Madhumati Nominated for Filmfare Best Story Award.[29]

    • National Film Award's Rajat Kamal Award for Best Story in 1974 for Jukti Takko Aar Gappo].

    • Best Director's award from Bangladesh Cine Journalist's Association for Titash Ekti Nadir Naam.

    • Ajantrik got special entry in the Venice Film Festival in 1959.

    • In a critics' poll of all-time greatest films conducted by Asian film magazine Cinemaya in 1998, Subarnarekha was ranked at No. 11 on the list.

    • In the 2002 Sight & Sound critics' and directors' poll for all-time greatest films, Meghe Dhaka Tara was ranked at No. 231 and Komal Gandhar at No. 346 on the list.

    • In 2007, A River Named Titas topped the list of 10 best Bangladeshi films, as chosen in the audience and critics' polls conducted by the British Film Institute.

    • Heerer Prajapati had won the Best Children's Film Award (Prime Minister's Gold Medal) at 16th National Film Awards in 1970.[30]

    Further reading[edit]

    References[edit]


    --
    Pl see my blogs;


    Feel free -- and I request you -- to forward this newsletter to your lists and friends!

    0 0


    এবিসি নিউজের তথ্যচিত্রে বঙ্গবন্ধুর বিরল সাক্ষাৎকার

    t

    ধারণ করেছিলেন বাঙালি নামের এক জনগোষ্ঠীর প্রাণের আকাঙ্ক্ষা, তবে পরিণত হয়েছিলেন বিশ্বনেতায়। বিশ্বব্যাপী আকাশচুম্বী জনপ্রিয়তা অর্জন করেছিলেন টুঙ্গিপাড়ার সন্তান শেখ মুজিবুর রহমান। আমাদের এই ভূখণ্ডে বিশ্ব ইতিহাসের এক অনন্য রক্তাক্ত মুক্তিযুদ্ধ পরিচালিত হয়েছিল একটি প্রতিককে, একটি নামকে সঙ্গে নিয়ে। সেই নামটি শেখ মুজিবুর রহমান। রাষ্ট্রীয় পরিচয়ে তিনি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, আর সেই একাত্তরের সাড়ে সাত কোটি মানুষের কাছে তিনি যেন একই মায়ের গর্ভে জন্ম নেয়া ভাই, মুজিব ভাই!

    একটি জনগোষ্ঠীর সামগ্রিক মুক্তির আকাঙ্ক্ষাকে ভাষা দিয়ে শেখ মুজিব বিশ্বব্যাপী হয়ে ওঠেন মানুষের স্বাধীনতা আর মুক্তির এক প্রতিকি ব্যক্তিত্বে। সঙ্গতকারণেই আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে তিনি তখন একান্ত কাঙ্ক্ষিতজন। ৭২এর সূচনালগ্নে বিশ্বজনমতের চাপে পাকিস্তান যখন তাকে মুক্তি দিতে বাধ্য হয়, তার পরপরই বাঙালির এই অবিসংবাদিত নেতার সাক্ষাৎকার সমেত একটি তথ্যচিত্র নির্মাণ করে মার্কিন সংবাদমাধ্যম এবিসি নিউজ। প্রতিনিধি পিটার জেনিংস এবং হাওয়ার্ড টাকনারের 'বাংলাদেশ'নামের ওই তথ্যচিত্রে স্বাধীনতা পরবর্তী বিধ্বস্ত বাংলাদেশের চ্যালেঞ্জগুলো খুঁজে দেখার চেষ্টা করা হয়।ইংরেজী ভাষার ২৬ মিনিটের ওই তথ্যচিত্রের খণ্ড খণ্ড সাক্ষাৎকারে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান যেন জানিয়ে দিতে চান মানুষের ভালোবাসার শক্তি দিয়েই উঠে দাঁড়াবে বিধ্বস্ত দেশ।

    'বাংলাদেশ'নামের তথ্যচিত্রটি শুরু করা হয় বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীতের মধ্য দিয়ে। পরিচয় করিয়ে দেয়া হয়, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে। বলা হয়, বঙ্গবন্ধুই এখন যুদ্ধবিধ্বস্ত বাংলাদেশের মানুষের একমাত্র ভরসা।

    এবিসি নিউজের কাছে বঙ্গবন্ধু ভালোবাসায় বিশ্বাসী 'বাংলাদেশি জীবন দর্শন' তুলে ধরেন। জোর দিয়ে তিনি বলেন 'আমরা মানুষ। আমরা কারও বিরুদ্ধে প্রতিশোধ নিতে চাই না। আমরা বলতে চাই, একটি স্বাধীন ও মুক্ত দেশে আমরা মানুষের মত বাঁচতে চাই। আর বাংলাদেশ হল সেই বাস্তবতা। আমরা প্রতিশোধে বিশ্বাসী না, আমরা বাংলাদেশি জীবন দর্শনে বিশ্বাসী। আর তাহল ভালোবাসা, ভালোবাসা এবং ভালোবাসা।'

    যুদ্ধ-বিধ্বস্ত বাংলাদেশের বাস্তবতা উঠে এসেছে ওই তথ্যচিত্রে। চারদিকে যখন হাহাকার আর দেউলিয়াত্ব, তখনও চিরচেনা একটি বিষয় ছিলো অটুট। আর তাহল মনোবল। সেই মনোবলকে সঙ্গী করে আনন্দ জিইয়ে রেখেছিলো তারা। আর এবিসি নিউজের প্রতিনিধির কাছে বাংলাদেশের মানুষের সেই মনোবলকে সঙ্গী করে এগিয়ে যাওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছিলেন, বঙ্গবন্ধু । বলেছিলেন, 'জনগণ আমাকে ভালোবাসে, আমাকে শ্রদ্ধা করে, আমার দলের ওপর আস্থা রাখে। আমি বিশ্বাস করি, দেশের জনগণ আমাকে তাদের সমর্থন যুগিয়ে যাবে।'

    প্রধানমন্ত্রীত্বের পাশাপাশি প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং তথ্য মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পালন করছিলেন বঙ্গবন্ধু। একসঙ্গে এতগুলো দায়িত্ব পালনের ব্যাপারে তার অনুভূতি কী তা জানতে চাওয়া হয় এবিসি নিউজের তরফে। জবাবে দেশের জনগণের তার প্রতি অপরীসিম ভালোবাসার উল্লেখ করেন বঙ্গবন্ধু। বলেন, 'আমার ক্ষমতা হল দেশের জনগণের ভালোবাসা। দেশের জনগণ আমাকে ভালোবাসে এবং স্নেহ করে। আমি জানি না, বিশ্বের অন্য কোন নেতা জনগণের এত ভালোবাসা পেয়েছেন কিনা।'

    তথ্যচিত্রে রয়েছে যুদ্ধপরবর্তী বাংলাদেশের পরিস্থিতির অবর্ণনীয় বর্ণনা। এমন প্রেক্ষাপটে কীভাবে পুনর্বাসিত হবে বাংলাদেশের মানুষ? বঙ্গবন্ধু এবিসি নিউজকে বলেন, 'প্রথমে জনগণের জন্য খাবারের ব্যবস্থা করতে হবে। এরপর তাদের বাড়ি-ঘরের ব্যবস্থা করতে হবে কারণ সেগুলো জ্বালিয়ে দেয়া হয়েছে। যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন করতে হবে। আমার দেশের মানুষের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করতে হবে। বর্তমানে এ সমস্যাগুলোই প্রবল হয়ে উঠেছে।'

    বাংলাদেশের সম্ভাবনাময় শিল্পগুলোর কথা উল্লেখ করেন বঙ্গবন্ধু। যুদ্ধে ক্ষতিগ্রস্ত সেইসব শিল্পকে পুনঃসংগঠিত করার উপর জোর দেন তিনি। বঙ্গবন্ধু বলেন, 'আমাদের রপ্তানিযোগ্য অনেক পণ্য আছে। আমাদের পাট আছে, চা আছে, চামড়া আছে, মাছ আছে, বনজ সম্পদ আছে। এগুলো খুবই সম্ভাবনাময়। এর মধ্য দিয়ে আমরা বিপুল বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করতে পারি। তবে এগুলো পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে গেছে। এগুলো পুনংসংগঠিত করতে হবে এবং শিগগিরই সে কাজ শুরু করতে হবে।'

    ১৯৭১ সালের ৪ঠা ডিসেম্বর যুক্তরাষ্ট্রের তরফে নিরাপত্তা পরিষদে অবিলম্বে যুদ্ধবিরতি ঘোষণা, ভারত ও পাকিস্তানের সৈন্য স্ব স্ব সীমান্তের ভিতরে ফিরিয়ে নেওয়া এবং সেই সিদ্ধান্ত কার্যকর করার উদ্দেশ্যে জাতিসংঘ মহাসচিবকে ক্ষমতা প্রদান করার জন্য এক প্রস্তাব উত্থাপন করা হয়। সেসময় বাংলাদেশের পক্ষে অবস্থান নিয়ে ওই প্রস্তাবের বিপক্ষে ভেটো প্রদান করেছিল রাশিয়া। তথ্যচিত্রে বলা হয়, এরইমধ্যে সোভিয়েত ইউনিয়নের তরফে বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়া হলেও এখনও (যেসময় তথ্যচিত্রটি নির্মিত হয়) অপ্রত্যাশিতভাবে স্বীকৃতি দেয়নি যুক্তরাষ্ট্র। সোভিয়েত ইউনিয়ন যুদ্ধবিধ্বস্ত মানুষের জন্য মানবিক সহায়তা পাঠিয়েছে উল্লেখ করে তথ্যচিত্রে বলা হয়, দিন দিন সোভিয়েত ইউনিয়নের কাছে ঋণী হয়ে পড়ছে বাংলাদেশ। যুক্তরাষ্ট্র এখনও (যেসময় তথ্যচিত্রটি নির্মিত হয়) স্বীকৃতি দেয়নি; মানবিক সহায়তা পাঠিয়েছে তবে তাও সীমিত আকারে। রাশিয়ার সঙ্গে বন্ধুত্ব এবং স্বাধীন বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতি নিয়ে এবিসি নিউজের সঙ্গে কথা বলেন বঙ্গবন্ধু।

    তিনি বলেন, 'রাশিয়া আমাদের পাশে দাঁড়িয়েছিল, ভেটো দিয়েছিল, আমাদের সহায়তা দিয়েছিল। বাংলাদেশ-রাশিয়ার বন্ধুত্ব অটুট থাকবে। কিন্তু তার মানে এই নয় যে, আমরা অন্য কোন দেশের সঙ্গে বন্ধুত্ব গড়ে তুলব না। কারণ আমি জোটবিহীন, নিরপেক্ষ এবং স্বাধীন ধারার পররাষ্ট্রনীতিতে বিশ্বাস করি এবং আমি কোন কিছুর মূল্যেই আমার স্বাধীনতা বেচে দিতে পারি না। সে যেই হোক না কেন।'

    ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধকে পাকিস্তানের ভেতরকার দ্বন্দ্ব বলে উল্লেখ করেছিল যুক্তরাষ্ট্র। মুক্তিযুদ্ধের সময় যুক্তরাষ্ট্রের বাংলাদেশবিরোধী অবস্থানের বিরুদ্ধে ক্ষোভ জানান বঙ্গবন্ধু।

    তিনি বলেন, 'অন্তত মানবতার খাতিরে যুক্তরাষ্ট্রের এগিয়ে আসা উচিত ছিল। আমার দেশের দুর্ভাগা জনগণকে রক্ষা করতে, পাকিস্তান সেনাবাহিনীর নৃশংসতা থেকে আমার দেশের নিরস্ত্র মানুষকে বাঁচাতে তারা এগিয়ে আসতে পারত। আমরা আশা করেছিলাম সেটা। একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র হিসেবে মানবতার খাতিরে তারা প্রতিবাদ করতে পারত। পাকিস্তানকে অন্তত বলতে পারত, মানবতার খাতিরে এমনটা করো না। বলতে কষ্ট হচ্ছে আমার। তারা এটা করেনি।'

    যুক্তরাষ্ট্রকে উদ্দেশ্য করে বঙ্গবন্ধু আরও বলেন, 'তোমরা ক্ষমতাধর দেশ আমরা জানি। কিন্তু ক্ষমতা মূলত জনগণ থেকে আসে মনে রেখ। তোমাদের ভিয়েতনামে যথেষ্ট সৈন্য আছে। কিন্তু সেটা ভুল। আদতে তোমরা ভিয়েতনাম জয় করতে পারনি। কারণ জনগণ এর বিপক্ষে। পৃথিবীর সবচেয়ে শক্তিশালী সমরাস্ত্র সুসজ্জিত সেনাবাহিনী কে তৈরি করতে পেরেছে। যুক্তরাষ্ট্র তো? ভিয়েতনাম জয় করতে সবকিছুই পাঠিয়েছো তোমরা। কিন্তু জয় পেয়েছ? পাওনিতো।'

    ধারণ করেছিলেন বাঙালি নামের এক জনগোষ্ঠীর প্রাণের আকাঙ্ক্ষা, তবে পরিণত হয়েছিলেন বিশ্বনেতায়। বিশ্বব্যাপী আকাশচুম্বী জনপ্রিয়তা অর্জন করেছিলেন টুঙ্গিপাড়ার সন্তান শেখ মুজিবুর রহমান। আমাদের এই ভূখণ্ডে বিশ্ব ইতিহাসের এক অনন্য রক্তাক্ত মুক্তিযুদ্ধ পরিচালিত হয়েছিল একটি প্রতিককে, একটি নামকে সঙ্গে নিয়ে। সেই নামটি শেখ মুজিবুর রহমান। রাষ্ট্রীয় পরিচয়ে তিনি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, আর সেই একাত্তরের সাড়ে সাত কোটি মানুষের কাছে তিনি যেন একই মায়ের গর্ভে জন্ম নেয়া ভাই, মুজিব ভাই!

    একটি জনগোষ্ঠীর সামগ্রিক মুক্তির আকাঙ্ক্ষাকে ভাষা দিয়ে শেখ মুজিব বিশ্বব্যাপী হয়ে ওঠেন মানুষের স্বাধীনতা আর মুক্তির এক প্রতিকি ব্যক্তিত্বে। সঙ্গতকারণেই আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে তিনি তখন একান্ত কাঙ্ক্ষিতজন। ৭২এর সূচনালগ্নে বিশ্বজনমতের চাপে পাকিস্তান যখন তাকে মুক্তি দিতে বাধ্য হয়, তার পরপরই বাঙালির এই অবিসংবাদিত নেতার সাক্ষাৎকার সমেত একটি তথ্যচিত্র নির্মাণ করে মার্কিন সংবাদমাধ্যম এবিসি নিউজ। প্রতিনিধি পিটার জেনিংস এবং হাওয়ার্ড টাকনারের 'বাংলাদেশ'নামের ওই তথ্যচিত্রে স্বাধীনতা পরবর্তী বিধ্বস্ত বাংলাদেশের চ্যালেঞ্জগুলো খুঁজে দেখার চেষ্টা করা হয়।ইংরেজী ভাষার ২৬ মিনিটের ওই তথ্যচিত্রের খণ্ড খণ্ড সাক্ষাৎকারে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান যেন জানিয়ে দিতে চান মানুষের ভালোবাসার শক্তি দিয়েই উঠে দাঁড়াবে বিধ্বস্ত দেশ।

    'বাংলাদেশ'নামের তথ্যচিত্রটি শুরু করা হয় বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীতের মধ্য দিয়ে। পরিচয় করিয়ে দেয়া হয়, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে। বলা হয়, বঙ্গবন্ধুই এখন যুদ্ধবিধ্বস্ত বাংলাদেশের মানুষের একমাত্র ভরসা।

    এবিসি নিউজের কাছে বঙ্গবন্ধু ভালোবাসায় বিশ্বাসী 'বাংলাদেশি জীবন দর্শন' তুলে ধরেন। জোর দিয়ে তিনি বলেন 'আমরা মানুষ। আমরা কারও বিরুদ্ধে প্রতিশোধ নিতে চাই না। আমরা বলতে চাই, একটি স্বাধীন ও মুক্ত দেশে আমরা মানুষের মত বাঁচতে চাই। আর বাংলাদেশ হল সেই বাস্তবতা। আমরা প্রতিশোধে বিশ্বাসী না, আমরা বাংলাদেশি জীবন দর্শনে বিশ্বাসী। আর তাহল ভালোবাসা, ভালোবাসা এবং ভালোবাসা।'

    যুদ্ধ-বিধ্বস্ত বাংলাদেশের বাস্তবতা উঠে এসেছে ওই তথ্যচিত্রে। চারদিকে যখন হাহাকার আর দেউলিয়াত্ব, তখনও চিরচেনা একটি বিষয় ছিলো অটুট। আর তাহল মনোবল। সেই মনোবলকে সঙ্গী করে আনন্দ জিইয়ে রেখেছিলো তারা। আর এবিসি নিউজের প্রতিনিধির কাছে বাংলাদেশের মানুষের সেই মনোবলকে সঙ্গী করে এগিয়ে যাওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছিলেন, বঙ্গবন্ধু । বলেছিলেন, 'জনগণ আমাকে ভালোবাসে, আমাকে শ্রদ্ধা করে, আমার দলের ওপর আস্থা রাখে। আমি বিশ্বাস করি, দেশের জনগণ আমাকে তাদের সমর্থন যুগিয়ে যাবে।'

    প্রধানমন্ত্রীত্বের পাশাপাশি প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং তথ্য মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পালন করছিলেন বঙ্গবন্ধু। একসঙ্গে এতগুলো দায়িত্ব পালনের ব্যাপারে তার অনুভূতি কী তা জানতে চাওয়া হয় এবিসি নিউজের তরফে। জবাবে দেশের জনগণের তার প্রতি অপরীসিম ভালোবাসার উল্লেখ করেন বঙ্গবন্ধু। বলেন, 'আমার ক্ষমতা হল দেশের জনগণের ভালোবাসা। দেশের জনগণ আমাকে ভালোবাসে এবং স্নেহ করে। আমি জানি না, বিশ্বের অন্য কোন নেতা জনগণের এত ভালোবাসা পেয়েছেন কিনা।'

    তথ্যচিত্রে রয়েছে যুদ্ধপরবর্তী বাংলাদেশের পরিস্থিতির অবর্ণনীয় বর্ণনা। এমন প্রেক্ষাপটে কীভাবে পুনর্বাসিত হবে বাংলাদেশের মানুষ? বঙ্গবন্ধু এবিসি নিউজকে বলেন, 'প্রথমে জনগণের জন্য খাবারের ব্যবস্থা করতে হবে। এরপর তাদের বাড়ি-ঘরের ব্যবস্থা করতে হবে কারণ সেগুলো জ্বালিয়ে দেয়া হয়েছে। যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন করতে হবে। আমার দেশের মানুষের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করতে হবে। বর্তমানে এ সমস্যাগুলোই প্রবল হয়ে উঠেছে।'

    বাংলাদেশের সম্ভাবনাময় শিল্পগুলোর কথা উল্লেখ করেন বঙ্গবন্ধু। যুদ্ধে ক্ষতিগ্রস্ত সেইসব শিল্পকে পুনঃসংগঠিত করার উপর জোর দেন তিনি। বঙ্গবন্ধু বলেন, 'আমাদের রপ্তানিযোগ্য অনেক পণ্য আছে। আমাদের পাট আছে, চা আছে, চামড়া আছে, মাছ আছে, বনজ সম্পদ আছে। এগুলো খুবই সম্ভাবনাময়। এর মধ্য দিয়ে আমরা বিপুল বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করতে পারি। তবে এগুলো পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে গেছে। এগুলো পুনংসংগঠিত করতে হবে এবং শিগগিরই সে কাজ শুরু করতে হবে।'

    ১৯৭১ সালের ৪ঠা ডিসেম্বর যুক্তরাষ্ট্রের তরফে নিরাপত্তা পরিষদে অবিলম্বে যুদ্ধবিরতি ঘোষণা, ভারত ও পাকিস্তানের সৈন্য স্ব স্ব সীমান্তের ভিতরে ফিরিয়ে নেওয়া এবং সেই সিদ্ধান্ত কার্যকর করার উদ্দেশ্যে জাতিসংঘ মহাসচিবকে ক্ষমতা প্রদান করার জন্য এক প্রস্তাব উত্থাপন করা হয়। সেসময় বাংলাদেশের পক্ষে অবস্থান নিয়ে ওই প্রস্তাবের বিপক্ষে ভেটো প্রদান করেছিল রাশিয়া। তথ্যচিত্রে বলা হয়, এরইমধ্যে সোভিয়েত ইউনিয়নের তরফে বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়া হলেও এখনও (যেসময় তথ্যচিত্রটি নির্মিত হয়) অপ্রত্যাশিতভাবে স্বীকৃতি দেয়নি যুক্তরাষ্ট্র। সোভিয়েত ইউনিয়ন যুদ্ধবিধ্বস্ত মানুষের জন্য মানবিক সহায়তা পাঠিয়েছে উল্লেখ করে তথ্যচিত্রে বলা হয়, দিন দিন সোভিয়েত ইউনিয়নের কাছে ঋণী হয়ে পড়ছে বাংলাদেশ। যুক্তরাষ্ট্র এখনও (যেসময় তথ্যচিত্রটি নির্মিত হয়) স্বীকৃতি দেয়নি; মানবিক সহায়তা পাঠিয়েছে তবে তাও সীমিত আকারে। রাশিয়ার সঙ্গে বন্ধুত্ব এবং স্বাধীন বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতি নিয়ে এবিসি নিউজের সঙ্গে কথা বলেন বঙ্গবন্ধু।

    তিনি বলেন, 'রাশিয়া আমাদের পাশে দাঁড়িয়েছিল, ভেটো দিয়েছিল, আমাদের সহায়তা দিয়েছিল। বাংলাদেশ-রাশিয়ার বন্ধুত্ব অটুট থাকবে। কিন্তু তার মানে এই নয় যে, আমরা অন্য কোন দেশের সঙ্গে বন্ধুত্ব গড়ে তুলব না। কারণ আমি জোটবিহীন, নিরপেক্ষ এবং স্বাধীন ধারার পররাষ্ট্রনীতিতে বিশ্বাস করি এবং আমি কোন কিছুর মূল্যেই আমার স্বাধীনতা বেচে দিতে পারি না। সে যেই হোক না কেন।'

    ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধকে পাকিস্তানের ভেতরকার দ্বন্দ্ব বলে উল্লেখ করেছিল যুক্তরাষ্ট্র। মুক্তিযুদ্ধের সময় যুক্তরাষ্ট্রের বাংলাদেশবিরোধী অবস্থানের বিরুদ্ধে ক্ষোভ জানান বঙ্গবন্ধু।

    তিনি বলেন, 'অন্তত মানবতার খাতিরে যুক্তরাষ্ট্রের এগিয়ে আসা উচিত ছিল। আমার দেশের দুর্ভাগা জনগণকে রক্ষা করতে, পাকিস্তান সেনাবাহিনীর নৃশংসতা থেকে আমার দেশের নিরস্ত্র মানুষকে বাঁচাতে তারা এগিয়ে আসতে পারত। আমরা আশা করেছিলাম সেটা। একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র হিসেবে মানবতার খাতিরে তারা প্রতিবাদ করতে পারত। পাকিস্তানকে অন্তত বলতে পারত, মানবতার খাতিরে এমনটা করো না। বলতে কষ্ট হচ্ছে আমার। তারা এটা করেনি।'

    যুক্তরাষ্ট্রকে উদ্দেশ্য করে বঙ্গবন্ধু আরও বলেন, 'তোমরা ক্ষমতাধর দেশ আমরা জানি। কিন্তু ক্ষমতা মূলত জনগণ থেকে আসে মনে রেখ। তোমাদের ভিয়েতনামে যথেষ্ট সৈন্য আছে। কিন্তু সেটা ভুল। আদতে তোমরা ভিয়েতনাম জয় করতে পারনি। কারণ জনগণ এর বিপক্ষে। পৃথিবীর সবচেয়ে শক্তিশালী সমরাস্ত্র সুসজ্জিত সেনাবাহিনী কে তৈরি করতে পেরেছে। যুক্তরাষ্ট্র তো? ভিয়েতনাম জয় করতে সবকিছুই পাঠিয়েছো তোমরা। কিন্তু জয় পেয়েছ? পাওনিতো।'

    __._,_.___
    --
    Pl see my blogs;


    Feel free -- and I request you -- to forward this newsletter to your lists and friends!

    0 0
  • 11/02/15--09:01: फिल्में फिर वही कोमलगांधार,शाहरुख भी बोले,अमजद अली खान बोले, बोली शबाना और शर्मिला भी,फिर भी फासिज्म की हुकूमत शर्मिंदा नहीं।हम उन्हें कोई मौका भी न देे! होशियार, फासीवाद का जवाब सृजन है,इप्टा है,सनसनी नहीं!क्योंकि यह मौका लामबंदी का! https://youtu.be/PVSAo0CXCQo KOMAL GANDHAR!Forget not Ritwik Ghatak and his musicality, melodrama,sound design,frames to understand Partition of India! भारत विभाजन के दुष्परिणामी सच को जाने बिना इस केसरिया सुनामी को मुकाबला नामुमकिन, इसीलिए कोमल गांधार और ऋत्विक घटक! तूफान खड़ा करना हमारा मकसद नहीं है,कयामत का यहमंजर बदलना चाहिए और हर हाल में फिजां इंसानियत की होनी चाहिए। बिरंची बाबा ने गुजरात नरसंहारी संस्कृति के बचाव में फिर सिख संहार का उल्लेख किया है,आप देख लें,हम शुरु से आज की तारीख तक बार बार उसका विरोध करते रहे हैं जैसे हम बाबरी विध्वंस और गुजरात नरसंहार और आर्तिक सुधारों के नाम नरमेधी आर्थिक सुधारों,समंतवाद,पितृसत्ता और साम्राज्यवाद का विरोध करते हैं। अवॉर्ड लौटाने वाले लोग हिम्मती, मैं उनके साथ हूं : शाहरुख खान पलाश विश्वास


  • फिल्में फिर वही कोमलगांधार,शाहरुख  भी बोले,अमजद अली खान बोले, बोली शबाना और शर्मिला भी,फिर भी फासिज्म की हुकूमत शर्मिंदा नहीं।हम उन्हें कोई मौका भी न देे!

    होशियार, फासीवाद का जवाब सृजन है,इप्टा है,सनसनी नहीं!क्योंकि यह मौका लामबंदी का!

    https://youtu.be/PVSAo0CXCQo


    KOMAL GANDHAR!Forget not Ritwik Ghatak and his musicality, melodrama,sound design,frames to understand Partition of India!


    भारत विभाजन के दुष्परिणामी सच को जाने बिना इस केसरिया सुनामी को मुकाबला नामुमकिन, इसीलिए कोमल गांधार और ऋत्विक घटक!

    तूफान खड़ा करना हमारा मकसद नहीं है,कयामत का यहमंजर बदलना चाहिए और हर हाल में फिजां इंसानियत की होनी चाहिए।


    बिरंची बाबा ने गुजरात नरसंहारी संस्कृति के बचाव में फिर सिख संहार का उल्लेख किया है,आप देख लें,हम शुरु से आज की तारीख तक बार बार उसका विरोध करते रहे हैं जैसे हम बाबरी विध्वंस और गुजरात नरसंहार और आर्तिक सुधारों के नाम नरमेधी आर्थिक सुधारों,समंतवाद,पितृसत्ता और साम्राज्यवाद का विरोध करते हैं।


    अवॉर्ड लौटाने वाले लोग हिम्मती, मैं उनके साथ हूं : शाहरुख खान



    पलाश विश्वास

    अवॉर्ड लौटाने वाले लोग हिम्मती, मैं उनके साथ हूं : शाहरुख खान


    फिल्में फिर वही कोमलगांधार,शाहरुख  भी बोले,अमजद अली खान बोले, बोली शबाना और शर्मिला भी,फिर भी फासिज्म की हुकूमत शर्मिंदा नहीं।हम उन्हें कोई मौका भी न देे!


    होशियार, फासीवाद का जवाब सृजन है,इप्टा है,सनसनी नहीं!क्योंकि यह मौका लामबंदी का!


    भारत विभाजन के दुष्परिणामी सच को जाने बिना इस केसरिया सुनामी को मुकाबला नामुमकिन, इसीलिए कोमल गांधार और ऋत्विक घटक!


    विभाजन और आत्मध्वंसी ध्रूवीकरण,जाति और धर्म के नाम गृहयुद्ध के इस कयामती मंजर से निपटना है तो भारत विभाजन का सच जानना जरुरी है और इस पर हम लगातार चर्चा करते रहे हैं।हम न फिल्मकार हैं और न कोई दूसरा विशिष्ट विशेषज्ञ,लेकिन सच को उजागर करने के इरादे से आज दिन में भारी दुस्साहस किया है।इसे देखें लेकिन जान लें कि हम फिल्मकार नहीं हैं।


    अपने वेबकैम का दायरा तोड़कर ऋत्विक घटक की मास्टरपीस फिल्म कोमल गांधार की क्लिपिंग के साथ शाट बाई शाट लोक और संगीतबद्धता, शब्दविन्यास और समामजिक यथार्थ के विश्लेषण के साथ साथ अपना शरणार्थी वजूद को फिर बहाल किया है।हम चाहते हैं,कोमल गांधार के बाद मेघे ढाका तारा, सुवर्णरेखा, तमस,टोबा टेक सिंह और पिंजर की भी चीड़ फाड़ कर दी जाये।


    कोई दूसरा हमसे बेहतर यह काम करें तो हमारा यह अनिवार्य कार्यभार थोड़ा कम होगा।आप नहीं करेंगे तो हम जरुर करेंगे।


    संजोग से भारतीय सिनेमा हमेशा की तरह आज भी राष्ट्र, मनुष्यता, सभ्यता,समता,न्याय,बहुलता और विविधता ,अमन चैन और भाईचारे की जुबान में बोलने लगा है।


    शाहरुख ने पुरस्कार लौटाया नहीं है लेकिन मुंबई फिल्म उद्योग पर अति उग्र हिंदुत्व के वर्चस्व और आतंक से बेपरवाह होकर साफ साफ कह दिया है कि देश में एक्स्ट्रिम इनटोलरेंस है।


    इससे पहले एक ही मंच से अमजद अली खान,शर्मिला टैगोर और शबाना आजमी ने देश में अमनचैन कायम रखने के लिए असहिष्णुता के इस माहौल को खत्म करने की अपील की है।जो अब भी चुप हैं,हम नाम नहीं गिना रहे,वे भी बोलेंगे।


    असहिष्णुता और हिंसा,विभाजन और अस्मिता गृहयुद्ध के विषवृक्ष भारत विभाजन की जमीन पर रोपे गये हैं जो अब फल फूलकर कयामत के मंजर में तब्दील है।


    हमने ऋत्विक घटक की फिल्म गोमल गांधार के जरिये विभाजनपीड़ितों, हम शरणार्थियों के रिसते हरे जख्म आपके सामने फिर पेश कर दिये।


    कोमल गांधार को शरणार्थी गांव बसंतीपुर में जनमे हमने न सिर्फ बचपन में जिया है और न हम अब बूढ़ापे में जी रहे हैं बल्कि तमस,पिंजर,टोबा टेक सिंह से लेकर ऋत्विक की फिल्मों तक मानवीय पीड़ा और त्रासदी ही कुल मिलाकर हमारी यह छोटी सी जिंदगी है।हमने मधुमती और पद्मा,रावी,झेलम,ब्यास के लिए हुजूम के हुजूम इंसानों को रोते कलपते देखा है।


    हमने अपने पिता को बार बार बांगलादेश की जमीन छूने के लिए सरहद की हदें तोड़ते देखा है।कोमलगांधार हमारा किस्सा है।


    जैसे कोमल गांधार के पात्र लोकगीतों में खोये हुए संसार के लिए यंत्रणाशिवर के वाशिंदे लगते हैं,आज भी करोड़ों शरणार्थी उसी यंत्रणा शिवरि में दंगाई जाति धर्म वर्ग के मनुस्मृति राष्ट्र के कैदी हैं।यह हमारा भोगा हुआ यथर्थ है कि हम रिसते जख्मों की,खून की नदियों की विरासत ढोने को मजबूर हैं।


    ऋत्विक भी इसी सामाजिक यथार्थ के साथ जिये और मरे।


    यह वीडियो कोमल गांधार की तरह विभाजन के सामाजिक दुष्परिणामों के विश्लेषण पर आधारित है।


    इतिहास का सबसे भयंकर सच हैंकि तब हमारे पुरखों ने अपनी हिंदुत्व की पहचान के लिए,अपनी आस्था,पूजा और प्रार्थना के हकहकूक के लिए पूर्वी पाकिस्तान और पश्चिम पाकिस्तान की अपनी जमीन,विरासत और घर छोड़कर शरणार्थी बन गये।


    जाहिर है कि हमारा यहदुस्साहसी सुझाव है कि हमें ऐसा कुछ भी नहीं करना चाहिए जिससे बहुसंख्य जनता को धर्मोन्मादी जाति पहचान के नाम पर बार बार बांटकर यह मनुस्मृति स्थाई असमता और अन्याय का जमींदारी बंदोबस्त जारी रहे।


    विभाजन में देश का ही बंटवारा नहीं हुआ,मोहंजोदोड़ो और हड़प्पा का भी बंटवारा हो गया।शहीदों ने कुर्बानियां दी और जमींदार राजे रजवाड़े,नवाब इत्यादि और उनके वंशज सत्ता वर्ग में तब्दील हो गये।सारे खेत उनके थे।अब सारा कारोबार उन्हींका है।सारे उद्योग धंधे उन्हींके हैं।बाकी आम जनता मूक वधिर भेड़ धंसान धर्म और जाति के नाम पर कट मरने के लिए है।

    उन्होंने अपनी जमींदारियां और रियासतें बचा ली और भारत का बंटवारा करके करोडो़ं इंसानों की जिंदगी धर्म और जाति के नाम नर्क ही नर्क,कयामत ही कयामत बना दी।


    उनका इस जघन्य युद्ध अपराध फिर सिख संहार,बाबरी विध्वंस, भोपाल गैस त्रासदी,पर्यावरण विध्वंस,परमाणु विकल्प,सलवा जुड़ुम,आफस्पा,गुजरात नरसंहार,लगातार,जारी दंगे फसाद,आतंकी हमले और फर्जी मुठभेड का विकास हरिकथा अनंत मुक्तबाजार है।


    तूफान खड़ा करना हमारा मकसद नहीं है,कयामत का यह मंजर बदलना चाहिए और हर हाल में फिजां इंसानियत की होनी चाहिए।


    ज्योति बसु मुख्यमंत्री बने तो लालकृष्ण आडवाणी उप प्रधानमंत्री और डा.मनमोहन सिंह इस महान देश के प्रधानमंत्री बने,जो शरणार्थी हैं।


    करोड़ों शरणार्थी विभजन के कारण और देश के भीतर जारी बेइंतहा बेदखली और अबाध विदेशी पूंजी की मनुस्मृति अर्थव्यवस्था और राजनीति के कारण जल जंगल जमीन नागरिकता मातृभाषा नागरिक और मानवाधिकार से वंचित आईलान की जीती जागतीं लाशें हैं।


    कोमलगांधार उन्ही लोगों के ताजा रिसते हुए जख्मों का मेलोड्रामा, थियेटर,लोकगीत,शब्दतांडव और प्रतिरोध का समन्वय है।


    विभाजन को न समझने,उसके कारणों और परिणामों की समझ ऋत्विक जैसी न होने की वजह से हमारे कामरेड गोमांस उत्सव जैसे सनसनीखेज मीडिया इवेंट की जरिये इस असहिष्णुता और धर्मोन्माद का मुकाबला करने के बहाने दरअसल आस्था और धर्म के नाम बेहद संवेदनशील बहुसंख्य जनगण को फासिस्ट तंत्र मंत्र यंत्र के तिलिस्म में हांकने की भयंकर भूल कर रहे हैं।


    हमें यह सच भूलना नहीं चाहिए कि धर्म के नाम पर देश का बंटवारा हुआ हिंदुत्व के महागठबंधन के जरिये और वही प्रक्रियावाद और फासिज्म का राजकाज,राजनीति और राजनय हैं।


    हमें यह सच भूलना नहीं चाहिए कि धर्म का विरोध इस अंधत्व से करके हम किसीभी स्तर पर बहुसंख्यक जनता को इस प्रलयंकर केसरिया सुनामी,गुलामी के खिलाफ गोलबंद नहीं कर सकते।


    कोमल गांधार इसलिए भी खास है कि इस फिल्म में कम्युनिस्ट नेतृत्व की आलोचना और इंडियनपीपुल्स थियेटर आंदोलन पर अंध नेतृत्व के वर्चस्व की आलोचना की वजह से न सिर्फ पार्टी,इप्टा बल्कि बंगाल के भद्र समाज से ऋत्विक घटक का  चित्रकार सोमनाथ होड़, रवींद्र संगीत गायक देवव्रतजार्ज विश्वास से लेकर सोमनाथ चटर्जी और जेएनयू के प्रसेनजीत समेत युवा नेताओं की तरह निस्कासन हो गया।


    ऋत्विक के संसर का विखंडन उस बिंदु से शुरु हुआ जिसे कामरेड पीसी जोसी तक ने भरत का एकमात्र गणशिल्पी कहकर चूम लिया था।यह कटु सच है कि बिखरे हुए ऋत्विक को सहारा देने वाले इंदिरा गांधी से लेकर कुमार साहनी,मणि कौल,फिल्म विधा के छात्रों और बाकी देश ने दिया,कामरेडों ने नहीं और न बंगाल ने।

    जैसे हम शरणार्थी लावारिश मरने खपने को अभिशप्त हैं,वैसे ही ऋत्विक घटक आपातकाल के दौरान 1976 में मर खप गये।

    हमारे पास उनकी सृजन की विरासत है।वह खजाना है।

    तो हम क्यों नहीं उसे उस जनता का हथियार बनाने की पहल करेंं,जिनके प्रति प्रतिबद्ध था उनके सामाजिक यथार्थ का सौन्दर्यबोध!यह वक्त का तकाजा है क्योंकि देश दुनिया को इंसानियत का मुकम्मल मुल्क बनाना हमारा मकसद है।


    सृजनशील अद्वितीय फिल्मकार के राजनीतिक वध के लिए भी जिम्मेदारी से बच नहीं सकते कामरेड जैसे वह इप्टा के विखंडन का भी दोषी है।


    सृजनशील हुए बिना प्रतिक्रियावाद का रास्ता अपनाकर हम फिर जनता के बीज जाने और जनता को नेतृत्व में प्रतिनिधित्व देने की जिम्मेदारी से साफ इंकार कर रहे हैं।


    इस वक्त फासिज्म के राजकाज के लिए जनादेश की खोज में जो गोरक्षा आंदोलन का अरब वसंत है,उसका मुकाबला प्रतिक्राय नहीं,सर्जन है।हमें फिर से गण नाट्यांदोनल को इस उन्माद के विरुद्ध मुकाबले में खड़ा करना चाहिए।


    हमें फिर फिर ऋत्विक घटक चाहिए।हम अपढ़ हैं फिरभी इसी मकसद से शुरुआत हम कर रहे हैं।


    समर्थ और विशेषज्ञ लोग इस संवाद को विस्तार दें तो हम यकीनन फिर फासिज्म को हरायेंगे।


    साहित्य और कला,विज्ञान और इतिहास की जो अभूतपूर्व ऐतिहासिक गोलबंदी हो रही है,उसे अपनी मूर्खता से जाया न करें , इसलिए भारतीय कम्युनिस्ट नेतृत्व में अंतर्निहित फासीवादी रुझान की भी हमने निर्मम आलोचना की है,कृपया इसे अन्यथा न लें।क्योंकि फासीवाद का कोई रंग नहीं होता और सिर्फ केसरिया रंग ही फासीवाद नहीं है।फासीवाद का रंग लाल भी होता रहा है और इसके अनेक सबूत हैं।नील रंग का फासीवाद तो हम बदलाव के परिदृश्य में बरंबार देख रहे हैं।


    हम कुल मिलाकर लोकतंत्र,एकता,अकंडता,विविधता और अमनचैन के हक में इस कयामती मंजर के खिलाफ है और किसी भी रंग का फासीवाद हमें कतई मंजूर नहीं है।


    बिरंची बाबा ने गुजरात नरसंहारी संस्कृति के बचाव में फिर सिख संहार का उल्लेख किया है,आप देख लें,हम शुरु से आज की तारीख तक बार बार उसका विरोध करते रहे हैं जैसे हम बाबरी विध्वंस और गुजरात नरसंहार और आर्तिक सुधारों के नाम नरमेधी आर्थिक सुधारों,समंतवाद,पितृसत्ता और साम्राज्यवाद का विरोध करते हैं।


    यही हमारे सामाजिक यथार्थवाद का सौंदर्यबोध है,जो न अवसरवादी होता है और न वोट बैंक समीकरण।


    हम हर हाल में मनुष्यता,सभ्यता,प्रकृति के पक्ष में हैं।

    हम अंधेरे के खिलाफ रोशनी के पक्षधर हैं।


    अगले पिछले नरसंहार के बहाने आप नरसंहारी फासीवाद को जायज यकीनन ठहरा नहीं सकते।


    तब कुमार साहनी और मणिकौल ने उन्हें सहारा दिया।इस वीडियो में हमने वह किस्सा भी खोला है।


    भारतीय समांतर सिनेमा की त्रिधारा बंगाल से बह निकली सत्यजीत राय,मृमाल सेन और ऋत्विक घटकके जरिये।


    सत्यजीत रे का सौंदर्यबोध और फिल्मांकन विशुद्ध पश्चिमी सौंदर्यबोध है तो मृणाल सेन ने डाकुमेंटेशन स्टाइल में फिल्में बनायी।इन दोनों से अलग ऋत्विक की जडे़ं भरतीय लोक में है।


    इसकी अगली कड़ी नई लहर की समांतर फिल्में हैं जो सत्तर दशक की खस पहचान है लघु पत्रिका आंदोलन की तरह।


    हम इतने कमजोर भी न होते,अगर इप्टा का बिखराव नहीं होता।


    हमारी फिल्मों ने साठ के दशक के मोहभंग को जिया है तो सत्र दशक के विद्रोह और गुस्से को आवाज भी दी है और हमेशा हर स्तर पर लोकतंत्र को मजबूती दी है।क्योंकि उसकी जडें भी भारतीय लोक,ग्राम्य भारत,भारतीय नाट्य कला और इप्टा में हैं।


    जिस इप्टा के कारण बलराज साहनी,हंगल,सलिल चौधरी,सोमनाथ होड़,देवव्रत विश्वास और मृणाल सेन से लेकर सृजन के जनप्रतिबद्ध राष्ट्रीय मोर्चे का निर्माण हुआ,उसकी विरासत जानने के लिए ऋत्विक की फिल्में अनिवार्य पाठ है और हमने अनाड़ी प्रयास यह बहस सुरु करने के मकसद से किया।कृपया इस गुस्ताखी के लिए विद्वतजन माफ करें और अपनी तरफ से पहल भी करें।


    ये ऋत्विक ही थे जो देहात भारत के  रुप रंग गंध में रचे बसे लोकमें गहरे बैठे ठेठ देशी संवाद के संगीतबद्ध दृश्यमुखर श्वेत श्याम सामाजिक यथार्थ का सौदर्यबोध का निर्माण किया।


    उनकी फिल्में शब्द संयोजन का नया व्याकरण है तो मुजिकेलिटी में वहां फ्रेम दर फ्रेम भयंकर निजी व सामजिक विघटन, राजनीतिक अराजकता,शरणार्थी अनिश्चय और असुरक्षाबोध, प्रलंयकर धार्मिक विभाजन को खारिज करने वाली मानवीय पीड़ा और प्रचंड सकारात्मक आशाबोध का विस्तार है।


    यह फिल्म 1960 में बनी मेघे ढाका तारा के बाद 1961 में बनी तो विभाजन पर ही ऋत्विक ने 1962 में अपनी तीसरी फिल्म सवर्णरेखा बनायी।


    इस कालखंड के ऋत्विक घटक रचनात्मकता के चरमोत्कर्ष पर थे।उननेकोमल गांधार में अपनी मेलोड्रामा,म्युजिकैलिटी और लोक को निर्मम शब्द विन्यास और मुखर शवेत श्याम दृश्यबिम्बों से फिल्मांकन के जरिये एक महाकाव्य की रचना की है।


    बॉलीवुड के 'बादशाह' शाहरुख खान सोमवार को अपना 50वां जन्मदिन मना रहे हैं। इस मौके पर एनडीटीवी की बरखा दत्त से बात करते हुए जन्मदिन, धर्म और रोमांस पर भी बात की।


    पेश है शाहरुख के साथ इंटरव्यू की कुछ मुख्य बातें

    • काश मुझे किसी तरह की कोई चोट नहीं होती, जिनसे मेरी रफ्तार धीमी हुई। लेकिन 50 साल की उम्र में आप बहुत कुछ नहीं बदल सकते।

    • मैं अपना मजाक बना सकता हूं, कला का नहीं। मैंने जो फिल्में की हैं, मैं उनसे प्यार करता हूं।

    • मैंने निर्णय किया है कि मैं फिल्में सिर्फ मेरे लिए करुंगा।

    • फैन बनने से पहले मैं स्टार बन गया। अत: मैं किसी का फैन नहीं रहा, इसलिए फिल्म 'फैन' के निर्माण के दौरान मुझे खूब मेहनत करनी पड़ी।

    • ऐसे व्यक्ति के लिए जो मेरे बारे में अलग तरीके से सोचता है, उसके सामने खुद की एक्टिंग करना अटपटा सा था।

    • पश्चिमी देशों में आपकी राय का सम्मान होता है। लेकिन हमारे देश में, मुझे लगता है कि अगर मेरी राय आपके साथ नहीं मिलती है तो यह विवाद को जन्म दे देती है।

    • मैं जो सोचता हूं अक्सर वो बोल नहीं पाता हूं, क्योंकि मुझे मेरी फिल्मों को लेकर चिंता होती है।

    • जो भी लोग क्रिएटिव लोगों के खिलाफ खड़े होते हैं उन्हें विशाल प्रतिक्रिया का सामना करना पड़ता है।

    • हमारे मांस खाने की आदतों से हमारे धर्मों का निर्धारण नहीं हो सकता।

    • मेरे घर में हर कोई अपना-अपना धर्म मानने को आजाद है। मेरे बच्चे असमंजस में रहते हैं कि वे हिन्दू हैं या मुस्लिम। मैं पूछता हूं ईसाई क्यों नहीं।

    • धार्मिक असहनशीलता और किसी भी तरह की असहनशीलता हमें अंधकार युग की ओर ले जाते हैं।

    • अगर आप देशभक्त हैं तो आप देश की हर चीज से प्यार करेंगे, ना कि किसी धर्म या क्षेत्र के आधार पर।

    • अनुपम खेर अपनी राय दे पा रहे हैं और दूसरे डायरेक्टर के बारे में अपनी राय दे पा रहे हैं। यही सहनशीलता है।

    • मुझे लगता है कि जो लोग अवॉर्ड लौटा रहे हैं वो बहुत हिम्मत वाले लोग हैं। मैं उनके साथ हूं। अगर वे चाहेंगे कि मैं उनके साथ किसी मार्च में आऊं या प्रेस कॉन्फ्रेंस करूं तो मैं तैयार हूं।

    • व्यक्तिगत तौर पर मेरा अवॉर्ड लौटाना कुछ ज्यादा ही प्रतीकवाद हो जाएगा। विरोध स्वरूप कुछ चीज लौटाने में मेरा विश्वास नहीं है।

    • मेरा मानना है कि एफटीआईआई के छात्र बिल्कुल सही थे। कुछ शब्द और हरकतें गलत हो सकती हैं। लेकिन जब आप प्रदर्शन कर रहे हों, अनशन कर रहे हों तो आपकी भावनाएं चरम पर होती हैं और कुछ इधर-उधर हो जाता है। लेकिन मेरा मानना है कि छात्र बिल्कुल सही थे।

    • मेरे पास एक खास हथियार है और वह यह कि लोग मुझे बहुत प्यार करते हैं। अगर कोई मेरे खिलाफ होता है तो काफी संख्या में मुझे प्यार करने वाले लोग मेरी तरफ आ खड़े होते हैं।

    • मैं डरता नहीं हूं, लेकिन कई बार स्वार्थी हो जाता हूं। मैं किसी तरह का उपद्रव नहीं चाहता, मुझे इससे डर लगता है। मैं दिन में 18 घंटे काम करता हूं और मैं चाहता हूं कि मुझे अपना काम करने दिया जाए।

    • यह बेहद अपमानजनक और शर्मनाक है कि मुझे मेरी राष्ट्रभक्ति साबित करनी पड़ी।

    • मैं भारत में जन्मा फिल्मी सितारा हूं। मैं भारत में जन्मा भारतीय हूं। मैं भारतीय हूं और इस पर कोई सवाल कैसे उठा सकता है।

    • किसी के पास भी भारत में रहने का अधिकार मुझसे ज्यादा नहीं है और मैं देश छोड़कर कहीं नहीं जाने वाला, इसलिए ऐसी मांग करने वाले मुंह बंद रखें।

    • बच्चों को विदेश भेजकर पढ़ाने का कारण सिर्फ इतना है कि उन्हें सुरक्षा और मेरे स्टारडम से दिक्कत ना हो।

    • अगर हम तीन खानों के बारे में बात करके यह साबित करने की कोशिश करते हैं कि भारत सेक्युलर है तो असल में नहीं है। भारत चमक रहा है यह दिखाने के लिए खानों का चमकना जरूरी नहीं है। अगर हम कला को भी रोकने की कोशिश करेंगे तो और ज्यादा साम्प्रदायिक हो जाएंगे।

    • 50 साल की उम्र में भी मैं डांस कर सकता हूं। किसी महिला में इतना विश्वास जगा सकता हूं कि वो मुझसे प्यार करने लगे। मुझे लगता है यही रोमांस है।

    http://khabar.ndtv.com/news/filmy/there-is-intolerance-extreme-intolerance-shahrukh-khan-1239134



    --
    Pl see my blogs;


    Feel free -- and I request you -- to forward this newsletter to your lists and friends!

    0 0

      गांधीवादी गुरुशरण की मौत

    राजस्थान में सम्पूर्ण शराबबंदी तथा मजबूत लोकायुक्त की मांग को लेकर पिछले 31 दिन से अनशन कर रहे बुजुर्ग गांधीवादी नेता गुरुशरण छाबड़ा की मौत से राजस्थान सरकार पर संवेदनहीन होने के आरोप लगाये जा रहे है तथा मुख्यमंत्री वसुंधरा राजे के इस्तीफे की मांग जोर पकड़ती जा रही है .

    2 अक्टूबर 2015 से अनशन कर रहे 72 वर्षीय  गुरुशरण छाबड़ा की कल हालत बेहद नाजुक हो गयी थी ,उन्हें गहन चिकित्सा ईकाई में वेंटिलेटर पर रखा गया ,उपचार के दौरान वे कोमा में चले गए  और अंततः आज सवेरे 4 बजे उनकी मौत हो गयी .प्रदेश में सम्पूर्ण शराबबंदी की मांग को लेकर पूर्व विधायक गुरुशरण छाबड़ा काफी लम्बे समय से आन्दोलनरत थे ,उन्होंने प्रसिद सर्वोदयी नेता गोकुलभाई भट्ट के साथ मिलकर  शराबबंदी के लिए चलाये गए अभियान में प्रमुख भूमिका निभाई.1977 में वे सूरतगढ़ से जनता पार्टी से वे विधायक चुने गए थे .प्रदेश के सर्वोदयी तथा गांधीवादी आन्दोलन से उनका नजदीकी रिश्ता था .

    वर्ष 2014 के अप्रैल - मई में भी उन्होंने 45 दिन का अनशन किया था ,जिसके फलस्वरूप वसुंधराराजे सरकार ने उनके साथ एक लिखित समझौता किया था कि शीघ्र ही एक सशक्त लोकायुक्त कानून तथा शराबबंदी के लिए कमेटी गठित की जाएगी और उस कमेटी की सिफारिशों को माना जायेगा ,मगर लिखित वादे पर एक साल बाद भी क्रियान्वयन नहीं होने पर गुरुशरण छाबड़ा इस साल गांधी जयंती पर फिर से अनशन पर बैठ गए .इस बार प्रदेश के कई संगठनो तथा सक्रीय लोगों ने उनके आन्दोलन का समर्थन किया .अनशन के 17वे दिन पुलिस ने उन्हें अनशन स्थल से उठा लिया तथा जयपुर के सवाई मानसिंह अस्पताल में जबरन भर्ती करा दिया ,वहां पर भी छाबड़ा ने अपना अनशन जारी रखा तथा राज्य में सम्पूर्ण शराबबंदी और मज़बूत लोकायुक्त कानून बनाने की मांग को बलवती किया .

    उल्लेखनीय है कि पूर्ववर्ती सरकारों में भी गुरुशरण छाबड़ा गांधीवादी तरीकों से अपनी मांग के समर्थन में आन्दोलन करते रहे है .वर्ष 2003 में गहलोत के शासन में भी उन्होंने अनशन किया था ,तत्कालीन मुख्यमंत्री अशोक गहलोत ने उनकी कईं मांगों को मानकर अपने हाथ से जूस पिला कर उनका अनशन तुड़वाया था .बाद में 2014 में तकरीबन डेढ माह तक उनका अनशन व मौनव्रत चला जो राज्य सरकार के साथ लिखित समझौते से समाप्त हुआ ,मगर इस बार राजस्थान सरकार ने छाबड़ा के आन्दोलन के प्रति उपेक्षा का रवैया अख्तियार कर लिया तथा उन्हें अपनी मौत मरने के लिए छोड़ दिया गया .एक माह से अनशन कर रहे बुजुर्ग गांधीवादी नेता गुरुशरण से संवाद तक करना भी सरकार ने उचित नहीं समझा ,अलबता उनके शांतिपूर्ण अनशन व आन्दोलन को कुचलने की कोशिशें जरुर की गयी .राज्य की मुख्यमंत्री वसुंधराराजे ने एक बार भी इस बारें में आन्दोलनकारी गांधीवादी से मिलने  तथा बात करने की जरुरत नहीं समझी .कल 2 नवम्बर को जब अनशनकारी छाबड़ा की स्थिति बहुत ज्यादा बिगड गयी तब लोक दिखावे के लिए सुबह चिकित्सा एवं स्वास्थ्य मंत्री राजेन्द्रसिंह अस्पताल पंहुचे तथा डॉक्टर्स को दिशा निर्देश दे कर चले आये ,बाद में जब और भी हालात नाजुक हुए तो सामाजिक न्याय और अधिकारिता मंत्री अरुण चतुर्वेदी एस एम एस पंहुचे,मगर तब तक बहुत देर हो चुकी थी .

    राजस्थान सरकार गुरुशरण छाबड़ा की मांगो को लेकर कितनी गंभीर थी ,इसका अंदाज़ा मुख्यमंत्री के खासमखास माने जाने वाले चिकित्सा मंत्री राजेन्द्रसिंह राठौड़ के बयान से लगता है ,मंत्रीजी का साफ कहना है कि प्रदेश में शराबबंदी संभव नहीं है  ,क्योंकि यह राजस्व से जुड़ा मामला है .मंत्री महोदय का यह भी मानना है कि जिन राज्यों ने शराबबंदी की है उनके अनुभव अच्छे नहीं रहे है .मजबूत लोकायुक्त की मांग पर उन्होंने कहा कि एडवोकेट जनरल की अध्यक्षतावाली कमेटी बनी है जो अन्य राज्यों के साथ अध्ययन कर रही है ,जल्दी ही निर्णय हो जायेगा .आशय यह है कि राज्य में मजबूत लोकायुक्त कानून के लिए अध्ययन जारी है और राजस्व को देखते हुए शराबबंदी की मांग को नहीं माना जा सकता है .

    राज्य की सकल राजस्व आय के आंकड़ों पर नज़र डालें तो शराब से होने वाली आय इतनी ज्यादा भी नहीं है कि यह कहा जा सके कि राज्य का संचालन उसके बिना संभव नहीं है और उसका कोई विकल्प नहीं है .बजट अध्ययन केंद्र राजस्थान के साथ कार्यरत युवा अर्थशास्त्री भूपेन्द्र कौशिक के अनुसार राजस्थान सरकार को वित्तीय वर्ष 2011 -12 में आबकारी से 12.29 % ,वर्ष 2012-13 में 12 .11 % ,वर्ष 2013 -14 में 13 .21 % ,वर्ष 2014 -15 में 13 .08 % तथा वर्ष 2015 -16 में 13 .38 % की राजस्व आय शराब से हुयी है .इसका मतलब यह है कि व्यापक लोकहित में सरकार अन्य प्रकार के टेक्सों में मामूली बढ़ोतरी करके शराब से होने वाली आय की भरपाई कर सकती है ,मगर माना जाता है कि राज्य शासन में शराब लॉबी इतनी सशक्त है कि सरकार उन पर पाबन्दी लगाने की बात तो दूर उनको छेड़ने की कल्पना भी नहीं कर सकती है ,ऐसे में शराबबंदी की मांग को अव्यवहारिक और राज्य के विकास के लिए हानिकारक बता कर पल्ला झाड़ने की कोशिस की जाती रही है .

    बात सिर्फ राजस्व घाटे की पूर्ति या कर उगाही की नहीं है और ना ही एक सशक्त कानून लाने भर की है ,बात यह है कि एक लोकतान्त्रिक तरीके से चुनी हुयी कल्याणकारी सरकार अपने नागरिकों की कितनी सुनती है ? सुनती भी है या नहीं ? आखिर एक पूर्व विधायक और नामचीन गांधीवादी बुजुर्ग की ही परवाह नहीं की गयी , वह भूख हड़ताल करते हुए ही संसार को अलविदा कह गए ,तो आम इन्सान की क्या सुनी जाएगी .जनता के आंदोलनों का क्या मूल्य है इस सरकार के लिए ? गांधीवादी गुरुशरण छाबड़ा की मांग और तरीके को लेकर मतभेद हो सकता है ,उनकी मांग की व्यावहारिकता और प्रासंगिकता को लेकर बहस हो सकती है ,उसे मानना या नहीं मान पाने की राजनीतिक व आर्थिक मजबूरियां गिनाई जा सकती है ,मगर यह कैसे संभव है कि एक शांतिपूर्ण आन्दोलनकर्ता को यूँ ही मरने के लिए छोड़ दिया जाये ,उसकी सुनी ही नहीं जाये और अंततः वह मर ही जाये . तब भी सरकार अपने सामन्ती रौब और सत्ता के नशे में ही ऐठीं रहे .यह स्वस्थ प्रजातंत्र की निशानी नहीं है ,यह रुग्ण राजतन्त्र के लक्षण है .जिनकी चौतरफा भर्त्सना आवश्यक है .

    अब तो राजस्थान के आमजन की भी यह धारणा बन गयी है कि वसुंधराराजे की यह सरकार संवादहीनता और संवेदनहीनता नामक दो प्रमुख दुर्गणों का जनविरोधी मेल होती जा रही है .रिसर्जेंट राजस्थान में शायद गुरुशरण छाबड़ा जैसे गांधीवादी बुजुर्गों की कोई जरुरत नहीं है .सोशल मीडिया पर राज्य सरकार की निष्ठुरता और मुख्यमंत्री की संवेदनहीनता की सर्वत्र आलोचना हो रही है और मुख्यमंत्री वसुंधराराजे से इस्तीफ़ा माँगा जा रहा है .दूसरी ओर एक निष्काम कर्मयोगी की भांति जीवन भर जनहित में लगे रहे गांधीवादी नेता गुरुशरण छाबड़ा को लोग अश्रुपूर्ण श्रधांजलि दे रहे है ,लोग नत मस्तक है कि वे जब तक जिए लोगों के लिए जिए और मरे तो अपनी देह को भी मेडिकल के विद्यार्थियों के लिए दान कर गए और अपनी अंतिम साँस भी अपने उस ध्येय के लिए समर्पित कर दी ,जिसके लिए जीवन भर साँस लेते रहे .

    -    भंवर मेघवंशी

    -    (लेखक स्वतंत्र पत्रकार है ) 


    --
    Pl see my blogs;


    Feel free -- and I request you -- to forward this newsletter to your lists and friends!

    0 0

    Reaction in Bangladesh against Indian Economic Blockade of Nepal!

    নেপালের চলমান অবরোধ ও বাংলাদেশের ভুরাজনৈতিক ভাবনা

    image
    Tue, November 3
    সাবেক বিডিআর প্রধান জেনারেল আ ল ম ফজলুর রহমান  

    ණ☛ নেপালের নতুন সংবিধান দেশের সবার মনোপুত হবে এমনতো নয়। সদ্য ঘোষিত নেপালের সংবিধান সেদেশের তরাই অঞ্চলের মাধেশী বা মদেশী যাদের নেপালীরা বিদেশী বলে তাদের মনপুত হয়নি। তাই মাধেশীরা সড়ক অবরোধ করে বসে আছে ফলে ভারতের সাথে নেপালের সড়ক পথের আশি ভাগ যে ব্যাবসা বাণিজ্য হয় স্হবীর হয়ে গেছে। এই সংবিধান যে শুধু তরাই অঞ্চলের মধেশীদের মনোপুত হয়নাই তানয়। মধেশীদের সীমান্ত পারের ঠাকুর ভারতেরোও মপোপুত নাহবার ফলে ভারত সেদেশের মহা আধিকারিকেদের নেপালে পাঠিয়ে দেনদরবার পর্যন্ত করে। 

    ණ☛ কিন্তু ভবি ভোলেনি। নেপাল সংবিধান বিষয়ে অনড় থেকেছে। দেখাযাক কেন মধেশীরা এই সংবিধান মানতে চাইছেনা? মানতে চাইছেনা কারন নতুন সংবিধানে শাসন ব্যাবস্হায় নেপালকে কয়েকটি প্রদেশে ভাগ করলেও জনসংখ্যার ত্রিশ শতাংশ মধেশীদের আবাস্হল তরাই অঞ্চলকে প্রদেশ ঘোষনা না করে এর পশ্চিম, মধ্য ও পূর্বাঞ্চলের জেলাসমুহকে অন্য প্রদেশের সাথে আত্মিকরন করা হয়েছে। ফলে মাধেশীরা নিজেদের বঞ্চিত ভাবতেছে। ইতিমধ্যে মধেশীদের বসবাস তরাই অঞ্চলকে পাহাড়ের মানুষদের সেটেলার হিসাবে বসবাসের শুবিধা দিয়ে এর পাহাড়ীকরন করা হয়েছে। তদুপরি নেপালের ব্রাক্ষ্মন ও ছত্রিরা মধেশীদের দ্বিতীয় শ্রেণীর নাগরিক মনে করে সমকক্ষতো নয়ই । দেখি এই মধেশীরা কারা? মধেশীরা ভারতে বিহার ও মধ্য প্রদেশ থেকে নেপালে এসে বসতী গড়ে। বাংলাদেশের পার্বত্য চট্টগ্রামের পাহাড়ীদের মত। পার্বত্য চট্টগ্রামে যেমন বাঙ্গালীদে সেটেল করা হয়েছে ঠিক একই ভাবে তরাই অঞ্চলে মধেশীদের আবাস্হলেও পাহাড়ের নেপালীদের সেটেল করেছে নেপাল সরকার উওরের বনাঞ্চলে। মধেশীদের ভাষা হিন্দি এবং ঐতিয্যগতভাবে মধেশিরা ভারতমুখী। 

    ණ☛ সম্ভবত একারনে নেপালের নতুন সংবিধানে মধেশীদের জন্য কোন প্রদেশ সৃষ্টি করা হয়নি। বরং মধেশীদের অন্য প্রদেশসমুহের সাথে মার্জ করে দেয়া হয়েছে। মদেশীরা যে এই নেপাল অবরোধ চালিয়ে যাচ্ছে তাতে ভারতের সায়যে আছে বলার অপেক্ষা রাখেনা। আমি বলছিনা মধেশীদের সংবিধান সংশোধনের বিরুদ্ধে তাদের অবরোধ / প্রতিবাদ অবৈধ। আমি শুধু অভিজ্ঞতার আলোকে বাস্তবতাকে তুলে ধরবার চেষ্টা করেছি মাত্র। 

    ණ☛ এবারে ভুরাজনীতি নিয়ে আলোচনা করব। ভু ও রাজনীতি দুয়ে মিলে ভুরাজনীতি। একক মাবে ভু বা ভুমি যেমন ভুরাজনীতি নয় তেমনি শুধু রাজনীতিও ভুরাজনীতি নয়। আমার ব্যাখ্যায় ভু বা ভুমি বলতে একটি দেশের ভুমির আদলকে নির্দেশ করা হয়নি। আমার ব্যখ্যায় ভুমি বলতে বুঝিয়েছি 'বিশ্ব মানচিত্রে একটি দেশের অবস্হানকে। অর্থাৎ বিশ্ব মানচিত্রে দেশটির অবস্থান কোথায় এবং সেই দেশের নিকটতম ,(যেসব দেশের সাথে ভুমিসীমার অংশিদারিত্ব রয়েছে) মধ্য দুরত্বের এবং দুরের প্রতিবেশী দেশ হিসাবে কোন দেশগুলোর অবস্হান। ভুরাজনৈতিক বিবেচনায় বিশ্ব মানচিত্রে কোথায় একটি দেশের অবস্হান এবং ঐদেশের প্রতিবেশী দেশ কোন দেশগুলো নির্দেশ করে ঐদেশটির ভুরাজনৈতিক গুরুত্ব। একটি দেশের রাজনীতির পরিবর্তন হয় কিন্তু ভুমির পরিবর্তন সহসাই হয় না। তাই যৌক্তিক বিবেচনায় একটি দেশের ভুমিকে ঘিরেই আবর্তীত হয় সেদেশের : 

    এক। রাজনীতি। 
    দুই। অর্থনীতি। 
    তিন। কূটনীতি। 
    চার। সমরনীতি। 

    ණ☛ উদাহরন হিসাবে বলা যায় যেমন নেপালের সমুদ্রসীমা নাই বলে নেপালের কোনো নৌবাহিনী নাই। এক্ষেত্রে সেদেশের ভুমি নির্দেশ করছে নেপালের সমর বাহিনীর বিন্যাস কি হবে? আবার এই ভুমিই দিকনির্দেশনা দিচ্ছে একটি দেশের সশস্ত্র বাহিনীর গুরুত্ব কেমন হবে? যেমন বাংলাদেশের স্হল ও সমুদ্র সীমার গুরুত্ব বিবেচনায় প্রথমে আর্মি অতঃপর নেভি এবং বিমান বাহিনী। অন্য দিকে ইংল্যান্ডের জন্য সমুদ্রের গুরুত্ব বেশী হওয়ায় বাহিনী বিন্যাসে প্রথমে নেভি এবং পরে আর্মি ও এয়ার ফোর্স। 

    ණ☛ ঠিক এভাবেই একটি দেশের ভুমি সেদেশের প্রতিবেশীর অবস্থান বিবেচনায় রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক, কুটনৈতিক ও সমরনীতি প্রনয়নে দিকনির্দেশনা দিয়ে থাকে। যেমন রাজনৈতিক পরিকল্পনার মর্মশাশ হচ্ছে সেদেশের মানুষের মঙ্গল করা। দেশটির সরকারের রাজনৈতিক পরিকল্পনা হল প্রতিবেশী দেশের সাথে ব্যাবসা বানিজ্য করে নিজদেশের ও জনগণের উন্নয়ন সাধন করা। অর্থাৎ দেশটির পরিকল্পনা হচ্ছে প্রতিবেশীর সাথে ব্যাবসায়ে ট্রেড ব্যালান্স যেন নিজ দেশের দিকে থাকে। অন্য দিকে প্রতিবেশীও চাইবে ট্রেড ব্যালান্স নিজ দেশের দিকে রেখে দেশ ও জনগণের উপকার করতে। এই ক্ষেত্রে উভয় প্রতিবেশীর মধ্যে সংঘাত ও সংঘর্ষ অনিবার্য। তাই কোনো দেশ যখন প্রতিবেশী দেশকে সামনে রেখে কোনো পরিকল্পনা গ্রহন করে তখন ঐ পরিকল্পনার পিছনে ফোর্স বা শক্তি অবশ্যই থাকতে হবে। কারন কোনো রাষ্ট্র পরিকল্পনা গ্রহন করল আর সেই পরিকল্পনার সমর্থনে কোনো ক্রেডিবল ফোর্স বা শক্তি যদি না থাকে তবে সেই পরিকল্পনা পরিকল্পনাই থাকবে এর সফল ও বাস্তবসম্মত বাস্তবায়ন করা সম্ভব না হবার ফলে ঐ পরিকল্পনার দ্বারা দেশের ও দেশের মানুষের উন্নতি করা সম্ভব হবেনা। তো কোনো দেশের পরিকল্পনার পিছনের ফোর্স বা শক্তিকে বলা হয় " ফোর্স টু পলিসি রেশিও"। আর এই ফোর্স বা শক্তি হচ্ছে সেদেশের সশস্ত্র বাহিনী। কারন প্রতিবেশী দেশের সেন্ট্রিফিউগাল ফোর্সকে ইম্ব্যাল্যান্স কেবল করতে পারে সেদেশের সশস্ত্র বাহিনী। এবং এই বাহিনীর অদল কি হবে তাও নির্দেশ করে সেদেশের ভুমি ও প্রতিবেশী দেশের অবস্হান। এনিয়ে বিশদ আলোচনা এখানে সম্ভব নয়। 

    ණ☛ নেপালের বড় শুবিধা হল তার প্রতিবেশী মহাচীন। নেপালকে ভারতের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে নেপালের জন্য চীন সঙ্গতকারনে সবকিছু করবে। যে শুবিধা নেপালের আছে বাংলাদেশের সে শুবিধাও নাই। বাংলাদেশের জন্য চীন রয়েছে হিমালয়ের দুর্লঙ্ঘ্য ব্যাবধানে। পুর্ব দক্ষিণে মিয়ানমার রোহিঙ্গা সমস্যার কারনে বাংলাদেশের জন্য কোনো আলোকবর্তীকা নয়। ভারতের মত মিয়ানমারও বাংলাদেশ মিয়ানমার সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া দেয়া প্রায় সম্পন্ন করে ফলেছে। অতএব বাংলাদেশ এখন কাঁটাতারের বেড়া ঘেরা অবরুদ্ধ একটি দেশ। আমরা সমুদ্রের দিকে তাকাতে পারি। কিন্তু আমাদের সমুদ্র সীমান্ত বিপদকালে উন্মুক্ত রাখতে প্রয়োজন ব্লুওয়াটার নেভির। সেই সামর্থ্য হয়তো একদিন বাংলাদেশের হবে ইনশাহআল্লাহ। তবে আমাদের আছে আনুপম জনসংবদ্ধতা ভুরাজনৈতিক শত সীমাবদ্ধতার মাঝে আলোকবর্তিকা হিসাবে বাংলাদেশের জন্য বহুমাত্রিক ইতিবাচক আশার ইঙ্গিতবহ। 

    লেখক : কলামিস্ট ও প্রাক্তন মহাপরিচালক বিডিআর।

    __._,_.___

    --
    Pl see my blogs;


    Feel free -- and I request you -- to forward this newsletter to your lists and friends!


    https://www.youtube.com/watch?v=ym-F7lAMlHk


    फिल्में फिर वही कोमलगांधार,

    शाहरुख  भी बोले, बोली शबाना और शर्मिला भी,फिर भी फासिज्म की हुकूमत शर्मिंदा नहीं।

    https://youtu.be/PVSAo0CXCQo

     KOMAL GANDHAR!



    Forget not Ritwik Ghatak and his musicality, melodrama,sound design,frames to understand Partition of India!

    होशियार, फासीवाद का जवाब सृजन है,इप्टा है,सनसनी नहीं!क्योंकि यह मौका लामबंदी का!


    भारत विभाजन के दुष्परिणामी सच को जाने बिना इस केसरिया सुनामी को मुकाबला नामुमकिन, इसीलिए कोमल गांधार और ऋत्विक घटक!

    तूफान खड़ा करना हमारा मकसद नहीं है,कयामत का यह मंजर बदलना चाहिए और हर हाल में फिजां इंसानियत की होनी चाहिए।


    बिरंची बाबा ने गुजरात नरसंहारी संस्कृति के बचाव में फिर सिख संहार का उल्लेख किया है,आप देख लें,हम शुरु से आज की तारीख तक बार बार उसका विरोध करते रहे हैं जैसे हम बाबरी विध्वंस और गुजरात नरसंहार और आर्थिक सुधारों के नाम नरमेधी राजसूय सुधारों,समंतवाद,पितृसत्ता और साम्राज्यवाद का विरोध करते हैं।


    अवॉर्ड लौटाने वाले लोग हिम्मती, मैं उनके साथ हूं : शाहरुख खान



    पलाश विश्वास

    अवॉर्ड लौटाने वाले लोग हिम्मती, मैं उनके साथ हूं : शाहरुख खान


    फिल्में फिर वही कोमलगांधार,शाहरुख  भी बोले,अमजद अली खान बोले, बोली शबाना और शर्मिला भी,फिर भी फासिज्म की हुकूमत शर्मिंदा नहीं।हम उन्हें कोई मौका भी न देे!


    होशियार, फासीवाद का जवाब सृजन है,इप्टा है,सनसनी नहीं!क्योंकि यह मौका लामबंदी का!


    भारत विभाजन के दुष्परिणामी सच को जाने बिना इस केसरिया सुनामी को मुकाबला नामुमकिन, इसीलिए कोमल गांधार और ऋत्विक घटक!


    विभाजन और आत्मध्वंसी ध्रूवीकरण,जाति और धर्म के नाम गृहयुद्ध के इस कयामती मंजर से निपटना है तो भारत विभाजन का सच जानना जरुरी है और इस पर हम लगातार चर्चा करते रहे हैं।हम न फिल्मकार हैं और न कोई दूसरा विशिष्ट विशेषज्ञ,लेकिन सच को उजागर करने के इरादे से आज दिन में भारी दुस्साहस किया है।इसे देखें, लेकिन जान लें कि हम फिल्मकार नहीं हैं।माध्यमों और विधाओं पर सख्त पहरा है।इसलिए कृपया वीडियो खुलते ही डाउनलोड करके प्रसारित करके इस बहस को आगे बढ़ायें,यह राष्ट्रीय एकता और अखंडता का अनिवार्य पाठ है।जो आपके हमारे मोक्ष और मुक्ति के लिए अनिवार्य भी हैं।


    अपने वेबकैम का दायरा तोड़कर ऋत्विक घटक की मास्टरपीस फिल्म कोमल गांधार की क्लिपिंग के साथ फ्रेम बाई फ्रेम लोक और संगीतबद्धता, शब्दविन्यास और सामजिक यथार्थ के विश्लेषण के साथ साथ अपना शरणार्थी वजूद को फिर बहाल किया है।


    हम चाहते हैं,कोमल गांधार के बाद मेघे ढाका तारा, सुवर्णरेखा, तमस,टोबा टेक सिंह और पिंजर की भी चीड़ फाड़ कर दी जाये।


    कोई दूसरा हमसे बेहतर यह काम करें तो हमारा यह अनिवार्य कार्यभार थोड़ा कम होगा।आप नहीं करेंगे तो हम जरुर करेंगे।


    संजोग से भारतीय सिनेमा हमेशा की तरह आज भी राष्ट्र, मनुष्यता, सभ्यता,समता,न्याय,बहुलता और विविधता ,अमन चैन और भाईचारे की जुबान में बोलने लगा है।


    शाहरुख ने पुरस्कार लौटाया नहीं है लेकिन मुंबई फिल्म उद्योग पर अति उग्र हिंदुत्व के वर्चस्व और आतंक से बेपरवाह होकर साफ साफ कह दिया है कि देश में एक्स्ट्रिम इनटोलरेंस है।


    इससे पहले एक ही मंच से अमजद अली खान,शर्मिला टैगोर और शबाना आजमी ने देश में अमनचैन कायम रखने के लिए असहिष्णुता के इस माहौल को खत्म करने की अपील की है।जो अब भी चुप हैं,हम नाम नहीं गिना रहे,वे भी बोलेंगे।


    असहिष्णुता और हिंसा,विभाजन और अस्मिता गृहयुद्ध के विषवृक्ष भारत विभाजन की जमीन पर रोपे गये हैं जो अब फल फूलकर कयामत के मंजर में तब्दील है।


    हमने ऋत्विक घटक की फिल्म कोमल गांधार के जरिये भारत और दुनियाभर इंसानियत के भूगोल के तमाम विभाजनपीड़ितों, हम शरणार्थियों के रिसते हरे जख्म आपके सामने फिर पेश कर दिये।


    कोमल गांधार को शरणार्थी गांव बसंतीपुर में जनमे हमने न सिर्फ बचपन में जिया है और न हम अब बूढ़ापे में जी रहे हैं बल्कि तमस,पिंजर,टोबा टेक सिंह से लेकर ऋत्विक की फिल्मों तक मानवीय पीड़ा और त्रासदी ही कुल मिलाकर हमारी यह छोटी सी जर्रा जर्रा जिंदड़ी है।


    हमने मधुमती और पद्मा,रावी,झेलम,ब्यास के लिए हुजूम के हुजूम इंसानों को रोते कलपते देखा है।हम बचपन से साझे चूल्हे की आंच में दहकते महकते जीते रहे हैं क्योंकि हम शरणार्थी अंततः समाजिक प्राणी हैं,कुत्ते हर्गिज नहीं हैं,इसलिए इंसानियत के हकहकूक के लिए आवाज बुलंद करना हमारी आदत है।


    हमने अपने पिता को बार बार बांगलादेश की जमीन छूने के लिए सरहद की हदें तोड़ते देखा है।कोमल गांधार हमारा किस्सा है।


    जैसे कोमल गांधार के पात्र लोकगीतों में खोये हुए संसार के लिए यंत्रणाशिवर के वाशिंदे लगते हैं,आज भी करोड़ों शरणार्थी उसी यंत्रणा शिविर में दंगाई जाति धर्म वर्ग के मनुस्मृति राष्ट्र के कैदी हैं।यह हमारा भोगा हुआ यथर्थ है कि हम रिसते जख्मों की,खून की नदियों की विरासत ढोने को मजबूर हैं।यह देश मृत्यु उपत्यका।


    ऋत्विक भी इसी सामाजिक यथार्थ के साथ जिये और मरे।


    यह वीडियो कोमल गांधार की तरह विभाजन के सामाजिक दुष्परिणामों के विश्लेषण पर आधारित है।


    इतिहास का सबसे भयंकर सच हैं कि तब हमारे पुरखों ने अपनी हिंदुत्व की पहचान के लिए,अपनी आस्था,पूजा और प्रार्थना के हकहकूक के लिए पूर्वी पाकिस्तान और पश्चिम पाकिस्तान की अपनी जमीन,विरासत और घर छोड़कर शरणार्थी बन गये।


    जाहिर है कि इसीलिए हमारा यह दुस्साहसी सुझाव है कि हमें ऐसा कुछ भी नहीं करना चाहिए जिससे बहुसंख्य जनता को धर्मोन्मादी जाति पहचान के नाम पर बार बार बांटकर यह मनुस्मृति स्थाई असमता और अन्याय का जमींदारी बंदोबस्त जारी रहे।


    विभाजन में देश का ही बंटवारा नहीं हुआ,मोहंजोदोड़ो और हड़प्पा का भी बंटवारा हो गया।


    शहीदों ने कुर्बानियां दी और जमींदार राजे रजवाड़े,नवाब इत्यादि और उनके वंशज सत्ता वर्ग में तब्दील हो गये।


    सारे खेत उनके थे।

    अब सारा कारोबार उन्हींका है।

    सारे उद्योग धंधे उन्हींके हैं।


    बाकी आम जनता मूक वधिर भेड़ धंसान धर्म और जाति के नाम पर कट मरने के लिए है।


    उन्होंने अपनी जमींदारियां और रियासतें बचा लीं और भारत का बंटवारा करके करोडो़ं इंसानों की जिंदगी धर्म और जाति के नाम नर्क ही नर्क,कयामत ही कयामत बना दी।


    मनुष्यता,सभ्यता और प्रकृति के विरुद्ध उनका यह जघन्य युद्ध अपराध फिर सिख संहार,बाबरी विध्वंस, भोपाल गैस त्रासदी, पर्यावरण विध्वंस,परमाणु विकल्प,सलवा जुड़ुम, आफस्पा,गुजरात नरसंहार,लगातार,जारी दंगे फसाद,आतंकी हमले और फर्जी मुठभेड का विकास हरिकथा अनंत मुक्तबाजार है।अश्वमेध अभियान।


    तूफान खड़ा करना हमारा मकसद नहीं है,कयामत का यह मंजर बदलना चाहिए और हर हाल में फिजां इंसानियत की होनी चाहिए।


    ज्योति बसु मुख्यमंत्री बने तो लालकृष्ण आडवाणी उप प्रधानमंत्री और डा.मनमोहन सिंह इस महान देश के प्रधानमंत्री बने,जो शरणार्थी हैं।


    इसके विपरीत सच यह भयंकर है कि करोड़ों शरणार्थी विभाजन के कारण और देश के भीतर जारी बेइंतहा बेदखली और अबाध विदेशी पूंजी की मनुस्मृति अर्थव्यवस्था और राजनीति के कारण जल जंगल जमीन नागरिकता मातृभाषा नागरिक और मानवाधिकार से वंचित आईलान की जीती जागतीं लाशें हैं।उनकी कोई सुनवाई नहीं।


    कोमलगांधार उन्ही लोगों के ताजा रिसते हुए जख्मों का मेलोड्रामा, थियेटर,लोकगीत,शब्दतांडव और प्रतिरोध का समन्वय है।


    विभाजन को न समझने,उसके कारणों और परिणामों की समझ ऋत्विक जैसी न होने की वजह से हमारे कामरेड गोमांस उत्सव जैसे सनसनीखेज मीडिया इवेंट की जरिये इस असहिष्णुता और धर्मोन्माद का मुकाबला करने के बहाने दरअसल आस्था और धर्म के नाम बेहद संवेदनशील बहुसंख्य जनगण को फासिस्ट तंत्र मंत्र यंत्र के तिलिस्म में हांकने की भयंकर भूल कर रहे हैं।


    हमें यह सच भूलना नहीं चाहिए कि धर्म के नाम पर देश का बंटवारा हुआ हिंदुत्व के महागठबंधन के जरिये और वही प्रतिक्रियावाद और फासिज्म का राजकाज,राजनीति और राजनय हैं।नरसंहार संस्कृति का विकास है।कयामत का मंजर जो है।


    हमें यह सच भूलना नहीं चाहिए कि धर्म का विरोध इस अंधत्व से करके हम किसीभी स्तर पर बहुसंख्यक जनता को इस प्रलयंकर केसरिया सुनामी,गुलामी के खिलाफ गोलबंद नहीं कर सकते।


    कोमल गांधार इसलिए भी खास है कि इस फिल्म में कम्युनिस्ट नेतृत्व की आलोचना और इंडियन पीपुल्स थियेटर आंदोलन पर अंध नेतृत्व के वर्चस्व की आलोचना की वजह से न सिर्फ पार्टी,इप्टा बल्कि बंगाल के भद्र समाज से ऋत्विक घटक का  चित्रकार सोमनाथ होड़, रवींद्र संगीत गायक देवव्रत जार्ज विश्वास से लेकर सोमनाथ चटर्जी और जेएनयू के प्रसेनजीत समेत युवा नेताओं की तरह निस्कासन हो गया।जिसके बाद वे भी शरणार्थी ही बन गये।


    ऋत्विक के संसर का विखंडन उसी बिंदु से शुरु हुआ।उस ऋत्विक घटक का विखंडन और विस्थापन,जिन्हें कामरेड पीसी जोसी तक ने भरत का एकमात्र गणशिल्पी कहकर चूम लिया था।


    यह कटु सच है कि बिखरे हुए ऋत्विक को सहारा देने वाले इंदिरा गांधी से लेकर कुमार साहनी,मणि कौल,फिल्म विधा के छात्रों और बाकी देश ने दिया,कामरेडों ने नहीं और न बंगाल ने।कभी नहीं।


    यह भी कटु सत्य है कि बंगाल में वाम वर्चस्व,वाम राजकाज की परिधि में अछूत रवींद्र के दलित विमर्श या ऋत्विक घटक की जनप्रतिबद्ध फिल्मों पर,उनके सामाजिक यथार्थ के सौंदर्यबोध पर कोई विचार विमर्श हुआ ही नहीं।इसकी इजाजत भी नहीं थी।


    जैसे हम शरणार्थी लावारिश मरने खपने को अभिशप्त हैं,वैसे ही ऋत्विक घटक आपातकाल के दौरान 1976 में मर खप गये।


    हमारे पास ऋत्विक के  सृजन की विरासत है।

    वह खजाना है।

    तो हम क्यों नहीं उसे उस जनता का हथियार बनाने की पहल करेंं,जिनके प्रति प्रतिबद्ध था उनके सामाजिक यथार्थ का सौन्दर्यबोध!यह वक्त का तकाजा है क्योंकि देश दुनिया को इंसानियत का मुकम्मल मुल्क बनाना हमारा मकसद है।


    सृजनशील अद्वितीय फिल्मकार के राजनीतिक वध के लिए भी जिम्मेदारी से बच नहीं सकते कामरेड जैसे वह इप्टा के विखंडन का भी दोषी है।उनकी ऐतिहासिक भूलें जमींदारियां बहाल रखने की अखंड कवायदें हैं और हमारे नजरिये से वह भी फासीवाद है।


    बहरहाल,सृजनशील हुए बिना प्रतिक्रियावाद का रास्ता अपनाकर हमारे कामरेड फिर जनता के बीच जाने और जनता को नेतृत्व में प्रतिनिधित्व देने की जिम्मेदारी से साफ इंकार कर रहे हैं। एकदफा फिर यह ऐतिहासिक भूल जमींदारियां बहाल रखने की अखंड कवायदें हैं और हमारे नजरिये से वह भी फासीवाद है।



    इस वक्त फासिज्म के राजकाज के लिए जनादेश की खोज में जो गोरक्षा आंदोलन का अरब वसंत है,उसका मुकाबला प्रतिक्रिया नहीं,सर्जन है।हमें फिर से गण नाट्यांदोनल को इस उन्माद के विरुद्ध मुकाबले में खड़ा करना चाहिए।जो कामरेड नहीं चाहते।


    हमें फिर फिर ऋत्विक घटक चाहिए।हम अपढ़ हैं फिरभी इसी मकसद से शुरुआत हम कर रहे हैं।


    समर्थ और विशेषज्ञ लोग इस संवाद को विस्तार दें तो हम यकीनन फिर फासिज्म को हरायेंगे।


    साहित्य और कला,विज्ञान और इतिहास की जो अभूतपूर्व ऐतिहासिक गोलबंदी हो रही है,उसे अपनी मूर्खता से जाया न करें , इसलिए भारतीय कम्युनिस्ट नेतृत्व में अंतर्निहित फासीवादी रुझान की भी हमने निर्मम आलोचना की है।


    कृपया इसे अन्यथा न लें।क्योंकि फासीवाद का कोई रंग नहीं होता और सिर्फ केसरिया रंग ही फासीवाद नहीं है।


    फासीवाद का रंग लाल भी होता रहा है और इसके अनेक सबूत हैं।

    नील रंग का फासीवाद तो हम बदलाव के परिदृश्य में बरंबार देख रहे हैं।


    हम कुल मिलाकर लोकतंत्र,एकता,अकंडता,विविधता और अमनचैन के हक में इस कयामती मंजर के खिलाफ है और किसी भी रंग का फासीवाद हमें कतई मंजूर नहीं है।


    बिरंची बाबा ने गुजरात नरसंहारी संस्कृति के बचाव में फिर सिख संहार का उल्लेख किया है,आप देख लें,हम शुरु से आज की तारीख तक बार बार उसका विरोध करते रहे हैं जैसे हम बाबरी विध्वंस और गुजरात नरसंहार और विकास और समरसता के नाम नरमेधी आर्थिक सुधारों,समंतवाद,पितृसत्ता और साम्राज्यवाद का विरोध हमेशा हमेशा करते रहेंगे हैं।आखिरी सांस तक करते रहेंगे।


    यही हमारे सामाजिक यथार्थवाद का सौंदर्यबोध है,जो न अवसरवादी होता है और न वोट बैंक समीकरण।


    हम हर हाल में मनुष्यता,सभ्यता,प्रकृति के पक्ष में हैं।

    हम अंधेरे के खिलाफ रोशनी के पक्षधर हैं।


    अगले पिछले नरसंहार के बहाने आप नरसंहारी फासीवाद को जायज यकीनन ठहरा नहीं सकते।


    तब कुमार साहनी और मणिकौल ने उन्हें,हमारे महान फिल्मकार, इंडियन पीपुल्स थिएटर के निष्कासित,जख्मी,लहूलुहान ऋत्विक घटक को सहारा दिया।


    इस वीडियो में हमने वह किस्सा भी खोला है।


    भारतीय समांतर सिनेमा की त्रिधारा बंगाल से बह निकली सत्यजीत राय,मृमाल सेन और ऋत्विक घटकके जरिये।


    सत्यजीत रे का सौंदर्यबोध और फिल्मांकन विशुद्ध पश्चिमी सौंदर्यबोध है तो मृणाल सेन ने डाकुमेंटेशन स्टाइल में फिल्में बनायी।इन दोनों से अलग ऋत्विक की जडे़ं भरतीय लोक में है।


    इसकी अगली कड़ी नई लहर की समांतर फिल्में हैं जो सत्तर दशक की खस पहचान है लघु पत्रिका आंदोलन की तरह।


    हम इतने कमजोर भी न होते,अगर इप्टा का बिखराव नहीं होता।


    हमारी फिल्मों ने साठ के दशक के मोहभंग को जिया है तो सत्र दशक के विद्रोह और गुस्से को आवाज भी दी है और हमेशा हर स्तर पर लोकतंत्र को मजबूती दी है।क्योंकि उसकी जडें भी भारतीय लोक,ग्राम्य भारत,भारतीय नाट्य कला और इप्टा में हैं।


    जिस इप्टा के कारण बलराज साहनी,हंगल,सलिल चौधरी,सोमनाथ होड़,देवव्रत विश्वास और मृणाल सेन से लेकर सृजन के जनप्रतिबद्ध राष्ट्रीय मोर्चे का निर्माण हुआ,उसकी विरासत जानने के लिए ऋत्विक की फिल्में अनिवार्य पाठ है और हमने अनाड़ी प्रयास यह बहस सुरु करने के मकसद से किया।


    कृपया इस गुस्ताखी के लिए विद्वतजन माफ करें और अपनी तरफ से पहल भी करें।


    ये ऋत्विक ही थे जिनने देहात भारत के  रुप रस रंग गंध में रचे बसे लोक में गहरे बैठे ठेठ देशी संवाद के संगीतबद्ध दृश्यमुखर श्वेत श्याम सामाजिक यथार्थ का सौंदर्यबोध का निर्माण किया।


    उनकी फिल्में शब्द संयोजन का नया व्याकरण है तो म्युजिकेलिटी में उनकी फिल्मों में फ्रेम दर फ्रेम भयंकर निजी व सामजिक विघटन, विस्थापन, राजनीतिक अराजकता,शरणार्थी अनिश्चय और असुरक्षाबोध, प्रलंयकर धार्मिक विभाजन को खारिज करने वाली मानवीय पीड़ा और प्रचंड सकारात्मक आशाबोध का विस्तार है।इसे बूझने के लिए कि हम सच या झूठ बोल रहे हैं तो फिल्म कोमल गांधार के साथ हमारा वीडियो भी देख लें।


    यह फिल्म 1960 में बनी मेघे ढाका तारा के बाद 1961 में बनी तो विभाजन पर ही ऋत्विक ने 1962 में अपनी तीसरी फिल्म सुवर्णरेखा बनायी।


    इस कालखंड के ऋत्विक घटक रचनात्मकता के चरमोत्कर्ष पर थे।


    उननेकोमल गांधार में अपनी मेलोड्रामा,म्युजिकैलिटी और लोक को निर्मम शब्द विन्यास और मुखर शवेत श्याम दृश्यबिम्बों से फिल्मांकन के जरिये एक महाकाव्य की रचना की है।


    बॉलीवुड के 'बादशाह' शाहरुख खान सोमवार को अपना 50वां जन्मदिन मना रहे हैं। इस मौके पर एनडीटीवी की बरखा दत्त से बात करते हुए जन्मदिन, धर्म और रोमांस पर भी बात की।


    पेश है शाहरुख के साथ इंटरव्यू की कुछ मुख्य बातें

    • काश मुझे किसी तरह की कोई चोट नहीं होती, जिनसे मेरी रफ्तार धीमी हुई। लेकिन 50 साल की उम्र में आप बहुत कुछ नहीं बदल सकते।

    • मैं अपना मजाक बना सकता हूं, कला का नहीं। मैंने जो फिल्में की हैं, मैं उनसे प्यार करता हूं।

    • मैंने निर्णय किया है कि मैं फिल्में सिर्फ मेरे लिए करुंगा।

    • फैन बनने से पहले मैं स्टार बन गया। अत: मैं किसी का फैन नहीं रहा, इसलिए फिल्म 'फैन' के निर्माण के दौरान मुझे खूब मेहनत करनी पड़ी।

    • ऐसे व्यक्ति के लिए जो मेरे बारे में अलग तरीके से सोचता है, उसके सामने खुद की एक्टिंग करना अटपटा सा था।

    • पश्चिमी देशों में आपकी राय का सम्मान होता है। लेकिन हमारे देश में, मुझे लगता है कि अगर मेरी राय आपके साथ नहीं मिलती है तो यह विवाद को जन्म दे देती है।

    • मैं जो सोचता हूं अक्सर वो बोल नहीं पाता हूं, क्योंकि मुझे मेरी फिल्मों को लेकर चिंता होती है।

    • जो भी लोग क्रिएटिव लोगों के खिलाफ खड़े होते हैं उन्हें विशाल प्रतिक्रिया का सामना करना पड़ता है।

    • हमारे मांस खाने की आदतों से हमारे धर्मों का निर्धारण नहीं हो सकता।

    • मेरे घर में हर कोई अपना-अपना धर्म मानने को आजाद है। मेरे बच्चे असमंजस में रहते हैं कि वे हिन्दू हैं या मुस्लिम। मैं पूछता हूं ईसाई क्यों नहीं।

    • धार्मिक असहनशीलता और किसी भी तरह की असहनशीलता हमें अंधकार युग की ओर ले जाते हैं।

    • अगर आप देशभक्त हैं तो आप देश की हर चीज से प्यार करेंगे, ना कि किसी धर्म या क्षेत्र के आधार पर।

    • अनुपम खेर अपनी राय दे पा रहे हैं और दूसरे डायरेक्टर के बारे में अपनी राय दे पा रहे हैं। यही सहनशीलता है।

    • मुझे लगता है कि जो लोग अवॉर्ड लौटा रहे हैं वो बहुत हिम्मत वाले लोग हैं। मैं उनके साथ हूं। अगर वे चाहेंगे कि मैं उनके साथ किसी मार्च में आऊं या प्रेस कॉन्फ्रेंस करूं तो मैं तैयार हूं।

    • व्यक्तिगत तौर पर मेरा अवॉर्ड लौटाना कुछ ज्यादा ही प्रतीकवाद हो जाएगा। विरोध स्वरूप कुछ चीज लौटाने में मेरा विश्वास नहीं है।

    • मेरा मानना है कि एफटीआईआई के छात्र बिल्कुल सही थे। कुछ शब्द और हरकतें गलत हो सकती हैं। लेकिन जब आप प्रदर्शन कर रहे हों, अनशन कर रहे हों तो आपकी भावनाएं चरम पर होती हैं और कुछ इधर-उधर हो जाता है। लेकिन मेरा मानना है कि छात्र बिल्कुल सही थे।

    • मेरे पास एक खास हथियार है और वह यह कि लोग मुझे बहुत प्यार करते हैं। अगर कोई मेरे खिलाफ होता है तो काफी संख्या में मुझे प्यार करने वाले लोग मेरी तरफ आ खड़े होते हैं।

    • मैं डरता नहीं हूं, लेकिन कई बार स्वार्थी हो जाता हूं। मैं किसी तरह का उपद्रव नहीं चाहता, मुझे इससे डर लगता है। मैं दिन में 18 घंटे काम करता हूं और मैं चाहता हूं कि मुझे अपना काम करने दिया जाए।

    • यह बेहद अपमानजनक और शर्मनाक है कि मुझे मेरी राष्ट्रभक्ति साबित करनी पड़ी।

    • मैं भारत में जन्मा फिल्मी सितारा हूं। मैं भारत में जन्मा भारतीय हूं। मैं भारतीय हूं और इस पर कोई सवाल कैसे उठा सकता है।

    • किसी के पास भी भारत में रहने का अधिकार मुझसे ज्यादा नहीं है और मैं देश छोड़कर कहीं नहीं जाने वाला, इसलिए ऐसी मांग करने वाले मुंह बंद रखें।

    • बच्चों को विदेश भेजकर पढ़ाने का कारण सिर्फ इतना है कि उन्हें सुरक्षा और मेरे स्टारडम से दिक्कत ना हो।

    • अगर हम तीन खानों के बारे में बात करके यह साबित करने की कोशिश करते हैं कि भारत सेक्युलर है तो असल में नहीं है। भारत चमक रहा है यह दिखाने के लिए खानों का चमकना जरूरी नहीं है। अगर हम कला को भी रोकने की कोशिश करेंगे तो और ज्यादा साम्प्रदायिक हो जाएंगे।

    • 50 साल की उम्र में भी मैं डांस कर सकता हूं। किसी महिला में इतना विश्वास जगा सकता हूं कि वो मुझसे प्यार करने लगे। मुझे लगता है यही रोमांस है।

    http://khabar.ndtv.com/news/filmy/there-is-intolerance-extreme-intolerance-shahrukh-khan-1239134



    --
    Pl see my blogs;


    Feel free -- and I request you -- to forward this newsletter to your lists and friends!

    0 0
  • 11/03/15--05:04: Article 4
  • Dilip C Mandal 

    मैं आरएसएस के ऑफीशियल पेज Rashtriya Swayamsevak Sangh : RSS पर तस्वीरें देख रहा हूं। वे जब शहर में लाठी या गन लेकर परेड करते हैं, उसको पथ संचलन जैसा कुछ बोलते हैं। चमड़े का जूता, चमड़े की बेल्ट और अंग्रेज़ सिपाहियों की छोड़ी हुई हवादार ख़ाकी हाफ पैंट पहनकर जब ये निकलते हैं तो कितने स्मार्ट दिखते हैं! आप भी अलग अलग शहर की इन तस्वीरों को गौर से देखिए।

    ये जब निकलते हैं,
    तो शहर में सन्नाटा पसर जाता है,
    दुकानें बंद, शटर डाउन,
    खरीदार गायब,
    रिक्शा बंद, ऑटो, टैंपो ग़ायब, 
    सडक पर न कोई चलता है, न गाड़ी चलाता है,
    आम आदमी घर में दुबक जाता है,
    रेहडी पटरी पर एक भी बेचनेवाला नहीं,
    एक औरत नहीं,
    बच्चे सड़क से ग़ायब हो लेते है,
    पता नहीं,
    उनकी माँ इसके लिए बोलती हैं, वे खुद ही सटक लेते हैं।

    आरएसएस का असर तो है।
    सारी तस्वीरें देख लीजिए। सलेक्शन भी मेरा नहीं है। आरएसएस ने खुद अपने पेज पर लगाई हैं। अलग अलग शहर से दिन के अलग अलग वक्त की तस्वीरें! छाया देखने से पता चलता है!


    --






    Pl see my blogs;


    Feel free -- and I request you -- to forward this newsletter to your lists and friends!

    0 0

    If #Nepal can stay put and survive, #India will not win…. #ModiFailedInNepal

    ताज़ा आलेख/ समाचार